Tuesday, December 8, 2015
বর্তমান আমলে পৌর নির্বাচন by ডক্টর তুহিন মালিক
বর্তমান আমলে পৌর নির্বাচন by ডক্টর তুহিন মালিক
Tuesday, December 08, 2015
Anonymous
WikiOpinion,
আলোচনা,
উপ-সম্পাদকীয়,
নয়া দিগন্ত,
নির্বাচন,
মতামত
![]() |
| ডক্টর তুহিন মালিক |
এক.
বর্তমান আমলে নির্বাচনের বড় বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে বিজয়ীর নাম কার্যত ভোটের
আগেই জেনে যাওয়া। হোক না সেটা জাতীয় নির্বাচন বা কোনো উপনির্বাচন। সিটি
করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, এমনকি নিজ দলের কাউন্সিলে পর্যন্ত আগেই
বিজয়ীর নাম অনেকেরই জানা হয়ে যায়। শুধু কি নির্বাচনে? দেশের যতসব পাবলিক
পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও পরীক্ষার আগের রাতেই জানা হয়ে যায় কিভাবে? এমনকি
কোর্ট-কাচারিতে মামলা-মোকদ্দমায় পর্যন্ত মন্ত্রী-নেতারা বলে দিচ্ছেন কে কে
জেলে যাচ্ছে, আর কার কার ফাঁসি হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন হওয়ার অনেক আগেই
সংখ্যাগরিষ্ঠ অর্জন করার মতো, ১৫৩ আসনে ভোট ছাড়াই সরকার গঠিত হয়ে যায়।
ক্ষমতাসীন দলীয় প্রার্থীর ছাড়া বাকি সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের যত
কলাকৌশল আছে, সবই প্রয়োগ করা হয়। ফাঁকফোক দিয়ে কোনোভাবে বিরোধীদলীয় কেউ পাস
করে বসলে তার বিরুদ্ধে দেয়া হয় এমনকি নাশকতার মামলাও। মামলার কারণে পদ
থেকে বরখাস্ত হতে হলো দুই শতাধিক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে। সেই চেয়ারে
বসানো হয় নিজেদের পছন্দমতো লোক। তাই বিরোধী দলের কেউ এখন কোনো নির্র্বাচনে
পাস করা মানেই যেন জেলজীবন আর পদ থেকে বরখাস্ত। তা ছাড়া সরকারের সুবিধামতো
যখন তখন আইন করে যেভাবে খুশি নির্বাচন দেয়ার সুযোগ তো রয়েছেই। সুবিধামতো না
হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে যায় যেকোনো নির্বাচন। তখন আর আইনের
সময়সীমার সীমাবদ্ধতার প্রয়োজন পড়ে না। আবার বিরোধী পক্ষ নির্বাচনে আসার
ঘোষণা দেয়ামাত্রই দিনক্ষণ নড়চড় করা অসাধ্য হয়ে যায়। সাংবিধানিক
বাধ্যবাধকতার দোহাই দিয়ে কর্মকর্তারা তখন বীরপুরুষ সেজে বসেন। অথচ এই
বীরপুরুষেরা আবার নির্বাচনের দিন মেরুদণ্ডহীন প্রাণী হয়ে যায়। তবে ৫ শতাংশ
ভোটকে ৪০ শতাংশ বানিয়ে দেয়ার মতো সক্ষমতা কিন্তু ঠিকই ধরে রাখেন। রাজনৈতিক
দলগুলো তাদের যত রকম উপাধিতে ভূষিত করুক না কেন, তাতে কিছু যায় আসে না।
চেয়ার থেকে সোজা দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের কাছে প্রমাণ করে বসেন, তাদের মেরুদণ্ড
ঠিকই আছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারুন আর না পারুন, তারা তাদের
নিয়োগকর্তার প্রতি সবসময়ই চরম অনুগত, বিশ্বস্ত ও চিরকৃতজ্ঞ।
দুই. এবার আমাদের নির্বাচন কমিশন অদ্ভুত এক পদ্ধতিতে সারা দেশে পৌরসভা নির্বাচন করতে যাচ্ছে। একই নির্বাচনে মেয়ররা দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করবেন। আর কাউন্সিলরেরা করবেন স্বতন্ত্র প্রতীকে। বিশ্বে এটা একটা বিরল ঘটনা বটে। নির্বাচনী সভা সমাবেশের ওপর আরোপ করা হয়েছে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা। এমনকি ঘরে বসেও কেউ সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো সভা করতে পারবে না। এটা তো দেখছি, মাসাল ল’ আমলকেও হার মানিয়ে দিয়েছে। জরুরি অবস্থার সময় দেশে জনসভা, শোভাযাত্রা, পথসভা বা ঘরোয়া মিটিং নিষিদ্ধ থাকে সত্য। কিন্তু দেশে কোনো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়নি। তবু এখন কেন এগুলোর ওপর এত নিষেধাজ্ঞা? এ অবস্থায় নির্বাচনে আসা বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন কি না, তাও সন্দেহ। ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ভাগ্যেই বা কী লেখা আছে কে জানে? কারণ গত উপজেলা ও সিটি নির্বাচনে বেশির ভাগ এলাকায় সে এজেন্টদের খুঁজেও পাওয়া যায়নি। আর এখন তো অবস্থা আরো উদ্বেগজনক। দলের প্রার্থী থেকে শুরু করে পোলিং ও নির্বাচনী এজেন্টরা বেশিরভাগই এখন জেলে। নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী-সমর্থকেরাও শত শত মামলার আসামি। এলাকাতে ঢুকতেই সাহস করছেন না ‘মামলা খাওয়া’ পলাতক কর্মী-সমর্থকেরা। তা ছাড়া প্রশাসনের পাশাপাশি সরকারদলীয় ক্যাডাররা সার্বক্ষণিক মনিটর করছে বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের। ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত নির্ভয়ে পৌঁছাতে পারাটাই এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এই নির্বাচন কমিশন দিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে উপজেলা নির্বাচন কিংবা ঢাকা সিটি নির্বাচনে বর্তমান ইসি তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেনি। তাই আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনেও ইসি তাদের চিরাচরিত চরিত্রেই আবির্ভূত হবে। তার প্রমাণ, পৌর নির্বাচন সামান্য পেছানো থেকে শুরু করে বিএনপির কিছু পর্যবেক্ষণ ও দাবি নিরসনে কোনো পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টাও করা হয়নি।
তিন. তা হলে প্রশ্ন জাগতে পারে, এ অবস্থায় বিএনপি পৌর নির্বাচনে যাবার সিদ্ধান্ত নিলো কেন? কারণ স্বাভাবিক রাজনীতি করার সুযোগ থেকে প্রায় বঞ্চিত হয়ে থাকা বিএনপির কাছে এই পৌর নির্বাচন দল গোছানো ও প্রকাশ্যে রাজনীতি করার সুযোগ এনে দিয়েছে। তারা নিশ্চিত জানে ছক কাটা এই নির্বাচনের বাস্তবতা। তার পরও যেন নির্ধারিত হার মেনে নিয়েই বিএনপি তৃণমূলের নেতৃত্বকে চাঙ্গা করতে এই নির্বাচনের সুযোগটিকে হাতছাড়া করতে চাচ্ছে না। এই সুবাদে মাঠপর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব বেরিয়ে আসার সাথে সাথে নেতাকর্মীরা দীর্ঘ দিনের অচলায়তন ভেঙে ধানের শীষ নিয়ে মাঠে নামতে পারবেন। আর নির্বাচনের হারজিত, এ দুটোতেই বিএনপির লাভ। জিতলে প্রমাণিত হবে তাদের প্রবল জনসমর্থন। আর হারলে প্রমাণিত হবে, আওয়ামী আমলে কোনোভাবেই নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। দুই ক্ষেত্রেই আন্দোলন করার প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করা সম্ভব হতে পারে। সে কারণেই হয়তো বিএনপি প্রথমে বিরোধিতা করলেও পরে এ নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সরকার চেয়েছিল, ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো এবারো বিএনপি যাতে নির্বাচনে না আসে। কিন্তু রাজনীতির পাশা খেলায় লাভ বিএনপিরই হয়েছে বেশি। খুন-গুম-হামলা-হামলায় বির্পযস্ত নেতাকর্মীরা এই সুযোগে ঘুরে দাঁড়ানোর একটি সুযোগই পেয়ে গেলো। বিএনপি জানে, তাদের দলীয় প্রার্থীদের প্রার্থিতা গণহারে বাতিল করে দেয়া হতে পারে। এজন্য এবার তারা বিকল্প প্রার্থীও রেখেছেন। ধানের শীষের মনোনয়ন বাতিল হলে বিকল্প প্রার্থীরা তখন স্বতন্ত্র মার্কা নিয়েই লড়াই করবেন। তা ছাড়া জনগণের কাছে তো এটা স্পষ্ট যে, এই নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হচ্ছে না। কারণ গত নভেম্বর মাসের ৫ তারিখ থেকে বিএনপি-জামায়াতের ‘ঘাঁটি’ হিসাবে পরিচিত ৩২ জেলায় র্যাব-পুলিশ-বিজিবি দিয়ে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে এই দুই দলের হাজারো নেতাকর্মীকে গণগ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, অভিযানের আগে প্রতিটি জেলার এসপিকে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের লিস্ট হাতে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। পুলিশের বিশেষ শাখা সেই তালিকা ধরে বিএনপি-জামায়াত নির্মূল অভিযানে নেমেছে। কোথাও কোথাও ঘরের মা-বোনদের পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক বলে কোমরে দড়ি বেঁধে কোর্টে চালান দেয়া হয়েছে। আবার জামিনে মুক্তি মিললেও কারাফটক থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সরকার গণগ্রেফতারের পাশাপাশি গণহারে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চার্জশিট দিয়ে এলাকাছাড়া করে রেখেছে। কোথাও বা বাড়িতে বাড়িতে চলছে পুলিশি অভিযান। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের গ্রেফতার থেকে রক্ষা, তাদের জামিনের সুযোগ থাকা এবং পলাতকদের প্রকাশ্যে এসে ভোট চাওয়ার ব্যবস্থা যে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয়, তা যেন ইসির কাছে একটা মামাবাড়ির আবদারের মতো মনে হচ্ছে।
চার. এদিকে বিএনপির পৌর নির্বাচনে অংশ নেয়ার কারণে সরকার দেখাতে চাইছে, বিএনপি বর্তমান সরকারকে অবৈধ বললেও তাদের অধীনেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে;’ কিন্তু বিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিলেও সবগুলো স্থানীয় সরকারের নির্বাচনেই অংশ নিয়েছে। কারণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ কোনো সরকারের অধীনে হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান চালু থাকা অবস্থাতেও দলীয় সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হতো। বিএনপি এ ক্ষেত্রে তার কৌশল থেকে এবারো সরে আসেনি। তা ছাড়া স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক কারচুপি হলেও বিএনপি কিন্তু প্রথম দিকে বেশ সফলতাও পেয়েছিল। তাই এবার এই কৌশলের সাথে দলের শীর্ষ নেতাদের নির্বাচনী মাঠে অবাধ বিচরণের ক্ষেত্রটা পেয়ে বিএনপি অখুশি হওয়ার কথা নয়। সাথে কর্মী-সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি দল গোছানোর সুযোগও পাওয়া গেল। সরকারের স্বেচ্ছাচারী শাসনে এমনিতেই দেশের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। এ অবস্থায় যেকোনো নির্বাচনেই জনগণ স্বাধীনভাবে ভোটদানের সুযোগ পেলে সরকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেবে। পৌর নির্বাচনের মতো স্থানীয়ভাবে একে অন্যকে চেনাজানার এরকম নির্বাচনে সরকার কারচুপি করলে তৃণমূলের জনমত আরো ব্যাপকভাবে সরকারের বিরুদ্ধে চলে যাবে। এতে নতুন করে গণআন্দোলনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে বিএনপি এটিকে কাজে লাগাতে পারবে কি না, সেটাও কোটি টাকার প্রশ্ন।
পাঁচ. কিন্তু প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগ সরকার আসলেই কি স্থানীয় সরকারের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে? কারণ কোনো নির্বাচন না দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দলীয় ব্যক্তিদের দিয়ে জেলা পরিষদগুলো চালানো হচ্ছে। সরকার যাদের এমপি-মন্ত্রী করতে পারেনি, এমন ব্যক্তিদের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার জন্যই জেলা পরিষদগুলোতে বসিয়ে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পত্রিকায় দেখলাম ঢাকার জেলা পরিষদের প্রশাসকের বিরুদ্ধেই ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। অন্য দিকে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনার ব্যাপারেও সরকার সংবিধানের মূল জায়গায় আঘাত হেনেছে। সংবিধানের ৫৯(১) অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার সম্পর্কে বলা হয়েছে, আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশের স্থানীয় শাসনের ভার দেয়া হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার এতদিন এনিয়ে কিছুই করেনি। তার বদলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের প্রত্যেকটি কাঠামো অকেজো করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জেলে দিয়ে আর গণবরখাস্ত করে নিজেদের লোকজনকে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ওপরে খবরদারির জন্য অনির্বাচিত উপদেষ্টাদের দিয়ে কেন মন্ত্রণালয়গুলো চালানো হচ্ছে? স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট জেলার মন্ত্রী-এমপিদের হাতে এতটা অসহায় কেন? নির্বাচিত নারী জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায়ন কেন হচ্ছে না? আসলে কেন্দ্রীয় সরকার স্থানীয় সরকারের সাথে ক্ষমতার ভাগাভাগি করতে নারাজ। আশঙ্কা হয়, দলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতের মুঠোয় পুরোপুরি নিয়ে নেয়ার ক্ষেত্র সৃষ্টি করা হলো।
ছয়. এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় নেতাদের স্ত্রী-শ্যালকদের দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। কোটি টাকার বিনিময়ে মাদারিপুরের কালকিনি পৌরসভায় মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়ার অভিযোগে গত বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে গণপদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মী। তারপরও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ছড়াছড়ি, কোন্দল, হানাহানিতে শাসক দল চরম বিশৃঙ্খলা। দীর্ঘ দিন ক্ষমতার স্বাদ নেয়া আওয়ামী লীগের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ পৌর নির্বাচনে একক প্রার্থী দেয়া। সারা দেশে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী মাঠ দখল করে রেখেছেন। দলের পক্ষ থেকে যতই বলা হচ্ছে, তৃণমূলের নেতারাই মনোনয়ন পাবেন; কিন্তু প্রকৃত অবস্থাটা উল্টো। স্থানীয় মন্ত্রী-এমপিদের গুণগ্রাহীদের বাদ দিয়ে তৃণমূলের সুপারিশ কতটা কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে, বলা মুশকিল। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, পৌরসভা নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ নির্বাচন করলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। কিন্তু আইন সংশোধন করে দলীয় মনোনয়ন আর প্রতীক দিলেই কি এসব হানাহানি আর দলীয় কোন্দল বন্ধ হবে? দল থেকে বহিষ্কার করেও কি বিদ্রোহীদের ঠেকানো সম্ভব? এতে দল আরো বিভক্ত ও দুর্বলই হবে। নির্বাচনী মনোনয়নের দৌড়ে হেরে যাওয়া নেতাকর্মীরা গ্রুপ ও পাল্টা গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অসংখ্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্ম দেবেন। তখন দলের ভোটগুলো ভাগ হয়ে যাবে বিভিন্ন জনের মাঝে। দলের প্রার্থীর জন্য তখন পাস করা দূরের কথা, সম্মানজনক ভোট পাওয়াও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এ অবস্থায় সম্মান বাঁচাতে বাধ্য হয়েই বরাবরের মতো কারচুপির আশ্রয় নিয়ে দলীয় প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হতে পারে। এতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কার্যত মুখ থুবড়ে পড়বে। আর সহিংসতার সাথে পাল্লা দিয়ে হু হু করে বেড়ে যাবে নির্বাচনকেন্দ্রিক মামলার সংখ্যাও। যে এলাকায় আওয়ামী লীগের যে গ্র“প বেশি শক্তিশালী, সেখানকার ব্যালট তার হাতে থাকবে। তাদের সামাল দিতে প্রশাসন পড়বে তখন মহাবিপদে। দলের চেইন অব কমান্ডের সাথে সাথে প্রশাসনের কমান্ডও ভেঙে যেতে পারে।র হানাহানিতে পটু আওয়ামী লীগের দলীয় সহিংসতার দায় হয়তো বিএনপি-জামায়াতের ঘাড়ে গিয়ে পড়বে। নতুন করে আবারো হবে শত শত মামলা আর চার্জশিট। কেউ জেলে, কেউ পলাতক, কেউবা নির্বাচনের তাণ্ডবের শিকার হতে পারে।
লেখক : সুপ্রিম কোর্টের আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ
e-mail: drtuhinmalik@hotmail.com
দুই. এবার আমাদের নির্বাচন কমিশন অদ্ভুত এক পদ্ধতিতে সারা দেশে পৌরসভা নির্বাচন করতে যাচ্ছে। একই নির্বাচনে মেয়ররা দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করবেন। আর কাউন্সিলরেরা করবেন স্বতন্ত্র প্রতীকে। বিশ্বে এটা একটা বিরল ঘটনা বটে। নির্বাচনী সভা সমাবেশের ওপর আরোপ করা হয়েছে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা। এমনকি ঘরে বসেও কেউ সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো সভা করতে পারবে না। এটা তো দেখছি, মাসাল ল’ আমলকেও হার মানিয়ে দিয়েছে। জরুরি অবস্থার সময় দেশে জনসভা, শোভাযাত্রা, পথসভা বা ঘরোয়া মিটিং নিষিদ্ধ থাকে সত্য। কিন্তু দেশে কোনো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়নি। তবু এখন কেন এগুলোর ওপর এত নিষেধাজ্ঞা? এ অবস্থায় নির্বাচনে আসা বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন কি না, তাও সন্দেহ। ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ভাগ্যেই বা কী লেখা আছে কে জানে? কারণ গত উপজেলা ও সিটি নির্বাচনে বেশির ভাগ এলাকায় সে এজেন্টদের খুঁজেও পাওয়া যায়নি। আর এখন তো অবস্থা আরো উদ্বেগজনক। দলের প্রার্থী থেকে শুরু করে পোলিং ও নির্বাচনী এজেন্টরা বেশিরভাগই এখন জেলে। নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী-সমর্থকেরাও শত শত মামলার আসামি। এলাকাতে ঢুকতেই সাহস করছেন না ‘মামলা খাওয়া’ পলাতক কর্মী-সমর্থকেরা। তা ছাড়া প্রশাসনের পাশাপাশি সরকারদলীয় ক্যাডাররা সার্বক্ষণিক মনিটর করছে বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের। ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত নির্ভয়ে পৌঁছাতে পারাটাই এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এই নির্বাচন কমিশন দিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে উপজেলা নির্বাচন কিংবা ঢাকা সিটি নির্বাচনে বর্তমান ইসি তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেনি। তাই আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনেও ইসি তাদের চিরাচরিত চরিত্রেই আবির্ভূত হবে। তার প্রমাণ, পৌর নির্বাচন সামান্য পেছানো থেকে শুরু করে বিএনপির কিছু পর্যবেক্ষণ ও দাবি নিরসনে কোনো পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টাও করা হয়নি।
তিন. তা হলে প্রশ্ন জাগতে পারে, এ অবস্থায় বিএনপি পৌর নির্বাচনে যাবার সিদ্ধান্ত নিলো কেন? কারণ স্বাভাবিক রাজনীতি করার সুযোগ থেকে প্রায় বঞ্চিত হয়ে থাকা বিএনপির কাছে এই পৌর নির্বাচন দল গোছানো ও প্রকাশ্যে রাজনীতি করার সুযোগ এনে দিয়েছে। তারা নিশ্চিত জানে ছক কাটা এই নির্বাচনের বাস্তবতা। তার পরও যেন নির্ধারিত হার মেনে নিয়েই বিএনপি তৃণমূলের নেতৃত্বকে চাঙ্গা করতে এই নির্বাচনের সুযোগটিকে হাতছাড়া করতে চাচ্ছে না। এই সুবাদে মাঠপর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব বেরিয়ে আসার সাথে সাথে নেতাকর্মীরা দীর্ঘ দিনের অচলায়তন ভেঙে ধানের শীষ নিয়ে মাঠে নামতে পারবেন। আর নির্বাচনের হারজিত, এ দুটোতেই বিএনপির লাভ। জিতলে প্রমাণিত হবে তাদের প্রবল জনসমর্থন। আর হারলে প্রমাণিত হবে, আওয়ামী আমলে কোনোভাবেই নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। দুই ক্ষেত্রেই আন্দোলন করার প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করা সম্ভব হতে পারে। সে কারণেই হয়তো বিএনপি প্রথমে বিরোধিতা করলেও পরে এ নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সরকার চেয়েছিল, ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো এবারো বিএনপি যাতে নির্বাচনে না আসে। কিন্তু রাজনীতির পাশা খেলায় লাভ বিএনপিরই হয়েছে বেশি। খুন-গুম-হামলা-হামলায় বির্পযস্ত নেতাকর্মীরা এই সুযোগে ঘুরে দাঁড়ানোর একটি সুযোগই পেয়ে গেলো। বিএনপি জানে, তাদের দলীয় প্রার্থীদের প্রার্থিতা গণহারে বাতিল করে দেয়া হতে পারে। এজন্য এবার তারা বিকল্প প্রার্থীও রেখেছেন। ধানের শীষের মনোনয়ন বাতিল হলে বিকল্প প্রার্থীরা তখন স্বতন্ত্র মার্কা নিয়েই লড়াই করবেন। তা ছাড়া জনগণের কাছে তো এটা স্পষ্ট যে, এই নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হচ্ছে না। কারণ গত নভেম্বর মাসের ৫ তারিখ থেকে বিএনপি-জামায়াতের ‘ঘাঁটি’ হিসাবে পরিচিত ৩২ জেলায় র্যাব-পুলিশ-বিজিবি দিয়ে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে এই দুই দলের হাজারো নেতাকর্মীকে গণগ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, অভিযানের আগে প্রতিটি জেলার এসপিকে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের লিস্ট হাতে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। পুলিশের বিশেষ শাখা সেই তালিকা ধরে বিএনপি-জামায়াত নির্মূল অভিযানে নেমেছে। কোথাও কোথাও ঘরের মা-বোনদের পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক বলে কোমরে দড়ি বেঁধে কোর্টে চালান দেয়া হয়েছে। আবার জামিনে মুক্তি মিললেও কারাফটক থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সরকার গণগ্রেফতারের পাশাপাশি গণহারে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চার্জশিট দিয়ে এলাকাছাড়া করে রেখেছে। কোথাও বা বাড়িতে বাড়িতে চলছে পুলিশি অভিযান। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের গ্রেফতার থেকে রক্ষা, তাদের জামিনের সুযোগ থাকা এবং পলাতকদের প্রকাশ্যে এসে ভোট চাওয়ার ব্যবস্থা যে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয়, তা যেন ইসির কাছে একটা মামাবাড়ির আবদারের মতো মনে হচ্ছে।
চার. এদিকে বিএনপির পৌর নির্বাচনে অংশ নেয়ার কারণে সরকার দেখাতে চাইছে, বিএনপি বর্তমান সরকারকে অবৈধ বললেও তাদের অধীনেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে;’ কিন্তু বিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিলেও সবগুলো স্থানীয় সরকারের নির্বাচনেই অংশ নিয়েছে। কারণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ কোনো সরকারের অধীনে হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান চালু থাকা অবস্থাতেও দলীয় সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হতো। বিএনপি এ ক্ষেত্রে তার কৌশল থেকে এবারো সরে আসেনি। তা ছাড়া স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক কারচুপি হলেও বিএনপি কিন্তু প্রথম দিকে বেশ সফলতাও পেয়েছিল। তাই এবার এই কৌশলের সাথে দলের শীর্ষ নেতাদের নির্বাচনী মাঠে অবাধ বিচরণের ক্ষেত্রটা পেয়ে বিএনপি অখুশি হওয়ার কথা নয়। সাথে কর্মী-সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি দল গোছানোর সুযোগও পাওয়া গেল। সরকারের স্বেচ্ছাচারী শাসনে এমনিতেই দেশের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। এ অবস্থায় যেকোনো নির্বাচনেই জনগণ স্বাধীনভাবে ভোটদানের সুযোগ পেলে সরকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেবে। পৌর নির্বাচনের মতো স্থানীয়ভাবে একে অন্যকে চেনাজানার এরকম নির্বাচনে সরকার কারচুপি করলে তৃণমূলের জনমত আরো ব্যাপকভাবে সরকারের বিরুদ্ধে চলে যাবে। এতে নতুন করে গণআন্দোলনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে বিএনপি এটিকে কাজে লাগাতে পারবে কি না, সেটাও কোটি টাকার প্রশ্ন।
পাঁচ. কিন্তু প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগ সরকার আসলেই কি স্থানীয় সরকারের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে? কারণ কোনো নির্বাচন না দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দলীয় ব্যক্তিদের দিয়ে জেলা পরিষদগুলো চালানো হচ্ছে। সরকার যাদের এমপি-মন্ত্রী করতে পারেনি, এমন ব্যক্তিদের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার জন্যই জেলা পরিষদগুলোতে বসিয়ে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পত্রিকায় দেখলাম ঢাকার জেলা পরিষদের প্রশাসকের বিরুদ্ধেই ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। অন্য দিকে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনার ব্যাপারেও সরকার সংবিধানের মূল জায়গায় আঘাত হেনেছে। সংবিধানের ৫৯(১) অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার সম্পর্কে বলা হয়েছে, আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশের স্থানীয় শাসনের ভার দেয়া হবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার এতদিন এনিয়ে কিছুই করেনি। তার বদলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের প্রত্যেকটি কাঠামো অকেজো করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জেলে দিয়ে আর গণবরখাস্ত করে নিজেদের লোকজনকে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ওপরে খবরদারির জন্য অনির্বাচিত উপদেষ্টাদের দিয়ে কেন মন্ত্রণালয়গুলো চালানো হচ্ছে? স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট জেলার মন্ত্রী-এমপিদের হাতে এতটা অসহায় কেন? নির্বাচিত নারী জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায়ন কেন হচ্ছে না? আসলে কেন্দ্রীয় সরকার স্থানীয় সরকারের সাথে ক্ষমতার ভাগাভাগি করতে নারাজ। আশঙ্কা হয়, দলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতের মুঠোয় পুরোপুরি নিয়ে নেয়ার ক্ষেত্র সৃষ্টি করা হলো।
ছয়. এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় নেতাদের স্ত্রী-শ্যালকদের দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। কোটি টাকার বিনিময়ে মাদারিপুরের কালকিনি পৌরসভায় মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়ার অভিযোগে গত বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে গণপদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মী। তারপরও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ছড়াছড়ি, কোন্দল, হানাহানিতে শাসক দল চরম বিশৃঙ্খলা। দীর্ঘ দিন ক্ষমতার স্বাদ নেয়া আওয়ামী লীগের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ পৌর নির্বাচনে একক প্রার্থী দেয়া। সারা দেশে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী মাঠ দখল করে রেখেছেন। দলের পক্ষ থেকে যতই বলা হচ্ছে, তৃণমূলের নেতারাই মনোনয়ন পাবেন; কিন্তু প্রকৃত অবস্থাটা উল্টো। স্থানীয় মন্ত্রী-এমপিদের গুণগ্রাহীদের বাদ দিয়ে তৃণমূলের সুপারিশ কতটা কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে, বলা মুশকিল। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, পৌরসভা নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ নির্বাচন করলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। কিন্তু আইন সংশোধন করে দলীয় মনোনয়ন আর প্রতীক দিলেই কি এসব হানাহানি আর দলীয় কোন্দল বন্ধ হবে? দল থেকে বহিষ্কার করেও কি বিদ্রোহীদের ঠেকানো সম্ভব? এতে দল আরো বিভক্ত ও দুর্বলই হবে। নির্বাচনী মনোনয়নের দৌড়ে হেরে যাওয়া নেতাকর্মীরা গ্রুপ ও পাল্টা গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অসংখ্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্ম দেবেন। তখন দলের ভোটগুলো ভাগ হয়ে যাবে বিভিন্ন জনের মাঝে। দলের প্রার্থীর জন্য তখন পাস করা দূরের কথা, সম্মানজনক ভোট পাওয়াও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এ অবস্থায় সম্মান বাঁচাতে বাধ্য হয়েই বরাবরের মতো কারচুপির আশ্রয় নিয়ে দলীয় প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হতে পারে। এতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কার্যত মুখ থুবড়ে পড়বে। আর সহিংসতার সাথে পাল্লা দিয়ে হু হু করে বেড়ে যাবে নির্বাচনকেন্দ্রিক মামলার সংখ্যাও। যে এলাকায় আওয়ামী লীগের যে গ্র“প বেশি শক্তিশালী, সেখানকার ব্যালট তার হাতে থাকবে। তাদের সামাল দিতে প্রশাসন পড়বে তখন মহাবিপদে। দলের চেইন অব কমান্ডের সাথে সাথে প্রশাসনের কমান্ডও ভেঙে যেতে পারে।র হানাহানিতে পটু আওয়ামী লীগের দলীয় সহিংসতার দায় হয়তো বিএনপি-জামায়াতের ঘাড়ে গিয়ে পড়বে। নতুন করে আবারো হবে শত শত মামলা আর চার্জশিট। কেউ জেলে, কেউ পলাতক, কেউবা নির্বাচনের তাণ্ডবের শিকার হতে পারে।
লেখক : সুপ্রিম কোর্টের আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ
e-mail: drtuhinmalik@hotmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
December
(688)
-
▼
Dec 08
(23)
- যুদ্ধের ধকল ও উত্তরাধিকারের মনস্তত্ত্ব by আবুল মোমেন
- মেঘের ওজন কত?
- মুলতানের মাদ্রাসায় পড়তে গিয়েছিলেন তাশফিন মালিক
- আমার সব সময়ের শিক্ষক by আবুল মাল আবদুল মুহিত
- রামপাল নিয়ে উদ্বেগ কেন? by আসিফ নজরুল
- সিরিয়ার সেনাঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- পিয়ন থেকে স্বৈরশাসক
- ভেনিজুয়েলায় বাম শাসনের অবসান
- টিআইবির নিবন্ধন বাতিলের সুপারিশ ও বাস্তবতা by আলী ...
- জঙ্গি নিয়ে বিভ্রান্তি ও বিপদ by বদিউল আলম মজুমদার
- বর্তমান আমলে পৌর নির্বাচন by ডক্টর তুহিন মালিক
- পুতুলনাচের রঙ্গশালার ভাবসম্প্রসারণ! by গোলাম মাওলা...
- ফেসবুক বন্ধের উপকারিতা by আনিসুল হক
- জামায়াত ঘিরে নতুন তৎপরতা
- রাষ্ট্রে ব্যক্তি ও বেসরকারি উদ্যোগ by সৈয়দ আবুল ম...
- চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় কেন পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন?
- সমঝোতা না নিঃশেষ! by সৈয়দ সামসুজ্জামান নীপু
- পলাতক আসামিদের খোঁজ নেই নূর ছাড়াই চার্জশিট, নতুন ত...
- বিমানবন্দরে ভিআইপিদের সঙ্গে জোর করে ঢুকলে গ্রেপ্তা...
- ভারতকে টুকরো টুকরো করার ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি by নু...
- ‘বাংলাদেশের চেয়ে ভালো জায়গা নেই’ -ফের অস্ট্রেলিয়ার...
- ‘বাদামি বাক্সে বন্দি জীবন’
- জানাজার মাইকিংয়ের পর নড়ে উঠলেন মৃত ঘোষিত বৃদ্ধ by ...
-
▼
Dec 08
(23)
-
▼
December
(688)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment