Monday, August 12, 2013
ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে বসে পড়বে না তো? by মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার
ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে বসে পড়বে না তো? by মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার
সরকারের শেষ বছরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
প্রাক্কালে ‘জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের ব্যারোমিটার’, ‘অ্যাসিড টেস্ট’ বা
‘হাইভোল্টেজের নির্বাচন’ প্রভৃতি নামে আখ্যায়িত পাঁচ সিটি কর্পোরেশন
নির্বাচনে মহাজোট সরকার বড় ব্যবধানে, ০-৫ নির্বাচনী ম্যাচে হোয়াইট ওয়াশ
হওয়ার পর তাদের জনপ্রিয়তার মাত্রা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পেয়েছে। বিশেষ করে
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সব রকম উপায় অবলম্বন প্রশাসন, ইসলামিক
ফাউন্ডেশনের ডিজি, এনবিআরের চেয়ারম্যানকে ব্যবহার করাসহ সর্বশক্তি নিয়োগ
করেও যখন সরকার সমর্থিত আকর্ষণীয় ইমেজের প্রার্থীর এক লাখ ছয় সহস্রাধিক
ভোটের ব্যবধানের বিশাল পরাজয় ঠেকাতে পারেনি, তখন জনপ্রিয়তার নিুমুখী গতি
সম্পর্কে সরকারের ধারণা হয়েছে। আলোচ্য হোয়াইট ওয়াশের পর সরকার সম্পর্কে
তৃণমূল পর্যায়ের অনেক ভাসমান ভোটারই যখন ভাবছেন, ‘দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে
দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ’, অথবা, ‘করিয়াছ মেলা ভুল, দিতে হবে মাশুল’ এমন এক
সংকটের সময়ে সরকারি দলের নেতা-মন্ত্রীরা দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা
করাতে মহাজোটের আবার ঘুরে দাঁড়ানোর তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন। তারা বলছেন,
সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা ভিন্ন বিবেচনায় ভোট দেন। তাদের ভাষায়, ভোটারদের
কাছে সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে দশম সংসদ
নির্বাচনে সরকারি দলের জয় সুনিশ্চিত। সরকারদলীয় নেতা-মন্ত্রীদের এ ঘুরে
দাঁড়ানোর তত্ত্বকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এবং
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সুনিশ্চিত করতে চেয়েছেন। জয় বলেছেন, তার
কাছে তথ্য আছে, আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে। অন্যদিকে অর্থমন্ত্রী
বলেছেন, ‘আমার কাছে কোনো তথ্য না থাকলেও বিশ্বাস আছে আওয়ামী লীগ আবারও
ক্ষমতায় আসবে।’ জয়ের বক্তব্য বিরোধী পক্ষ কর্তৃক ব্যাপকভাবে সমালোচিত হওয়ার
পর সরকারদলীয় কোনো কোনো নেতা বলেছেন, জয় জরিপের ভিত্তিতে এ কথা বলেছেন।
তবে তিনি কবে কোথায় কাদের দিয়ে কেমন জরিপ করালেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত
কিছু জানাননি।
এ কথা সত্য যে, রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয়তা সব সময় এক রকম যায় না। দলগুলোর পারফরম্যান্সের সঙ্গে জনপ্রিয়তার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। তবে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের জনপ্রিয়তা সরকারের মেয়াদান্তে কিছুটা হ্রাস পেয়ে থাকে। কারণ এসব সমস্যাসংকুল দেশে সরকারের পক্ষে জনগণের সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয় না। তবে সব সমস্যার সমাধান না করেও জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সাধ্য অনুযায়ী তাদের সঙ্গে নিয়ে সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে কোনো সরকারের পক্ষে জনপ্রিয়তা ধরে রাখা অসম্ভব নয়। কিন্তু মহাজোট সরকারের ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটেনি।
নবম সংসদ নির্বাচনে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় মহাজোট সরকার প্রথম থেকেই জনগণের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে দলীয় স্বার্থে কাজ করছে। এ সরকার জনগণের মতামত নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। জনগণ চেয়েছে ঐক্য ও সহমর্মিতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করে দেশ ও দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে, কিন্তু সরকারের রাজনীতিতে ঐক্য ও সহমর্মিতার পরিবর্তে প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি প্রতিফলিত হয়েছে। জনগণ চেয়েছে সরকার গঠনের পরপরই ডিসিসি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কিন্তু সরকার রাজনৈতিক জয়-পরাজয়ের অংক করে সাড়ে চার বছরেও সে নির্বাচন দিতে পারেনি। জনগণ চেয়েছে জাতীয় সংসদকে কার্যকর করতে সরকার সফল হোক। কিন্তু বিরোধী দলকে কোণঠাসা করতে গিয়ে সরকার সংসদকে কার্যকর করতে পারেনি। জনগণ চেয়েছে সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিক। কিন্তু দলীয় মূল্যসন্ত্রাসী সিন্ডিকেটকে ছাড় দিতে গিয়ে সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে সফল হতে পারেনি। জনগণ চেয়েছে সরকার দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করুক। কিন্তু সরকার পদ্মা সেতু, শেয়ারবাজার, ব্যাংকিং সেক্টরের লুটপাট, হলমার্ক, ডেসটিনি, বিসমিল্লাহ গ্র“পসহ বড় বড় দুর্নীতির ক্ষেত্রে নমনীয় ভূমিকা পালন করেছে। জনগণ চেয়েছে সরকার প্রতিটি স্থানীয় সরকার এককে নির্বাচিত কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করুক। কিন্তু সরকার বিভক্ত ডিসিসি এবং জেলা পরিষদে নির্বাচন না দিয়ে দলীয় লোকজনকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। জনগণ চেয়েছে সরকারদলীয় অঙ্গসংগঠনগুলো জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তি ও উন্নয়ন সুনিশ্চিত করুক। কিন্তু দলীয় অঙ্গ সংগঠনগুলোকে সরকার টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি এবং মারামারি-খুনোখুনি থেকে বিরত রাখতে পারেনি। সর্বোপরি জনগণ চেয়েছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হোক। কিন্তু সরকার গণইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে ক্ষমতায় থেকে নিজেদের নিয়োজিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন করে ক্ষমতা ধরে রাখার পরিকল্পনা করেছে। এভাবে পদে পদে সরকার গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রমান্বয়ে গণসমর্থন হারিয়েছে, যার প্রতিফলন ঘটেছে ১৫ জুন চার সিটি কর্পোরেশন এবং ৬ জুলাই গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জনগণের দেয়া রায়ে। রশি যেমন আগুনে পুড়ে গেলেও তার পাক ছাড়ে না, সরকারি দলের অবস্থা যেন অনেকটা সে রকমই এখন। স্থানীয় নির্বাচনে জনগণের ‘না’ শোনার পর ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলা ছাড়া সরকারদলীয় নেতা-মন্ত্রীদের আর বলার কিইবা আছে। নেতা-কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা রাখার জন্য তারা সে বুলি আওড়েছেন। কিন্তু জনগণকে সঙ্গে নিয়ে, তাদের দাবি মেনে নিয়ে সরকার যদি ঘুরে দাঁড়াতে চাইত, তাহলে হয়তো সে চেষ্টা বিফল হতো না। কিন্তু সরকার নিজ অবস্থানে অনড় থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর যে তত্ত্ব প্রচার করছে তাতে মনে হচ্ছে, এভাবে ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে সরকারকে শেষ মুহূর্তে বড় রকমের হোঁচট খেতে হতে পারে। অবশ্য সরকার যদি মনে করে, আমরা প্রতিযোগিতাই হতে দেব না। প্রধান বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ না নিলে কার সঙ্গে প্রতিযোগিতা হবে? আমরা এরশাদকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিয়ে, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করিয়ে সে নির্বাচনে বিজয় অর্জন করব, তাহলে ভিন্ন কথা। প্রধান বিরোধী দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে যেনতেন রকম নির্বাচন করলে কী পরিমাণ সহিংসতা হবে এবং ওই নির্বাচন দেশে-বিদেশে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পাবে এবং ওই রকম একতরফা নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করতে পারলেও সে সরকারের আয়ু কতদিন বা কত মাস হবে সে সম্পর্কেও সরকারকে ভাবতে হবে।
সরকার যদি এই কট্টর গণবিরোধী লাইনে না গিয়ে পাঁচ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে গণরায় পাওয়ার পরপরই নির্দলীয় সরকারের দাবি মেনে নিয়ে বিরোধী দলকে ইস্যুবিহীন করে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে সাংগঠনিক কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিত, তাহলে হার-জিত যাই হোক না কেন, সরকার নিজেকে গণবিরোধী অবস্থান থেকে সরিয়ে এনে নির্বাচনে একটি সম্মানজনক ফলাফল করতে পারত। কিন্তু সরকার সে লাইনে না গিয়ে গণবিরোধী অবস্থানে থাকায় ভোটাররা সরকারের এ অবস্থান পছন্দ করবে বলে মনে হয় না। ‘জামায়াত’ ও ‘জয়’ কার্ড খেলে সরকার তার জনপ্রিয়তা উদ্ধারের যে মিশনে নেমেছে, তা সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। জামায়াত নিষিদ্ধ হলে লাভ হবে বিএনপি ও জামায়াতের। কারণ এ দলটি নিষিদ্ধ হলে নিশ্চয়ই দলটির সব নেতা-কর্মী-সমর্থক আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক বাড়াবেন না। তারা আওয়ামীবিরোধী শিবিরেই তাদের সমর্থন দেবেন। আর তারা যদি আবার নতুন নামে রাজনীতি শুরু করেন, তাহলে স্বাধীনতা বিরোধিতার কলংক মুছে ফেলে তারা নতুন উদ্যমে রাজনীতি শুরু করতে পারবেন। এতে আওয়ামী লীগের লাভের পাল্লা ভারি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিএনপি সম্মিলিত প্রার্থী দিলে এ দলটির সমর্থন পাবে কিন্তু তখন আর দলটির বিরুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধী বা রাজাকারদের সঙ্গে জোট বাঁধার অভিযোগ আনীত হবে না। জয় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রীর পুত্র হলেও তৃণমূল পর্যায়ে তার পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে এখনও সময় লাগবে। তিনি উচ্চশিক্ষিত হলেও স্থানীয় রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ে তার আরও অধিক সময় দেশে থেকে তৃণমূল পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের সময় দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কাজেই তাকে নিয়ে গ্রামগঞ্জ সফর করলেই যে ভোটারদের মতামত আওয়ামী লীগের দিকে ঝুঁকে পড়বে, এমনটা মনে করার সঙ্গত কারণ নেই।
ঘুরে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে রমজানের পর থেকে আওয়ামী লীগ টানা সাংগঠনিক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। এসব কর্মসূচিতে সরকারি দল নির্বাচনী প্রচারণা, দলীয় প্রার্থী বাছাই এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের দূরত্ব হ্রাসের উদ্যোগ নেবে। তাছাড়া দলীয় প্রচারণায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে সরকারদলীয় মন্ত্রী-নেতারা বিরোধী দলের অপপ্রচারের জবাব দেবেন। তারা হেফাজত এবং ড. ইউনূস ইস্যু সম্পর্কে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করবেন এবং একই সঙ্গে চালাবেন দলীয় ইমেজ উদ্ধার এবং নির্বাচনী প্রস্তুতির কর্মসূচি। এ ছাড়া শরিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে মহাজোটের ঐক্য শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেবেন। সরকারদলীয় নেতাদের প্রদত্ত এসব কর্মসূচির ঘোষণা শুনতে ভালো। তবে এ প্রসঙ্গে মনে রাখা দরকার, রমজানের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটও পূর্ণ শক্তি নিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মাঠে নামবে। হরতালের পর লাগাতার হরতাল দিয়ে বিরোধী দল সরকারকে নির্দলীয় সরকারের দাবি মানতে বাধ্য করতে চাইবে। কাজেই বিরোধীদলীয় ওই জোরালো আন্দোলন মোকাবেলা করে উল্লিখিত সাংগঠনিক কর্মসূচিগুলো সরকারি দলের নেতারা কতটা মনোযোগের সঙ্গে সম্পন্ন করতে পারবেন, সে বিষয়ে ভাবার আছে।
সরকারি দলকে মনে রাখতে হবে, তারা রমজান-পরবর্তী রাজনীতির যে ছক এঁকেছেন, সে কাজে বিরোধী দলের নির্দলীয় সরকারের দাবি মেনে নিয়ে অগ্রসর হলে এক রকম সাড়া পাবেন, আর বিরোধীদলীয় দাবি না মেনে ওই কাজে অগ্রসর হলে তাদের কর্মকাণ্ডে গণপ্রতিক্রিয়া আসবে অন্য রকম। বিরোধী দলের প্রধান দাবি না মেনে অগ্রসর হলে সরকারদলীয় কর্মসূচি প্রবল বিরোধীদলীয় লাগাতার আন্দোলনে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিরোধী দল যে দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফাঁদে পা দেবে না, সে বিষয়টি তাদের নেতারা একাধিকবার নিশ্চিত করেছেন। কাজেই তাদের জন্য রমজানের পর দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন তীব্রতর করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। সরকারি দলকে আরও মনে রাখতে হবে, যৌক্তিকতা ও গণসমর্থনের দিক থেকে রমজান-পরবর্তী রাজনীতিতে বিরোধী দল সরকারি দলের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে থাকবে। এসব ভেবে সরকারি নীতিনির্ধারকদের উচিত ছিল পাঁচ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রায়ের সময় থেকে রমজান-পরবর্তী রাজনীতি শুরু হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে গণমুখী কাজ করে জনগণের মনে ইতিবাচক ভাবমূর্তি নির্মাণে মনোযোগী হওয়া।
তবে আলোচ্য সময়ে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা তেমন ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়তে পারেননি। এর পরিবর্তে ওই সময় বেশ কয়েকজন সরকারদলীয় এমপির কোটি কোটি টাকা উপার্জনের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। উদীয়মান আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মাওলা রনির সাংবাদিক পিটিয়ে আহত করা, ছাত্রলীগ-যুবলীগের চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি অব্যাহত থাকা এবং তার জের ধরে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদককে তারই আরেক সহকর্মীর পায়জামা-পাঞ্জাবি টুপি পরে রোজার মাসে ফিল্মি ভঙ্গিমায় গুলি করে হত্যা করার সিসিটিভি ফুটেজ ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার মধ্য দিয়ে অনুধাবন করা যায়, রমজানের পরে সরকারের ঘুরে দাঁড়ানোর আহ্বান দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি। এ ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে ছাত্রলীগও উল্লিখিত সময়ে পিছিয়ে থাকেনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ছাত্রী হল, বিজ্ঞানাগার ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের ৮০ কোটি টাকার চলমান কাজে ২ শতাংশ চাঁদা দাবি করে ওই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়ে শ্রমিকদের মারধর করে (প্রথম আলো, ১৬-০৭-১৩), দলীয় কর্মী হত্যা মামলার আসামি অস্ত্রধারী ক্যাডার হিসেবে পত্রিকায় ছবি প্রকাশিত হলেও সেই তৌহিদ আল তুহিনকে রাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়, রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রোকনউজ্জামান রিন্টু গভীর রাতে ফুর্তি করতে গিয়ে বান্ধবীসহ ধরা পড়ার পর ৫ লাখ টাকা দিয়ে ছাড়া পাওয়ার খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয় (মানবজমিন, ৩০-০৭-১৩)। এছাড়া রমজানে মূল্যসন্ত্রাসী সিন্ডিকেটগুলোকেও সরকার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। এ সময় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের আসামি জামিন নিয়ে জেল থেকে বের হয়। সব মিলিয়ে পাঁচ সিটি নির্বাচনের পর থেকে রমজান পর্যন্ত সরকারি দল এমন কোনো ইতিবাচক ভাবমূর্তি নির্মাণ করতে পারেনি, যা দেখে জনগণ ঈদ-পরবর্তী সরকারি দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির সমর্থনে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।
এসব দেখে সমসাময়িক রাজনীতি বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করছেন, ঈদ-পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় প্রত্যাশিত সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মতো গণঅপছন্দের কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে দলটি ঘুরে দাঁড়াতে না পেরে বসে পড়লে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
এ কথা সত্য যে, রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয়তা সব সময় এক রকম যায় না। দলগুলোর পারফরম্যান্সের সঙ্গে জনপ্রিয়তার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। তবে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের জনপ্রিয়তা সরকারের মেয়াদান্তে কিছুটা হ্রাস পেয়ে থাকে। কারণ এসব সমস্যাসংকুল দেশে সরকারের পক্ষে জনগণের সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয় না। তবে সব সমস্যার সমাধান না করেও জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সাধ্য অনুযায়ী তাদের সঙ্গে নিয়ে সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে কোনো সরকারের পক্ষে জনপ্রিয়তা ধরে রাখা অসম্ভব নয়। কিন্তু মহাজোট সরকারের ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটেনি।
নবম সংসদ নির্বাচনে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় মহাজোট সরকার প্রথম থেকেই জনগণের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে দলীয় স্বার্থে কাজ করছে। এ সরকার জনগণের মতামত নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। জনগণ চেয়েছে ঐক্য ও সহমর্মিতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করে দেশ ও দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে, কিন্তু সরকারের রাজনীতিতে ঐক্য ও সহমর্মিতার পরিবর্তে প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি প্রতিফলিত হয়েছে। জনগণ চেয়েছে সরকার গঠনের পরপরই ডিসিসি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কিন্তু সরকার রাজনৈতিক জয়-পরাজয়ের অংক করে সাড়ে চার বছরেও সে নির্বাচন দিতে পারেনি। জনগণ চেয়েছে জাতীয় সংসদকে কার্যকর করতে সরকার সফল হোক। কিন্তু বিরোধী দলকে কোণঠাসা করতে গিয়ে সরকার সংসদকে কার্যকর করতে পারেনি। জনগণ চেয়েছে সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিক। কিন্তু দলীয় মূল্যসন্ত্রাসী সিন্ডিকেটকে ছাড় দিতে গিয়ে সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে সফল হতে পারেনি। জনগণ চেয়েছে সরকার দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করুক। কিন্তু সরকার পদ্মা সেতু, শেয়ারবাজার, ব্যাংকিং সেক্টরের লুটপাট, হলমার্ক, ডেসটিনি, বিসমিল্লাহ গ্র“পসহ বড় বড় দুর্নীতির ক্ষেত্রে নমনীয় ভূমিকা পালন করেছে। জনগণ চেয়েছে সরকার প্রতিটি স্থানীয় সরকার এককে নির্বাচিত কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করুক। কিন্তু সরকার বিভক্ত ডিসিসি এবং জেলা পরিষদে নির্বাচন না দিয়ে দলীয় লোকজনকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। জনগণ চেয়েছে সরকারদলীয় অঙ্গসংগঠনগুলো জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তি ও উন্নয়ন সুনিশ্চিত করুক। কিন্তু দলীয় অঙ্গ সংগঠনগুলোকে সরকার টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি এবং মারামারি-খুনোখুনি থেকে বিরত রাখতে পারেনি। সর্বোপরি জনগণ চেয়েছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হোক। কিন্তু সরকার গণইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে ক্ষমতায় থেকে নিজেদের নিয়োজিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন করে ক্ষমতা ধরে রাখার পরিকল্পনা করেছে। এভাবে পদে পদে সরকার গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রমান্বয়ে গণসমর্থন হারিয়েছে, যার প্রতিফলন ঘটেছে ১৫ জুন চার সিটি কর্পোরেশন এবং ৬ জুলাই গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জনগণের দেয়া রায়ে। রশি যেমন আগুনে পুড়ে গেলেও তার পাক ছাড়ে না, সরকারি দলের অবস্থা যেন অনেকটা সে রকমই এখন। স্থানীয় নির্বাচনে জনগণের ‘না’ শোনার পর ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলা ছাড়া সরকারদলীয় নেতা-মন্ত্রীদের আর বলার কিইবা আছে। নেতা-কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা রাখার জন্য তারা সে বুলি আওড়েছেন। কিন্তু জনগণকে সঙ্গে নিয়ে, তাদের দাবি মেনে নিয়ে সরকার যদি ঘুরে দাঁড়াতে চাইত, তাহলে হয়তো সে চেষ্টা বিফল হতো না। কিন্তু সরকার নিজ অবস্থানে অনড় থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর যে তত্ত্ব প্রচার করছে তাতে মনে হচ্ছে, এভাবে ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে সরকারকে শেষ মুহূর্তে বড় রকমের হোঁচট খেতে হতে পারে। অবশ্য সরকার যদি মনে করে, আমরা প্রতিযোগিতাই হতে দেব না। প্রধান বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ না নিলে কার সঙ্গে প্রতিযোগিতা হবে? আমরা এরশাদকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিয়ে, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করিয়ে সে নির্বাচনে বিজয় অর্জন করব, তাহলে ভিন্ন কথা। প্রধান বিরোধী দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে যেনতেন রকম নির্বাচন করলে কী পরিমাণ সহিংসতা হবে এবং ওই নির্বাচন দেশে-বিদেশে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পাবে এবং ওই রকম একতরফা নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করতে পারলেও সে সরকারের আয়ু কতদিন বা কত মাস হবে সে সম্পর্কেও সরকারকে ভাবতে হবে।
সরকার যদি এই কট্টর গণবিরোধী লাইনে না গিয়ে পাঁচ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে গণরায় পাওয়ার পরপরই নির্দলীয় সরকারের দাবি মেনে নিয়ে বিরোধী দলকে ইস্যুবিহীন করে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে সাংগঠনিক কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিত, তাহলে হার-জিত যাই হোক না কেন, সরকার নিজেকে গণবিরোধী অবস্থান থেকে সরিয়ে এনে নির্বাচনে একটি সম্মানজনক ফলাফল করতে পারত। কিন্তু সরকার সে লাইনে না গিয়ে গণবিরোধী অবস্থানে থাকায় ভোটাররা সরকারের এ অবস্থান পছন্দ করবে বলে মনে হয় না। ‘জামায়াত’ ও ‘জয়’ কার্ড খেলে সরকার তার জনপ্রিয়তা উদ্ধারের যে মিশনে নেমেছে, তা সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। জামায়াত নিষিদ্ধ হলে লাভ হবে বিএনপি ও জামায়াতের। কারণ এ দলটি নিষিদ্ধ হলে নিশ্চয়ই দলটির সব নেতা-কর্মী-সমর্থক আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক বাড়াবেন না। তারা আওয়ামীবিরোধী শিবিরেই তাদের সমর্থন দেবেন। আর তারা যদি আবার নতুন নামে রাজনীতি শুরু করেন, তাহলে স্বাধীনতা বিরোধিতার কলংক মুছে ফেলে তারা নতুন উদ্যমে রাজনীতি শুরু করতে পারবেন। এতে আওয়ামী লীগের লাভের পাল্লা ভারি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিএনপি সম্মিলিত প্রার্থী দিলে এ দলটির সমর্থন পাবে কিন্তু তখন আর দলটির বিরুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধী বা রাজাকারদের সঙ্গে জোট বাঁধার অভিযোগ আনীত হবে না। জয় বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রীর পুত্র হলেও তৃণমূল পর্যায়ে তার পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে এখনও সময় লাগবে। তিনি উচ্চশিক্ষিত হলেও স্থানীয় রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ে তার আরও অধিক সময় দেশে থেকে তৃণমূল পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের সময় দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কাজেই তাকে নিয়ে গ্রামগঞ্জ সফর করলেই যে ভোটারদের মতামত আওয়ামী লীগের দিকে ঝুঁকে পড়বে, এমনটা মনে করার সঙ্গত কারণ নেই।
ঘুরে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে রমজানের পর থেকে আওয়ামী লীগ টানা সাংগঠনিক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। এসব কর্মসূচিতে সরকারি দল নির্বাচনী প্রচারণা, দলীয় প্রার্থী বাছাই এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের দূরত্ব হ্রাসের উদ্যোগ নেবে। তাছাড়া দলীয় প্রচারণায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে সরকারদলীয় মন্ত্রী-নেতারা বিরোধী দলের অপপ্রচারের জবাব দেবেন। তারা হেফাজত এবং ড. ইউনূস ইস্যু সম্পর্কে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করবেন এবং একই সঙ্গে চালাবেন দলীয় ইমেজ উদ্ধার এবং নির্বাচনী প্রস্তুতির কর্মসূচি। এ ছাড়া শরিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে মহাজোটের ঐক্য শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেবেন। সরকারদলীয় নেতাদের প্রদত্ত এসব কর্মসূচির ঘোষণা শুনতে ভালো। তবে এ প্রসঙ্গে মনে রাখা দরকার, রমজানের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটও পূর্ণ শক্তি নিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মাঠে নামবে। হরতালের পর লাগাতার হরতাল দিয়ে বিরোধী দল সরকারকে নির্দলীয় সরকারের দাবি মানতে বাধ্য করতে চাইবে। কাজেই বিরোধীদলীয় ওই জোরালো আন্দোলন মোকাবেলা করে উল্লিখিত সাংগঠনিক কর্মসূচিগুলো সরকারি দলের নেতারা কতটা মনোযোগের সঙ্গে সম্পন্ন করতে পারবেন, সে বিষয়ে ভাবার আছে।
সরকারি দলকে মনে রাখতে হবে, তারা রমজান-পরবর্তী রাজনীতির যে ছক এঁকেছেন, সে কাজে বিরোধী দলের নির্দলীয় সরকারের দাবি মেনে নিয়ে অগ্রসর হলে এক রকম সাড়া পাবেন, আর বিরোধীদলীয় দাবি না মেনে ওই কাজে অগ্রসর হলে তাদের কর্মকাণ্ডে গণপ্রতিক্রিয়া আসবে অন্য রকম। বিরোধী দলের প্রধান দাবি না মেনে অগ্রসর হলে সরকারদলীয় কর্মসূচি প্রবল বিরোধীদলীয় লাগাতার আন্দোলনে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিরোধী দল যে দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফাঁদে পা দেবে না, সে বিষয়টি তাদের নেতারা একাধিকবার নিশ্চিত করেছেন। কাজেই তাদের জন্য রমজানের পর দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন তীব্রতর করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। সরকারি দলকে আরও মনে রাখতে হবে, যৌক্তিকতা ও গণসমর্থনের দিক থেকে রমজান-পরবর্তী রাজনীতিতে বিরোধী দল সরকারি দলের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে থাকবে। এসব ভেবে সরকারি নীতিনির্ধারকদের উচিত ছিল পাঁচ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রায়ের সময় থেকে রমজান-পরবর্তী রাজনীতি শুরু হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে গণমুখী কাজ করে জনগণের মনে ইতিবাচক ভাবমূর্তি নির্মাণে মনোযোগী হওয়া।
তবে আলোচ্য সময়ে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা তেমন ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়তে পারেননি। এর পরিবর্তে ওই সময় বেশ কয়েকজন সরকারদলীয় এমপির কোটি কোটি টাকা উপার্জনের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। উদীয়মান আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মাওলা রনির সাংবাদিক পিটিয়ে আহত করা, ছাত্রলীগ-যুবলীগের চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি অব্যাহত থাকা এবং তার জের ধরে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদককে তারই আরেক সহকর্মীর পায়জামা-পাঞ্জাবি টুপি পরে রোজার মাসে ফিল্মি ভঙ্গিমায় গুলি করে হত্যা করার সিসিটিভি ফুটেজ ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার মধ্য দিয়ে অনুধাবন করা যায়, রমজানের পরে সরকারের ঘুরে দাঁড়ানোর আহ্বান দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি। এ ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে ছাত্রলীগও উল্লিখিত সময়ে পিছিয়ে থাকেনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ছাত্রী হল, বিজ্ঞানাগার ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের ৮০ কোটি টাকার চলমান কাজে ২ শতাংশ চাঁদা দাবি করে ওই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়ে শ্রমিকদের মারধর করে (প্রথম আলো, ১৬-০৭-১৩), দলীয় কর্মী হত্যা মামলার আসামি অস্ত্রধারী ক্যাডার হিসেবে পত্রিকায় ছবি প্রকাশিত হলেও সেই তৌহিদ আল তুহিনকে রাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়, রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রোকনউজ্জামান রিন্টু গভীর রাতে ফুর্তি করতে গিয়ে বান্ধবীসহ ধরা পড়ার পর ৫ লাখ টাকা দিয়ে ছাড়া পাওয়ার খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয় (মানবজমিন, ৩০-০৭-১৩)। এছাড়া রমজানে মূল্যসন্ত্রাসী সিন্ডিকেটগুলোকেও সরকার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। এ সময় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের আসামি জামিন নিয়ে জেল থেকে বের হয়। সব মিলিয়ে পাঁচ সিটি নির্বাচনের পর থেকে রমজান পর্যন্ত সরকারি দল এমন কোনো ইতিবাচক ভাবমূর্তি নির্মাণ করতে পারেনি, যা দেখে জনগণ ঈদ-পরবর্তী সরকারি দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির সমর্থনে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।
এসব দেখে সমসাময়িক রাজনীতি বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করছেন, ঈদ-পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় প্রত্যাশিত সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মতো গণঅপছন্দের কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে দলটি ঘুরে দাঁড়াতে না পেরে বসে পড়লে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ▼ 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment