Thursday, October 15, 2009
চশমা, চটিজুতা ও ছাতা হারিয়ে কী পেলাম -সহজিয়া কড়চা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
চশমা, চটিজুতা ও ছাতা হারিয়ে কী পেলাম -সহজিয়া কড়চা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
বিপুল ভোটারের অংশগ্রহণে ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে যে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাতে আমারও অবদান রয়েছে। বলতে লজ্জা নেই, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমি খুইয়েছি আমার একটি চশমা, দেড় জোড়া চটিজুতা (এক জনসভায় এক জোড়া চুরি হয়, আরেক জনসভায় মঞ্চ থেকে বক্তৃতা দিয়ে নেমে দেখি এক পাটি নেই) এবং একটি ছাতা।
একবার এক জনসভায় পূর্ববর্তী বক্তার অফুরন্ত কথা শেষ হওয়ার আশায় অধীর আগ্রহে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। ‘এই ধরনের গণতন্ত্র আমরা ছুড়ে ফেলে দিই’—বলেই উত্তেজিত অনলবর্শী বক্তা এমনভাবে বাহু উত্তোলিত বা প্রসারিত করলেন যে তাঁর হাত লেগে আমার চশমাটি ছিটকে গিয়ে পড়ল মঞ্চ থেকে ১০ হাত দূরে। এক শ্রোতা তত্ক্ষণাত্ ওটা উদ্ধার করল বটে, কিন্তু অক্ষত অবস্থায় নয়। এক মতবিনিময় সভায় গণতন্ত্রের একটা বিহিত করে বাড়ি ফেরার জন্য উঠে দাঁড়িয়ে দেখি ছাতাটা নেই।
জুতা, ছাতা যা-ই হারাই না কেন, বাস্তবতা ও সত্য হলো সাধারণ সচেতন মানুষের মধ্যে গণতন্ত্র ও সুশাসনের জন্য একটা তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল। সেই আকাঙ্ক্ষার সপক্ষে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে গত পাঁচ-ছয় বছরে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান সভা-সমাবেশ, গোলটেবিল, সেমিনার, মতবিনিময় অনুষ্ঠান করেছে। তাতে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ যুক্ত ছিলেন। তবে অবসরপ্রাপ্তদের সংখ্যা ছিল আশঙ্কাজনকভাবে বেশি। তাঁদের সম্মিলিত নামকরণ সিভিল সমাজ। ভাষাজ্ঞানহীন কেউ তার বঙ্গানুবাদ করেছিল সুশীল সমাজ। গণতন্ত্রের প্রবক্তা সেই নাগরিক সমাজের প্রধান চরিত্রগুলোর চারিত্রিক সংহতি অর্থাত্ তাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সততা নিয়ে মানুষের সন্দেহ ছিল। সন্দেহের কারণও ছিল বটে। কোনো দিন তাঁদের কিছু ত্যাগ করতে দেখেনি কেউ। আমাদের দেশে সামরিক-বেসামরিক আমলা, শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি শ্রেণীর কাছে বড় থেকে বৃহত্তর চাকরিই জীবনের ধ্রুবতারা। সেদিকে তাকিয়েই নিয়ন্ত্রিত হয় তাঁদের জীবনের গতি। তাঁদের কাছে একটি উঁচু বেতনের চাকরি পাওয়ার যে সুখ তার কাছে ম্লান প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গী হয়ে কোনো নির্জন হ্রদে নৌবিহার করা অথবা শিল্পা শেঠীকে নিয়ে জোছনারাতে সাগরসৈকতে ঘুরে বেড়ানো কিংবা মাধুরী দীক্ষিতের মায়াবী হাসির সামনে মুখোমুখি নির্জনে বসে থাকা।
কথিত সিভিল সোসাইটির একজন মানুষ হিসেবে আমি মাঝেমধ্যে গ্লানি বোধ করি। প্রথম যৌবনে আমরা অনেকেই অর্থকষ্ট ভোগ করেছি। এক জোড়া স্যান্ডেল ও দুটোর বেশি শার্ট ছিল না। পরে যত ভালো চাকরিই করি না কেন এবং দুটো গাড়ি থাকলেও আরও বেশির জন্য প্রাণ কাঁদে। পুরোনো মডেলের টয়োটায় মন ভরে না—নিজেরও না, গিন্নি-ছেলেমেয়েদের মন তো ওঠেই না। তাই পেনশনের অনেকগুলো টাকাসহ অবসরে গিয়েও কনসালটেন্সি বা একটি চাকরির জন্য উমেদারি করি, এনজিও গড়ে তুলি। তারপর সামাজিক অবস্থান মজবুত করতে দেশকে গণতন্ত্র উপহার দেওয়ার জন্য গোলটেবিলের আয়োজন করি এবং গণতন্ত্রের সভা থেকেই একেবারে সোজা বিমানবন্দর উড়োজাহাজ যেদিকে নিয়ে যায়।
সমালোচনা হতেই পারে। তবু অস্বীকার করা যাবে না যে আমাদের নাগরিক সমাজের বহু দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও তারা মূলধারার সংবাদপত্র ও টিভি চ্যানেলগুলোর সহযোগিতায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা পালন করেছে। যে কাজ রাজনীতিকদের করার কথা তা করেছে গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজ। তারা সরকারকে চাপে রেখেছে, বিরোধী দলকেও তাদের ভুলের জন্য সমালোচনা করেছে। আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অনেক দিন থেকেই বিদেশিরা যুক্ত হয়েছে—একসময় ছিল তলে তলে, অর্থাত্ নেপথ্যে, এখন প্রকাশ্যে। বিদেশিদের আমাদের রাজনীতির অন্দরমহলে নিয়ে যাওয়ার কাজটি রাজনীতিকেরাই তাঁদের স্বার্থে করেছেন, অন্য কেউ নয়। তারপর বিদেশিদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থে বন্ধুত্ব জমে উঠেছিল নাগরিক সমাজের নেতাদের। তবে বিদেশিরা নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে শুধু আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রই করে যাচ্ছে সকাল সাতটা থেকে রাত একটা পর্যন্ত—সেটাও মনে করা খুবই হীনম্মন্যতা এবং সে কথা বড় বড় শিরোনাম দিয়ে প্রচার করা আরও ক্ষতিকর।
গত নির্বাচন সম্পর্কে আবদুল জলিল সাহেব লন্ডনে যা বলেছেন তা বহুকাল উদ্ধৃত হবে। তাঁর বক্তব্যের সত্যতা-অসত্যতা প্রমাণও চাট্টিখানি কাজ নয়। তবে তাঁর বক্তব্য মানসিক ভারসাম্যহীন একজন মানুষের প্রলাপ মাত্র—এ কথা যে মনে করে তারও মানসিক ভারসাম্য নিয়ে সন্দেহ হওয়া স্বাভাবিক। অন্যান্য বিষয়েও তিনি যা বলেছেন তা নিয়ে আমাদের বলার কিছু নেই, তা তাদের দলের নিজস্ব ব্যাপার। বিব্রত হলে দলীয় নেতৃত্ব হবেন, অন্য কেউ নয়।
বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার খুব একটা বাজে অবস্থার সৃষ্টি করেছিল। সরকার হয়ে উঠেছিল উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর উদার পৃষ্ঠপোষক। দুর্নীতি পেয়েছিল প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। ওই পরিস্থিতিতে ২০০৩-০৪ সাল থেকে সুশাসন, নির্বাচনী সংস্কার, নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি প্রভৃতি প্রশ্নে ‘রাজনৈতিক সংস্কার’-এর একটা দাবি ওঠে। সে ব্যাপারে জনমত সৃষ্টি করতে কয়েকটি সংগঠনও দাঁড়িয়ে যায়। কার কী উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল তা তারা ও তাদের পৃষ্ঠপোষকেরাই ভালো বলতে পারবেন। কীভাবে যেন আমিও ওগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে যাই। দেখেছি নির্বাচনী সংস্কার ও সুশাসনের কথায় বিএনপি-জামায়াত বিরক্ত হলেও সাধারণ মানুষ তাকে স্বাগত জানিয়েছে।
২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচন-পূর্ববর্তী সাড়ে চার বছর অনেকের সঙ্গে আমিও বান্দরবান থেকে বাংলাবান্ধা, কক্সবাজার থেকে কুড়িগ্রাম, সুন্দরবন থেকে সুনামগঞ্জ ঘুরে বেরিয়েছি। অন্তত ৩৫টি সংগঠনের আমন্ত্রণে চার শর মতো আলোচনা সভা, গোলটেবিল, মতবিনিময়, মানববন্ধন, শোভাযাত্রা প্রভৃতিতে অংশ নিয়েছি। বিষয় একটাই: সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে একটি জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর। একটি পর্যায়ে সেই প্রক্রিয়ায় বাধা আসে। দোষ শুধু জোট সরকারকে দেওয়া যাবে না, চৌদ্দদলীয় বিরোধী মহাজোটেরও ছিল। অচলাবস্থার সৃষ্টি হলে সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ১১ জানুয়ারি একটি প্রেরিত সরকার ক্ষমতাসীন হয়। সেই সরকারের খোসাটি ছিল বেসামরিক কিন্তু পুরো শাঁস ও আঁটি পর্যন্ত ছিল সামরিক। হরতাল-অবরোধে ক্লান্ত জনগণ সেই সরকার আসায় সাময়িক স্বস্তি বোধ করে। তাদের দুর্নীতিবিরোধী তত্পরতাও সমর্থন করে। কিন্তু অবিলম্বেই সেই সরকারের প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডে মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তাদের একটিমাত্র কৃতিত্ব, তা হলো একটি ভালো ভোটার তালিকা তৈরি। নির্বাচনও শান্তিপূর্ণ হয়। ভোট পড়ে কিছুটা মাত্রার বেশি। তার পরও দেশে ও বিদেশে ওই নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের বিজয় অপ্রত্যাশিত ছিল না। এত বেশি অর্থাত্ ২৬২ আসন ছিল অপ্রত্যাশিত। অন্যদিকে তাঁর সরকারের ওপর জনগণ বিরক্ত হলেও বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাও কম ছিল না। নির্বাচনের আগের জনসভাগুলো থেকে তা বোঝা যায়। নির্বাচনের ১০-১২ দিন আগে কয়েকজন বিদেশি পর্যবেক্ষক আমাকে বলেছিলেন, সরকার গঠন না করতে পারলেও বিএনপি ভালো আসনই পাবে বলে তাঁদের ধারণা। এত কম অর্থাত্ ২৯টি আসন কাম্য ছিল না জনগণের। সে কারণেই সন্দেহ। মানুষ লক্ষ করেছে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে বৈরিতামূলক এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ একটি প্রীতির সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন জেনারেল মইন উ আহমেদ। তাঁকে পুরস্কৃত করারও একটা পাঁয়তারা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি না হলেও জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি করার আয়োজন প্রায় সাঙ্গ হয়ে এসেছিল। অথচ নির্বাচিত সরকারের প্রাথমিক দায়িত্বই ছিল দুবছরী অনির্বাচিত সরকারের কাজের ওপর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ। সে প্রসঙ্গেই জলিল সাহেব বলেছেন, ওই সরকারের সঙ্গে মহাজোটের নেতার একটা বোঝাপড়া হয়েছিল।
পুরো দিনটি বদলের ঘোষণা দিয়ে এই সরকার জনগণের রায় নিয়েছে। বাস্তবে দিনের একটি প্রহরের যদি পরিবর্তন ঘটাতে পারত এই সরকার তা হলেই জনগণ খুশি হতো। পুরো মেয়াদের ছয় ভাগের এক ভাগ পার করেছে সরকার। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সরকার এমন সুশান্ত ও সহানুভূতিশীল বিরোধী দল পায়নি, যা পেয়েছে বর্তমান সরকার। ১৪৯টি আসন পেলেও তারা সংসদে যেত না। বিএনপি তার মহাসচিবকে করেছে দলের মুখপাত্র—দলটি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মুখপাত্র হতে পারল না। অন্যদিকে সরকারের মুখপাত্র অসংখ্য।
প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা বলেছেন, পৃথিবীতে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার, মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার রয়েছে বিভিন্ন দেশে, বাংলাদেশে পেয়েছি আমরা উপদেষ্টাশাসিত সরকার। চমকের মন্ত্রিসভার সদস্য ও উপদেষ্টারা চমক লাগানো কথাবার্তা বলছেন প্রথম রাত থেকেই, তাঁদের ও এমপিদের পুত্ররা পিলে চমকে দেওয়া শুরু করেছেন পরদিন থেকে। এখন অবস্থা যা দাঁড়িয়েছে সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডের এলাকার মানুষ শুধু নয়, কথায় কথায় চমকে উঠছে সারা দেশের মানুষ।
মেরুদণ্ড ভেঙে যাওয়া বিরোধী দল গত ১০ মাসে সরকারকে বিব্রত করার মতো কিছু করেনি। কিন্তু মন্ত্রীদের অনেকের কথাবার্তার ভাবে সরকারের মূর্তি বিএনপির মেরুদণ্ডের মতো অনেকখানি চুর্ণ হয়ে গেছে। যাঁরা জনগণের সেবক, বিশেষ করে যাঁদের ওপর রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব অর্পিত হয়, তাঁদের কথাবার্তা হবে পাথরের মতো ভারী, শিমুল তুলার মতো হালকা নয়। পিলখানার বর্বরতা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিডিআরের ডিজি এত রকম পরস্পরবিরোধী কথা বলেছেন, তা দিয়ে একটি বই হতে পারে। বিচার কোন আইনে হবে—একেক দিন একেক কথা। বিডিআরের আটককৃত সদস্যরা শুধু ‘হার্ট অ্যাটাকে’ই মরতে লাগলেন। নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা না করে বিডিআরের নাম ও পোশাক পরিবর্তন নিয়ে যা হলো তার জবাব একসময় মানুষ চাইবে। শেষ পর্যন্ত ডিজির ঈদ কার্ড নিয়ে যা হয়েছে তাতে প্রমাণিত হয়েছে অনেক ব্যাপারেই সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুর পর বেগম জিয়াকে সরকার থেকে একট বাড়ি দেওয়া হয়। হঠাত্ শোনা গেল পিলখানায় নিহত সেনা অফিসারদের পরিবারকে দুটো করে ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। সে ফ্ল্যাট নির্মিত হবে, অন্য কোথাও নয়, ৬ নম্বর শহীদ মইনুল সড়কে। কালবিলম্ব না করে বেগম জিয়াকে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হলো। কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে—পিলখানার নিহতের পরিবার যদি দুটো ফ্ল্যাট পায় নিহত রাষ্ট্রপতির স্ত্রী দুটো বাড়ি পাবেন না কেন? তা ছাড়া সেনাবাহিনীর বহু সদস্য দেশে ও বিদেশে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত হচ্ছেন। তাঁদের পরিবার দুটো ফ্ল্যাট পাবে না কেন? কাউকে কোনো কিছু দিয়ে ফেরত নেওয়াটা অনুচিত। কোনো ব্যাপারেই প্রতিহিংসার প্রকাশ ঘটানো আরও অনুচিত। যা হতে পারে তা হলো, আমার ব্যক্তিগত অভিমত, বাড়িটাড়ি যা দেওয়া হয়েছে তা শুধু বেগম জিয়াই ভোগ করবেন, তাঁর সন্তানদের তাতে কোনো অধিকার থাকা উচিত নয়। যিনি দেশের জন্য ত্যাগ করেন তিনিই গুরুত্বপূর্ণ—তাঁর বংশধরেরা নয়।
হঠাত্ সংসদ থেকেই শোনা গেল, সাত বছর সেনাবাহিনীতে যেসব নিয়োগ পোস্টিং হয়েছে তা নিয়ে তদন্ত হবে। প্রতিরক্ষা বিভাগ অন্য বিভাগের মতো নয়। সব জায়গা থেকে সব কথা ঘোষণা দিতে নেই। কিছু রীতি বা কনভেনশন সব রাষ্ট্র মেনে চলে। সেই রীতি ভাঙা হঠকারিতা অথবা অর্বাচীনতা। পৃথিবীর কোনো দেশে তিন বাহিনীর নেতিবাচক বিষয় সংসদে আলোচনা হয় না। সংসদীয় কমিটিতে হতে পারে।
সরকার ও তাদের কিছু স্বনামধন্য ব্যক্তি বলে বেড়াচ্ছেন, ১৯৭২-এর সংবিধান পুনঃপ্রবর্তন করবেন। কোন জ্ঞানে তা বলছেন আমার মতো পিএইচডিহীন মানুষের মাথায় তা আসে না। সময়ের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধিত হওয়া এক জিনিস, আর অতীতে ফিরে যাওয়া অন্য জিনিস। ওই সংবিধানে ‘সমাজতন্ত্র’ আছে। আওয়ামী লীগ কি চীন, কিউবা, ভেনেজুয়েলা বা উত্তর কোরিয়ার পথ গ্রহণ করতে চাইছে? তা যদি চায় ব্যক্তিগতভাবে আমি স্বাগত জানাব, শান্তিবাদী বারাক হোসেন ওবামা স্বাগত জানালে ঢাকার রাজপথে আনন্দ মিছিলও করতে পারি। ১৯৭২-এর সংবিধানে সেক্যুলারিজমও ছিল—রাষ্ট্রে সেক্যুলারিজমের নামগন্ধ না থাকলেও। ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধ করার বহু পথ আছে। ইউরোপের প্রত্যেক দেশেই ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক বা কনজারভেটিভ পার্টি আছে। বাংলাদেশে কেউ ইসলামিক গণতান্ত্রিক দল গঠন করতে চাইলে তা কোন যুক্তিতে বাধা দেওয়া হবে। বাধা দিলে উগ্র মৌলবাদ মাথা খাড়া করবে। ভারতেও মুসলিম লীগ রাজনীতি করছে। তা ছাড়া ১৯৭২-এর সংবিধানে রয়েছে কিছু মারাত্মক গলদ। এখন তা পুনঃপ্রবর্তন হবে আওয়ামী লীগের জন্য আত্মঘাতী।
সরকারি দলের লোকদের সংযত আচরণ করতে হয়। কে কার জন্মদিন কীভাবে পালন করবে তা তাঁর ও তাঁর ভক্তদের ব্যাপার। জন্মদিন সকালবেলা কাঙালিভোজ দিয়ে করবে, না বিকেলে কেক কেটে করবে তা তাঁর মর্জি। বাংলাদেশের প্রতিটি ম্যাট্রিক বা এসএসসি পাস মানুষের দুটো জন্মদিন। ড. জাকির হোসেন ভারতের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর মিডিয়ার মানুষ জানতে চেয়েছিলেন তাঁর জন্মদিন কবে। তিনি বলেছিলেন, ‘জন্মেছি যখন জন্মদিন একটা নিশ্চয়ই আছে।’ বেগম জিয়ার জন্মদিন পালন নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা করাটা চরম রুচিবিবর্জিত কাজ। দুই বা সোয়া দুইবার তিনি হন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। যুগ যুগ মানুষ তাঁর ‘জন্মদিন’ পালন করবে। বাঙালির ১২৪ বছরের রাজনীতির ইতিহাসে জঘন্য ক্ষুদ্রতার প্রকাশ ঘটেছে বেগম জিয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জন্মদিন নিয়ে প্রশ্ন তোলায়। এই নোংরামিকে ব্যক্তিগতভাবে আমি ধিক্কার জানাই।
সরকারের সামনে কত কাজ। সব বাদ দিয়ে হাবিজাবি ব্যাপার নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আইন প্রতিমন্ত্রী বলতে থাকলেন, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের বিচার ও শাস্তি হবে। আশ্বাসের পর আশ্বাস দিচ্ছেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টারা। শ্রমমন্ত্রী শাহজাহান সাহেব বলেছেন, চিহ্নিত অপরাধীদের গুলি করে মারা চমত্কার কাজ। ফরিদপুরের আরেক মন্ত্রী জনগণকে গরুচোরদের চোখ উপড়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। বিচার বিভাগ চলছে নির্বাহী বিভাগের নির্দেশে। চিনি ব্যবসায়ীদের একটি চুলেও টান পড়ল না। দুর্নীতি দমন কমিশন এখন সরকারের হাতের মুঠোয়। মানবাধিকার কমিশনকে গলা টিপে ধরা হয়েছে।
সিরাজদ্দৌলা নাটকের সিরাজের কণ্ঠে কাল্পনিক সংলাপই যেন আজ নিরেট বাস্তবতা: গোলাম হোসেন, বাংলার আকাশে আজ দুর্যোগের ঘনঘটা...। মিয়ানমার আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী, তারা সত্ প্রতিবেশীর মতো আচরণ করছে না। আমাদের সমুদ্রসীমার মাছ তারা নিয়ে যায়। সমুদ্রবক্ষে গ্যাস উত্তোলনে বাধা দেয়। তাদের রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু আমাদের অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতি করছে। এখন তারা কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশ সীমান্তে সেনা জড়ো করছে। সরকারের পক্ষ থেকে কী করা হচ্ছে আমরা জানি না।
শুধু সরকারকে দোষ দেব না। কপাল আমাদের। অসহায় জনগণ নেতৃত্বহীন। আগের সেই আত্মত্যাগী ছাত্র ও যুবসমাজ নেই। সন্ত্রাসী আছে—সংগ্রামী ছাত্রনেতা নেই। নির্বাচন-পূর্ব বিপ্লবী সাংস্কৃতিক নেতারা এখন প্রাপ্তির জন্য দেনদরবারে ব্যস্ত। ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক সমাজের নেতা গণতন্ত্রের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিতেও প্রস্তুত ছিলেন, তাঁরা ১০ মাস ধরে জীবিত যে আছেন তা বোঝার উপায় নেই। ১০ মাসের মধ্যে একবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুধু দেখা গেছে তাঁদের তত্পরতা। সুতরাং প্রার্থনা করি: আল্লাহই বাংলাদেশকে রক্ষা করুন।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
একবার এক জনসভায় পূর্ববর্তী বক্তার অফুরন্ত কথা শেষ হওয়ার আশায় অধীর আগ্রহে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। ‘এই ধরনের গণতন্ত্র আমরা ছুড়ে ফেলে দিই’—বলেই উত্তেজিত অনলবর্শী বক্তা এমনভাবে বাহু উত্তোলিত বা প্রসারিত করলেন যে তাঁর হাত লেগে আমার চশমাটি ছিটকে গিয়ে পড়ল মঞ্চ থেকে ১০ হাত দূরে। এক শ্রোতা তত্ক্ষণাত্ ওটা উদ্ধার করল বটে, কিন্তু অক্ষত অবস্থায় নয়। এক মতবিনিময় সভায় গণতন্ত্রের একটা বিহিত করে বাড়ি ফেরার জন্য উঠে দাঁড়িয়ে দেখি ছাতাটা নেই।
জুতা, ছাতা যা-ই হারাই না কেন, বাস্তবতা ও সত্য হলো সাধারণ সচেতন মানুষের মধ্যে গণতন্ত্র ও সুশাসনের জন্য একটা তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল। সেই আকাঙ্ক্ষার সপক্ষে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে গত পাঁচ-ছয় বছরে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান সভা-সমাবেশ, গোলটেবিল, সেমিনার, মতবিনিময় অনুষ্ঠান করেছে। তাতে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ যুক্ত ছিলেন। তবে অবসরপ্রাপ্তদের সংখ্যা ছিল আশঙ্কাজনকভাবে বেশি। তাঁদের সম্মিলিত নামকরণ সিভিল সমাজ। ভাষাজ্ঞানহীন কেউ তার বঙ্গানুবাদ করেছিল সুশীল সমাজ। গণতন্ত্রের প্রবক্তা সেই নাগরিক সমাজের প্রধান চরিত্রগুলোর চারিত্রিক সংহতি অর্থাত্ তাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সততা নিয়ে মানুষের সন্দেহ ছিল। সন্দেহের কারণও ছিল বটে। কোনো দিন তাঁদের কিছু ত্যাগ করতে দেখেনি কেউ। আমাদের দেশে সামরিক-বেসামরিক আমলা, শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি শ্রেণীর কাছে বড় থেকে বৃহত্তর চাকরিই জীবনের ধ্রুবতারা। সেদিকে তাকিয়েই নিয়ন্ত্রিত হয় তাঁদের জীবনের গতি। তাঁদের কাছে একটি উঁচু বেতনের চাকরি পাওয়ার যে সুখ তার কাছে ম্লান প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গী হয়ে কোনো নির্জন হ্রদে নৌবিহার করা অথবা শিল্পা শেঠীকে নিয়ে জোছনারাতে সাগরসৈকতে ঘুরে বেড়ানো কিংবা মাধুরী দীক্ষিতের মায়াবী হাসির সামনে মুখোমুখি নির্জনে বসে থাকা।
কথিত সিভিল সোসাইটির একজন মানুষ হিসেবে আমি মাঝেমধ্যে গ্লানি বোধ করি। প্রথম যৌবনে আমরা অনেকেই অর্থকষ্ট ভোগ করেছি। এক জোড়া স্যান্ডেল ও দুটোর বেশি শার্ট ছিল না। পরে যত ভালো চাকরিই করি না কেন এবং দুটো গাড়ি থাকলেও আরও বেশির জন্য প্রাণ কাঁদে। পুরোনো মডেলের টয়োটায় মন ভরে না—নিজেরও না, গিন্নি-ছেলেমেয়েদের মন তো ওঠেই না। তাই পেনশনের অনেকগুলো টাকাসহ অবসরে গিয়েও কনসালটেন্সি বা একটি চাকরির জন্য উমেদারি করি, এনজিও গড়ে তুলি। তারপর সামাজিক অবস্থান মজবুত করতে দেশকে গণতন্ত্র উপহার দেওয়ার জন্য গোলটেবিলের আয়োজন করি এবং গণতন্ত্রের সভা থেকেই একেবারে সোজা বিমানবন্দর উড়োজাহাজ যেদিকে নিয়ে যায়।
সমালোচনা হতেই পারে। তবু অস্বীকার করা যাবে না যে আমাদের নাগরিক সমাজের বহু দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও তারা মূলধারার সংবাদপত্র ও টিভি চ্যানেলগুলোর সহযোগিতায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা পালন করেছে। যে কাজ রাজনীতিকদের করার কথা তা করেছে গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজ। তারা সরকারকে চাপে রেখেছে, বিরোধী দলকেও তাদের ভুলের জন্য সমালোচনা করেছে। আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অনেক দিন থেকেই বিদেশিরা যুক্ত হয়েছে—একসময় ছিল তলে তলে, অর্থাত্ নেপথ্যে, এখন প্রকাশ্যে। বিদেশিদের আমাদের রাজনীতির অন্দরমহলে নিয়ে যাওয়ার কাজটি রাজনীতিকেরাই তাঁদের স্বার্থে করেছেন, অন্য কেউ নয়। তারপর বিদেশিদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থে বন্ধুত্ব জমে উঠেছিল নাগরিক সমাজের নেতাদের। তবে বিদেশিরা নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে শুধু আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রই করে যাচ্ছে সকাল সাতটা থেকে রাত একটা পর্যন্ত—সেটাও মনে করা খুবই হীনম্মন্যতা এবং সে কথা বড় বড় শিরোনাম দিয়ে প্রচার করা আরও ক্ষতিকর।
গত নির্বাচন সম্পর্কে আবদুল জলিল সাহেব লন্ডনে যা বলেছেন তা বহুকাল উদ্ধৃত হবে। তাঁর বক্তব্যের সত্যতা-অসত্যতা প্রমাণও চাট্টিখানি কাজ নয়। তবে তাঁর বক্তব্য মানসিক ভারসাম্যহীন একজন মানুষের প্রলাপ মাত্র—এ কথা যে মনে করে তারও মানসিক ভারসাম্য নিয়ে সন্দেহ হওয়া স্বাভাবিক। অন্যান্য বিষয়েও তিনি যা বলেছেন তা নিয়ে আমাদের বলার কিছু নেই, তা তাদের দলের নিজস্ব ব্যাপার। বিব্রত হলে দলীয় নেতৃত্ব হবেন, অন্য কেউ নয়।
বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার খুব একটা বাজে অবস্থার সৃষ্টি করেছিল। সরকার হয়ে উঠেছিল উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর উদার পৃষ্ঠপোষক। দুর্নীতি পেয়েছিল প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। ওই পরিস্থিতিতে ২০০৩-০৪ সাল থেকে সুশাসন, নির্বাচনী সংস্কার, নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি প্রভৃতি প্রশ্নে ‘রাজনৈতিক সংস্কার’-এর একটা দাবি ওঠে। সে ব্যাপারে জনমত সৃষ্টি করতে কয়েকটি সংগঠনও দাঁড়িয়ে যায়। কার কী উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল তা তারা ও তাদের পৃষ্ঠপোষকেরাই ভালো বলতে পারবেন। কীভাবে যেন আমিও ওগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে যাই। দেখেছি নির্বাচনী সংস্কার ও সুশাসনের কথায় বিএনপি-জামায়াত বিরক্ত হলেও সাধারণ মানুষ তাকে স্বাগত জানিয়েছে।
২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচন-পূর্ববর্তী সাড়ে চার বছর অনেকের সঙ্গে আমিও বান্দরবান থেকে বাংলাবান্ধা, কক্সবাজার থেকে কুড়িগ্রাম, সুন্দরবন থেকে সুনামগঞ্জ ঘুরে বেরিয়েছি। অন্তত ৩৫টি সংগঠনের আমন্ত্রণে চার শর মতো আলোচনা সভা, গোলটেবিল, মতবিনিময়, মানববন্ধন, শোভাযাত্রা প্রভৃতিতে অংশ নিয়েছি। বিষয় একটাই: সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে একটি জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর। একটি পর্যায়ে সেই প্রক্রিয়ায় বাধা আসে। দোষ শুধু জোট সরকারকে দেওয়া যাবে না, চৌদ্দদলীয় বিরোধী মহাজোটেরও ছিল। অচলাবস্থার সৃষ্টি হলে সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ১১ জানুয়ারি একটি প্রেরিত সরকার ক্ষমতাসীন হয়। সেই সরকারের খোসাটি ছিল বেসামরিক কিন্তু পুরো শাঁস ও আঁটি পর্যন্ত ছিল সামরিক। হরতাল-অবরোধে ক্লান্ত জনগণ সেই সরকার আসায় সাময়িক স্বস্তি বোধ করে। তাদের দুর্নীতিবিরোধী তত্পরতাও সমর্থন করে। কিন্তু অবিলম্বেই সেই সরকারের প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডে মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তাদের একটিমাত্র কৃতিত্ব, তা হলো একটি ভালো ভোটার তালিকা তৈরি। নির্বাচনও শান্তিপূর্ণ হয়। ভোট পড়ে কিছুটা মাত্রার বেশি। তার পরও দেশে ও বিদেশে ওই নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের বিজয় অপ্রত্যাশিত ছিল না। এত বেশি অর্থাত্ ২৬২ আসন ছিল অপ্রত্যাশিত। অন্যদিকে তাঁর সরকারের ওপর জনগণ বিরক্ত হলেও বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাও কম ছিল না। নির্বাচনের আগের জনসভাগুলো থেকে তা বোঝা যায়। নির্বাচনের ১০-১২ দিন আগে কয়েকজন বিদেশি পর্যবেক্ষক আমাকে বলেছিলেন, সরকার গঠন না করতে পারলেও বিএনপি ভালো আসনই পাবে বলে তাঁদের ধারণা। এত কম অর্থাত্ ২৯টি আসন কাম্য ছিল না জনগণের। সে কারণেই সন্দেহ। মানুষ লক্ষ করেছে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে বৈরিতামূলক এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ একটি প্রীতির সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন জেনারেল মইন উ আহমেদ। তাঁকে পুরস্কৃত করারও একটা পাঁয়তারা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি না হলেও জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি করার আয়োজন প্রায় সাঙ্গ হয়ে এসেছিল। অথচ নির্বাচিত সরকারের প্রাথমিক দায়িত্বই ছিল দুবছরী অনির্বাচিত সরকারের কাজের ওপর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ। সে প্রসঙ্গেই জলিল সাহেব বলেছেন, ওই সরকারের সঙ্গে মহাজোটের নেতার একটা বোঝাপড়া হয়েছিল।
পুরো দিনটি বদলের ঘোষণা দিয়ে এই সরকার জনগণের রায় নিয়েছে। বাস্তবে দিনের একটি প্রহরের যদি পরিবর্তন ঘটাতে পারত এই সরকার তা হলেই জনগণ খুশি হতো। পুরো মেয়াদের ছয় ভাগের এক ভাগ পার করেছে সরকার। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সরকার এমন সুশান্ত ও সহানুভূতিশীল বিরোধী দল পায়নি, যা পেয়েছে বর্তমান সরকার। ১৪৯টি আসন পেলেও তারা সংসদে যেত না। বিএনপি তার মহাসচিবকে করেছে দলের মুখপাত্র—দলটি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মুখপাত্র হতে পারল না। অন্যদিকে সরকারের মুখপাত্র অসংখ্য।
প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা বলেছেন, পৃথিবীতে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার, মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার রয়েছে বিভিন্ন দেশে, বাংলাদেশে পেয়েছি আমরা উপদেষ্টাশাসিত সরকার। চমকের মন্ত্রিসভার সদস্য ও উপদেষ্টারা চমক লাগানো কথাবার্তা বলছেন প্রথম রাত থেকেই, তাঁদের ও এমপিদের পুত্ররা পিলে চমকে দেওয়া শুরু করেছেন পরদিন থেকে। এখন অবস্থা যা দাঁড়িয়েছে সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডের এলাকার মানুষ শুধু নয়, কথায় কথায় চমকে উঠছে সারা দেশের মানুষ।
মেরুদণ্ড ভেঙে যাওয়া বিরোধী দল গত ১০ মাসে সরকারকে বিব্রত করার মতো কিছু করেনি। কিন্তু মন্ত্রীদের অনেকের কথাবার্তার ভাবে সরকারের মূর্তি বিএনপির মেরুদণ্ডের মতো অনেকখানি চুর্ণ হয়ে গেছে। যাঁরা জনগণের সেবক, বিশেষ করে যাঁদের ওপর রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব অর্পিত হয়, তাঁদের কথাবার্তা হবে পাথরের মতো ভারী, শিমুল তুলার মতো হালকা নয়। পিলখানার বর্বরতা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিডিআরের ডিজি এত রকম পরস্পরবিরোধী কথা বলেছেন, তা দিয়ে একটি বই হতে পারে। বিচার কোন আইনে হবে—একেক দিন একেক কথা। বিডিআরের আটককৃত সদস্যরা শুধু ‘হার্ট অ্যাটাকে’ই মরতে লাগলেন। নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা না করে বিডিআরের নাম ও পোশাক পরিবর্তন নিয়ে যা হলো তার জবাব একসময় মানুষ চাইবে। শেষ পর্যন্ত ডিজির ঈদ কার্ড নিয়ে যা হয়েছে তাতে প্রমাণিত হয়েছে অনেক ব্যাপারেই সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুর পর বেগম জিয়াকে সরকার থেকে একট বাড়ি দেওয়া হয়। হঠাত্ শোনা গেল পিলখানায় নিহত সেনা অফিসারদের পরিবারকে দুটো করে ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। সে ফ্ল্যাট নির্মিত হবে, অন্য কোথাও নয়, ৬ নম্বর শহীদ মইনুল সড়কে। কালবিলম্ব না করে বেগম জিয়াকে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হলো। কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে—পিলখানার নিহতের পরিবার যদি দুটো ফ্ল্যাট পায় নিহত রাষ্ট্রপতির স্ত্রী দুটো বাড়ি পাবেন না কেন? তা ছাড়া সেনাবাহিনীর বহু সদস্য দেশে ও বিদেশে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত হচ্ছেন। তাঁদের পরিবার দুটো ফ্ল্যাট পাবে না কেন? কাউকে কোনো কিছু দিয়ে ফেরত নেওয়াটা অনুচিত। কোনো ব্যাপারেই প্রতিহিংসার প্রকাশ ঘটানো আরও অনুচিত। যা হতে পারে তা হলো, আমার ব্যক্তিগত অভিমত, বাড়িটাড়ি যা দেওয়া হয়েছে তা শুধু বেগম জিয়াই ভোগ করবেন, তাঁর সন্তানদের তাতে কোনো অধিকার থাকা উচিত নয়। যিনি দেশের জন্য ত্যাগ করেন তিনিই গুরুত্বপূর্ণ—তাঁর বংশধরেরা নয়।
হঠাত্ সংসদ থেকেই শোনা গেল, সাত বছর সেনাবাহিনীতে যেসব নিয়োগ পোস্টিং হয়েছে তা নিয়ে তদন্ত হবে। প্রতিরক্ষা বিভাগ অন্য বিভাগের মতো নয়। সব জায়গা থেকে সব কথা ঘোষণা দিতে নেই। কিছু রীতি বা কনভেনশন সব রাষ্ট্র মেনে চলে। সেই রীতি ভাঙা হঠকারিতা অথবা অর্বাচীনতা। পৃথিবীর কোনো দেশে তিন বাহিনীর নেতিবাচক বিষয় সংসদে আলোচনা হয় না। সংসদীয় কমিটিতে হতে পারে।
সরকার ও তাদের কিছু স্বনামধন্য ব্যক্তি বলে বেড়াচ্ছেন, ১৯৭২-এর সংবিধান পুনঃপ্রবর্তন করবেন। কোন জ্ঞানে তা বলছেন আমার মতো পিএইচডিহীন মানুষের মাথায় তা আসে না। সময়ের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধিত হওয়া এক জিনিস, আর অতীতে ফিরে যাওয়া অন্য জিনিস। ওই সংবিধানে ‘সমাজতন্ত্র’ আছে। আওয়ামী লীগ কি চীন, কিউবা, ভেনেজুয়েলা বা উত্তর কোরিয়ার পথ গ্রহণ করতে চাইছে? তা যদি চায় ব্যক্তিগতভাবে আমি স্বাগত জানাব, শান্তিবাদী বারাক হোসেন ওবামা স্বাগত জানালে ঢাকার রাজপথে আনন্দ মিছিলও করতে পারি। ১৯৭২-এর সংবিধানে সেক্যুলারিজমও ছিল—রাষ্ট্রে সেক্যুলারিজমের নামগন্ধ না থাকলেও। ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধ করার বহু পথ আছে। ইউরোপের প্রত্যেক দেশেই ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক বা কনজারভেটিভ পার্টি আছে। বাংলাদেশে কেউ ইসলামিক গণতান্ত্রিক দল গঠন করতে চাইলে তা কোন যুক্তিতে বাধা দেওয়া হবে। বাধা দিলে উগ্র মৌলবাদ মাথা খাড়া করবে। ভারতেও মুসলিম লীগ রাজনীতি করছে। তা ছাড়া ১৯৭২-এর সংবিধানে রয়েছে কিছু মারাত্মক গলদ। এখন তা পুনঃপ্রবর্তন হবে আওয়ামী লীগের জন্য আত্মঘাতী।
সরকারি দলের লোকদের সংযত আচরণ করতে হয়। কে কার জন্মদিন কীভাবে পালন করবে তা তাঁর ও তাঁর ভক্তদের ব্যাপার। জন্মদিন সকালবেলা কাঙালিভোজ দিয়ে করবে, না বিকেলে কেক কেটে করবে তা তাঁর মর্জি। বাংলাদেশের প্রতিটি ম্যাট্রিক বা এসএসসি পাস মানুষের দুটো জন্মদিন। ড. জাকির হোসেন ভারতের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর মিডিয়ার মানুষ জানতে চেয়েছিলেন তাঁর জন্মদিন কবে। তিনি বলেছিলেন, ‘জন্মেছি যখন জন্মদিন একটা নিশ্চয়ই আছে।’ বেগম জিয়ার জন্মদিন পালন নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা করাটা চরম রুচিবিবর্জিত কাজ। দুই বা সোয়া দুইবার তিনি হন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। যুগ যুগ মানুষ তাঁর ‘জন্মদিন’ পালন করবে। বাঙালির ১২৪ বছরের রাজনীতির ইতিহাসে জঘন্য ক্ষুদ্রতার প্রকাশ ঘটেছে বেগম জিয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জন্মদিন নিয়ে প্রশ্ন তোলায়। এই নোংরামিকে ব্যক্তিগতভাবে আমি ধিক্কার জানাই।
সরকারের সামনে কত কাজ। সব বাদ দিয়ে হাবিজাবি ব্যাপার নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আইন প্রতিমন্ত্রী বলতে থাকলেন, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের বিচার ও শাস্তি হবে। আশ্বাসের পর আশ্বাস দিচ্ছেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টারা। শ্রমমন্ত্রী শাহজাহান সাহেব বলেছেন, চিহ্নিত অপরাধীদের গুলি করে মারা চমত্কার কাজ। ফরিদপুরের আরেক মন্ত্রী জনগণকে গরুচোরদের চোখ উপড়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। বিচার বিভাগ চলছে নির্বাহী বিভাগের নির্দেশে। চিনি ব্যবসায়ীদের একটি চুলেও টান পড়ল না। দুর্নীতি দমন কমিশন এখন সরকারের হাতের মুঠোয়। মানবাধিকার কমিশনকে গলা টিপে ধরা হয়েছে।
সিরাজদ্দৌলা নাটকের সিরাজের কণ্ঠে কাল্পনিক সংলাপই যেন আজ নিরেট বাস্তবতা: গোলাম হোসেন, বাংলার আকাশে আজ দুর্যোগের ঘনঘটা...। মিয়ানমার আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী, তারা সত্ প্রতিবেশীর মতো আচরণ করছে না। আমাদের সমুদ্রসীমার মাছ তারা নিয়ে যায়। সমুদ্রবক্ষে গ্যাস উত্তোলনে বাধা দেয়। তাদের রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু আমাদের অর্থনীতি ও পরিবেশের ক্ষতি করছে। এখন তারা কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশ সীমান্তে সেনা জড়ো করছে। সরকারের পক্ষ থেকে কী করা হচ্ছে আমরা জানি না।
শুধু সরকারকে দোষ দেব না। কপাল আমাদের। অসহায় জনগণ নেতৃত্বহীন। আগের সেই আত্মত্যাগী ছাত্র ও যুবসমাজ নেই। সন্ত্রাসী আছে—সংগ্রামী ছাত্রনেতা নেই। নির্বাচন-পূর্ব বিপ্লবী সাংস্কৃতিক নেতারা এখন প্রাপ্তির জন্য দেনদরবারে ব্যস্ত। ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক সমাজের নেতা গণতন্ত্রের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিতেও প্রস্তুত ছিলেন, তাঁরা ১০ মাস ধরে জীবিত যে আছেন তা বোঝার উপায় নেই। ১০ মাসের মধ্যে একবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুধু দেখা গেছে তাঁদের তত্পরতা। সুতরাং প্রার্থনা করি: আল্লাহই বাংলাদেশকে রক্ষা করুন।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1565)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
October
(746)
-
▼
Oct 15
(24)
- আগেই মাঠে মোহামেডা
- বর্ণবাদবিরোধী দ্রগবা
- ‘নেইমার সহজেই ভেঙে পড়ে’
- যুক্তরাষ্ট্রে মা দিবসের শোভাযাত্রায় গুলি আহত ১৯
- নওয়াজের সামনে যত চ্যালেঞ্জ
- অর্থবিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তার দুর্নীতি তদন্ত করছে চীন
- ক্ষুধা মোকাবিলায় পোকামাকড়!
- বাংলাদেশ-ফিলিপাইন চেম্বারের আত্মপ্রকাশ
- ভারতে মোটরগাড়ি বিক্রিতে ধস
- ঢাকায় লেনদেন হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার
- বলছি এক কিংবদন্তির কথা -স্মরণ by এম এ মজিদ
- বাংলাদেশের সামুদ্রিক অঞ্চল: সহজ পাঠ -বিচারের বাণী ...
- টি-টোয়েন্টি লিগে ফিকশ্চার-রঙ্গ
- চশমা, চটিজুতা ও ছাতা হারিয়ে কী পেলাম -সহজিয়া কড়চা ...
- রাশিয়া সফরে হিলারি ক্লিনটন
- সন্ত্রাস-অনিয়মের লাগাম টেনে ধরা দরকার -যুবলীগ নেতা...
- প্রত্যাশা ও সামর্থ্য রয়েছে, প্রয়োজন সাহসী উদ্যোগ -...
- অর্থসংকটে আল-কায়েদা?
- ভারতের তিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আজ
- প্রকাশিত হলো মাইকেল জ্যাকসনের নতুন গান ‘দিস ইজ ইট’
- গণমাধ্যমসংক্রান্ত আইনের বিরোধিতায় জেলায়ার সমর্থকেরা
- বিচ্ছেদ ঠেকাতে এবার সরকারি খরচে মধুচন্দ্রিমা
- বিমান ছিনতাইয়ের অভিযোগ, ৪০ বছর পর কিউবার এক নাগরিক...
- ঝাড়খন্ডে রেললাইন উড়িয়ে দিয়েছে মাওবাদীরা
-
▼
Oct 15
(24)
-
▼
October
(746)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
সন্ত্রাস
আফ্রিকা
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সংখ্যালঘু
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
তুরস্ক
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
স্বাস্থ্য
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
লেবানন
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কলকাতা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
Exclusive
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
ইয়েমেন
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
প্রযুক্তি
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
আরব আমিরাত বা দুবাই
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
জোহরান মামদানি
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইহুদি
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment