Thursday, June 28, 2012
সরল গরল-মহামান্য আপিল বিভাগের কাছে একটি নিবেদন by মিজানুর রহমান খান
সরল গরল-মহামান্য আপিল বিভাগের কাছে একটি নিবেদন by মিজানুর রহমান খান
মহামান্য আপিল বিভাগের কাছে অনুরোধ, এই নিবন্ধটি যাতে একটি আবেদন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমরা উদ্বিগ্ন যে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নামের দুটি শক্তি আদালত চত্বরকে, এমনকি আদালতের রায়কে যখন যেমন লাগে, তখন তেমন করে ব্যবহারের মহড়া দেখাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট বারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা শঙ্কিত।
মন্ত্রিসভা দ্বৈত ভোট-ব্যবস্থা পাস করল। এতে বারের নির্বাচনে চর দখলের লড়াই দেখা যাবে। সুপ্রিম কোর্ট বারের নেতারা ইতিমধ্যে বিভক্ত সভা করছেন। আওয়ামী লীগের সমর্থক নেতারা অবৈধভাবে বারের সভা ডাকছেন। যা হোক, আদালতপাড়ায় অশনিসংকেত।
আজ ২৯ নভেম্বর খালেদা জিয়ার বাড়ির মামলার শুনানির দিন ধার্য আছে। আজ শুনানি হতেও পারে আবার না-ও হতে পারে। তবে শুনানি ও সিদ্ধান্ত যখনই হোক, এর সঙ্গে ২০০৫ সালের ২৩ মে (সুয়োমোটো এক্সপার্টি অর্ডার নম্বর ১) বিচারপতি আবদুল মতিনের দেওয়া একতরফা আদেশের কার্যকারিতার প্রশ্ন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ওই আদেশে নিষিদ্ধ বিক্ষোভ আজ ২৯ নভেম্বর সারা দেশের বারে বিএনপির আইনজীবীরা করবেন। এর ফলে তাঁরা সন্দেহাতীতভাবে আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত হবেন। কিন্তু তার কোনো প্রতিকার হবে না। আমরা দেখব, এক ব্যক্তি জেনেশুনে আদালত অবমাননা করছেন। আবার আদালতে তিনি একই অপরাধের দায়ে অন্যকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন। এটা একটা প্রহসন।
পাঠক ভাবতে পারেন যে, আমাদের এই কথাবার্তা সরকারের প্রতি পক্ষপাতমূলক। আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, পুরো ঘটনা জানুন, এই নিবন্ধের পুরোটা পড়ুন, তখন দেখবেন, সরকার আর বিরোধী পক্ষ বলে কিছু নেই। আদালতকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে দুই পক্ষই সমান। বিচারপতি আবদুল মতিনের ওই আদেশ নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহ্বুবে আলমের স্ববিরোধিতা দেখার মতো। ২০০৫ সালে তিনি মুখে কালো কাপড় বেঁধে ওই আদেশের প্রতিবাদ করেছিলেন। ২০১০ সালে এসে বিএনপিপন্থীদের বাড়াবাড়ি দেখে অ্যাটর্নি জেনারেল বিরক্ত। ১১ নভেম্বর তিনি সাংবাদিকদের বললেন, আদালত চত্বরে মিছিল না করার বিষয়ে হাইকোর্টের একটি রায় আছে। আওয়ামী আইনজীবী ফরিদুল আলম (কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক) বিচারপতি মতিনের আদেশের কপিতে বার কাউন্সিল বৈঠকে অগ্নিসংযোগ করেছিলেন। সেই একই জোশ এখন জাতীয়তাবাদীদের পেয়ে বসেছে।
সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় সুপ্রিম কোর্ট ২০০৫ সালে ওই আদেশ দেন। খালেদা জিয়া সেটা অমান্য করবেন। তিনি হুমকি দেবেন। তাঁর সমর্থক আইনজীবীরা ঘোষণা দিয়ে সারা দেশের বারে বিক্ষোভ করবেন। তাঁর নেতৃত্বে ১০৮ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘিত হতে থাকবে, আর ঠিক তখন সুপ্রিম কোর্ট তাঁর অনুকূলে ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় প্রতিকার প্রদানে শুনানি করবেন—সেটা যুক্তিগ্রাহ্য কিংবা প্রীতিপ্রদ মনে হয় না। যদিও আমরা মনে করি, লিভ টু আপিল ও স্থগিতাদেশের শুনানি ঝুলে থাকা অবস্থায় দেশের ছায়া প্রধানমন্ত্রীকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ আইন বা রেওয়াজ সংগত কি না, সেটা বিচারের দাবি রাখে। তবে আমাদের রাজনীতির অনিষ্ট কালচার ক্রমশ আক্ষরিক অর্থে আদালত অঙ্গনে ঢুকে পড়ছে কি না, সেটা আজ এক জ্বলন্ত প্রশ্ন।
আদালত অবমাননা মামলা বনাম অবৈধ নোটিশ
সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়া দুটি আবেদন করেন। একটিতে তিনি নিষেধাজ্ঞা চান। সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় ‘আপিল বিভাগ অবমাননা’ মামলা দায়ের করা হয়েছে। খালেদা জিয়া-সমর্থিত কিংবা নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম লিফলেট প্রচার করেছে। তাতে বলা আছে, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ি ছাড়ার অবৈধ নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে’ বাংলাদেশের সকল জেলা বারে ২৯ নভেম্বর বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হবে। অথচ খালেদা জিয়া বিষয়টিকে ‘সাবজুডিশ’ বিবেচনায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। এই ‘অবৈধ’ শব্দ যদি বিএনপি বলত, তাহলে একটা সান্ত্বনা ছিল। কিন্তু এটা বলছে আইনজীবী ফোরাম। ৩০ নভেম্বর সারা দেশে হরতাল আহ্বান প্রকারান্তরে আদালতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস। এটা হবে আওয়ামী লীগের আগামীর কর্মসূচি। বিত্তশালী শাসকগোষ্ঠীর কাছে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কী, তা আমরা হাড়ে হাড়ে টের পেয়ে চলেছি।
খালেদা জিয়া তিন সচিবসহ আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় আদালত অবমাননার মামলা করেছেন। সরকার খালেদা জিয়াকে বাড়ি ছাড়তে ২৪ মে ২০০৯ চূড়ান্ত নোটিশ দিয়েছিল। এর মূল কথা ছিল, ১৯৮১ সালে তাঁকে যে ইজারা চুক্তির মাধ্যমে বাড়িটি দেওয়া হয়েছিল, সেটি অবৈধ ছিল। গোড়া থেকে বাতিল ছিল। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন খালেদা জিয়া। সরকার নয়, তিনিই বিষয়টিকে আদালতে নিয়ে যান। আদালতে যখন একজন নাগরিক প্রতিকার প্রার্থনা করেন, তখন তিনি স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে অঙ্গীকার করেন যে তিনি রায় মানবেন। খালেদা জিয়া হাইকোর্টের কাছ থেকে ১৩ অক্টোবর রায় পেয়েছেন। এই রায় তাঁর পক্ষে যায়নি। ১০ নভেম্বর এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগ স্থগিতাদেশ দেননি। রীতি অনুযায়ী চাওয়াও হয়নি। কিন্তু তাই বলে ১৩ নভেম্বরে খালেদা জিয়াকে উচ্ছেদ না করলে আদালত অবমাননা ঘটত না। স্থগিতাদেশ না চেয়ে হয়তো ফাঁদ পাতা হয়েছিল, সেই ফাঁদে সরকারি দল পা দিয়েছে। আপিল বিভাগের রায়ের পরে বাড়ি ছাড়তে হলে কান্নাপর্ব থাকত অন্তঃপুরে। আপাতত বিএনপির বিরাট স্বার্থসিদ্ধি, সুপ্রিম কোর্ট ও সেনাবাহিনী নতুন বিতর্কের পাদপ্রদীপে। অবশ্য তাতে অতি উৎসাহীদের পুরস্কৃত হতে আটকাবে না। লক্ষণীয় হলো জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আজকের কর্মসূচি। বাড়ি নিয়ে মামলার মূল বিষয় ছিল ২০০৯ সালের নোটিশ। খালেদা জিয়া উক্তরূপ ‘অবৈধ নোটিশ’ উল্লেখ করাজনিত আদালত অবমাননার দায় এড়াতে পারেন না।
আদালতের কাছে চার প্রশ্ন
চারটি প্রশ্ন আমাদের মনে। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খোন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ ও সম্পাদক মো. বদরুদোজ্জা আদালত অবমাননার আবেদনে তাঁদের পদবি ব্যবহার করেছেন। ১৩ নভেম্বর জারি করা আইনজীবী সনদে বার সভাপতির প্যাড ব্যবহার করেছেন। এ কারণে বার কাউন্সিল অ্যাক্টে বর্ণিত আচরণবিধির লঙ্ঘন ঘটেছে কি না। কারণ খালেদা জিয়া আইনের চোখে তাঁদের কাছে মক্কেল ছাড়া কিছুই নন।
দ্বিতীয়ত, আপিল বিভাগের ১৯৯১ সালের ১০ জুনের একটি রায় অনুযায়ী সরকারি কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল কি না ১৩ নভেম্বরের তথাকথিত আইনজীবী সনদ আমলে নেওয়া।
বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ’৯১ সালে নিম্ন আদালত সনদ পেয়ে কী করবেন, সে বিষয়ে রায় দেন। রীতিনীতি ঠিক করেন। সেটা নির্বাহী কর্তৃপক্ষের জন্যও প্রযোজ্য মনে করি। আপিল বিভাগের যুক্তি হলো, যে ক্ষেত্রে সনদের যথার্থতা নিয়ে নিম্ন আদালত প্রশ্ন তুলবেন, সে ক্ষেত্রে তাঁরা আইনজীবীকে হলফনামা দিতে বলবেন। সন্দেহ না থাকলে তা পালন করতে হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে আদেশ আসেনি বলে আইনজীবীকে অবজ্ঞা করতে পারবেন না। ওই রায়ের মূল কথা হলো, ‘আদালতের আদেশ’ আইনজীবী পৌঁছে দিলে তাঁকে অবিশ্বাস করা যাবে না। এখন প্রশ্ন হলো, আইনজীবী রফিক-উল হক, মওদুদ আহমদ ও বারের সভাপতি ও সম্পাদক উচ্ছেদের দিন ‘আদালতের আদেশ’ জাহাঙ্গীর গেটে পৌঁছে দিয়েছিলেন কি না। রাষ্ট্রপক্ষকে নোটিশ না দিয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে যাওয়ার কি সুযোগ ছিল? আমরা আরও জানতে চাই, প্রধান বিচারপতির বরাতে যা বলা হয়েছে, তা বলার সুযোগ প্রধান বিচারপতির ছিল কি না। না থাকলে এ রকম সনদ জারি করায় ও তা অমান্য হওয়ায় জনগণের কাছে প্রধান বিচারপতি তথা সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা কোথায় দাঁড়াল?
তৃতীয়ত, ‘আইনজীবী সনদে’ আমরা দুই রকম তথ্য দেখি। ১৩ নভেম্বরে সনদ বলেছে, ‘প্রধান বিচারপতি নির্দিষ্টভাবে আশ্বস্ত করেছেন যে, খালেদা জিয়াকে মইনুল রোডের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হবে না।’ আমরা লক্ষ করি, প্রধান বিচারপতির কথিত ওই আশ্বাস ১১ দিনের ব্যবধানে বদলে গেছে। আপিল বিভাগে একই আইনজীবীরা হলফনামা দেন ২৩ নভেম্বর। এতে তাঁরা বলেন, ‘ওই দিন সকাল নয়টায় তাঁরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এবং তাঁকে পরিস্থিতি অবহিত করেন। মাননীয় প্রধান বিচারপতি বলেন, সরকার আবেদনকারীকে তাঁর বাড়ি থেকে সরিয়ে দিতে বাধ্য করতে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে না। এবং তিনি সে কথা হয়তো সৎ বিশ্বাসে বলেছেন, কারণ ২৯ নভেম্বরে লিভ পিটিশন ও স্থগিতাদেশের আবেদন শুনানির জন্য পেন্ডিং রয়েছে। তখন সরকার বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে অবশ্যই কোনো পদক্ষেপ নেবে না।’ প্রধান বিচারপতির বরাতে কথা কিন্তু দুই রকম হলো।
মান্য হচ্ছে না আদালতের আদেশ
এখানে আমরা আরও লক্ষ করি, প্রধান বিচারপতির ওই বক্তব্যকে ২৩ নভেম্বরের আবেদনে ‘আদালতের আদেশ’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। সুতরাং আজকের মামলাগুলোর শুনানি নিঃসন্দেহে দারুণ কৌতূহলোদ্দীপক।
বিচারপতি মো. আবদুল মতিন ও বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ২৩ মে ২০০৫ লিখেছেন, ‘আমরা সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় একতরফা আদেশ দিচ্ছি যে, বাংলাদেশ লিগেল প্র্যাকটিশনার এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার ১৯৭২-এর ২০ ধারার আওতায় তালিকাভুক্ত সকল আইনজীবীর জন্য এটা প্রযোজ্য হবে। পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আদালতের চত্বরে কিংবা আদালতে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোন প্রকারের সভা, সমাবেশ বা পিকেটিং বা কোন ধরনের ঘেরাও চলবে না। সুপ্রিম কোর্ট বা বাংলাদেশের কোন আদালত চত্বরে কোন আইনজীবী সমিতি বা ফোরামের (আজ সারা দেশে হাইকোর্টের ওই রায় লঙ্ঘন আন্দোলনের অন্যতম হুকুমদাতা হলেন ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন এমপি) নামে কোনো ধরনের সভা, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট করা যাবে না।’ এমনকি আদালতের ওই আদেশের ৪ নম্বর নির্দেশনায় বলা আছে, ‘এ বিষয়ে কোন লিফলেট (আমাদের হাতে লিফলেট আছে) ব্যানার বা এ সম্পর্কিত কোন বিবৃতি প্রকাশ করা যাবে না। এমনকি গণমাধ্যমেও তা প্রকাশ করতে পারবে না। এ সবকিছুই নিষিদ্ধ করা হল।’
গণমাধ্যমের চেয়ে আইনজীবীদের ওপর বিশেষভাবে ওই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করা হয়েছিল। আদালতের আদেশে আমরা তাই পুনরুক্তি দেখি, ‘আমরা পুনরায় ঘোষণা করছি যে, এই নিষেধাজ্ঞা বিশেষভাবে বাংলাদেশের যে কোন আদালতে কর্মরত আইনজীবীদের ওপর প্রযোজ্য হবে। এর যদি কোন বিচ্যুতি ঘটে তাহলে অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে। অবমাননাকারী থাকা পর্যন্ত বাংলাদেশের যে কোন আদালতে তাঁদের ওকালতি করার অধিকার নিষিদ্ধ থাকবে।’ আদালতের আদেশে আরও বলা হয়েছিল, এই আদেশের কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তারা এই আদেশের বিষয়ে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারবে। এবং সে ধরনের কোনো আবেদন করা হলে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এই আদেশের সমর্থনে এবং নিচের চারজন আইনজীবী অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। তাঁরা হলেন ড. কামাল হোসেন, রফিক-উল হক, মাহমুদুল ইসলাম ও আজমালুল হোসেন কিউসি। আদালতের আদেশে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে দেশের সকল বার অ্যাসোসিয়েশনে এই আদেশের কপি জারি করতে বলা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের প্রতি নির্দেশনা ছিল, সকল জাতীয় দৈনিক ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমের কাছে আদেশের কপি পৌঁছে দেওয়া। নিশ্চয় লক্ষ্য ছিল আদালতের আঙিনার মর্যাদা সুরক্ষা। দলীয় রাজনীতির বিষবাষ্প থেকে আদালতকে রক্ষা করা। কিন্তু বার তা মানছে না। গণমাধ্যমও তা মানছে না। আজ ২৯ নভেম্বর যে সারা দেশের বারে হাইকোর্টের রায়বিরোধী কর্মসূচি হবে, সেটা জনগণ পত্রিকাগুলোর কাছ থেকেই জানতে পারবে। পত্রিকাগুলো এমনভাবে এই খবর প্রকাশ করবে, যাতে মনে হবে তারা বারগুলোর সাংবিধানিক অধিকার অনুশীলনের খবর প্রকাশ করছে। আমাদের সম্মিলিত পলায়নপরতা ও স্ববিরোধিতা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে, এখন আমরা তার ঈষৎ প্রমাণ হাতেনাতে পেতে সচেষ্ট হব।
তখন আওয়ামী লীগ এখন বিএনপি
২০০৫ সালে আদালতের আদেশে অগ্নিসংযোগকারী ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছিল। শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের পরামর্শে তিনি তখন নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহ্বুবে আলম ওই সময় সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ছিলেন। সম্পাদক ছিলেন ইনায়েতুর রহিম (বর্তমানে হাইকোর্টের বিচারক)। সেদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ছিল আওয়ামী লীগারদের হাতে। এখন যেমন বিএনপির হাতে। তাই ওই রায়ে সেদিন সন্তুষ্ট হয়েছিল বিএনপি। ক্ষুব্ধ হয়েছিল আওয়ামী লীগ। ‘সংবিধান ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সমুন্নত’ রাখতে উচ্চ আদালতের ওই আদেশ তারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট বারের ব্যানারে লেখা হয়েছিল, ‘অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার।’ সেদিন যাঁরা আদালতের আদেশ লঙ্ঘনের পক্ষে উচ্চকিত ছিলেন, তাঁরা আজ কে কোথায় সেটা দেখুন, তাহলেই বুঝবেন। পুরোভাগে ছিলেন শফিক আহমেদ, যিনি বর্তমানে আইনমন্ত্রী, ছিলেন সাহারা খাতুন, যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আইনজীবীদের অসদাচরণ দেখার দায়িত্ব বার কাউন্সিলের। এর চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল। এর ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাছেত মজুমদার। তিনিও কালো কাপড় বাঁধা আন্দোলনের প্রধান পুরোহিত ছিলেন।
আজ সারা দেশে বিএনপি ও আওয়ামী আইনজীবীরা পাল্টাপাল্টি আদালত অবমাননা-উৎসবে মেতে উঠবেন। পত্রিকাগুলো সেসব উদ্যাপনের খবর ছাপবে। এই হচ্ছে একটি জাতির আয়না। এমন একটি আয়নায় যাতে সত্যিকার অর্থে ‘আমরা’ সবাই একযোগে চেহারা দেখে নিতে পারি। আমরা ওই রায়টি পেয়েছিলাম কোনো মহৎ উপলক্ষে নয়। জাল সনদে বিতর্কিত বিচারপতি ফয়জীকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনরত আওয়ামী আইনজীবীদের বাগে আনার প্রেক্ষাপটে। কিন্তু সে প্রসঙ্গ তুলে আমরা ওই রায়কে খাটো করতে পারি না। কারণ বিশ্বের কোনো আদালতে এ রকম দলবাজির নজির নেই। কোনো দেশের সুপ্রিম কোর্ট মানতে পারেন না যে, আদালতের আঙিনায় তথাকথিত কর্মসূচি চলবে। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট বহু মামলায় চূড়ান্তভাবে সুরাহা দিয়েছেন এবং সে দেশের আইনজীবী সমাজ মেনেছে যে, আদালত গন্ডগোল পাকানোর স্থান নয়।
২০০৫ সালে আমরা দেখেছি, আমাদের আইনজীবী নেতারা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মুখে কালো কাপড় বেঁধেছিলেন। আমরা স্তম্ভিত বিস্ময়ে লক্ষ করি, সেই আইনজীবীরাই এখন ওই রায়ের সুবিধা পেতে চান। দুই বিচারককে শপথ পড়ানোর পর খোদ অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিছিল ও স্লোগান দিয়ে আদালতের নির্দেশের পরিপন্থী কাজ করা হয়েছে।’ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, আদালতের বিরুদ্ধে ৩০ নভেম্বর হরতাল ডাকা হয়েছে।
তাই আমরা ভারাক্রান্ত হূদয়ে নিবেদন রাখি, ২০০৫ সালের সুয়োমোটো এক্সপার্টি অর্ডার নম্বর ১ ফয়সালা না করে আজ খালেদা জিয়ার শুনানি চলতে পারে কি পারে না। আজ এ প্রশ্ন তোলা হলে হয়তো বিএনপি বিব্রত হবে, তবে চূড়ান্তভাবে সবার জন্য এর একটা ফয়সালাও দরকার। কোর্টের ওই আদেশ অচল হলে বদলে নিন। আইন থাকবে আর সবাই তা ভাঙবে, সেটা নৈরাজ্য। এভাবে চলতে দিলে আদালত ভেঙে পড়বে।
যার যা খুশি চলতে পারে না
আমরা অসহায় বোধ করি, যখন আমরা শুনি যে, আদালতের কাছে প্রশ্ন না নিয়ে গেলে আদালত নিজ থেকে তা বিচারের বিষয়বস্তুতে পরিণত করেন না। কিন্তু আমরা বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, এই প্রশ্ন নেওয়ার কেউ বারে নেই। কারণ তারা বিভক্ত ও দলানুগত।
২০০৫ সালের হাইকোর্টের আদেশ একই সঙ্গে বহাল থাকবে, আবার একই সঙ্গে সারা দেশে বিক্ষোভ দেখানো হবে, অথচ আদালত সেদিকে দৃষ্টি দেবেন না—এটা হতে পারে না। আদালতের ওই আদেশ যদি সত্যি প্রচলিত আইন হয়ে থাকে, তাহলে ওই আইনজীবীদের অনুরোধ জানাব, আপনি আচরি ধর্ম পরকে শেখাও। ২০০৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অভাবনীয় আদালত বর্জন ছিল সুপ্রিম কোর্টের নিজের রায়ের পরিপন্থী। সম্প্রতি আমরা এও দেখলাম, অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর ভাঙচুরে অংশগ্রহণকারী আইনজীবী বিচারক হিসেবে শপথ নিলেন। প্রধান বিচারপতি বললেন, এতে ‘সংবিধান সমুন্নত’ থেকেছে।
আমরা পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ২০০৫ সালের আদেশ আকাশ থেকে পড়েনি। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট একাধিক মাইলফলক মামলার রায়ে নিশ্চিত করেছেন যে, আদালত চত্বরে বিক্ষোভ দেখানো অসদাচরণ। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট ভয়ভীতি প্রদর্শনপূর্বক হরতালের রাজনীতিকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তাঁরা হুমকি দিয়ে হরতাল ডেকে ক্ষতি করার দায়ে রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়েরও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন মানলে আমাদের আসলে সেখানেও যেতে হবে। না চাইলে যার যা খুশি চলবে। হরতালবিরোধী আইন না করতে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নিঃশর্ত ঘোষণা দুর্ভাগ্যজনক। ভয় দেখিয়ে হরতাল পালন অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। তবে শুরুটা হোক আদালত দিয়ে। কারণ মর্যাদাসম্পন্ন বার ও বেঞ্চ গণতন্ত্রের মুকুটস্বরূপ।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
mrkhanbd@gmail.com
আজ ২৯ নভেম্বর খালেদা জিয়ার বাড়ির মামলার শুনানির দিন ধার্য আছে। আজ শুনানি হতেও পারে আবার না-ও হতে পারে। তবে শুনানি ও সিদ্ধান্ত যখনই হোক, এর সঙ্গে ২০০৫ সালের ২৩ মে (সুয়োমোটো এক্সপার্টি অর্ডার নম্বর ১) বিচারপতি আবদুল মতিনের দেওয়া একতরফা আদেশের কার্যকারিতার প্রশ্ন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ওই আদেশে নিষিদ্ধ বিক্ষোভ আজ ২৯ নভেম্বর সারা দেশের বারে বিএনপির আইনজীবীরা করবেন। এর ফলে তাঁরা সন্দেহাতীতভাবে আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত হবেন। কিন্তু তার কোনো প্রতিকার হবে না। আমরা দেখব, এক ব্যক্তি জেনেশুনে আদালত অবমাননা করছেন। আবার আদালতে তিনি একই অপরাধের দায়ে অন্যকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন। এটা একটা প্রহসন।
পাঠক ভাবতে পারেন যে, আমাদের এই কথাবার্তা সরকারের প্রতি পক্ষপাতমূলক। আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, পুরো ঘটনা জানুন, এই নিবন্ধের পুরোটা পড়ুন, তখন দেখবেন, সরকার আর বিরোধী পক্ষ বলে কিছু নেই। আদালতকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে দুই পক্ষই সমান। বিচারপতি আবদুল মতিনের ওই আদেশ নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহ্বুবে আলমের স্ববিরোধিতা দেখার মতো। ২০০৫ সালে তিনি মুখে কালো কাপড় বেঁধে ওই আদেশের প্রতিবাদ করেছিলেন। ২০১০ সালে এসে বিএনপিপন্থীদের বাড়াবাড়ি দেখে অ্যাটর্নি জেনারেল বিরক্ত। ১১ নভেম্বর তিনি সাংবাদিকদের বললেন, আদালত চত্বরে মিছিল না করার বিষয়ে হাইকোর্টের একটি রায় আছে। আওয়ামী আইনজীবী ফরিদুল আলম (কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক) বিচারপতি মতিনের আদেশের কপিতে বার কাউন্সিল বৈঠকে অগ্নিসংযোগ করেছিলেন। সেই একই জোশ এখন জাতীয়তাবাদীদের পেয়ে বসেছে।
সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় সুপ্রিম কোর্ট ২০০৫ সালে ওই আদেশ দেন। খালেদা জিয়া সেটা অমান্য করবেন। তিনি হুমকি দেবেন। তাঁর সমর্থক আইনজীবীরা ঘোষণা দিয়ে সারা দেশের বারে বিক্ষোভ করবেন। তাঁর নেতৃত্বে ১০৮ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘিত হতে থাকবে, আর ঠিক তখন সুপ্রিম কোর্ট তাঁর অনুকূলে ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় প্রতিকার প্রদানে শুনানি করবেন—সেটা যুক্তিগ্রাহ্য কিংবা প্রীতিপ্রদ মনে হয় না। যদিও আমরা মনে করি, লিভ টু আপিল ও স্থগিতাদেশের শুনানি ঝুলে থাকা অবস্থায় দেশের ছায়া প্রধানমন্ত্রীকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ আইন বা রেওয়াজ সংগত কি না, সেটা বিচারের দাবি রাখে। তবে আমাদের রাজনীতির অনিষ্ট কালচার ক্রমশ আক্ষরিক অর্থে আদালত অঙ্গনে ঢুকে পড়ছে কি না, সেটা আজ এক জ্বলন্ত প্রশ্ন।
আদালত অবমাননা মামলা বনাম অবৈধ নোটিশ
সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়া দুটি আবেদন করেন। একটিতে তিনি নিষেধাজ্ঞা চান। সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় ‘আপিল বিভাগ অবমাননা’ মামলা দায়ের করা হয়েছে। খালেদা জিয়া-সমর্থিত কিংবা নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম লিফলেট প্রচার করেছে। তাতে বলা আছে, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ি ছাড়ার অবৈধ নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে’ বাংলাদেশের সকল জেলা বারে ২৯ নভেম্বর বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হবে। অথচ খালেদা জিয়া বিষয়টিকে ‘সাবজুডিশ’ বিবেচনায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। এই ‘অবৈধ’ শব্দ যদি বিএনপি বলত, তাহলে একটা সান্ত্বনা ছিল। কিন্তু এটা বলছে আইনজীবী ফোরাম। ৩০ নভেম্বর সারা দেশে হরতাল আহ্বান প্রকারান্তরে আদালতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস। এটা হবে আওয়ামী লীগের আগামীর কর্মসূচি। বিত্তশালী শাসকগোষ্ঠীর কাছে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কী, তা আমরা হাড়ে হাড়ে টের পেয়ে চলেছি।
খালেদা জিয়া তিন সচিবসহ আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় আদালত অবমাননার মামলা করেছেন। সরকার খালেদা জিয়াকে বাড়ি ছাড়তে ২৪ মে ২০০৯ চূড়ান্ত নোটিশ দিয়েছিল। এর মূল কথা ছিল, ১৯৮১ সালে তাঁকে যে ইজারা চুক্তির মাধ্যমে বাড়িটি দেওয়া হয়েছিল, সেটি অবৈধ ছিল। গোড়া থেকে বাতিল ছিল। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন খালেদা জিয়া। সরকার নয়, তিনিই বিষয়টিকে আদালতে নিয়ে যান। আদালতে যখন একজন নাগরিক প্রতিকার প্রার্থনা করেন, তখন তিনি স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে অঙ্গীকার করেন যে তিনি রায় মানবেন। খালেদা জিয়া হাইকোর্টের কাছ থেকে ১৩ অক্টোবর রায় পেয়েছেন। এই রায় তাঁর পক্ষে যায়নি। ১০ নভেম্বর এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগ স্থগিতাদেশ দেননি। রীতি অনুযায়ী চাওয়াও হয়নি। কিন্তু তাই বলে ১৩ নভেম্বরে খালেদা জিয়াকে উচ্ছেদ না করলে আদালত অবমাননা ঘটত না। স্থগিতাদেশ না চেয়ে হয়তো ফাঁদ পাতা হয়েছিল, সেই ফাঁদে সরকারি দল পা দিয়েছে। আপিল বিভাগের রায়ের পরে বাড়ি ছাড়তে হলে কান্নাপর্ব থাকত অন্তঃপুরে। আপাতত বিএনপির বিরাট স্বার্থসিদ্ধি, সুপ্রিম কোর্ট ও সেনাবাহিনী নতুন বিতর্কের পাদপ্রদীপে। অবশ্য তাতে অতি উৎসাহীদের পুরস্কৃত হতে আটকাবে না। লক্ষণীয় হলো জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আজকের কর্মসূচি। বাড়ি নিয়ে মামলার মূল বিষয় ছিল ২০০৯ সালের নোটিশ। খালেদা জিয়া উক্তরূপ ‘অবৈধ নোটিশ’ উল্লেখ করাজনিত আদালত অবমাননার দায় এড়াতে পারেন না।
আদালতের কাছে চার প্রশ্ন
চারটি প্রশ্ন আমাদের মনে। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খোন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ ও সম্পাদক মো. বদরুদোজ্জা আদালত অবমাননার আবেদনে তাঁদের পদবি ব্যবহার করেছেন। ১৩ নভেম্বর জারি করা আইনজীবী সনদে বার সভাপতির প্যাড ব্যবহার করেছেন। এ কারণে বার কাউন্সিল অ্যাক্টে বর্ণিত আচরণবিধির লঙ্ঘন ঘটেছে কি না। কারণ খালেদা জিয়া আইনের চোখে তাঁদের কাছে মক্কেল ছাড়া কিছুই নন।
দ্বিতীয়ত, আপিল বিভাগের ১৯৯১ সালের ১০ জুনের একটি রায় অনুযায়ী সরকারি কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল কি না ১৩ নভেম্বরের তথাকথিত আইনজীবী সনদ আমলে নেওয়া।
বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ’৯১ সালে নিম্ন আদালত সনদ পেয়ে কী করবেন, সে বিষয়ে রায় দেন। রীতিনীতি ঠিক করেন। সেটা নির্বাহী কর্তৃপক্ষের জন্যও প্রযোজ্য মনে করি। আপিল বিভাগের যুক্তি হলো, যে ক্ষেত্রে সনদের যথার্থতা নিয়ে নিম্ন আদালত প্রশ্ন তুলবেন, সে ক্ষেত্রে তাঁরা আইনজীবীকে হলফনামা দিতে বলবেন। সন্দেহ না থাকলে তা পালন করতে হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে আদেশ আসেনি বলে আইনজীবীকে অবজ্ঞা করতে পারবেন না। ওই রায়ের মূল কথা হলো, ‘আদালতের আদেশ’ আইনজীবী পৌঁছে দিলে তাঁকে অবিশ্বাস করা যাবে না। এখন প্রশ্ন হলো, আইনজীবী রফিক-উল হক, মওদুদ আহমদ ও বারের সভাপতি ও সম্পাদক উচ্ছেদের দিন ‘আদালতের আদেশ’ জাহাঙ্গীর গেটে পৌঁছে দিয়েছিলেন কি না। রাষ্ট্রপক্ষকে নোটিশ না দিয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে যাওয়ার কি সুযোগ ছিল? আমরা আরও জানতে চাই, প্রধান বিচারপতির বরাতে যা বলা হয়েছে, তা বলার সুযোগ প্রধান বিচারপতির ছিল কি না। না থাকলে এ রকম সনদ জারি করায় ও তা অমান্য হওয়ায় জনগণের কাছে প্রধান বিচারপতি তথা সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা কোথায় দাঁড়াল?
তৃতীয়ত, ‘আইনজীবী সনদে’ আমরা দুই রকম তথ্য দেখি। ১৩ নভেম্বরে সনদ বলেছে, ‘প্রধান বিচারপতি নির্দিষ্টভাবে আশ্বস্ত করেছেন যে, খালেদা জিয়াকে মইনুল রোডের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হবে না।’ আমরা লক্ষ করি, প্রধান বিচারপতির কথিত ওই আশ্বাস ১১ দিনের ব্যবধানে বদলে গেছে। আপিল বিভাগে একই আইনজীবীরা হলফনামা দেন ২৩ নভেম্বর। এতে তাঁরা বলেন, ‘ওই দিন সকাল নয়টায় তাঁরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এবং তাঁকে পরিস্থিতি অবহিত করেন। মাননীয় প্রধান বিচারপতি বলেন, সরকার আবেদনকারীকে তাঁর বাড়ি থেকে সরিয়ে দিতে বাধ্য করতে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে না। এবং তিনি সে কথা হয়তো সৎ বিশ্বাসে বলেছেন, কারণ ২৯ নভেম্বরে লিভ পিটিশন ও স্থগিতাদেশের আবেদন শুনানির জন্য পেন্ডিং রয়েছে। তখন সরকার বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে অবশ্যই কোনো পদক্ষেপ নেবে না।’ প্রধান বিচারপতির বরাতে কথা কিন্তু দুই রকম হলো।
মান্য হচ্ছে না আদালতের আদেশ
এখানে আমরা আরও লক্ষ করি, প্রধান বিচারপতির ওই বক্তব্যকে ২৩ নভেম্বরের আবেদনে ‘আদালতের আদেশ’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। সুতরাং আজকের মামলাগুলোর শুনানি নিঃসন্দেহে দারুণ কৌতূহলোদ্দীপক।
বিচারপতি মো. আবদুল মতিন ও বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ২৩ মে ২০০৫ লিখেছেন, ‘আমরা সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের আওতায় একতরফা আদেশ দিচ্ছি যে, বাংলাদেশ লিগেল প্র্যাকটিশনার এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার ১৯৭২-এর ২০ ধারার আওতায় তালিকাভুক্ত সকল আইনজীবীর জন্য এটা প্রযোজ্য হবে। পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আদালতের চত্বরে কিংবা আদালতে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোন প্রকারের সভা, সমাবেশ বা পিকেটিং বা কোন ধরনের ঘেরাও চলবে না। সুপ্রিম কোর্ট বা বাংলাদেশের কোন আদালত চত্বরে কোন আইনজীবী সমিতি বা ফোরামের (আজ সারা দেশে হাইকোর্টের ওই রায় লঙ্ঘন আন্দোলনের অন্যতম হুকুমদাতা হলেন ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন এমপি) নামে কোনো ধরনের সভা, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট করা যাবে না।’ এমনকি আদালতের ওই আদেশের ৪ নম্বর নির্দেশনায় বলা আছে, ‘এ বিষয়ে কোন লিফলেট (আমাদের হাতে লিফলেট আছে) ব্যানার বা এ সম্পর্কিত কোন বিবৃতি প্রকাশ করা যাবে না। এমনকি গণমাধ্যমেও তা প্রকাশ করতে পারবে না। এ সবকিছুই নিষিদ্ধ করা হল।’
গণমাধ্যমের চেয়ে আইনজীবীদের ওপর বিশেষভাবে ওই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করা হয়েছিল। আদালতের আদেশে আমরা তাই পুনরুক্তি দেখি, ‘আমরা পুনরায় ঘোষণা করছি যে, এই নিষেধাজ্ঞা বিশেষভাবে বাংলাদেশের যে কোন আদালতে কর্মরত আইনজীবীদের ওপর প্রযোজ্য হবে। এর যদি কোন বিচ্যুতি ঘটে তাহলে অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে। অবমাননাকারী থাকা পর্যন্ত বাংলাদেশের যে কোন আদালতে তাঁদের ওকালতি করার অধিকার নিষিদ্ধ থাকবে।’ আদালতের আদেশে আরও বলা হয়েছিল, এই আদেশের কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তারা এই আদেশের বিষয়ে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারবে। এবং সে ধরনের কোনো আবেদন করা হলে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এই আদেশের সমর্থনে এবং নিচের চারজন আইনজীবী অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। তাঁরা হলেন ড. কামাল হোসেন, রফিক-উল হক, মাহমুদুল ইসলাম ও আজমালুল হোসেন কিউসি। আদালতের আদেশে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে দেশের সকল বার অ্যাসোসিয়েশনে এই আদেশের কপি জারি করতে বলা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের প্রতি নির্দেশনা ছিল, সকল জাতীয় দৈনিক ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমের কাছে আদেশের কপি পৌঁছে দেওয়া। নিশ্চয় লক্ষ্য ছিল আদালতের আঙিনার মর্যাদা সুরক্ষা। দলীয় রাজনীতির বিষবাষ্প থেকে আদালতকে রক্ষা করা। কিন্তু বার তা মানছে না। গণমাধ্যমও তা মানছে না। আজ ২৯ নভেম্বর যে সারা দেশের বারে হাইকোর্টের রায়বিরোধী কর্মসূচি হবে, সেটা জনগণ পত্রিকাগুলোর কাছ থেকেই জানতে পারবে। পত্রিকাগুলো এমনভাবে এই খবর প্রকাশ করবে, যাতে মনে হবে তারা বারগুলোর সাংবিধানিক অধিকার অনুশীলনের খবর প্রকাশ করছে। আমাদের সম্মিলিত পলায়নপরতা ও স্ববিরোধিতা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে, এখন আমরা তার ঈষৎ প্রমাণ হাতেনাতে পেতে সচেষ্ট হব।
তখন আওয়ামী লীগ এখন বিএনপি
২০০৫ সালে আদালতের আদেশে অগ্নিসংযোগকারী ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছিল। শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের পরামর্শে তিনি তখন নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহ্বুবে আলম ওই সময় সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ছিলেন। সম্পাদক ছিলেন ইনায়েতুর রহিম (বর্তমানে হাইকোর্টের বিচারক)। সেদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ছিল আওয়ামী লীগারদের হাতে। এখন যেমন বিএনপির হাতে। তাই ওই রায়ে সেদিন সন্তুষ্ট হয়েছিল বিএনপি। ক্ষুব্ধ হয়েছিল আওয়ামী লীগ। ‘সংবিধান ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সমুন্নত’ রাখতে উচ্চ আদালতের ওই আদেশ তারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট বারের ব্যানারে লেখা হয়েছিল, ‘অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার।’ সেদিন যাঁরা আদালতের আদেশ লঙ্ঘনের পক্ষে উচ্চকিত ছিলেন, তাঁরা আজ কে কোথায় সেটা দেখুন, তাহলেই বুঝবেন। পুরোভাগে ছিলেন শফিক আহমেদ, যিনি বর্তমানে আইনমন্ত্রী, ছিলেন সাহারা খাতুন, যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আইনজীবীদের অসদাচরণ দেখার দায়িত্ব বার কাউন্সিলের। এর চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল। এর ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাছেত মজুমদার। তিনিও কালো কাপড় বাঁধা আন্দোলনের প্রধান পুরোহিত ছিলেন।
আজ সারা দেশে বিএনপি ও আওয়ামী আইনজীবীরা পাল্টাপাল্টি আদালত অবমাননা-উৎসবে মেতে উঠবেন। পত্রিকাগুলো সেসব উদ্যাপনের খবর ছাপবে। এই হচ্ছে একটি জাতির আয়না। এমন একটি আয়নায় যাতে সত্যিকার অর্থে ‘আমরা’ সবাই একযোগে চেহারা দেখে নিতে পারি। আমরা ওই রায়টি পেয়েছিলাম কোনো মহৎ উপলক্ষে নয়। জাল সনদে বিতর্কিত বিচারপতি ফয়জীকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনরত আওয়ামী আইনজীবীদের বাগে আনার প্রেক্ষাপটে। কিন্তু সে প্রসঙ্গ তুলে আমরা ওই রায়কে খাটো করতে পারি না। কারণ বিশ্বের কোনো আদালতে এ রকম দলবাজির নজির নেই। কোনো দেশের সুপ্রিম কোর্ট মানতে পারেন না যে, আদালতের আঙিনায় তথাকথিত কর্মসূচি চলবে। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট বহু মামলায় চূড়ান্তভাবে সুরাহা দিয়েছেন এবং সে দেশের আইনজীবী সমাজ মেনেছে যে, আদালত গন্ডগোল পাকানোর স্থান নয়।
২০০৫ সালে আমরা দেখেছি, আমাদের আইনজীবী নেতারা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মুখে কালো কাপড় বেঁধেছিলেন। আমরা স্তম্ভিত বিস্ময়ে লক্ষ করি, সেই আইনজীবীরাই এখন ওই রায়ের সুবিধা পেতে চান। দুই বিচারককে শপথ পড়ানোর পর খোদ অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিছিল ও স্লোগান দিয়ে আদালতের নির্দেশের পরিপন্থী কাজ করা হয়েছে।’ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, আদালতের বিরুদ্ধে ৩০ নভেম্বর হরতাল ডাকা হয়েছে।
তাই আমরা ভারাক্রান্ত হূদয়ে নিবেদন রাখি, ২০০৫ সালের সুয়োমোটো এক্সপার্টি অর্ডার নম্বর ১ ফয়সালা না করে আজ খালেদা জিয়ার শুনানি চলতে পারে কি পারে না। আজ এ প্রশ্ন তোলা হলে হয়তো বিএনপি বিব্রত হবে, তবে চূড়ান্তভাবে সবার জন্য এর একটা ফয়সালাও দরকার। কোর্টের ওই আদেশ অচল হলে বদলে নিন। আইন থাকবে আর সবাই তা ভাঙবে, সেটা নৈরাজ্য। এভাবে চলতে দিলে আদালত ভেঙে পড়বে।
যার যা খুশি চলতে পারে না
আমরা অসহায় বোধ করি, যখন আমরা শুনি যে, আদালতের কাছে প্রশ্ন না নিয়ে গেলে আদালত নিজ থেকে তা বিচারের বিষয়বস্তুতে পরিণত করেন না। কিন্তু আমরা বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, এই প্রশ্ন নেওয়ার কেউ বারে নেই। কারণ তারা বিভক্ত ও দলানুগত।
২০০৫ সালের হাইকোর্টের আদেশ একই সঙ্গে বহাল থাকবে, আবার একই সঙ্গে সারা দেশে বিক্ষোভ দেখানো হবে, অথচ আদালত সেদিকে দৃষ্টি দেবেন না—এটা হতে পারে না। আদালতের ওই আদেশ যদি সত্যি প্রচলিত আইন হয়ে থাকে, তাহলে ওই আইনজীবীদের অনুরোধ জানাব, আপনি আচরি ধর্ম পরকে শেখাও। ২০০৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অভাবনীয় আদালত বর্জন ছিল সুপ্রিম কোর্টের নিজের রায়ের পরিপন্থী। সম্প্রতি আমরা এও দেখলাম, অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর ভাঙচুরে অংশগ্রহণকারী আইনজীবী বিচারক হিসেবে শপথ নিলেন। প্রধান বিচারপতি বললেন, এতে ‘সংবিধান সমুন্নত’ থেকেছে।
আমরা পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ২০০৫ সালের আদেশ আকাশ থেকে পড়েনি। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট একাধিক মাইলফলক মামলার রায়ে নিশ্চিত করেছেন যে, আদালত চত্বরে বিক্ষোভ দেখানো অসদাচরণ। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট ভয়ভীতি প্রদর্শনপূর্বক হরতালের রাজনীতিকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তাঁরা হুমকি দিয়ে হরতাল ডেকে ক্ষতি করার দায়ে রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়েরও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন মানলে আমাদের আসলে সেখানেও যেতে হবে। না চাইলে যার যা খুশি চলবে। হরতালবিরোধী আইন না করতে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নিঃশর্ত ঘোষণা দুর্ভাগ্যজনক। ভয় দেখিয়ে হরতাল পালন অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। তবে শুরুটা হোক আদালত দিয়ে। কারণ মর্যাদাসম্পন্ন বার ও বেঞ্চ গণতন্ত্রের মুকুটস্বরূপ।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
mrkhanbd@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 28
(106)
- বলিউডে ডিভোর্সিদের জয়জয়কার
- বেগম হওয়ার যন্ত্রণা
- সাত রহস্য
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-জগদীশচন্দ্র বসুর কথা বলি by সুরঞ্জিত ...
- খেলা-টেস্ট ক্রিকেটে ১০ বছর ও কিছু করণীয় by আখতার হ...
- তথ্যপ্রযুক্তি-ইইএফের নীতিমালায় পরিবর্তন জরুরি by স...
- ইউরোপের চিঠি-ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাজনীতির নতুন...
- বাঘা তেঁতুল-উপদেশের খেসারত by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-প্রধানমন্ত্রী কি হরতাল চান? by আনিসুল হক
- দ্রুত ভর্তি ফি নির্ধারণ করুন-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ
- শীর্ষ অপরাধীদের রক্ষার পথ পরিহার করুন-খুনের মামলা ...
- রসাল ও অন্য গাছেরা by জি এম তানিম
- নবজীবন-স্রোত
- চোখে কাজল দেওয়ার সময় মুখ হাঁ হয়ে যায় কেন? by আব্দু...
- অহেতুক কৌতুক
- এ রহস্যের সমাধান কি অমীমাংসিতই থেকে যাবে?-রহস্যময় ...
- স্মরণ-তুমি রবে নীরবে: স্মৃতিতে ও সত্তায় by মামুনুর...
- দূর দেশ-২০১৩ সাল অনেক দূরে নয় by আলী রীয়াজ
- মুক্তিযুদ্ধ-বক্তাবলী গণহত্যা ও প্রতিরোধ দিবস by রফ...
- জলবায়ু সম্মেলন-আমি কেন কানকুনে যাচ্ছি? by মেরি রবিনসন
- সরল গরল-মহামান্য আপিল বিভাগের কাছে একটি নিবেদন by ...
- জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে-পাহাড় ক...
- হরতালের নামে কোনো পক্ষের বাড়াবাড়ি কাম্য নয়-আমরা উদ...
- চারদিক-আমরা তো কাঁদছিই by নেয়ামতউল্যাহ
- খোলা হাওয়া-আমাদের রাজনীতিতে বখাটেপনা by সৈয়দ মনজুর...
- কৃষি-বরেন্দ্রভূমির কৃষকের বীজবিদ্রোহ by পাভেল পার্থ
- রাজধানী-ঢাকা নয়, অন্য কোথা অন্য কোনোখানে by উম্মে ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-বাংলাদেশের পণ্য পেলে কেন দুই হাজা...
- এ বিজয় সব ক্ষেত্রে সফলতার অনুপ্রেরণা জোগাক-ক্রিকেট...
- এই খাতের বিকাশে এখন প্রয়োজন সরকারের সমর্থন-জার্মান...
- গন্তব্য ঢাকা-মন চায় এখনই গ্রামে চলে যাই by শর্মিলা...
- বন্য প্রাণী সংরক্ষণ-বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে হাঁক, দ্বিগ...
- স্মরণ-একজন শহীদ জননীর কথা by সেলিনা আখতার
- গোধূলির ছায়াপথে-এই দীনতা ক্ষমা করো প্রভু... by মুস...
- জীবনের সাইকেল-বিভ্রান্ত জনগণ by মামুনুর রশীদ
- কালের পুরাণ-সংসদীয় গণতন্ত্র, না ভানুমতির খেল by সো...
- এখান থেকেই সুন্দর ভবিষ্যতের শুরু-প্রাথমিক শিক্ষা স...
- প্রতিবাদের নামে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা কাম্য নয়-ক্যাম্...
- চারদিক-ঠিকানাবিহীন চিঠি by ফারহানা ইসলাম
- মিডিয়া ভাবনা-ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নীতিমালা by মুহাম্...
- ধর্ম-এইডস প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা by মুহাম...
- নিরাপদ সড়ক-সাইফ তোমাকে ভুলিনি আমরা by তারানা হালিম
- সাদাসিধে কথা-দুঃখটাকে ভাগাভাগি করি by মুহম্মদ জাফর...
- সংযম দেখাতে হবে দুই পক্ষকেই-কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা
- সংঘাতের পুরোনো পথেই দেশের রাজনীতি-হরতাল ও সংসদ বর্জন
- বাকলিয়ায় পানিবন্দী জীবন-‘পানি উঠলে চুলা জ্বলে না’
- আজ মাদকবিরোধী দিবস-অপরাধে জড়াচ্ছে কিশোরেরা by মিঠু...
- চকবাজার, বাদুরতলা, কাতালগঞ্জ-পানি ঢোকে ঘরে ঘরে by ...
- বহদ্দারহাট থেকে কালুরঘাট-বৃষ্টি হলেই ডুবছে সড়ক by ...
- তিন সেতুর জন্য নগরে জলাবদ্ধতা by হামিদ উল্লাহ
- পুনর্মিলনীর পর সাউন্ডগার্ডেন by মনোয়ারুল হক
- নাটকের ক্লাস-অন্য রকম ভাষা by আব্দুল্লাহেল মাহমুদ
- আলী মাহমুদ ৫ প্রশ্ন
- মহড়াকক্ষ থেকে-টার্গেট প্লাটুন by জাহীদ রেজা নূর
- আধেক ঘুমে অর্ণব by মেহেদী মাসুদ
- স্মরণ-স্বাপ্নিক এক তরুণের বিদায় by নূর কামরুন নাহার
- শ্রমবাজারে বিপর্যয়
- জনজীবনে অশান্তি, প্রশাসন নির্বিকার
- পবিত্র কোরআনের আলো-আল্লাহ তায়ালা যাকে চান তাকে সাহ...
- সি উদয় ভাস্কর-উত্তপ্ত মিসর
- ব্লগ থেকে...
- ব দ লে যা ও ব দ লে দা ও মি ছি ল ব দ লে যা ও ব দ লে...
- পুষ্টির অভাব দূর করতে টেকসই পদক্ষেপ নিন-অপুষ্টির ক...
- দুর্গত মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন-ভারী বর্ষণ, পা...
- পাকিস্তানের আটটি জাতীয় ভাষার স্বীকৃতি ও রাজনৈতিক ব...
- জনতার কাঠগড়ায় মন্ত্রীরা by ড. তারেক শামসুর রেহমান
- চরাচর-পদ্মার তীরে গণহত্যা by ওয়ালিউর রহমান বাবু
- কালের যাত্রা by পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
- এখনই প্রয়োজন ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের by সৈয়দ মাহ...
- নারী, গণমাধ্যম ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সমস্যা by সেলি...
- জারদারির মামলা সচল করতে এবার আশরাফকে নির্দেশ
- বিমানবন্দর খুলবে আজ-ট্রেনযাত্রীরা ওঠানামা করবেন সী...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- সংবর্ধনা-বিনয়ী হতে হবে
- আবেদন মঞ্জুর-হাসপাতালে সাঈদীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সহ...
- সিলেটে বন্যা-পরিস্থিতির অবনতি, দুজনের মৃত্যু
- রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে ফেরে আহবান যুক্...
- সিটিসেল যেকোনো মোবাইল সেটে!-জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহ...
- সংসদে 'অর্থ বিল ২০১২' পাস-মোবাইল ফোন বিলে কর প্রত্...
- বিএনপি নেতারা বললেন-গণ-আন্দোলনে সরকারকে টেনেহিঁচড়ে...
- আজ-কাল-পরশু-তত্ত্বাবধায়ক-প্রশ্নে গণভোট হোক by মুহা...
- আজ চালু হতে পারে-সিটি করপোরেশনের গাফিলতিতে চট্টগ্র...
- সংসদে শেখ হাসিনা-এত সস্তা বিদ্যুৎ পৃথিবীর আর কোথাও...
- বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে পাহাড়ধস ও বজ্রপা...
- কয়েক গুণ বেশি দামে ৪টি ফ্ল্যাট কিনছে ইসি by টিপু...
- সিলেট শহরে ঢুকে পড়েছে পানি
- কক্সবাজার ট্র্যাজেডি-ভেসে গেছে ঘরবাড়ি by রফিকুল ইস...
- বান্দরবান ট্র্যাজেডি-কয়েক ঘণ্টায় লামা মৃত্যুপুরী b...
- চট্টগ্রাম ট্র্যাজেডি-গাছের গুঁড়িকেও লাশ মনে হয় by ...
- ১০৬ জনের মৃত্যু-চট্টগ্রাম বান্দরবান কক্সবাজারে পাহ...
- রমজানে পণ্যমূল্য-সহনীয় রাখতে সদিচ্ছাই যথেষ্ট
- চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভয়াবহ বিপর্যয়-দুর্দশাগ্রস্ত মানুষ...
- চরাচর-ছাদে বাগান by সাজ্জাদ কবির
- মুন্সীগঞ্জে নদীভাঙন আতঙ্ক by মো. আরিফুর রহমান
- সামাজিক যোগাযোগ হোক ইতিবাচক by ইমদাদ হক
- কোণঠাসা পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ দরকার টেকসই পদক্ষেপ
- মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় কেন আগ্রহী নয় by মাহফুজুর ...
- ইতিহাস-ঐতিহ্যের আয়না by সুভাষ সাহা
- অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্তাব by কামাল লোহানী
- উন্নয়ন-চরাঞ্চলে চাই নতুন কর্মসংস্থান by জাহিদ রহমান
- শুভ জন্মদিন-স্বপ্নের বীজ বুনে চলা দেশ-দেশান্তরে by...
- রেলপথ-পকেটমার দৌরাত্ম্য
- বর্ষণ বিপর্যয়-পাহাড়ে লাশের মিছিল কি থামবে না?
- আমরা খাবার থেকে নিয়মিত বিষ গ্রহণ করছি by আমির খান
- রূপকল্প যেন রূপকথা হয়ে না যায় by শামসুল আরেফিন খান
- সাদাকালো-মহাসংকটের মুখে নাসেরের দেশ মিসর by আহমদ রফিক
-
▼
Jun 28
(106)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment