Friday, March 23, 2012
মুক্তির গান by আবদুশ শাকুর
মুক্তির গান by আবদুশ শাকুর
বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে নিরস্ত্র বাঙালির প্রধান অস্ত্র ছিল সংস্কৃতি, যে সংস্কৃতির প্রধান অংশ ছিল ভাষা, যার মুখ্য অঙ্গ ছিল গান—বাঙালির মুক্তির গান। কার থেকে মুক্তি? কিসের থেকে? পাকিস্তানের শাসন ও শোষণ থেকে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে নিরস্ত্র বাঙালির প্রধান অস্ত্র ছিল সংস্কৃতি, যে সংস্কৃতির প্রধান অংশ ছিল ভাষা, যার মুখ্য অঙ্গ ছিল গান—বাঙালির মুক্তির গান। কার থেকে মুক্তি? কিসের থেকে? পাকিস্তানের শাসন ও শোষণ থেকে। এককথায় পাকিস্তান থেকে মুক্তি। কেন? পাকিস্তানিরা ধর্মের রাজনীতিকে বিকৃতিরও সব সীমা ছাড়িয়ে বর্বরতার কোন পাতালে নিয়ে গিয়েছিল, সেটা সম্যক উপলব্ধি করার দুর্ভাগ্য আমার নিজেরই হয়েছিল একাত্তরের বীভৎস দিনগুলোতে—হানাদার বাহিনী, মিজো বাহিনী আর বর্মি বাহিনী কর্তৃক চতুর্দিক সিল করে দেওয়া বান্দরবানের আটকে পড়া মহকুমা শাসক হিসেবে।
মিলিশিয়ার দল আর কল্ড-আপ এক্স-আর্মিমেন আজানের আহ্বান শুনে তাজ্জব বনে জিজ্ঞেস করত, ‘এ হিন্দুর দেশে আজান দেয় কে?’ তাদের ব্রিফ করা হয়েছিল, পূর্ব পাকিস্তানের মুসলমান শুধু নামে, আসলে তারা সবাই হিন্দু। সেটা তাদের লুঙ্গি তুললেই দেখতে পাওয়া যাবে। অতএব, সেভাবে দেখে দেখে তাদের মুসলমানি করাতে হবে এবং ইসলামকে সর্বাঙ্গে সিলিয়ে দিয়ে তাদের নাপাক অঙ্গ পাক করার জন্যই সুদূর পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছে তাদের। বুড়ো নওমুসলিমদেরও খৎনা? আলবত। তাদের অমন নাজুক স্থানে ঝুলন্ত হিন্দুত্ব রাখা যাবে না। এত বড় একটা ধর্মলাভের বিনিময়ে ওই ক্ষুদ্র বাহুল্যটুকু ত্যাগ ওদের করতেই হবে। (পরে অবশ্য ধর্মের সেই পাকিস্তানি খাদেমদের কারও কারও ওই বাহুল্যটুকুর মূলসুদ্ধ ত্যাগ করতে হয়েছিল বাঙালি বীরাঙ্গনাদের গোপন অস্ত্রের আঘাতে)।
এমনি পরিপ্রেক্ষিতেই স্বপ্ন দেখেছিলাম ধর্ম নিয়ে রাজনীতি তথা ধর্মব্যবসা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত একটি দেশের নাগরিক হওয়ার—যে দেশের জাতীয় সম্পদ কুক্ষিগত হবে না হাতেগোনা কতিপয় দুর্বৃত্ত পরিবারের ভোগের জন্য। ধর্মনিরপেক্ষতা ও শোষণহীনতার এই দুটি বীজই নিষ্ফলা প্রমাণিত হয়েছে আমার বাস্তবের বাংলাদেশে। এক জেনারেল এসে ধর্মনিরপেক্ষতার বীজটি উপড়ে ফেলে দেয়। আরেক জেনারেল এসে দেশটির বুকে ধর্মীয় রাষ্ট্রের বীজই পুঁতে দেয়। ফলে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়িই হয়ে ওঠে বাস্তবের বাংলাদেশের অন্যতম বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্ন। অথচ ইসলামের পয়গম্বর বলেছেন, তাঁর প্রবর্তিত ধর্মে বাড়াবাড়ির স্থান নেই—লা ইক্রাহা ফি-দ্দীন্।
বিগত তিনটি সংসদের মেয়াদকালে ক্ষমতাসীন দল করেছে দিবারাত্রি লুটপাট আর ফুর্তিবাজি। বিরোধী দল করেছে লাগাতার বয়কট আর হরতাল। আদর্শহীনতার এই নগ্ন প্রতিযোগিতার ময়দানে নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনকারী একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি বিভক্ত হয়ে পড়ে, বস্তুত, দুটিমাত্র যুদ্ধংদেহী প্রতিস্পর্ধী ক্যাম্পে। এমন সংকটময় অবস্থা থেকে মুক্তিকামী বাঙালি হিসেবে জাতির ভবিষ্যৎস্বরূপ নিকষ কালো একটি টানেলের মুখে বসে আছি উদীয়মান মুক্তির আলোর রেখাটি দেখার আশায়—যে আলোর প্রথম ঝলকস্বরূপ অর্জিত হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা।
আশা ছিল, স্বাধীনতার নবোদিত সূর্যটি পূর্ণ বিকশিত হয়ে বাঙালিকে উপহার দেবে সার্বিক মুক্তি। কিন্তু বিকশিত না হয়ে সূর্যটি পড়ে রইল আলো আর আঁধারের মাঝখানে। পরিস্থিতিটিকে মূর্ত করে তোলার দৈনন্দিনের দৃষ্টান্তটি হলো ‘সুবেহ সাদিক’ বা ‘সত্য প্রভাত’ আর ‘প্রভাত’-এর মধ্যবর্তী অল্পক্ষণের ‘সুবেহ কাজিব’ বা ‘মিথ্যা প্রভাত’। প্রভাতের অপেক্ষায় আমরা যেন আজ এতটা বছর ধরে এক দীর্ঘক্ষণের ‘সুবেহ কাজিব’-এর মধ্যে আটকে পড়ে আছি।
এই অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য গাইতে হবে চাকা ঘোরানোর গান, উত্তরণের গান। একাত্তরের মুক্তির গান গীত হয়েছিল বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনের প্রণোদনের গান হিসেবে। কিন্তু ভৌগোলিক স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে সে গান শ্রুত হচ্ছে বিনোদনের গান হিসেবে। তা হোক না। গানগুলোর মাধ্যমে বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রামটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকুক।
মুক্তিযুদ্ধের গানের, তথা জালিম পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্তিলাভের গানের লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। এবার গাইতে হবে বাংলাদেশের গান, দেশপ্রেমের গান, দেশাত্মবোধক গান, দেশাত্মবোধ জাগিয়ে রেখে নিরন্তর উত্তরণের গান। বাঙালির দেশাত্মবোধক গানের দেড় শ বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের দিকে একবার ফিরে তাকালেই নিদ্রিত দেশাত্মবোধ জেগে উঠবে, বারবার তাকালে জাগ্রতই থাকবে। তাহলে আসুন, ফুটন্ত অতীতচারণা করে আমাদের ঘুমন্ত দেশাত্মবোধটিকে জাগিয়ে তুলি।
বাংলা সাহিত্যে রাজনৈতিক অর্থে স্বদেশচেতনার আবির্ভাব ঘটে ঊনবিংশ শতাব্দীতে। এর আগের চর্চিত স্বদেশ প্রসঙ্গ সীমাবদ্ধ ছিল নিসর্গীয় ও ধর্মীয় অর্থে। চর্যাপদ থেকে রামপ্রসাদের গান পর্যন্ত প্রায় ৭০০ বছরের সাহিত্যে দেশাত্মবোধক গান বা কবিতা নেই। বাংলা ভাষার উৎস সংস্কৃত ভাষায় ইংরেজি প্যাট্রিয়টিজম শব্দটির প্রতিশব্দ নেই বলেও আক্ষেপ শুনি বোদ্ধামহলে। অথচ আমরা কৈশোরেই প্যাট্রিয়টিজম শিরোনামের ইংরেজি কবিতা পড়েছি। তবে কি আমাদের স্বদেশচেতনা পরাধীনতা থেকে উদ্ভূত? দেশপ্রেমের চর্চা ইংরেজদের কাছ থেকে শেখা? এক অর্থে তা-ই। তাহলে ইংরেজরা ওটা পেল কীভাবে? পেল, ওরাও এককালে স্বাধীন ছিল না বলে—অধীন ছিল নর্সমেনদের, নরম্যানদের।
আসলে স্বদেশচেতনামূলক গানের পেছনে আছে জাতিরাষ্ট্রের চেতনা, জাতীয়তাবোধ। মডার্ন ন্যাশনালিজমের উদ্ভব ফরাসি বিপ্লব থেকেই বটে। তবে এর অন্যান্য উৎসও রয়েছে, যেমন শক্তিশালী রাজতন্ত্রের শক্ত কেন্দ্রীয় শাসনাধীন রাজ্য। বস্তুত স্বদেশচেতনা ও জাতীয়তাবোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উত্থান এবং তাদের ধারাবাহিক উপস্থিতি, যে শর্তটি বঙ্গদেশে পূর্ণ হয়েছে ঊনবিংশ শতকে। তার আগে দেশটিতে ছিল কেবলই উচ্চবিত্ত আর বিত্তহীন, ভূস্বামী আর ভূমিদাস।
বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর বিবিধ প্রবন্ধ গ্রন্থের ‘ভারতকলঙ্ক’ শীর্ষক প্রবন্ধে বলেছেন, নতুন দুটি জিনিস আমরা ইংরেজের চিত্তভান্ডার থেকে লাভ করেছি—স্বাতন্ত্র্যপ্রিয়তা আর জাতিপ্রতিষ্ঠা। নবলব্ধ এই দুটি জিনিসের চেতনাই ছিল ঊনবিংশ শতাব্দীতে জাগরিত দেশপ্রেমের দুটি প্রধান উপাদান। তাহলে বলতে হয়, বাংলায় দেশাত্মবোধক সাহিত্যের উদ্ভবের প্রধান কারণ ছিল দুটি—রাজনৈতিক ও সামাজিক। তবে অপ্রধান হলেও তৃতীয় কারণও একটা ছিল, সেটি সাহিত্যিক।
উনিশ শতকের বাঙালি ইউরোপীয় সাহিত্যের স্বদেশপ্রেমে জারিত উদ্দীপনামূলক সাহিত্য থেকে প্রেরণা পেয়েছিলেন ইংরেজি শিক্ষার মাধ্যমে। এ বিষয়ে তাঁদের সরাসরি উদ্বুদ্ধ করে থাকবে মুর, ক্যাম্বেল, স্কট, বায়রনদের কবিতা। এসব কারণের সমাহারই উনিশ শতকে বাঙালির মনে স্বদেশচেতনার সঞ্চার করেছে, যা প্রতিফলিত হয়েছে তার কাব্যে ও গানে। সারকথা, বাংলা সংস্কৃতির ইতিহাসে দেশগান একটি নতুন সংযোজন এবং কালের বিচারে তাকে আধুনিক সৃষ্টি বলতে হয়।
সর্বদা স্মর্তব্য যে, দেশাত্মবোধক গানের প্রধান উৎস ছিল বাঙালির বিপর্যস্তবোধ। বস্তুত, সব ভাষাতেই দেশগান সৃষ্টির পেছনে প্রধান উপকরণ প্রায়ই এক রকম—যেকোনো কারণে দেশটির বিপন্নবোধ। যেমন শেকসিপয়ারের রিচার্ড দ্য সেকেন্ড নাটকে জন অব গন্টের মুখে শ্রুত ইংল্যান্ডের প্রকৃতি, ঐতিহ্য ও কর্মের গৌরবগাথার পটভূমিকায় প্রচ্ছন্ন আছে দেশটির বিপর্যয়ের ব্যথা। বঙ্গেও এহেন ব্যথা অন্তরে পুঞ্জিত হয়ে যখন গণচিত্তকে ক্লিষ্ট করে তুলল, তখনই বাঙালির হূদয় থেকে উৎসারিত হয়ে স্বদেশচেতনা প্রতিফলিত হলো তার সাহিত্যে ও সংগীতে।
যেমন দীনবন্ধু মিত্রের নাটক নীলদর্পণ (১৮৬০) নীলকর-নির্যাতিত গ্রামবাংলার দরিদ্র চাষিদের দুঃখ-বেদনাকে ভাষা দিয়ে সমাজচেতনার দ্বারোদ্ঘাটন করেছিল। এরই সূত্র ধরে বাঙালির স্বদেশ সম্পর্কে একাধিক নতুন উপলব্ধি রূপ পরিগ্রহ করল। মাতৃভূমির সঙ্গে ভূমিসন্তানের নাড়ির সম্পর্কবোধ এই নবচেতনার অন্যতম লক্ষণ। মাতৃভাষার চেতনা তো বহু পূর্বের নিধুবাবুর (১৭৪১-১৮৩৯) গানেও প্রকাশ পেয়েছিল, যেমন, ‘নানান দেশের নানান ভাষা/ বিনে স্বদেশীয় ভাষা, মিটে কি আশা’। এই নতুন কণ্ঠস্বর ব্যাপকতা ও ধারাবাহিকতা পেল ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের (১৮১২-১৮৫৯) ‘স্বদেশ’, ‘মাতৃভাষা’, মাইকেল মধুসূদন দত্তের (১৮২৪-১৮৭৩) ‘বঙ্গভাষা’ (১৮৬১), ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ (১৮৬২) ইত্যাদি কবিতায়।
বাংলা সাহিত্যের নতুন আয়োজন থেকেই তার দেশাত্মবোধক গানের ধারাটি বেরিয়ে এসেছিল। খুবই প্রভাব বিস্তার করেছিল গুপ্তকবির দেশাত্মবোধক রচনা। তাঁর ‘স্বদেশ’ কবিতার নমুনা: জাননা কি জীব তুমি/ জননী জন্মভূমি/ সে তোমায় হূদয়ে রেখেছে।/ থাকিয়া মায়ের কোলে/ সন্তানে জননী ভোলে/ কে কোথায় এমন দেখেছে \/। তাঁর ‘মাতৃভাষা’ কবিতার দৃষ্টান্ত: কহিতে অন্তরের আশা/ মুখে নাহি ফুটে ভাষা/ ব্যাকুল হয়েছ কত তায়।/ মা-ম্মা-মা-মা-বা-ব্বা-বা-বা,/ আবো আবো আবা আবা/ সমুদয় দেববাণী প্রায় \/।
এ তো গেল কবিতার কথা। বাংলা দেশাত্মবোধক গানের ইতিহাসে প্রথমেই স্মরণ করতে হবে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের শতবর্ষ পূর্বেকার ‘হিন্দুমেলা’ (১৮৬৭) নামের একটি স্বাদেশিক কর্মসূচির প্রভাবকে। অরুণকুমার বসু লিখেছেন: ‘জাতীয় নাট্যশালা স্থাপন, নীলদর্পণের অনুবাদ প্রকাশ ও অভিনয় প্রভৃতি বিচিত্র-বিবিধ ঘটনায় আমাদের স্বদেশচেতনার ইতিহাস উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে স্পন্দিত হয়ে উঠেছিল। এর মধ্যে হিন্দুমেলাই সেই বৃহত্তম ঘটনা, বাংলা দেশাত্মবোধক সংগীতের ইতিহাসে যার প্রভাব সর্বাগ্রগণ্য’। [বাংলা কাব্যসংগীত ও রবীন্দ্রসংগীত, পৃ. ১৯৪-৯৫, ১৯৭৮, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা]।
প্রসঙ্গত, সুভাষ চৌধুরীর বক্তব্যও প্রণিধানযোগ্য: ‘মুক্তির গানের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিন্দুমেলা থেকেই শুরু। তার আগে তেমন কোন ধারাবাহিকতার সন্ধান মেলে না, যা দিয়ে একটি ক্রমবিন্যাস করা সম্ভব। তার প্রধান কারণ জাতীয়তাবোধের উন্মেষে সংগীতের ক্ষমতার সম্ভাব্যতার কথা তখনো তেমন করে উপলব্ধি করা যায়নি।’ [মুক্তির গান, বিনোদন সংখ্যা দেশ পত্রিকা, ১৯৮৪, কলকাতা]।
হিন্দুমেলার উদ্ভব ঘটেছিল রাজনারায়ণ বসুর (১৮২৬-১৮৯৯) এক বক্তৃতার একটি প্রস্তাবের সূত্র ধরে। প্রস্তাবটি ছিল ‘শিক্ষিত বঙ্গবাসিগণের মধ্যে জাতীয় গৌরবেচ্ছা-সঞ্চারিণী সভা’ সংস্থাপনের। বক্তৃতায় তিনি একটি সংগীতবিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন, যে সংগীতে শিক্ষার্থীদের ‘অন্তঃকরণে দেশহিতৈষিতা ও সমরানুরাগের সঞ্চার হইতে পারে’। প্রস্তাবটি বাস্তবায়নকল্পে নবগোপাল মিত্র (১৮৪০-১৮৯৪) ‘চৈত্রমেলা’ নামে একটি জাতীয় মেলার সূচনা করেন, পরে যার নাম হয় ‘হিন্দুমেলা’।
এই মেলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের খুড়তুতো ভাই গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪১-১৮৬৯)। নতুন উদ্দীপনায় উদ্বুদ্ধ এই হিন্দুমেলাকে উপলক্ষ করেই স্বদেশি গান রচনার সূত্রপাত ঘটে এবং সঙ্গে সঙ্গে এই নবচেতনার গান রচনার যেন একটা ধুম পড়ে যায়। তার মধ্যে সম্পাদক রচিত একটি স্বদেশি গান বেশি খ্যাতি পায়, ‘লজ্জায় ভারতযশ গাইব কি করে’। তাঁর মৃত্যুর পর সম্পাদক হন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪০-১৯২৬)। প্রকৃতপক্ষে সহসম্পাদক নবগোপালবাবুই ছিলেন হিন্দুমেলার সংগঠনপ্রধান এবং সর্ব অর্থেই এর প্রাণপুরুষ। জাতীয়তার মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ দেশব্রতী এই নিবেদিতচিত্ত কর্মীকে লোকে ‘ন্যাশনাল নবগোপাল’ নামে ডাকত, কারণ তিনি তাঁর সব সংগঠনের বিশেষণরূপে ‘ন্যাশনাল’ কথাটি ব্যবহার করতেন, ‘ন্যাশনাল পেপার’, ‘ন্যাশনাল সোসাইটি’, ‘ন্যাশনাল স্কুল’ ইত্যাদি।
১৮৬৮ সালে হিন্দুমেলার দ্বিতীয় অধিবেশনের উদ্বোধনী সংগীতরূপে গীত হয়েছিল সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪২-১৯২৩) রচিত: ‘মিলে সবে ভারত সন্তান/ এক তান মনপ্রাণ/ গাও ভারতের যশোগান।/... হোক ভারতের জয়/ জয় ভারতের জয়,/ গাও ভারতের জয় \/’। তবে সেকালের সর্বজনপ্রিয় স্বাধীনতার গানরূপে পরিচিতি পায় রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের (১৮২৭-৮৭) ‘স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে/ কে বাঁচিতে চায়?/ দাসত্ব-শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে/ কে পরিবে পায়?’।
১৮৭৫ সালে নবীনচন্দ্র সেন (১৮৪৭-১৯০৯) লিখলেন, ‘চাহি না স্বর্গের সুখ নন্দন কানন/ মুহূর্তেক পাই যদি স্বাধীন জীবন।/। শিবনাথ শাস্ত্রী (১৮৪৭-১৯১৯) লিখলেন, ‘উঠ জাগো শ্রমজীবী ভাই।/ উপস্থিত যুগান্তর,/ চলাচল নারীনর/ ঘুমাবার বেলা আর নাই/’। ১৮৮৬ সালে কংগ্রেসের দ্বিতীয় অধিবেশনে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) ‘আমরা মিলেছি আজ মায়ের ডাকে’ গানটি। ১৮৯৮ সালে বীণাবাদিনী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪৯-১৯২৫) রচিত ‘চলের চল্ সবে ভারতসন্তান/ মাতৃভূমি করে আহ্বান/...দলাদলি সব ভুলি।/ হিন্দুমুসলমান/ এক পথে এক সাথে চল্/ উড়াইয়ে একতা নিশান/’।
এভাবে ক্রমান্বয়ে দেশাত্মবোধক গানের প্রসঙ্গ ভারতবর্ষের বৃহত্তর প্রাঙ্গণ থেকে একান্ত হয়ে এসে পড়ল বঙ্গদেশের নিজস্ব অঙ্গনে—১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলন উপলক্ষে। বস্তুত দেশাত্মবোধক গানের উন্মেষ হিন্দুমেলার যুগে হলেও তার সার্থক বিকাশ ঘটেছে বঙ্গভঙ্গের যুগে। প্রথম যুগে প্রকাশ পেয়েছিল জাতীয় ভাবনা আর দ্বিতীয় যুগে স্বদেশচেতনা নিছক ভাবানুভূতির সংকীর্ণ পরিমণ্ডল ছাপিয়ে রূপান্তরিত হলো দেশসেবার বাস্তবিক কর্মপ্রেরণায়। এই ধারাটির অনুসরণেই কালে কালে ‘অসহযোগ’, ‘আইন অমান্য’ প্রভৃতি আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণতা লাভ করল জাতীয় আন্দোলন।
এ পর্বের স্বদেশি গানগুলো রাজনৈতিক আন্দোলনে বাঙালিকে শক্তি জুগিয়েছে। এ পর্যায়ে দেশপ্রেম হলো কর্মসাধনার অঙ্গ। সে কর্মসাধনা প্রেরণা পেল ইংরেজ-পাকিস্তানিদের মতো বিদেশি শাসকের প্রতি ক্রমবর্ধিষ্ণু বিদ্বেষ থেকে। এই পর্বটি থেকেই দেশগান হতে থাকল দখলদার বিতাড়নের হাতিয়ার, তার জন্য শোষক-শাসক নিধনেরও। স্বদেশি আন্দোলনের যুগের দেশাত্মবোধক গানের নিয়ামক চিন্তা-চৈতন্য ছিল—একতা, সক্রিয়তা, স্বনির্ভরতা, দেশমাতৃকার প্রতি গভীর ভক্তি এবং প্রত্যক্ষ আত্মীয়তাবোধ-সম্পর্কিত।
মধ্য-ঊনবিংশ শতক থেকে মধ্য-বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত ব্যাপ্ত ছিল হিন্দুস্থানি সংগীতচর্চার স্বর্ণপর্বটি, যার কেন্দ্র ছিল কলকাতা—যে শহরের স্বীকৃতিকে হিন্দুস্থানের শ্রেষ্ঠতম উস্তাদও তাঁর শিল্পীজীবনের শ্রেষ্ঠতম প্রাপ্তি জ্ঞান করতেন। হিন্দুস্থানি সংগীত-প্রভাবিত এমনি পরিবেশেই আবির্ভাব এবং তিরোভাব ঘটে বাংলা গানের ভুবনের আলোকস্তম্ভ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১)। স্বভাবতই, শক্তিশালী হিন্দুস্থানি সংগীতের এহেন সর্বগ্রাসী প্রভাববলয়ের ভেতর বাংলা গানের স্বাভাবিক বিকাশের বিষয়ে বিশেষ চিন্তান্বিত হয়েছিলেন বাংলা গানের ভুবনের এই পুরোধাপুরুষ। হিন্দুস্থানি সংগীত কেবল প্রশিক্ষিত জনের গাওয়ার এবং শোনার। প্রতিপক্ষে বাংলা গান সবার গান। সে জন্যই রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানকে ওস্তাদিমুক্ত রেখেছেন, যাতে এ গান সবাই গাইতে পারে, যখন-তখন যেখানে-সেখানে, হাটে বাটে মাঠে ঘাটে।
মহাবাগেগয়কারের এই কথাটা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা গান সবার মনের কথার গান, পদের গান, পদাবলীর গান। এ গানের প্রথম প্রবল প্রবাহটি ছিল কীর্তনের—ষোড়শ শতকের নামকীর্তন, লীলাকীর্তন, রসকীর্তনের। সেই সর্বপ্রথম বাংলার জনসাধারণ গানে গলা মেলাবার একটি জায়গা পেয়েছিল। তেমনি জোরদার আরেকটি প্রবাহ এসেছিল তার ৩০০ বছর পরে—বাঙালির মুক্তির গানে। এখানেও সমবেত কণ্ঠে গলা মেলাবার জায়গা পেয়েছিল বাংলার সর্বস্তরের জনগণ। এ অবকাশটির সৃষ্টি হয়েছিল উনিশ শতকের ষাটের দশকের কলকাতায়, ‘চৈত্রমেলা’র সূচনায়।
অলৌকিক আলোকে উদ্ভাসিত এবং অলোকসামান্য প্রতিভার তারকাখচিত সেই হিন্দুমেলার উৎসমুখস্বরূপ রাজনারায়ণ বসুর ‘জাতীয় গৌরবেচ্ছা-সঞ্চারিণী সভা’ ও ‘একটি সংগীতবিদ্যালয় স্থাপনের, যে সংগীতে শিক্ষার্থীদের অন্তঃকরণে দেশহিতৈষিতা ও সমরানুরাগের সঞ্চার হইতে পারে’—এই প্রস্তাব দুটিতে যেন বীজই বপিত হয়েছিল বাঙালির মুক্তির গানের, যে গান অদ্যাবধি চলমান; হয়তো চলতেই থাকবে সত্যিকারের মুক্তি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত।
বিপর্যয়বোধ ছাড়া দেশাত্মবোধক গানের আরেক অগ্নিঝরা উৎস প্রত্যক্ষ আঘাত। যেমন—১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের আঘাতে বাঙালি দেশাত্মবোধক গান গেয়ে উঠেছিল। বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের হাত ধরে স্বদেশচেতনা রূপান্তরিত হলো দেশসেবার বাস্তবিক কর্মপ্রেরণায়। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর দেশাত্মবোধক গানের প্রবাহে ভাটার টান পড়ে। সে স্তিমিত পর্বে দেশগানের ক্ষেত্রে প্রধান দুই ব্যক্তিত্ব ছিলেন লোককবি রমেশ শীল (১৮৭৭-১৯৬৭) আর চারণকবি মুকুন্দ দাস (১৮৭৮-১৯৩৪)।
অবশ্য পরের দশকের প্রথমার্ধেই আবির্ভূত হন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) মুক্তির গানের উদ্দীপনাসঞ্চারী নতুন ধারা নিয়ে, স্বদেশি আন্দোলনের অংশী হয়ে। বিভিন্ন পেশার শ্রমজীবী শ্রেণীর জাগরণী গানের মাধ্যমে তিনি যেন বিশের দশকেই অগ্রিম সংবাদ দিচ্ছিলেন গণসংগীতে উত্তাল চল্লিশের দশকের। গণসংগীতের সেই প্রবল জোয়ারটি এসেছিল ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন ওরফে ‘আইপিটিএ’র গণমুখী সাংস্কৃতিক তৎপরতায়। ওটি ছিল ফ্যাসিবাদ, পুঁজিবাদ ও উপনিবেশবাদবিরোধী ভূমণ্ডলীয় আন্দোলনের ইন্ডিয়ান চ্যাপ্টার। অবিস্মরণীয় সেই সংগীতপর্বের মুখ্য কথাকার, সুরকার ও রূপকার ছিলেন জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র (১৯১১-১৯৭৭), হেমাঙ্গ বিশ্বাস (১৯১২-১৯৮৭), বিনয় রায় (১৯১৮-১৯৭৫), সলিল চৌধুরী (১৯২২-১৯৯৫) প্রমুখ। দেশাত্মবোধক গণসংগীত আন্দোলনের চল্লিশের দশকটিকে যেন রবীন্দ্র-নজরুলখচিত তিরিশের দশকের চেয়েও উজ্জ্বল প্রতিভাত হয়।
বঙ্গভঙ্গের আঘাত খেয়ে বাঙালি যেমন দেশাত্মবোধক গান গেয়ে উঠেছিল ১৯০৫ সালে, তেমনি উর্দু ভাষার মার খেয়ে বাংলা ভাষার গান গেয়ে উঠল ১৯৫২ সালে। অবশেষে একাত্তরে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণে মুক্তিযুদ্ধ বেধে গেলে, তাতে বাঙালির শতবর্ষের পুঞ্জীভূত মুক্তির গান কামানের সমান ভূমিকাই পালন করেছিল।
বিপর্যয় যেহেতু বাঙালির নিত্যসঙ্গী, মুক্তির গান সে গেয়েই চলেছে অদ্যাবধি। তাই বঙ্গবন্ধু হত্যার ৩০ বছর পরও স্বাধীনতাকে খুঁজে না পেয়ে বাংলাদেশের পপগায়ক হায়দার হোসেন তাঁর ২০০৫ সালের একটি অ্যালবামের নাম দিয়েছেন ফাঁইস্যা গেছি। মানে গায়ক ফেঁসে গেছেন। তাই তিনি গাইছেন:
কী দেখার কথা কী দেখছি
কী শোনার কথা কী শুনছি
কী ভাবার কথা কী ভাবছি
কী বলার কথা কী বলছি
তিরিশ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি \
হায়দার হোসেনের মতো ‘ফাঁইস্যা’ গেছে আজ এ দেশের আপামর জনসাধারণও। তাই এবার চাই জনগণের উত্তরণের গান।
মিলিশিয়ার দল আর কল্ড-আপ এক্স-আর্মিমেন আজানের আহ্বান শুনে তাজ্জব বনে জিজ্ঞেস করত, ‘এ হিন্দুর দেশে আজান দেয় কে?’ তাদের ব্রিফ করা হয়েছিল, পূর্ব পাকিস্তানের মুসলমান শুধু নামে, আসলে তারা সবাই হিন্দু। সেটা তাদের লুঙ্গি তুললেই দেখতে পাওয়া যাবে। অতএব, সেভাবে দেখে দেখে তাদের মুসলমানি করাতে হবে এবং ইসলামকে সর্বাঙ্গে সিলিয়ে দিয়ে তাদের নাপাক অঙ্গ পাক করার জন্যই সুদূর পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছে তাদের। বুড়ো নওমুসলিমদেরও খৎনা? আলবত। তাদের অমন নাজুক স্থানে ঝুলন্ত হিন্দুত্ব রাখা যাবে না। এত বড় একটা ধর্মলাভের বিনিময়ে ওই ক্ষুদ্র বাহুল্যটুকু ত্যাগ ওদের করতেই হবে। (পরে অবশ্য ধর্মের সেই পাকিস্তানি খাদেমদের কারও কারও ওই বাহুল্যটুকুর মূলসুদ্ধ ত্যাগ করতে হয়েছিল বাঙালি বীরাঙ্গনাদের গোপন অস্ত্রের আঘাতে)।
এমনি পরিপ্রেক্ষিতেই স্বপ্ন দেখেছিলাম ধর্ম নিয়ে রাজনীতি তথা ধর্মব্যবসা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত একটি দেশের নাগরিক হওয়ার—যে দেশের জাতীয় সম্পদ কুক্ষিগত হবে না হাতেগোনা কতিপয় দুর্বৃত্ত পরিবারের ভোগের জন্য। ধর্মনিরপেক্ষতা ও শোষণহীনতার এই দুটি বীজই নিষ্ফলা প্রমাণিত হয়েছে আমার বাস্তবের বাংলাদেশে। এক জেনারেল এসে ধর্মনিরপেক্ষতার বীজটি উপড়ে ফেলে দেয়। আরেক জেনারেল এসে দেশটির বুকে ধর্মীয় রাষ্ট্রের বীজই পুঁতে দেয়। ফলে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়িই হয়ে ওঠে বাস্তবের বাংলাদেশের অন্যতম বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্ন। অথচ ইসলামের পয়গম্বর বলেছেন, তাঁর প্রবর্তিত ধর্মে বাড়াবাড়ির স্থান নেই—লা ইক্রাহা ফি-দ্দীন্।
বিগত তিনটি সংসদের মেয়াদকালে ক্ষমতাসীন দল করেছে দিবারাত্রি লুটপাট আর ফুর্তিবাজি। বিরোধী দল করেছে লাগাতার বয়কট আর হরতাল। আদর্শহীনতার এই নগ্ন প্রতিযোগিতার ময়দানে নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনকারী একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি বিভক্ত হয়ে পড়ে, বস্তুত, দুটিমাত্র যুদ্ধংদেহী প্রতিস্পর্ধী ক্যাম্পে। এমন সংকটময় অবস্থা থেকে মুক্তিকামী বাঙালি হিসেবে জাতির ভবিষ্যৎস্বরূপ নিকষ কালো একটি টানেলের মুখে বসে আছি উদীয়মান মুক্তির আলোর রেখাটি দেখার আশায়—যে আলোর প্রথম ঝলকস্বরূপ অর্জিত হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা।
আশা ছিল, স্বাধীনতার নবোদিত সূর্যটি পূর্ণ বিকশিত হয়ে বাঙালিকে উপহার দেবে সার্বিক মুক্তি। কিন্তু বিকশিত না হয়ে সূর্যটি পড়ে রইল আলো আর আঁধারের মাঝখানে। পরিস্থিতিটিকে মূর্ত করে তোলার দৈনন্দিনের দৃষ্টান্তটি হলো ‘সুবেহ সাদিক’ বা ‘সত্য প্রভাত’ আর ‘প্রভাত’-এর মধ্যবর্তী অল্পক্ষণের ‘সুবেহ কাজিব’ বা ‘মিথ্যা প্রভাত’। প্রভাতের অপেক্ষায় আমরা যেন আজ এতটা বছর ধরে এক দীর্ঘক্ষণের ‘সুবেহ কাজিব’-এর মধ্যে আটকে পড়ে আছি।
এই অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য গাইতে হবে চাকা ঘোরানোর গান, উত্তরণের গান। একাত্তরের মুক্তির গান গীত হয়েছিল বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনের প্রণোদনের গান হিসেবে। কিন্তু ভৌগোলিক স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে সে গান শ্রুত হচ্ছে বিনোদনের গান হিসেবে। তা হোক না। গানগুলোর মাধ্যমে বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রামটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকুক।
মুক্তিযুদ্ধের গানের, তথা জালিম পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্তিলাভের গানের লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। এবার গাইতে হবে বাংলাদেশের গান, দেশপ্রেমের গান, দেশাত্মবোধক গান, দেশাত্মবোধ জাগিয়ে রেখে নিরন্তর উত্তরণের গান। বাঙালির দেশাত্মবোধক গানের দেড় শ বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের দিকে একবার ফিরে তাকালেই নিদ্রিত দেশাত্মবোধ জেগে উঠবে, বারবার তাকালে জাগ্রতই থাকবে। তাহলে আসুন, ফুটন্ত অতীতচারণা করে আমাদের ঘুমন্ত দেশাত্মবোধটিকে জাগিয়ে তুলি।
বাংলা সাহিত্যে রাজনৈতিক অর্থে স্বদেশচেতনার আবির্ভাব ঘটে ঊনবিংশ শতাব্দীতে। এর আগের চর্চিত স্বদেশ প্রসঙ্গ সীমাবদ্ধ ছিল নিসর্গীয় ও ধর্মীয় অর্থে। চর্যাপদ থেকে রামপ্রসাদের গান পর্যন্ত প্রায় ৭০০ বছরের সাহিত্যে দেশাত্মবোধক গান বা কবিতা নেই। বাংলা ভাষার উৎস সংস্কৃত ভাষায় ইংরেজি প্যাট্রিয়টিজম শব্দটির প্রতিশব্দ নেই বলেও আক্ষেপ শুনি বোদ্ধামহলে। অথচ আমরা কৈশোরেই প্যাট্রিয়টিজম শিরোনামের ইংরেজি কবিতা পড়েছি। তবে কি আমাদের স্বদেশচেতনা পরাধীনতা থেকে উদ্ভূত? দেশপ্রেমের চর্চা ইংরেজদের কাছ থেকে শেখা? এক অর্থে তা-ই। তাহলে ইংরেজরা ওটা পেল কীভাবে? পেল, ওরাও এককালে স্বাধীন ছিল না বলে—অধীন ছিল নর্সমেনদের, নরম্যানদের।
আসলে স্বদেশচেতনামূলক গানের পেছনে আছে জাতিরাষ্ট্রের চেতনা, জাতীয়তাবোধ। মডার্ন ন্যাশনালিজমের উদ্ভব ফরাসি বিপ্লব থেকেই বটে। তবে এর অন্যান্য উৎসও রয়েছে, যেমন শক্তিশালী রাজতন্ত্রের শক্ত কেন্দ্রীয় শাসনাধীন রাজ্য। বস্তুত স্বদেশচেতনা ও জাতীয়তাবোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উত্থান এবং তাদের ধারাবাহিক উপস্থিতি, যে শর্তটি বঙ্গদেশে পূর্ণ হয়েছে ঊনবিংশ শতকে। তার আগে দেশটিতে ছিল কেবলই উচ্চবিত্ত আর বিত্তহীন, ভূস্বামী আর ভূমিদাস।
বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর বিবিধ প্রবন্ধ গ্রন্থের ‘ভারতকলঙ্ক’ শীর্ষক প্রবন্ধে বলেছেন, নতুন দুটি জিনিস আমরা ইংরেজের চিত্তভান্ডার থেকে লাভ করেছি—স্বাতন্ত্র্যপ্রিয়তা আর জাতিপ্রতিষ্ঠা। নবলব্ধ এই দুটি জিনিসের চেতনাই ছিল ঊনবিংশ শতাব্দীতে জাগরিত দেশপ্রেমের দুটি প্রধান উপাদান। তাহলে বলতে হয়, বাংলায় দেশাত্মবোধক সাহিত্যের উদ্ভবের প্রধান কারণ ছিল দুটি—রাজনৈতিক ও সামাজিক। তবে অপ্রধান হলেও তৃতীয় কারণও একটা ছিল, সেটি সাহিত্যিক।
উনিশ শতকের বাঙালি ইউরোপীয় সাহিত্যের স্বদেশপ্রেমে জারিত উদ্দীপনামূলক সাহিত্য থেকে প্রেরণা পেয়েছিলেন ইংরেজি শিক্ষার মাধ্যমে। এ বিষয়ে তাঁদের সরাসরি উদ্বুদ্ধ করে থাকবে মুর, ক্যাম্বেল, স্কট, বায়রনদের কবিতা। এসব কারণের সমাহারই উনিশ শতকে বাঙালির মনে স্বদেশচেতনার সঞ্চার করেছে, যা প্রতিফলিত হয়েছে তার কাব্যে ও গানে। সারকথা, বাংলা সংস্কৃতির ইতিহাসে দেশগান একটি নতুন সংযোজন এবং কালের বিচারে তাকে আধুনিক সৃষ্টি বলতে হয়।
সর্বদা স্মর্তব্য যে, দেশাত্মবোধক গানের প্রধান উৎস ছিল বাঙালির বিপর্যস্তবোধ। বস্তুত, সব ভাষাতেই দেশগান সৃষ্টির পেছনে প্রধান উপকরণ প্রায়ই এক রকম—যেকোনো কারণে দেশটির বিপন্নবোধ। যেমন শেকসিপয়ারের রিচার্ড দ্য সেকেন্ড নাটকে জন অব গন্টের মুখে শ্রুত ইংল্যান্ডের প্রকৃতি, ঐতিহ্য ও কর্মের গৌরবগাথার পটভূমিকায় প্রচ্ছন্ন আছে দেশটির বিপর্যয়ের ব্যথা। বঙ্গেও এহেন ব্যথা অন্তরে পুঞ্জিত হয়ে যখন গণচিত্তকে ক্লিষ্ট করে তুলল, তখনই বাঙালির হূদয় থেকে উৎসারিত হয়ে স্বদেশচেতনা প্রতিফলিত হলো তার সাহিত্যে ও সংগীতে।
যেমন দীনবন্ধু মিত্রের নাটক নীলদর্পণ (১৮৬০) নীলকর-নির্যাতিত গ্রামবাংলার দরিদ্র চাষিদের দুঃখ-বেদনাকে ভাষা দিয়ে সমাজচেতনার দ্বারোদ্ঘাটন করেছিল। এরই সূত্র ধরে বাঙালির স্বদেশ সম্পর্কে একাধিক নতুন উপলব্ধি রূপ পরিগ্রহ করল। মাতৃভূমির সঙ্গে ভূমিসন্তানের নাড়ির সম্পর্কবোধ এই নবচেতনার অন্যতম লক্ষণ। মাতৃভাষার চেতনা তো বহু পূর্বের নিধুবাবুর (১৭৪১-১৮৩৯) গানেও প্রকাশ পেয়েছিল, যেমন, ‘নানান দেশের নানান ভাষা/ বিনে স্বদেশীয় ভাষা, মিটে কি আশা’। এই নতুন কণ্ঠস্বর ব্যাপকতা ও ধারাবাহিকতা পেল ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের (১৮১২-১৮৫৯) ‘স্বদেশ’, ‘মাতৃভাষা’, মাইকেল মধুসূদন দত্তের (১৮২৪-১৮৭৩) ‘বঙ্গভাষা’ (১৮৬১), ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ (১৮৬২) ইত্যাদি কবিতায়।
বাংলা সাহিত্যের নতুন আয়োজন থেকেই তার দেশাত্মবোধক গানের ধারাটি বেরিয়ে এসেছিল। খুবই প্রভাব বিস্তার করেছিল গুপ্তকবির দেশাত্মবোধক রচনা। তাঁর ‘স্বদেশ’ কবিতার নমুনা: জাননা কি জীব তুমি/ জননী জন্মভূমি/ সে তোমায় হূদয়ে রেখেছে।/ থাকিয়া মায়ের কোলে/ সন্তানে জননী ভোলে/ কে কোথায় এমন দেখেছে \/। তাঁর ‘মাতৃভাষা’ কবিতার দৃষ্টান্ত: কহিতে অন্তরের আশা/ মুখে নাহি ফুটে ভাষা/ ব্যাকুল হয়েছ কত তায়।/ মা-ম্মা-মা-মা-বা-ব্বা-বা-বা,/ আবো আবো আবা আবা/ সমুদয় দেববাণী প্রায় \/।
এ তো গেল কবিতার কথা। বাংলা দেশাত্মবোধক গানের ইতিহাসে প্রথমেই স্মরণ করতে হবে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের শতবর্ষ পূর্বেকার ‘হিন্দুমেলা’ (১৮৬৭) নামের একটি স্বাদেশিক কর্মসূচির প্রভাবকে। অরুণকুমার বসু লিখেছেন: ‘জাতীয় নাট্যশালা স্থাপন, নীলদর্পণের অনুবাদ প্রকাশ ও অভিনয় প্রভৃতি বিচিত্র-বিবিধ ঘটনায় আমাদের স্বদেশচেতনার ইতিহাস উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে স্পন্দিত হয়ে উঠেছিল। এর মধ্যে হিন্দুমেলাই সেই বৃহত্তম ঘটনা, বাংলা দেশাত্মবোধক সংগীতের ইতিহাসে যার প্রভাব সর্বাগ্রগণ্য’। [বাংলা কাব্যসংগীত ও রবীন্দ্রসংগীত, পৃ. ১৯৪-৯৫, ১৯৭৮, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা]।
প্রসঙ্গত, সুভাষ চৌধুরীর বক্তব্যও প্রণিধানযোগ্য: ‘মুক্তির গানের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিন্দুমেলা থেকেই শুরু। তার আগে তেমন কোন ধারাবাহিকতার সন্ধান মেলে না, যা দিয়ে একটি ক্রমবিন্যাস করা সম্ভব। তার প্রধান কারণ জাতীয়তাবোধের উন্মেষে সংগীতের ক্ষমতার সম্ভাব্যতার কথা তখনো তেমন করে উপলব্ধি করা যায়নি।’ [মুক্তির গান, বিনোদন সংখ্যা দেশ পত্রিকা, ১৯৮৪, কলকাতা]।
হিন্দুমেলার উদ্ভব ঘটেছিল রাজনারায়ণ বসুর (১৮২৬-১৮৯৯) এক বক্তৃতার একটি প্রস্তাবের সূত্র ধরে। প্রস্তাবটি ছিল ‘শিক্ষিত বঙ্গবাসিগণের মধ্যে জাতীয় গৌরবেচ্ছা-সঞ্চারিণী সভা’ সংস্থাপনের। বক্তৃতায় তিনি একটি সংগীতবিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন, যে সংগীতে শিক্ষার্থীদের ‘অন্তঃকরণে দেশহিতৈষিতা ও সমরানুরাগের সঞ্চার হইতে পারে’। প্রস্তাবটি বাস্তবায়নকল্পে নবগোপাল মিত্র (১৮৪০-১৮৯৪) ‘চৈত্রমেলা’ নামে একটি জাতীয় মেলার সূচনা করেন, পরে যার নাম হয় ‘হিন্দুমেলা’।
এই মেলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের খুড়তুতো ভাই গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪১-১৮৬৯)। নতুন উদ্দীপনায় উদ্বুদ্ধ এই হিন্দুমেলাকে উপলক্ষ করেই স্বদেশি গান রচনার সূত্রপাত ঘটে এবং সঙ্গে সঙ্গে এই নবচেতনার গান রচনার যেন একটা ধুম পড়ে যায়। তার মধ্যে সম্পাদক রচিত একটি স্বদেশি গান বেশি খ্যাতি পায়, ‘লজ্জায় ভারতযশ গাইব কি করে’। তাঁর মৃত্যুর পর সম্পাদক হন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪০-১৯২৬)। প্রকৃতপক্ষে সহসম্পাদক নবগোপালবাবুই ছিলেন হিন্দুমেলার সংগঠনপ্রধান এবং সর্ব অর্থেই এর প্রাণপুরুষ। জাতীয়তার মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ দেশব্রতী এই নিবেদিতচিত্ত কর্মীকে লোকে ‘ন্যাশনাল নবগোপাল’ নামে ডাকত, কারণ তিনি তাঁর সব সংগঠনের বিশেষণরূপে ‘ন্যাশনাল’ কথাটি ব্যবহার করতেন, ‘ন্যাশনাল পেপার’, ‘ন্যাশনাল সোসাইটি’, ‘ন্যাশনাল স্কুল’ ইত্যাদি।
১৮৬৮ সালে হিন্দুমেলার দ্বিতীয় অধিবেশনের উদ্বোধনী সংগীতরূপে গীত হয়েছিল সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪২-১৯২৩) রচিত: ‘মিলে সবে ভারত সন্তান/ এক তান মনপ্রাণ/ গাও ভারতের যশোগান।/... হোক ভারতের জয়/ জয় ভারতের জয়,/ গাও ভারতের জয় \/’। তবে সেকালের সর্বজনপ্রিয় স্বাধীনতার গানরূপে পরিচিতি পায় রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের (১৮২৭-৮৭) ‘স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে/ কে বাঁচিতে চায়?/ দাসত্ব-শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে/ কে পরিবে পায়?’।
১৮৭৫ সালে নবীনচন্দ্র সেন (১৮৪৭-১৯০৯) লিখলেন, ‘চাহি না স্বর্গের সুখ নন্দন কানন/ মুহূর্তেক পাই যদি স্বাধীন জীবন।/। শিবনাথ শাস্ত্রী (১৮৪৭-১৯১৯) লিখলেন, ‘উঠ জাগো শ্রমজীবী ভাই।/ উপস্থিত যুগান্তর,/ চলাচল নারীনর/ ঘুমাবার বেলা আর নাই/’। ১৮৮৬ সালে কংগ্রেসের দ্বিতীয় অধিবেশনে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) ‘আমরা মিলেছি আজ মায়ের ডাকে’ গানটি। ১৮৯৮ সালে বীণাবাদিনী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪৯-১৯২৫) রচিত ‘চলের চল্ সবে ভারতসন্তান/ মাতৃভূমি করে আহ্বান/...দলাদলি সব ভুলি।/ হিন্দুমুসলমান/ এক পথে এক সাথে চল্/ উড়াইয়ে একতা নিশান/’।
এভাবে ক্রমান্বয়ে দেশাত্মবোধক গানের প্রসঙ্গ ভারতবর্ষের বৃহত্তর প্রাঙ্গণ থেকে একান্ত হয়ে এসে পড়ল বঙ্গদেশের নিজস্ব অঙ্গনে—১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলন উপলক্ষে। বস্তুত দেশাত্মবোধক গানের উন্মেষ হিন্দুমেলার যুগে হলেও তার সার্থক বিকাশ ঘটেছে বঙ্গভঙ্গের যুগে। প্রথম যুগে প্রকাশ পেয়েছিল জাতীয় ভাবনা আর দ্বিতীয় যুগে স্বদেশচেতনা নিছক ভাবানুভূতির সংকীর্ণ পরিমণ্ডল ছাপিয়ে রূপান্তরিত হলো দেশসেবার বাস্তবিক কর্মপ্রেরণায়। এই ধারাটির অনুসরণেই কালে কালে ‘অসহযোগ’, ‘আইন অমান্য’ প্রভৃতি আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণতা লাভ করল জাতীয় আন্দোলন।
এ পর্বের স্বদেশি গানগুলো রাজনৈতিক আন্দোলনে বাঙালিকে শক্তি জুগিয়েছে। এ পর্যায়ে দেশপ্রেম হলো কর্মসাধনার অঙ্গ। সে কর্মসাধনা প্রেরণা পেল ইংরেজ-পাকিস্তানিদের মতো বিদেশি শাসকের প্রতি ক্রমবর্ধিষ্ণু বিদ্বেষ থেকে। এই পর্বটি থেকেই দেশগান হতে থাকল দখলদার বিতাড়নের হাতিয়ার, তার জন্য শোষক-শাসক নিধনেরও। স্বদেশি আন্দোলনের যুগের দেশাত্মবোধক গানের নিয়ামক চিন্তা-চৈতন্য ছিল—একতা, সক্রিয়তা, স্বনির্ভরতা, দেশমাতৃকার প্রতি গভীর ভক্তি এবং প্রত্যক্ষ আত্মীয়তাবোধ-সম্পর্কিত।
মধ্য-ঊনবিংশ শতক থেকে মধ্য-বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত ব্যাপ্ত ছিল হিন্দুস্থানি সংগীতচর্চার স্বর্ণপর্বটি, যার কেন্দ্র ছিল কলকাতা—যে শহরের স্বীকৃতিকে হিন্দুস্থানের শ্রেষ্ঠতম উস্তাদও তাঁর শিল্পীজীবনের শ্রেষ্ঠতম প্রাপ্তি জ্ঞান করতেন। হিন্দুস্থানি সংগীত-প্রভাবিত এমনি পরিবেশেই আবির্ভাব এবং তিরোভাব ঘটে বাংলা গানের ভুবনের আলোকস্তম্ভ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১)। স্বভাবতই, শক্তিশালী হিন্দুস্থানি সংগীতের এহেন সর্বগ্রাসী প্রভাববলয়ের ভেতর বাংলা গানের স্বাভাবিক বিকাশের বিষয়ে বিশেষ চিন্তান্বিত হয়েছিলেন বাংলা গানের ভুবনের এই পুরোধাপুরুষ। হিন্দুস্থানি সংগীত কেবল প্রশিক্ষিত জনের গাওয়ার এবং শোনার। প্রতিপক্ষে বাংলা গান সবার গান। সে জন্যই রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানকে ওস্তাদিমুক্ত রেখেছেন, যাতে এ গান সবাই গাইতে পারে, যখন-তখন যেখানে-সেখানে, হাটে বাটে মাঠে ঘাটে।
মহাবাগেগয়কারের এই কথাটা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা গান সবার মনের কথার গান, পদের গান, পদাবলীর গান। এ গানের প্রথম প্রবল প্রবাহটি ছিল কীর্তনের—ষোড়শ শতকের নামকীর্তন, লীলাকীর্তন, রসকীর্তনের। সেই সর্বপ্রথম বাংলার জনসাধারণ গানে গলা মেলাবার একটি জায়গা পেয়েছিল। তেমনি জোরদার আরেকটি প্রবাহ এসেছিল তার ৩০০ বছর পরে—বাঙালির মুক্তির গানে। এখানেও সমবেত কণ্ঠে গলা মেলাবার জায়গা পেয়েছিল বাংলার সর্বস্তরের জনগণ। এ অবকাশটির সৃষ্টি হয়েছিল উনিশ শতকের ষাটের দশকের কলকাতায়, ‘চৈত্রমেলা’র সূচনায়।
অলৌকিক আলোকে উদ্ভাসিত এবং অলোকসামান্য প্রতিভার তারকাখচিত সেই হিন্দুমেলার উৎসমুখস্বরূপ রাজনারায়ণ বসুর ‘জাতীয় গৌরবেচ্ছা-সঞ্চারিণী সভা’ ও ‘একটি সংগীতবিদ্যালয় স্থাপনের, যে সংগীতে শিক্ষার্থীদের অন্তঃকরণে দেশহিতৈষিতা ও সমরানুরাগের সঞ্চার হইতে পারে’—এই প্রস্তাব দুটিতে যেন বীজই বপিত হয়েছিল বাঙালির মুক্তির গানের, যে গান অদ্যাবধি চলমান; হয়তো চলতেই থাকবে সত্যিকারের মুক্তি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত।
বিপর্যয়বোধ ছাড়া দেশাত্মবোধক গানের আরেক অগ্নিঝরা উৎস প্রত্যক্ষ আঘাত। যেমন—১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের আঘাতে বাঙালি দেশাত্মবোধক গান গেয়ে উঠেছিল। বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের হাত ধরে স্বদেশচেতনা রূপান্তরিত হলো দেশসেবার বাস্তবিক কর্মপ্রেরণায়। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর দেশাত্মবোধক গানের প্রবাহে ভাটার টান পড়ে। সে স্তিমিত পর্বে দেশগানের ক্ষেত্রে প্রধান দুই ব্যক্তিত্ব ছিলেন লোককবি রমেশ শীল (১৮৭৭-১৯৬৭) আর চারণকবি মুকুন্দ দাস (১৮৭৮-১৯৩৪)।
অবশ্য পরের দশকের প্রথমার্ধেই আবির্ভূত হন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) মুক্তির গানের উদ্দীপনাসঞ্চারী নতুন ধারা নিয়ে, স্বদেশি আন্দোলনের অংশী হয়ে। বিভিন্ন পেশার শ্রমজীবী শ্রেণীর জাগরণী গানের মাধ্যমে তিনি যেন বিশের দশকেই অগ্রিম সংবাদ দিচ্ছিলেন গণসংগীতে উত্তাল চল্লিশের দশকের। গণসংগীতের সেই প্রবল জোয়ারটি এসেছিল ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন ওরফে ‘আইপিটিএ’র গণমুখী সাংস্কৃতিক তৎপরতায়। ওটি ছিল ফ্যাসিবাদ, পুঁজিবাদ ও উপনিবেশবাদবিরোধী ভূমণ্ডলীয় আন্দোলনের ইন্ডিয়ান চ্যাপ্টার। অবিস্মরণীয় সেই সংগীতপর্বের মুখ্য কথাকার, সুরকার ও রূপকার ছিলেন জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র (১৯১১-১৯৭৭), হেমাঙ্গ বিশ্বাস (১৯১২-১৯৮৭), বিনয় রায় (১৯১৮-১৯৭৫), সলিল চৌধুরী (১৯২২-১৯৯৫) প্রমুখ। দেশাত্মবোধক গণসংগীত আন্দোলনের চল্লিশের দশকটিকে যেন রবীন্দ্র-নজরুলখচিত তিরিশের দশকের চেয়েও উজ্জ্বল প্রতিভাত হয়।
বঙ্গভঙ্গের আঘাত খেয়ে বাঙালি যেমন দেশাত্মবোধক গান গেয়ে উঠেছিল ১৯০৫ সালে, তেমনি উর্দু ভাষার মার খেয়ে বাংলা ভাষার গান গেয়ে উঠল ১৯৫২ সালে। অবশেষে একাত্তরে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণে মুক্তিযুদ্ধ বেধে গেলে, তাতে বাঙালির শতবর্ষের পুঞ্জীভূত মুক্তির গান কামানের সমান ভূমিকাই পালন করেছিল।
বিপর্যয় যেহেতু বাঙালির নিত্যসঙ্গী, মুক্তির গান সে গেয়েই চলেছে অদ্যাবধি। তাই বঙ্গবন্ধু হত্যার ৩০ বছর পরও স্বাধীনতাকে খুঁজে না পেয়ে বাংলাদেশের পপগায়ক হায়দার হোসেন তাঁর ২০০৫ সালের একটি অ্যালবামের নাম দিয়েছেন ফাঁইস্যা গেছি। মানে গায়ক ফেঁসে গেছেন। তাই তিনি গাইছেন:
কী দেখার কথা কী দেখছি
কী শোনার কথা কী শুনছি
কী ভাবার কথা কী ভাবছি
কী বলার কথা কী বলছি
তিরিশ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি \
হায়দার হোসেনের মতো ‘ফাঁইস্যা’ গেছে আজ এ দেশের আপামর জনসাধারণও। তাই এবার চাই জনগণের উত্তরণের গান।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1407)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
March
(2875)
-
▼
Mar 23
(100)
- কাক ডাকে কা কা by এবনে গোলাম সামাদ
- সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান নিয়ে সংশয়ঃ খাদ্য নি...
- ভারতে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত বাজারঃ আশ্বাস আর...
- স্মরণ- জাতীয় শিক্ষক দিবস ও শহীদ জিয়া by অধ্যাপক ...
- তাদের হাসি বাসি পোলাওয়ের মতো by আল মাহমুদ
- ‘... নয়নের মাঝখানে নিয়েছ যে ঠাঁই’ by মাহবুব তালু...
- ফিরে দেখা ঊনসত্তরের অভ্যুত্থান by মাহফুজ উল্লাহ
- উত্পাদনমূলক কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগ দরকারঃ টাকার প্রবা...
- প্রকৃতির পাঁজর খুবলে নিচ্ছে দস্যুরাঃ পাহাড় কাটা ব...
- বিস্মৃত নাম গোলাম রহমান by ফখরুজ্জামান চৌধুরী
- চালের বাজারে পাক-ভারতের দাপটঃ আমরা অসহায় by নোমান...
- বাংলাদেশের অভ্যুদয় ভারতকে এনে দিয়েছে শান্তি by আ...
- আলুচাষীরা বিপাকেঃ কৃষি বিভাগ সজাগ না হলে বিপদ
- ভারতের বাম রাজনীতির শেষ সূর্য অস্তমিতঃ চলে গেলেন ...
- বইমেলা, মেধাস্বত্ব ও লেখক-প্রকাশক সম্পর্ক by মুহম্...
- প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রসঙ্গে দুটি কথা by ড. তা...
- বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে by হায়দার আকবর খা...
- দ্রব্যমূল্য বাড়ছেইঃ সরকারের কি কিছুই করার নেই?
- বুড়িগঙ্গার বর্জ্য অপসারণঃ সার্বিক সমন্বয়ের অভাব
- চলতি পথে-মথুরাপুর দেউলের ইতিবৃত্ত by দীপংকর চন্দ
- গণপরিবহন-উড়ালসড়কে কি সবাই ‘উড়তে’ পারবেন? by এ কে এ...
- ওসামা হত্যা-আরব ও পাশ্চাত্যের সম্পর্কের হেমন্তকাল ...
- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন-মমতা-ঝড়ের আড়ালে বুদ্ধ...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু by এবিএ...
- দুই দেশের স্বার্থে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে-ভুটান...
- রাজনৈতিক দলগুলোর মতৈক্য জরুরি-ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল
- জন্মাষ্টমী-শুভবোধের উন্মেষ ঘটুক by সুব্রত ঘোষ
- মান্ধাতা ব্যবস্থাপনার গ্রন্থাগার by এম জিয়াউল হক স...
- ভারত-জনমত শাসন করছেন আন্না হাজারে by পার্থ চট্টোপা...
- ছুটি by মাহবুব মোর্শেদ
- পরিবেশ-বন্যপ্রাণী, বাণিজ্য-বাহাদুরি ও বিপন্নতা by ...
- দুর্ঘটনা-তারেক মাসুদের অসমাপ্ত জীবন, অপূর্ণ স্বপ্ন...
- রফতানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ-মিশন হোক চৌকস ও দায়িত্বশীল
- দুর্ভোগের কপোতাক্ষ নদ-জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং চাই
- চারদিক-হালুয়াঘাটের ফুল মিয়া by ইয়াসমীন রীমা
- দূরদেশ-‘সর্প হইয়া দংশন করো ওঝা হইয়া ঝাড়ো’ by আলী র...
- কলকাতার চিঠি-যুদ্ধশেষে ফলের অপেক্ষা by অমর সাহা
- উচ্ছেদ ও উন্নয়ন-কক্সবাজারে আরেকটি আড়িয়ল বিল? by বি...
- খোলা হাওয়া-রাষ্ট্র বনাম লিমন হোসেন by সৈয়দ মনজুরুল...
- এই আত্মঘাতী উদাসীনতার অবসান হোক-ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ...
- প্রশাসনিক অদক্ষতা ও দীর্ঘসূত্রতা দূর করতে হবে-এডিপ...
- চারদিক-‘এইবার বাড়িত গেলে খালি খেলমু’ by শামসুজ্জাম...
- ভূ-রাজনীতি-কেমন হবে ওসামা-উত্তর দুনিয়া by পেপে এসক...
- গদ্যকার্টুন-আমরা কাটিব রগ... by আনিসুল হক
- মা দিবস-‘ভালো’ মা হতে কি অধিকার হারাতে হয়? by নাসর...
- অল্পবিদ্যা-আমিনীর জয় (!) হোক by আসিফ নজরুল
- দীনেশ ত্রিবেদি: মমতার রোষের শিকার?
- নারীর জন্য বিশ্বের সেরা এবং...নিকৃষ্ট স্থান
- স্যান্টোরামের কৌশল
- চীনে রদবদল-বো শিলাইয়ের বিদায়ের নেপথ্যে ব্য by শরি...
- সারাইখানা
- আসছে উইন্ডোজ-৮ by নুরুন্নবী চৌধুরী
- যা কিছু প্রথম
- বাজারে নতুন
- সেই সাইক্লোস্টাইল মেশিন by মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন
- বঙ্গবন্ধু ও ওরিয়ানা ফালাচি by হাসান ফেরদৌস
- যা নিয়ে আছি-পড়তে ভীষণ ভালো লাগে
- বঙ্গবন্ধু ও ওরিয়ানা ফালাচি by হাসান ফেরদৌস
- একাত্তরের নিশান by খালেক বিন জয়েনউদদীন
- সালাম জানাই by সারওয়ার-উল-ইসলাম
- এমন মজার দেশটি by শিরিন সুলতানা
- সকালবেলার পাখি by আলম তালুকদার
- স্বাধীনতা by দীপংকর চক্রবর্তী
- শহীদুল জহির-জীবন, বাস্তব ও ঘোরের কারবারি by মাহবুব...
- ৫ থেকে ২০ এপ্রিল ২০১২গ্যালারি: জলরঙ-দেশজ স্পন্দন b...
- চারুশিল্প-নীলিমা ও নৈরাজ্যের ছোটগল্প by জাফরিন গুলশান
- ব্যালের নাম রবিঠাকুর by গোলাম মুরশিদ
- মুক্তির গান by আবদুশ শাকুর
- ধর্ম-স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইসলাম by মুহাম...
- প্রতিরোধের মার্চ-ঘরে ঘরে উড়ছে বাংলাদেশের পতাকা by ...
- সংঘবদ্ধ সহিংসতার ব্যাধির প্রতিকার প্রয়োজন-ছাত্রলীগ...
- মুরগির খামারগুলো রক্ষা করুন-আকাশচুম্বী ডিমের দাম
- আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস-বিলুপ্তি রোধে সচেতনত...
- নিরাপদ আবাস, না নিরাপত্তাহীন আবাস by এ এম এম শওকত আলী
- অপচয় সম্পদের বরকত নষ্ট করে by শাহীন হাসনাত
- মাদকদ্রব্য প্রসঙ্গে ইসলাম by মুফতি মাহফূযুল হক
- পরিশুদ্ধ জীবনের জন্য তওবা by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- ডিমের দাম চড়া-সময় থাকতেই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার
- রাজনীতিতে অ্যাসাঞ্জ by একরামুল হক শামীম
- ইয়াহিয়া খানরা নিজেদের ছাঁচে ইতিহাস গড়তে ব্যর্থ হয়ে...
- ধর নির্ভয় গান-দিনে দিনে বড় জমিয়াছে দেনা... by আলী ...
- ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ-জুলুম চলতেই থাকবে?
- বাংলাদেশ বিমান-স্বচ্ছতা-দক্ষতাতেই নিশ্চিত বাণিজ্য
- নোনা পানির গ্রাস-পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ব্যবস্থ...
- চরাচর-বিশ্ব আবহাওয়া দিবস by বিশ্বজিৎ পাল বাবু
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৬৮)-শরণার্থী জীবন by আলী...
- শেকড়ের ডাক-রাজনীতি চাই, কুরাজনীতি নয় by ফরহাদ মাহমুদ
- চৈতন্যের মুক্ত বাতায়ন-পুলিশের সদাচরণ : মুক্তিযুদ্ধ...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ঢাকা অঞ্চলের ভাষা প্রতিযোগ আজ
- চারদিক-আমি শহীদ পরিবারের সন্তান
- জাতীয় সংসদ-নারী সাংসদদের হাতাহাতি এবং পুরুষের চোখ ...
- খোলা হাওয়া-ভরসার স্থান একটাই by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- গরিবের সহায় সাথী আপা by এম আর আলম
- মুক্তিযুদ্ধের ৫ ওয়েবসাইট by মোহাম্মদ গোলাম নবী
- ফুর্তিবাজ এক গায়ক পাখি by শরীফ খান
- আইনজীবীর দাবি-‘পাকিস্তানের অখণ্ডতা চেয়ে অপরাধ করেন...
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ-একদল কিশোরের বিমান ছিনতাই প্...
- নিম্নমানের ওষুধ প্রস্তুত-২৬ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ...
- পাকিস্তান ২ রানে জয়ী-এত কাছে তবু এত দূর! by উৎপল শ...
-
▼
Mar 23
(100)
-
▼
March
(2875)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment