Friday, January 25, 2013
নিষ্ক্রিয় বিএনপিঃ রাজনৈতিক বিতর্কে সেনাবাহিনী by সিরাজুর রহমান
নিষ্ক্রিয় বিএনপিঃ রাজনৈতিক বিতর্কে সেনাবাহিনী by সিরাজুর রহমান
মহাজন এসেছিল পাওনা টাকা আদায় করতে। খাতক বলল, তার হাতে টাকা নেই। তাহলে কবে দেবে টাকাÑ জানতে চাইল মহাজন।
খাতক বলল, তা বলতে পারব না, কাল আর পরশু বাদ দিয়ে তরশু দিন আসবেন, তখন বলে দেবো টাকা কবে দিতে পারব, নাকি পারব না।
সাম্প্রতিক কালে বিএনিপর কোনো কোনো নেতার উক্তি অবশ্যই এই উপমাটার সঙ্গে
হুবহু মিলে যাবে। পত্রিকায় পড়ছিলাম, ১৯ জানুয়ারি শহীদ রাষ্ট্রপতি
জিয়াউর রহমানের ৭৬তম জন্মদিন উদ্যাপন আর ১৮ দলের কিছু কর্মসূচির কারণে
বিএনপি তাদের ‘ভারপ্রাপ্ত’ মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের
কারামুক্তির জন্য কোনো কর্মসূচি দিতে পারছে না। তবে ২৫ জানুয়ারির পর
দলনেত্রী খালেদা জিয়া (সম্ভবত স্ট্যান্ডিং কমিটির সঙ্গে) আলোচনা করে সে
কর্মসূচি ঠিক করবেন।
ঘোষণাটায় দায়সারা গোছের মনোভাব লক্ষ করেছেন কি? স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষক আর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়ার জন্মদিন অবশ্যই যথোপযুক্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপন করা উচিত। অন্য কোনো কর্মসূচি যাতে তাতে বাধার সৃষ্টি করতে না পারে সে দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। বিএনপি ১৮ দলের জোটের অন্তর্ভুক্ত, সুতরাং সে জোটের কর্মসূচির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো কর্মসূচি দেয়াও অনুচিত হবে। কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মুক্ত করার কর্মসূচি সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত ২৫ জানুয়ারির আগে কেন নেয়া যাবে না সে প্রশ্ন সাধারণ বুদ্ধিকে আহত করবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিগত দু-তিন বছর প্রমাণ করেছেন যে, অত্যন্ত সফল আর গতিশীল নেতা তিনি। শীর্ষ নেতাদের অনেকের ভূমিকাই যখন ল্যাংচানো বলে মনে হয়েছে, তখন তিনি অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে গণতন্ত্রের আন্দোলন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে আন্দোলন পরিচালনা করেছেন। তাকে গ্রেফতার ও কারাবন্দী করার পর থেকে আন্দোলন যেভাবে ঝিমিয়ে পড়েছে বলে মনে হয়, তার থেকেই প্রমাণ হয়ে যাবে কত শক্তিশালী নেতা তিনি।
একের পর এক সাজানো মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলাগুলো যে সাজানো ছিল, যেকোনো শিশুও তা বুঝতে পারবে। হাইকোর্টে তিনি জামিন পাচ্ছেন কিন্তু ছাড়া পাচ্ছেন না। জামিন লাভের পরও জেলগেটে নতুন নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে তাকে। তার পরেও নাকি নতুন নতুন ভুয়া মামলা যোগ হয়েছে তালিকায়। কোনো আদালতের যদি সামান্যতম বিবেকবুদ্ধিও থাকে তাহলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আমলমগীর অবশ্যই সেসব মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হবেন। কিন্তু যেভাবে একের পর এক মামলা সাজানো হচ্ছে তার বিরুদ্ধে, তাতে মনে হতে বাধ্য যে তিনি কারামুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন, রাজনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যান, এই ব্যর্থ ও অপদার্থ সরকারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সংগঠিত করেন, সরকার সেটা চায় না।
আরো কিছু কারণ আছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে এবং নিজের তত্ত্বাবধানে একটা নীলনকশার নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবার ক্ষমতা পাওয়া শেখ হাসিনার অত্যন্ত স্বচ্ছ লক্ষ্য। তিনি প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, বয়স ৫৭ বছর হলে তিনি ছোট বোন শেখ রেহানার হাতে দলীয় নেতৃত্ব (এবং প্রধানমন্ত্রিত্ব) হস্তান্তর করে রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন। সেটা বেশ কয়েক বছর আগের কথা। আর অন্য অজস্র প্রতিশ্রুতির মতো সে প্রতিশ্রুতিও তিনি ভঙ্গ করেছেন। স্পষ্টতই রেহানার উচ্চাভিলাষ এবং দলের ভেতরের সমালোচনা শান্ত করাই তখন তার উদ্দেশ্য ছিল। দেশের মানুষ এখন আওয়ামী লীগের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। মোটামুটি সুষ্ঠু নির্বাচন হলেও যে নৌকাডুবি ঘটবে, দলের অস্তিত্ব লোপ পাবে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্যরাও সেটা বুঝে গেছেন। শুনেছি উদ্ভট কথাবার্তা ও কাজের দরুন দলের ভেতর অনেকে নেত্রীকে অন্য রকম শব্দে বর্ণনা করেন। নীলনকশার নির্বাচন পর্যন্তও সমালোচকদের মুখ বন্ধ রাখা তার জন্য একান্ত প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রীর নতুন চাল
হাসিনা এখন নতুন চাল চেলেছেন। শোনা যাচ্ছে ‘কিচেন পার্লামেন্টে’ আবার সংবিধান সংশোধন করা হবে, একটানা প্রধানমন্ত্রিত্ব দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ করা হবে। এমন আভাসও দেয়া হচ্ছে যে, বর্তমান মেয়াদের পর তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রধানমন্ত্রিত্ব শেষ হলে রেহানাকে দুই মেয়াদের জন্য এবং তারপর প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে আরো দুই মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রিত্ব দিয়ে মুজিবের বংশ আর আওয়ামী লীগের শাসন দৃশ্যমান ভবিষ্যতের জন্য সুরক্ষিত করাই নতুন পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। ভগ্নিবিরোধ আর আওয়ামী লীগের গৃহযুদ্ধ এতে বন্ধ হবে কি না তা নিশ্চিত নয় কিন্তু দেশবাসী গভীর সন্দেহ ও অবিশ্বাসের সঙ্গে লক্ষ করবে এ পরিকল্পনায় সাধারণ মানুষ, এমনকি আওয়ামী লীগ সদস্যদের মতামতও ধর্তব্যে রাখা হচ্ছে না। জনসাধারণের ভোটাধিকারের কোনো ভূমিকা এই নীলনকশায় নেই।
সম্ভব হলে এপ্রিল কিংবা মে মাসেই সরকারের পরিচালনায় নির্বাচন করে ফেলাই বর্তমান শেখ হাসিনার পরিকল্পনা বলে মনে হয়। বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীসহ উল্লেখযোগ্য দলগুলো সম্ভবত সে নির্বাচন বর্জন করবে। কিন্তু সেসব দলের সদস্যরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইতে পারেন। হাসিনা চান যে বিএনপি প্রমুখ বিরোধী দলগুলোর উল্লেখযোগ্য ও প্রভাবশালী নেতাদের জেলে আটক রাখা হোক, যাতে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারেন। কোনো কারণে এপ্রিল-মেতে নির্বাচন দেওয়া সম্ভব না হলেও দ্রুত আদালতে বিচার করে এদের নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে যে নতুন নতুন মামলা সাজানো হচ্ছে, এই হচ্ছে তার রহস্য। এত মামলা তার বিরুদ্ধে জমেছে যে, সেসব মামলা দ্রুত আদালতেও সুরাহা করতে নির্বাচনের পর পর্যন্ত লেগে যাবে অর্থাৎ তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। বিএনপির শত শত নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজানোরও এই হচ্ছে উদ্দেশ্য। আর একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে তো শত শত ধর্মানুরাগী রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে যাদের কারো কারো হয়তো ১৯৭১ সালে জন্মও হয়নি।
কিছু কিছু কানাঘুষা হচ্ছে যে, বিএনপির ভেতরে এমন কেউ কেউ আছেন যারা প্রধান নির্বাহী কর্মাকর্তা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মুক্ত করার আন্দোলনে তেমন উৎসাহী নন। সেটা হয়তো অস্বাভাবিক নয়। অন্য কানাঘুষাটা একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। সেটা হচ্ছে সরকার বিএনপি নেত্রী ও তার পুত্রদের বিরুদ্ধে ভুয়া মামলাগুলো সক্রিয় করছে খালেদা জিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যেÑ অনেকটা রশিতে টান দেবার মতো করে। কিন্তু বেগম জিয়া অবশ্যই জানেন তিনি আন্দোলন বন্ধ করে দিলেও শেখ হাসিনা তার বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করবেন না। তাছাড়া আর একবার ক্ষমতা পেলে হাসিনা শহীদ জিয়ার বংশ এবং তার সৃষ্ট রাজনৈতিক দলটিকে রাজনীতি থেকে অবলুপ্ত করার কোনো চেষ্টারই ত্রুটি রাখবেন না।
তবু এ কথা সত্যি যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনার জন্য বিএনপির আন্দোলনে ভাটা পড়েছে। তেমনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে সরকারের নির্যাতন বন্ধ করার এবং তাকে কারামুক্ত করার জন্য বিএনপির যেমন সক্রিয় হওয়া উচিত ছিল, ততটা সক্রিয় হয়নি এ দল। নেতারা জনসাধারণকে যতটা বোকা ভাবেন ততটা বোকা তারা নয়। বিএনপিকে কারা কোন পথে নিয়ে যাবার জন্য টানাহেঁচড়া করছে সেটা অনেকেরই চিন্তার বিষয়।
রুশ অস্ত্র ক্রয় বিতর্কে সেনাবাহিনীর ভূমিকা
আট হাজার কোটি অথবা বারো হাজার কোটি টাকাই হোক রুশ সমরাস্ত্র ক্রয় সম্বন্ধে বাংলাদেশের বর্তমান বিতর্ক সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। অনেক দিক ও মাত্রা আছে এ বিতর্কের। প্রথম কথা হলো এ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের মতো সম্পূর্ণ স্বৈরতান্ত্রিক উপায়ে নিয়েছেন বলেই মনে হয়। প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয় (তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের শ্বশুর) প্রবাসীকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী খোন্দকার মোশাররফ হোসেনও বলেছেন, রুশ অস্ত্র ক্রয়ের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেনি, এমনকি এ বিষয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনাও হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই যে এ সমালোচনা করেছেন তা থেকে ধরে নেয়া যেতে পারে এ সম্বন্ধে সরকারের ভেতরেও অসন্তোষ, নিদেন দ্বিমত আছে।
প্রতিরক্ষার জন্য সমরাস্ত্র ক্রয় অথবা অন্য কোনো সিদ্ধান্তের একটা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থাকে। বাংলাদেশের সমরাস্ত্রের চাহিদা এ যাবৎ মিটিয়েছে চীন। সে সম্বন্ধে কোনো অভিযোগ কিংবা সমালোচনা কখনো শোনা যায়নি। অন্যান্য ব্যাপারেও চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ, শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের আগে পর্যন্ত উত্তরোত্তর উন্নতি ঘটছিল সে সম্পর্কের। বাংলাদেশের সাথে সড়ক ও রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা, চট্টগ্রামে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ ইত্যাদি প্রস্তাব চীন বাংলাদেশকে দিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে, বিশেষ করে সেতু-সড়ক ইত্যাদি অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের অবদান ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য। এমনকি যে বিশাল ইমারতটি বেহাত করে শেখ হাসিনা ‘বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্র’ নাম দিয়েছেন সেটিও ছিল বাংলাদেশের জনসাধারণের জন্য চীনের উপহার।
সমরাস্ত্র নির্মাণ শিল্পে চীন এখন আর রাশিয়ার চেয়ে পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশের সমরাস্ত্রের চাহিদা সে মেটাতে পারবে কি না যাচাই না করে রাশিয়া থেকে অস্ত্র ক্রয় করে শেখ হাসিনা বেইজিংকে এ ইশারাই দিলেন যে আগামী নির্বাচনে আবার ক্ষমতা পেলে তার আন্তর্জাতিক সম্পর্কে কিছু পার্শ্ব-পরিবর্তন ঘটতে পারে। একক সিদ্ধান্তে এত গুরুত্বপূর্ণ নীতি পরিবর্তন কোনো গণতান্ত্রিক দেশে তো বটেই, বর্তমান চীনেও আর নেয়া হবে বলে আশা করা যায় না। মন্ত্রিসভার অনুমোদন না নিয়ে এই অস্ত্রক্রয় চুক্তি করে শেখ হাসিনা অন্যায় করেছেন।
সমরাস্ত্র ক্রয়ের ব্যাপারে যন্ত্রাংশ (স্পেয়ার পার্টস) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা। অস্ত্রগুলোর আয়ুষ্কালজুড়ে মেরামত ইত্যাদির জন্য বহু যন্ত্রাংশ ক্রয়ের প্রয়োজন হয়। সব দেশই সাধারণত এবং যথাসম্ভব একই সূত্র থেকে সমরাস্ত্র ক্রয় করে। বিশেষ একটা কারণ আছে তার। তেমন অবস্থায় এক অস্ত্রের বাড়তি খুচরা অংশ সহজেই অন্য অস্ত্রে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু রাশিয়ায় তৈরী কামান কিংবা ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ চীন বা অন্য কোনো দেশে তৈরী সমমানের অস্ত্রে ব্যবহার করা যাবে না। এটা কত ব্যয়বহুল হতে পারে বাংলাদেশ বিমানের দুরবস্থা তার কিছু দৃষ্টান্ত। বিভিন্ন ক্ষমতাধর ব্যক্তির প্রভাবে বিমান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশেও বিভিন্ন নির্মাতার তৈরী উড়োজাহাজ কিনেছে। সেসব জাহাজের জন্য পৃথক পৃথক স্তূপ যন্ত্রাংশ মজুদ রাখা প্রয়োজন। যন্ত্রাংশের ব্যয় তাতে বহু গুণ বেড়ে যায়। প্রায়ই দেখা যায় যন্ত্রাংশের অভাবে কোনো-না-কোনো উড়োজাহাজ দীর্ঘকাল অব্যবহার্য পড়ে থাকছে, লাখ লাখ ডলারের লোকসান হচ্ছে প্রতিদিন।
বিমান এবং যন্ত্রাংশ ক্রয়ে ও মেরামতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। বস্তুত সমরাস্ত্র শিল্পেও যন্ত্রাংশ ক্রয়ে দুর্নীতির সুযোগ খুবই বেশি। আরো বড় বিবেচনা এই যে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশের সমরাস্ত্র ক্রয়ের ইতিহাস সুখকর নয়। শেখ হাসিনার পূর্ববর্তী সরকারের আমলে কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আটটি মিগ ২৯ জঙ্গি বিমান কেনা হয়েছিল। ডেলিভারির পর দেখা গেল বিমানগুলো বাংলাদেশের স্বল্প পরিসরে ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী। সে বিমানগুলো এখন কোথায় কি ভাবে আছে কে জানে? তবু এই ক্রয়ের সময় ব্যক্তিবিশেষ ৩০০ কোটি টাকা কমিশন খেয়েছিলেন বলে তখন অভিযোগ উঠেছিল। শুধু তা-ই নয়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সে বাবদ দুর্নীতির একটি বিচারাধীন মামলা বর্তমান সরকার গদিতে এসে তুলে নিয়েছিল।
উপযোগিতা বিবেচনা করা হয়নি
যেসব অস্ত্র ক্রয়ের চুক্তি শেখ হাসিনা মস্কোয় করে এসেছেন, সেগুলো বাংলাদেশের উপযোগী হবে কি না, নাকি মিগ ২৯ বিমানগুলোর মতো সেসব অস্ত্রে পড়ে পড়ে জং ধরবে কে জানে? মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ না নিয়ে এত মোটা অংকের অস্ত্র ক্রয় করাকে কেউ সুবিবেচনার পরিচায়ক বলবে না এবং দুর্নীতির অভিযোগ হলে শেখ হাসিনাকেই এককভাবে তার দায়িত্ব নিতে হবে।
এই অস্ত্র ক্রয় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক যখন জমে উঠেছে তখন সম্পূর্ণ অনভিপ্রেতভাবে সে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন সশস্ত্রবাহিনীগুলোর কয়েকজন অফিসার। গত সোমবার সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের সংবাদ বিফ্রিংয়ে তিনজন অফিসার সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই আট হাজার কোটি টাকার অস্ত্র ক্রয়ে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা নেই। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাথে পরামর্শ করে ও তাদের মতামত নিয়ে এই ক্রয় চুক্তি করা হয়েছে।’
সরকারের কোন কোন মন্ত্রণালয়ের সাথে পরামর্শ করা হয়েছে ব্্িরফিংয়ে তার উল্লেখ নেই। তবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে যে অনুমোদন নেয়া হয়নি সেটা প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর উক্তিতেই পরিষ্কার এবং এই তিনজন অফিসারের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার যে, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও কাজকে বৈধতার সার্টিফিকেট দেয়ার একটা অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য ছিল। এটা বিশেষ দুঃখজনক।
রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসা রাজনীতির অঙ্গনে হওয়াই বিধেয়। রাষ্ট্রের কোনো স্থায়ী যন্ত্র তাতে হস্তক্ষেপ করলে বিতর্ক তাকেও স্পর্শ করে। জাতীয় সেনাবাহিনীর জন্য সেটা খুবই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন থেকে শুরু করে জেনারেল পর্যন্ত পদমর্যাদার ৫৭ জন অফিসার নিহত হওয়ার পর সেনাবাহিনীকে যেন যবনিকার অন্তরালে রাখা হয়েছে। শূন্য পদগুলোতে কাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীতে কোনো রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটেছে কি না ইত্যাদি সম্বন্ধে জনসাধারণের মধ্যে বহু সন্দেহ আর সংশয় আছে। সেনাবাহিনী একটা আমের ঝুড়ির মতো। একটা পচা আম সে ঝুঁড়িতে রাখা হলে ধীরে ধীরে সে পচন সব আমে সংক্রমিত হতে বাধ্য।
সেসব সন্দেহ আরো গভীর হচ্ছে এ কারণে যে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেই রাষ্ট্রযন্ত্রগুলোর রাজনীতিকরণে উঠেপড়ে লেগেছিল। প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ কিছুই এখন আর নির্দলীয় কিংবা নিরপেক্ষ আছে বলা যাবে না। সেনাবাহিনীতে দলীয় প্রভাব বিস্তার শেখ হাসিনার পক্ষে যে স্বাভাবিক হবে সেটা তার অতীত কিছু কাজ থেকেই ধরে নেয়া যেতে পারে। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল নাসিমকে দিয়ে তিনি একটা অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিলেন। ২০০৬ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগ যখন হত্যা, নৈরাজ্য আর নাশকতায় মেতে উঠেছিল তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তখন সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছিলেন। সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ সে অনুরোধে সাড়া না দিয়ে সাংবিধানিক দায়িত্ব লঙ্ঘন করেছেন।
অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়
তার পরেই প্রমাণ পাওয়া গেল যে আওয়ামী লীগের দাবি অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক ভেঙে দেয়ার পেছনে সেনাপ্রধান ও সেনাবাহিনীর বিশেষ ভূমিকা ছিল। দুই বছর স্থায়ী বর্ণচোরা সেনাশাসনের সময় সশস্ত্রবাহিনীগুলোর বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ রাজনীতিতে অশুভ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে। অন্যতম প্রধান দল বিএনপিকে দ্বিধাবিভক্ত করার জন্য ডিজিএফআইয়ের চেষ্টার কথা এখন সবাই জানেন। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনকে বিএনপির বিরুদ্ধে প্রভাবিত করার অনেক চেষ্টা করেছে এই গোয়েন্দা বিভাগটি। বর্তমান সরকারের আমলেও ডিজিএফআই এবং অন্য সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী এনএসআইকে শাসক দলের স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে বলে বহু অভিযোগ আছে। এ খবরও মিডিয়ায় প্রচারিত হয়েছিল যে একবারেই ৩৬ জন ছাত্রলীগ কর্মীকে এনএসআইতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক সরকার আসে আর যায়। গণতন্ত্রের এই হচ্ছে বিধান। কিন্তু সশস্ত্রবাহিনী জাতীয় এবং স্থায়ী প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং সংবিধানের পবিত্রতা নিশ্চিত করা কর্তব্য। ইতিহাসে বহু প্রমাণ আছে সেনাবাহিনীতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার শুধু অকল্যাণই বয়ে আনে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কাজ করেন এক, মুখে বলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের কথা তিনি অবশ্যই স্বীকার করবেন না। কিন্তু তার কথা আজকাল আর সব সময় বিশ্বাসযোগ্য হয় না। তিনি নিশ্চয়ই বলবেন যে, সেনাবাহিনীতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার তার সরকারের আমলে হচ্ছে না। কিন্তু সেটা যে সত্যি হবে তার কোনো মানে নেই। বিগত চার বছরে পুলিশবাহিনীর দলীয়করণ সম্পূর্ণ হয়েছে। পুলিশ এখন আর অপরাধ ও দুষ্কৃত দমনকে প্রধান কাজ মনে করে না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দলনের কাজে এখন পুলিশকে ফুলটাইম ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের ক্যাডারগুলো আর পুলিশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে।
তবু রাজারবাগে পুলিশ প্যারেডে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন যে, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে না এবং হবে না। কিন্তু ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সে প্যারেডের শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর সাংবাদিকদের বলেছেন মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার হারুনুর রশিদকে রাষ্ট্রপতি পদক দেয়া হয়েছে ২০১১ সালের ৬ জুলাই তিনি বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুককে পিটিয়েছিলেন বলে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই স্বীকারোক্তি ইতরপ্রাণ ছাড়া অন্য সবাইকে ব্যথিত, পীড়িত করবে।
এ ধরনের বিতর্কে সশস্ত্রবাহিনীগুলো, বিশেষ করে সেনাবাহিনী জড়িয়ে পড়তে পারে না। তাদের নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থেই তাদের দলীয় রাজনীতির আবর্ত থেকে দূরে থাকতে হবে।
লন্ডন, ২৩ জানুয়ারি ২০১৩
ঘোষণাটায় দায়সারা গোছের মনোভাব লক্ষ করেছেন কি? স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষক আর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়ার জন্মদিন অবশ্যই যথোপযুক্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপন করা উচিত। অন্য কোনো কর্মসূচি যাতে তাতে বাধার সৃষ্টি করতে না পারে সে দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। বিএনপি ১৮ দলের জোটের অন্তর্ভুক্ত, সুতরাং সে জোটের কর্মসূচির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো কর্মসূচি দেয়াও অনুচিত হবে। কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মুক্ত করার কর্মসূচি সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত ২৫ জানুয়ারির আগে কেন নেয়া যাবে না সে প্রশ্ন সাধারণ বুদ্ধিকে আহত করবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিগত দু-তিন বছর প্রমাণ করেছেন যে, অত্যন্ত সফল আর গতিশীল নেতা তিনি। শীর্ষ নেতাদের অনেকের ভূমিকাই যখন ল্যাংচানো বলে মনে হয়েছে, তখন তিনি অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে গণতন্ত্রের আন্দোলন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে আন্দোলন পরিচালনা করেছেন। তাকে গ্রেফতার ও কারাবন্দী করার পর থেকে আন্দোলন যেভাবে ঝিমিয়ে পড়েছে বলে মনে হয়, তার থেকেই প্রমাণ হয়ে যাবে কত শক্তিশালী নেতা তিনি।
একের পর এক সাজানো মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলাগুলো যে সাজানো ছিল, যেকোনো শিশুও তা বুঝতে পারবে। হাইকোর্টে তিনি জামিন পাচ্ছেন কিন্তু ছাড়া পাচ্ছেন না। জামিন লাভের পরও জেলগেটে নতুন নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে তাকে। তার পরেও নাকি নতুন নতুন ভুয়া মামলা যোগ হয়েছে তালিকায়। কোনো আদালতের যদি সামান্যতম বিবেকবুদ্ধিও থাকে তাহলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আমলমগীর অবশ্যই সেসব মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হবেন। কিন্তু যেভাবে একের পর এক মামলা সাজানো হচ্ছে তার বিরুদ্ধে, তাতে মনে হতে বাধ্য যে তিনি কারামুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন, রাজনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যান, এই ব্যর্থ ও অপদার্থ সরকারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সংগঠিত করেন, সরকার সেটা চায় না।
আরো কিছু কারণ আছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে এবং নিজের তত্ত্বাবধানে একটা নীলনকশার নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবার ক্ষমতা পাওয়া শেখ হাসিনার অত্যন্ত স্বচ্ছ লক্ষ্য। তিনি প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, বয়স ৫৭ বছর হলে তিনি ছোট বোন শেখ রেহানার হাতে দলীয় নেতৃত্ব (এবং প্রধানমন্ত্রিত্ব) হস্তান্তর করে রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন। সেটা বেশ কয়েক বছর আগের কথা। আর অন্য অজস্র প্রতিশ্রুতির মতো সে প্রতিশ্রুতিও তিনি ভঙ্গ করেছেন। স্পষ্টতই রেহানার উচ্চাভিলাষ এবং দলের ভেতরের সমালোচনা শান্ত করাই তখন তার উদ্দেশ্য ছিল। দেশের মানুষ এখন আওয়ামী লীগের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। মোটামুটি সুষ্ঠু নির্বাচন হলেও যে নৌকাডুবি ঘটবে, দলের অস্তিত্ব লোপ পাবে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্যরাও সেটা বুঝে গেছেন। শুনেছি উদ্ভট কথাবার্তা ও কাজের দরুন দলের ভেতর অনেকে নেত্রীকে অন্য রকম শব্দে বর্ণনা করেন। নীলনকশার নির্বাচন পর্যন্তও সমালোচকদের মুখ বন্ধ রাখা তার জন্য একান্ত প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রীর নতুন চাল
হাসিনা এখন নতুন চাল চেলেছেন। শোনা যাচ্ছে ‘কিচেন পার্লামেন্টে’ আবার সংবিধান সংশোধন করা হবে, একটানা প্রধানমন্ত্রিত্ব দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ করা হবে। এমন আভাসও দেয়া হচ্ছে যে, বর্তমান মেয়াদের পর তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রধানমন্ত্রিত্ব শেষ হলে রেহানাকে দুই মেয়াদের জন্য এবং তারপর প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে আরো দুই মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রিত্ব দিয়ে মুজিবের বংশ আর আওয়ামী লীগের শাসন দৃশ্যমান ভবিষ্যতের জন্য সুরক্ষিত করাই নতুন পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। ভগ্নিবিরোধ আর আওয়ামী লীগের গৃহযুদ্ধ এতে বন্ধ হবে কি না তা নিশ্চিত নয় কিন্তু দেশবাসী গভীর সন্দেহ ও অবিশ্বাসের সঙ্গে লক্ষ করবে এ পরিকল্পনায় সাধারণ মানুষ, এমনকি আওয়ামী লীগ সদস্যদের মতামতও ধর্তব্যে রাখা হচ্ছে না। জনসাধারণের ভোটাধিকারের কোনো ভূমিকা এই নীলনকশায় নেই।
সম্ভব হলে এপ্রিল কিংবা মে মাসেই সরকারের পরিচালনায় নির্বাচন করে ফেলাই বর্তমান শেখ হাসিনার পরিকল্পনা বলে মনে হয়। বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীসহ উল্লেখযোগ্য দলগুলো সম্ভবত সে নির্বাচন বর্জন করবে। কিন্তু সেসব দলের সদস্যরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইতে পারেন। হাসিনা চান যে বিএনপি প্রমুখ বিরোধী দলগুলোর উল্লেখযোগ্য ও প্রভাবশালী নেতাদের জেলে আটক রাখা হোক, যাতে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারেন। কোনো কারণে এপ্রিল-মেতে নির্বাচন দেওয়া সম্ভব না হলেও দ্রুত আদালতে বিচার করে এদের নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে যে নতুন নতুন মামলা সাজানো হচ্ছে, এই হচ্ছে তার রহস্য। এত মামলা তার বিরুদ্ধে জমেছে যে, সেসব মামলা দ্রুত আদালতেও সুরাহা করতে নির্বাচনের পর পর্যন্ত লেগে যাবে অর্থাৎ তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। বিএনপির শত শত নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজানোরও এই হচ্ছে উদ্দেশ্য। আর একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে তো শত শত ধর্মানুরাগী রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে যাদের কারো কারো হয়তো ১৯৭১ সালে জন্মও হয়নি।
কিছু কিছু কানাঘুষা হচ্ছে যে, বিএনপির ভেতরে এমন কেউ কেউ আছেন যারা প্রধান নির্বাহী কর্মাকর্তা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মুক্ত করার আন্দোলনে তেমন উৎসাহী নন। সেটা হয়তো অস্বাভাবিক নয়। অন্য কানাঘুষাটা একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। সেটা হচ্ছে সরকার বিএনপি নেত্রী ও তার পুত্রদের বিরুদ্ধে ভুয়া মামলাগুলো সক্রিয় করছে খালেদা জিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যেÑ অনেকটা রশিতে টান দেবার মতো করে। কিন্তু বেগম জিয়া অবশ্যই জানেন তিনি আন্দোলন বন্ধ করে দিলেও শেখ হাসিনা তার বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করবেন না। তাছাড়া আর একবার ক্ষমতা পেলে হাসিনা শহীদ জিয়ার বংশ এবং তার সৃষ্ট রাজনৈতিক দলটিকে রাজনীতি থেকে অবলুপ্ত করার কোনো চেষ্টারই ত্রুটি রাখবেন না।
তবু এ কথা সত্যি যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনার জন্য বিএনপির আন্দোলনে ভাটা পড়েছে। তেমনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে সরকারের নির্যাতন বন্ধ করার এবং তাকে কারামুক্ত করার জন্য বিএনপির যেমন সক্রিয় হওয়া উচিত ছিল, ততটা সক্রিয় হয়নি এ দল। নেতারা জনসাধারণকে যতটা বোকা ভাবেন ততটা বোকা তারা নয়। বিএনপিকে কারা কোন পথে নিয়ে যাবার জন্য টানাহেঁচড়া করছে সেটা অনেকেরই চিন্তার বিষয়।
রুশ অস্ত্র ক্রয় বিতর্কে সেনাবাহিনীর ভূমিকা
আট হাজার কোটি অথবা বারো হাজার কোটি টাকাই হোক রুশ সমরাস্ত্র ক্রয় সম্বন্ধে বাংলাদেশের বর্তমান বিতর্ক সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। অনেক দিক ও মাত্রা আছে এ বিতর্কের। প্রথম কথা হলো এ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের মতো সম্পূর্ণ স্বৈরতান্ত্রিক উপায়ে নিয়েছেন বলেই মনে হয়। প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয় (তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের শ্বশুর) প্রবাসীকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী খোন্দকার মোশাররফ হোসেনও বলেছেন, রুশ অস্ত্র ক্রয়ের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেনি, এমনকি এ বিষয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনাও হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই যে এ সমালোচনা করেছেন তা থেকে ধরে নেয়া যেতে পারে এ সম্বন্ধে সরকারের ভেতরেও অসন্তোষ, নিদেন দ্বিমত আছে।
প্রতিরক্ষার জন্য সমরাস্ত্র ক্রয় অথবা অন্য কোনো সিদ্ধান্তের একটা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থাকে। বাংলাদেশের সমরাস্ত্রের চাহিদা এ যাবৎ মিটিয়েছে চীন। সে সম্বন্ধে কোনো অভিযোগ কিংবা সমালোচনা কখনো শোনা যায়নি। অন্যান্য ব্যাপারেও চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ, শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের আগে পর্যন্ত উত্তরোত্তর উন্নতি ঘটছিল সে সম্পর্কের। বাংলাদেশের সাথে সড়ক ও রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা, চট্টগ্রামে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ ইত্যাদি প্রস্তাব চীন বাংলাদেশকে দিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে, বিশেষ করে সেতু-সড়ক ইত্যাদি অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের অবদান ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য। এমনকি যে বিশাল ইমারতটি বেহাত করে শেখ হাসিনা ‘বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্র’ নাম দিয়েছেন সেটিও ছিল বাংলাদেশের জনসাধারণের জন্য চীনের উপহার।
সমরাস্ত্র নির্মাণ শিল্পে চীন এখন আর রাশিয়ার চেয়ে পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশের সমরাস্ত্রের চাহিদা সে মেটাতে পারবে কি না যাচাই না করে রাশিয়া থেকে অস্ত্র ক্রয় করে শেখ হাসিনা বেইজিংকে এ ইশারাই দিলেন যে আগামী নির্বাচনে আবার ক্ষমতা পেলে তার আন্তর্জাতিক সম্পর্কে কিছু পার্শ্ব-পরিবর্তন ঘটতে পারে। একক সিদ্ধান্তে এত গুরুত্বপূর্ণ নীতি পরিবর্তন কোনো গণতান্ত্রিক দেশে তো বটেই, বর্তমান চীনেও আর নেয়া হবে বলে আশা করা যায় না। মন্ত্রিসভার অনুমোদন না নিয়ে এই অস্ত্রক্রয় চুক্তি করে শেখ হাসিনা অন্যায় করেছেন।
সমরাস্ত্র ক্রয়ের ব্যাপারে যন্ত্রাংশ (স্পেয়ার পার্টস) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা। অস্ত্রগুলোর আয়ুষ্কালজুড়ে মেরামত ইত্যাদির জন্য বহু যন্ত্রাংশ ক্রয়ের প্রয়োজন হয়। সব দেশই সাধারণত এবং যথাসম্ভব একই সূত্র থেকে সমরাস্ত্র ক্রয় করে। বিশেষ একটা কারণ আছে তার। তেমন অবস্থায় এক অস্ত্রের বাড়তি খুচরা অংশ সহজেই অন্য অস্ত্রে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু রাশিয়ায় তৈরী কামান কিংবা ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ চীন বা অন্য কোনো দেশে তৈরী সমমানের অস্ত্রে ব্যবহার করা যাবে না। এটা কত ব্যয়বহুল হতে পারে বাংলাদেশ বিমানের দুরবস্থা তার কিছু দৃষ্টান্ত। বিভিন্ন ক্ষমতাধর ব্যক্তির প্রভাবে বিমান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশেও বিভিন্ন নির্মাতার তৈরী উড়োজাহাজ কিনেছে। সেসব জাহাজের জন্য পৃথক পৃথক স্তূপ যন্ত্রাংশ মজুদ রাখা প্রয়োজন। যন্ত্রাংশের ব্যয় তাতে বহু গুণ বেড়ে যায়। প্রায়ই দেখা যায় যন্ত্রাংশের অভাবে কোনো-না-কোনো উড়োজাহাজ দীর্ঘকাল অব্যবহার্য পড়ে থাকছে, লাখ লাখ ডলারের লোকসান হচ্ছে প্রতিদিন।
বিমান এবং যন্ত্রাংশ ক্রয়ে ও মেরামতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। বস্তুত সমরাস্ত্র শিল্পেও যন্ত্রাংশ ক্রয়ে দুর্নীতির সুযোগ খুবই বেশি। আরো বড় বিবেচনা এই যে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশের সমরাস্ত্র ক্রয়ের ইতিহাস সুখকর নয়। শেখ হাসিনার পূর্ববর্তী সরকারের আমলে কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আটটি মিগ ২৯ জঙ্গি বিমান কেনা হয়েছিল। ডেলিভারির পর দেখা গেল বিমানগুলো বাংলাদেশের স্বল্প পরিসরে ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী। সে বিমানগুলো এখন কোথায় কি ভাবে আছে কে জানে? তবু এই ক্রয়ের সময় ব্যক্তিবিশেষ ৩০০ কোটি টাকা কমিশন খেয়েছিলেন বলে তখন অভিযোগ উঠেছিল। শুধু তা-ই নয়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সে বাবদ দুর্নীতির একটি বিচারাধীন মামলা বর্তমান সরকার গদিতে এসে তুলে নিয়েছিল।
উপযোগিতা বিবেচনা করা হয়নি
যেসব অস্ত্র ক্রয়ের চুক্তি শেখ হাসিনা মস্কোয় করে এসেছেন, সেগুলো বাংলাদেশের উপযোগী হবে কি না, নাকি মিগ ২৯ বিমানগুলোর মতো সেসব অস্ত্রে পড়ে পড়ে জং ধরবে কে জানে? মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ না নিয়ে এত মোটা অংকের অস্ত্র ক্রয় করাকে কেউ সুবিবেচনার পরিচায়ক বলবে না এবং দুর্নীতির অভিযোগ হলে শেখ হাসিনাকেই এককভাবে তার দায়িত্ব নিতে হবে।
এই অস্ত্র ক্রয় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক যখন জমে উঠেছে তখন সম্পূর্ণ অনভিপ্রেতভাবে সে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন সশস্ত্রবাহিনীগুলোর কয়েকজন অফিসার। গত সোমবার সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের সংবাদ বিফ্রিংয়ে তিনজন অফিসার সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই আট হাজার কোটি টাকার অস্ত্র ক্রয়ে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা নেই। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাথে পরামর্শ করে ও তাদের মতামত নিয়ে এই ক্রয় চুক্তি করা হয়েছে।’
সরকারের কোন কোন মন্ত্রণালয়ের সাথে পরামর্শ করা হয়েছে ব্্িরফিংয়ে তার উল্লেখ নেই। তবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে যে অনুমোদন নেয়া হয়নি সেটা প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর উক্তিতেই পরিষ্কার এবং এই তিনজন অফিসারের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার যে, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও কাজকে বৈধতার সার্টিফিকেট দেয়ার একটা অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য ছিল। এটা বিশেষ দুঃখজনক।
রাজনৈতিক বিতর্কের মীমাংসা রাজনীতির অঙ্গনে হওয়াই বিধেয়। রাষ্ট্রের কোনো স্থায়ী যন্ত্র তাতে হস্তক্ষেপ করলে বিতর্ক তাকেও স্পর্শ করে। জাতীয় সেনাবাহিনীর জন্য সেটা খুবই ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন থেকে শুরু করে জেনারেল পর্যন্ত পদমর্যাদার ৫৭ জন অফিসার নিহত হওয়ার পর সেনাবাহিনীকে যেন যবনিকার অন্তরালে রাখা হয়েছে। শূন্য পদগুলোতে কাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীতে কোনো রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটেছে কি না ইত্যাদি সম্বন্ধে জনসাধারণের মধ্যে বহু সন্দেহ আর সংশয় আছে। সেনাবাহিনী একটা আমের ঝুড়ির মতো। একটা পচা আম সে ঝুঁড়িতে রাখা হলে ধীরে ধীরে সে পচন সব আমে সংক্রমিত হতে বাধ্য।
সেসব সন্দেহ আরো গভীর হচ্ছে এ কারণে যে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেই রাষ্ট্রযন্ত্রগুলোর রাজনীতিকরণে উঠেপড়ে লেগেছিল। প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ কিছুই এখন আর নির্দলীয় কিংবা নিরপেক্ষ আছে বলা যাবে না। সেনাবাহিনীতে দলীয় প্রভাব বিস্তার শেখ হাসিনার পক্ষে যে স্বাভাবিক হবে সেটা তার অতীত কিছু কাজ থেকেই ধরে নেয়া যেতে পারে। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল নাসিমকে দিয়ে তিনি একটা অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিলেন। ২০০৬ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগ যখন হত্যা, নৈরাজ্য আর নাশকতায় মেতে উঠেছিল তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তখন সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছিলেন। সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ সে অনুরোধে সাড়া না দিয়ে সাংবিধানিক দায়িত্ব লঙ্ঘন করেছেন।
অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়
তার পরেই প্রমাণ পাওয়া গেল যে আওয়ামী লীগের দাবি অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক ভেঙে দেয়ার পেছনে সেনাপ্রধান ও সেনাবাহিনীর বিশেষ ভূমিকা ছিল। দুই বছর স্থায়ী বর্ণচোরা সেনাশাসনের সময় সশস্ত্রবাহিনীগুলোর বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ রাজনীতিতে অশুভ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে। অন্যতম প্রধান দল বিএনপিকে দ্বিধাবিভক্ত করার জন্য ডিজিএফআইয়ের চেষ্টার কথা এখন সবাই জানেন। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনকে বিএনপির বিরুদ্ধে প্রভাবিত করার অনেক চেষ্টা করেছে এই গোয়েন্দা বিভাগটি। বর্তমান সরকারের আমলেও ডিজিএফআই এবং অন্য সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী এনএসআইকে শাসক দলের স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে বলে বহু অভিযোগ আছে। এ খবরও মিডিয়ায় প্রচারিত হয়েছিল যে একবারেই ৩৬ জন ছাত্রলীগ কর্মীকে এনএসআইতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক সরকার আসে আর যায়। গণতন্ত্রের এই হচ্ছে বিধান। কিন্তু সশস্ত্রবাহিনী জাতীয় এবং স্থায়ী প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং সংবিধানের পবিত্রতা নিশ্চিত করা কর্তব্য। ইতিহাসে বহু প্রমাণ আছে সেনাবাহিনীতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার শুধু অকল্যাণই বয়ে আনে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কাজ করেন এক, মুখে বলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের কথা তিনি অবশ্যই স্বীকার করবেন না। কিন্তু তার কথা আজকাল আর সব সময় বিশ্বাসযোগ্য হয় না। তিনি নিশ্চয়ই বলবেন যে, সেনাবাহিনীতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার তার সরকারের আমলে হচ্ছে না। কিন্তু সেটা যে সত্যি হবে তার কোনো মানে নেই। বিগত চার বছরে পুলিশবাহিনীর দলীয়করণ সম্পূর্ণ হয়েছে। পুলিশ এখন আর অপরাধ ও দুষ্কৃত দমনকে প্রধান কাজ মনে করে না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দলনের কাজে এখন পুলিশকে ফুলটাইম ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের ক্যাডারগুলো আর পুলিশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে।
তবু রাজারবাগে পুলিশ প্যারেডে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন যে, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে না এবং হবে না। কিন্তু ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সে প্যারেডের শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর সাংবাদিকদের বলেছেন মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার হারুনুর রশিদকে রাষ্ট্রপতি পদক দেয়া হয়েছে ২০১১ সালের ৬ জুলাই তিনি বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুককে পিটিয়েছিলেন বলে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই স্বীকারোক্তি ইতরপ্রাণ ছাড়া অন্য সবাইকে ব্যথিত, পীড়িত করবে।
এ ধরনের বিতর্কে সশস্ত্রবাহিনীগুলো, বিশেষ করে সেনাবাহিনী জড়িয়ে পড়তে পারে না। তাদের নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থেই তাদের দলীয় রাজনীতির আবর্ত থেকে দূরে থাকতে হবে।
লন্ডন, ২৩ জানুয়ারি ২০১৩
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1390)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 25
(263)
- ইয়াহহিয়ার সন্ধান না দিলে রোববার হরতাল দেবে শিবির b...
- অভিনয় জীবনের দ্বিতীয় ইনিংসে বাঁধন by কামরুজ্জামান ...
- এবিএম মূসা মানসিক ভারসাম্যহীনঃ আ’লীগ
- কুষ্টিয়ায় ধর্ষণের পর শিশু হত্যা by জুলফিকার আরী কানন
- এতিম বাচ্চাদের সঙ্গে সিনেমা হলে ক্যাটরিনা!
- জামিন আবেদন নাকচ করে মির্জা ফখরুলকে কারাগারে পাঠান...
- কৃষি- পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলে চা চাষ বাড়ছে by মোহা:...
- বিএসএফের আগ্রাসী তৎপরতায় মুহুরী চরে চাষাবাদ করতে ...
- ফতেনগর শরীফুন্নেছা নজিরউদ্দিন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়...
- জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার চার্জ গঠনের শুনানি ৩ ...
- রাজশাহী ইউআইটিএস ক্যাম্পাসে শিার্থীদের হামলা-ভাঙচুর
- কুমিল্লায় বিএনপির মিছিলে হামলাকারীদের গ্রেফতার দা...
- সরকারের সফলতার চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী
- গ্র্যাজুয়েট প্রাথমিক শিকদের ১২ দফা দাবিতে কর্মসূচ...
- দেশের ইতিহাসে কোনো সরকার নিয়মমাফিক নির্বাচন করতে ...
- সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন হলে সঙ্ঘাত হবেঃ এরশাদ
- বরিশালে আনন্দমেলার নামে হাউজিসহ অশ্লীল অনৈতিক কার্...
- পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি-মূল্যায়ন কমিটির ৪ সদ...
- বিকেন্দ্রীকরণ হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান প্রকল্প
- যশোরের পর সিলেট রুটেও বন্ধ হয়ে গেছে রিজেন্ট এয়ার...
- ছাত্রলীগের সন্ত্রাস ও শিবিরের প্রচার সম্পাদককে গ্র...
- বিরুলিয়া সেতু প্রকল্পে বরাদ্দ নেই দীর্ঘ দিন কবে শ...
- হাসিনার নব্য বাকশাল বেশি বিপজ্জনক
- ডাঃ নূরুল ইসলাম আর নেই
- বিশ্বজিৎ হত্যাঃ ভিডিও ফুটেজের সাথে ময়নাতদন্ত প্রত...
- বিপিএলে স্থানীয় ক্রিকেটারের মধ্যে শাহরিয়ারের প্র...
- রাশিয়ার সাথে অস্ত্রচুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্...
- মুন্সীগঞ্জে একই দিনে ৭টি লাশ উদ্ধার
- সরকার আন্তর্জাতিক মিডিয়ার অপতৎপরতা খতিয়ে দেখবেঃ ...
- আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: by ফয়েজ ঊল্লাহ ভূঁইয়া
- জিয়ার অধ্যাদেশকে বৈধতা দিলো মহাজোট সরকার-নানা প্র...
- নিষ্ক্রিয় বিএনপিঃ রাজনৈতিক বিতর্কে সেনাবাহিনী by ...
- এলডিসির কলঙ্ক মোচন ও অর্থনীতির ঝুঁকি-অবলোকন by মাস...
- বাতাসে লাশের গন্ধ by হিজার আল হেজাজী
- প্রফেসর অ্যানেমারি শিমেল by মীযানুল করীম
- রাজনীতিবিদ খান এ সবুর by এস এইচ খান আসাদ
- স্মরণঃ মাওলানা মুহাম্মদ শামসুদ্দিন
- ভারতের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ জরুরি
- রাসূল সা:-এর জন্ম ও ওফাত দিবস আজ- শান্তি-স্বস্তি আ...
- ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নয় যাবজ্জীবন কর...
- আবার পারমাণবিক পরীক্ষা চালাবে উত্তর কোরিয়া
- ভেনেজুয়েলার বিরোধীদের দাবি- দেশবাসীর উদ্দেশে কিছু...
- কংগ্রেসে হিলারির শেষ উপস্থিতি- বেনগাজির ঘটনায় ব্য...
- ইসরায়েল নতুন বসতি করলে আইসিসিতে যাবে ফিলিস্তিন
- ভোলা সদরের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আ.লীগের পাল্টাপাল্টি কমিটি
- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়- ছাত্রলীগের নেতা নিখোঁজ সড়ক অ...
- মাদারীপুরে নৌপরিবহনমন্ত্রী- তেলের দামের সঙ্গে সামঞ...
- সরকারি জমিতে যুবলীগ নেতার বিপণিবিতান
- সাগর-রুনির হত্যাকারীরা ধরা পড়েনি প্রশাসনের ব্যর্থত...
- চলন্ত বাসে ধর্ষণঃ থানায় রাত কাটলো তরুণীর
- শিশুসন্তানের সামনে মাকে হত্যা
- শীতবস্ত্র পেলেন আরও ৪৭০ জন
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ দ্রুত শেষ করার দাবি
- ধর্ম- আদর্শ সমাজ গঠনে মহানবী (সা.) by মুহাম্মদ আ...
- সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসুন- শিক্ষকদের আন্দোলন
- মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ শান্তি ও ন্যায়ের দিশারি ...
- শতবর্ষের বেদে ঐতিহ্য, নৌকা ছেড়ে শহরে by হাসান শাহর...
- ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা
- সময়ের প্রেক্ষিত- জাপানে জাতীয়তাবাদী চেতনার পুনরু...
- যুক্তরাষ্ট্রে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ নেই: স্নোডেন
- ৭ দিন
- সন্ত্রাসবাদীর সঙ্গেও কথা বলতে হবে by কফি আনান
- এখন সময় রাহুলের by সুমন কায়সার
- যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র-সহিংসতা- ওবামার পরিকল্পনায় কা...
- রাজপথে ফাঁসি
- অ্যাপস কর্নার- ভিমিও
- মমতা আমার দেখা নিকৃষ্টতম রাজনীতিকঃ কবীর সুমন by হা...
- স্মার্টফোন কিনতে যাচ্ছেন?
- দারুণ ভাবনা- আমাকে একটা চাকরি দেবেন? by রাজীব হাসান
- অন্য খবর
- কীভাবে এল- ক্লিপের নাম জেম
- প্রিয় গান- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’ by আবদুল্লাহ আ...
- যা চলছে
- ইডেন ছাত্রীকে এসিড নিক্ষেপকারী মনির রাঙামাটিতে গ্র...
- না জানলেও ক্ষতি নেই
- সত্যিকারের রিও by মাহফুজ রহমান
- শিশুরাই পরিচালক-বিচারক by পাভেল মহিতুল আলম
- গোলটেবিল বৈঠক- নারীর প্রতি সহিংসতা এখনই প্রতিরোধ করুন
- শিশুর গলায় চাপাতি ঠেকিয়ে মাকে খুন
- মির্জা ফখরুলের জামিন ও রিমান্ড আবেদন নাকচ
- প্রেমের গল্প by রকিব হাসান
- মোহাম্মদ রফিকের কবিতা
- প্রথম আলো বর্ষসেরা বই-১৪১৮ পুরস্কার পেয়েছে দুটি বই...
- মননশীল শাখা- গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নরত্ন by সিরাজুল ...
- প্রথম আলো বর্ষসেরা বই ১৪১৮ নিয়ে বিশেষ আয়োজনসৃজনশীল...
- পদ্মা সেতু প্রকল্পে আগ্রহী আরো দুই সংস্থা : অর্থমন...
- আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)
- নারী নির্যাতন-মানিকগঞ্জে চলন্ত বাসে তরুণী ধর্ষিত
- বাড়ল জামিনের মেয়াদ- মোবারকের বিরুদ্ধে ১২ ফেব্রুয়ার...
- গোল্ডস্টেইনকে অর্থমন্ত্রী- এত জনপ্রিয় হলে চাকরি ছে...
- খুলনায় জনসভায় প্রধানমন্ত্রী- উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ...
- খুলনায় প্রধানমন্ত্রী-যা চেয়েছিলেন তার চেয়েও বেশি প...
- হাইড্রোগ্রাফিক কমিটির চিঠি সরকারকে-সাগরে বিদেশি জর...
- মানবতাবিরোধী অপরাধ-'এ দেশের মানুষের মনোভাবের প্রতি...
- সারা দেশে আবারও শিবিরের তাণ্ডব-ঢাকা, রাজশাহী, গাইব...
- মুন্সীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ ৩ রহস্যময় লাশ by মাসুদ খান ও...
- দেশে তৈরি বিষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করবে ভিয়েতনাম
- মামলার পরবর্তী শুনানি সোমবার
- লাপিদের সঙ্গেই জোট গড়ছেন নেতানিয়াহু
- পাকিস্তানে সন্ত্রাসী সন্দেহে বিনা বিচারে আটক ৭০০
- জেরুজালেমে ইহুদি বসতি-ইসরায়েলকে কাঠগড়ায় তোলার হুমক...
- যুদ্ধাপরাধের বিচার- একুশ বছরের অপেক্ষার অবসান by ...
- আমিই বাংলাদেশবাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে মানুষের সম্মিলিত...
- মানিকগঞ্জে চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণ
- খাদ্য তথ্যবিভ্রাট-১- চাল উৎপাদন ও ভোগের তথ্যে গোলম...
- রাস্তার ঢালে গুলিবিদ্ধ চোখ বাঁধা তিন লাশ
- মরক্কোয় ধর্ষণ-বিয়ের আইন পরিবর্তন হচ্ছে
- মেয়ের সাফল্যে শোকাতুর বাবা-মা
- নারীদের জন্য প্রথম আদালতের যাত্রা
- ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা-মৃত্যুদণ্ডের বদলে আমৃত্যু জে...
- যুক্তরাষ্ট্রের নারী সেনারাও সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেবেন
- ফৌজার এটিই শেষ ম্যারাথন!
- নির্বাচনে অংশ নেবেন না কাদরি
- মালির সেনাদের বিরুদ্ধে 'গণহত্যা'র অভিযোগ
- ১৫ হাজার কুমির লাপাত্তা
- ধূমপায়ী নারীর মৃত্যুর ঝুঁকি আগের চেয়ে বেশি
- দুনিয়ার শান্তি ও পরকালীন মুক্তির পথ by মুফতি এনায়ে...
- রাসূলের আদর্শ সব যুগের অনুসরণীয় by সালমা সেতারা
- নবীর (সা.) আলোচনায় ইমান তাজা হয় by ওয়ালী উল্লাহ আরমান
- সিরাতুন্নবী প্রশিক্ষণ মাধ্যম by মাওলানা শাহ্ আবদুস...
- মিলনমেলা বসবে যখন by মাহফুজুর রহমান মানিক
- মধ্যপ্রাচ্য-মুসলিম বিশ্বের অনৈক্যই ইসরায়েলের শক্তি...
- সুশাসন-নবম জাতীয় সংসদের কার্যকারিতা এবং নাগরিক অধি...
- প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন- গণতন্ত্রের পথেই অগ্র...
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)- শিক্ষা নিতে হবে মহান...
- বেনগাজি নিয়ে শুনানিতে হিলারি-দায় আমার, পদ্ধতিগত ব্...
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নতুন মামলার নি...
- ক্ষুধা দূর করতে জোট বেঁধেছে শতাধিক সংস্থা
-
▼
Jan 25
(263)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment