Monday, June 4, 2012
সরল গরল-সংবিধান সংশোধনে কথা রাখবে আওয়ামী লীগ? by মিজানুর রহমান খান
সরল গরল-সংবিধান সংশোধনে কথা রাখবে আওয়ামী লীগ? by মিজানুর রহমান খান
বাহাত্তরের সংবিধানের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধারণ করি। সেটা ফিরে পেতে চাই। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। ধর্মনিরপেক্ষতা চাই। প্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণ লিখেছিলেন, ‘তার আগে চাই সমাজতন্ত্র।’ তাঁর সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলি, তার আগে চাই ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের নেতাদের সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব বাস্তবায়ন।
এটা যদি না পাই, তাহলে ধরে নেব, আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। বড় উপলক্ষ এলে অনেকেই দুই দলের মতৈক্য দেখতে ব্যাকুল হন। এটা একটা ফ্যাশন। মতৈক্যের বাগাড়ম্বর আশা করি না। ঢালাও মতৈক্যের বাগাড়ম্বর শাসকগোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে সহায়ক হয়। তাদের সংকীর্ণ চিন্তা-চেতনার বিকাশ ঘটায়। আধা গণতান্ত্রিক দ্বাদশ ও গণতন্ত্রবিরোধী ত্রয়োদশ সংশোধনী তার উৎকৃষ্ট নজির।
তাই সর্বোতভাবে মতৈক্যের বাগাড়ম্বর পরিহার করার আহ্বান জানাই। মতৈক্যের ঢোল পেটানো বন্ধ করুন। যেখানে যেটুকু ঐক্য দরকার, সেটা তারা না চাইলেও বজায় রেখে চলবে। সর্বাগ্রে দেখতে চাই, সভ্য দুনিয়ার মতো একটি সংবিধান আমরা পাচ্ছি কি পাচ্ছি না। আমি এখন পর্যন্ত তার কোনো আলামত দেখি না।
গণতন্ত্রের প্রতি আঘাত বলুন, আর সংসদীয় অভ্যুত্থান বলুন। সামরিক স্টাইলে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংসের দায় আওয়ামী লীগকেও নিতে হবে। আর সেটা আওয়ামী লীগের নিজের স্বার্থে সবচেয়ে বেশি। তাদের ঐতিহাসিক ভুলগুলো শোধরানোর সুবর্ণ সময় এসেছে। চতুর্থ সংশোধনীতে প্রথম ক্যু ঘটেনি। বাহাত্তরের ৪ নভেম্বরে গণপরিষদীয় ক্যু হয়েছিল। এর দলিলপত্র আমাদের হাতে মজুদ আছে। এবং তা প্রমাণ দিচ্ছে যে, বাহাত্তরের সংবিধান দুধের নহর নয়। কোনো মৃতসঞ্জীবনী সুরা নয়। গণপরিষদীয় ওই ক্যুর মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা ব্যক্তির হাতে কুক্ষিগত করা হয়েছিল। বাহাত্তরের সংবিধান প্রণয়ন কমিটিকে সে জন্য দোষ দেব না। সব দোষ সামরিক শাসকদের দিলেও সত্য আড়ালে থাকবে।
বিশেষ সংসদীয় কমিটিতে বিএনপি না আসুক। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে বাদ দিয়ে সাজেদা চৌধুরীই সভাপতির পদ অলংকৃত করুক, তাতে কিছু আসে যায় না। কিন্তু বিল নেই, কমিটি হলো, কার্যপরিধি ঠিক হলো না। কী করে এটা বৈধ হলো— সে প্রশ্নও তুলব না। আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, জামায়াত ইতিমধ্যেই অবৈধ হয়ে গেছে। অর্থাৎ ওটা লাশ হয়ে গেছে। রায় এলে দাফন হবে। সংবিধান নতুন করে ছাপা হবে। এরপর সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বললেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য হাইকোর্টের দিকে তাকিয়ে থাকব না। বিল আনব। এরপর হঠাৎ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা। আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য সর্বদলীয় কমিটি হবে। বললেন, কোনো দল নিষিদ্ধ হবে না। এই স্ববিরোধিতাও চেপে যাব।
আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংসদ কমিটি করে? শরিকদের নিয়ে সর্বদলীয় কমিটি? এসব নিয়েও এখন প্রশ্ন তুলব না। বলা হচ্ছে, আদালতের রায় এলে কার্যপরিধি ঠিক হবে। এটাও একটা বেঠিক কথা। কিন্তু তা নিয়েও প্রশ্ন তুলব না। শুধু অপেক্ষা করব, আওয়ামী লীগ কী ধরনের সংবিধান সংশোধন বিল আনে। আদালতের রায়ে কিছুটা মিলবে। অধিকাংশ প্রয়োজন মেটাবে না। তাই দেখার বিষয়, আওয়ামী লীগের তারকা নেতা-নেত্রীদের অতীতের সংশোধনী প্রস্তাবগুলো অন্তর্ভুক্ত হয় কি হয় না। নাকি বাহাত্তরের সংবিধানে ফেরার হুজুগে সব বরবাদ হয়ে যায়।
সৈয়দ আবুল মকসুদের লেখার আমি একজন মুগ্ধ পাঠক। তিনি ২২ জুলাই, ২০১০ লিখেছেন, রাষ্ট্রপতি পদ্ধতি থেকে সংসদীয় পদ্ধতিতে ফিরে আসা সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার উদ্যোগেই। তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে ‘আস্থায়’ নিয়েছিলেন। আমার মত হলো, শাসকগোষ্ঠী তখন একটা খোলস পাল্টিয়েছিল। ছিটেফোঁটা অগ্রগতি আছে। কিন্তু সংসদীয় পদ্ধতির নামে তারা কার্যত রাষ্ট্রপতি পদ্ধতিই বহাল রেখেছে। আগের রাষ্ট্রপতির যা ক্ষমতা, এখন প্রধানমন্ত্রীর তা-ই ক্ষমতা। রাষ্ট্রপতির যা চালচলন, প্রধানমন্ত্রীরও তা-ই। রবার দিয়ে ঘষার দাগ আছে। রাষ্ট্রপতি শব্দ মুছে প্রধানমন্ত্রী লেখা হয়।
সারা দেশে প্রত্যক্ষ গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতো। এই প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হওয়া নিয়ে শেখ হাসিনার বেশি সংশয় ছিল। পাঁচ আসনে কখনো তিনি জেতেননি। এরশাদের জনপ্রিয়তা ফ্যাক্টর ছিল। বেগম খালেদা জিয়া ততক্ষণে জীবনে প্রথম প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার। নাক কেটে যাত্রাভঙ্গ চাননি। কিংবা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নামার ঝুঁকিও হয়তো তিনি বিবেচনা করেছিলেন। এই সমীকরণে আমরা সেদিন ‘ঐকমত্য’ কিংবা তথাকথিত সংসদীয় গণতন্ত্র পেলাম। লেজুড় গণমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবীরা যথারীতি ঐকমত্যের বাদ্য-বাদন বাজিয়েছিলেন।
গত দেড় দশকের সংবিধান-পাঠ ও সংবিধানের প্রয়োগ দেখে একটা কথা বলাতে আমাকে প্রায় বাধ্য করে। সেটা হলো বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠী তাদের সামরিক ও বেসামরিক লেবাস নির্বিশেষে মূলগতভাবে চতুর্থ সংশোধনীর শক্তি। এরা খামোখা পরস্পরকে গালাগালি করে। শাসক ও তদীয় স্তাবকদেরও শিরা-উপশিরায় চতুর্থ সংশোধনীর রক্ত বহমান। প্রমাণ চান? চতুর্থ সংশোধনীর কতিপয় বিধানাবলি টিকে আছে। পঞ্চম সংশোধনীর কতিপয় বিধানাবলি টিকে আছে। এটা কুঁজের মতো। কিন্তু তা বয়ে বেড়াতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ লজ্জা পায় না। এবং পরিহাস হলো, এই কুঁজগুলোর অপসারণে আদালতেরও নজর এড়িয়ে যায়।
রাজনীতিকদের কাজ রাজনীতিকেরা করবেন। কিন্তু গণমাধ্যম ও লেখকেরা যেন এবার অহেতুক সাফাই না গাইতে বসেন। তাঁরা যেন শাসকের কায়েমি স্বার্থ হাসিলের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকেন। বিএনপি কমিটিতে আসুক, সেটা চাইব। কিন্তু ততটা গুরুত্ব দেব না। দেখব, তাদের ঝোলা থেকে কী বেরোয়।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের রায় ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কারণ এই রায় আওয়ামী লীগের চটকদার দলীয় এজেন্ডা সার্থক করার কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। সংবিধান সংশোধনীর নির্দেশনা রয়েছে—এমন বহু রায় আছে। সেসব নিয়ে দুই দলের কোনো মাতামাতি দেখি না। বিচারপতি খায়রুল হকের কথাই ধরা যাক। তিনি তো সিইসি আবদুল আজিজের মামলায় আরেকটি ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। কিন্তু সেটা নিয়ে দৌড়ঝাঁপ নেই কেন? গণমাধ্যম সেটা ছাপতে জোশ পায় না। লেখকদেরও অরুচি। কারণ দুই নেত্রী ওটা এখনো ছুঁয়ে দেখেননি। ওঁদের ছোঁয়া না-ছোঁয়ার ওপর এই সমাজ-রাষ্ট্রে জাতে ওঠা কিংবা নামা নির্ভর করে।
ওই রায়কে ঐতিহাসিক বলে গণ্য করার কেউ নেই। কারণ কী? আমি বুঝি, এটা করলে বিচারকদের রাজনৈতিক ব্যবহারের পথ রুদ্ধ হবে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের পুরস্কৃত করার পথ বন্ধ হবে। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি এই রায় আমাদের বাহাত্তরের সংবিধানেও ফিরিয়ে নেবে। তাই বলি, আওয়ামী লীগ বাহাত্তরের সংবিধানে যাবে তার শর্তে। জনগণকে তা বুঝে নিতে হবে তার শর্তে।
সততার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি। আর ধূর্ততার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ এক কথা নয়। উভয়ের যাত্রা ও পরিণতি এক নয়। কোনো বুজরুকি গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক হয় না। অনেকে বলবেন, গণতন্ত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাবে। অভিজ্ঞতা থেকে আমরা শিক্ষা নেব। ভুল করব। ছিটকে পড়ব। আবার উঠে দাঁড়াব। এই না হলে গণতন্ত্র! এর নাম যাঁরা গণতন্ত্র বলেন, আমি তাঁদের সমর্থন করতে পারি না। কারণ চালাকি দিয়ে গণতন্ত্র হয় না। কূটকৌশলের মাধ্যমে কোনো ভালো কিছু অর্জন সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংবিধান সার্বভৌম। সংসদ সার্বভৌম নয়। সংবিধান ঠিক করে রেখেছে কার ক্ষমতা কত দূর। তদুপরি অন্তিমে সংসদই সার্বভৌম। রাজনীতির সৃষ্টি সংসদ। সংসদের সৃষ্টি সংবিধান। সংবিধানের সৃষ্টি সুপ্রিম কোর্ট। সুতরাং কূটতর্কে না গিয়ে বলা যায়, সংসদই বড়। তাই প্রস্তাবিত কমিটির কার্যপরিধি হবে সংবিধানের অধিকতর সংশোধন। সেটা করতে গিয়ে তারা শুধু আদালতের একটি নয়, সামগ্রিক রায় বিবেচনায় নেবে। বিবেচনায় নেবে সাংবিধানিক বিবর্তন। শুধু দেশের কেন, উপমহাদেশ কেন, গোটা বিশ্ব পড়ে থাকবে সামনে। কেবল দেখার মতো ডিজিটাল চশমা চাই।
বেশি দূরে নয়। ১৯৯১-তে ফেরা যাক। নূর হোসেনের রক্তের দাগ শুকায়নি। তখন আমরা কী দেখলাম। দেশ সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরছে। একটা শোরগোল তোলা হলো। ধূম্রজাল তৈরি করা হলো। শেখ মুজিবের প্রবর্তিত জিয়া-এরশাদের ব্যবহূত রাষ্ট্রপতি পদ্ধতিটাই বলির পাঁঠা হলো। সংবিধান সংশোধনের ভালো প্রস্তাবগুলো বিএনপি সেদিন নাকচ করেছিল। সেই প্রস্তাবগুলোকে ভবিষ্যদ্বাণী বলা যায়। এমনকি বলা চলে, বিশ্বকাপের মেরুদণ্ডহীন সুপারস্টার পল অক্টোপাসের মতো আমাদের তারকা নেতারা ওয়ান-ইলেভেন দেখতে পেয়েছিলেন।
শাসন ও শাসনতন্ত্রের গলদগুলো আমাদের অনেক রাজনীতিক ভালোই জানেন। সংবিধানের অসুখ কোথায়, তাও তাঁদের রপ্ত। প্রশ্ন একটাই, তাহলে তাঁরা ব্যর্থ হচ্ছেন কেন। কেন আজ তাঁরা বিশেষ কমিটির কার্যপরিধি ঠিক করতে অপারগ। কেন তবে ‘কণ্ঠ তাঁদের রুদ্ধ আজিকে বাঁশি সঙ্গীতহারা?’ ইহলোকে কাকে তাঁদের ভয়?
বিশেষ সংসদীয় কমিটির অনেকেরই আকর্ষণীয় অতীত রেকর্ড আছে। সেটা কীভাবে আছে, আসুন সেটা একটু দেখি। কৈয়ের তেলে কৈ ভাজি। বেগম মতিয়া চৌধুরীকে দিয়ে শুরু করি। যদিও সাজেদা চৌধুরী কমিটির সভাপতি। তদুপরি ধরে নেব মতিয়া চৌধুরীর কথা শেখ হাসিনা কিংবা সাজেদা চৌধুরী ঠেলতে পারবেন না।
বেগম মতিয়া চৌধুরী ৬ আগস্ট, ১৯৯১ সংসদে একটি সংবিধান সংশোধনী প্রস্তাব আনেন। তাতে বলা হলো, সাংসদদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এটা একটি অতি উত্তম প্রস্তাব। কারণগুলো মতিয়া চৌধুরীর ভাষায় অবিকল এ রকম। ‘প্রথমত, আমার ভোট আমি দেব যাকে ইচ্ছা তাকে দেব। এটাই ভোটের প্রধান শর্ত। তাই আমি কারো সামনে আমার ভোটের গোপনীয়তা এবং পবিত্রতা লঙ্ঘন করতে পারি না। দ্বিতীয়ত, আমার দলীয় নেতার চোখের সামনে যদি আমাকে ভোট দিতে হয়, তাহলে অবস্থাটি কি হবে, তা বুঝতেই পারছেন। তৃতীয়ত, এটা শুধু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে নয়। আস্তে আস্তে সমস্ত ক্ষেত্রেই এটা প্রসারিত হবে। এটা একটা বাজে অনুশীলন। এটা ভোট ডাকাতির অপর একটি রূপ। চতুর্থত, আমাকে প্রকাশ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হচ্ছে। সেটার মাধ্যমে আমার দলের নেতাকে আল্লাহ তাআলার ওপরে স্থান দিতে হচ্ছে। আমার পার্টির নেতা অনেক বড় নেতা হতে পারেন, কিন্তু তিনি কিছুতেই আল্লাহ তাআলার ওপরে নন। বা সমকক্ষ হতে পারেন না।’
আমরা মনে করি, গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়া উচিত। রাশেদ মোশারফ সংসদে সাক্ষ্য দেন: ‘আমি ৭২-এর সংবিধান রচয়িতাদের একজন। ইলেকশন কমিশন গোপন ভোটের ব্যবস্থা করেছিল। যদিও একজন মাত্র প্রার্থী থাকায় ভোট হয়নি।’ তোফায়েল আহমেদ স্মরণ করিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংবিধানে একটি তফসিল থাকতেই হবে। আওয়ামী লীগ সেদিন গণতন্ত্রের জন্য চোখের জল ফেলতে ফেলতে হাইকোর্টেও গিয়েছিল। আর এবার তারা কেমন হাসতে হাসতে বিএনপির তরিকায় উন্মুক্ত ব্যালটে জিল্লুর রহমানকে নির্বাচিত করেছে। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পঞ্চম সংসদে বলেছিলেন, ‘এই রাষ্ট্রপতি পরবর্তীকালে ক্ষমতাচ্যুত হলে দরোজায় দারোজায় ফেরি করবেন।’ ১৬ বছর পর আমরা বন্দুকের নলে ‘ক্ষমতা-চ্যুত’ হতে দেখি শেখ হাসিনা বর্ণিত ইয়েসউদ্দিনকে। জরুরি অবস্থায় তাঁর কি ফেরি করা হয়নি?
মতিয়া চৌধুরীর আনা আরেকটি সংশোধন প্রস্তাব দেখুন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ সাপেক্ষে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নিকট ক্ষমতা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে।’ লক্ষ করুন, বাহাত্তরের উল্লিখিত গণপরিষদীয় ক্যুর মাধ্যমে যে সর্বনাশ করা হয়েছিল, মতিয়া চৌধুরীর তা নজরে আসে ১৯ বছর পর। তবে তাঁর প্রচ্ছন্ন প্রস্তাবটি ঈষৎ ত্রুটিপূর্ণ। এখানেও ব্যক্তি তোষণ আছে। যেটা সঠিক সেটা হলো প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে রাষ্ট্রপতির কাছে। আর সেটার প্রয়োগ ঘটবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার পরামর্শে। শুধু প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে নয়। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর যথার্থ মন্তব্য ছিল, পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত গণতন্ত্রের পাঁচটি উপাদান সম্পর্কে মত দিয়েছিলেন। তিনি পাঁচ ধরনের সাংবিধানিক পদ পূরণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার প্রয়োগ চেয়েছিলেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি আমরা সমর্থন করি। প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্য, অ্যাটর্নি জেনারেল ও অডিটর জেনারেল। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছিলেন, এই পাঁচটি সাংবিধানিক পদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি যদি নিয়োগ দেন, তাহলে তাতে ভারসাম্য থাকবে। কেউ যদি বলেন, এখনো তো তা-ই হয়। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করেই নিয়োগ দেন। কিন্তু এই রাষ্ট্রপতির কি কোনো ক্ষমতা আছে? এই রাষ্ট্রপতির কাছে কেউ কিছু আশা করে? বেনজির-নওয়াজ অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের মতো শুনানির মাধ্যমে এসব পদ পূরণে ঐক্য করেছিলেন। আমরা তেমন কোনো ব্যবস্থাও ভাবতে পারি। বিদ্যমান তুঘলকি নিয়োগব্যবস্থাটা অবশ্যই বদলাতে হবে। এখানে ‘বাহাত্তর’ ‘বাহাত্তর’ করলে চলবে না।
মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের কাছে জবাবদিহি করবে। এটুকু সংবিধানে লেখা আছে। কিন্তু মন্ত্রীরা পৃথকভাবেও সংসদের কাছে দায়ী থাকবেন, সে কথা সংবিধানে বলা হয়নি। অথচ এ ক্ষেত্রে যথার্থ সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছিলেন বর্তমান বিশেষ কমিটির অন্যতম সদস্য আবদুল মতিন খসরু। অপর সদস্য ফজলে রাব্বী ঠিকই মনে করেন, ৭০(২) অনুচ্ছেদ গণতন্ত্রের পরিপন্থী। তিনি এর বিলুপ্তি চেয়ে নির্দিষ্ট প্রস্তাব আনেন। আওয়ামী লীগ দলগতভাবে প্রকাশ্যে ৭০ অনুচ্ছেদের অধিকতর সংশোধনের বিরোধিতা করে। এখানে যদিও একটা আঁতাতের খবর জানি। সাংসদদের কণ্ঠরোধের প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার সবুজ সংকেত ছিল। শেখ ফজলুল করিম সেলিমের প্রকাশ্য আহাজারি ছিল। সেটারই আজ আমরা মূল্য দেব। কারণ বৃক্ষ তোমার নাম কী, ফলে পরিচয়। শেখ সেলিম বলেছিলেন, ‘সংসদ সদস্যদের অধিকার খর্ব করে সার্বভৌম সংসদ প্রতিষ্ঠা করা যায় না। ভোটের সময় উপস্থিত না থাকলেই সংসদ সদস্যপদ খোয়া যাবে। এটা অগণতান্ত্রিকই নয়, অমানবিক বটে।’
এমন অনেক সুন্দর প্রস্তাবের খামতি নেই। তিয়াত্তরে ভুট্টোর সংবিধান মডেলে রাশেদ খান মেনন তো একটি বিল এনেছিলেন। লক্ষ্য—অবৈধ ক্ষমতা দখল প্রতিরোধ। পাঁচটি অনুচ্ছেদসংবলিত সালাহ উদ্দিন ইউসুফের সেই বিচারবিভাগের স্বাধীনতা বিল বিবেচনায় আনা হবে কি? প্রধানমন্ত্রী যে বিচারে বলেছেন, কমিটি হয়েছে আদালতের ‘নির্দেশনায়’। ভিন্ন মামলায় প্রায় তেমন ‘নির্দেশনা’ সংবিধানের ওই পাঁচ অনুচ্ছেদের বিষয়েও আছে। সাজেদা চৌধুরী বলেছেন, আমরা ‘ক্ষত সারিয়ে সুন্দর সংবিধান দেওয়ার চেষ্টা করব।’ তাঁর মুখে ফুলচন্দন পড়ুক। ২৯ জুলাইয়ের আসন্ন বৈঠকে যেন এই সিদ্ধান্ত হয় যে, আওয়ামী লীগ তার আগের সংশোধন প্রস্তাবগুলো আগে বিবেচনায় নেবে। ’৯১-তে তাদের আনা সংবিধান সংশোধন বিল ও পৃথক সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর পূর্ণতা আমরা আশা করি।
বিশেষ কমিটির কার্যপরিধি নির্দিষ্ট হয়নি। কিন্তু আমি একটি বাক্য ধার দিচ্ছি। এটি চেতনাগতভাবে প্রায় অবিকল গ্রহণ করার দাবি রাখে। কারণ, এই বাক্যটিকে আমি যথেষ্ট নিরপেক্ষ বিবেচনা করি। বিরোধীদলীয় নেতাকেও অনুরোধ করি, এই বাক্যটি যেন তিনিও ধার নেন।
সেই বাক্যটি হলো: ‘আমি সংসদ নেত্রীকে আহ্বান জানাচ্ছি, আপনি একটি বিল নিয়ে আসুন, যে বিলে চতুর্থ সংশোধনী থেকে শুরু করে এরশাদের দশম সংশোধনী পর্যন্ত সব সংশোধনী বাতিলের ব্যবস্থা থাকবে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি যে, এ ধরনের কোনো বিল আসলে আমরা অবশ্যই তাকে স্বাগত জানাবো এবং সে বিল পাস করার ব্যাপারে সব রকম সাহায্য সহযোগিতা করবো।’ ২ জুলাই, ১৯৯১ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনার উক্তি ছিল এটি। সংবিধান সংস্কারের বিরাট সুযোগ আমাদের সামনে। আমরা উভয় নেত্রীকে এই চেতনায় অগ্রসর হতে অনুরোধ জানাই।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
mrkhanbd@gmail.com
তাই সর্বোতভাবে মতৈক্যের বাগাড়ম্বর পরিহার করার আহ্বান জানাই। মতৈক্যের ঢোল পেটানো বন্ধ করুন। যেখানে যেটুকু ঐক্য দরকার, সেটা তারা না চাইলেও বজায় রেখে চলবে। সর্বাগ্রে দেখতে চাই, সভ্য দুনিয়ার মতো একটি সংবিধান আমরা পাচ্ছি কি পাচ্ছি না। আমি এখন পর্যন্ত তার কোনো আলামত দেখি না।
গণতন্ত্রের প্রতি আঘাত বলুন, আর সংসদীয় অভ্যুত্থান বলুন। সামরিক স্টাইলে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংসের দায় আওয়ামী লীগকেও নিতে হবে। আর সেটা আওয়ামী লীগের নিজের স্বার্থে সবচেয়ে বেশি। তাদের ঐতিহাসিক ভুলগুলো শোধরানোর সুবর্ণ সময় এসেছে। চতুর্থ সংশোধনীতে প্রথম ক্যু ঘটেনি। বাহাত্তরের ৪ নভেম্বরে গণপরিষদীয় ক্যু হয়েছিল। এর দলিলপত্র আমাদের হাতে মজুদ আছে। এবং তা প্রমাণ দিচ্ছে যে, বাহাত্তরের সংবিধান দুধের নহর নয়। কোনো মৃতসঞ্জীবনী সুরা নয়। গণপরিষদীয় ওই ক্যুর মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা ব্যক্তির হাতে কুক্ষিগত করা হয়েছিল। বাহাত্তরের সংবিধান প্রণয়ন কমিটিকে সে জন্য দোষ দেব না। সব দোষ সামরিক শাসকদের দিলেও সত্য আড়ালে থাকবে।
বিশেষ সংসদীয় কমিটিতে বিএনপি না আসুক। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে বাদ দিয়ে সাজেদা চৌধুরীই সভাপতির পদ অলংকৃত করুক, তাতে কিছু আসে যায় না। কিন্তু বিল নেই, কমিটি হলো, কার্যপরিধি ঠিক হলো না। কী করে এটা বৈধ হলো— সে প্রশ্নও তুলব না। আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, জামায়াত ইতিমধ্যেই অবৈধ হয়ে গেছে। অর্থাৎ ওটা লাশ হয়ে গেছে। রায় এলে দাফন হবে। সংবিধান নতুন করে ছাপা হবে। এরপর সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বললেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য হাইকোর্টের দিকে তাকিয়ে থাকব না। বিল আনব। এরপর হঠাৎ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা। আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য সর্বদলীয় কমিটি হবে। বললেন, কোনো দল নিষিদ্ধ হবে না। এই স্ববিরোধিতাও চেপে যাব।
আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংসদ কমিটি করে? শরিকদের নিয়ে সর্বদলীয় কমিটি? এসব নিয়েও এখন প্রশ্ন তুলব না। বলা হচ্ছে, আদালতের রায় এলে কার্যপরিধি ঠিক হবে। এটাও একটা বেঠিক কথা। কিন্তু তা নিয়েও প্রশ্ন তুলব না। শুধু অপেক্ষা করব, আওয়ামী লীগ কী ধরনের সংবিধান সংশোধন বিল আনে। আদালতের রায়ে কিছুটা মিলবে। অধিকাংশ প্রয়োজন মেটাবে না। তাই দেখার বিষয়, আওয়ামী লীগের তারকা নেতা-নেত্রীদের অতীতের সংশোধনী প্রস্তাবগুলো অন্তর্ভুক্ত হয় কি হয় না। নাকি বাহাত্তরের সংবিধানে ফেরার হুজুগে সব বরবাদ হয়ে যায়।
সৈয়দ আবুল মকসুদের লেখার আমি একজন মুগ্ধ পাঠক। তিনি ২২ জুলাই, ২০১০ লিখেছেন, রাষ্ট্রপতি পদ্ধতি থেকে সংসদীয় পদ্ধতিতে ফিরে আসা সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার উদ্যোগেই। তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে ‘আস্থায়’ নিয়েছিলেন। আমার মত হলো, শাসকগোষ্ঠী তখন একটা খোলস পাল্টিয়েছিল। ছিটেফোঁটা অগ্রগতি আছে। কিন্তু সংসদীয় পদ্ধতির নামে তারা কার্যত রাষ্ট্রপতি পদ্ধতিই বহাল রেখেছে। আগের রাষ্ট্রপতির যা ক্ষমতা, এখন প্রধানমন্ত্রীর তা-ই ক্ষমতা। রাষ্ট্রপতির যা চালচলন, প্রধানমন্ত্রীরও তা-ই। রবার দিয়ে ঘষার দাগ আছে। রাষ্ট্রপতি শব্দ মুছে প্রধানমন্ত্রী লেখা হয়।
সারা দেশে প্রত্যক্ষ গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতো। এই প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হওয়া নিয়ে শেখ হাসিনার বেশি সংশয় ছিল। পাঁচ আসনে কখনো তিনি জেতেননি। এরশাদের জনপ্রিয়তা ফ্যাক্টর ছিল। বেগম খালেদা জিয়া ততক্ষণে জীবনে প্রথম প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার। নাক কেটে যাত্রাভঙ্গ চাননি। কিংবা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নামার ঝুঁকিও হয়তো তিনি বিবেচনা করেছিলেন। এই সমীকরণে আমরা সেদিন ‘ঐকমত্য’ কিংবা তথাকথিত সংসদীয় গণতন্ত্র পেলাম। লেজুড় গণমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবীরা যথারীতি ঐকমত্যের বাদ্য-বাদন বাজিয়েছিলেন।
গত দেড় দশকের সংবিধান-পাঠ ও সংবিধানের প্রয়োগ দেখে একটা কথা বলাতে আমাকে প্রায় বাধ্য করে। সেটা হলো বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠী তাদের সামরিক ও বেসামরিক লেবাস নির্বিশেষে মূলগতভাবে চতুর্থ সংশোধনীর শক্তি। এরা খামোখা পরস্পরকে গালাগালি করে। শাসক ও তদীয় স্তাবকদেরও শিরা-উপশিরায় চতুর্থ সংশোধনীর রক্ত বহমান। প্রমাণ চান? চতুর্থ সংশোধনীর কতিপয় বিধানাবলি টিকে আছে। পঞ্চম সংশোধনীর কতিপয় বিধানাবলি টিকে আছে। এটা কুঁজের মতো। কিন্তু তা বয়ে বেড়াতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ লজ্জা পায় না। এবং পরিহাস হলো, এই কুঁজগুলোর অপসারণে আদালতেরও নজর এড়িয়ে যায়।
রাজনীতিকদের কাজ রাজনীতিকেরা করবেন। কিন্তু গণমাধ্যম ও লেখকেরা যেন এবার অহেতুক সাফাই না গাইতে বসেন। তাঁরা যেন শাসকের কায়েমি স্বার্থ হাসিলের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকেন। বিএনপি কমিটিতে আসুক, সেটা চাইব। কিন্তু ততটা গুরুত্ব দেব না। দেখব, তাদের ঝোলা থেকে কী বেরোয়।
বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের রায় ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কারণ এই রায় আওয়ামী লীগের চটকদার দলীয় এজেন্ডা সার্থক করার কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। সংবিধান সংশোধনীর নির্দেশনা রয়েছে—এমন বহু রায় আছে। সেসব নিয়ে দুই দলের কোনো মাতামাতি দেখি না। বিচারপতি খায়রুল হকের কথাই ধরা যাক। তিনি তো সিইসি আবদুল আজিজের মামলায় আরেকটি ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। কিন্তু সেটা নিয়ে দৌড়ঝাঁপ নেই কেন? গণমাধ্যম সেটা ছাপতে জোশ পায় না। লেখকদেরও অরুচি। কারণ দুই নেত্রী ওটা এখনো ছুঁয়ে দেখেননি। ওঁদের ছোঁয়া না-ছোঁয়ার ওপর এই সমাজ-রাষ্ট্রে জাতে ওঠা কিংবা নামা নির্ভর করে।
ওই রায়কে ঐতিহাসিক বলে গণ্য করার কেউ নেই। কারণ কী? আমি বুঝি, এটা করলে বিচারকদের রাজনৈতিক ব্যবহারের পথ রুদ্ধ হবে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের পুরস্কৃত করার পথ বন্ধ হবে। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি এই রায় আমাদের বাহাত্তরের সংবিধানেও ফিরিয়ে নেবে। তাই বলি, আওয়ামী লীগ বাহাত্তরের সংবিধানে যাবে তার শর্তে। জনগণকে তা বুঝে নিতে হবে তার শর্তে।
সততার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি। আর ধূর্ততার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ এক কথা নয়। উভয়ের যাত্রা ও পরিণতি এক নয়। কোনো বুজরুকি গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক হয় না। অনেকে বলবেন, গণতন্ত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাবে। অভিজ্ঞতা থেকে আমরা শিক্ষা নেব। ভুল করব। ছিটকে পড়ব। আবার উঠে দাঁড়াব। এই না হলে গণতন্ত্র! এর নাম যাঁরা গণতন্ত্র বলেন, আমি তাঁদের সমর্থন করতে পারি না। কারণ চালাকি দিয়ে গণতন্ত্র হয় না। কূটকৌশলের মাধ্যমে কোনো ভালো কিছু অর্জন সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংবিধান সার্বভৌম। সংসদ সার্বভৌম নয়। সংবিধান ঠিক করে রেখেছে কার ক্ষমতা কত দূর। তদুপরি অন্তিমে সংসদই সার্বভৌম। রাজনীতির সৃষ্টি সংসদ। সংসদের সৃষ্টি সংবিধান। সংবিধানের সৃষ্টি সুপ্রিম কোর্ট। সুতরাং কূটতর্কে না গিয়ে বলা যায়, সংসদই বড়। তাই প্রস্তাবিত কমিটির কার্যপরিধি হবে সংবিধানের অধিকতর সংশোধন। সেটা করতে গিয়ে তারা শুধু আদালতের একটি নয়, সামগ্রিক রায় বিবেচনায় নেবে। বিবেচনায় নেবে সাংবিধানিক বিবর্তন। শুধু দেশের কেন, উপমহাদেশ কেন, গোটা বিশ্ব পড়ে থাকবে সামনে। কেবল দেখার মতো ডিজিটাল চশমা চাই।
বেশি দূরে নয়। ১৯৯১-তে ফেরা যাক। নূর হোসেনের রক্তের দাগ শুকায়নি। তখন আমরা কী দেখলাম। দেশ সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরছে। একটা শোরগোল তোলা হলো। ধূম্রজাল তৈরি করা হলো। শেখ মুজিবের প্রবর্তিত জিয়া-এরশাদের ব্যবহূত রাষ্ট্রপতি পদ্ধতিটাই বলির পাঁঠা হলো। সংবিধান সংশোধনের ভালো প্রস্তাবগুলো বিএনপি সেদিন নাকচ করেছিল। সেই প্রস্তাবগুলোকে ভবিষ্যদ্বাণী বলা যায়। এমনকি বলা চলে, বিশ্বকাপের মেরুদণ্ডহীন সুপারস্টার পল অক্টোপাসের মতো আমাদের তারকা নেতারা ওয়ান-ইলেভেন দেখতে পেয়েছিলেন।
শাসন ও শাসনতন্ত্রের গলদগুলো আমাদের অনেক রাজনীতিক ভালোই জানেন। সংবিধানের অসুখ কোথায়, তাও তাঁদের রপ্ত। প্রশ্ন একটাই, তাহলে তাঁরা ব্যর্থ হচ্ছেন কেন। কেন আজ তাঁরা বিশেষ কমিটির কার্যপরিধি ঠিক করতে অপারগ। কেন তবে ‘কণ্ঠ তাঁদের রুদ্ধ আজিকে বাঁশি সঙ্গীতহারা?’ ইহলোকে কাকে তাঁদের ভয়?
বিশেষ সংসদীয় কমিটির অনেকেরই আকর্ষণীয় অতীত রেকর্ড আছে। সেটা কীভাবে আছে, আসুন সেটা একটু দেখি। কৈয়ের তেলে কৈ ভাজি। বেগম মতিয়া চৌধুরীকে দিয়ে শুরু করি। যদিও সাজেদা চৌধুরী কমিটির সভাপতি। তদুপরি ধরে নেব মতিয়া চৌধুরীর কথা শেখ হাসিনা কিংবা সাজেদা চৌধুরী ঠেলতে পারবেন না।
বেগম মতিয়া চৌধুরী ৬ আগস্ট, ১৯৯১ সংসদে একটি সংবিধান সংশোধনী প্রস্তাব আনেন। তাতে বলা হলো, সাংসদদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এটা একটি অতি উত্তম প্রস্তাব। কারণগুলো মতিয়া চৌধুরীর ভাষায় অবিকল এ রকম। ‘প্রথমত, আমার ভোট আমি দেব যাকে ইচ্ছা তাকে দেব। এটাই ভোটের প্রধান শর্ত। তাই আমি কারো সামনে আমার ভোটের গোপনীয়তা এবং পবিত্রতা লঙ্ঘন করতে পারি না। দ্বিতীয়ত, আমার দলীয় নেতার চোখের সামনে যদি আমাকে ভোট দিতে হয়, তাহলে অবস্থাটি কি হবে, তা বুঝতেই পারছেন। তৃতীয়ত, এটা শুধু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে নয়। আস্তে আস্তে সমস্ত ক্ষেত্রেই এটা প্রসারিত হবে। এটা একটা বাজে অনুশীলন। এটা ভোট ডাকাতির অপর একটি রূপ। চতুর্থত, আমাকে প্রকাশ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হচ্ছে। সেটার মাধ্যমে আমার দলের নেতাকে আল্লাহ তাআলার ওপরে স্থান দিতে হচ্ছে। আমার পার্টির নেতা অনেক বড় নেতা হতে পারেন, কিন্তু তিনি কিছুতেই আল্লাহ তাআলার ওপরে নন। বা সমকক্ষ হতে পারেন না।’
আমরা মনে করি, গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়া উচিত। রাশেদ মোশারফ সংসদে সাক্ষ্য দেন: ‘আমি ৭২-এর সংবিধান রচয়িতাদের একজন। ইলেকশন কমিশন গোপন ভোটের ব্যবস্থা করেছিল। যদিও একজন মাত্র প্রার্থী থাকায় ভোট হয়নি।’ তোফায়েল আহমেদ স্মরণ করিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংবিধানে একটি তফসিল থাকতেই হবে। আওয়ামী লীগ সেদিন গণতন্ত্রের জন্য চোখের জল ফেলতে ফেলতে হাইকোর্টেও গিয়েছিল। আর এবার তারা কেমন হাসতে হাসতে বিএনপির তরিকায় উন্মুক্ত ব্যালটে জিল্লুর রহমানকে নির্বাচিত করেছে। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পঞ্চম সংসদে বলেছিলেন, ‘এই রাষ্ট্রপতি পরবর্তীকালে ক্ষমতাচ্যুত হলে দরোজায় দারোজায় ফেরি করবেন।’ ১৬ বছর পর আমরা বন্দুকের নলে ‘ক্ষমতা-চ্যুত’ হতে দেখি শেখ হাসিনা বর্ণিত ইয়েসউদ্দিনকে। জরুরি অবস্থায় তাঁর কি ফেরি করা হয়নি?
মতিয়া চৌধুরীর আনা আরেকটি সংশোধন প্রস্তাব দেখুন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ সাপেক্ষে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নিকট ক্ষমতা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে।’ লক্ষ করুন, বাহাত্তরের উল্লিখিত গণপরিষদীয় ক্যুর মাধ্যমে যে সর্বনাশ করা হয়েছিল, মতিয়া চৌধুরীর তা নজরে আসে ১৯ বছর পর। তবে তাঁর প্রচ্ছন্ন প্রস্তাবটি ঈষৎ ত্রুটিপূর্ণ। এখানেও ব্যক্তি তোষণ আছে। যেটা সঠিক সেটা হলো প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে রাষ্ট্রপতির কাছে। আর সেটার প্রয়োগ ঘটবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার পরামর্শে। শুধু প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে নয়। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর যথার্থ মন্তব্য ছিল, পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত গণতন্ত্রের পাঁচটি উপাদান সম্পর্কে মত দিয়েছিলেন। তিনি পাঁচ ধরনের সাংবিধানিক পদ পূরণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার প্রয়োগ চেয়েছিলেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি আমরা সমর্থন করি। প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্য, অ্যাটর্নি জেনারেল ও অডিটর জেনারেল। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছিলেন, এই পাঁচটি সাংবিধানিক পদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি যদি নিয়োগ দেন, তাহলে তাতে ভারসাম্য থাকবে। কেউ যদি বলেন, এখনো তো তা-ই হয়। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করেই নিয়োগ দেন। কিন্তু এই রাষ্ট্রপতির কি কোনো ক্ষমতা আছে? এই রাষ্ট্রপতির কাছে কেউ কিছু আশা করে? বেনজির-নওয়াজ অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের মতো শুনানির মাধ্যমে এসব পদ পূরণে ঐক্য করেছিলেন। আমরা তেমন কোনো ব্যবস্থাও ভাবতে পারি। বিদ্যমান তুঘলকি নিয়োগব্যবস্থাটা অবশ্যই বদলাতে হবে। এখানে ‘বাহাত্তর’ ‘বাহাত্তর’ করলে চলবে না।
মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের কাছে জবাবদিহি করবে। এটুকু সংবিধানে লেখা আছে। কিন্তু মন্ত্রীরা পৃথকভাবেও সংসদের কাছে দায়ী থাকবেন, সে কথা সংবিধানে বলা হয়নি। অথচ এ ক্ষেত্রে যথার্থ সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছিলেন বর্তমান বিশেষ কমিটির অন্যতম সদস্য আবদুল মতিন খসরু। অপর সদস্য ফজলে রাব্বী ঠিকই মনে করেন, ৭০(২) অনুচ্ছেদ গণতন্ত্রের পরিপন্থী। তিনি এর বিলুপ্তি চেয়ে নির্দিষ্ট প্রস্তাব আনেন। আওয়ামী লীগ দলগতভাবে প্রকাশ্যে ৭০ অনুচ্ছেদের অধিকতর সংশোধনের বিরোধিতা করে। এখানে যদিও একটা আঁতাতের খবর জানি। সাংসদদের কণ্ঠরোধের প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার সবুজ সংকেত ছিল। শেখ ফজলুল করিম সেলিমের প্রকাশ্য আহাজারি ছিল। সেটারই আজ আমরা মূল্য দেব। কারণ বৃক্ষ তোমার নাম কী, ফলে পরিচয়। শেখ সেলিম বলেছিলেন, ‘সংসদ সদস্যদের অধিকার খর্ব করে সার্বভৌম সংসদ প্রতিষ্ঠা করা যায় না। ভোটের সময় উপস্থিত না থাকলেই সংসদ সদস্যপদ খোয়া যাবে। এটা অগণতান্ত্রিকই নয়, অমানবিক বটে।’
এমন অনেক সুন্দর প্রস্তাবের খামতি নেই। তিয়াত্তরে ভুট্টোর সংবিধান মডেলে রাশেদ খান মেনন তো একটি বিল এনেছিলেন। লক্ষ্য—অবৈধ ক্ষমতা দখল প্রতিরোধ। পাঁচটি অনুচ্ছেদসংবলিত সালাহ উদ্দিন ইউসুফের সেই বিচারবিভাগের স্বাধীনতা বিল বিবেচনায় আনা হবে কি? প্রধানমন্ত্রী যে বিচারে বলেছেন, কমিটি হয়েছে আদালতের ‘নির্দেশনায়’। ভিন্ন মামলায় প্রায় তেমন ‘নির্দেশনা’ সংবিধানের ওই পাঁচ অনুচ্ছেদের বিষয়েও আছে। সাজেদা চৌধুরী বলেছেন, আমরা ‘ক্ষত সারিয়ে সুন্দর সংবিধান দেওয়ার চেষ্টা করব।’ তাঁর মুখে ফুলচন্দন পড়ুক। ২৯ জুলাইয়ের আসন্ন বৈঠকে যেন এই সিদ্ধান্ত হয় যে, আওয়ামী লীগ তার আগের সংশোধন প্রস্তাবগুলো আগে বিবেচনায় নেবে। ’৯১-তে তাদের আনা সংবিধান সংশোধন বিল ও পৃথক সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর পূর্ণতা আমরা আশা করি।
বিশেষ কমিটির কার্যপরিধি নির্দিষ্ট হয়নি। কিন্তু আমি একটি বাক্য ধার দিচ্ছি। এটি চেতনাগতভাবে প্রায় অবিকল গ্রহণ করার দাবি রাখে। কারণ, এই বাক্যটিকে আমি যথেষ্ট নিরপেক্ষ বিবেচনা করি। বিরোধীদলীয় নেতাকেও অনুরোধ করি, এই বাক্যটি যেন তিনিও ধার নেন।
সেই বাক্যটি হলো: ‘আমি সংসদ নেত্রীকে আহ্বান জানাচ্ছি, আপনি একটি বিল নিয়ে আসুন, যে বিলে চতুর্থ সংশোধনী থেকে শুরু করে এরশাদের দশম সংশোধনী পর্যন্ত সব সংশোধনী বাতিলের ব্যবস্থা থাকবে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি যে, এ ধরনের কোনো বিল আসলে আমরা অবশ্যই তাকে স্বাগত জানাবো এবং সে বিল পাস করার ব্যাপারে সব রকম সাহায্য সহযোগিতা করবো।’ ২ জুলাই, ১৯৯১ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনার উক্তি ছিল এটি। সংবিধান সংস্কারের বিরাট সুযোগ আমাদের সামনে। আমরা উভয় নেত্রীকে এই চেতনায় অগ্রসর হতে অনুরোধ জানাই।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
mrkhanbd@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 04
(150)
- লাশ হচ্ছে শত শত জেলেঃ নিরাপত্তা দিতে পারছে না প্রশাসন
- বিদ্যুেকন্দ্র উদ্বোধনের পরই বন্ধঃ দিনবদলের সাফল্য...
- এ সরকারের প্রথম বছরেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে খুন হয়...
- বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতির সঙ্কট অত্যাসন্ন by অধ্যা...
- মসজিদে নববীর আদলে বাংলাদেশের মসজিদ যেসব বিষয় ভাবতে...
- ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসায় বাণিজ্যিক ব্যাংকঃ ব্যাংকিংয়ে স...
- এরই নাম কি সংসদীয় রাজনীতি? by ড. তারেক শামসুর রেহমান
- যমুনার চরে জাহাজ আটকা পড়েছেঃ টাকার শ্রাদ্ধ না করে ...
- চারদিক-যুদ্ধ নাকি শান্তির জন্য! by এম এম খালেকুজ্জ...
- স্থানীয় সরকার-বৃত্ত ও বৃত্তান্ত by তোফায়েল আহমেদ
- মধ্যপ্রাচ্য-গাছের কারণে যুদ্ধ! by রবার্ট ফিস্ক
- শিক্ষার সংকট-প্রশ্নটা বেতন-ফির নয়, বিশ্ববিদ্যালয় ব...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-সংবিধানের কতখানি সংশোধন হতে পারে ...
- সরকারি হাসপাতালে বেহাল চিকিৎসাব্যবস্থা-চিকিৎসকদের ...
- যোগাযোগের ‘হার্ড’ ও ‘সফট’ খাতের জন্য সুসংবাদ-স্বতন...
- গন্তব্য ঢাকা-গ্রামে তো আর ফিরতে পারি না by শর্মিলা...
- সপ্তাহের হালচাল-গণতন্ত্রের রেলগাড়িটি কোন পথে? by আ...
- অভিমত ভিন্নমত
- দিল্লির চিঠি-রাজনৈতিক দলের ভেতর গণতন্ত্র by কুলদীপ...
- বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করাই সবচেয়ে জরুরি-চিন্তা যখন...
- ব্যর্থতার দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে-চট্টগ্রাম বিশ...
- চলতি পথে-বিরিশিরির আদিবাসী জাদুঘরে by দীপংকর চন্দ
- কয়লাখনি-‘উন্মুক্ত না, বিদেশি না, রপ্তানি না’: কেন?...
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর-জাদুঘরচর্চার আন্তর্জাতিক সংহতি ...
- গদ্যকার্টুন-মন্ত্রীরা কেন শুল্কমুক্ত গাড়ি পাবেন না...
- সহজিয়া কড়চা-আমার জানা ও দেখা শাসকদের ইতিকথা by সৈয়...
- ভালো, তবে ফাঁকফোকর পূরণে নিষ্ঠা দরকার-পরিবেশ সংরক্...
- সহযোগিতা ও সমন্বয়ের বিকল্প নেই-স্থানীয় প্রশাসন ও প...
- স্মরণ-এমন মানুষও ছিল একদিন by বিপ্লব বালা
- সরল গরল-পাকিস্তানের পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে by মিজান...
- শ্রমশক্তি-বাংলাদেশের শ্রমিক কি অদক্ষ? by খোন্দকার ...
- রাজনীতি-তাহলে তিনি কি প্রদেশের নেত্রী? by সোহরাব হ...
- সাদাসিধে কথা-ল্যাপটপে লেখাপড়া? by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- অদক্ষ চালক ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন দূর করতে হবে-সড়ক ...
- শ্রমিকের নৈরাজ্য ও মালিকের কঠোরতা পরিহার্য-পোশাকশ্...
- চারদিক-দিনটা যখন বন্ধুর জন্য by শারমিন নাহার
- গণমাধ্যম-‘তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’! by সুমন রহমান
- জন্মদিন-শতায়ু হোন এম আর খান by নান্টু রায়
- আফগানিস্তান-আফগান যুদ্ধের দিন শেষ by তারিক আলী
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-কোপেনহেগেনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন...
- সবার উত্কণ্ঠার অবসান ঘটাতে দ্রুত সমাধান প্রয়োজন-বি...
- স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে-রাজনৈতিক দলের...
- চারদিক-পাতাম বানানোর গ্রাম by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- কালের পুরাণ-আদালত ভুল স্বীকার করলেন, রাজনীতিকেরা ক...
- পার্বত্য চট্টগ্রাম-প্রথাগত মালিকানার স্বীকৃতি আগে,...
- প্রতিক্রিয়া-‘কেন এই নিষ্ঠুরতা’ by মোশাহিদা সুলতানা...
- গতকাল সমকাল-আফগানিস্তান সমস্যার গোলকধাঁধা by ফারুক...
- আদালতের রায় সবাইকে মেনে চলতে হবে-অননুমোদিত আবাসন প...
- দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থার সম্পর্ক ফিরিয়ে আন...
- স্মরণ-জননেতা নূরুল ইসলাম by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- খোলা চোখে-মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে by হাসান ফেরদৌস
- ধর্ম-নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখুন by...
- গোধূলির ছায়াপথে-একটি বড় শূন্য by মুস্তাফা জামান আব...
- আপিল বিভাগের রায়-ভবিষ্যতের বিপর্যয় এড়ানোর শিক্ষা b...
- শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা থেকে কি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ...
- সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ, সংসদের সামনে অনেক দায়িত্ব...
- লোহাগাড়া সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অনিয়ম দুর্নীতি দ...
- প্রকৃতিকে পোষ মানিয়ে জাকারিয়ার আপন ভুবন by আল রাহমান
- চট্টগ্রাম ভূমি হুকুম দখল বিভাগ-জমা আছে ৬০ কোটি কিন...
- খাল খননের জন্য কাটা হলো আড়াই হাজার গাছ! by ইব্রাহি...
- এবার পাহাড় কাটা চলছে নতুন কৌশলে by মোহাম্মদ রফিক
- ক্যানসারে আক্রান্ত নাট্যকর্মীর সাহায্যার্থে ঢাকায় ...
- মহড়াকক্ষ থেকে-বিড়াল হবে শহরের মেয়র by তারিকুর রহমা...
- নাট্য উপস্থাপনায় আধুনিকতা থাকবে by শফিক আল মামুন
- বালামের গল্প
- তিন্নির ফেরা by কামরুজ্জামান
- আবার ছাত্রনেতা হত্যা
- দুর্নীতির বিষবৃক্ষ
- মানুষের মুখ-‘একটা তোড়া লন, আফা’ by সৈয়দা আখতার জাহান
- দূরদেশ-সংবিধান সংশোধনে সবাইকে দরকার by আলী রীয়াজ
- বিশ্ব বাঘ দিবস-বাঘের জন্য by খসরু চৌধুরী
- বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি-আঙ্গু কাবিলা বনাম মাঙ্গু কাবিল...
- জনপ্রতিনিধি-সাংসদদের ‘বিশেষ অধিকার’ সীমাহীন হতে পা...
- দুর্যোগ সীমিত হলেও সরকারের প্রস্তুতি রাখতে হবে-বন্...
- ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই চূড়ান্ত লক্ষ্য-মানবতাবিরোধী ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-ওহুদ যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে মুসল...
- জন্মদিন-চিরপথের সঙ্গী আমার by লায়লা হাসান
- পোশাকশিল্প-‘তিন হাজার টাকা’ by শাহদীন মালিক
- ধর্ম-শবে বরাত সৌভাগ্য ও মুক্তির রজনী by মুহাম্মদ আ...
- বাঘা তেঁতুল-দেশীয় অস্ত্রের ঠাট by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-ক্ষমতা কীভাবে মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে by...
- নিয়ন্ত্রকদের অস্থিরতা অগ্রহণযোগ্য, বিনিয়োগকারীর সত...
- আগামী দিনগুলো মঙ্গলময় হয়ে উঠুক এই রাতের কল্যাণে-পব...
- রবার্ট ফিস্ক-মনে পড়ে যৌথবাহিনীর বোমায় বেসামরিক লো...
- গহন গহীন-জিশিন, সুনামি ও হিবিকুশা! by ফখরুজ্জামান ...
- বহে কাল নিরবধি-শেষ দেখতে সময় লাগবে by এম আবদুল হাফিজ
- চরাচর-বিশ্ব পানি দিবস : বিশুদ্ধ পানি আর কত দূর by ...
- কক্সবাজারকে বিদেশিদের কাছে কী করে আরো আকর্ষণীয় করা...
- কল্পকথার গল্প-চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দেয় না by আলী ...
- হাওরবাসীর অধিকার by মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
- অভিযোগপত্র গ্রহণ-বিএনপিপন্থী ২৫ আইনজীবীর জামিন মঞ্জুর
- বাজেটে অব্যাহত থাকছে সুবিধা by আবুল কাশেম
- শেয়ারবাজার-পরিচালকদের সময় বৃদ্ধির পক্ষে সবাই by তে...
- চুনাপাথরের খনির সন্ধান মিলল জয়পুরহাটে
- বিশেষজ্ঞদের অভিমত-নিজস্ব অর্থায়নেই বাজেট প্রণয়ন সম...
- হুইপের ওপর হামলা-দুই ওসি প্রত্যাহার পুলিশ বাদী হয়ে...
- ভবদহে ক্ষোভের আগুন বহুদিনের by ফখরে আলম
- যুক্তরাষ্ট্রের তিন লক্ষ্য by মেহেদী হাসান
- রমজানে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া-কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদ...
- চারদিক-নৌকাবাইচ by আকমল হোসেন
- পার্বত্য চট্টগ্রাম-জরিপ আগে না মালিকানা আগে by এ এ...
- দুই দু’গুণে পাঁচ-বিশ্বকাপ ও রেফারি রঙ্গ by আতাউর র...
- বীজের অধিকার-জলবায়ু পরিবর্তন প্লাস খাদ্যনিরাপত্তা ...
- সরল গরল-সংবিধান সংশোধনে কথা রাখবে আওয়ামী লীগ? by ম...
- অবিলম্বে তদন্তের মাধ্যমে বিহিত করা প্রয়োজন-বোর্ডের...
- আইন সংশোধনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তৎপর হোক-ইউপি...
- ডাকাতের হাতে by তারাপদ রায়
- গুণীজন কহেন
- রসকারণ-মেয়েশিশুরা কেন গোলাপি জামা পরে? by আব্দুল ক...
- বিতর্ক নিরসনের এখনই সময়-পুলিশ থেকে নিরাপদ দূরত্ব
- নিরাপদ দূরত্বে থেকে পাওয়া সংবাদ-নিরাপদ দূরত্ব
- গোলটেবিল বৈঠক-নগরজীবনে শিশুরা
- চারদিক-স্বপ্নের শুরু যেখানে by মাহা নাশিতা মৃত্তিকা
- গণমাধ্যম-সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের জবাবদিহি...
- পাঠকের মন্তব্য: অনলাইন থেকে-পদ্মা সেতুই একদিন দেশে...
- অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিন-ভোটার তালিকা হাল...
- তরুণসমাজকেই নেতৃত্ব দিতে হবে-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-দায়িত্বশীল ব্যবসার স্বীকৃতি
- হামলার ঘটনায় দুই ওসি প্রত্যাহার, দুই থানায় পৃথক মা...
- ৩ বছরে নতুন উচ্চতায় দ্রব্যমূল্য by রাজীব আহমেদ
- যে কাউকে সচিব করবে সরকার! by আশরাফুল হক রাজীব
- বাস টার্মিনালে চাঁদাবাজি
- নৃশংস, বীভৎস
- পবিত্র কোরআনের আলো-তাবুক অভিযান থেকে যারা কৌশলে ব...
- মিসর কি গণতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? by ক্যাথেরিন...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : মাহবুবুল আলম-হুমকি-ধমকি মোকাবিল...
- হীরক রাজার দেশে পুলিশের বেশে by তাওহিদ মিলটন
-
▼
Jun 04
(150)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment