Saturday, November 22, 2014
সামনে কী? বঙ্গোপসাগর! by ফরহাদ মজহার
সামনে কী? বঙ্গোপসাগর! by ফরহাদ মজহার
সামনে কী? এটাই এখনকার প্রশ্ন।
অনেকে খোলাসা করে বলেন না, বলতে চান না বা বলতে ভয় পান। কিন্তু নীরব থাকলেও যে নীরব উৎকণ্ঠা এখন সর্বব্যাপী সেটা হল, এভাবেই কি দেশ চলবে? উত্তর : হ্যাঁ, চলবে। আপনাআপনি কোনো কিছুই বদলায় না। তাছাড়া দেশ খারাপ চলছে কোথায়? দুর্নীতি, দুর্বৃত্তপনা, খুন, গুম-খুন, আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিরোধী মত ও চিন্তাকে কঠোরভাবে দমন, বিচার বিভাগ ও প্রশাসনকে দলীয় হাতিয়ারে পরিণত করা, বিরোধী দলকে আস্তে আস্তে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া- সবই খারাপ কাজ। আলবৎ। এতে কোনোই সন্দেহ নেই। কিন্তু সেটা তো সরকারবিরোধীদের সমস্যা। সরকারেরও না, দেশেরও না। যদি না দেশ বলতে সুনির্দিষ্টভাবে নাগরিকদের বুঝি।
দেশের সমস্যা কী আসলে? দেশ তো বিমূর্ত কিছু নয়। যদি বর্তমান সমস্যা সমাধানের পথ থাকা সত্ত্বেও নাগরিকরা ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা থেকে সরাতে না পারে, কেবল তখনই দেশের সমস্যা কথাটা অর্থপূর্ণ হয়। যদি যাহা বাহান্ন তাহাই তেপ্পান্ন হয়তো ক্ষমতার হাতবদলে দেশের সমস্যার কী সমাধান হবে? যদি বিরোধী রাজনীতির মধ্যে এসবের অবসান ঘটার অঙ্গীকার পাওয়া যেত, তাহলে বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণের রাজনীতি আপনাতেই দানা বাঁধত। তখন অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দেয়ার নীতি ও কৌশল নিয়ে কথা উঠত। রাজনীতির ইতিবাচক মেরুকরণ ঘটত। এ কথাগুলো বারবার বলা হয়েছে। কিন্তু বিরোধী রাজনীতি সেসব কথা কানে তোলেনি। ফলে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। অচিরে এর অবসান ঘটবে তার কোনো কারণ দেখি না।
বিরোধী রাজনীতি বর্তমান অবস্থা থাকে উত্তরণের কথা ভাবছে বা এ বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে চায়, তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে ন্যূনতম কোনো প্রতিশ্র“তি পাওয়া গেলে অন্তত চিন্তাভাবনার দিক থেকে পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা শুরু হতো। বিরোধী দল বা জোট কীভাবে তাদের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়ন করবে তার নীতি ও কৌশল নিয়ে সমাজে কথাবার্তা শুরু হয়ে যেত, জনগণ কোনো দল বা পক্ষ হিসেবে নয়, একটা রাজনীতির পক্ষে এসে দাঁড়াতে শুরু করত, নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে যেত। একেই রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বলা হয়। যদি আমরা নিশ্চিত হতে পারতাম যে, ক্ষমতাসীনদের বিদায় দিয়ে যাদের আমরা ক্ষমতায় আনতে চাই তারা এমনভাবে দেশ চালাবেন যাতে ওপরে যা কিছু মন্দ ব্যাপারের কথা বলা হল সেসব আর ঘটবে না, তখন পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নিত। না, সেটা বিরোধী রাজনীতির সদিচ্ছার ওপর আমরা ছেড়ে দিতে পারি না। কী ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা তারা নেবেন যাতে দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তপনা এখনকার মতো দুষ্ট ক্ষতের রূপ নেবে না, সেটা তাদের কংক্রিট ভাষায় বলার জন্যই আমরা বলতে থাকব। যেমন, একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন একটি প্রস্তাব হতে পারে। খুন, গুমখুন, আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি বন্ধ করা যাবে কীভাবে? দল, মত, ধর্ম, বিশ্বাস, সম্প্রদায় নির্বিশেষে নাগরিকদের মানবিক অধিকার সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত ও প্রশাসনিকভাবে বলবৎ করার মধ্য দিয়ে; সেটা করতে হলে সংবিধান সংস্কারের দরকার হবে। প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে দলীয়করণ থেকে মুক্ত করতে হবে। এগুলো তো অতি প্রাথমিক প্রত্যাশা। এরপর অর্থনৈতিক উন্নতি, কাজ সৃষ্টি ও কর্মোদ্যোগের প্রেরণা তৈরি- ইত্যাদি তো আছেই। সর্বোপরি দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্ন। বাংলাদেশ কি নিজের হিম্মত নিয়ে দাঁড়াতে পারবে?
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কি নতজানু নয়? কিন্তু সেটা তো এখন হয়নি। আজকালের ব্যাপার কি? একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে উপমহাদেশে যে রাষ্ট্রটির জন্ম হয়েছে, প্রথম থেকেই দিল্লি তার ওপর প্রভুত্ব করতে চেয়েছে। এখন হা-হুতাশের কী আছে? ভাগ্য ভালো যে আমি কে তুমি কে বাঙালি বাঙালি বলতে বলতে আমরা পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে এখনও যুক্ত হয়ে যাওয়ার দাবি তুলিনি। আমরা তো একই জাতি। একই আমাদের ভাষা, একই আমাদের সংস্কৃতি। ফলে একত্রিত হয়ে যাওয়াই তো এই জাতির নিয়তির বিধান ছিল। কেন হল না, সেটাই বরং ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রহস্য।
ধর্ম? না সেটা অবশ্য এক নয়। অতএব ধর্মই এই একত্রীকরণ প্রক্রিয়া বা ঐক্যের পথে প্রধান বাধা। সব দোষের মূল হিন্দুত্ববাদ! না না, থুক্কু, ইসলাম। ইসলামই বাঙালিদের একত্রিত হওয়ার পথে প্রধান বাধা। এই চিন্তাই তো আমাদের গ্রাস করে থাকে। ফলে আমরা বাঙালি হওয়ার জন্য ইসলামবিদ্বেষী হয়ে যাই, ইসলামোফোবিয়া বা ইসলাম-আতংকে ভুগি। একদল মনে করে, টুপি পরা পাঞ্জাবি পরা মাদ্রাসার ছেলেদের জঙ্গি বলে ধরিয়ে দিয়েই বঙ্গভূমিকে ইসলামমুক্ত রাখা যাবে। বিদেশে ইংরেজের দেশে বড় হওয়া ছেলেমেয়ে- যারা আরবি বা নিজের মাতৃভাষার মধ্য দিয়ে ইসলামের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পর্যন্ত পায়নি- দেখি যে তারা কড়া ইসলামপন্থায় বিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। বিশ্ব পরিস্থিতির মধ্যে কী এমন বদল ঘটছে, যার ফলে বড় একটি জেনারেশনের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার অভিমুখ এত তাড়াতাড়ি বদলে গেল! না, আমাদের সেটা বোঝার সময় নাই। চতুর্দিকে আমরা শুধু ইসলামী জঙ্গির ভূত দেখি।
এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় আমরা আবার অতিরিক্ত মুসলমান বনে যাই, বাংলা সংস্কৃতি মানেই যে হিন্দুর সংস্কৃতি এ কথা বলতে আমাদের মুখে বাধে না। বাঙালির সংস্কৃতির কথা শুনলেই মনে করি এ দেশ হিন্দুদের দেশ হয়ে গিয়েছে। আমাদের ভাব হয়, আমরা বুঝি এইমাত্র মদিনা থেকে খেজুর খেতে খেতে ঢাকায় এসে নেমেছি। এ দেশের ভূগোল, তার প্রাণ ও প্রকৃতি, তার খাদ্য ব্যবস্থা, সংস্কৃতি- সবকিছুর মধ্যেই হিন্দুয়ানা আবিষ্কার করা দ্বীনি কর্তব্য হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের মধ্যে আমরা মরুভূমি খুঁজতে থাকি। খুঁজে না পেয়ে অস্থির হয়ে যাই। ভুলে যাই, সিন্ধু থেকে হিন্দু- আর সিন্ধু নদীর এপাশে যারা বাস করে তারা সবাই হিন্দু। এটা হিন্দুদেরই দেশ। ধর্ম, বর্ণ, জাত, লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাই হিন্দু। হিন্দু একসময় কোনো ধর্মের নাম ছিল না। সেই ইতিহাস আমরা ভুলে গিয়েছি। মুসলমানরাই এই উপমহাদেশের নাম রেখেছে হিন্দুস্তান। তাই না? সিন্ধু নদের এপাশের অধিবাসীদের হিন্দু বলতে বলতে অবশেষে ধর্ম হিসেবে এর রূপান্তর ঐতিহাসিক বাস্তবতা। এটা এখন আর শুধু ধর্ম মাত্র নয়। পরিচয়েরও সূত্র। আমি যদি মুসলমান হই তো সে হিন্দু হবে না কেন? মুসলমান তার আরব-ইরানি বা মুসলমানি পরিচয়কেই একমাত্র পরিচয়ে রূপান্তর করলে, সিন্ধু নদের অধিবাসীদের ইতিহাস বিস্মৃত হলে এবং তার ভূগোল ও প্রকৃতিকে অস্বীকার করলে হিন্দুও হিন্দুই হবে। আর কী হতে পারত!
রাজনীতি একদিকে খুবই সহজ-সরল বোধ ও উপলব্ধির ওপর দাঁড়ায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা দর্শনের গালভরা ইংরেজি নামও আছে। ইথোস, পলিটি ইত্যাদি। অন্যদিকে যখন সেই বোধের ওপর জং ধরে এবং আমরা আমাদের বুদ্ধি, বিবেক, হুঁশজ্ঞান বিস্মৃত হই, তখন রাজনীতি খুবই কঠিন একটা ব্যাপার হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে কঠিন কাজ সহজ ও সরলভাবে ভাবতে শেখা। সমাজকে সমাজ হিসেবেই তার বৈচিত্র্য, বিভিন্নতা ও দ্বন্দ্ব-সংঘাতসহ বোঝার চেষ্টা করা। নিজের মনগড়া ধ্যান-ধারণা ও কেচ্ছাকাহিনী বয়ে বেড়ালে রাজনীতিতে তার প্রভাব পড়বেই। বাঁকা চিন্তা নিয়ে বাঁকা পথে হাঁটতে হাঁটতে আমরা বঙ্কিম হয়ে গিয়েছি। কুকুরের লেজের মতো। সোজা করে ধরলে সেটা আবার গোল হয়ে পেঁচিয়ে যায়। তারপর আবার নড়ে, নাড়ায়! আশ্চর্য! অকুল সাগরে খাবি খাচ্ছি আমরা। সামনে কী? বঙ্গোপসাগর।
দুই হতাশা দিয়ে কোনো লেখা শেষ করা আমার ধাতে নাই। আমি মনে করি, এ অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব। ভাবগম্ভীর কথা না বলে কাজের কথায় আসি।
শেখ হাসিনার সরকার নৈতিক ও সাংবিধানিক দুই দিক থেকেই অবৈধ। সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে অনেকে তর্ক করেন। তারা বলেন, ঠিক আছে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন আদর্শ নির্বাচন নয়, কিন্তু এটা সাংবিধানিকভাবে বৈধ। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল, নির্বাচন হয়েছে। যারা আসেনি, সেটা তাদের সমস্যা।
এই তর্ক ধোপে টেকে না। কারণ সংবিধান বদলিয়েছেন শেখ হাসিনা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না করে তাকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, জনগণকে ভোট দেয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বিশালসংখ্যক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এটাকে নির্বাচন বলে না। নির্বাচনের জন্য সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মানে নির্বাচনের নামে তামাশা করা নয়। ক্ষমতাসীনরা অতএব অনৈতিক ও অসাংবিধানিক।
নির্বাচনের পর আন্তর্জাতিক মহলে দুটি ধারা আমরা লক্ষ করি। একদিকে দিল্লির অবস্থান। তার সার কথা কী? সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল, নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে হলে শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন থাকা জরুরি। বিশেষত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে। এখন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড- বিশেষত ব্যবসা ও বিনিয়োগই বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে।
দ্বিতীয় ধারা দিল্লিবিরোধী। বিশেষত মার্কিন ও ইউরোপীয় দেশগুলো যে ধারার সমর্থক। তারা নির্বাচনকে গ্রহণ করেনি। তাদের যুক্তি হচ্ছে, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার একটাই পথ। সেটা হচ্ছে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পথে সব পক্ষকে ধরে রাখা।
শুরুতে দ্বিতীয় ধারার পক্ষেই আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ভারী ছিল। বিরোধী দল যদি এই সময়টা কাজে লাগাত, তাহলে আরেকটি নির্বাচন ক্ষমতাসীনরা দিতে বাধ্য হতো। কিন্তু বিরোধী রাজনীতি আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ায়। কেন তারা সরে দাঁড়ালেন তার কারণ বোঝা মুশকিল। ইতিমধ্যে বেশ বড় একটা সময় কেটে গিয়েছে। এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই সবকিছু আন্দোলিত হচ্ছে। ক্ষমতাসীনরা প্রশাসনিক, বিচার ও বল প্রয়োগের সব হাতিয়ার নিয়ে অনেক বেশি সংগঠিত। গণমাধ্যম স্বেচ্ছায় বা বাধ্য হয়ে ক্ষমতাসীনদের পক্ষে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সবার পক্ষে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসবে না, এই থিসিস মূলত বিরোধী দলের অদূরদর্শিতার কারণে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। অস্থিতিশীলতা কোথায়? শেখ হাসিনা পিটিয়ে সব ঠাণ্ডা করে দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহল নৈতিকতা ও বৈধতা নিয়ে কথা বলে বটে; কিন্তু তারা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে এই মুহূর্তে দরকার শেখ হাসিনার সরকার।
আন্তর্জাতিক মহলে এই ভাবনা শুরু হয়েছে যে, ক্ষমতাসীনরা উন্নয়নে মনোযোগ দিলে এবং তাদের জন্য উপযুক্ত আন্তর্জাতিক সহায়তা দেয়া হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। দিল্লির থিসিস সত্য প্রমাণিত হতে চলেছে।
কিন্তু এসবই তো ফের হতাশার কথাই হল। ঠিক। আশার কথা হচ্ছে, যদি সেটা সত্য হয়, তাহলে বিরোধী রাজনীতির মধ্যে এই হুঁশ ফিরে আসতে দেরি হওয়ার কথা নয় যে, আন্দোলন ছাড়া তাদের আর কোনো গতি নাই। দ্বিতীয়ত, এই আন্দোলনে তাদের জনগণের ওপরই নির্ভর করতে হবে, কোনো বিদেশী শক্তির ওপর নয়। এর অর্থ কী?
সামাজিকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির বিদেশ-নির্ভরতা কমতে পারে। বাধ্য হয়ে। বিএনপিকে তার ঘর গোছাতে হবে। সংগঠনের সংস্কার নির্বাচনী দল হিসেবে গোছালে হবে না। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়ার সাংগঠনিক শক্তি বিকাশের দরকারে গোছাতে হবে। বিএনপিকে এ ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি এর আগে হতে হয়নি। নির্বাচনী দল থেকে বিএনপি আন্দোলনের দল হতে পারবে কি? কে জানে! তবুও দেখা যাক। ঠেকায় পড়ে অনেক কিছুই ঘটানো যায়।
দ্বিতীয়ত, এর ফলে দলে যারা আন্দোলন চায় না, নির্বাচন চায়; আর যারা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সাংগঠনিক বিকাশ চায় তাদের মধ্যে বিরোধ প্রকট হবে। এটা বিএনপির জন্য ইতিবাচক হতে পারে। বিএনপি দুর্বৃত্ত ও দুর্নীতিবাজদের খপ্পর থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক রাজনীতির কাতারে শামিল হতে বাধ্য হবে কি-না জানি না, কিন্তু একটা শর্ত তৈরি হবে যা বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ খানিকটা ঠিক করে দেবে। তার মানে বিএনপিতে জেল-জুলুম খাটা কর্মীদের অবস্থান শক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে হলফ করে বলতে পারি না, কিন্তু এছাড়া বিএনপির আর বিকল্প কী? সংগঠন হিসেবে ক্ষয়ে যাওয়া, ক্ষয় ত্বরান্বিত হওয়া। বিএনপি নিশ্চয়ই সেটা চাইবে না।
তৃতীয়ত, বিএনপি তার জোটের শরিকদের সঙ্গে মতাদর্শিক আলোচনা করতে বাধ্য হবে। এটা আশা করা অতি আশা বলে মনে হয় না। নির্বাচনী মোর্চা এক জিনিস, আর আন্দোলন-সংগ্রামের মৈত্রী ভিন্ন ব্যাপার। আমার যেমন বেণী তেমনি রবে চুল ভেজাব না ধরনের সুবিধাবাদী রাজনীতি বিএনপি পরিহার করতে বাধ্য হবে। ইসলামপন্থীদের নিয়ে যদি গণতান্ত্রিক কিংবা লিবারেল রাজনীতি বিএনপি করতে চায়, তাহলে ইসলাম প্রশ্নে তার রাজনীতি সুস্পষ্ট করতে হবে। ইসলামপন্থীরা রাস্তায় প্রাণ দেবে আর বিএনপির দুর্বৃত্ত ও দুর্নীতিবাজরা এমপি-মন্ত্রী হয়ে আবার লুটতরাজ করবে সেটা ইসলামপন্থীরা এখন চাইবে কিনা সন্দেহ।
ধরা যাক বিএনপি কিছুই করল না। তাহলে? সেক্ষেত্রে? ক্ষমতাসীনরা বিএনপির মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়ার জন্য সব কিছুই করবে। তারপর জামায়াতে ইসলামীকেও। নিষিদ্ধ করবে কিনা সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু ইসলামপন্থীদের ওপর আওয়ামী দমনপীড়ন কমবে না। বাড়বে।
সেটাও খারাপ হবে না। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের দ্রুত সংগঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে ক্যাটালিস্টের ভূমিকা পালন করবেন। বর্তমান অবস্থা ও ব্যবস্থা থেকে জনগণ মুক্তি চাইছে। প্রধান বিরোধী দল যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে কিছুই বসে থাকবে না। বিরোধী রাজনীতি ভিন্নভাবে সংগঠিত হবে। ইসলামপন্থাই একমাত্র বিকল্প হিসেবে হাজির হবে। বামপন্থার কথা বলা যেত, কিন্তু এই যুগেও তাদের ইসলাম বিদ্বেষ ও ইসলাম আতংক এত প্রবল যে, জাতীয় রাজনীতির হিসাব-নিকাশে পৌঁছাতে হলে তাদের বহু কাঠখড় পাড়ি দিয়ে আসতে হবে। ইনু-মেননের মন্ত্রিত্বের কথা বাদ দিলেও মানসিক ও মতাদর্শিকভাবে তারা তো শেখ হাসিনার সঙ্গেই আছেন।
আর বর্তমানে শেখ হাসিনার চেয়ে বাংলাদেশে ইসলাম দরদি আর কে আছে! আমি তো দেখি না। তিনিই, ইনশাল্লাহ, এ দেশে ইসলামকে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে হাজির হওয়ার সব শর্ত পূরণ করে যাবেন।
খারাপ কী? ভালোই তো।
অনেকে খোলাসা করে বলেন না, বলতে চান না বা বলতে ভয় পান। কিন্তু নীরব থাকলেও যে নীরব উৎকণ্ঠা এখন সর্বব্যাপী সেটা হল, এভাবেই কি দেশ চলবে? উত্তর : হ্যাঁ, চলবে। আপনাআপনি কোনো কিছুই বদলায় না। তাছাড়া দেশ খারাপ চলছে কোথায়? দুর্নীতি, দুর্বৃত্তপনা, খুন, গুম-খুন, আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিরোধী মত ও চিন্তাকে কঠোরভাবে দমন, বিচার বিভাগ ও প্রশাসনকে দলীয় হাতিয়ারে পরিণত করা, বিরোধী দলকে আস্তে আস্তে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া- সবই খারাপ কাজ। আলবৎ। এতে কোনোই সন্দেহ নেই। কিন্তু সেটা তো সরকারবিরোধীদের সমস্যা। সরকারেরও না, দেশেরও না। যদি না দেশ বলতে সুনির্দিষ্টভাবে নাগরিকদের বুঝি।
দেশের সমস্যা কী আসলে? দেশ তো বিমূর্ত কিছু নয়। যদি বর্তমান সমস্যা সমাধানের পথ থাকা সত্ত্বেও নাগরিকরা ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা থেকে সরাতে না পারে, কেবল তখনই দেশের সমস্যা কথাটা অর্থপূর্ণ হয়। যদি যাহা বাহান্ন তাহাই তেপ্পান্ন হয়তো ক্ষমতার হাতবদলে দেশের সমস্যার কী সমাধান হবে? যদি বিরোধী রাজনীতির মধ্যে এসবের অবসান ঘটার অঙ্গীকার পাওয়া যেত, তাহলে বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণের রাজনীতি আপনাতেই দানা বাঁধত। তখন অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দেয়ার নীতি ও কৌশল নিয়ে কথা উঠত। রাজনীতির ইতিবাচক মেরুকরণ ঘটত। এ কথাগুলো বারবার বলা হয়েছে। কিন্তু বিরোধী রাজনীতি সেসব কথা কানে তোলেনি। ফলে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। অচিরে এর অবসান ঘটবে তার কোনো কারণ দেখি না।
বিরোধী রাজনীতি বর্তমান অবস্থা থাকে উত্তরণের কথা ভাবছে বা এ বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে চায়, তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে ন্যূনতম কোনো প্রতিশ্র“তি পাওয়া গেলে অন্তত চিন্তাভাবনার দিক থেকে পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা শুরু হতো। বিরোধী দল বা জোট কীভাবে তাদের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়ন করবে তার নীতি ও কৌশল নিয়ে সমাজে কথাবার্তা শুরু হয়ে যেত, জনগণ কোনো দল বা পক্ষ হিসেবে নয়, একটা রাজনীতির পক্ষে এসে দাঁড়াতে শুরু করত, নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে যেত। একেই রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বলা হয়। যদি আমরা নিশ্চিত হতে পারতাম যে, ক্ষমতাসীনদের বিদায় দিয়ে যাদের আমরা ক্ষমতায় আনতে চাই তারা এমনভাবে দেশ চালাবেন যাতে ওপরে যা কিছু মন্দ ব্যাপারের কথা বলা হল সেসব আর ঘটবে না, তখন পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নিত। না, সেটা বিরোধী রাজনীতির সদিচ্ছার ওপর আমরা ছেড়ে দিতে পারি না। কী ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা তারা নেবেন যাতে দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তপনা এখনকার মতো দুষ্ট ক্ষতের রূপ নেবে না, সেটা তাদের কংক্রিট ভাষায় বলার জন্যই আমরা বলতে থাকব। যেমন, একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন একটি প্রস্তাব হতে পারে। খুন, গুমখুন, আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি বন্ধ করা যাবে কীভাবে? দল, মত, ধর্ম, বিশ্বাস, সম্প্রদায় নির্বিশেষে নাগরিকদের মানবিক অধিকার সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত ও প্রশাসনিকভাবে বলবৎ করার মধ্য দিয়ে; সেটা করতে হলে সংবিধান সংস্কারের দরকার হবে। প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে দলীয়করণ থেকে মুক্ত করতে হবে। এগুলো তো অতি প্রাথমিক প্রত্যাশা। এরপর অর্থনৈতিক উন্নতি, কাজ সৃষ্টি ও কর্মোদ্যোগের প্রেরণা তৈরি- ইত্যাদি তো আছেই। সর্বোপরি দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্ন। বাংলাদেশ কি নিজের হিম্মত নিয়ে দাঁড়াতে পারবে?
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কি নতজানু নয়? কিন্তু সেটা তো এখন হয়নি। আজকালের ব্যাপার কি? একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে উপমহাদেশে যে রাষ্ট্রটির জন্ম হয়েছে, প্রথম থেকেই দিল্লি তার ওপর প্রভুত্ব করতে চেয়েছে। এখন হা-হুতাশের কী আছে? ভাগ্য ভালো যে আমি কে তুমি কে বাঙালি বাঙালি বলতে বলতে আমরা পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে এখনও যুক্ত হয়ে যাওয়ার দাবি তুলিনি। আমরা তো একই জাতি। একই আমাদের ভাষা, একই আমাদের সংস্কৃতি। ফলে একত্রিত হয়ে যাওয়াই তো এই জাতির নিয়তির বিধান ছিল। কেন হল না, সেটাই বরং ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রহস্য।
ধর্ম? না সেটা অবশ্য এক নয়। অতএব ধর্মই এই একত্রীকরণ প্রক্রিয়া বা ঐক্যের পথে প্রধান বাধা। সব দোষের মূল হিন্দুত্ববাদ! না না, থুক্কু, ইসলাম। ইসলামই বাঙালিদের একত্রিত হওয়ার পথে প্রধান বাধা। এই চিন্তাই তো আমাদের গ্রাস করে থাকে। ফলে আমরা বাঙালি হওয়ার জন্য ইসলামবিদ্বেষী হয়ে যাই, ইসলামোফোবিয়া বা ইসলাম-আতংকে ভুগি। একদল মনে করে, টুপি পরা পাঞ্জাবি পরা মাদ্রাসার ছেলেদের জঙ্গি বলে ধরিয়ে দিয়েই বঙ্গভূমিকে ইসলামমুক্ত রাখা যাবে। বিদেশে ইংরেজের দেশে বড় হওয়া ছেলেমেয়ে- যারা আরবি বা নিজের মাতৃভাষার মধ্য দিয়ে ইসলামের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পর্যন্ত পায়নি- দেখি যে তারা কড়া ইসলামপন্থায় বিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। বিশ্ব পরিস্থিতির মধ্যে কী এমন বদল ঘটছে, যার ফলে বড় একটি জেনারেশনের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার অভিমুখ এত তাড়াতাড়ি বদলে গেল! না, আমাদের সেটা বোঝার সময় নাই। চতুর্দিকে আমরা শুধু ইসলামী জঙ্গির ভূত দেখি।
এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় আমরা আবার অতিরিক্ত মুসলমান বনে যাই, বাংলা সংস্কৃতি মানেই যে হিন্দুর সংস্কৃতি এ কথা বলতে আমাদের মুখে বাধে না। বাঙালির সংস্কৃতির কথা শুনলেই মনে করি এ দেশ হিন্দুদের দেশ হয়ে গিয়েছে। আমাদের ভাব হয়, আমরা বুঝি এইমাত্র মদিনা থেকে খেজুর খেতে খেতে ঢাকায় এসে নেমেছি। এ দেশের ভূগোল, তার প্রাণ ও প্রকৃতি, তার খাদ্য ব্যবস্থা, সংস্কৃতি- সবকিছুর মধ্যেই হিন্দুয়ানা আবিষ্কার করা দ্বীনি কর্তব্য হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের মধ্যে আমরা মরুভূমি খুঁজতে থাকি। খুঁজে না পেয়ে অস্থির হয়ে যাই। ভুলে যাই, সিন্ধু থেকে হিন্দু- আর সিন্ধু নদীর এপাশে যারা বাস করে তারা সবাই হিন্দু। এটা হিন্দুদেরই দেশ। ধর্ম, বর্ণ, জাত, লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাই হিন্দু। হিন্দু একসময় কোনো ধর্মের নাম ছিল না। সেই ইতিহাস আমরা ভুলে গিয়েছি। মুসলমানরাই এই উপমহাদেশের নাম রেখেছে হিন্দুস্তান। তাই না? সিন্ধু নদের এপাশের অধিবাসীদের হিন্দু বলতে বলতে অবশেষে ধর্ম হিসেবে এর রূপান্তর ঐতিহাসিক বাস্তবতা। এটা এখন আর শুধু ধর্ম মাত্র নয়। পরিচয়েরও সূত্র। আমি যদি মুসলমান হই তো সে হিন্দু হবে না কেন? মুসলমান তার আরব-ইরানি বা মুসলমানি পরিচয়কেই একমাত্র পরিচয়ে রূপান্তর করলে, সিন্ধু নদের অধিবাসীদের ইতিহাস বিস্মৃত হলে এবং তার ভূগোল ও প্রকৃতিকে অস্বীকার করলে হিন্দুও হিন্দুই হবে। আর কী হতে পারত!
রাজনীতি একদিকে খুবই সহজ-সরল বোধ ও উপলব্ধির ওপর দাঁড়ায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা দর্শনের গালভরা ইংরেজি নামও আছে। ইথোস, পলিটি ইত্যাদি। অন্যদিকে যখন সেই বোধের ওপর জং ধরে এবং আমরা আমাদের বুদ্ধি, বিবেক, হুঁশজ্ঞান বিস্মৃত হই, তখন রাজনীতি খুবই কঠিন একটা ব্যাপার হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে কঠিন কাজ সহজ ও সরলভাবে ভাবতে শেখা। সমাজকে সমাজ হিসেবেই তার বৈচিত্র্য, বিভিন্নতা ও দ্বন্দ্ব-সংঘাতসহ বোঝার চেষ্টা করা। নিজের মনগড়া ধ্যান-ধারণা ও কেচ্ছাকাহিনী বয়ে বেড়ালে রাজনীতিতে তার প্রভাব পড়বেই। বাঁকা চিন্তা নিয়ে বাঁকা পথে হাঁটতে হাঁটতে আমরা বঙ্কিম হয়ে গিয়েছি। কুকুরের লেজের মতো। সোজা করে ধরলে সেটা আবার গোল হয়ে পেঁচিয়ে যায়। তারপর আবার নড়ে, নাড়ায়! আশ্চর্য! অকুল সাগরে খাবি খাচ্ছি আমরা। সামনে কী? বঙ্গোপসাগর।
দুই হতাশা দিয়ে কোনো লেখা শেষ করা আমার ধাতে নাই। আমি মনে করি, এ অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব। ভাবগম্ভীর কথা না বলে কাজের কথায় আসি।
শেখ হাসিনার সরকার নৈতিক ও সাংবিধানিক দুই দিক থেকেই অবৈধ। সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে অনেকে তর্ক করেন। তারা বলেন, ঠিক আছে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন আদর্শ নির্বাচন নয়, কিন্তু এটা সাংবিধানিকভাবে বৈধ। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল, নির্বাচন হয়েছে। যারা আসেনি, সেটা তাদের সমস্যা।
এই তর্ক ধোপে টেকে না। কারণ সংবিধান বদলিয়েছেন শেখ হাসিনা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না করে তাকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচন করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, জনগণকে ভোট দেয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বিশালসংখ্যক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এটাকে নির্বাচন বলে না। নির্বাচনের জন্য সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মানে নির্বাচনের নামে তামাশা করা নয়। ক্ষমতাসীনরা অতএব অনৈতিক ও অসাংবিধানিক।
নির্বাচনের পর আন্তর্জাতিক মহলে দুটি ধারা আমরা লক্ষ করি। একদিকে দিল্লির অবস্থান। তার সার কথা কী? সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল, নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে হলে শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন থাকা জরুরি। বিশেষত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে। এখন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড- বিশেষত ব্যবসা ও বিনিয়োগই বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে।
দ্বিতীয় ধারা দিল্লিবিরোধী। বিশেষত মার্কিন ও ইউরোপীয় দেশগুলো যে ধারার সমর্থক। তারা নির্বাচনকে গ্রহণ করেনি। তাদের যুক্তি হচ্ছে, বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার একটাই পথ। সেটা হচ্ছে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পথে সব পক্ষকে ধরে রাখা।
শুরুতে দ্বিতীয় ধারার পক্ষেই আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ভারী ছিল। বিরোধী দল যদি এই সময়টা কাজে লাগাত, তাহলে আরেকটি নির্বাচন ক্ষমতাসীনরা দিতে বাধ্য হতো। কিন্তু বিরোধী রাজনীতি আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ায়। কেন তারা সরে দাঁড়ালেন তার কারণ বোঝা মুশকিল। ইতিমধ্যে বেশ বড় একটা সময় কেটে গিয়েছে। এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই সবকিছু আন্দোলিত হচ্ছে। ক্ষমতাসীনরা প্রশাসনিক, বিচার ও বল প্রয়োগের সব হাতিয়ার নিয়ে অনেক বেশি সংগঠিত। গণমাধ্যম স্বেচ্ছায় বা বাধ্য হয়ে ক্ষমতাসীনদের পক্ষে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সবার পক্ষে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসবে না, এই থিসিস মূলত বিরোধী দলের অদূরদর্শিতার কারণে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। অস্থিতিশীলতা কোথায়? শেখ হাসিনা পিটিয়ে সব ঠাণ্ডা করে দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহল নৈতিকতা ও বৈধতা নিয়ে কথা বলে বটে; কিন্তু তারা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে এই মুহূর্তে দরকার শেখ হাসিনার সরকার।
আন্তর্জাতিক মহলে এই ভাবনা শুরু হয়েছে যে, ক্ষমতাসীনরা উন্নয়নে মনোযোগ দিলে এবং তাদের জন্য উপযুক্ত আন্তর্জাতিক সহায়তা দেয়া হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। দিল্লির থিসিস সত্য প্রমাণিত হতে চলেছে।
কিন্তু এসবই তো ফের হতাশার কথাই হল। ঠিক। আশার কথা হচ্ছে, যদি সেটা সত্য হয়, তাহলে বিরোধী রাজনীতির মধ্যে এই হুঁশ ফিরে আসতে দেরি হওয়ার কথা নয় যে, আন্দোলন ছাড়া তাদের আর কোনো গতি নাই। দ্বিতীয়ত, এই আন্দোলনে তাদের জনগণের ওপরই নির্ভর করতে হবে, কোনো বিদেশী শক্তির ওপর নয়। এর অর্থ কী?
সামাজিকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির বিদেশ-নির্ভরতা কমতে পারে। বাধ্য হয়ে। বিএনপিকে তার ঘর গোছাতে হবে। সংগঠনের সংস্কার নির্বাচনী দল হিসেবে গোছালে হবে না। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়ার সাংগঠনিক শক্তি বিকাশের দরকারে গোছাতে হবে। বিএনপিকে এ ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি এর আগে হতে হয়নি। নির্বাচনী দল থেকে বিএনপি আন্দোলনের দল হতে পারবে কি? কে জানে! তবুও দেখা যাক। ঠেকায় পড়ে অনেক কিছুই ঘটানো যায়।
দ্বিতীয়ত, এর ফলে দলে যারা আন্দোলন চায় না, নির্বাচন চায়; আর যারা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সাংগঠনিক বিকাশ চায় তাদের মধ্যে বিরোধ প্রকট হবে। এটা বিএনপির জন্য ইতিবাচক হতে পারে। বিএনপি দুর্বৃত্ত ও দুর্নীতিবাজদের খপ্পর থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক রাজনীতির কাতারে শামিল হতে বাধ্য হবে কি-না জানি না, কিন্তু একটা শর্ত তৈরি হবে যা বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ খানিকটা ঠিক করে দেবে। তার মানে বিএনপিতে জেল-জুলুম খাটা কর্মীদের অবস্থান শক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে হলফ করে বলতে পারি না, কিন্তু এছাড়া বিএনপির আর বিকল্প কী? সংগঠন হিসেবে ক্ষয়ে যাওয়া, ক্ষয় ত্বরান্বিত হওয়া। বিএনপি নিশ্চয়ই সেটা চাইবে না।
তৃতীয়ত, বিএনপি তার জোটের শরিকদের সঙ্গে মতাদর্শিক আলোচনা করতে বাধ্য হবে। এটা আশা করা অতি আশা বলে মনে হয় না। নির্বাচনী মোর্চা এক জিনিস, আর আন্দোলন-সংগ্রামের মৈত্রী ভিন্ন ব্যাপার। আমার যেমন বেণী তেমনি রবে চুল ভেজাব না ধরনের সুবিধাবাদী রাজনীতি বিএনপি পরিহার করতে বাধ্য হবে। ইসলামপন্থীদের নিয়ে যদি গণতান্ত্রিক কিংবা লিবারেল রাজনীতি বিএনপি করতে চায়, তাহলে ইসলাম প্রশ্নে তার রাজনীতি সুস্পষ্ট করতে হবে। ইসলামপন্থীরা রাস্তায় প্রাণ দেবে আর বিএনপির দুর্বৃত্ত ও দুর্নীতিবাজরা এমপি-মন্ত্রী হয়ে আবার লুটতরাজ করবে সেটা ইসলামপন্থীরা এখন চাইবে কিনা সন্দেহ।
ধরা যাক বিএনপি কিছুই করল না। তাহলে? সেক্ষেত্রে? ক্ষমতাসীনরা বিএনপির মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়ার জন্য সব কিছুই করবে। তারপর জামায়াতে ইসলামীকেও। নিষিদ্ধ করবে কিনা সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু ইসলামপন্থীদের ওপর আওয়ামী দমনপীড়ন কমবে না। বাড়বে।
সেটাও খারাপ হবে না। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের দ্রুত সংগঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে ক্যাটালিস্টের ভূমিকা পালন করবেন। বর্তমান অবস্থা ও ব্যবস্থা থেকে জনগণ মুক্তি চাইছে। প্রধান বিরোধী দল যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে কিছুই বসে থাকবে না। বিরোধী রাজনীতি ভিন্নভাবে সংগঠিত হবে। ইসলামপন্থাই একমাত্র বিকল্প হিসেবে হাজির হবে। বামপন্থার কথা বলা যেত, কিন্তু এই যুগেও তাদের ইসলাম বিদ্বেষ ও ইসলাম আতংক এত প্রবল যে, জাতীয় রাজনীতির হিসাব-নিকাশে পৌঁছাতে হলে তাদের বহু কাঠখড় পাড়ি দিয়ে আসতে হবে। ইনু-মেননের মন্ত্রিত্বের কথা বাদ দিলেও মানসিক ও মতাদর্শিকভাবে তারা তো শেখ হাসিনার সঙ্গেই আছেন।
আর বর্তমানে শেখ হাসিনার চেয়ে বাংলাদেশে ইসলাম দরদি আর কে আছে! আমি তো দেখি না। তিনিই, ইনশাল্লাহ, এ দেশে ইসলামকে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে হাজির হওয়ার সব শর্ত পূরণ করে যাবেন।
খারাপ কী? ভালোই তো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1340)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
November
(2026)
-
▼
Nov 22
(93)
- আমাদের আঘাত করলে প্রত্যাঘাতের জন্য তৈরি থাকুন -মোদ...
- জোট নেতাদের সঙ্গে খালেদার বৈঠক
- ৬ বছরে কর্মক্ষেত্রে নিহত তিন সহস্রাধিক শ্রমিক
- ‘সীমান্তে গুলি করে মারলে বন্ধুত্ব রক্ষা হয় না’
- ‘ছাত্রলীগ-যুবলীগ দিয়ে বিরোধী দলকে দমাতে চায় সরকার’
- ট্রাইব্যুনালের মামলাগুলোর সর্বশেষ অবস্থা
- এক মঞ্চে মন্ত্রী-সাংসদ-পুলিশ–পলাতক আসামি
- কী মিশন নিয়ে ফের আসছেন নিশা?
- সাগরপথে বিদেশ, হারিয়ে যাচ্ছে শত শত যুবক
- জাপানে পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন আবে
- পাক-রুশ মাইলফলক সামরিক চুক্তি সই
- মানুষ প্রথম বসতি স্থাপন করে পৃথিবীর ছাদে
- পাবনায় ডিবি পরিচয়ে অপহৃত যুবককে কুপিয়ে হত্যা
- কাপল অফিসার জড়িত
- দক্ষিণে মন্থর বিএনপি : দায়সারা কর্মসূচি
- বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত যুব সম্মেলনে অধ্য...
- মহানগর বিএনপি পুনর্গঠনে বেকায়দায় মির্জা আব্বাস
- তদন্ত নিয়ে বিপাকে পুলিশ
- ৫০ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিলেন ওবামা
- তিতাসে আলীগ-যুবলীগ টেঁটাযুদ্ধ : নিহত ১
- চট্টগ্রাম-রাজশাহীতে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে...
- প্রত্যেক জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স করা হবে
- বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছাত্রলীগ: ওবায়দুল কাদের
- দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন এইচটি ইমামের ছেলে
- ‘সরকার নারীদের জন্য সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে’...
- লন্ডনে ‘চরমপন্থা’র ঝুঁকিতে ছয়টি স্কুল
- ‘আওয়ামী লীগ বাকশালের দিকে এগুচ্ছে’ -মির্জা আব্বাস
- পুলিশেও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা!
- নেপথ্যে টেন্ডারবাজি নিয়োগ-বাণিজ্য
- ছাত্রলীগকে বাঁচান
- সাকিব বর্ষণে সিক্ত দীর্ঘ খরা
- আরও সাত প্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষের আশংকা
- রাজনৈতিক চাপে ব্যাংক কিনছে খেলাপি ঋণ
- ভারতের সঙ্গে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করুন: ওবামাকে ন...
- ব্রুকলিনে গাড়িচাপায় বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মেধাবী কিশ...
- ‘এইচটি ইমাম বিএনপির লোক’
- ‘ভাসানীই স্বাধীনতার আওয়াজ প্রথম তুলেছিলেন’ -খোকা
- সমবায় খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করুন by ধীরাজ কুমার নাথ
- বাংলাদেশের উন্নয়নে কৌশলগত অংশীদারিত্ব by মুহাম্মদ ...
- ভিন্ন ভিন্ন মানসিকতায় বড় হয়ে ওঠার গল্প by সমীর রঞ্...
- সামনে কী? বঙ্গোপসাগর! by ফরহাদ মজহার
- কেনিয়ায় ২৮ বাসযাত্রীকে গুলি করে হত্যা
- ‘খুনী কমিটিকে বাঁচাতে মরিয়া শিক্ষকদের একটি মহল’
- যত্রতত্র পারাপার ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট
- ওবামার আদেশ অবৈধ: রিপাবলিকান দল
- প্রয়োজেন শক্তি প্রয়োগ: প্রণব
- মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজের এর পিইসি পরীক্ষার...
- কনজারভেটিভ দলের ওপর চাপ বাড়ছে
- সাকিবের ম্যাচে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে by তারেক মাহমুদ
- রবার্ট এফ কেনেডি মানবাধিকার পুরস্কার পেলেন আদিলুর
- শফিউল ইসলাম হত্যাকাণ্ড- ১১ জনকে আবার রিমান্ডের আবেদন
- রাজধানীর সড়কে আবার সেই কাঁটা
- আলোর দিশারি আবদুর রশিদ by আনোয়ার হোসেন
- যত্রতত্র রাস্তা পার বন্ধে ডিএমপির প্রচারণা আজ শুরু
- বর্ষা ও নোভার নিঃসঙ্গতা by আহমেদ মুনির
- প্রধানমন্ত্রীর আশা- জাতি গঠনে সশস্ত্র বাহিনী আরও অ...
- ছাত্রলীগ বনাম ছাত্রলীগ, ছয় বছরে নিহত ৩৯ by সামছুর...
- কে এই কথিত ঈশ্বরমানব?
- ‘প্যারাসিটিক টুইন’
- সমুদ্র সৈকতে ভেজাল আচার by রাসেল চৌধুরী
- কাপড়ের রঙ মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে কেক, বিস্কুট by হাফিজ ...
- মায়েরা যে ভুল করেছেন সেটি আমরা করবো না by সালমান ফরিদ
- ‘অ্যাকর্ডের তুলনায় অ্যালায়েন্স দুর্বল’
- গর্ভ থেকেই হাসছে লিও
- অবিশ্বাস্য! মেয়ে নাকি পুতুল!
- ক্রীতদাসের জীবন
- বাংলাদেশের ভাসমান খামার
- অসম প্রেমের টানে সৈকতপাড়ে, অতঃপর...
- চরমপন্থিদের ১৯ গডফাদার
- দুর্নীতি ও ভুলনীতির কারণে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ছ...
- রাবি শিক্ষক হত্যা- ২ দিনের রিমান্ডেও ক্লু উদ্ধার হয়নি
- ক্যাম্পাসের রাজা-প্রজারা
- মাহজাবিনের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট থানায় যাচ্ছে আজ
- যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন সংস্কার শুরু
- সশস্ত্র বাহিনীকে সুসজ্জিত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হ...
- চোরাচালানের টাকায় সম্পদের পাহাড়- পান্থপথে বহুতল ভব...
- শিক্ষা ভবনে গোলাগুলি- নেপথ্যে কোটি টাকার টেন্ডার b...
- ‘ছাত্রলীগের দায় নেই’ -বদিউজ্জামান সোহাগ
- উড়ন্ত সূচনা - দাপুটে জয়
- শাবিতে আতঙ্ক, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার- আগের রাত...
- সিলেট গিয়ে ছাত্রলীগকে রাবিশ বলে আসুন -অর্থমন্ত্রীক...
- বিচারের মুখোমুখি বিএনপির শীর্ষ নেতারা by কাফি কামাল
- এপারে মা, ওপারে মেয়ে
- বিচ্ছিন্নতাবাদীদের রুখতে অনেক কিছু করেছে বাংলাদেশ ...
- দেশে নজিরবিহীন অরাজকতা চলছে: বি. চৌধুরী
- সারদা কেলেঙ্কারিতে সংবাদ প্রতিদিনের সম্পাদক গ্রেফতার
- হতাশ অনুপ চেটিয়া
- অমিয় অসুস্থ, পেছাল ফেলানী হত্যার বিচার
- ‘দুর্নীতি ও ভুলনীতির দায় জনগণ নেবে না’
- লতিফ ও ইমাম হাঁড়ির খবর ফাঁস করেছেন: ফখরুল
- ‘বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ নারী নির্যাতনের শিকার’
- একটুর জন্য হলো না সাকিবের ইতিহাস গড়া!
- ৮৭ রানে জিতলো বাংলাদেশ -বছরের প্রথম জয়
-
▼
Nov 22
(93)
-
▼
November
(2026)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment