Sunday, September 14, 2014
দিল্লি ও ঢাকার উচিত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা -বিশেষ সাক্ষাৎকারে এম জে আকবর by সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান
দিল্লি ও ঢাকার উচিত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা -বিশেষ সাক্ষাৎকারে এম জে আকবর by সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান
শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় সাংবাদিক ও লেখক এম
জে আকবর এখন ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র। সানডে, দ্য
টেলিগ্রাফ ও ইন্ডিয়া টুডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য
বই শেড অব সোর্ডস: জিহাদ অ্যান্ড দ্য কনফ্লিক্ট বিটুইন ইসলাম অ্যান্ড
ক্রিশ্চিয়ানিটি (২০০৩), ব্লাড ব্রাদার্স-এ ফ্যামিলি সাগা (২০০৬) ও
টিন্ডারবক্স: দি পাস্ট অ্যান্ড ফিউচার অব পাকিস্তান (২০১২)। সম্প্রতি ঢাকা
সফরকালে তাঁর এই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।
>>>সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান

প্রথম আলো : হঠাৎ বিজেপিতে কেন? এটা আপনার ঢাকার বন্ধুদেরও অবাক করেছে।
এম জে আকবর : এর প্রচুর জবাব দিয়েছি। এটা যদিও ব্যক্তিগত বিষয় তবুও বলি, বিজেপি সম্পর্কে লোকের যে ধারণা, সেটা অত্যন্ত ভ্রান্ত ব্যাখ্যাপ্রসূত। আর সবচেয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা নরেন্দ্র মোদিই দিয়েছেন। গত বছরের ১৫ আগস্টে প্রথমেই তিনি ভারতকে সংজ্ঞায়িত করলেন। বললেন, পাবলিক লাইফ (জনজীবন) পরিচালিত হবে ভারতের সংবিধান দ্বারা। আর ভারতের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান। সুতরাং অঙ্গীকারের জায়গাটা এখানেই ফয়সালা হলো। দর্শনগত দিকও এতে স্পষ্ট।
প্রথম আলো : দর্শনের কথা যদি বলেন, তাহলে তো বলতে হয় যে আপনি নিজে মনে করেন যে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত লাকুম দিনুকুম (যার ধর্ম তার কাছে)-এর সঙ্গে আপনি ভারতীয় সংবিধানের বিরোধ দেখেন না।
এম জে আকবর : হ্যাঁ, ঠিক।
প্রথম আলো : লাকুম দিনুকুম-এর সঙ্গে বিজেপির হিন্দুত্ববাদের কি বিরোধ নেই? এর মধ্যে কীভাবে তার সমন্বয় ঘটাবেন?
এম জে আকবর : কোনো অসুবিধা দেখি না। আমাদের সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, হিন্দুত্ববাদ হলো সাংস্কৃতিক বাস্তবতা।
প্রথম আলো : বিজেপি কি সেটা কেবল এই অর্থেই ব্যবহার করে?
এম জে আকবর :ওই অর্থেই ব্যবহার করে। কোনো ধরনের নিরাপত্তাবোধহীনতা সৃষ্টির কোনো প্রশ্নই ওঠে না। যা চলছে সেটা একটা অসম্ভব, সম্পূর্ণরূপে অবিশ্বাসযোগ্য আনফিজিবল মাইন্ডসেট। এটা সাংস্কৃতিক মাইন্ডসেট। যেহেতু সাক্ষাৎকার দিচ্ছি, একটু ভেবে বলি। যেমন এই আমরা কথা বলছি, এই মুহূর্তে একটা সংকট হয়ে যাচ্ছে। আর ওই রকম একটা সংকট যখন আমাদের ওপর একটা আক্রমণ হচ্ছে। তখন ভাবি সব ভুলে যাব। তখন মগজে যা লেখা থাকে সেটা বেরোবে। আমার মনে পড়ে গান্ধী ময়দানে ঘটনা ঘটেছিল। সেটা বিহারের পাটনায়। গত বছরের অক্টোবরে মোদি যখন বক্তব্য দেন, তখন তাঁর ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালাল। খুবই ভয়ংকর সন্ত্রাসী হামলা। ওনার ওপর তখন ২০০ ক্যামেরা। সেটা ছিল দেশের জন্য অত্যন্ত উত্তেজনাকর মুহূর্ত। দুবৃর্ত্তরা ধরা পড়েছে। ষড়যন্ত্রও উদ্ঘাটিত হয়েছে। তখন তিনি কী বললেন, আমি সেটা হিন্দিতে বলতে চাই। আপনি সেটা বাংলায় তরজমা করে দেবেন। প্রথমেই বললেন, উসকানি যতই আসুক, শান্তির কোনো বিকল্প নেই। তারপর তিনি বললেন, হিন্দুকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, ও মুসলমানের সঙ্গে লড়বে, নাকি গরিবির সঙ্গে লড়বে। আর মুসলিমদেরও সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা হিন্দুর বিরুদ্ধে লড়বে, না গরিবির বিরুদ্ধে লড়বে। আমাদের শত্রু গরিবি। যত দিন না একত্র হচ্ছি তত দিন তো আমরা এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পারব না। এরপর বললেন, সামগ্রিক বিষয় হলো আপনি কী ধরনের মুসলিম দেখতে চান? মোদি মুসলমানদের এক হাতে কোরআন অন্য হাতে কম্পিউটার দেখতে চান।
প্রথম আলো : কিন্তু আমরা এতকাল বিজেপিকে একটি সাম্প্রদায়িক শক্তি হিসেবে জেনে এসেছি। আপনার বহু লেখালেখিও সেই সাক্ষ্য দেবে।
এম জে আকবর : সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে আমরা সবাই লিখেছি। সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে আমি কংগ্রেসের ওপর লিখিনি? হাজার হাজার দাঙ্গা সম্পর্কে লিখেছি। মোদির গুজরাটের রায়ট নিয়েই এই বিতর্কটা হচ্ছে। ১০ বছর হয়ে গেল। কংগ্রেস যত চেষ্টা করতে পারত, সরকার, পুলিশ, সিবিআই ও বিচার বিভাগের সব উপাদান ব্যবহার করেছে। বিষয়টি লোয়ার কোর্টস, মিডল কোর্টস এবং সুপ্রিম কোর্ট তদন্ত করেছে। কেউ তাঁর (মোদি) ওপরে ব্যক্তিগতভাবে দায় চাপাতে সক্ষম হননি।
প্রথম আলো : বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কোন্নয়নে বিজেপির বর্তমান যে নীতি, সেটা কোথায়, কতটুকু সংগতিপূর্ণ বা অসংগতিপূর্ণ বলে মনে হয়?
এম জে আকবর : প্রথম থেকে এসব ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মাথা বেশ পরিষ্কার। তাঁর বিদেশনীতির কয়েকটি কদম আমরা দেখতে পেয়েছি। এবার তিনি প্রকাশ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে দক্ষিণ এশিয়ার না, বলব ভারতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, আমাদের শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে, তাদের কীভাবে ওপরে নিয়ে আসা যায়। যখন তিনি বললেন যে তাঁর মা কাজের বুয়ার কাজ করতেন। বুয়ার কাজ করে আমাদের খাওয়াতেন; ১০/১১ বছর বয়সে রেলস্টেশনে চা বিক্রি করেছেন, এসব কথা বলেছেন রেডফোর্টে গিয়ে, আর কোনো প্রধানমন্ত্রীর হিম্মত হয়নি এসব বলার। যখন তিনি নারীদের টয়লেট সমস্যার কথা বলেন, তখন কি আমরা ভাবতে পারি যে তাদের অবমাননা ও স্বাস্থ্যগত সমস্যার বিষয়টি কত গভীরভাবে অনুভব করেন।
সংসদে নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধনী ভাষণের শুরুতেই বললেন, গরিবদের জন্যই যদি সরকার না করা যায়, তাহলে সরকার বলতে আমরা কী বুঝব? এটা কিন্তু তাঁর ওই রাজনৈতিক দর্শনেরই সম্প্রসারণ। দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দারিদ্র্যপীড়িত ভূমি। তিনি বললেন, আমরা সংঘাতে থাকলে কোনো সমস্যার সুরাহা করতে পারব না। কিন্তু সহযোগিতার সংস্কৃতি এবং পরিবেশ সৃষ্টির যে চেষ্টা তিনি করছেন, তার বার্তাটা কিন্তু সাদরে গৃহীত হয়েছে। এটা কিন্তু তাঁর ওই দর্শনেরই একটি সম্প্রসারণ। দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দারিদ্র্য জলাভূমি।
প্রথম আলো : এখানেই...
এম জে আকবর : না। আমাকে বলতে দিন। এটা বিশ্বের বৃহত্তম দারিদ্র্য ডোবা। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, আমরা সংঘাতে থাকলে কোনো সমস্যার সুরাহা করতে পারব না। প্রথমত, একমাত্র সহযোগিতা হলেই পারব। দ্বিতীয় কথা হলো, কোনো জাতিই কিন্তু বিগ ব্রাদার নয়। প্রত্যেকেই সমান। সবাই সমান। আয়তন দিয়ে বড় ভাই বা ছোট ভাই হওয়া যায় না। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যতই সমস্যা থাকুক সেটা সমাধোনের বাইরে নয়। ভাইদের মধ্যেও টেনশন থাকে। কিন্তু আপনি হয়তো অবাক হয়ে যাবেন, নেপালে কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ১৭ বছর যাননি। সেখানে গিয়ে উনি বললেন, দিজ ইজ নো বিগ ব্রাদার স্টেট। আমি খুবই আশাবাদী। সব সমস্যার সমাধান তো সম্ভব নয়। কিন্তু সংস্কৃতি এবং পরিবেশ সৃষ্টির যে চেষ্টা করছেন, তার বার্তাটা কিন্তু উষ্ণতার সঙ্গে সাদরে গৃহীত হয়েছে।
প্রথম আলো : মোদি সরকার বাংলাদেশে কংগ্রেসের চেয়ে ভারতীয় সহায়তা হ্রাস করেছে। তাঁর নিকট প্রতিবেশীদের থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে কম। তাৎপর্যপূর্ণ মনে করেন কি?
এম জে আকবর : আমি এর বিস্তারিত জানি না।
প্রথম আলো : ভারতে সরকার পরিবর্তনের পরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখন কেমন?
এম জে আকবর : বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্র। একটি জাতি। মর্যাদার সঙ্গে তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হবে। আমি বেশি বলতে চাই না। কারণ, এর একটি প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী জাতিরাষ্ট্র। তার সঙ্গে সম্মান ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়তে হবে। আপনাকে অবশ্যই অর্থনৈতিক সহযোগিতা খুঁজে বের করতে হবে। আপনাকে বিনিয়োগ খুঁজতে হবে। আপনি যদি আমাকে প্রশ্ন করতেন, ভারতীয় বাণিজ্যের মধ্যে বিনিয়োগ এখানে কতটা এসেছে বা আসছে, সেটা আমি অধিকতর নিজের বলে গ্রহণ করতাম। কারণ, বিনিয়োগ আপনাকে কবুল করতে হবে। বিনিয়োগেই দুই দেশের ভবিষ্যৎ নিহিত। কারণ, এটা একটা যৌথ সহযোগিতামূলক বিষয়। মোদি সাহায্যের জন্য জাপান সফরে যাননি।
প্রথম আলো : আপনার কথায় ওই সফর একটা রূপান্তরকরণ।
এম জে আকবর : নিশ্চয়ই। ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ। জাপানি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করবে তাদের শর্তে। আমাদের দেশে ৫০টি বড় শহর আছে। আমরা জাপানকে বলব তোমাদের কাছে প্রযুক্তি আছে। বিশেষজ্ঞ জ্ঞান আছে। আমি ভারতীয় সরকারের নই। আমি মনে করি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিহিত আমরা কতখানি প্রকৃত অভিন্ন সম্পদ সৃষ্টি করতে পারি তার ওপর। দক্ষিণ এশিয়ায় এটা কতটা পারি তার ওপর। সমৃদ্ধি এখানে অংশীদারিমূলক সমৃদ্ধি। আমাদের বিনিয়োগ পরিণত হচ্ছে অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ বিনিয়োগে।
প্রথম আলো : এতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ইচ্ছা আছে কিন্তু সাম্প্রদায়িকতার যে সমস্যা ছিল, সেটা এখন আর খুব বড় বাধা নয় বলে মনে করেন?
এম জে আকবর : না, এখন আর কোনো বাধা মনে হয় না।
প্রথম আলো : পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় একটা পরিবর্তন এসে গেছে? একটা সময়ই তো সাম্প্রদায়িকতাকেই প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সেটা আজ উল্টে গেছে?
এম জে আকবর : আমি এখানে এসেছি গত চার দিন হলো। আমি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের চোখ দেখেছি। দেখলাম, তারা সব ধরনের ‘হ্যাংওভার অব বিটারনেস’ বা তিক্ততার রেশ ধরে থাকতে আগ্রহী নয়। তারা নিজেদের জন্য উন্নত জীবন চায়। চাকরি চায়। চাকরি না দিলে মর্যাদা কোথা থেকে আসবে? চাকরি না দিলে আত্মমর্যাদা কোথা থেকে আসবে? উত্তর প্রদেশে পরাজয়ের একটা বড় কারণ হলো ১০ বছরে ওরা মাত্র দেড় কোটি চাকরি সৃষ্টি করেছে। ভেবে দেখো, আমার বয়স ২০। আমার ৩০ হয়ে গেল কিন্তু চাকরি পাইনি। সেখানে কি আর কোনো আশা থাকে? পুরো দক্ষিণ এশিয়ার ওপর বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে একটি ধ্বংসকর তত্ত্ব (পরনিশাস থিওরি) আরোপ করা হয়েছে। সেটা হলো ট্রিকল ডাউন। আমি বিশ্বব্যাংককে বললাম, তোমরা কি জানো তোমরা কী বলছ? ট্রিকল ডাউন মানে যার সুইমিংপুল আছে, তাকে তুমি ঝরনা দেবে। আর যে পিয়াসে মরে যাচ্ছে, তাকে তুমি নালকার দুটি-তিনটি ফোঁটা দেবে। বিশ্বব্যাংকের এই নীতি ভারতের জন ধান কর্মসূচি উল্টে দিচ্ছে। আর সেটাই হলো ট্রিকলআপ।
প্রথম আলো : বাংলাদেশে অনেকেই এটা জানতে আগ্রহী হবেন যে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান কতগুলো সমস্যা, বিশেষ করে তিস্তা চুক্তি এবং স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুসমর্থনের ব্যাপারে কত দূর কী হলো?
এম জে আকবর : এই প্রশ্ন করা আপনার অধিকার। আমি এতটুকুই জানি, সরকার কী করবে বা করবে না, সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু আমার নিয়তটা কী সেটা তো আমি বলতে পারি?
প্রথম আলো : জি, সেটাই বলুন।
এম জে আকবর : নিয়তটা হচ্ছে, কোনো সমস্যা যত তাড়াতাড়ি সমাধান করা যায়, তা-ই করো। সমস্যাকে জিইয়ে রেখো না। সেটা করলে তা সম্পর্কের ওপর বোঝা সৃষ্টি করবে। এবং ‘ডোন্ট ট্রিট বিজনেস অ্যাজ ইউজুয়াল।’ মানে হলো, আচ্ছা ঠিক আছে, একটা আলোচনা হয়ে গেল। মেক অ্যান এফর্ট।
প্রথম আলো : এর আগে আমরা ধারণা পেলাম যে কেন্দ্রীয় কংগ্রেস সরকার রাজি ছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজি না হওয়ায় তা আটকে গেল। আপনাদের সংবিধান কী বলে? আইন কী বলে? প্রতিবেশীকে পানির হিস্যা দেওয়া কি রাজ্যের বিষয়? তারা কখনো না চাইলে কেন্দ্রীয় সরকারের কি কিছুই করার নেই? তিস্তা নয়, আপনি সাধারণভাবেই বলুন।
এম জে আকবর :এটা আপনার বৈধ প্রশ্ন। আমাদের ফেডারেল সরকার। সুতরাং তার ফেডারেল সম্পর্ক তো আছেই। রাজ্যের ক্ষমতা কোনো দিন কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে না। আমাদের ফেডারেল পদ্ধতির একটা অনন্য চরিত্র আছে। কেন্দ্রীয় সরকার কোনো জিওগ্রাফির ওপর কোনো হুকুমত করে না। অল দ্য জিওগ্রাফি ইজ রুলড বাই স্টেট গভর্নমেন্ট।
প্রথম আলো : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পরিবর্তনের আভাস আছে। মমতাকে হটিয়ে পরের নির্বাচনে বিজেপি সেখানে আসতে পারে বলে তারা আশাবাদী। তাহলে কি তিস্তার জন্য আমাদের ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে?
এম জে আকবর : এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর আমাদের বিদেশমন্ত্রী জানবেন। কিন্তু আমার যে জবাবটা, সেটা জেনে আপনারা হয়তো অবাক হবেন যে আমরা চেষ্টা করব, এটাকে সমাধানের জন্য। নিশ্চিতভাবেই। কারণ, আমি আপনাকে এটা বলতে পারি, বিজেপি সরকার সম্পর্ক উন্নততর করতে আগ্রহী। কেবল বাংলাদেশের সঙ্গেই নয়, সরকার জনগণের সঙ্গে উন্নততর সম্পর্ক করতে চায়।
প্রথম আলো : মানে প্রতিবেশীদের সঙ্গে—
এম জে আকবর : জনগণের সঙ্গে। কারণ, আমরা প্রতিবেশী।
প্রথম আলো : আপনি সম্ভবত বলতে চাইছেন যে এই জনগণের কোনো সীমান্ত নেই।
এম জে আকবর : জনগণ। সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক রাখা জনগণের সঙ্গে। এবং অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই। নির্বাচিত সরকার যেই হোক, আমরা তার সঙ্গেই উত্তম সম্পর্ক রাখব।
প্রথম আলো : এই জনগণ প্রসঙ্গে একটা ধারণা সামনে আসে। আপনি একটু আগেই বলছিলেন যে সাম্প্রদায়িকতা চলে গেছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে যে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদেরই কেবল তারা পুনর্বাসন দেবে। চাকরি দেবে। অন্ধ্রে শুরুও করেছে। এই লাইনে চলতে মমতাকে বিজেপি চাপ দিচ্ছে। একে আপনি কীভাবে দেখছেন? যদিও আমরা চাই না, কিন্তু ধর্মের জায়গা থেকে এটা তো দেখা হচ্ছে।
এম জে আকবর : আমিও সেটা মনে করি। আমাদের সমস্যাটা কী? সমস্যা হলো তো অবৈধ অভিবাসন?
প্রথম আলো :হ্যাঁ। এবং সেটা যে ধর্মেরই হোক।
এম জে আকবর : যখন অবৈধ, তখন অবৈধ। ঠিক আছে? আমাদের ইতিহাসও তো আছে। আমাদেরকে আমাদের অ্যাটিচুডের মধ্যে ইতিহাসকে ধারণ করতে হবে। কিন্তু আমি সত্যি বলছি এবং বিশ্বস্ততার সঙ্গে বলছি যে এসব ইস্যু মিটে যাবে। এটা সাধারণভাবে (ব্রডলি) বলছি, সামগ্রিকভাবে (হোললি) নয়। সাধারণভাবে ইতিহাসে দেখা যায়, অভিবাসন হলো অর্থনৈতিক ঘটনাবলির পরিণাম।
প্রথম আলো : এখানেও তা-ই ঘটছে।
এম জে আকবর : তাহলে আপনি সেটা মানছেন? এখন যদি বাংলাদেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হতে শুরু করে তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অভিবাসন কমবে। আমি চারপাশে দেখেছি, তারা গ্রিসে যাচ্ছে, তারা ইতালি যাচ্ছে। কেন যাচ্ছে?
প্রথম আলো : বাংলাদেশের একজন বন্ধু হিসেবে বলুন, আমাদের এখানে ১৫৩ আসনে ভোট না করে নির্বাচন নিয়ে একটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এ বিষয়ে ভারত মনে করছে এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এখানে অস্থিতিশীলতা বাড়লেও তাতে ভারতের স্বার্থের ক্ষতি নেই। এটা আপনি কীভাবে দেখেন?
এম জে আকবর : বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের কোনো আগ্রহ নেই।
প্রথম আলো : সেটা এখানে যে ধরনের সরকারই হোক না কেন?
এম জে আকবর : সেটা আপনাদের ব্যাপার, ভারতের ব্যাপার নয়। আমি আপনার বন্ধু, সেটা বাংলাদেশে নয়। আপনার সরকার গ্রহণ করবে এদিক থেকে, ওদিক থেকে, সেটা আপনার ব্যাপার। আমাদের মতে কী এসে-যায়?
প্রথম আলো : কিন্তু গণতন্ত্রের উন্নয়নে—
এম জে আকবর : সেটা আপনার দায়িত্ব। আপনারা যা মনে করেন। এটা আপনার সমস্যা, আমাদের নয়। যিনিই বৈধ (লেজিটিমেট) সরকার হবেন। শেখ হাসিনা আছেন, বেশ ভালো। সেটা আপনারা যেমন চান, পাঁচ বছরের পরে নির্বাচন করতে চান, করুন। আগে করতে চাইলে সেটা আপনার সিদ্ধান্ত। আমাদের কোনো দৃষ্টিভঙ্গি নেই।
প্রথম আলো :ইউরোপীয় সংসদে, ব্রিটেনে যখন রেজুলেশন হয়েছে, ভারতকে বলা হয় বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক মেশিন—
এম জে আকবর : আমি আপনাকে এক্ষুনি বললাম, আমরা প্রত্যেকে সমান। আমরা শক্তিশালী নই। আমি আপনাকে পুনর্বার বলছি, আমরা উভয়ে সমমর্যাদাসম্পন্ন জাতি।
প্রথম আলো : একটি ধারণাগত জায়গা থেকে—
এম জে আকবর : আমি কোনো ধারণার ব্যাপারে আগ্রহী নই। আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো, আমরা উভয়ে সমমর্যাদাসম্পন্ন জাতি। আপনার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আপনার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি। আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আমাদের অভ্যন্তরীণ। ঠিক আছে? এ বিষয়ে এর চেয়ে বেশি কিছুই বলার নেই।
প্রথম আলো : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিজেপি আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।
এম জে আকবর : সব রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের অংশ। আপনার সঙ্গে আমি কথা বলছি। যদি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী আমার সাক্ষাৎকার নিতে চায়, তাহলে আমি না বলে দেব?
প্রথম আলো : তাহলে কি এটা রুটিনের বাইরে নয়?
এম জে আকবর :এটা তো সাধারণ প্রক্রিয়া। আমি জানি না এখানে কী ঘটে, আমাদের দেশে কোনো ভিআইপি এলে সর্বদাই তিনি বা তাঁরা বিরোধী দলের সঙ্গে বৈঠক করেন। বাজপেয়ি প্রধানমন্ত্রী থাকলে সোনিয়া বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। সবাই যেতেন। এটা তো সরকারি সফরসূচির অংশ। আর সেটাই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। হারলেও তো আপনি বাংলাদেশে কিছু জনমতের প্রতিনিধিত্ব করেন। আমি চার দিন আছি। অনেকেই সাক্ষাৎ করেছেন। আমার কী এসে-যায়? তবে এটা পরিষ্কার যে বাংলাদেশ রাজনীতি বাংলাদেশের ব্যাপার। আমরা প্রত্যেক সমান যোগ্যতাসম্পন্ন জাতির সঙ্গে উষ্ণতম সম্পর্ক চাই।
প্রথম আলো : মোদি প্রথম ভুটান গিয়ে তাঁর প্রতিবেশী নীতি যে শক্তিশালী, সেটা বুঝিয়েছেন।
এম জে আকবর : ওটাই তাঁর মুখ্যনীতি।
প্রথম আলো : ভুটানে, নেপালে গেলেন। বাংলাদেশে তাঁর সফর কি নিকট ভবিষ্যতে আসন্ন?
এম জে আকবর : এটা বলতে আমার কোনোই দ্বিধা নেই যে কিছু হচ্ছে, তা আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। প্রধানমন্ত্রীর সফর জটিল বিষয়। এটা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সুরাহা হওয়া উচিত। শপথ অনুষ্ঠানে যখন আর সবাই এল, শেখ হাসিনা আসতে পারেননি।
প্রথম আলো : সেটা তো তাঁর জাপান সফরের কারণে।
এম জে আকবর : স্বাভাবিক। ওনার একটা অ্যারেঞ্জড ভিজিট আছে, সেখানে মনে করার তো কিছু নেই। সেটা দেশ শাসনের একটা বাধ্যবাধকতা। তাই উভয় দিক থেকে দিনপঞ্জি, সময় সব দেখেটেখে নিয়ে পরস্পরের জন্য সুবিধাজনক সময়ে সম্ভবত একটি তারিখ স্থির হবে।
প্রথম আলো : শেখ হাসিনা সম্প্রতি ঢাকায় ভারতীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে তাড়া দিয়েছেন। এটা আগে দেখা যায়নি। ট্রানজিটসহ অনেক কিছুর সুরাহায় ভারত সন্তুষ্ট। কিন্তু আমাদের ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে একটা হতাশা আসতে পারে। কারণ, শেখ হাসিনা নতুন করে শুরুর পরেও লম্বা সময় কেটে গেল। তিস্তা ও মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি ঝুলেই রইল। বলেছেন দ্রুত হবে, নির্দিষ্ট করে বলা যায় কি?
এম জে আকবর : না। আমার পক্ষে বলা যায় না। আমি তো সরকারে নই।
প্রথম আলো : আপনি তো বিজেপিতে।
এম জে আকবর : বলছি তো, আমাদের হৃদয়ে উন্নত সম্পর্ক। আর উন্নত সম্পর্ক মানে দ্রুততার সঙ্গে পারস্পরিক সমস্যার সমাধান করা। সেটাই হওয়া উচিত উভয় জাতির অবজেকটিভস। সমস্যার সমাধান করা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতির অংশ হওয়া উচিত।
প্রথম আলো : ভুটান, নেপাল বা অন্যদের সঙ্গে মোদি যেভাবে সম্পর্কের উন্নতিসাধন করছেন, তার সঙ্গে বাংলাদেশকে তুলনা করে কি কিছু বলা যায়?
এম জে আকবর : এগুলো আসলে ভাষার অর্থঘটিত। (হাসি) আমার সবচেয়ে বড় বন্ধু কে? দ্বিতীয় বন্ধু কে, তৃতীয় বন্ধু কে, পররাষ্ট্রনীতি আসলে এভাবে ব্যাংকিং পদ্ধতিতে চলে না। আমরা সবাই বন্ধু, সেটাই বড় লক্ষ্য। এর অর্থ হলো নিজেদের ভেতর বিরোধাত্মক ইস্যুসমূহ দূর করে ফেলা। এবং এটা খুবই স্পষ্ট যে সেটা অর্জন করাই হলো দিল্লির লক্ষ্য।
প্রথম আলো : গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে এসে আপনি কী দেখলেন, কী অনুভব করলেন? নাড়ির স্পন্দন কি টের পেলেন?
এম জে আকবর: আমি এখানে শুনতে এসেছি।
প্রথম আলো : আপনার এ সফর কি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং ধরনের।
এম জে আকবর : আমি শুনতে এসেছি। অনেক দিন আসিনি।
প্রথম আলো : আপনি কী শুনতে পেলেন? যদি সংক্ষেপে বলেন।
এম জে আকবর : (হাসি) সবচেয়ে যেটা খুব ভালো লাগছে, আপনার হাসি আমি শুনতে পাচ্ছি। আপনার ক্রোধ শুনছি না।
প্রথম আলো : আপনি একটি পার্থক্য এনেছিলেন। যখন সাংবাদিকতা করবেন তখন রাজনীতি নয়। আর রাজনীতি করলে সাংবাদিকতা নয়। আপনার কি মনে হয় এটা একটা আন্তর্জাতিক রীতি হতে পারে। এর কি একটা সমালোচনা করা যায় না যে এখানে একটা সুবিধাবাদ রয়েছে।
এম জে আকবর : সুবিধাবাদ কেন হবে?
প্রথম আলো : এটা কি খুব নীতিনিষ্ঠ বলবেন?
এম জে আকবর : আমার তো মনে হয় এটা নীতির ওপর। কেননা অনেকেই দুটো করেন। আমি যখন সম্পাদক হব, তখন নিরপেক্ষ থাকব, সেটা আমার ধর্ম। আমি দলীয় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারি না। যখন আমি দলে আছি, তখন আমি প্রকৃতপক্ষেই দলের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ। তা আমি সম্পাদক কী করে হব। সে জন্য যোগদান করার আগে আমি যত সম্পাদকীয় পদে ছিলাম, সব থেকে পদত্যাগ করেছি। এখন আমার কোনো শেয়ার নেই। শেয়ার আগেই বিক্রি করে দিয়েছিলাম। কারণ, কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে মিডিয়া ও রাজনীতিতে অনুগত থাকতে পারে না।
প্রথম আলো : এই মুহূর্তে মিডিয়ায় আপনার কোনো বিনিয়োগ নেই। আর সেটা রাজনীতিতে আসবেন বলে সুচিন্তিতভাবে করেছেন, যাতে সাংবাদিক হিসেবে আপনার সততা নিয়ে প্রশ্ন না ওঠে?
এম জে আকবর : একদম সঠিক। আমরা কেউ ফেরেশতা নই। এখন যত দূর সম্ভব সম্পাদক ও রাজনীতিক হিসেবে ইন্টেগ্রিটি রাখতে পারি, জীবনে যদি এটা করে যাই, সেটাই হবে আমার জন্য মোর দ্যান এনাফ।
প্রথম আলো : ভারত বিশ্ব রাজনীতিতে প্রবেশ করছে। এতে কি তার প্রতিবেশীদের নিয়ে চলার লক্ষ্য রয়েছে? যদি থাকে তাহলে তার বহিঃপ্রকাশ কী?
এম জে আকবর : অবশ্যই রয়েছে। দেখুন আমরা উঠলে, যত দিন আমরা সবাই না উঠি, একা ওঠা মুশকিল হবে।
প্রথম আলো : এটা ভারতের উপলব্ধির মধ্যে আছে?
এম জে আকবর : অ্যাবসলিউটলি। আর সবাই উঠলে দেখবেন মহলটা কী রকম হয়ে যায়। সেটা হবে ট্রান্সফরমেশনাল মহল। অলমোস্ট রেভ্যুলেশনারি মহল।
প্রথম আলো : আপনাকে ধন্যবাদ।
এম জে আকবর : ধন্যবাদ।
>>>সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান

প্রথম আলো : হঠাৎ বিজেপিতে কেন? এটা আপনার ঢাকার বন্ধুদেরও অবাক করেছে।
এম জে আকবর : এর প্রচুর জবাব দিয়েছি। এটা যদিও ব্যক্তিগত বিষয় তবুও বলি, বিজেপি সম্পর্কে লোকের যে ধারণা, সেটা অত্যন্ত ভ্রান্ত ব্যাখ্যাপ্রসূত। আর সবচেয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা নরেন্দ্র মোদিই দিয়েছেন। গত বছরের ১৫ আগস্টে প্রথমেই তিনি ভারতকে সংজ্ঞায়িত করলেন। বললেন, পাবলিক লাইফ (জনজীবন) পরিচালিত হবে ভারতের সংবিধান দ্বারা। আর ভারতের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান। সুতরাং অঙ্গীকারের জায়গাটা এখানেই ফয়সালা হলো। দর্শনগত দিকও এতে স্পষ্ট।
প্রথম আলো : দর্শনের কথা যদি বলেন, তাহলে তো বলতে হয় যে আপনি নিজে মনে করেন যে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত লাকুম দিনুকুম (যার ধর্ম তার কাছে)-এর সঙ্গে আপনি ভারতীয় সংবিধানের বিরোধ দেখেন না।
এম জে আকবর : হ্যাঁ, ঠিক।
প্রথম আলো : লাকুম দিনুকুম-এর সঙ্গে বিজেপির হিন্দুত্ববাদের কি বিরোধ নেই? এর মধ্যে কীভাবে তার সমন্বয় ঘটাবেন?
এম জে আকবর : কোনো অসুবিধা দেখি না। আমাদের সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, হিন্দুত্ববাদ হলো সাংস্কৃতিক বাস্তবতা।
প্রথম আলো : বিজেপি কি সেটা কেবল এই অর্থেই ব্যবহার করে?
এম জে আকবর :ওই অর্থেই ব্যবহার করে। কোনো ধরনের নিরাপত্তাবোধহীনতা সৃষ্টির কোনো প্রশ্নই ওঠে না। যা চলছে সেটা একটা অসম্ভব, সম্পূর্ণরূপে অবিশ্বাসযোগ্য আনফিজিবল মাইন্ডসেট। এটা সাংস্কৃতিক মাইন্ডসেট। যেহেতু সাক্ষাৎকার দিচ্ছি, একটু ভেবে বলি। যেমন এই আমরা কথা বলছি, এই মুহূর্তে একটা সংকট হয়ে যাচ্ছে। আর ওই রকম একটা সংকট যখন আমাদের ওপর একটা আক্রমণ হচ্ছে। তখন ভাবি সব ভুলে যাব। তখন মগজে যা লেখা থাকে সেটা বেরোবে। আমার মনে পড়ে গান্ধী ময়দানে ঘটনা ঘটেছিল। সেটা বিহারের পাটনায়। গত বছরের অক্টোবরে মোদি যখন বক্তব্য দেন, তখন তাঁর ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালাল। খুবই ভয়ংকর সন্ত্রাসী হামলা। ওনার ওপর তখন ২০০ ক্যামেরা। সেটা ছিল দেশের জন্য অত্যন্ত উত্তেজনাকর মুহূর্ত। দুবৃর্ত্তরা ধরা পড়েছে। ষড়যন্ত্রও উদ্ঘাটিত হয়েছে। তখন তিনি কী বললেন, আমি সেটা হিন্দিতে বলতে চাই। আপনি সেটা বাংলায় তরজমা করে দেবেন। প্রথমেই বললেন, উসকানি যতই আসুক, শান্তির কোনো বিকল্প নেই। তারপর তিনি বললেন, হিন্দুকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, ও মুসলমানের সঙ্গে লড়বে, নাকি গরিবির সঙ্গে লড়বে। আর মুসলিমদেরও সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা হিন্দুর বিরুদ্ধে লড়বে, না গরিবির বিরুদ্ধে লড়বে। আমাদের শত্রু গরিবি। যত দিন না একত্র হচ্ছি তত দিন তো আমরা এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পারব না। এরপর বললেন, সামগ্রিক বিষয় হলো আপনি কী ধরনের মুসলিম দেখতে চান? মোদি মুসলমানদের এক হাতে কোরআন অন্য হাতে কম্পিউটার দেখতে চান।
প্রথম আলো : কিন্তু আমরা এতকাল বিজেপিকে একটি সাম্প্রদায়িক শক্তি হিসেবে জেনে এসেছি। আপনার বহু লেখালেখিও সেই সাক্ষ্য দেবে।
এম জে আকবর : সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে আমরা সবাই লিখেছি। সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে আমি কংগ্রেসের ওপর লিখিনি? হাজার হাজার দাঙ্গা সম্পর্কে লিখেছি। মোদির গুজরাটের রায়ট নিয়েই এই বিতর্কটা হচ্ছে। ১০ বছর হয়ে গেল। কংগ্রেস যত চেষ্টা করতে পারত, সরকার, পুলিশ, সিবিআই ও বিচার বিভাগের সব উপাদান ব্যবহার করেছে। বিষয়টি লোয়ার কোর্টস, মিডল কোর্টস এবং সুপ্রিম কোর্ট তদন্ত করেছে। কেউ তাঁর (মোদি) ওপরে ব্যক্তিগতভাবে দায় চাপাতে সক্ষম হননি।
প্রথম আলো : বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কোন্নয়নে বিজেপির বর্তমান যে নীতি, সেটা কোথায়, কতটুকু সংগতিপূর্ণ বা অসংগতিপূর্ণ বলে মনে হয়?
এম জে আকবর : প্রথম থেকে এসব ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মাথা বেশ পরিষ্কার। তাঁর বিদেশনীতির কয়েকটি কদম আমরা দেখতে পেয়েছি। এবার তিনি প্রকাশ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে দক্ষিণ এশিয়ার না, বলব ভারতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, আমাদের শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে, তাদের কীভাবে ওপরে নিয়ে আসা যায়। যখন তিনি বললেন যে তাঁর মা কাজের বুয়ার কাজ করতেন। বুয়ার কাজ করে আমাদের খাওয়াতেন; ১০/১১ বছর বয়সে রেলস্টেশনে চা বিক্রি করেছেন, এসব কথা বলেছেন রেডফোর্টে গিয়ে, আর কোনো প্রধানমন্ত্রীর হিম্মত হয়নি এসব বলার। যখন তিনি নারীদের টয়লেট সমস্যার কথা বলেন, তখন কি আমরা ভাবতে পারি যে তাদের অবমাননা ও স্বাস্থ্যগত সমস্যার বিষয়টি কত গভীরভাবে অনুভব করেন।
সংসদে নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধনী ভাষণের শুরুতেই বললেন, গরিবদের জন্যই যদি সরকার না করা যায়, তাহলে সরকার বলতে আমরা কী বুঝব? এটা কিন্তু তাঁর ওই রাজনৈতিক দর্শনেরই সম্প্রসারণ। দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দারিদ্র্যপীড়িত ভূমি। তিনি বললেন, আমরা সংঘাতে থাকলে কোনো সমস্যার সুরাহা করতে পারব না। কিন্তু সহযোগিতার সংস্কৃতি এবং পরিবেশ সৃষ্টির যে চেষ্টা তিনি করছেন, তার বার্তাটা কিন্তু সাদরে গৃহীত হয়েছে। এটা কিন্তু তাঁর ওই দর্শনেরই একটি সম্প্রসারণ। দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দারিদ্র্য জলাভূমি।
প্রথম আলো : এখানেই...
এম জে আকবর : না। আমাকে বলতে দিন। এটা বিশ্বের বৃহত্তম দারিদ্র্য ডোবা। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, আমরা সংঘাতে থাকলে কোনো সমস্যার সুরাহা করতে পারব না। প্রথমত, একমাত্র সহযোগিতা হলেই পারব। দ্বিতীয় কথা হলো, কোনো জাতিই কিন্তু বিগ ব্রাদার নয়। প্রত্যেকেই সমান। সবাই সমান। আয়তন দিয়ে বড় ভাই বা ছোট ভাই হওয়া যায় না। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যতই সমস্যা থাকুক সেটা সমাধোনের বাইরে নয়। ভাইদের মধ্যেও টেনশন থাকে। কিন্তু আপনি হয়তো অবাক হয়ে যাবেন, নেপালে কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ১৭ বছর যাননি। সেখানে গিয়ে উনি বললেন, দিজ ইজ নো বিগ ব্রাদার স্টেট। আমি খুবই আশাবাদী। সব সমস্যার সমাধান তো সম্ভব নয়। কিন্তু সংস্কৃতি এবং পরিবেশ সৃষ্টির যে চেষ্টা করছেন, তার বার্তাটা কিন্তু উষ্ণতার সঙ্গে সাদরে গৃহীত হয়েছে।
প্রথম আলো : মোদি সরকার বাংলাদেশে কংগ্রেসের চেয়ে ভারতীয় সহায়তা হ্রাস করেছে। তাঁর নিকট প্রতিবেশীদের থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে কম। তাৎপর্যপূর্ণ মনে করেন কি?
এম জে আকবর : আমি এর বিস্তারিত জানি না।
প্রথম আলো : ভারতে সরকার পরিবর্তনের পরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখন কেমন?
এম জে আকবর : বাংলাদেশ একটি রাষ্ট্র। একটি জাতি। মর্যাদার সঙ্গে তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হবে। আমি বেশি বলতে চাই না। কারণ, এর একটি প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী জাতিরাষ্ট্র। তার সঙ্গে সম্মান ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়তে হবে। আপনাকে অবশ্যই অর্থনৈতিক সহযোগিতা খুঁজে বের করতে হবে। আপনাকে বিনিয়োগ খুঁজতে হবে। আপনি যদি আমাকে প্রশ্ন করতেন, ভারতীয় বাণিজ্যের মধ্যে বিনিয়োগ এখানে কতটা এসেছে বা আসছে, সেটা আমি অধিকতর নিজের বলে গ্রহণ করতাম। কারণ, বিনিয়োগ আপনাকে কবুল করতে হবে। বিনিয়োগেই দুই দেশের ভবিষ্যৎ নিহিত। কারণ, এটা একটা যৌথ সহযোগিতামূলক বিষয়। মোদি সাহায্যের জন্য জাপান সফরে যাননি।
প্রথম আলো : আপনার কথায় ওই সফর একটা রূপান্তরকরণ।
এম জে আকবর : নিশ্চয়ই। ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ। জাপানি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করবে তাদের শর্তে। আমাদের দেশে ৫০টি বড় শহর আছে। আমরা জাপানকে বলব তোমাদের কাছে প্রযুক্তি আছে। বিশেষজ্ঞ জ্ঞান আছে। আমি ভারতীয় সরকারের নই। আমি মনে করি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিহিত আমরা কতখানি প্রকৃত অভিন্ন সম্পদ সৃষ্টি করতে পারি তার ওপর। দক্ষিণ এশিয়ায় এটা কতটা পারি তার ওপর। সমৃদ্ধি এখানে অংশীদারিমূলক সমৃদ্ধি। আমাদের বিনিয়োগ পরিণত হচ্ছে অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ বিনিয়োগে।
প্রথম আলো : এতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ইচ্ছা আছে কিন্তু সাম্প্রদায়িকতার যে সমস্যা ছিল, সেটা এখন আর খুব বড় বাধা নয় বলে মনে করেন?
এম জে আকবর : না, এখন আর কোনো বাধা মনে হয় না।
প্রথম আলো : পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় একটা পরিবর্তন এসে গেছে? একটা সময়ই তো সাম্প্রদায়িকতাকেই প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সেটা আজ উল্টে গেছে?
এম জে আকবর : আমি এখানে এসেছি গত চার দিন হলো। আমি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের চোখ দেখেছি। দেখলাম, তারা সব ধরনের ‘হ্যাংওভার অব বিটারনেস’ বা তিক্ততার রেশ ধরে থাকতে আগ্রহী নয়। তারা নিজেদের জন্য উন্নত জীবন চায়। চাকরি চায়। চাকরি না দিলে মর্যাদা কোথা থেকে আসবে? চাকরি না দিলে আত্মমর্যাদা কোথা থেকে আসবে? উত্তর প্রদেশে পরাজয়ের একটা বড় কারণ হলো ১০ বছরে ওরা মাত্র দেড় কোটি চাকরি সৃষ্টি করেছে। ভেবে দেখো, আমার বয়স ২০। আমার ৩০ হয়ে গেল কিন্তু চাকরি পাইনি। সেখানে কি আর কোনো আশা থাকে? পুরো দক্ষিণ এশিয়ার ওপর বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে একটি ধ্বংসকর তত্ত্ব (পরনিশাস থিওরি) আরোপ করা হয়েছে। সেটা হলো ট্রিকল ডাউন। আমি বিশ্বব্যাংককে বললাম, তোমরা কি জানো তোমরা কী বলছ? ট্রিকল ডাউন মানে যার সুইমিংপুল আছে, তাকে তুমি ঝরনা দেবে। আর যে পিয়াসে মরে যাচ্ছে, তাকে তুমি নালকার দুটি-তিনটি ফোঁটা দেবে। বিশ্বব্যাংকের এই নীতি ভারতের জন ধান কর্মসূচি উল্টে দিচ্ছে। আর সেটাই হলো ট্রিকলআপ।
প্রথম আলো : বাংলাদেশে অনেকেই এটা জানতে আগ্রহী হবেন যে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান কতগুলো সমস্যা, বিশেষ করে তিস্তা চুক্তি এবং স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুসমর্থনের ব্যাপারে কত দূর কী হলো?
এম জে আকবর : এই প্রশ্ন করা আপনার অধিকার। আমি এতটুকুই জানি, সরকার কী করবে বা করবে না, সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু আমার নিয়তটা কী সেটা তো আমি বলতে পারি?
প্রথম আলো : জি, সেটাই বলুন।
এম জে আকবর : নিয়তটা হচ্ছে, কোনো সমস্যা যত তাড়াতাড়ি সমাধান করা যায়, তা-ই করো। সমস্যাকে জিইয়ে রেখো না। সেটা করলে তা সম্পর্কের ওপর বোঝা সৃষ্টি করবে। এবং ‘ডোন্ট ট্রিট বিজনেস অ্যাজ ইউজুয়াল।’ মানে হলো, আচ্ছা ঠিক আছে, একটা আলোচনা হয়ে গেল। মেক অ্যান এফর্ট।
প্রথম আলো : এর আগে আমরা ধারণা পেলাম যে কেন্দ্রীয় কংগ্রেস সরকার রাজি ছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজি না হওয়ায় তা আটকে গেল। আপনাদের সংবিধান কী বলে? আইন কী বলে? প্রতিবেশীকে পানির হিস্যা দেওয়া কি রাজ্যের বিষয়? তারা কখনো না চাইলে কেন্দ্রীয় সরকারের কি কিছুই করার নেই? তিস্তা নয়, আপনি সাধারণভাবেই বলুন।
এম জে আকবর :এটা আপনার বৈধ প্রশ্ন। আমাদের ফেডারেল সরকার। সুতরাং তার ফেডারেল সম্পর্ক তো আছেই। রাজ্যের ক্ষমতা কোনো দিন কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে না। আমাদের ফেডারেল পদ্ধতির একটা অনন্য চরিত্র আছে। কেন্দ্রীয় সরকার কোনো জিওগ্রাফির ওপর কোনো হুকুমত করে না। অল দ্য জিওগ্রাফি ইজ রুলড বাই স্টেট গভর্নমেন্ট।
প্রথম আলো : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পরিবর্তনের আভাস আছে। মমতাকে হটিয়ে পরের নির্বাচনে বিজেপি সেখানে আসতে পারে বলে তারা আশাবাদী। তাহলে কি তিস্তার জন্য আমাদের ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে?
এম জে আকবর : এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর আমাদের বিদেশমন্ত্রী জানবেন। কিন্তু আমার যে জবাবটা, সেটা জেনে আপনারা হয়তো অবাক হবেন যে আমরা চেষ্টা করব, এটাকে সমাধানের জন্য। নিশ্চিতভাবেই। কারণ, আমি আপনাকে এটা বলতে পারি, বিজেপি সরকার সম্পর্ক উন্নততর করতে আগ্রহী। কেবল বাংলাদেশের সঙ্গেই নয়, সরকার জনগণের সঙ্গে উন্নততর সম্পর্ক করতে চায়।
প্রথম আলো : মানে প্রতিবেশীদের সঙ্গে—
এম জে আকবর : জনগণের সঙ্গে। কারণ, আমরা প্রতিবেশী।
প্রথম আলো : আপনি সম্ভবত বলতে চাইছেন যে এই জনগণের কোনো সীমান্ত নেই।
এম জে আকবর : জনগণ। সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক রাখা জনগণের সঙ্গে। এবং অবশ্যই আমরা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই। নির্বাচিত সরকার যেই হোক, আমরা তার সঙ্গেই উত্তম সম্পর্ক রাখব।
প্রথম আলো : এই জনগণ প্রসঙ্গে একটা ধারণা সামনে আসে। আপনি একটু আগেই বলছিলেন যে সাম্প্রদায়িকতা চলে গেছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে যে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদেরই কেবল তারা পুনর্বাসন দেবে। চাকরি দেবে। অন্ধ্রে শুরুও করেছে। এই লাইনে চলতে মমতাকে বিজেপি চাপ দিচ্ছে। একে আপনি কীভাবে দেখছেন? যদিও আমরা চাই না, কিন্তু ধর্মের জায়গা থেকে এটা তো দেখা হচ্ছে।
এম জে আকবর : আমিও সেটা মনে করি। আমাদের সমস্যাটা কী? সমস্যা হলো তো অবৈধ অভিবাসন?
প্রথম আলো :হ্যাঁ। এবং সেটা যে ধর্মেরই হোক।
এম জে আকবর : যখন অবৈধ, তখন অবৈধ। ঠিক আছে? আমাদের ইতিহাসও তো আছে। আমাদেরকে আমাদের অ্যাটিচুডের মধ্যে ইতিহাসকে ধারণ করতে হবে। কিন্তু আমি সত্যি বলছি এবং বিশ্বস্ততার সঙ্গে বলছি যে এসব ইস্যু মিটে যাবে। এটা সাধারণভাবে (ব্রডলি) বলছি, সামগ্রিকভাবে (হোললি) নয়। সাধারণভাবে ইতিহাসে দেখা যায়, অভিবাসন হলো অর্থনৈতিক ঘটনাবলির পরিণাম।
প্রথম আলো : এখানেও তা-ই ঘটছে।
এম জে আকবর : তাহলে আপনি সেটা মানছেন? এখন যদি বাংলাদেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হতে শুরু করে তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অভিবাসন কমবে। আমি চারপাশে দেখেছি, তারা গ্রিসে যাচ্ছে, তারা ইতালি যাচ্ছে। কেন যাচ্ছে?
প্রথম আলো : বাংলাদেশের একজন বন্ধু হিসেবে বলুন, আমাদের এখানে ১৫৩ আসনে ভোট না করে নির্বাচন নিয়ে একটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এ বিষয়ে ভারত মনে করছে এটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এখানে অস্থিতিশীলতা বাড়লেও তাতে ভারতের স্বার্থের ক্ষতি নেই। এটা আপনি কীভাবে দেখেন?
এম জে আকবর : বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের কোনো আগ্রহ নেই।
প্রথম আলো : সেটা এখানে যে ধরনের সরকারই হোক না কেন?
এম জে আকবর : সেটা আপনাদের ব্যাপার, ভারতের ব্যাপার নয়। আমি আপনার বন্ধু, সেটা বাংলাদেশে নয়। আপনার সরকার গ্রহণ করবে এদিক থেকে, ওদিক থেকে, সেটা আপনার ব্যাপার। আমাদের মতে কী এসে-যায়?
প্রথম আলো : কিন্তু গণতন্ত্রের উন্নয়নে—
এম জে আকবর : সেটা আপনার দায়িত্ব। আপনারা যা মনে করেন। এটা আপনার সমস্যা, আমাদের নয়। যিনিই বৈধ (লেজিটিমেট) সরকার হবেন। শেখ হাসিনা আছেন, বেশ ভালো। সেটা আপনারা যেমন চান, পাঁচ বছরের পরে নির্বাচন করতে চান, করুন। আগে করতে চাইলে সেটা আপনার সিদ্ধান্ত। আমাদের কোনো দৃষ্টিভঙ্গি নেই।
প্রথম আলো :ইউরোপীয় সংসদে, ব্রিটেনে যখন রেজুলেশন হয়েছে, ভারতকে বলা হয় বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক মেশিন—
এম জে আকবর : আমি আপনাকে এক্ষুনি বললাম, আমরা প্রত্যেকে সমান। আমরা শক্তিশালী নই। আমি আপনাকে পুনর্বার বলছি, আমরা উভয়ে সমমর্যাদাসম্পন্ন জাতি।
প্রথম আলো : একটি ধারণাগত জায়গা থেকে—
এম জে আকবর : আমি কোনো ধারণার ব্যাপারে আগ্রহী নই। আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো, আমরা উভয়ে সমমর্যাদাসম্পন্ন জাতি। আপনার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আপনার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি। আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আমাদের অভ্যন্তরীণ। ঠিক আছে? এ বিষয়ে এর চেয়ে বেশি কিছুই বলার নেই।
প্রথম আলো : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিজেপি আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।
এম জে আকবর : সব রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের অংশ। আপনার সঙ্গে আমি কথা বলছি। যদি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী আমার সাক্ষাৎকার নিতে চায়, তাহলে আমি না বলে দেব?
প্রথম আলো : তাহলে কি এটা রুটিনের বাইরে নয়?
এম জে আকবর :এটা তো সাধারণ প্রক্রিয়া। আমি জানি না এখানে কী ঘটে, আমাদের দেশে কোনো ভিআইপি এলে সর্বদাই তিনি বা তাঁরা বিরোধী দলের সঙ্গে বৈঠক করেন। বাজপেয়ি প্রধানমন্ত্রী থাকলে সোনিয়া বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। সবাই যেতেন। এটা তো সরকারি সফরসূচির অংশ। আর সেটাই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। হারলেও তো আপনি বাংলাদেশে কিছু জনমতের প্রতিনিধিত্ব করেন। আমি চার দিন আছি। অনেকেই সাক্ষাৎ করেছেন। আমার কী এসে-যায়? তবে এটা পরিষ্কার যে বাংলাদেশ রাজনীতি বাংলাদেশের ব্যাপার। আমরা প্রত্যেক সমান যোগ্যতাসম্পন্ন জাতির সঙ্গে উষ্ণতম সম্পর্ক চাই।
প্রথম আলো : মোদি প্রথম ভুটান গিয়ে তাঁর প্রতিবেশী নীতি যে শক্তিশালী, সেটা বুঝিয়েছেন।
এম জে আকবর : ওটাই তাঁর মুখ্যনীতি।
প্রথম আলো : ভুটানে, নেপালে গেলেন। বাংলাদেশে তাঁর সফর কি নিকট ভবিষ্যতে আসন্ন?
এম জে আকবর : এটা বলতে আমার কোনোই দ্বিধা নেই যে কিছু হচ্ছে, তা আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। প্রধানমন্ত্রীর সফর জটিল বিষয়। এটা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সুরাহা হওয়া উচিত। শপথ অনুষ্ঠানে যখন আর সবাই এল, শেখ হাসিনা আসতে পারেননি।
প্রথম আলো : সেটা তো তাঁর জাপান সফরের কারণে।
এম জে আকবর : স্বাভাবিক। ওনার একটা অ্যারেঞ্জড ভিজিট আছে, সেখানে মনে করার তো কিছু নেই। সেটা দেশ শাসনের একটা বাধ্যবাধকতা। তাই উভয় দিক থেকে দিনপঞ্জি, সময় সব দেখেটেখে নিয়ে পরস্পরের জন্য সুবিধাজনক সময়ে সম্ভবত একটি তারিখ স্থির হবে।
প্রথম আলো : শেখ হাসিনা সম্প্রতি ঢাকায় ভারতীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে তাড়া দিয়েছেন। এটা আগে দেখা যায়নি। ট্রানজিটসহ অনেক কিছুর সুরাহায় ভারত সন্তুষ্ট। কিন্তু আমাদের ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে একটা হতাশা আসতে পারে। কারণ, শেখ হাসিনা নতুন করে শুরুর পরেও লম্বা সময় কেটে গেল। তিস্তা ও মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি ঝুলেই রইল। বলেছেন দ্রুত হবে, নির্দিষ্ট করে বলা যায় কি?
এম জে আকবর : না। আমার পক্ষে বলা যায় না। আমি তো সরকারে নই।
প্রথম আলো : আপনি তো বিজেপিতে।
এম জে আকবর : বলছি তো, আমাদের হৃদয়ে উন্নত সম্পর্ক। আর উন্নত সম্পর্ক মানে দ্রুততার সঙ্গে পারস্পরিক সমস্যার সমাধান করা। সেটাই হওয়া উচিত উভয় জাতির অবজেকটিভস। সমস্যার সমাধান করা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতির অংশ হওয়া উচিত।
প্রথম আলো : ভুটান, নেপাল বা অন্যদের সঙ্গে মোদি যেভাবে সম্পর্কের উন্নতিসাধন করছেন, তার সঙ্গে বাংলাদেশকে তুলনা করে কি কিছু বলা যায়?
এম জে আকবর : এগুলো আসলে ভাষার অর্থঘটিত। (হাসি) আমার সবচেয়ে বড় বন্ধু কে? দ্বিতীয় বন্ধু কে, তৃতীয় বন্ধু কে, পররাষ্ট্রনীতি আসলে এভাবে ব্যাংকিং পদ্ধতিতে চলে না। আমরা সবাই বন্ধু, সেটাই বড় লক্ষ্য। এর অর্থ হলো নিজেদের ভেতর বিরোধাত্মক ইস্যুসমূহ দূর করে ফেলা। এবং এটা খুবই স্পষ্ট যে সেটা অর্জন করাই হলো দিল্লির লক্ষ্য।
প্রথম আলো : গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে এসে আপনি কী দেখলেন, কী অনুভব করলেন? নাড়ির স্পন্দন কি টের পেলেন?
এম জে আকবর: আমি এখানে শুনতে এসেছি।
প্রথম আলো : আপনার এ সফর কি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং ধরনের।
এম জে আকবর : আমি শুনতে এসেছি। অনেক দিন আসিনি।
প্রথম আলো : আপনি কী শুনতে পেলেন? যদি সংক্ষেপে বলেন।
এম জে আকবর : (হাসি) সবচেয়ে যেটা খুব ভালো লাগছে, আপনার হাসি আমি শুনতে পাচ্ছি। আপনার ক্রোধ শুনছি না।
প্রথম আলো : আপনি একটি পার্থক্য এনেছিলেন। যখন সাংবাদিকতা করবেন তখন রাজনীতি নয়। আর রাজনীতি করলে সাংবাদিকতা নয়। আপনার কি মনে হয় এটা একটা আন্তর্জাতিক রীতি হতে পারে। এর কি একটা সমালোচনা করা যায় না যে এখানে একটা সুবিধাবাদ রয়েছে।
এম জে আকবর : সুবিধাবাদ কেন হবে?
প্রথম আলো : এটা কি খুব নীতিনিষ্ঠ বলবেন?
এম জে আকবর : আমার তো মনে হয় এটা নীতির ওপর। কেননা অনেকেই দুটো করেন। আমি যখন সম্পাদক হব, তখন নিরপেক্ষ থাকব, সেটা আমার ধর্ম। আমি দলীয় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারি না। যখন আমি দলে আছি, তখন আমি প্রকৃতপক্ষেই দলের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ। তা আমি সম্পাদক কী করে হব। সে জন্য যোগদান করার আগে আমি যত সম্পাদকীয় পদে ছিলাম, সব থেকে পদত্যাগ করেছি। এখন আমার কোনো শেয়ার নেই। শেয়ার আগেই বিক্রি করে দিয়েছিলাম। কারণ, কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে মিডিয়া ও রাজনীতিতে অনুগত থাকতে পারে না।
প্রথম আলো : এই মুহূর্তে মিডিয়ায় আপনার কোনো বিনিয়োগ নেই। আর সেটা রাজনীতিতে আসবেন বলে সুচিন্তিতভাবে করেছেন, যাতে সাংবাদিক হিসেবে আপনার সততা নিয়ে প্রশ্ন না ওঠে?
এম জে আকবর : একদম সঠিক। আমরা কেউ ফেরেশতা নই। এখন যত দূর সম্ভব সম্পাদক ও রাজনীতিক হিসেবে ইন্টেগ্রিটি রাখতে পারি, জীবনে যদি এটা করে যাই, সেটাই হবে আমার জন্য মোর দ্যান এনাফ।
প্রথম আলো : ভারত বিশ্ব রাজনীতিতে প্রবেশ করছে। এতে কি তার প্রতিবেশীদের নিয়ে চলার লক্ষ্য রয়েছে? যদি থাকে তাহলে তার বহিঃপ্রকাশ কী?
এম জে আকবর : অবশ্যই রয়েছে। দেখুন আমরা উঠলে, যত দিন আমরা সবাই না উঠি, একা ওঠা মুশকিল হবে।
প্রথম আলো : এটা ভারতের উপলব্ধির মধ্যে আছে?
এম জে আকবর : অ্যাবসলিউটলি। আর সবাই উঠলে দেখবেন মহলটা কী রকম হয়ে যায়। সেটা হবে ট্রান্সফরমেশনাল মহল। অলমোস্ট রেভ্যুলেশনারি মহল।
প্রথম আলো : আপনাকে ধন্যবাদ।
এম জে আকবর : ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1424)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
September
(447)
-
▼
Sep 14
(12)
- সারদা চিট ফান্ড কেলেঙ্কারি -আবিদা ইসলামকে মমতার তলব
- একজন এরশাদ সাহেব by বিভাংশু কুমার মল্লিক
- আমাকে শিখণ্ডী করা হয়েছে by আহমেদ হাসান ইমরান
- আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে
- দিল্লি ও ঢাকার উচিত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা -বিশে...
- আইএসবিরোধী যুদ্ধে কুর্দি নারী
- মহাসড়ক সমাচার by আতাউর রহমান
- আফ্রিকার গোপন ক্ষুধা by রামাদানি আব্দাল্লাহ নূর
- ইসলামিক স্টেট: বিপদ কোথায় by হাসান ফেরদৌস
- আইএস যোদ্ধা ৩০ হাজারের ওপরে
- নয় রাজ্যে মোদির পরীক্ষা আজ
- স্কটল্যান্ডে স্বাধীনতার গণভোট by সাযযাদ কাদির
-
▼
Sep 14
(12)
-
▼
September
(447)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment