Sunday, February 19, 2012
বিশেষ সাক্ষাত্কার-আমাদের একটি ভাষাপরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন by আনিসুজ্জামান
বিশেষ সাক্ষাত্কার-আমাদের একটি ভাষাপরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন by আনিসুজ্জামান
আনিসুজ্জামান। কৃতবিদ্য লেখক ও শিক্ষাবিদ। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক। একই সঙ্গে তিনি বাংলা একাডেমীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক থাকাকালে তাঁর অভিসন্দর্ভ বাঙলা সাহিত্যে মুসলিম মানস আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
বাংলা সাহিত্য ও সমাজ নিয়ে তাঁর গবেষণা দেশের সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সমাদৃত হয়েছে। তাঁর সম্পাদনায় বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত হচ্ছে পাঁচ খণ্ডে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (ইতিমধ্যে দুই খণ্ড প্রকাশিত)। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী এই শিক্ষাবিদ বাংলাদেশের সংবিধান বাংলায় ভাষান্তর করেছেন। লিখেছেন স্বরূপের সন্ধানে, পুরনো বাংলা গদ্য, আমার একাত্তর ও কাল নিরবধির মতো পাঠকনন্দিত বই। গতকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি ছিল তাঁর ৭৫তম জন্মবার্ষিকী। প্রথম আলোর সঙ্গে সাক্ষাত্কারে তিনি ভাষা আন্দোলন, বাংলা ভাষার ব্যবহার ও গতি-প্রকৃতি নিয়ে কথা বলেছেন।
সাক্ষাত্কার নিয়েছেন: সাজ্জাদ শরিফ ও সোহরাব হাসান
প্রথম আলো আমরা ভাষা আন্দোলনের ৬০ বছরপূর্তি পালন করছি—যে আন্দোলনের সঙ্গে আপনিও যুক্ত ছিলেন। পেছনের দিকে ফিরে তাকালে কী মনে হয়?
আনিসুজ্জামান আমার জীবনের বড় সৌভাগ্য যে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ—দুটি ঘটনার সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট ছিলাম, যত ক্ষুদ্র পরিসরেই হোক না কেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের দিকে ফিরে তাকালে একটা তফাত দেখতে পাই যে সে সময়ে বাংলা ভাষাকে যেভাবে জীবনের সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম, সেই সংকল্পের দৃঢ়তা এখন নেই। এখনো হয়তো বাংলা ভাষার প্রতি আমাদের আবেগ আছে, কিন্তু সেটি তখনকার সঙ্গে তুলনীয় নয়। একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনা আমাদের জীবনকে পাল্টে দিল। এখন সেটি যতটা স্মৃতি হয়ে আছে, ততটা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে নেই।
প্রথম আলো ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা কী অর্জন করলাম?
আনিসুজ্জামান অর্জন তো আছেই। এই যে একুশে ফেব্রুয়ারি মানুষ ভাষার জন্য আত্মোত্সর্গ করল; তারপর প্রতিবছর আমরা সেই দিবসটি পালন করি। একুশে ফেব্রুয়ারি জাতীয় দিবসে পরিণত হলো, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আগেই। তারপর একসময় দোকানপাট ও গাড়ির নম্বর বাংলায় লেখা হলো। মনে আছে, সাংবাদিক এবিএম মূসা গাড়ির নম্বর বাংলায় লেখায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। সরদার জয়েনউদ্দীন ব্যাংকের চেকে বাংলায় সই দিতেন। এ নিয়েও ঝামেলা হয়েছিল। তখন প্রত্যেকেই মনে করতেন, ভাষা তাঁর অস্তিত্বের অংশ।
প্রথম আলো পরবর্তীকালে জাতীয়তাবাদী চেতনার ভিত্তিতে যে মুক্তিযুদ্ধ হলো, তার ওপরও একুশের বিশেষ প্রভাব ছিল?
আনিসুজ্জামান নিশ্চয়ই। আমি তো বলি, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের গণতন্ত্র শিখেয়েছে। আমরা কিন্তু শুধু বাংলা ভাষাকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার কথা বলিনি। বলেছি, বাংলাকে রাষ্ট্রের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করতে হবে। অর্থাত্ অন্য ভাষাভাষী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথাও বলেছি। পাকিস্তানি শাসকেরা প্রচণ্ড সাম্প্রদায়িক ছিল বলেই বাংলাকে মুসলমানদের ভাষা হিসেবে মানতে চায়নি। তারা বলত, ওটি হিন্দুদের ভাষা। বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে তাই আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনার পরিচয় দিয়েছি, একুশ আমাদের ঐতিহ্য-সচেতনতা শিখিয়েছে। ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের উদ্যোগে যে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সপ্তাহ পালিত হয় তাতে দেখলাম, শহরের সব লোক জড়ো হলো। তারা প্রদর্শনী দেখছে, বাংলা হরফের বিবর্তন দেখছে, চর্যাপদ থেকে আধুনিক বাংলা কবিতার আবৃত্তি হয়েছে—আগ্রহভরে শুনছে। এর মাধ্যমেও বাংলা ভাষার প্রতি বাঙালির ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। এই সূত্র ধরেই জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটল। এর সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনা যখন যুক্ত হলো, তখনই তা মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হলো।
প্রথম আলো আমাদের সংবিধানে লেখা আছে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।’ এ কথার মাধ্যমে জাতির কোন আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হয়েছিল? তা কতটা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে?
আনিসুজ্জামান এটি ছিল ঘোষণা, সমগ্র জাতির প্রত্যয়। ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ বলার অর্থ হলো—যেদিন সংবিধান চালু হলো, সেদিনই রাষ্ট্রভাষা বাংলা হয়ে গেল।
প্রথম আলো কিন্তু তা কি হলো?
আনিসুজ্জামান না, তা হলো না। এর একটি কারণ, বাঙালি যখন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়, তখন তারা সে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে; কিন্তু চ্যালেঞ্জ না থাকলে বোধ হয় পারে না। পাকিস্তান আমলে শাসকেরা যখন বৈজ্ঞানিক পরিভাষা আছে কি না, প্রশাসনিক পরিভাষা আছে কি না, জানতে চাইল, তখন কিন্তু বাঙালি লেখক-বুদ্ধিজীবীরা তা করে ফেললেন। ড. মুহাম্মদ কুদরাত-এ-খুদা স্নাতক শ্রেণীর জন্য রসায়নের পাঠ্যবই লিখলেন। ড. এ কে এম আবদুল ওয়াহেদ ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। অবসর নেওয়ার পর বাংলায় চিকিত্সাবিষয়ক বই লিখলেন। কিন্তু স্বাধীনতা লাভের পর উচ্চশিক্ষার পাঠ্যবই সেভাবে এগোল না। পাঠ্যবই না হওয়ায় বাংলায় উচ্চশিক্ষার বিষয়টিও বাধাগ্রস্ত হল।
এসব বিষয়ে যাঁরা বিজ্ঞ ব্যক্তি, তাঁরা এগিয়ে আসছেন না। তাঁরা এগিয়ে এলেও বাংলায় লেখার জন্য সহযোগী পাচ্ছেন না। এটি বড় সমস্যা। বাংলায় পাঠ্যবই ইত্যাদি রচনার জন্য পাকিস্তান আমলে যে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, সেটি থাকলে হয়তো কাজটা এগোত। আবার বাংলা একাডেমীর পাঠ্যপুস্তক বিভাগও কাজটি করতে পারত। ইংরেজি বই পড়ে বাংলায় পড়ানো সম্ভব হয়নি নানা কারণে।
বিষয়টি এমন নয় যে আমরা বাংলার প্রতি জোর দিতে গিয়ে ইংরেজিকে অবহেলা করেছি। বরং সব মিলিয়ে শিক্ষার মানটা পড়ে গেল। স্বাধীনতার পর দুই বছর অর্ধেক পাঠ্যক্রমে পরীক্ষাও এর অন্যতম কারণ।
প্রথম আলো স্বাধীনতার পর সর্বস্তরে বাংলা চালু করতে সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল কি না। না এটি কাগজেকলমেই সীমাবদ্ধ ছিল?
আনিসুজ্জামান সরকার অন্তত দুটো পরিপত্র দিয়েছিল। যাতে বলা হয়েছিল, সরকারি নথিপত্র বাংলায় লিখতে হবে। না লিখলে দণ্ড পেতে হবে বলে নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। তারপর এরশাদের আমলে তো সরকারি অফিসে বাংলার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হলো। বাংলা প্রচলন সেল করা হলো। কিন্তু সমস্যাটি হলো অন্যত্র। যেমন, আমাদের দেশে বরাবর নিম্ন আদালতে ইংরেজি-বাংলা দুটোই চালু ছিল। স্বাধীনতার পর নিম্ন আদালতে শুধু বাংলা ব্যবহূত হতো। কিন্তু হামিদুল হক চৌধুরী, যিনি একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলেন, আশির দশকে দেশে ফিরে হাইকোর্টে এর বিরুদ্ধে মামলা করলেন। আদালতও তাঁর পক্ষে রায় দিলেন। তখন নতুন করে নিম্ন আদালতেও ইংরেজি চালু হলো। অন্যদিকে উচ্চ আদালতে আপিল বিভাগের কোনো বিচারকই বাংলায় রায় লিখতে রাজি হলেন না। যদিও হাইকোর্ট বিভাগে তিন-চারজন বিচারক বাংলায় রায় লিখেছেন। আর কেউ এগিয়ে এলেন না। যুক্তি দেখানো হলো, এসব রায় অন্যান্য দেশে নজির হিসেবে দেখানো হবে বলে ইংরেজিতে লেখা প্রয়োজন। রাষ্ট্রভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও আদালত বললেন যে সেখানে ইংরেজি ব্যবহার করতে হবে—এটি স্বাভাবিকই মনে হয়নি। সাধারণ মানুষের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল। ৭৩-৭৪ সালে পাকিস্তান থেকে আটকে পড়া বাঙালিরা ফিরে আসার পর বললেন, তাঁদের ছেলেমেয়েরা তো বাংলা জানে না। তাদের জন্য ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রথম আলো সম্প্রতি সমরেশ মজুমদার এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, বাংলাদেশের পাঠকদের পশ্চিমবঙ্গের লেখকদের ভাষা বুঝতে অসুবিধা না হলেও পশ্চিমবঙ্গের পাঠকেরা বাংলাদেশের লেখকদের ভাষা, বিশেষ করে মুসলমান আত্মীয় সম্পর্কগুলো বুঝতে পারে না। এতে দুই বঙ্গের ভাষা এক হলেও তাদের প্রকাশভঙ্গি আলাদা হয়ে যাওয়ার শঙ্কা আছে কি না?
আনিসুজ্জামান মুসলমান আত্মীয়তাবাচক শব্দ এখনও হিন্দু বাঙালির কাছে অপরিচিত। উত্তর আমেরিকায় বিভিন্ন সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের প্রবাসীদের বলতে শুনেছি, আপনাদের (বাংলাদেশের) বইয়ে যেসব ধর্মীয় বা আত্মীয়তাবাচক শব্দ লেখা থাকে, তা আমরা বুঝতে পারি না। বইয়ের শেষে যদি শব্দের অর্থ লিখে দেন, আমাদের জন্য সুবিধা হয়। আমার জবাব দেওয়ার আগেই সমরেশ মজুমদার প্রবলভাবে আপত্তি করলেন এবং বললেন, ‘কেন, আমরা যখন হিন্দু আত্মীয়তাবাচক বা ধর্মীয় শব্দ ব্যবহার করি, তখন কি তার শব্দার্থ লিখে দিই?’
তবে কলকাতার বাঙালি পাঠকেরা মুসলমানদের অনেক কিছু জানে। সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের লেখায় ইসলাম ধর্মের শব্দ প্রচুর আছে। এতে পশ্চিমবঙ্গের পাঠকেরা আপত্তি করছে বলে মনে হয়না। তবে জানা-বোঝার ঘাটতি আমাদের দিক থেকেও আছে। আমি মনে করি, দুই দেশের সাহিত্যের আদান প্রদান বাড়লে এ সমস্যা অনেকটাই কেটে যাবে। কিন্তু সেখানেও বাধা আছে। আমাদের পুস্তকবিক্রেতারা পশ্চিমবঙ্গের বই আনলেও পশ্চিমবঙ্গের পুস্তকবিক্রেতারা আমাদের বই নিতে খুব একটা আগ্রহী নন। একবার ওখানকার এক নামকরা প্রকাশক বলেছিলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের বই আনব না। যদি বাংলাদেশের লেখকদের বইয়ের চাহিদা এখানে থাকে তবে আমরা এখানে তা ছাপব।’ যদিও বাংলাদেশের অনেক লেখকের বই পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত হচ্ছে, কিন্তু সেই অর্থে আদান-প্রদানটা কম হচ্ছে।
প্রথম আলো অতীতের পূর্ববঙ্গ বা বর্তমানের বাংলাদেশের ভাষার কি আলাদা একটা বৈশিষ্ট্য সব সময়ই ছিল না?
আনিসুজ্জামান আমি যখন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বা সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস পড়ি, তখন তেমন পার্থক্য লক্ষ করিনা। কিন্তু হয়তো অন্য কোনো লেখকের লেখায় এই পার্থক্যটা ধরা পড়ে। কলকাতার সংবাদপত্রে কিন্তু আমাদের এখানকার সংবাদপত্রের চেয়ে বেশি আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করে। তার পরও বলব, সাহিত্যে একটা পার্থক্য আছে। পশ্চিমবঙ্গের যে জীবনযাত্রা, যে রাজনীতি, যে অর্থনীতি তা আমাদের জীবনযাত্রা, অর্থনীতি, রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফলে সমাজের যে ছবিটি সাহিত্যে পাওয়া যাচ্ছে, তা অভিন্ন নয়।
অন্যদিকে যে আত্মীয়তাবাচক শব্দের কথা বললাম, তাতে পার্থক্য আছে। আমাদের এখানে সাহিত্যে আঞ্চলিক শব্দের ব্যবহার বাড়ছে, পশ্চিমবঙ্গে আঞ্চলিক শব্দের ব্যবহার একেবারেই কম। ওখানকার পঞ্চাশ-পঞ্চান্ন সালের বইয়েও রাঢ় অঞ্চলের ভাষা ব্যবহূত হতো, এখন হয় না। আমাদের এখানে আঞ্চলিক শব্দের ব্যবহার শুরু হয়েছিল উপন্যাসে, নাটকে; পরে সাহিত্যের অন্যান্য শাখায়ও বিস্তৃত হয়। জসীমউদ্দীন ও আল মাহমুদের কবিতায় প্রচুর আঞ্চলিক শব্দ থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে তাঁদের বইয়ের প্রচুর পাঠক আছে।
অসুবিধা হলো, যখন আমরা জোর করে বলতে চাই যে আমরা এক শ বছর আগের ভাগীরথীর তীরবর্তী বাংলাকে কেন প্রমিত বাংলা হিসেবে মানব। এর মধ্যে একটা রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করে। আমরা যদি বলি বুড়িগঙ্গার তীরের মানুষের ভাষাকেই প্রমিত বাংলা করতে হবে, তার যৌক্তিক পরিণতি কী হবে? তাহলে কি রবীন্দ্রনাথ, শরত্চন্দ্র, নজরুল ইসলামের লেখাকে আমাদের বাংলা বলে স্বীকার করব না? আমরা যদি ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বিবেচনার ওপর জোর দিই তাহলে একসময় দুটো ভাষা হয়ে যাবে। আমরা বাংলাদেশের জন্যও তো একটি প্রমিত বাংলা তৈরি করতে পারিনি। জামায়াত নেতা গোলাম আযম লিখেছিলেন, ‘আমার ভাষার নাম বাংলাদেশি ভাষা।’ কিন্তু তা কেউ গ্রহণ করেনি। এখন যাঁরা বলছেন, আমাদের আঞ্চলিক ভাষার ভিত্তিতে লিখিত ভাষা চলতে হবে, তাঁরা বাংলাদেশি ভাষাকেই বোঝাচ্ছেন। ষাটের দশকে যে কথা আবুল মনসুর আহমদ, ইব্রাহিম খাঁ, আবুল হাশিমরা বলতেন; আধুনিকদের কাছ থেকেও সেই দাবি উঠেছে।
আমি মনে করি, সাহিত্যের প্রয়োজনে আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার চলতে পারে। কিন্তু আঞ্চলিক ভাষা কোনো দেশেই প্রমিত ভাষার জায়গাটা নিতে পারে না।
প্রথম আলো মান বাংলা নিয়ে এখন প্রবল বিতর্ক চলছে। বাংলাদেশের ব্যবহার্য বাংলা ভাষাকে আলাদা করার যে দাবি কেউ কেউ করছেন, তার মধ্যে হয়তো রাষ্ট্রীয় এককেন্দ্রিকতা ভাষার একটি সুপ্ত বাসনাও আছে। এর জন্য কি বহু আগেই একটি ভাষাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল?
আনিসুজ্জামান প্রয়োজন অবশ্যই ছিল। এখনো নেওয়া যায়। এই যে ভাষাব্যবহারের ভিন্নতা আছে, পরিকল্পনার মাধ্যমে তা কমিয়ে আনা যেতে পারে। লন্ডনপ্রবাসী এক বাঙালি একবার আমাকে প্রশ্ন করেছিল, ‘আপনি মাতৃভাষার শিক্ষার কথা বলছেন। আমাদের মাতৃভাষা সিলেটি। আমরা কেন সিলেটি ভাষায় শিক্ষা নিতে পারব না?’ আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত আঞ্চলিক ও প্রমিত বাংলার পার্থক্য করতে না পারব ততক্ষণ এ সমস্যা থাকবে। আমরা বাড়িতে লুঙ্গি-গেঞ্জি পরে থাকলেও কিন্তু বাইরে সেটি পরি না। যোগাযোগের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ভাষাকে মাধ্যম হিসেবে নেওয়া ঠিক নয়।
প্রথম আলো ভাষার সঙ্গে জাতীয়তাবোধের একটি সম্পর্ক আছে। আবার ভাষা পরিকল্পনা নিলে অন্যান্য ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার কোনো বিরোধ তৈরি হবে কি না?
আনিসুজ্জামান যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাষাপরিকল্পনা নেওয়া হয়, তাতে বাংলা ছাড়া অন্যান্য ভাষার মর্যাদা কী হবে, সেসব ভাষার কী কাজ হবে, তা নির্ধারণ করতে পারলে কোনো সমস্যা হবে না। আজ হয়তো আমরা চাকমা ও গারো ভাষায় পাঠ্যবই তৈরি করতে পারছি না, কিন্তু ভবিষ্যতে এটি অসম্ভব নয়। সাঁওতাল ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা ইতিমধ্যে চালু আছে।
ভাষাপরিকল্পনার প্রথম কথা হবে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করা। কেননা, আমরা সংবিধান থেকে তো দূরে যেতে পারব না। আমরা দ্বিতীয় ভাষা কী শিখব, কোন পর্যন্ত শিখব তা পরিকল্পনায় থাকবে। এরপর আসবে দেশের অন্যান্য ভাষার বিকাশে কী পদক্ষেপ নিতে পারি। এই তিনটি বিষয় মাথায় রেখে আমাদের প্রাথমিকভাবে এগোতে হবে।
প্রথম আলো যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমাদের মান বা প্রমিত বাংলাই ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু ভাষাপরিকল্পনায় বাংলায় অন্যান্য ভাষা থেকে শব্দ আমদানির ওপর জোর দিলে বাড়তি কোনো চাপ সৃষ্টি করবে কি না?
আনিসুজ্জামান যদি স্বাভাবিকভাবে কোনো শব্দ আসে আপত্তি নেই। কিন্তু জোর করে শব্দ আনা, কিংবা আইয়ুব খানের মতো কিছু উর্দু, কিছু বাংলা মিলিয়ে একটি সংকর ভাষা তৈরি করা ঠিক হবে না। ভারতও হিন্দিকে কিন্তু যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে দাঁড় করাতে পারেনি। হিন্দির প্রসার ঘটেছে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। যার প্রভাব এখন বাংলাদেশেও পড়েছে। আমার বাড়ির উল্টো দিকের একটি রেস্তোরাঁর নাম দিয়েছে ‘আপকে রোটি চাওল আওর গোশত’। পাকিস্তান আমলেও কিন্তু কোনো রেস্তোরাঁর এ ধরনের নাম ছিল না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার হিন্দিকে যেখানে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, সেখানে নিতে পারেনি। বরং সারা ভারতে ইংরেজির প্রসার বেড়েছে, তা যোগাযোগের সাধারণ মাধ্যম হয়েছে।
প্রথম আলো আপনি হিন্দির প্রভাবের কথা বলেছেন। ভাষা তো কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এর সঙ্গে জীবনযাপন, সংস্কৃতি, রাজনীতিও অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এতে বাংলা ভাষার ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?
আনিসুজ্জামান বাংলা ভাষা বিকৃত হওয়ার সম্ভাবনা এ উত্স থেকেই সবচেয়ে বেশি। আঞ্চলিক ভাষা থেকে বিকৃতির সম্ভাবনা ততটা নয়। আরেকটি বিষয়, পাকিস্তানি শাসকেরা উর্দু আমাদের ওপর চাপাতে চেয়েছিল। আর হিন্দি এসেছে বিনোদনের মধ্য দিয়ে। একসময়ে কিন্তু বাংলাদেশের টিভি নাটক পশ্চিমবঙ্গে বেশ জনপ্রিয় ছিল। এখন উল্টো বাতাস বইতে শুরু করেছে বলেই আমাদের শঙ্কা জাগে। তাই বলে আমরা জানালা বন্ধ করে দেব না, নিজেদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। হিন্দি ভাষার প্রভাব যে বিপজ্জনক, সে কথাটিও স্পষ্ট জানাতে হবে। আমাদের টিভি অনুষ্ঠানের মানও বাড়াতে হবে।
প্রথম আলো বাংলা ভাষা ব্যবহারে যে অরাজকতা চলছে, বিশেষ করে গণমাধ্যমে, তা অপনোদনের উপায় কী?
আনিসুজ্জামান অরাজকতা নানা ধরনের। শব্দব্যবহারে অরাজকতা একটি। একটি ছোট উদাহরণ দিই। ‘অন্যতম’ শব্দের অর্থ ‘অনেকের মধ্যে একজন’। কিন্তু পত্রপত্রিকায় লেখা হয় ‘অন্যতম একটি কারণ’। ভুল বানান, ভুল বাক্য ব্যবহার এবং ইংরেজি শব্দের যথেচ্ছ ব্যবহার চলছে। এফএম রেডিওতে হিন্দি, ইংরেজি ও বাংলার মিশেলে এক ধরনের জগাখিচুড়ি ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা যেমন তরুণদের লক্ষ করে এসব ভাষা ব্যবহার করছে, তেমনি তরুণেরাও মনে করছে, এটাই তাদের শিখতে হবে। মোবাইল ফোনে যে ইংরেজি ব্যবহার করা হয়, সেটি কিন্তু লিখিত ইংরেজি ভাষা নয়। মৌখিক ভাষা, আড্ডার ভাষা এসবের মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে মতবিনিময় করা যায়। কিন্তু আমরা এটাকেই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছি। বানানের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনা প্রয়োজন। প্রথম আলো যেমন ভাষারীতি চালু করেছে, অন্যান্য পত্রিকাও তা করতে পারে। কিন্তু বানান ইত্যাদির ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন রীতি অনুসরণ বাঞ্ছনীয় নয়।
প্রথম আলো বাংলা ভাষার গবেষণা ও বিকাশের লক্ষ্যে ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাংলা একাডেমী। সেই লক্ষ্যে তারা কতটা স্থির আছে?
আনিসুজ্জামান বাংলা একাডেমী গবেষণার ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারেনি। একে লক্ষ্যচ্যুতি বলা যেতে পারে। বাংলা একাডেমীর প্রথম বৃত্তিপ্রাপ্ত গবেষক ছিলাম আমি, কিন্তু আমিও এক বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যাই, যদিও গবেষণার কাজটি শেষ করেছিলাম। আরও অনেকে গবেষণা করেছিলেন। আবার অনেকে শেষ করেননি। পরে গবেষণা বৃত্তি বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু বাংলা একাডেমীতে নিজস্ব পরিকল্পনায় গবেষণাকাজ তেমন হয়নি। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণকে একাডেমীর নিজস্ব গবেষণা বলা যেতে পারে। এর আগে আঞ্চলিক অভিধান তৈরি করেছিল। আরেকটি কাজ হয়েছে, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। অভিধানের জন্য আলাদা সেল থাকলে বিদেশি শব্দ, মুখের শব্দ নিয়মিত অভিধানে যোগ হতে পারত। জীবনী সংকলনের জন্যও এমন সেল দরকার।
প্রথম আলো হতাশার কথা বললেন, আশার জায়গা কোথায়?
আনিসুজ্জামান আমি বলব বাংলা ভাষা প্রয়োগের দিকটি হতাশাজনক হলেও বিকাশের দিকটি হতাশাজনক নয়। গত ৫০ বছর আমাদের সাহিত্যের পরিধি বেড়েছে, প্রচুর বই বেরুচ্ছে, চর্চার ক্ষেত্র বেড়েছে। এত লেখক সৃষ্টি হয়েছে, তাও কম কথা নয়। আমাদের চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ যেখানে এগিয়ে আছে তা হলো, সেখানে নানা ভাষা জানা লোক অনেক বেশি। স্প্যানিশ, পর্তুগিজ থেকে আফ্রিকান ভাষা জানা লোক রয়েছে। আমরা এখানে ইংরেজির বাইরে তেমন কিছু জানি না।
প্রথম আলো আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আনিসুজ্জামান আপনাকেও ধন্যবাদ।
সাক্ষাত্কার নিয়েছেন: সাজ্জাদ শরিফ ও সোহরাব হাসান
প্রথম আলো আমরা ভাষা আন্দোলনের ৬০ বছরপূর্তি পালন করছি—যে আন্দোলনের সঙ্গে আপনিও যুক্ত ছিলেন। পেছনের দিকে ফিরে তাকালে কী মনে হয়?
আনিসুজ্জামান আমার জীবনের বড় সৌভাগ্য যে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ—দুটি ঘটনার সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট ছিলাম, যত ক্ষুদ্র পরিসরেই হোক না কেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের দিকে ফিরে তাকালে একটা তফাত দেখতে পাই যে সে সময়ে বাংলা ভাষাকে যেভাবে জীবনের সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম, সেই সংকল্পের দৃঢ়তা এখন নেই। এখনো হয়তো বাংলা ভাষার প্রতি আমাদের আবেগ আছে, কিন্তু সেটি তখনকার সঙ্গে তুলনীয় নয়। একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনা আমাদের জীবনকে পাল্টে দিল। এখন সেটি যতটা স্মৃতি হয়ে আছে, ততটা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে নেই।
প্রথম আলো ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা কী অর্জন করলাম?
আনিসুজ্জামান অর্জন তো আছেই। এই যে একুশে ফেব্রুয়ারি মানুষ ভাষার জন্য আত্মোত্সর্গ করল; তারপর প্রতিবছর আমরা সেই দিবসটি পালন করি। একুশে ফেব্রুয়ারি জাতীয় দিবসে পরিণত হলো, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আগেই। তারপর একসময় দোকানপাট ও গাড়ির নম্বর বাংলায় লেখা হলো। মনে আছে, সাংবাদিক এবিএম মূসা গাড়ির নম্বর বাংলায় লেখায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। সরদার জয়েনউদ্দীন ব্যাংকের চেকে বাংলায় সই দিতেন। এ নিয়েও ঝামেলা হয়েছিল। তখন প্রত্যেকেই মনে করতেন, ভাষা তাঁর অস্তিত্বের অংশ।
প্রথম আলো পরবর্তীকালে জাতীয়তাবাদী চেতনার ভিত্তিতে যে মুক্তিযুদ্ধ হলো, তার ওপরও একুশের বিশেষ প্রভাব ছিল?
আনিসুজ্জামান নিশ্চয়ই। আমি তো বলি, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের গণতন্ত্র শিখেয়েছে। আমরা কিন্তু শুধু বাংলা ভাষাকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার কথা বলিনি। বলেছি, বাংলাকে রাষ্ট্রের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করতে হবে। অর্থাত্ অন্য ভাষাভাষী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথাও বলেছি। পাকিস্তানি শাসকেরা প্রচণ্ড সাম্প্রদায়িক ছিল বলেই বাংলাকে মুসলমানদের ভাষা হিসেবে মানতে চায়নি। তারা বলত, ওটি হিন্দুদের ভাষা। বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে তাই আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনার পরিচয় দিয়েছি, একুশ আমাদের ঐতিহ্য-সচেতনতা শিখিয়েছে। ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের উদ্যোগে যে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সপ্তাহ পালিত হয় তাতে দেখলাম, শহরের সব লোক জড়ো হলো। তারা প্রদর্শনী দেখছে, বাংলা হরফের বিবর্তন দেখছে, চর্যাপদ থেকে আধুনিক বাংলা কবিতার আবৃত্তি হয়েছে—আগ্রহভরে শুনছে। এর মাধ্যমেও বাংলা ভাষার প্রতি বাঙালির ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। এই সূত্র ধরেই জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটল। এর সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনা যখন যুক্ত হলো, তখনই তা মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হলো।
প্রথম আলো আমাদের সংবিধানে লেখা আছে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।’ এ কথার মাধ্যমে জাতির কোন আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হয়েছিল? তা কতটা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে?
আনিসুজ্জামান এটি ছিল ঘোষণা, সমগ্র জাতির প্রত্যয়। ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ বলার অর্থ হলো—যেদিন সংবিধান চালু হলো, সেদিনই রাষ্ট্রভাষা বাংলা হয়ে গেল।
প্রথম আলো কিন্তু তা কি হলো?
আনিসুজ্জামান না, তা হলো না। এর একটি কারণ, বাঙালি যখন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়, তখন তারা সে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে; কিন্তু চ্যালেঞ্জ না থাকলে বোধ হয় পারে না। পাকিস্তান আমলে শাসকেরা যখন বৈজ্ঞানিক পরিভাষা আছে কি না, প্রশাসনিক পরিভাষা আছে কি না, জানতে চাইল, তখন কিন্তু বাঙালি লেখক-বুদ্ধিজীবীরা তা করে ফেললেন। ড. মুহাম্মদ কুদরাত-এ-খুদা স্নাতক শ্রেণীর জন্য রসায়নের পাঠ্যবই লিখলেন। ড. এ কে এম আবদুল ওয়াহেদ ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। অবসর নেওয়ার পর বাংলায় চিকিত্সাবিষয়ক বই লিখলেন। কিন্তু স্বাধীনতা লাভের পর উচ্চশিক্ষার পাঠ্যবই সেভাবে এগোল না। পাঠ্যবই না হওয়ায় বাংলায় উচ্চশিক্ষার বিষয়টিও বাধাগ্রস্ত হল।
এসব বিষয়ে যাঁরা বিজ্ঞ ব্যক্তি, তাঁরা এগিয়ে আসছেন না। তাঁরা এগিয়ে এলেও বাংলায় লেখার জন্য সহযোগী পাচ্ছেন না। এটি বড় সমস্যা। বাংলায় পাঠ্যবই ইত্যাদি রচনার জন্য পাকিস্তান আমলে যে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, সেটি থাকলে হয়তো কাজটা এগোত। আবার বাংলা একাডেমীর পাঠ্যপুস্তক বিভাগও কাজটি করতে পারত। ইংরেজি বই পড়ে বাংলায় পড়ানো সম্ভব হয়নি নানা কারণে।
বিষয়টি এমন নয় যে আমরা বাংলার প্রতি জোর দিতে গিয়ে ইংরেজিকে অবহেলা করেছি। বরং সব মিলিয়ে শিক্ষার মানটা পড়ে গেল। স্বাধীনতার পর দুই বছর অর্ধেক পাঠ্যক্রমে পরীক্ষাও এর অন্যতম কারণ।
প্রথম আলো স্বাধীনতার পর সর্বস্তরে বাংলা চালু করতে সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল কি না। না এটি কাগজেকলমেই সীমাবদ্ধ ছিল?
আনিসুজ্জামান সরকার অন্তত দুটো পরিপত্র দিয়েছিল। যাতে বলা হয়েছিল, সরকারি নথিপত্র বাংলায় লিখতে হবে। না লিখলে দণ্ড পেতে হবে বলে নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। তারপর এরশাদের আমলে তো সরকারি অফিসে বাংলার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হলো। বাংলা প্রচলন সেল করা হলো। কিন্তু সমস্যাটি হলো অন্যত্র। যেমন, আমাদের দেশে বরাবর নিম্ন আদালতে ইংরেজি-বাংলা দুটোই চালু ছিল। স্বাধীনতার পর নিম্ন আদালতে শুধু বাংলা ব্যবহূত হতো। কিন্তু হামিদুল হক চৌধুরী, যিনি একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলেন, আশির দশকে দেশে ফিরে হাইকোর্টে এর বিরুদ্ধে মামলা করলেন। আদালতও তাঁর পক্ষে রায় দিলেন। তখন নতুন করে নিম্ন আদালতেও ইংরেজি চালু হলো। অন্যদিকে উচ্চ আদালতে আপিল বিভাগের কোনো বিচারকই বাংলায় রায় লিখতে রাজি হলেন না। যদিও হাইকোর্ট বিভাগে তিন-চারজন বিচারক বাংলায় রায় লিখেছেন। আর কেউ এগিয়ে এলেন না। যুক্তি দেখানো হলো, এসব রায় অন্যান্য দেশে নজির হিসেবে দেখানো হবে বলে ইংরেজিতে লেখা প্রয়োজন। রাষ্ট্রভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও আদালত বললেন যে সেখানে ইংরেজি ব্যবহার করতে হবে—এটি স্বাভাবিকই মনে হয়নি। সাধারণ মানুষের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল। ৭৩-৭৪ সালে পাকিস্তান থেকে আটকে পড়া বাঙালিরা ফিরে আসার পর বললেন, তাঁদের ছেলেমেয়েরা তো বাংলা জানে না। তাদের জন্য ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রথম আলো সম্প্রতি সমরেশ মজুমদার এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, বাংলাদেশের পাঠকদের পশ্চিমবঙ্গের লেখকদের ভাষা বুঝতে অসুবিধা না হলেও পশ্চিমবঙ্গের পাঠকেরা বাংলাদেশের লেখকদের ভাষা, বিশেষ করে মুসলমান আত্মীয় সম্পর্কগুলো বুঝতে পারে না। এতে দুই বঙ্গের ভাষা এক হলেও তাদের প্রকাশভঙ্গি আলাদা হয়ে যাওয়ার শঙ্কা আছে কি না?
আনিসুজ্জামান মুসলমান আত্মীয়তাবাচক শব্দ এখনও হিন্দু বাঙালির কাছে অপরিচিত। উত্তর আমেরিকায় বিভিন্ন সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের প্রবাসীদের বলতে শুনেছি, আপনাদের (বাংলাদেশের) বইয়ে যেসব ধর্মীয় বা আত্মীয়তাবাচক শব্দ লেখা থাকে, তা আমরা বুঝতে পারি না। বইয়ের শেষে যদি শব্দের অর্থ লিখে দেন, আমাদের জন্য সুবিধা হয়। আমার জবাব দেওয়ার আগেই সমরেশ মজুমদার প্রবলভাবে আপত্তি করলেন এবং বললেন, ‘কেন, আমরা যখন হিন্দু আত্মীয়তাবাচক বা ধর্মীয় শব্দ ব্যবহার করি, তখন কি তার শব্দার্থ লিখে দিই?’
তবে কলকাতার বাঙালি পাঠকেরা মুসলমানদের অনেক কিছু জানে। সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের লেখায় ইসলাম ধর্মের শব্দ প্রচুর আছে। এতে পশ্চিমবঙ্গের পাঠকেরা আপত্তি করছে বলে মনে হয়না। তবে জানা-বোঝার ঘাটতি আমাদের দিক থেকেও আছে। আমি মনে করি, দুই দেশের সাহিত্যের আদান প্রদান বাড়লে এ সমস্যা অনেকটাই কেটে যাবে। কিন্তু সেখানেও বাধা আছে। আমাদের পুস্তকবিক্রেতারা পশ্চিমবঙ্গের বই আনলেও পশ্চিমবঙ্গের পুস্তকবিক্রেতারা আমাদের বই নিতে খুব একটা আগ্রহী নন। একবার ওখানকার এক নামকরা প্রকাশক বলেছিলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের বই আনব না। যদি বাংলাদেশের লেখকদের বইয়ের চাহিদা এখানে থাকে তবে আমরা এখানে তা ছাপব।’ যদিও বাংলাদেশের অনেক লেখকের বই পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত হচ্ছে, কিন্তু সেই অর্থে আদান-প্রদানটা কম হচ্ছে।
প্রথম আলো অতীতের পূর্ববঙ্গ বা বর্তমানের বাংলাদেশের ভাষার কি আলাদা একটা বৈশিষ্ট্য সব সময়ই ছিল না?
আনিসুজ্জামান আমি যখন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বা সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস পড়ি, তখন তেমন পার্থক্য লক্ষ করিনা। কিন্তু হয়তো অন্য কোনো লেখকের লেখায় এই পার্থক্যটা ধরা পড়ে। কলকাতার সংবাদপত্রে কিন্তু আমাদের এখানকার সংবাদপত্রের চেয়ে বেশি আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করে। তার পরও বলব, সাহিত্যে একটা পার্থক্য আছে। পশ্চিমবঙ্গের যে জীবনযাত্রা, যে রাজনীতি, যে অর্থনীতি তা আমাদের জীবনযাত্রা, অর্থনীতি, রাজনীতি থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফলে সমাজের যে ছবিটি সাহিত্যে পাওয়া যাচ্ছে, তা অভিন্ন নয়।
অন্যদিকে যে আত্মীয়তাবাচক শব্দের কথা বললাম, তাতে পার্থক্য আছে। আমাদের এখানে সাহিত্যে আঞ্চলিক শব্দের ব্যবহার বাড়ছে, পশ্চিমবঙ্গে আঞ্চলিক শব্দের ব্যবহার একেবারেই কম। ওখানকার পঞ্চাশ-পঞ্চান্ন সালের বইয়েও রাঢ় অঞ্চলের ভাষা ব্যবহূত হতো, এখন হয় না। আমাদের এখানে আঞ্চলিক শব্দের ব্যবহার শুরু হয়েছিল উপন্যাসে, নাটকে; পরে সাহিত্যের অন্যান্য শাখায়ও বিস্তৃত হয়। জসীমউদ্দীন ও আল মাহমুদের কবিতায় প্রচুর আঞ্চলিক শব্দ থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে তাঁদের বইয়ের প্রচুর পাঠক আছে।
অসুবিধা হলো, যখন আমরা জোর করে বলতে চাই যে আমরা এক শ বছর আগের ভাগীরথীর তীরবর্তী বাংলাকে কেন প্রমিত বাংলা হিসেবে মানব। এর মধ্যে একটা রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করে। আমরা যদি বলি বুড়িগঙ্গার তীরের মানুষের ভাষাকেই প্রমিত বাংলা করতে হবে, তার যৌক্তিক পরিণতি কী হবে? তাহলে কি রবীন্দ্রনাথ, শরত্চন্দ্র, নজরুল ইসলামের লেখাকে আমাদের বাংলা বলে স্বীকার করব না? আমরা যদি ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বিবেচনার ওপর জোর দিই তাহলে একসময় দুটো ভাষা হয়ে যাবে। আমরা বাংলাদেশের জন্যও তো একটি প্রমিত বাংলা তৈরি করতে পারিনি। জামায়াত নেতা গোলাম আযম লিখেছিলেন, ‘আমার ভাষার নাম বাংলাদেশি ভাষা।’ কিন্তু তা কেউ গ্রহণ করেনি। এখন যাঁরা বলছেন, আমাদের আঞ্চলিক ভাষার ভিত্তিতে লিখিত ভাষা চলতে হবে, তাঁরা বাংলাদেশি ভাষাকেই বোঝাচ্ছেন। ষাটের দশকে যে কথা আবুল মনসুর আহমদ, ইব্রাহিম খাঁ, আবুল হাশিমরা বলতেন; আধুনিকদের কাছ থেকেও সেই দাবি উঠেছে।
আমি মনে করি, সাহিত্যের প্রয়োজনে আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার চলতে পারে। কিন্তু আঞ্চলিক ভাষা কোনো দেশেই প্রমিত ভাষার জায়গাটা নিতে পারে না।
প্রথম আলো মান বাংলা নিয়ে এখন প্রবল বিতর্ক চলছে। বাংলাদেশের ব্যবহার্য বাংলা ভাষাকে আলাদা করার যে দাবি কেউ কেউ করছেন, তার মধ্যে হয়তো রাষ্ট্রীয় এককেন্দ্রিকতা ভাষার একটি সুপ্ত বাসনাও আছে। এর জন্য কি বহু আগেই একটি ভাষাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল?
আনিসুজ্জামান প্রয়োজন অবশ্যই ছিল। এখনো নেওয়া যায়। এই যে ভাষাব্যবহারের ভিন্নতা আছে, পরিকল্পনার মাধ্যমে তা কমিয়ে আনা যেতে পারে। লন্ডনপ্রবাসী এক বাঙালি একবার আমাকে প্রশ্ন করেছিল, ‘আপনি মাতৃভাষার শিক্ষার কথা বলছেন। আমাদের মাতৃভাষা সিলেটি। আমরা কেন সিলেটি ভাষায় শিক্ষা নিতে পারব না?’ আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত আঞ্চলিক ও প্রমিত বাংলার পার্থক্য করতে না পারব ততক্ষণ এ সমস্যা থাকবে। আমরা বাড়িতে লুঙ্গি-গেঞ্জি পরে থাকলেও কিন্তু বাইরে সেটি পরি না। যোগাযোগের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ভাষাকে মাধ্যম হিসেবে নেওয়া ঠিক নয়।
প্রথম আলো ভাষার সঙ্গে জাতীয়তাবোধের একটি সম্পর্ক আছে। আবার ভাষা পরিকল্পনা নিলে অন্যান্য ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার কোনো বিরোধ তৈরি হবে কি না?
আনিসুজ্জামান যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাষাপরিকল্পনা নেওয়া হয়, তাতে বাংলা ছাড়া অন্যান্য ভাষার মর্যাদা কী হবে, সেসব ভাষার কী কাজ হবে, তা নির্ধারণ করতে পারলে কোনো সমস্যা হবে না। আজ হয়তো আমরা চাকমা ও গারো ভাষায় পাঠ্যবই তৈরি করতে পারছি না, কিন্তু ভবিষ্যতে এটি অসম্ভব নয়। সাঁওতাল ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা ইতিমধ্যে চালু আছে।
ভাষাপরিকল্পনার প্রথম কথা হবে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করা। কেননা, আমরা সংবিধান থেকে তো দূরে যেতে পারব না। আমরা দ্বিতীয় ভাষা কী শিখব, কোন পর্যন্ত শিখব তা পরিকল্পনায় থাকবে। এরপর আসবে দেশের অন্যান্য ভাষার বিকাশে কী পদক্ষেপ নিতে পারি। এই তিনটি বিষয় মাথায় রেখে আমাদের প্রাথমিকভাবে এগোতে হবে।
প্রথম আলো যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমাদের মান বা প্রমিত বাংলাই ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু ভাষাপরিকল্পনায় বাংলায় অন্যান্য ভাষা থেকে শব্দ আমদানির ওপর জোর দিলে বাড়তি কোনো চাপ সৃষ্টি করবে কি না?
আনিসুজ্জামান যদি স্বাভাবিকভাবে কোনো শব্দ আসে আপত্তি নেই। কিন্তু জোর করে শব্দ আনা, কিংবা আইয়ুব খানের মতো কিছু উর্দু, কিছু বাংলা মিলিয়ে একটি সংকর ভাষা তৈরি করা ঠিক হবে না। ভারতও হিন্দিকে কিন্তু যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে দাঁড় করাতে পারেনি। হিন্দির প্রসার ঘটেছে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। যার প্রভাব এখন বাংলাদেশেও পড়েছে। আমার বাড়ির উল্টো দিকের একটি রেস্তোরাঁর নাম দিয়েছে ‘আপকে রোটি চাওল আওর গোশত’। পাকিস্তান আমলেও কিন্তু কোনো রেস্তোরাঁর এ ধরনের নাম ছিল না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার হিন্দিকে যেখানে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, সেখানে নিতে পারেনি। বরং সারা ভারতে ইংরেজির প্রসার বেড়েছে, তা যোগাযোগের সাধারণ মাধ্যম হয়েছে।
প্রথম আলো আপনি হিন্দির প্রভাবের কথা বলেছেন। ভাষা তো কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এর সঙ্গে জীবনযাপন, সংস্কৃতি, রাজনীতিও অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এতে বাংলা ভাষার ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?
আনিসুজ্জামান বাংলা ভাষা বিকৃত হওয়ার সম্ভাবনা এ উত্স থেকেই সবচেয়ে বেশি। আঞ্চলিক ভাষা থেকে বিকৃতির সম্ভাবনা ততটা নয়। আরেকটি বিষয়, পাকিস্তানি শাসকেরা উর্দু আমাদের ওপর চাপাতে চেয়েছিল। আর হিন্দি এসেছে বিনোদনের মধ্য দিয়ে। একসময়ে কিন্তু বাংলাদেশের টিভি নাটক পশ্চিমবঙ্গে বেশ জনপ্রিয় ছিল। এখন উল্টো বাতাস বইতে শুরু করেছে বলেই আমাদের শঙ্কা জাগে। তাই বলে আমরা জানালা বন্ধ করে দেব না, নিজেদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। হিন্দি ভাষার প্রভাব যে বিপজ্জনক, সে কথাটিও স্পষ্ট জানাতে হবে। আমাদের টিভি অনুষ্ঠানের মানও বাড়াতে হবে।
প্রথম আলো বাংলা ভাষা ব্যবহারে যে অরাজকতা চলছে, বিশেষ করে গণমাধ্যমে, তা অপনোদনের উপায় কী?
আনিসুজ্জামান অরাজকতা নানা ধরনের। শব্দব্যবহারে অরাজকতা একটি। একটি ছোট উদাহরণ দিই। ‘অন্যতম’ শব্দের অর্থ ‘অনেকের মধ্যে একজন’। কিন্তু পত্রপত্রিকায় লেখা হয় ‘অন্যতম একটি কারণ’। ভুল বানান, ভুল বাক্য ব্যবহার এবং ইংরেজি শব্দের যথেচ্ছ ব্যবহার চলছে। এফএম রেডিওতে হিন্দি, ইংরেজি ও বাংলার মিশেলে এক ধরনের জগাখিচুড়ি ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা যেমন তরুণদের লক্ষ করে এসব ভাষা ব্যবহার করছে, তেমনি তরুণেরাও মনে করছে, এটাই তাদের শিখতে হবে। মোবাইল ফোনে যে ইংরেজি ব্যবহার করা হয়, সেটি কিন্তু লিখিত ইংরেজি ভাষা নয়। মৌখিক ভাষা, আড্ডার ভাষা এসবের মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে মতবিনিময় করা যায়। কিন্তু আমরা এটাকেই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছি। বানানের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনা প্রয়োজন। প্রথম আলো যেমন ভাষারীতি চালু করেছে, অন্যান্য পত্রিকাও তা করতে পারে। কিন্তু বানান ইত্যাদির ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন রীতি অনুসরণ বাঞ্ছনীয় নয়।
প্রথম আলো বাংলা ভাষার গবেষণা ও বিকাশের লক্ষ্যে ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাংলা একাডেমী। সেই লক্ষ্যে তারা কতটা স্থির আছে?
আনিসুজ্জামান বাংলা একাডেমী গবেষণার ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারেনি। একে লক্ষ্যচ্যুতি বলা যেতে পারে। বাংলা একাডেমীর প্রথম বৃত্তিপ্রাপ্ত গবেষক ছিলাম আমি, কিন্তু আমিও এক বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যাই, যদিও গবেষণার কাজটি শেষ করেছিলাম। আরও অনেকে গবেষণা করেছিলেন। আবার অনেকে শেষ করেননি। পরে গবেষণা বৃত্তি বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু বাংলা একাডেমীতে নিজস্ব পরিকল্পনায় গবেষণাকাজ তেমন হয়নি। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণকে একাডেমীর নিজস্ব গবেষণা বলা যেতে পারে। এর আগে আঞ্চলিক অভিধান তৈরি করেছিল। আরেকটি কাজ হয়েছে, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। অভিধানের জন্য আলাদা সেল থাকলে বিদেশি শব্দ, মুখের শব্দ নিয়মিত অভিধানে যোগ হতে পারত। জীবনী সংকলনের জন্যও এমন সেল দরকার।
প্রথম আলো হতাশার কথা বললেন, আশার জায়গা কোথায়?
আনিসুজ্জামান আমি বলব বাংলা ভাষা প্রয়োগের দিকটি হতাশাজনক হলেও বিকাশের দিকটি হতাশাজনক নয়। গত ৫০ বছর আমাদের সাহিত্যের পরিধি বেড়েছে, প্রচুর বই বেরুচ্ছে, চর্চার ক্ষেত্র বেড়েছে। এত লেখক সৃষ্টি হয়েছে, তাও কম কথা নয়। আমাদের চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ যেখানে এগিয়ে আছে তা হলো, সেখানে নানা ভাষা জানা লোক অনেক বেশি। স্প্যানিশ, পর্তুগিজ থেকে আফ্রিকান ভাষা জানা লোক রয়েছে। আমরা এখানে ইংরেজির বাইরে তেমন কিছু জানি না।
প্রথম আলো আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আনিসুজ্জামান আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1337)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
February
(3241)
-
▼
Feb 19
(110)
- চারদিক-ভাদ্রের বিকেলে, আড়িয়ল বিলে
- সরল গরল-তিস্তা চুক্তি নিয়ে প্রহসন by মিজানুর রহমান...
- চারদিক-ভাদ্রের বিকেলে, আড়িয়ল বিলে
- ঘোলা পানি-দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া
- এক যুগ পরে-আনন্দবাজার পত্রিকা
- নষ্টের গোড়া মমতা-দ্য হিন্দু
- মনমোহনের বাংলাদেশ সফর-সম্পর্কের উষ্ণতা ও সফরের ফলা...
- টেন্ডারবাজি ক্ষমতাসীনদের অধিকার নয়-প্রতিমন্ত্রীর এ...
- এখন বাংলাদেশের যা করা উচিত-মনমোহনের ঢাকা সফর
- চারদিক-দুখীর দুঃখ মোচন
- কালের পুরাণ-দুর্লভ’ ভিসা ও টিভি চ্যানেলে নিষেধাজ্ঞ...
- সমঝোতা দুই দেশেরই দরকার by আকবর আলি খান
- কেবল মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে-বরিশাল ব...
- এখন সম্পর্ক উন্নয়নের দায় ভারতেরই-প্রত্যাশার পিঠে আঘাত
- এখন ভারতকেই এগিয়ে আসতে হবে by কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ
- জন্মদিন-মাটির মানুষের সাংবাদিক by এবিএম মূসা
- সহজিয়া কড়চা-রাষ্ট্রনেতাদের শীর্ষ বৈঠক: জনগণের নিয়ত...
- স্মরণ-স্বাস্থ্য-সমাজসংগঠক মোহাম্মদ ইব্রাহিম by মোহ...
- অরণ্যে রোদন-সুন্দর বাংলাদেশে স্বাগত, হে অতিথিগণ by...
- নিপীড়ক স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত-শিকল...
- তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি না হওয়া দুর্ভাগ্যজনক-মনম...
- বিশেষ সাক্ষাৎ কার-এমন কিছুই করব না যাতে বাংলাদেশ ক...
- রমেন কাকুর অটোভুলোগ্রাফি
- সকরুণ ভুলের গল্প
- পোস্টকার্ড বিড়ম্বনা
- ভুলপত্র
- অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি এটা পাঠকসংখ্যা!-একটা মাস যেত...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-যেভাবে তিনি মাদার তেরেসা
- সড়ক শৃঙ্খলা-বিআরটিএ সংস্কারে কিছু সুপারিশ by মো. আ...
- মন্ত্রিসভা-মন্ত্রীদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে না কেন! b...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-দ্বিতীয় অজিত রায় আর জন্মাবে না by কাম...
- সরল গরল-অমীমাংসিতই থাকবে সমুদ্রসীমা? by মিজানুর রহ...
- চিকিৎসাসেবার মান কোথায় গিয়ে ঠেকেছে?-ঢাকা মেডিকেল ক...
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন-মন্ত্রীদের সম্পদে...
- ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক-মনমোহনের সফর ও সামনে এগোনোর ...
- সবুজ বেষ্টনীর কৃষ্ণ স্বজন by শেখ রোকন
- গৃহশ্রম-আমাদের শহরে কতিপয় নূরজাহান by আলতাফ পারভেজ
- সময়ের কথা-নিজস্বতা কেন হারিয়ে যেতে দিচ্ছি by অজয় দ...
- ফ্যাশন ও শারাপোভা
- ভালোই লাগছে বিপিএল by সাকিব আল হাসান
- নারী নির্যাতন-পথ শ্বাপদসংকুল কেন?
- প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা-শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিতে হ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-অনুতপ্তদের দেওয়া সাদকা বা জাকাত...
- সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড : ধামাচাপা নয়, বিচার চাই by ম...
- দুই দলের পরস্পরবিরোধী অবস্থান by ড. ইমতিয়াজ আহমেদ
- প্রক্রিয়াটি নিয়েই প্রশ্ন আছে by মোহাম্মদ মনিরুজ্জা...
- চরাচর-বইমেলা বন্দনা by মযহারুল ইসলাম বাবলা
- একুশের চাওয়া একুশের পাওয়া-বাংলায় উইকিপিডিয়া by রাগ...
- বিশ্ববিদ্যালয়-চাকরির বয়সসীমা বাড়ানো কেন?
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-আমাদের একটি ভাষাপরিকল্পনা থাকা প...
- নিয়মিত নজরদারি থাকতে হবে-সেতুর সুরক্ষাবেষ্টনীর নির...
- বাড়তি তেল খরচ করলে ভর্তুকিমূল্যে কেন?-ভাড়াভিত্তিক ...
- রঙ্গব্যঙ্গ-একটি মার্কিন হুকুমনামা by মোস্তফা কামাল
- বৃত্তের ভেতরে বৃত্ত-প্রবাসীরা বিনিয়োগে আগ্রহী, কিন...
- রুই-কাতলা ও চুনোপুঁটি by এ এম এম শওকত আলী
- সিলেটে নিজ ঘরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত
- পিরোজপুরে মা-মেয়ে খুন
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ডেইলি স্টারের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী-তরুণ প্রজন্মক...
- তিন দিনে দুই হাজার গাছ কর্তন-উজাড় হচ্ছে ইনানী সৈকত...
- বইয়ের মেলা প্রাণের মেলা-বইপ্রেমীর প্রাণের কোলাহল b...
- মিডিয়া ভাবনা-‘মানি না’ সংস্কৃতি থেকে বিএনপিকে বেরো...
- পদ্মা সেতু প্রকল্পে মালয়েশিয়ার প্রস্তাব-বিনিয়োগের ...
- উন্নয়নকর্মীদের মিলনমেলায় মুহাম্মদ ইউনূস-এগিয়ে আসতে...
- সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানচেষ্টা তদন্ত শেষ পর্যায়ে, ম...
- তিস্তা নিয়ে অনড় মমতা by রাহীদ এজাজ
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-যথাযথ বাস্তবায়নে দূরদর্শিত...
- ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা কাম...
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহর সঙ্গে শরিক করার পাপ কখন...
- ব্রায়ান ওয়াল্শ-মোবাইল ফোন ও ব্রেইন টিউমার বিতর্ক
- মত ও মন্তব্য-বিদায় মকবুল ফিদা হুসেন by হারুন হাবীব
- চরাচর-বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে মাটির ঘর by সাইফুল ইসলাম খান
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- এমএলএম : ধ্বংস হোক আবু লাহাবের হাত by মহসীন হাবিব
- মেনে নেওয়া যায় কি 'হাফ-পাকিস্তান' by মুজাহিদুল ইসল...
- তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প-আগে পানিপ্রাপ্তি নিশ্চিত কর...
- আসন্ন রমজান ও দ্রব্যমূল্য-বাজার তদারকির ব্যবস্থা জ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-কুকর্ম করে অন্যের ওপর দোষ চাপান...
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অবলুপ্তি ও মধ্যবর্তী নির্বাচন...
- প্রস্তাবিত বাজেট ও বিদ্যুৎ সমস্যা নিরসন প্রসঙ্গে b...
- শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস-পারুলদের কথা by তামান্না ইস...
- রঙ্গব্যঙ্গ-ফজলু মিয়ার বাজেট by মোস্তফা কামাল
- বৃত্তের ভেতর বৃত্ত-দারিদ্র্যপীড়িত দেশে বিলাসী মন্ত...
- কৃষি, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উন্নয়নের নতুন দিগন্ত by এ...
- আবার হরতাল-জনদুর্ভোগ আর বাড়াবেন না
- শহীদ ময়েজউদ্দিন by এনামুল হক
- সৌদি নারীর ভোটাধিকার-সাংস্কৃতিক রূপান্তরের পথে রক...
- ব্যক্তিত্ব-ইতিহাসই তাকে মহান করেছে by বদিউর রহমান
- পেনশনের টাকা-৩৯ বছর অনেক সময়
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-যুক্তিপূর্ণ বিচক্ষণ অবস্থানে...
- ২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেট-বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধ...
- চরাচর-আম নামতা by ফখরে আলম
- পবিত্র কোরআনের আলো-কুকর্ম মানুষের কাছে লুকাতে পারল...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-কিবরিয়া এবং তাঁর রংতুলির সংসার by ড. ...
- সদরে অন্দরে-সার্টিফিকেটই যদি হয় লেখাপড়ার উদ্দেশ্য ...
- ইতিউতি-বাজেট আসে-যায়, মূল্যস্ফীতি থাকে by আতাউস সামাদ
- নিশ্চিহ্ন হচ্ছে ঐতিহাসিক স্থাপনা-অবিলম্বে ঐতিহ্য র...
- বিএনপির বিকল্প বাজেট-সমস্যা সমাধানে প্রস্তাব থাকা ...
- চরাচর-ধানের বিলুপ্তি ও সম্ভাবনা by সাইফুল ইসলাম খান
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-২৮)-বাবার চলে যাওয়ার পর ...
- সিলেটের মণিপুরি হস্তশিল্পের সমস্যা ও সম্ভাবনা by ড...
- শেকড়ের ডাক-বাজেট ও অরক্ষিত উপকূলবাসী by ফরহাদ মাহমুদ
- রিক্ত হাতে চলে গেলেন তাঁরা by আবেদ খান
- শ্রীরামকৃষ্ণের ধর্ম-ভাবনা by আনিসুজ্জামান
- সংস্কৃতি চর্চা-সোনারগাঁর কলঙ্কদাগ মুছে ফেলতে হবে b...
- ফারাক্কার ভূত by শেখ রোকন
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-চরিত্র চিত্রণে নিবিষ্ট যে জন by মুস্ত...
- সময়ের কথা-উচিত-অনুচিত by অজয় দাশগুপ্ত
- সংকটে বিজেএমসি-দুর্নীতি ও অব্যবস্থা দূর হোক
- বিএসএফের মানবাধিকার লঙ্ঘন-বালাকৃষ্ণানের অভিমত আমলে...
-
▼
Feb 19
(110)
-
▼
February
(3241)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment