Saturday, April 18, 2015
মন্তিয়েলের বিধবা বউ by গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
মন্তিয়েলের বিধবা বউ by গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
হোসে মন্তিয়েল যখন মারা গেল, একটা বিহিত হয়েছে সবাই এমন অনুভব করল শুধু তার বিধবা বউ ছাড়া; তবে সে যে আসলেই মারা গেছে এটা বিশ্বাস করতে শহরবাসীর কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে গেল। অনেকেই সন্দেহ করতে লাগল, গুমোট ঘরে মৃতদেহটা দেখার পর বালিশগুলো আর লিলেনের চাদরের সঙ্গে গাদাগাদি করে রাখা হলুদ কফিনের ভেতর, যেটার দুপাশ তরমুজের মতো গোলাকার। বেশ সুন্দর করে শেভ করা, গায়ে সাদা পোশাক, পেটেন্ট-চামড়ার বুট পায়ে এবং তাকে এত সুন্দর দেখাচ্ছিল যে সে সময়ের মতো এত প্রাণবন্ত কখনোই মনে হয়নি তাকে। প্রতি রোববারের আটটার নৈশভোজে উপস্থিত হওয়া সেই একই দোন চেপে মন্তিয়েল, কেবল পার্থক্য এই যে ঘোড়া দাবড়ানোর চাবুকের পরিবর্তে তার হাতের ভেতর ক্রুশবিদ্ধ যিশুর প্রতিকৃতি। কফিনের ঢাকনায় পেরেক ঠোকা এবং পারিবারিক জাঁকাল সমাধিস্তম্ভের ভেতর কবরের দেয়াল ঘিরে ফেলার ঘটনাগুলো দেখে গোটা শহরবাসী বিশ্বাস করল যে, লোকটা মৃতের ভূমিকায় অভিনয় করছে না।
দাফনের পর, শুধু এই ব্যাপারটা তার বিধবা বউ ছাড়া অন্য সবার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হলো যে হোসে মন্তিয়েলের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। সবাই যখন ধারণা করছিল ওত পেতে থাকা কেউ পেছন থেকে তাকে গুলি করবে, তার বিধবা বউ নিশ্চিত ছিল যে তাকে বৃদ্ধাবস্থায় বিছানায় শুয়ে মরতে দেখবে, পাপ স্বীকার করার পর, কোনো যন্ত্রণাভোগ ছাড়াই, আধুনিক কালের কোনো সন্তের মতো। কিন্তু তার বর্ণনায় কিছু ভুল হয়েছিল। হোসে মন্তিয়েল মরেছে তার দোল-বিছানায়, ১৯৫১ সালে, আগস্টের ২ তারিখ বেলা দুইটার সময়, তার মৃত্যু হয়েছিল আক্রোশজনিত মূর্ছার ঘটনায়—যে ব্যাপারে চিকিৎসকের নিষেধ ছিল। তবে সে আশা করছিল সমস্ত শহর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবে এবং সবাই এত ফুল আনবে যে আঁটবে না ঘরে। তবু কেবল তার নিজের দলের লোকেরা এবং সমধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভাইয়েরাই উপস্থিত থাকল এবং একমাত্র ফুলের ডালা তারা পেল পৌর কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। তার ছেলে, জার্মানিতে তার বাণিজ্যদূতের পদ থেকে এবং তার দুই মেয়ে প্যারিস থেকে তিন পাতার টেলিগ্রাম পাঠাল। কেউ দেখলেই বুঝবে খসড়াটা লেখা হয়েছে দাঁড়ানোর ওপর, টেলিগ্রাফ অফিসের পর্যাপ্ত কালি ব্যবহার করে এবং ২০ ডলার মূল্যের শব্দসংখ্যা খুঁজে পাওয়ার আগে তাদের অনেকগুলো টেলিগ্রাম ফরম ছিঁড়তে হয়েছে। তাদের কেউই ফিরে আসার আশ্বাস দেয়নি। সেই রাতে, ৬২ বছর বয়সে সেই বালিশে অশ্রুপাত করতে করতে, যাতে শুয়ে শেষ বিশ্রাম নিয়েছিল লোকটা যে তাকে সুখী করতে চেয়েছে, মন্তিয়েলের বিধবা বউ প্রথমবারের মতো অপমানবোধের স্বাদ বুঝতে পারল। ‘আমি চিরকালের মতো বন্দী করে রাখব নিজেকে’, সে ভাবল। ‘আমাকে যেন তারা হোসে মন্তিয়েলের সঙ্গে একই কফিনে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এ দুনিয়া সম্পর্কে আমি আর বেশি কিছুই জানতে চাই না।’
সে ছিল আলাভোলা, দুর্বল নারী, কুসংস্কারে আচ্ছন্ন, বাবা-মায়ের পছন্দে বিয়ে করেছে কুড়ি বছর বয়সে, চেয়েছে কেবল তাকেই যে ছিল তার পাণিপ্রার্থী, যার সঙ্গে কুড়ি ফিটের কম দূরত্ব থেকে দেখা করার অনুমতি ছিল তাদের। বাস্তবতার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তার কখনোই ছিল না। তারা তার স্বামীর মৃতদেহ বাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়ার তিন দিন পর, সে নিজের অশ্রুর ভেতর দিয়ে বুঝেছে তার নিজেকেও একই সঙ্গে টেনে নেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তার নতুন জীবনকে কোন দিকে নিয়ে যাবে সেই অভিমুখ সে খুঁজে পেল না। তাকে শুরু করতে হলো একদম গোড়া থেকে।
অসংখ্য রহস্যের ভেতর হোসে মন্তিয়েলকে নিজের সঙ্গে কবরে নিয়ে যেতে হলো একটি ভারী সিন্দুক। মেয়র সমস্যাটির দায়িত্বভার নিয়েছিলেন। তিনি সিন্দুকটাকে প্রাঙ্গণে রাখার নির্দেশ দিলেন, দেয়ালের বিপরীতে এবং দুজন পুলিশ তালা লক্ষ করে গুলিবর্ষণ করল। সমস্ত সকাল ধরে মন্তিয়েলের বিধবা বউ শুনতে পাচ্ছিল ভারী অগ্নিবর্ষণের শব্দ এবং পর্যায়ক্রমিক নির্দেশ, যা চিৎকার করে করে বলে যাচ্ছিলেন মেয়র।
‘ওটা হলো শেষ খড়কুটো’, সে ভাবল। ‘ঈশ্বরের কাছে পাঁচ বছর ধরে প্রার্থনা করেছি যাতে গোলাগুলি শেষ হয়, আর এখন আমাকে তাদের ধন্যবাদ জানাতে হচ্ছে আমার বাড়িতে গোলাগুলির জন্য।’ সেদিন সে সমন্বিত চেষ্টা চালাল মৃত্যুকে ডাকার। কিন্তু কারও প্রত্যুত্তর পেল না। সে ঘুমিয়ে পড়তে শুরু করেছিল যখন একটা প্রচণ্ড বিস্ফোরণ বাড়ির ভিত নাড়িয়ে দিল। ভারী সিন্দুকটাকে ভাঙতে তাদের ডিনামাইট বিস্ফোরণ ঘটাতে হয়েছে।
মন্তিয়েলের বিধবা বউ সজোরে দীর্ঘশ্বাস টানল। অক্টোবর মাসটা ছিল বিলুয়া বৃষ্টিতে অন্তহীন, মন্তিয়েলের অগোছালো ও প্রকাণ্ড খামারবাড়িতে গন্তব্যহীনভাবে চলতে শুরু করে সে নিঃশেষিত বোধ করল। পরিবারের বয়োবৃদ্ধ এবং নিরলস বন্ধু কারমিকায়েল সাহেব ভূসম্পত্তির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। অবশেষে সে যখন তার স্বামীর মৃত্যুর অকাট্য সত্যের মুখোমুখি হলো, মন্তিয়েলের বিধবা বউ বাড়ি দেখাশোনা করতে বেরিয়ে এল শোবার ঘর থেকে। সমস্ত সাজসজ্জা সে খুলে ফেলল, আসবাবপত্রগুলো ঢেকে দিল শোকের রঙে এবং দেয়ালে টাঙানো মৃত লোকটার প্রতিকৃতিতে অন্ত্যেষ্টির রিবন জুড়ে দিল। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার দুমাস পর, সে ফিরে পেল তার নখ কামড়ানোর অভ্যাস। একদিন অতিরিক্ত কান্নায় তার দুচোখ লাল এবং উদ্বেল হলো যখন সে দেখল যে কারমিকায়েল সাহেব ছাতা খুলে বাড়ির ভেতর ঢুকছেন।
‘ছাতা বন্ধ করেন, কারমিকায়েল সাহেব’, সে তাকে বলল। ‘এত দুর্ভাগ্য পোহানোর পর, আপনার কাছে আমাদের এটাই চাইবার ছিল যে, আপনি ছাতা খুলে বাড়ির ভেতর ঢুকবেন।’
কারমিকায়েল সাহেব ছাতাটা এক কোনায় রাখলেন। তিনি ছিলেন এক বুড়ো কালো মানুষ—উজ্জ্বল ত্বক, সাদা জামা গায়ে এবং বুড়ো আঙুলের গিঁটের ফুলে ওঠা গেঁজে যাতে চাপ না লাগে তাই চাকু দিয়ে জুতোটা চেরা।
‘শুকিয়ে যাওয়ার সময়ই শুধু এইটা হয়।’
তার স্বামীর মৃত্যুর পর এই প্রথম মন্তিয়েলের বিধবা বউ জানালা খুলল। এত দুর্দশা, তার ওপর এই শীতকাল, সে বিড়বিড় করল, তার নখ কামড়াতে কামড়াতে। ‘মনে হচ্ছে, কখনোই আর পরিষ্কার হবে না।’
‘আইজ কিংবা কালকের মধ্যে হইতেছে না’, নির্বাহী লোকটি বললেন। ‘গত রাইতে আমার পায়ের গেঁজ আমাকে ঘুমাইতে দেয় নাই।’
কারমিকায়েল সাহেবের গেঁজের বায়ুমণ্ডলীয় ভবিষ্যদ্বাণীকে সে বিশ্বাস করে। নিবিড়ভাবে সে দেখল জনহীন চত্বরটাকে, নিশ্চুপ বাড়িগুলোকে যার কোনো দরজাই খোলা হয়নি হোসে মন্তিয়েলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সাক্ষ্য হিসেবে, অতঃপর হতাশবোধ করল সে, তার নখগুলো নিয়ে, অপরিসীম জমিজমা নিয়ে, এবং অনন্তসংখ্যক বাধ্যবাধকতা নিয়ে যা সে উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেছিল তার স্বামীর কাছ থেকে এবং যেসব কিছুকে সে কখনোই বুঝে উঠতে পারবে না।
‘এ জগতের সবটাই ভুল’, ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলল সে।
সেই দিনগুলোতে যারা তাকে দেখেছে তাদের এমন ভাবার কারণ ছিল যে, সে পাগল হয়ে গেছে। কিন্তু তখনকার চেয়ে অত প্রাঞ্জল সে কখনোই ছিল না। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড শুরু হওয়ার আগে থেকে অক্টোবরের বিষণ্ণ² সকালগুলোতে সে তার ঘরের জানালার সামনে দাঁড়িয়ে কাটিয়েছে, মৃতদের প্রতি সমবেদনা নিয়ে এবং এই চিন্তা করে যে ঈশ্বর যদি রোববারে বিশ্রাম না নিতেন জগৎটাকে তিনি ঠিকঠাকমতো তৈরি করে উঠতে পারতেন।
সেই দিনটাকে তিনি ব্যবহার করতে পারতেন কিছু শিথিল লক্ষ্যকে ভালো করে বেঁধেছেঁদে নেওয়ার কাজে, মন্তিয়েলের বিধবা বউ এমনটাই বলত। সর্বোপরি, ঈশ্বরের তো অনন্তকালের সবটা ছিলই বিশ্রাম নেওয়ার জন্য।
তার স্বামীর মৃত্যুর পর, যে একমাত্র পার্থক্যটা ঘটেছে তা হলো এরপর তার অকাট্য কারণ ছিল এমন তমসাবৃত ভাবনায় নোঙর করার।
এভাবে, মন্তিয়েলের বিধবা বউ যখন নিজেকে হতাশাগ্রস্ত করে ফেলল, কারমিকায়েল সাহেব জাহাজডুবি আটকানোর চেষ্টা করলেন। কিছুই ভালো যাচ্ছিল না। হোসে মন্তিয়েল যে সন্ত্রাসের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করেছিল, সেই হুমকি আর না থাকায় শহরবাসী প্রতিশোধ নিয়ে যাচ্ছিল। কখনো না আসা গ্রাহকের অপেক্ষা করতে করতে প্রাঙ্গণে সার করে রাখা জগের দুধ টক হয়ে গেল, এবং চাকের মধু চাকেই নষ্ট হলো, এবং পনির বানানোর ঘরের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে পোকা জন্মে স্ফীত হয়ে উঠল পনির। বৈদ্যুতিক আলোর বাতি এবং নকল-মার্বেলের দেবদূতখচিত সমাধিসৌধের ভেতর থেকে হোসে মন্তিয়েল ছয় বছরের হত্যা ও জবরদস্তির মূল্য দিয়ে যাচ্ছিল। দেশের ইতিহাসে কেউই এত অল্প সময়ে এত ধনসম্পদ অর্জন করেনি। একনায়কতন্ত্রের সময়ের প্রথম মেয়র যখন শহরে এলেন, তখন হোসে মন্তিয়েল ছিল সব সরকারের আমলের সতর্ক দলীয় কর্মী, যে তার জীবনের অর্ধেক সময় নিজের অন্তর্বাসের ভেতর কাটিয়েছে তার চালকলের সামনে বসে থেকে। একটা সময় সে সুখী মানুষ ও একজন বিশ্বাসী হিসেবে বিশেষ সুখ্যাতি উপভোগ করেছিল, কারণ সে প্রকাশ্যে জোরেশোরে প্রতিজ্ঞা করেছিল, যদি সে লটারি জেতে একটা মানুষ-সমান আকারের সেন্ট জোসেফের মূর্তি গির্জায় দেবে, এবং সপ্তাহ দুয়েক পর সে মোটা অঙ্কের পুরস্কার জিতে যায় এবং তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। প্রথমবারের মতো সে জুতা পরে, যখন নিষ্ঠুর নতুন মেয়র যিনি ভেতরে ভেতরে পুলিশ সার্জেন্টদের হাতে রাখেন, প্রতিপক্ষকে দমন করার ত্বরিত আদেশ নিয়ে এলেন। হোসে মন্তিয়েল তার বিশ্বস্ত গুপ্তচর হিসেবে কাজ শুরু করল। সেই আদর্শ ব্যবসায়ী, তার শত্রুদের ধনী ও গরিবে পৃথক করতে যার মোটা মানুষের মেজাজে এতটুকুও অস্বস্তি জাগেনি। পাবলিক স্কয়ারে পুলিশ গরিব লোকগুলোকে গুলি করল। ধনী লোকদের শহর ছেড়ে চলে যেতে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হলো। গণহত্যার পরিকল্পনা করে হোসে মন্তিয়েল মেয়রের সঙ্গে তার শ্বাসরোধী অফিস কক্ষে একসঙ্গে আটকা থাকল দিনগুলো শেষ হওয়া অব্দি, যখন তার স্ত্রী মৃতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে যাচ্ছিল। মেয়র অফিস ছেড়ে যখন চলে যাবে, সে তার স্বামীর পথ আটকাবে।
‘ওই লোকটা একটা খুনি’, সে তাকে বলবে। ‘সরকারের ওপর তোমার প্রভাবকে তুমি ব্যবহার করো যাতে তারা ওই পশুটাকে তাড়াতে পারে; শহরের কোনো মানুষকেই সে জীবিত রাখবে না।’
আর হোসে মন্তিয়েল, কত ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে, তার দিকে না তাকিয়েই তাকে পাশে সরিয়ে দিয়েছে, এ কথা বলতে বলতে, ‘এ রকম বোকামি কোরো না।’ প্রকৃত প্রস্তাবে গরিবদের হত্যা করাটা তার কাজ ছিল না, তার কাজটা ছিল বরং শহর থেকে ধনীদের বিতাড়ন করা। মেয়র তাদের দরজাগুলোতে গুলিবর্ষণ করে ঝাঁঝরি বানিয়ে ফেলার পর এবং যখন তাদের শহর ছেড়ে যাওয়ার জন্য চব্বিশ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হলো হোসে মন্তিয়েল তাদের জমিজমা ও গবাদিপশুগুলো তাদের কাছ থেকে কিনে নিয়েছিল এমন দামে যে দাম সে নিজেই নির্ধারণ করেছিল।
‘মূর্খতা কোরো না’, তার স্ত্রী তাকে বলল। ‘তুমি তোমারই সর্বনাশ করছে তাদের সাহায্য করতে গিয়ে, যাতে তারা অন্যত্র গিয়ে অনাহারে না মরে, আর তারা কখনোই তোমাকে ধন্যবাদ জানাবে না।’
এবং হোসে মন্তিয়েল যার এখন হাসারও সময় নেই, তাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে বলতে লাগল, ‘তুমি তোমার রান্নাঘরে যাও, আমাকে এত জ্বালাতন কোরো না।’
এভাবে এক বছরের কম সময়ে বিরোধী দল পদানত হয়ে পড়ল এবং হোসে মন্তিয়েল হয়ে উঠল শহরের সবচেয়ে ধনী ও ক্ষমতাবান ব্যক্তি। সে তার কন্যাদের পাঠাল প্যারিসে। পুত্রের জন্য জার্মানিতে বাণিজ্যদূতের একটা পদ জোগাড় করল এবং নিজেকে তার সাম্রাজ্য সুদৃঢ় করার কাজে নিয়োজিত করল। কিন্তু সে তার অঢেল সম্পত্তি উপভোগের জন্য এমনকি ছয়টি বছর সময়ও বেঁচে থাকতে পারল না।
তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর পর, মন্তিয়েলের বিধবা বউ সিঁড়িতে ক্যাচ ক্যাচ আওয়াজ শুনছিল কেবলই খারাপ খবর আসার। সব সময় গোধূলিতে কেউ আসে। ‘আবারও দস্যুরা’, তারা বলত। ‘গতকাল ওরা ৫০টি বকনা বাছুরের একটি দলকে নিয়ে চম্পট দিয়েছে।’ তার দোলনার ভেতর স্থির হয়ে বসে থেকে, নখ কামড়ে, মন্তিয়েলের বিধবা বউ তার অপমানবোধকেই হজম করেছে।
‘হোসে মন্তিয়েল, আমি তোমাকে বলেছিলাম’, নিজের সঙ্গে কথা বলতে বলতে সে বলেছিল। ‘এটা একটা অকৃতজ্ঞ শহর। কবরে তোমার শরীর এখনো উষ্ণ অথচ জগৎ তোমার দিক থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’
বাড়িতে ফিরে এল না কেউই। এই বৃষ্টিশূন্য অন্তহীন মাসগুলোতে একমাত্র যে মানবসত্তাকে সে দেখেছে তিনি হলেন অনলস কারমিকায়েল সাহেব, ছাতা বন্ধ করে যিনি কখনোই বাড়িতে ঢুকতেন না। অবস্থার কোনো উন্নতি হলো না। কারমিকায়েল সাহেব মন্তিয়েলের ছেলেকে অনেকগুলো চিঠি লিখেছেন। তিনি তাকে সমঝোতার অগ্রভাগে থাকা এবং বিধবার কল্যাণ-সম্পর্কিত বিবেচনার অনুমতি থাকার সুবিধার ব্যাপারগুলো ইঙ্গিত করেছিলেন। তিনি সব সময়ই ছলনাপূর্ণ জবাব পেতেন। অবশেষে, হোসে মন্তিয়েলের ছেলে খোলাখুলিভাবে জানাল যে, সে ফিরতে চায় না এই ভয়ে যে তাকে গুলি করে হত্যা করা হতে পারে। কাজেই, কারমিকায়েল সাহেব বিধবার ঘরে গেলেন এমন স্বীকারোক্তি করতে যে তিনি তাকে ধ্বংসস্তূপের ভেতর ফেলে রেখে চলে যাচ্ছেন।
‘ভালো’, সে বলল। ‘আমি আছি পনির আর মাছির মুকুট যতক্ষণ আছে। যদি আপনি চান, চলে যান শিগগির আর আমাকে শান্তিতে মরতে দেন।’
তখন থেকে জগতের সঙ্গে তার একমাত্র সংযোগ হবে কিছু চিঠিপত্র, যেগুলো মাসের শেষে সে তার মেয়েকে লিখবে। ‘এটা একটা অভিশপ্ত শহর’, সে বলবে। ‘চিরদিন ওখানে থাকো আর আমার জন্য দুঃখ কোরো না। তোমরা সুখে আছ জেনেই আমি সুখী।’ তার মেয়েরা ছাড়া ছাড়াভাবে উত্তর দেবে। তাদের চিঠিগুলো সব সময় সুখী এবং সে বুঝতে পারত সেগুলো লেখা হয়েছে কোনো উষ্ণ আর খুব উদ্ভাসিত কোনো স্থানে এবং মেয়েরা যখন তাদের ভাবনা থামাত নিজেদের দেখতে পেত অনেকগুলো আয়নার ভেতর পুনরাবৃত্ত হতে। তাদের কেউই ফিরে আসতে রাজি হলো না। ‘এখানে রয়েছে সভ্যতা’, তারা বলবে। ‘তা ছাড়া ওখানে আমাদের জন্য কোনো ভালো উপায়ও নেই। এমন একটা অসভ্য দেশে বাস করা অসম্ভব, যেখানে রাজনীতির প্রশ্নে মানুষ হত্যা করা হয়।’ চিঠিগুলো পড়ে মন্তিয়েলের বিধবা বউ ভালো বোধ করবে এবং মাথার ভেতর এর প্রতিটি বাক্যকে সমর্থন করবে।
কোনো এক উপলক্ষে, তার মেয়েরা প্যারিসের মাংসের বাজারে কথা বললে দোকানিরা তাদের বলবে যে, ফ্যাকাশে লাল শূকর জবাই করা হয়েছে এবং পুরোটাই ঝোলানো আছে ফুলের মালা আর মুকুটশোভিত দরজায়। শেষে তার মেয়েদের তরফ থেকে পৃথক একটি চিঠি যুক্ত হবে: ‘ভাবো তো, তারা সবচেয়ে বড় আর সুন্দর কার্নেশনটা রেখেছে শুয়োরের গোয়ার ভেতর।’ বাক্যটা পড়ে দুই বছরের মধ্যে এই প্রথম মন্তিয়েলের বিধবা বউ হাসল। সে তার শোবার ঘরে ঢুকল বাড়ির আলো না নিভিয়েই এবং শুয়ে পড়ার আগে বৈদ্যুতিক শীতপাখাটা ঘুরিয়ে দিল দেয়ালের দিকে। তারপর রাত্রির টেবিলের দেরাজ থেকে কিছু কাঁচি, ব্যান্ডেজ সরঞ্জামের পাত্র এবং একটি জপমালা নিল; সে তার ডান হাতের বুড়ো আঙুলের নখে ব্যান্ডেজ বাঁধল, কামড়ানোর কারণে যাতে জ্বালাপোড়া করছিল। তারপর প্রার্থনা শুরু করল, তবে দ্বিতীয় রহস্যটি ছিল এই যে, সে জপমালাটি রেখেছিল তার বাম হাতে, কেননা ব্যান্ডেজের ওপর দিয়ে জপমালার গুটিগুলোকে সে অনুভব করতে পারছিল না। এক মুহূর্তের জন্য দূরাগত মেঘগর্জনের কম্পন শুনতে পেল সে। তারপর তার মাথা বুকের দিকে আনত করে ঘুমিয়ে পড়ল। জপমালাসহ তার হাতটি পড়ে থাকল পাশে, তারপর সে প্রাঙ্গণে দেখতে পেল বড় মাকে, কোলের ওপর একটা সাদা চাদর আর একটি চিরুনিসহ, বুড়ো আঙুলে চাপ দিয়ে উকুন মারছেন। সে তাকে জিগ্যেস করল:
‘আমি কখন মরব?’
বড় মা তার মাথা তুললেন।
‘যখন তোমার বাহুতে ক্লান্তি শুরু হবে।’
গল্পটি অনূদিত হয়েছে ১৯৮৪ সালে হার্পার পেরেনিয়াল প্রকাশিত গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের কালেক্টেড স্টোরিজ থেকে। বইটি এসপানিওল থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন গ্রেগরি রাবাসা ও জে এস বার্নস্টেইন। অনুবাদ: রায়হান রাইন
দাফনের পর, শুধু এই ব্যাপারটা তার বিধবা বউ ছাড়া অন্য সবার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হলো যে হোসে মন্তিয়েলের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। সবাই যখন ধারণা করছিল ওত পেতে থাকা কেউ পেছন থেকে তাকে গুলি করবে, তার বিধবা বউ নিশ্চিত ছিল যে তাকে বৃদ্ধাবস্থায় বিছানায় শুয়ে মরতে দেখবে, পাপ স্বীকার করার পর, কোনো যন্ত্রণাভোগ ছাড়াই, আধুনিক কালের কোনো সন্তের মতো। কিন্তু তার বর্ণনায় কিছু ভুল হয়েছিল। হোসে মন্তিয়েল মরেছে তার দোল-বিছানায়, ১৯৫১ সালে, আগস্টের ২ তারিখ বেলা দুইটার সময়, তার মৃত্যু হয়েছিল আক্রোশজনিত মূর্ছার ঘটনায়—যে ব্যাপারে চিকিৎসকের নিষেধ ছিল। তবে সে আশা করছিল সমস্ত শহর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবে এবং সবাই এত ফুল আনবে যে আঁটবে না ঘরে। তবু কেবল তার নিজের দলের লোকেরা এবং সমধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভাইয়েরাই উপস্থিত থাকল এবং একমাত্র ফুলের ডালা তারা পেল পৌর কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। তার ছেলে, জার্মানিতে তার বাণিজ্যদূতের পদ থেকে এবং তার দুই মেয়ে প্যারিস থেকে তিন পাতার টেলিগ্রাম পাঠাল। কেউ দেখলেই বুঝবে খসড়াটা লেখা হয়েছে দাঁড়ানোর ওপর, টেলিগ্রাফ অফিসের পর্যাপ্ত কালি ব্যবহার করে এবং ২০ ডলার মূল্যের শব্দসংখ্যা খুঁজে পাওয়ার আগে তাদের অনেকগুলো টেলিগ্রাম ফরম ছিঁড়তে হয়েছে। তাদের কেউই ফিরে আসার আশ্বাস দেয়নি। সেই রাতে, ৬২ বছর বয়সে সেই বালিশে অশ্রুপাত করতে করতে, যাতে শুয়ে শেষ বিশ্রাম নিয়েছিল লোকটা যে তাকে সুখী করতে চেয়েছে, মন্তিয়েলের বিধবা বউ প্রথমবারের মতো অপমানবোধের স্বাদ বুঝতে পারল। ‘আমি চিরকালের মতো বন্দী করে রাখব নিজেকে’, সে ভাবল। ‘আমাকে যেন তারা হোসে মন্তিয়েলের সঙ্গে একই কফিনে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এ দুনিয়া সম্পর্কে আমি আর বেশি কিছুই জানতে চাই না।’
সে ছিল আলাভোলা, দুর্বল নারী, কুসংস্কারে আচ্ছন্ন, বাবা-মায়ের পছন্দে বিয়ে করেছে কুড়ি বছর বয়সে, চেয়েছে কেবল তাকেই যে ছিল তার পাণিপ্রার্থী, যার সঙ্গে কুড়ি ফিটের কম দূরত্ব থেকে দেখা করার অনুমতি ছিল তাদের। বাস্তবতার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তার কখনোই ছিল না। তারা তার স্বামীর মৃতদেহ বাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়ার তিন দিন পর, সে নিজের অশ্রুর ভেতর দিয়ে বুঝেছে তার নিজেকেও একই সঙ্গে টেনে নেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তার নতুন জীবনকে কোন দিকে নিয়ে যাবে সেই অভিমুখ সে খুঁজে পেল না। তাকে শুরু করতে হলো একদম গোড়া থেকে।
অসংখ্য রহস্যের ভেতর হোসে মন্তিয়েলকে নিজের সঙ্গে কবরে নিয়ে যেতে হলো একটি ভারী সিন্দুক। মেয়র সমস্যাটির দায়িত্বভার নিয়েছিলেন। তিনি সিন্দুকটাকে প্রাঙ্গণে রাখার নির্দেশ দিলেন, দেয়ালের বিপরীতে এবং দুজন পুলিশ তালা লক্ষ করে গুলিবর্ষণ করল। সমস্ত সকাল ধরে মন্তিয়েলের বিধবা বউ শুনতে পাচ্ছিল ভারী অগ্নিবর্ষণের শব্দ এবং পর্যায়ক্রমিক নির্দেশ, যা চিৎকার করে করে বলে যাচ্ছিলেন মেয়র।
‘ওটা হলো শেষ খড়কুটো’, সে ভাবল। ‘ঈশ্বরের কাছে পাঁচ বছর ধরে প্রার্থনা করেছি যাতে গোলাগুলি শেষ হয়, আর এখন আমাকে তাদের ধন্যবাদ জানাতে হচ্ছে আমার বাড়িতে গোলাগুলির জন্য।’ সেদিন সে সমন্বিত চেষ্টা চালাল মৃত্যুকে ডাকার। কিন্তু কারও প্রত্যুত্তর পেল না। সে ঘুমিয়ে পড়তে শুরু করেছিল যখন একটা প্রচণ্ড বিস্ফোরণ বাড়ির ভিত নাড়িয়ে দিল। ভারী সিন্দুকটাকে ভাঙতে তাদের ডিনামাইট বিস্ফোরণ ঘটাতে হয়েছে।
মন্তিয়েলের বিধবা বউ সজোরে দীর্ঘশ্বাস টানল। অক্টোবর মাসটা ছিল বিলুয়া বৃষ্টিতে অন্তহীন, মন্তিয়েলের অগোছালো ও প্রকাণ্ড খামারবাড়িতে গন্তব্যহীনভাবে চলতে শুরু করে সে নিঃশেষিত বোধ করল। পরিবারের বয়োবৃদ্ধ এবং নিরলস বন্ধু কারমিকায়েল সাহেব ভূসম্পত্তির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। অবশেষে সে যখন তার স্বামীর মৃত্যুর অকাট্য সত্যের মুখোমুখি হলো, মন্তিয়েলের বিধবা বউ বাড়ি দেখাশোনা করতে বেরিয়ে এল শোবার ঘর থেকে। সমস্ত সাজসজ্জা সে খুলে ফেলল, আসবাবপত্রগুলো ঢেকে দিল শোকের রঙে এবং দেয়ালে টাঙানো মৃত লোকটার প্রতিকৃতিতে অন্ত্যেষ্টির রিবন জুড়ে দিল। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার দুমাস পর, সে ফিরে পেল তার নখ কামড়ানোর অভ্যাস। একদিন অতিরিক্ত কান্নায় তার দুচোখ লাল এবং উদ্বেল হলো যখন সে দেখল যে কারমিকায়েল সাহেব ছাতা খুলে বাড়ির ভেতর ঢুকছেন।
‘ছাতা বন্ধ করেন, কারমিকায়েল সাহেব’, সে তাকে বলল। ‘এত দুর্ভাগ্য পোহানোর পর, আপনার কাছে আমাদের এটাই চাইবার ছিল যে, আপনি ছাতা খুলে বাড়ির ভেতর ঢুকবেন।’
কারমিকায়েল সাহেব ছাতাটা এক কোনায় রাখলেন। তিনি ছিলেন এক বুড়ো কালো মানুষ—উজ্জ্বল ত্বক, সাদা জামা গায়ে এবং বুড়ো আঙুলের গিঁটের ফুলে ওঠা গেঁজে যাতে চাপ না লাগে তাই চাকু দিয়ে জুতোটা চেরা।
‘শুকিয়ে যাওয়ার সময়ই শুধু এইটা হয়।’
তার স্বামীর মৃত্যুর পর এই প্রথম মন্তিয়েলের বিধবা বউ জানালা খুলল। এত দুর্দশা, তার ওপর এই শীতকাল, সে বিড়বিড় করল, তার নখ কামড়াতে কামড়াতে। ‘মনে হচ্ছে, কখনোই আর পরিষ্কার হবে না।’
‘আইজ কিংবা কালকের মধ্যে হইতেছে না’, নির্বাহী লোকটি বললেন। ‘গত রাইতে আমার পায়ের গেঁজ আমাকে ঘুমাইতে দেয় নাই।’
কারমিকায়েল সাহেবের গেঁজের বায়ুমণ্ডলীয় ভবিষ্যদ্বাণীকে সে বিশ্বাস করে। নিবিড়ভাবে সে দেখল জনহীন চত্বরটাকে, নিশ্চুপ বাড়িগুলোকে যার কোনো দরজাই খোলা হয়নি হোসে মন্তিয়েলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সাক্ষ্য হিসেবে, অতঃপর হতাশবোধ করল সে, তার নখগুলো নিয়ে, অপরিসীম জমিজমা নিয়ে, এবং অনন্তসংখ্যক বাধ্যবাধকতা নিয়ে যা সে উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেছিল তার স্বামীর কাছ থেকে এবং যেসব কিছুকে সে কখনোই বুঝে উঠতে পারবে না।
‘এ জগতের সবটাই ভুল’, ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলল সে।
সেই দিনগুলোতে যারা তাকে দেখেছে তাদের এমন ভাবার কারণ ছিল যে, সে পাগল হয়ে গেছে। কিন্তু তখনকার চেয়ে অত প্রাঞ্জল সে কখনোই ছিল না। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড শুরু হওয়ার আগে থেকে অক্টোবরের বিষণ্ণ² সকালগুলোতে সে তার ঘরের জানালার সামনে দাঁড়িয়ে কাটিয়েছে, মৃতদের প্রতি সমবেদনা নিয়ে এবং এই চিন্তা করে যে ঈশ্বর যদি রোববারে বিশ্রাম না নিতেন জগৎটাকে তিনি ঠিকঠাকমতো তৈরি করে উঠতে পারতেন।
সেই দিনটাকে তিনি ব্যবহার করতে পারতেন কিছু শিথিল লক্ষ্যকে ভালো করে বেঁধেছেঁদে নেওয়ার কাজে, মন্তিয়েলের বিধবা বউ এমনটাই বলত। সর্বোপরি, ঈশ্বরের তো অনন্তকালের সবটা ছিলই বিশ্রাম নেওয়ার জন্য।
তার স্বামীর মৃত্যুর পর, যে একমাত্র পার্থক্যটা ঘটেছে তা হলো এরপর তার অকাট্য কারণ ছিল এমন তমসাবৃত ভাবনায় নোঙর করার।
এভাবে, মন্তিয়েলের বিধবা বউ যখন নিজেকে হতাশাগ্রস্ত করে ফেলল, কারমিকায়েল সাহেব জাহাজডুবি আটকানোর চেষ্টা করলেন। কিছুই ভালো যাচ্ছিল না। হোসে মন্তিয়েল যে সন্ত্রাসের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করেছিল, সেই হুমকি আর না থাকায় শহরবাসী প্রতিশোধ নিয়ে যাচ্ছিল। কখনো না আসা গ্রাহকের অপেক্ষা করতে করতে প্রাঙ্গণে সার করে রাখা জগের দুধ টক হয়ে গেল, এবং চাকের মধু চাকেই নষ্ট হলো, এবং পনির বানানোর ঘরের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে পোকা জন্মে স্ফীত হয়ে উঠল পনির। বৈদ্যুতিক আলোর বাতি এবং নকল-মার্বেলের দেবদূতখচিত সমাধিসৌধের ভেতর থেকে হোসে মন্তিয়েল ছয় বছরের হত্যা ও জবরদস্তির মূল্য দিয়ে যাচ্ছিল। দেশের ইতিহাসে কেউই এত অল্প সময়ে এত ধনসম্পদ অর্জন করেনি। একনায়কতন্ত্রের সময়ের প্রথম মেয়র যখন শহরে এলেন, তখন হোসে মন্তিয়েল ছিল সব সরকারের আমলের সতর্ক দলীয় কর্মী, যে তার জীবনের অর্ধেক সময় নিজের অন্তর্বাসের ভেতর কাটিয়েছে তার চালকলের সামনে বসে থেকে। একটা সময় সে সুখী মানুষ ও একজন বিশ্বাসী হিসেবে বিশেষ সুখ্যাতি উপভোগ করেছিল, কারণ সে প্রকাশ্যে জোরেশোরে প্রতিজ্ঞা করেছিল, যদি সে লটারি জেতে একটা মানুষ-সমান আকারের সেন্ট জোসেফের মূর্তি গির্জায় দেবে, এবং সপ্তাহ দুয়েক পর সে মোটা অঙ্কের পুরস্কার জিতে যায় এবং তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। প্রথমবারের মতো সে জুতা পরে, যখন নিষ্ঠুর নতুন মেয়র যিনি ভেতরে ভেতরে পুলিশ সার্জেন্টদের হাতে রাখেন, প্রতিপক্ষকে দমন করার ত্বরিত আদেশ নিয়ে এলেন। হোসে মন্তিয়েল তার বিশ্বস্ত গুপ্তচর হিসেবে কাজ শুরু করল। সেই আদর্শ ব্যবসায়ী, তার শত্রুদের ধনী ও গরিবে পৃথক করতে যার মোটা মানুষের মেজাজে এতটুকুও অস্বস্তি জাগেনি। পাবলিক স্কয়ারে পুলিশ গরিব লোকগুলোকে গুলি করল। ধনী লোকদের শহর ছেড়ে চলে যেতে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হলো। গণহত্যার পরিকল্পনা করে হোসে মন্তিয়েল মেয়রের সঙ্গে তার শ্বাসরোধী অফিস কক্ষে একসঙ্গে আটকা থাকল দিনগুলো শেষ হওয়া অব্দি, যখন তার স্ত্রী মৃতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে যাচ্ছিল। মেয়র অফিস ছেড়ে যখন চলে যাবে, সে তার স্বামীর পথ আটকাবে।
‘ওই লোকটা একটা খুনি’, সে তাকে বলবে। ‘সরকারের ওপর তোমার প্রভাবকে তুমি ব্যবহার করো যাতে তারা ওই পশুটাকে তাড়াতে পারে; শহরের কোনো মানুষকেই সে জীবিত রাখবে না।’
আর হোসে মন্তিয়েল, কত ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে, তার দিকে না তাকিয়েই তাকে পাশে সরিয়ে দিয়েছে, এ কথা বলতে বলতে, ‘এ রকম বোকামি কোরো না।’ প্রকৃত প্রস্তাবে গরিবদের হত্যা করাটা তার কাজ ছিল না, তার কাজটা ছিল বরং শহর থেকে ধনীদের বিতাড়ন করা। মেয়র তাদের দরজাগুলোতে গুলিবর্ষণ করে ঝাঁঝরি বানিয়ে ফেলার পর এবং যখন তাদের শহর ছেড়ে যাওয়ার জন্য চব্বিশ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হলো হোসে মন্তিয়েল তাদের জমিজমা ও গবাদিপশুগুলো তাদের কাছ থেকে কিনে নিয়েছিল এমন দামে যে দাম সে নিজেই নির্ধারণ করেছিল।
‘মূর্খতা কোরো না’, তার স্ত্রী তাকে বলল। ‘তুমি তোমারই সর্বনাশ করছে তাদের সাহায্য করতে গিয়ে, যাতে তারা অন্যত্র গিয়ে অনাহারে না মরে, আর তারা কখনোই তোমাকে ধন্যবাদ জানাবে না।’
এবং হোসে মন্তিয়েল যার এখন হাসারও সময় নেই, তাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে বলতে লাগল, ‘তুমি তোমার রান্নাঘরে যাও, আমাকে এত জ্বালাতন কোরো না।’
এভাবে এক বছরের কম সময়ে বিরোধী দল পদানত হয়ে পড়ল এবং হোসে মন্তিয়েল হয়ে উঠল শহরের সবচেয়ে ধনী ও ক্ষমতাবান ব্যক্তি। সে তার কন্যাদের পাঠাল প্যারিসে। পুত্রের জন্য জার্মানিতে বাণিজ্যদূতের একটা পদ জোগাড় করল এবং নিজেকে তার সাম্রাজ্য সুদৃঢ় করার কাজে নিয়োজিত করল। কিন্তু সে তার অঢেল সম্পত্তি উপভোগের জন্য এমনকি ছয়টি বছর সময়ও বেঁচে থাকতে পারল না।
তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর পর, মন্তিয়েলের বিধবা বউ সিঁড়িতে ক্যাচ ক্যাচ আওয়াজ শুনছিল কেবলই খারাপ খবর আসার। সব সময় গোধূলিতে কেউ আসে। ‘আবারও দস্যুরা’, তারা বলত। ‘গতকাল ওরা ৫০টি বকনা বাছুরের একটি দলকে নিয়ে চম্পট দিয়েছে।’ তার দোলনার ভেতর স্থির হয়ে বসে থেকে, নখ কামড়ে, মন্তিয়েলের বিধবা বউ তার অপমানবোধকেই হজম করেছে।
‘হোসে মন্তিয়েল, আমি তোমাকে বলেছিলাম’, নিজের সঙ্গে কথা বলতে বলতে সে বলেছিল। ‘এটা একটা অকৃতজ্ঞ শহর। কবরে তোমার শরীর এখনো উষ্ণ অথচ জগৎ তোমার দিক থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’
বাড়িতে ফিরে এল না কেউই। এই বৃষ্টিশূন্য অন্তহীন মাসগুলোতে একমাত্র যে মানবসত্তাকে সে দেখেছে তিনি হলেন অনলস কারমিকায়েল সাহেব, ছাতা বন্ধ করে যিনি কখনোই বাড়িতে ঢুকতেন না। অবস্থার কোনো উন্নতি হলো না। কারমিকায়েল সাহেব মন্তিয়েলের ছেলেকে অনেকগুলো চিঠি লিখেছেন। তিনি তাকে সমঝোতার অগ্রভাগে থাকা এবং বিধবার কল্যাণ-সম্পর্কিত বিবেচনার অনুমতি থাকার সুবিধার ব্যাপারগুলো ইঙ্গিত করেছিলেন। তিনি সব সময়ই ছলনাপূর্ণ জবাব পেতেন। অবশেষে, হোসে মন্তিয়েলের ছেলে খোলাখুলিভাবে জানাল যে, সে ফিরতে চায় না এই ভয়ে যে তাকে গুলি করে হত্যা করা হতে পারে। কাজেই, কারমিকায়েল সাহেব বিধবার ঘরে গেলেন এমন স্বীকারোক্তি করতে যে তিনি তাকে ধ্বংসস্তূপের ভেতর ফেলে রেখে চলে যাচ্ছেন।
‘ভালো’, সে বলল। ‘আমি আছি পনির আর মাছির মুকুট যতক্ষণ আছে। যদি আপনি চান, চলে যান শিগগির আর আমাকে শান্তিতে মরতে দেন।’
তখন থেকে জগতের সঙ্গে তার একমাত্র সংযোগ হবে কিছু চিঠিপত্র, যেগুলো মাসের শেষে সে তার মেয়েকে লিখবে। ‘এটা একটা অভিশপ্ত শহর’, সে বলবে। ‘চিরদিন ওখানে থাকো আর আমার জন্য দুঃখ কোরো না। তোমরা সুখে আছ জেনেই আমি সুখী।’ তার মেয়েরা ছাড়া ছাড়াভাবে উত্তর দেবে। তাদের চিঠিগুলো সব সময় সুখী এবং সে বুঝতে পারত সেগুলো লেখা হয়েছে কোনো উষ্ণ আর খুব উদ্ভাসিত কোনো স্থানে এবং মেয়েরা যখন তাদের ভাবনা থামাত নিজেদের দেখতে পেত অনেকগুলো আয়নার ভেতর পুনরাবৃত্ত হতে। তাদের কেউই ফিরে আসতে রাজি হলো না। ‘এখানে রয়েছে সভ্যতা’, তারা বলবে। ‘তা ছাড়া ওখানে আমাদের জন্য কোনো ভালো উপায়ও নেই। এমন একটা অসভ্য দেশে বাস করা অসম্ভব, যেখানে রাজনীতির প্রশ্নে মানুষ হত্যা করা হয়।’ চিঠিগুলো পড়ে মন্তিয়েলের বিধবা বউ ভালো বোধ করবে এবং মাথার ভেতর এর প্রতিটি বাক্যকে সমর্থন করবে।
কোনো এক উপলক্ষে, তার মেয়েরা প্যারিসের মাংসের বাজারে কথা বললে দোকানিরা তাদের বলবে যে, ফ্যাকাশে লাল শূকর জবাই করা হয়েছে এবং পুরোটাই ঝোলানো আছে ফুলের মালা আর মুকুটশোভিত দরজায়। শেষে তার মেয়েদের তরফ থেকে পৃথক একটি চিঠি যুক্ত হবে: ‘ভাবো তো, তারা সবচেয়ে বড় আর সুন্দর কার্নেশনটা রেখেছে শুয়োরের গোয়ার ভেতর।’ বাক্যটা পড়ে দুই বছরের মধ্যে এই প্রথম মন্তিয়েলের বিধবা বউ হাসল। সে তার শোবার ঘরে ঢুকল বাড়ির আলো না নিভিয়েই এবং শুয়ে পড়ার আগে বৈদ্যুতিক শীতপাখাটা ঘুরিয়ে দিল দেয়ালের দিকে। তারপর রাত্রির টেবিলের দেরাজ থেকে কিছু কাঁচি, ব্যান্ডেজ সরঞ্জামের পাত্র এবং একটি জপমালা নিল; সে তার ডান হাতের বুড়ো আঙুলের নখে ব্যান্ডেজ বাঁধল, কামড়ানোর কারণে যাতে জ্বালাপোড়া করছিল। তারপর প্রার্থনা শুরু করল, তবে দ্বিতীয় রহস্যটি ছিল এই যে, সে জপমালাটি রেখেছিল তার বাম হাতে, কেননা ব্যান্ডেজের ওপর দিয়ে জপমালার গুটিগুলোকে সে অনুভব করতে পারছিল না। এক মুহূর্তের জন্য দূরাগত মেঘগর্জনের কম্পন শুনতে পেল সে। তারপর তার মাথা বুকের দিকে আনত করে ঘুমিয়ে পড়ল। জপমালাসহ তার হাতটি পড়ে থাকল পাশে, তারপর সে প্রাঙ্গণে দেখতে পেল বড় মাকে, কোলের ওপর একটা সাদা চাদর আর একটি চিরুনিসহ, বুড়ো আঙুলে চাপ দিয়ে উকুন মারছেন। সে তাকে জিগ্যেস করল:
‘আমি কখন মরব?’
বড় মা তার মাথা তুললেন।
‘যখন তোমার বাহুতে ক্লান্তি শুরু হবে।’
গল্পটি অনূদিত হয়েছে ১৯৮৪ সালে হার্পার পেরেনিয়াল প্রকাশিত গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের কালেক্টেড স্টোরিজ থেকে। বইটি এসপানিওল থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন গ্রেগরি রাবাসা ও জে এস বার্নস্টেইন। অনুবাদ: রায়হান রাইন
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
April
(816)
-
▼
Apr 18
(20)
- ‘প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি’ -তাবিথের পক্ষে মাঠে...
- ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি টিকবে তো?
- ফের বেপরোয়া ছাত্রলীগ
- ‘বখাটেরা তরুণীকে নগ্ন করে উল্লাস করছিল’ by রুদ্র ম...
- ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা পুলিশ ও ঢাবি প্রশাসনের
- মন্তিয়েলের বিধবা বউ by গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
- হিলারির বাবার সমাধিস্তম্ভ ভাঙল দুর্বৃত্তরা
- আড়াল থেকে প্রকাশ্যে রাহুল
- প্রশ্নে প্রশ্নে পেরেশান পুতিন!
- ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ by মুসতাক আহমদ ও মাহ...
- ডাক্তাররাই কি মেরে ফেললেন অহনাকে? by রাশেদ রাব্বি
- বিএনপির প্রার্থীরা এখনও মাঠছাড়া by হাবিবুর রহমান খ...
- নীরোর বাঁশি ও প্রক্টর by কাজল ঘোষ
- যৌন হয়রানির প্রতিবাদে নানা কর্মসূচিতে উত্তাল ঢাবি ...
- পেছনে প্রেমে ব্যর্থতার গল্প!
- মধ্যপ্রাচ্যে কোটি শিশু স্কুলবঞ্চিত
- নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিপর্যয় কাটাতে চায় জামায়াত by...
- আবার অপকর্মে ছাত্রলীগ- দলীয় কোন্দলে নিহত ৩২ উচ্চশি...
- নাগঞ্জে রহস্যময় ব্যক্তি জয়নাল আবেদীন by রাজু আহমেদ
- ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রের পাহারায় থাকব...
-
▼
Apr 18
(20)
-
▼
April
(816)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment