Monday, August 13, 2018
ভারতীয় টিভিতে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আলোচনা
ভারতীয় টিভিতে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আলোচনা

ভারতের
প্রখ্যাত সাংবাদিক ভারত ভূষণের উপস্থাপনায় ইন্ডিয়াজ আই অনুষ্ঠানে সম্প্রতি
বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে একটি টকশো হয়। এতে
অংশ নেন বাংলাদেশে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী। ছিলেন
ড. শ্রুতি পাত্নায়েক। তিনি আইডিএসে’র রিসার্চ ফেলো। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া
ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ বাংলাদেশ স্টাডিজ প্রোগ্রামেরও পরিচালক ছিলেন
তিনি। ছিলেন সাংবাদিক জয়ন্ত রায় চৌধুরী। এই প্রখ্যাত সাংবাদিক কলকাতার দ্য
টেলিগ্রাফের জ্যৈষ্ঠ সম্পাদক। এই আলোচনার ঈষৎ অনূদিত বিবরণ মানবজমিনের
পাঠকদের জন্য তুলে দেয়া হলো-
ভারত ভূষণ: সড়ক নিরাপত্তার দাবিতে স্কুলশিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন বিক্ষোভে বাংলাদেশ গত সপ্তাহে অচল হয়ে পড়ে। বিক্ষোভ শুরু হয় একটি গতিশীল গাড়ির চাপায় দুই স্কুলশিক্ষার্থী মারা যাওয়ার পর। এই ছাত্রবিক্ষোভ নয়দিন ধরে ছিল। কর্তৃপক্ষ লাঠিপেটা, রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করলে বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে। বিক্ষোভ ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে পড়লে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয়। অভিভাবক ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাও যোগ দেয় প্রতিবাদে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেন তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এই জনবিক্ষোভকে অপব্যবহার করার চেষ্টায় লিপ্ত। সাংবাদিকরাও আক্রমণের শিকার হয়েছেন। অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ব্যবহার করা হয়েছে আইসিটি আইন।
পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী, আপনাকে দিয়েই শুরু করি। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে স্কুলশিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভ কতটা নজিরবিহীন ছিল? কীভাবে ঢাকা থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়ে? এই বিক্ষোভ নিয়ে শুধু দেশীয় মিডিয়ায় নয়, আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়ও অনেক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
পিনাক: আমি মনে করি এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে যে কারণে, সেটা হলো বেপরোয়া গাড়ি চালনা। এটা ঢাকায় অনেক স্বাভাবিক যে এই মানুষবাহী বাসগুলো রাস্তায় একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামে। যারাই একবার হলেও ঢাকায় গেছেন, তারা বুঝে থাকবেন, এত বাস, রিকশা ও অন্যান্য গাড়ি বেশ বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে। আমি মনে করি, বাসচালক ও মালিকদের বিরুদ্ধে এই ক্ষোভ অনেক বছর ধরেই কেবল বাড়ছিল। এ কারণে দুই শিক্ষার্থীর দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুতে মানুষ ফুঁসে ওঠে। আমি মনে করি শিক্ষার্থীরা আর নিতে পারছিল না। এ কারণেই তারা রাজপথে নেমে আসে।
ভারত ভূষণ: ড. পত্নায়েক, যেভাবে এই বিক্ষোভ দমন করা হয়েছে, তা নিয়ে আপনি কী মনে করেন? সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ, আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার, এটা শেখ হাসিনার জন্য কত বড় রাজনৈতিক ভুল ছিল? শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কেন? এটা কি এই কারণে যে, তিনি আল-জাজিরায় তুলে ধরেছেন যে, এই প্রথমবারের মতো বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ ছাত্রলীগ গুন্ডাদের কাছ থেকে সাহায্য চেয়েছে?
পত্নায়েক: আমি মনে করি সরকার এটাকে আরও অনেক ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারতো। যেমন, যেই বিবৃতি প্রথমে এক মন্ত্রীর কাছ থেকে এলো যে, এধরনের দুর্ঘটনা অনেক স্বাভাবিক বিষয়- তা শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। সরকারের উচিত ছিল তাকে ক্ষমা চাইতে বলা। তিনি অবশ্য করেছেন, তবে দেরিতে। সরকার এই বছরের শেষে নির্বাচনে যাচ্ছে। আমি মনে করি, সরকার এই মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বললে ক্ষোভ থেকে কিছু জনসমর্থনও আদায় করতে পারতো। এই বিক্ষোভের সঙ্গে সরকার যেভাবে বিরোধীপক্ষকে জড়ালো, সেটা ছিল বেশ অবাক করার মতো। আমার মনে হয়, সরকার অনেক নার্ভাস ছিল। কিছুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে। একের পর এক সমস্যা আসছিল খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে। এ কারণেই সরকার হয়তো অনেক নার্ভাস হয়ে ওঠে। আমি মনে করি, সরকার এই বিষয়টি বুঝে যে, তারা খুব একটা জনপ্রিয় নয় এই মুহূর্তে।
ভারত ভূষণ: জয়ন্ত, এই বিক্ষোভে অনেকেই হতাহত হয়েছেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের হটাতে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করাটা আওয়ামী লীগের কতটা রাজনৈতিকভাবে সুবিবেচনাপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল? পুলিশের হাতে ছেড়ে দিলেই কি পারতো না? মানুষ তখন পুলিশকে দায়ী করতো শুধু। এর আগে কোটা আন্দোলনের সময়ও এই ছাত্রলীগকে ব্যবহার করা হয়েছিল।
জয়ন্ত: আমি মনে করি সুশাসনের অভাব এখানে দায়ী। আর বাংলাদেশের রাজনীতির উভয়পক্ষই এক ধরনের আতঙ্কে ভোগে। শেখ হাসিনার সরকার সবসময় ভয় পায় যে, এ ধরনের বিক্ষোভের নেপথ্যে বুঝি বিরোধী দল, এমনকি বিক্ষোভ স্বতঃস্ফূর্ত হলেও। অপরদিকে বিরোধীপক্ষ ভাবে, যা-ই হোক না কেন সেটা সরকারি দলের চাল, কিংবা ভারতের। ভারতকে অনেক কিছু নিয়েই দায়ী করা হয়।
ভারত ভূষণ: কিন্তু দল আর সরকারকে এক করা কেন?
জয়ন্ত: ছাত্রলীগকে ডাকা হয়েছিল আমার মনে হয় এ কারণে যে, সরকার ভেবেছিল বিক্ষোভে বিরোধীপক্ষের ক্যাডাররা অনুপ্রবেশ করেছে। এ কারণেই নিজেদের অ্যাক্টিভিস্টদের আনা হয়েছে এদের মোকাবিলা করতে। যেটা পুরোপুরিই ভুল ছিল। কিন্তু বাংলাদেশে যারাই ক্ষমতায় থাকে, তারাই এই কাজ করে। আওয়ামী লীগও করছে, বিএনপিও করেছে। কোনো পক্ষেরই হাত পরিষ্কার নয়। কিন্তু বেপরোয়া গাড়ি চালনা, মফঃস্বল দূরে থাক, রাজধানীতেই গাড়িচালকদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। আমি মনে করি এজন্য দায়ী সুশাসনের অভাব।
শ্রুতি: আমি যদি কিছু বলি। বাংলাদেশে সবকিছুই নির্ধারিত হয় রাজপথে। আর ছাত্রলীগ এই ধরনের পরিস্থিতিতে এই প্রথম জড়িত হয়ছে তা নয়। বিরোধী পক্ষ যখন ২০১৫ সালে এই সরকারের এক বছর পূর্তিতে বিক্ষোভ শুরু করে তখন ছাত্রদল ও জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র শিবিরকে ব্যবহার করা হয়েছে সহিংসতা সংঘটনের কাজে। এই সংগঠনগুলো সবসময়ই রাজনৈতিক দলগুলোর গুটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ভারত ভূষণ: তবে সমস্যা হলো এবার ছাত্রলীগ সরাসরি রাষ্ট্রীয় প্রশাসন কিংবা পুলিশের সঙ্গে একযোগে কাজ করছিল।
শ্রুতি: অতীতেও এমনটা হয়েছে।
ভারত ভূষণ: পিনাক, আওয়ামী লীগের এই দাবিতে কতটা ভিত্তি আছে যে, বিক্ষোভ উস্কে দিয়েছে বাংলাদেশের বিরোধীপক্ষ?
পিনাক: আমার মনে হয়, এটি প্রথমে হয়নি। যদি আদৌ হয়ে থাকে, এটা হয়েছে পরে। কারণ, কোনো বিরোধীপক্ষই এ ধরনের পরিস্থিতিতে চুপ থাকবে কিংবা পরিস্থিতি ব্যবহার করতে চাইবে না। এটা শুধু বাংলাদেশে নয়, সবক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। অনেকে মনে করছিল যে, এই বিক্ষোভে বিএনপি কিংবা জামায়াতের ক্যাডাররা ঢুকে পড়েছে।
ভারত ভূষণ: কিন্তু এখানে সবাই স্কুলের বাচ্চা। কিন্তু ক্যাডাররা তো প্রাপ্তবয়স্ক।
পিনাক: আমাকে বলা হয়েছে, অনেকে ভুয়া ইউনিফর্ম পরে ছিল। একজন আমাকে বলেছে যে, এক হাজারেরও বেশি ইউনিফর্ম রাতারাতি সেলাই করা হয়েছে।
ভারত ভূষণ: তার মানে আপনি বলছেন, অনেক অছাত্ররাও এই বিক্ষোভে ছিল।
পিনাক: আমি সেটাই মনে করি। প্রথমে না হলেও, পরে হয়েছে। প্রথমে অনেকটা স্বতঃস্ফূর্ত ছিল বিক্ষোভ।
ভারত ভূষণ: আপনি যা বলছেন এরকম কিছু বাংলা পত্রিকায় পড়িনি।
পিনাক: না, এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে।
ভারত ভূষণ: পাত্নায়েক, বিরোধী দলের জন্য এই প্রতিবাদে যোগ দেয়াটা ভুল হবে কেন? তারা কেন যোগ দেবে না? বিরোধীদের কাজই তো হলো বিরোধিতা করা। যদি মানুষ বলে যে সড়ক নিরাপত্তা বাড়াও, গাড়িচালকদের লাইসেন্স থাকতে হবে, তাহলে বিরোধীদল কেন যোগ দেবে না?
শ্রুতি: আমি পুরোপুরি একমত এ ব্যাপারে। আমার কোনো দ্বিমত নেই এ ব্যাপারে। দ্বিতীয় ইস্যু হলো, ছাত্রলীগের এরা কেউই কিন্তু ছাত্র নয়। তারা অনেক আগে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়েছে। তাদের কেউ কেউ এরপরও হল দখল করে আছে। দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা মানুষের মনে ছাপ ফেলেছে। এ কারণেই সরকার এ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। শাহবাগের কথা ভাবুন। শুরু হয়েছিল খুব অল্প মানুষ নিয়ে। পরে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। কোটা আন্দোলনও একই ছিল। এই আন্দোলনও একই। তো, সরকার বেশ নার্ভাস ছিল। আবার একই সঙ্গে আমি মনে করি, বিরোধী দল পরিস্থিতি অতটা ব্যবহার করতে পারেনি যতটা তাদের করা উচিত ছিল। আমি যদি বিরোধী দলে থাকতাম আমি নিজেকে বলতাম, তুমি খুব ভালো কাজ করে দেখাতে পারনি।
ভারত ভূষণ: তাহলে বিএনপিকে ব্যর্থ বলা যায়? (হাসি)
শ্রুতি: হ্যাঁ। (হাসি)।
ভারত ভূষণ: জয়ন্ত, আপনি কেন মনে করেন, হাসিনা সরকার এই আন্দোলন নিয়ে এতটা সংবেদনশীল ছিল। এই ধরনের সড়ক সংশ্লিষ্ট বিক্ষোভ কী এর চেয়ে বড় কিছুর ইঙ্গিত বহন করে? ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সরকারের পতন হয় যখন সেনাদের গাড়ির চাপায় বিক্ষোভকারী মারা যায়। ১৯৯২ সালেও বাস ও শিক্ষার্থী নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। সুতরাং, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা শুধু ব্যবস্থাপনার ইস্যু নয়। এটি কি অন্য কোনো মাত্রা বহন করে?
জয়ন্ত: আমি প্রথমে যেমনটা বলেছি, এটি দুর্বল শাসনের প্রশ্ন। অনেক মানুষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে চিন্তিত। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে-ই সড়ক নিয়ে আন্দোলন করছিল, এটা স্রেফ স্ফুলিঙ্গ। মানুষ পুরো পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্ট। দেশের শিক্ষাব্যবস্থা যেভাবে চলছে, চাকরির কোটা, ইত্যাদি নিয়ে মানুষ অসন্তুষ্ট, তবে এই অসন্তোষ দানা বাঁধছে কিছু একটা নিয়ে।
শেখ হাসিনার সরকার বিএনপির মতোই এক ধরনের আতঙ্কে ভোগে। তিনি হয়তো ভেবেছেন, এই আন্দোলনের মাধ্যমে নির্বাচনের আগে আগে তার সরকারকে অজনপ্রিয় হিসেবে তুলে ধরা, তাকে অজনপ্রিয় করার চেষ্টা চলছিল। ফলে তিনি যেভাবে একে মোকাবিলা করেছেন, সেটা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেক অনুমেয় হলেও, সেটা ছিল সংকটের বাজে ব্যবস্থাপনা।
ভারত ভূষণ: পিনাক, বাংলাদেশে যখন ভিন্নমতালম্বীদের নিয়ে কথা বলা হয়, তখন এটাকে তৎক্ষণাৎ ব্লগারদের মৃত্যুর সঙ্গে লিঙ্ক করা হয়। তখন আপনি বলবেন, ও আচ্ছা, এটা তো চরমপন্থিরা, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম। কিন্তু এখন তো দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি সবচেয়ে বড় হুমকি যে রাষ্ট্রের দিক থেকে আসছে, সেটা অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। সবকিছুকে চরমপন্থিদের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। এই ধরনের বিশ্লেষণে কি এটা অগ্রাহ্য করা হচ্ছে না যে, বাংলাদেশে গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ, শিক্ষার্থীদের প্রতি অসহিষ্ণুতা বিরাজ করছে? এমনকি বিরোধী দলও। তাদের দেশের শত্রু বলা হচ্ছে।
পিনাক: বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটটাই এমন যে, আমি যদি ক্ষমতায় থাকি, তাহলে আমার কর্তৃত্বপরায়ণ হওয়ার অধিকার আছে। এটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেকটা প্রোথিত। আপনি যে-ই দলের কথাই বলেন না কেন। সামরিক একনায়কতন্ত্রের কথা বাদ দিলাম, তাদের প্রকৃতিই হলো কর্তৃত্বপরায়ণ হওয়া। কিন্তু এমনকি তথাকথিত গণতান্ত্রিক দলগুলোও। আর আপনি যদি এক পরিবারের শাসনের দিকে তাকান, যেমনটা বিএনপিও, আমি মনে করি, এ ধরনের প্রবণতা দুই দলের মধ্যেই আছে। বিএনপি আমলেও দেখেছি সব ক্ষমতা খালেদার ছেলে তারেকের কুক্ষিগত ছিল। কিছুই হতো না তার অনুমতি ছাড়া। এখন আপনি দেখছেন যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেই সব ক্ষমতা। তিনি যদি কিছু না করেন, তাহলে কিছুই হয় না।
ভারত ভূষণ: শ্রুতি, এই বিষয়টা আমাকে অবাক করে যে, কেন শেখ হাসিনা মিডিয়াকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলেছেন? তিনি এমনও বলেছেন অনেক সম্পাদক যুদ্ধাপরাধী ছিলেন! যুদ্ধাপরাধীদেরকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। প্রখ্যাত সাংবাদিক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে যে এতগুলো রাষ্ট্রদ্রোহ ও মানহানির মামলা হলো, সেই ব্যাপারে কী বলবেন? আপনি তার মতো এত ভালো সম্পাদক কিংবা ভদ্রমানুষ সহজে পাবেন না। কিংবা বিরোধীদলীয় ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। মুক্ত গণমাধ্যম মানে তো এ-ও যে, বিরোধীদলীয় পত্রিকাকেও চলতে দিতে হবে। এছাড়া সামপ্রতিক বিক্ষোভে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়েছে। আপনি মিডিয়াকে কেন প্রতিপক্ষ বানাচ্ছেন? আপনি ভালো রাজনীতিক হলে, তাদেরকে নিজের পাশে রাখতে বা নিরপেক্ষ রাখতে চাইবেন?
শ্রুতি: আমি মনে করি, এটা এসেছে সংশয় ও অসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি থেকে। দেশের মধ্যে কী হচ্ছে, সেই ব্যাপারে কোনো সমালোচনা আপনি সহ্য করছেন না। অনেক সমালোচনা ভীষণ গঠনমূলক। মাহফুজ আনামের ইস্যু অনেক অবাক করার মতো বিষয়। বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিংবা তার আগের সরকারগুলোর সবচেয়ে কড়া সমালোচক ছিলেন তিনি। এ বিষয়টা আসলেই বিস্ময় জাগানিয়া, যেমনটা আপনি বলেছেন।
আমি মনে করি, সরকার এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। যদিও এটি বিরোধী দলকে পুরোপুরি দমন করেছে। বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখন কারাগারে। এটা তাই বেশ আশ্চর্যজনক যে, সরকার এখনও দুশ্চিন্তায় ভোগে। আপনি গণমাধ্যমের ওপরও দমনপীড়ন চালাচ্ছেন। যেই আইসিটি আইন করা হয়েছে, যেটা খুব বিপজ্জনক। ধরা যাক, আপনি একজন ব্লগার আর আপনি চরমপন্থিদের কাছ থেকে হুমকি পেয়েছেন। আপনি যদি পুলিশের কাছে অভিযোগ দিতে যান, উল্টো আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে। আপনি ইন্টারনেটে কী লিখেছেন সেটা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়বেন। আমি মনে করি সাধারণ অর্থে, সমালোচনা অনেক গঠনমূলক হলেও, অসহিষ্ণুতা আছে ব্যাপক।
ভারত ভূষণ: সরকার নিজেই কিছু ধরনের বক্তব্য বা ব্লগিংকে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত করেছে। চরমপন্থিরা যদি এসব লেখার কারণে কোনো ব্লগারকে মারতে যায়, সেক্ষেত্রে সেখানে সরকারেরও এক ধরনের দায় থাকে। কারণ, রাষ্ট্র নিজেই কিছু বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত করেছে। অনেকটা যেন এমন যে, নিজের পরিণতির দায় ওই ব্লগারেরই।
জয়ন্ত: এমনটা অনেক দেশেই হয়েছে। ভারতেও হয়েছে। তবে আসল কথা হলো, সমাজ নিজেও আগের চেয়ে অসহিষ্ণু হয়েছে। এ কারণে উভয়পক্ষের জন্যই সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে গেছে। এটা একটা সমস্যা। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্ন যখন আসছে, বাংলাদেশের গণমাধ্যম বেশ সরব, অনেক মুক্ত। তবে যে ধরনের আইন আছে, সেগুলো বেশ বিস্তৃত। তবে তার (শেখ হাসিনার) এখানে একটা সমস্যা আছে। ডেইলি স্টার সম্পাদক নিজে স্বীকার করেছেন তিনি মাইনাস টু ফর্মুলা সমর্থন করেছিলেন।
ভারত ভূষণ: তবে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। এটা করা যে উচিত হয়নি সেটা বলেছেন। এটা অনেক ভদ্রোচিত বক্তব্য...
জয়ন্ত: হ্যাঁ, আপনি বলতে পারেন এটা ভদ্রোচিত আচরণ। তার (প্রধানমন্ত্রী) উচিত ছিল তার এই বক্তব্যের দিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে তাকানো। হেসে উড়িয়ে দেয়া। কিন্তু সমস্যা হলো, এক ধরনের সন্দেহ কাজ করে, দুই নেত্রীর মধ্যেই।
ভারত ভূষণ: তাই বলে ৮৩ মামলা সারা দেশজুড়ে?
পিনাক: এটা বাড়াবাড়ি ছিল...
ভারত ভূষণ: পিনাক, আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে কথা বলি। এটা কি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে প্রণয়ন করা হয়েছে? বিএনপির সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধেও ৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ফটোসাংবাদিক শহীদুল আলমের বিরুদ্ধেও এই ধারায় মামলা করা হয়েছে। ৫৭ ধারার বিপজ্জনক দিক হলো, অনলাইনে নানা কারণে, ধরুন, কাউকে মানহানি করলে, কুৎসা ছড়ালে, দাঙ্গা ছড়ালে, ইত্যাদি কারণে ৭-১৪ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তাহলে বাংলাদেশে স্মার্টফোন সমেত সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারকারী যে কাউকেই তো এই মামলায় কারাগারে ঢুকানো যাবে?
পিনাক: আমি মনে করি, এটা এতটা বিস্তৃতভাবে সংজ্ঞায়িত ও বাজেভাবে লেখা একটি ধারা যে, ধরুন আমি কালকে লিখলাম, আমি রসগোল্লার চেয়ে সন্দেশ বেশি পছন্দ করি, তাহলে হয়তো আমার বিরুদ্ধেও অভিযোগ গঠন করা হবে! কারণ, আমি তো রসগোল্লার বিরুদ্ধে কুৎসা ছড়াচ্ছি!
ভারত ভূষণ: রসগোল্লা তো কোনো মানুষই নয়...
পিনাক: রসগোল্লা কোনো মানুষ নয়, তবে কে না জানে যে, বাঙালিরা নিজেদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বেশ সংবেদনশীল। অথবা আমি বললাম যে, আমি ইলিশ মাছ পছন্দ করি না! কেউ হয়তো বলতে পারে, আরে দেখ, সে কুৎসা রটাচ্ছে। আমি মনে করি, এটা খুব বাজেভাবে লেখা একটি ধারা।
ভারত ভূষণ: আপনার যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেগুলেট করতে হবে, আপনার প্রয়োজন নেই একে এভাবে অতিমাত্রায় রেগুলেট করা যে এটা সমালোচকদের দমাতে আপনার অস্ত্র হয়ে উঠে...
পিনাক: তবে একটি কথা আমাকে অবশ্যই বলতে হবে। যেসব সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে রেগুলেট করতে চায়, তাদের পক্ষে একটা কথা আমি বলবো। আসলে, এটা হলো নিউ মিডিয়া। এ ধরনের ডিজিটাল মিডিয়া মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতা কোনো সরকারেরই নেই। আসলে, পুরো বিশ্বই এ নিয়ে কসরত করছে যে কীভাবে সাইবারজাগরণকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আমি মনে করি, এখানে কিছু সমস্যা আছে। তবে যারা এই ধরনের ধারা যারা প্রণয়ন করেন তাদের বোঝা উচিত এসবের কিছু সীমা আছে। কিছু সীমা আছে যেগুলো আমাদের অতিক্রম করা উচিত নয়।
ভারত ভূষণ: শ্রুতি, এই বছরের জানুয়ারি নাগাদ, একটি দল বিএনপি থেকেই প্রায় ১২ লাখ লোকের বিরুদ্ধে ৫০ হাজারেরও বেশি মামলা করা হয়েছে। দলটির হাজার হাজার কর্মী কারাগারে। যেমনটা আপনি বললেন, খালেদা জিয়াও পাঁচ বছরের জন্য কারাগারে। তার বিরুদ্ধে আরও মামলা চলছে। আমির খসরু মাহমুদ কিংবা দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। এটা কি বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বাভাবিক? নাকি নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ন্যূনমাত্রায় প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা হচ্ছে?
শ্রুতি: আমি মনে করি এটি কিছুটা স্বাভাবিকই বাংলাদেশে। এমন নয় যে, অতীতে এতটা হয়নি। কিন্তু এবার এই ক্ষেত্রে কিছুটা বাড়াবাড়ি হয়েছে, বিশেষ করে গ্রেপ্তারের বেলায়। এটা হতে পারে এ কারণে যে, সরকার সেখানে টানা দুবার ক্ষমতায়। ফলে মানুষের স্মৃতি শুধু এই সরকারকে নিয়েই। ফলে, এটি এমন কিছু নয় যেটা অতীতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, বিরোধীপক্ষের ওপর আক্রমণ, পুলিশ ব্যবহার, সবই হয়েছে। তবে আপনি যেমনটা শিক্ষার্থী বিক্ষোভের কথা বললেন, এছাড়া মাদকবিরোধী যুদ্ধেও অনেকে নিহত হয়েছে। জয়ন্ত যেমনটা বলছিলেন, এসব হলো স্ফুলিঙ্গের মতো। আপনার কোনো মুক্ত গণমাধ্যম নেই, আপনি ব্লগেও লিখতে পারবেন না। আপনি হয়তো আইসিটি অ্যাক্টে মামলা খাবেন। আপনার ক্ষোভ তাহলে প্রশমিত হবে কীভাবে? এই ক্ষোভকে তো কোথাও যেতে হবে। আমি মনে করি, সরকার যে ধরনের পদক্ষেপ নিয়ছে, এটা নজিরবিহীন নয়। এটা হলো বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। তবে এটা ধীরে ধীরে খারাপের দিকেই যাচ্ছে।
ভারত ভূষণ: তাহলে এটা আসলে ন্যূনমাত্রার?
শ্রুতি: হ্যাঁ।
ভারত ভূষণ: জয়ন্ত, ২০১৪ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি করা ও বিরোধীপক্ষকে ওই নির্বাচন বয়কট করাতে বাধ্য করা কি হাসিনা সরকারের জন্য এটি রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক? এটা তো তার জন্য সহায়ক নয়, কারণ এর ফলে যত আসনই তিনি জিতুন না কেন, সেই জয়ের গ্রহণযোগ্যতা ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। আমার সঙ্গে একজনের কথা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ট্রেনে আগুন লাগানোর অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই লোক সিগারেটও খান না। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কেউ কি আমাকে বলতে পারবেন কিভাবে ট্রেনে আগুন লাগায়? আমি বললাম, আমি জানি না। তাহলে কি বিরোধীদলের সামর্থ্য ভেঙে দেয়া হচ্ছে, যাতে তারা নির্বাচনে গেলেও জিততে না পারে? এর ফলে তো নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলেও সুষ্ঠু হলো না।
জয়ন্ত: আমি মনে করি না এসবের পরিকল্পনা তিনি করে ফেলেছেন।
ভারত ভূষণ: কিন্তু ছয় মাস আগেই যদি এসব না করেন, তাহলে করবেন কখন?
জয়ন্ত: তা ঠিক আছে, তবে আমি মনে করি না, তারা পরিকল্পনা করেছে, বিরোধী দলের সামর্থ্য ভেঙে দিয়ে নির্বাচনে জিতে যাওয়ার। আমি মনে করি এটা অনেকটা তার (শেখ হাসিনা) তৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া। তারা (বিরোধী দল) এসবের জন্য দায়ী, তারা মানুষকে উস্কে দিচ্ছে, সুতরাং আমাকে পদক্ষেপ নিতে হবে তাদের বিরুদ্ধে। তবে আমার মনে হয়, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ এক ধরনের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়, যেটা কিছুটা সুষ্ঠুও।
ভারত ভূষণ: তবে দুই জিনিস তো আলাদা। পিনাক, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বনাম সুষ্ঠু নির্বাচন। সুষ্ঠু নির্বাচনে সবাই প্রচারণা চালাতে পারবে, সবাই নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে পারবে ভোটারের কাছে। এটা শুধু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের চেয়ে আলাদা। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে আধামরা দলও অংশ নেবে, পুর্নদ্যোমে শক্তিশালী দলও অংশ নেবে।
পিনাক: আমি মনে করি, শাসক দল আওয়ামী লীগের একটা বড় ট্রাম্পকার্ড হলো, বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশ না নেয়, তাহলে দলটির নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে। যদি আপনি দুবার নির্বাচনে অংশ না নেন, তাহলে এটা হবে। ফলে বিএনপি বেশ উভয় সংকটে আছে। একটা সমস্যা হলো, এত মামলা, বিরোধী পক্ষকে নানাভাবে দুর্বল করা। আরেক সমস্যা হলো, আপনি যদি নির্বাচনে অংশ না নেন, তাহলে নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।
ভারত ভূষণ: আমি সেটা বুঝতে পারছি। তবে শেখ হাসিনা কী চান?
পিনাক: দেখুন, তিনি চান যে অংশগ্রহণ করুক। তবে সেক্ষেত্রে খুবই দুর্বল বিরোধী দল চান তিনি। যাতে করে তিনি জিতে ক্ষমতায় ফিরতে পারেন। এটা বাংলাদেশে খুবই সাধারণ রাজনৈতিক খেলা। তবে বিএনপি হয়তো বলবে, আমরা এসব করিনি। তবে আমি আসলে তাদেরকে এ ব্যাপারে খুব ক্রেডিট দিতে প্রস্তুত নই। আমি মনে করি, উভয় দলই ক্ষমতায় গেলে এই কাজ করে। আপনার যদি মনে থাকে, এ কারণেই তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল। কারণ, কোনো পক্ষই একে অপরকে বিশ্বাস করে না। কিন্তু ওই সিস্টেম এখন নেই। ফলে নির্বাচন হবে এই সরকারের অধীনে, যেটি নির্বাচনের সময় ক্ষমতায় থাকবে।
ভারত ভূষণ: শ্রতি, আমার শেষ প্রশ্ন। এক কোটি বিশ লাখ নতুন ভোটার আগামী সাধারণ নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করবে। আপনি কি মনে করেন, শিক্ষার্থীদের সামপ্রতিক যেসব বিক্ষোভ আমরা দেখেছি, সেসব নির্বাচনী ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলবে?
শ্রুতি: আমি মনে করি এটি নির্ভর করবে কী ধরনের প্রার্থী বিরোধীপক্ষ দাঁড় করায়। কারণ, সবকিছু সত্ত্বেও সরকারের কিছু অর্জন আছে। যেমন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমেই বাড়ছে। অনেক মানুষ হয়তো তাই রাজনৈতিকভাবে ক্ষুব্ধ হলেও, অর্থনৈতিকভাবে খুশি। তাই আমি মনে করি, কী ধরনের প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরকারকে লড়াই করতে হবে, সেটাই এই নির্বাচনের ফল নির্ধারক হবে।
ভারত ভূষণ: জয়ন্ত, তরুণ গোষ্ঠী নিয়ে আপনার মত কী?
জয়ন্ত: আমি মনে করি তরুণরা বিরোধী দলের পক্ষে বড় ফ্যাক্টর হবে। কারণ, তারা ক্ষুব্ধ। তবে, যেমনটা শ্রুতি বলেছেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভালো ছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধিও খুব ভালো ছিল। তাই প্রত্যন্ত অঞ্চলও অনেক কিছু নির্ধারণ করবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকজন তাই হয়তো শাসক দলের পক্ষে যাবে।
ভারত ভূষণ: পিনাক, আপনার কাছে শেষ প্রশ্ন। তরুণরা কোনদিকে যাবে?
পিনাক: আমি নির্বাচন নিয়ে আগাম অনুমান করবো না। তবে আমার মনে হয়, তরুণদের ভোট ভাগ হবে। এখানে নির্ভর করবে তাদের পরিবার, অঞ্চলের ওপর। তবে শহুরে তরুণরা মোটা দাগে আওয়ামী লীগের প্রতি সন্তুষ্ট নয়। আপনি দেখেছেন সব বিক্ষোভ। আমি মনে করি, তরুণদের ভোট তাই ভাগ হবে।
ভারত ভূষণ: আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই এই আলোচনায় অংশ নেয়ার জন্য।
ভারত ভূষণ: সড়ক নিরাপত্তার দাবিতে স্কুলশিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন বিক্ষোভে বাংলাদেশ গত সপ্তাহে অচল হয়ে পড়ে। বিক্ষোভ শুরু হয় একটি গতিশীল গাড়ির চাপায় দুই স্কুলশিক্ষার্থী মারা যাওয়ার পর। এই ছাত্রবিক্ষোভ নয়দিন ধরে ছিল। কর্তৃপক্ষ লাঠিপেটা, রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করলে বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে। বিক্ষোভ ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে পড়লে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয়। অভিভাবক ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাও যোগ দেয় প্রতিবাদে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেন তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এই জনবিক্ষোভকে অপব্যবহার করার চেষ্টায় লিপ্ত। সাংবাদিকরাও আক্রমণের শিকার হয়েছেন। অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ব্যবহার করা হয়েছে আইসিটি আইন।
পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী, আপনাকে দিয়েই শুরু করি। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে স্কুলশিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভ কতটা নজিরবিহীন ছিল? কীভাবে ঢাকা থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়ে? এই বিক্ষোভ নিয়ে শুধু দেশীয় মিডিয়ায় নয়, আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়ও অনেক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
পিনাক: আমি মনে করি এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে যে কারণে, সেটা হলো বেপরোয়া গাড়ি চালনা। এটা ঢাকায় অনেক স্বাভাবিক যে এই মানুষবাহী বাসগুলো রাস্তায় একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামে। যারাই একবার হলেও ঢাকায় গেছেন, তারা বুঝে থাকবেন, এত বাস, রিকশা ও অন্যান্য গাড়ি বেশ বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে। আমি মনে করি, বাসচালক ও মালিকদের বিরুদ্ধে এই ক্ষোভ অনেক বছর ধরেই কেবল বাড়ছিল। এ কারণে দুই শিক্ষার্থীর দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুতে মানুষ ফুঁসে ওঠে। আমি মনে করি শিক্ষার্থীরা আর নিতে পারছিল না। এ কারণেই তারা রাজপথে নেমে আসে।
ভারত ভূষণ: ড. পত্নায়েক, যেভাবে এই বিক্ষোভ দমন করা হয়েছে, তা নিয়ে আপনি কী মনে করেন? সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ, আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার, এটা শেখ হাসিনার জন্য কত বড় রাজনৈতিক ভুল ছিল? শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কেন? এটা কি এই কারণে যে, তিনি আল-জাজিরায় তুলে ধরেছেন যে, এই প্রথমবারের মতো বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ ছাত্রলীগ গুন্ডাদের কাছ থেকে সাহায্য চেয়েছে?
পত্নায়েক: আমি মনে করি সরকার এটাকে আরও অনেক ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারতো। যেমন, যেই বিবৃতি প্রথমে এক মন্ত্রীর কাছ থেকে এলো যে, এধরনের দুর্ঘটনা অনেক স্বাভাবিক বিষয়- তা শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। সরকারের উচিত ছিল তাকে ক্ষমা চাইতে বলা। তিনি অবশ্য করেছেন, তবে দেরিতে। সরকার এই বছরের শেষে নির্বাচনে যাচ্ছে। আমি মনে করি, সরকার এই মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বললে ক্ষোভ থেকে কিছু জনসমর্থনও আদায় করতে পারতো। এই বিক্ষোভের সঙ্গে সরকার যেভাবে বিরোধীপক্ষকে জড়ালো, সেটা ছিল বেশ অবাক করার মতো। আমার মনে হয়, সরকার অনেক নার্ভাস ছিল। কিছুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে। একের পর এক সমস্যা আসছিল খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে। এ কারণেই সরকার হয়তো অনেক নার্ভাস হয়ে ওঠে। আমি মনে করি, সরকার এই বিষয়টি বুঝে যে, তারা খুব একটা জনপ্রিয় নয় এই মুহূর্তে।
ভারত ভূষণ: জয়ন্ত, এই বিক্ষোভে অনেকেই হতাহত হয়েছেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের হটাতে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করাটা আওয়ামী লীগের কতটা রাজনৈতিকভাবে সুবিবেচনাপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল? পুলিশের হাতে ছেড়ে দিলেই কি পারতো না? মানুষ তখন পুলিশকে দায়ী করতো শুধু। এর আগে কোটা আন্দোলনের সময়ও এই ছাত্রলীগকে ব্যবহার করা হয়েছিল।
জয়ন্ত: আমি মনে করি সুশাসনের অভাব এখানে দায়ী। আর বাংলাদেশের রাজনীতির উভয়পক্ষই এক ধরনের আতঙ্কে ভোগে। শেখ হাসিনার সরকার সবসময় ভয় পায় যে, এ ধরনের বিক্ষোভের নেপথ্যে বুঝি বিরোধী দল, এমনকি বিক্ষোভ স্বতঃস্ফূর্ত হলেও। অপরদিকে বিরোধীপক্ষ ভাবে, যা-ই হোক না কেন সেটা সরকারি দলের চাল, কিংবা ভারতের। ভারতকে অনেক কিছু নিয়েই দায়ী করা হয়।
ভারত ভূষণ: কিন্তু দল আর সরকারকে এক করা কেন?
জয়ন্ত: ছাত্রলীগকে ডাকা হয়েছিল আমার মনে হয় এ কারণে যে, সরকার ভেবেছিল বিক্ষোভে বিরোধীপক্ষের ক্যাডাররা অনুপ্রবেশ করেছে। এ কারণেই নিজেদের অ্যাক্টিভিস্টদের আনা হয়েছে এদের মোকাবিলা করতে। যেটা পুরোপুরিই ভুল ছিল। কিন্তু বাংলাদেশে যারাই ক্ষমতায় থাকে, তারাই এই কাজ করে। আওয়ামী লীগও করছে, বিএনপিও করেছে। কোনো পক্ষেরই হাত পরিষ্কার নয়। কিন্তু বেপরোয়া গাড়ি চালনা, মফঃস্বল দূরে থাক, রাজধানীতেই গাড়িচালকদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। আমি মনে করি এজন্য দায়ী সুশাসনের অভাব।
শ্রুতি: আমি যদি কিছু বলি। বাংলাদেশে সবকিছুই নির্ধারিত হয় রাজপথে। আর ছাত্রলীগ এই ধরনের পরিস্থিতিতে এই প্রথম জড়িত হয়ছে তা নয়। বিরোধী পক্ষ যখন ২০১৫ সালে এই সরকারের এক বছর পূর্তিতে বিক্ষোভ শুরু করে তখন ছাত্রদল ও জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র শিবিরকে ব্যবহার করা হয়েছে সহিংসতা সংঘটনের কাজে। এই সংগঠনগুলো সবসময়ই রাজনৈতিক দলগুলোর গুটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ভারত ভূষণ: তবে সমস্যা হলো এবার ছাত্রলীগ সরাসরি রাষ্ট্রীয় প্রশাসন কিংবা পুলিশের সঙ্গে একযোগে কাজ করছিল।
শ্রুতি: অতীতেও এমনটা হয়েছে।
ভারত ভূষণ: পিনাক, আওয়ামী লীগের এই দাবিতে কতটা ভিত্তি আছে যে, বিক্ষোভ উস্কে দিয়েছে বাংলাদেশের বিরোধীপক্ষ?
পিনাক: আমার মনে হয়, এটি প্রথমে হয়নি। যদি আদৌ হয়ে থাকে, এটা হয়েছে পরে। কারণ, কোনো বিরোধীপক্ষই এ ধরনের পরিস্থিতিতে চুপ থাকবে কিংবা পরিস্থিতি ব্যবহার করতে চাইবে না। এটা শুধু বাংলাদেশে নয়, সবক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। অনেকে মনে করছিল যে, এই বিক্ষোভে বিএনপি কিংবা জামায়াতের ক্যাডাররা ঢুকে পড়েছে।
ভারত ভূষণ: কিন্তু এখানে সবাই স্কুলের বাচ্চা। কিন্তু ক্যাডাররা তো প্রাপ্তবয়স্ক।
পিনাক: আমাকে বলা হয়েছে, অনেকে ভুয়া ইউনিফর্ম পরে ছিল। একজন আমাকে বলেছে যে, এক হাজারেরও বেশি ইউনিফর্ম রাতারাতি সেলাই করা হয়েছে।
ভারত ভূষণ: তার মানে আপনি বলছেন, অনেক অছাত্ররাও এই বিক্ষোভে ছিল।
পিনাক: আমি সেটাই মনে করি। প্রথমে না হলেও, পরে হয়েছে। প্রথমে অনেকটা স্বতঃস্ফূর্ত ছিল বিক্ষোভ।
ভারত ভূষণ: আপনি যা বলছেন এরকম কিছু বাংলা পত্রিকায় পড়িনি।
পিনাক: না, এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে।
ভারত ভূষণ: পাত্নায়েক, বিরোধী দলের জন্য এই প্রতিবাদে যোগ দেয়াটা ভুল হবে কেন? তারা কেন যোগ দেবে না? বিরোধীদের কাজই তো হলো বিরোধিতা করা। যদি মানুষ বলে যে সড়ক নিরাপত্তা বাড়াও, গাড়িচালকদের লাইসেন্স থাকতে হবে, তাহলে বিরোধীদল কেন যোগ দেবে না?
শ্রুতি: আমি পুরোপুরি একমত এ ব্যাপারে। আমার কোনো দ্বিমত নেই এ ব্যাপারে। দ্বিতীয় ইস্যু হলো, ছাত্রলীগের এরা কেউই কিন্তু ছাত্র নয়। তারা অনেক আগে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়েছে। তাদের কেউ কেউ এরপরও হল দখল করে আছে। দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা মানুষের মনে ছাপ ফেলেছে। এ কারণেই সরকার এ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। শাহবাগের কথা ভাবুন। শুরু হয়েছিল খুব অল্প মানুষ নিয়ে। পরে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। কোটা আন্দোলনও একই ছিল। এই আন্দোলনও একই। তো, সরকার বেশ নার্ভাস ছিল। আবার একই সঙ্গে আমি মনে করি, বিরোধী দল পরিস্থিতি অতটা ব্যবহার করতে পারেনি যতটা তাদের করা উচিত ছিল। আমি যদি বিরোধী দলে থাকতাম আমি নিজেকে বলতাম, তুমি খুব ভালো কাজ করে দেখাতে পারনি।
ভারত ভূষণ: তাহলে বিএনপিকে ব্যর্থ বলা যায়? (হাসি)
শ্রুতি: হ্যাঁ। (হাসি)।
ভারত ভূষণ: জয়ন্ত, আপনি কেন মনে করেন, হাসিনা সরকার এই আন্দোলন নিয়ে এতটা সংবেদনশীল ছিল। এই ধরনের সড়ক সংশ্লিষ্ট বিক্ষোভ কী এর চেয়ে বড় কিছুর ইঙ্গিত বহন করে? ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সরকারের পতন হয় যখন সেনাদের গাড়ির চাপায় বিক্ষোভকারী মারা যায়। ১৯৯২ সালেও বাস ও শিক্ষার্থী নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। সুতরাং, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা শুধু ব্যবস্থাপনার ইস্যু নয়। এটি কি অন্য কোনো মাত্রা বহন করে?
জয়ন্ত: আমি প্রথমে যেমনটা বলেছি, এটি দুর্বল শাসনের প্রশ্ন। অনেক মানুষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে চিন্তিত। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে-ই সড়ক নিয়ে আন্দোলন করছিল, এটা স্রেফ স্ফুলিঙ্গ। মানুষ পুরো পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্ট। দেশের শিক্ষাব্যবস্থা যেভাবে চলছে, চাকরির কোটা, ইত্যাদি নিয়ে মানুষ অসন্তুষ্ট, তবে এই অসন্তোষ দানা বাঁধছে কিছু একটা নিয়ে।
শেখ হাসিনার সরকার বিএনপির মতোই এক ধরনের আতঙ্কে ভোগে। তিনি হয়তো ভেবেছেন, এই আন্দোলনের মাধ্যমে নির্বাচনের আগে আগে তার সরকারকে অজনপ্রিয় হিসেবে তুলে ধরা, তাকে অজনপ্রিয় করার চেষ্টা চলছিল। ফলে তিনি যেভাবে একে মোকাবিলা করেছেন, সেটা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেক অনুমেয় হলেও, সেটা ছিল সংকটের বাজে ব্যবস্থাপনা।
ভারত ভূষণ: পিনাক, বাংলাদেশে যখন ভিন্নমতালম্বীদের নিয়ে কথা বলা হয়, তখন এটাকে তৎক্ষণাৎ ব্লগারদের মৃত্যুর সঙ্গে লিঙ্ক করা হয়। তখন আপনি বলবেন, ও আচ্ছা, এটা তো চরমপন্থিরা, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম। কিন্তু এখন তো দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি সবচেয়ে বড় হুমকি যে রাষ্ট্রের দিক থেকে আসছে, সেটা অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। সবকিছুকে চরমপন্থিদের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। এই ধরনের বিশ্লেষণে কি এটা অগ্রাহ্য করা হচ্ছে না যে, বাংলাদেশে গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ, শিক্ষার্থীদের প্রতি অসহিষ্ণুতা বিরাজ করছে? এমনকি বিরোধী দলও। তাদের দেশের শত্রু বলা হচ্ছে।
পিনাক: বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটটাই এমন যে, আমি যদি ক্ষমতায় থাকি, তাহলে আমার কর্তৃত্বপরায়ণ হওয়ার অধিকার আছে। এটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেকটা প্রোথিত। আপনি যে-ই দলের কথাই বলেন না কেন। সামরিক একনায়কতন্ত্রের কথা বাদ দিলাম, তাদের প্রকৃতিই হলো কর্তৃত্বপরায়ণ হওয়া। কিন্তু এমনকি তথাকথিত গণতান্ত্রিক দলগুলোও। আর আপনি যদি এক পরিবারের শাসনের দিকে তাকান, যেমনটা বিএনপিও, আমি মনে করি, এ ধরনের প্রবণতা দুই দলের মধ্যেই আছে। বিএনপি আমলেও দেখেছি সব ক্ষমতা খালেদার ছেলে তারেকের কুক্ষিগত ছিল। কিছুই হতো না তার অনুমতি ছাড়া। এখন আপনি দেখছেন যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেই সব ক্ষমতা। তিনি যদি কিছু না করেন, তাহলে কিছুই হয় না।
ভারত ভূষণ: শ্রুতি, এই বিষয়টা আমাকে অবাক করে যে, কেন শেখ হাসিনা মিডিয়াকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলেছেন? তিনি এমনও বলেছেন অনেক সম্পাদক যুদ্ধাপরাধী ছিলেন! যুদ্ধাপরাধীদেরকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। প্রখ্যাত সাংবাদিক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে যে এতগুলো রাষ্ট্রদ্রোহ ও মানহানির মামলা হলো, সেই ব্যাপারে কী বলবেন? আপনি তার মতো এত ভালো সম্পাদক কিংবা ভদ্রমানুষ সহজে পাবেন না। কিংবা বিরোধীদলীয় ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। মুক্ত গণমাধ্যম মানে তো এ-ও যে, বিরোধীদলীয় পত্রিকাকেও চলতে দিতে হবে। এছাড়া সামপ্রতিক বিক্ষোভে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়েছে। আপনি মিডিয়াকে কেন প্রতিপক্ষ বানাচ্ছেন? আপনি ভালো রাজনীতিক হলে, তাদেরকে নিজের পাশে রাখতে বা নিরপেক্ষ রাখতে চাইবেন?
শ্রুতি: আমি মনে করি, এটা এসেছে সংশয় ও অসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি থেকে। দেশের মধ্যে কী হচ্ছে, সেই ব্যাপারে কোনো সমালোচনা আপনি সহ্য করছেন না। অনেক সমালোচনা ভীষণ গঠনমূলক। মাহফুজ আনামের ইস্যু অনেক অবাক করার মতো বিষয়। বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিংবা তার আগের সরকারগুলোর সবচেয়ে কড়া সমালোচক ছিলেন তিনি। এ বিষয়টা আসলেই বিস্ময় জাগানিয়া, যেমনটা আপনি বলেছেন।
আমি মনে করি, সরকার এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। যদিও এটি বিরোধী দলকে পুরোপুরি দমন করেছে। বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখন কারাগারে। এটা তাই বেশ আশ্চর্যজনক যে, সরকার এখনও দুশ্চিন্তায় ভোগে। আপনি গণমাধ্যমের ওপরও দমনপীড়ন চালাচ্ছেন। যেই আইসিটি আইন করা হয়েছে, যেটা খুব বিপজ্জনক। ধরা যাক, আপনি একজন ব্লগার আর আপনি চরমপন্থিদের কাছ থেকে হুমকি পেয়েছেন। আপনি যদি পুলিশের কাছে অভিযোগ দিতে যান, উল্টো আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে। আপনি ইন্টারনেটে কী লিখেছেন সেটা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়বেন। আমি মনে করি সাধারণ অর্থে, সমালোচনা অনেক গঠনমূলক হলেও, অসহিষ্ণুতা আছে ব্যাপক।
ভারত ভূষণ: সরকার নিজেই কিছু ধরনের বক্তব্য বা ব্লগিংকে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত করেছে। চরমপন্থিরা যদি এসব লেখার কারণে কোনো ব্লগারকে মারতে যায়, সেক্ষেত্রে সেখানে সরকারেরও এক ধরনের দায় থাকে। কারণ, রাষ্ট্র নিজেই কিছু বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত করেছে। অনেকটা যেন এমন যে, নিজের পরিণতির দায় ওই ব্লগারেরই।
জয়ন্ত: এমনটা অনেক দেশেই হয়েছে। ভারতেও হয়েছে। তবে আসল কথা হলো, সমাজ নিজেও আগের চেয়ে অসহিষ্ণু হয়েছে। এ কারণে উভয়পক্ষের জন্যই সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে গেছে। এটা একটা সমস্যা। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্ন যখন আসছে, বাংলাদেশের গণমাধ্যম বেশ সরব, অনেক মুক্ত। তবে যে ধরনের আইন আছে, সেগুলো বেশ বিস্তৃত। তবে তার (শেখ হাসিনার) এখানে একটা সমস্যা আছে। ডেইলি স্টার সম্পাদক নিজে স্বীকার করেছেন তিনি মাইনাস টু ফর্মুলা সমর্থন করেছিলেন।
ভারত ভূষণ: তবে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। এটা করা যে উচিত হয়নি সেটা বলেছেন। এটা অনেক ভদ্রোচিত বক্তব্য...
জয়ন্ত: হ্যাঁ, আপনি বলতে পারেন এটা ভদ্রোচিত আচরণ। তার (প্রধানমন্ত্রী) উচিত ছিল তার এই বক্তব্যের দিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে তাকানো। হেসে উড়িয়ে দেয়া। কিন্তু সমস্যা হলো, এক ধরনের সন্দেহ কাজ করে, দুই নেত্রীর মধ্যেই।
ভারত ভূষণ: তাই বলে ৮৩ মামলা সারা দেশজুড়ে?
পিনাক: এটা বাড়াবাড়ি ছিল...
ভারত ভূষণ: পিনাক, আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে কথা বলি। এটা কি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে প্রণয়ন করা হয়েছে? বিএনপির সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধেও ৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ফটোসাংবাদিক শহীদুল আলমের বিরুদ্ধেও এই ধারায় মামলা করা হয়েছে। ৫৭ ধারার বিপজ্জনক দিক হলো, অনলাইনে নানা কারণে, ধরুন, কাউকে মানহানি করলে, কুৎসা ছড়ালে, দাঙ্গা ছড়ালে, ইত্যাদি কারণে ৭-১৪ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তাহলে বাংলাদেশে স্মার্টফোন সমেত সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারকারী যে কাউকেই তো এই মামলায় কারাগারে ঢুকানো যাবে?
পিনাক: আমি মনে করি, এটা এতটা বিস্তৃতভাবে সংজ্ঞায়িত ও বাজেভাবে লেখা একটি ধারা যে, ধরুন আমি কালকে লিখলাম, আমি রসগোল্লার চেয়ে সন্দেশ বেশি পছন্দ করি, তাহলে হয়তো আমার বিরুদ্ধেও অভিযোগ গঠন করা হবে! কারণ, আমি তো রসগোল্লার বিরুদ্ধে কুৎসা ছড়াচ্ছি!
ভারত ভূষণ: রসগোল্লা তো কোনো মানুষই নয়...
পিনাক: রসগোল্লা কোনো মানুষ নয়, তবে কে না জানে যে, বাঙালিরা নিজেদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বেশ সংবেদনশীল। অথবা আমি বললাম যে, আমি ইলিশ মাছ পছন্দ করি না! কেউ হয়তো বলতে পারে, আরে দেখ, সে কুৎসা রটাচ্ছে। আমি মনে করি, এটা খুব বাজেভাবে লেখা একটি ধারা।
ভারত ভূষণ: আপনার যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেগুলেট করতে হবে, আপনার প্রয়োজন নেই একে এভাবে অতিমাত্রায় রেগুলেট করা যে এটা সমালোচকদের দমাতে আপনার অস্ত্র হয়ে উঠে...
পিনাক: তবে একটি কথা আমাকে অবশ্যই বলতে হবে। যেসব সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে রেগুলেট করতে চায়, তাদের পক্ষে একটা কথা আমি বলবো। আসলে, এটা হলো নিউ মিডিয়া। এ ধরনের ডিজিটাল মিডিয়া মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতা কোনো সরকারেরই নেই। আসলে, পুরো বিশ্বই এ নিয়ে কসরত করছে যে কীভাবে সাইবারজাগরণকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আমি মনে করি, এখানে কিছু সমস্যা আছে। তবে যারা এই ধরনের ধারা যারা প্রণয়ন করেন তাদের বোঝা উচিত এসবের কিছু সীমা আছে। কিছু সীমা আছে যেগুলো আমাদের অতিক্রম করা উচিত নয়।
ভারত ভূষণ: শ্রুতি, এই বছরের জানুয়ারি নাগাদ, একটি দল বিএনপি থেকেই প্রায় ১২ লাখ লোকের বিরুদ্ধে ৫০ হাজারেরও বেশি মামলা করা হয়েছে। দলটির হাজার হাজার কর্মী কারাগারে। যেমনটা আপনি বললেন, খালেদা জিয়াও পাঁচ বছরের জন্য কারাগারে। তার বিরুদ্ধে আরও মামলা চলছে। আমির খসরু মাহমুদ কিংবা দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। এটা কি বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বাভাবিক? নাকি নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ন্যূনমাত্রায় প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা হচ্ছে?
শ্রুতি: আমি মনে করি এটি কিছুটা স্বাভাবিকই বাংলাদেশে। এমন নয় যে, অতীতে এতটা হয়নি। কিন্তু এবার এই ক্ষেত্রে কিছুটা বাড়াবাড়ি হয়েছে, বিশেষ করে গ্রেপ্তারের বেলায়। এটা হতে পারে এ কারণে যে, সরকার সেখানে টানা দুবার ক্ষমতায়। ফলে মানুষের স্মৃতি শুধু এই সরকারকে নিয়েই। ফলে, এটি এমন কিছু নয় যেটা অতীতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, বিরোধীপক্ষের ওপর আক্রমণ, পুলিশ ব্যবহার, সবই হয়েছে। তবে আপনি যেমনটা শিক্ষার্থী বিক্ষোভের কথা বললেন, এছাড়া মাদকবিরোধী যুদ্ধেও অনেকে নিহত হয়েছে। জয়ন্ত যেমনটা বলছিলেন, এসব হলো স্ফুলিঙ্গের মতো। আপনার কোনো মুক্ত গণমাধ্যম নেই, আপনি ব্লগেও লিখতে পারবেন না। আপনি হয়তো আইসিটি অ্যাক্টে মামলা খাবেন। আপনার ক্ষোভ তাহলে প্রশমিত হবে কীভাবে? এই ক্ষোভকে তো কোথাও যেতে হবে। আমি মনে করি, সরকার যে ধরনের পদক্ষেপ নিয়ছে, এটা নজিরবিহীন নয়। এটা হলো বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। তবে এটা ধীরে ধীরে খারাপের দিকেই যাচ্ছে।
ভারত ভূষণ: তাহলে এটা আসলে ন্যূনমাত্রার?
শ্রুতি: হ্যাঁ।
ভারত ভূষণ: জয়ন্ত, ২০১৪ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি করা ও বিরোধীপক্ষকে ওই নির্বাচন বয়কট করাতে বাধ্য করা কি হাসিনা সরকারের জন্য এটি রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক? এটা তো তার জন্য সহায়ক নয়, কারণ এর ফলে যত আসনই তিনি জিতুন না কেন, সেই জয়ের গ্রহণযোগ্যতা ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। আমার সঙ্গে একজনের কথা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ট্রেনে আগুন লাগানোর অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই লোক সিগারেটও খান না। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কেউ কি আমাকে বলতে পারবেন কিভাবে ট্রেনে আগুন লাগায়? আমি বললাম, আমি জানি না। তাহলে কি বিরোধীদলের সামর্থ্য ভেঙে দেয়া হচ্ছে, যাতে তারা নির্বাচনে গেলেও জিততে না পারে? এর ফলে তো নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলেও সুষ্ঠু হলো না।
জয়ন্ত: আমি মনে করি না এসবের পরিকল্পনা তিনি করে ফেলেছেন।
ভারত ভূষণ: কিন্তু ছয় মাস আগেই যদি এসব না করেন, তাহলে করবেন কখন?
জয়ন্ত: তা ঠিক আছে, তবে আমি মনে করি না, তারা পরিকল্পনা করেছে, বিরোধী দলের সামর্থ্য ভেঙে দিয়ে নির্বাচনে জিতে যাওয়ার। আমি মনে করি এটা অনেকটা তার (শেখ হাসিনা) তৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া। তারা (বিরোধী দল) এসবের জন্য দায়ী, তারা মানুষকে উস্কে দিচ্ছে, সুতরাং আমাকে পদক্ষেপ নিতে হবে তাদের বিরুদ্ধে। তবে আমার মনে হয়, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ এক ধরনের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়, যেটা কিছুটা সুষ্ঠুও।
ভারত ভূষণ: তবে দুই জিনিস তো আলাদা। পিনাক, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বনাম সুষ্ঠু নির্বাচন। সুষ্ঠু নির্বাচনে সবাই প্রচারণা চালাতে পারবে, সবাই নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে পারবে ভোটারের কাছে। এটা শুধু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের চেয়ে আলাদা। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে আধামরা দলও অংশ নেবে, পুর্নদ্যোমে শক্তিশালী দলও অংশ নেবে।
পিনাক: আমি মনে করি, শাসক দল আওয়ামী লীগের একটা বড় ট্রাম্পকার্ড হলো, বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশ না নেয়, তাহলে দলটির নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে। যদি আপনি দুবার নির্বাচনে অংশ না নেন, তাহলে এটা হবে। ফলে বিএনপি বেশ উভয় সংকটে আছে। একটা সমস্যা হলো, এত মামলা, বিরোধী পক্ষকে নানাভাবে দুর্বল করা। আরেক সমস্যা হলো, আপনি যদি নির্বাচনে অংশ না নেন, তাহলে নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।
ভারত ভূষণ: আমি সেটা বুঝতে পারছি। তবে শেখ হাসিনা কী চান?
পিনাক: দেখুন, তিনি চান যে অংশগ্রহণ করুক। তবে সেক্ষেত্রে খুবই দুর্বল বিরোধী দল চান তিনি। যাতে করে তিনি জিতে ক্ষমতায় ফিরতে পারেন। এটা বাংলাদেশে খুবই সাধারণ রাজনৈতিক খেলা। তবে বিএনপি হয়তো বলবে, আমরা এসব করিনি। তবে আমি আসলে তাদেরকে এ ব্যাপারে খুব ক্রেডিট দিতে প্রস্তুত নই। আমি মনে করি, উভয় দলই ক্ষমতায় গেলে এই কাজ করে। আপনার যদি মনে থাকে, এ কারণেই তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল। কারণ, কোনো পক্ষই একে অপরকে বিশ্বাস করে না। কিন্তু ওই সিস্টেম এখন নেই। ফলে নির্বাচন হবে এই সরকারের অধীনে, যেটি নির্বাচনের সময় ক্ষমতায় থাকবে।
ভারত ভূষণ: শ্রতি, আমার শেষ প্রশ্ন। এক কোটি বিশ লাখ নতুন ভোটার আগামী সাধারণ নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করবে। আপনি কি মনে করেন, শিক্ষার্থীদের সামপ্রতিক যেসব বিক্ষোভ আমরা দেখেছি, সেসব নির্বাচনী ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলবে?
শ্রুতি: আমি মনে করি এটি নির্ভর করবে কী ধরনের প্রার্থী বিরোধীপক্ষ দাঁড় করায়। কারণ, সবকিছু সত্ত্বেও সরকারের কিছু অর্জন আছে। যেমন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমেই বাড়ছে। অনেক মানুষ হয়তো তাই রাজনৈতিকভাবে ক্ষুব্ধ হলেও, অর্থনৈতিকভাবে খুশি। তাই আমি মনে করি, কী ধরনের প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরকারকে লড়াই করতে হবে, সেটাই এই নির্বাচনের ফল নির্ধারক হবে।
ভারত ভূষণ: জয়ন্ত, তরুণ গোষ্ঠী নিয়ে আপনার মত কী?
জয়ন্ত: আমি মনে করি তরুণরা বিরোধী দলের পক্ষে বড় ফ্যাক্টর হবে। কারণ, তারা ক্ষুব্ধ। তবে, যেমনটা শ্রুতি বলেছেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভালো ছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধিও খুব ভালো ছিল। তাই প্রত্যন্ত অঞ্চলও অনেক কিছু নির্ধারণ করবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকজন তাই হয়তো শাসক দলের পক্ষে যাবে।
ভারত ভূষণ: পিনাক, আপনার কাছে শেষ প্রশ্ন। তরুণরা কোনদিকে যাবে?
পিনাক: আমি নির্বাচন নিয়ে আগাম অনুমান করবো না। তবে আমার মনে হয়, তরুণদের ভোট ভাগ হবে। এখানে নির্ভর করবে তাদের পরিবার, অঞ্চলের ওপর। তবে শহুরে তরুণরা মোটা দাগে আওয়ামী লীগের প্রতি সন্তুষ্ট নয়। আপনি দেখেছেন সব বিক্ষোভ। আমি মনে করি, তরুণদের ভোট তাই ভাগ হবে।
ভারত ভূষণ: আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই এই আলোচনায় অংশ নেয়ার জন্য।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1441)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ▼ 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment