Saturday, January 26, 2013
২০৩০ সালের বিকল্প বিশ্ব- মধ্যপ্রাচ্য এখন প্রান্ত বিন্দুতে by মাসুমুর রহমান খলিলী
২০৩০ সালের বিকল্প বিশ্ব- মধ্যপ্রাচ্য এখন প্রান্ত বিন্দুতে by মাসুমুর রহমান খলিলী
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স
কাউন্সিল পাঁচ বছর পরপর বিশ্ব পরিস্থিতির প্রবণতা বিশ্লেষণ করে ১৫ বা ২০
বছর পরবর্তী সময়ে পৃথিবীর কী দৃশ্যপট সৃষ্টি হতে পারে তার চিত্র তুলে ধরে।
বিশ্বব্যাপী নানা স্থানের বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা, মতবিনিময়,
তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এ ভবিষ্যৎ কল্পচিত্র আঁকা হয়। ২০১৫ সালের
কল্পচিত্র বছর দশেক আগে তুলে ধরা হয়েছিল। সে প্রতিবেদনে যে সম্ভাব্য
দৃশ্যপটের ধারণা ছিল, তার কিছু কিছু আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি। আবার কিছু
ধারণা বাস্তবতার সাথে এখনো মিলছে না। এরপর ২০২০ ও ২০২৫ সালের সম্ভাব্য
বিশ্ব নিয়ে আরো দুটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। কয়েক দিন আগে ২০৩০ সালের
প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কাউন্সিল (এনআইসি)। বিশ্বের
ভবিষ্যৎ প্রবণতা বোঝার জন্য এনআইসি’র এই ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড ২০৩০ :
অলটারনেটিভ ওয়ার্ল্ডস’ বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হতে পারে। এই প্রতিবেদনের
তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দেশ মহাদেশের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। ২০৩০
সালের মধ্যপ্রাচ্য হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক স্থান। তবে ভঙ্গুর প্রবৃদ্ধি,
অব্যাহত অস্থিরতা ও সম্ভাব্য আঞ্চলিক সঙ্ঘাত ব্যাপক ব্যাপ্তি পেতে পারে।
জনসংখ্যামিতির দিক থেকে প্রজনন উর্বরতার ক্রমহ্রাস প্রবণতার কারণে
সাম্প্রতিক আরব বসন্তের চালিকাশক্তি যুব স্ফীতি ক্রমেই বয়সীস্ফীতি হয়ে
উঠবে। তেল-গ্যাসের বিকল্প জ্বালানি উৎসের নতুন বিকল্প প্রযুক্তি উদ্ভাবনের
প্রেক্ষাপটে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য
আনতে হবে। বিশ্বের অন্যান্য উদীয়মান শক্তির মতো উচ্চ জনসংখ্যাবহুল
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব বাড়াতে
সচেষ্ট হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে প্রাথমিকভাবে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক উন্নয়নের ওপর। ইরানের ক্ষমতায় যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রবাদীরা থাকেন আর পারমাণবিক শক্তি অর্জনে দেশটি সমর্থ হয় তাহলে মধ্যপ্রাচ্য একেবারে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি হবে। সৌদি রাজতন্ত্র ভেঙে পড়লে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ধস নামতে পারে। আর মিসরে আমূল পরিবর্তনকামী ইসলামি সরকার হলে তা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। নৃতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় উপাদান ভিত্তিতে বিভাজন ইরাক ও সিরিয়ার বর্তমান সীমানায় পরিবর্তন আনতে পারে। অন্য দিকে এসব দেশে মধ্যপন্থী গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় গেলে অথবা ইসরাইল-ফিলিস্তিন সঙ্ঘাতের সমাধানে সমঝোতায় সাফল্য এলে তা ইতিবাচক পরিবেশ নিয়ে আসতে পারে।
এ অঞ্চলে ভবিষ্যৎ সম্পাদনার ক্ষেত্রে ছয়টি মুখ্য নির্ধারক বিষয় রয়েছে। এগুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।
এক. রাজনৈতিক ইসলাম ক্ষমতায় গিয়ে কি মধ্যপন্থা গ্রহণ করবে?
২০ বছর আগে আলজেরিয়ার নির্বাচনে ইসলামি স্যালভেশন ফ্রন্টের ব্যর্থ বিজয়ের পর ‘রাজনৈতিক ইসলাম’ সুন্নি বিশ্বে বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠতে দেখা যায়। তুরস্কে জাস্টিজ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি (একেপি), মিসরের ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিজ পার্টি, তিউনিশিয়ায় আননেহদা, গাজায় হামাস এবং লিবিয়া ও সিরিয়ায় ইসলামপন্থীদের সম্ভাব্য বিজয় মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনীতিতে গভীর পরিবর্তন নিয়ে আসছে। মিসরের মতো দেশে ইসলামি দলগুলো নিম্ন মধ্যবিত্তদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা জাল বিস্তৃত করতে চাইছে; সরকারি খাতে হাজার হাজার নতুন চাকরি সৃষ্টি করছে, খাদ্য ও জ্বালানিতে ভর্তুকি বজায় রাখছে। এসব নীতি দীর্ঘ দিন বজায় রাখা সম্ভব হয় না। ক্ষমতাসীন ইসলামি দলগুলোকে অধিকতর বাজারমুখী হতে হবে। তাদের মুসলিম ব্রাদারহুডের যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে হবে, যাতে এসব ‘নিউ গার্ড’ ও অন্যরা অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে পারে।
সময়ের সাথে সাথে রাজনৈতিক বাস্তববাদিতা আদর্শকে ছাড়িয়ে যেতে পারে যা একটি সুশীলসমাজ সৃষ্টিতে সাহায্য করবে। এটি বাস্তববাদী, উদ্যোগী ও সমাজ নেতাদের নতুন এক শ্রেণী তৈরি করবে। একনায়কতান্ত্রিক শাসকেরা এটি অব্যাহতভাবে ঠেকিয়ে রাখতে চেয়েছিল।
ইসলামি গণতন্ত্র অনিবার্যভাবেই বৈচিত্র্যপূর্ণ রাজনৈতিক আভা সৃষ্টি করবে। তিউনিশিয়ায় ইসলামি দলগুলো একটি থেকে আরেকটি আলাদা। তবে এর সব ক’টি নতুন একনায়ক-উত্তর শাসনব্যবস্থায় তাদের আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। আসাদ-উত্তর সিরিয়ায় নগরকেন্দ্রিক সুন্নিদের একটি কোয়ালিশন ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে, যার মধ্যে মুসলিম ব্রাদারহুড, ধর্মীয় সংখ্যালঘু দ্রুজ কুর্দ এবং অন্যরাও থাকবে। ৪০ বছর আগে হাফেজ আল আসাদ ক্ষমতা গ্রহণের আগে বারবার নগরকেন্দ্রিক সুন্নিরা দামেস্ক শাসন করেছে, আর সরকারে সৃষ্টি হয়েছে অস্থিরতা। ১৯৬০-এর দশকের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে সিরিয়া। ইরাকে সরকার ইতোমধ্যে বর্ণগত বিভাজনের ইঙ্গিত দিতে শুরু করেছে। এ ক্ষেত্রে শিয়ারা সুন্নি আরব ও কুর্দিদের সাথে ক্ষমতার ভাগাভাগি করতে চায়।
দুর্নীতি এবং অব্যাহত বেকারত্ব চলতে থাকলে অথবা সমাজের কর্মজীবী শ্রেণীর বিপুল সংখ্যক মানুষ যদি মনে করতে থাকেন নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারে তাদের জীবনমান কোনোভাবেই উন্নত হচ্ছে না, তাহলে এটি আমূল পরিবর্তনকামী রাজনীতিবিদদের প্রতি তাদের ঝোঁক সৃষ্টি করতে পারে। কট্টর ইসলামপন্থীরা পশ্চিমা পুঁজিবাদ ও গণতন্ত্রের সুস্পষ্ট বিকল্প হিসেবে রক্ষণশীল ধর্মীয় নীতিমালাভিত্তিক বিকল্প শাসনে জনগণকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে।
দুই. রূপান্তরকালে সরকার গণবিভাজন কি দূর করতে পারবে?
রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান দুর্বলতা আর বর্ণ, সম্প্রদায় ও গোত্রবাদ বেড়ে যাওয়ায় অব্যাহত অস্থিরতা এ অঞ্চলের বৈশিষ্ট্যে পরিণত হতে পারে। ইরাক, লিবিয়া, ইয়েমেন, সিরিয়ায় এ ধরনের গোত্র ও সম্প্রদায়গত উত্তেজনা বেশি দেখা দিতে পারে। যেমন দেশে সংখ্যালঘুদের সাথে নিয়ে একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো আগে দমন-পীড়নের মাধ্যমে এ ধরনের বর্ণগত বিরোধকে দমন করেছে।
ইরাক ও সিরিয়ার ক্ষেত্রে এটি ছিল আরো বেশি মাত্রায় সত্য। কুর্দ এলাকার বাস্তবতা হলো কুর্দিস্তান সৃষ্টি করার মতো নয়। ইয়েমেন একটি দুর্বল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে আগের মতো আবারো ভাগ হয়ে যেতে পারে। যেকোনো দৃশ্যপটেই দুর্বল কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সাথে নিরাপত্তা সঙ্কটটিও সেখানে থেকে যাবে। বিশাল যুবশক্তির (যা এখনকার দুই কোটি ৮০ লাখ থেকে ২০২৫ সালে পাঁচ কোটিতে উন্নীত হবে) দেশে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বড় সঙ্কট তৈরি করবে। বাহরাইন সুন্নি-শিয়া দ্বন্দ্ব-সঙ্ঘাতের একটি ক্ষেত্র হয়ে থাকবে, যেটি উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে রাখবে।
সময় গড়ানোর সাথে সাথে চলমান সহিংসতা গণতান্ত্রিক শাসনের প্রতি সমর্থনকে কমিয়ে আনতে পারে আর লৌহমানব ধরনের একনায়কের উত্থানে এসব দেশ থেকে আবার উদার গণতন্ত্র বিদায় নিতে পারে। আঞ্চলিকভাবে দুর্বল সরকার অভ্যন্তরীণ সহিংসতার চক্র তৈরি করতে পারে। আর জনগণের মধ্যে বিরোধের কারণে তারা শক্তিমান ভূমিকা রাখতে পারবে না। এতে অনারব শক্তিগুলো বিশেষত তুরস্ক, ইরান, ইসরাইল এ অঞ্চলে বড় খেলোয়াড়ে পরিণত হতে পারে।
তিন. মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো কি অর্থনীতিতে স্থিতি ও বিশ্বায়নের ঢেউয়ে আরোহণ করতে পারবে?
এসব দেশের জন্ম হার কমলেও ২০৩০ সাল পর্যন্ত যুবস্ফীতি অব্যাহত থাকবে। সেই সাথে ২০৩০ সাল নাগাদ বয়স্ক মানুষগুলো ভালো কল্যাণ ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা সঙ্কটে পড়বে। বিশ্ব প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের (এফডিআই) মাত্র দুই শতাংশ এখন যায় মধ্যপ্রাচ্যে। আর এ অঞ্চলে জ্বালানি, পর্যটন ও আবাসনের বাইরে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট হয় একেবারে সামান্য। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। আর এই অঞ্চলটি হলো বাণিজ্য ও অর্থায়নের ক্ষেত্রে একেবারে স্বল্প সমন্বিত একটি এলাকা। মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহ্যগত বাণিজ্য অংশীদার হলো ইউরোপ, যেটি এখন শ্লথ প্রবৃদ্ধির সঙ্কটে নিপতিত। যদিও অন্য বাণিজ্য অংশীদার সাব সাহারা অঞ্চলের অর্থনীতি এখন বিকশিত হচ্ছে এবং তাদের সুবিধা আরো বাড়তে পারে।
ধনী উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলো এ ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে। জিসিসির ‘সভরেন ওয়েলথ ফান্ড’ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্য তহবিল ও সম্পদ সৃষ্টি করেছে। আর জিসিসির জ্বালানি বিক্রির অর্থকড়িও মিসর, লিবিয়া ও তিউনিসিয়াসহ স্থানীয় ও আঞ্চলিক বাজারে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। জিসিসি দেশগুলো এখন অধিক মূল্যসংযোজনের পণ্য সৃষ্টির জন্য তাদের তেলকে পরিশোধিত ও পেট্টো কেমিক্যাল করে রফতানি করছে। উপসগারীয় দেশগুলো এশিয়া, ইউরোপ বা অন্য এলাকার বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণ কেন্দ্র। তবে এখনো পর্যন্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর অবস্থা হলো মজুত গ্যাস ও তেল ক্ষেত্র থেকে উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ালে তাদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। জ্বালানির উচ্চমূল্যকে এটি নিচে নামিয়ে আনে। সৌদি আরবের তেলের জন্য রাজস্ব ব্রেকইভেন মূল্য বিবেচনায় প্রতি ব্যারেলের দাম ৬৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে সম্প্রতি ১০০ ডলারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নির্দেশিত বাজেট ব্যয়ের চক্রবৃদ্ধি জ্বালানি তেলের দাম বাড়াচ্ছে। অভ্যন্তরীণ ব্যবহার সঙ্কুুচিত করতে পারে বলে নিজস্ব বাজারে তেল দাম বাড়ানো হচ্ছে না। এর পরও সৌদি আরব ২০৩৭ সালে নিট জ্বালানি আমদানিকারকে পরিণত হতে পারে।
চার. আঞ্চলিক শক্তি হিসাবে ইরান কিভাবে ব্যবহার করবে?
ইরানের প্রভাব দেশটির পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে পড়েছে। আমাদের অনেক আলোচকই মনে করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়নের কাজ বন্ধ করবে। তবে এ ধরনের অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের পর্যায়ের পৌঁছবে। এ দৃশ্যপটে পারমাণবিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ব্যবস্থার ভঙ্গ হওয়াটি নিশ্চিত হবে এটি। সৌদি আরব নিজেরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে অথবা পাকিস্তানের কাছ থেকে তা পেতে চাইবে। পারমাণবিক ইরানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুরস্কও নিজস্ব পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে চাইবে অথবা ন্যাটোর প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেতে চাইবে। ইরান সৌদি আরব বা এ অঞ্চলের অন্য কেউ পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে চাইলে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও সম্ভবত জর্ডান জ্বালানি খাতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা শুরু করতে পারে। এটি হয়ে থাকলে এই অঞ্চলটি অব্যাহত সঙ্কট দেখা দেবে আর শিয়া-সুন্নি ও আরব-পারস্য সঙ্ঘাত বাড়বে। এ অঞ্চলের বাইরেও অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
দ্বিতীয় দৃশ্যপটটি ইরানি শাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট। জনগণের মধ্য থেকে এ মর্মে চাপ আসতে পারে যে, পারমাণবিক অস্ত্রের পরিবর্তে অর্থনৈতিক অগ্রগতিই তাদের অধিক কাম্য। এ কারণে তারা আর আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার মূল্য দিতে চায় না। এমনকি অভ্যন্তরীণ এলিট সঙ্ঘাত ও জনবিস্ফোরণে শাসকদের পতনও ঘটতে পারে। এ দৃশ্যপটে তেহরান অর্থনৈতিক আধুনিকায়ন, অধিক পশ্চিমাপন্থী গণতান্ত্রিক ইরানের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেবে।
পাঁচ. ইরসাইল-ফিলিস্তিন কি সমঝোতায় পৌঁছতে পারবে, যা আঞ্চলিক স্থিতি সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেবে?
ইসরাইলে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বিভাজন ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। এর এক দিকে রয়েছে তারা যারা ১৯৪৮ সালে ইসরাইলের প্রতিষ্ঠাকালীন সম্প্রদায়গত উদার প্রজাতন্ত্র চায় আর যারা ধর্মীয়ভাবে রক্ষণশীল উগ্র হেয়ারডিম ও অভিবাসী আন্দোলনে ধারক ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার আলোকে তারা বৃহত্তর ইসরাইল দেখতে চায়। এনআইসি’র সাথে আলোচনাকারী বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, এ বিভাজন ২০৩০ সালের আগে চরম রূপ নেবে। ইসরাইল সামরিক শক্তি হিসেবে শক্তিমান থাকবে, তবে ইরানের পারমাণবিক হুমকির সাথে সাথে স্বল্প মাত্রার যুদ্ধাস্ত্রের হুমকির মধ্যেও থাকবে দেশটি। আরবদের জনমত ক্রমেই এমন পর্যায়ে পৌঁছবে যে, সেসব দেশের সাথে ইসরাইলের কৌশলী দেনদরবারের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়বে। তবে দেশটি আরব প্রতিপক্ষের সাথে সঙ্ঘাত উসকে ওঠার বিষয়টি এড়িয়ে চলবে।
আগামী দুই দশকে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সঙ্ঘাত নিরসনে পদক্ষেপ এই অঞ্চলে নাটকীয় অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে। ইসরাইলের জন্য সঙ্ঘাতের স্থায়ী সমাধান আঞ্চলিক সম্পর্কে এমন সুযোগ খুলে দেবে যা আজকের দিনে কল্পনাও করা যায় না। ফিলিস্তিন সঙ্ঘাতের পরিসমাপ্তি ইরান ও এর প্রতিবেশী শিবিরের জন্য কৌশলগত বিপত্তি নিয়ে আসবে। আর সময়ের আবর্তনে হিজবুল্লাহ ও হামাসের মতো গ্রুপগুলোর প্রতি জনসমর্থন কমে যাবে। কোনো ধরনের সমাধান না হলে ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের সীমিত রাজনৈতিক অধিকার দান ও গাজার অস্থিতিশীলতা নিরসনে দরকষাকষিকে নিজের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করবে।
আলোচনাকারীদের অনেকে মনে করেন, আরব-ইসরাইল বিরোধে কান্তি, ইসরাইলের অনীহা ও ফিলিস্তিনিদের ইতিহীন সঙ্ঘাতে জড়িয়ে পড়ার অবস্থা থেকে ফিলিস্তিনিরা সামনে এগুতে চাইতে পারে। প্রত্যাবর্তনের অধিকার অসামরিকীকরণ ও জেরুসালেমের মতো ইস্যু ২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি নিষ্পত্তি হবে না। তবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে অগ্রগতি হবে। সমন্বিত একপাক্ষিকতার মতো অনানুষ্ঠানিক স্বাধীনতার তৎপরতার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিরা রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার পথে আস্তে আস্তে এগিয়ে যাবে। হামাস ইরান ও সিরিয়ার বলয় থেকে বেরিয়ে সুন্নি আরব বলয়ে চলে আসায় রামাল্লার ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ ও গাজার হামাসের মধ্যে ঐক্য-সম্ভাবনা বাড়বে। কিছুটা বিন্যাস ও ভূমি বিনিময়সহ ১৯৬৭ সালের সীমানার সবুজ রেখা বরাবর হবে ফিলিস্তিনের সীমান্ত। তবে অন্য ইস্যুগুলো অনিষ্পন্ন থেকে যেতে পারে।
ছয়. বাহরাইনের বাইরে সৌদি আরব ও অন্য উপসাগরীয় রাজতান্ত্রিক দেশগুলো আরব বিশ্বে পরিবর্তন ও শাসন পাল্টানোর আন্দোলন থেকে মুক্ত থাকবে কি?
সৌদি আরবের রাজনৈতিক অস্থিরতা ব্যাপকভাবে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাকে অন্যত্র ছড়িয়ে দেবে। দেশের অভ্যন্তরে প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপগুলো ক্ষমতার প্রতিযোগিতার মধ্যে জড়িয়ে যাবে। এর মধ্যে মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে সংশ্লিষ্ট গ্রুপ, আমূল পরিবর্তনকামী ইসলামি চরমপন্থী, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ও শিয়া গ্রুপগুলোও থাকবে। মিসরে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপান্তর জটিল ও অস্পষ্ট হয়ে থাকতে পারে। অন্য সুন্নি রাজতান্ত্রিক দেশগুলো রাজনৈতিক সংস্কার দাবি বা অভ্যন্তরীণ জাগরণের মতো ঘটনার চাপে থাকতে পারে। লেবানন, ফিলিস্তিন, ইরাক ও অন্য অঞ্চলে সৌদি আরব তার সুন্নি মিত্রদের সমর্থনে তার প্রভাবকে কাজে লাগাবে। তবে এ ধরনের সমর্থনের ওপর গ্রুপগুলোর দীর্ঘ নির্ভরতা তাদের দুর্বল করবে আর এর সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শিয়া ও ইরানপন্থী বিদ্রোহীদের।
উপসাগরীয় দেশগুলো আরব জাগরণের ঢেউ সাফল্যের সাথে পার করতে পারলে এ অঞ্চলে এর সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হবে জর্ডান ও মরক্কো। এ দেশ দুটোকে সবচেয়ে ভঙ্গুর রাজতন্ত্র মনে করা হয়। এর ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক প্রভাবও নিশ্চিত হবে আর মিসর ও আসাদ পতন-পরবর্তী সিরিয়ার মতো পরিবর্তনের ক্রান্তিকালে থাকা দেশগুলো তাদের কাছ থেকে অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তা পাবে। চূড়ান্তভাবে স্থিতাবস্থার দৃশ্যপট উপসাগরীয় দেশ ও ইরানের মধ্যকার ঠাণ্ডা লড়াই অব্যাহত থাকা ও তাকে আরো ঘনীভূত করার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষভাবে ইরান পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করলে উত্তেজনা বাড়বে।
mrkmmb@gmail.com
মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে প্রাথমিকভাবে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক উন্নয়নের ওপর। ইরানের ক্ষমতায় যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রবাদীরা থাকেন আর পারমাণবিক শক্তি অর্জনে দেশটি সমর্থ হয় তাহলে মধ্যপ্রাচ্য একেবারে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি হবে। সৌদি রাজতন্ত্র ভেঙে পড়লে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ধস নামতে পারে। আর মিসরে আমূল পরিবর্তনকামী ইসলামি সরকার হলে তা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। নৃতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় উপাদান ভিত্তিতে বিভাজন ইরাক ও সিরিয়ার বর্তমান সীমানায় পরিবর্তন আনতে পারে। অন্য দিকে এসব দেশে মধ্যপন্থী গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় গেলে অথবা ইসরাইল-ফিলিস্তিন সঙ্ঘাতের সমাধানে সমঝোতায় সাফল্য এলে তা ইতিবাচক পরিবেশ নিয়ে আসতে পারে।
এ অঞ্চলে ভবিষ্যৎ সম্পাদনার ক্ষেত্রে ছয়টি মুখ্য নির্ধারক বিষয় রয়েছে। এগুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।
এক. রাজনৈতিক ইসলাম ক্ষমতায় গিয়ে কি মধ্যপন্থা গ্রহণ করবে?
২০ বছর আগে আলজেরিয়ার নির্বাচনে ইসলামি স্যালভেশন ফ্রন্টের ব্যর্থ বিজয়ের পর ‘রাজনৈতিক ইসলাম’ সুন্নি বিশ্বে বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠতে দেখা যায়। তুরস্কে জাস্টিজ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি (একেপি), মিসরের ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিজ পার্টি, তিউনিশিয়ায় আননেহদা, গাজায় হামাস এবং লিবিয়া ও সিরিয়ায় ইসলামপন্থীদের সম্ভাব্য বিজয় মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনীতিতে গভীর পরিবর্তন নিয়ে আসছে। মিসরের মতো দেশে ইসলামি দলগুলো নিম্ন মধ্যবিত্তদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা জাল বিস্তৃত করতে চাইছে; সরকারি খাতে হাজার হাজার নতুন চাকরি সৃষ্টি করছে, খাদ্য ও জ্বালানিতে ভর্তুকি বজায় রাখছে। এসব নীতি দীর্ঘ দিন বজায় রাখা সম্ভব হয় না। ক্ষমতাসীন ইসলামি দলগুলোকে অধিকতর বাজারমুখী হতে হবে। তাদের মুসলিম ব্রাদারহুডের যুবকদের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে হবে, যাতে এসব ‘নিউ গার্ড’ ও অন্যরা অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে পারে।
সময়ের সাথে সাথে রাজনৈতিক বাস্তববাদিতা আদর্শকে ছাড়িয়ে যেতে পারে যা একটি সুশীলসমাজ সৃষ্টিতে সাহায্য করবে। এটি বাস্তববাদী, উদ্যোগী ও সমাজ নেতাদের নতুন এক শ্রেণী তৈরি করবে। একনায়কতান্ত্রিক শাসকেরা এটি অব্যাহতভাবে ঠেকিয়ে রাখতে চেয়েছিল।
ইসলামি গণতন্ত্র অনিবার্যভাবেই বৈচিত্র্যপূর্ণ রাজনৈতিক আভা সৃষ্টি করবে। তিউনিশিয়ায় ইসলামি দলগুলো একটি থেকে আরেকটি আলাদা। তবে এর সব ক’টি নতুন একনায়ক-উত্তর শাসনব্যবস্থায় তাদের আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। আসাদ-উত্তর সিরিয়ায় নগরকেন্দ্রিক সুন্নিদের একটি কোয়ালিশন ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে, যার মধ্যে মুসলিম ব্রাদারহুড, ধর্মীয় সংখ্যালঘু দ্রুজ কুর্দ এবং অন্যরাও থাকবে। ৪০ বছর আগে হাফেজ আল আসাদ ক্ষমতা গ্রহণের আগে বারবার নগরকেন্দ্রিক সুন্নিরা দামেস্ক শাসন করেছে, আর সরকারে সৃষ্টি হয়েছে অস্থিরতা। ১৯৬০-এর দশকের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে সিরিয়া। ইরাকে সরকার ইতোমধ্যে বর্ণগত বিভাজনের ইঙ্গিত দিতে শুরু করেছে। এ ক্ষেত্রে শিয়ারা সুন্নি আরব ও কুর্দিদের সাথে ক্ষমতার ভাগাভাগি করতে চায়।
দুর্নীতি এবং অব্যাহত বেকারত্ব চলতে থাকলে অথবা সমাজের কর্মজীবী শ্রেণীর বিপুল সংখ্যক মানুষ যদি মনে করতে থাকেন নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারে তাদের জীবনমান কোনোভাবেই উন্নত হচ্ছে না, তাহলে এটি আমূল পরিবর্তনকামী রাজনীতিবিদদের প্রতি তাদের ঝোঁক সৃষ্টি করতে পারে। কট্টর ইসলামপন্থীরা পশ্চিমা পুঁজিবাদ ও গণতন্ত্রের সুস্পষ্ট বিকল্প হিসেবে রক্ষণশীল ধর্মীয় নীতিমালাভিত্তিক বিকল্প শাসনে জনগণকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে।
দুই. রূপান্তরকালে সরকার গণবিভাজন কি দূর করতে পারবে?
রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান দুর্বলতা আর বর্ণ, সম্প্রদায় ও গোত্রবাদ বেড়ে যাওয়ায় অব্যাহত অস্থিরতা এ অঞ্চলের বৈশিষ্ট্যে পরিণত হতে পারে। ইরাক, লিবিয়া, ইয়েমেন, সিরিয়ায় এ ধরনের গোত্র ও সম্প্রদায়গত উত্তেজনা বেশি দেখা দিতে পারে। যেমন দেশে সংখ্যালঘুদের সাথে নিয়ে একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো আগে দমন-পীড়নের মাধ্যমে এ ধরনের বর্ণগত বিরোধকে দমন করেছে।
ইরাক ও সিরিয়ার ক্ষেত্রে এটি ছিল আরো বেশি মাত্রায় সত্য। কুর্দ এলাকার বাস্তবতা হলো কুর্দিস্তান সৃষ্টি করার মতো নয়। ইয়েমেন একটি দুর্বল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে আগের মতো আবারো ভাগ হয়ে যেতে পারে। যেকোনো দৃশ্যপটেই দুর্বল কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সাথে নিরাপত্তা সঙ্কটটিও সেখানে থেকে যাবে। বিশাল যুবশক্তির (যা এখনকার দুই কোটি ৮০ লাখ থেকে ২০২৫ সালে পাঁচ কোটিতে উন্নীত হবে) দেশে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বড় সঙ্কট তৈরি করবে। বাহরাইন সুন্নি-শিয়া দ্বন্দ্ব-সঙ্ঘাতের একটি ক্ষেত্র হয়ে থাকবে, যেটি উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে রাখবে।
সময় গড়ানোর সাথে সাথে চলমান সহিংসতা গণতান্ত্রিক শাসনের প্রতি সমর্থনকে কমিয়ে আনতে পারে আর লৌহমানব ধরনের একনায়কের উত্থানে এসব দেশ থেকে আবার উদার গণতন্ত্র বিদায় নিতে পারে। আঞ্চলিকভাবে দুর্বল সরকার অভ্যন্তরীণ সহিংসতার চক্র তৈরি করতে পারে। আর জনগণের মধ্যে বিরোধের কারণে তারা শক্তিমান ভূমিকা রাখতে পারবে না। এতে অনারব শক্তিগুলো বিশেষত তুরস্ক, ইরান, ইসরাইল এ অঞ্চলে বড় খেলোয়াড়ে পরিণত হতে পারে।
তিন. মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো কি অর্থনীতিতে স্থিতি ও বিশ্বায়নের ঢেউয়ে আরোহণ করতে পারবে?
এসব দেশের জন্ম হার কমলেও ২০৩০ সাল পর্যন্ত যুবস্ফীতি অব্যাহত থাকবে। সেই সাথে ২০৩০ সাল নাগাদ বয়স্ক মানুষগুলো ভালো কল্যাণ ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্যসেবা সঙ্কটে পড়বে। বিশ্ব প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের (এফডিআই) মাত্র দুই শতাংশ এখন যায় মধ্যপ্রাচ্যে। আর এ অঞ্চলে জ্বালানি, পর্যটন ও আবাসনের বাইরে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট হয় একেবারে সামান্য। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। আর এই অঞ্চলটি হলো বাণিজ্য ও অর্থায়নের ক্ষেত্রে একেবারে স্বল্প সমন্বিত একটি এলাকা। মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহ্যগত বাণিজ্য অংশীদার হলো ইউরোপ, যেটি এখন শ্লথ প্রবৃদ্ধির সঙ্কটে নিপতিত। যদিও অন্য বাণিজ্য অংশীদার সাব সাহারা অঞ্চলের অর্থনীতি এখন বিকশিত হচ্ছে এবং তাদের সুবিধা আরো বাড়তে পারে।
ধনী উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলো এ ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে। জিসিসির ‘সভরেন ওয়েলথ ফান্ড’ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্য তহবিল ও সম্পদ সৃষ্টি করেছে। আর জিসিসির জ্বালানি বিক্রির অর্থকড়িও মিসর, লিবিয়া ও তিউনিসিয়াসহ স্থানীয় ও আঞ্চলিক বাজারে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। জিসিসি দেশগুলো এখন অধিক মূল্যসংযোজনের পণ্য সৃষ্টির জন্য তাদের তেলকে পরিশোধিত ও পেট্টো কেমিক্যাল করে রফতানি করছে। উপসগারীয় দেশগুলো এশিয়া, ইউরোপ বা অন্য এলাকার বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণ কেন্দ্র। তবে এখনো পর্যন্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর অবস্থা হলো মজুত গ্যাস ও তেল ক্ষেত্র থেকে উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ালে তাদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। জ্বালানির উচ্চমূল্যকে এটি নিচে নামিয়ে আনে। সৌদি আরবের তেলের জন্য রাজস্ব ব্রেকইভেন মূল্য বিবেচনায় প্রতি ব্যারেলের দাম ৬৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে সম্প্রতি ১০০ ডলারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নির্দেশিত বাজেট ব্যয়ের চক্রবৃদ্ধি জ্বালানি তেলের দাম বাড়াচ্ছে। অভ্যন্তরীণ ব্যবহার সঙ্কুুচিত করতে পারে বলে নিজস্ব বাজারে তেল দাম বাড়ানো হচ্ছে না। এর পরও সৌদি আরব ২০৩৭ সালে নিট জ্বালানি আমদানিকারকে পরিণত হতে পারে।
চার. আঞ্চলিক শক্তি হিসাবে ইরান কিভাবে ব্যবহার করবে?
ইরানের প্রভাব দেশটির পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে পড়েছে। আমাদের অনেক আলোচকই মনে করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়নের কাজ বন্ধ করবে। তবে এ ধরনের অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের পর্যায়ের পৌঁছবে। এ দৃশ্যপটে পারমাণবিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ব্যবস্থার ভঙ্গ হওয়াটি নিশ্চিত হবে এটি। সৌদি আরব নিজেরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে অথবা পাকিস্তানের কাছ থেকে তা পেতে চাইবে। পারমাণবিক ইরানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুরস্কও নিজস্ব পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে চাইবে অথবা ন্যাটোর প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেতে চাইবে। ইরান সৌদি আরব বা এ অঞ্চলের অন্য কেউ পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে চাইলে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও সম্ভবত জর্ডান জ্বালানি খাতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা শুরু করতে পারে। এটি হয়ে থাকলে এই অঞ্চলটি অব্যাহত সঙ্কট দেখা দেবে আর শিয়া-সুন্নি ও আরব-পারস্য সঙ্ঘাত বাড়বে। এ অঞ্চলের বাইরেও অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
দ্বিতীয় দৃশ্যপটটি ইরানি শাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট। জনগণের মধ্য থেকে এ মর্মে চাপ আসতে পারে যে, পারমাণবিক অস্ত্রের পরিবর্তে অর্থনৈতিক অগ্রগতিই তাদের অধিক কাম্য। এ কারণে তারা আর আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার মূল্য দিতে চায় না। এমনকি অভ্যন্তরীণ এলিট সঙ্ঘাত ও জনবিস্ফোরণে শাসকদের পতনও ঘটতে পারে। এ দৃশ্যপটে তেহরান অর্থনৈতিক আধুনিকায়ন, অধিক পশ্চিমাপন্থী গণতান্ত্রিক ইরানের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেবে।
পাঁচ. ইরসাইল-ফিলিস্তিন কি সমঝোতায় পৌঁছতে পারবে, যা আঞ্চলিক স্থিতি সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেবে?
ইসরাইলে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বিভাজন ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। এর এক দিকে রয়েছে তারা যারা ১৯৪৮ সালে ইসরাইলের প্রতিষ্ঠাকালীন সম্প্রদায়গত উদার প্রজাতন্ত্র চায় আর যারা ধর্মীয়ভাবে রক্ষণশীল উগ্র হেয়ারডিম ও অভিবাসী আন্দোলনে ধারক ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার আলোকে তারা বৃহত্তর ইসরাইল দেখতে চায়। এনআইসি’র সাথে আলোচনাকারী বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, এ বিভাজন ২০৩০ সালের আগে চরম রূপ নেবে। ইসরাইল সামরিক শক্তি হিসেবে শক্তিমান থাকবে, তবে ইরানের পারমাণবিক হুমকির সাথে সাথে স্বল্প মাত্রার যুদ্ধাস্ত্রের হুমকির মধ্যেও থাকবে দেশটি। আরবদের জনমত ক্রমেই এমন পর্যায়ে পৌঁছবে যে, সেসব দেশের সাথে ইসরাইলের কৌশলী দেনদরবারের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়বে। তবে দেশটি আরব প্রতিপক্ষের সাথে সঙ্ঘাত উসকে ওঠার বিষয়টি এড়িয়ে চলবে।
আগামী দুই দশকে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সঙ্ঘাত নিরসনে পদক্ষেপ এই অঞ্চলে নাটকীয় অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে। ইসরাইলের জন্য সঙ্ঘাতের স্থায়ী সমাধান আঞ্চলিক সম্পর্কে এমন সুযোগ খুলে দেবে যা আজকের দিনে কল্পনাও করা যায় না। ফিলিস্তিন সঙ্ঘাতের পরিসমাপ্তি ইরান ও এর প্রতিবেশী শিবিরের জন্য কৌশলগত বিপত্তি নিয়ে আসবে। আর সময়ের আবর্তনে হিজবুল্লাহ ও হামাসের মতো গ্রুপগুলোর প্রতি জনসমর্থন কমে যাবে। কোনো ধরনের সমাধান না হলে ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের সীমিত রাজনৈতিক অধিকার দান ও গাজার অস্থিতিশীলতা নিরসনে দরকষাকষিকে নিজের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করবে।
আলোচনাকারীদের অনেকে মনে করেন, আরব-ইসরাইল বিরোধে কান্তি, ইসরাইলের অনীহা ও ফিলিস্তিনিদের ইতিহীন সঙ্ঘাতে জড়িয়ে পড়ার অবস্থা থেকে ফিলিস্তিনিরা সামনে এগুতে চাইতে পারে। প্রত্যাবর্তনের অধিকার অসামরিকীকরণ ও জেরুসালেমের মতো ইস্যু ২০৩০ সালের মধ্যে পুরোপুরি নিষ্পত্তি হবে না। তবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে অগ্রগতি হবে। সমন্বিত একপাক্ষিকতার মতো অনানুষ্ঠানিক স্বাধীনতার তৎপরতার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিরা রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার পথে আস্তে আস্তে এগিয়ে যাবে। হামাস ইরান ও সিরিয়ার বলয় থেকে বেরিয়ে সুন্নি আরব বলয়ে চলে আসায় রামাল্লার ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ ও গাজার হামাসের মধ্যে ঐক্য-সম্ভাবনা বাড়বে। কিছুটা বিন্যাস ও ভূমি বিনিময়সহ ১৯৬৭ সালের সীমানার সবুজ রেখা বরাবর হবে ফিলিস্তিনের সীমান্ত। তবে অন্য ইস্যুগুলো অনিষ্পন্ন থেকে যেতে পারে।
ছয়. বাহরাইনের বাইরে সৌদি আরব ও অন্য উপসাগরীয় রাজতান্ত্রিক দেশগুলো আরব বিশ্বে পরিবর্তন ও শাসন পাল্টানোর আন্দোলন থেকে মুক্ত থাকবে কি?
সৌদি আরবের রাজনৈতিক অস্থিরতা ব্যাপকভাবে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাকে অন্যত্র ছড়িয়ে দেবে। দেশের অভ্যন্তরে প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপগুলো ক্ষমতার প্রতিযোগিতার মধ্যে জড়িয়ে যাবে। এর মধ্যে মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে সংশ্লিষ্ট গ্রুপ, আমূল পরিবর্তনকামী ইসলামি চরমপন্থী, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ও শিয়া গ্রুপগুলোও থাকবে। মিসরে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপান্তর জটিল ও অস্পষ্ট হয়ে থাকতে পারে। অন্য সুন্নি রাজতান্ত্রিক দেশগুলো রাজনৈতিক সংস্কার দাবি বা অভ্যন্তরীণ জাগরণের মতো ঘটনার চাপে থাকতে পারে। লেবানন, ফিলিস্তিন, ইরাক ও অন্য অঞ্চলে সৌদি আরব তার সুন্নি মিত্রদের সমর্থনে তার প্রভাবকে কাজে লাগাবে। তবে এ ধরনের সমর্থনের ওপর গ্রুপগুলোর দীর্ঘ নির্ভরতা তাদের দুর্বল করবে আর এর সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শিয়া ও ইরানপন্থী বিদ্রোহীদের।
উপসাগরীয় দেশগুলো আরব জাগরণের ঢেউ সাফল্যের সাথে পার করতে পারলে এ অঞ্চলে এর সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হবে জর্ডান ও মরক্কো। এ দেশ দুটোকে সবচেয়ে ভঙ্গুর রাজতন্ত্র মনে করা হয়। এর ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক প্রভাবও নিশ্চিত হবে আর মিসর ও আসাদ পতন-পরবর্তী সিরিয়ার মতো পরিবর্তনের ক্রান্তিকালে থাকা দেশগুলো তাদের কাছ থেকে অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তা পাবে। চূড়ান্তভাবে স্থিতাবস্থার দৃশ্যপট উপসাগরীয় দেশ ও ইরানের মধ্যকার ঠাণ্ডা লড়াই অব্যাহত থাকা ও তাকে আরো ঘনীভূত করার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষভাবে ইরান পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করলে উত্তেজনা বাড়বে।
mrkmmb@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 26
(183)
- ভিক্ষুক পুনর্বাসনের পাইলট কর্মসূচি ব্যর্থ, মনোযোগ ...
- মনিকা ধর্ষণের প্রত্যক্ষদর্শী- হাছা কথায় মরতেও ভয়...
- ঝড় তুলছে শার্লিনের কামসূত্র
- স্মরণ- কবি কাজী কাদের নেওয়াজ
- হাতিরঝিলের সেকাল ও একাল by মুসা আখন্দ
- দেশ এখন ফরমালিনময় by আরিফুর রহমান খাদেম
- দেশ এখন ফরমালিনময় by আরিফুর রহমান খাদেম
- সহজ কথা- তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্ক by আলফাজ আনাম
- পাকিস্তানের বিভক্তিঃ আবার ’৭১-এর পথে by ডক্টর আবদু...
- তার পরও দুই নেত্রীর পক্ষে-বিবিধ প্রসঙ্গ by মাসুদ ম...
- বর্ষবরণের নামে উন্মত্ত আচরণ-অপসংস্কৃতি রোধে ব্যবস্...
- বিএসএফের অব্যাহত বাংলাদেশী হত্যা- এই অমানবিক আচরণ ...
- আরব বসন্ত ও ইবনে খালদুনের ভবিষ্যদ্বাণী by মুহাম্মদ...
- দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার সামনে যত চ্যালেঞ্জ by মাসুম...
- ২০৩০ সাল নাগাদ অনেক দেশেই নাটকীয় পরিবর্তন by হাসা...
- ২০৩০ সালের বিকল্প বিশ্ব- মধ্যপ্রাচ্য এখন প্রান্ত ব...
- বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ড রুগ্ণ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশঃ ড. ...
- এমআরটির প্রতিবেদন- এক বছরে গুপ্তহত্যার শিকার এক হা...
- এডিপি বাস্তবায়নে গতি নেই- পাঁচ মাসে হার মাত্র ২৪ ...
- এক বছরে হত্যা ৪২- দুই বাংলাদেশী হত্যা করে বিএসএফের...
- হীরক রাজার দেশের প্রগল্ভ অর্থমন্ত্রী- বিচিন্তা by ...
- অভিমত- কোথায় দাঁড়িয়ে ভাবব যে, আমরা নিরাপদ?
- বিশ্বজিৎদের রক্তে ভেসে যাবে গণতন্ত্র! by অরণ্য ইমত...
- শীতার্ত মানুষের জন্য কিছু করার আছে by শাহাদাত আনসারী
- রাজনৈতিক যুদ্ধের ত্রে, যুদ্ধাস্ত্র এবং সেনাপতি by ...
- বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত- সাধারণ মানুষের জ...
- বিরোধী দলের সাথে সরকারের আলোচনার আগ্রহ-শুভবুদ্ধির ...
- হেলথ টিপস-ডেউয়া ফলের ভেষজ গুণ
- চিত্র বিচিত্র-৩ হাজার বছরের পুরনো মুদ্রা আবিষ্কার
- শ্রমিক দলের সমাবেশে তরিকুল-নতুন বছরে সরকারের পতন হবে
- শিক্ষা দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রধান হাতিয়...
- যানজটে ঢাকায় বছরে ক্ষতি ২৫ হাজার কোটি টাকা-প্রতিদ...
- ইসিতে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করল ২৫ রাজনৈতিক দল
- বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল বাতিল সময়ের দাবিঃ ড. কারযাবি
- স্বাগত ২০১৩ by তারেক মোরতাজা
- ঢাবি শিক্ষকের আইনজীবী স্ত্রী নিজ বাসায় খুন
- বিরোধী দলের সাড়া পেলে শিগগিরই সঙ্কট নিরসনে আলোচনা...
- টপ টেন
- মন্তব্য প্রতিবেদন-নতুন আসবে নাকি পুরাতন… by ফরহাদ ...
- খালেদা হাসিনার ঝাপিতে সাপতত্ত্ব by শফিক রেহমান
- নতুন বছরের শুভেচ্ছা-বিগত বছরের সব গ্লানি মুছে যাক
- ‘দুই একনায়কতন্ত্রী রাষ্ট্রকে দুই ভাগ করে ফেলেছেন’
- ‘তেলের দাম বৃদ্ধিতে মূল্য দিতে হবে সরকারকে’
- ‘তেলের দাম বৃদ্ধিতে মূল্য দিতে হবে সরকারকে’
- ভারতের পদ্মশ্রী পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশি ঝর্ণাধারা...
- মাছি মানব ওবামা by মাহমুদ মেনন
- ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচন- নেতানিয়াহুর সঙ্গে ...
- বৃটেনেও সমকামী বিয়ে বৈধ হতে চলেছে!
- সুরমা নদীতে হাঁটুজল by সাব্বির আহমদ
- ‘সেদিন যদি আমরা পদত্যাগ না করতাম ওনাদের ক্ষমতায় আস...
- ইসলামী সন্ত্রাসের আরেক স্বর্গরাজ্য সোমালিয়া by এন...
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাকিস্তানীকরণের জন্য দায়ী জাম...
- রাজনীতিতে শিক্ষা দিতে নেই, শিক্ষা গ্রহণ করতে হয় by...
- তিন কন্যার অভিশপ্ত জননী!
- টিসিবি সক্রিয় হবে না?
- নার্সদের আন্দোলন
- মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি
- খবর শুধু খবর নয় by নিয়ামত হোসেন
- পাহাড়ে যা ঘটল এর থেকে পরিত্রাণের একমাত্র পথ ॥ বেসা...
- দীপিকার গন্তব্য কোথায়!
- এ্যাঞ্জেলি নাজোলি
- বলিউড বড় পর্দার তারকারা ছোট পর্দায়
- উসব
- কান পেতে রই
- স্বপ্নবাজ এক আদিত্য নারায়ণ
- অতঃপর দু'জনে
- ভাষা দিবসে ঢাকাজুড়ে ছিল অনুষ্ঠানের জোয়ার
- সাধারণ মানুষের জন্য গণতন্ত্র- বোরহানউদ্দিন খান জাহ...
- মিছিলে বাধা দেয়ায় হিযবুত তাহ্রীর পুলিশের ওপর চড়াও
- জিয়া অপসারিত, উঠানো হলো হযরত শাহজালাল নামফলক
- এবার জ্বলছে খাগড়াছড়ি- পাহাড়ী-বাঙালী ফের নারকীয় সংঘ...
- টালমাটাল জামায়াত
- এবার জ্বলছে খাগড়াছড়ি- পাহাড়ী-বাঙালী ফের নারকীয় সংঘ...
- শীর্ষ নেতাদের পদত্যাগের গ্রহণযোগ্যতা নেই শিবির সভাপতি
- পিলখানা হত্যাকা- আরও ৮ জন গ্রেফতার রিমান্ডে
- গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করার উদ্যোগ মানুষের ক্রয়ৰম...
- তৃণমূল থেকে কেন্দ্র কোথাও কোন্দল এড়ানো যাচ্ছে না- ...
- এভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কোন যৌক্তিকতা নেই- বা...
- অচিরেই উচ্চ আদালতে বাংলায় রায়
- খেলার মাঠে বাঙালীর সাফল্য by ইকবাল আজিজ
- ভাষাসৈনিকদের তালিকা প্রণয়ন করুন by বাহাউদ্দীন চৌ...
- ইসলামী সন্ত্রাসের আরেক স্বর্গরাজ্য সোমালিয়া অনুবাদ...
- '৭১-এর পরবর্তী প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধী অনুসারী হয় কেন?...
- যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গীবাদমুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যয়ে by...
- কেউ খোঁজ রাখে না
- চিড়িয়াখানায় অনিয়ম দুর্নীতি- পশুসম্পদের ডিজি সাসপেন্ড
- যমুনা বিল্ডার্সের এমডির আদালতে ক্ষমা প্রার্থনা
- ৫০ শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা by শংক...
- অন্তর্বর্তী নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন নই...
- অতীত কৃতকর্মের জন্য পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত ॥...
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড আইনের খসড়া অনুমোদন- ...
- ডাকাতি করতে গিয়ে ধর্ষণ করাই ছিল যার নেশা- আরেক 'রস...
- পাহাড়ের সমস্যার সমাধানে ॥ চাই ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি...
- ক্ষতিগ্রস্তদের খাবার নেই ত্রাণ নেই, অরণ্যে কাটছে দিন
- লাদেন কানেকশন ॥ আল কায়েদার টাকা পায় জঙ্গীরা by গাফ...
- জামায়াত রাজনীতি নিষিদ্ধ দাবি- সেদিন বিএনপি এমপিরা ...
- শহীদ মিনারের পবিত্রতা নষ্টকারীদের চিহ্নিত করার নির...
- সরকার নির্মাণ কাজ শীঘ্র শুরু করতে চায় ॥ যোগাযোগমন্...
- রাজধানীতে আওয়ামী লীগ নেতাসহ তিন খুন- ছিনতাইকারী, অ...
- তরুণদের লেখা আরও চাই, হুমায়ূন আসছেন আজ
- দক্ষ শ্রমিক তৈরিতে ৩০ জেলা সদরে ৩৫ প্রশিক্ষণ কেন্দ...
- একই সঙ্গে সমুদ্র নদী দ্বীপ পাহাড় বনের সৌন্দর্য- ট...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষী আ...
- ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শতবর্ষ পূর্তির বর্ণিল উসব
- রাবির ছাত্রী হল থেকে ২১ জিহাদী বই উদ্ধার ॥ গ্রেফতার ৪
- শীঘ্রই চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী পরিষদ কাজ শুরু করব...
- ঢাকা পদাতিকের নতুন নাটক মঞ্চস্থ, ক্যালিগ্রাফি প্রদ...
- নাটোরে জামায়াত শিবিরের গোপন বৈঠক গ্রেফতার ১০
- দহগ্রাম-আঙ্গপোতার মানুষ মার্চ থেকেই বিদ্যুত পাবে- ...
- কার্ডের মাধ্যমে চাল বিতরণে সরকারকে সহায়তা করবে ঢাক...
- দিনরাত জনজোয়ার, নতুন বই ২০৬ রেকর্ড বিক্রি- বইমেলা ...
- পিরোজপুরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে আহত সুমনের...
- '৭১-এর অক্টোবরে প্রচণ্ড মার খায় রাজাকাররা- মুক্তিয...
- নির্জন, মাতাল হাওয়া স্বচ্ছ পানির নিচে সুচালো প্রবা...
- শিল্পকলা ও সাংস্কৃতিক জোটের নানা আয়োজন, পদাতিকের উ...
- দেশ বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে -এরশাদ
- অর্জনের সময় এসেছে, ঐক্য জরুরী -এরশাদ
- পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা প্রত্যাহার সঠিক ছিল ন...
- প্রবীণ রাজনীতিক নূর আলম জিকুর ইন্তেকাল
- ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে চিহ্নিত সন্ত্রাসী জুলহাস
- টেকনাফে ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুত থাকে না ॥ ১৭০ শিল্প বন্ধে...
- সিলেট সীমান্তে ফের উত্তেজনা, বিএসএফের শক্তি বৃদ্ধি...
- রামগড় পৌর কমিশনার অপহৃত ॥ মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার
- বিদেশীরা মিলেছিল নগ্ন পায়ে প্রভাতফেরিতে
- শহীদ মিনারের পবিত্রতা নষ্ট
- সরকারী চাকরি বাজারে 'ডাক' উঠেছে তবে আমলা চাতুর্যে ...
- কিডনি প্রতিস্থাপন ॥ রেকর্ড সাফল্য বাংলাদেশে- ৬০১টি...
- সব ভাষা সংরক্ষণ ও সুরক্ষায় সমান গুরুত্ব দেয়া হবে- ...
-
▼
Jan 26
(183)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment