ওয়াডার নীতিমালায় সই করেননি ধোনিরা

রাফায়েল নাদালের সঙ্গে এক জায়গায় মহেন্দ্র সিং ধোনিরাও। আন্তর্জাতিক ডোপিং-বিরোধী সংস্থার (ওয়াডা) নতুন চালু করা ‘হয়্যারঅ্যাবাউট’ শর্ত অনুযায়ী, শীর্ষ খেলোয়াড়দের অনলাইনের এক ফরম পূরণ করে নির্দিষ্ট সময়ে আগেভাগেই জানিয়ে দিতে হবে, অমুক অমুক দিনে তারা কোথায় কোথায় থাকবে। এই নিয়মের বিরোধিতা করে টেনিস তারকা নাদাল বলেছিলেন, ‘আমি কোথায় কোথায় থাকি সেটা তো আমার চাচা কোচ টনি আর আমার মাও জানে না।’
ওয়াডার এই শর্তে আপত্তি ভারতের ক্রিকেটারদেরও। আর তাই গতকাল আইসিসির বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও ডোপিং-বিরোধী নীতিমালায় সই করেননি কেউই। বাকি সব দেশ এরই মধ্যে স্বাক্ষর করলেও কেবল ভারতের ক্রিকেটাররা এখনো বাকি আছেন।
ভারতীয় ক্রিকেটারদের যুক্তি, এই নিয়ম তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপের শামিল। তা ছাড়া আন্তর্জাতিক ব্যস্ত ক্রিকেট-সূচির কারণে আগাম জানিয়ে দেওয়াও অসম্ভব কে কখন কোথায় থাকবেন।
এ বছর জানুয়ারি থেকে আইসিসিও ওয়াডার নীতিমালা গ্রহণ করেছে। ওয়াডার বেঁধে দেওয়া সময় শেষ হচ্ছে আজ। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) নিশ্চিতভাবেই সেই ‘ডেডলাইনে’র মধ্যেই কাগজপত্র আইসিসির কাছে পাঠাতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে আজ বিসিসিআইর জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। আগামীকাল বিসিসিআইর সঙ্গে আইসিসির আইনজীবীও বৈঠক করবেন।
হয়তো ভারতের জন্য সময়সীমা বাড়ানো হবে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই ‘হয়্যারঅ্যাবাউটস’ নীতিমালা বদলানো হবে না বলেই জানিয়েছেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী হারুন লরগাত।