Wednesday, June 20, 2012
দূরদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ‘মধ্যবর্তী নির্বাচন’ by আলী রীয়াজ
দূরদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ‘মধ্যবর্তী নির্বাচন’ by আলী রীয়াজ
যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টি পরাজিত হতে চলেছে। ২ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় কংগ্রেসের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা যে ভালো ফল করবেন না, এটা এখন প্রায় নিশ্চিত করেই বলা যায়। তবে তাঁরা কতটা খারাপ করবেন, সেটাই এখন প্রশ্ন।
এই নির্বাচনকে ‘মধ্যবর্তী নির্বাচন’ বলা হলেও এটা প্রেসিডেন্ট পদের নির্বাচন নয়, নির্বাচন হবে কংগ্রেস অর্থাৎ উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভের (প্রতিনিধি পরিষদ)। কিন্তু যেহেতু প্রেসিডেন্টের মেয়াদকালের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাই একে ‘মধ্যবর্তী নির্বাচন’ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। শুধু তা-ই নয়, এই সময়ে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদেও নির্বাচন হবে।
সিনেটের মোট ১০০ আসনের এক-তৃতীয়াংশ আসনে প্রতি দুই বছর পর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সিনেটের মেয়াদ হলো ছয় বছর। এই মুহূর্তে সিনেটে ডেমোক্র্যাট সদস্যসংখ্যা ৫৭। এ ছাড়া দুজন নির্দলীয় প্রার্থী তাঁদের সঙ্গেই থাকেন—সব মিলিয়ে ৫৯ জন। অন্যদিকে রিপাবলিকান পার্টির সদস্যসংখ্যা ৪১ জন। এ বছর মোট ৩৭টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই আসনগুলোর ১৯টি এখন ডেমোক্র্যাটদের হাতে, আর ১৮টি আছে রিপাবলিকানদের হাতে। ডেমোক্র্যাটদের ১৯টি আসনের সাতটিতে তাঁদের প্রার্থীরা একেবারে নতুন, অর্থাৎ এসব আসনে যাঁরা এখন সিনেটর, তাঁরা হয় অবসর নিচ্ছেন কিংবা দলের প্রাথমিক নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের ১৮টি আসনের মধ্যে আটটিতে প্রার্থীরা নতুন। এখন পর্যন্ত জনমত জরিপ ও অন্যান্য বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়, রিপাবলিকান পার্টির ১৮টি আসনের কোনোটিতেই দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের কোনো আশঙ্কা নেই। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের আসনগুলোর মধ্যে কমপক্ষে সাতটিতে হাতবদল হতে পারে। এই সাতটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতারা রয়েছেন, রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে টানা বিজয়ী সিনেটররা। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হেরি রিড, যিনি নেভাডা অঙ্গরাজ্যে পুনর্নির্বাচনের প্রার্থী, এখন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মুখোমুখি। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে প্রেসিডেন্ট ওবামা যে আসন থেকে ২০০৪ সালে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছিলেন, তা এই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা ধরে রাখতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রবল সংশয় দেখা দিয়েছে। উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্রেটিকের প্রার্থী রাস ফাইনপোল্ড, উদার ও সাহসী ডেমোক্র্যাট হিসেবে যাঁর পরিচয় রয়েছে। তিনি এখন জনমত জরিপে পিছিয়ে আছেন। ডেমোক্র্যাটদের দুর্গ বলে পরিচিত ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সিনেটর বারবারা বক্সার ১৯৯২ সাল থেকে সিনেটর। এই প্রথম তিনি বড় রকমের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছেন হিউলেট প্যাকার্ড কোম্পানির সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কার্লি ফিওরিনার কাছ থেকে। এসব তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের ফলাফল শেষাবধি ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে এলেও তুলনামূলকভাবে স্বল্প পরিচিত কিছু ডেমোক্র্যাট সিনেটর বা পদপ্রার্থী যে পরাজিত হবেন, তা সহজেই বলা যায়। তবে আশার বিষয়, কোনো জরিপই এই ইঙ্গিত দেয় না যে সিনেটে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছেন।
প্রতিনিধি পরিষদের মোট আসনসংখ্যা ৪৩৫টি। প্রতি দুই বছরে সবগুলো আসনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এখন ডেমোক্র্যাটদের আসনসংখ্যা ২৫৫, অন্যদিকে রিপাবলিকানদের আসনসংখ্যা ১৭৮। দুটি আসন শূন্য রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ২১৮ আসন। রিপাবলিকানদের লক্ষ্য হচ্ছে সেই সংখ্যায় পৌঁছানো। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতির যা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তাতে মনে হয় না রিপাবলিকানরা এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবেন।
এবার দেশের ৩৭টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ৩৭টি গভর্নর পদের ১৯টি এখন ডেমোক্র্যাটদের হাতে এবং ১৭টি রিপাবলিকানদের হাতে। সব মিলিয়ে দেশের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ২৬টিতে ডেমোক্র্যাট গভর্নর এবং ২৪টিতে রিপাবলিকান। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, ২ নভেম্বরের পর ডেমোক্র্যাট গভর্নরের সংখ্যা বাড়ার বদলে কমেই যাবে।
সব মিলিয়ে নির্বাচনী পরিস্থিতি মোটেই ডেমোক্র্যাটদের অনুকূলে নয়। তবে এক হিসাবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ অপ্রত্যাশিত ঘটনা নয়। ১৯৩৮ সাল থেকে এ যাবৎ অনুষ্ঠিত ১৮টি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে মাত্র দুটি ব্যতিক্রম ছাড়া সব সময়ই প্রেসিডেন্টের দল মধ্যবর্তী নির্বাচনে খারাপ ফলাফল করেছে। এই দুটি ব্যতিক্রম হলো প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচন (১৯৯৮ সাল) এবং প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের প্রথম মেয়াদের নির্বাচন (২০০২ সাল)। প্রেসিডেন্টদের প্রথম মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, জর্জ বুশ ছাড়া আর কোনো প্রেসিডেন্টই সাফল্য অর্জন করেননি। ২০০২ সালে জর্জ বুশের প্রেসিডেন্ট আমলে রিপাবলিকানদের সাফল্যের কারণ হিসেবে বিশ্লেষকেরা মনে করেন ‘সময়’। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলা এবং আফগানিস্তানে যুদ্ধের কারণে মর্কিন নাগরিকেরা ক্ষমতার হাতবদলে উৎসাহী ছিলেন না। প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাঁর দল ভালো করলেও প্রথম মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রতিনিধি সভায় ৫২টি আসন এবং সিনেটে আটটি আসন হারিয়ে সংখ্যালঘু দলে পরিণত হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অন্য কোনো প্রেসিডেন্টের দল একই নির্বাচনে প্রতিনিধিসভায় এত আসন হারায়নি। শুধু তা-ই নয়, ১৯৯২ সালে ক্ষমতার এই হাতবদলের ঘটনা একটি বিরল ইতিহাস তৈরি করে। ১৯৪৬ সালে প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যানের সময় রিপাবলিকানরা দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিলেন, ১৯৫৪ সালে আইজেন হাওয়ারের সময় ডেমোক্র্যাটরা দুই কক্ষেই বিজয়ী হয়েছিলেন। অর্থাৎ গত ৬৪ বছরে মাত্র তিনবার মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল প্রতিনিধি সভা ও সিনেটে একই সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। যদিও জনমত জরিপগুলো সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের নয়টি আসন হারানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে না, অনেকে সে রকম আশঙ্কাকে একেবারে উড়িয়ে দিতেও রাজি নন।
ঐতিহাসিকভাবেই মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল খারাপ ফলাফল করে বলেই যে ডেমোক্র্যাটরা এখন পরাজয়ের মুখে, তা নয়। ২০০৮ সালে বারাক ওবামার নির্বাচনের পর রিপাবলিকান পার্টি যে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল, পার্টি তা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে বলেও এই পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। অন্য আরেকটি তথ্যও মনে রাখা দরকার: ডেমোক্র্যাটরা ২০০৬ ও ২০০৮ সালে প্রতিনিধি সভার এমন সব আসনেও বিজয়ী হয়েছেন, যেগুলোতে তাঁদের দীর্ঘস্থায়ী সংগঠন ও সমর্থন নেই। এই নির্বাচনে ৪৭টি আসন রয়েছে, যেগুলো ডেমোক্র্যাটরা রক্ষার চেষ্টা করছেন, যেখানে ২০০৪ সালে বুশ ও ২০০৮ সালে ম্যাককেইন জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে কেরি ও ওবামা জিতেছেন এমন ছয়টি এলাকা, যেখানে রিপাবলিকান প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য। কোনো কোনো বিশ্লেষক প্রেসিডেন্ট ওবামার জনপ্রিয়তা হ্রাসকেও ডেমোক্র্যাটদের আসন্ন পরাজয়ের কারণ বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ইতিহাসের দিকে তাকালে এই দাবি হালে পানি পায় না। সেপ্টেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট ওবামার জনপ্রিয়তা ছিল ৪৫ শতাংশ। ১৯৯৪ সালে প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের জনপ্রিয়তা ছিল ৪৫ শতাংশ, ১৯৮২ সালে প্রেসিডেন্ট রিগানের জনপ্রিয়তা ছিল ৪২ শতাংশ। প্রথম মেয়াদের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে খুব জনপ্রিয় দুজন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা থেকে প্রেসিডেন্ট ওবামার জনপ্রিয়তা মোটেই ভিন্ন কিছু নয়। এবং ওই দুই প্রেসিডেন্টের আমলেও তাঁর দল ভালো করেনি। ফলে ওবামা এদিক থেকে দলের জন্য অতিরিক্ত কোনো মাথাব্যথার কারণ নন; বরং সব প্রেসিডেন্টের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তার চেয়ে দেশের অর্থনীতি ফলাফলের বড় নিয়ামক। ২০১০ সালের নির্বাচনে সাধারণ জনগণ যে ডেমোক্র্যাটদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন, তার কারণ হলো বেকারত্ব, অর্থনৈতিক সংকট ও কংগ্রেসের সাফল্যে ঘাটতি। ২০০৬ সাল থেকে কংগ্রেসের দুই কক্ষ ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে, ফলে রিপাবলিকানরা এই প্রচারে সাফল্য পেয়েছেন যে এই অর্থনৈতিক সংকটের দায়ভার ডেমোক্র্যাটদের। যদিও জর্জ বুশের অনুসৃত অর্থনৈতিক নীতিমালা, বিশেষত উপর্যুপরি কর হ্রাস, দুটি যুদ্ধের ব্যয় এবং বাজেটে ভারসাম্য বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না নেওয়াই সংকটের উৎস—ডেমোক্র্যাটরা তা যথাযথভাবে প্রচার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অর্থনৈতিক সংকট মোচনে সরকার যে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করেছে, ব্যাংক ও গাড়িশিল্প খাতে বিনিয়োগ করেছে, তাকে রিপাবলিকানরা অপচয় এবং সরকারের আকার বৃদ্ধির প্রমাণ বলে প্রচার চালিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, ওবামা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া ঐতিহাসিক স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারকে রিপাবলিকানরা কেবল সরকারের হস্তক্ষেপ বলেই হাজির করেননি, তাকে সাধারণ মানুষের স্বার্থবিরোধী বলেও চিহ্নিত করেছেন।
স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারের এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে ওবামা প্রশাসন ও ডেমোক্র্যাটরা যথাযথভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কংগ্রেস থেকে এই সংস্কারের বিল পাস করতে গিয়ে তাঁদের অনুসৃত কৌশল দেশের উদারপন্থীদের হতাশ করেছে। ক্ষেত্রবিশেষে উদারপন্থীদের প্রতি অবমাননাসূচক মন্তব্য করেছেন প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। উদারপন্থী ও নির্দলীয় ব্যক্তিরা ওবামার কাছ থেকে যা আশা করেছিলেন, সাফল্যের পরিমাণ তার তুলনায় কম। ব্যাংক খাতের সংস্কারের মতো বড় ঘটনাকেও ওবামা প্রশাসন ও ডেমোক্র্যাটরা সাধারণ মানুষের স্বার্থানুকূল পদক্ষেপ বলে প্রচার করতে পারেননি। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র যে ভূমিকা নেবে বলে উদারপন্থী ও নির্দলীয় ব্যক্তিরা আশা করেছিলেন, তার কোনো ইঙ্গিত ওবামা প্রশাসন এখনো দেখায়নি। গুয়ানতানামোর বন্দিশিবির বন্ধের প্রতিশ্রুতি থেকেই কেবল ওবামা প্রশাসন সরে আসেনি, তারা নির্যাতনের জন্য গত প্রশাসনের কারও বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়নি। বুশ প্রশাসনের অনেক কার্যক্রম এখনো বহাল রয়েছে। এসব হতাশার কারণে উদার ডেমোক্র্যাটরা এখন আর উৎসাহের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে হাজির হবেন না বলেই বিশ্লেষকদের অনুমান। জনমত জরিপে দেখা যায়, ২০০৮ সালে ওবামাকে সমর্থন করেছিলেন—এমন নির্দলীয় ব্যক্তিদের এক-চতুর্থাংশ এখন রিপাবলিকানদের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। উদার ডেমোক্র্যাটরা যেমন ওবামার প্রশাসন নিয়ে উৎসাহী নন, তেমনি দলের রক্ষণশীলরাও ওবামার ওপর অসন্তুষ্ট। সিনেট ও প্রতিনিধিসভার দক্ষিণপন্থী সদস্যরা বিভিন্নভাবে ওবামার প্রতিশ্রুত সংস্কারের পথে বাধা তৈরি করেছেন। তাঁদের ধারণা, এসব পদক্ষেপ জনপ্রিয় নয়। এসব সংস্কারের বিরোধিতা করে তাঁরা নির্বাচনে সাফল্য পাবেন। কিন্তু তাঁরা সেই হিসাবে ভুল করেছেন বলে মনে হয়। ওই গোষ্ঠীর সবচেয়ে পরিচিত সিনেটররা জনমত জরিপে এতটাই পিছিয়ে আছেন যে পার্টি ওই সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশাও ছেড়ে দিয়েছে।
প্রার্থী বারাক ওবামা যতটা উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছিলেন, পরিবর্তনের যে স্বপ্ন তিনি দেখিয়েছিলেন, তার সবটাই বাস্তববাদী ছিল—এমন মনে করার কারণ নেই। তাঁর সম্মোহনী বক্তৃতায় দেশের অধিকাংশ মানুষ সেই স্বপ্নের অংশীদার হয়েছিলেন, কিন্তু তাঁরা এবং সম্ভবত বারাক ওবামাও বিস্মৃত হয়েছিলেন যে বর্তমান ব্যবস্থার সুফল যাঁরা ভোগ করছেন, তাঁরা প্রাণপণে পরিবর্তন ঠেকাতে চাইবেন। গত দুই বছরে প্রেসিডেন্ট ওবামা সেটা হয়তো পদে পদে বুঝেছেন, কিন্তু সাধারণ ভোটাররা তা বুঝতে পারছেন না। ফলে তাঁদের অনেকের কাছেই ওবামা ও ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য আশার তুলনায় কম। এই নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিজয়ের ফলে এই পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে। যেসব সংস্কারের সূচনা হয়েছে, সেগুলো বাধাগ্রস্ত হবে। এসব সংস্কার, যেমন স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারের সব দিক এখনো কার্যকর হয়নি। কিন্তু রিপাবলিকানরা কেবল এর বিরোধীই নয়, সেগুলো পাল্টে দিতেও অঙ্গীকার করছেন। অন্য যেকোনো মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল ব্যর্থ হলে যতটা ক্ষতি হয়, এবার তার চেয়ে বেশি ক্ষতিরই আশঙ্কা। ডেমোক্র্যাটদের এক অংশ বুঝতে পারছে, শেষ চেষ্টা হিসেবে প্রেসিডেন্ট ওবামা এখন সারা দেশে একজন প্রার্থীর মতো ঝটিকা সফরে বেরিয়েছেন; ডেমোক্র্যাটদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা, অর্থ সংগ্রহ, গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার—সবই করছেন।
এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের বৈশিষ্ট্য কেবল এখানেই নয় যে এর ফলাফলের ওপর ওবামা প্রশাসনের শুরু করা সংস্কারগুলোর ভাগ্য নির্ভর করছে; বরং এখানেও দেশের রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত দেড় বছরে রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে, তা হলো দলের ভেতরে উগ্র রক্ষণশীল অংশ তাদের প্রভাব বিস্তার করেছে। ২০০৮ সালের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সারাহ পেলিনের নেতৃত্বে দলের দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠী এখন ‘টি-পার্টি’ নামের প্লাটফর্মে সমবেত হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এই গোষ্ঠী রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই শুধু নয়, দেশের রাজনীতিতেও এক ধরনের অসহিষ্ণু সংস্কৃতির প্রসার ঘটিয়েছে। এই গোষ্ঠীর কোনো ইতিবাচক কর্মসূচি নেই, রয়েছে নেতিবাচক বিরোধিতার রাজনীতি। স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারের বিরোধিতার মাধ্যমে ২০০৯ সালের গ্রীষ্মকালে এদের উদ্ভব ঘটে। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে দলের ভেতরে ও দেশে তারা এক ধরনের বর্ণবাদী, অভিবাসীবিরোধী মনোভাব চাঙা করে তুলেছে। তারা সরকারের আকার ছোট করার নামে সামাজিক কল্যাণমূলক সব ধরনের সরকারি কর্মসূচির বিরোধিতা করে। এদের পরিকল্পনার মধ্যে সোশ্যাল সিকিউরিটি বা নাগরিকদের পেনশনব্যবস্থাকে বেসরকারীকরণ অন্যতম। রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে তারা আরও বেশি দক্ষিণপন্থী ব্যক্তিদের দলের মনোনয়নের জন্য আন্দোলন তৈরি করে এবং অনেকাংশেই তারা তাতে সফল হয়েছে। প্রথম দিকে অনেক বিশ্লেষকই এই প্রচেষ্টাকে আমলে নিতে চাননি এই বলে যে এটা রিপাবলিকানদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। কিন্তু দেড় বছরের মধ্যে তারা দল ও দেশের রাজনীতিতে একটি মুখ্য শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অনেকেই এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে টি-পার্টির সমর্থকেরা অনভিজ্ঞ, উগ্র ও মূলধারার বাইরে বলে তাঁরা রিপাবলিকানদের মনোনয়নই পাবেন না। কিন্তু সব মনোনয়ন-প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে যে সারা দেশে এই গোষ্ঠীর ১৩৮ জন মনোনয়ন পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৩ জন প্রার্থী রয়েছেন প্রতিনিধিসভার এমন সব আসনে, যেখানে তাঁদের বিজয়ের সম্ভাবনা রয়েছে—হয় সেগুলো রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি অথবা ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বিজয়ী না-ও হতে পারেন। সিনেটে নয়জন প্রার্থী হচ্ছেন টি-পার্টির সমর্থনপুষ্ট বা তাদের প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে আটজন প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে এই নির্বাচনের পরে কংগ্রেসে টি-পার্টির সমর্থক ও সদস্যসংখ্যা হবে যথেষ্ট এবং তাঁদের প্রভাব থেকে রিপাবলিকান পার্টি মুক্ত হতে পারবে না। টি-পার্টির সমর্থকেরা যে কেবল ডেমোক্র্যাটদের ঘোর বিরোধী কোনো রকম সমঝোতার বিরুদ্ধে তা-ই নয়, তাঁরা প্রেসিডেন্ট ওবামার বিজয়কে মোটেই মেনে নিতে পারেননি।
প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রতিশ্রুত ও সূচিত সংস্কারগুলো যাদের স্বার্থের প্রতিকূলে যাচ্ছে, তারা এর বিরোধিতায় নামবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাদের শক্তি এখন আগের তুলনায় বহুগুণে বেড়েছে। এই নির্বাচনে এই গোষ্ঠীগুলো কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে সিনেট ও হাউসে ডেমোক্র্যাটদের পরাজিত করতে। যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের কোনো মধ্যবর্তী নির্বাচনে এত বেশি অর্থ ব্যয় হয়নি। সেন্টার ফর রেসপনসিভ পলিটিক্স নামের একটি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এই নির্বাচনে আড়াই বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করছেন প্রার্থীরা। কিন্তু এই ব্যয়ের একটা বড় অংশই আসছে কয়েকটি ‘অলাভজনক সংগঠন’ থেকে। এসব ‘অলাভজনক’ বা ‘সমাজকল্যাণ’ সংস্থা ব্যয় করছে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের পরাজিত করতে। সাবেক জর্জ বুশ প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি কার্লরোড এবং রিপাবলিকান পার্টির সাবেক এড গিলাপসির তৈরি করা দুটি সংস্থা আমেরিকান ক্রসরোডস ও আমেরিকান ক্রসরোডস জিপিএস ডেমোক্র্যাটদের পরাজিত করতে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করেছে এবং করছে। একইভাবে ইউএস চেম্বার অব কমার্স নামের একটি সংস্থা অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ব্যয় করেছে ১৬ মিলিয়ন (এক কোটি ৬০ লাখ) ডলার। করপোরেশন ও এসব গোষ্ঠীকে অর্থ কারা জোগাচ্ছে, সেটা জনসাধারণের জানারও উপায় নেই। এ বছরের জানুয়ারি মাসে দেশের সুপ্রিম কোর্ট এক মামলার রায়ে করপোরেশনগুলোকে সাধারণ মানুষের সমান বলে বর্ণনা করেন এবং নির্বাচনে তাদের অবারিত ব্যয়ের পথ উন্মুক্ত করে দেন। এরই সুযোগে দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠীগুলো কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে টেলিভিশন ও রেডিওতে দিন-রাত ডেমোক্র্যাটদের কর্মসূচি ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এ ধরনের প্রচারণার মুখে হিমশিম খাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁর বক্তৃতায় এই গোষ্ঠীগুলোর প্রচেষ্টাকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি বলে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু অর্থের এই দাপটের মোকাবিলায় যে তৃণমূল পর্যায়ের অংশগ্রহণ দরকার, যে ধরনের তৃণমূল আন্দোলন ওবামাকে বিজয়ী করেছিল, তা এবার অনুপস্থিত।
সব মিলিয়ে ২ নভেম্বরের নির্বাচন ডেমোক্র্যাটদের জন্য সুসংবাদ আনবে—এমন আশা করার কারণ নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, ডেমোক্র্যাটরা ক্ষতির মাত্রা কতটা কমাতে পারবে।
ইলিনয়, যুক্তরাষ্ট্র
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভারসিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
সিনেটের মোট ১০০ আসনের এক-তৃতীয়াংশ আসনে প্রতি দুই বছর পর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সিনেটের মেয়াদ হলো ছয় বছর। এই মুহূর্তে সিনেটে ডেমোক্র্যাট সদস্যসংখ্যা ৫৭। এ ছাড়া দুজন নির্দলীয় প্রার্থী তাঁদের সঙ্গেই থাকেন—সব মিলিয়ে ৫৯ জন। অন্যদিকে রিপাবলিকান পার্টির সদস্যসংখ্যা ৪১ জন। এ বছর মোট ৩৭টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই আসনগুলোর ১৯টি এখন ডেমোক্র্যাটদের হাতে, আর ১৮টি আছে রিপাবলিকানদের হাতে। ডেমোক্র্যাটদের ১৯টি আসনের সাতটিতে তাঁদের প্রার্থীরা একেবারে নতুন, অর্থাৎ এসব আসনে যাঁরা এখন সিনেটর, তাঁরা হয় অবসর নিচ্ছেন কিংবা দলের প্রাথমিক নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের ১৮টি আসনের মধ্যে আটটিতে প্রার্থীরা নতুন। এখন পর্যন্ত জনমত জরিপ ও অন্যান্য বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়, রিপাবলিকান পার্টির ১৮টি আসনের কোনোটিতেই দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের কোনো আশঙ্কা নেই। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের আসনগুলোর মধ্যে কমপক্ষে সাতটিতে হাতবদল হতে পারে। এই সাতটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতারা রয়েছেন, রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে টানা বিজয়ী সিনেটররা। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হেরি রিড, যিনি নেভাডা অঙ্গরাজ্যে পুনর্নির্বাচনের প্রার্থী, এখন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মুখোমুখি। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে প্রেসিডেন্ট ওবামা যে আসন থেকে ২০০৪ সালে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছিলেন, তা এই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা ধরে রাখতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রবল সংশয় দেখা দিয়েছে। উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্রেটিকের প্রার্থী রাস ফাইনপোল্ড, উদার ও সাহসী ডেমোক্র্যাট হিসেবে যাঁর পরিচয় রয়েছে। তিনি এখন জনমত জরিপে পিছিয়ে আছেন। ডেমোক্র্যাটদের দুর্গ বলে পরিচিত ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সিনেটর বারবারা বক্সার ১৯৯২ সাল থেকে সিনেটর। এই প্রথম তিনি বড় রকমের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছেন হিউলেট প্যাকার্ড কোম্পানির সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কার্লি ফিওরিনার কাছ থেকে। এসব তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের ফলাফল শেষাবধি ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে এলেও তুলনামূলকভাবে স্বল্প পরিচিত কিছু ডেমোক্র্যাট সিনেটর বা পদপ্রার্থী যে পরাজিত হবেন, তা সহজেই বলা যায়। তবে আশার বিষয়, কোনো জরিপই এই ইঙ্গিত দেয় না যে সিনেটে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছেন।
প্রতিনিধি পরিষদের মোট আসনসংখ্যা ৪৩৫টি। প্রতি দুই বছরে সবগুলো আসনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এখন ডেমোক্র্যাটদের আসনসংখ্যা ২৫৫, অন্যদিকে রিপাবলিকানদের আসনসংখ্যা ১৭৮। দুটি আসন শূন্য রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ২১৮ আসন। রিপাবলিকানদের লক্ষ্য হচ্ছে সেই সংখ্যায় পৌঁছানো। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতির যা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তাতে মনে হয় না রিপাবলিকানরা এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবেন।
এবার দেশের ৩৭টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ৩৭টি গভর্নর পদের ১৯টি এখন ডেমোক্র্যাটদের হাতে এবং ১৭টি রিপাবলিকানদের হাতে। সব মিলিয়ে দেশের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ২৬টিতে ডেমোক্র্যাট গভর্নর এবং ২৪টিতে রিপাবলিকান। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, ২ নভেম্বরের পর ডেমোক্র্যাট গভর্নরের সংখ্যা বাড়ার বদলে কমেই যাবে।
সব মিলিয়ে নির্বাচনী পরিস্থিতি মোটেই ডেমোক্র্যাটদের অনুকূলে নয়। তবে এক হিসাবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ অপ্রত্যাশিত ঘটনা নয়। ১৯৩৮ সাল থেকে এ যাবৎ অনুষ্ঠিত ১৮টি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে মাত্র দুটি ব্যতিক্রম ছাড়া সব সময়ই প্রেসিডেন্টের দল মধ্যবর্তী নির্বাচনে খারাপ ফলাফল করেছে। এই দুটি ব্যতিক্রম হলো প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচন (১৯৯৮ সাল) এবং প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের প্রথম মেয়াদের নির্বাচন (২০০২ সাল)। প্রেসিডেন্টদের প্রথম মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, জর্জ বুশ ছাড়া আর কোনো প্রেসিডেন্টই সাফল্য অর্জন করেননি। ২০০২ সালে জর্জ বুশের প্রেসিডেন্ট আমলে রিপাবলিকানদের সাফল্যের কারণ হিসেবে বিশ্লেষকেরা মনে করেন ‘সময়’। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলা এবং আফগানিস্তানে যুদ্ধের কারণে মর্কিন নাগরিকেরা ক্ষমতার হাতবদলে উৎসাহী ছিলেন না। প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের দ্বিতীয় মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাঁর দল ভালো করলেও প্রথম মেয়াদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রতিনিধি সভায় ৫২টি আসন এবং সিনেটে আটটি আসন হারিয়ে সংখ্যালঘু দলে পরিণত হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অন্য কোনো প্রেসিডেন্টের দল একই নির্বাচনে প্রতিনিধিসভায় এত আসন হারায়নি। শুধু তা-ই নয়, ১৯৯২ সালে ক্ষমতার এই হাতবদলের ঘটনা একটি বিরল ইতিহাস তৈরি করে। ১৯৪৬ সালে প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যানের সময় রিপাবলিকানরা দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিলেন, ১৯৫৪ সালে আইজেন হাওয়ারের সময় ডেমোক্র্যাটরা দুই কক্ষেই বিজয়ী হয়েছিলেন। অর্থাৎ গত ৬৪ বছরে মাত্র তিনবার মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল প্রতিনিধি সভা ও সিনেটে একই সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। যদিও জনমত জরিপগুলো সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের নয়টি আসন হারানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে না, অনেকে সে রকম আশঙ্কাকে একেবারে উড়িয়ে দিতেও রাজি নন।
ঐতিহাসিকভাবেই মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল খারাপ ফলাফল করে বলেই যে ডেমোক্র্যাটরা এখন পরাজয়ের মুখে, তা নয়। ২০০৮ সালে বারাক ওবামার নির্বাচনের পর রিপাবলিকান পার্টি যে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল, পার্টি তা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে বলেও এই পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। অন্য আরেকটি তথ্যও মনে রাখা দরকার: ডেমোক্র্যাটরা ২০০৬ ও ২০০৮ সালে প্রতিনিধি সভার এমন সব আসনেও বিজয়ী হয়েছেন, যেগুলোতে তাঁদের দীর্ঘস্থায়ী সংগঠন ও সমর্থন নেই। এই নির্বাচনে ৪৭টি আসন রয়েছে, যেগুলো ডেমোক্র্যাটরা রক্ষার চেষ্টা করছেন, যেখানে ২০০৪ সালে বুশ ও ২০০৮ সালে ম্যাককেইন জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে কেরি ও ওবামা জিতেছেন এমন ছয়টি এলাকা, যেখানে রিপাবলিকান প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য। কোনো কোনো বিশ্লেষক প্রেসিডেন্ট ওবামার জনপ্রিয়তা হ্রাসকেও ডেমোক্র্যাটদের আসন্ন পরাজয়ের কারণ বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ইতিহাসের দিকে তাকালে এই দাবি হালে পানি পায় না। সেপ্টেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট ওবামার জনপ্রিয়তা ছিল ৪৫ শতাংশ। ১৯৯৪ সালে প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের জনপ্রিয়তা ছিল ৪৫ শতাংশ, ১৯৮২ সালে প্রেসিডেন্ট রিগানের জনপ্রিয়তা ছিল ৪২ শতাংশ। প্রথম মেয়াদের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে খুব জনপ্রিয় দুজন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা থেকে প্রেসিডেন্ট ওবামার জনপ্রিয়তা মোটেই ভিন্ন কিছু নয়। এবং ওই দুই প্রেসিডেন্টের আমলেও তাঁর দল ভালো করেনি। ফলে ওবামা এদিক থেকে দলের জন্য অতিরিক্ত কোনো মাথাব্যথার কারণ নন; বরং সব প্রেসিডেন্টের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তার চেয়ে দেশের অর্থনীতি ফলাফলের বড় নিয়ামক। ২০১০ সালের নির্বাচনে সাধারণ জনগণ যে ডেমোক্র্যাটদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন, তার কারণ হলো বেকারত্ব, অর্থনৈতিক সংকট ও কংগ্রেসের সাফল্যে ঘাটতি। ২০০৬ সাল থেকে কংগ্রেসের দুই কক্ষ ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে, ফলে রিপাবলিকানরা এই প্রচারে সাফল্য পেয়েছেন যে এই অর্থনৈতিক সংকটের দায়ভার ডেমোক্র্যাটদের। যদিও জর্জ বুশের অনুসৃত অর্থনৈতিক নীতিমালা, বিশেষত উপর্যুপরি কর হ্রাস, দুটি যুদ্ধের ব্যয় এবং বাজেটে ভারসাম্য বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না নেওয়াই সংকটের উৎস—ডেমোক্র্যাটরা তা যথাযথভাবে প্রচার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। অর্থনৈতিক সংকট মোচনে সরকার যে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করেছে, ব্যাংক ও গাড়িশিল্প খাতে বিনিয়োগ করেছে, তাকে রিপাবলিকানরা অপচয় এবং সরকারের আকার বৃদ্ধির প্রমাণ বলে প্রচার চালিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, ওবামা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া ঐতিহাসিক স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারকে রিপাবলিকানরা কেবল সরকারের হস্তক্ষেপ বলেই হাজির করেননি, তাকে সাধারণ মানুষের স্বার্থবিরোধী বলেও চিহ্নিত করেছেন।
স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারের এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে ওবামা প্রশাসন ও ডেমোক্র্যাটরা যথাযথভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কংগ্রেস থেকে এই সংস্কারের বিল পাস করতে গিয়ে তাঁদের অনুসৃত কৌশল দেশের উদারপন্থীদের হতাশ করেছে। ক্ষেত্রবিশেষে উদারপন্থীদের প্রতি অবমাননাসূচক মন্তব্য করেছেন প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। উদারপন্থী ও নির্দলীয় ব্যক্তিরা ওবামার কাছ থেকে যা আশা করেছিলেন, সাফল্যের পরিমাণ তার তুলনায় কম। ব্যাংক খাতের সংস্কারের মতো বড় ঘটনাকেও ওবামা প্রশাসন ও ডেমোক্র্যাটরা সাধারণ মানুষের স্বার্থানুকূল পদক্ষেপ বলে প্রচার করতে পারেননি। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র যে ভূমিকা নেবে বলে উদারপন্থী ও নির্দলীয় ব্যক্তিরা আশা করেছিলেন, তার কোনো ইঙ্গিত ওবামা প্রশাসন এখনো দেখায়নি। গুয়ানতানামোর বন্দিশিবির বন্ধের প্রতিশ্রুতি থেকেই কেবল ওবামা প্রশাসন সরে আসেনি, তারা নির্যাতনের জন্য গত প্রশাসনের কারও বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়নি। বুশ প্রশাসনের অনেক কার্যক্রম এখনো বহাল রয়েছে। এসব হতাশার কারণে উদার ডেমোক্র্যাটরা এখন আর উৎসাহের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে হাজির হবেন না বলেই বিশ্লেষকদের অনুমান। জনমত জরিপে দেখা যায়, ২০০৮ সালে ওবামাকে সমর্থন করেছিলেন—এমন নির্দলীয় ব্যক্তিদের এক-চতুর্থাংশ এখন রিপাবলিকানদের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। উদার ডেমোক্র্যাটরা যেমন ওবামার প্রশাসন নিয়ে উৎসাহী নন, তেমনি দলের রক্ষণশীলরাও ওবামার ওপর অসন্তুষ্ট। সিনেট ও প্রতিনিধিসভার দক্ষিণপন্থী সদস্যরা বিভিন্নভাবে ওবামার প্রতিশ্রুত সংস্কারের পথে বাধা তৈরি করেছেন। তাঁদের ধারণা, এসব পদক্ষেপ জনপ্রিয় নয়। এসব সংস্কারের বিরোধিতা করে তাঁরা নির্বাচনে সাফল্য পাবেন। কিন্তু তাঁরা সেই হিসাবে ভুল করেছেন বলে মনে হয়। ওই গোষ্ঠীর সবচেয়ে পরিচিত সিনেটররা জনমত জরিপে এতটাই পিছিয়ে আছেন যে পার্টি ওই সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশাও ছেড়ে দিয়েছে।
প্রার্থী বারাক ওবামা যতটা উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছিলেন, পরিবর্তনের যে স্বপ্ন তিনি দেখিয়েছিলেন, তার সবটাই বাস্তববাদী ছিল—এমন মনে করার কারণ নেই। তাঁর সম্মোহনী বক্তৃতায় দেশের অধিকাংশ মানুষ সেই স্বপ্নের অংশীদার হয়েছিলেন, কিন্তু তাঁরা এবং সম্ভবত বারাক ওবামাও বিস্মৃত হয়েছিলেন যে বর্তমান ব্যবস্থার সুফল যাঁরা ভোগ করছেন, তাঁরা প্রাণপণে পরিবর্তন ঠেকাতে চাইবেন। গত দুই বছরে প্রেসিডেন্ট ওবামা সেটা হয়তো পদে পদে বুঝেছেন, কিন্তু সাধারণ ভোটাররা তা বুঝতে পারছেন না। ফলে তাঁদের অনেকের কাছেই ওবামা ও ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য আশার তুলনায় কম। এই নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিজয়ের ফলে এই পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে। যেসব সংস্কারের সূচনা হয়েছে, সেগুলো বাধাগ্রস্ত হবে। এসব সংস্কার, যেমন স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারের সব দিক এখনো কার্যকর হয়নি। কিন্তু রিপাবলিকানরা কেবল এর বিরোধীই নয়, সেগুলো পাল্টে দিতেও অঙ্গীকার করছেন। অন্য যেকোনো মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল ব্যর্থ হলে যতটা ক্ষতি হয়, এবার তার চেয়ে বেশি ক্ষতিরই আশঙ্কা। ডেমোক্র্যাটদের এক অংশ বুঝতে পারছে, শেষ চেষ্টা হিসেবে প্রেসিডেন্ট ওবামা এখন সারা দেশে একজন প্রার্থীর মতো ঝটিকা সফরে বেরিয়েছেন; ডেমোক্র্যাটদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা, অর্থ সংগ্রহ, গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার—সবই করছেন।
এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের বৈশিষ্ট্য কেবল এখানেই নয় যে এর ফলাফলের ওপর ওবামা প্রশাসনের শুরু করা সংস্কারগুলোর ভাগ্য নির্ভর করছে; বরং এখানেও দেশের রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত দেড় বছরে রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে, তা হলো দলের ভেতরে উগ্র রক্ষণশীল অংশ তাদের প্রভাব বিস্তার করেছে। ২০০৮ সালের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সারাহ পেলিনের নেতৃত্বে দলের দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠী এখন ‘টি-পার্টি’ নামের প্লাটফর্মে সমবেত হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এই গোষ্ঠী রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই শুধু নয়, দেশের রাজনীতিতেও এক ধরনের অসহিষ্ণু সংস্কৃতির প্রসার ঘটিয়েছে। এই গোষ্ঠীর কোনো ইতিবাচক কর্মসূচি নেই, রয়েছে নেতিবাচক বিরোধিতার রাজনীতি। স্বাস্থ্যবিমা সংস্কারের বিরোধিতার মাধ্যমে ২০০৯ সালের গ্রীষ্মকালে এদের উদ্ভব ঘটে। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে দলের ভেতরে ও দেশে তারা এক ধরনের বর্ণবাদী, অভিবাসীবিরোধী মনোভাব চাঙা করে তুলেছে। তারা সরকারের আকার ছোট করার নামে সামাজিক কল্যাণমূলক সব ধরনের সরকারি কর্মসূচির বিরোধিতা করে। এদের পরিকল্পনার মধ্যে সোশ্যাল সিকিউরিটি বা নাগরিকদের পেনশনব্যবস্থাকে বেসরকারীকরণ অন্যতম। রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে তারা আরও বেশি দক্ষিণপন্থী ব্যক্তিদের দলের মনোনয়নের জন্য আন্দোলন তৈরি করে এবং অনেকাংশেই তারা তাতে সফল হয়েছে। প্রথম দিকে অনেক বিশ্লেষকই এই প্রচেষ্টাকে আমলে নিতে চাননি এই বলে যে এটা রিপাবলিকানদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। কিন্তু দেড় বছরের মধ্যে তারা দল ও দেশের রাজনীতিতে একটি মুখ্য শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অনেকেই এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে টি-পার্টির সমর্থকেরা অনভিজ্ঞ, উগ্র ও মূলধারার বাইরে বলে তাঁরা রিপাবলিকানদের মনোনয়নই পাবেন না। কিন্তু সব মনোনয়ন-প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে যে সারা দেশে এই গোষ্ঠীর ১৩৮ জন মনোনয়ন পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৩ জন প্রার্থী রয়েছেন প্রতিনিধিসভার এমন সব আসনে, যেখানে তাঁদের বিজয়ের সম্ভাবনা রয়েছে—হয় সেগুলো রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি অথবা ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বিজয়ী না-ও হতে পারেন। সিনেটে নয়জন প্রার্থী হচ্ছেন টি-পার্টির সমর্থনপুষ্ট বা তাদের প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে আটজন প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে এই নির্বাচনের পরে কংগ্রেসে টি-পার্টির সমর্থক ও সদস্যসংখ্যা হবে যথেষ্ট এবং তাঁদের প্রভাব থেকে রিপাবলিকান পার্টি মুক্ত হতে পারবে না। টি-পার্টির সমর্থকেরা যে কেবল ডেমোক্র্যাটদের ঘোর বিরোধী কোনো রকম সমঝোতার বিরুদ্ধে তা-ই নয়, তাঁরা প্রেসিডেন্ট ওবামার বিজয়কে মোটেই মেনে নিতে পারেননি।
প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রতিশ্রুত ও সূচিত সংস্কারগুলো যাদের স্বার্থের প্রতিকূলে যাচ্ছে, তারা এর বিরোধিতায় নামবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাদের শক্তি এখন আগের তুলনায় বহুগুণে বেড়েছে। এই নির্বাচনে এই গোষ্ঠীগুলো কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে সিনেট ও হাউসে ডেমোক্র্যাটদের পরাজিত করতে। যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের কোনো মধ্যবর্তী নির্বাচনে এত বেশি অর্থ ব্যয় হয়নি। সেন্টার ফর রেসপনসিভ পলিটিক্স নামের একটি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এই নির্বাচনে আড়াই বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করছেন প্রার্থীরা। কিন্তু এই ব্যয়ের একটা বড় অংশই আসছে কয়েকটি ‘অলাভজনক সংগঠন’ থেকে। এসব ‘অলাভজনক’ বা ‘সমাজকল্যাণ’ সংস্থা ব্যয় করছে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের পরাজিত করতে। সাবেক জর্জ বুশ প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি কার্লরোড এবং রিপাবলিকান পার্টির সাবেক এড গিলাপসির তৈরি করা দুটি সংস্থা আমেরিকান ক্রসরোডস ও আমেরিকান ক্রসরোডস জিপিএস ডেমোক্র্যাটদের পরাজিত করতে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করেছে এবং করছে। একইভাবে ইউএস চেম্বার অব কমার্স নামের একটি সংস্থা অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ব্যয় করেছে ১৬ মিলিয়ন (এক কোটি ৬০ লাখ) ডলার। করপোরেশন ও এসব গোষ্ঠীকে অর্থ কারা জোগাচ্ছে, সেটা জনসাধারণের জানারও উপায় নেই। এ বছরের জানুয়ারি মাসে দেশের সুপ্রিম কোর্ট এক মামলার রায়ে করপোরেশনগুলোকে সাধারণ মানুষের সমান বলে বর্ণনা করেন এবং নির্বাচনে তাদের অবারিত ব্যয়ের পথ উন্মুক্ত করে দেন। এরই সুযোগে দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠীগুলো কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে টেলিভিশন ও রেডিওতে দিন-রাত ডেমোক্র্যাটদের কর্মসূচি ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এ ধরনের প্রচারণার মুখে হিমশিম খাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁর বক্তৃতায় এই গোষ্ঠীগুলোর প্রচেষ্টাকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি বলে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু অর্থের এই দাপটের মোকাবিলায় যে তৃণমূল পর্যায়ের অংশগ্রহণ দরকার, যে ধরনের তৃণমূল আন্দোলন ওবামাকে বিজয়ী করেছিল, তা এবার অনুপস্থিত।
সব মিলিয়ে ২ নভেম্বরের নির্বাচন ডেমোক্র্যাটদের জন্য সুসংবাদ আনবে—এমন আশা করার কারণ নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, ডেমোক্র্যাটরা ক্ষতির মাত্রা কতটা কমাতে পারবে।
ইলিনয়, যুক্তরাষ্ট্র
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভারসিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 20
(148)
- প্রথম আলো গোলটেবিল বৈঠক-‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দা...
- চারদিক-আমরা তো ডুবে যাচ্ছি... by নেয়ামত উল্যাহ
- মতপ্রকাশ-সমস্যা কে, লেখক না সন্ত্রাসী? by অরুন্ধতী...
- জেল হত্যা-আলোর প্রত্যাশা by সিমিন হোসেন রিমি
- স্মৃতি-ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে কিছু সময় by শেখ হাসিনা
- নেতা-কর্মীদের সংযত আচরণই কাম্য-খাগড়াছড়িতে হামলা
- জাতীয় কলঙ্কমোচনে চাই পুনর্বিচার-জেলহত্যা দিবস
- চারদিক-‘থপ দো ভতিউ, থপ দো সু’ by শিখ্তী সানী
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়...
- জনদাবি-ফুলবাড়ী যত দূর, লংমার্চ তত দূর by ফারুক ওয়াসিফ
- বাঘা তেঁতুল-পদক ও পুরস্কার প্রশস্তি by সৈয়দ আবুল ম...
- অরণ্যে রোদন-একজন মিজানুর একজন চাঁপা রানীআনিসুল হক
- আইন পালনে সবাইকে বাধ্য করতে হবে-গাড়িতে সিটবেল্ট বাঁধা
- বিচারকদের কর্মস্থলসংক্রান্ত নীতিমালা জরুরি-বিচার ব...
- দুর্নীতির অনুপ্রাস by শাহেদ মুহাম্মদ আলী
- তৃতীয় পক্ষ by হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
- এখনো এমন বালিকা জীবন by ফয়েজ রেজা
- মিজানুরের জন্য শোকগাথা by সারওয়ার-উল-ইসলাম
- ইভ টিজাররা অবহেলিত-মেহমানদারিতে পুলিশ কেন নির্বিকার?
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-মুক্তিযুদ্ধের এক মহানায়ক চলে গেলেন by...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-অবস্থান অপরিবর্তিত...
- রূপগঞ্জ-জমির অধিকার, সাধারণের বনাম ‘অসাধারণের’ by ...
- ইভ টিজিং-আরেক যুদ্ধ by মালেকা বেগম
- যুক্তি তর্ক গল্প-হতাশার বিষচক্র থেকে জাতিকে মুক্ত ...
- উচ্ছেদ আর দখলের খেলা আর কত দিন?-ঢাকার চারপাশের চার...
- তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নিন-সিবিএর খ...
- চারদিক-আপনগাঁওয়ে জাদুকর by তারিকুর রহমান খান
- দুর্নীতি-কেন এবার অগ্রগতি হলো না? by ইফতেখারুজ্জামান
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-আইন প্রয়োগে সরকার কঠোর by শিরীন শ...
- ক্যাম্পাসের শান্তি ভঙ্গ করা চলবে না-আবার ছাত্রলীগে...
- দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়-সংঘাতময় রাজনীতি
- চারদিক-বাইশ্যা নাচ by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- বখাটেদের উৎপাত-নারীর জন্য জনপরিসর নিরাপদ হবে কবে b...
- দেশহীন মানুষের কথা-পাহাড়ের মানুষকে আর কত দুঃখ দেবে...
- কালের পুরাণ-দল চলছে, রাজনীতি চলছে, দেশটা চলছে তো! ...
- দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন-দেশ টিভির ...
- ডিএসইকে পেশাদারি আচরণ করতে হবে-শেয়ারবাজারে অস্বচ্ছ...
- চারদিক-‘আমাদের জাদুঘর, আমরাই গড়ব’ by শিখ্তী সানী
- ধর্ম-সমাজে আমানত রক্ষার তাগিদ by মুহাম্মদ আবদুল মু...
- ইভ টিজিং-প্রেমিকা হত্যার উসকানি কোত্থেকে আসে? by ম...
- চিরকুট-কলম্বাসের ডায়েরি by শাহাদুজ্জামান
- খোলা চোখে-ওবামার জন্য অশনিসংকেত by হাসান ফেরদৌস
- দায় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের, ওপরের হস্তক্ষেপ জরুরি...
- দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করুন-উত্ত্যক্তকরণ থেক...
- স্মরণ-তাঁকে কেউ ভুলবে না by মুজিবুর রহমান
- কারণ খতিয়ে দেখা হোক by ওয়ালিউল্লাহ
- এখনই শিক্ষা নিতে হবে by এম এম আকাশ
- কাশ্মীর-ইনসাফ ও স্বাধীনতা by অরুন্ধতী রায়
- মিডিয়া ভাবনা-পাঠকের কাছেই সংবাদপত্রের জবাবদিহি by ...
- হাইকোর্টের আদেশ মেনে সংশোধনাগারে পাঠান-কারাগারে শিশু
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করুন-অপরিবর্তিত দ...
- চার দিক-ভাষা নিয়ে আনন্দের একটি দিন by প্রদীপ্ত বসাক
- সময়চিত্র-এই ছবিটি দেখেছেন কি by আসিফ নজরুল
- সুশাসন-দুর্নীতি প্রতিরোধে অগ্রগতি: জনগণের প্রত্যাশ...
- সরল গরল-বিচারপতি রশীদের ইঁদুর-দর্শনের পর by মিজানু...
- তল্লাশি আইন কঠোরভাবে মানতে হবে-ভুয়া র্যাব-পুলিশ স...
- জটিলতা না বাড়িয়ে দ্রুত নির্বাচন দিন-সিটি করপোরেশনে...
- মানুষের মুখ-সুখমন আর দুখমন by মামুনুর রশিদ
- ফুলবাড়ী-উন্মুক্ত কয়লাখনি ও মানুষের নিরাপত্তা by না...
- গদ্যকার্টুন-কত দূর উঠতে পারে একজন বাঙালি? by আনিসু...
- সহজিয়া কড়চা-নির্বাচিত সরকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ...
- পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেমন চলছে?-অনুপস্থিত উপাচ...
- বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিকল্প নেই-বাংলাদেশ-ভারত সীমা...
- এই দিনে-চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের ৪৭ বছর by বেলায়াত...
- ইউরোপ-নয়া উদারতাবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নবায়ন by...
- জননায়ক-সব খুন নয় সমান by ফারুক ওয়াসিফ
- কালের পুরাণ-গলাবাজির রাজনীতি এবং ‘আগুন নিয়ে খেলা’ ...
- কূটনীতিকদের তৎপরতা দরকার-জনশক্তি রপ্তানি
- আবাসিক প্রকল্পের নামে জবরদস্তি কাম্য নয়-রূপগঞ্জে অ...
- চার দিক-পুণ্যের খোঁজে পুণ্যসন্ধানীদের ভিড়ে by খাদি...
- শিশুশিক্ষা-শিশুরা কেমন মানুষ হচ্ছে? by সরকার আবদুল...
- গোধূলির ছায়াপথে-রঙের সওদায় মিলেমিশে আছি by মুস্তাফ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-যাঁরা দোষী তাঁদেরই শাস্তি হচ্ছে b...
- প্রশাসনের উদাসীনতাই দায়ী-উপর্যুপরি বৃক্ষনাশ
- দায়িত্বশীল সংসদই গণতন্ত্রের সুরক্ষা-গণমাধ্যমের স্ব...
- জন্মদিন-মানুষটা কেমন যেন! by নির্লিপ্ত নয়ন
- গণমাধ্যম-গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ by গোলাম মুরশিদ
- বৈষম্য-উপজাতি, আদিবাসী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: এরপর কী?...
- অব্যবস্থাপনা-চট্টগ্রাম বন্দর অস্থির কেন? by জহির আ...
- সময়চিত্র-প্রধানমন্ত্রী কী বলেন, কেন বলেন by আসিফ ন...
- বখাটেদের বিষয়ে সরকারকে কঠোর হতেই হবে-সাহসী শিক্ষকে...
- দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণযোগ্য নয়-রাজনৈতিক মামলা প্রত...
- চার দিক-মানুষের সেবার জন্য ব্যবসাটা করি by সৈয়দা আ...
- দূরদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ‘মধ্যবর্তী নির্বাচন’ by আলী ...
- ধর্ম-প্রতিশ্রুতি পালনের নির্দেশনা by মুহাম্মদ আবদু...
- দুই দু’গুণে পাঁচ-দুর্ঘটনার হালচাল by আতাউর রহমান
- সময়ের প্রতিবিম্ব-ধর্মীয় আবেগের আচ্ছাদনে রাজনীতি by...
- আন্দোলন প্রতিহত করার হুমকি-এ ধরনের বক্তব্য কাম্য নয়
- জনসংখ্যা ও দারিদ্র্য-নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্...
- অণুকথা চির কল্যাণ কর by সাইদুজ্জামান
- সংবর্ধনায় নৃত্য সংগীত by সজীব মিয়া
- প্রথম আলো মাদকবিরোধী আন্দোলন-চিকিৎসা দরকার হতে পার...
- স প্তা হে র বা ছা ই চা ক রি
- চাকরি খুঁজছেন?
- একনজরে-অলিম্পিকের ২৮তম আসর
- এবিসি রেডিও-প্রথম আলো জবস ‘হতে চাই পেতে চাই’-সিমা ...
- স্বল্পমেয়াদি কর্মমুখী প্রশিক্ষণের সুযোগ by জাহিদ হ...
- প্রথম আলো-আরডিএস জাতীয় বিতর্ক উৎসব-বিজয়ী বীর by মা...
- খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ-পাহাড়ে শিক্ষা by মান কুমারী
- টিআইবি ইয়েস জাতীয় সম্মেলন-তরুণেরাই রুখবে দুর্নীতি ...
- মেধাবী মুখ-গণিতের শীর্ষবিন্দু by সুচিত্রা সরকার
- আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সম্মেলন, চীন-নানান রঙের মেল...
- স্বাস্থ্য সংবাদ-হেপাটাইটিস বি এবং সি নিয়ে সম্মেলন
- ডায়াবেটিস-লো-গ্লাইসিমিক ডায়েট by অধ্যাপক শুভাগত চৌ...
- কিছু শর্তের জন্য হজযাত্রী কমে যাওয়ার শঙ্কা-টাকা জম...
- এবারের বাজেটে নারীর অর্জন
- সাহসী আরিফার সাহস ফুরায় না by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- চারদিক-‘ছবিটা দিয়া যায়েন’ by ফারুখ আহমেদ
- পাকিস্তান-গণতন্ত্র আবারও হুমকির মুখে by আসমা জাহাঙ...
- গৃহশ্রমিকদের সঙ্গে অমানবিক নির্যাতন বন্ধ হবে কবে?-...
- বিব্রতকর প্রশ্নের’ জবাব না পেলে সংসদই বিব্রত হয়-সং...
- জন্মদিন-তাঁর পথে চলতে চাই by মালেকা বেগম
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-যেতে হবে অনেক দূর
- বোমা মেশিন’ দিয়ে পাথর তোলা-চার সচিবসহ ১১ জনকে আদাল...
- পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী পদে গিলানিকে এবার অযোগ্যই...
- এখনই আবাসিক এলাকায় নতুন গ্যাস সংযোগ নয়
- বিচারককে মারধরের ঘটনায় আট পুলিশকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ
- বিল কপালিয়ার জোয়ার-আধার প্রকল্প-আন্দোলন সাত দিনের ...
- রোহিঙ্গা-সংশ্লিষ্ট এনজিওগুলোর ওপর নজরদারির তাগিদ
- পদ্মা সেতু : হুইপ লিটনের ভাই নিক্সনকে দুদকের জিজ্ঞ...
- প্রকাশ পেল বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'-এখন এটা ...
- সরল গরল-প্রধান বিচারপতির নীরবতা ভাঙবে কি by মিজানু...
- সপ্তাহের হালচাল-আওয়ামী লীগের সম্ভাবনার তিন শর্ত by...
- নারী কোটা ১০ শতাংশ কমছে-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নার...
- রসিদ বইয়ের মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা জমা নিয়ে সংযোগ, পর...
- পদ্মা সেতু নিয়ে দুদকে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন-১০% ...
- মুরগি ও ডিমের দাম অস্বাভাবিক নয়! by আবুল কাশেম
-
▼
Jun 20
(148)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment