Thursday, April 5, 2012
সংবিধান সংশোধনী-বিবেচনার জন্য কিছু প্রস্তাব by আলী রীয়াজ
সংবিধান সংশোধনী-বিবেচনার জন্য কিছু প্রস্তাব by আলী রীয়াজ
জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকগুলো, আগামী সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনীর সম্ভাবনা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে অ্যামিকাস কিউরিদের বক্তব্য দান এবং প্রধান বিরোধী দল বিএনপির বক্তব্যের কারণে সংবিধান নিয়ে এখন জোরদার
আলোচনা চলছে। গত বছরের আগস্ট মাসে সংসদীয় কমিটি গঠনের পর এটা সবারই জানা ছিল যে, এ নিয়ে কোনো না কোনো পর্যায়ে বিতর্কের সুযোগ তৈরি হবে। আদালতের পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের রায় যখন সুপ্রিম কোর্টে বহাল থাকল এবং পরে সুপ্রিম কোর্টের পুরো মতামত জানা গেল, অনেকেই আশা করেছিলেন যে এতে করে সংবিধান নিয়ে ব্যাপক আকারে আলোচনার সূত্রপাত হবে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় বেরোনোর এক বছরের বেশি সময় পার হওয়া সত্ত্বেও এ ধরনের বড় উদ্যোগ আমার নজরে আসেনি। দেশের সিভিল সোসাইটির সংগঠনগুলো এ ব্যাপারে খুব আশাপ্রদ ভূমিকা রাখেনি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইন বিভাগ সম্মিলিত বা আলাদাভাবে উদ্যোগ নিতে পারত। বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত আলোচনায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদেরা মন্তব্য করলেও তার সারাৎসার সরকার ও জনসাধারণের বোধগম্য হয়েছে বলে মনে হয় না। আইনজীবীদের সংগঠনগুলো; বিশেষ করে, সাংবিধানিক আইন নিয়ে যাঁরা চিন্তাভাবনা করেন, তাঁরা দলীয়ভাবে বিভক্তির কারণেই সম্ভবত একত্রে বসে বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেননি। এসব সুযোগ যে এখন আর নেই, আমার তা মনে হয় না।
সংবিধানের যে ভাষ্য ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে মুদ্রণ করা হয়েছে, তা ত্রুটিপূর্ণ এবং তার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে অনেক রকম বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সেগুলো সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রাখা দরকার, কিন্তু তার চেয়ে বেশি দরকার, এটা আলোচনা করা যে কী করে সংবিধানকে আরও বেশি ত্রুটিমুক্ত করে স্বচ্ছ, সবার অংশগ্রহণমূলক, প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা যায়। বাংলাদেশের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে এটা স্পষ্ট যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা এবং অগণতান্ত্রিক আচার-আচরণ রোধ করার ক্ষেত্রে সংবিধান খুব বেশি সাহায্য করেনি। সংবিধানের খুঁটিনাটি বিধিবিধান পরিবর্তন, সংশোধন, পরিবর্ধনের আগে এই বাস্তবতাকে উপলব্ধি করা এবং তার ভিত্তিতে একটি বৃহত্তর কাঠামো তৈরি করা। দেশের রাজনীতিবিদ, বিশেষজ্ঞ, বিশ্লেষক কমবেশি এদিকে মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন, কিন্তু তার ফল আমরা এখনো দেখতে পাইনি।
এই পটভূমিকায়ই তত্ত্বাবধায়ক সরকার, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, সংসদ সদস্যদের অনুপস্থিতি এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে কিছু কিছু কথাবার্তা হচ্ছে। সেসব বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সুনির্দিষ্টভাবে বোঝার সুযোগ তৈরি হয়নি। সংসদীয় কমিটির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কিছু মন্তব্য করেছেন। এগুলো ওই কমিটির সিদ্ধান্ত নয় বলেই ধরে নেওয়া যায়, কেননা কমিটির সুপারিশ হিসেবে এগুলো উপস্থাপিত হয়নি।
কোনো কোনো মহলে এ রকম আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে ক্ষমতাসীন দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে দিতে উৎসাহী। বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সরকার ব্যবস্থাটি বাতিল করবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে যে তারা ব্যবস্থাটি বাতিল না করে এতে সংশোধনী আনতে চায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার সমালোচক। ১৯৯৬ সালে এই ব্যবস্থা যেভাবে সংবিধানে জুড়ে দেওয়া হয়, আমি তা সমর্থনযোগ্য মনে করিনি এবং পরবর্তী ১৫ বছর ধরে এর ত্রুটিগুলোর ব্যাপারে আমি মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি। (প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত আমার একটি রচনার শিরোনাম ছিল ‘ক্রিপলড কেয়ারটেকার’। হিমাল, সাউথ এশিয়া ম্যাগাজিনের আগস্ট ২০০৬ সংখ্যা দ্রষ্টব্য।) অনেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার সমালোচনা করছেন ২০০৭-০৮ সালের সরকারের কার্যক্রম দেখে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই সরকার সংবিধানের ফাঁক-ফোকর ব্যবহার করে ৯০ দিনের বদলে দুই বছর থেকেছে এবং সংবিধানে সুনির্দিষ্ট নয় এমন সব কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। সমালোচকেরা এও বলেন, ২০০৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ প্রথমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করে এই ব্যবস্থার মর্মবাণী বা স্পিরিটের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন। রাষ্ট্রপতির হাতে জরুরি অবস্থা জারির ক্ষমতা থাকায় ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তাঁর অপপ্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন বলে বলা হয়। এসব অভিযোগের পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনার সুযোগ এখানে নেই। তবে এই অভিজ্ঞতাগুলো যে ব্যবস্থাটি নিয়ে ভাববার কাজে দিচ্ছে, সেটা ইতিবাচক; পাশাপাশি কেন এই ব্যবস্থার প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল বা দেয়, সেটা মনে রাখা দরকার। কী পরিস্থিতিতে ২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ঢেলে সাজাতে হয়েছিল; কেন তার প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন দিয়েছিল সাধারণ জনগণ, আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা এবং এই সরকার ৯০ দিনের অতিরিক্ত থাকার সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য কতটা সহায়ক হয়েছিল, সেগুলোও ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আস্থার অভাব, অবাধ নির্বাচনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুপস্থিতি বা দুর্বলতা এবং প্রশাসনের দলীয়করণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদকাল বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করলে বা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করলে তার ফল আশানুরূপ হবে না। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ ৯০ দিনে বেঁধে দেওয়া হবে। কেবল জরুরি অবস্থায়ই তা আরও ৩০ দিন বাড়ানো যাবে। আশা করি, এই সংশোধনীর মধ্যে সুস্পষ্ট থাকবে যে ‘জরুরি অবস্থা’ কে নির্ধারণ করবেন এবং ৯০ দিনের বেঁধে দেওয়া সময়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থা দূর না করা গেলে কী বিকল্প থাকবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার কেবল দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করবে, এর বেশি করার কোনো ক্ষমতা তার থাকবে না। এটা নিশ্চিত করতে হলে এও নিশ্চিত করতে হবে—অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য যা কিছু করা দরকার, তা করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে হস্তান্তর করা হবে। তদুপরি কমিশন যেন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, তবে তাকে দলীয় প্রভাবমুক্তভাবে গড়তে হবে কমপক্ষে এক বছর আগে।
বলা হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। এখনকার চালু ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি আলংকারিক পদ থেকে নির্বাহী পদে রূপান্তরিত হয়। যুক্তিটি নিঃসন্দেহে গ্রহণযোগ্য। তার প্রয়োগ আমরা কমপক্ষে দুই দফা প্রত্যক্ষ করেছি। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস সেনাপ্রধান জেনারেল নাসিমকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা এর প্রধান এ বিষয়ে অবহিত ছিলেন না বলেই অভিযোগ আছে। রাষ্ট্রপতির বাধ্যবাধকতা ছিল না তাকে অবহিত করার। ২০০৭ সালে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন ১১ জানুয়ারি। কোনো অভিজ্ঞতাই সুখকর নয়। দুই অভিজ্ঞতা তুলনীয় কি না, সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ। কিন্তু রাষ্ট্রপতির এই ক্ষমতা প্রয়োগের প্রয়োজন যদি দেখা দেয়, যদি দেশে এ ধরনের পরিস্থিতি দেখা দেয়, তবে জরুরি অবস্থা জারি কিংবা দৈনন্দিন কার্যকলাপের অতিরিক্ত দায়িত্ব কে কীভাবে পালন করবেন, তা সুস্পষ্ট না থাকলে বিভ্রান্তি, এমনকি অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে আমার ব্যক্তিগত অনুৎসাহ ও বিরোধিতার পেছনে যেসব কারণ, তার অন্যতম হলো, এ ধরনের সরকারের দায়বদ্ধতার অভাব। সংবিধান অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাষ্ট্রপতির কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। রাষ্ট্রপতি যে দলীয় বিবেচনায় নির্বাচিত হন এবং যেভাবে তাঁকে কার্যত প্রধানমন্ত্রীর অনুগত থাকতে হয়, সে ক্ষেত্রে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে তার কাছে দায়বদ্ধ করার বিধান সংবিধানের অন্যান্য অংশের সঙ্গে কতটা সংগতিপূর্ণ, তা আমার কাছেই প্রশ্নসাপেক্ষ বলেই মনে হয়। তদুপরি, যত দিন এ ধরনের ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা হবে, তত দিন পর্যন্ত শক্তিশালী স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের কাজ থেকে রাজনীতিবিদেরা বিরত থাকবেন। ১৯৯৬ থেকে ২০১১—এই ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমি এই উপসংহারে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা নিয়ে যতটা আলোচনা হচ্ছে, তার গঠন ও সম্ভাব্য সদস্যদের যোগ্যতা নিয়ে ততটা আলোচনা লক্ষ করছি না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের পদটির সঙ্গে বিচার বিভাগকে জড়িয়ে ফেলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে দেওয়া মতামতে রোকনউদ্দিন মাহমুদ মন্তব্য করেছেন, যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব পালন করেন এবং যেহেতু তিনি আর বিচার বিভাগে প্রত্যাবর্তন করেন না, সেহেতু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা তাতে ক্ষুণ্ন হয় না। আইনগত দিক থেকে বিবেচনা করলে তাঁর সঙ্গে দ্বিমত করা কষ্টকর। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সম্ভাব্য প্রধানের বিবেচনা যে বিচার বিভাগের নিয়োগ, পদোন্নতি ইত্যাদিতে প্রভাব ফেলেনি, এসব কথা নিশ্চয় রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলবেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংশোধনের সময় তার প্রধান হওয়ার যে বিকল্পগুলো রাখা হয়েছে, সেগুলোও সংশোধনের কথা ভাবা খুবই জরুরি। অন্যথায় গত বছরগুলোর অভিজ্ঞতার কোনো লাভ হলো বলে মনে হবে না।
সংবিধান সংশোধন নিয়ে সরকারি উদ্যোগ কেবল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা পরিবর্তনে সীমিত থাকবে না বলে আশা করি। নির্বাচিত সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে, সেই পাঁচ বছর রাষ্ট্রপতির যে ক্ষমতা আছে এবং যেসব ক্ষমতা নেই, সেগুলো বিবেচনা করা দরকার বিভিন্ন কারণে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করা। ১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের সময় তাড়াহুড়ো করে রাষ্ট্রপতির সব ক্ষমতা যেভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, তাতে ‘নির্বাচিত একনায়কতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট ক্ষমতাশালী প্রতিষ্ঠান; কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে সব ক্ষমতা এক হাতে সোপর্দ করাটি গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক। কাগজ-কলমে তার পক্ষে যুক্তি দেখানো সম্ভব হলেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিবেচনা করে দেশের নীতিনির্ধারকেরা সৃষ্টিশীলভাবে এই সমস্যাটি বিবেচনা করুন—এটাই আবেদন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান এবং তার ক্ষমতার প্রশ্নটি গণতন্ত্র সংহত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থেও বিবেচনা করা দরকার। কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন—নির্বাচন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের নিয়োগের ভার রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত। কার্যত, এগুলো ক্ষমতাসীন দলের হাতে আটকা পড়ে গেছে, কেননা রাষ্ট্রপতি পদটি ক্ষমতাহীন এবং প্রধানমন্ত্রীর ওপর তার নির্ভরশীলতা অতিমাত্রায়। বিরাজমান ব্যবস্থায় সামান্যতম ভিন্নমত পোষণ করলে রাষ্ট্রপতির ভাগ্যে কী ঘটে, তা আমরা কে না জানি। এই সমস্যা মোকাবিলার জন্য সংসদের মেয়াদকালের ঠিক মধ্যবর্তী সময়ে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তাব তোলার সময় এসেছে বলে আমার ধারণা। এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দল জনগণের মধ্যে তাদের জনপ্রিয়তা পরীক্ষার সুযোগ পাবেন, রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাসীন দলের মুখাপেক্ষী হতে হবে না, সর্বোপরি একজন রাষ্ট্রপতিকে কাজ করতে হবে দুটি নির্বাচিত সংসদের সঙ্গে। একটি ছোট সমস্যার কথা এখানে অনেকে তুলতে পারেন। রাষ্ট্রপতি ও সংসদ যদি দুই ভিন্ন দলের হয়, তবে সংসদের উদ্বোধনী ভাষণের বক্তব্য কী হবে? ব্রিটেনে পার্লামেন্টে রানি যে বক্তৃতা দেন, তা ক্ষমতাসীন দলেরই কর্মসূচি। বাংলাদেশের পার্লামেন্টে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার ব্যবস্থা ওই ধারারই অনুসরণ। ব্রিটেনে শত শত বছর তা কাজ করেছে বলে সর্বত্রই সব সময় তা কাজ করবে—এমন মনে করা অসংগত। সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করলে এই ঔপনিবেশিক ধারা থেকে বাংলাদেশ নিজেকে মুক্ত করতে পারবে। রাষ্ট্রপতি বছরে একবার সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ পাবেন, অথবা তিনি স্পিকারের মাধ্যমে সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য যেকোনো সময় অনুরোধ করবেন। তাঁকে সে জন্য ধন্যবাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই—এটা তাঁর দায়িত্ব বলেই বিবেচনা করা যেতে পারে।
সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত যেসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির কাছে অর্পিত আছে এবং থাকবে বলে আমার প্রস্তাব, সেগুলো যাতে এক ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছা, পছন্দ-অপছন্দের বিষয়ে পরিণত না হয়, তার জন্য এই বিধান করা যেতে পারে যে রাষ্ট্রপতি কাউকে নিয়োগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী, সংসদনেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও স্পিকারের সঙ্গে এ বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। এরপর মনোনীত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করবেন, যাতে করে তাঁদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি চাইলে তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহারও করতে পারবেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একাধারে তিন ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তিনি প্রধানমন্ত্রী, সংসদীয় দলের প্রধান এবং তাঁর দলের প্রধান। এই তিনটি দায়িত্ব তিন ব্যক্তির হাতে তুলে দিলে দল, সরকার ও সংসদ—সবই উপকৃত হবে। লক্ষণীয়, সংসদের অন্যান্য অনেক বিষয়ে ব্রিটেনকে মডেল হিসেবে ব্যবহার করলেও এ বিষয়ে ব্রিটেনের অনুসারী হওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদেরা মোটেই উৎসাহী নন।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে এযাবৎ বিস্তর আলোচনা হয়েছে গত কয়েক বছরে। এসব আলোচনায় এই মতৈক্য সুস্পষ্ট যে এই ধারাটি গণতন্ত্রের জন্য মোটেই অনুকূল নয়; সম্ভবত একে অগণতান্ত্রিক বলেও চিহ্নিত করা যেতে পারে। সংবিধানে এই বিধান রাখার পক্ষে জোরালো কোনো যুক্তি কেউ এখনো হাজির করতে পারেননি। সংসদ সদস্যদের দলীয় নিয়ন্ত্রণে না রাখলে সরকারের স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ন হয়। পাকিস্তানের পঞ্চাশের দশকের অভিজ্ঞতা থেকে এই ধারা যুক্ত করা হয়েছিল, পরে তা আরও কঠোর করা হয়েছে। সংসদীয় কমিটি এবং অন্যরা এর পরিবর্তনে আগ্রহ দেখিয়েছে, কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সংসদে অনাস্থা ভোটের ক্ষেত্রে দলীয় নিয়ন্ত্রণ রাখা দরকার কি না। ক্ষমতাসীন দলকে যদি সংবিধানের বিধানের জোরে দলীয় সদস্যের সমর্থন নিশ্চিত করতে হয়, তবে তা কি প্রমাণ করে না যে দলীয় নেতৃত্ব দল ও সরকার পরিচালনার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে? জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন ছাড়া অন্য সব বিষয়ে সংসদ সদস্যরা তাঁদের বিবেক-বিবেচনাপ্রসূত ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থাসংবলিত বিধান করা অত্যন্ত জরুরি।
২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা ক্ষমতায় গেলে ৩০ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকলে সংসদ সদস্যদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার বিধান করবে। সংসদকে কার্যকর করার জন্য এই প্রস্তাবটি সত্যি সত্যিই একটি আশাব্যঞ্জক প্রস্তাব ছিল। বিএনপি কেবল নির্বাচনে পরাজিতই হয়েছে তা নয়, তারা কার্যকরভাবে নিজেরাই এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে আসছে। নবম সংসদের ২৪ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২০৭টি কার্যদিবসে মাত্র ৫১ দিন বিএনপির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অষ্টম সংসদের বৈঠক হয়েছে ৩৭৩ কার্যদিবস; তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ মোট ১৫০ দিন যোগ দিয়েছে। একটি জাতীয় দৈনিকের হিসাব অনুযায়ী গত ২০ বছরে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা মোট কার্যদিবসের অর্ধেক দিনই সংসদে অনুপস্থিত ছিলেন। এসব অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান ৯০ কার্যদিবসের বদলে ৯০ দিনে পরিবর্তনের প্রস্তাব নিঃসন্দেহে ইতিবাচক; কিন্তু এটা বিএনপির প্রস্তাবিত ৩০ দিনে নির্ধারণ করতে বাধা কোথায়? অন্তত বিএনপি নিশ্চয় তাতে আপত্তি করতে পারবে না। কিন্তু সংসদ কার্যকর করতে এটাই যথেষ্ট পদক্ষেপ নয়; কোরামের অভাবে সংসদ মুলতবি করার মতো ঘটনা যখন ঘটছে, তখন নিশ্চয়ই তার জন্যও একটা বিধান রাখার কথা সংসদীয় কমিটি বিবেচনা করে দেখবে।
সংবিধানের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো কীভাবে উপস্থাপিত হবে—আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তা জানার সুযোগ হবে বলে আশা করি। সংসদে বিল আকারে সেসব সংশোধনী উপস্থাপনের আগে আলাপ-আলোচনার সুযোগ থাকবে, এটাও আমার প্রত্যাশা। সেসব আলোচনা সংসদীয় কমিটি ও নীতিনির্ধারকেরা বিবেচনায় নেবেন কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।
ইলিনয়, ৪ এপ্রিল ২০১১
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
সংবিধানের যে ভাষ্য ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে মুদ্রণ করা হয়েছে, তা ত্রুটিপূর্ণ এবং তার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে অনেক রকম বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সেগুলো সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রাখা দরকার, কিন্তু তার চেয়ে বেশি দরকার, এটা আলোচনা করা যে কী করে সংবিধানকে আরও বেশি ত্রুটিমুক্ত করে স্বচ্ছ, সবার অংশগ্রহণমূলক, প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা যায়। বাংলাদেশের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে এটা স্পষ্ট যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা এবং অগণতান্ত্রিক আচার-আচরণ রোধ করার ক্ষেত্রে সংবিধান খুব বেশি সাহায্য করেনি। সংবিধানের খুঁটিনাটি বিধিবিধান পরিবর্তন, সংশোধন, পরিবর্ধনের আগে এই বাস্তবতাকে উপলব্ধি করা এবং তার ভিত্তিতে একটি বৃহত্তর কাঠামো তৈরি করা। দেশের রাজনীতিবিদ, বিশেষজ্ঞ, বিশ্লেষক কমবেশি এদিকে মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন, কিন্তু তার ফল আমরা এখনো দেখতে পাইনি।
এই পটভূমিকায়ই তত্ত্বাবধায়ক সরকার, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, সংসদ সদস্যদের অনুপস্থিতি এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে কিছু কিছু কথাবার্তা হচ্ছে। সেসব বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সুনির্দিষ্টভাবে বোঝার সুযোগ তৈরি হয়নি। সংসদীয় কমিটির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কিছু মন্তব্য করেছেন। এগুলো ওই কমিটির সিদ্ধান্ত নয় বলেই ধরে নেওয়া যায়, কেননা কমিটির সুপারিশ হিসেবে এগুলো উপস্থাপিত হয়নি।
কোনো কোনো মহলে এ রকম আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে ক্ষমতাসীন দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে দিতে উৎসাহী। বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সরকার ব্যবস্থাটি বাতিল করবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে যে তারা ব্যবস্থাটি বাতিল না করে এতে সংশোধনী আনতে চায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার সমালোচক। ১৯৯৬ সালে এই ব্যবস্থা যেভাবে সংবিধানে জুড়ে দেওয়া হয়, আমি তা সমর্থনযোগ্য মনে করিনি এবং পরবর্তী ১৫ বছর ধরে এর ত্রুটিগুলোর ব্যাপারে আমি মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি। (প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত আমার একটি রচনার শিরোনাম ছিল ‘ক্রিপলড কেয়ারটেকার’। হিমাল, সাউথ এশিয়া ম্যাগাজিনের আগস্ট ২০০৬ সংখ্যা দ্রষ্টব্য।) অনেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার সমালোচনা করছেন ২০০৭-০৮ সালের সরকারের কার্যক্রম দেখে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই সরকার সংবিধানের ফাঁক-ফোকর ব্যবহার করে ৯০ দিনের বদলে দুই বছর থেকেছে এবং সংবিধানে সুনির্দিষ্ট নয় এমন সব কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। সমালোচকেরা এও বলেন, ২০০৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ প্রথমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করে এই ব্যবস্থার মর্মবাণী বা স্পিরিটের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন। রাষ্ট্রপতির হাতে জরুরি অবস্থা জারির ক্ষমতা থাকায় ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তাঁর অপপ্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন বলে বলা হয়। এসব অভিযোগের পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনার সুযোগ এখানে নেই। তবে এই অভিজ্ঞতাগুলো যে ব্যবস্থাটি নিয়ে ভাববার কাজে দিচ্ছে, সেটা ইতিবাচক; পাশাপাশি কেন এই ব্যবস্থার প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল বা দেয়, সেটা মনে রাখা দরকার। কী পরিস্থিতিতে ২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ঢেলে সাজাতে হয়েছিল; কেন তার প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন দিয়েছিল সাধারণ জনগণ, আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা এবং এই সরকার ৯০ দিনের অতিরিক্ত থাকার সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য কতটা সহায়ক হয়েছিল, সেগুলোও ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আস্থার অভাব, অবাধ নির্বাচনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুপস্থিতি বা দুর্বলতা এবং প্রশাসনের দলীয়করণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদকাল বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করলে বা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করলে তার ফল আশানুরূপ হবে না। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ ৯০ দিনে বেঁধে দেওয়া হবে। কেবল জরুরি অবস্থায়ই তা আরও ৩০ দিন বাড়ানো যাবে। আশা করি, এই সংশোধনীর মধ্যে সুস্পষ্ট থাকবে যে ‘জরুরি অবস্থা’ কে নির্ধারণ করবেন এবং ৯০ দিনের বেঁধে দেওয়া সময়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থা দূর না করা গেলে কী বিকল্প থাকবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার কেবল দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করবে, এর বেশি করার কোনো ক্ষমতা তার থাকবে না। এটা নিশ্চিত করতে হলে এও নিশ্চিত করতে হবে—অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য যা কিছু করা দরকার, তা করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে হস্তান্তর করা হবে। তদুপরি কমিশন যেন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, তবে তাকে দলীয় প্রভাবমুক্তভাবে গড়তে হবে কমপক্ষে এক বছর আগে।
বলা হচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। এখনকার চালু ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি আলংকারিক পদ থেকে নির্বাহী পদে রূপান্তরিত হয়। যুক্তিটি নিঃসন্দেহে গ্রহণযোগ্য। তার প্রয়োগ আমরা কমপক্ষে দুই দফা প্রত্যক্ষ করেছি। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস সেনাপ্রধান জেনারেল নাসিমকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা এর প্রধান এ বিষয়ে অবহিত ছিলেন না বলেই অভিযোগ আছে। রাষ্ট্রপতির বাধ্যবাধকতা ছিল না তাকে অবহিত করার। ২০০৭ সালে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন ১১ জানুয়ারি। কোনো অভিজ্ঞতাই সুখকর নয়। দুই অভিজ্ঞতা তুলনীয় কি না, সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ। কিন্তু রাষ্ট্রপতির এই ক্ষমতা প্রয়োগের প্রয়োজন যদি দেখা দেয়, যদি দেশে এ ধরনের পরিস্থিতি দেখা দেয়, তবে জরুরি অবস্থা জারি কিংবা দৈনন্দিন কার্যকলাপের অতিরিক্ত দায়িত্ব কে কীভাবে পালন করবেন, তা সুস্পষ্ট না থাকলে বিভ্রান্তি, এমনকি অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে আমার ব্যক্তিগত অনুৎসাহ ও বিরোধিতার পেছনে যেসব কারণ, তার অন্যতম হলো, এ ধরনের সরকারের দায়বদ্ধতার অভাব। সংবিধান অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাষ্ট্রপতির কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। রাষ্ট্রপতি যে দলীয় বিবেচনায় নির্বাচিত হন এবং যেভাবে তাঁকে কার্যত প্রধানমন্ত্রীর অনুগত থাকতে হয়, সে ক্ষেত্রে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে তার কাছে দায়বদ্ধ করার বিধান সংবিধানের অন্যান্য অংশের সঙ্গে কতটা সংগতিপূর্ণ, তা আমার কাছেই প্রশ্নসাপেক্ষ বলেই মনে হয়। তদুপরি, যত দিন এ ধরনের ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা হবে, তত দিন পর্যন্ত শক্তিশালী স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের কাজ থেকে রাজনীতিবিদেরা বিরত থাকবেন। ১৯৯৬ থেকে ২০১১—এই ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে আমি এই উপসংহারে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা নিয়ে যতটা আলোচনা হচ্ছে, তার গঠন ও সম্ভাব্য সদস্যদের যোগ্যতা নিয়ে ততটা আলোচনা লক্ষ করছি না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের পদটির সঙ্গে বিচার বিভাগকে জড়িয়ে ফেলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে দেওয়া মতামতে রোকনউদ্দিন মাহমুদ মন্তব্য করেছেন, যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব পালন করেন এবং যেহেতু তিনি আর বিচার বিভাগে প্রত্যাবর্তন করেন না, সেহেতু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা তাতে ক্ষুণ্ন হয় না। আইনগত দিক থেকে বিবেচনা করলে তাঁর সঙ্গে দ্বিমত করা কষ্টকর। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সম্ভাব্য প্রধানের বিবেচনা যে বিচার বিভাগের নিয়োগ, পদোন্নতি ইত্যাদিতে প্রভাব ফেলেনি, এসব কথা নিশ্চয় রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলবেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংশোধনের সময় তার প্রধান হওয়ার যে বিকল্পগুলো রাখা হয়েছে, সেগুলোও সংশোধনের কথা ভাবা খুবই জরুরি। অন্যথায় গত বছরগুলোর অভিজ্ঞতার কোনো লাভ হলো বলে মনে হবে না।
সংবিধান সংশোধন নিয়ে সরকারি উদ্যোগ কেবল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা পরিবর্তনে সীমিত থাকবে না বলে আশা করি। নির্বাচিত সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে, সেই পাঁচ বছর রাষ্ট্রপতির যে ক্ষমতা আছে এবং যেসব ক্ষমতা নেই, সেগুলো বিবেচনা করা দরকার বিভিন্ন কারণে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করা। ১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের সময় তাড়াহুড়ো করে রাষ্ট্রপতির সব ক্ষমতা যেভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, তাতে ‘নির্বাচিত একনায়কতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী যথেষ্ট ক্ষমতাশালী প্রতিষ্ঠান; কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে সব ক্ষমতা এক হাতে সোপর্দ করাটি গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক। কাগজ-কলমে তার পক্ষে যুক্তি দেখানো সম্ভব হলেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিবেচনা করে দেশের নীতিনির্ধারকেরা সৃষ্টিশীলভাবে এই সমস্যাটি বিবেচনা করুন—এটাই আবেদন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান এবং তার ক্ষমতার প্রশ্নটি গণতন্ত্র সংহত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থেও বিবেচনা করা দরকার। কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন—নির্বাচন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের নিয়োগের ভার রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত। কার্যত, এগুলো ক্ষমতাসীন দলের হাতে আটকা পড়ে গেছে, কেননা রাষ্ট্রপতি পদটি ক্ষমতাহীন এবং প্রধানমন্ত্রীর ওপর তার নির্ভরশীলতা অতিমাত্রায়। বিরাজমান ব্যবস্থায় সামান্যতম ভিন্নমত পোষণ করলে রাষ্ট্রপতির ভাগ্যে কী ঘটে, তা আমরা কে না জানি। এই সমস্যা মোকাবিলার জন্য সংসদের মেয়াদকালের ঠিক মধ্যবর্তী সময়ে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তাব তোলার সময় এসেছে বলে আমার ধারণা। এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দল জনগণের মধ্যে তাদের জনপ্রিয়তা পরীক্ষার সুযোগ পাবেন, রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাসীন দলের মুখাপেক্ষী হতে হবে না, সর্বোপরি একজন রাষ্ট্রপতিকে কাজ করতে হবে দুটি নির্বাচিত সংসদের সঙ্গে। একটি ছোট সমস্যার কথা এখানে অনেকে তুলতে পারেন। রাষ্ট্রপতি ও সংসদ যদি দুই ভিন্ন দলের হয়, তবে সংসদের উদ্বোধনী ভাষণের বক্তব্য কী হবে? ব্রিটেনে পার্লামেন্টে রানি যে বক্তৃতা দেন, তা ক্ষমতাসীন দলেরই কর্মসূচি। বাংলাদেশের পার্লামেন্টে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার ব্যবস্থা ওই ধারারই অনুসরণ। ব্রিটেনে শত শত বছর তা কাজ করেছে বলে সর্বত্রই সব সময় তা কাজ করবে—এমন মনে করা অসংগত। সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করলে এই ঔপনিবেশিক ধারা থেকে বাংলাদেশ নিজেকে মুক্ত করতে পারবে। রাষ্ট্রপতি বছরে একবার সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ পাবেন, অথবা তিনি স্পিকারের মাধ্যমে সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য যেকোনো সময় অনুরোধ করবেন। তাঁকে সে জন্য ধন্যবাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই—এটা তাঁর দায়িত্ব বলেই বিবেচনা করা যেতে পারে।
সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত যেসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির কাছে অর্পিত আছে এবং থাকবে বলে আমার প্রস্তাব, সেগুলো যাতে এক ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছা, পছন্দ-অপছন্দের বিষয়ে পরিণত না হয়, তার জন্য এই বিধান করা যেতে পারে যে রাষ্ট্রপতি কাউকে নিয়োগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী, সংসদনেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও স্পিকারের সঙ্গে এ বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। এরপর মনোনীত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করবেন, যাতে করে তাঁদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি চাইলে তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহারও করতে পারবেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একাধারে তিন ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তিনি প্রধানমন্ত্রী, সংসদীয় দলের প্রধান এবং তাঁর দলের প্রধান। এই তিনটি দায়িত্ব তিন ব্যক্তির হাতে তুলে দিলে দল, সরকার ও সংসদ—সবই উপকৃত হবে। লক্ষণীয়, সংসদের অন্যান্য অনেক বিষয়ে ব্রিটেনকে মডেল হিসেবে ব্যবহার করলেও এ বিষয়ে ব্রিটেনের অনুসারী হওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদেরা মোটেই উৎসাহী নন।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে এযাবৎ বিস্তর আলোচনা হয়েছে গত কয়েক বছরে। এসব আলোচনায় এই মতৈক্য সুস্পষ্ট যে এই ধারাটি গণতন্ত্রের জন্য মোটেই অনুকূল নয়; সম্ভবত একে অগণতান্ত্রিক বলেও চিহ্নিত করা যেতে পারে। সংবিধানে এই বিধান রাখার পক্ষে জোরালো কোনো যুক্তি কেউ এখনো হাজির করতে পারেননি। সংসদ সদস্যদের দলীয় নিয়ন্ত্রণে না রাখলে সরকারের স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ন হয়। পাকিস্তানের পঞ্চাশের দশকের অভিজ্ঞতা থেকে এই ধারা যুক্ত করা হয়েছিল, পরে তা আরও কঠোর করা হয়েছে। সংসদীয় কমিটি এবং অন্যরা এর পরিবর্তনে আগ্রহ দেখিয়েছে, কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, সংসদে অনাস্থা ভোটের ক্ষেত্রে দলীয় নিয়ন্ত্রণ রাখা দরকার কি না। ক্ষমতাসীন দলকে যদি সংবিধানের বিধানের জোরে দলীয় সদস্যের সমর্থন নিশ্চিত করতে হয়, তবে তা কি প্রমাণ করে না যে দলীয় নেতৃত্ব দল ও সরকার পরিচালনার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে? জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন ছাড়া অন্য সব বিষয়ে সংসদ সদস্যরা তাঁদের বিবেক-বিবেচনাপ্রসূত ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থাসংবলিত বিধান করা অত্যন্ত জরুরি।
২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা ক্ষমতায় গেলে ৩০ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকলে সংসদ সদস্যদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার বিধান করবে। সংসদকে কার্যকর করার জন্য এই প্রস্তাবটি সত্যি সত্যিই একটি আশাব্যঞ্জক প্রস্তাব ছিল। বিএনপি কেবল নির্বাচনে পরাজিতই হয়েছে তা নয়, তারা কার্যকরভাবে নিজেরাই এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে আসছে। নবম সংসদের ২৪ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২০৭টি কার্যদিবসে মাত্র ৫১ দিন বিএনপির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অষ্টম সংসদের বৈঠক হয়েছে ৩৭৩ কার্যদিবস; তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ মোট ১৫০ দিন যোগ দিয়েছে। একটি জাতীয় দৈনিকের হিসাব অনুযায়ী গত ২০ বছরে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা মোট কার্যদিবসের অর্ধেক দিনই সংসদে অনুপস্থিত ছিলেন। এসব অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান ৯০ কার্যদিবসের বদলে ৯০ দিনে পরিবর্তনের প্রস্তাব নিঃসন্দেহে ইতিবাচক; কিন্তু এটা বিএনপির প্রস্তাবিত ৩০ দিনে নির্ধারণ করতে বাধা কোথায়? অন্তত বিএনপি নিশ্চয় তাতে আপত্তি করতে পারবে না। কিন্তু সংসদ কার্যকর করতে এটাই যথেষ্ট পদক্ষেপ নয়; কোরামের অভাবে সংসদ মুলতবি করার মতো ঘটনা যখন ঘটছে, তখন নিশ্চয়ই তার জন্যও একটা বিধান রাখার কথা সংসদীয় কমিটি বিবেচনা করে দেখবে।
সংবিধানের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো কীভাবে উপস্থাপিত হবে—আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তা জানার সুযোগ হবে বলে আশা করি। সংসদে বিল আকারে সেসব সংশোধনী উপস্থাপনের আগে আলাপ-আলোচনার সুযোগ থাকবে, এটাও আমার প্রত্যাশা। সেসব আলোচনা সংসদীয় কমিটি ও নীতিনির্ধারকেরা বিবেচনায় নেবেন কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।
ইলিনয়, ৪ এপ্রিল ২০১১
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1522)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 05
(110)
- চারদিক-পড়ার বাইরের শৈশব by কামনাশীষ শেখর
- জনস্বাস্থ্য-এখনই চাই সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা
- খোলা চোখে-ক্রিকেট ও রাজনীতি by হাসান ফেরদৌস
- ধর্ম-সুস্থ-সবল জীবনের জন্য by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম...
- ইনসুলিনের বিকল্পের খোঁজে টেক্সাসের বিজ্ঞানীরা
- র্যাব ও মানবতা-লিমনের কাটা পায়ের খোঁজে by ফারুক ও...
- শিবের গীত-গোলটেবিল by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- দেশে ৩০১২ জনের জন্য চিকিৎসক মাত্র একজন
- প্রতিক্রিয়া-অথ নদী ও গরু সমাচার: সংবিধান নিয়ে বিভ্...
- দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে-আবারও রেলের জ...
- শুধু সংসদীয় অভিশংসন প্রথার প্রবর্তন কাম্য নয়-বিচার...
- ফারাক্কার প্রভাবে উত্তরাঞ্চলের ৫৪টি নদী পানি শূন্য...
- এক হাজারীর পর আরেক হাজারীতে জিম্মি ফেনীবাসী by আদি...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-আব্বা, তুমি শুনতে পাচ্ছ? by ফারজানা ন...
- সপ্তাহের হালচাল-প্রধান উপদেষ্টা: দুটি বিকল্প প্রস্...
- আদিবাসী-বিনোদনের সাফারি পার্ক ও ভীত রাথুরা শালবন b...
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস, ২০১১-অ্যান্টিবায়োটিকের অতি ব...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন, তীরটি তত্ত্...
- কয়লা উত্তোলনের ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে-গ...
- র্যাব কি আইনের ঊর্ধ্বে?-লিমনের কাটা পা
- মানুষের মুখ-মনের আলো দিয়ে দেখা by মানসুরা বেগম
- ক্রিকেট কূটনীতি-২২ গজি সম্পর্কের সেতু by এ কে এম জ...
- দুই দু’গুণে পাঁচ-আইজাক আসিমভের রসবোধ by আতাউর রহমান
- লিবিয়া-যুক্তরাষ্ট্র কখন সশস্ত্র সংগ্রাম পছন্দ করে ...
- সংবিধান সংশোধনী-বিবেচনার জন্য কিছু প্রস্তাব by আলী...
- দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পথে বাধা-স্বাস্থ্য খাতে ব্...
- কর্মসূচির নামে ভাঙচুর-জ্বালাও পোড়াও নয়-অযৌক্তিক ও ...
- নিঃশেষিত ইউরেনিয়াম-তেজস্ক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার ও লিব...
- এভারেস্ট জয়ের বর্ষপূর্তি-সামর্থ্যটা যদি বোঝাতে পার...
- রাজনীতি-গণতন্ত্র এবং আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি by এ...
- প্রশাসন তার দায়িত্ব পালন করুক-জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববি...
- চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ দরকার-পার্বত্য চট...
- চারদিক-হাসি ফুটুক তাদের মুখেও by ইমাম হাসান
- স্বাস্থ্যসেবা-কাশি ও ঢাকার কাশি by প্রাণ গোপাল দত্ত
- ব দ লে যা ও ব দ লে দা ও মি ছি ল-ব্লগ থেকে...
- ব দ লে যা ও ব দ লে দা ও মি ছি ল-মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞত...
- বদলে যাও বদলে দাও মিছিল-নৌ-দুর্ঘটনা বন্ধে করণীয় by...
- দেশ-জাতি-উন্নয়ন-অনুকূল সংস্কৃতি চাই by মোহাম্মদ কা...
- চিরকুট-পুনশ্চ: আরোগ্যশিল্পী by শাহাদুজ্জামান
- বিশ্বশান্তি বিপন্ন করবে ইসরাইলঃ গুন্টার গ্রাস
- সবচেয়ে সুন্দরী মিরান্ডা
- নতুন প্রজন্মের সচেতন উদ্যোগ প্রয়োজন-এসিড-সন্ত্রাস ...
- সিইসির মন্তব্য অসতর্ক ও আইন-অসমর্থিত-ডিসিসি নির্বাচন
- ডেসটিনির এমএলএম ব্যবসা-বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ দেখত...
- মেরিটাইম প্রশিক্ষণ by মঞ্জুরুল হক
- ঢাবি রসায়ন বিভাগে রণেন্দ্র চন্দ্র বৃত্তি by আরিফ ক...
- জার্নি বাই ট্রেন by অর্চি দাশগুপ্ত
- বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধ স্টাডিজ by মোঃ আবু সালে...
- কণ্ঠস্বর-রাজনীতিতে জয়-পরাজয় by রাহাত খান
- ধর্ষিতার পরীক্ষা-ঘুষের অঙ্কে রিপোর্ট পাল্টায়!
- চলচ্চিত্র শিল্প-সৃষ্টিশীলতার দ্বার খুলে যাক
- অপর্যাপ্ত পানি সরবরাহ-মহানগরীর জন্য নতুন বিপদ
- জমকালো আয়োজনে আরটিভির ‘বৈশাখী ফ্যাশন উৎসব’ অনুষ্ঠি...
- বৈশাখ রাঙাতে এলো ন্যান্সির ‘রঙ’ by ফাহিম ফয়সাল
- দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ কত দূর! by আব্দুল কুদ্দুস
- সাক্ষাৎকার-সীমিত সাধ্যের মধ্যে সেবা দিচ্ছে সরকারি ...
- সাক্ষাৎকার-নির্দিষ্ট মেয়াদেই সব প্রকল্পের কাজ শেষ ...
- ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস: মুক্তি নেই ভোগান্তি...
- চেহারাই পাল্টে যাবে নগরের
- অক্ষয় কুমার-ফিরছি বিরতির পর...
- সত্যজিৎ রায়ের নিষিদ্ধ ছবি-সিকিম by জাহিদুর রহিম অঞ্জন
- পাঁচ শিল্পী ও চার ব্যান্ডের গান-শুধু এবিসি রেডিওতে...
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-প্রথমবারের মতো শাকিব-পূর্...
- পবিত্র কোরআনের আলো-কাফির ও মুনাফিকদের পরিহার করে ন...
- চরাচর-মুক্তিযুদ্ধকালীন সেই বাংলাদেশ হাসপাতাল by ফখ...
- 'ব্যর্থতা'র মধ্যে সরকারের সুচারু সাফল্য by লুৎফর র...
- ছাত্রলীগের জন্য ৬ দফা সংস্কার প্রস্তাব by নির্ঝর আ...
- হরতাল নিয়ে শঙ্কা by সোয়াদ আহমেদ
- শিশুর খেলার মাঠ বেদখলে by রহিম আবদুর রহিম
- বাণিজ্য ভাবনা নয়, শিক্ষার প্রসার চাই by আমানুল্লাহ...
- ঐক্য কেবল বাংলায় by শেখ রোকন
- প্রতিবেশী দেশগুলোর অনিশ্চিত পরিস্থিতি উদ্বেগের কারণ
- সাময়িক প্রসঙ্গ-মনমোহনের উক্তি দুই দেশের সম্পর্ক উন...
- ঢাকা ওয়াসা-দামই বাড়ে, মান বাড়ে না কেন?
- রাজনৈতিক দৃশ্যপট-সংঘাতে কারও কল্যাণ নেই
- শ্রীলঙ্কার পাশে হাসিনা তফাতে মনমোহন by অমিত বসু
- সাদাকালো-দুঃখী নদীগুলোর জন্য কয়েক ছত্র by আহমদ রফিক
- ক্ষোভের বৈঠক ২৬ ক্যাডার কর্মকর্তার by আশরাফুল হক র...
- মুক্তিবাহিনীর অভিযানে আহত হয়েছিলেন সাকা চৌধুরী by...
- গ্রামীণ ব্যাংক-চেয়ারম্যানের কাজে পরিচালনা পর্ষদের ...
- ছাড়পত্র পেল প্রবাসীদের তিন ব্যাংক
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-সাকার বিচার শুরু
- কেমন আছেন উত্তরাবাসী-৮-মডেল টাউনে রাজউকের নকশা ছাড়...
- বঙ্গোপসাগরের সোনালি কোরাল-দাম তার ৩২ লাখ by রফিকুল...
- ডিসিসি নির্বাচন-বিএনপির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছ...
- * লাইফ সাপোর্ট নিয়ে ব্যবসার অভিযোগ-* ১০ শতাংশ ফ্রি...
- ডেসটিনির বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুদক-এনবিআর-ডাকা হ...
- 'মামাবাড়ির আবদার' গার্মেন্ট মালিকদের by আবুল কাশেম
- বিনে পয়সার গ্যাস-রোধ করতে হবে সব ধরনের অপচয়
- ন্যক্কারজনক তৎপরতা-তদন্তের ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা ...
- চরাচর-সারের নাম গুটি ইউরিয়া by আবদুল হামিদ মাহবুব
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-২৬)-সমাজ ক্রমাগত জরাগ্রস...
- শেকড়ের সন্ধানে-সুন্দরবন নেই সুন্দরবনে by ফরহাদ মাহমুদ
- মৃদুকণ্ঠ-দায়মুক্ত হয়ে বিদায় নিলেন by খোন্দকার ইব্র...
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের বিরুদ্ধে হত্যার অ...
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ-তদন্ত প্রতিবেদনে ছ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সাবেক ওসি হেলালের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ
- রাজধানীর ঝিলপাড়ে ও করাইল বস্তির কিছু অংশে বিটিসিএল...
- ভাষা প্রতিযোগ-মেঘ দেখে কেউ করেনি ভয় by সুমনকুমার দাশ
- কারখানা করতে মেঘনা দখল! by মনিরুজ্জামান
- চিরকুট-পুনশ্চ: আরোগ্যশিল্পী by শাহাদুজ্জামান
- স্বাস্থ্যসেবা-কাশি ও ঢাকার কাশি by প্রাণ গোপাল দত্ত
- তারায় তারায় যুদ্ধ
- ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রতিবেদন-ভারতে অভ্যুত্থানের চ...
- কালের পুরাণ-রাজনীতির বিষ ছাড়াবেন কে? by সোহরাব হাসান
- ভোজ্যতেলের বাজার এখনো অস্থির by আবুল হাসনাত
- ওরা ডাকাতি করতে যাচ্ছিল-‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনাটি সাজ...
- সাকা চৌধুরীর বিচার শুরু
- এসো হে বৈশাখ...
-
▼
Apr 05
(110)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
তুরস্ক
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
লেবানন
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
Exclusive
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
জোহরান মামদানি
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment