Thursday, May 3, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: হাঁটতে হবে যুক্তির পথে আমার প্রতিবেশী কে হবেন, তা আমার ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। প্রতিবেশী যদি ভালো হয়, তাহলে সোনায় সোহাগা। আর খারাপ হলে ভাবতে হয়, কেমন করে সম্পর্কটা ভালো করা যায়, তিক্ততা এড়িয়ে শান্তিতে বসবাস করা যায়।
বাংলাদেশ ও ভারত দুই প্রতিবেশী দেশ। আগে এ দুটি একই দেশ ছিল। পরে তা ভাগ হয়ে গেছে। এর আছে বিস্তৃত পটভূমি, যা তৈরি করেছে স্বতন্ত্র জাতিতত্ত্ব, অর্থনীতি এবং নাগরিকদের মনোজগত্। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বিজাতিতত্ত্বের অবধারিত ফল ছিল পাকিস্তান। বাঙালি মুসলমান পাকিস্তান চেয়েছিল, কিন্তু পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির অল্প সময়ের মধ্যেই বাঙালির মোহভঙ্গ হলো। তার পরের ইতিহাস আমরা জানি।
বাহাত্তরের ১০ জানুয়ারি রেসকোর্সের বিশাল সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন, জিন্নাহ সাহেবের দ্বিজাতিতত্ত্ব মিথ্যা হয়ে গেছে। আসলে কি তাই? গত প্রায় চার দশকের সালতামামি এ প্রতীতির জন্ম দেয় যে আমরা বাঙালি মুসলমানের একটা জাতীয় রাষ্ট্র পেয়েছি। এ কারণেই আমাদের বাঙালি মুসলমান পরিচয় ক্রমাগত মুখ্য হয়ে উঠেছে এবং বাঙালি মুসলমানদের মনস্তাত্ত্বিক বিচারে প্রতিবেশী ভারত দৃশ্যমান হয়েছে একটি ‘শত্রুরাষ্ট্র’ হিসেবে। তাই এখনো অনেককে বলতে শোনা যায়, জান না ওরা আমাদের সঙ্গে কী আচরণ করত? এ ‘নির্যাতিতের মনস্তত্ত্ব’ থেকেই উত্সারিত হয়েছে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের তত্ত্ব। পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্টের আগে আমরা যে পাসপোর্ট ব্যবহার করতাম, তাতে জাতীয়তা হিসেবে উল্লেখ করা হতো ‘সিটিজেন অব বাংলাদেশ’, এখন লেখা হয় ‘বাংলাদেশি’। আমরা এখন বাংলাদেশি হিসেবেই ভারতকে দেখতে অভ্যস্ত। এ ভারত হলো হিন্দু ভারত। বিষয়টাকে আরও অধিকতর ব্যঞ্জনা দেওয়ার জন্য কেউ কেউ বলেন, ইসলামাবাদের সঙ্গে আমাদের ঝগড়া ছিল মাত্র ২৩ বছরের। কিন্তু দিল্লির সঙ্গে আমাদের বিবাদ ৭০০ বছরের।
এ তো গেল আমাদের কথা, ভারতবাসী বিষয়টাকে কীভাবে দেখ? দিল্লির সাউথ ব্লকের আমলারা এবং তাঁদের পৃষ্ঠপোষক রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে ইতিহাসের একটি ভুল সংশোধনের মাধ্যম হিসেবে দেখেন। তাঁদের চোখে পাকিস্তান রাষ্ট্রটি ছিল একটি ঐতিহাসিক ভ্রান্তি। একাত্তরে এর একটি মীমাংসা হয়েছে। কিন্তু এ তত্ত্ব অনুযায়ী বাংলাদেশ দিল্লির অনুগত একটি অবস্থান বজায় রেখে চলবে—এ রকমই আশা করেছিলেন অনেকে, সেটা হয়নি। এ কারণে বাংলাদেশের ব্যাপারে একটা বৈরী মনোভাব ভারতীয় প্রশাসনে ও কূটনীতিতে মাঝে-মধ্যেই দেখা যায়। এর প্রকাশ ঘটে দুই রাষ্ট্রের আন্তসম্পর্কের ক্ষেত্রে। দুর্বল ও ছোট দেশ হওয়ার কারণে অবহেলা করা, সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া বা জোর খাটানোর প্রয়াস ভারতীয় রাষ্ট্রনীতিতে দৃশ্যমান।
ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কতগুলো গুরুতর অভিযোগ আছে। যেমন: উজানে বাঁধ দিয়ে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করা, অসম বাণিজ্যনীতি ও বাণিজ্য উদারীকরণের ক্ষেত্রে বাধা, ছিটমহলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি ইত্যাদি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও ভারতের বেশ কিছু অভিযোগ আছে এবং এগুলোও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যেমন: বাংলাদেশ থেকে হিন্দু বিতাড়ন (যাঁরা আশ্রয়ের জন্য ভারত যান), ভারতের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ ও ‘উগ্রপন্থী’ গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের পূর্ব ও পশ্চিমাংশের মধ্যে ট্রানজিট বা করিডর দেওয়ার বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা ইত্যাদি।
রাষ্ট্রীয়ভাবে এ অভিযোগগুলো বরাবর অস্বীকার করা হলেও বাস্তবে এগুলো সত্য। এসব অভিযোগ টেবিলে রেখে খোলামনে আলাপ-আলোচনা করা বা এ ধরনের সংলাপের জন্য পরিবেশ তৈরি করা খুবই জরুরি। আমাদের এ দেশেই বসবাস করতে হবে এবং প্রতিবেশীকে সঙ্গে নিয়েই। আলোচনা হতে হবে নাগরিকদের স্বার্থে। ১৯০৫ সালে কে কাকে গালি দিয়েছিল, ১৯৪৬ সালে কে কার বাড়ি লুট করেছিল—এ নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা হতে পারে, কিন্তু আন্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সুস্থ বিকাশ সম্ভব নয়।
ভারতের সিভিল সোসাইটির দায়িত্ব ভারতের জনগোষ্ঠী ও সরকারকে বোঝানো যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত রাষ্ট্রের আচরণ অনেক ক্ষেত্রেই সমতাভিত্তিক নয়, সম্মানজনকও নয়। আমাদের সিভিল সোসাইটির দায়িত্ব হচ্ছে, আমাদের সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করা, জনসচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করা, যাতে আমরা এ বৈরী সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারি।
বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী, আমলা এবং রাজনীতিক উত্তর-পূর্ব ভারতের দেড় কোটি মানুষের বাজারের দিকে তাকিয়ে আছেন। ট্রানজিটের বিরোধিতার এটি একটি অন্যতম কারণ। কিন্তু আমাদের পশ্চিমে ভারতের ১০০ কোটি মানুষের যে বিশাল বাজার পড়ে আছে, আমরা তা দেখছি না। আমাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই আমরা শুধু বাধা দেখি, সুযোগ দেখি না।
ভারত-বিরোধিতা আমাদের অনেকের মজ্জাগত। আহমেদাবাদে দাঙ্গা হলে আমাদের মুসলমানি রক্ত টগবগ করে। চীনে মুসলমান নিধন হলে এখানে কোনো প্রতিবাদ-বিক্ষোভ মিছিল বের হয় না। টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে আমরা অনেক হইচই করলাম। কিন্তু ব্রহ্মপুত্র বাঁধ নিয়ে আমাদের মুখে টুঁ শব্দটিও নেই। ভারত ও চীনের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় সমান সমান। কিন্তু আমরা গেল গেল রব তুলি কেবল ভারতের বেলায়।
বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারত রাষ্ট্রের আচরণ অনেকটাই শভিনিস্টিক—সহজ বাংলায় বলা যেতে পারে দাদাগিরি। এ অভিযোগ ভারতের বিরুদ্ধে শুধু বাংলাদেশের নয়, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কারও। আবার ভারতের মধ্যেও দাদাগিরি আছে। উত্তর-পূর্ব ভারত ও দক্ষিণের সঙ্গে উত্তর-পশ্চিম ভারতের আচরণও সমতাভিত্তিক নয়। বলা হয়ে থাকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোকে যে চোখে দেখে, ভারত তার প্রতিবেশীদেরও সে রকম দৃষ্টিতেই দেখে।
আমরা অবশ্যই ভারতের সব ধরনের অবমাননাকর আচরণের প্রতিবাদ করব। কিন্তু আমাদের হাঁটতে হবে যুক্তির পথে, ভবিষ্যতের দিকে। আমি মনে করি না, ভারতীয় রেলওয়ে কিংবা বিদ্যুত্ গ্রিডে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হয়ে যাবে।
শুধু সাংসদ বা জজদের ভিসা ছাড়া ভারতে বেড়ানোর জন্য আমরা এ দেশ স্বাধীন করিনি। আমরা সব নাগরিকের অবাধ যাতায়াতের পথে সব ধরনের বাধা দূর করতে চাই। এ দুই দেশের নেতারা যখন আলোচনায় বসেন, তখন নাগরিকদের অধিকার ও স্বাচ্ছন্দ্যের কথা তাঁদের ভাবতে হবে। বছরে কয়েকটি সাংস্কৃতিক দলের পাল্টাপাল্টি সফর হলেই সম্পর্ক ভালো হবে না, প্রয়োজন সাধারণ মানুষকে পারস্পরিক মেলামেশার সুযোগ করে দেওয়া। এ দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে কেবল সাধারণ মানুষই। এটাকে সম্পূর্ণভাবে আমলাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।
মহিউদ্দিন আহমদ, ঢাকা।
mohi 2005 @ gmail.com
বিপন্ন নদী: বিপর্যস্ত জীবন
জালের মতো দেশজুড়ে আমাদের নদী। বড় অহংকার বাঙালিদের এ নিয়ে। এখানকার সভ্যতার জয়যাত্রা তথা মানব বসতি, কৃষির পত্তনের সঙ্গে গ্রাম-নগর-বন্দর গড়েছে ওই নদী। অধিবাসীদের প্রাণশক্তির বিকাশে, তাদের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশ ও বিস্তারে এর রয়েছে অসামান্য ভূমিকা। নদীগুলো কূল ভাঙে, আবার কূল গড়েও। নদীবাহিত পলি পড়ে উর্বর হয় ফসলি জমি। শাখানদী, উপনদী মিলে দেশের নদীর সংখ্যা প্রায় ৭০০। এ ছাড়া মৌসুমি খাঁড়ি, পাহাড়ি ছড়া, বিল-হাওর-বাঁওড় তো রয়েছেই।
কিন্তু দুঃখজনক যে পদ্মা (উত্সমুখে গঙ্গা), ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মতো আন্তর্জাতিক নদীসহ দেশের সব নদীই ক্রমান্বয়ে নাব্যতা হারাচ্ছে। ভাটিতে অবস্থানের দরুন সীমান্ত দিয়ে বয়ে আসা নদীর ওপর বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই হচ্ছে প্রবল বন্যা এবং শুষ্ক মৌসুমে প্রচণ্ড খরা। একদিকে নদীবাহিত পলি পড়ে ভরাট হচ্ছে নদী, অপরদিকে উত্সমুখে পর্যায়ক্রমে বাঁধ নির্মাণ, জনবসতি ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে নদী ভরাট এবং দূষিত বর্জ্য ফেলে নদীর আয়ু হ্রাস করা হচ্ছে। এ অবস্থা আসলেই নদীর জন্য আশঙ্কার কারণ হয়ে উঠেছে।
নদীর নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় দেশের অনেক জায়গায়ই হালকা নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের রিও গ্র্যান্ডি কলোরাডো নদী শুকিয়ে ভারী জলযান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় তারা কমিশন গঠন করে নদী দুটির গভীরতা পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করেছে। এ রকম কমিশন গঠন করে আমাদের দেশেও নদী সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি। সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে পরিবহন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে উদ্ভূত যানজট নিরসনের স্বার্থে এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির অনন্য উত্সমুখ আবহমানকালের বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার স্বার্থেই নদীগুলোকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যে নদী নিয়ে হাজার বছর আগে চর্যাপদের কবিরা চমত্কার করে লিখেছিলেন ‘ভবণই গহণ গম্ভীর বেগেঁ বাহি’। অর্ধশতাব্দী কাল আগেও এক বাঙালি কবি পদ্মা নদীর বিশালতা নিয়ে লিখেছিলেন: ‘গহীন নদীর দুই পার দিয়া আঁখি যায় যত দূরে’। আমাদের নদীগুলোকে এখন দেখলে সেই দৃশ্য কি চোখে পড়ে? বরং রবীন্দ্রনাথের আমাদের ছোট নদী কবিতার কথাই বারবার মনে পড়ে।
আমরা যদি নদীর প্রতি মনোযোগী না হই, তবে এমন একসময় আসতে পারে যখন আমাদের নানা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হবে। শঙ্কিত হয়ে ওঠার মতো একটা ভবিষ্যত্ অপেক্ষা করছে না তো? এ মুহূর্তে মনে পড়ছে, হলিউডের সাড়া-জাগানো ছবি দ্য ডে আফটার টুমরো-এর কথা, যাতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দেখানো হয়েছে, বরফযুগ গ্রাস করছে আমেরিকাকে। সামান্য একটু রৌদ্রের প্রত্যাশায় লাখ লাখ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে পাশের দেশ মেক্সিকোতে। জনশূন্য নিউইয়র্ক শহর—যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে নেকড়ের দল। ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত ক্যালিফোর্নিয়া শহর। এমন কোনো বিপর্যয় অপেক্ষা করে নেই তো দক্ষিণ এশিয়ার গাঙ্গেয় বদ্বীপের এ ছোট্ট দেশটির জন্য?
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
pr_saif@yahoo.com
এফএম রেডিওর সম্ভাবনা
স্যাটেলাইট টিভির পরে এফএম রেডিওর আবির্ভাবের ফলে দেশে গণমাধ্যমের বহুমুখীনতার যে সূচনা ঘটেছে তা গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এ দেশেও এফএম রেডিও গান, মিউজিক, আড্ডা ইত্যাদি প্রচার করে। এফএম রেডিওর কারণে ইদানীং বাংলা গানের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। আমাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি এক নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও এ দেশের বাজারে হিন্দি ও ভারতীয় বাংলা গানের আধিপত্য ছিল। ইদানীং এটা অনেকখানি কমেছে। হিন্দি গান খুব কমই শোনা যায়।
কিন্তু এফএম বেতারকেন্দ্রগুলোর উপস্থাপকরা (রেডিও জকি বা আরজে) এমন উচ্চারণে বাংলা বলেন, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। তা ছাড়া ইংরেজি শব্দের আধিক্য প্রায় দৃষ্টিকটু মাত্রায়। এসব নিয়ে চিন্তাভাবনা করার অবকাশ আছে। এ বিষয়ে একটি জাতীয় নীতিমালা থাকা উচিত, যেখানে ভাষা ব্যবহারের একটি আদর্শ মান সম্পর্কে নির্দেশনা থাকবে। এফএম রেডিও একটি গণমাধ্যম, গণমাধ্যমের আনুষ্ঠানিক ভাষা মান ভাষা হওয়া উচিত। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই তা-ই আছে।
এ ছাড়া, আরজেদের আড্ডার বিষয়বস্তুর মধ্যে তরুণ-তরুণীদের প্রেম-ভালোবাসাই প্রধান। এটি অনেক সময় একঘেঁয়ে লাগে। তা ছাড়া তরুণ সমাজের আলোচনা করার বিষয় কী আর নেই? প্রেম-ভালোবাসাই কি তাঁদের একমাত্র আগ্রহের বিষয়? তা হতে পারে না। শিক্ষাজীবনের সমস্যাসহ বিভিন্ন সমসাময়িক প্রসঙ্গেও এফএম রেডিওতে আড্ডা হতে পারে, হওয়া উচিত।
বিশ্বের অনেক দেশে এফএম রেডিও স্টেশনগুলো বিনোদনধর্মী। সংবাদ প্রচারের অনুমতি তাদের থাকে না। আমাদের দেশের অধিকাংশ এফএম রেডিও স্টেশন সংবাদ প্রচার করে। অর্থাত্ এখানে বেসরকারি পর্যায়ে বেতার সাংবাদিকতারও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এফএম রেডিওর প্রচারসীমা সীমিত হলেও কার্যকারিতার দিক থেকে এর সম্ভাবনা বিরাট। বিনোদনের পাশাপাশি সংবাদ ও তথ্যমূলক নানা অনুষ্ঠান আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে এফএম রেডিওগুলো সামনের দিনগুলোতে আরও জনপ্রিয় ও জনকল্যাণকর হতে পারে।
শাকিল মনজুর, ঢাকা।
কোটা পদ্ধতি ও জাতীয় অদক্ষতা
সরকারি নিয়োগের নীতিমালা অনুযায়ী শতকরা ৫৫ ভাগ কোটা নির্ধারিত আছে। অর্থাত্ রাষ্ট্রীয় কর্মীবাহিনীতে মেধাবীদের জন্য অর্ধেক জায়গাও নেই। সংবিধানের ২৯(১) অনুচ্ছেদে ‘সরকারী নিয়োগ লাভের সমতা’র কথা থাকলেও, এই সংবিধানেরই ২৯(৩)(ক) অনুচ্ছেদে কোটা পদ্ধতির কিছুটা বৈধতা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান প্রণয়ন করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।” আমাদের কোটা সংক্রান্ত নীতিমালায় মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান (৩০%), মহিলা, উপজাতি, জেলা, প্রতিবন্ধী ইত্যাদি কোটা রয়েছে।
প্রথমে আসি সবচেয়ে বড় কোটা মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের কোটা নিয়ে। মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালে দেশকে স্বাধীন করেছেন। তাই তাদের কাছে জাতি চিরঋণী। রাষ্ট্রের তাঁদের জন্য অবশ্যই অনেক কিছু করণীয় আছে। তবে রাষ্ট্রের প্রথম শ্রেণীর পদগুলোতে যদি কোটার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়, তবে রাষ্ট্র পরিচালনা অদক্ষ থেকে যাবে, উন্নয়ন ব্যাহত হবে; আর আমরা বঞ্চিত হব প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ থেকে। তা এই মহান মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নও ভেঙে দেবে। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে রাষ্ট্র নানাভাবে সহায়তা করতে পারে; যেমন—তাদের জন্য আজীবন আর্থিক সহায়তা দিতে পারে, চাষাবাদের জমি দিতে পারে, এমনকি বিসিএস ও প্রথম শ্রেণীর সরকারি চাকরি ছাড়া অন্য চাকরির ক্ষেত্রে এই কোটা রাখা যেতে পারে।
মহিলা, উপজাতি, প্রতিবন্ধীরা নিঃসন্দেহে জাতির অনগ্রসর অংশ। তাই সংবিধান অনুযায়ী এই কোটাগুলো বৈধ। কিন্তু মহিলাদের চাকরির ক্ষেত্রে কোটা প্রদান করে প্রজাতন্ত্রের কর্মে প্রতিনিধিত্ব না করিয়ে বরং তাদের শিক্ষা ও উন্নতির সুযোগ এমনভাবে প্রদান করা, যাতে তারা যোগ্য হয়ে কোটা নয় বরং মেধা দিয়েই প্রজাতন্ত্রের কাজে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।
প্রতিবন্ধীরা প্রকৃতপক্ষেই সুবিধাবঞ্চিত অংশ, তাদের শিক্ষা ও উন্নয়নের জন্য আমরা কোনো বিশেষ ব্যবস্থা করতে পারি না, তাই তাদের জন্য সামান্য পরিমাণ কোটা রাখা যেতে পারে। উপজাতীয়রা আরেকটি অনগ্রসর অংশ। তাদের উন্নতির জন্যও সরকার তাদের শিক্ষা ও মৌলিক প্রয়োজনগুলোর দিকে বেশি নজর দিতে পারে। এভাবেই তাদের উন্নতি টেকসই হতে পারে। জেলা কোটা থেকে কখনো একটি জেলার উন্নতি করা যায় না। অনগ্রসর জেলাগুলোতে বেশি বেশি উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে সেখানকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
সবার স্বার্থে প্রজাতন্ত্রের প্রথম শ্রেণীর চাকরিতে কোটা পদ্ধতির বিলোপ করা।
শেখ আজম আলী
শিক্ষার্থী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংসদ: বিচারপতির মন্তব্য
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী গত ১৯ ডিসেম্বর ব্র্যাক সেন্টারে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার আয়োজিত ‘গণমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ এবং রাজনৈতিক সহিংসতা: রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি’ শীর্ষক সেমিনারে সংসদ সদস্যদের সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সাংসদদের আইন সম্পর্কে ধারণা থাকা উচিত। তাঁদের সম্পর্কে তিনি আরও মন্তব্য করেন, কেরানিরা আইনের খসড়া তৈরি করেন আর মূর্খ সাংসদেরা হু-হু করে হাততালি দিয়ে তা পাস করেন। কারণ, নিজদলীয় লোক তা উত্থাপন করেন। অনেক সময় তাঁরা খসড়া আইনটি পড়েও দেখেন না। এ মন্তব্যের পরদিন আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম সেই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংসদ অবমাননার অভিযোগে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করার হুমকি দেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে সংসদে নিন্দা প্রস্তাব আনার কথা বলেন। এর পরদিন ওই বিচারপতিকে আইনমন্ত্রী আইন প্রণয়ন-প্রক্রিয়া সম্পর্কে অজ্ঞ বলে মন্তব্য করেন।
প্রশ্ন হচ্ছে, ওই বিচারপতি সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা কি একেবারেই ভিত্তিহীন? যেকোনো ব্যক্তি বাংলাদেশ সংসদের অধিবেশন নিয়মিত দেখলেই বুঝতে পারবেন। বর্তমান সংসদের শুরুতেই নতুন সংসদ সদস্যদের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে স্পিকারের সংসদ পরিচালনায় অসুবিধা হচ্ছে—এমন মন্তব্যের কারণে প্রধানমন্ত্রী নতুন সাংসদদের প্রশিক্ষণের কথা বলেছিলেন। প্রধান বিরোধী দলের অব্যাহত সংসদ বর্জনের কারণে প্রায় অধিকাংশ অধিবেশনেই সংসদ অকার্যকর থাকে। সপ্তম ও অষ্টম সংসদে জাতীয় পার্টির বেশ কিছু অভিজ্ঞ সদস্য সংসদে থাকায় তাঁরা উত্থাপিত বিলের বিভিন্ন অংশ নিয়ে সমালোচনা করতেন। কিন্তু বর্তমান সংসদে অধিকাংশ দিনই কোনো বিরোধী দলের সদস্য উপস্থিত না থাকায় মহাসমারোহে সরকারি দল বিল উত্থাপন ও তা পাস করে।
তাই বিচারপতি নজরুল ইসলাম যে উক্তি করেছেন, তাতে ক্ষুব্ধ না হয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে আইন প্রতিমন্ত্রীর বাস্তব অবস্থা চিন্তা করে আত্মসমালোচনা করা উচিত। সাংসদদের উচিত দেশের শাসন-ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যাপক অধ্যয়ন। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া। আর সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করার সময় এসেছে।
খাদেমুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
ভর্তিযুদ্ধ থেকে শিশুদের মুক্তি দিন
আমার প্রথম সন্তান এবার স্কুলে ভর্তির প্রতিযোগিতায় নেমেছে। প্রতিযোগিতা তো নয়, যেন যুদ্ধ। এ যুদ্ধে জয়ী হলে সে পাবে ঢাকা শহরের হাতেগোনা কয়েকটি ভালো স্কুলের একটিতে পড়ার সুযোগ। এ ভর্তিযুদ্ধে শামিল হয়েছে পাঁচ থেকে নয় বছর বয়সী কয়েক হাজার শিশু। ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের বাস। দুঃসহ যানজটের এ শহরের এক প্রান্তে বাস করে অন্য প্রান্তের স্কুলে পড়ার সুযোগ পাওয়াও যেন শিশুর মতোই তার মা-বাবার জন্যও বিজয় অর্জন। এ কথা বলার কারণ, রাজধানীতে সরকারি স্কুল হাতেগোনা। এগুলোতে আসনসংখ্যাও সীমিত। প্রতিটি আসনের বিপরীতে ভর্তিচ্ছু থাকে পাঁচ থেকে ১০ জন। বেসরকারি ভালো স্কুলগুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। অথচ শিক্ষা প্রত্যেক শিশুর মৌলিক অধিকার।
শিক্ষার্থীর তুলনায় সরকারি-বেসরকারি ভালো স্কুল ও এগুলোর আসনসংখ্যা মোটেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণে এমন মা-বাবাও আছেন, যাঁরা সন্তানকে কোনো স্কুলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়িয়ে ভালো স্কুলে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করাতে আনছেন, যেন সে ভর্তিযুদ্ধে টেকে।
এখানেই শেষ নয়, ভর্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে ছয় মাস, এক বছর, কখনো কখনো দুই বছর ধরে। এ যুদ্ধের জন্য কোচিং করানো অনিবার্য। কারণ, ভর্তি পরীক্ষায় ১০০-তে ১০০ (বর্তমানে ৫০-এ ৫০) না পেলে নাকি বাচ্চারা ভর্তি হতে পারবে না। কাজেই কোচিং সেন্টারের মেশিনের মধ্য দিয়ে মগজ ধোলাই করে তারপর তাকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাতে হয়। কী ভয়াবহ সেই কোচিং, সেখানে না গেলে তার প্রকৃত অবস্থা বোঝা সম্ভব নয়। প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোথাও কোনো সিলেবাস নেই। তাই প্রথম শ্রেণীতে ভতিচ্ছুদের স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে শুরু করে তৃতীয় শ্রেণীর পাঠ্য গণিত পর্যন্ত সবই তোতা পাখির মতো শিখিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর সাধারণ জ্ঞান (!) যা শেখানো হয়, তা একজন বিসিএস পরীক্ষার্থীরও শিখতে বেগ পেতে হয়। এসব শেখানোয় অনেক মা খুশিও হচ্ছেন। তাঁরা ভাবছেন, সন্তানেরা অনেক কিছু শিখে ফেলেছে। যে শিশু স্কুলের ধাপগুলো একটু একটু করে পার হয়ে এসব শিখতে পারত, তা কয়েক মাসেই পড়িয়ে ফেলা হলো। এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে!
এটি কি সঠিক পদ্ধতি? আমার বিবেক-বিবেচনায় তা বলে না। এ শহরে এক কোটিরও বেশি মানুষের বাস। শিক্ষার্থীর তুলনায় সরকারি-বেসরকারি স্কুল কম। ইংলিশ মিডিয়াম কিছু স্কুলও আছে, তবে সেগুলোতে পড়ানোর ব্যয় বহন করা অনেক অভিভাবকের পক্ষে সম্ভব নয়। তাহলে এ সমস্যার সমাধান কী? সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়ানো এবং একই সঙ্গে এগুলোতে আসনসংখ্যা বাড়ানো। বাড়াতে হবে ভালো বেসরকারি স্কুলও। বেসরকারি স্কুলগুলোর মানও ধীরে ধীরে বাড়ানো দরকার। বোধ করি বহুমুখী শিক্ষার মাধ্যমও কমানো দরকার। আর দরকার মা-বাবার মানসিকতার পরিবর্তন। তাদের ভাবতে হবে, সন্তান শিশু, তার মেধা রয়েছে এবং পারিবারিক পরিবেশেই সে হয়ে উঠতে পারে একজন অসাধারণ মানুষ। তারা শিশুকে এলাকার ভালো স্কুলে দিয়ে প্রতিদিনের যাতায়াতের কষ্ট থেকে মুক্তি দিয়ে এবং সময় বাঁচিয়ে কোনো সৃজনশীল কাজে নিয়োজিত করতে পারেন। জানি, কোনো কিছুই একদিনে সম্ভব নয়, তবু সরকারসহ সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যদি আজ থেকেও আমরা ভাবী এসবের সমাধান নিয়ে, তাহলে বোধহয় এ যুদ্ধের হাত থেকে ওদের মেধাগুলোকে বাঁচাতে পারব।
বিদৌরা সুমি
কলাবাগান, ঢাকা।
বেহাল এনজিও ব্যুরো
সম্প্রতি প্রথম আলোর প্রতিবেদনে এনজিও ব্যুরোর বিভিন্ন সংকট, প্রতিষ্ঠানটির ওপর অর্পিত দায়িত্বগুলো যথাযথভাবে পালনে ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। অসংখ্য এনজিওর সঠিক তত্ত্বাবধান, নজরদারি ও নিরীক্ষা ভীষণভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ক্ষুদ্রঋণ-সংশ্লিষ্ট বহু এনজিও বর্তমানে তাদের মূল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মকাণ্ড থেকে বিচ্যুত্ হয়ে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বাণিজ্যিক কাজে নিয়োজিত হচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণ, দারিদ্র্যবিমোচন ইত্যাদি শব্দ সংবলিত সাইনবোর্ড এখন শুধু নিজেদের রক্ষাকবচ। বহু এনজিও প্রাপ্ত অনুদানের টাকায় অথবা সদস্যদের সঞ্চয়ের টাকা ব্যবহার করে শহরে বড় বড় ভবন নির্মাণ অথবা গ্রামাঞ্চলে বিপুল সম্পত্তি ক্রয় করে বা লিজ পেয়ে তাতে নানা ধরনের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। এতে করে সংশ্লিষ্ট এনজিওর মালিক তথা উদ্যোক্তারা আর্থিকভাবে নিজেরা বিপুল লাভবান হলেও জড়িত সদস্য বা তথাকথিত উপকারভোগীদের ভাগ্যের কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটছে না।
এ অবস্থা নিরসনকল্পে এনজিও ব্যুরোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে সারা দেশের সব শ্রেণীর এনজিওর কাজের তদারকি, নজরদারি ও নিরীক্ষা কার্যক্রম জোরদারের বিকল্প নেই। সেই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি খাতে পরিচালিত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প/কর্মসূচির সামগ্রিক মূল্যায়ন করে যথাযথ সহায়তা এবং পদক্ষেপ গ্রহণ অতীব জরুরি।
শাহীদুল আযম
সাবেক কর্মকর্তা, বিআরডিবি, ঢাকা।
বাহাত্তরের ১০ জানুয়ারি রেসকোর্সের বিশাল সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন, জিন্নাহ সাহেবের দ্বিজাতিতত্ত্ব মিথ্যা হয়ে গেছে। আসলে কি তাই? গত প্রায় চার দশকের সালতামামি এ প্রতীতির জন্ম দেয় যে আমরা বাঙালি মুসলমানের একটা জাতীয় রাষ্ট্র পেয়েছি। এ কারণেই আমাদের বাঙালি মুসলমান পরিচয় ক্রমাগত মুখ্য হয়ে উঠেছে এবং বাঙালি মুসলমানদের মনস্তাত্ত্বিক বিচারে প্রতিবেশী ভারত দৃশ্যমান হয়েছে একটি ‘শত্রুরাষ্ট্র’ হিসেবে। তাই এখনো অনেককে বলতে শোনা যায়, জান না ওরা আমাদের সঙ্গে কী আচরণ করত? এ ‘নির্যাতিতের মনস্তত্ত্ব’ থেকেই উত্সারিত হয়েছে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের তত্ত্ব। পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্টের আগে আমরা যে পাসপোর্ট ব্যবহার করতাম, তাতে জাতীয়তা হিসেবে উল্লেখ করা হতো ‘সিটিজেন অব বাংলাদেশ’, এখন লেখা হয় ‘বাংলাদেশি’। আমরা এখন বাংলাদেশি হিসেবেই ভারতকে দেখতে অভ্যস্ত। এ ভারত হলো হিন্দু ভারত। বিষয়টাকে আরও অধিকতর ব্যঞ্জনা দেওয়ার জন্য কেউ কেউ বলেন, ইসলামাবাদের সঙ্গে আমাদের ঝগড়া ছিল মাত্র ২৩ বছরের। কিন্তু দিল্লির সঙ্গে আমাদের বিবাদ ৭০০ বছরের।
এ তো গেল আমাদের কথা, ভারতবাসী বিষয়টাকে কীভাবে দেখ? দিল্লির সাউথ ব্লকের আমলারা এবং তাঁদের পৃষ্ঠপোষক রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে ইতিহাসের একটি ভুল সংশোধনের মাধ্যম হিসেবে দেখেন। তাঁদের চোখে পাকিস্তান রাষ্ট্রটি ছিল একটি ঐতিহাসিক ভ্রান্তি। একাত্তরে এর একটি মীমাংসা হয়েছে। কিন্তু এ তত্ত্ব অনুযায়ী বাংলাদেশ দিল্লির অনুগত একটি অবস্থান বজায় রেখে চলবে—এ রকমই আশা করেছিলেন অনেকে, সেটা হয়নি। এ কারণে বাংলাদেশের ব্যাপারে একটা বৈরী মনোভাব ভারতীয় প্রশাসনে ও কূটনীতিতে মাঝে-মধ্যেই দেখা যায়। এর প্রকাশ ঘটে দুই রাষ্ট্রের আন্তসম্পর্কের ক্ষেত্রে। দুর্বল ও ছোট দেশ হওয়ার কারণে অবহেলা করা, সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া বা জোর খাটানোর প্রয়াস ভারতীয় রাষ্ট্রনীতিতে দৃশ্যমান।
ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কতগুলো গুরুতর অভিযোগ আছে। যেমন: উজানে বাঁধ দিয়ে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করা, অসম বাণিজ্যনীতি ও বাণিজ্য উদারীকরণের ক্ষেত্রে বাধা, ছিটমহলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি ইত্যাদি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও ভারতের বেশ কিছু অভিযোগ আছে এবং এগুলোও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যেমন: বাংলাদেশ থেকে হিন্দু বিতাড়ন (যাঁরা আশ্রয়ের জন্য ভারত যান), ভারতের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ ও ‘উগ্রপন্থী’ গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের পূর্ব ও পশ্চিমাংশের মধ্যে ট্রানজিট বা করিডর দেওয়ার বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা ইত্যাদি।
রাষ্ট্রীয়ভাবে এ অভিযোগগুলো বরাবর অস্বীকার করা হলেও বাস্তবে এগুলো সত্য। এসব অভিযোগ টেবিলে রেখে খোলামনে আলাপ-আলোচনা করা বা এ ধরনের সংলাপের জন্য পরিবেশ তৈরি করা খুবই জরুরি। আমাদের এ দেশেই বসবাস করতে হবে এবং প্রতিবেশীকে সঙ্গে নিয়েই। আলোচনা হতে হবে নাগরিকদের স্বার্থে। ১৯০৫ সালে কে কাকে গালি দিয়েছিল, ১৯৪৬ সালে কে কার বাড়ি লুট করেছিল—এ নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা হতে পারে, কিন্তু আন্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সুস্থ বিকাশ সম্ভব নয়।
ভারতের সিভিল সোসাইটির দায়িত্ব ভারতের জনগোষ্ঠী ও সরকারকে বোঝানো যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত রাষ্ট্রের আচরণ অনেক ক্ষেত্রেই সমতাভিত্তিক নয়, সম্মানজনকও নয়। আমাদের সিভিল সোসাইটির দায়িত্ব হচ্ছে, আমাদের সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করা, জনসচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করা, যাতে আমরা এ বৈরী সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারি।
বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী, আমলা এবং রাজনীতিক উত্তর-পূর্ব ভারতের দেড় কোটি মানুষের বাজারের দিকে তাকিয়ে আছেন। ট্রানজিটের বিরোধিতার এটি একটি অন্যতম কারণ। কিন্তু আমাদের পশ্চিমে ভারতের ১০০ কোটি মানুষের যে বিশাল বাজার পড়ে আছে, আমরা তা দেখছি না। আমাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই আমরা শুধু বাধা দেখি, সুযোগ দেখি না।
ভারত-বিরোধিতা আমাদের অনেকের মজ্জাগত। আহমেদাবাদে দাঙ্গা হলে আমাদের মুসলমানি রক্ত টগবগ করে। চীনে মুসলমান নিধন হলে এখানে কোনো প্রতিবাদ-বিক্ষোভ মিছিল বের হয় না। টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে আমরা অনেক হইচই করলাম। কিন্তু ব্রহ্মপুত্র বাঁধ নিয়ে আমাদের মুখে টুঁ শব্দটিও নেই। ভারত ও চীনের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় সমান সমান। কিন্তু আমরা গেল গেল রব তুলি কেবল ভারতের বেলায়।
বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারত রাষ্ট্রের আচরণ অনেকটাই শভিনিস্টিক—সহজ বাংলায় বলা যেতে পারে দাদাগিরি। এ অভিযোগ ভারতের বিরুদ্ধে শুধু বাংলাদেশের নয়, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কারও। আবার ভারতের মধ্যেও দাদাগিরি আছে। উত্তর-পূর্ব ভারত ও দক্ষিণের সঙ্গে উত্তর-পশ্চিম ভারতের আচরণও সমতাভিত্তিক নয়। বলা হয়ে থাকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোকে যে চোখে দেখে, ভারত তার প্রতিবেশীদেরও সে রকম দৃষ্টিতেই দেখে।
আমরা অবশ্যই ভারতের সব ধরনের অবমাননাকর আচরণের প্রতিবাদ করব। কিন্তু আমাদের হাঁটতে হবে যুক্তির পথে, ভবিষ্যতের দিকে। আমি মনে করি না, ভারতীয় রেলওয়ে কিংবা বিদ্যুত্ গ্রিডে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হয়ে যাবে।
শুধু সাংসদ বা জজদের ভিসা ছাড়া ভারতে বেড়ানোর জন্য আমরা এ দেশ স্বাধীন করিনি। আমরা সব নাগরিকের অবাধ যাতায়াতের পথে সব ধরনের বাধা দূর করতে চাই। এ দুই দেশের নেতারা যখন আলোচনায় বসেন, তখন নাগরিকদের অধিকার ও স্বাচ্ছন্দ্যের কথা তাঁদের ভাবতে হবে। বছরে কয়েকটি সাংস্কৃতিক দলের পাল্টাপাল্টি সফর হলেই সম্পর্ক ভালো হবে না, প্রয়োজন সাধারণ মানুষকে পারস্পরিক মেলামেশার সুযোগ করে দেওয়া। এ দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে কেবল সাধারণ মানুষই। এটাকে সম্পূর্ণভাবে আমলাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।
মহিউদ্দিন আহমদ, ঢাকা।
mohi 2005 @ gmail.com
বিপন্ন নদী: বিপর্যস্ত জীবন
জালের মতো দেশজুড়ে আমাদের নদী। বড় অহংকার বাঙালিদের এ নিয়ে। এখানকার সভ্যতার জয়যাত্রা তথা মানব বসতি, কৃষির পত্তনের সঙ্গে গ্রাম-নগর-বন্দর গড়েছে ওই নদী। অধিবাসীদের প্রাণশক্তির বিকাশে, তাদের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশ ও বিস্তারে এর রয়েছে অসামান্য ভূমিকা। নদীগুলো কূল ভাঙে, আবার কূল গড়েও। নদীবাহিত পলি পড়ে উর্বর হয় ফসলি জমি। শাখানদী, উপনদী মিলে দেশের নদীর সংখ্যা প্রায় ৭০০। এ ছাড়া মৌসুমি খাঁড়ি, পাহাড়ি ছড়া, বিল-হাওর-বাঁওড় তো রয়েছেই।
কিন্তু দুঃখজনক যে পদ্মা (উত্সমুখে গঙ্গা), ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মতো আন্তর্জাতিক নদীসহ দেশের সব নদীই ক্রমান্বয়ে নাব্যতা হারাচ্ছে। ভাটিতে অবস্থানের দরুন সীমান্ত দিয়ে বয়ে আসা নদীর ওপর বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই হচ্ছে প্রবল বন্যা এবং শুষ্ক মৌসুমে প্রচণ্ড খরা। একদিকে নদীবাহিত পলি পড়ে ভরাট হচ্ছে নদী, অপরদিকে উত্সমুখে পর্যায়ক্রমে বাঁধ নির্মাণ, জনবসতি ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে নদী ভরাট এবং দূষিত বর্জ্য ফেলে নদীর আয়ু হ্রাস করা হচ্ছে। এ অবস্থা আসলেই নদীর জন্য আশঙ্কার কারণ হয়ে উঠেছে।
নদীর নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় দেশের অনেক জায়গায়ই হালকা নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের রিও গ্র্যান্ডি কলোরাডো নদী শুকিয়ে ভারী জলযান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় তারা কমিশন গঠন করে নদী দুটির গভীরতা পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করেছে। এ রকম কমিশন গঠন করে আমাদের দেশেও নদী সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি। সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে পরিবহন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে উদ্ভূত যানজট নিরসনের স্বার্থে এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির অনন্য উত্সমুখ আবহমানকালের বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষার স্বার্থেই নদীগুলোকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যে নদী নিয়ে হাজার বছর আগে চর্যাপদের কবিরা চমত্কার করে লিখেছিলেন ‘ভবণই গহণ গম্ভীর বেগেঁ বাহি’। অর্ধশতাব্দী কাল আগেও এক বাঙালি কবি পদ্মা নদীর বিশালতা নিয়ে লিখেছিলেন: ‘গহীন নদীর দুই পার দিয়া আঁখি যায় যত দূরে’। আমাদের নদীগুলোকে এখন দেখলে সেই দৃশ্য কি চোখে পড়ে? বরং রবীন্দ্রনাথের আমাদের ছোট নদী কবিতার কথাই বারবার মনে পড়ে।
আমরা যদি নদীর প্রতি মনোযোগী না হই, তবে এমন একসময় আসতে পারে যখন আমাদের নানা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হবে। শঙ্কিত হয়ে ওঠার মতো একটা ভবিষ্যত্ অপেক্ষা করছে না তো? এ মুহূর্তে মনে পড়ছে, হলিউডের সাড়া-জাগানো ছবি দ্য ডে আফটার টুমরো-এর কথা, যাতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দেখানো হয়েছে, বরফযুগ গ্রাস করছে আমেরিকাকে। সামান্য একটু রৌদ্রের প্রত্যাশায় লাখ লাখ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে পাশের দেশ মেক্সিকোতে। জনশূন্য নিউইয়র্ক শহর—যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে নেকড়ের দল। ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত ক্যালিফোর্নিয়া শহর। এমন কোনো বিপর্যয় অপেক্ষা করে নেই তো দক্ষিণ এশিয়ার গাঙ্গেয় বদ্বীপের এ ছোট্ট দেশটির জন্য?
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
pr_saif@yahoo.com
এফএম রেডিওর সম্ভাবনা
স্যাটেলাইট টিভির পরে এফএম রেডিওর আবির্ভাবের ফলে দেশে গণমাধ্যমের বহুমুখীনতার যে সূচনা ঘটেছে তা গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এ দেশেও এফএম রেডিও গান, মিউজিক, আড্ডা ইত্যাদি প্রচার করে। এফএম রেডিওর কারণে ইদানীং বাংলা গানের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। আমাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি এক নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও এ দেশের বাজারে হিন্দি ও ভারতীয় বাংলা গানের আধিপত্য ছিল। ইদানীং এটা অনেকখানি কমেছে। হিন্দি গান খুব কমই শোনা যায়।
কিন্তু এফএম বেতারকেন্দ্রগুলোর উপস্থাপকরা (রেডিও জকি বা আরজে) এমন উচ্চারণে বাংলা বলেন, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। তা ছাড়া ইংরেজি শব্দের আধিক্য প্রায় দৃষ্টিকটু মাত্রায়। এসব নিয়ে চিন্তাভাবনা করার অবকাশ আছে। এ বিষয়ে একটি জাতীয় নীতিমালা থাকা উচিত, যেখানে ভাষা ব্যবহারের একটি আদর্শ মান সম্পর্কে নির্দেশনা থাকবে। এফএম রেডিও একটি গণমাধ্যম, গণমাধ্যমের আনুষ্ঠানিক ভাষা মান ভাষা হওয়া উচিত। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই তা-ই আছে।
এ ছাড়া, আরজেদের আড্ডার বিষয়বস্তুর মধ্যে তরুণ-তরুণীদের প্রেম-ভালোবাসাই প্রধান। এটি অনেক সময় একঘেঁয়ে লাগে। তা ছাড়া তরুণ সমাজের আলোচনা করার বিষয় কী আর নেই? প্রেম-ভালোবাসাই কি তাঁদের একমাত্র আগ্রহের বিষয়? তা হতে পারে না। শিক্ষাজীবনের সমস্যাসহ বিভিন্ন সমসাময়িক প্রসঙ্গেও এফএম রেডিওতে আড্ডা হতে পারে, হওয়া উচিত।
বিশ্বের অনেক দেশে এফএম রেডিও স্টেশনগুলো বিনোদনধর্মী। সংবাদ প্রচারের অনুমতি তাদের থাকে না। আমাদের দেশের অধিকাংশ এফএম রেডিও স্টেশন সংবাদ প্রচার করে। অর্থাত্ এখানে বেসরকারি পর্যায়ে বেতার সাংবাদিকতারও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এফএম রেডিওর প্রচারসীমা সীমিত হলেও কার্যকারিতার দিক থেকে এর সম্ভাবনা বিরাট। বিনোদনের পাশাপাশি সংবাদ ও তথ্যমূলক নানা অনুষ্ঠান আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে এফএম রেডিওগুলো সামনের দিনগুলোতে আরও জনপ্রিয় ও জনকল্যাণকর হতে পারে।
শাকিল মনজুর, ঢাকা।
কোটা পদ্ধতি ও জাতীয় অদক্ষতা
সরকারি নিয়োগের নীতিমালা অনুযায়ী শতকরা ৫৫ ভাগ কোটা নির্ধারিত আছে। অর্থাত্ রাষ্ট্রীয় কর্মীবাহিনীতে মেধাবীদের জন্য অর্ধেক জায়গাও নেই। সংবিধানের ২৯(১) অনুচ্ছেদে ‘সরকারী নিয়োগ লাভের সমতা’র কথা থাকলেও, এই সংবিধানেরই ২৯(৩)(ক) অনুচ্ছেদে কোটা পদ্ধতির কিছুটা বৈধতা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান প্রণয়ন করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।” আমাদের কোটা সংক্রান্ত নীতিমালায় মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান (৩০%), মহিলা, উপজাতি, জেলা, প্রতিবন্ধী ইত্যাদি কোটা রয়েছে।
প্রথমে আসি সবচেয়ে বড় কোটা মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের কোটা নিয়ে। মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালে দেশকে স্বাধীন করেছেন। তাই তাদের কাছে জাতি চিরঋণী। রাষ্ট্রের তাঁদের জন্য অবশ্যই অনেক কিছু করণীয় আছে। তবে রাষ্ট্রের প্রথম শ্রেণীর পদগুলোতে যদি কোটার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়, তবে রাষ্ট্র পরিচালনা অদক্ষ থেকে যাবে, উন্নয়ন ব্যাহত হবে; আর আমরা বঞ্চিত হব প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ থেকে। তা এই মহান মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নও ভেঙে দেবে। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে রাষ্ট্র নানাভাবে সহায়তা করতে পারে; যেমন—তাদের জন্য আজীবন আর্থিক সহায়তা দিতে পারে, চাষাবাদের জমি দিতে পারে, এমনকি বিসিএস ও প্রথম শ্রেণীর সরকারি চাকরি ছাড়া অন্য চাকরির ক্ষেত্রে এই কোটা রাখা যেতে পারে।
মহিলা, উপজাতি, প্রতিবন্ধীরা নিঃসন্দেহে জাতির অনগ্রসর অংশ। তাই সংবিধান অনুযায়ী এই কোটাগুলো বৈধ। কিন্তু মহিলাদের চাকরির ক্ষেত্রে কোটা প্রদান করে প্রজাতন্ত্রের কর্মে প্রতিনিধিত্ব না করিয়ে বরং তাদের শিক্ষা ও উন্নতির সুযোগ এমনভাবে প্রদান করা, যাতে তারা যোগ্য হয়ে কোটা নয় বরং মেধা দিয়েই প্রজাতন্ত্রের কাজে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।
প্রতিবন্ধীরা প্রকৃতপক্ষেই সুবিধাবঞ্চিত অংশ, তাদের শিক্ষা ও উন্নয়নের জন্য আমরা কোনো বিশেষ ব্যবস্থা করতে পারি না, তাই তাদের জন্য সামান্য পরিমাণ কোটা রাখা যেতে পারে। উপজাতীয়রা আরেকটি অনগ্রসর অংশ। তাদের উন্নতির জন্যও সরকার তাদের শিক্ষা ও মৌলিক প্রয়োজনগুলোর দিকে বেশি নজর দিতে পারে। এভাবেই তাদের উন্নতি টেকসই হতে পারে। জেলা কোটা থেকে কখনো একটি জেলার উন্নতি করা যায় না। অনগ্রসর জেলাগুলোতে বেশি বেশি উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে সেখানকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
সবার স্বার্থে প্রজাতন্ত্রের প্রথম শ্রেণীর চাকরিতে কোটা পদ্ধতির বিলোপ করা।
শেখ আজম আলী
শিক্ষার্থী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংসদ: বিচারপতির মন্তব্য
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী গত ১৯ ডিসেম্বর ব্র্যাক সেন্টারে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার আয়োজিত ‘গণমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ এবং রাজনৈতিক সহিংসতা: রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি’ শীর্ষক সেমিনারে সংসদ সদস্যদের সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সাংসদদের আইন সম্পর্কে ধারণা থাকা উচিত। তাঁদের সম্পর্কে তিনি আরও মন্তব্য করেন, কেরানিরা আইনের খসড়া তৈরি করেন আর মূর্খ সাংসদেরা হু-হু করে হাততালি দিয়ে তা পাস করেন। কারণ, নিজদলীয় লোক তা উত্থাপন করেন। অনেক সময় তাঁরা খসড়া আইনটি পড়েও দেখেন না। এ মন্তব্যের পরদিন আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম সেই বিচারপতির বিরুদ্ধে সংসদ অবমাননার অভিযোগে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করার হুমকি দেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে সংসদে নিন্দা প্রস্তাব আনার কথা বলেন। এর পরদিন ওই বিচারপতিকে আইনমন্ত্রী আইন প্রণয়ন-প্রক্রিয়া সম্পর্কে অজ্ঞ বলে মন্তব্য করেন।
প্রশ্ন হচ্ছে, ওই বিচারপতি সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তা কি একেবারেই ভিত্তিহীন? যেকোনো ব্যক্তি বাংলাদেশ সংসদের অধিবেশন নিয়মিত দেখলেই বুঝতে পারবেন। বর্তমান সংসদের শুরুতেই নতুন সংসদ সদস্যদের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে স্পিকারের সংসদ পরিচালনায় অসুবিধা হচ্ছে—এমন মন্তব্যের কারণে প্রধানমন্ত্রী নতুন সাংসদদের প্রশিক্ষণের কথা বলেছিলেন। প্রধান বিরোধী দলের অব্যাহত সংসদ বর্জনের কারণে প্রায় অধিকাংশ অধিবেশনেই সংসদ অকার্যকর থাকে। সপ্তম ও অষ্টম সংসদে জাতীয় পার্টির বেশ কিছু অভিজ্ঞ সদস্য সংসদে থাকায় তাঁরা উত্থাপিত বিলের বিভিন্ন অংশ নিয়ে সমালোচনা করতেন। কিন্তু বর্তমান সংসদে অধিকাংশ দিনই কোনো বিরোধী দলের সদস্য উপস্থিত না থাকায় মহাসমারোহে সরকারি দল বিল উত্থাপন ও তা পাস করে।
তাই বিচারপতি নজরুল ইসলাম যে উক্তি করেছেন, তাতে ক্ষুব্ধ না হয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে আইন প্রতিমন্ত্রীর বাস্তব অবস্থা চিন্তা করে আত্মসমালোচনা করা উচিত। সাংসদদের উচিত দেশের শাসন-ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যাপক অধ্যয়ন। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া। আর সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করার সময় এসেছে।
খাদেমুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
ভর্তিযুদ্ধ থেকে শিশুদের মুক্তি দিন
আমার প্রথম সন্তান এবার স্কুলে ভর্তির প্রতিযোগিতায় নেমেছে। প্রতিযোগিতা তো নয়, যেন যুদ্ধ। এ যুদ্ধে জয়ী হলে সে পাবে ঢাকা শহরের হাতেগোনা কয়েকটি ভালো স্কুলের একটিতে পড়ার সুযোগ। এ ভর্তিযুদ্ধে শামিল হয়েছে পাঁচ থেকে নয় বছর বয়সী কয়েক হাজার শিশু। ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের বাস। দুঃসহ যানজটের এ শহরের এক প্রান্তে বাস করে অন্য প্রান্তের স্কুলে পড়ার সুযোগ পাওয়াও যেন শিশুর মতোই তার মা-বাবার জন্যও বিজয় অর্জন। এ কথা বলার কারণ, রাজধানীতে সরকারি স্কুল হাতেগোনা। এগুলোতে আসনসংখ্যাও সীমিত। প্রতিটি আসনের বিপরীতে ভর্তিচ্ছু থাকে পাঁচ থেকে ১০ জন। বেসরকারি ভালো স্কুলগুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। অথচ শিক্ষা প্রত্যেক শিশুর মৌলিক অধিকার।
শিক্ষার্থীর তুলনায় সরকারি-বেসরকারি ভালো স্কুল ও এগুলোর আসনসংখ্যা মোটেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণে এমন মা-বাবাও আছেন, যাঁরা সন্তানকে কোনো স্কুলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়িয়ে ভালো স্কুলে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করাতে আনছেন, যেন সে ভর্তিযুদ্ধে টেকে।
এখানেই শেষ নয়, ভর্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে ছয় মাস, এক বছর, কখনো কখনো দুই বছর ধরে। এ যুদ্ধের জন্য কোচিং করানো অনিবার্য। কারণ, ভর্তি পরীক্ষায় ১০০-তে ১০০ (বর্তমানে ৫০-এ ৫০) না পেলে নাকি বাচ্চারা ভর্তি হতে পারবে না। কাজেই কোচিং সেন্টারের মেশিনের মধ্য দিয়ে মগজ ধোলাই করে তারপর তাকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাতে হয়। কী ভয়াবহ সেই কোচিং, সেখানে না গেলে তার প্রকৃত অবস্থা বোঝা সম্ভব নয়। প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোথাও কোনো সিলেবাস নেই। তাই প্রথম শ্রেণীতে ভতিচ্ছুদের স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে শুরু করে তৃতীয় শ্রেণীর পাঠ্য গণিত পর্যন্ত সবই তোতা পাখির মতো শিখিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর সাধারণ জ্ঞান (!) যা শেখানো হয়, তা একজন বিসিএস পরীক্ষার্থীরও শিখতে বেগ পেতে হয়। এসব শেখানোয় অনেক মা খুশিও হচ্ছেন। তাঁরা ভাবছেন, সন্তানেরা অনেক কিছু শিখে ফেলেছে। যে শিশু স্কুলের ধাপগুলো একটু একটু করে পার হয়ে এসব শিখতে পারত, তা কয়েক মাসেই পড়িয়ে ফেলা হলো। এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে!
এটি কি সঠিক পদ্ধতি? আমার বিবেক-বিবেচনায় তা বলে না। এ শহরে এক কোটিরও বেশি মানুষের বাস। শিক্ষার্থীর তুলনায় সরকারি-বেসরকারি স্কুল কম। ইংলিশ মিডিয়াম কিছু স্কুলও আছে, তবে সেগুলোতে পড়ানোর ব্যয় বহন করা অনেক অভিভাবকের পক্ষে সম্ভব নয়। তাহলে এ সমস্যার সমাধান কী? সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়ানো এবং একই সঙ্গে এগুলোতে আসনসংখ্যা বাড়ানো। বাড়াতে হবে ভালো বেসরকারি স্কুলও। বেসরকারি স্কুলগুলোর মানও ধীরে ধীরে বাড়ানো দরকার। বোধ করি বহুমুখী শিক্ষার মাধ্যমও কমানো দরকার। আর দরকার মা-বাবার মানসিকতার পরিবর্তন। তাদের ভাবতে হবে, সন্তান শিশু, তার মেধা রয়েছে এবং পারিবারিক পরিবেশেই সে হয়ে উঠতে পারে একজন অসাধারণ মানুষ। তারা শিশুকে এলাকার ভালো স্কুলে দিয়ে প্রতিদিনের যাতায়াতের কষ্ট থেকে মুক্তি দিয়ে এবং সময় বাঁচিয়ে কোনো সৃজনশীল কাজে নিয়োজিত করতে পারেন। জানি, কোনো কিছুই একদিনে সম্ভব নয়, তবু সরকারসহ সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যদি আজ থেকেও আমরা ভাবী এসবের সমাধান নিয়ে, তাহলে বোধহয় এ যুদ্ধের হাত থেকে ওদের মেধাগুলোকে বাঁচাতে পারব।
বিদৌরা সুমি
কলাবাগান, ঢাকা।
বেহাল এনজিও ব্যুরো
সম্প্রতি প্রথম আলোর প্রতিবেদনে এনজিও ব্যুরোর বিভিন্ন সংকট, প্রতিষ্ঠানটির ওপর অর্পিত দায়িত্বগুলো যথাযথভাবে পালনে ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। অসংখ্য এনজিওর সঠিক তত্ত্বাবধান, নজরদারি ও নিরীক্ষা ভীষণভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ক্ষুদ্রঋণ-সংশ্লিষ্ট বহু এনজিও বর্তমানে তাদের মূল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মকাণ্ড থেকে বিচ্যুত্ হয়ে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বাণিজ্যিক কাজে নিয়োজিত হচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণ, দারিদ্র্যবিমোচন ইত্যাদি শব্দ সংবলিত সাইনবোর্ড এখন শুধু নিজেদের রক্ষাকবচ। বহু এনজিও প্রাপ্ত অনুদানের টাকায় অথবা সদস্যদের সঞ্চয়ের টাকা ব্যবহার করে শহরে বড় বড় ভবন নির্মাণ অথবা গ্রামাঞ্চলে বিপুল সম্পত্তি ক্রয় করে বা লিজ পেয়ে তাতে নানা ধরনের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। এতে করে সংশ্লিষ্ট এনজিওর মালিক তথা উদ্যোক্তারা আর্থিকভাবে নিজেরা বিপুল লাভবান হলেও জড়িত সদস্য বা তথাকথিত উপকারভোগীদের ভাগ্যের কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটছে না।
এ অবস্থা নিরসনকল্পে এনজিও ব্যুরোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে সারা দেশের সব শ্রেণীর এনজিওর কাজের তদারকি, নজরদারি ও নিরীক্ষা কার্যক্রম জোরদারের বিকল্প নেই। সেই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি খাতে পরিচালিত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প/কর্মসূচির সামগ্রিক মূল্যায়ন করে যথাযথ সহায়তা এবং পদক্ষেপ গ্রহণ অতীব জরুরি।
শাহীদুল আযম
সাবেক কর্মকর্তা, বিআরডিবি, ঢাকা।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 03
(152)
- আমার দেশ-এর মুখোমুখি ভাষাসৈনিক ড. জসীম উদ্দিন আহমে...
- জাতীয় আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের অসঙ্গতি ...
- ব্যবসায় সামাজিক দায়বদ্ধতা by এডওয়ার্ড প্রবীর মণ্ডল
- চিনির বাজার লাগামহীনঃ সরকার নির্বিকার by নোমান চৌধুরী
- বাজার দর চড়ছে বেতন বাড়ছে নাঃ গার্মেন্ট শ্রমিকরা বে...
- পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সবাইকে নিয়েই সমাধান কর...
- অশান্ত রাঙামাটিঃ শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাস্তবসম্মত উদ্...
- সাংস্কৃতিক দূষণঃ কিছু প্রাসঙ্গিক কথা by শাহ্ আবদুল...
- সাদা কথাঃ একুশের সৃষ্টিশীলতা by মুহম্মদ নূরুল হুদা
- ভাষাসৈনিক মাহফিল আরা আজমত by নাসরীন মাশকুরা রোকন
- খোলা জানালাঃ রাজনীতি কোন্ পথে by ড. তারেক শামসুর র...
- শুরু হচ্ছে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণঃ জনগণের ঐক্যবদ্ধ ...
- একুশ কি শুধুই উদযাপনের- মাতৃভাষার বিকাশ নিশ্চিত হোক
- মোহমুক্ত জীবন সাধনা by আতাউর রহমান
- অভিমতঃ যানজট নিরসনে প্রয়োজন রাজধানী বিকেন্দ্রীকরণ ...
- ট্রানজিট থেকে আয়ের কল্পিত পরিমাণ এবং অন্ধের হাতি দ...
- আবারও কি নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র by ড. মাহবুব উল্লাহ্
- জনসংখ্যা বিস্ফোরণের মুখে বাংলাদেশঃ সংশ্লিষ্ট অধিদফ...
- শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের হামলাঃ গণতন্ত্রসম্মত নয়
- জোড়া হাতি রিমান্ডে by হাসান হাফিজ
- ভয়াবহ লাসা জ্বর by কাজী জহিরুল ইসলাম
- এই নগরীর দিনরাত্রিঃ নগরে নগরে আতঙ্ক by রেজোয়ান সিদ...
- সরকারের কোপানলে অধিকারঃ আপত্তি কোথায়?
- চালের দাম নিয়ে দুর্ভাবনা বাড়ছেঃ পরিস্থিতি অস্থিতিশ...
- ভাষাসৈনিক অচেনা ইউসুফ হাসান by আইয়ুব হোসেন
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রয়োজন কি? by বদরুদ্দীন উমর
- মানবাধিকার লঙ্ঘনে রেকর্ডঃ সুশাসনের অঙ্গীকার পূরণ ক...
- দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা হতাশাজনকঃ বাস্তবতাকে আড়াল ক...
- মানুষের শত্রুমিত্রঃ রং চড়ানো ইতিহাস-৬ by মাহমুদ শা...
- চিরুনি অভিযানঃ বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এবং মাফলার প...
- চারদিক-কিশোরগঞ্জে ছড়ার মেলা by সাইফুল হক মোল্লা
- দুর্নীতি দমন-কথায় নয়, কাজে বড় হতে হবে by বদিউল আলম...
- পরিকল্পনা-আঞ্চলিক বৈষম্য বনাম বিভেদকারী আঞ্চলিকতাব...
- চিত্র-বিচিত্র by আশীষ-উর-রহমান
- বিশ্ব মানবতার সামনে হাইতিকে রক্ষার দায়িত্ব-ভূমিকম্...
- আগামী দিনগুলোতে উচ্চ মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা-চড়া বাজার...
- চারদিক-মাছের মেলার মাছের কাহন by আকমল হোসেন
- অর্থনীতি-মধ্যবিত্তের বিকাশ কেন জরুরি by আবু আহমেদ
- ধর্ম-ইসলামের দৃষ্টিতে কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বন by ...
- চিরকুট-তুষারপাত by শাহাদুজ্জামান
- সময়চিত্র-প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে কী অর্জিত হলো by...
- কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে পারে না-হাসপাতালে শিশু চুরি
- উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য-দুদকের আইন...
- প্রণবের সফরে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তিস্তার পানি by আশ...
- অবৈধ বিদেশযাত্রা ঠেকাতে বিমানবন্দরে চোখ রাখবে 'ভিজ...
- বিলাসবহুল গাড়িতে সিএনজি নিষিদ্ধ করার সুপারিশ
- গ্যাস-বিদ্যুৎ-নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেতে দিতে হবে বে...
- ইলিয়াস আলী নিখোঁজ-রহস্য-অগ্রগতি প্রতিবেদনে শুধুই গ...
- সাক্ষাতের পর জানালেন তাহসিনা রুশদীর-ইলিয়াসকে উদ্ধা...
- ইলিয়াসের স্ত্রীকে 'বিধবা' বলে বিতর্ক তুললেন মন্নুজান
- হাইকোর্টের রুল-পাবলিক পরীক্ষার সময় হরতাল কেন অবৈধ নয়
- বিএনপি নেতাদের জামিন আবেদনের শুনানিতে হাইকোর্ট বিব...
- দুই দিনে দুই বৈঠক-নেতাদের শাসালেন খালেদা জিয়া by ম...
- বাংলাদেশে ভিসা অফিস বন্ধ করে দিয়েছে কানাডা
- মৌলভীবাজারে ১০ ঝটিকা অভিযান
- বর্ধিত দামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের বিষয়ে আদেশ ১৩ই মে
- ছাত্রলীগ নেতার প্রকাশ্যে ছিনতাই!
- বঙ্গবন্ধুর বোন খাদিজা হোসেনের দাফন সম্পন্ন
- অধিকার-এর মাসিক তথ্য- ৫ গুম, ক্রসফায়ারে ১১ খুন
- শ্বশুর ও পুত্রবধূর মাথা ন্যাড়া করে ঘোরানো হলো
- শিক্ষকের লাশ উদ্ধার
- প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা
- ঢাবিতে ছাত্রলীগের পাল্টাপাল্টি কমিটি, তীব্র উত্তেজনা
- বিএনপি শ্রমিকদের হত্যা করে: প্রধানমন্ত্রী
- সিটি করপোরেশনের রাস্তায় জ্বলবে সৌরবাতি
- ভৈরবনগরে অরাজকতা
- জেলেরা ধরতে পারবেন ইলিশ
- অভয়নগরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন
- মাগুরায় বিএনপি’র ৫৫ নেতাকর্মীর জামিন
- নবীগঞ্জের ২টি চা বাগানে উৎপাদন বন্ধ
- চারদিক-নাম তাঁর ‘কমান্ড্যান্ট মানিক চৌধুরী’ by কেয়...
- চিকিৎসা-রোগী মরিলেন, ডাক্তারও মরিয়া গেলেন by সুমন ...
- বরেন্দ্রভূমি-জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার বৃহত্তর রাজশা...
- ইউরোপ-পুনর্বিজয় থেকে পুনর্দখল by তারিক আলি
- দুই দু’গুণে পাঁচ-জেনারেল উইন্টার! by আতাউর রহমান
- সময়ের প্রতিবিম্ব-ভূমিদস্যুতা ও একজন ব্যতিক্রমী প্র...
- দস্যুদের পাকড়াও করতে হবে-গাছ উজাড়
- চুক্তি-সমঝোতার সুফল জনগণ পেতে চায়-দিল্লি শীর্ষ বৈঠক
- বিদেশে শীতলপাটির চাহিদা
- ধান-চালের মূল্য নির্ধারণ-কৃষক বাঁচাতে জরুরি পদক্ষেপ
- জামিন আবেদন শুনতে বিব্রত আদালত
- ৫০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, রিজভী গ্রেপ্তার
- পবিত্র কোরআনের আলো-পার্থিব জীবনের দৃষ্টান্ত মূলত অ...
- আন্তর্জাতিক মহলেও বাংলাদেশ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে by ...
- চ্যানেল জুড়ে অনুষ্ঠান নকল প্রবণতা
- আর্সেনাল একাডেমিতে রুনা লায়লার নাতি
- আলোচনায় রাজনৈতিক বিষয়ই প্রাধান্য পাবে by অধ্যাপক ই...
- সিটি তারকাদের ফ্যাশন শো
- ভাটদের ছবিতে ব্যাপক খোলামেলা বিপাশা
- চরাচর-আজ মুক্ত সাংবাদিকতা দিবস by বিশ্বজিৎ পাল বাবু
- নিউইয়র্কে সন্ত্রাসী হামলা পরিকল্পনাকারী মার্কিন না...
- সরকারি কলেজে ৪০০০ শিক্ষকের পদ শূন্য
- মার্কিন প্রভাববলয়ে বাংলাদেশ! by তারেক শামসুর রেহমান
- কারণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্র...
- সাদাকালো-বিচার : যুদ্ধাপরাধ তথা গণহত্যা ও মানবতাবি...
- উপেক্ষার শিকার ভারী শিল্পউপেক্ষার শিকার ভারী শিল্প
- চারদিক-বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখবেন তো? by নাঈমুল ইসলাম
- সপ্তাহের হালচাল-অনুপ চেটিয়া: রাজনৈতিক মেয়াদি বোমা ...
- অভিমত ভিন্নমত
- স্কাউট জাম্বুরি-সুনাগরিক তৈরিতে স্কাউট মিলনমেলা by...
- গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি মিটিয়ে অপচিকিত্সা...
- নিয়মকানুন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হোক-ভূমিদস্যুতার অভিযোগ
- স্মরণ-আবার জমবে মেলা... by জাবেদ সুলতান
- অর্জন-বাংলাদেশের তিন নায়ক by সোহরাব হাসান
- এক মঞ্চে অনেক তারা by কামরুজ্জামান
- তারকাদের অনুভূতি...
- অল্প সল্প গল্প
- একাদশে বৃহস্পতি!
- ত্রিরত্নের অভিযান! by ইকবাল হোসাইন চৌধুরী
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-শহীদজননীর সেই ছবি by পাভেল রহমান
- প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-বুয়েটের একজন শিক্ষার্থীর খোলা...
- জননিরাপত্তা-ইলিয়াস গুমের ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় by শে...
- বিপন্ন ক্যাম্পাস-বিশ্ববিদ্যালয়ে চিন্তার জট ও বিবেক...
- স্বাগত, কাত্সুইয়া ওকাদা by মনজুরুল হক
- সরকারের অদূরদর্শী কাজ-বিরোধীদলীয় মূল নেতাদের গ্রেপ...
- জবরদস্তিমূলক কর্মসূচি পরিহার করুন-আর হরতাল চাই না
- ঐকমত্যের সংবিধান প্রত্যাশিত
- পবিত্র কোরআনের আলো-ব্যভিচারিণীদের গৃহবন্দি করে শাস...
- সরবরাহকারী ঋণ বাংলাদেশের জন্য গলার ফাঁস by আবুল কা...
- বুড়ো ভোলানো ছড়া by শহিদুল ইসলাম
- তারপরেও পদ আঁকড়ে থাকবেন? by সানাউল্লাহ মাহী
- একটি অরাজনৈতিক আবেদন by আদনান হুসাইন
- অনির্বাচিত উপাচার্যের দাপট বেশি হয় by বেলাল হোসাইন...
- জাবিতে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ জরুরি by সুস্মিতা চক্রব...
- বিশ্ব মুক্ত সাংবাদিকতা দিবস by রুদ্র মাসুদ
- তমসাচ্ছন্ন সময়ে জননী সাহসিকা by সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
- প্রশাসন-মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির বয়স ও মর্যাদা by ফা...
- গুম-অপহরণ-প্রতিকারের দায় কার? by আবু সাঈদ খান
-
▼
May 03
(152)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment