Saturday, April 21, 2012
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার টিপাইমুখ প্রকল্প আগের মতোই রাখতে চাইছে by আতাউস সামাদ
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার টিপাইমুখ প্রকল্প আগের মতোই রাখতে চাইছে by আতাউস সামাদ
টিপাইমুখে বরাক নদীর ওপর ভারত সরকার যে অতিকায় বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে সে সম্পর্কে ভাটির দেশ বাংলাদেশ এবং ভারতেরই মনিপুর ও আসাম রাজ্যে তীব্র প্রতিবাদ হলেও নয়াদিল্লি সেটা তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েই এগিয়ে চলেছে।
ভারত সরকার প্রথমে বাংলাদেশের একটা সংসদীয় প্রতিনিধি দলকে, তারপর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে ও সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তাদের পর্যায়ক্রমিক দিল্লি সফরের সময় আশ্বাস দিয়েছে যে, বাংলাদেশের ক্ষতি হতে পারে টিপাইমুখে তারা এমন কোনো কাজ করবে না। কিন্তু ভারত থেকে যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে সে সবের ভিত্তিতে বলা চলে যে, এসব আশ্বাসবাণী নির্ভরযোগ্য নয়, কারণ ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় পর্যায়ে সন্দেহজনক তথা প্রদত্ত আশ্বাসের বিপরীতধর্মী উক্তি করা হচ্ছে। এমনই এক মন্তব্য এসেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর সমাপ্ত হওয়ার পরপরই, জানুয়ারি ১৮ তারিখে। টিপাইমুখ বাঁধ থেকে তার ভাটিতে দক্ষিণ আসামসহ কারও কোনো ক্ষতি হবে না, ওইদিন ভারতের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেছেন। তার ওই উক্তি ও পরবর্তী সময়ে তার প্রতিবাদ হওয়া সম্পর্কে আমরা জেনেছি আসাম ট্রিবিউন পত্রিকার ইন্টারনেট সংস্করণ থেকে। এ নিয়ে আর কিছু বলার আগে খানিকটা প্রেক্ষাপট আলোচনা করে নেয়া প্রয়োজন।
শেখ হাসিনা সরকারিভাবে ভারত সফর করেন গত জানুয়ারি মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত। তার সফর সম্পন্ন হলে সে সম্পর্কে গত ১৩ জানুয়ারি ঢাকার পত্রিকায় যে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ইশতেহার প্রকাশিত হয় তার ৩১ নম্বর প্যারাগ্রাফে বলা হয়েছে, ‘The Prime Minister of India reiterated the assurance that India would not take steps on the Tipaimukh project that would adversely impact Bangladesh.’ আমার ভাষায় এই বাক্যের বঙ্গানুবাদ দাঁড়ায়, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী এ আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ভারত টিপাইমুখ প্রকল্পে এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না বাংলাদেশে যার বিরূপ প্রতিক্রিয়া/ফল হবে।’ লক্ষণীয় যে, এই বাক্যটিতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প বাস্তবায়ন না করার কোনো সম্ভাবনার কথা বলেননি, বরঞ্চ বাক্য গঠন এমনভাবেই করা হয়েছে যাতে একথা স্পষ্ট হয় যে, টিপাইমুখ প্রকল্প নামে একটা প্রকল্প বিদ্যমান। তারপরই যখন বলা হচ্ছে যে, এতে ‘ভারত এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না’ (যাতে বাংলাদেশের ক্ষতি হয়) তখন এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার জন্য নানা পদক্ষেপ নেয়া হবে। অতঃপর বাকি থাকল বাংলাদেশের ক্ষতি হওয়া না হওয়ার প্রশ্নটি। এই প্রশ্নটি বিবেচনার সময় দুটো বিষয় মনে রাখতে হবে। যথা— ১. যে কোনো নদীতে যে কোনো ধরনের বাঁধ দিলেই তার উজান ও ভাটি দুই দিকেই কোনো না কোনো প্রভাব পড়ে এবং সেজন্যই আজকাল দুনিয়াজুড়ে আন্দোলন হচ্ছে বাঁধের বিরুদ্ধে এবং ২. টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কে বাংলাদেশের যে ভীতি ও আশঙ্কাটি প্রবল তা হলো, এত বিরাট যে, এটি একবার তৈরি হয়ে গেলে এর বিরূপ প্রভাব এদেশে পড়বেই; বিশেষ করে বরাক নদী থেকে যখন বাংলাদেশের দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারার উত্পত্তি এবং ওই দুই নদীর সম্মিলিত ধারা দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আমাদের একটি প্রধান নদী মেঘনা। এখন ভারত সরকার বলে আসছে যে, টিপাইমুখ বাঁধ থেকে বাংলাদেশের উপকারই হবে, কারণ এটা দিয়ে বরাক নদীকে নিয়ন্ত্রণ করে বর্ষার সময় ভাটিতে এর পানির প্রবাহের পরিমাণ এখনকার চেয়ে কম রাখা যাবে যার ফলে বাংলাদেশে ও আসামে বন্যার প্রকোপ কমবে। আবার, শীত এবং গ্রীষ্মে টিপাইমুখ জলাধার থেকে পানি কিছু বেশি পরিমাণে ছাড়া হবে যাতে ভাটিতে বরাক নদীতে পানি এখনকার চেয়ে বেশি থাকে। এখানে বলে রাখা ভালো যে, টিপাইমুখ বাঁধ দিয়ে সব সময়ই পানি ছাড়তে হবে, কারণ ওই প্রবহমান পানি দিয়েই টারবাইন ঘুরিয়ে ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করবে ভারত। বাংলাদেশে টিপাইমুখ প্রকল্পের বিরুদ্ধে একটি যুক্তি হচ্ছে, বরাক নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ করায় সিলেটের হাওর অঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে এবং এক সময় এসব হাওর বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আবার সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর তীরগুলোতে ভাঙন শুরু হবে, নতুন চর পড়বে এবং মেঘনার প্রকৃতি পাল্টে যাবে। তদুপরি গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো টিপাইমুখ বাঁধের ভাটিতে ভারত যদি তার প্রস্তাবিত অপর একটি সেচ প্রকল্পে পানি নেয়ার জন্য আরেকটি বাঁধ দেয়, তাহলে বাংলাদেশে দ্বিতীয় ফারাক্কা পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। এসবের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে জনগণের দাবি হচ্ছে ভারত যেন টিপাইমুখে কোনো বাঁধ না করে। যেহেতু এ পর্যন্ত এই বাঁধটির শুধু পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে, নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি, তাই এটি একেবারেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা এখনও সম্ভব। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত দীর্ঘ নিবন্ধে এই যুক্তি তুলে ধরেছেন যে, অপরিহার্য বিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য ভারত তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নদীগুলোতে পাহাড়ি এলাকায় ছোট আকারের অনেক বাঁধ দিতে পারে। এতে ভাটিতে কম ক্ষতি হবে।
কিন্তু ভারত টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প বাতিল করা তো দূরের কথা, তার আদি পরিকল্পনা নিয়েই এগিয়ে চলেছে। ভারতের আসাম প্রদেশের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে প্রকাশিত সুপরিচিত আসাম ট্রিবিউন পত্রিকায় গত ৩১ জানুয়ারি, ২০১০ তারিখে Centre urged to address impact of dams শিরোনামের প্রতিবেদনে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যে, ওই রাজ্যের কয়েকটি সিভিল সোসাইটি গোষ্ঠী ভারতের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শ্রী জয়রাম রমেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তিনি যেন উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রস্তাবিত বাঁধসমূহের প্রতিক্রিয়া (impact of dams) বিভিন্ন রাজ্যের ভাটি অঞ্চলে কী হবে তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন। (পাঠক, লক্ষ্য করবেন পত্রিকাটি এখানে শুধু টিপাইমুখ নয় একাধিক বড় বাঁধের কথা বলছে।) এই সিভিল সোসাইটি গোষ্ঠীগুলো শ্রী জয়রাম রমেশের একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিল। পত্রিকাটিতে ফেব্রুয়ারি ১ তারিখে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারতীয় বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী গত ১৮ জানুয়ারি, সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সামাজিক সমস্যাবিষয়ক ১০ম সম্মেলনে (Editor’s Conference on Social Sector Issues, সংক্ষেপে ECSSI) টিপাইমুখ প্রকল্পের ভাটিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া নিয়ে যেসব আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে সেগুলো নাকচ করে দেন। মন্ত্রী বরঞ্চ দাবি করেন যে, আসামের বরাক উপত্যকার অধিবাসীরা টিপাইমুখ প্রকল্পের বাস্তবায়ন দেখতে দৃঢ়সংকল্প।
তবে আসাম ট্রিবিউনের ওই প্রতিবেদন বলছে, ‘কিন্তু এও সত্য যে, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় টিপাইমুখ বাঁধের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনার সময় দক্ষিণ আসামে প্রকল্পটির কী প্রভাব পড়বে সে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছে।
আসাম ট্রিবিউন-এর ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে : “The MoEF granted environmental clearance to the Tipaimukh project on October 24, 2008 without a comprehensive downstream impact study and public consultation in southern Assam.
While public hearings were held in upstream Manipur and Mizoram, the MoEF did not ask for public hearings in southern Assam despite it being in the impact zone of the project. Even though public hearings were not held in southern Assam, the Union Environment Minister has come to a conclusion that people of Barak valley were ‘determined’ to have the project.
While there are indeed some supporters of the project in Barak Valley, there are also others concerned about its negative impact. The MoEF would have got a correct picture about this if it had bothered to hold public consultations in southern Assam.
আসাম ট্রিবিউন পত্রিকার প্রতিবেদনের উপরোক্ত অংশে যা বলা হয়েছে, বাংলায় সংক্ষেপে তা হলো যে, দক্ষিণ আসামে কোনো অনুসন্ধান এবং জনগণের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই টিপাইমুখ প্রকল্পের ‘পরিবেশ ছাড়পত্র’ দিয়েছে দিল্লি সরকার। দ্বিতীয়ত, সরকার মনিপুর ও মিজোরামে এই প্রকল্প সম্পর্কে প্রকাশ্যে জনশুনানি করলেও দক্ষিণ আসামে তা করেনি। তা সত্ত্বেও মন্ত্রী দাবি করছেন যে, বরাক উপত্যকার অধিবাসীরা প্রকল্পটি পেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আলোচ্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বরাক উপত্যকার অধিবাসীদের মধ্যে টিপাইমুখ প্রকল্পের যেমন কিছু সমর্থক আছেন তেমনই এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্যক্তিরাও আছেন। তাই দক্ষিণ আসামে জনশুনানি করলে সরকার প্রকৃত চিত্রটি পেত।
আসাম ট্রিবিউন পত্রিকার ৩১ জানুয়ারি তারিখের প্রতিবেদনে (যা প্রকাশিত হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লি সরকারকে এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীকে মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে যে, বরাক উপত্যকার কয়েকটি সিভিল সোসাইটি গোষ্ঠী বেশ কিছুদিন ধরে টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করে এই প্রকল্পটির বিরোধিতা করে আসছে। বিরোধিতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তারা গত বছর জুলাই মাসে লক্ষ্মীপুর নামক স্থানে জনসভা এবং আগস্ট মাসে শিলচর-এর ডেপুটি কমিশনার অফিসের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করেছে। এই অবস্থান ধর্মঘটে কৃষক, সাংবাদিক, লেখক এবং সংস্কৃতি ও সমাজকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। আসাম ট্রিবিউন আরও বলেছে যে, প্রতিবাদকারীরা ওই মাসেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করে। টিপাইমুখ বাঁধের বিপদ নিয়ে উদ্বিগ্নরা ভাটিতে ওই প্রকল্পের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ডিসেম্বর ২৯, ২০০৯ তারিখে শিলচরে একটি সেমিনার করেন। এতে অংশগ্রহণকারী সংগঠন সোসাইটি অব অ্যাক্টিভিস্টস অ্যান্ড ভলান্টিয়ার্স ফর এনভায়রনমেন্ট (সেভ), কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি, ইউনাইটেড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইউডিও), দলছুট ও আরও অন্যরা প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করতে সরাসরি নিষেধ করেছে। তবুও ভারত সরকার শুধু টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের বিষয়েই নয়, অরুণাচল রাজ্যে লোহিত নদীতে বাঁধ দিয়ে একটি ১৭৫০ মেগাওয়াট পানি বিদ্যুত্ প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছে। ভারতের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি কোনো রকম জনমত যাচাই বা ওই প্রস্তাবিত বাঁধের ভাটিতে আসামের যে এলাকা আছে সেখানে এটার কী প্রতিক্রিয়া হবে তা পর্যালোচনা ছাড়াই এই বিশাল বাঁধ প্রকল্পের পক্ষে সুপারিশ করেছে।
আমাদের মনে হয়, আসাম ট্রিবিউন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যাবলী বিবেচনা করে বাংলাদেশের জনগণের ও সরকারের দুশ্চিন্তা গভীরতর হওয়া উচিত। কারণ, এক্ষেত্রে তো সরাসরি এই প্রশ্নই উঠছে যে, ভারত সরকার যখন টিপাইমুখ বাঁধের ভাটিতে তার নিজের দেশের নাগরিকদের উদ্বেগ ও আপত্তি কানে তুলছে না, এমন কী তাদের সঙ্গে বা ওই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপটি পর্যন্ত করছে না, তখন তারা অন্য দেশ বাংলাদেশের আপত্তি শুনবে কেন? বরঞ্চ আমাদের ধরে নিতে হবে যে, নয়াদিল্লি সরকার বাংলাদেশের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হবে—এ কথাটিই স্বীকার করবে না, যেমন করেনি ফারাক্কা বাঁধের বেলায়। তাই আমাদের ওই বাঁধের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকতার খাতিরে ভারতের কাছে তো বটেই, জাতিসংঘ ও বিশ্বদরবারে প্রতিবাদ জানাবার জন্য সব ব্যবস্থা এখনই নিতে হবে। সেজন্য সরকারকে অনতিবিলম্বে একটি জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটি বা প্যানেল নিয়োগ করে তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নিরীক্ষা, জরিপ, গবেষণা, মডেল স্ট্যাডি এবং মাঠপর্যায়ে জনগণের সঙ্গে বৈঠক (জনশুনানি) করে ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের বাংলাদেশে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অনতিবিলম্বে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে। তারপর ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমাদের আপত্তি জানিয়ে যেতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর শেষ করে দেশে ফিরে যে সংবাদ সম্মেলনে করেন, তাতে টিপাইমুখ বাঁধ প্রশ্নে তার মন্তব্যগুলোর মধ্য দু’টি ছিল : ১. টিপাইমুখে যে কী হচ্ছে তা তিনি নিজেও ভালো মতো জানেন না; এবং ২. ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং যখন বারবার আশ্বাস দিচ্ছেন, বাংলাদেশের ক্ষতি হবে টিপাইমুখ প্রকল্পে এমন কিছু করা হবে না। এই মুহূর্ত পর্যন্ত সেই কথা শুনে যাওয়া ছাড়া গত্যন্তর কী আছে। প্রধানমন্ত্রীর উক্তি এখানে আমি নিজের ভাষায় লিখেছি, কাজেই তার কথার সঙ্গে সামান্য অমিল হতে পারে তা মেনে নিচ্ছি। তবু এক্ষেত্রে এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বক্তব্য হচ্ছে : ১. আসাম ট্রিবিউন পত্রিকায় ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এখন আমরা জেনে গেছি যে, ভারতের কেন্দ্রীয় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী জানুয়ারি ১৮ তারিখে, অর্থাত্ আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের মাত্র পাঁচদিন পরেই বলেছেন, টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কিত আসামের জনগণের আপত্তি মিথ্যা প্রচারণামাত্র এবং ওই প্রকল্প দ্বারা কারও কোনো ক্ষতি হবে না। অতএব, এও জানা হয়ে গেছে যে, ভারত টিপাইমুখে তার বিতর্কিত প্রস্তাব অনুযায়ী বাঁধ বানাবার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে। ফলে এখন আমাদের সম্ভাব্য বিপদ মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী যে আশ্বাস দিয়েছেন তার ওপর আর নির্ভর করা যাচ্ছে না। সে রকম নির্ভর করার প্রয়োজনীয়তাও নেই। কারণ, ভারত তার বর্তমান পরিকল্পনা নিয়েই এগুচ্ছে। কাজেই আমরা নিজেরা সেটির নিরিখেই প্রয়োজনীয় গবেষণা ও বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেব যে, ওই বাঁধের ফলে আমাদের কত ক্ষতি হবে এবং সেই অনুযায়ী আমাদের সরকার তার কর্তব্য নির্ধারণ করবে।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে এই অনুরোধ করব যে, যারাই টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প বা ট্রানজিট চুক্তির বিরোধিতা করবে তারাই ভারত-বিরোধী হবে আর সেজন্য তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তার সরকারেরও শত্রু বা প্রতিপক্ষ হবে, তিনি যেন একথা না ভাবেন। এ ব্যাপারে তাকে একটু উদার ও সচেতন হতে হবে। কারণ, তার চারপাশে কিছু লোক আছে যারা বলে আসছেন যে, ভারত-বিরোধিতা মানেই বাংলাদেশের স্বার্থের বিরোধিতা করা। এরা তিনটি অপকৌশল নিচ্ছেন—১. ভারতের খারাপ কাজের সমালোচনাকে ভারত-বিরোধিতা বলে চাপিয়ে দিচ্ছেন, ২. বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে বিশাল মুনাফা করে শিক্ষা, চিকিত্সা ও সংস্কৃতি খাতগুলোতে ব্যবসা বিস্তার করে, ভূ-রাজনীতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দিক থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতভাবে পেয়ে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সমর্থন পেয়ে ভারত যে বিশালভাবে উপকৃত হচ্ছে সেই সত্যটি তারা বাংলাদেশের জনগণের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখছেন এবং এতে করে একদিকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহের বীজ বপন তো করছেনই, তারা বাংলাদেশের জনগণকে বর্তমান সরকার সম্পর্কেও সন্দিহান করে তুলছেন এবং ৩. ভারতের যেসব কর্মকাণ্ডের ফলে বাংলাদেশের ক্ষতি হচ্ছে সেগুলো সম্পর্কে মুখ না খোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। এসব লোক সম্পর্কে তাকে ও দেশবাসীকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আগেও বলেছি এবং এই লেখাটা শেষ করার আগে আবার বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, ভারত ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে শুকনো মৌসুমে গঙ্গার পানির বেশিরভাগ পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতা বন্দরে প্রবাহিত করায় বাংলাদেশের যে দারুণ ক্ষতি এবং অসুবিধা হচ্ছে এই বিষয়টি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর সংক্রান্ত যৌথ ইশতেহারে একটি শব্দও না থাকা বাংলাদেশের জনগণের জন্য খুবই বেদনাদায়ক হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. আশরাফ দেওয়ান ঢাকায় দি ডেইলি স্টার পত্রিকায় ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রবন্ধে জানিয়েছেন, ‘১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন বিষয়ে একটি ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সময়ে পদ্মায় পানি প্রবাহ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলাদেশ তার প্রাপ্য হিস্যা পাচ্ছে না। আমরা মনে করি, এ অবস্থায় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ইশতেহারে এ বিষয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা উল্লেখ থাকা যৌক্তিক হতো। তাহলে বাংলাদেশ সরকার যৌথ ইশতেহারে এই বিষয়ে নীরব থাকতে রাজি হলো কেন? এখানে বলে রাখি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়া একবার ভারত সফর শেষে সাংবাদিকদের কাছে গঙ্গার পানি বিষয়ে তাদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, এ সম্পর্কে আলাপ করতে ভুলে গিয়েছিলেন। তার মন্তব্য কিন্তু ছিল ঠাট্টা, কারণ তার সেই সফর সম্পর্কে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ইশতেহারে গঙ্গার পানি ভাগাভাগির সমস্যা সম্পর্কে দুই দেশের বক্তব্য নিয়ে দুই-তিনটি প্যারাগ্রাফ ছিল। এবার যৌথ ইশতেহারে গঙ্গ
শেখ হাসিনা সরকারিভাবে ভারত সফর করেন গত জানুয়ারি মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত। তার সফর সম্পন্ন হলে সে সম্পর্কে গত ১৩ জানুয়ারি ঢাকার পত্রিকায় যে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ইশতেহার প্রকাশিত হয় তার ৩১ নম্বর প্যারাগ্রাফে বলা হয়েছে, ‘The Prime Minister of India reiterated the assurance that India would not take steps on the Tipaimukh project that would adversely impact Bangladesh.’ আমার ভাষায় এই বাক্যের বঙ্গানুবাদ দাঁড়ায়, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী এ আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ভারত টিপাইমুখ প্রকল্পে এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না বাংলাদেশে যার বিরূপ প্রতিক্রিয়া/ফল হবে।’ লক্ষণীয় যে, এই বাক্যটিতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প বাস্তবায়ন না করার কোনো সম্ভাবনার কথা বলেননি, বরঞ্চ বাক্য গঠন এমনভাবেই করা হয়েছে যাতে একথা স্পষ্ট হয় যে, টিপাইমুখ প্রকল্প নামে একটা প্রকল্প বিদ্যমান। তারপরই যখন বলা হচ্ছে যে, এতে ‘ভারত এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না’ (যাতে বাংলাদেশের ক্ষতি হয়) তখন এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার জন্য নানা পদক্ষেপ নেয়া হবে। অতঃপর বাকি থাকল বাংলাদেশের ক্ষতি হওয়া না হওয়ার প্রশ্নটি। এই প্রশ্নটি বিবেচনার সময় দুটো বিষয় মনে রাখতে হবে। যথা— ১. যে কোনো নদীতে যে কোনো ধরনের বাঁধ দিলেই তার উজান ও ভাটি দুই দিকেই কোনো না কোনো প্রভাব পড়ে এবং সেজন্যই আজকাল দুনিয়াজুড়ে আন্দোলন হচ্ছে বাঁধের বিরুদ্ধে এবং ২. টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কে বাংলাদেশের যে ভীতি ও আশঙ্কাটি প্রবল তা হলো, এত বিরাট যে, এটি একবার তৈরি হয়ে গেলে এর বিরূপ প্রভাব এদেশে পড়বেই; বিশেষ করে বরাক নদী থেকে যখন বাংলাদেশের দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারার উত্পত্তি এবং ওই দুই নদীর সম্মিলিত ধারা দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আমাদের একটি প্রধান নদী মেঘনা। এখন ভারত সরকার বলে আসছে যে, টিপাইমুখ বাঁধ থেকে বাংলাদেশের উপকারই হবে, কারণ এটা দিয়ে বরাক নদীকে নিয়ন্ত্রণ করে বর্ষার সময় ভাটিতে এর পানির প্রবাহের পরিমাণ এখনকার চেয়ে কম রাখা যাবে যার ফলে বাংলাদেশে ও আসামে বন্যার প্রকোপ কমবে। আবার, শীত এবং গ্রীষ্মে টিপাইমুখ জলাধার থেকে পানি কিছু বেশি পরিমাণে ছাড়া হবে যাতে ভাটিতে বরাক নদীতে পানি এখনকার চেয়ে বেশি থাকে। এখানে বলে রাখা ভালো যে, টিপাইমুখ বাঁধ দিয়ে সব সময়ই পানি ছাড়তে হবে, কারণ ওই প্রবহমান পানি দিয়েই টারবাইন ঘুরিয়ে ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করবে ভারত। বাংলাদেশে টিপাইমুখ প্রকল্পের বিরুদ্ধে একটি যুক্তি হচ্ছে, বরাক নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ করায় সিলেটের হাওর অঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে এবং এক সময় এসব হাওর বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আবার সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর তীরগুলোতে ভাঙন শুরু হবে, নতুন চর পড়বে এবং মেঘনার প্রকৃতি পাল্টে যাবে। তদুপরি গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো টিপাইমুখ বাঁধের ভাটিতে ভারত যদি তার প্রস্তাবিত অপর একটি সেচ প্রকল্পে পানি নেয়ার জন্য আরেকটি বাঁধ দেয়, তাহলে বাংলাদেশে দ্বিতীয় ফারাক্কা পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। এসবের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে জনগণের দাবি হচ্ছে ভারত যেন টিপাইমুখে কোনো বাঁধ না করে। যেহেতু এ পর্যন্ত এই বাঁধটির শুধু পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে, নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি, তাই এটি একেবারেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা এখনও সম্ভব। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত দীর্ঘ নিবন্ধে এই যুক্তি তুলে ধরেছেন যে, অপরিহার্য বিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য ভারত তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নদীগুলোতে পাহাড়ি এলাকায় ছোট আকারের অনেক বাঁধ দিতে পারে। এতে ভাটিতে কম ক্ষতি হবে।
কিন্তু ভারত টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প বাতিল করা তো দূরের কথা, তার আদি পরিকল্পনা নিয়েই এগিয়ে চলেছে। ভারতের আসাম প্রদেশের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে প্রকাশিত সুপরিচিত আসাম ট্রিবিউন পত্রিকায় গত ৩১ জানুয়ারি, ২০১০ তারিখে Centre urged to address impact of dams শিরোনামের প্রতিবেদনে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যে, ওই রাজ্যের কয়েকটি সিভিল সোসাইটি গোষ্ঠী ভারতের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শ্রী জয়রাম রমেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তিনি যেন উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রস্তাবিত বাঁধসমূহের প্রতিক্রিয়া (impact of dams) বিভিন্ন রাজ্যের ভাটি অঞ্চলে কী হবে তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন। (পাঠক, লক্ষ্য করবেন পত্রিকাটি এখানে শুধু টিপাইমুখ নয় একাধিক বড় বাঁধের কথা বলছে।) এই সিভিল সোসাইটি গোষ্ঠীগুলো শ্রী জয়রাম রমেশের একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিল। পত্রিকাটিতে ফেব্রুয়ারি ১ তারিখে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারতীয় বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী গত ১৮ জানুয়ারি, সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সামাজিক সমস্যাবিষয়ক ১০ম সম্মেলনে (Editor’s Conference on Social Sector Issues, সংক্ষেপে ECSSI) টিপাইমুখ প্রকল্পের ভাটিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া নিয়ে যেসব আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে সেগুলো নাকচ করে দেন। মন্ত্রী বরঞ্চ দাবি করেন যে, আসামের বরাক উপত্যকার অধিবাসীরা টিপাইমুখ প্রকল্পের বাস্তবায়ন দেখতে দৃঢ়সংকল্প।
তবে আসাম ট্রিবিউনের ওই প্রতিবেদন বলছে, ‘কিন্তু এও সত্য যে, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় টিপাইমুখ বাঁধের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনার সময় দক্ষিণ আসামে প্রকল্পটির কী প্রভাব পড়বে সে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছে।
আসাম ট্রিবিউন-এর ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে : “The MoEF granted environmental clearance to the Tipaimukh project on October 24, 2008 without a comprehensive downstream impact study and public consultation in southern Assam.
While public hearings were held in upstream Manipur and Mizoram, the MoEF did not ask for public hearings in southern Assam despite it being in the impact zone of the project. Even though public hearings were not held in southern Assam, the Union Environment Minister has come to a conclusion that people of Barak valley were ‘determined’ to have the project.
While there are indeed some supporters of the project in Barak Valley, there are also others concerned about its negative impact. The MoEF would have got a correct picture about this if it had bothered to hold public consultations in southern Assam.
আসাম ট্রিবিউন পত্রিকার প্রতিবেদনের উপরোক্ত অংশে যা বলা হয়েছে, বাংলায় সংক্ষেপে তা হলো যে, দক্ষিণ আসামে কোনো অনুসন্ধান এবং জনগণের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই টিপাইমুখ প্রকল্পের ‘পরিবেশ ছাড়পত্র’ দিয়েছে দিল্লি সরকার। দ্বিতীয়ত, সরকার মনিপুর ও মিজোরামে এই প্রকল্প সম্পর্কে প্রকাশ্যে জনশুনানি করলেও দক্ষিণ আসামে তা করেনি। তা সত্ত্বেও মন্ত্রী দাবি করছেন যে, বরাক উপত্যকার অধিবাসীরা প্রকল্পটি পেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আলোচ্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বরাক উপত্যকার অধিবাসীদের মধ্যে টিপাইমুখ প্রকল্পের যেমন কিছু সমর্থক আছেন তেমনই এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্যক্তিরাও আছেন। তাই দক্ষিণ আসামে জনশুনানি করলে সরকার প্রকৃত চিত্রটি পেত।
আসাম ট্রিবিউন পত্রিকার ৩১ জানুয়ারি তারিখের প্রতিবেদনে (যা প্রকাশিত হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লি সরকারকে এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীকে মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে যে, বরাক উপত্যকার কয়েকটি সিভিল সোসাইটি গোষ্ঠী বেশ কিছুদিন ধরে টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করে এই প্রকল্পটির বিরোধিতা করে আসছে। বিরোধিতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তারা গত বছর জুলাই মাসে লক্ষ্মীপুর নামক স্থানে জনসভা এবং আগস্ট মাসে শিলচর-এর ডেপুটি কমিশনার অফিসের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করেছে। এই অবস্থান ধর্মঘটে কৃষক, সাংবাদিক, লেখক এবং সংস্কৃতি ও সমাজকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। আসাম ট্রিবিউন আরও বলেছে যে, প্রতিবাদকারীরা ওই মাসেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করে। টিপাইমুখ বাঁধের বিপদ নিয়ে উদ্বিগ্নরা ভাটিতে ওই প্রকল্পের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ডিসেম্বর ২৯, ২০০৯ তারিখে শিলচরে একটি সেমিনার করেন। এতে অংশগ্রহণকারী সংগঠন সোসাইটি অব অ্যাক্টিভিস্টস অ্যান্ড ভলান্টিয়ার্স ফর এনভায়রনমেন্ট (সেভ), কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি, ইউনাইটেড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইউডিও), দলছুট ও আরও অন্যরা প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করতে সরাসরি নিষেধ করেছে। তবুও ভারত সরকার শুধু টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের বিষয়েই নয়, অরুণাচল রাজ্যে লোহিত নদীতে বাঁধ দিয়ে একটি ১৭৫০ মেগাওয়াট পানি বিদ্যুত্ প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছে। ভারতের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি কোনো রকম জনমত যাচাই বা ওই প্রস্তাবিত বাঁধের ভাটিতে আসামের যে এলাকা আছে সেখানে এটার কী প্রতিক্রিয়া হবে তা পর্যালোচনা ছাড়াই এই বিশাল বাঁধ প্রকল্পের পক্ষে সুপারিশ করেছে।
আমাদের মনে হয়, আসাম ট্রিবিউন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যাবলী বিবেচনা করে বাংলাদেশের জনগণের ও সরকারের দুশ্চিন্তা গভীরতর হওয়া উচিত। কারণ, এক্ষেত্রে তো সরাসরি এই প্রশ্নই উঠছে যে, ভারত সরকার যখন টিপাইমুখ বাঁধের ভাটিতে তার নিজের দেশের নাগরিকদের উদ্বেগ ও আপত্তি কানে তুলছে না, এমন কী তাদের সঙ্গে বা ওই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপটি পর্যন্ত করছে না, তখন তারা অন্য দেশ বাংলাদেশের আপত্তি শুনবে কেন? বরঞ্চ আমাদের ধরে নিতে হবে যে, নয়াদিল্লি সরকার বাংলাদেশের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হবে—এ কথাটিই স্বীকার করবে না, যেমন করেনি ফারাক্কা বাঁধের বেলায়। তাই আমাদের ওই বাঁধের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকতার খাতিরে ভারতের কাছে তো বটেই, জাতিসংঘ ও বিশ্বদরবারে প্রতিবাদ জানাবার জন্য সব ব্যবস্থা এখনই নিতে হবে। সেজন্য সরকারকে অনতিবিলম্বে একটি জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটি বা প্যানেল নিয়োগ করে তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নিরীক্ষা, জরিপ, গবেষণা, মডেল স্ট্যাডি এবং মাঠপর্যায়ে জনগণের সঙ্গে বৈঠক (জনশুনানি) করে ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের বাংলাদেশে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অনতিবিলম্বে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে। তারপর ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমাদের আপত্তি জানিয়ে যেতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর শেষ করে দেশে ফিরে যে সংবাদ সম্মেলনে করেন, তাতে টিপাইমুখ বাঁধ প্রশ্নে তার মন্তব্যগুলোর মধ্য দু’টি ছিল : ১. টিপাইমুখে যে কী হচ্ছে তা তিনি নিজেও ভালো মতো জানেন না; এবং ২. ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং যখন বারবার আশ্বাস দিচ্ছেন, বাংলাদেশের ক্ষতি হবে টিপাইমুখ প্রকল্পে এমন কিছু করা হবে না। এই মুহূর্ত পর্যন্ত সেই কথা শুনে যাওয়া ছাড়া গত্যন্তর কী আছে। প্রধানমন্ত্রীর উক্তি এখানে আমি নিজের ভাষায় লিখেছি, কাজেই তার কথার সঙ্গে সামান্য অমিল হতে পারে তা মেনে নিচ্ছি। তবু এক্ষেত্রে এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বক্তব্য হচ্ছে : ১. আসাম ট্রিবিউন পত্রিকায় ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এখন আমরা জেনে গেছি যে, ভারতের কেন্দ্রীয় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী জানুয়ারি ১৮ তারিখে, অর্থাত্ আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের মাত্র পাঁচদিন পরেই বলেছেন, টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কিত আসামের জনগণের আপত্তি মিথ্যা প্রচারণামাত্র এবং ওই প্রকল্প দ্বারা কারও কোনো ক্ষতি হবে না। অতএব, এও জানা হয়ে গেছে যে, ভারত টিপাইমুখে তার বিতর্কিত প্রস্তাব অনুযায়ী বাঁধ বানাবার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে। ফলে এখন আমাদের সম্ভাব্য বিপদ মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী যে আশ্বাস দিয়েছেন তার ওপর আর নির্ভর করা যাচ্ছে না। সে রকম নির্ভর করার প্রয়োজনীয়তাও নেই। কারণ, ভারত তার বর্তমান পরিকল্পনা নিয়েই এগুচ্ছে। কাজেই আমরা নিজেরা সেটির নিরিখেই প্রয়োজনীয় গবেষণা ও বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেব যে, ওই বাঁধের ফলে আমাদের কত ক্ষতি হবে এবং সেই অনুযায়ী আমাদের সরকার তার কর্তব্য নির্ধারণ করবে।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে এই অনুরোধ করব যে, যারাই টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প বা ট্রানজিট চুক্তির বিরোধিতা করবে তারাই ভারত-বিরোধী হবে আর সেজন্য তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তার সরকারেরও শত্রু বা প্রতিপক্ষ হবে, তিনি যেন একথা না ভাবেন। এ ব্যাপারে তাকে একটু উদার ও সচেতন হতে হবে। কারণ, তার চারপাশে কিছু লোক আছে যারা বলে আসছেন যে, ভারত-বিরোধিতা মানেই বাংলাদেশের স্বার্থের বিরোধিতা করা। এরা তিনটি অপকৌশল নিচ্ছেন—১. ভারতের খারাপ কাজের সমালোচনাকে ভারত-বিরোধিতা বলে চাপিয়ে দিচ্ছেন, ২. বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে বিশাল মুনাফা করে শিক্ষা, চিকিত্সা ও সংস্কৃতি খাতগুলোতে ব্যবসা বিস্তার করে, ভূ-রাজনীতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দিক থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতভাবে পেয়ে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সমর্থন পেয়ে ভারত যে বিশালভাবে উপকৃত হচ্ছে সেই সত্যটি তারা বাংলাদেশের জনগণের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখছেন এবং এতে করে একদিকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহের বীজ বপন তো করছেনই, তারা বাংলাদেশের জনগণকে বর্তমান সরকার সম্পর্কেও সন্দিহান করে তুলছেন এবং ৩. ভারতের যেসব কর্মকাণ্ডের ফলে বাংলাদেশের ক্ষতি হচ্ছে সেগুলো সম্পর্কে মুখ না খোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। এসব লোক সম্পর্কে তাকে ও দেশবাসীকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আগেও বলেছি এবং এই লেখাটা শেষ করার আগে আবার বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, ভারত ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে শুকনো মৌসুমে গঙ্গার পানির বেশিরভাগ পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতা বন্দরে প্রবাহিত করায় বাংলাদেশের যে দারুণ ক্ষতি এবং অসুবিধা হচ্ছে এই বিষয়টি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর সংক্রান্ত যৌথ ইশতেহারে একটি শব্দও না থাকা বাংলাদেশের জনগণের জন্য খুবই বেদনাদায়ক হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. আশরাফ দেওয়ান ঢাকায় দি ডেইলি স্টার পত্রিকায় ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রবন্ধে জানিয়েছেন, ‘১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন বিষয়ে একটি ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সময়ে পদ্মায় পানি প্রবাহ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলাদেশ তার প্রাপ্য হিস্যা পাচ্ছে না। আমরা মনে করি, এ অবস্থায় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ইশতেহারে এ বিষয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা উল্লেখ থাকা যৌক্তিক হতো। তাহলে বাংলাদেশ সরকার যৌথ ইশতেহারে এই বিষয়ে নীরব থাকতে রাজি হলো কেন? এখানে বলে রাখি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়া একবার ভারত সফর শেষে সাংবাদিকদের কাছে গঙ্গার পানি বিষয়ে তাদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, এ সম্পর্কে আলাপ করতে ভুলে গিয়েছিলেন। তার মন্তব্য কিন্তু ছিল ঠাট্টা, কারণ তার সেই সফর সম্পর্কে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ইশতেহারে গঙ্গার পানি ভাগাভাগির সমস্যা সম্পর্কে দুই দেশের বক্তব্য নিয়ে দুই-তিনটি প্যারাগ্রাফ ছিল। এবার যৌথ ইশতেহারে গঙ্গ
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1399)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 21
(84)
- ৫ম সংশোধনীর পূর্ণাঙ্গ রায় ঝুলে রইলঃ ব্যত্যয় ঘটেছে ...
- কাতারের কোনও সংবাদে নেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী b...
- মজলিশি মানুষের জলসার অবসান! by ফখরুজ্জামান চৌধুরী
- ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার টিপাইমুখ প্রকল্প আগের মতোই ...
- বাল্যবিয়ে বন্ধ করা যাচ্ছে নাঃ দরকার সার্বিক সামাজি...
- ভারত থেকে রফতানি হচ্ছে বাংলাদেশের পাটঃ এরপর কিসের ...
- বার্ড ফ্লু প্রতিরোধে গণসচেতনতা অতি জরুরি by কামরুল...
- খোলা জানালাঃ একটি মৃত্যু ও দেড় লাখ টাকার গল্প by ড...
- সাদা-কথাঃ একবিংশ শতাব্দীর বইমেলা by মুহম্মদ নূরুল ...
- রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীর ক্ষমতায়ন by অ্যাডভোকেট জাহাঙ...
- এই সব কিসের আলামত? by হায়দার আকবর খান রনো
- সাধারণ কাজ নিয়েও ছুটতে হয় ঢাকায়ঃ প্রশাসনিক বিকেন্দ...
- দলীয় কর্মীদের মধ্যে সরাসরি খাসজমি বণ্টনঃ মাইনাস পা...
- রেল আধুনিকায়ন সময়ের দাবি by আতিকুর রহমান
- তদন্ত কমিটির অন্য নাম হিমাগার by মোঃ হামজা কামাল ম...
- ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবেলায় আমাদের প্রস্তুতি by সাইদ ...
- চাই বিদ্যুতের নিশ্চয়তা by হারুনুর রশিদ শাহীন
- কার্টুন কেলেঙ্কারি by মাহবুব মোর্শেদ
- ক্ষমতার নতুন খেলাড়ি by এম আবদুল হাফিজ
- গণমাধ্যম-শিল্পীর সম্মান বনাম সম্মানী by সুপা সাদিয়া
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-অনিশ্চিত ডিসিসি নির্বাচন by এম ...
- ছদ্মবেশে চোরচক্র-গৃহকর্মীর অধিকারই সুরক্ষার চাবিকাঠি
- জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ-এক ধাপ অগ্রগতির পর...
- শেখ হাসিনা অত্যন্ত নিচু স্তরের কথা বলেছেনঃ ড. এমাজ...
- বিশ্বের শত প্রভাবশালীর তালিকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত...
- শনিবারের সুসংবাদ-উইকিতে সাঁওতালি ভাষা by বিপ্লব রহমান
- আওয়ামী লীগের নেতারাও চিন্তিত
- পাকিস্তানে বিমান বিধ্বস্ত, ১২৭ আরোহী নিহত
- ১১ বছর আগের ঘটনায় ইলিয়াসের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেত...
- বিএনপির হুমকি-সন্ধান না দিলে লাগাতার হরতাল
- গন্তব্য ঢাকা-সেই সব দিনের কথা by শর্মিলা সিনড্রেলা
- মিডিয়া ভাবনা-সংসদ টিভি, একুশে ও গণমাধ্যম by মুহাম্...
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ-মানবাধিকার ও বাংলাদেশ...
- মিসর-মোবারকবিরোধীদের রাজনৈতিক উদ্যোগ by রবার্ট ফিস্ক
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-আইনে আটকাতে না পারলেও চরিত্র উন্ম...
- সচেতন ও সতর্ক থাকলে বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব-নিপাহ ভাইর...
- দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিন-সড়কপথের দুরবস্থা
- ইলিয়াস আলীর সন্ধান নেই-রহস্য বাড়ছে by মাসুদুল আলম ...
- ডেসকোয় নিয়োগ-ভেলকি by আরিফুজ্জামান তুহিন
- সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার কাজে তিন কোটি ঘুষ by অমিতোষ পাল
- শুধু কথা নয়, কাজও চাই-এডিপি বাস্তবায়নে গতি আসুক
- দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিন-উদ্ঘাটিত হোক প্রকৃত সত্য
- চরাচর-শব্দের অত্যাচার, নিঃশব্দ ক্ষতি by বিশ্বজিৎ ভ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহ ও রাসুলের পথে জীবনের ঝুঁ...
- চারদিক-ফটোগ্রাফার! by ফারুখ আহমেদ
- জ্বালানি-সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ পেতে কয়লার বিকল্প ...
- শিক্ষা-নৈতিকতা-শিক্ষার্থীদের আমরা কী শেখাচ্ছি? by ...
- যুক্তি ও সহিষ্ণুতার পথেই সমাধান খুঁজতে হবে-একের পর...
- সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য জাতি জানতে চায়-নিখোঁজ, গু...
- স্বচ্ছতাও আজ স্রেফ একটা মুখোশ! by শাহনেওয়াজ বিপ্লব
- বহেকাল নিরবধি-আশফাক কায়ানি ও প্রধানমন্ত্রী গিলানি ...
- শ্রেণীকক্ষে মুঠোফোন আর নয়
- সংযমী আচরণ প্রত্যাশিত
- পবিত্র কোরআনের আলো-জানমালের ক্ষয়ক্ষতির মাধ্যমে আল্...
- এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না by প্রভাষ আমিন
- এ উপবাস ভারতের জীবন রক্ষার জন্য by এম জে আকবর
- সামাজিক বনায়ন by মোঃ মশিউর রহমান মাজু
- ঘষিয়াখালী চ্যানেলে বাঁধ প্রয়োজন by প্রকৌশলী হরপ্র...
- অন্যায়ে নত নহে শির by সেলিনা আক্তার লাকি
- এমন মৃত্যু মানা যায় না by লতিফা নিলুফার পাপড়ি
- একালের সফদার ডাক্তার by ফজলুল হালিম রানা
- দ্রব্যমূল্য-সংবাদপত্রের কাছে প্রত্যাশা by প্রদীপ ক...
- কালের আয়নায়-পঞ্চাশের মেধাবী তারুণ্যের প্রভু চলে গে...
- কাঁঠালের হাট-মহাসড়কে যানজট কাম্য নয়
- সরকারি আবাসন প্রকল্প-অগ্রাধিকার প্রকল্পেও ঢিলেমি?
- গুন্টার গ্রাস : সহজ কথা যায় না বলা সহজে by গাজীউল ...
- চরাচর-পাহাড়ে বৈসাবির আয়োজন by শতদল বড়ুয়া
- মহানগরীতে মাথা গোঁজার ঠাঁই চাই by লুৎফর রহমান রনো
- বাঙালির আচার-অনুষ্ঠান ঋতু বৈশিষ্ট্য ও বর্ষগণনা by ...
- সাদাকালো-সঠিক পরিচালনায় এখনো সম্ভব চিনি উৎপাদনে স্...
- ধাঁধা দুনিয়া
- সত্যিকারের সবজান্তা-পাখি
- যে খবর নাড়া দেয়-চর তুফানিয়া
- মূল রচনা-সাধনা ও সংগ্রামে গড়া অনন্য জীবন by আবুল ম...
- প্রাণ সৃষ্টি ও বিবর্তন নিয়ে নতুন তথ্য জোগাল ‘কৃত্র...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- টাইম সাময়িকীর তালিকা-১০০ প্রভাবশালীর মধ্যে বাংলাদে...
- ঢাকা চিড়িয়াখানায় এসেছে আটটি প্রাণী, মন্ত্রীর এপিএস...
- কালের পুরাণ-প্রধানমন্ত্রী কি ঠিক বলেছেন? by সোহরাব...
- শেয়ারবাজার-পরিচালকেরা এবার শেয়ার ‘উপহার’ নিচ্ছেন b...
- শ নি বা রে র বিশেষ প্রতিবেদন-বিনি সুতোর মালায় গাঁথ...
- ইয়াবা-ফাঁদে র্যাবই ধরা
- বিএনপির নেতাদের একা চলতে মানা by তানভীর সোহেল
- মোটামুটিকে ভয় কেন by ফ্লোরা সরকার
-
▼
Apr 21
(84)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment