Thursday, June 14, 2012
সপ্তম নৌবহর-বঙ্গোপসাগর এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রসঙ্গ by ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.)
সপ্তম নৌবহর-বঙ্গোপসাগর এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রসঙ্গ by ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.)
হুজুগে বাঙালি বলে বহুকাল থেকে একটি কথা প্রচলিত আছে। আমার মনে হয় না যে এটা কথার কথা মাত্র। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমরা তা-ই। যেমন- হঠাৎ করে কোনো বিদেশি মিডিয়ায় অবিশ্বাস্য, অযৌক্তিক অথবা কোনো ধরনের প্রমাণাদি ছাড়াই বাংলাদেশকে জড়িয়ে কোনো জনগুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পরিবেশন করলে আমরা আগাগোড়া বিশ্লেষণ না করেই বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য,
বিশ্লেষণ, ধারাবাহিক প্রবন্ধ লিখন, টক শোতে তুলাধুনা করে ছাড়ি। আর একবার কেউ কোনো বিতর্কিত বিষয়ের সূত্রপাত করলে, সেই বিষয়টি নিয়ে সবাই মতামত দিতে কুণ্ঠিত হই না।
তবে সেসব মতামত যৌক্তিক কি না তার কোনো জবাবদিহিতা যখন নেই, তখন আমরা সবাই এ রকমই মতামত দিয়ে থাকি। আমার এ লেখার উদ্দেশ্য এই বিষয়ে তত্ত্বকথন নয়। আমি সূচনা বক্তব্যে এই কথাগুলো এ কারণে উল্লেখ করলাম যে বেশ কিছুদিন ধরে আমাদের জাতীয় পত্রিকাগুলোতে ভারতের অন্যতম বিখ্যাত দৈনিক সংবাদপত্র 'দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া'র অনলাইন সংস্করণ 'টাইমস নাউ' (Times Now)-তে বাংলাদেশে মার্কিন সপ্তম নৌবহরের জন্য ঘাঁটি তৈরির প্রক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্র শুরু করেছে বলে ১ জুন একটি অনুমানভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই এ বিষয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সপ্তম নৌবহরের বাংলাদেশে ঘাঁটি গাড়ার বিষয় নিয়ে ওই সংস্থাটি যে প্রতিবেদন বের করেছে, সেখানে দ্ব্যর্থহীনভাবে চট্টগ্রামের কথা উল্লেখ ছিল। এই সংবাদ পরিবেশক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী (Secretary of state) হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফর এবং এ প্রসঙ্গে সরকারের সঙ্গে গোপন আলোচনার উদ্ধৃতিও করেছে। হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়াকে তাদের পরিবেশিত সংবাদের যুক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। যদিও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ধরনের সংবাদ এবং সম্ভাবনাকে নাকচ করেছে, তথাপি দেশের জনমনে যথেষ্ট সন্দেহ রয়ে গেছে। সন্দেহ থাকারই কথা। কারণ একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আগ্রাসী নীতি প্রত্যক্ষ করেছে বিশ্ববাসী। অযৌক্তিক অজুহাতে ইরাককে তছনছ করা, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী যুদ্ধের নামে সে দেশটি দখলে রাখার প্রচেষ্টা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তথাকথিত আরব-বসন্তকে উসকে দিয়ে ওই অঞ্চলের নকশা বদলে দেওয়ার প্রচেষ্টায় রত থাকা ইত্যাদি কারণে এ দেশের জনগণের মনে মার্কিন উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ তিরোহিত হয়নি। অবশ্য বিষয়টি যখন সপ্তম নৌবহরের উপস্থিতি নিয়ে, সেখানে আমাদের অনুভূতিটি অন্য রকম হবেই। কারণ মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্কিত ভূমিকা এবং বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর পাঠানোর খবর ওই সময়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা হিসেবে আজও চিহ্নিত রয়েছে। কাজেই এ ধরনের খবরে উৎকণ্ঠা থাকাটা স্বাভাবিক। তবে সে উৎকণ্ঠা কতটা যৌক্তিক, সেটাই উপলব্ধি করার বিষয়। আমি এই সংবাদের উদ্দেশ্য ও যৌক্তিকতার বিষয়ের ওপরই যৎসামান্য মন্তব্য করতে চাই।
আমি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে পরিবেশিত প্রতিবেদন এবং আমাদের বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়ার যৌক্তিকতা আলোচনা করার আগে মার্কিন সপ্তম নৌবহর নিয়ে আলোচনা করতে চাই এবং একই সঙ্গে চীন সাগর অথবা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনার বিশদ বিবরণে না গিয়ে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাই। প্রথমেই ওই প্রতিবেদনের মূল শিরোনামে আসি- 'চট্টগ্রামে সপ্তম নৌবহরের জন্য সম্ভাব্য ঘাঁটি গড়ে তোলার মার্কিনি অভিপ্রায়'।
ওই শিরোনামের তাৎপর্য প্রসঙ্গে প্রথমেই বলতে হয়, এ ধরনের সংবাদের উদ্দেশ্য যা-ই থাকুক, আমি কোনো যৌক্তিকতা দেখছি না। কারণ সপ্তম নৌবহরের গঠন, বিশালতা, কার্যক্ষেত্র (দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বা AOR) এবং কার্যপরিধি সম্পর্কে অবহিত থাকা। মার্কিন সপ্তম নৌবহর বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌবহর। এ বহরে রয়েছে পারমাণবিক শক্তিচালিত একের অধিক জঙ্গি বিমানবাহী যুদ্ধ জাহাজ, প্রায় ৬০টি বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ জাহাজ, ৩৬০টি জঙ্গি বিমান এবং ৬০ হাজার মেরিন সেনা। এই বহর গঠিত হয়েছিল ১৯৪৩ সালের ১৫ মার্চ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। যুদ্ধের পর কলেবর বৃদ্ধি পেয়ে আজকের অবস্থানে এসেছে। এই বহরের বর্তমানের অগ্রগামী ঘাঁটির প্রধান স্থাপনাটি জাপানের ইকোসুকু নৌবন্দরে। আরো রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরে। রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপাঞ্চল গোয়ামে। ভারত মহাসাগরে তেমন ঘাঁটি না থাকলেও দিয়াগো গার্সিয়া দ্বীপে রয়েছে সরবরাহ, অবসর ও মেরামত ঘাঁটি। জঙ্গি বিমানবাহী যুদ্ধ জাহাজের ডেকে 'রানওয়ে' থাকায় জঙ্গি বিমান পরিচালনার জন্য ঘাঁটির প্রয়োজন হয় না। এই সপ্তম নৌবহরের কার্যপরিধির ব্যাপ্তি জাপান থেকে ভারত-পাকিস্তান পূর্ব সীমান্ত পর্যন্ত। পাকিস্তান থেকে হরমুজ প্রণালি পর্যন্ত পঞ্চম নৌবহরের আওতায়। যদিও ভারত মহাসাগরে মার্কিনিদের তেমন উপস্থিতি নেই, তবে ভবিষ্যতে হবে না তেমনও নয়। হালে সিঙ্গাপুরে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিয়ন প্যানেট্টার এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নৌশক্তি আরো ৬০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনার ঘোষণা দেওয়ার পর ২০২০ সালে ভারত মহাসাগরের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থায় কী পরিবর্তন হবে, সেটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে হবে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে।
বাংলাদেশ দূরবর্তী হলেও ভারত মহাসাগরের তীরবর্তী দেশ, তবে ওই মহাসাগরের উত্তরে সবচেয়ে বড় উপসাগর বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উত্তরের দেশ। বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশসহ আরো তিনটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত। পশ্চিমে ভারতের পূর্ব তীর, পূর্বে মিয়ানমার বা বার্মার দীর্ঘ পশ্চিম তীর এবং মিয়ানমারের আরাকান তট থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পশ্চিমে ভূ-কৌশলগত দিক থেকে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ মহা নিকোবর ও আন্দামান এবং আন্দামানের উত্তরে ছোট অথচ বর্তমানে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অতি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ কোকো দ্বীপ (Great coco Island)। কোকো দ্বীপ এবং আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ৮০ কিলোমিটার প্রস্থ আলেকজান্ডার চ্যানেল দ্বারা বিভাজিত। বাংলাদেশ ব্যতীত দক্ষিণে শ্রীলঙ্কাসহ বাকি তিনটি দেশই সরাসরি ভারত মহাসাগরীয় তীরবর্তী দেশ। এসব দেশের মধ্যে ভারত সর্ববৃহৎ ও সামরিক শক্তির দিক থেকে সবচেয়ে শক্তিধর দেশ হিসেবে ভারত মহাসাগরকে নিজের প্রভাব বলয়ে রাখতেই বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ নৌবাহিনী তৈরি করেছে। এবং এর কলেবর উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ভারত মহাসাগরকে নিজের প্রভাব বলয়ে রাখতে ভারতীয় নৌবাহিনী ক্রমেই নীল পানির (Blue water) নৌশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। মাত্র কয়েক মাস আগে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যোগ হয়েছে রাশিয়ার প্রযুক্তি ও সহযোগিতায় নিজস্ব তৈরি প্রথম পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ। নৌশক্তি প্রদর্শনের জন্য ভারতের পশ্চিম তটে মুম্বাই থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে 'সি-বার্ড' (Sea bird) প্রকল্পাধীন এশিয়ার সর্ববৃহৎ নৌ ঘাঁটি এবং পূর্ব তটে বঙ্গোপসাগর তথা মিয়ানমার উপকূলসহ মালাক্কা প্রণালি পর্যন্ত নিজস্ব প্রভাব বিস্তারের জন্য বিশাখাপত্তম থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তরে আরেকটি নৌ ঘাঁটি তৈরি করেছে। উন্নীত করেছে আন্দামানের পোর্ট-ব্লেয়ার নৌ ঘাঁটি। ভারত সব সময়ই ভারত মহাসাগরকে নিজের প্রভাবাধীন রাখতে সচেতন ছিল। ১৯৬২ সালে চীনের হাতে সামরিক বিপর্যয়ের পর থেকে ভারতীয় সামরিক বাহিনী চীনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে উঠেছে। ১৯৭৪ সালে পারমাণবিক শক্তি সঞ্চয়ের পর থেকে পারমাণবিক অস্ত্র এবং মিসাইলের প্রস্তুতি চীনকে সামনে রেখেই করা হচ্ছে। হালের আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল অগ্নি-৫-এর সফল উৎক্ষেপণ চীনকে অবশ্যই ভাবিয়ে তুলছে। একইভাবে বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্য যদিও আন্তর্জাতিক নৌপথকে পাহারা দেওয়ার কথা বলা হয়ে থাকে, তবে বাস্তবে চীনের মিয়ানমার উপস্থিতি, কোকো দ্বীপে কথিত ইলেকট্রনিক নজরদারি এবং আরাকান তটের কিয়াউকাপি বন্দর থেকে চীনের ইউনান প্রদেশের রুলি হয়ে কুনমিং পর্যন্ত তেল-গ্যাস পাইপলাইন এবং ২০১৩ সালের মধ্যে রেললাইন স্থাপন নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় নৌবাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে এই অঞ্চল।
বিগত তিন দশকে চীন-মিয়ানমার সম্পর্ক এবং চীন-বাংলাদেশ সামরিক সম্পর্ক নিয়ে ভারতের যথেষ্ট উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে মিয়ানমারের ভূখণ্ড দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব চীনের সঙ্গে আরাকান অঞ্চল হয়ে সিতওয়ে বন্দরের দক্ষিণে কিয়াউকাপি তেল-গ্যাস টার্মিনাল তৈরি ভারতের জন্যও উদ্বেগজনক ছিল সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে উত্তর ও সাহারার দক্ষিণের আফ্রিকার দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল দক্ষিণ-পূর্বে নিয়ে যেতে চীন মালাক্কা প্রণালি এড়িয়ে চলতে বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমারের এ পথ তৈরি করাকে যুক্তরাষ্ট্রও খুব সহজভাবে গ্রহণ করেনি। মিয়ানমারের বর্তমান অভ্যন্তরীণ রাজনীতির যৎসামান্য পরিবর্তনের অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র তথা ইউরোপ যেভাবে মিয়ানমারে উপস্থিতি বাড়ানোর প্রত্যয় করেছে, তাতে চীনকে কোণঠাসা করার বিশেষ প্রয়াস পরিলক্ষিত। এখানেই ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-কৌশলগত সহাবস্থান প্রমাণিত।
যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা নৌবাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি এবং শক্তির মহড়ায় যথেষ্ট চিন্তিত। যে কারণে লিয়ন প্যানেট্টা ওই অঞ্চলে শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন, যা চীন সহজভাবে নেয়নি। দক্ষিণ চীন সাগরের সীমানা নিয়ে চীনের অনমনীয় দাবিতে শঙ্কিত জাপান, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, এমনকি একসময়ের যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ভিয়েতনামও। ওই অঞ্চলেই যুক্তরাষ্ট্র মিত্র দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে চীনের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েছে। ২০০৭ সালে ডালাস ও তাইওয়ানের মধ্যবর্তী অঞ্চলে মার্কিন সপ্তম নৌবহরের মহড়ার সময় জঙ্গি বিমানবাহী যুদ্ধ জাহাজ কিটি হকের পাশে হঠাৎ উদয় হওয়া সং শ্রেণীর চীনের (Song class) সাবমেরিনের ঘটনাই ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রকে ওই অঞ্চলে চীনের শক্তি এবং নৌবহরের আধুনিকতার বার্তা দিয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে চীনের শক্তি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতিনির্ধারকরা।
অন্যদিকে ভারত মহাসাগরেও চীনের শক্তি প্রদর্শনকে যেমন হালকাভাবে নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র, তেমনি চীনের ব্যাপক উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে মরিয়া ভারত। তবে ভারত কখনোই ভারত মহাসাগরে, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে স্থায়ী মার্কিন উপস্থিতি সমর্থন করবে না। ভারতের এই মনোভাব মার্কিনিদের কাছে অজানা নয়। বস্তুতপক্ষে দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবর্তিত মার্কিন ভূ-কৌশলগত নীতি ভারতকেন্দ্রিক, তাতে সন্দেহ নেই। তথাপি ভারত মহাসাগর নিয়ে দিল্লির উৎকণ্ঠা কম নয়। ২০১৪ সালে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের পর ভারতে উপস্থিতি বাড়াতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। মাত্র কয়েক দিন আগেই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিয়ন প্যানেট্টা ভারত সফরকালে এমনই ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বঙ্গোপসাগরে মার্কিন উপস্থিতি যে ভারতের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়, তা-ও মার্কিনিদের কাছে গোপনীয় নয়। তথাপি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভূ-কৌশলগত কারণে যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর যথেষ্ট নির্ভরশীল। কাজেই ভারতের অসম্মতিতে বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌবহরের স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে ওঠার সম্ভাবনা যথেষ্ট কম। তবে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের প্রতিটি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আলাদাভাবে সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী। একই সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কার ওপর চীনের প্রভাব কমাতে সচেষ্ট যুক্তরাষ্ট্র।
ওপরে বর্ণিত ভূ-কৌশলগত কারণেই বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে চীনের প্রভাব খর্ব করতে একদিকে যেমন ভারতের সঙ্গে ক্রমেই নিবিড় সামরিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রয়াসে যুক্তরাষ্ট্র লিপ্ত, তেমনি মিয়ানমারের ব্যাপক উপস্থিতির ক্ষেত্র প্রস্তুতের নীতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। অন্যদিকে মিয়ানমারের ভূ-কৌশলগত গুরুত্বের পরিপ্রেক্ষিতে এ অঞ্চলে চীনা প্রভাব খর্ব করতে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিতিনির্ধারকরা। সে কারণে বাংলাদেশের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা বিরোধ নিরসনের পর মিয়ানমারের তথাকথিত গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা এবং রুদ্ধ দ্বার সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার কারণে প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে চীনের বিচরণকে সীমিত রাখতে হলে এই বাংলাদেশেরও যে সহযোগিতার প্রয়োজন, তা হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের মধ্য দিয়ে পরিষ্কার হয়েছে। ওয়াশিংটন যে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের নীতি গ্রহণ করেছে, তাতে কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। আমি মনে করি, এ কারণেই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনের সূত্রপাত ভারতীয় মিডিয়ায়। ওয়াশিংটনের ঢাকার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অস্বস্তিকর হতে পারে বলে মনে করেন অনেক ভারতীয়। ওপরের সংক্ষিপ্ত আলোচনার প্রেক্ষাপটে ভারতের পত্রিকার যে প্রতিবেদন নিয়ে আমাদের দেশে এত বিতর্ক, তার পেছনে যৌক্তিকতা নেই বলে আমি মনে করি। সপ্তম নৌবহর তো নয়ই, ওই নৌবহরের কোনো টাস্কফোর্সের স্থায়ী ঘাঁটি গড়ার মতো স্থান চট্টগ্রাম অঞ্চলে নেই। এমনকি অনেকে মনে করেন, আমাদের দেশে একমাত্র কোরাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে যুক্তরাষ্ট্র ঘাঁটি গড়তে পারে। সামরিক বিশ্লেষণে ভৌগোলিক অবস্থান, ওই অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের নাব্যতা ইত্যাদি মিলিয়ে এ ধরনের সম্ভাবনার যৌক্তিকতা পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। তবে এ কথা ঠিক, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে চীনের প্রভাব খর্ব করার প্রয়াসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকরা তীরবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে পর্যবেক্ষণের অবস্থান তৈরি করারও যথেষ্ট উদ্যোগ এরই মধ্যে গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর সঙ্গে পেন্টাগন তথা প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের (Pacific command) সঙ্গে যোগাযোগ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, বাংলাদেশের এই দুই বাহিনীর উপসাগরে উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য কারিগরি সহায়তার দ্বার খুলতে শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তথ্য মোতাবেক, গত কয়েক বছর নৌবাহিনীর মেরিন সেনাদের প্রশিক্ষণে রয়েছে মার্কিন সহায়তা। এ ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ উপস্থিতি বাড়বে। সে ক্ষেত্রে চীনের প্রতিক্রিয়া কী হবে, অথবা ভবিষ্যতে আমাদের চীননীতি কোন পথে গড়াবে, তা এখনই অনুধাবন করা সহজ নয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য রক্ষাই সময়ের দাবি। দুর্বল এবং নরম দেশ (Soft State) হিসেবে পররাষ্ট্র নীতিতে স্বকীয়তা বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। পররাষ্ট্র তথা প্রতিরক্ষা নীতি ভাবাবেগ দ্বারা নয়, বাস্তবতা ও যৌক্তিকতার ওপরই রচিত হওয়া বাঞ্ছনীয়।
বর্তমানে দক্ষিণ চীন সাগরে যে উত্তেজনা রয়েছে, তা প্রশমিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এ উত্তেজনা ভারত মহাসাগরেও ছড়াবে, তাতে সন্দেহ নেই। ওই উত্তেজনার তাপ থেকে বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী ক্ষুদ্র ও দুর্বল দেশগুলোতে ছড়াবে- তাতে সন্দেহ নেই।
লেখক : সাবেক নির্বাচন কমিশনার, কলাম লেখক, নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক
e-mail : hhintlbd@yahoo.com
তবে সেসব মতামত যৌক্তিক কি না তার কোনো জবাবদিহিতা যখন নেই, তখন আমরা সবাই এ রকমই মতামত দিয়ে থাকি। আমার এ লেখার উদ্দেশ্য এই বিষয়ে তত্ত্বকথন নয়। আমি সূচনা বক্তব্যে এই কথাগুলো এ কারণে উল্লেখ করলাম যে বেশ কিছুদিন ধরে আমাদের জাতীয় পত্রিকাগুলোতে ভারতের অন্যতম বিখ্যাত দৈনিক সংবাদপত্র 'দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া'র অনলাইন সংস্করণ 'টাইমস নাউ' (Times Now)-তে বাংলাদেশে মার্কিন সপ্তম নৌবহরের জন্য ঘাঁটি তৈরির প্রক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্র শুরু করেছে বলে ১ জুন একটি অনুমানভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই এ বিষয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সপ্তম নৌবহরের বাংলাদেশে ঘাঁটি গাড়ার বিষয় নিয়ে ওই সংস্থাটি যে প্রতিবেদন বের করেছে, সেখানে দ্ব্যর্থহীনভাবে চট্টগ্রামের কথা উল্লেখ ছিল। এই সংবাদ পরিবেশক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী (Secretary of state) হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফর এবং এ প্রসঙ্গে সরকারের সঙ্গে গোপন আলোচনার উদ্ধৃতিও করেছে। হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়াকে তাদের পরিবেশিত সংবাদের যুক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। যদিও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ধরনের সংবাদ এবং সম্ভাবনাকে নাকচ করেছে, তথাপি দেশের জনমনে যথেষ্ট সন্দেহ রয়ে গেছে। সন্দেহ থাকারই কথা। কারণ একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আগ্রাসী নীতি প্রত্যক্ষ করেছে বিশ্ববাসী। অযৌক্তিক অজুহাতে ইরাককে তছনছ করা, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী যুদ্ধের নামে সে দেশটি দখলে রাখার প্রচেষ্টা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তথাকথিত আরব-বসন্তকে উসকে দিয়ে ওই অঞ্চলের নকশা বদলে দেওয়ার প্রচেষ্টায় রত থাকা ইত্যাদি কারণে এ দেশের জনগণের মনে মার্কিন উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ তিরোহিত হয়নি। অবশ্য বিষয়টি যখন সপ্তম নৌবহরের উপস্থিতি নিয়ে, সেখানে আমাদের অনুভূতিটি অন্য রকম হবেই। কারণ মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্কিত ভূমিকা এবং বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর পাঠানোর খবর ওই সময়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা হিসেবে আজও চিহ্নিত রয়েছে। কাজেই এ ধরনের খবরে উৎকণ্ঠা থাকাটা স্বাভাবিক। তবে সে উৎকণ্ঠা কতটা যৌক্তিক, সেটাই উপলব্ধি করার বিষয়। আমি এই সংবাদের উদ্দেশ্য ও যৌক্তিকতার বিষয়ের ওপরই যৎসামান্য মন্তব্য করতে চাই।
আমি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে পরিবেশিত প্রতিবেদন এবং আমাদের বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়ার যৌক্তিকতা আলোচনা করার আগে মার্কিন সপ্তম নৌবহর নিয়ে আলোচনা করতে চাই এবং একই সঙ্গে চীন সাগর অথবা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনার বিশদ বিবরণে না গিয়ে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাই। প্রথমেই ওই প্রতিবেদনের মূল শিরোনামে আসি- 'চট্টগ্রামে সপ্তম নৌবহরের জন্য সম্ভাব্য ঘাঁটি গড়ে তোলার মার্কিনি অভিপ্রায়'।
ওই শিরোনামের তাৎপর্য প্রসঙ্গে প্রথমেই বলতে হয়, এ ধরনের সংবাদের উদ্দেশ্য যা-ই থাকুক, আমি কোনো যৌক্তিকতা দেখছি না। কারণ সপ্তম নৌবহরের গঠন, বিশালতা, কার্যক্ষেত্র (দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বা AOR) এবং কার্যপরিধি সম্পর্কে অবহিত থাকা। মার্কিন সপ্তম নৌবহর বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌবহর। এ বহরে রয়েছে পারমাণবিক শক্তিচালিত একের অধিক জঙ্গি বিমানবাহী যুদ্ধ জাহাজ, প্রায় ৬০টি বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ জাহাজ, ৩৬০টি জঙ্গি বিমান এবং ৬০ হাজার মেরিন সেনা। এই বহর গঠিত হয়েছিল ১৯৪৩ সালের ১৫ মার্চ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। যুদ্ধের পর কলেবর বৃদ্ধি পেয়ে আজকের অবস্থানে এসেছে। এই বহরের বর্তমানের অগ্রগামী ঘাঁটির প্রধান স্থাপনাটি জাপানের ইকোসুকু নৌবন্দরে। আরো রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরে। রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপাঞ্চল গোয়ামে। ভারত মহাসাগরে তেমন ঘাঁটি না থাকলেও দিয়াগো গার্সিয়া দ্বীপে রয়েছে সরবরাহ, অবসর ও মেরামত ঘাঁটি। জঙ্গি বিমানবাহী যুদ্ধ জাহাজের ডেকে 'রানওয়ে' থাকায় জঙ্গি বিমান পরিচালনার জন্য ঘাঁটির প্রয়োজন হয় না। এই সপ্তম নৌবহরের কার্যপরিধির ব্যাপ্তি জাপান থেকে ভারত-পাকিস্তান পূর্ব সীমান্ত পর্যন্ত। পাকিস্তান থেকে হরমুজ প্রণালি পর্যন্ত পঞ্চম নৌবহরের আওতায়। যদিও ভারত মহাসাগরে মার্কিনিদের তেমন উপস্থিতি নেই, তবে ভবিষ্যতে হবে না তেমনও নয়। হালে সিঙ্গাপুরে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিয়ন প্যানেট্টার এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নৌশক্তি আরো ৬০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনার ঘোষণা দেওয়ার পর ২০২০ সালে ভারত মহাসাগরের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থায় কী পরিবর্তন হবে, সেটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে হবে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে।
বাংলাদেশ দূরবর্তী হলেও ভারত মহাসাগরের তীরবর্তী দেশ, তবে ওই মহাসাগরের উত্তরে সবচেয়ে বড় উপসাগর বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উত্তরের দেশ। বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশসহ আরো তিনটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত। পশ্চিমে ভারতের পূর্ব তীর, পূর্বে মিয়ানমার বা বার্মার দীর্ঘ পশ্চিম তীর এবং মিয়ানমারের আরাকান তট থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পশ্চিমে ভূ-কৌশলগত দিক থেকে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ মহা নিকোবর ও আন্দামান এবং আন্দামানের উত্তরে ছোট অথচ বর্তমানে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অতি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ কোকো দ্বীপ (Great coco Island)। কোকো দ্বীপ এবং আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ৮০ কিলোমিটার প্রস্থ আলেকজান্ডার চ্যানেল দ্বারা বিভাজিত। বাংলাদেশ ব্যতীত দক্ষিণে শ্রীলঙ্কাসহ বাকি তিনটি দেশই সরাসরি ভারত মহাসাগরীয় তীরবর্তী দেশ। এসব দেশের মধ্যে ভারত সর্ববৃহৎ ও সামরিক শক্তির দিক থেকে সবচেয়ে শক্তিধর দেশ হিসেবে ভারত মহাসাগরকে নিজের প্রভাব বলয়ে রাখতেই বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ নৌবাহিনী তৈরি করেছে। এবং এর কলেবর উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ভারত মহাসাগরকে নিজের প্রভাব বলয়ে রাখতে ভারতীয় নৌবাহিনী ক্রমেই নীল পানির (Blue water) নৌশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। মাত্র কয়েক মাস আগে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যোগ হয়েছে রাশিয়ার প্রযুক্তি ও সহযোগিতায় নিজস্ব তৈরি প্রথম পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ। নৌশক্তি প্রদর্শনের জন্য ভারতের পশ্চিম তটে মুম্বাই থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে 'সি-বার্ড' (Sea bird) প্রকল্পাধীন এশিয়ার সর্ববৃহৎ নৌ ঘাঁটি এবং পূর্ব তটে বঙ্গোপসাগর তথা মিয়ানমার উপকূলসহ মালাক্কা প্রণালি পর্যন্ত নিজস্ব প্রভাব বিস্তারের জন্য বিশাখাপত্তম থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তরে আরেকটি নৌ ঘাঁটি তৈরি করেছে। উন্নীত করেছে আন্দামানের পোর্ট-ব্লেয়ার নৌ ঘাঁটি। ভারত সব সময়ই ভারত মহাসাগরকে নিজের প্রভাবাধীন রাখতে সচেতন ছিল। ১৯৬২ সালে চীনের হাতে সামরিক বিপর্যয়ের পর থেকে ভারতীয় সামরিক বাহিনী চীনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে উঠেছে। ১৯৭৪ সালে পারমাণবিক শক্তি সঞ্চয়ের পর থেকে পারমাণবিক অস্ত্র এবং মিসাইলের প্রস্তুতি চীনকে সামনে রেখেই করা হচ্ছে। হালের আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল অগ্নি-৫-এর সফল উৎক্ষেপণ চীনকে অবশ্যই ভাবিয়ে তুলছে। একইভাবে বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্য যদিও আন্তর্জাতিক নৌপথকে পাহারা দেওয়ার কথা বলা হয়ে থাকে, তবে বাস্তবে চীনের মিয়ানমার উপস্থিতি, কোকো দ্বীপে কথিত ইলেকট্রনিক নজরদারি এবং আরাকান তটের কিয়াউকাপি বন্দর থেকে চীনের ইউনান প্রদেশের রুলি হয়ে কুনমিং পর্যন্ত তেল-গ্যাস পাইপলাইন এবং ২০১৩ সালের মধ্যে রেললাইন স্থাপন নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় নৌবাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে এই অঞ্চল।
বিগত তিন দশকে চীন-মিয়ানমার সম্পর্ক এবং চীন-বাংলাদেশ সামরিক সম্পর্ক নিয়ে ভারতের যথেষ্ট উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে মিয়ানমারের ভূখণ্ড দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব চীনের সঙ্গে আরাকান অঞ্চল হয়ে সিতওয়ে বন্দরের দক্ষিণে কিয়াউকাপি তেল-গ্যাস টার্মিনাল তৈরি ভারতের জন্যও উদ্বেগজনক ছিল সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে উত্তর ও সাহারার দক্ষিণের আফ্রিকার দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল দক্ষিণ-পূর্বে নিয়ে যেতে চীন মালাক্কা প্রণালি এড়িয়ে চলতে বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমারের এ পথ তৈরি করাকে যুক্তরাষ্ট্রও খুব সহজভাবে গ্রহণ করেনি। মিয়ানমারের বর্তমান অভ্যন্তরীণ রাজনীতির যৎসামান্য পরিবর্তনের অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র তথা ইউরোপ যেভাবে মিয়ানমারে উপস্থিতি বাড়ানোর প্রত্যয় করেছে, তাতে চীনকে কোণঠাসা করার বিশেষ প্রয়াস পরিলক্ষিত। এখানেই ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-কৌশলগত সহাবস্থান প্রমাণিত।
যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা নৌবাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি এবং শক্তির মহড়ায় যথেষ্ট চিন্তিত। যে কারণে লিয়ন প্যানেট্টা ওই অঞ্চলে শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন, যা চীন সহজভাবে নেয়নি। দক্ষিণ চীন সাগরের সীমানা নিয়ে চীনের অনমনীয় দাবিতে শঙ্কিত জাপান, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, এমনকি একসময়ের যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ভিয়েতনামও। ওই অঞ্চলেই যুক্তরাষ্ট্র মিত্র দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে চীনের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েছে। ২০০৭ সালে ডালাস ও তাইওয়ানের মধ্যবর্তী অঞ্চলে মার্কিন সপ্তম নৌবহরের মহড়ার সময় জঙ্গি বিমানবাহী যুদ্ধ জাহাজ কিটি হকের পাশে হঠাৎ উদয় হওয়া সং শ্রেণীর চীনের (Song class) সাবমেরিনের ঘটনাই ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রকে ওই অঞ্চলে চীনের শক্তি এবং নৌবহরের আধুনিকতার বার্তা দিয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে চীনের শক্তি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতিনির্ধারকরা।
অন্যদিকে ভারত মহাসাগরেও চীনের শক্তি প্রদর্শনকে যেমন হালকাভাবে নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র, তেমনি চীনের ব্যাপক উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে মরিয়া ভারত। তবে ভারত কখনোই ভারত মহাসাগরে, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে স্থায়ী মার্কিন উপস্থিতি সমর্থন করবে না। ভারতের এই মনোভাব মার্কিনিদের কাছে অজানা নয়। বস্তুতপক্ষে দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবর্তিত মার্কিন ভূ-কৌশলগত নীতি ভারতকেন্দ্রিক, তাতে সন্দেহ নেই। তথাপি ভারত মহাসাগর নিয়ে দিল্লির উৎকণ্ঠা কম নয়। ২০১৪ সালে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের পর ভারতে উপস্থিতি বাড়াতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। মাত্র কয়েক দিন আগেই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিয়ন প্যানেট্টা ভারত সফরকালে এমনই ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বঙ্গোপসাগরে মার্কিন উপস্থিতি যে ভারতের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়, তা-ও মার্কিনিদের কাছে গোপনীয় নয়। তথাপি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভূ-কৌশলগত কারণে যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর যথেষ্ট নির্ভরশীল। কাজেই ভারতের অসম্মতিতে বঙ্গোপসাগরে মার্কিন নৌবহরের স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে ওঠার সম্ভাবনা যথেষ্ট কম। তবে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের প্রতিটি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আলাদাভাবে সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী। একই সঙ্গে সম্পর্কের গভীরতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কার ওপর চীনের প্রভাব কমাতে সচেষ্ট যুক্তরাষ্ট্র।
ওপরে বর্ণিত ভূ-কৌশলগত কারণেই বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে চীনের প্রভাব খর্ব করতে একদিকে যেমন ভারতের সঙ্গে ক্রমেই নিবিড় সামরিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রয়াসে যুক্তরাষ্ট্র লিপ্ত, তেমনি মিয়ানমারের ব্যাপক উপস্থিতির ক্ষেত্র প্রস্তুতের নীতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। অন্যদিকে মিয়ানমারের ভূ-কৌশলগত গুরুত্বের পরিপ্রেক্ষিতে এ অঞ্চলে চীনা প্রভাব খর্ব করতে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিতিনির্ধারকরা। সে কারণে বাংলাদেশের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা বিরোধ নিরসনের পর মিয়ানমারের তথাকথিত গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা এবং রুদ্ধ দ্বার সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার কারণে প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানের পরিবর্তন হয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে চীনের বিচরণকে সীমিত রাখতে হলে এই বাংলাদেশেরও যে সহযোগিতার প্রয়োজন, তা হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের মধ্য দিয়ে পরিষ্কার হয়েছে। ওয়াশিংটন যে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের নীতি গ্রহণ করেছে, তাতে কোনো সন্দেহ থাকার কথা নয়। আমি মনে করি, এ কারণেই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনের সূত্রপাত ভারতীয় মিডিয়ায়। ওয়াশিংটনের ঢাকার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অস্বস্তিকর হতে পারে বলে মনে করেন অনেক ভারতীয়। ওপরের সংক্ষিপ্ত আলোচনার প্রেক্ষাপটে ভারতের পত্রিকার যে প্রতিবেদন নিয়ে আমাদের দেশে এত বিতর্ক, তার পেছনে যৌক্তিকতা নেই বলে আমি মনে করি। সপ্তম নৌবহর তো নয়ই, ওই নৌবহরের কোনো টাস্কফোর্সের স্থায়ী ঘাঁটি গড়ার মতো স্থান চট্টগ্রাম অঞ্চলে নেই। এমনকি অনেকে মনে করেন, আমাদের দেশে একমাত্র কোরাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে যুক্তরাষ্ট্র ঘাঁটি গড়তে পারে। সামরিক বিশ্লেষণে ভৌগোলিক অবস্থান, ওই অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের নাব্যতা ইত্যাদি মিলিয়ে এ ধরনের সম্ভাবনার যৌক্তিকতা পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। তবে এ কথা ঠিক, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে চীনের প্রভাব খর্ব করার প্রয়াসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকরা তীরবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে পর্যবেক্ষণের অবস্থান তৈরি করারও যথেষ্ট উদ্যোগ এরই মধ্যে গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর সঙ্গে পেন্টাগন তথা প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের (Pacific command) সঙ্গে যোগাযোগ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, বাংলাদেশের এই দুই বাহিনীর উপসাগরে উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য কারিগরি সহায়তার দ্বার খুলতে শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তথ্য মোতাবেক, গত কয়েক বছর নৌবাহিনীর মেরিন সেনাদের প্রশিক্ষণে রয়েছে মার্কিন সহায়তা। এ ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ উপস্থিতি বাড়বে। সে ক্ষেত্রে চীনের প্রতিক্রিয়া কী হবে, অথবা ভবিষ্যতে আমাদের চীননীতি কোন পথে গড়াবে, তা এখনই অনুধাবন করা সহজ নয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য রক্ষাই সময়ের দাবি। দুর্বল এবং নরম দেশ (Soft State) হিসেবে পররাষ্ট্র নীতিতে স্বকীয়তা বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। পররাষ্ট্র তথা প্রতিরক্ষা নীতি ভাবাবেগ দ্বারা নয়, বাস্তবতা ও যৌক্তিকতার ওপরই রচিত হওয়া বাঞ্ছনীয়।
বর্তমানে দক্ষিণ চীন সাগরে যে উত্তেজনা রয়েছে, তা প্রশমিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এ উত্তেজনা ভারত মহাসাগরেও ছড়াবে, তাতে সন্দেহ নেই। ওই উত্তেজনার তাপ থেকে বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী ক্ষুদ্র ও দুর্বল দেশগুলোতে ছড়াবে- তাতে সন্দেহ নেই।
লেখক : সাবেক নির্বাচন কমিশনার, কলাম লেখক, নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক
e-mail : hhintlbd@yahoo.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 14
(123)
- সাক্ষাৎকার-একাগ্রতা ও সাধনায় নিশ্চিতই পেঁৗছা যায় স...
- 'পটেটো মুভমেন্ট' by অনির্বাণ
- শিক্ষাঙ্গন-জাবিতে অস্থিতিশীলতা কাম্য নয় by তারেক শ...
- রিও সম্মেলন-টেকসই উন্নয়নের পথে আরেক ধাপ by কাজী খল...
- তিন বাঘশিশু-বাঘমাতার কোলে ফিরে যাক শিশুরা
- বিরোধী জোটের সমাবেশ-সরকার কেন জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে?
- চার দিক-‘কার কাছোত যামো হামরা?’ by মোছাব্বের হোসেন
- ট্রাফিক-ব্যবস্থা-‘এখানে কোন বাস থামিবে না’ by এ কে...
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য-নারীর উন্নয়ন কতটুকু হলো? b...
- কালের পুরাণ-তবু সংসদ বর্জন করবেন না by সোহরাব হাসান
- যুক্তি তর্ক গল্প-রাজনীতিকদের প্রতি সাংবাদিকের বিনয়...
- দরপত্র নিয়ে চালিয়াতি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন-তি...
- বিএনপিকেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে-মতৈক্যের ভিত্তি...
- চার দিক-তবু হেঁটে চলা... by মীর রাব্বি
- উন্নয়ন-দিনবদল বনাম দিনের ধারাবাহিকতা by মোহাম্মদ ক...
- ভারত-সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা ও কাশ্মীর by কুল...
- এসো নীপবনে-ট্র্যাজেডি যখন কমেডি by আবুল হায়াত
- মিডিয়া ভাবনা-গণতন্ত্রে স্বাধীন সংবাদপত্রের বিকল্প ...
- এসব অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করুন-টিআরের গম আত্মসাৎ
- অসাধু ব্যক্তিদের শাস্তিদানই সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ...
- ধর্ম-সবার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক! by মুহাম্মদ আবদুল...
- স্মরণ-একজন দিশারি মানুষের কথা by আবুল মোমেন
- লাতিন আমেরিকা-কিউবায় পিরিস্ত্রোইকা by মশিউল আলম
- দুই দু’গুণে পাঁচ-ভয়ভীতি সমাচার by আতাউর রহমান
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-শেখ হাসিনার ‘ঈদ-উপহার’ by বিশ...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-আদালত অবমাননা নিয়ে বিভ্রান্তি by ...
- প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিন-পুরোনো জাহাজ...
- স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র চলতে পারে কি?-সং...
- স্মরণ-খ্যাপা পাগলাকে নিয়ে প্যাঁচাল by হাসান শাহরিয়ার
- সংবিধান সংশোধন-অতীত হয় নূতন পুনরায় by বদিউল আলম মজ...
- দিল্লির চিঠি-কাশ্মীরিদের অনুভূতিকে আমলে নিন by দীপ...
- স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে দলীয়করণ-স্বাস্থ্য উপদেষ্ট...
- অগ্রগতির স্বীকৃতি, লক্ষ্যপূরণে আরও পথ বাকি-এমডিজি ...
- শিশুর মুখের প্রথম বুলি by শারমিন নাহার
- আর নয় হতাশা
- চলছে কারুমেলা
- কেজো পার্টির সাজগোজ by তৌহিদা শিরোপা
- ভৈরব by দিলারা পারভীন
- লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বন্ধুসভার কমিটি
- রোজ বিকেলের আড্ডা by হেলাল মাহমুদ
- মোরা বন্ধনহীন জন্মস্বাধীন চিত্তমুক্ত শতদল by আশফাক...
- চাকরি খুঁজছেন?
- পেশা-পরামর্শ-চিকিৎসা প্রযুক্তি
- এবিসি রেডিও-প্রথম আলো জবস ‘হতে চাই পেতে চাই’-মেডিক...
- প্রাথমিক শিক্ষকতায় পেশাগত প্রশিক্ষণ by জাহিদ হাসান
- কাজটা তথ্য জানানোর by জিয়াউর রহমান চৌধুরী
- ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-হাতেকলমে শিক্ষা by খ...
- মেধাবী মুখ-জাকির ও হাসানের দ্বৈরথ by নিধি চাক্মা
- এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (এইউডব্লিউ), চট্টগ্রা...
- বিশ্বমানের শিক্ষাদান আমাদের লক্ষ্য by ফাহিমা আজিজ
- চাকরি নিয়ে বিদেশ যাত্রা by শরিফুল হাসান
- স্বাস্থ্য টিপস-পাকা জামের মধুর রসে
- সুলেখার অপেক্ষার কাল by অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
- রক্তদানে বাঁচুক প্রাণ by মুনতাসীর মারুফ
- ফার্স্ট এইড ব্যাগ
- ফার্স্ট এইড: আপনি তৈরি তো? by ইকবাল কবীর
- ক্ষমতায়ন-আলোচিত দুই নারী স্থপতি
- ছাদে বাগান তাতেই পুরস্কার by আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
- আমরা করব জয় by রুহিনা তাসকিন
- চারদিক-শহীদ মিনারে by সুচিত্রা সরকার
- সরল গরল-অধ্যাপক সায়ীদের স্বস্তি, স্পিকারের অস্বস্ত...
- বহির্নোঙরে ভোজ্য তেল খালাসে এক কম্পানির প্রস্তাব অ...
- সীমান্ত খুলে দেওয়ার আহবান জাতিসংঘের সরকার রাজি নয়
- টেকনাফ থেকে দুটি জাহাজ মিয়ানমারে পালাল গোপনে
- কালের কণ্ঠের উদ্যোগে ফের হাসপাতালে শেখ হালিমা
- মিয়ানমারে অস্থিরতা, বিপাকে বাংলাদেশ-রোহিঙ্গা, না অ...
- তরুণদের সামাজিক ফিকশন তৈরি করতে বললেন ড. ইউনূস
- বৃদ্ধাশ্রম-বয়স্ক মানুষেরা ভালো নেই by তৌফিক মারুফ
- শ্রমিক লীগের গুলিতে কাঁপল সড়ক ভবন-স্বেচ্ছাসেবক লীগ...
- চোরাই ভিওআইপি বাড়ছে by কাজী হাফিজ
- সরকারি সংস্থার শীতলক্ষ্যা দখল-সরকারের শীর্ষ মহলের ...
- রাজনৈতিক কর্মসূচির দায়-দুর্ভোগের শিকার সাধারণ মানুষ
- পবিত্র কোরআনের আলো-জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলেও আল্লাহ ও...
- কঠোর কর্মসূচি না দিয়ে সঠিক কাজ করেছেন by মাহমুদুর ...
- বিরোধী দলের সংসদ ত্যাগ করা কাম্য নয় by আবুল হাসান ...
- কালের পুরাণ-জ্বালানি উপদেষ্টা, দেশপ্রেম কারও সোল এ...
- হাইকোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়িত হোক-আবাসিক এলাকায় বা...
- রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ অবশ্যই ঠেকাতে হবে-মিয়ানমারে ...
- অপহরণের ১৬ বছর-কেমন আছে ‘কল্পনা’র পাহাড় by জোবাইদা...
- ১০০ কোটির পথে অক্ষয় কুমার-সোনাক্ষী
- টোয়ালাইটের বেলা-এডওয়ার্ড বাস্তবেও!
- মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১২-প্রথম পর্বে মনোনয়ন প...
- নানান রঙের মিলন by আলতাফ শাহনেওয়াজ
- চারদিক-‘একটা ছবি তুইলা দেন তো!’ by ফারুখ আহমেদ
- চরাচর-প্রাচীন বিক্রমপুরের ৩ স্মরণীয় ব্যক্তি by আজি...
- জনমত জরিপের ফলাফল
- দক্ষিণাঞ্চলে জলাবদ্ধতা-জোয়ারাধারের বিকল্প নেই by র...
- বন্য প্রাণী হত্যা ও পাচারের জালটাই ধ্বংস করতে হবে-...
- সরকার কী করছে?-সড়ক ভবনে গোলাগুলি
- ব দ লে যা ও ব দ লে দা ও মি ছি ল ব দ লে যা ও মি ছি ...
- মিয়ানমারের দাঙ্গা-গণমাধ্যম যা আড়াল করছে by ফ্রান্স...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-ভোরের আলোর মতো দূর করো সব অন্ধকার
- নিভে গেল ধ্রুপদ সংগীত ও গজলের ধ্রুবতারা
- দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলা-‘প্রতিবেদন না দেখেই স্বা...
- পদ্মা সেতু প্রকল্প-দুর্নীতি ও অস্বচ্ছ কার্যক্রমে ব...
- সেনাবাহিনীতে দুটি কমান্ড হচ্ছে
- ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিবেদন-সরকার উদ্যোগী না হলে ফে...
- সাত বিভাগে প্রথম আলোর অনুসন্ধান গ্রামে বিদ্যুৎ থেক...
- বিদ্যুতের বর্তমান উৎপাদন দিয়েও ভালো থাকা সম্ভব by ...
- সপ্তম নৌবহর-বঙ্গোপসাগর এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর...
- হুমায়ূন আহমেদের সফল অস্ত্রোপচার by রুমা সাহা
- প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আশুলিয়া পরিস্থিতি শান্ত-...
- ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ
- অধরাই রয়ে গেল শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন by নাজমুজ্জামান...
- প্রক্টরের দায়িত্ব কী? by জাকারিয়া পলাশ
- মাগুরছড়া :এখনও গেল না ট্র্যাজেডি by প্রনীত রঞ্জন দ...
- সুশাসন-সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামার বিপদ by জিয়াউদ্দিন ত...
- আতিশয্য by মাহবুব মোর্শেদ
- জয় জুঁই যূথী ফিরে যাক বাদাবনে by পাভেল পার্থ
- পরিবেশ-স্টকহোম থেকে রিও+২০ by মু. শামসুল আলম
- আরেক আলোকে-বিএনপির কর্মসূচি ও সরকারের করণীয় by ইনা...
- সড়ক ভবনে গুলি-অবাধ দুর্নীতিই নষ্টের গোড়া
- মিয়ানমারে সহিংসতা-বিশ্ব সম্প্রদায় এগিয়ে আসুক
- সড়ক ভবনে গুলি-টেন্ডারবাজি চলে দল বেঁধে, লম্বা হাত ...
- সতর্ক বিজিবি, কমেছে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ-পাকিস্তানির...
- যত চাপ বাংলাদেশের ওপর by মেহেদী হাসান
- অবৈধ ভিওআইপি-সরকারি সংস্থার লুটপাট বন্ধ করা হোক
- সড়ক ভবনে গুলি-রাজনৈতিক দখলদারিত্বের পরিণতি
- চরাচর-ক্রিকেটের আদি পিতা by আরাফাত শাহরিয়ার
- দেশ : গণপ্রজাতান্ত্রিক না পুলিশ-শাসনতান্ত্রিক? by ...
- সাংবিধানিক বিকল্প অনুসন্ধানে আলোচনা চলুক by শামসুল...
- সাদাকালো-বাংলাদেশের স্বার্থে রোহিঙ্গাদের স্বদেশে প...
-
▼
Jun 14
(123)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment