Tuesday, January 3, 2012
মহাজোট সরকারের ৩ বছর-বিদ্যুৎ খাত : পরিকল্পনা ও নীতি ভ্রান্ত by ড. এম শামসুল আলম
মহাজোট সরকারের ৩ বছর-বিদ্যুৎ খাত : পরিকল্পনা ও নীতি ভ্রান্ত by ড. এম শামসুল আলম
জনজীবন রক্ষা ও উন্নয়নের প্রয়োজনে দারিদ্র্য বিমোচন জরুরি। সে জন্য জাতীয় আয় তথা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শতকরা ৭ ভাগের বেশি হিসেবে অব্যাহত থাকতে হবে। টেকসই বাণিজ্যিক জ্বালানি প্রবাহ নিশ্চিত হলে শতকরা ১০ ভাগ হিসেবে বিদ্যুৎ প্রবাহ/ব্যবহার প্রবৃদ্ধি অনায়াসে অব্যাহত থাকতে পারে। তাতে ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হতে পারে। অর্থাৎ ২০২১ সালে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ হবে কমপক্ষে ৫০০ কিলোওয়াট আওয়ার
(একক) এবং ২০৩১ সালে তা ১০০০ একক ছাড়িয়ে যাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশ তখন উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হবে।
ক. বিদ্যুৎ উৎপাদন/প্রবাহ : গত অর্থবছরে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ছিল ২০০ একক।
মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিতে ব্যক্তি খাত-উৎপাদন বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। সরকারি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি তেমন হয়নি। বরং ২০০৯-১০ তুলনায় ২০১০-১১ অর্থবছরে উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে শতকরা ৯ ভাগ। অন্যদিকে ২০০৭-০৮-এর তুলনায় ২০১০-১১ অর্থবছরে ব্যক্তি খাতে বৃদ্ধি পায় শতকরা ৩০.০৯ ভাগ। তা ছাড়া ২০০৪-০৫ অর্থবছরে মোট উৎপাদনে ব্যক্তি খাতের পরিমাণ ছিল যেখানে শতকরা ৩৮.২৩ ভাগ, সেখানে ২০১০-১১ অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে তা দাঁড়ায় ৫২.৯৩ ভাগ। এ সময়ে ব্যক্তি খাত বিদ্যুৎ ব্যবহার আরইবিতে বৃদ্ধি পেয়েছে শতকরা ২২৪.৬০ ভাগ এবং পিডিবিতে ৬১.০০ ভাগ। ১৯৯৬ সালে আইপিপির আওতায় ব্যক্তি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। তখন সরকারের নীতিগত অভিমত ছিল, মোট উৎপাদনে ব্যক্তি খাত-উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ শতকরা ২৫ ভাগের বেশি হবে না। অথচ এখন সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। আবার বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি ২০০৯-১০ অর্থবছর ব্যতীত কোনো সময়ই শতকরা ১০ ভাগ হয়নি। ২০০৬-০৭ অর্থবছরে সে প্রবৃদ্ধি ছিল আশঙ্কাজনক। শতকরা ০.১৪ ভাগ। গত অর্থবছরে তা ছিল ৬.৫৩ ভাগ। জানা যায়, বিদ্যুৎ ঘাটতি ২০০৯ সালে ছিল ১৬০০ মেগাওয়াট। ২০১১ সালে ১৭০০ মেগাওয়াট। জ্বালানি নিরাপত্তা যে বিপণ্ন, এ তথ্যচিত্রে সেই প্রমাণই পাওয়া যায়।
খ. গ্যাস উৎপাদন/প্রবাহ : বাণিজ্যিক জ্বালানি চাহিদার শতকরা ৭০ ভাগ পূরণ হয় গ্যাসে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানির শতকরা ৮০ ভাগই গ্যাস। নিচের ছকে দেখা যায়, ২০০৯-১০ অর্থবছর অবধি গড়ে বার্ষিক শতকরা ৭ ভাগ প্রবৃদ্ধি হলেও ২০১০-১১ অর্থবছরে সে প্রবৃদ্ধি ০.৭৭। মোট সরবরাহকৃত গ্যাসে ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ব্যক্তি খাতের অংশ শতকরা ৩৬ ভাগ। ২০১০-১১ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫২ ভাগ। চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি সামঞ্জস্য না থাকায় একদিকে গ্যাস সংকট দেখা দেয়, অন্যদিকে সরবরাহকৃত গ্যাসে ব্যক্তি খাত-গ্যাসের অংশ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় বাড়তে থাকে। ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। তাই গ্যাস সরবরাহ ব্যয় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকারি কম্পানির বিনিয়োগ সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায় এবং গ্যাস উন্নয়ন তহবিল গঠিত হয়। কিন্তু এ তহবিলের অর্থ এখনো কাজে আসেনি। জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। ২০০৯ সালের শুরুতে দৈনিক ঘাটতি ছিল ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস। ২০১১ সালে সে ঘাটতি দাঁড়ায় ৫০ কোটি ঘনফুট। এ সময় সরবরাহ বাড়ে ৬৫ কোটি ঘনফুট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম, তাই ঘাটতি বেড়েছে।
গ. বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি : পাইকারি বিদ্যুতের মূল্যহার আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দফায় অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ১৩২ কেভি ভোল্টেজ লেভেলে বিদ্যুতের মূল্য হলো ৪.২০৫০ টাকা এবং ৩৩ কেভিতে ৪.২৪৫০ টাকা। অবশ্য আরইবির জন্য এ মূল্যহার যথাক্রমে ৩৩ কেভিতে ৩.১৭৫০ টাকা। ঘাটতি পূরণের জন্য পিডিবি বিদ্যুতের মূল্যহার ২.৮০ থেকে ৪.৮৬ টাকা, অর্থাৎ শতকরা ৭৩ ভাগ বৃদ্ধির আবেদন করে। অথচ বৃদ্ধি হলো ৩৩ ভাগ (গত ১ ডিসেম্বর থেকে শতকরা ১৬.৭৯ ভাগ এবং আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪.৩৭ ভাগ)। ফলে বাদবাকি ঘাটতি পূরণের জন্য বিইআরসি সরকারের কাছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেয়। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সেই ব্যয় এখন ৫.৫০ টাকা। ফলে ঘাটতি আরো বেড়েছে। তা ছাড়া ভোক্তা পর্যায়ে শতকরা ২১ ভাগ বৃদ্ধিতে বিদ্যুতের মূল্যহার হবে ৫.০৯ টাকা। ফলে বিতরণেও ঘাটতি থাকবে। তাতে বোঝা যায়, ঘাটতি মোকাবিলায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি একমাত্র কৌশল নয়। গণশুনানিতে প্রতীয়মান হয়, সমন্বিতভাবে কৌশলগত পরিকল্পনার আওতায় বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হতো এবং ঘাটতি মোকাবিলায় বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি হতো না।
ঘ. কেন এই মূল্যবৃদ্ধি : ১. সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে শতকরা ২০ ভাগ। পিডিবির কমেছে ২ ভাগ। অথচ ভাড়া বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়েছে শতকরা ১৫০ ভাগ। ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধিতে আর্থিক ঘাটতি বাড়ছে। ২. সরকারি খাতে প্লান্ট-ফ্যাক্টর খুবই কম (৪০%-৫০%)। অথচ ব্যক্তি খাতে তা অনেক বেশি (৮০%-৯০%)। ইকোনমিক লোড-ডিসপ্যাস হলে ঘাটতি কম হতো। ৩. উৎপাদনরত বেশ কিছু সরকারি প্লান্ট অনেক পুরনো ও অদক্ষ। আউটেজ বেশি। ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে। ৪. ভাড়া প্লান্ট অধিকাংশই পুরনো। দক্ষতাও কম। নন-ফুয়েল ব্যয় বেশি। বিদ্যুৎ প্রবাহ টেকসই নয়। দাম বেশি। ৫. ঘাটতি পূরণে সরকার যে অর্থ দেয়, তা ভর্তুকি বলা হলেও পিডিবি পায় দেনা হিসেবে। তাই ওই অর্থের সুদ যোগ হওয়ায় ঘাটতি বৃদ্ধি পায়। ৬. সরকারি সংস্থায় প্রয়োজনের তুলনায় জনবল বেশি থাকায় ওভারহেড ব্যয় বাড়ে। ফলে বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যয় বাড়ায় ঘাটতি বাড়ে। ৭. সরকারি গ্যাস-বিদ্যুতের ক্রয় মূল্যহার ১.৫০ টাকার বেশি নয়। অথচ ভাড়া বিদ্যুৎ কিনতে হয় অধিক দামে। ৮. বিতরণে কম্পানিভেদে সিস্টেম লস শতকরা ৮.৭৭ থেকে ১৩.০০ ভাগ। বিতরণ ব্যয় ৭০ পয়সা থেকে ১.৩০ টাকা। সঞ্চালনে সিস্টেম লস শতকরা ৩.৪৫ ভাগ। বিতরণ ব্যয় ২২.৯১ পয়সা। সিস্টেম লস এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে। ৯. অভিযোগ রয়েছে, গ্যাসের বিতরণে সিস্টেম লস শতকরা ৩০ ভাগ। এ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়নি। ১০. বিতরণ কম্পানির ভোক্তা পর্যায়ের গ্যাসের মূল্যহার নির্ধারণের প্রস্তাব পৃথকভাবে কখনো বিবেচনা করা হয়নি। তার ওপর গণশুনানিও হয়নি। ফলে কম্পানিভেদে বিতরণ ব্যয় ও সিস্টেম লসে কী ধরনের তারতম্য রয়েছে এবং তা যৌক্তিক কি না তা যাচাই-বাছাই হয়নি। সঞ্চালনের ব্যাপারেও এই একই কথা প্রযোজ্য। ১১. অতীতে লাখ লাখ কি.মি. বিতরণ লাইন বাড়লেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়েনি। পরবর্তী সময়ে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও বিদুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি না হওয়ায় সরবরাহ বাড়েনি। এখনো সে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। ফলে স্থিরব্যয় বৃদ্ধি ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু সরবরাহ সে অনুপাতে বৃদ্ধি না হওয়ায় প্রতি একক বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যয় বাড়ছে। তাতে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। ১২. গ্যাসের অভাব না হলে পিডিবির ৫০০-৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বেশি উৎপাদন হতো। ঘাটতি কম হতো। ১৩. সব ক্ষেত্রে রেশনিং হলেও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেওয়া গ্যাসে রেশনিং হয় না। অথচ এই গ্যাসের সবটাই বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হয় না। ১৪. আইওসির কাছ থেকে কেনা গ্যাসের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত তরল জ্বালানিও যদি কর, শুল্ক ও ভ্যাটমুক্ত হতো, তাতে ঘাটতি কম হতো। গ্যাস খাত লাভজনক বিধায় ঘাটতির কারণে সিএনজির মূল্য দফায় দফায় বাড়েনি। কৌশলগত কারণে বেড়েছে। বৃদ্ধিজনিত উদ্বৃত্ত অর্থ জ্বালানি খাতের ঘাটতি মোকাবিলায় ব্যবহার হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কম হতো। ১৫. তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও তেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি আগামীতেও বাড়তে থাকবে। ফলে ঘাটতিও বৃদ্ধি পাবে। তা মোকাবিলার জন্য কেবল মূল্যবৃদ্ধি যৌক্তিক সমাধান নয়। সে ক্ষেত্রে এই ঘাটতি পূরণে উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে আনার কৌশল অবলম্বন করা জরুরি ছিল। ১৬. প্রান্তিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক এবং কৃষিসহ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গ্রাহকদের এই মূল্যবৃদ্ধির কবল থেকে রক্ষার জন্য সামাজিক সুরক্ষার কৌশল গ্রহণ করা জরুরি ছিল। ১৭. স্বল্পতার কারণে কেবল প্রতিশ্রুত গ্রাহকদের গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। যেহেতু বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেওয়া গ্যাসে লস হয়, সেহেতু সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস দেওয়ার ব্যাপারে বিতরণ কম্পানির আগ্রহ কম। তিতাস ইতিমধ্যে ৬৯৩টি সংযোগ দিলেও গ্যাসের অভাবে পিডিবির বন্ধ থাকা প্লান্টে গ্যাস দেওয়ার উদ্যোগ দেখা যায়নি। ১৮. বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যক্তি খাতকে পিডিবির মূল্যে গ্যাস দেওয়া হয়। অথচ সে বিদ্যুৎ কেনা হয় ক্যাপটিভ বিদ্যুতের দামে। অর্থাৎ পিডিবি, এমনকি কোনো কোনো আইপিপির বিদ্যুতের দাম অপেক্ষা অনেক বেশি দামে। ক্যাপটিভ বিদ্যুতের দাম ১৩২ কেভি লেভেলে পাইকারি বিদ্যুতের দামের সমতুল্য। ১৯. আরইবি ৩৩ কেভিতে ব্যক্তি খাত থেকে ক্ষুদ্র-প্লান্টের বিদ্যুৎ কেনে। এ বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ হয় পিডিবির কাছ থেকে এই ৩৩ কেভিতে, যে দামে বিদ্যুৎ কেনা হয় সেই দামের সঙ্গে সংগতি রেখে। তাতে ব্যক্তি খাত অনেক বেশি মুনাফা লাভের সুযোগ পায়। আরইবিতে এমন বিদ্যুৎ ব্যবহার ও উৎপাদন বৃদ্ধির কারণ এখানেই নিহিত। শুধু উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে এ দাম নির্ধারণ হওয়া ছিল যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত। ২০. ভারতীয় মানদণ্ডে গ্যাস-বিদ্যুৎ উৎপাদনে সিম্পল সাইকেল প্লান্টে সিস্টেম লস শতকরা ১ ভাগ। কম্বাইন্ড সাইকেল প্লান্টে শতকরা ৩ ভাগ। কয়লা-বিদ্যুৎ প্লান্টের ক্ষমতা ৫০০ মেগাওয়াটের অধিক হলে সিস্টেম লস হয় শতকরা ৬ ভাগ। নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন প্লান্টে ১২ ভাগ। বাংলাদেশের জন্য এ লসের সুস্পষ্ট গ্রহণযোগ্য তথ্যের অভাব রয়েছে। প্লান্টগুলো উন্নত প্রযুক্তিতে সংস্কার করা হলে বিদ্যমান লস অনেক বেশি কমিয়ে আনা সম্ভব। ২১. কোরিয়ান ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্লান্টের দক্ষতা শতকরা ৫০ ভাগ এবং প্লান্ট-ফ্যাক্টর ৯০ ভাগ হলে টনপ্রতি ১২৩ ডলার দামের কয়লায় প্রতি একক বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ৩.৩০ টাকায়। তাতে নন-ফুয়েল ব্যয় ৭০ পয়সার বেশি নয়। আমাদের গ্যাস-বিদ্যুৎ উৎপাদনে নন-ফুয়েল ব্যয় ৭০-৮০ পয়সা বেশি নয়। অথচ ব্যক্তি খাতের বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেনার ক্ষেত্রে যে বেঞ্চমার্ক প্রাইস নির্ধারণ করা হয়েছে, তাতে নন-ফুয়েল ব্যয় ধরা হয়েছে দুই টাকারও বেশি। ২২. ভারত থেকে আমদানীকৃত বিদ্যুতেও ভর্তুকি দিতে হবে। সে ভর্তুকির পরিমাণ কত হবে তা নির্ভর করছে কী মূল্যহারে এ বিদ্যুৎ আমদানি হবে তার ওপর। সে মূল্য যদি বাণিজ্যিক বিবেচনায় নির্ধারণ হয়, তাহলে তা কোনোভাবেই ৮.০০ টাকার কম হবে না। এ পরিস্থিতিতে তেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতে কম ভর্তুকি দিতে হবে। আমাদের বিতরণ সংস্থার হিসাবে আমাদের বিদ্যুতের বাণিজ্যিক মূল্যহার ১২.০০ টাকার অধিক। ২৩. ইতিমধ্যে লাভজনক হওয়ায় ডেসকো, তিতাস, জিটিসিএল ও পিজিসিবির শেয়ার বিক্রি করে এসব সরকারি কম্পানির আংশিক মালিকানা ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ডিপিডিসিসহ লাভজনক অথবা লাভজনক হতে পারে এমন সব কম্পানির শেয়ার বিক্রি বিবেচনাধীন রয়েছে। শেয়ার বিক্রির এসব অর্থ ভর্তুকির নামে সরকারের কাছ থেকে পাওয়া লোন পরিশোধে ব্যবহার হয়েছে। ২৪. ভর্তুকি/ধার দেওয়া হয় জনগণের অর্থ। আবার জনগণের সম্পদ বিক্রি করে সে ধার পরিশোধ হয়। জনগণ নিজের অর্থ ধার হিসেবে নিজে পায়। আবার সে অর্থ তার সম্পদ বিক্রি করে পরিশোধ করা হয়। মাঝখানে নিজের মালিকানাধীন সম্পদ ব্যক্তিমালিকানায় চলে যায়। এর থেকে বড় জনস্বার্থবিরোধী এবং অপরাধমূলক কাজ আর কী হতে পারে? ২৫. গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের অর্থ অলস পড়ে আছে। জনগণ গ্যাস বিলের সঙ্গে বাড়তি অর্থ দিয়ে এ তহবিলে অর্থ জোগায়। আশা ছিল এই অর্থে গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন হবে। গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় কমবে। কম দামে জনগণ গ্যাস পাবে। কিন্তু জ্বালানি মন্ত্রণালয় এ অর্থ লোন হিসেবে জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে চায়। তাতে এ অর্থের সুদ এবং অর্থ যোগ হয়ে গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় কমার পরিবর্তে বাড়বে। এ অবস্থা কি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা নয়? ২৬. ব্যক্তি খাত রেগুলেটরি নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত বিধায় তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তাদের কাছ থেকে কেনা গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যহার আদৌ যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত কি না, তা যাচাই-বাছাই করার আইনগত সুযোগ নেই। ২৭. আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের মূল্য যখন ৯০-৯৫ ডলার, তখন বিপিসি সে তেল কেনে ১২৩ ডলারে। দামসহ ভোক্তা পর্যায়ে এ তেলের সরবরাহ ব্যয় যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত কি না যাচাই-বাছাই হয় না। বিইআরসি আইন অনুযায়ী গণশুনানির ভিত্তিতে জ্বালানি তেলের মূল্যহার নির্ধারণ হলে স্বচ্ছ ও যৌক্তিক হতো। ২৮. ক্রমবর্ধমান ঘাটতি ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যহার বৃদ্ধি করে মোকাবিলা করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। ফলে জ্বালানি তেল আমদানির জন্য সরকারকে দেশি-বিদেশি আর্থিক সংস্থা থেকে ঋণ গ্রহণ করতে হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে এ জন্য ১৬ হাজার কোটি টাকা সরকারকে ঋণ নিতে হবে। ২৯. এ অবস্থায় ঘাটতি ও ঋণ উভয়ই ধারাবাহিকভাবে বাড়বে, যদি উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে আনা না হয়। ৩০. পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে কয়লা থেকে। তার আগেই গ্যাস ও জ্বালানি তেল থেকে বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত থাকবে। কিন্তু বাস্তবে বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাড়তি গ্যাস পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। সুতরাং বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাড়তি তেল ছাড়া আর কোনো বিকল্প জ্বালানির উৎস পরিকল্পনায় বিবেচনা করা হয়নি। আবার সে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাও কঠিন। ফলে জ্বালানি সংকট ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় বিদ্যুৎ সংকট ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ঙ. জ্বালানি পরিস্থিতি : আলোচ্য প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, জ্বালানি স্বল্পতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত এবং টেকসই আর্থিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত। ব্যক্তি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিপ্রেক্ষিতে একদিকে সরকারি খাতের তুলনায় ব্যক্তি খাতের বিদ্যুৎ ও গ্যাস বেশি দামে কেনা হয়, অন্যদিকে সরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রেখে ব্যক্তি খাতের উৎপাদনে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। তাতে বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি ঘটেছে, কিন্তু বিদ্যুৎ ঘাটতি কমেনি। আবার গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় যেন বৃদ্ধি না হয়, সে জন্য দেশীয় কম্পানির বিনিয়োগ সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোক্তারা গ্যাস বিলের সঙ্গে বাড়তি অর্থ জোগান দিয়ে গ্যাস উন্নয়ন তহবিল গঠন করেছে। এ তহবিলে বছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা জমা হচ্ছে। কিন্তু তাতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। ২০০৩ সালে সরবরাহকৃত গ্যাসে বিদেশি কম্পানির গ্যাসের অংশ ছিল শতকরা ২০ ভাগ, এখন ৫২ ভাগ। এর পরও স্থলভাগের গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য বিদেশি কম্পানির সঙ্গে পিএসসি ২০১১ স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা কমপক্ষে ২৫০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২০০ কোটি ঘনফুট। আর্থসামাজিক শ্রেণীভেদে জ্বালানি চাহিদা পূরণে অঞ্চলভিত্তিক জ্বালানি সরবরাহে সমতা, সমসুযোগ নিশ্চিত করা যায়নি। সব এলাকায় গ্যাস যায়নি। সিলিন্ডারে এলপিজিও সব এলাকায় পেঁৗছায়নি। দামের দিক থেকে উভয় ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে। অঞ্চলভেদে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের ব্যাপারেও ভোক্তারা বৈষম্যের শিকার। মূল্যহার নির্ধারণে সমতা আনা যায়নি। বড় শিল্পের তুলনায় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ব্যবহৃত বিদ্যুতের মূল্যহার অধিক। গ্রামের নূ্যনতম বিলদাতা ১৭ লাখ গ্রাহক মাসে ৫-১০ এককের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ পায় না। অথচ মাসিক বিল দেয় ৯৮ টাকা। কয়লানীতি না হওয়ার অজুহাতে কয়লা খাত উন্নয়ন অনিশ্চিত। জ্বালানি সংরক্ষণ আইন না হওয়ায় জ্বালানি সম্পদের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়নি। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উন্নয়ন কার্যক্রমও নিশ্চিত করা যায়নি।
দারিদ্র্য বিমোচন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সামর্থ্য বা সক্ষমতা (Capability) থাকা চাই। সেসব সক্ষমতা মূলত নির্ভর করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ওপর জনগণের কতখানি স্বত্বাধিকার (Entitlement) আছে তার ওপর। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত হলে তাতেই জনগণের স্বত্বাধিকার থাকবে, এমন কথা বলা যায় না। যদি তা ক্রয় করার সামর্থ্য বা সক্ষমতা জনগণের না থাকে। সে স্বত্বাধিকার যদি প্রকৃতই থেকে থাকে, তাহলেই টেকসই জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। ফলে জ্বালানি প্রবাহ প্রবৃদ্ধি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাবে এবং মাথাপিছু কাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার/খরচের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত উন্নয়নে বিদেশি ব্যক্তি খাত বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রয়োজনে উভয় খাতকে মুনাফামুখী করার প্রয়োজনে চলমান সংস্কার। অথচ সংকট নিরসন না হওয়ায় এবং বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সে সংস্কার এখন বড়ই বিভ্রান্তির শিকার। তাতে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
ছ. সুপারিশ : নিজস্ব মালিকানায় ও কর্তৃত্বে নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদন এবং ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে কম দামি ও টেকসই জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল। সরকার সে কৌশল অবলম্বন করেনি। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ সরবরাহ ব্যয় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই কৌশল অবলম্বন করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার তাগিদে জনগণ যদি এগিয়ে না আসে, তাহলে জনজীবন রক্ষা ও উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচন কঠিন হবে।
জ. শেষ কথা : ১. উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে সরকারি মালিকানাধীন কম্পানির দ্বারা ১০টি কূপ জরুরি ভিত্তিতে খনন করে দৈনিক ৩০ কোটি ঘনফুট বাড়তি গ্যাস সরবরাহ করা কি সম্ভব ছিল না? ২. ছাতক (পূর্ব) গ্যাসক্ষেত্রের এক টিসিএফ মজুদ গ্যাস উৎপাদন কি জরুরি ছিল না? ৩. ফুলবাড়ী খনি-বিতর্ক এড়িয়ে দিঘিপাড়া ও খালাশপীর খনির কয়লা তোলা কি জরুরি ছিল না? ৪. সরকারের মালিকানায় ও কর্তৃত্বে সার্বিক বিবেচনায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার আওতায় জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা হলে জ্বালানি নিরাপত্তা কি নিশ্চিত করা সম্ভব হতো না? এসব করা হলে বিদ্যুতের মূল্য স্বাভাবিক রাখা কি সম্ভব হতো না? এসব প্রশ্নের জবাব একটাই, তা হলো যেসব ব্যক্তিবিশেষ দ্বারা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত এযাবৎকাল পরিচালিত হয়েছে, তাঁরা কেউই জনবান্ধব ছিলেন না। তাঁদের কাছে জনস্বার্থ প্রাধান্য পায়নি। তাঁরা জনগণের কল্যাণ করার দায়িত্ব নেননি। তাই তা হয়নি। সরকার দিনবদলের অঙ্গীকার করে ক্ষমতায় এসেছে। তাঁদের বক্তৃতায় ও বিবৃতিতে তাঁরা সে দাবিও করেন। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সে বদল কি হয়েছে? জ্বালানি নিরাপত্তা কেন নিশ্চিত করা যায়নি, এর জবাব সচেতন মানুষের অজানা নয়।
লেখক : জ্বালানি বিশেষজ্ঞ
ক. বিদ্যুৎ উৎপাদন/প্রবাহ : গত অর্থবছরে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ছিল ২০০ একক।
মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিতে ব্যক্তি খাত-উৎপাদন বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। সরকারি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি তেমন হয়নি। বরং ২০০৯-১০ তুলনায় ২০১০-১১ অর্থবছরে উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে শতকরা ৯ ভাগ। অন্যদিকে ২০০৭-০৮-এর তুলনায় ২০১০-১১ অর্থবছরে ব্যক্তি খাতে বৃদ্ধি পায় শতকরা ৩০.০৯ ভাগ। তা ছাড়া ২০০৪-০৫ অর্থবছরে মোট উৎপাদনে ব্যক্তি খাতের পরিমাণ ছিল যেখানে শতকরা ৩৮.২৩ ভাগ, সেখানে ২০১০-১১ অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে তা দাঁড়ায় ৫২.৯৩ ভাগ। এ সময়ে ব্যক্তি খাত বিদ্যুৎ ব্যবহার আরইবিতে বৃদ্ধি পেয়েছে শতকরা ২২৪.৬০ ভাগ এবং পিডিবিতে ৬১.০০ ভাগ। ১৯৯৬ সালে আইপিপির আওতায় ব্যক্তি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। তখন সরকারের নীতিগত অভিমত ছিল, মোট উৎপাদনে ব্যক্তি খাত-উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ শতকরা ২৫ ভাগের বেশি হবে না। অথচ এখন সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। আবার বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি ২০০৯-১০ অর্থবছর ব্যতীত কোনো সময়ই শতকরা ১০ ভাগ হয়নি। ২০০৬-০৭ অর্থবছরে সে প্রবৃদ্ধি ছিল আশঙ্কাজনক। শতকরা ০.১৪ ভাগ। গত অর্থবছরে তা ছিল ৬.৫৩ ভাগ। জানা যায়, বিদ্যুৎ ঘাটতি ২০০৯ সালে ছিল ১৬০০ মেগাওয়াট। ২০১১ সালে ১৭০০ মেগাওয়াট। জ্বালানি নিরাপত্তা যে বিপণ্ন, এ তথ্যচিত্রে সেই প্রমাণই পাওয়া যায়।
খ. গ্যাস উৎপাদন/প্রবাহ : বাণিজ্যিক জ্বালানি চাহিদার শতকরা ৭০ ভাগ পূরণ হয় গ্যাসে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানির শতকরা ৮০ ভাগই গ্যাস। নিচের ছকে দেখা যায়, ২০০৯-১০ অর্থবছর অবধি গড়ে বার্ষিক শতকরা ৭ ভাগ প্রবৃদ্ধি হলেও ২০১০-১১ অর্থবছরে সে প্রবৃদ্ধি ০.৭৭। মোট সরবরাহকৃত গ্যাসে ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ব্যক্তি খাতের অংশ শতকরা ৩৬ ভাগ। ২০১০-১১ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫২ ভাগ। চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি সামঞ্জস্য না থাকায় একদিকে গ্যাস সংকট দেখা দেয়, অন্যদিকে সরবরাহকৃত গ্যাসে ব্যক্তি খাত-গ্যাসের অংশ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় বাড়তে থাকে। ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। তাই গ্যাস সরবরাহ ব্যয় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকারি কম্পানির বিনিয়োগ সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায় এবং গ্যাস উন্নয়ন তহবিল গঠিত হয়। কিন্তু এ তহবিলের অর্থ এখনো কাজে আসেনি। জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। ২০০৯ সালের শুরুতে দৈনিক ঘাটতি ছিল ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস। ২০১১ সালে সে ঘাটতি দাঁড়ায় ৫০ কোটি ঘনফুট। এ সময় সরবরাহ বাড়ে ৬৫ কোটি ঘনফুট। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম, তাই ঘাটতি বেড়েছে।
গ. বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি : পাইকারি বিদ্যুতের মূল্যহার আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দফায় অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ১৩২ কেভি ভোল্টেজ লেভেলে বিদ্যুতের মূল্য হলো ৪.২০৫০ টাকা এবং ৩৩ কেভিতে ৪.২৪৫০ টাকা। অবশ্য আরইবির জন্য এ মূল্যহার যথাক্রমে ৩৩ কেভিতে ৩.১৭৫০ টাকা। ঘাটতি পূরণের জন্য পিডিবি বিদ্যুতের মূল্যহার ২.৮০ থেকে ৪.৮৬ টাকা, অর্থাৎ শতকরা ৭৩ ভাগ বৃদ্ধির আবেদন করে। অথচ বৃদ্ধি হলো ৩৩ ভাগ (গত ১ ডিসেম্বর থেকে শতকরা ১৬.৭৯ ভাগ এবং আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪.৩৭ ভাগ)। ফলে বাদবাকি ঘাটতি পূরণের জন্য বিইআরসি সরকারের কাছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেয়। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সেই ব্যয় এখন ৫.৫০ টাকা। ফলে ঘাটতি আরো বেড়েছে। তা ছাড়া ভোক্তা পর্যায়ে শতকরা ২১ ভাগ বৃদ্ধিতে বিদ্যুতের মূল্যহার হবে ৫.০৯ টাকা। ফলে বিতরণেও ঘাটতি থাকবে। তাতে বোঝা যায়, ঘাটতি মোকাবিলায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি একমাত্র কৌশল নয়। গণশুনানিতে প্রতীয়মান হয়, সমন্বিতভাবে কৌশলগত পরিকল্পনার আওতায় বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হতো এবং ঘাটতি মোকাবিলায় বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি হতো না।
ঘ. কেন এই মূল্যবৃদ্ধি : ১. সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে শতকরা ২০ ভাগ। পিডিবির কমেছে ২ ভাগ। অথচ ভাড়া বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়েছে শতকরা ১৫০ ভাগ। ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধিতে আর্থিক ঘাটতি বাড়ছে। ২. সরকারি খাতে প্লান্ট-ফ্যাক্টর খুবই কম (৪০%-৫০%)। অথচ ব্যক্তি খাতে তা অনেক বেশি (৮০%-৯০%)। ইকোনমিক লোড-ডিসপ্যাস হলে ঘাটতি কম হতো। ৩. উৎপাদনরত বেশ কিছু সরকারি প্লান্ট অনেক পুরনো ও অদক্ষ। আউটেজ বেশি। ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে। ৪. ভাড়া প্লান্ট অধিকাংশই পুরনো। দক্ষতাও কম। নন-ফুয়েল ব্যয় বেশি। বিদ্যুৎ প্রবাহ টেকসই নয়। দাম বেশি। ৫. ঘাটতি পূরণে সরকার যে অর্থ দেয়, তা ভর্তুকি বলা হলেও পিডিবি পায় দেনা হিসেবে। তাই ওই অর্থের সুদ যোগ হওয়ায় ঘাটতি বৃদ্ধি পায়। ৬. সরকারি সংস্থায় প্রয়োজনের তুলনায় জনবল বেশি থাকায় ওভারহেড ব্যয় বাড়ে। ফলে বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যয় বাড়ায় ঘাটতি বাড়ে। ৭. সরকারি গ্যাস-বিদ্যুতের ক্রয় মূল্যহার ১.৫০ টাকার বেশি নয়। অথচ ভাড়া বিদ্যুৎ কিনতে হয় অধিক দামে। ৮. বিতরণে কম্পানিভেদে সিস্টেম লস শতকরা ৮.৭৭ থেকে ১৩.০০ ভাগ। বিতরণ ব্যয় ৭০ পয়সা থেকে ১.৩০ টাকা। সঞ্চালনে সিস্টেম লস শতকরা ৩.৪৫ ভাগ। বিতরণ ব্যয় ২২.৯১ পয়সা। সিস্টেম লস এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে। ৯. অভিযোগ রয়েছে, গ্যাসের বিতরণে সিস্টেম লস শতকরা ৩০ ভাগ। এ অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়নি। ১০. বিতরণ কম্পানির ভোক্তা পর্যায়ের গ্যাসের মূল্যহার নির্ধারণের প্রস্তাব পৃথকভাবে কখনো বিবেচনা করা হয়নি। তার ওপর গণশুনানিও হয়নি। ফলে কম্পানিভেদে বিতরণ ব্যয় ও সিস্টেম লসে কী ধরনের তারতম্য রয়েছে এবং তা যৌক্তিক কি না তা যাচাই-বাছাই হয়নি। সঞ্চালনের ব্যাপারেও এই একই কথা প্রযোজ্য। ১১. অতীতে লাখ লাখ কি.মি. বিতরণ লাইন বাড়লেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়েনি। পরবর্তী সময়ে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও বিদুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি না হওয়ায় সরবরাহ বাড়েনি। এখনো সে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। ফলে স্থিরব্যয় বৃদ্ধি ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু সরবরাহ সে অনুপাতে বৃদ্ধি না হওয়ায় প্রতি একক বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যয় বাড়ছে। তাতে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। ১২. গ্যাসের অভাব না হলে পিডিবির ৫০০-৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বেশি উৎপাদন হতো। ঘাটতি কম হতো। ১৩. সব ক্ষেত্রে রেশনিং হলেও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেওয়া গ্যাসে রেশনিং হয় না। অথচ এই গ্যাসের সবটাই বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হয় না। ১৪. আইওসির কাছ থেকে কেনা গ্যাসের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত তরল জ্বালানিও যদি কর, শুল্ক ও ভ্যাটমুক্ত হতো, তাতে ঘাটতি কম হতো। গ্যাস খাত লাভজনক বিধায় ঘাটতির কারণে সিএনজির মূল্য দফায় দফায় বাড়েনি। কৌশলগত কারণে বেড়েছে। বৃদ্ধিজনিত উদ্বৃত্ত অর্থ জ্বালানি খাতের ঘাটতি মোকাবিলায় ব্যবহার হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কম হতো। ১৫. তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও তেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি আগামীতেও বাড়তে থাকবে। ফলে ঘাটতিও বৃদ্ধি পাবে। তা মোকাবিলার জন্য কেবল মূল্যবৃদ্ধি যৌক্তিক সমাধান নয়। সে ক্ষেত্রে এই ঘাটতি পূরণে উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে আনার কৌশল অবলম্বন করা জরুরি ছিল। ১৬. প্রান্তিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক এবং কৃষিসহ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গ্রাহকদের এই মূল্যবৃদ্ধির কবল থেকে রক্ষার জন্য সামাজিক সুরক্ষার কৌশল গ্রহণ করা জরুরি ছিল। ১৭. স্বল্পতার কারণে কেবল প্রতিশ্রুত গ্রাহকদের গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়। যেহেতু বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেওয়া গ্যাসে লস হয়, সেহেতু সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস দেওয়ার ব্যাপারে বিতরণ কম্পানির আগ্রহ কম। তিতাস ইতিমধ্যে ৬৯৩টি সংযোগ দিলেও গ্যাসের অভাবে পিডিবির বন্ধ থাকা প্লান্টে গ্যাস দেওয়ার উদ্যোগ দেখা যায়নি। ১৮. বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যক্তি খাতকে পিডিবির মূল্যে গ্যাস দেওয়া হয়। অথচ সে বিদ্যুৎ কেনা হয় ক্যাপটিভ বিদ্যুতের দামে। অর্থাৎ পিডিবি, এমনকি কোনো কোনো আইপিপির বিদ্যুতের দাম অপেক্ষা অনেক বেশি দামে। ক্যাপটিভ বিদ্যুতের দাম ১৩২ কেভি লেভেলে পাইকারি বিদ্যুতের দামের সমতুল্য। ১৯. আরইবি ৩৩ কেভিতে ব্যক্তি খাত থেকে ক্ষুদ্র-প্লান্টের বিদ্যুৎ কেনে। এ বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ হয় পিডিবির কাছ থেকে এই ৩৩ কেভিতে, যে দামে বিদ্যুৎ কেনা হয় সেই দামের সঙ্গে সংগতি রেখে। তাতে ব্যক্তি খাত অনেক বেশি মুনাফা লাভের সুযোগ পায়। আরইবিতে এমন বিদ্যুৎ ব্যবহার ও উৎপাদন বৃদ্ধির কারণ এখানেই নিহিত। শুধু উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে এ দাম নির্ধারণ হওয়া ছিল যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত। ২০. ভারতীয় মানদণ্ডে গ্যাস-বিদ্যুৎ উৎপাদনে সিম্পল সাইকেল প্লান্টে সিস্টেম লস শতকরা ১ ভাগ। কম্বাইন্ড সাইকেল প্লান্টে শতকরা ৩ ভাগ। কয়লা-বিদ্যুৎ প্লান্টের ক্ষমতা ৫০০ মেগাওয়াটের অধিক হলে সিস্টেম লস হয় শতকরা ৬ ভাগ। নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন প্লান্টে ১২ ভাগ। বাংলাদেশের জন্য এ লসের সুস্পষ্ট গ্রহণযোগ্য তথ্যের অভাব রয়েছে। প্লান্টগুলো উন্নত প্রযুক্তিতে সংস্কার করা হলে বিদ্যমান লস অনেক বেশি কমিয়ে আনা সম্ভব। ২১. কোরিয়ান ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্লান্টের দক্ষতা শতকরা ৫০ ভাগ এবং প্লান্ট-ফ্যাক্টর ৯০ ভাগ হলে টনপ্রতি ১২৩ ডলার দামের কয়লায় প্রতি একক বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ৩.৩০ টাকায়। তাতে নন-ফুয়েল ব্যয় ৭০ পয়সার বেশি নয়। আমাদের গ্যাস-বিদ্যুৎ উৎপাদনে নন-ফুয়েল ব্যয় ৭০-৮০ পয়সা বেশি নয়। অথচ ব্যক্তি খাতের বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেনার ক্ষেত্রে যে বেঞ্চমার্ক প্রাইস নির্ধারণ করা হয়েছে, তাতে নন-ফুয়েল ব্যয় ধরা হয়েছে দুই টাকারও বেশি। ২২. ভারত থেকে আমদানীকৃত বিদ্যুতেও ভর্তুকি দিতে হবে। সে ভর্তুকির পরিমাণ কত হবে তা নির্ভর করছে কী মূল্যহারে এ বিদ্যুৎ আমদানি হবে তার ওপর। সে মূল্য যদি বাণিজ্যিক বিবেচনায় নির্ধারণ হয়, তাহলে তা কোনোভাবেই ৮.০০ টাকার কম হবে না। এ পরিস্থিতিতে তেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতে কম ভর্তুকি দিতে হবে। আমাদের বিতরণ সংস্থার হিসাবে আমাদের বিদ্যুতের বাণিজ্যিক মূল্যহার ১২.০০ টাকার অধিক। ২৩. ইতিমধ্যে লাভজনক হওয়ায় ডেসকো, তিতাস, জিটিসিএল ও পিজিসিবির শেয়ার বিক্রি করে এসব সরকারি কম্পানির আংশিক মালিকানা ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ডিপিডিসিসহ লাভজনক অথবা লাভজনক হতে পারে এমন সব কম্পানির শেয়ার বিক্রি বিবেচনাধীন রয়েছে। শেয়ার বিক্রির এসব অর্থ ভর্তুকির নামে সরকারের কাছ থেকে পাওয়া লোন পরিশোধে ব্যবহার হয়েছে। ২৪. ভর্তুকি/ধার দেওয়া হয় জনগণের অর্থ। আবার জনগণের সম্পদ বিক্রি করে সে ধার পরিশোধ হয়। জনগণ নিজের অর্থ ধার হিসেবে নিজে পায়। আবার সে অর্থ তার সম্পদ বিক্রি করে পরিশোধ করা হয়। মাঝখানে নিজের মালিকানাধীন সম্পদ ব্যক্তিমালিকানায় চলে যায়। এর থেকে বড় জনস্বার্থবিরোধী এবং অপরাধমূলক কাজ আর কী হতে পারে? ২৫. গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের অর্থ অলস পড়ে আছে। জনগণ গ্যাস বিলের সঙ্গে বাড়তি অর্থ দিয়ে এ তহবিলে অর্থ জোগায়। আশা ছিল এই অর্থে গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন হবে। গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় কমবে। কম দামে জনগণ গ্যাস পাবে। কিন্তু জ্বালানি মন্ত্রণালয় এ অর্থ লোন হিসেবে জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে চায়। তাতে এ অর্থের সুদ এবং অর্থ যোগ হয়ে গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় কমার পরিবর্তে বাড়বে। এ অবস্থা কি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা নয়? ২৬. ব্যক্তি খাত রেগুলেটরি নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত বিধায় তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তাদের কাছ থেকে কেনা গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যহার আদৌ যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত কি না, তা যাচাই-বাছাই করার আইনগত সুযোগ নেই। ২৭. আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেলপ্রতি জ্বালানি তেলের মূল্য যখন ৯০-৯৫ ডলার, তখন বিপিসি সে তেল কেনে ১২৩ ডলারে। দামসহ ভোক্তা পর্যায়ে এ তেলের সরবরাহ ব্যয় যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত কি না যাচাই-বাছাই হয় না। বিইআরসি আইন অনুযায়ী গণশুনানির ভিত্তিতে জ্বালানি তেলের মূল্যহার নির্ধারণ হলে স্বচ্ছ ও যৌক্তিক হতো। ২৮. ক্রমবর্ধমান ঘাটতি ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যহার বৃদ্ধি করে মোকাবিলা করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। ফলে জ্বালানি তেল আমদানির জন্য সরকারকে দেশি-বিদেশি আর্থিক সংস্থা থেকে ঋণ গ্রহণ করতে হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে এ জন্য ১৬ হাজার কোটি টাকা সরকারকে ঋণ নিতে হবে। ২৯. এ অবস্থায় ঘাটতি ও ঋণ উভয়ই ধারাবাহিকভাবে বাড়বে, যদি উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে আনা না হয়। ৩০. পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে কয়লা থেকে। তার আগেই গ্যাস ও জ্বালানি তেল থেকে বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত থাকবে। কিন্তু বাস্তবে বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাড়তি গ্যাস পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। সুতরাং বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাড়তি তেল ছাড়া আর কোনো বিকল্প জ্বালানির উৎস পরিকল্পনায় বিবেচনা করা হয়নি। আবার সে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাও কঠিন। ফলে জ্বালানি সংকট ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় বিদ্যুৎ সংকট ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ঙ. জ্বালানি পরিস্থিতি : আলোচ্য প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, জ্বালানি স্বল্পতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত এবং টেকসই আর্থিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত। ব্যক্তি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিপ্রেক্ষিতে একদিকে সরকারি খাতের তুলনায় ব্যক্তি খাতের বিদ্যুৎ ও গ্যাস বেশি দামে কেনা হয়, অন্যদিকে সরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রেখে ব্যক্তি খাতের উৎপাদনে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। তাতে বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি ঘটেছে, কিন্তু বিদ্যুৎ ঘাটতি কমেনি। আবার গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় যেন বৃদ্ধি না হয়, সে জন্য দেশীয় কম্পানির বিনিয়োগ সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোক্তারা গ্যাস বিলের সঙ্গে বাড়তি অর্থ জোগান দিয়ে গ্যাস উন্নয়ন তহবিল গঠন করেছে। এ তহবিলে বছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা জমা হচ্ছে। কিন্তু তাতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। ২০০৩ সালে সরবরাহকৃত গ্যাসে বিদেশি কম্পানির গ্যাসের অংশ ছিল শতকরা ২০ ভাগ, এখন ৫২ ভাগ। এর পরও স্থলভাগের গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য বিদেশি কম্পানির সঙ্গে পিএসসি ২০১১ স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা কমপক্ষে ২৫০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২০০ কোটি ঘনফুট। আর্থসামাজিক শ্রেণীভেদে জ্বালানি চাহিদা পূরণে অঞ্চলভিত্তিক জ্বালানি সরবরাহে সমতা, সমসুযোগ নিশ্চিত করা যায়নি। সব এলাকায় গ্যাস যায়নি। সিলিন্ডারে এলপিজিও সব এলাকায় পেঁৗছায়নি। দামের দিক থেকে উভয় ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে। অঞ্চলভেদে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের ব্যাপারেও ভোক্তারা বৈষম্যের শিকার। মূল্যহার নির্ধারণে সমতা আনা যায়নি। বড় শিল্পের তুলনায় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ব্যবহৃত বিদ্যুতের মূল্যহার অধিক। গ্রামের নূ্যনতম বিলদাতা ১৭ লাখ গ্রাহক মাসে ৫-১০ এককের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ পায় না। অথচ মাসিক বিল দেয় ৯৮ টাকা। কয়লানীতি না হওয়ার অজুহাতে কয়লা খাত উন্নয়ন অনিশ্চিত। জ্বালানি সংরক্ষণ আইন না হওয়ায় জ্বালানি সম্পদের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়নি। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উন্নয়ন কার্যক্রমও নিশ্চিত করা যায়নি।
দারিদ্র্য বিমোচন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সামর্থ্য বা সক্ষমতা (Capability) থাকা চাই। সেসব সক্ষমতা মূলত নির্ভর করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ওপর জনগণের কতখানি স্বত্বাধিকার (Entitlement) আছে তার ওপর। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত হলে তাতেই জনগণের স্বত্বাধিকার থাকবে, এমন কথা বলা যায় না। যদি তা ক্রয় করার সামর্থ্য বা সক্ষমতা জনগণের না থাকে। সে স্বত্বাধিকার যদি প্রকৃতই থেকে থাকে, তাহলেই টেকসই জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। ফলে জ্বালানি প্রবাহ প্রবৃদ্ধি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাবে এবং মাথাপিছু কাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার/খরচের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত উন্নয়নে বিদেশি ব্যক্তি খাত বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রয়োজনে উভয় খাতকে মুনাফামুখী করার প্রয়োজনে চলমান সংস্কার। অথচ সংকট নিরসন না হওয়ায় এবং বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সে সংস্কার এখন বড়ই বিভ্রান্তির শিকার। তাতে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
ছ. সুপারিশ : নিজস্ব মালিকানায় ও কর্তৃত্বে নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদন এবং ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে কম দামি ও টেকসই জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল। সরকার সে কৌশল অবলম্বন করেনি। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ সরবরাহ ব্যয় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই কৌশল অবলম্বন করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার তাগিদে জনগণ যদি এগিয়ে না আসে, তাহলে জনজীবন রক্ষা ও উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচন কঠিন হবে।
জ. শেষ কথা : ১. উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে সরকারি মালিকানাধীন কম্পানির দ্বারা ১০টি কূপ জরুরি ভিত্তিতে খনন করে দৈনিক ৩০ কোটি ঘনফুট বাড়তি গ্যাস সরবরাহ করা কি সম্ভব ছিল না? ২. ছাতক (পূর্ব) গ্যাসক্ষেত্রের এক টিসিএফ মজুদ গ্যাস উৎপাদন কি জরুরি ছিল না? ৩. ফুলবাড়ী খনি-বিতর্ক এড়িয়ে দিঘিপাড়া ও খালাশপীর খনির কয়লা তোলা কি জরুরি ছিল না? ৪. সরকারের মালিকানায় ও কর্তৃত্বে সার্বিক বিবেচনায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার আওতায় জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা হলে জ্বালানি নিরাপত্তা কি নিশ্চিত করা সম্ভব হতো না? এসব করা হলে বিদ্যুতের মূল্য স্বাভাবিক রাখা কি সম্ভব হতো না? এসব প্রশ্নের জবাব একটাই, তা হলো যেসব ব্যক্তিবিশেষ দ্বারা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত এযাবৎকাল পরিচালিত হয়েছে, তাঁরা কেউই জনবান্ধব ছিলেন না। তাঁদের কাছে জনস্বার্থ প্রাধান্য পায়নি। তাঁরা জনগণের কল্যাণ করার দায়িত্ব নেননি। তাই তা হয়নি। সরকার দিনবদলের অঙ্গীকার করে ক্ষমতায় এসেছে। তাঁদের বক্তৃতায় ও বিবৃতিতে তাঁরা সে দাবিও করেন। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সে বদল কি হয়েছে? জ্বালানি নিরাপত্তা কেন নিশ্চিত করা যায়নি, এর জবাব সচেতন মানুষের অজানা নয়।
লেখক : জ্বালানি বিশেষজ্ঞ
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
January
(4234)
-
▼
Jan 03
(160)
- সাংসদের হাতে সাংবাদিকদের মার খাওয়ার অভিযোগ
- পুলিশ বাহিনীতে ‘এ’ গ্রেডভুক্ত পাঁচটি নতুন পদ-পরিদর...
- সিরিয়ায় গোলাগুলি বন্ধে আরব লিগের আহ্বান
- রোডমার্চ বানচালের ষড়যন্ত্র করছে সরকার: ফখরুল
- ১৭ জানুয়ারি সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘেরাও করবে জাতীয় কমিটি
- দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসে আগুন লেগে নিহত ৪
- স্বাধীনতার ৪০ বছর-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- লাল-হলুদ ক্যান্ডিকর্ন by ফারুখ আহমেদ
- জেরায় সাক্ষী মোস্তফা-এক দেলোয়ার হোসেন শিকদারকে চেন...
- দরপত্র মূল্যায়নের আগেই সিদ্ধান্ত? by অনিকা ফারজানা
- ফিলিপাইনে বর্ষবরণের সময় আহত ৫০০
- ৩ হাজার মানুষের মধ্যে এইডস ছড়িয়েছে এক মার্কিনি
- সার্র্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক: আসক
- বীর আর্টেমিসিয়া
- চীনে ফের বার্ড ফ্লু আতঙ্ক ১ জনের মৃত্যু
- পুলিশের সহায়তা চেয়ে চট্টগ্রাম বিএনপির চিঠি
- ঘৃণাকারীকে উৎসর্গ করে গান লিখলেন অভিষেক
- ৪ সেতুর টোল আদায়ে দুর্নীতির অভিযোগ
- ঘৃণাকারীকে উৎসর্গ করে গান লিখলেন অভিষেক
- বুয়েটের ৩ ছাত্রলীগ কর্মী বহিষ্কার, ১৯ ঘণ্টা পর প্র...
- রেলের সঙ্গে জাইকা’র দ্বন্দ্ব মেট্রোরেল নাও হতে পারে
- এবার টয়লেট পেপারে
- সূচক সামান্য কমেছে
- প্রেমিকের সঙ্গে এক ফ্ল্যাটে বিদ্যা!
- এবার উল্টো ঘটনা
- এবার সানজিদা প্রীতি
- অগ্রগতি নেই বালামের চতুর্থ অ্যালবামের
- ছো ট প র্দা য় আ জ
- প্রথম উপার্জন দিয়ে বাড়ির বকেয়া ভাড়া শোধ করেছিলেন
- ২০১১-এর ‘হলিউড হট ফিমেল মুভিস্টার’ ক্রিস্টেন স্টুয়...
- অপ-সংস্কৃতির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সচেতন নাগরিক সমাজে...
- বা ণি জ্য মে লা-ক্রেতা আকর্ষণে এগিয়ে ভোগ্যপণ্য প্র...
- ‘গোল্ডেন বিয়ার’ পাচ্ছেন মেরিল স্ট্রিপ
- বিপাশা-সোনমের খোলামেলা হওয়ার প্রতিযোগিতা
- পুরনো গান নিয়ে দিলরুবা খান
- ‘সবুজ কেন অপরাধী’র মহরত দিয়ে শুরু হলো চলচ্চিত্রের ...
- থার্টি ফার্স্টে তিশমার 'এক্সপেরিমেন্ট'
- সারা বছরই ছিল সিক্যুয়েল ছবির জয়জয়কার
- ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স
- কলকাতা ছেড়ে ইসলামাবাদের পথে হোয়াটমোর!
- ভেস্তে গেল ১৫০তম গোল
- ম্যানসিটি-ও হারলো
- স্ত্রীকে নিয়ে ডিনার- কোচের রোষানলে রুনি
- পপির পারিশ্রমিক এবার দ্বিগুণ! by প্রীতি ওয়ারেছা
- ‘দে আর ইডিয়টস’
- হতাশা ছাড়া তিন বছরে জনগণ কিছুই পায়নি: ফখরুল
- অস্ট্রেলিয়া-ভারত দ্বিতীয় টেস্ট-সিডনি ম্যাজিকের অপে...
- সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জবাসীর মতো গর্জে উঠুন...
- সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জবাসীর মতো গর্জে উঠুন...
- স্ত্রীকে নিয়ে ডিনার- কোচের রোষানলে রুনি
- বাংলাদেশে ফিরতে চান জেমি সিডন্স
- কারও পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ!
- প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে খুন: ২২ আসামির কললিস্ট পরীক্ষ...
- মোহামেডানের ফ্লপ শো-মোহামেডান ০ :০ বিজেএমসি
- ৫ ইস্যুতে বিএনপি স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক
- সুসংবাদ
- নারীবিষয়ক মার্কিন দূত বুধবার ঢাকা আসছেন
- সারাদেশে বই উৎসব
- রাবিতে শিবিরকর্মীকে পেটালো ছাত্রলীগ
- প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এরশাদ - ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যে...
- আইওয়া ককাসে আজ মুখোমুখি রিপাবলিকান মনোনয়ন প্রত্যাশ...
- আদালতের আদেশ অমান্য করে স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে...
- জাতীয় পার্টির দুই অংশ এক হলেও ক্ষমতায় যেতে পারবে ন...
- পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত
- অস্ট্রেলিয়ায় ১০ বছরের এক জাহানারার বাঁচার লড়াই
- দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল ইরান-এ...
- সাঈদীর বিরুদ্ধে সপ্তম ও অষ্টম সাক্ষী যা বললেন-
- প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা
- কুড়িগ্রামে মিনি বিশ্ব ইজতেমা সম্পন্ন
- বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়-ভর্তি নিয়ে তুঘলকি কা...
- এক বছরে পণ্যমূল্য বেড়েছে ১২.৭৭ শতাংশ
- চট্টগ্রামে রোড মার্চের তোরণে আগুন
- নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, জেলা পরিষদ প্রশাসকদের প্...
- কড়াইল বস্তিতে সরকারি আবাসন প্রকল্প-খসড়া মাস্টারপ্ল...
- সিলেটে ইনু: টিপাইমুখ বাঁধ ইস্যুতে সরকারের অবস্থান ...
- সিলেটে গানের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন শাবনূরের পিতা
- বিএনপি-জামায়াতের ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার আদেশ
- সম্ভাবনা-পদ্মার চরে পর্যটন কেন্দ্র
- ‘ব্যবসা করতে ক্ষমতায় আসিনি’
- তত্ত্বাবধায়ক সমস্যার সমাধান করুন- প্রেসিডেন্টের প্...
- লোকসানের পাল্লাই ভারী
- আগামী তিন বছর বিদ্যুতের দাম আরও বাড়বে: অর্থমন্ত্রী
- ‘বেসিক ব্যাংকের সফলতা অব্যাহত’
- মৃত্যুর পরও ত্যাগ! by কামাল লোহানী
- স্মৃতিময় ১৫ অক্টোবর by তরুণ কান্তি শিকদার
- উপজেলা পরিষদ-যথা পূর্বং তথা পরং! by ফয়জুর রহমান ফকির
- কালের আয়নায়-নারায়ণগঞ্জের মেয়র নির্বাচন এবং আওয়ামী ...
- সাধুগুরু-বাউলদের গান by নজরুল জাহিদ
- আর কত রূপা বৈষম্যের শিকার হবে? by অনুপম
- দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ হতে পারে পণ্যমূল্যের লাগাম by আ...
- ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন নয় by মোঃ রাইসুল ইসলাম সৌরভ
- যশোরে গণবিয়ে-স্বপ্নযাত্রায় সহমর্মিতার ছোঁয়া
- দীপু মনি-হিলারি বৈঠক-সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক উদ্যোগ
- এমন বার্তা কে চায়! by তালুকদার মোঃ ইউনুছ
- তথ্য কমিশন-এখনও ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী by রোবায়েত ...
- ধর নির্ভয় গান-আশ্বিনেরই আঙিনায় by আলী যাকের
- ধর্ম ও সমাজসেবা by দিদার-উল আলম
- কিস্তিতে পণ্য বেচাকেনা by মুফতি মাহফূযুল হক
- দয়া ও ক্ষমা প্রসঙ্গে ইসলাম by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- ওষুধ বাজার-মুনাফার কাছে জিম্মি জীবন!
- ঝুঁকিপূর্ণ মেঘনা সেতু-সময়ের কাজ সময়ে করা চাই
- প্রতিশ্রুতির বন্যায় ভাসছে কুমিল্লা by সাবি্বর নেওয়...
- বাসাবাড়িতে আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না by সবুজ ইউনুস
- কুয়েট বন্ধ ঘোষণা-ছাত্রলীগের হামলা আহত ২৫
- বিদ্যুতে ভর্তুকি তুললে সর্বক্ষেত্রে ব্যয় বাড়বে by ...
- গরম পোশাকে নয় গরমকালের পোশাকে by আসিফ আহমেদ
- সংখ্যা নয়, মানবিকতাই মুখ্য-প্রতিবন্ধী by মোঃ মোতাহ...
- রাজনৈতিক সদিচ্ছা না নির্বাচনী কৌশল?-খাদ্য নিরাপত্...
- বাংলাদেশে নববর্ষের কথা-সমকালীন প্রসঙ্গ by বদরুদ্দী...
- ইতিহাসের বাঁকে : মতিউল-কাদের হত্যাকাণ্ড-সমঝোতার রা...
- প্রতিক্রিয়া-'টিপাইমুখ বাঁধ তৈরি করা কেন জরুরি'
- সাম্প্রতিক-নিখিলের পা এবং কানামাছি ভোঁ ভোঁ... by শ...
- আন্তর্জাতিক-বিশ্ব আলোড়িত ২০১১-এর ছয় পরিস্থিতি!
- হামহাম জলপ্রপাত by মুমিত আল রশিদ
- আসুন আমরা শিকড়ের সন্ধান করি-সুশাসন by এম আবদুল হাফিজ
- ওসির স্বেচ্ছাচারিতা-এসপিকেও জিডি করতে হয়!
- পাঠ্যপুস্তক উৎসব-সদিচ্ছা থাকলে সবই সম্ভব
- যোগাযোগমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি by আরিফ জেবতিক
- প্রচ্ছদ রচনা : ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানি-স্ব-সংস্কৃত...
- হুবহু-বিএনপির চেয়ারপারসন অর্থের বিনিময়ে যুদ্ধাপরাধ...
- জলদস্যুতার অপবাদমোচন-জলদস্যুতার অপবাদমোচন
- বই উৎসব-...লুকিয়ে থাকা স্বপ্নগুলো ধরব'
- পবিত্র কোরআনের আলো-বদর যুদ্ধের পর কাফিরদের প্রতি স...
- মহাজোট সরকারের ৩ বছর-বিদ্যুৎ খাত : পরিকল্পনা ও নীত...
- চরাচর-মাছের ভাণ্ডার বঙ্গোপসাগর by আজিজুর রহমান
- সহজ-সরল-ঝিকঝিক ঝিকঝিক ঝিকঝিক ঝিকঝিক চলে রেলের গাড়ি...
- কল্পকথার গল্প-নতুন বর্ষে থাকিব হর্ষে by আলী হাবিব
- কালান্তরের কড়চা : মহাজোট সরকারের ৩ বছর-২০১২ : হাসি...
-
▼
Jan 03
(160)
-
▼
January
(4234)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment