Tuesday, July 17, 2012
কালান্তরের কড়চা-ভারতের হবু রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি সম্পর্কে আরো কিছু কথা by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
কালান্তরের কড়চা-ভারতের হবু রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি সম্পর্কে আরো কিছু কথা by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (১৯ জুলাই) পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি প্রণব মুখার্জির জয়লাভ প্রায় নিশ্চিত জেনে ঢাকার একটি দৈনিকে (কালের কণ্ঠে নয়) আমি নিজের কলামে একটু আলোচনা করেছি। তাতে প্রণববাবু সম্পর্কে কিছু অপ্রিয় সত্যও তুলে ধরেছি। ভারত আমাদের নিকট ও বৃহৎ প্রতিবেশী।
তা ছাড়া আমাদের মিত্রদেশ হওয়ারও দাবিদার। ভারতের সঙ্গে আমাদের ভালোমন্দও অনেক বেশি জড়িত। সুতরাং এত বড় নিকট প্রতিবেশীর রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা কে হতে যাচ্ছেন, তা নিয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা করা স্বাভাবিক। বিশেষ করে ভারতীয় কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা প্রণব মুখোপাধ্যায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে বাংলাদেশের 'বিশেষ বন্ধু' হিসেবে খ্যাত। তাঁর সঙ্গে আমি ব্যক্তিগতভাবেও পরিচিত। সুতরাং তিনি 'প্রথম বাঙালি' হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে বসতে যাচ্ছেন, সে সম্পর্কে আগেভাগেই আমার নিজের মতামত ব্যক্ত করাটা সঠিক কাজ মনে করেছি।
প্রণববাবু সম্পর্কে অনেকের ধারণার সঙ্গেই আমার ধারণাটা মিলবে না। তিনি ভারতের মতো একটি সাব-সুপার পাওয়ারের রাষ্ট্রপতি হলে বিশ্বে বাঙালি পরিচয়ের মেকি মর্যাদা কিছু বাড়তে পারে, কিন্তু সর্ববাঙালির স্বার্থ, সুবিধা, ন্যায্য প্রাপ্য ও অধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা কিছুমাত্র বাড়বে, তা আমি মনে করি না। তাঁর সম্পর্কে আমার এই ধারণাটি তাঁর অতীত ও বর্তমানের রাজনৈতিক চরিত্র পর্যবেক্ষণ দ্বারা গড়ে উঠেছে। আমার মনে হয়েছে, তাঁর কাছে বাঙালি পরিচয় এহবাহ্য। তিনি নিজের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য গুজরাটিও হয়ে যেতে পারেন (একবার হওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন)। ব্যবহারিক প্রয়োজন ছাড়া পরিচয় ও আদর্শের আর কোনো মূল্য তাঁর কাছে নেই। তিনি নিজের স্বার্থ-সুবিধার জন্য অতিদ্রুত পুরনো মিত্রকে ত্যাগ ও নতুন মিত্র গ্রহণ করতে পারেন।
এর সদ্য প্রমাণ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে। ইন্দিরা গান্ধী যেমন ক্ষমতায় থাকাকালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়কে, তেমনি পরবর্তীকালে ক্ষমতায় এসে রাজীব গান্ধী প্রণব মুখার্জিকে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের তত্ত্বাবধায়ক নেতা বানিয়েছিলেন। প্রণববাবু অনেকটা আমাদের ড. কামাল হোসেনের মতো। রাজনীতিক হিসেবে খ্যাতি ও পরিচিতি আছে, কিন্তু জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা নেই। জনগণ দুজনকেই নির্বাচনে ভোট দেয় না। প্রণববাবুও একাধিকবার নির্বাচনে জয়ী হতে না পেরে পশ্চিমবঙ্গে তৎকালে ক্ষমতাসীন বামফ্রন্ট তথা সিপিএমের পরম বান্ধব হয়ে দাঁড়ান এবং তাদের সাহায্যে পার্লামেন্টের সদস্য হন। দিল্লির সোনিয়া-মনমোহন সরকার বামদের বিরুদ্ধে চলে গেলে ও মমতার তৃণমূলের সঙ্গে মৈত্রী পাতালে প্রণববাবুর রাজনীতিতেও ইউটার্ন আসে। তিনি রাতারাতি বৈরী মমতার মিত্র হয়ে দাঁড়ান। এই সুযোগে গত রাজ্য নির্বাচনে মমতার সাহায্য ও সহযোগিতায় নিজের ছেলেকে রাজ্যের বিধানসভায় সদস্য করে আনেন।
দিল্লির হুকুমে ও নিজের স্বার্থ-সুবিধার জন্য প্রণববাবু পশ্চিমবঙ্গের গত রাজ্য নির্বাচনের সময় মমতার মিত্র এবং বামদের বৈরী হয়ে দাঁড়ালেও মমতার জনপ্রিয়তাকে তিনি ঈর্ষা করেন এবং তাঁর বিশাল নির্বাচন-বিজয়কে ভয় করেন। ফলে মমতা পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতেই তিনি মমতার সরকার যাতে তাদের নির্বাচন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো সফল করতে না পারে, সে জন্য রাজ্যকে কেন্দ্রের অর্থ সাহায্যদানে অর্থমন্ত্রী হিসেবে গড়িমসি শুরু করেন। এখানে প্রণব-মমতার বিরোধ আবার শুরু এবং প্রণববাবুকে রাষ্ট্রপতি করার ব্যাপারে মমতার এত আপত্তি ও বাধাদান। এই বাধাদানে মমতা ভুল কৌশল গ্রহণ ও জেদ দেখানোর ফলে প্রণববাবু এবার জিতে যাচ্ছেন।
ঢাকার একটি দৈনিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি পদে প্রণব মুখার্জির নিশ্চিত বিজয় সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে আমি এই অপ্রিয় সত্যটিই তুলে ধরতে চেয়েছিলাম যে তিনি দিল্লির তখতে তাউসে নেহরু-গান্ধী ডায়নেস্টির ইচ্ছা ও স্বার্থে তাদের ক্রীড়নক হিসেবে বসবেন; প্রকৃত নিরপেক্ষ নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে নয়। গণতন্ত্রের আদর্শে তাঁর নিষ্ঠাও কম। সুতরাং তাঁর রাষ্ট্রপতি হওয়ায় ভারতের গণতান্ত্রিক মানুষের আশাবাদী হওয়ার যেমন কিছু নেই, তেমনি প্রতিবেশী বাংলাদেশের মানুষেরও উল্লসিত হওয়ার কিছু নেই। এই সেদিন ভারতের অর্থমন্ত্রী থাকাকালে বাংলাদেশে ছুটে এসে ঢাকার সঙ্গে সম্পাদিত তাঁদের কোটি কোটি ডলারের ঋণ-সাহায্যের প্যাকেজ ডিলটির বর্তমান অবস্থা কি সন্দেহবাদীদের সন্দেহের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে না?
ঢাকায় একটি দৈনিকে আমার এই সদ্য প্রকাশিত প্রবন্ধটি পাঠ করে ঢাকার এক প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। নাম প্রকাশ করে তাঁকে আর বিব্রত করতে চাই না। তিনিও আমার মতো প্রণববাবুকে প্রণবদা বলে ডাকেন। আমার লেখাটি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহাক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ঢাকা থেকে আমাকে হঠাৎ টেলিফোন করেছেন ও বলেছেন, 'প্রণবদা সম্পর্কে এমন দায়িত্বহীন লেখা আপনার উচিত হয়নি। ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং বিশেষ করে বঙ্গবন্ধর হত্যার পর জার্মানিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে সুনিশ্চিত নিরাপত্তাদান এবং দিল্লিতে নিয়ে আসার ব্যাপারে তাঁর বিশেষ ভূমিকার কথা আপনি জানেন। বাংলাদেশ ও বাঙালির এমন বন্ধু সম্পর্কে আপনার লেখাটি আমাদের মনে দুঃখ দিয়েছে।'
প্রণব মুখার্জি সম্পর্কে ঢাকার কাগজে সাম্প্রতিক নিবন্ধটি লেখার পর তাঁর সম্পর্কে অধিক কিছু লেখার ইচ্ছা আমার ছিল না। কিন্তু একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতার এই টেলিফোনটি পেয়ে দায়িত্বহীনভাবে নয়, সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালনের তাগিদেই আবার এই লেখাটি আমাকে লিখতে হলো। এ জন্য প্রণবদা ও আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতার কাছে ক্ষমা চাই।
১৯৭১ সালে প্রণব মুখার্জি ৩৫ বছর বয়সের যুবক ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ কিংবা কেন্দ্রীয় কংগ্রেস রাজনীতিতেও তেমন কেউকেটা ছিলেন না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর কোনো বড় ভূমিকা ছিল না এবং বড় ভূমিকা গ্রহণের সুযোগও ছিল না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্যদানে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ইন্দিরা গান্ধীকে তাঁর যেসব মন্ত্রী, সচিব ও পরামর্শদাতা অব্যাহত সমর্থন দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কৃষ্ণ মেনন, জগজীবন রাম, ডিপি ধর, হাকসার প্রমুখ, এমনকি পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের নামও উল্লেখযোগ্য। প্রণববাবুর সেখানে বড় ভূমিকা নেওয়ার অবকাশ কোথায়? আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতার মতো ১৯৭১ সালে আমিও ভারতে ছিলাম এবং কলকাতা ও দিল্লিতে ছোটাছুটি করেছি। তখন প্রণববাবুর গুরুত্ব কোথায়?
বঙ্গবন্ধু হত্যার পর হাসিনা-রেহানা দুই বোনকে জার্মানি থেকে দিল্লিতে নিয়ে আসার ব্যাপারে প্রণববাবুর একটা বড় ভূমিকা ছিল। তাও তাঁর নিজের ভূমিকা নয়। ইন্দিরা গান্ধী তাঁকে ডেকে নিয়ে দায়িত্বটি দিয়েছিলেন। প্রণববাবু বাঙালি বলেই তাঁকে এই দায়িত্বটি দেওয়া হয়েছিল, অন্য কোনো কারণে নয়। জার্মানি থেকে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা ও জামাতাকে লন্ডন হয়ে নিরাপদে দিল্লি নিয়ে আসার তত্ত্বাবধানই ছিল প্রণববাবুর একমাত্র কাজ। তারপর দায়িত্ব মুক্তি। হাসিনা ও রেহানার দিল্লি অবস্থানের সময় তাঁরা প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর তত্ত্বাবধানে ছিলেন। আর ছিলেন তাঁর নির্দেশে নিরাপত্তা সংস্থার কর্মকর্তারা। পরবর্তীকালে প্রণববাবু তাঁর এটুকু ভূমিকার জন্যই বাংলাদেশে আমাদের অনেকের কাছে দাদা হয়ে ওঠেন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুযোগ পেলেই দাদাগিরি ফলাতে শুরু করেন। কিছুদিন আগে তিনি দিল্লির হুকুমে ও স্বার্থে বাংলাদেশের বিএনপিনেত্রী খালেদা জিয়ারও মন জয় করার চেষ্টা করে গেছেন। রাজনীতিতে প্রণব মুখার্জির একমাত্র দক্ষতা এই যে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের নামে তিনি ডানে-বামে যে কোনোদিকে হেলতে-দুলতে পারেন। নীতি-নৈতিকতা এখানে অবান্তর।
ভারতের এই ভাবী 'মহামান্য রাষ্ট্রপতির' জীবনেতিহাসের দিকে তাকালেও বোঝা যাবে সেখানে নীতি-নৈতিকতার স্থান কতটুকু। বাংলা কংগ্রেসের নেতা অজয় মুখোপাধ্যায় তাঁর স্বতন্ত্র বাংলা কংগ্রেস বিলুপ্ত করার সময় তাঁর তরুণ অনুসারী প্রণব মুখার্জিকে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। প্রগাঢ় চাটুকারিতার জোরে তিনি দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু দেহরক্ষীর গুলির আঘাতে ইন্দিরার নির্মম মৃত্যুর পর তাঁর ভক্তির মুখোশ খুলে গিয়েছিল। তিনি রাজীব গান্ধীর উপস্থিতিতেই নিজের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার খায়েশ ব্যক্ত করেন। রাজীব বিরক্ত হয়ে তাঁকে দূরে সরিয়ে দেন এবং প্রণববাবুর রাজনৈতিক জীবনে দুর্দিন শুরু হয়।
তাঁর অচলা দিল্লিভক্তিতে এবার চিড় ধরল। তিনি তখন 'সমাজবাদী কংগ্রেস' নামে একটি পাল্টা কংগ্রেস খাড়া করার চেষ্টা করেন। তাঁর ডাকা জনসভায় কোনো শ্রোতা-দর্শক না আসায় তিনি আবার রাজীব গান্ধীর কাছে ধরনা দেন এবং কংগ্রেসে ফিরে আসেন। রাজীব তাঁকে আর দিল্লিতে ঢুকতে দেননি। পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস দেখভাল করার দায়িত্ব দেন। এই দায়িত্ব পালনেও প্রণববাবু ক্যারিশমা ও জনপ্রিয়তার অভাবে কোনো কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। বরং তাঁর আমলে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস একটি একঘরে ও কোণঠাসা এবং কোন্দল জর্জরিত পার্টিতে পরিণত হয়।
দিল্লির সেবাদাস হওয়া ও নেহরু-গান্ধী ডায়নেস্টির প্রতি 'অচলাভক্তি' সত্ত্বেও তিনি যে দু-দুবার প্রধানমন্ত্রী ও একবার রাষ্ট্রপতি (২০০৭) হতে চেয়েও হতে পারেননি, তার কারণ হয়তো বাঙালি পরিচয়ের সঙ্গে সুবিধাবাদিতা যুক্ত থাকা। ফলে রাজীবের পর তিনি দীর্ঘকাল সোনিয়া গান্ধীরও আস্থা অর্জন করতে পারেননি। রাজীব হত্যার পর যখন তাঁর স্ত্রী সোনিয়ার কাছে ডাক এলো কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণের, তখন প্রণববাবু তলে তলে ঘোঁট পাকাচ্ছেন নরসিমা রাওয়ের সঙ্গে- রাওকে প্রধানমন্ত্রী পদে বসানোর জন্য। সোনিয়া তখন পরিবারের নিরাপত্তাজনিত কারণেই কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণে এগিয়ে আসেননি; কিন্তু চিরভক্তের আসল চেহারাটা দেখে নিয়েছিলেন।
এরপর সীতারাম কেশরি যখন কংগ্রেসের নেতা হয়ে বসলেন, তখন প্রণববাবু তাঁর খাস মুনশি হয়ে দাঁড়ান। কিছুদিনের মধ্যে কংগ্রেস প্রধানের পদ থেকে সীতারাম কেশরি হলেন বিতাড়িত। সোনিয়া গান্ধী একচ্ছত্র নেতৃত্বের ভূমিকায় উঠে এলেন। আমাদের প্রণব দাদাও ভোল পাল্টে সোনিয়া ভক্ত হয়ে গেলেন। তাঁর অবস্থা তখন 'দেহিপদপল্লব মুদরম'। সোনিয়া গান্ধী তাঁকে গ্রহণ করেছেন, বিভিন্ন মন্ত্রীপদে বসতেও দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর আকাঙ্ক্ষিত প্রধানমন্ত্রী পদটির ধারে কাছেও তাঁকে ঘেঁষতে দেননি। বরং রাজনীতিতে যাঁর ক্রেডিবিলিটি প্রায় শূন্য ও সাবেক ব্যুরোক্র্যাট মনমোহন সিংকে এনে তাঁর মাথার ওপর প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়ে দিয়েছেন।
২০০৭ সালেও প্রণববাবুকে রাষ্ট্রপতি পদে বসাতে সোনিয়া রাজি হননি। এবার যে তিনি প্রণববাবুর প্রতি হঠাৎ সদয় হলেন, তার কারণ হিসেবে অনেকে বলেন, পুত্র রাহুল গান্ধীর ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে প্রণববাবু যাতে বাগড়া হয়ে না দাঁড়াতে পারেন, সে জন্যই তাঁকে নখদন্তবিহীন রাষ্ট্রপতি পদে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রণববাবুর মতো একজন সক্রিয় ও সক্ষম রাজনীতিকের রাজনৈতিক জীবনের অবসান ঘটানো হলো। তিনি রাইসিনা হিলসে বসে খাবেন-দাবেন, ফুর্তি করবেন, সেনাবাহিনীর স্যালুট নেবেন, কিন্তু তাঁর ভূমিকা হবে ঠুঁটো জগন্নাথের।
ভারতের রাজনীতির অনেকের কাছে প্রণব মুখার্জি এখন 'বঙ্গ বিভীষণ' নামে আখ্যাত। কারণ তাঁর সম্পর্কে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া পত্রিকায় সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরটির ইংরেজি শিরোনামের বাংলা তরজমা হলো 'নেতাজীর অন্তর্ধান রহস্য চাপা দিতে চেয়েছিলেন প্রণব মুখার্জি।' সর্ববাঙালি, এমন কি সর্বভারতীয়দের মনেও বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর একটি সুউচ্চ শ্রদ্ধার আসন আছে। প্রণববাবুর বিরুদ্ধে সেই নেতাজীবিরোধী তৎপরতার অভিযোগ ওঠায় অনেকেই ক্ষুব্ধ। প্রশ্ন উঠেছে, তিনি যদি এ কাজটা করে থাকেন, তাহলে কাদের স্বার্থে করেছেন?
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ও কংগ্রেস রাজনীতিতে জওহরলাল নেহরু প্রকাশ্যে সুভাষ বসুর বন্ধু হলেও মনে মনে ছিলেন তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষাকাতর এবং তাঁকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবতেন। সুভাষ বসু বিদেশে চলে গিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করে ব্রিটিশরাজের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু করার পর নেহরু এই যুদ্ধের প্রতি সমর্থন জানাননি। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষদিকে বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষ বসুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর প্রচারিত হয়। কিন্তু খবরটির যথার্থতা প্রমাণিত হয়নি। স্বাধীন ভারতের নেহরু সরকার ও তাঁর উত্তরাধিকারীরা এই খবরটি সঠিক বলে মেনে নেন। অনেকের মতে, সুভাষ বসুর মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে নেহরু সরকার কোনো ধরনের চেষ্টা করেনি; বরং প্রতিটি চেষ্টায় বাধা দিয়েছে। এখন অভিযোগ উঠেছে, একজন বাঙালি হয়েও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে প্রণববাবুও এ কাজটি করেছেন এবং করেছেন নেহরু-গান্ধী ডায়নেস্টিকে খুশি করে নিজের রাজনৈতিক ফায়দা উদ্ধারের জন্য।
এই অভিযোগটি করা হয়েছে 'ইন্ডিয়াস বিগেস্ট কভার আপ' নামের একটি বইয়ে। বইটি এই মাসেই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। বইটি লিখেছেন সাংবাদিক অনুজ ধর। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে আগাম তথ্য প্রকাশ করেছে। এই বইয়ে সুভাষ বসুর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে প্রচারিত ভারতের সরকারি ভাষ্য সঠিক নয় দাবি করা হয়েছে। ভারত সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৪৫ সালে তাইওয়ানে এক বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজীর মৃত্যু হয়।
ব্রিটেন, আমেরিকা ও ভারতের কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য সূত্রের গোপন নথিপত্রের ভিত্তিতেই বইটি লিখেছেন অনুজ ধর। এই নথিপত্রগুলো নেতাজীর অন্তর্ধানের পর টানা ৬৫ বছর গোপন রাখা হয়েছিল। বইয়ে অনুজ ধর অভিযোগ করেছেন, সাক্ষ্য-প্রমাণে বিমান দুর্ঘটনার তত্ত্ব ও তথ্য বাতিল হওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ থাকলেও পরবর্তীকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে প্রণব মুখার্জি এই প্রমাণগুলো চাপা দেওয়ায় চেষ্টা চালিয়ে যান। এই ব্যাপারে তাঁর অতি আগ্রহ দেখাতেও তিনি দ্বিধা করেননি।
অনুজ ধর ১৯৯৬ সালের এক ঘটনার সূত্র ধরে তাঁর বইতে লিখেছেন, 'ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই সময়ের এক যুগ্ম সচিব গোপনীয় এক চিরকুটে সুভাষ বসুর ঘটনাটি নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ অনুসন্ধান চালানোর জন্য ভারত সরকারকে প্রস্তাব দেন। তিনি ভারতের সরকারি কর্তৃপক্ষকে রুশ ফেডারেশনের সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সোভিয়েত আমলের গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির আর্কাইভে অনুসন্ধান চালানোর পরামর্শ দেন।'
অনুজ ধর দৃঢ়ভাবে দাবি জানিয়েছেন, প্রণব মুখার্জি ওই চিরকুটটি দেখার পর পররাষ্ট্র সচিব সালমান হায়দারকে ওই যুগ্মসচিবের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দেন। সালমান হায়দার কথা বলার পর ওই যুগ্মসচিব রাশিয়ার সঙ্গে সুভাষ বসু সম্পর্কে যৌথ অনুসন্ধানের প্রস্তাবটি তুলে নেন। তাইওয়ানে নেতাজীর মৃত্যু হয়েছে- ভারতে এই তত্ত্বের সবচেয়ে বড় প্রচারক প্রণব মুখার্জি। এই দাবি অনুজ ধরের। কেন প্রণববাবুর এই রহস্যজনক ভূমিকা, তা এখনো নির্ণয় করতে পারেননি 'ইন্ডিয়াস্ বিগেস্ট কভার আপ' বইয়ের লেখক।
ভারতের হবু রাষ্ট্রপতি ও আমাদের অনেকের প্রণব দাদা সম্পর্কে অধিক কিছু লিখতে চাই না। লন্ডনের ইকোনমিস্ট পত্রিকার (২৩ জুনের প্রতিবেদন) মতে 'মনমোহন সিং ও প্রণব মুখার্জি দুজনেই ডায়নেস্টির বশংবদ সেবক। তবে বিশ্বাসযোগ্যতা মনমোহন সিংয়ের বেশি।' আমারও ধারণা, নিজের সুবিধাবাদী চরিত্রের জন্যই ডায়নেস্টির আস্থা অর্জনে প্রণববাবুর দেরি হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত মুকুট ও ক্ষমতাবিহীন সিংহাসনে Kicked high হয়েছেন।
তবু ভারতের রাষ্ট্রপতি পদে বসতে যাওয়া প্রণব মুখার্জিকে আগাম অভিনন্দন জানাই। শত হোক তাঁর বাঙালি পরিচয়টা আছে তো!
লন্ডন, ১৬ জুলাই, সোমবার, ২০১২
প্রণববাবু সম্পর্কে অনেকের ধারণার সঙ্গেই আমার ধারণাটা মিলবে না। তিনি ভারতের মতো একটি সাব-সুপার পাওয়ারের রাষ্ট্রপতি হলে বিশ্বে বাঙালি পরিচয়ের মেকি মর্যাদা কিছু বাড়তে পারে, কিন্তু সর্ববাঙালির স্বার্থ, সুবিধা, ন্যায্য প্রাপ্য ও অধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা কিছুমাত্র বাড়বে, তা আমি মনে করি না। তাঁর সম্পর্কে আমার এই ধারণাটি তাঁর অতীত ও বর্তমানের রাজনৈতিক চরিত্র পর্যবেক্ষণ দ্বারা গড়ে উঠেছে। আমার মনে হয়েছে, তাঁর কাছে বাঙালি পরিচয় এহবাহ্য। তিনি নিজের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য গুজরাটিও হয়ে যেতে পারেন (একবার হওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন)। ব্যবহারিক প্রয়োজন ছাড়া পরিচয় ও আদর্শের আর কোনো মূল্য তাঁর কাছে নেই। তিনি নিজের স্বার্থ-সুবিধার জন্য অতিদ্রুত পুরনো মিত্রকে ত্যাগ ও নতুন মিত্র গ্রহণ করতে পারেন।
এর সদ্য প্রমাণ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে। ইন্দিরা গান্ধী যেমন ক্ষমতায় থাকাকালে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়কে, তেমনি পরবর্তীকালে ক্ষমতায় এসে রাজীব গান্ধী প্রণব মুখার্জিকে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের তত্ত্বাবধায়ক নেতা বানিয়েছিলেন। প্রণববাবু অনেকটা আমাদের ড. কামাল হোসেনের মতো। রাজনীতিক হিসেবে খ্যাতি ও পরিচিতি আছে, কিন্তু জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা নেই। জনগণ দুজনকেই নির্বাচনে ভোট দেয় না। প্রণববাবুও একাধিকবার নির্বাচনে জয়ী হতে না পেরে পশ্চিমবঙ্গে তৎকালে ক্ষমতাসীন বামফ্রন্ট তথা সিপিএমের পরম বান্ধব হয়ে দাঁড়ান এবং তাদের সাহায্যে পার্লামেন্টের সদস্য হন। দিল্লির সোনিয়া-মনমোহন সরকার বামদের বিরুদ্ধে চলে গেলে ও মমতার তৃণমূলের সঙ্গে মৈত্রী পাতালে প্রণববাবুর রাজনীতিতেও ইউটার্ন আসে। তিনি রাতারাতি বৈরী মমতার মিত্র হয়ে দাঁড়ান। এই সুযোগে গত রাজ্য নির্বাচনে মমতার সাহায্য ও সহযোগিতায় নিজের ছেলেকে রাজ্যের বিধানসভায় সদস্য করে আনেন।
দিল্লির হুকুমে ও নিজের স্বার্থ-সুবিধার জন্য প্রণববাবু পশ্চিমবঙ্গের গত রাজ্য নির্বাচনের সময় মমতার মিত্র এবং বামদের বৈরী হয়ে দাঁড়ালেও মমতার জনপ্রিয়তাকে তিনি ঈর্ষা করেন এবং তাঁর বিশাল নির্বাচন-বিজয়কে ভয় করেন। ফলে মমতা পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতেই তিনি মমতার সরকার যাতে তাদের নির্বাচন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো সফল করতে না পারে, সে জন্য রাজ্যকে কেন্দ্রের অর্থ সাহায্যদানে অর্থমন্ত্রী হিসেবে গড়িমসি শুরু করেন। এখানে প্রণব-মমতার বিরোধ আবার শুরু এবং প্রণববাবুকে রাষ্ট্রপতি করার ব্যাপারে মমতার এত আপত্তি ও বাধাদান। এই বাধাদানে মমতা ভুল কৌশল গ্রহণ ও জেদ দেখানোর ফলে প্রণববাবু এবার জিতে যাচ্ছেন।
ঢাকার একটি দৈনিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি পদে প্রণব মুখার্জির নিশ্চিত বিজয় সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে আমি এই অপ্রিয় সত্যটিই তুলে ধরতে চেয়েছিলাম যে তিনি দিল্লির তখতে তাউসে নেহরু-গান্ধী ডায়নেস্টির ইচ্ছা ও স্বার্থে তাদের ক্রীড়নক হিসেবে বসবেন; প্রকৃত নিরপেক্ষ নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে নয়। গণতন্ত্রের আদর্শে তাঁর নিষ্ঠাও কম। সুতরাং তাঁর রাষ্ট্রপতি হওয়ায় ভারতের গণতান্ত্রিক মানুষের আশাবাদী হওয়ার যেমন কিছু নেই, তেমনি প্রতিবেশী বাংলাদেশের মানুষেরও উল্লসিত হওয়ার কিছু নেই। এই সেদিন ভারতের অর্থমন্ত্রী থাকাকালে বাংলাদেশে ছুটে এসে ঢাকার সঙ্গে সম্পাদিত তাঁদের কোটি কোটি ডলারের ঋণ-সাহায্যের প্যাকেজ ডিলটির বর্তমান অবস্থা কি সন্দেহবাদীদের সন্দেহের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে না?
ঢাকায় একটি দৈনিকে আমার এই সদ্য প্রকাশিত প্রবন্ধটি পাঠ করে ঢাকার এক প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। নাম প্রকাশ করে তাঁকে আর বিব্রত করতে চাই না। তিনিও আমার মতো প্রণববাবুকে প্রণবদা বলে ডাকেন। আমার লেখাটি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহাক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ঢাকা থেকে আমাকে হঠাৎ টেলিফোন করেছেন ও বলেছেন, 'প্রণবদা সম্পর্কে এমন দায়িত্বহীন লেখা আপনার উচিত হয়নি। ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং বিশেষ করে বঙ্গবন্ধর হত্যার পর জার্মানিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে সুনিশ্চিত নিরাপত্তাদান এবং দিল্লিতে নিয়ে আসার ব্যাপারে তাঁর বিশেষ ভূমিকার কথা আপনি জানেন। বাংলাদেশ ও বাঙালির এমন বন্ধু সম্পর্কে আপনার লেখাটি আমাদের মনে দুঃখ দিয়েছে।'
প্রণব মুখার্জি সম্পর্কে ঢাকার কাগজে সাম্প্রতিক নিবন্ধটি লেখার পর তাঁর সম্পর্কে অধিক কিছু লেখার ইচ্ছা আমার ছিল না। কিন্তু একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতার এই টেলিফোনটি পেয়ে দায়িত্বহীনভাবে নয়, সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালনের তাগিদেই আবার এই লেখাটি আমাকে লিখতে হলো। এ জন্য প্রণবদা ও আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতার কাছে ক্ষমা চাই।
১৯৭১ সালে প্রণব মুখার্জি ৩৫ বছর বয়সের যুবক ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ কিংবা কেন্দ্রীয় কংগ্রেস রাজনীতিতেও তেমন কেউকেটা ছিলেন না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর কোনো বড় ভূমিকা ছিল না এবং বড় ভূমিকা গ্রহণের সুযোগও ছিল না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্যদানে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ইন্দিরা গান্ধীকে তাঁর যেসব মন্ত্রী, সচিব ও পরামর্শদাতা অব্যাহত সমর্থন দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কৃষ্ণ মেনন, জগজীবন রাম, ডিপি ধর, হাকসার প্রমুখ, এমনকি পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের নামও উল্লেখযোগ্য। প্রণববাবুর সেখানে বড় ভূমিকা নেওয়ার অবকাশ কোথায়? আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতার মতো ১৯৭১ সালে আমিও ভারতে ছিলাম এবং কলকাতা ও দিল্লিতে ছোটাছুটি করেছি। তখন প্রণববাবুর গুরুত্ব কোথায়?
বঙ্গবন্ধু হত্যার পর হাসিনা-রেহানা দুই বোনকে জার্মানি থেকে দিল্লিতে নিয়ে আসার ব্যাপারে প্রণববাবুর একটা বড় ভূমিকা ছিল। তাও তাঁর নিজের ভূমিকা নয়। ইন্দিরা গান্ধী তাঁকে ডেকে নিয়ে দায়িত্বটি দিয়েছিলেন। প্রণববাবু বাঙালি বলেই তাঁকে এই দায়িত্বটি দেওয়া হয়েছিল, অন্য কোনো কারণে নয়। জার্মানি থেকে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা ও জামাতাকে লন্ডন হয়ে নিরাপদে দিল্লি নিয়ে আসার তত্ত্বাবধানই ছিল প্রণববাবুর একমাত্র কাজ। তারপর দায়িত্ব মুক্তি। হাসিনা ও রেহানার দিল্লি অবস্থানের সময় তাঁরা প্রকৃতপক্ষে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর তত্ত্বাবধানে ছিলেন। আর ছিলেন তাঁর নির্দেশে নিরাপত্তা সংস্থার কর্মকর্তারা। পরবর্তীকালে প্রণববাবু তাঁর এটুকু ভূমিকার জন্যই বাংলাদেশে আমাদের অনেকের কাছে দাদা হয়ে ওঠেন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুযোগ পেলেই দাদাগিরি ফলাতে শুরু করেন। কিছুদিন আগে তিনি দিল্লির হুকুমে ও স্বার্থে বাংলাদেশের বিএনপিনেত্রী খালেদা জিয়ারও মন জয় করার চেষ্টা করে গেছেন। রাজনীতিতে প্রণব মুখার্জির একমাত্র দক্ষতা এই যে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের নামে তিনি ডানে-বামে যে কোনোদিকে হেলতে-দুলতে পারেন। নীতি-নৈতিকতা এখানে অবান্তর।
ভারতের এই ভাবী 'মহামান্য রাষ্ট্রপতির' জীবনেতিহাসের দিকে তাকালেও বোঝা যাবে সেখানে নীতি-নৈতিকতার স্থান কতটুকু। বাংলা কংগ্রেসের নেতা অজয় মুখোপাধ্যায় তাঁর স্বতন্ত্র বাংলা কংগ্রেস বিলুপ্ত করার সময় তাঁর তরুণ অনুসারী প্রণব মুখার্জিকে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। প্রগাঢ় চাটুকারিতার জোরে তিনি দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু দেহরক্ষীর গুলির আঘাতে ইন্দিরার নির্মম মৃত্যুর পর তাঁর ভক্তির মুখোশ খুলে গিয়েছিল। তিনি রাজীব গান্ধীর উপস্থিতিতেই নিজের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার খায়েশ ব্যক্ত করেন। রাজীব বিরক্ত হয়ে তাঁকে দূরে সরিয়ে দেন এবং প্রণববাবুর রাজনৈতিক জীবনে দুর্দিন শুরু হয়।
তাঁর অচলা দিল্লিভক্তিতে এবার চিড় ধরল। তিনি তখন 'সমাজবাদী কংগ্রেস' নামে একটি পাল্টা কংগ্রেস খাড়া করার চেষ্টা করেন। তাঁর ডাকা জনসভায় কোনো শ্রোতা-দর্শক না আসায় তিনি আবার রাজীব গান্ধীর কাছে ধরনা দেন এবং কংগ্রেসে ফিরে আসেন। রাজীব তাঁকে আর দিল্লিতে ঢুকতে দেননি। পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস দেখভাল করার দায়িত্ব দেন। এই দায়িত্ব পালনেও প্রণববাবু ক্যারিশমা ও জনপ্রিয়তার অভাবে কোনো কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। বরং তাঁর আমলে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস একটি একঘরে ও কোণঠাসা এবং কোন্দল জর্জরিত পার্টিতে পরিণত হয়।
দিল্লির সেবাদাস হওয়া ও নেহরু-গান্ধী ডায়নেস্টির প্রতি 'অচলাভক্তি' সত্ত্বেও তিনি যে দু-দুবার প্রধানমন্ত্রী ও একবার রাষ্ট্রপতি (২০০৭) হতে চেয়েও হতে পারেননি, তার কারণ হয়তো বাঙালি পরিচয়ের সঙ্গে সুবিধাবাদিতা যুক্ত থাকা। ফলে রাজীবের পর তিনি দীর্ঘকাল সোনিয়া গান্ধীরও আস্থা অর্জন করতে পারেননি। রাজীব হত্যার পর যখন তাঁর স্ত্রী সোনিয়ার কাছে ডাক এলো কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণের, তখন প্রণববাবু তলে তলে ঘোঁট পাকাচ্ছেন নরসিমা রাওয়ের সঙ্গে- রাওকে প্রধানমন্ত্রী পদে বসানোর জন্য। সোনিয়া তখন পরিবারের নিরাপত্তাজনিত কারণেই কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণে এগিয়ে আসেননি; কিন্তু চিরভক্তের আসল চেহারাটা দেখে নিয়েছিলেন।
এরপর সীতারাম কেশরি যখন কংগ্রেসের নেতা হয়ে বসলেন, তখন প্রণববাবু তাঁর খাস মুনশি হয়ে দাঁড়ান। কিছুদিনের মধ্যে কংগ্রেস প্রধানের পদ থেকে সীতারাম কেশরি হলেন বিতাড়িত। সোনিয়া গান্ধী একচ্ছত্র নেতৃত্বের ভূমিকায় উঠে এলেন। আমাদের প্রণব দাদাও ভোল পাল্টে সোনিয়া ভক্ত হয়ে গেলেন। তাঁর অবস্থা তখন 'দেহিপদপল্লব মুদরম'। সোনিয়া গান্ধী তাঁকে গ্রহণ করেছেন, বিভিন্ন মন্ত্রীপদে বসতেও দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর আকাঙ্ক্ষিত প্রধানমন্ত্রী পদটির ধারে কাছেও তাঁকে ঘেঁষতে দেননি। বরং রাজনীতিতে যাঁর ক্রেডিবিলিটি প্রায় শূন্য ও সাবেক ব্যুরোক্র্যাট মনমোহন সিংকে এনে তাঁর মাথার ওপর প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়ে দিয়েছেন।
২০০৭ সালেও প্রণববাবুকে রাষ্ট্রপতি পদে বসাতে সোনিয়া রাজি হননি। এবার যে তিনি প্রণববাবুর প্রতি হঠাৎ সদয় হলেন, তার কারণ হিসেবে অনেকে বলেন, পুত্র রাহুল গান্ধীর ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে প্রণববাবু যাতে বাগড়া হয়ে না দাঁড়াতে পারেন, সে জন্যই তাঁকে নখদন্তবিহীন রাষ্ট্রপতি পদে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রণববাবুর মতো একজন সক্রিয় ও সক্ষম রাজনীতিকের রাজনৈতিক জীবনের অবসান ঘটানো হলো। তিনি রাইসিনা হিলসে বসে খাবেন-দাবেন, ফুর্তি করবেন, সেনাবাহিনীর স্যালুট নেবেন, কিন্তু তাঁর ভূমিকা হবে ঠুঁটো জগন্নাথের।
ভারতের রাজনীতির অনেকের কাছে প্রণব মুখার্জি এখন 'বঙ্গ বিভীষণ' নামে আখ্যাত। কারণ তাঁর সম্পর্কে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া পত্রিকায় সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরটির ইংরেজি শিরোনামের বাংলা তরজমা হলো 'নেতাজীর অন্তর্ধান রহস্য চাপা দিতে চেয়েছিলেন প্রণব মুখার্জি।' সর্ববাঙালি, এমন কি সর্বভারতীয়দের মনেও বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর একটি সুউচ্চ শ্রদ্ধার আসন আছে। প্রণববাবুর বিরুদ্ধে সেই নেতাজীবিরোধী তৎপরতার অভিযোগ ওঠায় অনেকেই ক্ষুব্ধ। প্রশ্ন উঠেছে, তিনি যদি এ কাজটা করে থাকেন, তাহলে কাদের স্বার্থে করেছেন?
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ও কংগ্রেস রাজনীতিতে জওহরলাল নেহরু প্রকাশ্যে সুভাষ বসুর বন্ধু হলেও মনে মনে ছিলেন তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষাকাতর এবং তাঁকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবতেন। সুভাষ বসু বিদেশে চলে গিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করে ব্রিটিশরাজের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু করার পর নেহরু এই যুদ্ধের প্রতি সমর্থন জানাননি। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষদিকে বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষ বসুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর প্রচারিত হয়। কিন্তু খবরটির যথার্থতা প্রমাণিত হয়নি। স্বাধীন ভারতের নেহরু সরকার ও তাঁর উত্তরাধিকারীরা এই খবরটি সঠিক বলে মেনে নেন। অনেকের মতে, সুভাষ বসুর মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে নেহরু সরকার কোনো ধরনের চেষ্টা করেনি; বরং প্রতিটি চেষ্টায় বাধা দিয়েছে। এখন অভিযোগ উঠেছে, একজন বাঙালি হয়েও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে প্রণববাবুও এ কাজটি করেছেন এবং করেছেন নেহরু-গান্ধী ডায়নেস্টিকে খুশি করে নিজের রাজনৈতিক ফায়দা উদ্ধারের জন্য।
এই অভিযোগটি করা হয়েছে 'ইন্ডিয়াস বিগেস্ট কভার আপ' নামের একটি বইয়ে। বইটি এই মাসেই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। বইটি লিখেছেন সাংবাদিক অনুজ ধর। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে আগাম তথ্য প্রকাশ করেছে। এই বইয়ে সুভাষ বসুর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে প্রচারিত ভারতের সরকারি ভাষ্য সঠিক নয় দাবি করা হয়েছে। ভারত সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৪৫ সালে তাইওয়ানে এক বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজীর মৃত্যু হয়।
ব্রিটেন, আমেরিকা ও ভারতের কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য সূত্রের গোপন নথিপত্রের ভিত্তিতেই বইটি লিখেছেন অনুজ ধর। এই নথিপত্রগুলো নেতাজীর অন্তর্ধানের পর টানা ৬৫ বছর গোপন রাখা হয়েছিল। বইয়ে অনুজ ধর অভিযোগ করেছেন, সাক্ষ্য-প্রমাণে বিমান দুর্ঘটনার তত্ত্ব ও তথ্য বাতিল হওয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ থাকলেও পরবর্তীকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে প্রণব মুখার্জি এই প্রমাণগুলো চাপা দেওয়ায় চেষ্টা চালিয়ে যান। এই ব্যাপারে তাঁর অতি আগ্রহ দেখাতেও তিনি দ্বিধা করেননি।
অনুজ ধর ১৯৯৬ সালের এক ঘটনার সূত্র ধরে তাঁর বইতে লিখেছেন, 'ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই সময়ের এক যুগ্ম সচিব গোপনীয় এক চিরকুটে সুভাষ বসুর ঘটনাটি নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ অনুসন্ধান চালানোর জন্য ভারত সরকারকে প্রস্তাব দেন। তিনি ভারতের সরকারি কর্তৃপক্ষকে রুশ ফেডারেশনের সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সোভিয়েত আমলের গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির আর্কাইভে অনুসন্ধান চালানোর পরামর্শ দেন।'
অনুজ ধর দৃঢ়ভাবে দাবি জানিয়েছেন, প্রণব মুখার্জি ওই চিরকুটটি দেখার পর পররাষ্ট্র সচিব সালমান হায়দারকে ওই যুগ্মসচিবের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দেন। সালমান হায়দার কথা বলার পর ওই যুগ্মসচিব রাশিয়ার সঙ্গে সুভাষ বসু সম্পর্কে যৌথ অনুসন্ধানের প্রস্তাবটি তুলে নেন। তাইওয়ানে নেতাজীর মৃত্যু হয়েছে- ভারতে এই তত্ত্বের সবচেয়ে বড় প্রচারক প্রণব মুখার্জি। এই দাবি অনুজ ধরের। কেন প্রণববাবুর এই রহস্যজনক ভূমিকা, তা এখনো নির্ণয় করতে পারেননি 'ইন্ডিয়াস্ বিগেস্ট কভার আপ' বইয়ের লেখক।
ভারতের হবু রাষ্ট্রপতি ও আমাদের অনেকের প্রণব দাদা সম্পর্কে অধিক কিছু লিখতে চাই না। লন্ডনের ইকোনমিস্ট পত্রিকার (২৩ জুনের প্রতিবেদন) মতে 'মনমোহন সিং ও প্রণব মুখার্জি দুজনেই ডায়নেস্টির বশংবদ সেবক। তবে বিশ্বাসযোগ্যতা মনমোহন সিংয়ের বেশি।' আমারও ধারণা, নিজের সুবিধাবাদী চরিত্রের জন্যই ডায়নেস্টির আস্থা অর্জনে প্রণববাবুর দেরি হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত মুকুট ও ক্ষমতাবিহীন সিংহাসনে Kicked high হয়েছেন।
তবু ভারতের রাষ্ট্রপতি পদে বসতে যাওয়া প্রণব মুখার্জিকে আগাম অভিনন্দন জানাই। শত হোক তাঁর বাঙালি পরিচয়টা আছে তো!
লন্ডন, ১৬ জুলাই, সোমবার, ২০১২
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1345)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
July
(2459)
-
▼
Jul 17
(98)
- দিব্যা ভারতীর খোঁজে
- তটিনী By মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ
- প্লেবয় প্রচ্ছদে
- কামরাঙ্গীরচরে বিএনপির হরতাল,সংঘর্ষে আহত ১০-গ্রেফতার ৩
- রোহিঙ্গাদের ফেরত নিন ॥ মিয়ানমারকে বাংলাদেশে ইন্দোন...
- সরকারকে দেয়া চিঠি প্রকাশে আপত্তি নেই বিশ্বব্যাংকের
- বন্ধুতা
- ম্যাডোনার নামে মামলা
- ঘুরে দাঁড়িয়েছে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি
- ঈর্ষা থাকুক দূরে by সুগত সরকার
- ইয়াবা আসক্তদের শরীর ও মুখের সমস্যা
- ইমুনোথেরাপি বা এ্যালার্জি ভ্যাকসিন
- অযথা চুলকানো থেকে চামড়াকে রক্ষা করুন
- মানসিক রোগে শারীরিক লক্ষণ by ডা. মোঃ দেলোয়ার হোসেন
- জাবিতে নির্বাচন
- গণহত্যার দলিল
- যুদ্ধাপরাধের বিচার এবং আমাদের দায় by ড. হারুন রশীদ
- জামায়াত-বিএনপির ‘আন্দোলনে’র প্রস্তুতি by রাহাত খান
- সিডনির মেলব্যাগ-বাণিজ্য অধিকার সুরক্ষা ও প্রবাসে র...
- পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রাসঙ্গিক বাস্তবতা by মোঃ মো...
- বঙ্গবন্ধুর নীতি-আদর্শ ও নেতৃত্ব আত্মজীবনী থেকে পুন...
- দৌলতপুরে নিহত দুই শ্রমিকের পরিবারে মাতম, মামলা হয়ন...
- চট্টগ্রামে এক ধর্ষকের ৬০ বছরের কারাদণ্ড
- মাওয়া ঘাটের দখল নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গুলি ওসিসহ...
- ঊনসত্তরপাড়ায় হিন্দুদের ডেকে এনে হত্যা করা হয়-যুদ্ধ...
- ‘অধিক সন্তান অধিক উপার্জন' এই নীতিতে বিশ্বাসী-বাউফ...
- রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ফের টেকনাফ উখিয়ায় তৎপর মৌলবাদী...
- রোজার সময় লোডশেডিং হবে ৩০ মিনিট
- দেশের জনসংখ্যা এখন ১৫ কোটি ২৫ লাখ
- বিদ্যুতের পাইকারি দাম ২২ শতাংশ বৃদ্ধির সুপা
- সমঝোতা বা পিলখানায় অভিযান চালানোর প্রস্তাব দেয়া হয়...
- ১৯ দিনে ৭৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া! by মিজান চৌধুরী
- অনেকেই বলেছে ব্যক্তি বিশেষের জন্য বিশ্ব ব্যাংক ঋণ ...
- গভীর রাতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ রাবিতে, একজনের মৃত্যু-...
- নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু ব্যাপক সাড়া ॥ অর্থ সংগ্...
- টোকিওতে বিশাল বিক্ষোভ-আর নয় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
- হাসপাতাল থেকে ফের কারাগারে হোসনি মোবার
- সরিয়ে দেওয়া হয়েছে উত্তর কোরিয়ার সেনাপ্রধানকে
- পাকিস্তানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নভেম্বরে নির...
- মিসর নিয়ে দ্বিধায় যুক্তরাষ্ট্র!
- তরুণের হাত-পা ভেঙে দিয়েছে বিএসএফ
- নীলফামারীতে বন্যা, সড়ক হুমকিতে
- নিহত সোহেলের গ্রামে আহাজারি-‘হামার গ্রামটারও বুক খ...
- নিষ্ঠুরভাবে ন্যাশনাল পার্কের শতবর্ষী গর্জনগাছ নিধন...
- আকিজ বিড়ি কারখানায় গুলি-দুই শ্রমিকের লাশ দাফন কাজে...
- কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রথ...
- পার্বত্য চট্টগ্রাম-নারীর প্রতি সহিংসতা ও সাম্প্রতি...
- জনসংখ্যা-প্রজননস্বাস্থ্যের প্রতি কেন এই অবহেলা by ...
- সুন্দর, কর্মময় জীবনের প্রেরণা হয়ে থাকবেন-বিদায় স্থ...
- সরকারি হস্তক্ষেপের বদলে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ জরুরি-...
- মানুষের মুখ-পাখিদের এক স্বর্গরাজ্য by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- বৃষ্টিধোয়া হ্রদ পাহাড়ে by ঝুমুর বারী
- ঈদ-পোশাকের ফ্যাশন শো by রুবেল হাবিব
- বর্ষার মেকআপ by তৌহিদা শিরোপা
- আহ্ শরবত
- হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয় বটগাছে-টঙ্গীতে স্কুলছ...
- গাজীপুর-৪ উপনির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি
- নৌবাহিনীর প্রধানের সাক্ষ্য-তিন বাহিনীর প্রধানেরা প...
- নূরজাহান-আলোকিত ঈদ ফ্যাশন প্রতিযোগিতা-সৃজনশীলতার জ...
- সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা-দুই প্রশ্নে জেরা শেষ
- প্রশ্নের মুখে পিডিবির বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্ত...
- বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক-উপনির্বাচনে অংশ নেবে না...
- রমজানে ঘাটতির আশঙ্কা ২ হাজার মেগাওয়াট
- পাইকারি বিদ্যুতের দাম ২২ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ-গণশ...
- ইউনিপেটুইউর প্রতারণা-কর্মসূচি দিয়ে উল্টো বিপাকে প্...
- আদমশুমারির চূড়ান্ত ফল-জনসংখ্যা ১৫২৫১৮০১৫
- রাবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে কর্মী খুন
- ২০ জুলাই উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন হবেই : জাবি ভিস...
- ভিসি, প্রো-ভিসিকে যেতেই হচ্ছে!-শনিবার পর্যন্ত বুয়...
- ইসলাম অবমাননা রোধে নতুন আইন করছে সৌদি
- উপরাষ্ট্রপতি পদে এনডিএর প্রার্থী যশোবন্ত সিং
- আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশনের প্রথম নারী প্রধান দ্লামিনি...
- দক্ষিণ সুদান পর্যন্ত 'সাম্রাজ্য' বাড়ালেন ব্লেয়ার
- ঔপনিবেশিক আমলে নির্যাতনব্রিটেনের বিরুদ্ধে তিন কেনী...
- উত্তর কোরিয়ার সেনাপ্রধানকে অপসারণ
- গাজীপুর-৪ উপনির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি
- অরণ্যে রোদন-বুয়েটের দুই স্যার যা করতে পারেন by আনি...
- বুয়েট সংকট নিয়ে আলোচনা-দাবি না মানলে রোববার শিক্ষক...
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-পদ্মা সেতুর টাকা তোলার দ্বন্...
- ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট সহজে মিটছে না by মনজুর আহমেদ
- দামেস্কে প্রচণ্ড লড়াই, রাশিয়াকে বাগে আনতে মস্কোতে ...
- রুক্ষ শহরে নদীর সি্নগ্ধ পরশ by রানা আব্বাস
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-স্বউদ্যোগে পদ্মা সেতু নির্মাণ স...
- সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ! by সুভাষ সাহা
- অর্থনীতি-'সুনাম' নষ্ট করার ঝুঁকি by আনোয়ারা সৈয়দ হক
- সমকালীন প্রসঙ্গ-নির্বাচিত সরকারের অধীনে গণতন্ত্র ক...
- ডাকাতি বেড়েছে-জানমাল রক্ষার দায়িত্ব সরকারের
- পদ্মা সেতু ও স্বচ্ছতা-বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন প্রক...
- মাদক মামলায় ৭৯ বছর জেল-দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্...
- প্রশাসনে মন্ত্রী-এমপিদের তদবির by লঙ্ঘিত হচ্ছে চাক...
- পবিত্র কোরআনের আলো-মানুষের দেহে সভ্য-শালীন পোশাক এ...
- আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো যৌক্তিক নয় by মুনাজ আহমেদ...
- বুয়েট ভিসির পদত্যাগই একমাত্র সমাধান by মো. আশরাফুল...
- চরাচর-বাঁশিওয়ালা বাজাও বাঁশি ... by জাহাঙ্গীর হোসেন
- কথা সামান্যই-লেখকের বিড়ম্বনা by ফজলুল আলম
- কল্পকথার গল্প-এক জোড়া গল্প ও দুই জোড়া প্রশ্ন by আল...
- কালান্তরের কড়চা-ভারতের হবু রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্...
- আউটসোর্সিংয়ে প্রতারণায় জড়িত ৫২ ওয়েবসাইট চিহ্নিত কর...
-
▼
Jul 17
(98)
-
▼
July
(2459)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
জোহরান মামদানি
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment