Friday, December 30, 2011
রেখো মা দাসেরে মনে... by ইমতিয়ার শামীম
রেখো মা দাসেরে মনে... by ইমতিয়ার শামীম
অন্ধকার আর হিংস্রতায়, অবমাননা আর নিষ্ঠুরতায় ডুবুডুবু ভিক্টোরীয় যুগের ইংল্যান্ডকে চার্লস ডিকেন্সের চেয়ে ভালো করে আর কে চিনেছিল? অথচ এত দিন পর জানলাম, আরো এক চেহারা রয়েছে আমাদের এই প্রিয় লেখকের। কুখ্যাত জ্যামাইকান গভর্নর এডওয়ার্ড আয়ারের সাফাইকারী ছিলেন তিনি! জ্যামাইকার দ্বীপ মোরান্ট বের ক্রীতদাসরা মুক্ত হওয়ার পর নিমজ্জিত হয় প্রচণ্ড দারিদ্র্যে। ক্ষতিপূরণ দেওয়া তো দূরের কথা, ভোটার হওয়ার জন্য নতুন ফি আরোপ করা হয়
তাদের ওপর। বিভিন্ন অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে এসব মুক্ত দাস কৃষকরা বিক্ষোভ ও বিদ্রোহে ফেটে পড়ে ১৮৬৫ সালে। গভর্নর আয়ার তাদের প্রতিবাদের প্রত্যুত্তর দেন খুন ও সন্ত্রাস চালিয়ে। আয়ারের নির্বিচার খুন ও সন্ত্রাস অব্যাহত ছিল টানা এক মাস। তাঁর সেনাদল হত্যা করে কমপক্ষে ৪০০ মানুষকে। শিশু এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীও ছিল তাদের ভেতর। বেত দিয়ে একনাগাড়ে পেটানো হয় কমপক্ষে ৬০০ মানুষকে। পুড়িয়ে দেওয়া হয় এক হাজার বাড়িঘর। পরে আরো অসংখ্য মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয় বিচারের নামে। দাস ব্যবসার অবসানের পর ক্রোধোন্মত্ত বর্ণবাদের ক্রান্তিকাল ফুটে ওঠে এই বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে। ব্রিটিশ রাজনীতিই দুই ভাগ হয়ে যায়। জন স্টুয়ার্ট মিলের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে 'জ্যামাইকান কমিটি', যেটায় ছিলেন জন ব্রাইট, চার্লস ডারউইন, হার্বার্ট স্পেন্সারের মতো মনীষীরা। এই কমিটি হত্যার অপরাধে আয়ারের শাস্তি দাবি করে।
অন্যদিকে চার্লস ডিকেন্স, ইতিহাসবিদ ও প্রাবন্ধিক থমাস কার্লাইল, কবি ও আলোচক ম্যাথু আরনল্ড এবং কালেক্টর জন রাস্কিনদের নিয়ে গড়ে ওঠে 'আয়ার ডিফেন্স কমিটি'। আয়ারকে সাহায্য করার জন্য এই কমিটি সংগ্রহ করে ১০ হাজার পাউন্ড। ১৮৫৩ সালে কার্লাইল 'অকেশনাল ডিসকোর্স অন দ্য নিগ্রো কোয়েশ্চেন' বইটি লিখে চূড়ান্ত বর্ণবাদিতার পরিচয় দিলে তাঁর বিরুদ্ধে কলম ধরেন জন স্টুয়ার্ট মিল। ফলে আগে থেকেই কার্লাইল ক্ষুব্ধ ছিলেন। জ্যামাইকান কমিটির সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি তীব্র আক্রমণাত্মক ভাষায় লেখেন, "জ্যামাইকান কমিটি 'নিগার মানবপ্রেমিকদের' এমন একটি গোষ্ঠী, যারা নর্দমার মধ্যে উন্মত্ত অবস্থায় ঘেউঘেউ করছে।" আয়ারের সব অপরাধই খারিজ হয়ে যায়। কেননা বিচারকরা মনে করেন, তাঁর অপরাধগুলো সংঘটিত হয়েছে 'শুধু নিগ্রোরক্তের' বিরুদ্ধে!
বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটনও নন্দিত আমাদের সবার কাছে। অথচ দাস ব্যবসার জন্য কুখ্যাত সাউথ সি কম্পানির শেয়ারহোল্ডার ছিলেন তিনি। লোভনীয় মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিলেও কম্পানিটি ছিল দুর্নীতিগ্রস্ত। ১৭২০ সালে কম্পানির জাহাজে ডাকাতদল হামলা চালায়। ওই বছর শেয়ারহোল্ডারদের তালিকায় ছিলেন হাউস অব কমন্সের ৪৬২ জন সদস্য, হাউস অব লর্ডসের ১০০ জন সদস্য, আইজ্যাক নিউটন, থমাস গাই প্রমুখ। থমাস গাইয়ের শেয়ার ছিল ৪২ হাজার পাউন্ড। কিন্তু তিনি ডাকাতির ঘটনায় কম্পানির শেয়ার ব্যবসায় ধস নামার আগেই লন্ডনে তাঁর হাসপাতালের কথা বলে প্রতিটি শেয়ার ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করে দেন। এতে এত লাভ হয় যে হাসপাতাল বানাতে আর কোনো অসুবিধা হয়নি তাঁর। অন্যদিকে শেয়ার মন্দার ফলে নিউটনের লোকসান হয় ২০ হাজার পাউন্ড। তবে ডাকাতির ধকল সত্ত্বেও সাউথ সি কম্পানি ১৭১৫ থেকে ১৭৩১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার দাস চালান করে।
শুধু কি নিউটন, ১৭১২ সালে 'দ্য রেপ অব দ্য লক' লিখে, পরে 'হোমার' অনুবাদ করে বিখ্যাত কবি আলেকজান্ডার পোপও সাউথ সি কম্পানির দাস ব্যবসায় টাকা খাটান। টাকা মার যায় তাঁরও। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে যিনি ইংল্যান্ডের শিল্পকলা নিয়ন্ত্রণ করেছেন, সেই পোট্র্রেট পেইন্টার স্যার গডফ্রে নেলারও লোকসান দেন এই কম্পানিতে টাকা খাটিয়ে।
বিখ্যাত 'উদারনৈতিক' দার্শনিক জন লকও ৬০০ পাউন্ড বিনিয়োগ করেছিলেন ব্রিটেনে দাস ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকারী রয়্যাল আফ্রিকান কম্পানিতে। তা ছাড়া ১৬৯০ সালে তিনি লেখেন 'অ্যাসেস কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং', যা ছিল বর্ণবাদী চিন্তা বিকাশের বাইবেল। আফ্রিকানরা শ্বেতাঙ্গ ইউরোপীয়দের তুলনায় সব দিক বিচারেই হীন ও ছোট_এই ছিল তাঁর উদারনৈতিক ধারণা!
১৬০২ সালে অজ্ঞাত এক শিল্পী ছবি এঁকেছিলেন স্যার ওয়াল্টার রালেগের। রালেগ ছিলেন লেখক। লিখতেন কবিতা। কিন্তু তাঁকে ক্ষমতাবান করে তুলেছিল তাঁর অভিযান আর যুদ্ধাভিযান চালানোর কূট অভিজ্ঞতা। তাই রানি এলিজাবেথেরও প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন তিনি। আমেরিকায় উপনিবেশ স্থাপনকারী এবং দাসব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাকারীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। ইংল্যান্ডে আলু আর টোব্যাকো নিয়ে আসেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে স্বর্ণ আহরণের ব্যাপারেও উদ্যোগ নেন বেশ কয়েকবার। আয়ারল্যান্ডের বিদ্রোহ দমনে, কাডিজ ও অ্যারোজেসের যুদ্ধাভিযানে তিনি ছিলেন সামনের সারিতে। দেশ চালাতে গেলে এ রকম কীর্তিমান মানুষকে পছন্দ না করে উপায় আছে? কিন্তু রানি প্রথম এলিজাবেথের আনুকূল্য থাকা সত্ত্বেও জেলে যেতে হয় তাঁকে। তিনি তখন আত্মনিয়োগ করেন সাহিত্য ও বিজ্ঞান চর্চায়। শুরু করেন 'হিস্ট্রি অব ওয়ার্ল্ড' (১৬১৪) লেখা। জেল থেকে বেরিয়ে আবারও অভিযানে বের হন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একজন স্প্যানিয়ার্ডকে হত্যার দায়ে প্রথম জেমস ফাঁসি দেন তাঁকে। রালেগের স্ত্রীই ক্রীতদাসের মালিক এবং প্রতিপালক হওয়াকে ষোড়শ শতাব্দীতে আভিজাত্য ও সামাজিক মর্যাদার প্রতীক এবং ফ্যাশনেবল করে তোলেন। এই ফ্যাশন অব্যাহত থাকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত। কবি-সাহিত্যিক, শিল্পী আর বিজ্ঞানীদের ব্যবসাভাগ্য অবশ্য কখনোই ততটা ভালো নয়। এ জন্য তাঁদের প্রতি আমাদের সহানুভূতির অন্ত নেই। তাই বলে তাঁদের মতো স্পর্শকাতর আর অনুভূতিপ্রবণ মানুষরা দাস হত্যাকারীদের পক্ষে দাঁড়াবেন, দাস ব্যবসায়ীদের খাতায় নাম লেখাবেন, তা কি মেনে নেওয়া যায়?
২০০ বছর পর 'অবসানের পথে'
কালের বিবর্তনে ডিকেন্স-নিউটনদের ঢেকে যাওয়া এই খণ্ড অতীত জানা গেল ব্রিটেনে দাস ব্যবসা অবসানের ২০০ বছর (১৮০৭-২০০৭) পূর্তির বিভিন্ন প্রদর্শনী আর আলোচনা থেকে। ১৮০৭ সালের ২৫ মার্চ ব্রিটেনের পার্লামেন্ট 'ট্রান্স-আটলান্টিক স্লেইভ ট্রেড অ্যাবলিশন অ্যাক্ট' করে আইনগতভাবে বিভিন্ন উপনিবেশে দাস বেচাকেনা ও চালানের অবসান করে। প্রায় ৩০০ বছর দাসদের নিয়ে রক্তের হোলি খেলেছে ব্রিটিশ। তাতেও রক্ষা নেই। দাসদের তারা মনে রেখেছে। তাই ২০০ বছর পূর্তির আবরণে নতুন করে দাসদের মুক্তি দেওয়ার গৌরব আর আনন্দবার্তাও তারা ঘোষণা করেছে ২০০৭ সালের প্রায় পুরোটা সময়ই। পূর্তির এই আয়োজন যত সমন্বয়ই করা হোক না কেন, কোনো আয়োজনেই দাস বিদ্রোহকে তুলে ধরা হয়নি। বরং আড়ম্বরের সঙ্গে দেখানো হয়েছে এ ব্যাপারে ব্রিটেনের সংসদীয় প্রচেষ্টাকে, শ্বেতাঙ্গ মানুষের মহীয়ানতাকে।
২০০ বছর পূর্তির বিভিন্ন আয়োজন করেছিল সমন্বিতভাবে ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল গ্যালারি, ন্যাশনাল পোট্র্রেট গ্যালারি, হাউজেস অব পার্লামেন্ট, টেট ব্রিটেন, ওয়েস্টমিনস্টার সিটি আর্কাইভ আর ওয়েস্টমিনস্টার সিটি কাউন্সিল। বিভিন্ন প্রদর্শনী, আলোচনা, কথোপকথন আর দ্রষ্টব্য জায়গাগুলো চিনে নেওয়ার এসব আয়োজনের শিরোনাম ছিল 'অন দ্য রোড অব অ্যাবলিশন'। বাংলায় কী বলব একে? 'অবসানের পথে'?
'অবসানের' এই পথ প্রথম নজরে এল আমেরিকা থেকে দেশে ফেরার পথে আমাদের পুরনো সহকর্মী, এখন ভোরের কাগজের নির্বাহী সম্পাদক সুকান্ত গুপ্ত অলক লন্ডনে এলে। অলকের প্রচুর প্রাণশক্তি, পারলে এক দিনেই পুরো লন্ডন হেঁটে হেঁটে দেখে ফেলে। তা ছাড়া সময়ও কম; প্যারিস আর রোম দেখতে না গেলে তাঁর এই বিদেশ ভ্রমণ অসমাপ্ত থেকে যাবে। অলকের সঙ্গে আমি ঘুরছি পিকাডেলি সার্কাস, ল্যানচেস্টার স্কয়ার, ট্রাফালগার স্কয়ার, পার্লামেন্ট হাউস ইত্যাদি। ওই সময়ই আমরা জানতে পারলাম, ১৮০৭-২০০৭-কে ঘিরে এত সব আয়োজনের কথা। দেখলাম আমরা, এক অর্থে অ্যাবলিশন অ্যাক্টের স্মৃতির বৃত্তে হাঁটাহাঁটি করছি। ন্যাশনাল গ্যালারিতে তখন চলছে 'স্ক্র্যাচ দ্য সারফেস' প্রদর্শনী। শুরুর রুমেই এই প্রদর্শনীতে ছিল শিল্পী জোফানির 'মিসেস অসওয়াল্ড' (১৭৬৩-১৭৬৪)। ছিল কালো তরুণ ইনকা শোনিবের নতুন একটি কাজ। আর ন্যাশনাল পোট্র্রেট গ্যালারিতে তখন চলছে 'পোট্র্রেটস, পিপল অ্যান্ড দ্য অ্যাবলিশন অব দ্য স্লেইভ ট্রেড : এ জার্নি থ্রু দ্য ন্যাশনাল পোট্র্রেট গ্যালারি কালেকশন'। হাউজেস অব পার্লামেন্টের ওয়েস্টমিনস্টার হলে চলছে 'দ্য ব্রিটিশ স্লেইভ ট্রেড : অ্যাবলিশন, পার্লামেন্ট অ্যান্ড পিপল' প্রদর্শনী। ঘরে-বাইরের যেসব উদ্যোগ ও ঘটনা সংসদকে দাস ব্যবসার অবসানের দিকে নিয়ে যায়, সেগুলোর প্রমাণপত্র, বিভিন্ন আবেদনপত্র, সারা ব্রিটেন ঘোড়ায় চড়ে ছুটে বেড়ানো থমাস ক্লার্কসনের বিখ্যাত আফ্রিকান বঙ্ ইত্যাদি ছিল এই প্রদর্শনীতে। আর টেট ব্রিটেনে ছিল '১৮০৭ : ব্লেক, স্লেইভারি অ্যান্ড দ্য র্যাডিক্যাল মাইন্ড' প্রদর্শনী। দাস ব্যবসার অবসানে উইলিয়াম ব্লেক (১৭৫২-১৮২৭) এবং প্রকাশক জোসেফ জনসনসহ (১৭৩৮-১৮০৯) ১৭৯০ ও ১৮০০ দশকের উল্লেখযোগ্য সব র্যাডিক্যাল লেখক ও শিল্পীর ভূমিকা তুলে ধরা হয় টেট ব্রিটেনের আয়োজনে। আর ওয়েস্টমিনস্টার সিটি আর্কাইভে ছিল স্থানীয় পর্যায়ে দাস ব্যবসার প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন সংগ্রহের ওপর ভিত্তি করে এক প্রদর্শনী 'ওয়েস্টমিনস্টার অ্যান্ড দ্য ট্রান্স-আটলান্টিক স্লেইভ ট্রেড'। দাস ব্যবসার কালে ওয়েস্টমিনস্টারে বসবাসরত আফ্রিকানদের জীবনযাপনের বিভিন্ন উপকরণ আর ছবিও ছিল এখানে। অন্যদিকে ওয়েস্টমিনস্টার সিটি কাউন্সিল আয়োজন করেছিল বিভিন্ন পথযাত্রা ও কথোপকথনের, সিনেমা প্রদর্শনী ও পারফরম্যান্সের।
তা ছাড়া সারা দিন হাঁটতে হাঁটতে দিন শেষে টাওয়ার ব্রিজের কাছে গিয়ে আমি আর অলক দেখেছিলাম খোলা টেমসের বুকে এক স্থাপনা শিল্প : ইতিহাসখ্যাত জং ম্যাসাকারের সেই জং নামের কার্গোটির রেপ্লিকা।
সব কিছু দেখা হয়নি, যদিও সুকান্ত গুপ্ত অলক চলে যাওয়ার পরও বেশ কয়েকবার এসব প্রদর্শনীতে গেছি আমি।
ত্রিভুজের এক অসমকোণ
ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে নতুন জনপদ আবিষ্কার, বিজয় এবং বসতি স্থাপন করাটা ছিল সমুদ্রতীরঘেঁষা ইউরোপীয় অক্ষশক্তিগুলোর 'মুই কী হনু রে!' প্রমাণ করার প্রধান উপায়। স্প্যানিয়ার্ড, পর্তুগিজ ও ডাচ্রা ছিল এই সমুদ্র ব্যবসার সফল নায়ক। ইংরেজরা অনেক পিছিয়ে ছিল এ ব্যাপারে। এতই পিছিয়ে ছিল যে পাল্লা দেওয়ারও কোনো উপায় ছিল না। প্রথম দিককার ইংরেজ সমুদ্র অভিযাত্রীদের মনোযোগ ছিল আফ্রিকার গোল্ড বা স্বর্ণের দিকে। এ জন্যই শুরুর দিকে ইংল্যান্ডের মুদ্রা পরিচিতি পায় 'গিনি' নামে। শেষমেশ ইংরেজরা সাফল্য খুঁজে পায় দাস ব্যবসায়। কেননা ইউরোপের অন্য কোনো দেশেরই আফ্রিকা থেকে দাস আনার ব্যাপারে তেমন মনোযোগ ছিল না। আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে বসতি স্থাপন শুরু হলে আফ্রিকার সঙ্গে ইউরোপের ব্যবসায়িক সম্পর্কের পরিবর্তন ঘটতে থাকে। এসব স্থানে শুরু হয় চিনি উৎপাদন। চিনির চাষবাস শুরু করে স্প্যানিয়ার্ডরা, পরে একে পরিণত রূপ দেয় ডাচ্রা। এই শ্রমঘন চিনিপণ্য উৎপাদনের জন্য তাদের চোখ পড়ে আফ্রিকান ক্রীতদাসদের দিকে।
ওই সময় ক্রীতদাসদের ৭০ শতাংশকেই জাহাজে করে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে নিয়ে যাওয়া হতো আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে, চিনির চাষবাস করাতে। এই জঘন্য ব্যবসায় ব্রিটিশ জাতির সম্পৃক্তির শুরুটা জানা যায়নি। তবে জন হকিন্স প্রথম জ্ঞাত ব্রিটিশ প্রাইভেটর, যিনি ১৫৬২ সালে আফ্রিকার মানুষকে ক্রীতদাস হিসেবে আটলান্টিক সাগর পাড়ি দিয়ে ক্যারিবীয় দেশগুলোতে নিয়ে যেতেন। হকিন্সের আরেকজন সহযাত্রী ছিলেন স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক। তার আগে থেকেই অবশ্য অনেক দেশ জড়িয়ে পড়ে ক্রীতদাস ব্যবসায়। তবে তা তাদের মুখ্য ব্যবসা ছিল না। রানি প্রথম এলিজাবেথের সময় থেকে ইংরেজরা মরিয়া হয়ে ওঠে সমুদ্র ব্যবসায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠার জন্য। রানির কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে জন হকিন্স ৩০০ ক্রীতদাসের চালান নিয়ে উত্তর আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে সেগুলো চালান করেন চিনি, জিঞ্জার ইত্যাদির বিনিময়ে। এসব পণ্য নিয়ে তিনি ১৫৬৩ সালে ফিরে আসেন ইংল্যান্ডে। মুনাফার স্বাদে অস্থির হকিন্স পরের বছর আবারও বের হন সমুদ্র অভিযানে। এবার রানি এলিজাবেথ অনুমতির পাশাপাশি তাঁকে একটি জাহাজও দেন ক্রীতদাস চালানের জন্য। তবে ইংল্যান্ডে এ সময় আফ্রিকানদের সংখ্যা এত বেড়ে যায় যে দাস ব্যবসায় জড়িত থাকলেও রানি ১৫৯০ সালের জুলাইয়ে আফ্রিকানদের দেশ থেকে বহিষ্কার করার ডিক্রি জারি করেন। কিন্তু বিফলে যায় তাঁর ডিক্রি। নিজেদের স্বার্থেই আফ্রিকানদের বহাল রাখে ইংল্যান্ডের অভিজাতরা; যেমন আমাদের ঢাকার অভিজাত ও মধ্যশ্রেণী মানবাধিকারের কারণে নয়, বরং নিজেদের প্রয়োজনেই সংরক্ষণ করে বস্তি ও বস্তিবাসীদের। ১৬২০-এর দশকের দিকে ব্রিটেন তাদের ইন্ডিয়ান দ্বীপগুলোতে চিনি উৎপাদনের জন্য, সেই সূত্রে ক্রীতদাস ব্যবসার ব্যাপারে মনোযোগী হয়। এ দুই ব্যবসা ছিল তখন একে অন্যের পরিপূরক। তা ছাড়া উত্তর আমেরিকার কলোনিগুলোতে টোব্যাকো চাষের বিকাশ দাসশ্রম ব্যবহারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে। ১৭৩০-এর দশকের দিকে ব্রিটেন পরিণত হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দাসবাণিজ্যিক রাষ্ট্রে। ১৬৯০ থেকে ১৮০৭ সালের মধ্যে ব্রিটিশ জাহাজে করে পরিবহন করা হয় প্রায় ৩ দশমিক ২৫ মিলিয়ন আফ্রিকান ক্রীতদাসকে। সপ্তদশ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে যে রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তাকে কাজে লাগিয়ে ব্রিটেন সক্ষম হয় আফ্রিকা ও আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসায় একাধিপত্য অর্জন করতে। ব্রিটেনের লাভজনক অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল অসম দাস ব্যবসা; এবং এই অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক পরিচিতি পায় 'ট্রায়াঙ্গুলার ট্রেড' হিসেবে। ইংল্যান্ড থেকে আফ্রিকায় নিয়ে যাওয়া হতো অস্ত্র, কাচ, ধাতু, বস্ত্র এবং বিভিন্ন ব্রিটিশ পণ্য। সেখানে এগুলো আফ্রিকানদের ধরে ক্রীতদাস বানানোর জন্য বিনিময় করা হতো। তারপর ব্রিটিশ জাহাজে করে অধিকাংশ আফ্রিকান ক্রীতদাসকে চালান করা হতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আমেরিকায়। এসব জায়গায় তাদের লাগানো হতো চিনি, কফি, সুতা ও কোকো উৎপাদনের কাজে। দাসদের নামিয়ে চিনি, কফি, সুতা, কোকো ইত্যাদি জিনিসপত্রে ভর্তি কার্গো নিয়ে দাস ব্যবসায়ীরা ফিরে আসত ইংল্যান্ডে। মুনাফা লোটার জন্য এই ত্রিভুজাকৃতির নেটওয়ার্কের চেয়ে সহজ ও নিশ্চিততম আর কোনো অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক ছিল না তাদের।
২০০ বছর পর ব্রিটিশ জাতি ক্রীতদাস প্রথা অবসানের আনন্দে যত পূর্তি উৎসবই করুক না কেন, ক্রীতদাসরাই প্রথম কণ্ঠস্বর, যারা বিদ্রোহ ও প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে লেখাপড়া শিখে লেখালেখি করে এই জঘন্য ব্যবসার বিরুদ্ধে মানুষের সুচেতনা জাগিয়ে তোলে। ইউরোপ-আমেরিকার সাদা মানুষরা এ ব্যাপারে মুখ খুলতে শুরু করে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে। ব্রিটেনে এ ব্যাপারে প্রথম আপত্তি তোলেন জর্জ ফঙ্ প্রতিষ্ঠিত খ্রিস্টধর্ম সম্প্রদায় উদ্ভূত গোষ্ঠী কোয়েকার এবং অন্যান্য নন-কনফর্মিস্ট চার্চ গ্রুপের সদস্যরা। কিন্তু দাস ব্যবসা অবসানের আন্দোলন ব্যাপকতা পায় ব্রিটেনে বসবাসকারী পুরনো ক্রীতদাস জনগণের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে, যা ব্রিটিশ ইতিহাসে গুরুত্বের সঙ্গে কখনো লেখা হয়নি। বিশেষ করে ক্রীতদাস সমারসেট ও জং জাহাজের ঘটনাসংক্রান্ত মামলার মধ্য দিয়ে দাসমুক্তি এবং অধিকারের প্রশ্ন বড় হয়ে ওঠে। কালোরা নিজেরা এ ব্যাপারে কতটা উচ্চকিত হয়ে উঠেছিলেন, তার খানিকটা আঁচ করা যায় এ সময় প্রকাশিত ইগনাটাস সানচোর পত্রাবলি এবং ওলাউদা একুয়ানো ওউওবনা অটোবাহ কুগোয়ানোদের বিভিন্ন বইপত্র থেকে। এসব বইয়ে তুলে ধরা হয় জাহাজে করে দাসদের নিয়ে আসার সময় আফ্রিকানদের ওপর ভায়োলেন্স, অত্যাচার আর অবমাননার বিবরণ। আফ্রিকান ক্রীতদাসরা বারবার প্রতিবাদ, বিদ্রোহ ও প্রতিরোধের মধ্য দিয়েও এই ব্যবসার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে থাকেন।
১৭৭৬ থেকে ১৭৮৩ সালে উত্তর আমেরিকার যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাদের পরাজয়ের পর দাস ব্যবসা নতুন করে প্রশ্নবিদ্ধ হলো। যুদ্ধে পরাজিত ব্রিটিশ সেনারা ঘরে ফিরতে লাগল তাদের পুরনো দাস নিয়ে। সরকার উদ্যোগ নিল আবারও তাদের আফ্রিকায় ফিরিয়ে দিতে। কিন্তু সিয়েরা লিওন স্কিম বিপর্যয়ের অভিজ্ঞতায় সরকার বুঝতে পারল, এ রকম উদ্যোগ ব্যর্থ হতে বাধ্য। ১৭৮০-এর দশকজুড়েই তাই নানা দিক থেকে ক্রমাগত আলোচনা চলল কালো, গরিব আর দাসদের সমস্যা নিয়ে। (সংক্ষিপ্ত)
[শিলালিপি ২৯ জুলাই ২০১১]
অন্যদিকে চার্লস ডিকেন্স, ইতিহাসবিদ ও প্রাবন্ধিক থমাস কার্লাইল, কবি ও আলোচক ম্যাথু আরনল্ড এবং কালেক্টর জন রাস্কিনদের নিয়ে গড়ে ওঠে 'আয়ার ডিফেন্স কমিটি'। আয়ারকে সাহায্য করার জন্য এই কমিটি সংগ্রহ করে ১০ হাজার পাউন্ড। ১৮৫৩ সালে কার্লাইল 'অকেশনাল ডিসকোর্স অন দ্য নিগ্রো কোয়েশ্চেন' বইটি লিখে চূড়ান্ত বর্ণবাদিতার পরিচয় দিলে তাঁর বিরুদ্ধে কলম ধরেন জন স্টুয়ার্ট মিল। ফলে আগে থেকেই কার্লাইল ক্ষুব্ধ ছিলেন। জ্যামাইকান কমিটির সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি তীব্র আক্রমণাত্মক ভাষায় লেখেন, "জ্যামাইকান কমিটি 'নিগার মানবপ্রেমিকদের' এমন একটি গোষ্ঠী, যারা নর্দমার মধ্যে উন্মত্ত অবস্থায় ঘেউঘেউ করছে।" আয়ারের সব অপরাধই খারিজ হয়ে যায়। কেননা বিচারকরা মনে করেন, তাঁর অপরাধগুলো সংঘটিত হয়েছে 'শুধু নিগ্রোরক্তের' বিরুদ্ধে!
বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটনও নন্দিত আমাদের সবার কাছে। অথচ দাস ব্যবসার জন্য কুখ্যাত সাউথ সি কম্পানির শেয়ারহোল্ডার ছিলেন তিনি। লোভনীয় মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিলেও কম্পানিটি ছিল দুর্নীতিগ্রস্ত। ১৭২০ সালে কম্পানির জাহাজে ডাকাতদল হামলা চালায়। ওই বছর শেয়ারহোল্ডারদের তালিকায় ছিলেন হাউস অব কমন্সের ৪৬২ জন সদস্য, হাউস অব লর্ডসের ১০০ জন সদস্য, আইজ্যাক নিউটন, থমাস গাই প্রমুখ। থমাস গাইয়ের শেয়ার ছিল ৪২ হাজার পাউন্ড। কিন্তু তিনি ডাকাতির ঘটনায় কম্পানির শেয়ার ব্যবসায় ধস নামার আগেই লন্ডনে তাঁর হাসপাতালের কথা বলে প্রতিটি শেয়ার ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করে দেন। এতে এত লাভ হয় যে হাসপাতাল বানাতে আর কোনো অসুবিধা হয়নি তাঁর। অন্যদিকে শেয়ার মন্দার ফলে নিউটনের লোকসান হয় ২০ হাজার পাউন্ড। তবে ডাকাতির ধকল সত্ত্বেও সাউথ সি কম্পানি ১৭১৫ থেকে ১৭৩১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার দাস চালান করে।
শুধু কি নিউটন, ১৭১২ সালে 'দ্য রেপ অব দ্য লক' লিখে, পরে 'হোমার' অনুবাদ করে বিখ্যাত কবি আলেকজান্ডার পোপও সাউথ সি কম্পানির দাস ব্যবসায় টাকা খাটান। টাকা মার যায় তাঁরও। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে যিনি ইংল্যান্ডের শিল্পকলা নিয়ন্ত্রণ করেছেন, সেই পোট্র্রেট পেইন্টার স্যার গডফ্রে নেলারও লোকসান দেন এই কম্পানিতে টাকা খাটিয়ে।
বিখ্যাত 'উদারনৈতিক' দার্শনিক জন লকও ৬০০ পাউন্ড বিনিয়োগ করেছিলেন ব্রিটেনে দাস ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকারী রয়্যাল আফ্রিকান কম্পানিতে। তা ছাড়া ১৬৯০ সালে তিনি লেখেন 'অ্যাসেস কনসার্নিং হিউম্যান আন্ডারস্ট্যান্ডিং', যা ছিল বর্ণবাদী চিন্তা বিকাশের বাইবেল। আফ্রিকানরা শ্বেতাঙ্গ ইউরোপীয়দের তুলনায় সব দিক বিচারেই হীন ও ছোট_এই ছিল তাঁর উদারনৈতিক ধারণা!
১৬০২ সালে অজ্ঞাত এক শিল্পী ছবি এঁকেছিলেন স্যার ওয়াল্টার রালেগের। রালেগ ছিলেন লেখক। লিখতেন কবিতা। কিন্তু তাঁকে ক্ষমতাবান করে তুলেছিল তাঁর অভিযান আর যুদ্ধাভিযান চালানোর কূট অভিজ্ঞতা। তাই রানি এলিজাবেথেরও প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন তিনি। আমেরিকায় উপনিবেশ স্থাপনকারী এবং দাসব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাকারীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। ইংল্যান্ডে আলু আর টোব্যাকো নিয়ে আসেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে স্বর্ণ আহরণের ব্যাপারেও উদ্যোগ নেন বেশ কয়েকবার। আয়ারল্যান্ডের বিদ্রোহ দমনে, কাডিজ ও অ্যারোজেসের যুদ্ধাভিযানে তিনি ছিলেন সামনের সারিতে। দেশ চালাতে গেলে এ রকম কীর্তিমান মানুষকে পছন্দ না করে উপায় আছে? কিন্তু রানি প্রথম এলিজাবেথের আনুকূল্য থাকা সত্ত্বেও জেলে যেতে হয় তাঁকে। তিনি তখন আত্মনিয়োগ করেন সাহিত্য ও বিজ্ঞান চর্চায়। শুরু করেন 'হিস্ট্রি অব ওয়ার্ল্ড' (১৬১৪) লেখা। জেল থেকে বেরিয়ে আবারও অভিযানে বের হন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একজন স্প্যানিয়ার্ডকে হত্যার দায়ে প্রথম জেমস ফাঁসি দেন তাঁকে। রালেগের স্ত্রীই ক্রীতদাসের মালিক এবং প্রতিপালক হওয়াকে ষোড়শ শতাব্দীতে আভিজাত্য ও সামাজিক মর্যাদার প্রতীক এবং ফ্যাশনেবল করে তোলেন। এই ফ্যাশন অব্যাহত থাকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত। কবি-সাহিত্যিক, শিল্পী আর বিজ্ঞানীদের ব্যবসাভাগ্য অবশ্য কখনোই ততটা ভালো নয়। এ জন্য তাঁদের প্রতি আমাদের সহানুভূতির অন্ত নেই। তাই বলে তাঁদের মতো স্পর্শকাতর আর অনুভূতিপ্রবণ মানুষরা দাস হত্যাকারীদের পক্ষে দাঁড়াবেন, দাস ব্যবসায়ীদের খাতায় নাম লেখাবেন, তা কি মেনে নেওয়া যায়?
২০০ বছর পর 'অবসানের পথে'
কালের বিবর্তনে ডিকেন্স-নিউটনদের ঢেকে যাওয়া এই খণ্ড অতীত জানা গেল ব্রিটেনে দাস ব্যবসা অবসানের ২০০ বছর (১৮০৭-২০০৭) পূর্তির বিভিন্ন প্রদর্শনী আর আলোচনা থেকে। ১৮০৭ সালের ২৫ মার্চ ব্রিটেনের পার্লামেন্ট 'ট্রান্স-আটলান্টিক স্লেইভ ট্রেড অ্যাবলিশন অ্যাক্ট' করে আইনগতভাবে বিভিন্ন উপনিবেশে দাস বেচাকেনা ও চালানের অবসান করে। প্রায় ৩০০ বছর দাসদের নিয়ে রক্তের হোলি খেলেছে ব্রিটিশ। তাতেও রক্ষা নেই। দাসদের তারা মনে রেখেছে। তাই ২০০ বছর পূর্তির আবরণে নতুন করে দাসদের মুক্তি দেওয়ার গৌরব আর আনন্দবার্তাও তারা ঘোষণা করেছে ২০০৭ সালের প্রায় পুরোটা সময়ই। পূর্তির এই আয়োজন যত সমন্বয়ই করা হোক না কেন, কোনো আয়োজনেই দাস বিদ্রোহকে তুলে ধরা হয়নি। বরং আড়ম্বরের সঙ্গে দেখানো হয়েছে এ ব্যাপারে ব্রিটেনের সংসদীয় প্রচেষ্টাকে, শ্বেতাঙ্গ মানুষের মহীয়ানতাকে।
২০০ বছর পূর্তির বিভিন্ন আয়োজন করেছিল সমন্বিতভাবে ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল গ্যালারি, ন্যাশনাল পোট্র্রেট গ্যালারি, হাউজেস অব পার্লামেন্ট, টেট ব্রিটেন, ওয়েস্টমিনস্টার সিটি আর্কাইভ আর ওয়েস্টমিনস্টার সিটি কাউন্সিল। বিভিন্ন প্রদর্শনী, আলোচনা, কথোপকথন আর দ্রষ্টব্য জায়গাগুলো চিনে নেওয়ার এসব আয়োজনের শিরোনাম ছিল 'অন দ্য রোড অব অ্যাবলিশন'। বাংলায় কী বলব একে? 'অবসানের পথে'?
'অবসানের' এই পথ প্রথম নজরে এল আমেরিকা থেকে দেশে ফেরার পথে আমাদের পুরনো সহকর্মী, এখন ভোরের কাগজের নির্বাহী সম্পাদক সুকান্ত গুপ্ত অলক লন্ডনে এলে। অলকের প্রচুর প্রাণশক্তি, পারলে এক দিনেই পুরো লন্ডন হেঁটে হেঁটে দেখে ফেলে। তা ছাড়া সময়ও কম; প্যারিস আর রোম দেখতে না গেলে তাঁর এই বিদেশ ভ্রমণ অসমাপ্ত থেকে যাবে। অলকের সঙ্গে আমি ঘুরছি পিকাডেলি সার্কাস, ল্যানচেস্টার স্কয়ার, ট্রাফালগার স্কয়ার, পার্লামেন্ট হাউস ইত্যাদি। ওই সময়ই আমরা জানতে পারলাম, ১৮০৭-২০০৭-কে ঘিরে এত সব আয়োজনের কথা। দেখলাম আমরা, এক অর্থে অ্যাবলিশন অ্যাক্টের স্মৃতির বৃত্তে হাঁটাহাঁটি করছি। ন্যাশনাল গ্যালারিতে তখন চলছে 'স্ক্র্যাচ দ্য সারফেস' প্রদর্শনী। শুরুর রুমেই এই প্রদর্শনীতে ছিল শিল্পী জোফানির 'মিসেস অসওয়াল্ড' (১৭৬৩-১৭৬৪)। ছিল কালো তরুণ ইনকা শোনিবের নতুন একটি কাজ। আর ন্যাশনাল পোট্র্রেট গ্যালারিতে তখন চলছে 'পোট্র্রেটস, পিপল অ্যান্ড দ্য অ্যাবলিশন অব দ্য স্লেইভ ট্রেড : এ জার্নি থ্রু দ্য ন্যাশনাল পোট্র্রেট গ্যালারি কালেকশন'। হাউজেস অব পার্লামেন্টের ওয়েস্টমিনস্টার হলে চলছে 'দ্য ব্রিটিশ স্লেইভ ট্রেড : অ্যাবলিশন, পার্লামেন্ট অ্যান্ড পিপল' প্রদর্শনী। ঘরে-বাইরের যেসব উদ্যোগ ও ঘটনা সংসদকে দাস ব্যবসার অবসানের দিকে নিয়ে যায়, সেগুলোর প্রমাণপত্র, বিভিন্ন আবেদনপত্র, সারা ব্রিটেন ঘোড়ায় চড়ে ছুটে বেড়ানো থমাস ক্লার্কসনের বিখ্যাত আফ্রিকান বঙ্ ইত্যাদি ছিল এই প্রদর্শনীতে। আর টেট ব্রিটেনে ছিল '১৮০৭ : ব্লেক, স্লেইভারি অ্যান্ড দ্য র্যাডিক্যাল মাইন্ড' প্রদর্শনী। দাস ব্যবসার অবসানে উইলিয়াম ব্লেক (১৭৫২-১৮২৭) এবং প্রকাশক জোসেফ জনসনসহ (১৭৩৮-১৮০৯) ১৭৯০ ও ১৮০০ দশকের উল্লেখযোগ্য সব র্যাডিক্যাল লেখক ও শিল্পীর ভূমিকা তুলে ধরা হয় টেট ব্রিটেনের আয়োজনে। আর ওয়েস্টমিনস্টার সিটি আর্কাইভে ছিল স্থানীয় পর্যায়ে দাস ব্যবসার প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন সংগ্রহের ওপর ভিত্তি করে এক প্রদর্শনী 'ওয়েস্টমিনস্টার অ্যান্ড দ্য ট্রান্স-আটলান্টিক স্লেইভ ট্রেড'। দাস ব্যবসার কালে ওয়েস্টমিনস্টারে বসবাসরত আফ্রিকানদের জীবনযাপনের বিভিন্ন উপকরণ আর ছবিও ছিল এখানে। অন্যদিকে ওয়েস্টমিনস্টার সিটি কাউন্সিল আয়োজন করেছিল বিভিন্ন পথযাত্রা ও কথোপকথনের, সিনেমা প্রদর্শনী ও পারফরম্যান্সের।
তা ছাড়া সারা দিন হাঁটতে হাঁটতে দিন শেষে টাওয়ার ব্রিজের কাছে গিয়ে আমি আর অলক দেখেছিলাম খোলা টেমসের বুকে এক স্থাপনা শিল্প : ইতিহাসখ্যাত জং ম্যাসাকারের সেই জং নামের কার্গোটির রেপ্লিকা।
সব কিছু দেখা হয়নি, যদিও সুকান্ত গুপ্ত অলক চলে যাওয়ার পরও বেশ কয়েকবার এসব প্রদর্শনীতে গেছি আমি।
ত্রিভুজের এক অসমকোণ
ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে নতুন জনপদ আবিষ্কার, বিজয় এবং বসতি স্থাপন করাটা ছিল সমুদ্রতীরঘেঁষা ইউরোপীয় অক্ষশক্তিগুলোর 'মুই কী হনু রে!' প্রমাণ করার প্রধান উপায়। স্প্যানিয়ার্ড, পর্তুগিজ ও ডাচ্রা ছিল এই সমুদ্র ব্যবসার সফল নায়ক। ইংরেজরা অনেক পিছিয়ে ছিল এ ব্যাপারে। এতই পিছিয়ে ছিল যে পাল্লা দেওয়ারও কোনো উপায় ছিল না। প্রথম দিককার ইংরেজ সমুদ্র অভিযাত্রীদের মনোযোগ ছিল আফ্রিকার গোল্ড বা স্বর্ণের দিকে। এ জন্যই শুরুর দিকে ইংল্যান্ডের মুদ্রা পরিচিতি পায় 'গিনি' নামে। শেষমেশ ইংরেজরা সাফল্য খুঁজে পায় দাস ব্যবসায়। কেননা ইউরোপের অন্য কোনো দেশেরই আফ্রিকা থেকে দাস আনার ব্যাপারে তেমন মনোযোগ ছিল না। আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে বসতি স্থাপন শুরু হলে আফ্রিকার সঙ্গে ইউরোপের ব্যবসায়িক সম্পর্কের পরিবর্তন ঘটতে থাকে। এসব স্থানে শুরু হয় চিনি উৎপাদন। চিনির চাষবাস শুরু করে স্প্যানিয়ার্ডরা, পরে একে পরিণত রূপ দেয় ডাচ্রা। এই শ্রমঘন চিনিপণ্য উৎপাদনের জন্য তাদের চোখ পড়ে আফ্রিকান ক্রীতদাসদের দিকে।
ওই সময় ক্রীতদাসদের ৭০ শতাংশকেই জাহাজে করে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে নিয়ে যাওয়া হতো আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে, চিনির চাষবাস করাতে। এই জঘন্য ব্যবসায় ব্রিটিশ জাতির সম্পৃক্তির শুরুটা জানা যায়নি। তবে জন হকিন্স প্রথম জ্ঞাত ব্রিটিশ প্রাইভেটর, যিনি ১৫৬২ সালে আফ্রিকার মানুষকে ক্রীতদাস হিসেবে আটলান্টিক সাগর পাড়ি দিয়ে ক্যারিবীয় দেশগুলোতে নিয়ে যেতেন। হকিন্সের আরেকজন সহযাত্রী ছিলেন স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক। তার আগে থেকেই অবশ্য অনেক দেশ জড়িয়ে পড়ে ক্রীতদাস ব্যবসায়। তবে তা তাদের মুখ্য ব্যবসা ছিল না। রানি প্রথম এলিজাবেথের সময় থেকে ইংরেজরা মরিয়া হয়ে ওঠে সমুদ্র ব্যবসায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠার জন্য। রানির কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে জন হকিন্স ৩০০ ক্রীতদাসের চালান নিয়ে উত্তর আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে সেগুলো চালান করেন চিনি, জিঞ্জার ইত্যাদির বিনিময়ে। এসব পণ্য নিয়ে তিনি ১৫৬৩ সালে ফিরে আসেন ইংল্যান্ডে। মুনাফার স্বাদে অস্থির হকিন্স পরের বছর আবারও বের হন সমুদ্র অভিযানে। এবার রানি এলিজাবেথ অনুমতির পাশাপাশি তাঁকে একটি জাহাজও দেন ক্রীতদাস চালানের জন্য। তবে ইংল্যান্ডে এ সময় আফ্রিকানদের সংখ্যা এত বেড়ে যায় যে দাস ব্যবসায় জড়িত থাকলেও রানি ১৫৯০ সালের জুলাইয়ে আফ্রিকানদের দেশ থেকে বহিষ্কার করার ডিক্রি জারি করেন। কিন্তু বিফলে যায় তাঁর ডিক্রি। নিজেদের স্বার্থেই আফ্রিকানদের বহাল রাখে ইংল্যান্ডের অভিজাতরা; যেমন আমাদের ঢাকার অভিজাত ও মধ্যশ্রেণী মানবাধিকারের কারণে নয়, বরং নিজেদের প্রয়োজনেই সংরক্ষণ করে বস্তি ও বস্তিবাসীদের। ১৬২০-এর দশকের দিকে ব্রিটেন তাদের ইন্ডিয়ান দ্বীপগুলোতে চিনি উৎপাদনের জন্য, সেই সূত্রে ক্রীতদাস ব্যবসার ব্যাপারে মনোযোগী হয়। এ দুই ব্যবসা ছিল তখন একে অন্যের পরিপূরক। তা ছাড়া উত্তর আমেরিকার কলোনিগুলোতে টোব্যাকো চাষের বিকাশ দাসশ্রম ব্যবহারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে। ১৭৩০-এর দশকের দিকে ব্রিটেন পরিণত হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দাসবাণিজ্যিক রাষ্ট্রে। ১৬৯০ থেকে ১৮০৭ সালের মধ্যে ব্রিটিশ জাহাজে করে পরিবহন করা হয় প্রায় ৩ দশমিক ২৫ মিলিয়ন আফ্রিকান ক্রীতদাসকে। সপ্তদশ শতাব্দীতে ইউরোপজুড়ে যে রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তাকে কাজে লাগিয়ে ব্রিটেন সক্ষম হয় আফ্রিকা ও আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসায় একাধিপত্য অর্জন করতে। ব্রিটেনের লাভজনক অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল অসম দাস ব্যবসা; এবং এই অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক পরিচিতি পায় 'ট্রায়াঙ্গুলার ট্রেড' হিসেবে। ইংল্যান্ড থেকে আফ্রিকায় নিয়ে যাওয়া হতো অস্ত্র, কাচ, ধাতু, বস্ত্র এবং বিভিন্ন ব্রিটিশ পণ্য। সেখানে এগুলো আফ্রিকানদের ধরে ক্রীতদাস বানানোর জন্য বিনিময় করা হতো। তারপর ব্রিটিশ জাহাজে করে অধিকাংশ আফ্রিকান ক্রীতদাসকে চালান করা হতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আমেরিকায়। এসব জায়গায় তাদের লাগানো হতো চিনি, কফি, সুতা ও কোকো উৎপাদনের কাজে। দাসদের নামিয়ে চিনি, কফি, সুতা, কোকো ইত্যাদি জিনিসপত্রে ভর্তি কার্গো নিয়ে দাস ব্যবসায়ীরা ফিরে আসত ইংল্যান্ডে। মুনাফা লোটার জন্য এই ত্রিভুজাকৃতির নেটওয়ার্কের চেয়ে সহজ ও নিশ্চিততম আর কোনো অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক ছিল না তাদের।
২০০ বছর পর ব্রিটিশ জাতি ক্রীতদাস প্রথা অবসানের আনন্দে যত পূর্তি উৎসবই করুক না কেন, ক্রীতদাসরাই প্রথম কণ্ঠস্বর, যারা বিদ্রোহ ও প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে লেখাপড়া শিখে লেখালেখি করে এই জঘন্য ব্যবসার বিরুদ্ধে মানুষের সুচেতনা জাগিয়ে তোলে। ইউরোপ-আমেরিকার সাদা মানুষরা এ ব্যাপারে মুখ খুলতে শুরু করে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে। ব্রিটেনে এ ব্যাপারে প্রথম আপত্তি তোলেন জর্জ ফঙ্ প্রতিষ্ঠিত খ্রিস্টধর্ম সম্প্রদায় উদ্ভূত গোষ্ঠী কোয়েকার এবং অন্যান্য নন-কনফর্মিস্ট চার্চ গ্রুপের সদস্যরা। কিন্তু দাস ব্যবসা অবসানের আন্দোলন ব্যাপকতা পায় ব্রিটেনে বসবাসকারী পুরনো ক্রীতদাস জনগণের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে, যা ব্রিটিশ ইতিহাসে গুরুত্বের সঙ্গে কখনো লেখা হয়নি। বিশেষ করে ক্রীতদাস সমারসেট ও জং জাহাজের ঘটনাসংক্রান্ত মামলার মধ্য দিয়ে দাসমুক্তি এবং অধিকারের প্রশ্ন বড় হয়ে ওঠে। কালোরা নিজেরা এ ব্যাপারে কতটা উচ্চকিত হয়ে উঠেছিলেন, তার খানিকটা আঁচ করা যায় এ সময় প্রকাশিত ইগনাটাস সানচোর পত্রাবলি এবং ওলাউদা একুয়ানো ওউওবনা অটোবাহ কুগোয়ানোদের বিভিন্ন বইপত্র থেকে। এসব বইয়ে তুলে ধরা হয় জাহাজে করে দাসদের নিয়ে আসার সময় আফ্রিকানদের ওপর ভায়োলেন্স, অত্যাচার আর অবমাননার বিবরণ। আফ্রিকান ক্রীতদাসরা বারবার প্রতিবাদ, বিদ্রোহ ও প্রতিরোধের মধ্য দিয়েও এই ব্যবসার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে থাকেন।
১৭৭৬ থেকে ১৭৮৩ সালে উত্তর আমেরিকার যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাদের পরাজয়ের পর দাস ব্যবসা নতুন করে প্রশ্নবিদ্ধ হলো। যুদ্ধে পরাজিত ব্রিটিশ সেনারা ঘরে ফিরতে লাগল তাদের পুরনো দাস নিয়ে। সরকার উদ্যোগ নিল আবারও তাদের আফ্রিকায় ফিরিয়ে দিতে। কিন্তু সিয়েরা লিওন স্কিম বিপর্যয়ের অভিজ্ঞতায় সরকার বুঝতে পারল, এ রকম উদ্যোগ ব্যর্থ হতে বাধ্য। ১৭৮০-এর দশকজুড়েই তাই নানা দিক থেকে ক্রমাগত আলোচনা চলল কালো, গরিব আর দাসদের সমস্যা নিয়ে। (সংক্ষিপ্ত)
[শিলালিপি ২৯ জুলাই ২০১১]
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1329)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
December
(2900)
-
▼
Dec 30
(88)
- আবাদি জমি কমছেঃ অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ড রোধ করুন
- যৌথ নদী কমিশন অকার্যকরঃ বন্ধুত্ব কখনও একতরফা হয় না
- ফিরে দেখা by ইমরান রহমান
- অরুণ বরণ নবারুণ by কে জি মোস্তফা
- বারি’র সৈকতে অশ্রুসিক্ত সাহার by কাজী জহিরুল ইসলাম
- এই নগরীর দিনরাত্রিঃ নগরীতে রক্তপাত by রেজোয়ান সিদ্দিক
- জনশক্তি রফতানি খাতে বিপর্যয়ঃ কূটনৈতিক তত্পরতা জোরদ...
- অর্থনীতি পেছনদিকে চলতে শুরু করেছেঃ দেখানো স্বপ্ন য...
- লাইসেন্স ছাড়াই গ্রাহকসেবায় চার মোবাইল অপারেটর by স...
- চলে গেলেন আল-মাজী by মনজুর আহমদ
- শিক্ষক ও পরীক্ষা by তিতাশ চৌধুরী
- ফিরে দেখা by ইমরান রহমান
- গুপ্ত হামলা :চার্জশিটে আসামি ১৩৪
- দুই জেনারেলের আত্মসমর্পণ ইতিহাসের দুটি পৃথক অধ্যায়...
- ৭ জানুয়ারি জেলা ও ১১ জানুয়ারি উপজেলায় মিছিল-সমাবেশ...
- গ্যাস ও বিদ্যুৎ সঙ্কটে বিনিয়োগ থমকে দাঁড়িয়েছেঃ অন্...
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দনঃ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্...
- পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ার গণমাধ্যমে নারী সম্মেলন by...
- জ্বালানি তেলের দাম ফের বাড়ল
- সর্বংসহা by মুম রহমান
- শ্রীচৈতন্য : বাঙালির প্রত্নপ্রতীক by মিল্টন বিশ্বাস
- কারখানা-কারবালা-কারাগার-কার! by ফিরোজ আহমেদ
- টমাস ট্রান্সট্রোমার : হৃদয়ের প্রতিবেশী by মোহাম্মদ...
- কিশোর শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন-শিক্ষার মান উন্নয়নের ...
- পঙ্গু হয়ে গেলেন নিখিল ভদ্র-দেশে নিরাপদ সড়ক কি পাওয়...
- স্মরণ-আব্বাসউদ্দীন আহমদ
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৫৬)-আজও মনে পড়ে by আলী য...
- ডিজিটাল রেল যোগাযোগ বাস্তবায়নের পথে বাধা by আমিনুল...
- শেকড়ের ডাক-আরেকটা যুদ্ধ চাই by ফরহাদ মাহমুদ
- বহে কাল নিরবধি-আফগানিস্তান : পথ এখনো বন্ধুর by এম ...
- রেলের দুরবস্থা :এক কিলোও বাড়েনি পথ by আলতাব হোসেন
- নতুন বছরের কামনা by শাহীন হাসনাত
- তওবা-এস্তেগফার :মুক্তির পথ by মাওলানা শিব্বীর আহমদ
- ইসলামে সামাজিক শিষ্টাচারের বিধান by মুফতি এনায়েতুল...
- রেখো মা দাসেরে মনে... by ইমতিয়ার শামীম
- দ্রোহ নয় বিদ্রোহ by ইমরুল চৌধুরী
- সংলাপ by মাহবুব মোর্শেদ
- গোলাম আযম গংয়ের বিচার সংক্রান্ত জটিলতা-যুদ্ধাপরাধী...
- পাকিস্তানের রাজনৈতিক গগনে কালো মেঘ-উপমহাদেশ by হাস...
- সড়ক দুর্ঘটনা-মন্ত্রীর গাড়িই যখন বিপন্ন...
- পরীক্ষার ফল-শিক্ষায় প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা
- আদি জন্মস্থল by দেবেশ রায়
- পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্রনাথ by হাসান আজিজুল হক
- জ্বালানি তেলের দাম আবারও ৫ টাকা বাড়ল
- হুমায়ূন আছেন হুমায়ূনের মতোই by বেলাল বেগ
- বেহাল সড়ক: সংস্কারের দাবি-নীলফামারীতে প্রত্যাহার, ...
- লোকমান হত্যাকাণ্ড-এজাহারভুক্ত আসামি মোন্তাজের আত্ম...
- কুষ্টিয়ায় মেলায় বোমার পর একজনকে পিটিয়ে হত্যা
- স্বাধীনতার ৪০ বছর-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- বাড্ডায় দোকান থেকে টেনে এনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেত...
- ‘রবীন্দ্র-উৎসব: সুরের ধারা’র আলোচনা অনুষ্ঠানে অমর্...
- পুলিশের লাঠিপেটায় তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটির ঘেরাও কর্...
- ট্রাইব্যুনালে সপ্তম সাক্ষী-নির্যাতনকারীদের মধ্যে স...
- ১৪ দলের গণমিছিল-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না হওয়া পর্যন...
- প্রত্যাশা ছাপানো অনুষ্ঠান দিয়ে রবীন্দ্র-উৎসব শুরু
- কাবাডি গ্রামের’ তিন ভাই by মাসুদ আলম
- মেলবোর্ন টেস্ট-পেসে পরাভূত ভারত
- ‘জেতার জন্যই মাঠে নামি’
- ডারবান টেস্ট-শ্রীলঙ্কার নতুন ইতিহাস
- প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ-প্রথম দিনেই অঘটন
- চট্টগ্রাম চেম্বারের বার্ষিক সভা-আগামী জুনের আগেই ব...
- তিন বছরে বিটিআরসির আয় ১২ হাজার ১৯০ কোটি টাকা
- বিদায়ী ডেপুটি গভর্নরদের পরামর্শ-ব্যাংক খাত গোছাতে হবে
- বছরের শেষ দিনে উভয় শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বগতি
- না বাড়ানোর সুপারিশ করবে ট্যারিফ কমিশন-সয়াবিনের দাম...
- পর্যবেক্ষক দলের প্রধান বললেন-সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়...
- দক্ষিণ আমেরিকান নেতাদের ক্যানসারের জন্য যুক্তরাষ্ট...
- সেন্ট পল ক্যাথেড্রালে অবস্থান-আদালতের রায়ের অপেক্ষ...
- পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই নির্বাচন করতে পারবেন ...
- ধর্ম-স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ by মুহাম্মদ আবদুল মুন...
- সিটিজেন জার্নালিজম-ট্রানজিট ও ‘খুন’ হয়ে যাওয়া নদ b...
- সময়চিত্র-অনেক বেশি দেওয়ার কথা ছিল by আসিফ নজরুল
- দায়ী চালকের বিচার করার দৃষ্টান্ত চাই-সাংবাদিকের পা...
- বিরোধী দলের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হোক-বর্ষশুরুর সংস...
- জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা-নারায়ণগঞ্জে চুরি ডাকাতি...
- সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ
- পটুয়াখালীতে ১১টি লঞ্চঘাট বেহাল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
- ভেঙে দেওয়া অবৈধ ইটভাটা আবার চালু
- পানির পাইপ বসাতে খোঁড়াখুঁড়ি-৬ জানুয়ারি থেকে গুরুত্...
- নাদিয়া হত্যা মামলা-স্বামী শফিকুরের জামিন হওয়ায় ক্ষোভ
- পানির পাইপ বসাতে খোঁড়াখুঁড়ি-৬ জানুয়ারি থেকে গুরুত্...
- নাদিয়া হত্যা মামলা-স্বামী শফিকুরের জামিন হওয়ায় ক্ষোভ
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ-নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন চা...
- বিনা মূল্যে বই বিতরণ উদ্বোধন-আগামী বছর বইয়ের মান আ...
- স্মরণ-বিজয়ের মাসে ভাস্বর স্মৃতি
- থেইন তামিলনাড়ু উপকূল অতিক্রম করতে পারে আজ
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ-নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন চা...
- বিনা মূল্যে বই বিতরণ উদ্বোধন-আগামী বছর বইয়ের মান আ...
-
▼
Dec 30
(88)
-
▼
December
(2900)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
তুরস্ক
গোল্লাছুট
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
শিশুসাহিত্য
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment