Saturday, May 26, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
ফেসবুক বন্ধ নয়, আইনের কার্যকর প্রয়োগ কাম্য জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক সাময়িক বন্ধ করে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত খুবই দুঃখজনক। এতে করে সরকার মৌলবাদীদের কাছে শুধু বড় ধরনের ছাড়ই দিল না, বরং দেশের প্রচলিত আইন ও আইন প্রয়োগকারী বাহিনীগুলোর অসহায়ত্ব প্রমাণ করল।
যেখানে বাংলাদেশে সাইবার বা ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ আইন বিদ্যমান রয়েছে, সেখানে সরকার এই আইনের উপযুক্ত ব্যবহার করতে পারত। সরকার সেই পথে না গিয়ে কেন হঠাৎ এত জনপ্রিয় একটি যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল, এটা বোধগম্য নয়।
প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে যখন সরকার কাজ শুরু করার কথা বলছে, তখন এমন একটি সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়। নিঃসন্দেহে তরুণসমাজ এতে করে প্রযুক্তি ব্যবহারে কিছুটা হলেও তাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।
ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার আগে কেন অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হলো না, এটাই এখন সবার প্রশ্ন। তাহলে কি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপরাধীদের শনাক্ত করতে ব্যর্থ? এ ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দুর্বলতাই কি প্রকাশ পেল না?
তথ্য ও যোগাযোগ আইন, ২০০৬-এ স্পষ্টভাবে এসব অপরাধে শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৯৩ ধারাতেও এ ধরনের অপরাধে স্পষ্ট শাস্তির বিধান রয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ আইন, ২০০৬-এর ৫৭(২) ধারামতে, কোনো ব্যক্তি যদি ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কারও ছবি ব্যঙ্গ করে অথবা কারও পর্নো ছবি প্রকাশ করে, তবে এক থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে। উচিত ছিল এ ধরনের আইনের বিধানগুলো বেশি বেশি প্রচার করে সবাইকে অবহিত করা। তাহলেই কেবল এসব অপকর্ম থেকে মানুষ বিরত থাকত। আইনের সঠিক বাস্তবায়ন ও প্রচারই পারে অপরাধ দূর করতে; তা না করে ফেসবুক বন্ধ করে দিয়ে বরং অপরাধীদের কাছে মাথানত করাটা জাতি হিসেবে আমাদের আরও খাটো করে দেওয়া হলো।
একটি অসাম্প্রদায়িক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশের লাখো-কোটি মানুষের সঙ্গে সরকারের কাছে আমার অনুরোধ, অবিলম্বে ফেসবুক উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক, আর অপরাধীদের আইনের কাঠগড়ায় আনা হোক।
আশিকুর রহমান, আইনজীবী, ঢাকা।
২.
সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুক ‘সাময়িকভাবে’ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। খবরটি শোনার পর একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী তরুণ হিসেবে আশাহত হয়েছি। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে—এমন ব্যঙ্গচিত্র ও ছবি ফেসবুকে যাতে প্রকাশ না হতে পারে, সে চেষ্টা চালিয়ে সফল না হওয়ায় বিটিআরসি সাময়িকভাবে ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ব্যঙ্গচিত্র ফেসবুকে প্রকাশ করার জন্য একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিছু মানসিক বিকারগ্রস্ত মানুষের অপকীর্তি বা এক যুবকের অপরাধের জন্য বাংলাদেশের নয় লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীকে কেন শাস্তি পেতে হবে?
ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচিত অনেকের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি অসংখ্য নতুন নতুন বন্ধুও পেয়েছিলাম। বিখ্যাত লেখকেরা বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের মতামত সবাইকে জানাতেন। তাঁদের পরামর্শে নিজেকে গড়ার জন্য এগিয়ে যাচ্ছিলাম। এককথায় ফেসবুক হয়ে উঠেছিল আমার অস্তিত্বেরই একটি অংশ।
প্রতিটি জিনিসের ভালো-মন্দ দিক থাকে। ফেসবুকের মাধ্যমে সামাজিক বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছিল। একে অন্যের সঙ্গে লেনদেনের ফলে বহু আশাহত মানুষ খুঁজে পেত নতুন আশা। ফেসবুকের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে অসহায় মানুষের পাশে মানুষ দাঁড়িয়েছে, এমন ঘটনার বহু নজির আছে। প্রতিবন্ধিতা, এইচআইভি, মাদক, নারীকে উত্ত্যক্ত করা, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য তরুণ প্রজন্ম বিভিন্ন নেটওয়ার্ক তৈরি করে প্রচারণা চালানোর কারণে অনেক যুবক নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা পাচ্ছিল। আর বিনোদনের তীব্র ঘাটতির এই শহুরে জীবনে বিনোদনের কিছুটা খোরাকও আসত ফেসবুক থেকে।
দেশে সাইবার অপরাধ দমনে আইন আছে। ফেসবুক ব্যবহার করে আইনবিরোধী কাজ করলে তার বিচার হবে, এটিই সবাই আশা করে। এ ক্ষেত্রে দরকার হলে সরকার আরও কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারত। কিন্তু ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। তা ছাড়া ফেসবুকের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রচারণাও চালানো হয়ে থাকে।
বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতাসীন হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকারের দৃশ্যমান তৎপরতাও আছে। কিন্তু এখন বিপুলসংখ্যক তরুণ বিরাট এক ধাক্কা খেল। আশা করি, সরকার এটা উপলব্ধি করতে সক্ষম হবে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফেসবুক খুলে দেবে।
আজমাল হোসেন, উত্তরা, ঢাকা।
নিজেদের হুঁশ হওয়াটাই জরুরি
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রায় দেড় বছর অতিক্রম হতে চলেছে, কিন্তু নির্বাচনী অঙ্গীকার কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা ভেবে দেখার বিষয়। এ সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধের বিচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ, সন্ত্রাস দূরীকরণ। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারে কারাগারে অবস্থানরত খুনিদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে, কিন্তু বিদেশে অবস্থানরত পলাতক খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের ব্যাপারে সরকারের মন্ত্রীদের উচ্চবাচ্য শোনা গেলেও এখন এ ব্যাপারে তাঁদের অবস্থান অস্পষ্ট বা খুনিদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ থিতিয়ে পড়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচারের অগ্রগতি কতটুকু, তাও খুব বেশি স্পষ্ট নয়। মন্ত্রীরা বিবৃতি দিচ্ছেন, এ সরকারের মেয়াদকালেই বিচারকাজ সম্পন্ন হবে। এ বিবৃতি কতটুকু বাস্তব রূপ লাভ করবে, সে ব্যাপারে শুধু সন্দেহই নয়, শঙ্কাও রয়েছে। সম্প্রতি যুদ্ধাপরাধ তদন্তসংক্রান্ত কমিটিতে নিযুক্ত ব্যক্তিকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়া এবং পরে তাঁকে প্রত্যাহারে সে শঙ্কা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সুতরাং এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান বা পদক্ষেপ আরও জোরালো ও সুদৃঢ় হওয়ার দরকার। কারণ যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অনেক বেশি সংঘবদ্ধ ও প্রতিক্রিয়াশীল।
দুর্নীতি দমনে সরকারের পদক্ষেপ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। দাতারাও দুদককে অকার্যকর করার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছে। এ ব্যাপারে হুঁশ হওয়াটা অধিকতর জরুরি। যত উন্নয়নের জোয়ারের কথা বলা হোক না কেন, তা কখনো বাস্তবতার মুখ দেখবে না, যদি দুর্নীতিকে উৎসাহিত করা হয়।
দুদককে সংস্কারের মাধ্যমে শুধু দুর্নীতিকে উৎসাহিতই করা হয়নি, বরং সরকারি আমলাদের দুর্নীতির পথকে আরও মসৃণ করা হয়েছে। মনে রাখা দরকার, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের ভরাডুবির জন্য অবাধ দুর্নীতিই দায়ী।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভুলে গেলে জনগণ তার জবাব ভালো করেই দিতে জানে। সন্ত্রাস দূরীকরণের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি। দিন দিন সন্ত্রাস বেড়ে চলেছে। টেন্ডার, চাঁদাবাজি, খুন, হল দখল, জমি দখল, হুমকি, পুকুরের পানি বিক্রি, বাড়ি ভাঙচুর, উচ্ছেদ—এসব কর্মকাণ্ডই ঘটিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিরা। দলীয় কোন্দল তো প্রতিদিনের খবর। কিন্তু এ ব্যাপারে সরকার নির্লিপ্ত কিংবা অসহায়। ফলে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে জনগণ। বিগত সরকারগুলোর শাসনামলেও এসব ঘটনা ঘটেছিল। দল ক্ষমতায় থাকাকালে যত অন্যায়, দুর্বৃত্তপনার করার তা তাঁরা করেছেন।
আর প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব বিভিন্ন সমাবেশে দুর্বৃত্তপনার বিরুদ্ধে শুধু হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছেন। ‘কোনো অন্যায়-অবিচার হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। অন্যায় করলে নিজ দলের লোকদেরও ছাড়ব না’—সরকারের এমন বক্তব্য জনমনে আর কোনো স্বস্তি উৎপাদন করতে পারে না। ক্ষমতায় আসার পরদিন থেকে দলীয় লোকজন অপকর্ম করেই চলেছেন, আর বক্তৃতা দিয়ে মন্ত্রীরা জনগণকে আশ্বস্ত করছেন। বর্তমানে সরকারদলীয় সন্ত্রাস দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর অন্যতম। অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগেও যেন দলীয় লোকদের অন্যায় এখনো যেন তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন না।
নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে গণতন্ত্রের পথে উত্তরণ হলেও এর প্রত্যাশিত সুফল জনগণ এখনো পায়নি। প্রতিটি সরকার পাঁচ বছরের মেয়াদ পূরণ করেছে, আর দলীয় লোকজন সেই পাঁচ বছর এমন কোনো অপরাধ নেই, যা করেনি। আর সাধারণ জনগণ প্রতি পাঁচ বছরে পরের সরকারের ভালো কর্মকাণ্ডের স্বপ্ন দেখেছে। কিন্তু জনগণের স্বপ্ন প্রতিটি ক্ষেত্রে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। জনগণ দুই দলের দুঃশাসনের কাছে জিম্মি। মনে হয়, এ দুঃশাসনের অবসান হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা তো যাচ্ছেই না, বরং বিরোধী দলের আসন্ন হরতাল বা ধ্বংসাত্মক কর্মসূচিতে দেশ যেন পুনরায় নেতিবাচক রাজনীতির দিকে যাত্রা শুরু করছে। দেশ ও সমাজের বিদ্যমান সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য দরকার ছিল হুঁশিয়ারি উচ্চারণ নয়, দুই দলের হুঁশ হওয়াটা। আদৌ হুঁশ হয় কি না, তা দেখার জন্য অপেক্ষার পরিধি বাড়ানো ছাড়া জনগণের আসলে কিছু করার আছে কি? এই ভাবনাটা আজ বড় দরকার।
মো. সোহরাব হোসেন
শ্যামবাড়িয়া, সাবগ্রাম, বগুড়া।
বিআরটিসির ১০০ বাস
যানজট আর সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য মানসম্মত পরিবহনের অপ্রতুলতায় জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন বিআরটিসির উদ্যোগে রাজধানীতে ১০০ বাস চালুর খবর নিঃসন্দেহে সুখবর। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে খবর ছাপা হয়েছে, আরও ৬০০ বাস আসছে। পর্যাপ্তসংখ্যক মানসম্মত বড় বাস, নির্দিষ্ট বিরতিতে পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকলে এবং মোটামুটি ভদ্রভাবে যাতায়াত নিশ্চিত করা গেলে শুধু নিম্নবিত্ত নয়, অনেক মধ্যবিত্ত গাড়ির মালিকও বাসে চলাচলের চেষ্টা করবে। ফলে রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা কমে আসবে। রিকশার ব্যবহারও কিছুটা কমবে। ফলে যানজটও কমবে। খেয়াল রাখতে হবে, বাসগুলো যেন মানসম্মত হয়, সস্তা মানহীন বাস নামানো চলবে না। বাসগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতেরও সুব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
পর্যাপ্তসংখ্যক বড় বাসের জন্য পর্যাপ্ত সুপ্রশস্ত রাস্তা দরকার, নতুবা এই বাড়তি বাসগুলো যানজট আরও বাড়াবে। সে জন্য রাস্তাগুলোর দুই পাশের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে হবে, যত্রতত্র পার্কিং কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। অর্থাৎ যেটুকু রাস্তা আছে, তার সম্পূর্ণটা যেন ব্যবহার করা যায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে এবং আরও নতুন নতুন রাস্তা তৈরি করতে হবে, যেখানে সুযোগ আছে বিদ্যমান রাস্তা প্রশস্ত করতে হবে। তৃতীয়ত আসে, ট্রাফিক আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ। জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য ট্রাফিক নিয়মকানুন-সংবলিত বিলবোর্ড বাড়ানো, অটো সিগন্যাল সিস্টেম বহাল রেখে তার কার্যকরতার সুষ্ঠু নিশ্চয়তা বিধানসহ ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের উচ্চ জরিমানা করার পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশকে সৎ ও নিষ্ঠা নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা যারা নিত্যদিন যানবাহনের দুর্ভোগে জীবনকে তিল তিল করে ক্ষয় করে চলছি, আমরা চাই, রাজধানীর যাতায়াতব্যবস্থার এই দুর্দশার উন্নতি ঘটুক।
বন্দনা আমীর, উত্তরা, ঢাকা।
হরতালের জন্য করতালি পাবে না বিরোধী দল
দীর্ঘদিন পর আবার হরতালের ঘোষণা এল বিরোধী দল বিএনপির পক্ষ থেকে। হরতাল যে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে, তা নিয়ে কি বিরোধী দল একটুও ভাবল না? হয়তো কোনো বিরোধী দলই এটা ভাবে না। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের প্রধান হাতিয়ার হিসেবেই তারা বেছে নেয় হরতালের পথ।
দেশরক্ষা, জনস্বার্থ সংরক্ষণ, দুঃশাসন থেকে মুক্তি প্রভৃতির কথা বলে হরতাল ডাকা হয়। কিন্তু এগুলো আসলে কথার কথা। মূলত অর্থনীতির ক্ষতি ও জনসাধারণের দুর্ভোগের কারণে করা হয় হরতাল।
এমনিতেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংগঠনগুলোর অসহিষ্ণু আচরণ, খুন-রাহাজানিসহ নানা সহিংসতায় নাগরিক জীবনে এমনিতেই অশান্তি ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। তার ওপর দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি, উৎপাদনে শ্লথগতি, বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে সমস্যা চলছে। বিপুলসংখ্যক প্রবাসী শ্রমিক কাজকর্ম হারিয়ে দেশে ফিরছেন। দেশজুড়ে বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানিসংকটসহ ছোট-বড় হাজারো সমস্যা। এসব সমস্যা সমাধানে বিরোধী দলের উচিত সরকারের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়ানো। এবং সেটা করলে বিরোধী দলই রাজনৈতিকভাবে উপকৃত হবে, তাদের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা ও সমর্থন বাড়বে।
উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোর জনসাধারণ চায় না, কোনো কারণে তাদের কর্মঘণ্টাও নষ্ট হোক। আমাদের দেশের মানুষেরও একই অবস্থান। কিন্তু আমাদের বিরোধী দলগুলো জনস্বার্থের কথা না ভেবে হরতাল ডেকে মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট করার কারণ ঘটায় এবং জনসাধারণের চলাফেরায় ব্যাঘাত ঘটায়, পণ্য পরিবহনে বাধা সৃষ্টি করে। এখন যদি কারণে-অকারণে ঘন ঘন হরতাল ডাকা হয়, তাহলে জনগণ বিরক্ত হয়ে পড়বে এবং শেষে আবারও এক-এগারোর মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে জনগণ তাতে সায়ও দিতে পারে; অর্থাৎ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, যা কিনা বাংলাদেশকে একই চক্রে ঘুরপাক খাওয়াবে।
বর্তমান বিরোধী দল বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের হরতালের সমালোচনা করে বলত, ‘আমরা যদি কখনো বিরোধী দলে যাই, তখনো হরতাল ডাকব না।’ নির্বাচনী ইশতেহারেও বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা হরতালের মতো কর্মসূচি নেবে না। এমনকি বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দলটির কোনো কোনো নেতা আইন করে চিরতরে হরতাল নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। বিরোধী দলে গেলেই যে সব প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে সেই চিরাচরিত পন্থায় হরতাল ডাকতে হবে, এটা কোনো যুক্তিপূর্ণ অবস্থান হলো না। দলের সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থের ওপর উঠে বিএনপির নেতারা একটু ভেবে দেখুন, নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করুন, তাঁরা প্রকৃতপক্ষে এই দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসেন কি না। তাঁদের বিবেকের উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে তাঁরা যেন ২৭ জুন ডাকা হরতাল কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্ষতিকর কর্মসূচি নেওয়া থেকে বিরত থেকে অন্যান্য শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলনের কৌশল খুঁজে নেন।
তপু রায়হান
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, ঝিনাইদহ।
তাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী
সম্প্রতি অধ্যাপক ইউসুফ আলী নামের জামায়াতের এক বুদ্ধিজীবী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলে অভিহিত করেছেন। উক্তিটা নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের ধূম্রজাল সৃষ্টিতে যে তাঁরা পারঙ্গম, তা বিগত দিনগুলোতে তাঁরা প্রমাণ করেছেন। তাঁরা জ্ঞানপাপী। ইউসুফ আলী একবার বলেছেন, ‘একাত্তরে যা হয়েছে তা ছিল গৃহযুদ্ধ’, আবার দাবি করেছেন, ‘যুদ্ধাপরাধের বিচার তো অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে।’ প্রশ্ন হলো, গৃহযুদ্ধের ফলে কীভাবে স্বাধীনতা এল এবং স্বাধীনতা দিবস কীভাবে ২৬ মার্চ নির্ধারিত হলো আর ১৬ ডিসেম্বরে গৃহযুদ্ধের পরিণতিতে কীভাবে বিজয় সূচিত হলো?
তাঁদের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যের জবাব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেওয়ার মতো কলম ও মানুষের সংখ্যা বোধ হয় সম্প্রতি কমে গেছে। এত দিন কিছু পাওয়ার আশায় স্বাধীনতাবিরোধীদের পক্ষেও কেউ কেউ কলম ধরেছেন। আর হতাশা কিংবা বিভ্রান্তির কারণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষেরও কারও কারও হাত ও জিহ্বা আড়ষ্ট বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে ইউসুফ আলীরা সরকারকে চোখ রাঙাতে এবং মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উপহাস করতে পারতেন না। এ অবস্থায় সোহরাব হাসানের ‘পাকিস্তানবাদের ফেরিওয়ালারা’ পড়ে আমরা কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হই, উদ্দীপ্ত হই।
একাত্তর সালের পর আমরা রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের সঠিক তালিকাও প্রণয়ন করতে পারিনি, সময় এসেছে কুলাঙ্গারদের একটা তালিকা প্রণয়নের। রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবীদের কেউ কেউ এখন হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টের রায়কে বুড়ো আঙুল দেখালেও আমাদের অবস্থান অনেকটা অসহায়ের মতো।
আজকে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ শক্তি বহুধাবিভক্ত। তাদের অন্তর্দ্বন্দ্ব মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। আমার বিশ্বাস, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগীয় জেলা শহরে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে মিছিল বের করলে তাঁরা সাপের মতো গর্তে লুকাবে।
২৬ মার্চ ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশ রাষ্ট্রের এবং তার আদর্শের বিপক্ষে কাজ করা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। দেশের সংবিধান অনুযায়ীই তাঁদের বিচার করতে হবে।
ড. আবুল হাশেম চৌধুরী
mhossain_wub@yahoo.com
আত্মহত্যা নয়, চাই প্রতিরোধ
কিছুদিন পর পর বিভিন্ন পত্রিকায় বখাটেদের উৎপাতে একের পর এক স্কুলছাত্রীর আত্মহননের খবর ছাপা হচ্ছে। বখাটেদের শিকার হয়ে সম্প্রতি পাবনায় কাজলী, রূপগঞ্জে সুফিয়া আত্মহত্যা করেছে। নেত্রকোনায় তিকলিমা আত্মহত্যাকালে পরিবারের প্রচেষ্টায় মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় ‘ইভ টিজিং’কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবরও ছাপা হয়েছে। কোথাও কোথাও বখাটেপনায় বাধা দিতে গিয়ে উল্টো আক্রমণ ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। এসব ঘটনা আমাদের উদ্বিগ্ন করে।
স্কুলগামী মেয়েদের মা-বাবাদের উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি। বখাটেদের বিরুদ্ধে সারা দেশে চলছে মানববন্ধন, চলছে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন সভা-সমাবেশ। কিছু বখাটেকে পুলিশ আটকও করেছে। কিন্তু এসব সত্ত্বেও মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনা কমছে না।
দেশের আনাচকানাচে, গ্রামীণ পরিমণ্ডলে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার সব খবর পত্রপত্রিকায় আসে না। বখাটেদের সংঘবদ্ধ আক্রমণের ভয়ে অনেক পরিবার থানায় নালিশ করারও সাহস পায় না। বখাটেদের পুনরায় আক্রমণ বা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার ভয়ে অনেক পরিবার পুরো ঘটনা চেপে যায়। মনে প্রশ্ন জাগে, আমরা এ কোন সমাজে বাস করছি? আমাদের মেয়েরা নিরাপদে স্কুলে যেতে পারবে না কেন? কেন আমরা এই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিক দাবি করেও মেয়েদের চলার পথকে নিরাপদ করতে পারছি না? মেয়েদের যদি সব সময় আতঙ্কের মধ্যে চলাফেরা করতে হয়, তাহলে কীভাবে তারা সুস্থ জীবনযাপন করবে? কীভাবে তাদের স্বাভাবিক বিকাশ ঘটবে? মেয়েদের কি ঘরের বাইরে যাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে? তারা কি স্কুলে যাবে না? আরেকটি বিষয়, বখাটেদের লাঞ্ছনার শিকার অনেক মেয়ে নিজের পরিবার থেকেও সহানুভূতি পায় না। উল্টো অনেক অভিভাবক মেয়েটিকেই বকাঝকা করেন। ফলে মেয়েটি চরম মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়। মনে হয়, লাঞ্ছনার জন্য যেন মেয়েটিই দায়ী। আবার বখাটেদের উপদ্রব এড়াতে অনেক অভিভাবক মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দিতে বাধ্য হন।
শহরের বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে, স্কুলের সামনে উঠতি বয়সের তরুণদের সংঘবদ্ধভাবে আড্ডা দিতে দেখা যায়। মেয়েরা যখন একা চলাফেরা করে, তখন বখাটেরা নানা রকমের অশালীন উক্তি করে, শিস দেয়, সুযোগ বুঝে কখনো ওড়না ধরে টান দেয়। আবার কখনো নিজের মোবাইল ফোন নম্বর কাগজে লিখে রিকশারোহী কোনো মেয়ের উদ্দেশে ছুড়ে দেয়। শুধু মেয়েরা একা থাকলেই যে বখাটেরা এসব করে, তা নয়। অভিভাবক সঙ্গে থাকলেও অনেক সময় বখাটেরা সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে চরম দুঃসাহস ও ধৃষ্টতার পরিচয় দেয়। তখন মানসম্মান বাঁচানোর জন্য অভিভাবকদের নীরবে পলায়ন ছাড়া গত্যন্তর থাকে না। যেসব মেয়ে একা স্কুলে যাতায়াত করে, তাদের অবস্থা আরও খারাপ।
বখাটেদের উৎপাত থেকে মেয়েদের রক্ষা করতে হলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ পাওয়ার অপেক্ষায় বসে থাকলে চলবে না। সরকার এরই মধ্যে স্কুলগুলোর সামনে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। শুধু এটাই যথেষ্ট নয়। হাজার হাজার স্কুলের সামনে পুলিশ মোতায়েন করাও সম্ভব হবে না। আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি একটা সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পাড়ায় পাড়ায় সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠন করতে হবে ইভ টিজিং নিরোধ কমিটি। বখাটেদের পরিবারকেও এই উদ্যোগে শামিল করতে হবে।
আর আমাদের মেয়েদের বুঝতে হবে, ইভ টিজিংয়ের শিকার হওয়ার পর আত্মহত্যাই একমাত্র পথ নয়। সেটা না করে বরং পরিবার, পাড়া-প্রতিবেশী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সহযোগিতায় বখাটেদের প্রতিরোধ করতে হবে।
মো. মুজিবুর রহমান, সরকারি কলেজের শিক্ষক।
mujibur30@yahoo.com
স্বপ্নে হোঁচট
আমি সব সময় স্বপ্ন দেখি যে আমার একটা মেয়ে বুয়েটের ছাত্রী হোক। সে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। আর আমার মেয়ের জন্য স্বপ্নের ঘুড়িগুলো শুধু আঁকাবাঁকা করে ফেরে, যেন ওর ফল বুয়েটে ফরম নেওয়ার মতো হয়। অর্থাৎ ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন আর গণিতে যেন অবশ্যই জিপিএ-৫ থাকে, তার পরের সংগ্রাম তো আছেই: ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভালো বিষয়ে একটা আসন পাওয়া।
কদিন খুব ভালো লাগছিল পত্রিকা দেখে—কেবল বিজয় আর উল্লাসের খবর: এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীমের সাফল্যের খবরে ভরপুর। কিন্তু ২৮ মে সকালে পত্রিকায় চোখ পড়তেই মেধাবী ছাত্র খন্দকার খানজাহান সম্রাট আর তাঁর মা-বাবার কথা ভেবে মনটা হু হু করে কেঁদে উঠল। আমরা অভিভাবকেরা কত কষ্ট করে সব অন্যায়-অসুন্দর পরিবেশ থেকে আমাদের সন্তানদের আগলে রেখে শিক্ষিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। আমাদের কষ্টের ধন কি একজন বাসচালকের ভুলে নিমেষে হারিয়ে যাবে চিরদিনের জন্য? যে মেধাবী ছাত্রটা মাত্র পাঁচ দিন ক্লাস করল, যে কিনা দিতে পারে দেশকে অনেক কিছু, সেই ফুল ফোটার আগেই ঝরে যাবে কেন?
দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অকালে কত প্রাণ ঝরে যাচ্ছে! কয়েক দিন পত্রিকায় লেখালেখি, আন্দোলন, তারপর আবার সব শান্ত। কেন এমন হয়?
একজন মা হিসেবে শোকাতুর পরিবারের প্রতি অন্তরের সব ভালোবাসা জ্ঞাপন করছি। চালকের সামান্য ভুলের কারণে আর কোনো স্বপ্নের মৃত্যু আমরা দেখতে চাই না।
রওশন ইসলাম
একজন অভিভাবক, ঢাকা।
প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে যখন সরকার কাজ শুরু করার কথা বলছে, তখন এমন একটি সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়। নিঃসন্দেহে তরুণসমাজ এতে করে প্রযুক্তি ব্যবহারে কিছুটা হলেও তাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।
ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার আগে কেন অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হলো না, এটাই এখন সবার প্রশ্ন। তাহলে কি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপরাধীদের শনাক্ত করতে ব্যর্থ? এ ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দুর্বলতাই কি প্রকাশ পেল না?
তথ্য ও যোগাযোগ আইন, ২০০৬-এ স্পষ্টভাবে এসব অপরাধে শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৯৩ ধারাতেও এ ধরনের অপরাধে স্পষ্ট শাস্তির বিধান রয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ আইন, ২০০৬-এর ৫৭(২) ধারামতে, কোনো ব্যক্তি যদি ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কারও ছবি ব্যঙ্গ করে অথবা কারও পর্নো ছবি প্রকাশ করে, তবে এক থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে। উচিত ছিল এ ধরনের আইনের বিধানগুলো বেশি বেশি প্রচার করে সবাইকে অবহিত করা। তাহলেই কেবল এসব অপকর্ম থেকে মানুষ বিরত থাকত। আইনের সঠিক বাস্তবায়ন ও প্রচারই পারে অপরাধ দূর করতে; তা না করে ফেসবুক বন্ধ করে দিয়ে বরং অপরাধীদের কাছে মাথানত করাটা জাতি হিসেবে আমাদের আরও খাটো করে দেওয়া হলো।
একটি অসাম্প্রদায়িক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশের লাখো-কোটি মানুষের সঙ্গে সরকারের কাছে আমার অনুরোধ, অবিলম্বে ফেসবুক উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক, আর অপরাধীদের আইনের কাঠগড়ায় আনা হোক।
আশিকুর রহমান, আইনজীবী, ঢাকা।
২.
সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুক ‘সাময়িকভাবে’ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। খবরটি শোনার পর একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী তরুণ হিসেবে আশাহত হয়েছি। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে—এমন ব্যঙ্গচিত্র ও ছবি ফেসবুকে যাতে প্রকাশ না হতে পারে, সে চেষ্টা চালিয়ে সফল না হওয়ায় বিটিআরসি সাময়িকভাবে ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ব্যঙ্গচিত্র ফেসবুকে প্রকাশ করার জন্য একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিছু মানসিক বিকারগ্রস্ত মানুষের অপকীর্তি বা এক যুবকের অপরাধের জন্য বাংলাদেশের নয় লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীকে কেন শাস্তি পেতে হবে?
ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচিত অনেকের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি অসংখ্য নতুন নতুন বন্ধুও পেয়েছিলাম। বিখ্যাত লেখকেরা বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের মতামত সবাইকে জানাতেন। তাঁদের পরামর্শে নিজেকে গড়ার জন্য এগিয়ে যাচ্ছিলাম। এককথায় ফেসবুক হয়ে উঠেছিল আমার অস্তিত্বেরই একটি অংশ।
প্রতিটি জিনিসের ভালো-মন্দ দিক থাকে। ফেসবুকের মাধ্যমে সামাজিক বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছিল। একে অন্যের সঙ্গে লেনদেনের ফলে বহু আশাহত মানুষ খুঁজে পেত নতুন আশা। ফেসবুকের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে অসহায় মানুষের পাশে মানুষ দাঁড়িয়েছে, এমন ঘটনার বহু নজির আছে। প্রতিবন্ধিতা, এইচআইভি, মাদক, নারীকে উত্ত্যক্ত করা, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য তরুণ প্রজন্ম বিভিন্ন নেটওয়ার্ক তৈরি করে প্রচারণা চালানোর কারণে অনেক যুবক নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা পাচ্ছিল। আর বিনোদনের তীব্র ঘাটতির এই শহুরে জীবনে বিনোদনের কিছুটা খোরাকও আসত ফেসবুক থেকে।
দেশে সাইবার অপরাধ দমনে আইন আছে। ফেসবুক ব্যবহার করে আইনবিরোধী কাজ করলে তার বিচার হবে, এটিই সবাই আশা করে। এ ক্ষেত্রে দরকার হলে সরকার আরও কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারত। কিন্তু ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। তা ছাড়া ফেসবুকের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রচারণাও চালানো হয়ে থাকে।
বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতাসীন হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকারের দৃশ্যমান তৎপরতাও আছে। কিন্তু এখন বিপুলসংখ্যক তরুণ বিরাট এক ধাক্কা খেল। আশা করি, সরকার এটা উপলব্ধি করতে সক্ষম হবে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফেসবুক খুলে দেবে।
আজমাল হোসেন, উত্তরা, ঢাকা।
নিজেদের হুঁশ হওয়াটাই জরুরি
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রায় দেড় বছর অতিক্রম হতে চলেছে, কিন্তু নির্বাচনী অঙ্গীকার কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা ভেবে দেখার বিষয়। এ সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধের বিচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ, সন্ত্রাস দূরীকরণ। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারে কারাগারে অবস্থানরত খুনিদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে, কিন্তু বিদেশে অবস্থানরত পলাতক খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের ব্যাপারে সরকারের মন্ত্রীদের উচ্চবাচ্য শোনা গেলেও এখন এ ব্যাপারে তাঁদের অবস্থান অস্পষ্ট বা খুনিদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ থিতিয়ে পড়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচারের অগ্রগতি কতটুকু, তাও খুব বেশি স্পষ্ট নয়। মন্ত্রীরা বিবৃতি দিচ্ছেন, এ সরকারের মেয়াদকালেই বিচারকাজ সম্পন্ন হবে। এ বিবৃতি কতটুকু বাস্তব রূপ লাভ করবে, সে ব্যাপারে শুধু সন্দেহই নয়, শঙ্কাও রয়েছে। সম্প্রতি যুদ্ধাপরাধ তদন্তসংক্রান্ত কমিটিতে নিযুক্ত ব্যক্তিকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়া এবং পরে তাঁকে প্রত্যাহারে সে শঙ্কা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সুতরাং এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান বা পদক্ষেপ আরও জোরালো ও সুদৃঢ় হওয়ার দরকার। কারণ যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অনেক বেশি সংঘবদ্ধ ও প্রতিক্রিয়াশীল।
দুর্নীতি দমনে সরকারের পদক্ষেপ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। দাতারাও দুদককে অকার্যকর করার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছে। এ ব্যাপারে হুঁশ হওয়াটা অধিকতর জরুরি। যত উন্নয়নের জোয়ারের কথা বলা হোক না কেন, তা কখনো বাস্তবতার মুখ দেখবে না, যদি দুর্নীতিকে উৎসাহিত করা হয়।
দুদককে সংস্কারের মাধ্যমে শুধু দুর্নীতিকে উৎসাহিতই করা হয়নি, বরং সরকারি আমলাদের দুর্নীতির পথকে আরও মসৃণ করা হয়েছে। মনে রাখা দরকার, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের ভরাডুবির জন্য অবাধ দুর্নীতিই দায়ী।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভুলে গেলে জনগণ তার জবাব ভালো করেই দিতে জানে। সন্ত্রাস দূরীকরণের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি। দিন দিন সন্ত্রাস বেড়ে চলেছে। টেন্ডার, চাঁদাবাজি, খুন, হল দখল, জমি দখল, হুমকি, পুকুরের পানি বিক্রি, বাড়ি ভাঙচুর, উচ্ছেদ—এসব কর্মকাণ্ডই ঘটিয়েছে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিরা। দলীয় কোন্দল তো প্রতিদিনের খবর। কিন্তু এ ব্যাপারে সরকার নির্লিপ্ত কিংবা অসহায়। ফলে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে জনগণ। বিগত সরকারগুলোর শাসনামলেও এসব ঘটনা ঘটেছিল। দল ক্ষমতায় থাকাকালে যত অন্যায়, দুর্বৃত্তপনার করার তা তাঁরা করেছেন।
আর প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব বিভিন্ন সমাবেশে দুর্বৃত্তপনার বিরুদ্ধে শুধু হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছেন। ‘কোনো অন্যায়-অবিচার হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। অন্যায় করলে নিজ দলের লোকদেরও ছাড়ব না’—সরকারের এমন বক্তব্য জনমনে আর কোনো স্বস্তি উৎপাদন করতে পারে না। ক্ষমতায় আসার পরদিন থেকে দলীয় লোকজন অপকর্ম করেই চলেছেন, আর বক্তৃতা দিয়ে মন্ত্রীরা জনগণকে আশ্বস্ত করছেন। বর্তমানে সরকারদলীয় সন্ত্রাস দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর অন্যতম। অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগেও যেন দলীয় লোকদের অন্যায় এখনো যেন তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন না।
নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে গণতন্ত্রের পথে উত্তরণ হলেও এর প্রত্যাশিত সুফল জনগণ এখনো পায়নি। প্রতিটি সরকার পাঁচ বছরের মেয়াদ পূরণ করেছে, আর দলীয় লোকজন সেই পাঁচ বছর এমন কোনো অপরাধ নেই, যা করেনি। আর সাধারণ জনগণ প্রতি পাঁচ বছরে পরের সরকারের ভালো কর্মকাণ্ডের স্বপ্ন দেখেছে। কিন্তু জনগণের স্বপ্ন প্রতিটি ক্ষেত্রে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। জনগণ দুই দলের দুঃশাসনের কাছে জিম্মি। মনে হয়, এ দুঃশাসনের অবসান হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা তো যাচ্ছেই না, বরং বিরোধী দলের আসন্ন হরতাল বা ধ্বংসাত্মক কর্মসূচিতে দেশ যেন পুনরায় নেতিবাচক রাজনীতির দিকে যাত্রা শুরু করছে। দেশ ও সমাজের বিদ্যমান সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য দরকার ছিল হুঁশিয়ারি উচ্চারণ নয়, দুই দলের হুঁশ হওয়াটা। আদৌ হুঁশ হয় কি না, তা দেখার জন্য অপেক্ষার পরিধি বাড়ানো ছাড়া জনগণের আসলে কিছু করার আছে কি? এই ভাবনাটা আজ বড় দরকার।
মো. সোহরাব হোসেন
শ্যামবাড়িয়া, সাবগ্রাম, বগুড়া।
বিআরটিসির ১০০ বাস
যানজট আর সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য মানসম্মত পরিবহনের অপ্রতুলতায় জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন বিআরটিসির উদ্যোগে রাজধানীতে ১০০ বাস চালুর খবর নিঃসন্দেহে সুখবর। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে খবর ছাপা হয়েছে, আরও ৬০০ বাস আসছে। পর্যাপ্তসংখ্যক মানসম্মত বড় বাস, নির্দিষ্ট বিরতিতে পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকলে এবং মোটামুটি ভদ্রভাবে যাতায়াত নিশ্চিত করা গেলে শুধু নিম্নবিত্ত নয়, অনেক মধ্যবিত্ত গাড়ির মালিকও বাসে চলাচলের চেষ্টা করবে। ফলে রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা কমে আসবে। রিকশার ব্যবহারও কিছুটা কমবে। ফলে যানজটও কমবে। খেয়াল রাখতে হবে, বাসগুলো যেন মানসম্মত হয়, সস্তা মানহীন বাস নামানো চলবে না। বাসগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতেরও সুব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
পর্যাপ্তসংখ্যক বড় বাসের জন্য পর্যাপ্ত সুপ্রশস্ত রাস্তা দরকার, নতুবা এই বাড়তি বাসগুলো যানজট আরও বাড়াবে। সে জন্য রাস্তাগুলোর দুই পাশের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে হবে, যত্রতত্র পার্কিং কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। অর্থাৎ যেটুকু রাস্তা আছে, তার সম্পূর্ণটা যেন ব্যবহার করা যায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে এবং আরও নতুন নতুন রাস্তা তৈরি করতে হবে, যেখানে সুযোগ আছে বিদ্যমান রাস্তা প্রশস্ত করতে হবে। তৃতীয়ত আসে, ট্রাফিক আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ। জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য ট্রাফিক নিয়মকানুন-সংবলিত বিলবোর্ড বাড়ানো, অটো সিগন্যাল সিস্টেম বহাল রেখে তার কার্যকরতার সুষ্ঠু নিশ্চয়তা বিধানসহ ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের উচ্চ জরিমানা করার পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশকে সৎ ও নিষ্ঠা নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা যারা নিত্যদিন যানবাহনের দুর্ভোগে জীবনকে তিল তিল করে ক্ষয় করে চলছি, আমরা চাই, রাজধানীর যাতায়াতব্যবস্থার এই দুর্দশার উন্নতি ঘটুক।
বন্দনা আমীর, উত্তরা, ঢাকা।
হরতালের জন্য করতালি পাবে না বিরোধী দল
দীর্ঘদিন পর আবার হরতালের ঘোষণা এল বিরোধী দল বিএনপির পক্ষ থেকে। হরতাল যে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে, তা নিয়ে কি বিরোধী দল একটুও ভাবল না? হয়তো কোনো বিরোধী দলই এটা ভাবে না। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের প্রধান হাতিয়ার হিসেবেই তারা বেছে নেয় হরতালের পথ।
দেশরক্ষা, জনস্বার্থ সংরক্ষণ, দুঃশাসন থেকে মুক্তি প্রভৃতির কথা বলে হরতাল ডাকা হয়। কিন্তু এগুলো আসলে কথার কথা। মূলত অর্থনীতির ক্ষতি ও জনসাধারণের দুর্ভোগের কারণে করা হয় হরতাল।
এমনিতেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংগঠনগুলোর অসহিষ্ণু আচরণ, খুন-রাহাজানিসহ নানা সহিংসতায় নাগরিক জীবনে এমনিতেই অশান্তি ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। তার ওপর দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি, উৎপাদনে শ্লথগতি, বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে সমস্যা চলছে। বিপুলসংখ্যক প্রবাসী শ্রমিক কাজকর্ম হারিয়ে দেশে ফিরছেন। দেশজুড়ে বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানিসংকটসহ ছোট-বড় হাজারো সমস্যা। এসব সমস্যা সমাধানে বিরোধী দলের উচিত সরকারের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়ানো। এবং সেটা করলে বিরোধী দলই রাজনৈতিকভাবে উপকৃত হবে, তাদের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা ও সমর্থন বাড়বে।
উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোর জনসাধারণ চায় না, কোনো কারণে তাদের কর্মঘণ্টাও নষ্ট হোক। আমাদের দেশের মানুষেরও একই অবস্থান। কিন্তু আমাদের বিরোধী দলগুলো জনস্বার্থের কথা না ভেবে হরতাল ডেকে মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট করার কারণ ঘটায় এবং জনসাধারণের চলাফেরায় ব্যাঘাত ঘটায়, পণ্য পরিবহনে বাধা সৃষ্টি করে। এখন যদি কারণে-অকারণে ঘন ঘন হরতাল ডাকা হয়, তাহলে জনগণ বিরক্ত হয়ে পড়বে এবং শেষে আবারও এক-এগারোর মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে জনগণ তাতে সায়ও দিতে পারে; অর্থাৎ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, যা কিনা বাংলাদেশকে একই চক্রে ঘুরপাক খাওয়াবে।
বর্তমান বিরোধী দল বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের হরতালের সমালোচনা করে বলত, ‘আমরা যদি কখনো বিরোধী দলে যাই, তখনো হরতাল ডাকব না।’ নির্বাচনী ইশতেহারেও বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা হরতালের মতো কর্মসূচি নেবে না। এমনকি বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দলটির কোনো কোনো নেতা আইন করে চিরতরে হরতাল নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। বিরোধী দলে গেলেই যে সব প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে সেই চিরাচরিত পন্থায় হরতাল ডাকতে হবে, এটা কোনো যুক্তিপূর্ণ অবস্থান হলো না। দলের সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থের ওপর উঠে বিএনপির নেতারা একটু ভেবে দেখুন, নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করুন, তাঁরা প্রকৃতপক্ষে এই দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসেন কি না। তাঁদের বিবেকের উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে তাঁরা যেন ২৭ জুন ডাকা হরতাল কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্ষতিকর কর্মসূচি নেওয়া থেকে বিরত থেকে অন্যান্য শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলনের কৌশল খুঁজে নেন।
তপু রায়হান
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, ঝিনাইদহ।
তাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী
সম্প্রতি অধ্যাপক ইউসুফ আলী নামের জামায়াতের এক বুদ্ধিজীবী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলে অভিহিত করেছেন। উক্তিটা নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের ধূম্রজাল সৃষ্টিতে যে তাঁরা পারঙ্গম, তা বিগত দিনগুলোতে তাঁরা প্রমাণ করেছেন। তাঁরা জ্ঞানপাপী। ইউসুফ আলী একবার বলেছেন, ‘একাত্তরে যা হয়েছে তা ছিল গৃহযুদ্ধ’, আবার দাবি করেছেন, ‘যুদ্ধাপরাধের বিচার তো অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে।’ প্রশ্ন হলো, গৃহযুদ্ধের ফলে কীভাবে স্বাধীনতা এল এবং স্বাধীনতা দিবস কীভাবে ২৬ মার্চ নির্ধারিত হলো আর ১৬ ডিসেম্বরে গৃহযুদ্ধের পরিণতিতে কীভাবে বিজয় সূচিত হলো?
তাঁদের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যের জবাব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেওয়ার মতো কলম ও মানুষের সংখ্যা বোধ হয় সম্প্রতি কমে গেছে। এত দিন কিছু পাওয়ার আশায় স্বাধীনতাবিরোধীদের পক্ষেও কেউ কেউ কলম ধরেছেন। আর হতাশা কিংবা বিভ্রান্তির কারণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষেরও কারও কারও হাত ও জিহ্বা আড়ষ্ট বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে ইউসুফ আলীরা সরকারকে চোখ রাঙাতে এবং মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উপহাস করতে পারতেন না। এ অবস্থায় সোহরাব হাসানের ‘পাকিস্তানবাদের ফেরিওয়ালারা’ পড়ে আমরা কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হই, উদ্দীপ্ত হই।
একাত্তর সালের পর আমরা রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের সঠিক তালিকাও প্রণয়ন করতে পারিনি, সময় এসেছে কুলাঙ্গারদের একটা তালিকা প্রণয়নের। রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবীদের কেউ কেউ এখন হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টের রায়কে বুড়ো আঙুল দেখালেও আমাদের অবস্থান অনেকটা অসহায়ের মতো।
আজকে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ শক্তি বহুধাবিভক্ত। তাদের অন্তর্দ্বন্দ্ব মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। আমার বিশ্বাস, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগীয় জেলা শহরে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে মিছিল বের করলে তাঁরা সাপের মতো গর্তে লুকাবে।
২৬ মার্চ ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশ রাষ্ট্রের এবং তার আদর্শের বিপক্ষে কাজ করা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। দেশের সংবিধান অনুযায়ীই তাঁদের বিচার করতে হবে।
ড. আবুল হাশেম চৌধুরী
mhossain_wub@yahoo.com
আত্মহত্যা নয়, চাই প্রতিরোধ
কিছুদিন পর পর বিভিন্ন পত্রিকায় বখাটেদের উৎপাতে একের পর এক স্কুলছাত্রীর আত্মহননের খবর ছাপা হচ্ছে। বখাটেদের শিকার হয়ে সম্প্রতি পাবনায় কাজলী, রূপগঞ্জে সুফিয়া আত্মহত্যা করেছে। নেত্রকোনায় তিকলিমা আত্মহত্যাকালে পরিবারের প্রচেষ্টায় মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় ‘ইভ টিজিং’কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবরও ছাপা হয়েছে। কোথাও কোথাও বখাটেপনায় বাধা দিতে গিয়ে উল্টো আক্রমণ ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। এসব ঘটনা আমাদের উদ্বিগ্ন করে।
স্কুলগামী মেয়েদের মা-বাবাদের উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি। বখাটেদের বিরুদ্ধে সারা দেশে চলছে মানববন্ধন, চলছে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন সভা-সমাবেশ। কিছু বখাটেকে পুলিশ আটকও করেছে। কিন্তু এসব সত্ত্বেও মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনা কমছে না।
দেশের আনাচকানাচে, গ্রামীণ পরিমণ্ডলে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার সব খবর পত্রপত্রিকায় আসে না। বখাটেদের সংঘবদ্ধ আক্রমণের ভয়ে অনেক পরিবার থানায় নালিশ করারও সাহস পায় না। বখাটেদের পুনরায় আক্রমণ বা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার ভয়ে অনেক পরিবার পুরো ঘটনা চেপে যায়। মনে প্রশ্ন জাগে, আমরা এ কোন সমাজে বাস করছি? আমাদের মেয়েরা নিরাপদে স্কুলে যেতে পারবে না কেন? কেন আমরা এই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নাগরিক দাবি করেও মেয়েদের চলার পথকে নিরাপদ করতে পারছি না? মেয়েদের যদি সব সময় আতঙ্কের মধ্যে চলাফেরা করতে হয়, তাহলে কীভাবে তারা সুস্থ জীবনযাপন করবে? কীভাবে তাদের স্বাভাবিক বিকাশ ঘটবে? মেয়েদের কি ঘরের বাইরে যাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে? তারা কি স্কুলে যাবে না? আরেকটি বিষয়, বখাটেদের লাঞ্ছনার শিকার অনেক মেয়ে নিজের পরিবার থেকেও সহানুভূতি পায় না। উল্টো অনেক অভিভাবক মেয়েটিকেই বকাঝকা করেন। ফলে মেয়েটি চরম মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়। মনে হয়, লাঞ্ছনার জন্য যেন মেয়েটিই দায়ী। আবার বখাটেদের উপদ্রব এড়াতে অনেক অভিভাবক মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দিতে বাধ্য হন।
শহরের বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে, স্কুলের সামনে উঠতি বয়সের তরুণদের সংঘবদ্ধভাবে আড্ডা দিতে দেখা যায়। মেয়েরা যখন একা চলাফেরা করে, তখন বখাটেরা নানা রকমের অশালীন উক্তি করে, শিস দেয়, সুযোগ বুঝে কখনো ওড়না ধরে টান দেয়। আবার কখনো নিজের মোবাইল ফোন নম্বর কাগজে লিখে রিকশারোহী কোনো মেয়ের উদ্দেশে ছুড়ে দেয়। শুধু মেয়েরা একা থাকলেই যে বখাটেরা এসব করে, তা নয়। অভিভাবক সঙ্গে থাকলেও অনেক সময় বখাটেরা সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে চরম দুঃসাহস ও ধৃষ্টতার পরিচয় দেয়। তখন মানসম্মান বাঁচানোর জন্য অভিভাবকদের নীরবে পলায়ন ছাড়া গত্যন্তর থাকে না। যেসব মেয়ে একা স্কুলে যাতায়াত করে, তাদের অবস্থা আরও খারাপ।
বখাটেদের উৎপাত থেকে মেয়েদের রক্ষা করতে হলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ পাওয়ার অপেক্ষায় বসে থাকলে চলবে না। সরকার এরই মধ্যে স্কুলগুলোর সামনে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। শুধু এটাই যথেষ্ট নয়। হাজার হাজার স্কুলের সামনে পুলিশ মোতায়েন করাও সম্ভব হবে না। আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি একটা সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পাড়ায় পাড়ায় সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠন করতে হবে ইভ টিজিং নিরোধ কমিটি। বখাটেদের পরিবারকেও এই উদ্যোগে শামিল করতে হবে।
আর আমাদের মেয়েদের বুঝতে হবে, ইভ টিজিংয়ের শিকার হওয়ার পর আত্মহত্যাই একমাত্র পথ নয়। সেটা না করে বরং পরিবার, পাড়া-প্রতিবেশী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সহযোগিতায় বখাটেদের প্রতিরোধ করতে হবে।
মো. মুজিবুর রহমান, সরকারি কলেজের শিক্ষক।
mujibur30@yahoo.com
স্বপ্নে হোঁচট
আমি সব সময় স্বপ্ন দেখি যে আমার একটা মেয়ে বুয়েটের ছাত্রী হোক। সে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। আর আমার মেয়ের জন্য স্বপ্নের ঘুড়িগুলো শুধু আঁকাবাঁকা করে ফেরে, যেন ওর ফল বুয়েটে ফরম নেওয়ার মতো হয়। অর্থাৎ ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন আর গণিতে যেন অবশ্যই জিপিএ-৫ থাকে, তার পরের সংগ্রাম তো আছেই: ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভালো বিষয়ে একটা আসন পাওয়া।
কদিন খুব ভালো লাগছিল পত্রিকা দেখে—কেবল বিজয় আর উল্লাসের খবর: এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীমের সাফল্যের খবরে ভরপুর। কিন্তু ২৮ মে সকালে পত্রিকায় চোখ পড়তেই মেধাবী ছাত্র খন্দকার খানজাহান সম্রাট আর তাঁর মা-বাবার কথা ভেবে মনটা হু হু করে কেঁদে উঠল। আমরা অভিভাবকেরা কত কষ্ট করে সব অন্যায়-অসুন্দর পরিবেশ থেকে আমাদের সন্তানদের আগলে রেখে শিক্ষিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। আমাদের কষ্টের ধন কি একজন বাসচালকের ভুলে নিমেষে হারিয়ে যাবে চিরদিনের জন্য? যে মেধাবী ছাত্রটা মাত্র পাঁচ দিন ক্লাস করল, যে কিনা দিতে পারে দেশকে অনেক কিছু, সেই ফুল ফোটার আগেই ঝরে যাবে কেন?
দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অকালে কত প্রাণ ঝরে যাচ্ছে! কয়েক দিন পত্রিকায় লেখালেখি, আন্দোলন, তারপর আবার সব শান্ত। কেন এমন হয়?
একজন মা হিসেবে শোকাতুর পরিবারের প্রতি অন্তরের সব ভালোবাসা জ্ঞাপন করছি। চালকের সামান্য ভুলের কারণে আর কোনো স্বপ্নের মৃত্যু আমরা দেখতে চাই না।
রওশন ইসলাম
একজন অভিভাবক, ঢাকা।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1424)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 26
(124)
- জনপ্রশাসন কীভাবে রক্ষা পাবে? by মামুন ইমতিয়াজ
- অভিমতঃ আসুন ঢাকা শহরকে বাঁচানোর উপায় নিয়ে কথা বলি ...
- বাতায়ন পথে নিরীক্ষণ- অথঃ সেলফোন কথা by আতাউর রহমান
- আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিঃ ঢোলের বাদ্য নয়, ...
- এমপিদের অভব্যতা নিয়ে স্পিকারের রুলিং - এ লজ্জা রাখ...
- চারদিক-সাতটি ছবির গল্প by শারমিন নাহার
- সিসিসি নির্বাচন-নগরের ভেতরে অজপাড়াগাঁ by মশিউল আলম
- প্রতিক্রিয়া-‘বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর আস্তাকুঁড়?’-বাংল...
- ত্রাণবাহী জাহাজে হামলা-ইসরায়েলের কাছে নতজানু বিশ্ব...
- মিডিয়া ভাবনা-সংবাদপত্র-শিল্পের জন্য অশনিসংকেত by ম...
- কালের পুরাণ-সাতক্ষীরা খুলনা নয়, খুলনাও নয় ঢাকা by ...
- ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো নিরাপদ করুন-বেগুনবাড়ি ট্র...
- অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেওয়া হোক-আমার দেশের প্রকা...
- অভিমত ভিন্নমত
- সিসিসি নির্বাচন-স্থানীয় সরকার, কেন্দ্রীয় রাজনীতি b...
- শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করুন-স্বরাষ্ট্রম...
- বিশ্বনেতাদের দায়িত্ব পালনে আর দেরি নয়-ইসরায়েলি বর্...
- চারদিক-প্রকৃতি ও প্রাকৃত জীবনের কথা by দীপংকর চন্দ
- পুঁজিবাজার-বাংলাদেশে কি ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ প্...
- সিসিসি নির্বাচন-নিরুপদ্রব নির্বাচনী প্রচারণা by মশ...
- ফেসবুক-অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে? by জাকারিয়া স্বপন
- সহজিয়া কড়চা-শিক্ষার তিন অবস্থা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- ট্রাফিক-ব্যবস্থার সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিন-রাজপথে...
- বিরোধী দলের জোরালো উপস্থিতি কাম্য-সংসদের বাজেট অধি...
- অ র্থ র স by আসজাদুল কিবরিয়া
- বিখ্যাতদের মজার ঘটনা
- অহেতুক কৌতুক
- দন্ত্যস রওশনের অণুকাব্য
- এভারেস্টের চূড়ায় পতাকা কর্তৃপক্ষকে নজর পরে দিলেও চলবে
- চারদিক-ভাঙল মিলনমেলা, ভাঙল by সুপ্রীতি ধর
- পুলিশ সংস্কার কর্মসূচি-নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্য...
- দ্বীপের জীবন-সোনাদিয়ার দুঃখগাথা by মোকারম হোসেন
- ফেসবুক-‘ডিজিটাল’ সরকারের এ কেমন আচরণ by পল্লব মোহা...
- গণতন্ত্র-শিক্ষা না নিলে ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি ঘটতে...
- নিষিদ্ধকরণের ফল হয় বুমেরাং-ফেসবুক বন্ধের খামখেয়াল
- কালক্ষেপণ না করে রিভিউ কমিশন গঠন করুন-বাহাত্তরের স...
- চারদিক-আশা-নিরাশার দোলাচলে নিরাপদ মাতৃত্ব by রাখী ...
- সুশাসন-আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ ও সরকার by এ এম এ...
- দিল্লির চিঠি-শ্রীলঙ্কা বিষয়ে ভারতের নীতি by কুলদীপ...
- প্রতিক্রিয়া-‘বিশ্ব-বিদ্যা লয়’ নয়, কিছুটা হলেও ‘বিশ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-আমরা তো মাত্র এক দিন হরতাল দিয়েছি...
- বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে-কক্সবাজারে ঝুঁকিত...
- পর্যাপ্ত গাড়ি দিন, নাগরিক পীড়ন বন্ধ করুন-পুলিশের গ...
- চারদিক-মূকাভিনয়শিল্পীদের মিলনমেলায় by জাহিদ রিপন
- বাজেট-বিনিয়োগবান্ধব বাজেটের প্রত্যাশা by মনজুর হোসেন
- আইলার এক বছর-খাওয়ার পানির সংকট মোকাবিলায় by শামীম ...
- সিলিকন ভ্যালি-সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চাকরি b...
- দেশপ্রেম-ছোট দেশ বলে কি মনমানসিকতাও ছোট হবে? by সৈ...
- পথচলা কি নিরাপদ হবে না?-বাসচাপায় বুয়েটছাত্রের মৃত্যু
- প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ-খাদ্যনিরাপ...
- নিরাপদে ফিরুন তাঁরা
- চারদিক-রহমত সরদারের স্বপ্ন by সিদরাতুল সিনড্রেলা
- নদী দখল-এমন আমলাদের লইয়া দেশ কী করিবে! by এ কে এম ...
- ধর্ম-নিরাপদ মাতৃত্ব গর্ভবতীর অধিকার by মুহাম্মদ আব...
- গোধূলির ছায়াপথে-আমরা পারব না কেন? by মুস্তাফা জামা...
- এসো নীপবনে-‘তাল’ by আবুল হায়াত
- খোলা চোখে-বামপন্থীরা কোথায় গেল by হাসান ফেরদৌস
- জনস্বাস্থ্য-ব্যবস্থায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা...
- হস্তক্ষেপমুক্ত স্বাধীন নির্বাচনই কাম্য-প্রাতিষ্ঠান...
- নির্ভুল গণনা হোক
- পবিত্র কোরআনের আলো-আদর্শিক বিরুদ্ধবাদীদের সঙ্গে অন...
- কিজি তাকিউচি-ভূমিকম্পপ্রবণ জাপান কি পরমাণু চুল্লির...
- ব্রিটেনে বিদেশি ছাত্র : অনিশ্চিত যাত্রার শেষ কোথায়...
- গণশুনানিতে সিএনজির মূল্যবৃদ্ধির বিতর্কিত প্রস্তাব ...
- নারীত্বের অধিকারে রাজপথে ‘নষ্ট’ মেয়ের মিছিল
- চরাচর-মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ by সাইফ...
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- নারীমুক্তির সংগ্রাম চলছেই by লীনা চক্রবর্তী
- কল্পকথার গল্প-যে যা বলুক ভাই, আমাদের আরেকটা পল চাই...
- তিস্তা নদীর পানিবণ্টন by মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা
- মানুষের মুখ-দুঃখে যাদের জীবন গড়া... by মীর মাহমুদু...
- অরণ্যে রোদন-‘কেন রুখে দাঁড়াতে হয়?’ by আনিসুল হক
- বুদ্ধপূর্ণিমা-বুদ্ধের মানবতাবাদী শিক্ষা by সুকোমল ...
- তারুণ্যের জয়-আকাশছোঁয়া মুসা by আসিফ নজরুল
- দুদক সংস্কার-দুর্বল দুর্নীতি দমন কমিশন চাই কার স্ব...
- সামগ্রিক চাহিদা বাড়াতে চাই দ্রুত বাস্তবায়ন-নতুন বা...
- ঝুঁকি কমে গেলেও নিরন্তর নজরদারি প্রয়োজন-জেএমবির শী...
- জামায়াত কঠিন আন্দোলনের সুযোগ খুঁজছে by মোশতাক আহমদ
- ৩৮ দিনেও হদিস নেই ইলিয়াসের-নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার
- সরকার পাত্তা দিচ্ছে না বিরোধী দলের হুমকি by পাভেল ...
- বসুন্ধরার সঙ্গে কাজ করতে চায় সাহারা
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সুব্রত রায়ের সাক্ষাৎ
- প্রাথমিকভাবে ১২ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে সাহারা গ্রুপ
- স্মরণ-মায়ের কথা বলি by নাসরীন সুলতানা
- কালের পুরাণ-জনগণকে তাঁরা কী দিয়েছেন? by সোহরাব হাসান
- অভিমত ভিন্নমত
- থাইল্যান্ড-দমন-পীড়ন-হত্যাকাণ্ড ও নীরব ওবামা by শাম...
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের কি কাজের অভাব?-অযাচিত হস্তক্ষেপ ...
- বাঁধ মেরামতে ব্যর্থতার জবাবদিহি চাই-আইলার এক বছর পর
- নদী বাঁচাতে পিলার পিলার বাঁচাবে কে? by তৌফিক মারুফ
- মামলা-পাল্টামামলায় জর্জরিত গফরগাঁও আওয়ামী লীগ by ন...
- এমপিদের উপজেলা চেয়ারম্যানদের হুঁশিয়ারি-সংসদ নির্বা...
- ভিনদেশের চিঠি-হূৎকমলের তরে
- মূল রচনা: অসলো বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড-দায়িত্ববোধ...
- সত্যিকারের সবজান্তা-বিবিধ
- যে খবর নাড়া দেয়-সাকিবের ভুল
- জন্মদিন-‘বিদ্রোহী’ কবিতার ৯০ by অমর সাহা
- দুই দু’গুণে পাঁচ-তেজারতির কেচ্ছা-কাহিনি by আতাউর র...
- তিস্তা নদী-জীবনরেখার মরণদশা by তুহিন ওয়াদুদ
- খসড়া আইনটি যেন আপসের কানাগলিতে না হারায়-বিকল্প শিশ...
- অস্বীকার নয়, উন্নয়নে পদক্ষেপ প্রয়োজন-মানবাধিকার পর...
- আজ ভাষা প্রতিযোগের জাতীয় উৎসব ২০১২
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- জন্মজয়ন্তী-শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় নজরুল স্মরণ by আশীষ...
- হজযাত্রী পরিবহনে এবারও সক্রিয় বিতর্কিত কাবো by টিপ...
- ৬ রপ্তানিকারককে সম্মাননা দিল এইচএসবিসি
- কালের পুরাণ-প্রধানমন্ত্রী, দেশটা কি ঠিকমতো চলছে? b...
- লতিফুর রহমান ব্যবসায় স্বীকৃতি by শওকত হোসেন
- সাদাসিধে কথা: রাজনীতি নিয়ে আমার ভাবনা—২-আওয়ামী লীগ...
- বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করছে...
- ক্ষোভ সামাল দিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চেয়ে চ...
- লোকসানি প্রতিষ্ঠান বিআরটিসি
- মানবাধিকার পরিস্থিতি
- রাজনীতি নিয়ে ভাবনা by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- সামান্য স্মৃতি by শেখ রোকন
- রেটোরিক কেউ পছন্দ করে না by এম আবদুল হাফিজ
- জাতীয় সম্পদ-জামদানি শাড়ির ন্যায়বিচার by পাভেল পার্থ
- কালের আয়নায়-ডা. আফ্রিদি ফেরেশতা না শয়তান? by আবদুল...
- মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার-ব্যয় ও ভোগান্তি কমাতেই হবে
- চট্টগ্রামে মেধাবী ছাত্র হত্যা-এ কেমন নৃশংসতা!
- চরাচর-নজরুলের ভাতা বন্ধ করেছিল পাকিস্তান সরকার by ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-নবীরা আসেন সত্যের বাণী নিয়ে, হজ...
- ডাইরেক্ট অ্যাকশন না সংলাপ? by শামসুল আরেফিন খান
- বহেকাল নিরবধি-এখন কে আমেরিকার 'মোস্ট ওয়ান্টেড ম্যা...
-
▼
May 26
(124)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment