Saturday, December 26, 2015
গণতান্ত্রিক উত্তরণের ২৫ বছর by রওনক জাহান
গণতান্ত্রিক উত্তরণের ২৫ বছর by রওনক জাহান
গণতান্ত্রিক উত্তরণ: ১৯৯০–৯১
১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যখন সামরিক শাসক এরশাদের পতন হলো, তখন বাংলাদেশ ‘তৃতীয় পর্যায়ের’ গণতন্ত্রে প্রবেশ করে—এই ‘তৃতীয় পর্যায়’ শব্দবন্ধটি বেশ জনপ্রিয় ছিল। বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল হান্টিংটন গণতান্ত্রিক দেশের ঐতিহাসিক বিবর্তনকে এভাবে তিন পর্যায়ে ভাগ করেছিলেন। তৃতীয় পর্যায়ের এই নতুন ধাঁচের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মতো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাও মসৃণ হয়নি। গণতন্ত্র সংহতকরণ তো করতে পারেইনি, বরং বাংলাদেশ গণতন্ত্রের মৌলিক ভিতগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশ প্রায় প্রায়ই গণতান্ত্রিক পথ থেকে বিচ্যুত হচ্ছে এবং তখন আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো দেশটিকে গণতান্ত্রিক বলে চিহ্নিত করতে সম্মত হচ্ছে না।
আন্তর্জাতিক সংগঠন ও বৈশ্বিক জরিপগুলো যখন আমাদের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করে, তখন আমাদের অনেকেই উল্টো এই সমালোচকদের দেশের গণতন্ত্রের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কিন্তু আমি মনে করি, সমালোচকদের যুক্তির বিরোধিতা না করে এবং অন্যান্য দেশের গণতন্ত্রের ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন না তুলে আমাদের প্রথমে এটা মূল্যায়ন করা উচিত, ১৯৯০ সালে আমরা নিজেরাই যে মানদণ্ড নির্ধারণ করেছিলাম, সেটা আমরা বজায় রাখতে পারছি কি না। ১৯৯০ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক জোট সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য একটি রূপরেখা প্রণয়ন করে। এই তিনটি জোটের একটির নেতৃত্বে ছিল আওয়ামী লীগ, আরেকটির নেতৃত্বে ছিল বিএনপি ও তৃতীয়টির নেতৃত্বে ছিল বামপন্থী দলগুলো। আমাদের প্রথমেই মূল্যায়ন করতে হবে, ১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখায় সই করে আমাদের রাজনীতিকেরা জাতির কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটা তাঁরা কতটা রেখেছেন।
১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক নেতারা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের প্রতি অঙ্গীকার করেছিলেন। প্রথমত, তাঁরা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের অঙ্গীকার করেছিলেন, যার মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধিরা দেশ শাসন করার ম্যান্ডেট লাভ করবেন। দ্বিতীয়ত, তাঁরা সার্বভৌম সংসদ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যার কাছে নির্বাহী বিভাগ জবাবদিহি করবে। তৃতীয়ত, তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, জনগণের মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার জন্য আইনের শাসন বজায় রাখা হবে। আর শেষমেশ, তাঁরা গণতান্ত্রিক বিধান ও মূল্যবোধ অনুসারে নিজেদের কাজকর্ম পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, বিশেষ করে একে অপরের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
ফলে আজ ২৫ বছর পর এই প্রশ্ন তোলা প্রাসঙ্গিক, যে নেতারা এই রূপরেখায় সই করেছিলেন, তাঁরা সেটা কতটা পরিপালন করেছেন? ১৯৯১ সাল থেকে এক জোটের নেত্রী খালেদা জিয়া ও অন্য জোটের নেত্রী শেখ হাসিনা পালাবদল করে কয়েকবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তাঁরা কি নিজেদের প্রতিশ্রুতি রেখেছেন?
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন
১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখায় বলা হয়েছিল, যেহেতু সামরিক শাসকেরা নির্বাচনী ব্যবস্থায় অনেক অগণতান্ত্রিক নিয়মকানুনকে চিরস্থায়ী রূপ দিয়েছে এবং সরকার সব সময়ই নির্বাচনী ফলাফল নিজের পক্ষে নিয়ে যেতে সচেষ্ট, তাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অধিকতর যথাযথ ব্যবস্থা। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচন এই নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম সবচেয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এই নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি সরকার গঠন করে। কিন্তু আক্ষেপ করার বিষয় হচ্ছে, বিএনপি তিন জোটের রূপরেখায় প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি থেকে বিচ্যুত হয়ে পরবর্তী নির্বাচন নিজের অধীনেই করার সিদ্ধান্ত নেয়। মিরপুর ও মাগুরার ত্রুটিপূর্ণ উপনির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিরোধী জোট নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য ১৯৯৪ সাল থেকে গণ-আন্দোলন শুরু করে। এরপর ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এক সংবিধান সংশোধনীর মধ্য দিয়ে এই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
তারপর তিনটি সংসদ নির্বাচন হয়েছে, প্রথমটি হয়েছে ১৯৯৬ সালের জুন মাসে, দ্বিতীয়টি হয়েছে ২০০১ সালের অক্টোবর মাসে আর তৃতীয়টি হয়েছে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে। এই তিনটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একরকম শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতার হস্তান্তর হয়েছে, যেখানে ক্ষমতাসীন দল প্রতিবারই ব্যতিক্রমহীনভাবে পরাজিত হয়েছে। কিন্তু এ রকম স্বাভাবিকভাবে ক্ষমতার ব্যাটন এক দলের হাত থেকে আরেক দলের হাতে গেলেও দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা প্রণয়ন করতে পারেনি। প্রতিটি নির্বাচনের পর পরাজিত দল নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু পরবর্তীকালে তা গ্রহণ করে সংসদে বসেছে। তা ছাড়া, প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে প্রভাবিত করে সুবিধা নিতে চেয়েছে। আর শেষমেশ আওয়ামী লীগ সরকার নিজের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে ২০১১ সালে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে। ব্যাপারটা বৈপরীত্যমূলক, কারণ আওয়ামী লীগ ১৯৯৪-৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য দুই বছরব্যাপী গণ-আন্দোলন করেছে।
২০১১ সাল থেকেই এই দুই প্রধান রাজনৈতিক দল নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা নিয়ে ঐকমত্যে আসতে পারছে না। আমরা ২০১৪ সালে একটি একপক্ষীয় সংসদ নির্বাচন দেখলাম, যেখানে অধিকাংশ সাংসদই ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়’ নির্বাচিত হয়েছেন। একই সঙ্গে আমরা ‘গণতন্ত্র রক্ষার’ নামে বিরোধী দলের আন্দোলনের ফলে নজিরবিহীন সহিংসতাও দেখলাম। যদিও আওয়ামী লীগ ও বিরোধী জোট—এই দুই রাজনৈতিক শক্তি গণতান্ত্রিক উত্তরণকে মসৃণ করার জন্য ১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখায় সই করেছিল, কিন্তু এখন তারা এক অনমনীয় ও আপসহীন মনোভাব অর্থাৎ ‘হয় আমার কথা শোনো, নাহয় গোল্লায় যাও’—এমন অবস্থান নিয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কী উপায়ে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করা যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে আমাদের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎও বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ল।
সার্বভৌম সংসদ
যেহেতু তিন জোট সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের ব্যাপারে একমত হতে পারেনি, তাই তারা একটি ‘সার্বভৌম’ সংসদের ব্যাপারে একমত হয়েছিল, যার কাছে সরকার দায়বদ্ধ থাকবে। যদিও পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির এক বিরল ঐকমত্যের মধ্য দিয়ে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়। আমাদের এখন একটি ‘সার্বভৌম’ সংসদ আছে, কিন্তু এটি কার্যকরভাবে একটি দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে না—১৯৯০ সালের রূপরেখায় আমাদের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল। ১৯৯৪ সাল থেকে বিরোধী দল (যে দলই হোক না কেন) সংসদ বয়কট শুরু করে, সংসদের বদলে তারা রাজপথেই নিজেদের দাবিদাওয়ার কথা বলতে শুরু করে। প্রতিবাদ জানানোর জায়গা হিসেবে রাজপথকেই বেছে নেয় তারা। ফলে সংসদে ক্ষমতাসীন দল ও জোটের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়—সংসদের কার্যকর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই। সরকারের নির্বাহী বিভাগের হাতে সব ক্ষমতা চলে আসে। এর ফলে সব সরকারই সংসদে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা ব্যতীত আইন পাস ও সংবিধান সংশোধন করেছে।
বর্তমান সংসদে একটি বিরোধী দল আছে তা ঠিক, যারা রাস্তায় বিক্ষোভ বা সংসদ বয়কট করে না। কিন্তু এই বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্য সরকারের অংশীদার। তাই তাদের ঠিক বিরোধী দল বলে মনে হয় না। এ ছাড়া সরকারকে গভীরভাবে সমালোচনা করা বা নীতিগত বিকল্প পেশ করার মতো সক্ষমতাও তাদের নেই। অর্থাৎ আমাদের রাজনৈতিক নেতারা ‘সার্বভৌম’ সংসদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এমন এক নিষ্ফলা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করেছেন, যেটা কখনোই কার্যকর প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠতে সক্ষম হয়নি।
আইনের শাসন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
১৯৯১ সালের পর থেকে সব নির্বাচিত সরকার সবচেয়ে গুরুতর যে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, সেটি হলো তারা কেউই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। বিভিন্ন বৈশ্বিক মূল্যায়নে বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে খারাপ করেছে। গণমাধ্যমে সব সময়ই ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের (যারাই ক্ষমতায় থাকুক না কেন) আইন ভঙ্গের খবর প্রকাশিত হয়েছে, একই সঙ্গে ব্যাপক মাত্রায় তাঁদের দায়মুক্তির খবরও এসেছে। যদিও সংবিধানে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই অধিকার লঙ্ঘনের সঠিক প্রতিকার পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যম প্রায়ই নাগরিকদের অধিকার লঙ্ঘনের খবর দিয়েছে, রাষ্ট্র ও অরাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ উভয়ই নাগরিকদের অধিকার হরণ করেছে। নারী, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের মতো গোষ্ঠীগুলো সব সময় ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এখনো আমাদের দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দাবি উঠছে, যাতে বোঝা যায়, কোনো সরকারই এ ব্যাপারে নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার যে অঙ্গীকার ১৯৯০ সালে রাজনীতিকেরা করেছিলেন, সেটা তাঁরা বাস্তবায়ন করেননি। যদিও বেসরকারি গণমাধ্যমের উত্থান ও তাদের মধ্যে কারও কারও সাহসী ও স্বাধীন ভূমিকার কারণে নাগরিকেরা এখন সামরিক শাসনামলের তুলনায় কিছুটা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছেন। গণতন্ত্রের বিভিন্ন মানদণ্ড মূল্যায়ন করলে দেখা যায়, নাগরিকদের কথা বলার জায়গাটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উজ্জ্বল ও ইতিবাচক একটি জায়গা। অনেক নেতিবাচক দিকের মধ্যে এটি একটি ইতিবাচক দিক।
আচরণবিধি
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তিন জোটের নেতারা আট দফা আচরণবিধিতে জাতির কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আজ সেটা পুনঃপাঠ করলে দুটি বিষয় আমাদের তৎক্ষণাৎ ধাক্কা দেয়—প্রথমত, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই আচরণবিধি আজও কতটা প্রাসঙ্গিক, আর দ্বিতীয়ত, আমাদের নেতারা ওই প্রতিশ্রুতি থেকে কতটা দূরে সরে গেছেন।
আট দফা আচরণবিধিতে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের ভিন্নতাগুলো সহ্য ও শ্রদ্ধা করবে, শান্তিপূর্ণভাবে দলের ও প্রচারণা কার্যক্রম চালাতে দেবে, বেসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনীতিকীকরণ করার চেষ্টা করবে না, প্রচারণা কার্যক্রমে অনৈতিক কৌশল ব্যবহার করবে না, যেমন বিরোধী পক্ষের দেশপ্রেম ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন করবে না বা সাম্প্রদায়িক জিকির তুলবে না, নির্বাচনী ব্যয়ের সীমাসহ নির্বাচনী দিকনির্দেশনা মেনে চলবে, আর শেষমেশ নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবে।
এখন আমরা জানি যে এই তিন জোটের রূপরেখায় যাঁরা সই করেছিলেন, তাঁরা ১৯৯১ সালের নির্বাচন থেকেই এই আচরণবিধি ভাঙা শুরু করেন। পরবর্তী বছরগুলোতে এই লঙ্ঘনের রূপ ছিল আরও অমার্জিত ও অপছন্দনীয়।
আরেকটি ঐকমত্য?
২০১১ সালের পর থেকে আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে নতুন একটি কাঠামো তৈরি করার জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আরেকটি ঐকমত্য হওয়া দরকার কি না, সে বিষয়ে গণপরিসরে বেশ আলোচনা হচ্ছে। এই প্রয়োজনীয়তা সার্বিকভাবে স্বীকৃত হলেও এটা মোটেও পরিষ্কার নয়, আমরা কখন তেমন একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারব। ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর আপেক্ষিক শক্তির মধ্যে বেশ পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৯০ সালে দেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোটের ওপর চাপ প্রয়োগ করার মতো রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অস্তিত্ব ছিল। বাম দলগুলোর জোট মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ছাত্রসংগঠনগুলো দল ও জোটগুলোর ওপর ঐকমত্যের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পেরেছিল। কিন্তু এখন ছাত্রসংগঠনগুলো স্বতন্ত্র অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছে। সব ছাত্রসংগঠনই এখন মূল দলগুলোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাদের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নেই। বাম দলগুলো শক্তি হারিয়ে ফেলেছে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিয়েছে। গত কয়েক বছরে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট বেশ দুর্বল হয়ে গেছে। তারা আর এমন অবস্থায় নেই যে আওয়ামী লীগকে চাপ দিয়ে একটা অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারবে। এই পরিস্থিতিতে স্রেফ আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হাসিনা যদি মনে করেন, বিএনপির কিছু দাবি মেনে নিলে তাঁর আলোকিত স্বার্থ সংরক্ষিত হবে, তাহলেই কোনো ঐকমত্য হতে পারে। এ পর্যায়ে তুরুপের তাস তাঁর হাতেই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি কি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান? গণতন্ত্রকে টেকসই করার জন্য তিনি কি ১৯৯০ সালের মতো আবার একটি ঐকমত্য প্রচেষ্টার উদ্যোগ নেবেন, যাতে করে সব গণতান্ত্রিক দল আর একবার নতুন করে আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হবে?
রওনক জাহান: রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। সম্মানীয় ফেলো, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ।
১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যখন সামরিক শাসক এরশাদের পতন হলো, তখন বাংলাদেশ ‘তৃতীয় পর্যায়ের’ গণতন্ত্রে প্রবেশ করে—এই ‘তৃতীয় পর্যায়’ শব্দবন্ধটি বেশ জনপ্রিয় ছিল। বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল হান্টিংটন গণতান্ত্রিক দেশের ঐতিহাসিক বিবর্তনকে এভাবে তিন পর্যায়ে ভাগ করেছিলেন। তৃতীয় পর্যায়ের এই নতুন ধাঁচের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মতো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাও মসৃণ হয়নি। গণতন্ত্র সংহতকরণ তো করতে পারেইনি, বরং বাংলাদেশ গণতন্ত্রের মৌলিক ভিতগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বাংলাদেশ প্রায় প্রায়ই গণতান্ত্রিক পথ থেকে বিচ্যুত হচ্ছে এবং তখন আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো দেশটিকে গণতান্ত্রিক বলে চিহ্নিত করতে সম্মত হচ্ছে না।
আন্তর্জাতিক সংগঠন ও বৈশ্বিক জরিপগুলো যখন আমাদের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করে, তখন আমাদের অনেকেই উল্টো এই সমালোচকদের দেশের গণতন্ত্রের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কিন্তু আমি মনে করি, সমালোচকদের যুক্তির বিরোধিতা না করে এবং অন্যান্য দেশের গণতন্ত্রের ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন না তুলে আমাদের প্রথমে এটা মূল্যায়ন করা উচিত, ১৯৯০ সালে আমরা নিজেরাই যে মানদণ্ড নির্ধারণ করেছিলাম, সেটা আমরা বজায় রাখতে পারছি কি না। ১৯৯০ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক জোট সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য একটি রূপরেখা প্রণয়ন করে। এই তিনটি জোটের একটির নেতৃত্বে ছিল আওয়ামী লীগ, আরেকটির নেতৃত্বে ছিল বিএনপি ও তৃতীয়টির নেতৃত্বে ছিল বামপন্থী দলগুলো। আমাদের প্রথমেই মূল্যায়ন করতে হবে, ১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখায় সই করে আমাদের রাজনীতিকেরা জাতির কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেটা তাঁরা কতটা রেখেছেন।
১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক নেতারা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের প্রতি অঙ্গীকার করেছিলেন। প্রথমত, তাঁরা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের অঙ্গীকার করেছিলেন, যার মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধিরা দেশ শাসন করার ম্যান্ডেট লাভ করবেন। দ্বিতীয়ত, তাঁরা সার্বভৌম সংসদ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যার কাছে নির্বাহী বিভাগ জবাবদিহি করবে। তৃতীয়ত, তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, জনগণের মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার জন্য আইনের শাসন বজায় রাখা হবে। আর শেষমেশ, তাঁরা গণতান্ত্রিক বিধান ও মূল্যবোধ অনুসারে নিজেদের কাজকর্ম পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, বিশেষ করে একে অপরের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
ফলে আজ ২৫ বছর পর এই প্রশ্ন তোলা প্রাসঙ্গিক, যে নেতারা এই রূপরেখায় সই করেছিলেন, তাঁরা সেটা কতটা পরিপালন করেছেন? ১৯৯১ সাল থেকে এক জোটের নেত্রী খালেদা জিয়া ও অন্য জোটের নেত্রী শেখ হাসিনা পালাবদল করে কয়েকবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তাঁরা কি নিজেদের প্রতিশ্রুতি রেখেছেন?
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন
১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখায় বলা হয়েছিল, যেহেতু সামরিক শাসকেরা নির্বাচনী ব্যবস্থায় অনেক অগণতান্ত্রিক নিয়মকানুনকে চিরস্থায়ী রূপ দিয়েছে এবং সরকার সব সময়ই নির্বাচনী ফলাফল নিজের পক্ষে নিয়ে যেতে সচেষ্ট, তাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অধিকতর যথাযথ ব্যবস্থা। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচন এই নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম সবচেয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এই নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি সরকার গঠন করে। কিন্তু আক্ষেপ করার বিষয় হচ্ছে, বিএনপি তিন জোটের রূপরেখায় প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি থেকে বিচ্যুত হয়ে পরবর্তী নির্বাচন নিজের অধীনেই করার সিদ্ধান্ত নেয়। মিরপুর ও মাগুরার ত্রুটিপূর্ণ উপনির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিরোধী জোট নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য ১৯৯৪ সাল থেকে গণ-আন্দোলন শুরু করে। এরপর ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এক সংবিধান সংশোধনীর মধ্য দিয়ে এই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
তারপর তিনটি সংসদ নির্বাচন হয়েছে, প্রথমটি হয়েছে ১৯৯৬ সালের জুন মাসে, দ্বিতীয়টি হয়েছে ২০০১ সালের অক্টোবর মাসে আর তৃতীয়টি হয়েছে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে। এই তিনটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একরকম শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতার হস্তান্তর হয়েছে, যেখানে ক্ষমতাসীন দল প্রতিবারই ব্যতিক্রমহীনভাবে পরাজিত হয়েছে। কিন্তু এ রকম স্বাভাবিকভাবে ক্ষমতার ব্যাটন এক দলের হাত থেকে আরেক দলের হাতে গেলেও দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা প্রণয়ন করতে পারেনি। প্রতিটি নির্বাচনের পর পরাজিত দল নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু পরবর্তীকালে তা গ্রহণ করে সংসদে বসেছে। তা ছাড়া, প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে প্রভাবিত করে সুবিধা নিতে চেয়েছে। আর শেষমেশ আওয়ামী লীগ সরকার নিজের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে ২০১১ সালে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে। ব্যাপারটা বৈপরীত্যমূলক, কারণ আওয়ামী লীগ ১৯৯৪-৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য দুই বছরব্যাপী গণ-আন্দোলন করেছে।
২০১১ সাল থেকেই এই দুই প্রধান রাজনৈতিক দল নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা নিয়ে ঐকমত্যে আসতে পারছে না। আমরা ২০১৪ সালে একটি একপক্ষীয় সংসদ নির্বাচন দেখলাম, যেখানে অধিকাংশ সাংসদই ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়’ নির্বাচিত হয়েছেন। একই সঙ্গে আমরা ‘গণতন্ত্র রক্ষার’ নামে বিরোধী দলের আন্দোলনের ফলে নজিরবিহীন সহিংসতাও দেখলাম। যদিও আওয়ামী লীগ ও বিরোধী জোট—এই দুই রাজনৈতিক শক্তি গণতান্ত্রিক উত্তরণকে মসৃণ করার জন্য ১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখায় সই করেছিল, কিন্তু এখন তারা এক অনমনীয় ও আপসহীন মনোভাব অর্থাৎ ‘হয় আমার কথা শোনো, নাহয় গোল্লায় যাও’—এমন অবস্থান নিয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কী উপায়ে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করা যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে আমাদের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎও বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ল।
সার্বভৌম সংসদ
যেহেতু তিন জোট সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের ব্যাপারে একমত হতে পারেনি, তাই তারা একটি ‘সার্বভৌম’ সংসদের ব্যাপারে একমত হয়েছিল, যার কাছে সরকার দায়বদ্ধ থাকবে। যদিও পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির এক বিরল ঐকমত্যের মধ্য দিয়ে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়। আমাদের এখন একটি ‘সার্বভৌম’ সংসদ আছে, কিন্তু এটি কার্যকরভাবে একটি দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে না—১৯৯০ সালের রূপরেখায় আমাদের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল। ১৯৯৪ সাল থেকে বিরোধী দল (যে দলই হোক না কেন) সংসদ বয়কট শুরু করে, সংসদের বদলে তারা রাজপথেই নিজেদের দাবিদাওয়ার কথা বলতে শুরু করে। প্রতিবাদ জানানোর জায়গা হিসেবে রাজপথকেই বেছে নেয় তারা। ফলে সংসদে ক্ষমতাসীন দল ও জোটের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়—সংসদের কার্যকর পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই। সরকারের নির্বাহী বিভাগের হাতে সব ক্ষমতা চলে আসে। এর ফলে সব সরকারই সংসদে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা ব্যতীত আইন পাস ও সংবিধান সংশোধন করেছে।
বর্তমান সংসদে একটি বিরোধী দল আছে তা ঠিক, যারা রাস্তায় বিক্ষোভ বা সংসদ বয়কট করে না। কিন্তু এই বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্য সরকারের অংশীদার। তাই তাদের ঠিক বিরোধী দল বলে মনে হয় না। এ ছাড়া সরকারকে গভীরভাবে সমালোচনা করা বা নীতিগত বিকল্প পেশ করার মতো সক্ষমতাও তাদের নেই। অর্থাৎ আমাদের রাজনৈতিক নেতারা ‘সার্বভৌম’ সংসদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এমন এক নিষ্ফলা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করেছেন, যেটা কখনোই কার্যকর প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠতে সক্ষম হয়নি।
আইনের শাসন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
১৯৯১ সালের পর থেকে সব নির্বাচিত সরকার সবচেয়ে গুরুতর যে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, সেটি হলো তারা কেউই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। বিভিন্ন বৈশ্বিক মূল্যায়নে বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে খারাপ করেছে। গণমাধ্যমে সব সময়ই ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের (যারাই ক্ষমতায় থাকুক না কেন) আইন ভঙ্গের খবর প্রকাশিত হয়েছে, একই সঙ্গে ব্যাপক মাত্রায় তাঁদের দায়মুক্তির খবরও এসেছে। যদিও সংবিধানে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই অধিকার লঙ্ঘনের সঠিক প্রতিকার পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যম প্রায়ই নাগরিকদের অধিকার লঙ্ঘনের খবর দিয়েছে, রাষ্ট্র ও অরাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ উভয়ই নাগরিকদের অধিকার হরণ করেছে। নারী, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের মতো গোষ্ঠীগুলো সব সময় ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এখনো আমাদের দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দাবি উঠছে, যাতে বোঝা যায়, কোনো সরকারই এ ব্যাপারে নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার যে অঙ্গীকার ১৯৯০ সালে রাজনীতিকেরা করেছিলেন, সেটা তাঁরা বাস্তবায়ন করেননি। যদিও বেসরকারি গণমাধ্যমের উত্থান ও তাদের মধ্যে কারও কারও সাহসী ও স্বাধীন ভূমিকার কারণে নাগরিকেরা এখন সামরিক শাসনামলের তুলনায় কিছুটা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছেন। গণতন্ত্রের বিভিন্ন মানদণ্ড মূল্যায়ন করলে দেখা যায়, নাগরিকদের কথা বলার জায়গাটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের উজ্জ্বল ও ইতিবাচক একটি জায়গা। অনেক নেতিবাচক দিকের মধ্যে এটি একটি ইতিবাচক দিক।
আচরণবিধি
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তিন জোটের নেতারা আট দফা আচরণবিধিতে জাতির কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আজ সেটা পুনঃপাঠ করলে দুটি বিষয় আমাদের তৎক্ষণাৎ ধাক্কা দেয়—প্রথমত, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই আচরণবিধি আজও কতটা প্রাসঙ্গিক, আর দ্বিতীয়ত, আমাদের নেতারা ওই প্রতিশ্রুতি থেকে কতটা দূরে সরে গেছেন।
আট দফা আচরণবিধিতে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের ভিন্নতাগুলো সহ্য ও শ্রদ্ধা করবে, শান্তিপূর্ণভাবে দলের ও প্রচারণা কার্যক্রম চালাতে দেবে, বেসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনীতিকীকরণ করার চেষ্টা করবে না, প্রচারণা কার্যক্রমে অনৈতিক কৌশল ব্যবহার করবে না, যেমন বিরোধী পক্ষের দেশপ্রেম ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন করবে না বা সাম্প্রদায়িক জিকির তুলবে না, নির্বাচনী ব্যয়ের সীমাসহ নির্বাচনী দিকনির্দেশনা মেনে চলবে, আর শেষমেশ নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবে।
এখন আমরা জানি যে এই তিন জোটের রূপরেখায় যাঁরা সই করেছিলেন, তাঁরা ১৯৯১ সালের নির্বাচন থেকেই এই আচরণবিধি ভাঙা শুরু করেন। পরবর্তী বছরগুলোতে এই লঙ্ঘনের রূপ ছিল আরও অমার্জিত ও অপছন্দনীয়।
আরেকটি ঐকমত্য?
২০১১ সালের পর থেকে আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে নতুন একটি কাঠামো তৈরি করার জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আরেকটি ঐকমত্য হওয়া দরকার কি না, সে বিষয়ে গণপরিসরে বেশ আলোচনা হচ্ছে। এই প্রয়োজনীয়তা সার্বিকভাবে স্বীকৃত হলেও এটা মোটেও পরিষ্কার নয়, আমরা কখন তেমন একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারব। ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর আপেক্ষিক শক্তির মধ্যে বেশ পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৯০ সালে দেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোটের ওপর চাপ প্রয়োগ করার মতো রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অস্তিত্ব ছিল। বাম দলগুলোর জোট মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ছাত্রসংগঠনগুলো দল ও জোটগুলোর ওপর ঐকমত্যের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পেরেছিল। কিন্তু এখন ছাত্রসংগঠনগুলো স্বতন্ত্র অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছে। সব ছাত্রসংগঠনই এখন মূল দলগুলোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাদের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নেই। বাম দলগুলো শক্তি হারিয়ে ফেলেছে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিয়েছে। গত কয়েক বছরে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট বেশ দুর্বল হয়ে গেছে। তারা আর এমন অবস্থায় নেই যে আওয়ামী লীগকে চাপ দিয়ে একটা অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারবে। এই পরিস্থিতিতে স্রেফ আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হাসিনা যদি মনে করেন, বিএনপির কিছু দাবি মেনে নিলে তাঁর আলোকিত স্বার্থ সংরক্ষিত হবে, তাহলেই কোনো ঐকমত্য হতে পারে। এ পর্যায়ে তুরুপের তাস তাঁর হাতেই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি কি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান? গণতন্ত্রকে টেকসই করার জন্য তিনি কি ১৯৯০ সালের মতো আবার একটি ঐকমত্য প্রচেষ্টার উদ্যোগ নেবেন, যাতে করে সব গণতান্ত্রিক দল আর একবার নতুন করে আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হবে?
রওনক জাহান: রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। সম্মানীয় ফেলো, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
December
(688)
-
▼
Dec 26
(33)
- বাগমারায় বোমা হামলার দায়ও স্বীকার আইএসের!
- মির জাফর বংশের তরবারি দিলেন মোদিকে পুতিন
- সন্ত্রাসী ও অপরাধীর মধ্যে পার্থক্য কী? by রবার্ট ফ...
- জমি নিয়ে বিরোধ: গুলিতে কিশোরীসহ নিহত ২
- লাহোরে শরিফকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
- এরদোগান বাঁচার সুযোগ করে দিলেন আত্মহত্যায় উদ্যত যু...
- স্পেনে অভিবাসীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দাঙ্গা
- মিয়ানমারে ভূমিধস : অর্ধশত নিহতের আশঙ্কা
- বিচারকদের পক্ষপাতহীন হয়ে বিচার করতে হবে -রাষ্ট্রপতি
- অসংগতি রেখেই নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়ন! by আলী ইমা...
- মিয়ানমারে খনি ধসে অর্ধশতাধিক নিহত
- বাংলাদেশের তড়িঘড়ি যোগদান কেন? by এ কে এম জাকারিয়া
- সীমান্ত হত্যা বন্ধ হোক
- সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় হোক
- গণতান্ত্রিক উত্তরণের ২৫ বছর by রওনক জাহান
- গণতান্ত্রিক আমলে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ কেন? by ...
- বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে দু’দেশেরই সংবাদ...
- আর বন্দুক নয়, বাড়ি ফিরে বললেন অনুপ চেটিয়া
- আমদানিনির্ভর হতে চলেছে দেশ by বদরূল ইমাম
- সদয় ইসি, নির্দয় ইসি এবং মন্ত্রীর কোলাকুলি by সোহ...
- ডানপন্থীদের রাজনীতি এখন রমরমা by সরাফ আহমেদ
- কারা প্রার্থী হলেন? by বদিউল আলম মজুমদার
- সহিষ্ণুতা ছাড়া গণতন্ত্র হয় না by কুলদীপ নায়ার
- ভারতের অঘোষিত অবরোধে ধুঁকছে নেপাল
- নতুন শান্তি-আলোচনার জন্য প্রস্তুত সিরিয়া: দামেস্ক
- মোড়ল ও মেয়র এক নয় by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- বোতলে করে রোদ বিক্রি by আনিসুল হক
- রাজনৈতিক শূন্যতায় হতাশাগ্রস্তরাই জঙ্গিদের দিকে ঝুঁকছে
- ৬০ ছুঁয়েই কি ছুটিতে যাবেন দাউদ
- ২০১৫-ভারতে অসহিষ্ণুতার বছর
- যেভাবে বাগমারায় মসজিদে হামলা হয়
- আমি আমার স্ত্রী-পুত্রের সঙ্গে মিলিত হতে চাই
- ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনের উৎসাহে ভাটা
-
▼
Dec 26
(33)
-
▼
December
(688)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment