Monday, August 27, 2012
শিল্প ও সংগ্রামে by বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
শিল্প ও সংগ্রামে by বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর। বি কে জাহাঙ্গীর নামেও সাধারণ্যে পরিচিত। সৃষ্টিশীলতা ও মননশীলতার জগতে যুগপৎ সাবলীল পরিভ্রমণে সক্ষম মুষ্টিমেয় ব্যতিক্রমীদের অন্যতম তিনি। শিল্প-সাহিত্যের নানা পথে মেধাবী পদচারণা ছয় দশকের বেশি সময়জুড়ে।
কবিতার জন্য গল্পের জন্য আলোচিত হতে শুরু করেছিলেন গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকের শুরু থেকেই। দ্বিজাতিতত্ত্বের পাকিস্তানের আচ্ছন্নতা মুক্ত থেকে মুক্তবুদ্ধির চর্চা তথা সমাজ রূপান্তরের বোধসম্পন্ন চিন্তার সংস্পর্শে আসেন বলতে গেলে কিশোর বয়সেই। তারপর থেকে আজ অবধি আমাদের ভূখ-ে মানুষের বাসযোগ্য সমাজ মানুষের বাসযোগ্য রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চিন্তা ও কর্মে নিযুক্ত বি কে জাহাঙ্গীর। তবে তাঁর চিন্তা ও কর্ম নিতান্ত নিজ-ভূগোল প্রীতিতে আচ্ছন্ন না থেকে সম্প্রসারিত-ভুবন দৃষ্টিকে পরম-প্রয়োজনীয়তা হিসাবে মান্য করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার দীর্ঘজীবনে তত্ত্বকে ভেঙে দেখানোর দক্ষতা, তত্ত্বকে বাস্তবের সঙ্গে মিলিয়ে দেখানোর পারঙ্গমতা আর বৈশ্বিক জ্ঞানকা-ের সর্বশেষ অগ্রগতিগুলোর বিষয়ে অতি সাবলীল পর্যালোচনার সক্ষমতায় ঋদ্ধ করেছেন অগণিত শিক্ষার্থীকে। বিপ্লব, জাতীয়তাবাদ, মৌলবাদ, কৃষক সমাজ, ধনতন্ত্রের সীমাবদ্ধতা, রাষ্ট্রিক সন্ত্রাস, লড়াই-সংগ্রামে নারীর ভূমিকাসহ প্রাসঙ্গিক নানাবিধ বিষয়ে বি কে জাহাঙ্গীরের প্রজ্ঞাপূর্ণ অবিরাম লেখালেখির গুরুত্ব অনস্বীকার্য। চিত্রকলা প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া বোদ্ধার সংখ্যাও অনেক বড়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকতা করলেও নৃবিজ্ঞানী হিসেবে বি কে জাহাঙ্গীরের কর্মপরিধি ব্যাপক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নৃবিজ্ঞান বিভাগ বলতে গেলে তাঁর হাতেই তৈরি। গত তিন দশক ধরে বাংলাদেশে তাৎপর্যবাহী জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে নিবিড় অবদান রেখে চলেছে তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘সমাজ নিরীক্ষণ কেন্দ্র।’ বলা যায় ‘সমাজ নিরীক্ষণ কেন্দ্র’কে ঘিরে তৈরি হয়েছে জ্ঞানচর্চার সুনির্দিষ্ট একটি ধারা। এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত গবেষণা-জার্নাল ‘সমাজ নিরীক্ষণ’ ও ‘জার্নাল অব সোশ্যাল স্টাডিজ’ এ নিয়মিত লেখালেখি করেন দেশ-বিদেশের গবেষক ও প-িতরা।
বি কে জাহাঙ্গীরের তাঁর জীবন ও চিন্তা নিয়ে জুলাই মাসজুড়ে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক শান্তনু মজুমদারের সঙ্গে। দৈনিক জনকণ্ঠের পাঠকদের জন্য মাস-দীর্ঘ এই আলোচনাটির প্রথম অংশটি ছাপা হচ্ছে। এই অংশে বি কে জাহাঙ্গীরের শৈশব-কৈশোর-তারুণ্যের নানা স্মৃতি, নানা যুক্ততার বিবরণ-বিশ্লেষণ, মানস গঠনে প্রভাব সৃষ্টিকারী ঘটনাবলী স্থান পেয়েছে। বি কে জাহাঙ্গীরের অনবদ্য কথা-শৈলীর বরাতে পাকিস্তানের প্রথম দিকে পূর্ব বাংলায় বুদ্ধিবৃত্তির নয়া-বিন্যাসের উত্থানপর্বেরও হদিস পাওয়া যাবে এখানে।
ঝালকাঠিময় শৈশব স্মৃতি
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরের জন্ম চাঁদপুরের কচুয়ার গুলবাহার গ্রামে। ১৯৩৬ সালে। গুলবাহারকে ঘিওে শৈশবের কোন স্মৃতি তাঁর নেই । শৈশব স্মৃতির প্রতি পরতে জড়িয়ে আছে ঝালকাঠি। চাঁদপুরের মানুষ ঝালকাঠিতে কী? জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “বাবা ছিলেন ঝালকাঠি সরকারী স্কুলের শিক্ষক; আসলে উনি ছিলেন স্কুল পরিদর্শক। স্বদেশী আন্দোলনের সময় ঝালকাঠি স্কুলের ছাত্ররা বেশ একটা ভূমিকা রাখে। আন্দোলন শেষ হয়ে গেলে পরে ব্রিটিশরা এই স্কুলকে নানান সমীকরণ থেকে সরকারীকরণ কওে ফেলে। কিন্তু সে সময় আবার মুসলিম শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছিল না চাহিদামতো; তখন আমার আব্বার পরিদর্শকের পদ পালটে ঐ স্কুলের শিক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়, যার সুবাদে আমাদের পরিবার ঝালকাঠিতে যায়।” এটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের কথা।
বি কে জাহাঙ্গীর এখনো, প্রায় সাত দশক পরেও বিনা আয়াসে স্মরণ করেন ঝালকাঠি। তাঁর মনে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশ শাসকদের সৃষ্ট দুর্ভিক্ষের কথা। আম্মা যেদিন আব্বাকে জানান, ‘ঘরে একটুও চাল নেই’ সেদিন প্রথম দুর্ভিক্ষ ব্যাপারটা বুঝতে শুরু করেন। “মণকে মণ চাল আমরা কিনতাম না কিন্তু যখন যা লাগত কেনা হতো। সেবার অন্যরকম দেখা গেলো; আব্বা চাল যোগাড় করতে পারছেন না।” এর কিছুদিনের মধ্যে দুর্ভিক্ষ একেবারে চাক্ষুষ হয়ে ওঠে। ঝালকাঠি বাজারজুড়ে দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষ আর মানুষ। হাতপাতা মানুষ। সবখানে ‘কিছু দ্যান’ আওয়াজ। ভাত না হোক ভাতের মাড়। তখন প্রাইমারী যাওয়া জাহাঙ্গীরের মন সাংঘাতিক আলোড়িত হতে থাকে। আব্বার ভূমিকা ছিল দারুণ সে সময় “লঙ্গরখানা, চাউল বিতরণ, অনাহারে মৃতের দাফনে কাটাতেন সারাদিন।”
মনে রয়ে গেছে ঝালকাঠিতে গোরা সৈন্যদের তৎপরতা। বাজাওে যেদিকটায় থানা ছিল সেদিকে আস্তানা নিয়েছিল গোরারা। নদীর নৌকাগুলো ফুটো করে দিচ্ছে গোরারা। এ দৃশ্য এখনো চোখে ভাসে। তখন বিশ্বযুদ্ধ চলছে। বোঝা যায়, জাপানীদের ঢুকে পড়ার আশঙ্কায় ব্রিটিশদের গৃহীত পোড়ামাটি নীতির আওতা থেকে ঝালকাঠির মতো বলতে গেলে প্রত্যন্ত এক এলাকাও বাদ পড়েনি। ঝালকাঠির সঙ্গে দেশভাগের স্মৃতি ওতপ্রোত হয়ে আছে বি কে জাহাঙ্গীরের মধ্যে। তখন দেশভাগের আগের বছরগুলো। নিতান্ত বালক জাহাঙ্গীর সহসা লক্ষ্য করেন “হিন্দু সহপাঠীদের সঙ্গে কেমন যেন একটা দূরত্ব হয়ে যাচ্ছে। অথচ আমরা অনবরত হিন্দু বন্ধুদের বাড়ি যেতাম। হিন্দু সহপাঠীরা একটু কম হলেও আমাদের বাড়ি নিয়মিত আসত।” হঠাৎ যেন এসবে ছেদ পড়তে থাকল। সেই যে স্কুলের স্কাউট শিক্ষক রমেশ বাবু স্যার; দারুণ ফুটবল খেলতেন। অকৃতদার রমেশ স্যার মাঝে-মধ্যেই বাড়ি নিয়ে যেতেন; বিধবা বোনটির বানানো খাবার খাওয়াতেন। সেই প্রথম বুঝতে পারা যে হিন্দু বাড়ি আর মুসলিম বাড়ির খাবারে কিছু তফাৎ আছে। দেশভাগের হাওয়ায় সেসব যাওয়া-যাওয়িতে কেমন যেন ভাটা লাগে। ঝালকাঠি নিয়ে কথায় বি কে জাহাঙ্গীরের মনে আসে জ্ঞানবাবুকে। ডাক্তার মানুষ। একটা লঞ্চ ছিল। ওটা নিয়ে গ্রামে-গ্রামে রোগী দেখে বেড়াতেন। ছিলেন আব্বার সহকর্মী হেমবাবু স্যার। “সাইকেলটা চালিয়ে আমাদের বাড়ি এসে বলতেন, তোমার আম্মার কাছ থেকে মুরগির ডিম নিয়ে আস। আমি এনে দিতাম। আম্মা মুরগি পালতেন।”
শৈশবের ঝালকাঠির আরো অনেকের কথা মনে আছে, তবে আজিজ ভাইয়ের মতো আর কাউকে নয়। সেই যেদিন আম্মা আব্বাকে জানিয়েছিলেন ঘরে চাল নেই সেদিন আজিজ ভাই বিষখালী নদীর অপর পাড়ে গিয়ে আধা বস্তা চাল যোগাড় করে এনে দিয়েছিলেন। এমনিতেও বাড়ি থেকে আসার সময় দুধ নিয়ে আসতেন প্রতিদিন। সকালে এসে নাস্তা সেরে জাহাঙ্গীর ও অন্য ভাইবোনদের পড়াতে বসতেন। যেদিন আজিজ ভাইকে থানার বারান্দাতে কোমরে দড়ি অবস্থায় দেখতে পাওয়া গেল সেদিনকার মতো আঘাত এর আগে কখনও পাওয়া হয়নি বালক জাহাঙ্গীরের। করেছেন কী আজিজ ভাই? কী করেছেন আজিজ ভাই? ঘুরে ঘুরে একই প্রশ্ন একে-তাকে। পরে এক কনস্টেবল সাহেব জানান, “আজিজ বড় সাংঘাতিক লোক! সে চুরি-ডাকাতির চেয়েও অধম কাজ করেছে। সে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। সে টেলিগ্রাফের লাইন কেটে দিয়েছে।” কনস্টেবল সাহেবের কথা মাথায় ঢুকে না। পরে আব্বা বলেন, ‘আজিজ রাজনীতি করে। সে সোশ্যালিস্ট পার্টি করে।‘ ততদিনে কংগ্রেসের নাম জানা হয়ে গেছে, মুসলিম লীগের কথাও। এদেরকে দেখা যায় ঝালকাঠিতে। কিন্তু সোশ্যালিস্ট? সেটা কী? জিজ্ঞেস করলে আব্বার উত্তর, ‘বড় হও, তখন বুঝবে।’ শব্দটা মাথায় রয়ে যায় কিন্তু কিছুদিনের জন্য হারিয়ে যান আজিজ ভাই। জানা যায় আজিজ ভাইয়ের জেল হয়েছে।
কিছুদিন জেল খেটে প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে আবার ঝালকাঠিতে আসেন আজিজ ভাই। তবে তখন থেকে তিনি থাকতেন বরিশালে। ঝালকাঠি আসার সময় জাহাঙ্গীরদের জন্য নিয়ে আসতেন বই। একটা লাইব্রেরিও গড়ে দিয়েছিলেন। পাঠ্যপুস্তকের নয়, ‘আউট বই’ এর লাইব্রেরি। আব্বার সহায়তায় আজিজ ভাইয়ের গড়া লাইব্রেরি নিয়ে বি কে জাহাঙ্গীর বলেন, “সেখানে ছোটদের রাজনীতি, ছোটদের অর্থনীতির মতো অনেক বই ছিল। আজিজ ভাই যখনই আসতেন তখনই আমাদের কয়েকজনকে নিয়ে বেড়াতে যেতেন আর আমাদের পড়া বইগুলো নিয়ে আলাপ করতেন।” একটা সময় এসে জানা গেল আজিজ ভাই আরএসপি অর্থাৎ রেভ্যুলিউশনারি সোশ্যালিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত।
জিজ্ঞাসা করি, আজিজ ভাই কি আপনাকে বা আপনার সহপাঠীদের কাউকে তাঁর পার্টিতে নিতে চেয়েছিলেন?
“না। তেমন কিছু তিনি করেননি। তবে তিনি আমাদের মাথায় কতগুলো প্রশ্ন আর তথ্য ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। আমাদের লোকেরা গরিব কেন? এর জন্য দায়ী কারা। জানিয়েছেন যে এসবের জন্য দায়ী ইংরেজরা। আমাদের মুক্তির পথে অন্তরায় কট্টর হিন্দু আর কট্টর মুসলিমরা। হিন্দু মহাসভা। মুসলিম লীগ। এরকমসব কথা বলতেন আজিজ ভাই।” আলাপে মনে হয় মুক্তমনা পিতার কথা বাদ দিলে, এই গৃহশিক্ষক মোহাম্মদ আজিজ হচ্ছেন বি কে জাহাঙ্গীরের শৈশবে মানসগঠনে বড় ছাপ রেখে যাওয়া প্রথম মানুষ।
ঝালকাঠি নিয়ে কথাগুলো বলার সময় নিজের অজান্তেই কি গলা একটু ধরে আসে বি কে জাহাঙ্গীরের? কে জানে? দক্ষিণবঙ্গের এই জনপদ নিয়ে তাঁর স্মৃতি মনে হয় অফুরান। যেন দেখতে পাচ্ছেন এখনও ঐ যে নদীর পার ধরে চলতে থাকা রাস্তা; হাওয়াতে শনশন দু’পাশে ঝাউগাছ। রাস্তার মাথাতে সরকারী লাশকাটা ঘর। ওটার আশপাশে পৌঁছলেই কি ভয় কি ভয়। নাক-কান বুজে একদৌড়ে জায়গাটা পার হয় জাহাঙ্গীর ও সাথীরা। ভয় লাগে তবু রাস্তাটা টানে।
ঝালকাঠিতে থাকার সময় মধুর স্মৃতিগুলোর দুয়েকটি শুনতে চাওয়া হলো।
“একবার কলকাতা থেকে নাটকের দল এসেছে। বড় হয়ে বুঝেছিলাম ওরা ছিল কমিউনিস্টপন্থী আইপিটিএ।” ‘ছেঁড়াতার’ নাটক হবে হিন্দুদের সঙ্কীর্তনের থানে। জাহাঙ্গীররা ঘুর ঘুর করে। টিকেট কেনার পয়সা নেই। কিন্তু নাটক দেখা চাই যে। শেষে দলের নাটকের দলের এক কর্তা সবাইকে বসিয়ে দেয় মঞ্চের সামনে বসানো শতরঞ্চিতে। “আমরা সবাই, আমার হিন্দু সহপাঠীরা, আমার মুসলিম সহপাঠীরা, আমরা একেবারে অভিভূত হয়ে যাই নাটক দেখে” সে কোন এক সন্ধ্যার নাটক নিয়ে এখনও মুগ্ধতা ঝরে কণ্ঠে। মনে আছে, ঘাটে ভিড়ে থাকা জাহাজের আলোতে ঝলমলানো সন্ধ্যাগুলোর কথা। ঝালকাঠিতে তখনো বিজলী বাতি আসেনি। জাহাজগুলো ডায়নামো চালিয়ে আলো জ্বালাত। ছোটদের সে যে কি আকর্ষণ। দল বেঁধে উঠে পড়া হতো জাহাজে। সারেঙ-সুখানীরা বকা লাগাতেন না; শুধু জাহাজ ছাড়ার ভেঁপু বাজলেই নেমে যাবার কথা মনে করিয়ে দিতেন। বাজারের কাছাকাছি ভূ-কৈলাসের জমিদার বাবুদের বাড়িখানাও ছিল ‘দেখার মতো।’ সে বাড়ির স্থলপদ্মের বাগানখানি! দুর্ভিক্ষ দেখতে এসে গান্ধীজী একবার ছিলেন এই বাড়িতে।
গান্ধী মানুষটা কে? কি তাঁর গুরুত্ব? খুব স্পষ্ট না হলেও মোটামুটি বুঝতে পারছিলেন তখন। সে আমলে ঝালকাঠি পাঠ-আমোদী মানুষের চাহিদা মেটাত দুটি বইয়ের দোকান। একটি নূর মোহাম্মদ মিয়ার। তাঁর দোকানে আজাদ পত্রিকা পাওয়া যেত। আরেকটি দোকান ছিল কৈলাস বাবু। সে দোকানে থাকত আনন্দবাজার পত্রিকা। দেশ তখন হিন্দু-মুসলিম লাইনে সরে যাচ্ছিল; বোঝাই যাচ্ছে। মহাযুদ্ধ শেষ হয়েছে; এদিকে দেশভাগ চূড়ান্ত হয়ে উঠছে। এমনি সময়ে ঝালকাঠিতে দাঙ্গা-হাঙ্গামা হতে থাকে। জাহাঙ্গীর বুঝতে শেখেন ‘হিন্দু-মুসলমানে ঝগড়া করে। হিন্দু-মুসলমানে কাজিয়া করে।’ চেনা ঝালকাঠি অচেনা হতে থাকে যেন। অবস্থা এমন জায়গায় চলে যায় যে ‘আব্বা বলে দিলেন সন্ধ্যার পর একলা বাজারের দিকে যাওয়া যাবে না।’
১৯৪৬ সাল : কৈশোরে ঢাকাতে
আশেক আলী খান-সুলতানা খানম দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান মিসবাহউদ্দীন খান মেট্রিক পাস করলে তাকে ঢাকায় পড়তে পাঠানো হয়। সে ধারাবাহিকতাতে চতুর্থ সন্তান তথা দ্বিতীয় পুত্র বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরকেও ঢাকায় ভর্তি করা হয়; মুসলিম হাইস্কুলে। থাকার জায়গা হয় ডাফরিন হোস্টেলে। লর্ড ডাফরিনের নামে হোস্টেলের নাম। ঢাকাতে এসে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় থেকে রায়টের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করতে থাকেন জাহাঙ্গীর। মুসলিম স্কুল ছিল ভিক্টোরিয়া পার্কের (বর্তমানের বাহাদুর শাহ পার্ক) পাশে। এর একদিকে ছিল হিন্দু-বসত; অন্যদিকে মুসলিম। দু’পক্ষের মধ্যে যখন-তখন বেধে যেত। এমনকি স্কুলগুলোতেও ভেদাভেদটা ছিল স্পষ্টÑ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মুসলমানরা মুসলিম হাইস্কুলে আর হিন্দুরা পগোজে।
বিপদ হতো না? মানে কার কোন এলাকা এটা নিখুঁত করে মনে রাখাটা তো স্থানীয় ছাড়া অন্যদের জন্য মুশকিল।
“কখন যে কোন এলাকায় কে ঢুকে পড়ত। বড় বিপদের দিন ছিল সেগুলো। প্রায়ই দাঙ্গা লাগত। স্কুলের কাছাকাছি একটা চার্চ ছিল। হঠাৎ রাস্তায় দাঙ্গা লেগে গেলে কয়েকবার চার্চে ঢুকে পড়েছিলাম। ফাদার আমাদের অভয় দিতেন। তাঁতীবাজারের মোড়ে ধুতি পরা একজন মানুষ আমাকে একদিন বাঁচিয়েছিলেন। ঐ এলাকাটা মুসলমানদের জন্য নিরাপদ নয় এটা মনেও করিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে থেকেছিলেন আর আমি এক দৌড়ে মুসলিম এলাকায় ঢুকে পড়েছিলাম।” অনেক দিন পরে আবার দেখা হলে জানা যায় ভদ্রলোক কমিউনিস্ট পার্টি করেন।
ধর্মের ভিত্তিতে তখন দেশভাগ হবে-হচ্ছে। কিন্তু কিশোর জাহাঙ্গীরের মনোভূমিতে সে ঘটনা প্রধান উপাদান হয়ে উঠেনি। ততদিনে ‘আমি পালটে যাচ্ছি’ এই অনুভূতিটা নিজের কাছে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। বামপন্থার প্রতি আকর্ষণ স্পষ্ট হচ্ছে। লেখালেখির শুরুটাও ঠিক এই সময়টাতেই। ততদিনে সখ্য হয়েছে হাসান হাফিজুর রহমানের সঙ্গে। জাহাঙ্গীরের লেখালেখিতে ব্যাপক উৎসাহ হাসানের। তখন আরো পরিচয় হয়েছে আবদুল্লাহ আল মুতি শরফুদ্দীনের সঙ্গে, যিনি কিনা ‘দারুণ কমিউনিস্ট।’ আরো ছিলেন ‘লম্বা টুপি পরা’ জয়নুদ্দীন স্যার যিনি শোনাতেন রুশ বিপ্লবের কাহিনী। একসময় জানা গেল ‘এই দাঁড়ি-টুপির মানুষটা কমিউনিস্ট।’ আরেকজন শিক্ষকও, আবুদল্লাহ উপন্যাসের লেখক কাজি এমদাদুল হকের ছেলে, ছিলেন বামপন্থী। অধিকাংশ ক্ষেত্রে গরিব মুসলিম পরিবার থেকে আসা ছাত্রদের পড়ানো মুসলিম হাইস্কুলের অনেক শিক্ষকই গোপনে বামপন্থী ছিলেন। আর ছিলেন হোস্টেল সুপার - মৌলানা আম্বর আলী; ইনি লেখক মনজুরে মাওলার বাবা। এঁর আরেক পরিচিতি হচ্ছে, “ইনি একসময় আব্বার কলিগ ছিলেন। তাঁর সুবাদে নানা সুবিধা পেয়েছি। কি বই পড়ছি না পড়ছি তা কেউ দেখতে আসত না। আমি আসলে কপিবুক মুসলিম ছাত্র ছিলাম না; নামাজ পড়তাম না।” বি কে জাহাঙ্গীরের ধারণা এসব লোকজনের সান্নিধ্য আর অবাধে বই পড়তে পারার সুযোগের মধ্য দিয়ে তাঁর মধ্যে বামপন্থার প্রতি আকর্ষণ তৈরি হতে থাকে।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের ব্যাপারটা ঘটে চোখের সামনে। নতুন পতাকা, স্কুলে প্যারেডে ও মিষ্টি বিতরণে নতুন দেশের জন্ম অনুভূত হলো।
কেমন লাগছিল সেদিনগুলোতে? জানতে চাওয়া হলো।
‘আমি দুঃখিত বা আনন্দিত কোনটাই হইনি।’
এটা কি ব্যতিক্রমী নয়?
“আসলে হিন্দু হলেই খারাপ আর মুসলমান হলেই ভালো এরকম মনোভাব আমার মধ্যে গড়ে ওঠেনি। আরেকটা কথা হচ্ছে, ছাত্রদের মধ্যেও তেমন বিপুল কোন উদ্দীপনা দেখিনি। পাকিস্তান হয়েছে ঠিক আছে এরকম একটা ব্যাপার।” ঢাকাতে নবাববাড়ী, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, লালবাগের মতো কয়েকটি এলাকাতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বেশ একটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল; পুরো শহরে নয়। এর একটা কারণ হচ্ছে তখনকার দিনে মুসলিম পরিবারের ছাত্ররা ম্যাট্রিক পাস করলেই কলকাতা চলে যেতেন; ঢাকায় থাকতেন না। ফলে পাকিস্তান নিয়ে ঢাকাতে মাতামাতি সংঘটিত করার লোক খুব একটা ছিল না। এ সময় বামপন্থার প্রতি আকর্ষণ বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে বামপন্থীদের সঙ্গে যোগাযোগও হতে থাকে।
সে সময়টাতে তো সবকিছু পাকিস্তানময়। তাই না?
“ঠিক আছে। কিন্তু মনে রাখবেন সে সময় আন্ডারগ্রাউন্ড কমিউনিস্ট পার্টি শক্তি অর্জন করছে; মুসলিম ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ছে। হিন্দু কমিউনিস্টদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ছে। একটা বোধ তৈরি হচ্ছে।”
আলোচনার মধ্যে একফাঁকে ঢুকে পড়ে সেকালের ঢাকা। সেকালের সদরঘাট খুব সুন্দর একটা জায়গা ছিল। লোকে বেড়াতে যেত। বি কে জাহাঙ্গীরদের যাওয়া ছিল নিয়মিত। হোস্টেল থেকে দূওে তো নয়। তখন সিনেমা হল ছিল মুকুল, রূপমহল। কাছাকাছি ছিল হিন্দুদের পরিচালিত এক কেবিন। এতদিনে নাম আর মনে নেই। তবে কেবিনে বানানো কাটলেটের স্বাদ মনে আছে। টানাটানির পকেটে প্রায়ই একটা সমস্যায় পড়তে হতোÑ সিনেমা না কাটলেট? একসঙ্গে দুটো হবার নয়। অত পয়সা আসবে কোত্থেকে? এমনিতে হোস্টেলে বাকি পড়ত মাঝেমধ্যে। হোস্টেল সুপার এজন্য কখনো তাড়া দিতেন না। স্কুলের বন্ধুরা সব হারিয়ে গেছে। স্কুলের বেশিরভাগ ছেলে আশপাশের ব্যবসায়িক পরিবারের। এরা মেট্রিকটা পাস করেই ব্যবসা-বাণিজ্যে ঢুকে যেত। বছরখানেক আগে ওয়াসার এক ইঞ্জিনিয়ার রসমালাইয়ের ভা- নিয়ে দেখা করে যান; ইনি মুসলিম হাইস্কুলে সহপাঠী ছিলেন বি কে জাহাঙ্গীরের। অন্যরা কে যে কোথায় আছে জানা নেই।
জাহাঙ্গীরদের স্কুলকালেই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দম্ভোক্তি, ‘উর্দু হবে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।’ প্রতিবাদের গরম হাওয়াটা গায়ে লাগতে শুরু করে প্রথম থেকে। এই সময়টা গ্রামাঞ্চলে কৃষক আন্দোলনেরও - এটা বি কে জাহাঙ্গীর কখনোই ভুলে যান না। তাই তাঁর সৃষ্টিশীলতা আর মননশীলতার চর্চাতে কৃষক বিদ্রোহ ঘুরে-ফিরে স্থান করে নিয়েছে অবিরত। আলোচনা যত দিন গড়িয়েছে লক্ষ্য করা গেছে একই ব্যাপার। চৈতন্যে কৃষকের লড়াই স্থান করে নেয়ার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আবদুল্লাহ আল মুতি শরফুদ্দীন একদিন সদরঘাটে আমাকে ধরলেন। বর্শাধারী এক হাজংয়ের পোস্টার দিলেন। হাজংদের বিদ্রোহ নিয়ে কথা বললেন। আমি যোগ দেব কিনা জানতে চাইলেন। আমি বললাম, ভেবে দেখি।” পরের দেখা হবার কথা ছিল তা আর হয়নি; পার্টির নির্দেশে মুতি চলে গেছেন আন্ডারগ্রাউন্ডে। তবে তাঁর বলা কথাগুলো দেয়া পোস্টারটি গভীর ছাপ ফেলে বি কে জাহাঙ্গীরের মনেÑ ‘হাজং বিদ্রোহ’ বা এমন একটা কিছু শিরোনামে একটা গল্প লেখা হয়ে যায়। সে লেখা হারিয়ে গেছে বহুকাল আগে। কিন্তু হারায়নি কৃষকের লড়াই আর কৃষকের জীবন জানার আগ্রহ। মনে পড়ে গেল যে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পর্যায়ে ‘সমাজ পরিবর্তন’ বিষয়ক কোর্স আর মাস্টার্সে ‘পাবলিক পলিসি’ পড়ানোর সময়েও আমাদের স্যার অধ্যাপক বি কে জাহাঙ্গীর প্রভূত গুরুত্ব দিয়ে আমাদের সামনে আলোচনা করতেন বাংলার কৃষক বিদ্রোহ, বিদ্রোহের স্বরূপ। ‘বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চল ও শ্রেণী সংগ্রাম’ সম্ভবত এপ্রসঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণতম কাজ।
পাকিস্তান তৈরি হয়ে যাওয়াতে কি ধরনের আবেগ-অনুভূতি বোধ করছিলেন এ ব্যাপারটা বার বার কিছুটা উদ্দেশ্যমূলকভাবেই কয়েকদিন ধরেই জানতে চাওয়া হচ্ছিল। একদিন তিনি বললেন, “শুনুন, পাকিস্তান আন্দোলনের আগে থেকেই চলছিল কৃষক আন্দোলন। আর সে সময় কমিউনিস্ট আন্দোলনের লোকেরা ব্রাইট মুসলিম ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। ফলে আমাদের মতো পড়াশোনাতে আগ্রহী ছেলেরা পাকিস্তান নিয়ে নয় গণআন্দোলন নিয়ে বেশি ভাবিত হতে শিখেছিল।”
ভাষা আন্দোলন সূচনাপর্ব প্রসঙ্গে বি কে জাহাঙ্গীর বলেন, “১৯৪৭ সাল থেকেই একটা বিষয় আমরা টের পেতে থাকি। বাঙালীরা নতুন গঠিত পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ অথচ সরকারী পর্যায়ে বাংলা নেই! কিভাবে মানবো?” জিন্নাহর ঘোষণা আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
১৯৫০ : এবার ঢাকা কলেজে
সময় যায় দেখতে-দেখতে। ১৯৫০ সাল। ঝালকাঠির বালক, মুসলিম স্কুলের কিশোর ততদিনে তরুণ তুর্কি বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর। স্কুল পাড়ি দিয়ে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা কলেজে। এবারের থাকবার জায়গা বেগম বাজারের নূরপুর ভিলা। তখন ঢাকা কলেজের হোস্টেল আরো দুটি ছিল মোস্তফা হাউস আর ঢাকা কলেজ হোস্টেল। ঢাকা কলেজে এসে শিক্ষক হিসাবে পাওয়া গেল হেমায়েত উদ্দীন সাহেবকে; ইনি প্রকাশ্য কমিউনিস্ট। অর্থনীতি পড়াতেন ন্যাপের মোজাফফর আহমদ। এ সময় আন্ডারগ্রাউন্ড কমিউনিস্ট পার্টির লিফলেট হাতে আসতে শুরু করে। নিয়ে আসতেন পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসাবে খ্যাতিমান ওয়াহিদুল হক।
তখন কি পার্টিতে যোগ দেয়ার ডাক পেয়েছিলেন?
“ব্যাপারটা এরকমের নয়। তখন পার্টি আহ্বান জানানোর মতো কিছু করত না। পার্টি পর্যবেক্ষণে রাখত। পরে পার্টি সেল থেকে ওকে করে করা হলে তখন যোগদান করানোর প্রশ্ন আসত।”
এ পর্যায়ে এসে কথা বলতে-বলতে মনে হয় আলোচ্য সময়টিতে সরাসরি রাজনীতি নয় বরং গভীরভাবে রাজনীতিক বোধসম্পন্ন থেকে প্রগতিশীল শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার দিক ঝুঁকছিলেন বি কে জাহাঙ্গীর। কলেজ জীবনে তাঁর বন্ধুরা হচ্ছেন হাসান হাফিজুর রহমান, শামসুর রাহমান, আলাউদ্দিন আল আজাদ, ওয়াহিদুল হক প্রমুখ। ছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী, একটু চুপচাপ টাইপ আর ভাল গল্প লিখতেন। কলেজের বাইরে আমিনুল ইসলাম, মর্তুজা বশীর এই দু’জনও নিয়ে আসত কমিউনিস্ট পার্টির কাগজপত্র। বইপড়ার নেশা ততদিনে তীব্রতর। বই নিয়ে তুমুল আলোচনা মগ্ন থাকে এই তরুণেরা। কিন্তু ভাল বইপত্র কোথায় পূর্ব পাকিস্তানে? তেমন কোন বইয়ের দোকানও তখন নেই ঢাকা শহরে। আরমানীটোলার ওয়ারসি বুক হাউসে পাওয়া যেত কিছু নতুন বইপত্র। কলকাতা থেকে কচ্চিৎ আসা বইগুলো ‘পাগল হয়ে’ কিনতেন জাহাঙ্গীররা। এর বাইরে ন্যাশনাল বুক এজেন্সি সামান্য কিছু বই আনত। বই পড়ার সুযোগ পাবার জন্য ওয়ারসি বুকের মালিক আবদুল বারী ওয়ারসির সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছিলেন বি কে জাহাঙ্গীর ও তাঁর বন্ধুরা।
আপনার এসময়কার বন্ধু আর কারা? বন্ধুত্ব বা ঘনিষ্ঠতা কাদের সঙ্গে?
“বুঝতেই পারছেন আমি তখন মোটামুটি বামের সঙ্গে যুক্ত। একদিন আমার কাছে একটা চিরকুট এলো টক টু জহির। জহির মানে জহির রায়হান। তাঁর বড় ভাই শহীদুল্লাহ কায়সার ততদিনে বড় নেতা। এঁদের বাবা ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার হোস্টেল সুপার আর এই দুইভাই হচ্ছেন বামপন্থী। গোয়েন্দারা জানত কিন্তু কিছু বলত না। ভাবত মাওলানার ছেলে; এরা তো গবর্মেন্টকে ফেলে দিতে চাইছে না Ñ এরকম একটা ব্যাপার আর কি।”
‘ফর আ লাস্টিং পিস ফর আ পিপলস ডেমোক্র্যাসি’ নামের বুখারেস্ট থেকে প্রকাশিত কমিউনিস্টদের একটি পত্রিকা নিয়মিত আসত শহীদুল্লাহ কায়সারের কাছে। একদিন আলাপে-আলাপে পত্রিকার কপিগুলো দেখতে চাইলে জহির আলুর বাজারে তাঁদের আলিয়া মাদ্রাসার বাসায় নিয়ে যান জাহাঙ্গীরকে। সেখানে দেখা হয় কথা হয় শহীদুল্লাহ কায়সারের সঙ্গে, সদ্য পাস দেয়া ডাক্তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে, এঁদের বাবার সঙ্গে। দুপুরের খাওয়া-দাওয়া হয়। তারপর পত্রিকা দেখতে দেন শহীদুল্লাহ কায়সার। যখন খুশি আসার, বই-পত্রিকা নিয়ে যাবার কথা বললেন তিনি। “আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে কেন জহিরের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছিল বুঝতে পারলাম। আসলে তাঁরা আমাকে এভাবে প্রগতিশীল বইপত্র পড়াশোনার সুযোগ করে দিচ্ছিলেন”, বি কে জাহাঙ্গীর জানান। (চলবে)
বি কে জাহাঙ্গীরের তাঁর জীবন ও চিন্তা নিয়ে জুলাই মাসজুড়ে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক শান্তনু মজুমদারের সঙ্গে। দৈনিক জনকণ্ঠের পাঠকদের জন্য মাস-দীর্ঘ এই আলোচনাটির প্রথম অংশটি ছাপা হচ্ছে। এই অংশে বি কে জাহাঙ্গীরের শৈশব-কৈশোর-তারুণ্যের নানা স্মৃতি, নানা যুক্ততার বিবরণ-বিশ্লেষণ, মানস গঠনে প্রভাব সৃষ্টিকারী ঘটনাবলী স্থান পেয়েছে। বি কে জাহাঙ্গীরের অনবদ্য কথা-শৈলীর বরাতে পাকিস্তানের প্রথম দিকে পূর্ব বাংলায় বুদ্ধিবৃত্তির নয়া-বিন্যাসের উত্থানপর্বেরও হদিস পাওয়া যাবে এখানে।
ঝালকাঠিময় শৈশব স্মৃতি
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরের জন্ম চাঁদপুরের কচুয়ার গুলবাহার গ্রামে। ১৯৩৬ সালে। গুলবাহারকে ঘিওে শৈশবের কোন স্মৃতি তাঁর নেই । শৈশব স্মৃতির প্রতি পরতে জড়িয়ে আছে ঝালকাঠি। চাঁদপুরের মানুষ ঝালকাঠিতে কী? জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “বাবা ছিলেন ঝালকাঠি সরকারী স্কুলের শিক্ষক; আসলে উনি ছিলেন স্কুল পরিদর্শক। স্বদেশী আন্দোলনের সময় ঝালকাঠি স্কুলের ছাত্ররা বেশ একটা ভূমিকা রাখে। আন্দোলন শেষ হয়ে গেলে পরে ব্রিটিশরা এই স্কুলকে নানান সমীকরণ থেকে সরকারীকরণ কওে ফেলে। কিন্তু সে সময় আবার মুসলিম শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছিল না চাহিদামতো; তখন আমার আব্বার পরিদর্শকের পদ পালটে ঐ স্কুলের শিক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়, যার সুবাদে আমাদের পরিবার ঝালকাঠিতে যায়।” এটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের কথা।
বি কে জাহাঙ্গীর এখনো, প্রায় সাত দশক পরেও বিনা আয়াসে স্মরণ করেন ঝালকাঠি। তাঁর মনে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশ শাসকদের সৃষ্ট দুর্ভিক্ষের কথা। আম্মা যেদিন আব্বাকে জানান, ‘ঘরে একটুও চাল নেই’ সেদিন প্রথম দুর্ভিক্ষ ব্যাপারটা বুঝতে শুরু করেন। “মণকে মণ চাল আমরা কিনতাম না কিন্তু যখন যা লাগত কেনা হতো। সেবার অন্যরকম দেখা গেলো; আব্বা চাল যোগাড় করতে পারছেন না।” এর কিছুদিনের মধ্যে দুর্ভিক্ষ একেবারে চাক্ষুষ হয়ে ওঠে। ঝালকাঠি বাজারজুড়ে দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষ আর মানুষ। হাতপাতা মানুষ। সবখানে ‘কিছু দ্যান’ আওয়াজ। ভাত না হোক ভাতের মাড়। তখন প্রাইমারী যাওয়া জাহাঙ্গীরের মন সাংঘাতিক আলোড়িত হতে থাকে। আব্বার ভূমিকা ছিল দারুণ সে সময় “লঙ্গরখানা, চাউল বিতরণ, অনাহারে মৃতের দাফনে কাটাতেন সারাদিন।”
মনে রয়ে গেছে ঝালকাঠিতে গোরা সৈন্যদের তৎপরতা। বাজাওে যেদিকটায় থানা ছিল সেদিকে আস্তানা নিয়েছিল গোরারা। নদীর নৌকাগুলো ফুটো করে দিচ্ছে গোরারা। এ দৃশ্য এখনো চোখে ভাসে। তখন বিশ্বযুদ্ধ চলছে। বোঝা যায়, জাপানীদের ঢুকে পড়ার আশঙ্কায় ব্রিটিশদের গৃহীত পোড়ামাটি নীতির আওতা থেকে ঝালকাঠির মতো বলতে গেলে প্রত্যন্ত এক এলাকাও বাদ পড়েনি। ঝালকাঠির সঙ্গে দেশভাগের স্মৃতি ওতপ্রোত হয়ে আছে বি কে জাহাঙ্গীরের মধ্যে। তখন দেশভাগের আগের বছরগুলো। নিতান্ত বালক জাহাঙ্গীর সহসা লক্ষ্য করেন “হিন্দু সহপাঠীদের সঙ্গে কেমন যেন একটা দূরত্ব হয়ে যাচ্ছে। অথচ আমরা অনবরত হিন্দু বন্ধুদের বাড়ি যেতাম। হিন্দু সহপাঠীরা একটু কম হলেও আমাদের বাড়ি নিয়মিত আসত।” হঠাৎ যেন এসবে ছেদ পড়তে থাকল। সেই যে স্কুলের স্কাউট শিক্ষক রমেশ বাবু স্যার; দারুণ ফুটবল খেলতেন। অকৃতদার রমেশ স্যার মাঝে-মধ্যেই বাড়ি নিয়ে যেতেন; বিধবা বোনটির বানানো খাবার খাওয়াতেন। সেই প্রথম বুঝতে পারা যে হিন্দু বাড়ি আর মুসলিম বাড়ির খাবারে কিছু তফাৎ আছে। দেশভাগের হাওয়ায় সেসব যাওয়া-যাওয়িতে কেমন যেন ভাটা লাগে। ঝালকাঠি নিয়ে কথায় বি কে জাহাঙ্গীরের মনে আসে জ্ঞানবাবুকে। ডাক্তার মানুষ। একটা লঞ্চ ছিল। ওটা নিয়ে গ্রামে-গ্রামে রোগী দেখে বেড়াতেন। ছিলেন আব্বার সহকর্মী হেমবাবু স্যার। “সাইকেলটা চালিয়ে আমাদের বাড়ি এসে বলতেন, তোমার আম্মার কাছ থেকে মুরগির ডিম নিয়ে আস। আমি এনে দিতাম। আম্মা মুরগি পালতেন।”
শৈশবের ঝালকাঠির আরো অনেকের কথা মনে আছে, তবে আজিজ ভাইয়ের মতো আর কাউকে নয়। সেই যেদিন আম্মা আব্বাকে জানিয়েছিলেন ঘরে চাল নেই সেদিন আজিজ ভাই বিষখালী নদীর অপর পাড়ে গিয়ে আধা বস্তা চাল যোগাড় করে এনে দিয়েছিলেন। এমনিতেও বাড়ি থেকে আসার সময় দুধ নিয়ে আসতেন প্রতিদিন। সকালে এসে নাস্তা সেরে জাহাঙ্গীর ও অন্য ভাইবোনদের পড়াতে বসতেন। যেদিন আজিজ ভাইকে থানার বারান্দাতে কোমরে দড়ি অবস্থায় দেখতে পাওয়া গেল সেদিনকার মতো আঘাত এর আগে কখনও পাওয়া হয়নি বালক জাহাঙ্গীরের। করেছেন কী আজিজ ভাই? কী করেছেন আজিজ ভাই? ঘুরে ঘুরে একই প্রশ্ন একে-তাকে। পরে এক কনস্টেবল সাহেব জানান, “আজিজ বড় সাংঘাতিক লোক! সে চুরি-ডাকাতির চেয়েও অধম কাজ করেছে। সে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। সে টেলিগ্রাফের লাইন কেটে দিয়েছে।” কনস্টেবল সাহেবের কথা মাথায় ঢুকে না। পরে আব্বা বলেন, ‘আজিজ রাজনীতি করে। সে সোশ্যালিস্ট পার্টি করে।‘ ততদিনে কংগ্রেসের নাম জানা হয়ে গেছে, মুসলিম লীগের কথাও। এদেরকে দেখা যায় ঝালকাঠিতে। কিন্তু সোশ্যালিস্ট? সেটা কী? জিজ্ঞেস করলে আব্বার উত্তর, ‘বড় হও, তখন বুঝবে।’ শব্দটা মাথায় রয়ে যায় কিন্তু কিছুদিনের জন্য হারিয়ে যান আজিজ ভাই। জানা যায় আজিজ ভাইয়ের জেল হয়েছে।
কিছুদিন জেল খেটে প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে আবার ঝালকাঠিতে আসেন আজিজ ভাই। তবে তখন থেকে তিনি থাকতেন বরিশালে। ঝালকাঠি আসার সময় জাহাঙ্গীরদের জন্য নিয়ে আসতেন বই। একটা লাইব্রেরিও গড়ে দিয়েছিলেন। পাঠ্যপুস্তকের নয়, ‘আউট বই’ এর লাইব্রেরি। আব্বার সহায়তায় আজিজ ভাইয়ের গড়া লাইব্রেরি নিয়ে বি কে জাহাঙ্গীর বলেন, “সেখানে ছোটদের রাজনীতি, ছোটদের অর্থনীতির মতো অনেক বই ছিল। আজিজ ভাই যখনই আসতেন তখনই আমাদের কয়েকজনকে নিয়ে বেড়াতে যেতেন আর আমাদের পড়া বইগুলো নিয়ে আলাপ করতেন।” একটা সময় এসে জানা গেল আজিজ ভাই আরএসপি অর্থাৎ রেভ্যুলিউশনারি সোশ্যালিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত।
জিজ্ঞাসা করি, আজিজ ভাই কি আপনাকে বা আপনার সহপাঠীদের কাউকে তাঁর পার্টিতে নিতে চেয়েছিলেন?
“না। তেমন কিছু তিনি করেননি। তবে তিনি আমাদের মাথায় কতগুলো প্রশ্ন আর তথ্য ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। আমাদের লোকেরা গরিব কেন? এর জন্য দায়ী কারা। জানিয়েছেন যে এসবের জন্য দায়ী ইংরেজরা। আমাদের মুক্তির পথে অন্তরায় কট্টর হিন্দু আর কট্টর মুসলিমরা। হিন্দু মহাসভা। মুসলিম লীগ। এরকমসব কথা বলতেন আজিজ ভাই।” আলাপে মনে হয় মুক্তমনা পিতার কথা বাদ দিলে, এই গৃহশিক্ষক মোহাম্মদ আজিজ হচ্ছেন বি কে জাহাঙ্গীরের শৈশবে মানসগঠনে বড় ছাপ রেখে যাওয়া প্রথম মানুষ।
ঝালকাঠি নিয়ে কথাগুলো বলার সময় নিজের অজান্তেই কি গলা একটু ধরে আসে বি কে জাহাঙ্গীরের? কে জানে? দক্ষিণবঙ্গের এই জনপদ নিয়ে তাঁর স্মৃতি মনে হয় অফুরান। যেন দেখতে পাচ্ছেন এখনও ঐ যে নদীর পার ধরে চলতে থাকা রাস্তা; হাওয়াতে শনশন দু’পাশে ঝাউগাছ। রাস্তার মাথাতে সরকারী লাশকাটা ঘর। ওটার আশপাশে পৌঁছলেই কি ভয় কি ভয়। নাক-কান বুজে একদৌড়ে জায়গাটা পার হয় জাহাঙ্গীর ও সাথীরা। ভয় লাগে তবু রাস্তাটা টানে।
ঝালকাঠিতে থাকার সময় মধুর স্মৃতিগুলোর দুয়েকটি শুনতে চাওয়া হলো।
“একবার কলকাতা থেকে নাটকের দল এসেছে। বড় হয়ে বুঝেছিলাম ওরা ছিল কমিউনিস্টপন্থী আইপিটিএ।” ‘ছেঁড়াতার’ নাটক হবে হিন্দুদের সঙ্কীর্তনের থানে। জাহাঙ্গীররা ঘুর ঘুর করে। টিকেট কেনার পয়সা নেই। কিন্তু নাটক দেখা চাই যে। শেষে দলের নাটকের দলের এক কর্তা সবাইকে বসিয়ে দেয় মঞ্চের সামনে বসানো শতরঞ্চিতে। “আমরা সবাই, আমার হিন্দু সহপাঠীরা, আমার মুসলিম সহপাঠীরা, আমরা একেবারে অভিভূত হয়ে যাই নাটক দেখে” সে কোন এক সন্ধ্যার নাটক নিয়ে এখনও মুগ্ধতা ঝরে কণ্ঠে। মনে আছে, ঘাটে ভিড়ে থাকা জাহাজের আলোতে ঝলমলানো সন্ধ্যাগুলোর কথা। ঝালকাঠিতে তখনো বিজলী বাতি আসেনি। জাহাজগুলো ডায়নামো চালিয়ে আলো জ্বালাত। ছোটদের সে যে কি আকর্ষণ। দল বেঁধে উঠে পড়া হতো জাহাজে। সারেঙ-সুখানীরা বকা লাগাতেন না; শুধু জাহাজ ছাড়ার ভেঁপু বাজলেই নেমে যাবার কথা মনে করিয়ে দিতেন। বাজারের কাছাকাছি ভূ-কৈলাসের জমিদার বাবুদের বাড়িখানাও ছিল ‘দেখার মতো।’ সে বাড়ির স্থলপদ্মের বাগানখানি! দুর্ভিক্ষ দেখতে এসে গান্ধীজী একবার ছিলেন এই বাড়িতে।
গান্ধী মানুষটা কে? কি তাঁর গুরুত্ব? খুব স্পষ্ট না হলেও মোটামুটি বুঝতে পারছিলেন তখন। সে আমলে ঝালকাঠি পাঠ-আমোদী মানুষের চাহিদা মেটাত দুটি বইয়ের দোকান। একটি নূর মোহাম্মদ মিয়ার। তাঁর দোকানে আজাদ পত্রিকা পাওয়া যেত। আরেকটি দোকান ছিল কৈলাস বাবু। সে দোকানে থাকত আনন্দবাজার পত্রিকা। দেশ তখন হিন্দু-মুসলিম লাইনে সরে যাচ্ছিল; বোঝাই যাচ্ছে। মহাযুদ্ধ শেষ হয়েছে; এদিকে দেশভাগ চূড়ান্ত হয়ে উঠছে। এমনি সময়ে ঝালকাঠিতে দাঙ্গা-হাঙ্গামা হতে থাকে। জাহাঙ্গীর বুঝতে শেখেন ‘হিন্দু-মুসলমানে ঝগড়া করে। হিন্দু-মুসলমানে কাজিয়া করে।’ চেনা ঝালকাঠি অচেনা হতে থাকে যেন। অবস্থা এমন জায়গায় চলে যায় যে ‘আব্বা বলে দিলেন সন্ধ্যার পর একলা বাজারের দিকে যাওয়া যাবে না।’
১৯৪৬ সাল : কৈশোরে ঢাকাতে
আশেক আলী খান-সুলতানা খানম দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান মিসবাহউদ্দীন খান মেট্রিক পাস করলে তাকে ঢাকায় পড়তে পাঠানো হয়। সে ধারাবাহিকতাতে চতুর্থ সন্তান তথা দ্বিতীয় পুত্র বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরকেও ঢাকায় ভর্তি করা হয়; মুসলিম হাইস্কুলে। থাকার জায়গা হয় ডাফরিন হোস্টেলে। লর্ড ডাফরিনের নামে হোস্টেলের নাম। ঢাকাতে এসে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময় থেকে রায়টের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করতে থাকেন জাহাঙ্গীর। মুসলিম স্কুল ছিল ভিক্টোরিয়া পার্কের (বর্তমানের বাহাদুর শাহ পার্ক) পাশে। এর একদিকে ছিল হিন্দু-বসত; অন্যদিকে মুসলিম। দু’পক্ষের মধ্যে যখন-তখন বেধে যেত। এমনকি স্কুলগুলোতেও ভেদাভেদটা ছিল স্পষ্টÑ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মুসলমানরা মুসলিম হাইস্কুলে আর হিন্দুরা পগোজে।
বিপদ হতো না? মানে কার কোন এলাকা এটা নিখুঁত করে মনে রাখাটা তো স্থানীয় ছাড়া অন্যদের জন্য মুশকিল।
“কখন যে কোন এলাকায় কে ঢুকে পড়ত। বড় বিপদের দিন ছিল সেগুলো। প্রায়ই দাঙ্গা লাগত। স্কুলের কাছাকাছি একটা চার্চ ছিল। হঠাৎ রাস্তায় দাঙ্গা লেগে গেলে কয়েকবার চার্চে ঢুকে পড়েছিলাম। ফাদার আমাদের অভয় দিতেন। তাঁতীবাজারের মোড়ে ধুতি পরা একজন মানুষ আমাকে একদিন বাঁচিয়েছিলেন। ঐ এলাকাটা মুসলমানদের জন্য নিরাপদ নয় এটা মনেও করিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে থেকেছিলেন আর আমি এক দৌড়ে মুসলিম এলাকায় ঢুকে পড়েছিলাম।” অনেক দিন পরে আবার দেখা হলে জানা যায় ভদ্রলোক কমিউনিস্ট পার্টি করেন।
ধর্মের ভিত্তিতে তখন দেশভাগ হবে-হচ্ছে। কিন্তু কিশোর জাহাঙ্গীরের মনোভূমিতে সে ঘটনা প্রধান উপাদান হয়ে উঠেনি। ততদিনে ‘আমি পালটে যাচ্ছি’ এই অনুভূতিটা নিজের কাছে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। বামপন্থার প্রতি আকর্ষণ স্পষ্ট হচ্ছে। লেখালেখির শুরুটাও ঠিক এই সময়টাতেই। ততদিনে সখ্য হয়েছে হাসান হাফিজুর রহমানের সঙ্গে। জাহাঙ্গীরের লেখালেখিতে ব্যাপক উৎসাহ হাসানের। তখন আরো পরিচয় হয়েছে আবদুল্লাহ আল মুতি শরফুদ্দীনের সঙ্গে, যিনি কিনা ‘দারুণ কমিউনিস্ট।’ আরো ছিলেন ‘লম্বা টুপি পরা’ জয়নুদ্দীন স্যার যিনি শোনাতেন রুশ বিপ্লবের কাহিনী। একসময় জানা গেল ‘এই দাঁড়ি-টুপির মানুষটা কমিউনিস্ট।’ আরেকজন শিক্ষকও, আবুদল্লাহ উপন্যাসের লেখক কাজি এমদাদুল হকের ছেলে, ছিলেন বামপন্থী। অধিকাংশ ক্ষেত্রে গরিব মুসলিম পরিবার থেকে আসা ছাত্রদের পড়ানো মুসলিম হাইস্কুলের অনেক শিক্ষকই গোপনে বামপন্থী ছিলেন। আর ছিলেন হোস্টেল সুপার - মৌলানা আম্বর আলী; ইনি লেখক মনজুরে মাওলার বাবা। এঁর আরেক পরিচিতি হচ্ছে, “ইনি একসময় আব্বার কলিগ ছিলেন। তাঁর সুবাদে নানা সুবিধা পেয়েছি। কি বই পড়ছি না পড়ছি তা কেউ দেখতে আসত না। আমি আসলে কপিবুক মুসলিম ছাত্র ছিলাম না; নামাজ পড়তাম না।” বি কে জাহাঙ্গীরের ধারণা এসব লোকজনের সান্নিধ্য আর অবাধে বই পড়তে পারার সুযোগের মধ্য দিয়ে তাঁর মধ্যে বামপন্থার প্রতি আকর্ষণ তৈরি হতে থাকে।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের ব্যাপারটা ঘটে চোখের সামনে। নতুন পতাকা, স্কুলে প্যারেডে ও মিষ্টি বিতরণে নতুন দেশের জন্ম অনুভূত হলো।
কেমন লাগছিল সেদিনগুলোতে? জানতে চাওয়া হলো।
‘আমি দুঃখিত বা আনন্দিত কোনটাই হইনি।’
এটা কি ব্যতিক্রমী নয়?
“আসলে হিন্দু হলেই খারাপ আর মুসলমান হলেই ভালো এরকম মনোভাব আমার মধ্যে গড়ে ওঠেনি। আরেকটা কথা হচ্ছে, ছাত্রদের মধ্যেও তেমন বিপুল কোন উদ্দীপনা দেখিনি। পাকিস্তান হয়েছে ঠিক আছে এরকম একটা ব্যাপার।” ঢাকাতে নবাববাড়ী, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, লালবাগের মতো কয়েকটি এলাকাতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বেশ একটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল; পুরো শহরে নয়। এর একটা কারণ হচ্ছে তখনকার দিনে মুসলিম পরিবারের ছাত্ররা ম্যাট্রিক পাস করলেই কলকাতা চলে যেতেন; ঢাকায় থাকতেন না। ফলে পাকিস্তান নিয়ে ঢাকাতে মাতামাতি সংঘটিত করার লোক খুব একটা ছিল না। এ সময় বামপন্থার প্রতি আকর্ষণ বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে বামপন্থীদের সঙ্গে যোগাযোগও হতে থাকে।
সে সময়টাতে তো সবকিছু পাকিস্তানময়। তাই না?
“ঠিক আছে। কিন্তু মনে রাখবেন সে সময় আন্ডারগ্রাউন্ড কমিউনিস্ট পার্টি শক্তি অর্জন করছে; মুসলিম ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ছে। হিন্দু কমিউনিস্টদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ছে। একটা বোধ তৈরি হচ্ছে।”
আলোচনার মধ্যে একফাঁকে ঢুকে পড়ে সেকালের ঢাকা। সেকালের সদরঘাট খুব সুন্দর একটা জায়গা ছিল। লোকে বেড়াতে যেত। বি কে জাহাঙ্গীরদের যাওয়া ছিল নিয়মিত। হোস্টেল থেকে দূওে তো নয়। তখন সিনেমা হল ছিল মুকুল, রূপমহল। কাছাকাছি ছিল হিন্দুদের পরিচালিত এক কেবিন। এতদিনে নাম আর মনে নেই। তবে কেবিনে বানানো কাটলেটের স্বাদ মনে আছে। টানাটানির পকেটে প্রায়ই একটা সমস্যায় পড়তে হতোÑ সিনেমা না কাটলেট? একসঙ্গে দুটো হবার নয়। অত পয়সা আসবে কোত্থেকে? এমনিতে হোস্টেলে বাকি পড়ত মাঝেমধ্যে। হোস্টেল সুপার এজন্য কখনো তাড়া দিতেন না। স্কুলের বন্ধুরা সব হারিয়ে গেছে। স্কুলের বেশিরভাগ ছেলে আশপাশের ব্যবসায়িক পরিবারের। এরা মেট্রিকটা পাস করেই ব্যবসা-বাণিজ্যে ঢুকে যেত। বছরখানেক আগে ওয়াসার এক ইঞ্জিনিয়ার রসমালাইয়ের ভা- নিয়ে দেখা করে যান; ইনি মুসলিম হাইস্কুলে সহপাঠী ছিলেন বি কে জাহাঙ্গীরের। অন্যরা কে যে কোথায় আছে জানা নেই।
জাহাঙ্গীরদের স্কুলকালেই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দম্ভোক্তি, ‘উর্দু হবে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।’ প্রতিবাদের গরম হাওয়াটা গায়ে লাগতে শুরু করে প্রথম থেকে। এই সময়টা গ্রামাঞ্চলে কৃষক আন্দোলনেরও - এটা বি কে জাহাঙ্গীর কখনোই ভুলে যান না। তাই তাঁর সৃষ্টিশীলতা আর মননশীলতার চর্চাতে কৃষক বিদ্রোহ ঘুরে-ফিরে স্থান করে নিয়েছে অবিরত। আলোচনা যত দিন গড়িয়েছে লক্ষ্য করা গেছে একই ব্যাপার। চৈতন্যে কৃষকের লড়াই স্থান করে নেয়ার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আবদুল্লাহ আল মুতি শরফুদ্দীন একদিন সদরঘাটে আমাকে ধরলেন। বর্শাধারী এক হাজংয়ের পোস্টার দিলেন। হাজংদের বিদ্রোহ নিয়ে কথা বললেন। আমি যোগ দেব কিনা জানতে চাইলেন। আমি বললাম, ভেবে দেখি।” পরের দেখা হবার কথা ছিল তা আর হয়নি; পার্টির নির্দেশে মুতি চলে গেছেন আন্ডারগ্রাউন্ডে। তবে তাঁর বলা কথাগুলো দেয়া পোস্টারটি গভীর ছাপ ফেলে বি কে জাহাঙ্গীরের মনেÑ ‘হাজং বিদ্রোহ’ বা এমন একটা কিছু শিরোনামে একটা গল্প লেখা হয়ে যায়। সে লেখা হারিয়ে গেছে বহুকাল আগে। কিন্তু হারায়নি কৃষকের লড়াই আর কৃষকের জীবন জানার আগ্রহ। মনে পড়ে গেল যে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পর্যায়ে ‘সমাজ পরিবর্তন’ বিষয়ক কোর্স আর মাস্টার্সে ‘পাবলিক পলিসি’ পড়ানোর সময়েও আমাদের স্যার অধ্যাপক বি কে জাহাঙ্গীর প্রভূত গুরুত্ব দিয়ে আমাদের সামনে আলোচনা করতেন বাংলার কৃষক বিদ্রোহ, বিদ্রোহের স্বরূপ। ‘বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চল ও শ্রেণী সংগ্রাম’ সম্ভবত এপ্রসঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণতম কাজ।
পাকিস্তান তৈরি হয়ে যাওয়াতে কি ধরনের আবেগ-অনুভূতি বোধ করছিলেন এ ব্যাপারটা বার বার কিছুটা উদ্দেশ্যমূলকভাবেই কয়েকদিন ধরেই জানতে চাওয়া হচ্ছিল। একদিন তিনি বললেন, “শুনুন, পাকিস্তান আন্দোলনের আগে থেকেই চলছিল কৃষক আন্দোলন। আর সে সময় কমিউনিস্ট আন্দোলনের লোকেরা ব্রাইট মুসলিম ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। ফলে আমাদের মতো পড়াশোনাতে আগ্রহী ছেলেরা পাকিস্তান নিয়ে নয় গণআন্দোলন নিয়ে বেশি ভাবিত হতে শিখেছিল।”
ভাষা আন্দোলন সূচনাপর্ব প্রসঙ্গে বি কে জাহাঙ্গীর বলেন, “১৯৪৭ সাল থেকেই একটা বিষয় আমরা টের পেতে থাকি। বাঙালীরা নতুন গঠিত পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ অথচ সরকারী পর্যায়ে বাংলা নেই! কিভাবে মানবো?” জিন্নাহর ঘোষণা আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
১৯৫০ : এবার ঢাকা কলেজে
সময় যায় দেখতে-দেখতে। ১৯৫০ সাল। ঝালকাঠির বালক, মুসলিম স্কুলের কিশোর ততদিনে তরুণ তুর্কি বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর। স্কুল পাড়ি দিয়ে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা কলেজে। এবারের থাকবার জায়গা বেগম বাজারের নূরপুর ভিলা। তখন ঢাকা কলেজের হোস্টেল আরো দুটি ছিল মোস্তফা হাউস আর ঢাকা কলেজ হোস্টেল। ঢাকা কলেজে এসে শিক্ষক হিসাবে পাওয়া গেল হেমায়েত উদ্দীন সাহেবকে; ইনি প্রকাশ্য কমিউনিস্ট। অর্থনীতি পড়াতেন ন্যাপের মোজাফফর আহমদ। এ সময় আন্ডারগ্রাউন্ড কমিউনিস্ট পার্টির লিফলেট হাতে আসতে শুরু করে। নিয়ে আসতেন পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসাবে খ্যাতিমান ওয়াহিদুল হক।
তখন কি পার্টিতে যোগ দেয়ার ডাক পেয়েছিলেন?
“ব্যাপারটা এরকমের নয়। তখন পার্টি আহ্বান জানানোর মতো কিছু করত না। পার্টি পর্যবেক্ষণে রাখত। পরে পার্টি সেল থেকে ওকে করে করা হলে তখন যোগদান করানোর প্রশ্ন আসত।”
এ পর্যায়ে এসে কথা বলতে-বলতে মনে হয় আলোচ্য সময়টিতে সরাসরি রাজনীতি নয় বরং গভীরভাবে রাজনীতিক বোধসম্পন্ন থেকে প্রগতিশীল শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার দিক ঝুঁকছিলেন বি কে জাহাঙ্গীর। কলেজ জীবনে তাঁর বন্ধুরা হচ্ছেন হাসান হাফিজুর রহমান, শামসুর রাহমান, আলাউদ্দিন আল আজাদ, ওয়াহিদুল হক প্রমুখ। ছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী, একটু চুপচাপ টাইপ আর ভাল গল্প লিখতেন। কলেজের বাইরে আমিনুল ইসলাম, মর্তুজা বশীর এই দু’জনও নিয়ে আসত কমিউনিস্ট পার্টির কাগজপত্র। বইপড়ার নেশা ততদিনে তীব্রতর। বই নিয়ে তুমুল আলোচনা মগ্ন থাকে এই তরুণেরা। কিন্তু ভাল বইপত্র কোথায় পূর্ব পাকিস্তানে? তেমন কোন বইয়ের দোকানও তখন নেই ঢাকা শহরে। আরমানীটোলার ওয়ারসি বুক হাউসে পাওয়া যেত কিছু নতুন বইপত্র। কলকাতা থেকে কচ্চিৎ আসা বইগুলো ‘পাগল হয়ে’ কিনতেন জাহাঙ্গীররা। এর বাইরে ন্যাশনাল বুক এজেন্সি সামান্য কিছু বই আনত। বই পড়ার সুযোগ পাবার জন্য ওয়ারসি বুকের মালিক আবদুল বারী ওয়ারসির সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছিলেন বি কে জাহাঙ্গীর ও তাঁর বন্ধুরা।
আপনার এসময়কার বন্ধু আর কারা? বন্ধুত্ব বা ঘনিষ্ঠতা কাদের সঙ্গে?
“বুঝতেই পারছেন আমি তখন মোটামুটি বামের সঙ্গে যুক্ত। একদিন আমার কাছে একটা চিরকুট এলো টক টু জহির। জহির মানে জহির রায়হান। তাঁর বড় ভাই শহীদুল্লাহ কায়সার ততদিনে বড় নেতা। এঁদের বাবা ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার হোস্টেল সুপার আর এই দুইভাই হচ্ছেন বামপন্থী। গোয়েন্দারা জানত কিন্তু কিছু বলত না। ভাবত মাওলানার ছেলে; এরা তো গবর্মেন্টকে ফেলে দিতে চাইছে না Ñ এরকম একটা ব্যাপার আর কি।”
‘ফর আ লাস্টিং পিস ফর আ পিপলস ডেমোক্র্যাসি’ নামের বুখারেস্ট থেকে প্রকাশিত কমিউনিস্টদের একটি পত্রিকা নিয়মিত আসত শহীদুল্লাহ কায়সারের কাছে। একদিন আলাপে-আলাপে পত্রিকার কপিগুলো দেখতে চাইলে জহির আলুর বাজারে তাঁদের আলিয়া মাদ্রাসার বাসায় নিয়ে যান জাহাঙ্গীরকে। সেখানে দেখা হয় কথা হয় শহীদুল্লাহ কায়সারের সঙ্গে, সদ্য পাস দেয়া ডাক্তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে, এঁদের বাবার সঙ্গে। দুপুরের খাওয়া-দাওয়া হয়। তারপর পত্রিকা দেখতে দেন শহীদুল্লাহ কায়সার। যখন খুশি আসার, বই-পত্রিকা নিয়ে যাবার কথা বললেন তিনি। “আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে কেন জহিরের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছিল বুঝতে পারলাম। আসলে তাঁরা আমাকে এভাবে প্রগতিশীল বইপত্র পড়াশোনার সুযোগ করে দিচ্ছিলেন”, বি কে জাহাঙ্গীর জানান। (চলবে)
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
August
(2983)
-
▼
Aug 27
(125)
- সামাজিক বনায়নের গুরুত্ব by শাহনাজ সিদ্দিকী নিম্মু
- প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাদান কার্যক্রমঃ ‘জিয়া উচ্ছেদ প...
- এ কলঙ্ক বড়ই যাতনাময় by আতাউস সামাদ
- অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানিঃ শান্তি কি সোনার হরিণ হয়েই থ...
- গাড্ডায় পড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়েঃ অবিলম্বে ব্যবস্থা নিন
- দেশের উন্নয়নে প্রয়োজন রাজনৈতিক সমঝোতা by আলমগীর কব...
- একটি গণশুনানির কাহিনী ও কিছু মৌলিক প্রশ্ন by ড. তা...
- আলোয় ভুবন ভরাঃ যিশুর গায়ে রোদ লাগে না by কাজী জহির...
- দিনবদল না নামবদল? by হায়দার আকবর খান রনো
- নারীর প্রতি সহিংসতা বেড়েছেঃ আইন আছে প্রয়োগ শিথিল
- লন্ডনে আমার দেশ সম্পাদকের ওপর হামলাঃ স্থাপিত হলো এ...
- গোপন পাগলামি by আতাউর রহমান
- মওলানা ভাসানীর কথাও বলুন by শাহ আহমদ রেজা
- অভিমতঃ সীমান্ত বিরোধের অবসান চাই
- পার্বত্য চট্টগ্রামঃ বাফার স্টেট গঠনের ষড়যন্ত্র by ...
- টাকা ছড়িয়ে দাম বাড়ানোর অভিযোগঃ সরকার তাহলে শুধু ঘা...
- মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের রিপোর্টঃ বাংলাদেশে মা...
- স্মরণে মননেঃ মাতৃহীন জননী by কে জি মোস্তফা
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যাদু ম...
- সহস্রবর্ষের সখা সাধনার ধন by রেজোয়ান সিদ্দিকী
- বহুগুণ বেশি ব্যয়ে কাজ পাচ্ছে ভারতীয়রাঃ দেশের চামড়া...
- সরকারের প্রতিহিংসার রাজনীতিঃ হুমকির মুখে গণতন্ত্র
- অভিনয়কে বিদায় জানালেন সালমা হায়েক
- ম্যাডোনার যে দশ গানে পৃথিবী মাতোয়ারা
- রস কারণ- জিরাফের গলা লম্বা কেন? by আব্দুল কাইয়ুম
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- প্রথম চন্দ্রবিজয়ীর বিদায়- মানুষকে চাঁদে নিয়ে অন্যল...
- আজ জাতীয় কবির ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী
- শপিং মলের খোঁজখবর
- উৎসবে সালোয়ার কামিজ
- জমকালো শাড়ি ও পাঞ্জাবি by রেজা ফারুক
- ঈদে তারুণ্যের পোশাক by তৌফিক অপু
- ঈদের কেনাকাটায় প্রযুক্তিপণ্য by রেজা নওফল হায়দার
- চিলেকোঠার রাতপ্রহরী by ঝর্ণা রহমান
- ধিকিধিকি by মনি হায়দার
- একটি অসমাপ্ত গল্প by হেনা সুলতানা
- নীল পাথরের বিষ by আব্দুল মান্নান সরকার
- চিডুর মিডুর by সুশান্ত মজুমদার
- স্বদেশে কেমন থাকেন বাঙালীরা? by সুলতানা আজীম
- শিল্প ও সংগ্রামে by বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত...
- নজরুলের সুরে মুগ্ধ ত্রিপুরা
- ঈদে সালমার প্রেমের জানাজা
- রিজভীর প্রশংসায় শুভমিতা
- বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী তপু
- ওয়াশিংটনে সুমনা হকের একক চিত্রপ্রদর্শনী
- সেলিব্রিটি সিক্রেট নিয়ে তামিম হাসান
- ছয় বছর পর আবারও অনুদানের ছবিতে সিমলা
- তুমি রবে নীরবে...
- ঈদের ছবি ॥ মোস্ট ওয়েলকাম by ইমরান হোসেন খান
- স্বাধীন আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল- ট্রাইব্যুনাল যেন...
- প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান- অনুন্নত তথা তৃতীয় বিশ্বের দ...
- অভিমত নতুনের মননে, বঙ্গবন্ধু by কেয়া চৌধুরী
- ড. ইউনূস, তার নব্য সমর্থকরা ও তালেবানী বাংলা by স...
- বাঙালীর শুদ্ধ নাম শেখ মুজিবুর রহমান by সুভাষ সিংহ...
- মন্ত্রীকেই যদি এভাবে ছুটতে হয়? by মমতাজউদ্দীন পাট...
- প্রাথমিক শিক্ষকরা তটস্থ কখন সচিব আসেন by অভিজিৎ ভট...
- পদ্মা সেতু প্রকল্প-বিশ্বব্যাংককে ফেরাতে সব শর্তই ম...
- দোকান বরাদ্দে ডিএসসিসির মহাদুর্নীতি-প্রতি বর্গফুট ...
- ৭১'র 'যুদ্ধাপরাধী'র বিরুদ্ধে কানাডায় পরোয়ানা জারি
- মেডিক্যালে ভর্তীচ্ছুরা ফের আন্দোলনে-আজ রিটের শুনানি
- হলমার্ক কেলেঙ্কারি-সোনালী ব্যাংকের আরো ২৯ কর্মকর্ত...
- আজহারের জামিন আবেদন খারিজ-আলবদর বাহিনীর প্রধান ছিল...
- বিএনপির ভোটই জাতীয় পার্টির ভরসা by মোশতাক আহমদ
- ৬৫ নাগরিকের বিবৃতি-গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সরকারের ভূম...
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে জমি নিবন্ধন মার্চ থেকে by আপেল মা...
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠন...
- জেলা সফরে বের হবেন খালেদা-জোট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক আজ
- কাপাসিয়া উপনির্বাচন-রিমির বিপক্ষে চাচা! by পার্থ প...
- শয়নকক্ষে আরো এক খুন-নিহত রিপন গত আওয়ামী লীগ সরকারে...
- পদত্যাগে আপত্তি নেই মসিউরের
- বিশ্বব্যাংক ফিরছে না-প্রধানমন্ত্রীকে জানালেন অর্থম...
- ভেনিজুয়েলার তেল শোধনাগারে বিস্ফোরণে নিহত ৩৯
- মিসরের নতুন সংবিধান সেপ্টেম্বরের মধ্যেই
- ন্যাম সম্মেলন-হামাসকে আমন্ত্রণ জানায়নি ইরান
- এ যুগের মীনা কার্টুন- নাসিফ চৌধুরী আঁকা: জুনায়েদ
- সরেজমিন ময়মনসিংহ- ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে পদ বেচাকেনার...
- হলমার্ক কেলেঙ্কারি- সোনালী ব্যাংকের ৩১ কর্মকর্তাকে...
- পাঁচ মাসে ৪০০ কোটি টাকা আদায়। বিল কাঠামো পরিবর্তন ...
- পদ্মা সেতু প্রকল্প- মসিউর পদত্যাগ করেননি চিঠিও যায়...
- নগ্ন ছবি প্রকাশ-বেতন কর্তন ও তিরস্কার করা হবে হ্যা...
- সিয়েরালিওনে কলেরা মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা
- লিবিয়ায় সুফি মাজার গুঁড়িয়ে দিয়েছে হামলাকারীরা
- যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া-যুদ্ধের হু...
- দূতাবাসে অভিযানের হুমকি প্রত্যাহার করেছে ব্রিটেন
- গণহত্যার অভিযোগ-দামেস্কের বাইরে তিন শতাধিক মৃতদেহ ...
- শার্টের দামে মাসের বেতন
- কলকাতার চিঠি by ঊর্মি রহমান
- কবি নজরুল ॥ যাঁর কাছে আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই by ...
- গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে বিদেশীদের মায়াকান্না by শাহজা...
- আলবদর ১৯৭১ by মুনতাসীর মামুন
- বন্যায় বিপর্যস্ত ভারত পাকিস্তান ও মিয়ানমার
- ওএমএস-ছবি কথা বলে
- বন্দরে বর্জ্য তেল-দূষণমুক্ত উপকূল চাই
- চিরকালের আর্মস্ট্রং by পল রিনকন
- কত বছর বাঁচতে চান? by আনোয়ার হোসেন
- টেলিফোনে নাগরিক মন্তব্য-দুদককে সরকারের প্রভাবমুক্ত...
- যোগাযোগ অবকাঠামো-তাৎক্ষণিকতা নয়, সুদূরপ্রসারী পরিক...
- পুলিশের কাছে হেরোইন-রক্ষক যখন ভক্ষক
- পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড-কার্যকর পুনর্গঠনই কাম্য
- স্বাস্থ্যসেবায় ন্যূনতম ব্যয় হচ্ছে না-প্রয়োজনীয় বরা...
- দুর্নীতির 'চমৎকার' নজির-জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্...
- পবিত্র কোরআনের আলো-দুই ধরনের মানুষের পরিণতির বার্তা
- নিশ্চিত হোক লিবিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের পুনঃপ্রব...
- সম্প্রীতির সাধক নজরুল by সৌমিত্র শেখর
- চরাচর-দিঘলিয়ার দেয়াড়া গণহত্যা by গৌরাঙ্গ নন্দী
- ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পোস্টার লিফলেট সরাতে হবে- গাজীপুর-...
- বিএনপির আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়েছে ॥ হানিফ
- জাবি ফের উত্তপ্ত হওয়ার শঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার, প্...
- ‘বেগুনবাড়ী : জীবন, শিল্প, প্রক্রিয়া’ ভিন্ন আঙ্গিকে...
- চট্টগ্রামে ১৩২০ মে.ও. বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণে শীঘ...
- কলাবাগানের ফ্ল্যাটে ঠিকাদার খুন, লাশ উদ্ধার- রাজধা...
- নির্বাচনের আগেই মহাজোট ভাঙছে- গাজীপুর উপনির্বাচনে ...
- আড়াই শ’ বছরের পুরনো ব্যাপক চাহিদা, সুনাম বিদেশেও- ...
- হুদার নয়া দল গঠন প্রসঙ্গে by তারেক শামসুর রেহমান
- 'এন্ড ডাজ নট জাস্টিফাই মিনস' by আবু এন এম ওয়াহিদ
- বেহাল রাজনীতি ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ by জেড এ খান
- পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের কোন সুখবর নেই...
- আমিরাতে জনশক্তি নিয়োগ বন্ধ হয়নি, সীমিত আকারে ভিসা ...
- একটিই বার্তা দিতে চাই- রাজনীতি মানে জনকল্যাণ, মানু...
- ‘আলবদরের সমাবেশে মুজাহিদ দুশমন খতমের শপথ করান’- শা...
- ব্যারিস্টার রাজ্জাক নিজেও আলবদর বাহিনীর সদস্য ছিলে...
- আমি মৃন্ময়, আমি চিন্ময় আমি অজর অমর অক্ষয়, আমি অব্য...
- সিডিউলড রুট বন্ধ করে হজ ফ্লাইট ॥ সঙ্কটে বিমান- ০ ব...
- পুরুষদের পছন্দ দুষ্টু প্রকৃতির মেয়ে, কিন্তু কেন?
-
▼
Aug 27
(125)
-
▼
August
(2983)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment