Thursday, December 24, 2015
ব্যবসার জন্য নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দেয়ার এক গোপন কাহিনী by মোহাম্মদ হাসান শরীফ
ব্যবসার জন্য নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দেয়ার এক গোপন কাহিনী by মোহাম্মদ হাসান শরীফ
মুসলিম
ব্রাদারহুড কি সন্ত্রাসী সংগঠন? তারা এই দাবিই করেছিল। এই দাবিকে
যৌক্তিকতা দিতেই ব্রিটিশ সরকার গঠন করেছিল তদন্ত কমিটি। সৌদি আরবে নিযুক্ত
সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার জন জেনকিনসকে করা হয়েছিল এই কমিটির প্রধান।
না। তদন্তে ব্রাদারহুডের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ
মেলেনি। তবে তদন্তে উঠে এসেছে এক প্রিন্সের প্রতিশোধ আগুনের ভয়াবহতা আর
ব্রিটিশরা যে স্রেফ ব্যবসার জন্য ন্যায়-অন্যায়ের ধার ধারে না, তার বীভৎস
চিত্র। ব্যবসা পাওয়ার জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সত্যকে বিসর্জন
দিয়ে ওই প্রিন্সের একটু সদয় দৃষ্টি পাওয়ার জন্য লালায়িত ছিলেন, সেটাও পাওয়া
গেছে এই তদন্তে। মজার ব্যাপার হলো, যারা এই তদন্তের ব্যবস্থা করতে ব্রিটিশ
সরকারকে বাধ্য করেছিল, প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাদের মধ্যেই দেখা দিয়েছে
সবচেয়ে বেশি হতাশা।
এ প্রতিবেদনটি আসলে আরব আমিরাতের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষটি এবং পাঁচ বছর ধরে তার রাজনীতি কিভাবে ব্রিটিশ-আমিরাতি সম্পর্কে পরিচালিত করেছে, সে কাহিনীই উঠে এসেছে।
গত নভেম্বরে গার্ডিয়ানে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ব্রাদারহুডের ওপর দমনপীড়ন চালানোর বিনিময়ে আকর্ষণীয় অস্ত্র ও তেল চুক্তির জন্য ক্যামেরনকে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিল আমিরাত।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কার্যক্রমে আমিরাতের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তি জড়িত ছিলেন। তবে প্রধান ভূমিকায় ছিলেন আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান, উপসাগরীয় এলাকায় যিনি ‘এমবিজেড’ নামে পরিচিত।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানকে সাম্প্রতিক সময়ে খুব কম দেখা যায়, বা তার কথা শোনা যায়। গুজব রয়েছে খুবই অসুস্থ। এমন প্রেক্ষাপটে ‘এমবিজেড’ কার্যত দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অনেকে মনে করছে।
ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা
ব্রিটিশ তদন্ত প্রতিবেদনটি বুঝতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে ‘এমবিজেড’ এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি তার তীব্র বিদ্বেষের বিষয়টি।
অনেকে মনে করে, ২০১২ সালে ব্রাদারহুডের মোহাম্মদ মুরসির মিসরের প্রেসিডেন্ট হওয়ার ঘটনাটি ছিল মোড় পরিবর্তনকারী। এই ঘটনার রেশ ধরেই ব্রিটিশ সরকার ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল জেনকিন্সকে তদন্ত করার দায়িত্ব দিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
ঘটনাপরম্পরা এবং উদ্দেশ্যের দিক থেকে এটাকে পুরোপুরি সত্যিই বলা যায়। ‘এমবিজেড’-এর কাছে মুরসির জয়ী হওয়া ছিল পুরো অঞ্চলে ব্রাদারহুডের বন্যায় ভেসে যাওয়া এবং স্বৈরতান্ত্রিক উপসাগরীয় অঞ্চলকে তাদের ইসলামি গণতন্ত্রের পতাকাতলে নিয়ে আসার সম্ভাবনার সূচনা।
ব্রাদারহুডের প্রতি ‘এমবিজেড’র বিদ্বেষ প্রকাশ্যে তেমনভাবে জানা ছিল না। অবশ্য পদস্থ একটি ব্রিটিশ সূত্র মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছে, ‘এমবিজেড’ ব্রাদারহুডের সদস্যও হতে পারতেন, অথচ তিনি হয়েছেন তার ভাষায় তাদের বিরুদ্ধাচরণের ব্যাপারে একাট্টা ব্যক্তি। তিনি বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন লোক কিন্তু বিষয়টিকে তিনি বহু দূর নিয়ে গেছেন।
গুজব রয়েছে, আমিরাতি ক্রাউন প্রিন্স ব্রাদারহুড সম্পর্কে বিদ্বেষপরায়ণ হওয়ার কারণ, তিনি মনে করেন, গ্রুপটি তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা হাসিলের জন্য ধর্মকে সঙ্গী করে নিয়েছে।
‘এমবিজেড’-এর অবস্থান বোঝা যেতে পারে স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের প্রিজম দিয়ে। এ ধরনের শাসক মনে করতে পারেন, তার ব্যাপকভাবে রক্ষণশীল ও ধার্মিক প্রজারা ব্রাদারহুডকে আকর্ষণীয় গ্রুপ বিবেচনা করে বসতে পারে। সে ক্ষেত্রে তাদের আসন টলে যেতে পারে।
কায়রোতে মুরসির নির্বাচন ‘এমবিজেড’র এই আশঙ্কা জোরদার করেছিল। তবে তিনি আরো আগে থেকেই বেশ দীর্ঘ সময় ধরে অভ্যন্তরীণ ফ্রন্টে ব্রাদারহুডকে মোকাবেলা করে আসছিলেন।
‘এমবিজেড’ ২০০৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্রাদারহুড গ্রুপ আল-ইসলাহকে (তারা দাবি করে, তারা পুরোপুরি স্থানীয় সংগঠন, তাদের নজর কেবল সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের দিকেই) আন্তর্জাতিক সব সমমনা সংগঠনের সাথে তাদের কার্যক্রম ও সম্পর্ক ছিন্ন করতে বলেছিলেন।
ইসলাহ এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাদের নিজস্ব কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছিল, রাজনৈতিক সংস্কারের আহ্বান বাড়াচ্ছিল। পরবর্তী দশকে ইসলাহ ক্রমবর্ধমান নির্যাতনের মুখে পড়ে, তারা এখন নিষিদ্ধ, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ, এর নেতারা হয় কারারুদ্ধ কিংবা বাধ্যতামূলকভাবে প্রবাসে রয়েছেন।
উইকিলিকসে প্রকাশিত মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ক্যাবলে দেখা যাচ্ছে, ‘এমবিজেড’ বিশ্বাস করছেন, আমিরাতি সরকারে ইসলাহ অনুপ্রবেশ করেছে। তিনি আমেরিকান কর্মকর্তাদের বলেন, আমিরাতে নির্বাচন হলে ইসলাহ সহজেই জয়ী হবে।
আরব বিশ্বে ২০১১ সালে বিপ্লব প্লাবিত হওয়ার পর এসব অভ্যন্তরীণ উদ্বেগ আঞ্চলিক বিষয়ে পরিণত হয়। ‘এমবিজেড’ দেখছিলেন, কিভাবে ব্রাদারহুডের সমর্থকেরা গণবিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে আড়াল থেকে বের হয়ে আসছে, লিবিয়া থেকে তিউনিসিয়া এবং মিসর থেকে ইয়েমেন পর্যন্ত দেশে দেশে সম্ভাব্য রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।
মুরসি যখন ২০১২ সালের ২৪ জুন মিসরের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষিত হন, তখন ‘এমবিজেড’ আমিরাতে ইসলাহর বিরুদ্ধে অভিযানের তদারকি করছিলেন। ইসলাহর নেতাদের গ্রেফতার, কারারুদ্ধ করা হয়, গ্র“পটির নেতারা ক্ষমতাসীন পরিবারের হাত থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করতে গোপন ক্যু করার চক্রান্তে লিপ্ত বলে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়।
ঠিক এই পর্যায়ে মুসলিম ব্রাদারহুডের ব্যাপারে তদন্ত শুরু করতে ব্রিটিশ সরকার উদ্বুদ্ধ হয়।
আমিরাতের মুলা ও লাঠিনীতি
২০১৫ সালের নভেম্বরে গার্ডিয়ানে আবুধাবির গণসংযোগবিষয়ক নাটের গুরু এবং ব্রিটিশ নাগরিক সাইমন পিয়ার্সের একটি লিখিত নোট প্রকাশিত হয়। এতে ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে দমন অভিযান চালানোর বিনিময়ে ব্রিটেনকে কয়েক শ’ কোটি পাউন্ডের তেল ও অস্ত্রচুক্তির লোভ দেখানো হয়।
‘এমবিজেড’ যেসব স্থানে ব্রিটিশ সরকারকে শুদ্ধি অভিযান চালাতে বলেছিলেন, তার অন্যতম ছিল বিবিসি। তার মতে এই প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ইসলামপন্থী সহানুভূতিশীলদের’ অনুপ্রবেশ ঘটেছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতি আমিরাতের মুলা ও লাঠি নীতিটি সূচিত হয় ২০১২ সালের জুলাই মাসে। ওই সময় আবুধাবির জাতীয় তেল কোম্পানির মহাপরিচালক আবদুল্লাহ নাসের আল-সুওয়াইদি স্পষ্টভাবে জানান, ওয়েল জায়ান্ট বিপিকে আমিরাতের নতুন ও আকর্ষণীয় তেলচুক্তির দরপত্রে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, যদিও দেশটিতে বিপি দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করেছে।
আগস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়, তেল দরপত্র থেকে বিপিকে বাদ (অন্তত আংশিকভাবে হলেও) রাখার কারণ হতে পারে, আরব বসন্তের প্রতি ব্রিটিশ সমর্থনে আমিরাতি ক্রোধ। আরো তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, ঠিক এই সময়টাতেই বেশ কয়েকজন ইসলাহ নেতা লন্ডনে অবতরণ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করে।
একই সময়ে মানবাধিকার গ্রুপগুলো এই অভিযোগ প্রকাশ করতে থাকে, আমিরাতি কর্তৃপক্ষ ইসলাহ নেতাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। ব্রিটিশ পত্রিকাগুলোতে এসব প্রতিবেদন ফলাও করে প্রচারিত হওয়ায় আবুধাবির মধ্যে এই ধারণা দানা বেঁধে ওঠে, লন্ডন তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, সম্ভাব্য বিশ্বাসঘাতকতার এই অনুভূতি সম্ভবত শিকড় গেড়েছিল যখন আবুধাবি দেখছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অত্যন্ত দ্রুতগতিতে তাদের দীর্ঘ দিনের মিত্র হোসনি মোবারকের (২০১১ সালে গণবিক্ষোভের মুখে পদচ্যুত হওয়ার সময়) দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
মুরসির নির্বাচনের পর, রাজনৈতিক জোটের কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে। ওই সময় বিপি মিসরের গ্যাস খাতে ১১ বিলিয়ন ডলার প্রদানের প্রতিশ্র“তি দেয়। এই ঘোষণা দেয়ার সংবাদ সম্মেলনে ব্রাদারহুড নেতা ও ওই সময়ের মিসরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক উপস্থিত ছিলেন।
‘এমবিজেড’-এর অসহায় অনুভূতি আরেক দফা বাড়ে ওই মাসেই। বিপির ঘোষণার পরপরই ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং ক্যামেরনের সাথে সাক্ষাতের জন্য মুরসিকে আমন্ত্রণ জানান।
পরের মাসে ইসলাহ নেতা সাইয়িদ নাসের আল তেনিজি (তিনি আমিরাতের বাইরে প্রবাস জীবনযাপন করছিলেন) ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে আমিরাতি দমন অভিযান নিয়ে গার্ডিয়ানের মতামত কলামে একটি লেখা প্রকাশ করেন। ইসলাহ নেতাদের গ্রেফতার ও নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কে আলোচনার করা জন্য তেনিজিকে বিবিসি আরবি বিভাগে আমন্ত্রণ জানানো হয়। একের পর এক ঘটা এসব ঘটনা যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে আমিরাতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বড় ধরনের প্রচারণায় নামতে উদ্বুদ্ধ করে।
আমিরাত জুড়ে টুইটার হ্যাশট্যাগ #UK_supports_traitors ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের ভাষায় ইসলাহর প্রতি যুক্তরাজ্যের সমর্থনের নিন্দা জানানো হয় এতে। ২০১২ সালের অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ইসলাহের বিরুদ্ধে চালিত নির্যাতনের আলোকে ব্রিটিশ-আমিরাত জোটের তীব্র সমালোচনা করে সম্পাদকীয় লেখা হয়। এতে আবুধাবিতে লন্ডনের প্রতি ক্ষোভ বরং আরেক দফা বাড়ে।
ওই সম্পাদকীয় প্রকাশের এক সপ্তাহ পর ফিন্যান্সিয়াল টাইমস আমিরাতের এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, তেলবাণিজ্য থেকে বিপির বহিষ্কার ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়’। তবে সাথে সাথে এই হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করা হয়, ‘পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে দিলে’ যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ‘সরে যাবে’ আমিরাত।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিপির বিরুদ্ধে হুমকি সম্ভবত আমিরাতের বিরুদ্ধে মিডিয়াকে সমালোচনা করার সুযোগ দেয়ায় ব্রিটেনের প্রতি ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তারা যদিও আবুধাবিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, তারা মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, তবুও আমিরাতের ক্রোধ বাড়তেই থাকে।
খবরে প্রকাশ, ২০১২ সালের নভেম্বরেও বিপি আশা করছিল, তাদেরকে আবুধাবির কাছে আবারো উষ্ণভাবে গ্রহণযোগ্য করতে ব্রিটিশ সরকার সহায়তা করতে পারে। তখন, ৫ নভেম্বর, যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ৬০০ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যে ১০০টি সামরিক বিমান কিনতে আবুধাবিকে রাজি করানোর চেষ্টায় ক্যামেরন আমিরাত পৌঁছেন।
মিডিয়ায় এ সফরটিকে উচ্চকিত করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হতে মাত্র দু’জন সাংবাদিককে অনুমতি দেয়া হয়। লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র হিসেবে আমিরাতের সাথে সম্পর্ক আবার ঝালিয়ে নেয়া।
৬ নভেম্বর ব্রিটিশ ও আমিরাত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিরক্ষা ও শিল্প অংশীদারিত্ব ঘোষণা করে, কয়েক শ’ কোটি পাউন্ডের বিমান কেনার চুক্তিও আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা বলা হয়, যদিও এই পর্যায়ে তা নিশ্চিত করা হয়নি। এটা সম্ভবত পিয়ার্সের (যারা তাকে চেনেন, তাদের মতে তিনি রাজনৈতিক খেলাটা বেশ ভালোই বোঝেন) নেতৃত্বাধীন আমিরাতের গণসংযোগ কৌশলবিদদের মুলা ও লাঠি নীতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে করা হয়েছিল।
২০১২ সালের ২৮ নভেম্বর আবুধাবি ঘোষণা করে, তারা বিপির ১.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ কিনছে। এতে সুস্পষ্টভাবেই মনে হয়, যুক্তরাজ্য ও আমিরাতের মধ্যকার সম্পর্কের জটিলতা দূর হয়েছে। বিপিকে তখনো আমিরাতের তেল খেলায় ফিরতে দেয়া হয়নি, তবে তাদের খুব বেশি দিন দূরেও রাখা হয়নি। ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে ইতঃপূর্বে যে তেলচুক্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়েছিল, সেটাতে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ব্রিটিশ আপস ও পরিবর্তন
২০১৩ সালের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাজ্যের জটিল ও পরস্পর সাংঘর্ষিক রাজনৈতিক জোটে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছিল আমিরাতি প্রেসিডেন্ট খলিফা রাষ্ট্রীয় সফরের দিয়ে এবং মিসরের ব্রাদারহুডের নেতাদের সাথে ক্যামেরনের একটি গোপন লাঞ্জ মিটিংয়ের মাধ্যমে।
ওই বছরের জুনে মিসরের সিনিয়র কর্মকর্তারা লন্ডনে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন পরবর্তী মাসে মুরসির পরিকল্পিত সফর নিয়ে। ওই সফরটি আর হতে পারেনি, কারণ ৩ জুলাইয়ের গণসমর্থিত সামরিক অভ্যুত্থানে সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি ক্ষমতা দখল করে মুরসিকে কারারুদ্ধ করেন।
মিসরে যেদিন মুরসিকে অপসারণ করার অভ্যুত্থানটি ঘটে, ওই একই দিনে আমিরাত তাদের দেশের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসের বৃহত্তম রাজনৈতিক বিচারের রায় প্রকাশ করে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ইসলাহের ৬৯ নেতাকে সাত থেকে ১৫ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
ব্রিটেনে ব্রাদারহুডের জন্য এটা ছিল সন্ধিক্ষণ। মিসরের ক্ষমতা থেকে অপসৃত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার গ্রুপটির সাথে সম্পর্ক রাখেনি বললেই চলে।
আবুধাবির সাথে বাণিজ্য বাড়ানোর চেষ্টায় আমিরাত-যুক্তরাজ্য-ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক ত্রিভুজে আমূল পরিবর্তন ঘটে। আবুধাবির মুলা আর লাঠিনীতির জের ধরে কয়েক বিলিয়ন পাউন্ডের বিমান চুক্তিটি হওয়ার কথা থাকলেও আর কখনো সেটা আলোর মুখ দেখেনি। চুক্তিটি বাস্তবে রূপ দিতে ক্যামেরনের আরেকবার আমিরাত সফরের জন্য তুলে রাখা হয়।
কিন্তু ক্যামেরনের চেষ্টা বিফল হয়। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয়, ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা কোম্পানি বিএই সিস্টেমস আমিরাতি চুক্তি পেতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু অন্তত প্রকাশ্যে এ নিয়ে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার মতো অবস্থায় যুক্তরাজ্য ছিল না। কারণ চলমান ও আকর্ষণীয় সুযোগ সুবিধা দেয়ার সামর্থ্য থাকায় আমিরাত দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার বিবেচিত হচ্ছিল।
২০০৯ সালে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের। ২০১৩ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ বিলিয়ন। এই বাণিজ্যের দুই-তৃতীয়াংশ হচ্ছিল যুক্তরাজ্যের পক্ষে।
২০১৪ সালের মার্চে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত ‘নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি সামিটের’ ফাঁকে ‘এমবিজেড’ ও ক্যামেরন বসে ‘আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অনেক ইস্যু’ নিয়ে আলোচনা করেন। এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে, ১৭ এপ্রিল ক্যামেরন ঘোষণা করেন, ব্রাদারহুডের ব্যাপারে তদন্ত করার কথা ঘোষণা করেন। এর ৯ দিন পর এই তদন্তের অংশ হিসেবে জেনকিনস তার প্রথম আমিরাত সফরে আবু ধাবিতে সিনিয়র কর্মকর্তা খালদুন আল মুবারকের সাথে বৈঠক করেন।
যুক্তরাজ্য মিসরীয় ব্রাদারহুড থেকে দূরে সরে গেলেও ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে নিশ্চিত করা হয়, বেশ কয়েকজন ইসলাহ নেতাকে লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া হয়েছে। এই ঘটনা স্পষ্টভাবেই আবুধাবিকে ক্রুদ্ধ করে।
মে মাসে আমিরাত ঘোষণা করে, তারা সামরিক প্রশিক্ষক হিসেবে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের ব্যবহার বন্ধ করে দেবে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে বলা হয়, যুক্তরাজ্য ইসলাহসহ ইসলামপন্থী গ্র“পগুলোর হুমকির বিষয়টি নীরবে মেনে নিয়েছে ধরে আমিরাত ক্রুদ্ধ হয়েছে।
অল্প সময়ের মধ্যে আবু ধাবির হতাশা আরো বেড়ে যায় এই গুজবে যে যুক্তরাজ্য ব্রাদারহুড-বিষয়ক তদন্ত গ্রুপটিকে সন্ত্রাসী হিসেবে অভিহিত করতে অস্বীকার করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে আবুধাবি ক্ষুব্ধ হতে পারে, এই আশঙ্কায় প্রতিবেদন প্রকাশ বিলম্বিত হতে পারে বলে খবর প্রকাশিত হতে থাকে।
কয়েক মাস পর এমবিজেড লন্ডনে ক্যামেরনের সাথে বৈঠক করেন। এর তিন দিন পর ১৯ অক্টোবর টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন অভিযান শুরু হবে।
তবে এর পরপরই মিডিয়ায় যা প্রকাশিত হয়, সেটা ছিল টেলিগ্রাফ ভাষ্যের বিপরীত। তাতে নিশ্চিত করা হয়, সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ থেকে ব্রাদারহুডকে মুক্তি দেয়া হচ্ছে।
তবে ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করা যাচ্ছিল না বলে আমিরাতের সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখতে ব্রিটিশ সরকার হিমশিম খাচ্ছিল। এটাই মিডিয়ায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছিল।
তেল মন্ত্র
জেনকিন্সের প্রতিবেদন প্রকাশের প্রেক্ষাপটে বিপি এখন অপেক্ষা করছে, তারা আবুধাবিতে তেল সুবিধাটি পায় কি না তা দেখার জন্য। আমিরাতি জ্বালানিমন্ত্রী সুহাইল আল মাজরুই টেলিগ্রাফকে বলেছেন, বিপি এখনো প্রতিযোগিতায় আছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, আমিরাত এখনো মুলা আর লাঠিনীতির পথটিই আঁকড়ে ধরে আছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিমান চুক্তির মতো বিপিকেও জানানো হয়, আবুধাবির তেলে তাদের সুবিধা দেয়া হবে না। টেলিগ্রাফে খবর প্রকাশিত হয়, আমিরাতকে প্রভাবিত করতে যুক্তরাজ্যের ব্যর্থতার জের ধরে বিপি ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিটি পেতে ব্যর্থ হলো।
২০১৫ সাল জুড়ে জেনকিন্স রিপোর্ট নিয়ে নানা রকম গুজব শোনা যেতে থাকে। কিন্তু ব্রিটিশ-আমিরাত সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে মনে করে তা প্রকাশ করা হয়নি। একই সময় যুক্তরাজ্য সফরকারী আমিরাতি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে বলতে থাকেন, তাদের দেশে ব্যবসা করে যুক্তরাজ্য দ্বিগুণ টাকা বানাতে পারে।
এই রাজনৈতিক খেলার পুরোটাই এমবিজেড এবং ব্রাদারহুডের প্রতি তার ব্যক্তিগত ঘৃণার সাথে সংশ্লিষ্ট। তার দেশের অর্থ এবং যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশে প্রভাব বিস্তারে তার সামর্থ্যই জেনকিন্সের তদন্ত শুরুর কাজ করেছে।
ব্রাদারহুডের ‘চরমপন্থীদের সাথে অত্যন্ত দ্ব্যর্থবোধক সম্পর্ক’ রয়েছে বলে পার্লামেন্টে ক্যামেরনের দেয়া মৃদুভাষার বিবৃতিটি আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্সকে সন্তুষ্ট করতে পারে কি না তা এখন দেখার বিষয়।
(মিডল ইস্ট আই অবলম্বনে)
এ প্রতিবেদনটি আসলে আরব আমিরাতের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষটি এবং পাঁচ বছর ধরে তার রাজনীতি কিভাবে ব্রিটিশ-আমিরাতি সম্পর্কে পরিচালিত করেছে, সে কাহিনীই উঠে এসেছে।
গত নভেম্বরে গার্ডিয়ানে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ব্রাদারহুডের ওপর দমনপীড়ন চালানোর বিনিময়ে আকর্ষণীয় অস্ত্র ও তেল চুক্তির জন্য ক্যামেরনকে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিল আমিরাত।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কার্যক্রমে আমিরাতের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তি জড়িত ছিলেন। তবে প্রধান ভূমিকায় ছিলেন আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান, উপসাগরীয় এলাকায় যিনি ‘এমবিজেড’ নামে পরিচিত।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানকে সাম্প্রতিক সময়ে খুব কম দেখা যায়, বা তার কথা শোনা যায়। গুজব রয়েছে খুবই অসুস্থ। এমন প্রেক্ষাপটে ‘এমবিজেড’ কার্যত দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অনেকে মনে করছে।
ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা
ব্রিটিশ তদন্ত প্রতিবেদনটি বুঝতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে ‘এমবিজেড’ এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি তার তীব্র বিদ্বেষের বিষয়টি।
অনেকে মনে করে, ২০১২ সালে ব্রাদারহুডের মোহাম্মদ মুরসির মিসরের প্রেসিডেন্ট হওয়ার ঘটনাটি ছিল মোড় পরিবর্তনকারী। এই ঘটনার রেশ ধরেই ব্রিটিশ সরকার ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল জেনকিন্সকে তদন্ত করার দায়িত্ব দিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
ঘটনাপরম্পরা এবং উদ্দেশ্যের দিক থেকে এটাকে পুরোপুরি সত্যিই বলা যায়। ‘এমবিজেড’-এর কাছে মুরসির জয়ী হওয়া ছিল পুরো অঞ্চলে ব্রাদারহুডের বন্যায় ভেসে যাওয়া এবং স্বৈরতান্ত্রিক উপসাগরীয় অঞ্চলকে তাদের ইসলামি গণতন্ত্রের পতাকাতলে নিয়ে আসার সম্ভাবনার সূচনা।
ব্রাদারহুডের প্রতি ‘এমবিজেড’র বিদ্বেষ প্রকাশ্যে তেমনভাবে জানা ছিল না। অবশ্য পদস্থ একটি ব্রিটিশ সূত্র মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছে, ‘এমবিজেড’ ব্রাদারহুডের সদস্যও হতে পারতেন, অথচ তিনি হয়েছেন তার ভাষায় তাদের বিরুদ্ধাচরণের ব্যাপারে একাট্টা ব্যক্তি। তিনি বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন লোক কিন্তু বিষয়টিকে তিনি বহু দূর নিয়ে গেছেন।
গুজব রয়েছে, আমিরাতি ক্রাউন প্রিন্স ব্রাদারহুড সম্পর্কে বিদ্বেষপরায়ণ হওয়ার কারণ, তিনি মনে করেন, গ্রুপটি তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা হাসিলের জন্য ধর্মকে সঙ্গী করে নিয়েছে।
‘এমবিজেড’-এর অবস্থান বোঝা যেতে পারে স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের প্রিজম দিয়ে। এ ধরনের শাসক মনে করতে পারেন, তার ব্যাপকভাবে রক্ষণশীল ও ধার্মিক প্রজারা ব্রাদারহুডকে আকর্ষণীয় গ্রুপ বিবেচনা করে বসতে পারে। সে ক্ষেত্রে তাদের আসন টলে যেতে পারে।
কায়রোতে মুরসির নির্বাচন ‘এমবিজেড’র এই আশঙ্কা জোরদার করেছিল। তবে তিনি আরো আগে থেকেই বেশ দীর্ঘ সময় ধরে অভ্যন্তরীণ ফ্রন্টে ব্রাদারহুডকে মোকাবেলা করে আসছিলেন।
‘এমবিজেড’ ২০০৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্রাদারহুড গ্রুপ আল-ইসলাহকে (তারা দাবি করে, তারা পুরোপুরি স্থানীয় সংগঠন, তাদের নজর কেবল সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের দিকেই) আন্তর্জাতিক সব সমমনা সংগঠনের সাথে তাদের কার্যক্রম ও সম্পর্ক ছিন্ন করতে বলেছিলেন।
ইসলাহ এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাদের নিজস্ব কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছিল, রাজনৈতিক সংস্কারের আহ্বান বাড়াচ্ছিল। পরবর্তী দশকে ইসলাহ ক্রমবর্ধমান নির্যাতনের মুখে পড়ে, তারা এখন নিষিদ্ধ, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ, এর নেতারা হয় কারারুদ্ধ কিংবা বাধ্যতামূলকভাবে প্রবাসে রয়েছেন।
উইকিলিকসে প্রকাশিত মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ক্যাবলে দেখা যাচ্ছে, ‘এমবিজেড’ বিশ্বাস করছেন, আমিরাতি সরকারে ইসলাহ অনুপ্রবেশ করেছে। তিনি আমেরিকান কর্মকর্তাদের বলেন, আমিরাতে নির্বাচন হলে ইসলাহ সহজেই জয়ী হবে।
আরব বিশ্বে ২০১১ সালে বিপ্লব প্লাবিত হওয়ার পর এসব অভ্যন্তরীণ উদ্বেগ আঞ্চলিক বিষয়ে পরিণত হয়। ‘এমবিজেড’ দেখছিলেন, কিভাবে ব্রাদারহুডের সমর্থকেরা গণবিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে আড়াল থেকে বের হয়ে আসছে, লিবিয়া থেকে তিউনিসিয়া এবং মিসর থেকে ইয়েমেন পর্যন্ত দেশে দেশে সম্ভাব্য রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।
মুরসি যখন ২০১২ সালের ২৪ জুন মিসরের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষিত হন, তখন ‘এমবিজেড’ আমিরাতে ইসলাহর বিরুদ্ধে অভিযানের তদারকি করছিলেন। ইসলাহর নেতাদের গ্রেফতার, কারারুদ্ধ করা হয়, গ্র“পটির নেতারা ক্ষমতাসীন পরিবারের হাত থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করতে গোপন ক্যু করার চক্রান্তে লিপ্ত বলে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়।
ঠিক এই পর্যায়ে মুসলিম ব্রাদারহুডের ব্যাপারে তদন্ত শুরু করতে ব্রিটিশ সরকার উদ্বুদ্ধ হয়।
আমিরাতের মুলা ও লাঠিনীতি
২০১৫ সালের নভেম্বরে গার্ডিয়ানে আবুধাবির গণসংযোগবিষয়ক নাটের গুরু এবং ব্রিটিশ নাগরিক সাইমন পিয়ার্সের একটি লিখিত নোট প্রকাশিত হয়। এতে ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে দমন অভিযান চালানোর বিনিময়ে ব্রিটেনকে কয়েক শ’ কোটি পাউন্ডের তেল ও অস্ত্রচুক্তির লোভ দেখানো হয়।
‘এমবিজেড’ যেসব স্থানে ব্রিটিশ সরকারকে শুদ্ধি অভিযান চালাতে বলেছিলেন, তার অন্যতম ছিল বিবিসি। তার মতে এই প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ইসলামপন্থী সহানুভূতিশীলদের’ অনুপ্রবেশ ঘটেছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতি আমিরাতের মুলা ও লাঠি নীতিটি সূচিত হয় ২০১২ সালের জুলাই মাসে। ওই সময় আবুধাবির জাতীয় তেল কোম্পানির মহাপরিচালক আবদুল্লাহ নাসের আল-সুওয়াইদি স্পষ্টভাবে জানান, ওয়েল জায়ান্ট বিপিকে আমিরাতের নতুন ও আকর্ষণীয় তেলচুক্তির দরপত্রে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, যদিও দেশটিতে বিপি দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করেছে।
আগস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়, তেল দরপত্র থেকে বিপিকে বাদ (অন্তত আংশিকভাবে হলেও) রাখার কারণ হতে পারে, আরব বসন্তের প্রতি ব্রিটিশ সমর্থনে আমিরাতি ক্রোধ। আরো তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, ঠিক এই সময়টাতেই বেশ কয়েকজন ইসলাহ নেতা লন্ডনে অবতরণ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করে।
একই সময়ে মানবাধিকার গ্রুপগুলো এই অভিযোগ প্রকাশ করতে থাকে, আমিরাতি কর্তৃপক্ষ ইসলাহ নেতাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। ব্রিটিশ পত্রিকাগুলোতে এসব প্রতিবেদন ফলাও করে প্রচারিত হওয়ায় আবুধাবির মধ্যে এই ধারণা দানা বেঁধে ওঠে, লন্ডন তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, সম্ভাব্য বিশ্বাসঘাতকতার এই অনুভূতি সম্ভবত শিকড় গেড়েছিল যখন আবুধাবি দেখছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অত্যন্ত দ্রুতগতিতে তাদের দীর্ঘ দিনের মিত্র হোসনি মোবারকের (২০১১ সালে গণবিক্ষোভের মুখে পদচ্যুত হওয়ার সময়) দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
মুরসির নির্বাচনের পর, রাজনৈতিক জোটের কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে। ওই সময় বিপি মিসরের গ্যাস খাতে ১১ বিলিয়ন ডলার প্রদানের প্রতিশ্র“তি দেয়। এই ঘোষণা দেয়ার সংবাদ সম্মেলনে ব্রাদারহুড নেতা ও ওই সময়ের মিসরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক উপস্থিত ছিলেন।
‘এমবিজেড’-এর অসহায় অনুভূতি আরেক দফা বাড়ে ওই মাসেই। বিপির ঘোষণার পরপরই ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং ক্যামেরনের সাথে সাক্ষাতের জন্য মুরসিকে আমন্ত্রণ জানান।
পরের মাসে ইসলাহ নেতা সাইয়িদ নাসের আল তেনিজি (তিনি আমিরাতের বাইরে প্রবাস জীবনযাপন করছিলেন) ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে আমিরাতি দমন অভিযান নিয়ে গার্ডিয়ানের মতামত কলামে একটি লেখা প্রকাশ করেন। ইসলাহ নেতাদের গ্রেফতার ও নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কে আলোচনার করা জন্য তেনিজিকে বিবিসি আরবি বিভাগে আমন্ত্রণ জানানো হয়। একের পর এক ঘটা এসব ঘটনা যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে আমিরাতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বড় ধরনের প্রচারণায় নামতে উদ্বুদ্ধ করে।
আমিরাত জুড়ে টুইটার হ্যাশট্যাগ #UK_supports_traitors ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের ভাষায় ইসলাহর প্রতি যুক্তরাজ্যের সমর্থনের নিন্দা জানানো হয় এতে। ২০১২ সালের অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ইসলাহের বিরুদ্ধে চালিত নির্যাতনের আলোকে ব্রিটিশ-আমিরাত জোটের তীব্র সমালোচনা করে সম্পাদকীয় লেখা হয়। এতে আবুধাবিতে লন্ডনের প্রতি ক্ষোভ বরং আরেক দফা বাড়ে।
ওই সম্পাদকীয় প্রকাশের এক সপ্তাহ পর ফিন্যান্সিয়াল টাইমস আমিরাতের এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, তেলবাণিজ্য থেকে বিপির বহিষ্কার ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়’। তবে সাথে সাথে এই হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করা হয়, ‘পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে দিলে’ যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ‘সরে যাবে’ আমিরাত।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিপির বিরুদ্ধে হুমকি সম্ভবত আমিরাতের বিরুদ্ধে মিডিয়াকে সমালোচনা করার সুযোগ দেয়ায় ব্রিটেনের প্রতি ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তারা যদিও আবুধাবিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, তারা মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, তবুও আমিরাতের ক্রোধ বাড়তেই থাকে।
খবরে প্রকাশ, ২০১২ সালের নভেম্বরেও বিপি আশা করছিল, তাদেরকে আবুধাবির কাছে আবারো উষ্ণভাবে গ্রহণযোগ্য করতে ব্রিটিশ সরকার সহায়তা করতে পারে। তখন, ৫ নভেম্বর, যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ৬০০ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যে ১০০টি সামরিক বিমান কিনতে আবুধাবিকে রাজি করানোর চেষ্টায় ক্যামেরন আমিরাত পৌঁছেন।
মিডিয়ায় এ সফরটিকে উচ্চকিত করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হতে মাত্র দু’জন সাংবাদিককে অনুমতি দেয়া হয়। লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র হিসেবে আমিরাতের সাথে সম্পর্ক আবার ঝালিয়ে নেয়া।
৬ নভেম্বর ব্রিটিশ ও আমিরাত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিরক্ষা ও শিল্প অংশীদারিত্ব ঘোষণা করে, কয়েক শ’ কোটি পাউন্ডের বিমান কেনার চুক্তিও আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা বলা হয়, যদিও এই পর্যায়ে তা নিশ্চিত করা হয়নি। এটা সম্ভবত পিয়ার্সের (যারা তাকে চেনেন, তাদের মতে তিনি রাজনৈতিক খেলাটা বেশ ভালোই বোঝেন) নেতৃত্বাধীন আমিরাতের গণসংযোগ কৌশলবিদদের মুলা ও লাঠি নীতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে করা হয়েছিল।
২০১২ সালের ২৮ নভেম্বর আবুধাবি ঘোষণা করে, তারা বিপির ১.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ কিনছে। এতে সুস্পষ্টভাবেই মনে হয়, যুক্তরাজ্য ও আমিরাতের মধ্যকার সম্পর্কের জটিলতা দূর হয়েছে। বিপিকে তখনো আমিরাতের তেল খেলায় ফিরতে দেয়া হয়নি, তবে তাদের খুব বেশি দিন দূরেও রাখা হয়নি। ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে ইতঃপূর্বে যে তেলচুক্তি থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়েছিল, সেটাতে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ব্রিটিশ আপস ও পরিবর্তন
২০১৩ সালের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাজ্যের জটিল ও পরস্পর সাংঘর্ষিক রাজনৈতিক জোটে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছিল আমিরাতি প্রেসিডেন্ট খলিফা রাষ্ট্রীয় সফরের দিয়ে এবং মিসরের ব্রাদারহুডের নেতাদের সাথে ক্যামেরনের একটি গোপন লাঞ্জ মিটিংয়ের মাধ্যমে।
ওই বছরের জুনে মিসরের সিনিয়র কর্মকর্তারা লন্ডনে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন পরবর্তী মাসে মুরসির পরিকল্পিত সফর নিয়ে। ওই সফরটি আর হতে পারেনি, কারণ ৩ জুলাইয়ের গণসমর্থিত সামরিক অভ্যুত্থানে সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি ক্ষমতা দখল করে মুরসিকে কারারুদ্ধ করেন।
মিসরে যেদিন মুরসিকে অপসারণ করার অভ্যুত্থানটি ঘটে, ওই একই দিনে আমিরাত তাদের দেশের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসের বৃহত্তম রাজনৈতিক বিচারের রায় প্রকাশ করে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ইসলাহের ৬৯ নেতাকে সাত থেকে ১৫ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
ব্রিটেনে ব্রাদারহুডের জন্য এটা ছিল সন্ধিক্ষণ। মিসরের ক্ষমতা থেকে অপসৃত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার গ্রুপটির সাথে সম্পর্ক রাখেনি বললেই চলে।
আবুধাবির সাথে বাণিজ্য বাড়ানোর চেষ্টায় আমিরাত-যুক্তরাজ্য-ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক ত্রিভুজে আমূল পরিবর্তন ঘটে। আবুধাবির মুলা আর লাঠিনীতির জের ধরে কয়েক বিলিয়ন পাউন্ডের বিমান চুক্তিটি হওয়ার কথা থাকলেও আর কখনো সেটা আলোর মুখ দেখেনি। চুক্তিটি বাস্তবে রূপ দিতে ক্যামেরনের আরেকবার আমিরাত সফরের জন্য তুলে রাখা হয়।
কিন্তু ক্যামেরনের চেষ্টা বিফল হয়। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয়, ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা কোম্পানি বিএই সিস্টেমস আমিরাতি চুক্তি পেতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু অন্তত প্রকাশ্যে এ নিয়ে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার মতো অবস্থায় যুক্তরাজ্য ছিল না। কারণ চলমান ও আকর্ষণীয় সুযোগ সুবিধা দেয়ার সামর্থ্য থাকায় আমিরাত দেশটির গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার বিবেচিত হচ্ছিল।
২০০৯ সালে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের। ২০১৩ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ বিলিয়ন। এই বাণিজ্যের দুই-তৃতীয়াংশ হচ্ছিল যুক্তরাজ্যের পক্ষে।
২০১৪ সালের মার্চে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত ‘নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি সামিটের’ ফাঁকে ‘এমবিজেড’ ও ক্যামেরন বসে ‘আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অনেক ইস্যু’ নিয়ে আলোচনা করেন। এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে, ১৭ এপ্রিল ক্যামেরন ঘোষণা করেন, ব্রাদারহুডের ব্যাপারে তদন্ত করার কথা ঘোষণা করেন। এর ৯ দিন পর এই তদন্তের অংশ হিসেবে জেনকিনস তার প্রথম আমিরাত সফরে আবু ধাবিতে সিনিয়র কর্মকর্তা খালদুন আল মুবারকের সাথে বৈঠক করেন।
যুক্তরাজ্য মিসরীয় ব্রাদারহুড থেকে দূরে সরে গেলেও ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে নিশ্চিত করা হয়, বেশ কয়েকজন ইসলাহ নেতাকে লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া হয়েছে। এই ঘটনা স্পষ্টভাবেই আবুধাবিকে ক্রুদ্ধ করে।
মে মাসে আমিরাত ঘোষণা করে, তারা সামরিক প্রশিক্ষক হিসেবে ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের ব্যবহার বন্ধ করে দেবে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে বলা হয়, যুক্তরাজ্য ইসলাহসহ ইসলামপন্থী গ্র“পগুলোর হুমকির বিষয়টি নীরবে মেনে নিয়েছে ধরে আমিরাত ক্রুদ্ধ হয়েছে।
অল্প সময়ের মধ্যে আবু ধাবির হতাশা আরো বেড়ে যায় এই গুজবে যে যুক্তরাজ্য ব্রাদারহুড-বিষয়ক তদন্ত গ্রুপটিকে সন্ত্রাসী হিসেবে অভিহিত করতে অস্বীকার করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে আবুধাবি ক্ষুব্ধ হতে পারে, এই আশঙ্কায় প্রতিবেদন প্রকাশ বিলম্বিত হতে পারে বলে খবর প্রকাশিত হতে থাকে।
কয়েক মাস পর এমবিজেড লন্ডনে ক্যামেরনের সাথে বৈঠক করেন। এর তিন দিন পর ১৯ অক্টোবর টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন অভিযান শুরু হবে।
তবে এর পরপরই মিডিয়ায় যা প্রকাশিত হয়, সেটা ছিল টেলিগ্রাফ ভাষ্যের বিপরীত। তাতে নিশ্চিত করা হয়, সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ থেকে ব্রাদারহুডকে মুক্তি দেয়া হচ্ছে।
তবে ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করা যাচ্ছিল না বলে আমিরাতের সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখতে ব্রিটিশ সরকার হিমশিম খাচ্ছিল। এটাই মিডিয়ায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছিল।
তেল মন্ত্র
জেনকিন্সের প্রতিবেদন প্রকাশের প্রেক্ষাপটে বিপি এখন অপেক্ষা করছে, তারা আবুধাবিতে তেল সুবিধাটি পায় কি না তা দেখার জন্য। আমিরাতি জ্বালানিমন্ত্রী সুহাইল আল মাজরুই টেলিগ্রাফকে বলেছেন, বিপি এখনো প্রতিযোগিতায় আছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, আমিরাত এখনো মুলা আর লাঠিনীতির পথটিই আঁকড়ে ধরে আছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিমান চুক্তির মতো বিপিকেও জানানো হয়, আবুধাবির তেলে তাদের সুবিধা দেয়া হবে না। টেলিগ্রাফে খবর প্রকাশিত হয়, আমিরাতকে প্রভাবিত করতে যুক্তরাজ্যের ব্যর্থতার জের ধরে বিপি ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিটি পেতে ব্যর্থ হলো।
২০১৫ সাল জুড়ে জেনকিন্স রিপোর্ট নিয়ে নানা রকম গুজব শোনা যেতে থাকে। কিন্তু ব্রিটিশ-আমিরাত সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে মনে করে তা প্রকাশ করা হয়নি। একই সময় যুক্তরাজ্য সফরকারী আমিরাতি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে বলতে থাকেন, তাদের দেশে ব্যবসা করে যুক্তরাজ্য দ্বিগুণ টাকা বানাতে পারে।
এই রাজনৈতিক খেলার পুরোটাই এমবিজেড এবং ব্রাদারহুডের প্রতি তার ব্যক্তিগত ঘৃণার সাথে সংশ্লিষ্ট। তার দেশের অর্থ এবং যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশে প্রভাব বিস্তারে তার সামর্থ্যই জেনকিন্সের তদন্ত শুরুর কাজ করেছে।
ব্রাদারহুডের ‘চরমপন্থীদের সাথে অত্যন্ত দ্ব্যর্থবোধক সম্পর্ক’ রয়েছে বলে পার্লামেন্টে ক্যামেরনের দেয়া মৃদুভাষার বিবৃতিটি আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্সকে সন্তুষ্ট করতে পারে কি না তা এখন দেখার বিষয়।
(মিডল ইস্ট আই অবলম্বনে)
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
December
(688)
-
▼
Dec 24
(23)
- সবার অসুবিধা হচ্ছে মানে ইসি নিউট্রাল : রকিব উদ্দিন
- মিরপুরে 'জঙ্গি আস্তানায়' অভিযান : সাতজন আটক : বিস্...
- পৌর নির্বাচন থেকে বিএনপি সরে দাঁড়াবে না : মির্জা ফ...
- ধানের শীষের বিজয় ঠেকাতে নীলনক্সা তৈরি করছে সরকার :...
- বাম ও ইসলামপন্থীরা এক কাতারে দাঁড়াবে! by মাসুদ মজু...
- কথার পিঠে কথা, রাজনৈতিক by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম ব...
- আবের ‘আবেনোমিকস’র কি হাল?
- বাংলাদেশ চায় রাষ্ট্রনায়ক by এমাজউদ্দীন আহমদ
- প্যারিস চুক্তির ধোঁয়াশা ও বাংলাদেশের আশা
- আইন সংস্কারের সুপারিশ বিবেচনায় নিন
- ব্যবসার জন্য নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দেয়ার এক গোপন কাহ...
- ফুটবলে মেয়েদের শালীন পোশাক পরা by শাহ্ আব্দুল হান্নান
- জোটে যোগ দিলেও সিরিয়া, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে সমর...
- সব মামলায় জামিন পেলেন অনুপ চেটিয়া
- ব্লু-ফিল্ম: তদন্তে নেমে পুলিশ দেখছে সল্টলেক হিমশৈল...
- সুরুচির সবুজ নায়ক by আখতার হুসেন
- ইয়েমেনে বিমান হামলা: যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরব ‘মতভেদ’
- আচরণবিধি লঙ্ঘন চলছেই: কুষ্টিয়ায় থানার সামনে নারীদে...
- অ্যান্টিবায়োটিক ‘নেশা’ ঘরে-ঘরে by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
- এবার পতনের মুখে হেলমান্দ? আফগান সেনাদের সহায়তায় ব্...
- নারী সেক্রেটারি ও তার বস
- শিশুদের জন্য ‘না’ বলুন by শরীফ বিল্লাহ
- যুক্তরাষ্ট্রে যেতে দেয়া হচ্ছে না ব্রিটিশ মুসলিমদের?
-
▼
Dec 24
(23)
-
▼
December
(688)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment