Friday, June 8, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ছয় বছর আমরা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ছয় বছর পার করলাম। কিন্তু এখনো ওই ঘটনার কথা মনে পড়লে যে জিনিসটা স্পষ্ট হয়ে সবার আগে চোখে ভাসে তা হচ্ছে বর্তমান রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমানের নিথর দুটি চোখের কথা।
ওই হামলার ভয়াবহতার কথা বলার জন্য আমার মনে হয় এই একটি ছবিই যথেষ্ট। আমি ওই দিনের হামলায় নিহত সব ব্যক্তির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
গভীর উদ্বেগের বিষয়, আমরা এখনো এই বর্বরতার বিচারকার্য শেষ করতে পারিনি। এই না পারার জন্য একটা বড় দায় নিশ্চয় তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারকে নিতে হবে। কারণ, তারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ ব্যাহত করতে মামলা-প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা এই ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের সবচেয়ে কলঙ্কজনক হত্যাকাণ্ড ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মিল খুঁজে পাই। পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের পরে যেমন ওই হত্যাকাণ্ডের বিচার না করে বরং ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচারকার্য বন্ধ করে দিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ন্যক্কারজনক ভূমিকা লক্ষ করি, ঠিক তেমনি ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর এভিনিউর গ্রেনেড হামলারও লোকদেখানো তদন্তকাজ দেখেছি, যা অনেকটা বিচারকার্য বন্ধ রাখার শামিল। এই দুই বর্বরতায় আর যে জিনিসটা আমরা লক্ষ করি, দুই ঘটনার শিকার আওয়ামী লীগ, অন্যদিকে দুই ঘটনার সঙ্গে বিএনপির লোকদের যোগসাজশের নানা তথ্য।
বাংলাদেশ নামের একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র সৃষ্টিতে যে আওয়ামী লীগের ভূমিকা ছিল মুখ্য, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই বাংলাদেশেই ভয়ংকর নানা নৃশংসতার শিকার হতে হচ্ছে আওয়ামী লীগকে। আমাদের ভালোভাবে ভেবে দেখার সময় এসেছে, এসব ঘটনার সঙ্গে কি শুধু আমাদের দেশের হামলাকারীরা জড়িত, নাকি দূর থেকে এসব কিছুর কলকাঠি নাড়ছে ১৯৭১-এর পরাজিত শক্তি। কারণ, এসব ঘটনায় তাদের ভূমিকা রহস্যজনক হয়েই আছে।
খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দুবার বাংলাদেশের সরকার পরিচালনা করেছে। কিন্তু অবাক হয়ে লক্ষ করেছি, তারা বাংলাদেশের ওপর ঘটে যাওয়া নানা চাঞ্চল্যকর ঘটনার (যুদ্ধাপরাধীর বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, জঙ্গিদের নানা বোমা হামলা, দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা প্রভৃতি) একটারও সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন তো করেইনি, বরং এসব মামলার বিচারে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে। তাই এসব মামলার বিচারকাজে তাদের দুর্বলতা কোথায়, এই প্রশ্ন এখন অনেকের মনে জাগছে। আরও অবাক করার মতো বিষয়, তারা তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্যেও কোনো উৎসাহ দেখায় না। একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে তাদের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে, তাদের সরকারের সময় বিচারকাজে অনীহা দেখালেও বর্তমান সরকার কর্তৃক এসব বিচারকাজে যেন তারা বাধা সৃষ্টি না করে। কারণ জনগণ চায় এসব ঘটনার আসল হোতাদের মুখোশ উন্মোচন হোক।
বিএনপি সরকারের অনীহার কারণে জনগণ এসব ঘটনার বিচারকাজের জন্য বর্তমান সরকারের দিকে চেয়ে আছে। তাই বর্তমান সরকার অহেতুক সময় নষ্ট না করে এসব ঘটনার বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করবে—এই আশা ব্যক্ত করছি।
মো. হাবীব উল্লাহ, পূর্ব বরৈয়া, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।
habib_eb2006@yahoo.com
মিরপুরে জনদুর্ভোগ
ঢাকার মিরপুরে বিআরটিএ অফিসের উত্তর দিকে পাওয়ার হাউজ রোড, ১০ নং সেকশনের সি ব্লকের পুর্ব পাশে, ১৩ নং সেকশনের এ ব্লক ও বি ব্লক জুড়ে আছে অনেকগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার, অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মানুষের আবাসনস্থল। এই এলাকায় জলাবদ্ধতা এক জটিল ও দুর্বিষহ সমস্যা হয়ে উঠেছে। একটু বৃষ্টি হলেই পুরো এলাকায় দেখা দেয় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা; হাঁটুসমান পানিতে ডুবে যায় পুরো এলাকা। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা আছে কি না বোঝার উপায় নেই; যদি থাকত তাহলে পানি আটকে থাকত না। নালা-নর্দমাগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে, সেগুলো পানি নিষ্কাশনের পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনা আটকে থাকার ভালো ব্যবস্থা হয়েছে। ময়লা-আবর্জনায় ভরা নালা-নর্দমাগুলো যখন পানিতে ডুবে যায় তখন সেই পানি কতটা দূষিত-দুর্গন্ধময় হয় তা বলাই বাহুল্য। পানিতে ময়লা-আবর্জনা ভেসে থাকে। মানুষের চলাচলের সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে। মোটরযান দূরে থাক, রিকশাও চলতে পারে না। তার ওপর আরেক সমস্যা হলো, রাস্তায় সিটি করপোরেশনের লাইটগুলো কোথাও জ্বলে, কোথাও জ্বলে না। রাতের বেলা জলে ডোবা রাস্তাঘাটে অন্ধকারে চলাফেরা করা শুধু কষ্টকরই নয়, বিপজ্জনকও বলে।
মিরপুর এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষের এসব দুর্ভোগ লাঘব করতে শিগগিরই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
ওয়াসিকা আফরিন
মিরপুর, ঢাকা।
কারাবন্দীদের মুক্তি
২০ আগস্ট সারা দেশের ৬১টি কারাগার থেকে এক হাজার বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁদের অধিকাংশই হত্যা মামলায় দণ্ডিত হয়েছিলেন, ২০ বছর বা তার বেশি কারাভোগের পর সরকার তাঁদের মুক্তির সিদ্ধান্ত নেয়। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ১৩ জন নারী রয়েছেন।
বিশ বছর একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জীবনের প্রায় অর্ধেকই বলা চলে। এই মানুষগুলোর জীবনের সে অর্ধেকটাই কেটে গেল বন্দিদশায়। এখন তাঁরা মুক্তি পেলেন। প্রশ্ন হচ্ছে, এ মানুষগুলো কি তাঁদের পরিবারের বাকি সদস্য ও সমাজের কাছেও একই মমতায় গৃহীত হবেন? সংবাদপত্রে প্রকাশিত এসব মানুষের কথা থেকে আমরা দেখি, তাঁরা প্রত্যেকেই নতুন করে জীবন শুরু করতে চান। তাঁরা সুন্দর জীবনের প্রত্যাশী। তাঁরা ফিরতে চান সমাজে।
তাঁদের এ চাওয়ায় সময় একটা বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। কারণ তাঁদের রেখে যাওয়া সময় আর আজকের মধ্যে বিরাট ব্যবধান। তা ছাড়া এঁরা অধিকাংশই স্বল্পশিক্ষিত ও দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাই চারপাশের প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য তাঁদের নেই নিজস্ব মানসিক ও আর্থিক সামর্থ্য। যখন বাড়ি ফিরবেন চারপাশের মানুষের ঔৎসুক্য ও বাঁকা চোখ তাঁর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পথকে আরও সংকুচিত করবে। পাশাপাশি তাঁর দরকার হবে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার।
১৯৯৪ সালে মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের চালানো একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কারাগার থেকে বের হওয়া মানুষগুলোর দুই-তৃতীয়াংশই তৃতীয় বছরের মধ্যে আবার অপরাধ জগতে ঢুকে পড়ে। আর তাদের অর্ধেক তৃতীয় বছরের মধ্যে আবার কারাবরণ করতে বাধ্য হয়।
আমরা চাই না এই মানুষগুলোর ক্ষেত্রে এমনটা হোক। আমরা চাই, এই মানুষগুলো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক। তাই তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন। উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের পুনর্বাসন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কোনো বন্দী কারাগার থেকে বের হওয়ার আগেই কারা কর্তৃপক্ষ থেকে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দীর্ঘ সময় পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন একজন মানুষের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে তাদের প্রস্তুত করা হয়। তাদের সহযোগিতা নিয়ে মুক্তি পাওয়া মানুষগুলোর মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। উন্নত দেশগুলোতে অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়াও সংস্কার করা হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে চেষ্টা করা হচ্ছে অপরাধের ধরন, অপরাধীর মানসিক অবস্থা, পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনা করে যতটা সম্ভব মানবাধিকার রক্ষা করে তার শাস্তি ও সমাজে তার ফিরে আসা নিশ্চিত করার।
আমাদের সমাজে একটি কথা তো প্রচলিত আছেই: অপরাধকে ঘৃণা করো, অপরাধীকে নয়। যে মানুষগুলো মুক্ত হচ্ছে তারা যেন সব রকম চাপ থেকেও মুক্ত থাকতে পারে। তারা যেন সত্যিকার মুক্ত মানুষ হয়ে আবার ফিরতে পারে আমাদের মাঝে।
ইসরাত জাহান, সাংবাদিক, ঢাকা।
ফুলতলাকে মরু বানানোর প্রকল্প
ফুলতলা থেকে খুলনায় ভূগর্ভস্থ পানি সরবরাহ প্রকল্পের কাজ পূর্ণমাত্রায় শুরু হয় ২০০৮ সালে। কিন্তু এ বিষয়ে ফুলতলার জনসাধারণকে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। ফুলতলার মানুষ যখন জানতে পারে, ফুলতলার ভূগর্ভস্থ পানি পাইপের মাধ্যমে খুলনায় সরবরাহ করা হবে, তখন তারা নিজেদের পানিপ্রাপ্তির বিষয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। পরিবেশবাদী সংগঠন বেলার শরণাপন্ন হলে বেলাও কয়েক দফায় সরকারের কাছে এ প্রকল্পের বিস্তারিত এবং প্রকল্প বিষয়ে পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ রিপোর্ট চায়। কিন্তু এখনো পর্যন্ত এ প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ রিপোর্ট আদালতে দাখিল করা হয়নি।
খুলনায় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতিদিন ফুলতলা থেকে ৯০ লাখ গ্যালন পানি উত্তোলন করা হবে, এটা চলবে প্রায় তিন বছর। ফুলতলার জনগণ পানি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি নামে প্রকল্পটি বন্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছে। খুলনা সিটি করপোরেশন জনমতকে উপেক্ষা করে পাম্প হাউস ও পাইপলাইনের কাজ চালিয়ে যেতে থাকে। যখন আন্দোলন জোরালো হয়, তখন কাজ বন্ধ রাখে, আন্দোলন একটু স্তিমিত হলে আবার কাজ শুরু করে। এভাবে লুকোচুরির মধ্যে থেমে থেমে কাজটি চালিয়ে যেতে থাকে। পরে পানি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি উপায়ান্তর না দেখে এপ্রিল ২০০৮ বেলার কাছে আইনি সহায়তা চায়। বেলা মাঠ পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ ও বিবেচনা করে দুই দফায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট ১০টি প্রতিষ্ঠানকে লিগ্যাল নোটিশ দিলেও কোনো প্রতিষ্ঠান নোটিশের উত্তর দেয়নি। শেষ পর্যন্ত পরিবেশগত ছাড়পত্রহীন এ প্রকল্পের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন হয়।
সর্বশেষ তথ্য হলো, ফুলতলা থেকে খুলনায় অন্তর্বর্তীকালীন পানি সরবরাহের প্রকল্পটি চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট মামলটি বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন। হাইকোর্ট থেকে দফায় দফায় ফিজিবিলিটি স্টাডি রিপোর্ট দাখিল করতে বলা হলেও এখনো পর্যন্ত তা দাখিল করা হয়নি। প্রকল্পটির পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ প্রতিবেদনও হাইকোর্টে দাখিল করা হয়নি। আদালত প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থিতাবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু সিটি করপোরেশন আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
একটি এলাকার মানুষকে বঞ্চিত করে অন্য এলাকার মানুষের সুবিধা নিশ্চিত করা পরিবেশগত ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
খুলনা এলাকার পানির সমস্যা সমাধানে সাময়িক নয় বরং স্থায়ী সমাধানকল্পে ময়ূর, মধুমতী এবং অন্যান্য নদী রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে। ফুলতলা প্রকল্পটি অবশ্যই বন্ধ করা উচিত।
বিধান দাশগুপ্ত ও সন্দীপন রায়
ফুলতলা, খুলনা।
ইভ টিজিং: নৈতিক মূল্যবোধের সংকট
ইভ টিজিং এক মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। অনেক মেয়েকে আত্মাহুতি দিতে হয়েছে শুধু টিজিংয়ের কারণে। টিজিংয়ের প্রতিবাদ করার ফলাফল আরও ভয়াবহ। আগৈলঝাড়ায় ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বখাটেদের ধর্ষণের পর রিমা নামের এক মেয়ের লাশ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় কালিয়াকৈরে বিদ্যালয়ে হামলা হয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু ঘটনা ঘটেছে, যা নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। যেমন ‘গুলশানের কালাচাঁদপুরের বাড়িতে ঢুকে ব্যবসায়ী সাদেকুর হরমান ও তাঁর স্ত্রী রোমানা নার্গিস হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করেছে অভিযুক্ত রুবেল’ [প্রথম আলো, ২৯ মার্চ ২০১০]। ‘বান্ধবী ও তার বাবা-মাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়েছে ভার্সিটির ছাত্র’ [যুগান্তর, ২৮ মার্চ ২০১০]। ‘কুমিল্লায় স্কুলে এক ছাত্রীর চোখে গুলি করা হয়েছে প্রেম প্রত্যাখ্যান করায়’। আবার ‘বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তরুণীর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন’। পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে বাবা তাঁর সন্তানকে যেমন অবলীলায় অস্বীকার করছেন, তেমনি একজন জন্মদাত্রী মা একই কারণে তাঁর সন্তানকে হত্যায় প্ররোচনা দিতেও দ্বিধা করেননি।
আমরা এ কোন সমাজে বাস করছি? আমাদের মনমানসিকতাই বা কীভাবে গড়ে উঠেছে? সবকিছুর মধ্যে বলপ্রয়োগের প্রবণতা যেন গোটা সমাজকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা সর্বক্ষেত্রেই একটা অস্থিরতা। শ্রদ্ধা, সম্মান, ভালোবাসা, স্নেহ, মায়া-মমতা, সহিষ্ণুতা—সবকিছুই যেন আজ বিলীন হতে চলেছে।
নৈতিক সংকটের কারণগুলো যদি কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়, তাহলে প্রথমেই আসবে পরিবার। পরিবার হচ্ছে নীতিশিক্ষার প্রাথমিক ক্ষেত্র। মা-বাবা ও নিকটজনের আচার-আচরণের মধ্যে শিশু যদি নৈতিকতা দেখতে পায়, তাহলে সে অনায়াসে তার জীবনেও নৈতিক মূল্যবোধকে ধারণ করবে। কিন্তু শিশু পরিবারে যদি নৈতিক মূল্যবোধের অভাব দেখতে পায়, তাহলে সেও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের শিকার হয়। তাই মা-বাবাদের নৈতিকতাপূর্ণ জীবনযাপন সবচেয়ে বেশি জরুরি।
শিশুদের সুন্দর মনন তৈরিতে প্রচারমাধ্যমের ভূমিকা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। প্রচারমাধ্যমগুলোকে এ ব্যাপারে অনেক বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। ইভ টিজিং যেহেতু একটা সামাজিক ব্যাধি, তাই একে আইনের পাশাপাশি সামাজিকভাবেও প্রতিরোধ করতে হবে। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষার চাহিদা মাথায় রেখে দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা যায় কি না, সে বিষয়ে ভাবতে হবে। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমগুলোর যেমন যথাযথ ভূমিকা থাকা দরকার, তেমনি প্রশাসনকে ক্ষেত্রবিশেষে হতে হবে কঠোর। অপরাধীর শাস্তি হওয়া দরকার দৃষ্টান্তমূলক। আমরা যারা অভিভাবক-শিক্ষক, আমাদের বড় কাজ হচ্ছে ওদের সামনে আদর্শ হতে পারা, যাকে অনুসরণ করে সন্তানেরা তাদের জীবন পরিচালিত করতে পারে সঠিক ও শুদ্ধভাবে।
মাহফুজা বেগম, সহকারী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা।
মুদ্রণশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা
দেশের শিক্ষা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির রক্ষাকবচ মুদ্রণশিল্প। দেশ বিভাগের পর কলকাতা থেকে আসা হাতে গোনা কয়েকটি মুদ্রণপ্রতিষ্ঠান দিয়ে এ দেশের মুদ্রণশিল্পের যাত্রা শুরু হয়। এখন উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় শহর ও রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় সাত হাজার মুদ্রণপ্রতিষ্ঠান আর লক্ষাধিক ব্যক্তি এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত।
মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলো ২০০৯ শিক্ষাবর্ষের জন্য নয় কোটি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ করেছে। ২০১০ শিক্ষাবর্ষে সরকার মাধ্যমিক পর্যায়েও বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১৯ কোটি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের সিদ্ধান্ত হয়। তখন কমিশন-বাণিজ্যের জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশের পাঠ্যপুস্তক ছাপার কাজ বিদেশি মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার পাঁয়তারা শুরু করে। তারা এই বলে সরকার ও দেশবাসীকে বিভ্রান্ত শুরু করে যে এই বিপুলসংখ্যক পাঠ্যপুস্তক দেশের মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে যথাসময়ে মুদ্রণ ও সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। তারা আন্তর্জাতিক দরপত্র ডাকার সুপারিশ করেছিল। তখন আমরা দেশীয় মুদ্রণশিল্প মালিকদের পক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করে বলেছিলাম, সরকার সঠিকভাবে কাগজ, পজিটিভ ও কার্যাদেশ দিতে পারলে আমরা শিক্ষাবর্ষের শুরুর দিন আগের বছরগুলোর দ্বিগুণ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বাঁধাই করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরবরাহ করতে পারব। কিন্তু সরকার কর্তৃক কাগজ রেশনিং করে সরবরাহ, অপ্রতুল বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পরিবহনে যানজট সত্ত্বেও আমরা ২০১০ শিক্ষাবর্ষের জন্য ১৯ কোটি পাঠ্যবই ঠিকভাবেই গত বছর ছাপা ও সরবরাহের ক্ষেত্রে সফল হয়েছি।
২০১১ সালের জন্য ২৩ কোটি পাঠ্যপুস্তক ছাপানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন আবার ওই স্বার্থান্বেষী মহল তৎপর হয়ে উঠেছে। এবার আন্তর্জাতিক দরপত্র ডাকা হয়েছে।
আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যা দেশের মধ্যে করা সম্ভব তা বিদেশিদের হাতে তুলে দেবেন না। মুক্তবাজার অর্থনীতির সুফল এ দেশের মুদ্রাকরেরা গ্রহণ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকার পরও একটি বিশেষ মহল শুধু কমিশনের লোভে এ দেশের ঐতিহ্যবাহী এই মুদ্রণশিল্পের ওপর আঘাত হানছে। বর্তমান সরকার যখন কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য নানামুখী প্রকল্প হাতে নিচ্ছে, তখন মুদ্রণশিল্পের লক্ষাধিক লোকের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।
পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণে আহ্বানকৃত আন্তর্জাতিক দরপত্রে দেশীয় মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কাঁচামাল (কাগজ, কালি, প্লেট ও লুব্রিকেন্ট) আমদানিতে শুল্ক ৪৮%। তার ওপর বিদেশি দরদাতারা আরও ১৭% রপ্তানিসুবিধা ভোগ করেন। ফলে মোট ৬৫% শুল্কসুবিধা ভোগকারী বিদেশি দরদাতাদের সঙ্গে দেশি মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিযোগিতা করে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণকাজ পাওয়া সম্ভব নয়। আমরা আশা করি, গণতান্ত্রিক সরকার এ বাস্তবতা অনুধাবন করে আন্তর্জাতিক দরপত্র বাতিল করবেন। দেশের মুদ্রাকরদের মাধ্যমে আগের মতোই পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
আ ফ ম শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতি।
বিপন্ন বিমানকে রক্ষা করুন
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস অব্যবস্থাপনা-অনিয়ম-স্বেচ্ছাচারিতার ফলে নিয়মিত নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হচ্ছে। ডিজিটাল-যুগেও আমাদের বিমানের কার্যক্রম পুরোপুরি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নয়। সর্বক্ষেত্রে দক্ষ ও সৎ লোকের অভাব প্রকট। সম্প্রতি ভারতের আন্তপ্রাদেশিক বিমান-ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে জানি, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আকাশপথের এ পরিবহনব্যবস্থাকে তারা রেলের মতো জনসাধারণের ভ্রমণ-উপযোগী করে তুলেছে। সে দেশে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে সব ফ্লাইটের যাবতীয় খবরাখবর নেওয়া, এমনকি মাসখানেক আগে থেকে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়। মনে হয় সত্যিই ছোট হয়ে আসছে পৃথিবী। কিন্তু এ দেশের বিমানযাত্রীদের অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতার অংশ ফ্লাইট বাতিলসহ নানা রকম হয়রানির শিকার হওয়া। একের পর এক ফ্লাইট বিপর্যয়ের ফলে বাংলাদেশের বিমানের ব্যবসা চলে গেছে অন্য ফ্লাইট অপারেটরদের দখলে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হতে ২০০৮ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থেকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস যেখানে ছিল, সেখানেই রয়ে গেছে।
পরিচালনা পর্ষদের কর্তৃত্বের লড়াইয়ে বিমানমন্ত্রী ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পরস্পরবিরোধী অবস্থান সম্প্রতি বিমান খাতে নতুন সংকট সৃষ্টি করেছে। বিমান নিয়ে নতুন করে টানাহেঁচড়ায় সংস্থাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে সবাই। বিমানের বাড়তি উড়োজাহাজ থাকা সত্ত্বেও বিমান ঘাটতির কথা বলে, চার বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা নাইজেরিয়ার কাবো এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এ দেশে এনে হজ ফ্লাইট পরিচালনার কাজে ব্যবহার করা হয়। ভাড়া করা ত্রুটিপূর্ণ বিমানটি হজ শেষে অতিরিক্ত ছয় মাস চালানো হয়। কাবোকে বিরাট অঙ্কের অর্থ দিয়ে ভাড়াটে বিমান চালানোর পেছনে সংশ্লিষ্ট একটি মহলের ‘স্বার্থ’ জড়িত থাকার বিষয়টি প্রতীয়মান হওয়ার পরও আগামী হজ পর্যন্ত সেটি বিশেষ বিবেচনায় চালানোর অনুমতি না দেওয়ায় মন্ত্রী ও সংসদীয় কমিটির বিরোধ দেখা দেয়। ৩৭ বছর করপোরেশন থাকাকালীন বাংলাদেশ বিমানের চেয়ারম্যান ছিলেন মন্ত্রী। কোম্পানিতে রূপান্তরের পর বিমানের চেয়ারম্যান করা হয় বোর্ডের চেয়ারম্যানকে। কিন্তু মন্ত্রী, সচিব ও চেয়ারম্যানের মধ্যকার ‘কমিউনিকেশন গ্যাপ’ বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্যের জন্ম দিচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বোর্ড যদি সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপের এখতিয়ার আছে। বোর্ড স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়। তবে স্বার্থান্বেষী মহলের দুর্নীতি থেকে বিমানকে রক্ষা না করে, এটিকে পুনরায় করপোরেশনে রূপান্তরের মতো অযাচিত সিদ্ধান্ত নিলে শর্ষের মধ্যে ভূত রয়েই যাবে। তাই সবার আগে মন্ত্রী বনাম বিমান চলাচলবিষয়ক সংসদীয় কমিটির চলমান বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। বিদ্যমান সংকট কাটিয়ে আমাদের জাতীয় পতাকাবাহী আকাশ পরিবহন সংস্থাটি আরও চাঙা হয়ে উঠবে, এ প্রত্যাশা সবার।
সোহেল নওরোজ, শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
গভীর উদ্বেগের বিষয়, আমরা এখনো এই বর্বরতার বিচারকার্য শেষ করতে পারিনি। এই না পারার জন্য একটা বড় দায় নিশ্চয় তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারকে নিতে হবে। কারণ, তারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ ব্যাহত করতে মামলা-প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা এই ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের সবচেয়ে কলঙ্কজনক হত্যাকাণ্ড ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মিল খুঁজে পাই। পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের পরে যেমন ওই হত্যাকাণ্ডের বিচার না করে বরং ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচারকার্য বন্ধ করে দিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ন্যক্কারজনক ভূমিকা লক্ষ করি, ঠিক তেমনি ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর এভিনিউর গ্রেনেড হামলারও লোকদেখানো তদন্তকাজ দেখেছি, যা অনেকটা বিচারকার্য বন্ধ রাখার শামিল। এই দুই বর্বরতায় আর যে জিনিসটা আমরা লক্ষ করি, দুই ঘটনার শিকার আওয়ামী লীগ, অন্যদিকে দুই ঘটনার সঙ্গে বিএনপির লোকদের যোগসাজশের নানা তথ্য।
বাংলাদেশ নামের একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র সৃষ্টিতে যে আওয়ামী লীগের ভূমিকা ছিল মুখ্য, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই বাংলাদেশেই ভয়ংকর নানা নৃশংসতার শিকার হতে হচ্ছে আওয়ামী লীগকে। আমাদের ভালোভাবে ভেবে দেখার সময় এসেছে, এসব ঘটনার সঙ্গে কি শুধু আমাদের দেশের হামলাকারীরা জড়িত, নাকি দূর থেকে এসব কিছুর কলকাঠি নাড়ছে ১৯৭১-এর পরাজিত শক্তি। কারণ, এসব ঘটনায় তাদের ভূমিকা রহস্যজনক হয়েই আছে।
খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দুবার বাংলাদেশের সরকার পরিচালনা করেছে। কিন্তু অবাক হয়ে লক্ষ করেছি, তারা বাংলাদেশের ওপর ঘটে যাওয়া নানা চাঞ্চল্যকর ঘটনার (যুদ্ধাপরাধীর বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, জঙ্গিদের নানা বোমা হামলা, দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা প্রভৃতি) একটারও সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন তো করেইনি, বরং এসব মামলার বিচারে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে। তাই এসব মামলার বিচারকাজে তাদের দুর্বলতা কোথায়, এই প্রশ্ন এখন অনেকের মনে জাগছে। আরও অবাক করার মতো বিষয়, তারা তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্যেও কোনো উৎসাহ দেখায় না। একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে তাদের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে, তাদের সরকারের সময় বিচারকাজে অনীহা দেখালেও বর্তমান সরকার কর্তৃক এসব বিচারকাজে যেন তারা বাধা সৃষ্টি না করে। কারণ জনগণ চায় এসব ঘটনার আসল হোতাদের মুখোশ উন্মোচন হোক।
বিএনপি সরকারের অনীহার কারণে জনগণ এসব ঘটনার বিচারকাজের জন্য বর্তমান সরকারের দিকে চেয়ে আছে। তাই বর্তমান সরকার অহেতুক সময় নষ্ট না করে এসব ঘটনার বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করবে—এই আশা ব্যক্ত করছি।
মো. হাবীব উল্লাহ, পূর্ব বরৈয়া, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।
habib_eb2006@yahoo.com
মিরপুরে জনদুর্ভোগ
ঢাকার মিরপুরে বিআরটিএ অফিসের উত্তর দিকে পাওয়ার হাউজ রোড, ১০ নং সেকশনের সি ব্লকের পুর্ব পাশে, ১৩ নং সেকশনের এ ব্লক ও বি ব্লক জুড়ে আছে অনেকগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার, অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মানুষের আবাসনস্থল। এই এলাকায় জলাবদ্ধতা এক জটিল ও দুর্বিষহ সমস্যা হয়ে উঠেছে। একটু বৃষ্টি হলেই পুরো এলাকায় দেখা দেয় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা; হাঁটুসমান পানিতে ডুবে যায় পুরো এলাকা। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা আছে কি না বোঝার উপায় নেই; যদি থাকত তাহলে পানি আটকে থাকত না। নালা-নর্দমাগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে, সেগুলো পানি নিষ্কাশনের পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনা আটকে থাকার ভালো ব্যবস্থা হয়েছে। ময়লা-আবর্জনায় ভরা নালা-নর্দমাগুলো যখন পানিতে ডুবে যায় তখন সেই পানি কতটা দূষিত-দুর্গন্ধময় হয় তা বলাই বাহুল্য। পানিতে ময়লা-আবর্জনা ভেসে থাকে। মানুষের চলাচলের সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে। মোটরযান দূরে থাক, রিকশাও চলতে পারে না। তার ওপর আরেক সমস্যা হলো, রাস্তায় সিটি করপোরেশনের লাইটগুলো কোথাও জ্বলে, কোথাও জ্বলে না। রাতের বেলা জলে ডোবা রাস্তাঘাটে অন্ধকারে চলাফেরা করা শুধু কষ্টকরই নয়, বিপজ্জনকও বলে।
মিরপুর এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষের এসব দুর্ভোগ লাঘব করতে শিগগিরই পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
ওয়াসিকা আফরিন
মিরপুর, ঢাকা।
কারাবন্দীদের মুক্তি
২০ আগস্ট সারা দেশের ৬১টি কারাগার থেকে এক হাজার বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁদের অধিকাংশই হত্যা মামলায় দণ্ডিত হয়েছিলেন, ২০ বছর বা তার বেশি কারাভোগের পর সরকার তাঁদের মুক্তির সিদ্ধান্ত নেয়। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ১৩ জন নারী রয়েছেন।
বিশ বছর একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জীবনের প্রায় অর্ধেকই বলা চলে। এই মানুষগুলোর জীবনের সে অর্ধেকটাই কেটে গেল বন্দিদশায়। এখন তাঁরা মুক্তি পেলেন। প্রশ্ন হচ্ছে, এ মানুষগুলো কি তাঁদের পরিবারের বাকি সদস্য ও সমাজের কাছেও একই মমতায় গৃহীত হবেন? সংবাদপত্রে প্রকাশিত এসব মানুষের কথা থেকে আমরা দেখি, তাঁরা প্রত্যেকেই নতুন করে জীবন শুরু করতে চান। তাঁরা সুন্দর জীবনের প্রত্যাশী। তাঁরা ফিরতে চান সমাজে।
তাঁদের এ চাওয়ায় সময় একটা বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। কারণ তাঁদের রেখে যাওয়া সময় আর আজকের মধ্যে বিরাট ব্যবধান। তা ছাড়া এঁরা অধিকাংশই স্বল্পশিক্ষিত ও দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাই চারপাশের প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য তাঁদের নেই নিজস্ব মানসিক ও আর্থিক সামর্থ্য। যখন বাড়ি ফিরবেন চারপাশের মানুষের ঔৎসুক্য ও বাঁকা চোখ তাঁর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পথকে আরও সংকুচিত করবে। পাশাপাশি তাঁর দরকার হবে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার।
১৯৯৪ সালে মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের চালানো একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কারাগার থেকে বের হওয়া মানুষগুলোর দুই-তৃতীয়াংশই তৃতীয় বছরের মধ্যে আবার অপরাধ জগতে ঢুকে পড়ে। আর তাদের অর্ধেক তৃতীয় বছরের মধ্যে আবার কারাবরণ করতে বাধ্য হয়।
আমরা চাই না এই মানুষগুলোর ক্ষেত্রে এমনটা হোক। আমরা চাই, এই মানুষগুলো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক। তাই তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন। উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের পুনর্বাসন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কোনো বন্দী কারাগার থেকে বের হওয়ার আগেই কারা কর্তৃপক্ষ থেকে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দীর্ঘ সময় পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন একজন মানুষের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে তাদের প্রস্তুত করা হয়। তাদের সহযোগিতা নিয়ে মুক্তি পাওয়া মানুষগুলোর মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। উন্নত দেশগুলোতে অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়াও সংস্কার করা হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে চেষ্টা করা হচ্ছে অপরাধের ধরন, অপরাধীর মানসিক অবস্থা, পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনা করে যতটা সম্ভব মানবাধিকার রক্ষা করে তার শাস্তি ও সমাজে তার ফিরে আসা নিশ্চিত করার।
আমাদের সমাজে একটি কথা তো প্রচলিত আছেই: অপরাধকে ঘৃণা করো, অপরাধীকে নয়। যে মানুষগুলো মুক্ত হচ্ছে তারা যেন সব রকম চাপ থেকেও মুক্ত থাকতে পারে। তারা যেন সত্যিকার মুক্ত মানুষ হয়ে আবার ফিরতে পারে আমাদের মাঝে।
ইসরাত জাহান, সাংবাদিক, ঢাকা।
ফুলতলাকে মরু বানানোর প্রকল্প
ফুলতলা থেকে খুলনায় ভূগর্ভস্থ পানি সরবরাহ প্রকল্পের কাজ পূর্ণমাত্রায় শুরু হয় ২০০৮ সালে। কিন্তু এ বিষয়ে ফুলতলার জনসাধারণকে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। ফুলতলার মানুষ যখন জানতে পারে, ফুলতলার ভূগর্ভস্থ পানি পাইপের মাধ্যমে খুলনায় সরবরাহ করা হবে, তখন তারা নিজেদের পানিপ্রাপ্তির বিষয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। পরিবেশবাদী সংগঠন বেলার শরণাপন্ন হলে বেলাও কয়েক দফায় সরকারের কাছে এ প্রকল্পের বিস্তারিত এবং প্রকল্প বিষয়ে পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ রিপোর্ট চায়। কিন্তু এখনো পর্যন্ত এ প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ রিপোর্ট আদালতে দাখিল করা হয়নি।
খুলনায় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতিদিন ফুলতলা থেকে ৯০ লাখ গ্যালন পানি উত্তোলন করা হবে, এটা চলবে প্রায় তিন বছর। ফুলতলার জনগণ পানি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি নামে প্রকল্পটি বন্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছে। খুলনা সিটি করপোরেশন জনমতকে উপেক্ষা করে পাম্প হাউস ও পাইপলাইনের কাজ চালিয়ে যেতে থাকে। যখন আন্দোলন জোরালো হয়, তখন কাজ বন্ধ রাখে, আন্দোলন একটু স্তিমিত হলে আবার কাজ শুরু করে। এভাবে লুকোচুরির মধ্যে থেমে থেমে কাজটি চালিয়ে যেতে থাকে। পরে পানি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি উপায়ান্তর না দেখে এপ্রিল ২০০৮ বেলার কাছে আইনি সহায়তা চায়। বেলা মাঠ পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ ও বিবেচনা করে দুই দফায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট ১০টি প্রতিষ্ঠানকে লিগ্যাল নোটিশ দিলেও কোনো প্রতিষ্ঠান নোটিশের উত্তর দেয়নি। শেষ পর্যন্ত পরিবেশগত ছাড়পত্রহীন এ প্রকল্পের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন হয়।
সর্বশেষ তথ্য হলো, ফুলতলা থেকে খুলনায় অন্তর্বর্তীকালীন পানি সরবরাহের প্রকল্পটি চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট মামলটি বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন। হাইকোর্ট থেকে দফায় দফায় ফিজিবিলিটি স্টাডি রিপোর্ট দাখিল করতে বলা হলেও এখনো পর্যন্ত তা দাখিল করা হয়নি। প্রকল্পটির পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ প্রতিবেদনও হাইকোর্টে দাখিল করা হয়নি। আদালত প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থিতাবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু সিটি করপোরেশন আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
একটি এলাকার মানুষকে বঞ্চিত করে অন্য এলাকার মানুষের সুবিধা নিশ্চিত করা পরিবেশগত ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
খুলনা এলাকার পানির সমস্যা সমাধানে সাময়িক নয় বরং স্থায়ী সমাধানকল্পে ময়ূর, মধুমতী এবং অন্যান্য নদী রক্ষায় উদ্যোগ নিতে হবে। ফুলতলা প্রকল্পটি অবশ্যই বন্ধ করা উচিত।
বিধান দাশগুপ্ত ও সন্দীপন রায়
ফুলতলা, খুলনা।
ইভ টিজিং: নৈতিক মূল্যবোধের সংকট
ইভ টিজিং এক মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। অনেক মেয়েকে আত্মাহুতি দিতে হয়েছে শুধু টিজিংয়ের কারণে। টিজিংয়ের প্রতিবাদ করার ফলাফল আরও ভয়াবহ। আগৈলঝাড়ায় ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বখাটেদের ধর্ষণের পর রিমা নামের এক মেয়ের লাশ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় কালিয়াকৈরে বিদ্যালয়ে হামলা হয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু ঘটনা ঘটেছে, যা নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। যেমন ‘গুলশানের কালাচাঁদপুরের বাড়িতে ঢুকে ব্যবসায়ী সাদেকুর হরমান ও তাঁর স্ত্রী রোমানা নার্গিস হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করেছে অভিযুক্ত রুবেল’ [প্রথম আলো, ২৯ মার্চ ২০১০]। ‘বান্ধবী ও তার বাবা-মাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়েছে ভার্সিটির ছাত্র’ [যুগান্তর, ২৮ মার্চ ২০১০]। ‘কুমিল্লায় স্কুলে এক ছাত্রীর চোখে গুলি করা হয়েছে প্রেম প্রত্যাখ্যান করায়’। আবার ‘বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তরুণীর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন’। পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে বাবা তাঁর সন্তানকে যেমন অবলীলায় অস্বীকার করছেন, তেমনি একজন জন্মদাত্রী মা একই কারণে তাঁর সন্তানকে হত্যায় প্ররোচনা দিতেও দ্বিধা করেননি।
আমরা এ কোন সমাজে বাস করছি? আমাদের মনমানসিকতাই বা কীভাবে গড়ে উঠেছে? সবকিছুর মধ্যে বলপ্রয়োগের প্রবণতা যেন গোটা সমাজকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা সর্বক্ষেত্রেই একটা অস্থিরতা। শ্রদ্ধা, সম্মান, ভালোবাসা, স্নেহ, মায়া-মমতা, সহিষ্ণুতা—সবকিছুই যেন আজ বিলীন হতে চলেছে।
নৈতিক সংকটের কারণগুলো যদি কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়, তাহলে প্রথমেই আসবে পরিবার। পরিবার হচ্ছে নীতিশিক্ষার প্রাথমিক ক্ষেত্র। মা-বাবা ও নিকটজনের আচার-আচরণের মধ্যে শিশু যদি নৈতিকতা দেখতে পায়, তাহলে সে অনায়াসে তার জীবনেও নৈতিক মূল্যবোধকে ধারণ করবে। কিন্তু শিশু পরিবারে যদি নৈতিক মূল্যবোধের অভাব দেখতে পায়, তাহলে সেও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের শিকার হয়। তাই মা-বাবাদের নৈতিকতাপূর্ণ জীবনযাপন সবচেয়ে বেশি জরুরি।
শিশুদের সুন্দর মনন তৈরিতে প্রচারমাধ্যমের ভূমিকা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। প্রচারমাধ্যমগুলোকে এ ব্যাপারে অনেক বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। ইভ টিজিং যেহেতু একটা সামাজিক ব্যাধি, তাই একে আইনের পাশাপাশি সামাজিকভাবেও প্রতিরোধ করতে হবে। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষার চাহিদা মাথায় রেখে দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা যায় কি না, সে বিষয়ে ভাবতে হবে। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমগুলোর যেমন যথাযথ ভূমিকা থাকা দরকার, তেমনি প্রশাসনকে ক্ষেত্রবিশেষে হতে হবে কঠোর। অপরাধীর শাস্তি হওয়া দরকার দৃষ্টান্তমূলক। আমরা যারা অভিভাবক-শিক্ষক, আমাদের বড় কাজ হচ্ছে ওদের সামনে আদর্শ হতে পারা, যাকে অনুসরণ করে সন্তানেরা তাদের জীবন পরিচালিত করতে পারে সঠিক ও শুদ্ধভাবে।
মাহফুজা বেগম, সহকারী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা।
মুদ্রণশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা
দেশের শিক্ষা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির রক্ষাকবচ মুদ্রণশিল্প। দেশ বিভাগের পর কলকাতা থেকে আসা হাতে গোনা কয়েকটি মুদ্রণপ্রতিষ্ঠান দিয়ে এ দেশের মুদ্রণশিল্পের যাত্রা শুরু হয়। এখন উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় শহর ও রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় সাত হাজার মুদ্রণপ্রতিষ্ঠান আর লক্ষাধিক ব্যক্তি এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত।
মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলো ২০০৯ শিক্ষাবর্ষের জন্য নয় কোটি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ করেছে। ২০১০ শিক্ষাবর্ষে সরকার মাধ্যমিক পর্যায়েও বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১৯ কোটি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের সিদ্ধান্ত হয়। তখন কমিশন-বাণিজ্যের জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশের পাঠ্যপুস্তক ছাপার কাজ বিদেশি মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার পাঁয়তারা শুরু করে। তারা এই বলে সরকার ও দেশবাসীকে বিভ্রান্ত শুরু করে যে এই বিপুলসংখ্যক পাঠ্যপুস্তক দেশের মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে যথাসময়ে মুদ্রণ ও সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। তারা আন্তর্জাতিক দরপত্র ডাকার সুপারিশ করেছিল। তখন আমরা দেশীয় মুদ্রণশিল্প মালিকদের পক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করে বলেছিলাম, সরকার সঠিকভাবে কাগজ, পজিটিভ ও কার্যাদেশ দিতে পারলে আমরা শিক্ষাবর্ষের শুরুর দিন আগের বছরগুলোর দ্বিগুণ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বাঁধাই করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরবরাহ করতে পারব। কিন্তু সরকার কর্তৃক কাগজ রেশনিং করে সরবরাহ, অপ্রতুল বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পরিবহনে যানজট সত্ত্বেও আমরা ২০১০ শিক্ষাবর্ষের জন্য ১৯ কোটি পাঠ্যবই ঠিকভাবেই গত বছর ছাপা ও সরবরাহের ক্ষেত্রে সফল হয়েছি।
২০১১ সালের জন্য ২৩ কোটি পাঠ্যপুস্তক ছাপানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন আবার ওই স্বার্থান্বেষী মহল তৎপর হয়ে উঠেছে। এবার আন্তর্জাতিক দরপত্র ডাকা হয়েছে।
আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যা দেশের মধ্যে করা সম্ভব তা বিদেশিদের হাতে তুলে দেবেন না। মুক্তবাজার অর্থনীতির সুফল এ দেশের মুদ্রাকরেরা গ্রহণ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকার পরও একটি বিশেষ মহল শুধু কমিশনের লোভে এ দেশের ঐতিহ্যবাহী এই মুদ্রণশিল্পের ওপর আঘাত হানছে। বর্তমান সরকার যখন কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য নানামুখী প্রকল্প হাতে নিচ্ছে, তখন মুদ্রণশিল্পের লক্ষাধিক লোকের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।
পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণে আহ্বানকৃত আন্তর্জাতিক দরপত্রে দেশীয় মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কাঁচামাল (কাগজ, কালি, প্লেট ও লুব্রিকেন্ট) আমদানিতে শুল্ক ৪৮%। তার ওপর বিদেশি দরদাতারা আরও ১৭% রপ্তানিসুবিধা ভোগ করেন। ফলে মোট ৬৫% শুল্কসুবিধা ভোগকারী বিদেশি দরদাতাদের সঙ্গে দেশি মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিযোগিতা করে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণকাজ পাওয়া সম্ভব নয়। আমরা আশা করি, গণতান্ত্রিক সরকার এ বাস্তবতা অনুধাবন করে আন্তর্জাতিক দরপত্র বাতিল করবেন। দেশের মুদ্রাকরদের মাধ্যমে আগের মতোই পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
আ ফ ম শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতি।
বিপন্ন বিমানকে রক্ষা করুন
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস অব্যবস্থাপনা-অনিয়ম-স্বেচ্ছাচারিতার ফলে নিয়মিত নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হচ্ছে। ডিজিটাল-যুগেও আমাদের বিমানের কার্যক্রম পুরোপুরি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নয়। সর্বক্ষেত্রে দক্ষ ও সৎ লোকের অভাব প্রকট। সম্প্রতি ভারতের আন্তপ্রাদেশিক বিমান-ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে জানি, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আকাশপথের এ পরিবহনব্যবস্থাকে তারা রেলের মতো জনসাধারণের ভ্রমণ-উপযোগী করে তুলেছে। সে দেশে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে সব ফ্লাইটের যাবতীয় খবরাখবর নেওয়া, এমনকি মাসখানেক আগে থেকে টিকিট বুকিং দেওয়া যায়। মনে হয় সত্যিই ছোট হয়ে আসছে পৃথিবী। কিন্তু এ দেশের বিমানযাত্রীদের অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতার অংশ ফ্লাইট বাতিলসহ নানা রকম হয়রানির শিকার হওয়া। একের পর এক ফ্লাইট বিপর্যয়ের ফলে বাংলাদেশের বিমানের ব্যবসা চলে গেছে অন্য ফ্লাইট অপারেটরদের দখলে। ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হতে ২০০৮ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা থেকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস যেখানে ছিল, সেখানেই রয়ে গেছে।
পরিচালনা পর্ষদের কর্তৃত্বের লড়াইয়ে বিমানমন্ত্রী ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পরস্পরবিরোধী অবস্থান সম্প্রতি বিমান খাতে নতুন সংকট সৃষ্টি করেছে। বিমান নিয়ে নতুন করে টানাহেঁচড়ায় সংস্থাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে সবাই। বিমানের বাড়তি উড়োজাহাজ থাকা সত্ত্বেও বিমান ঘাটতির কথা বলে, চার বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা নাইজেরিয়ার কাবো এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এ দেশে এনে হজ ফ্লাইট পরিচালনার কাজে ব্যবহার করা হয়। ভাড়া করা ত্রুটিপূর্ণ বিমানটি হজ শেষে অতিরিক্ত ছয় মাস চালানো হয়। কাবোকে বিরাট অঙ্কের অর্থ দিয়ে ভাড়াটে বিমান চালানোর পেছনে সংশ্লিষ্ট একটি মহলের ‘স্বার্থ’ জড়িত থাকার বিষয়টি প্রতীয়মান হওয়ার পরও আগামী হজ পর্যন্ত সেটি বিশেষ বিবেচনায় চালানোর অনুমতি না দেওয়ায় মন্ত্রী ও সংসদীয় কমিটির বিরোধ দেখা দেয়। ৩৭ বছর করপোরেশন থাকাকালীন বাংলাদেশ বিমানের চেয়ারম্যান ছিলেন মন্ত্রী। কোম্পানিতে রূপান্তরের পর বিমানের চেয়ারম্যান করা হয় বোর্ডের চেয়ারম্যানকে। কিন্তু মন্ত্রী, সচিব ও চেয়ারম্যানের মধ্যকার ‘কমিউনিকেশন গ্যাপ’ বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্যের জন্ম দিচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বোর্ড যদি সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপের এখতিয়ার আছে। বোর্ড স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়। তবে স্বার্থান্বেষী মহলের দুর্নীতি থেকে বিমানকে রক্ষা না করে, এটিকে পুনরায় করপোরেশনে রূপান্তরের মতো অযাচিত সিদ্ধান্ত নিলে শর্ষের মধ্যে ভূত রয়েই যাবে। তাই সবার আগে মন্ত্রী বনাম বিমান চলাচলবিষয়ক সংসদীয় কমিটির চলমান বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। বিদ্যমান সংকট কাটিয়ে আমাদের জাতীয় পতাকাবাহী আকাশ পরিবহন সংস্থাটি আরও চাঙা হয়ে উঠবে, এ প্রত্যাশা সবার।
সোহেল নওরোজ, শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 08
(117)
- চারদিক-কাননে কুসুমকলি by সৈয়দা আখতার জাহান
- ছাত্ররাজনীতি-ছাত্রলীগ কর্মী নাসিমের মৃত্যু: দায় কা...
- সময়ের প্রেক্ষিত-দাবদাহে পুড়ছে জাপান by মনজুরুল হক
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে মসজিদে ইতিকাফ by...
- দুই দু’গুণে পাঁচ-শাস্তির স্বরূপ by আতাউর রহমান
- সময়চিত্র-সামরিক শাসনের আশঙ্কা রুদ্ধ হয়েছে কি? by আ...
- দখলমুক্ত রাখতে হবে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ-সদরঘাট-গাবতলী...
- দায় সরকারি শিথিলতার-জনশক্তি রপ্তানির প্রতারক চক্র
- স্মরণ-মৃত্যুঞ্জয়ী ব্রিগেডিয়ার জামিল আহমেদ by মোহাম...
- কালের পুরাণ-ইতিহাসের কাঠগড়ায় জিয়া-এরশাদ by সোহরাব ...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে সম্পদের জাকাত by...
- ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংলাপ-সংশয় ও আশাবাদের কয়েকটি দিক...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-সংবিধানের ব্যাপকভিত্তিক সংস্কার দ...
- জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রাপ্য-পুলিশ...
- আইনকে নিজস্ব পথে চলতে দিন-নুরুন্নবীকে রক্ষার তৎপরতা
- চলতি পথে-জীবনের জয়গান, যৌবনের জয়গান by দীপংকর চন্দ
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ম...
- ডিজিটাল বাংলাদেশ-সবার আগে এনবিআরকে ডিজিটাল করুন by...
- দূরদেশ-অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচন: দ্বিদলীয় ব্যবস্থার স...
- আদিবাসীদের শঙ্কা আমলে নিতে হবে-পার্বত্য ভূমিবিরোধ ...
- গণতন্ত্র ও সংবিধান সমুন্নত রাখতে হবে-হাইকোর্টের ঐত...
- মামলাজট ও একটি শুভ সংবাদ
- সেই কালরাত
- চরাচর-উভচর প্রাণী হারিয়ে যাচ্ছে by আজিজুর রহমান
- চারদিক-সম্ভাবনাময় কৈশোর by শান্তা তাওহিদা
- প্রতিক্রিয়া-কোদালকে কোদাল বলুন by হাসান ফেরদৌস
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে অহংকার বর্জন by ...
- গোধূলির ছায়াপথে-নামের পেছনে নয়, নাম ছুটবে পেছনে by...
- চিরকুট-মুদ্রারাক্ষস by শাহাদুজ্জামান
- তারুণ্য-তরুণেরাই বাংলাদেশকে বদলাতে পারবে by বদিউল ...
- এত অসুবিধায় নাগরিক জীবন চলবে কী করে?-জলাবদ্ধতার রা...
- আইনানুগ পন্থা সব সময়ের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট-দুই প্রতিষ...
- আলোকের এই ঝরণাধারায় (পর্ব-১৮)-স্মৃতিপটে পুরান ঢাকা...
- জন্মদিন-জন্মশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি by আশরাফুল হক
- নিরাপদ খাবার-আমাদের শিশুরা কী খাচ্ছে by মশিউল আলম
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় রোজার ভ...
- বাঘা তেঁতুল-খালাতো ভাই ও জেলাতো ভাই by সৈয়দ আবুল ম...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-একটি অব্যক্ত বেদনাময় স্মৃতিচারণা ...
- ফতোয়াবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে-পোশাকে...
- সরকারের তৎপরতা বহু গুণে বাড়ানো প্রয়োজন-অ্যানথ্রাক্...
- ২৫ মার্চ '৭১-এ পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণ ও গণহত্যা...
- মত ও মন্তব্য-কালরাত্রি স্মরণে : যুক্ত পাকিস্তানের ...
- সর্বোচ্চ বরাদ্দের ছয় খাত
- করমুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত বাড়ল ন্যূনতম আয়কর
- সম্পাদকের কলাম-আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার by ইমদাদু...
- আন্তর্জাতিক ও মোবাইল কলে নতুন কর
- চারদিক-শতবর্ষ পেরিয়ে রামনারায়ণ পাবলিক লাইব্রেরি by...
- কালের পুরাণ-খোন্দকার দেলোয়ার, এত দিন কোথায় ছিলেন? ...
- অভিমত ভিন্নমত
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-মাহে রমজানে সদাচরণ ও পরোপকার...
- কোনো কর্মসূচি যেন জনদুর্ভোগের কারণ না হয়-রাস্তা দখ...
- প্রদীপের নিচের থেকে দূরের অন্ধকার আরও গাঢ়-ঢাকার বা...
- আন্তর্জাতিক ও মোবাইল কলে নতুন কর
- তিশার তিন সাজ by তারিকুর রহমান খান
- ওদের রঙিন ঈদ by শারমিন নাহার
- চলছে প্রাথমিক বাছাইপর্ব by সৈয়দা আখতার জাহান
- এবারের ঈদ চলতি by ফারহানা আলম
- চারদিক-জেলেদের ইলিশগল্প by নেয়ামতউল্যাহ
- অরণ্যে রোদন-আসুন, লড়াই করি এবং বাঁচি by আনিসুল হক
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-দলীয় সন্ত্রাসকে প্...
- কর রাজস্বেই বেশি নজর
- অনির্বাচিত প্রশাসক দিয়ে দীর্ঘদিন চালানো উচিত নয় জে...
- সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম-অসুস্থ ও ভ্রমণরত অবস্থায় রোজ...
- সরল গরল-মাহমুদুর রহমানের গুরুদণ্ড by মিজানুর রহমান...
- সময়মতো বেতন-ভাতা পরিশোধ করুন-রূপগঞ্জে পোশাকশ্রমিক ...
- নিয়মনীতি কঠোরভাবে অনুসরণই কাম্য-শেয়ারবাজারে ঝুঁকি ...
- জন্মদিন-‘আমি সাক্ষী মাত্র’ by ইসরাত জাহান
- দিল্লির চিঠি-শেখ মুজিব ও উপমহাদেশের রাজনীতি by কুল...
- হাওয়াই ড্রাইভ by ফেরদৌস আহমেদ
- যা কিছু প্রথম-উচ্চতা জয়
- বুক অব ফ্যাক্টস-প্রতিষ্ঠাতা by আইজ্যাক আজিমভ
- বাজারে নতুন
- যা নিয়ে আছি-কোরআন শরিফের বাংলা তরজমা
- মাটির রঙের ফেরিওয়ালা by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- ভালো বাবা
- সিসিমপুর-চাঁদ আঁকল ইকরি
- জল পড়ে পাতা নড়ে by টোকন ঠাকুর
- আয়শা ও একদল হাতি by সাইদুজ্জামান রওশন
- চারুশিল্প-শিল্পগুরুকে শ্রদ্ধাবনত স্মরণ by জাফরিন গ...
- লেখালেখি নিয়ে অরহান পামুক-ভূমিকা ও অনুবাদ: আন্দালি...
- আবির্ভাব by বিক্তোর হারা
- সা ক্ষা ৎ কা র-জনপ্রিয় সাহিত্যের বিস্তার বেশি দরকা...
- চারদিক-আমার একটা নদী ছিল by দীপংকর চন্দ
- ধর্ম-মানুষকে জবাবদিহি করতে হবে by মুহাম্মদ আবদুল ম...
- জাতীয় সম্পদ রক্ষায় হেলাফেলা ছাড় পেতে পারে না-বীজভা...
- ঝুঁকিমুক্ত রাখতে চাই কার্যকর পদক্ষেপ-তৈরি পোশাক খাত
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- বাজেট জনগণের জন্য কোনো সুফল আনবে না: বিএনপি
- ঘাটতি অর্থায়নে বড় ভরসা ব্যাংকঋণ
- স্বপ্ন আছে, পূরণে জোর নেই
- সরল গরল-সংসদ ও সুপ্রিম কোর্টের জবাবদিহি by মিজানুর...
- সুশাসন-সরকারের বড় শত্রু—দুদক by শাহ্দীন মালিক
- পিপিপির জন্য আবারও তিন হাজার কোটি টাকা by ফখরুল ইসলাম
- স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন প্রধান বিচারপতি-বিচা...
- বাজেট ২০১২-১৩-আশাবাদ বেশি, পদক্ষেপ কম
- ড্যান মজিনার উদ্বেগ
- মোবাইল ফোনে সারচার্জ-বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করুন
- চরাচর-পাবলিক লাইব্রেরি : এক নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডা...
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-অবলা নারী সবলা হলো না by আইরিন ...
- অনুসন্ধান-মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের দূতাবাস by নুরুল ইসল...
- অমৃতবৃক্ষের বিষফল by মাহবুব মোর্শেদ
- প্রকৃতি-সামাজিক বনায়ন না বিদেশি আগ্রাসন by জাকিয়া ...
- ভারত-মনমোহন রাষ্ট্রপতি এবং রাহুল প্রধানমন্ত্রী! by...
- মাদকাসক্তি মোকাবেলা-সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি
- রাজধানীতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি-অভিজাত এলাকায় নিরাপত্তা ...
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৭৯)-দেশমাতৃকার মুক্তির জ...
- শেকড়ের ডাক-ঋণের টাকায় ঘি কারা খাবে? by ফরহাদ মাহমুদ
- কতটা দূরে হলে নিরাপদ দূরত্ব হয়? by হায়দার আকবর খান...
- সমাজ বিনির্মাণে আল কোরআন by মোঃ শাহাদাত হোসেন
- রাশিয়ায় ইসলামের বিস্তার by জহির উদ্দিন বাবর
- শিশুরা পার্থিব জীবনের শোভা by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- বিপন্ন মাদ্রাজ চেক! by আসিফ আহমেদ
- স্বপ্নচারী এক চিকিৎসক by আনোয়ার ফরিদী
- সড়ক দুর্ঘটনা-ভুলটা সামান্য কিন্তু ক্ষতিটা? by এবিএ...
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-মানুষ কি আবার বানর হওয়ার পথে by...
- শস্যহীন মংলা-লবণপানি নয়, মিঠাপানি চাই
- মুখোমুখি সংসদ ও বিচার বিভাগ-স্পিকার সুচিন্তিত মতাম...
-
▼
Jun 08
(117)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment