Monday, March 26, 2012
নির্মম নারকীয়তা by রফিকুল ইসলাম
নির্মম নারকীয়তা by রফিকুল ইসলাম
বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেতনার উন্মেষ কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা 'বাঙালি এথনিক ক্লিনজিং' শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে। ওইদিন সকালবেলা একটি সামরিক হেলিকপ্টারে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর
জেনারেল জানজুয়া, মেজর জেনারেল মিঠ্ঠা খান, মেজর জেনারেল নজর হোসেন শাহ এবং মেজর জেনারেল ওমর রংপুর, রাজশাহী, যশোর, চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট গিয়ে 'অপারেশন প্ল্যান' পাকিস্তানি কমান্ডারদের দিয়ে আসেন। ঢাকায় প্রধান টার্গেট ছিল ৩২ নম্বর ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাসভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ইপিআর হেডকোয়ার্টার এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন। জেনারেল ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হাউস [পুরনো গণভবন] ত্যাগ করে যান বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে। তিনি গোপনে বিমানযোগে কলম্বো হয়ে করাচি যাত্রা করেন। এটাই ছিল তার শেষ ঢাকা সফর। 'অপারেশন সার্চলাইট' সম্পর্কে পাকিস্তানি পরিকল্পনার কথা জানা যায় ১৯৭১ সালে পাকিস্তানে ইস্টার্ন কমান্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা মেজর সিদ্দিক সালিক লিখিত 'উইটনেস টু সারেন্ডার' গ্রন্থ থেকে। আমরা তার গ্রন্থ থেকে প্রাসঙ্গিক অংশ উদ্ধৃত করছি_ 'মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা ২৫ মার্চ রাজনৈতিক আলোচনার ফলাফল জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে ছিলেন। সকাল প্রায় ১১টার সময় তার সবুজ টেলিফোন বেজে উঠল। লে. জেনারেল টিক্কা খান লাইনে ছিলেন। তিনি বললেন, 'খাদিম এটা আজ রাতে।' এ খবর খাদিমের মনে কোনো উন্মাদনার সৃষ্টি করল না, তিনি হাতুড়ির আঘাত পড়ার অপেক্ষায় ছিলেন। খাদিম তার অধীনস্থ মহলে আদেশটি বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দিলেন। খবর যতই নিচের দিকে যাচ্ছিল, ততই উত্তেজনা বাড়ছিল। আমি দেখলাম, কয়েকজন জুনিয়র অফিসার কয়েকটি অতিরিক্ত রিকয়েললেস রাইফেল [ট্যাঙ্কবিধ্বংসী] ও অতিরিক্ত গোলাবারুদ সংগ্রহ এবং একটি ত্রুটিপূর্ণ মর্টার বদলানোর চেষ্টা করছে। কয়েকদিন আগে রংপুর থেকে আনা ২৯ নং ক্যাভালরির ৬টি এম-২৪ ট্যাঙ্কে রাতে ব্যবহারের জন্য জ্বালানি বোঝাই করা হচ্ছে। ঢাকার রাস্তায় ভীতি প্রদর্শনের জন্য ওই ট্যাঙ্কগুলো যথেষ্ট। ১৪শ' ডিভিশনের সদর দফতর থেকে ঢাকার বাইরে অবস্থিত সব গ্যারিসনে আক্রমণের সময় বা 'এইচ আওয়ার'-এর কথা জানিয়ে দেওয়া হয় একটি গোপন সংকেতের মাধ্যমে, যাতে সব গ্যারিসন একসঙ্গে অভিযান শুরু করতে পারে। 'এইচ আওয়ার' নির্ধারিত হয়েছিল ২৬০১০০ ঘণ্টা অর্থাৎ রাত ১টা, ২৬ মার্চ।
২৫ মার্চ পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর 'অপারেশন সার্চলাইট' বা 'জেনোসাইড বাংলাদেশ' অভিযান পরিকল্পনার যতটুকু সিদ্দিক সালিকের 'উইটনেস টু সারেন্ডার' গ্রন্থে 'আইএসআই' বা পাকিস্তান 'ইন্টার সার্ভিস ইনটেলিজেন্স'-এর দ্বারা অনুমোদিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে, তা থেকে ৩২ নম্বর ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, পিলখানা ইপিআর সদর দফতর এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণের পাকিস্তানি পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি সম্পর্কে মোটামুটি
একটা ধারণা পাওয়া যায়। পাকিস্তানি জেনোসাইড, বিশেষত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে 'ম্যাসাকার' নিয়ে বিশ্বের প্রচারমাধ্যমে যে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়, তা অবমোচনের জন্যই সত্য-মিথ্যা মিশ্রিত তথ্যে ভরপুর মেজর সিদ্দিক সালিকের 'উইটনেস টু সারেন্ডার' গ্রন্থটি প্রকাশ করা হয়েছিল। এই গ্রন্থ ছিল ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর গণহত্যা বা বাঙালি নিধনযজ্ঞের সাফাই গাওয়ার প্রয়াস। কিন্তু এই গ্রন্থের অর্ধসত্য বিবরণীতেও পাকিস্তানি অভিযানের ব্যাপকতা, নৃশংসতা এবং বর্বরতা গোপন থাকেনি। সিদ্দিক সালিক তার গ্রন্থে বলেছেন, '৭১-এর ২৫ মার্চ রাতের অভিযানের ফলাফল পরদিন অর্থাৎ ২৬ মার্চ সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তার দেওয়া বিবরণী সংক্ষেপে বাংলায় উদ্ধৃত করছি :
ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে পাকবাহিনী প্রথম প্রতিরোধের সম্মুখীন হয় ফার্মগেটে। রাস্তায় পড়ে থাকা একটা বিশাল গাছ বাহিনীর গতিরোধ করে। রাস্তার পাশের এলাকা পুরনো গাড়ি এবং স্টিমরোলার দিয়ে বন্ধ করা ছিল। ব্যারিকেডের শহরের দিক থেকে কয়েকশ' আওয়ামী লীগার 'জয় বাংলা' স্লোগান দিচ্ছিল। আমি জেনারেল টিক্কা খানের সদর দফতরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই উচ্চকিত স্লোগান শুনতে পাচ্ছিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে জয় বাংলা স্লোগানের সঙ্গে রাইফেলের কয়েকটি গুলির আওয়াজ শুনলাম। একটু পর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গর্জন বাতাসে ভেসে এলো। তারপর গোলাবর্ষণ এবং স্লোগানের মিশ্র শব্দ শোনা গেল। মাঝে মাঝে এলএমজির গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। ১৫ মিনিট পর শব্দ কমে এলো এবং স্লোগান মিলিয়ে গেল। সেনাবাহিনী শহরের দিকে অগ্রসর হতে লাগল। অস্ত্রের জয় হলো। সুতরাং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অভিযান শুরু হয়ে যায়। এখন আর 'এইচ আওয়ার'-এর জন্য অপেক্ষা করে লাভ নেই। কারণ ইতিমধ্যেই নরকের দরজা খুলে গেছে।... মুজিব যখন ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত আদমজী স্কুলে বন্দি অবস্থায়, তখন ঢাকা মহানগরী গৃহযুদ্ধের যন্ত্রণায় ক্লিষ্ট। আমি টিক্কা খানের সদর দফতরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে চার ঘণ্টা যাবত সেই ভয়াবহ দৃশ্য দেখেছি। সেই রক্তাক্ত রাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল_ গোলাবর্ষণের ফলে আকাশে আগুনের লেলিহান শিখা, একেক সময় আগুনের হল্কা এবং ধোঁয়া তারার দিকে সম্প্রসারিত আকাশের মেঘকে গ্রাস করে ফেলছিল।
২৬ মার্চ সকালে ভোরের আলো ফুটে ওঠার আগে সেনাবাহিনী তাদের অভিযান শেষ হওয়ার খবর জানায়। জেনারেল টিক্কা খান ভোর পাঁচটায় তার সোফা ছেড়ে অফিসে ঢোকেন এবং কিছুক্ষণ পর চশমা সাফ করতে করতে বেরিয়ে আসেন। সমগ্র অঞ্চল পর্যবেক্ষণের পর তিনি বলেন, 'না কোথাও কোনো জনপ্রাণী নেই।' বারান্দায় দাঁড়িয়ে আমি ওই কথা শুনতে পাই এবং চারদিকে তাকিয়ে আমি কেবল একটি নেড়ি কুত্তাকে লেজ গুটিয়ে শহরের দিকে চলে যেতে দেখি। ভোরের আলো ছড়িয়ে পড়ার আগে সেনাবাহিনী জুলফিকার আলী ভুট্টোকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল [বর্তমান রূপসী বাংলা] থেকে বিমানবন্দরে নিয়ে গেল। প্লেনে ওঠার আগে তিনি গত রাতে ঢাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তৎপরতা সম্পর্কে তার 'এসকর্ট' ব্রিগেডিয়ার আরবাবকে বলেন, 'আল্লাহকে ধন্যবাদ, পাকিস্তান বেঁচে গেছে।' করাচি বিমানবন্দরে পেঁৗছে তিনি তার ওই কথার পুনরাবৃত্তি করেন। জুলফিকার আলি ভুট্টো যখন ওই মন্তব্য করেছিলেন, তখন আমি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গণকবরগুলো জরিপ করছিলাম। সেখানে আমি তিনটি ঢিবি দেখতে পাই, যার প্রতিটি ৩ থেকে ১৫ মিটার ডায়ামিটারের ছিল। সেগুলো নতুন মাটিতে ভরাট করা কিন্তু কোনো অফিসার মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানাতে রাজি ছিল না। আমি দালানগুলো ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম, বিশেষত ইকবাল ও জগন্নাথ হলের, যেগুলো আমার মনে হলো অ্যাকশনের মাধ্যমে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইকবাল হলে ২টি এবং জগন্নাথ হলে ৪টি রকেটের আঘাত লাগে, ঘরগুলো জ্বলে গেলেও অটুট ছিল, কয়েক ডজন আধপোড়া রাইফেল এবং কিছু কাগজপত্র তখনও জ্বলছিল। ক্ষতির পরিমাণ ছিল ভয়াবহ; কিন্তু জেনারেল টিক্কার সদর দফতরের বারান্দা থেকে যে ভয়াবহ দৃশ্য দেখেছিলাম, ঠিক ততটা নয়। বিদেশি পত্রপত্রিকায় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হাজার খানেক লোককে হত্যর কথা লেখা হলেও অফিসাররা সেই সংখ্যা একশ'র কাছাকাছি নির্ধারণ করেছিল, তবে স্বীকার করা হয়েছিল ৪০ জনকে হত্যা করার কথা।
মেজর সিদ্দিক সালিকের সত্য, অর্ধসত্য ও অসত্যমিশ্রিত ১৯৭১ সালের ২৫-২৬ মার্চের উপর্যুক্ত বিবরণী থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর আগ্রাসনের যে চিত্র পাওয়া যায়, তার সঙ্গে ২৫ থেকে ২৭ মার্চ ১৯৭১ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, রাজারবাগ পুলিশ লাইন প্রভৃতি এলাকা সম্পর্কে প্রত্যক্ষদর্শী বাঙালিদের বিবরণী মিলিয়ে দেখলে মেজর সিদ্দিক সালিকের প্রচারণার ফাঁকফোকর ও সাফাই ধরা পড়ে। প্রথমেই বিজ্ঞানী ড. মোজাম্মেল হোসেন কর্তৃক টেপে ধারণকৃত অ্যাকশনরত পাকিস্তানি বাহিনীর ইউনিটগুলোর ওয়্যারলেস সংলাপ [দৈনিক বাংলা, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২] :
"রেডিও খুলে নিয়ে ডায়াল ঘোরাতে শুরু করলাম। ৯০ মিটারে পেয়ে গেলাম যা খুঁজছিলাম। হানাদার বাহিনীর দলগুলোর একে অপরের সঙ্গে কথাবার্তা। ইতিমধ্যে রেডিওতে শুনেছি পাক কমান্ডারের গলা। জানাচ্ছে, 'দি বিগ ফিশ হ্যাজ বিন কট'।"
কার কথা বলেছে, তা বুঝতে এক মুহূর্তও দেরি হয়নি। কিন্তু মন কিছুতেই বিশ্বাস করতে চায়নি যে, বঙ্গবন্ধু বন্দি হয়েছেন। হঠাৎ কানে এলো আবার কন্ট্রোলের গলা_ 'দেয়ার ইজ নো কোশ্চেন অব টেকিং প্রিজনার। দে আর শুটিং অ্যাট ইউ, সো ওয়াইপ দেম অব।'
ধীরস্থির গলায় হুকুম দিচ্ছিল কমান্ডার_ এতটুকু উত্তেজনা ছিল না কণ্ঠস্বরে। পরে জেনেছিলাম, ওই গলা ছিল ব্রিগেডিয়ার আরবাব খানের। ওই গলায় তিনি আনন্দে বিভিন্ন টার্গেট দখলের খবর দিচ্ছিলেন। সবাইকে জানাচ্ছিলেন যে, দৈনিক পিপল পত্রিকার অফিস উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ওই রাতেই ডিনামাইট দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে শহীদ মিনারের নিচের ঘরে। ওদের কথায় চার ছাত্র লুকিয়ে ছিল, তিন জনকে হত্যা করা হয়েছে। একজন পালিয়ে গেছে। ... দেখলাম ভাঙা কাচ, দেয়ালে রক্ত। শনিবার রাতে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অবশেষে শহীদ মিনার ধ্বংস করেছিল পাক বর্বররা। ২৫ মার্চের সেই কালরাত্র যখন শেষ হয়ে আসছিল, হুকুম এলো কন্ট্রোলের_ যেখানে যত মৃতদেহ আছে সব সরিয়ে ফেলতে হবে দিন শুরু হওয়ার আগে। লোকচক্ষুর অন্তরালে। মৃতদেহ সরাতে ব্যবহার করা হয়েছিল 'বাঙালিদের'। যে হতভাগ্যদের ব্যবহার করা হয়েছিল ওই কাজে, শেষে তাদেরও হত্যা করেছিল ওই নরপশুরা। মৃতদেহের হিসাব রেখেছিল ২৬নং ইউনিট।
কন্ট্রোল জিজ্ঞেস করেছিল, ২৬নং ইউনিটকে রাজারবাগ পুলিশের মৃতদেহের সংখ্যা। উত্তর এসেছিল_ গোনা শেষ হয়নি। ২৬ মার্চ সারাদিন রেখে দেওয়া হয়েছে। রেডিওতে শুনেছি, কমান্ডার গিয়ে দেখবেন, ছাত্রনেতা কেউ আছেন কি-না সেটা দেখার পরই সরানো হবে। তা-ই হয়েছিল। ২৭ মার্চ সকালে দেখেছিলাম ইকবাল হলের পেছনের পুকুরপাড়ে সারি দিয়ে রাখা দশটি মৃতদেহ। ইচ্ছে করেই সবাইকে দেখানোর জন্য ওখানে রাখা হয়েছিল কিছু মৃতদেহ। যাতে বাঙালিরা ভয় পায়, নতি স্বীকার করে। দেখেছিলাম জগন্নাথ হলের সামনের মাঠে বুলডোজার দিয়ে গর্ত করে দেওয়া গণকবর। মাসখানেক পরে যখন দু-একজন বিদেশি সাংবাদিককে আসার অনুমতি দিয়েছিল পাক সরকার, তখন এক রাতে সেই গলিত দেহের অবশিষ্ট তুলে নিয়ে যায় পাকসেনারা।
বিজ্ঞানী ড. মোজাম্মেল হোসেনের ধারণকৃত পাকিস্তানি বাহিনীর ওই ওয়্যারলেস সংলাপের চাইতেও তাৎপর্যপূর্ণ 'জগন্নাথ হলের মাঠে ২৬ মার্চের সকালে যে মর্মস্পর্শী দৃশ্য দেখেছি, আমার জানালা থেকে টেলিস্কোপ লাগিয়ে মুভি ক্যামেরায় ধরে রেখেছি' শিরোনামে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, অষ্টম খণ্ডে মুদ্রিত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের তদানীন্তন অধ্যাপক ড. নূরুলউল্লার বিশেষ সাক্ষাৎকারটি :
আপনি কি ২৫ মার্চের হত্যাকাণ্ডের ছবি নিজ হাতে তুলেছিলেন?
হ্যাঁ, ২৬ মার্চের সকালে জগন্নাথ হলের মাঠে যে মর্মস্পর্শী দৃশ্য ঘটেছিল, আমি তার ছবি আমার বাসার জানালা থেকে টেলিস্কোপ লাগিয়ে মুভি ক্যামেরায় তুলেছিলাম।
ক্যামেরাটি কি আপনার নিজস্ব?
না, ওটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ভিডিও টেপ ক্যামেরা।
আপনি যে ক্যামেরা বসিয়েছিলেন, তা বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছিল না?
এমনভাবে ক্যামেরা বসানো হয়েছিল যে, বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই।
ক্যামেরা চালু করেন কখন?
সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যবর্তী সময়ে। জানালা দিয়ে লক্ষ্য করলাম, জগন্নাথ হলের সামনের মাঠে কিছু ছেলেকে ধরে বাইরে আনা হচ্ছে এবং তাদের লাইনে দাঁড় করানো হয়েছে। তখনই আমার সন্দেহ জাগে এবং আমি ক্যামেরা অন করি। আমাদের ক্যামেরাটির একটি বিশেষ গুণ এই যে, এতে মাইক্রোফোন দিয়ে একই সঙ্গে শব্দ তুলে রাখা যায়। তাই আমি টেপের সঙ্গে মাইক্রোফোন সংযোগ করে ক্যামেরা চালু করলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখলাম, ছেলেগুলোকে একধারছে গুলি করা হচ্ছে এবং একজন করে পড়ে যাচ্ছে। আবার কিছু সংখ্যক লোককে ধরে নিয়ে এসেছে। ... আবার লাইন করে দাঁড় করানো হচ্ছে। আমি তখন আগের তোলা টেপটা মুছে ফেলে তার ওপর আবার ছবি তোলা শুরু করলাম। দ্বিতীয়বার লাইনে দেখলাম একজন বুড়ো দাড়িওয়ালা লোক রয়েছে। সে বসে পড়ে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছে। আমার মনে হচ্ছিল, সে তার দাড়ি দেখিয়ে বোঝাতে চেয়েছিল যে, সে মুসলমান। কিন্তু বর্বর পাকবাহিনী তার কোনো কথাই শুনতে চায়নি। তাকে গুলি করে মারা হলো। মাঠের অপরদিকে অর্থাৎ পূর্ব পাশে পাকবাহিনী একটা তাঁবু বানিয়ে ছাউনি করেছিল। সেখানে দেখছিলাম, ওরা চেয়ারে বসে বেশ কয়েকজন চা খাচ্ছে আর হাসি-তামাশা ও আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়ছে। লোকগুলোকে হলের ভেতর থেকে কীভাবে আনা হচ্ছিল? যাদের আমার চোখের সামনে করা হয়েছে ও যাদের মারার ছবি আমার ক্যামেরায় রয়েছে, তাদের দিয়ে প্রথমে হলের ভেতর থেকে মৃতদেহ বের করে আনা হচ্ছিল। মৃতদেহগুলো এনে সব এক জায়গায় জমা করা হচ্ছিল এবং এদের দিয়ে লেবারের কাজ করানোর পর আবার ওদেরকেই লাইনে দাঁড় করিয়ে এক সারিতে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মনে হয়েছে, একটা করে পড়ে যাচ্ছে।
প্রফেসর নূরুলউল্লার ধারণকৃত জগন্নাথ হল গণহত্যার প্রামাণ্য তথ্যচিত্রটি স্বাধীনতার পর দেশে-বিদেশে বহুবার প্রদর্শিত হয় এবং ১৯৭১ সালের ২৫-২৬ মার্চের 'অপারেশন সার্চ লাইট' বা 'জেনোসাইড ঢাকা ইউনিভার্সিটি'র একমাত্র প্রামাণ্য দলিল, যার মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসীর কাছে পাকিস্তানিদের নৃশংসতা ও বর্বরতার পরিচয় উদ্ঘাটিতহয়।
এরপর দৈনিক আজাদ পত্রিকার ১৯৭২ সালের ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় প্রকাশিত 'স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রথম দুর্গ ইকবাল হল' প্রবন্ধ থেকে প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ উদ্ধৃত করছি :
রাতে হানাদাররা হলের প্রতিটি ঘরে তালা ভেঙে লুটে নিয়ে গেছে, আর যাকে সামনে পেয়েছে, তাকেই হত্যা করেছে নির্মমভাবে। এর ফাঁকে ফাঁকে দু-একজন বেঁচে গেছে নানা কৌশলে। ২৬ মার্চ ভোরে ইকবাল হলের যেখানেই দৃষ্টি পড়ছে, সেখানেই দেখা গেছে লাশ আর লাশ। স্বদেশের সোনার ছেলেদের গুলি খাওয়া লাশ।
জহুরুল হক হল সংলগ্ন নীলক্ষেত শিক্ষকদের আবাসিক এলাকায় তিনটি [২৩, ২৪ ও ২৫নং] আবাসনে পাকিস্তানি সৈন্যরা সিঁড়িতে, ছাদে এবং ঘরে ঘরে ঢুকে শিক্ষক, আশ্রয়গ্রহণকারী বস্তিবাসী, প্রেসিডেন্ট হাউসে (পুরনো গণভবন) প্রহরারত নিরস্ত্রীকৃত ইপিআর জওয়ান, যারা ২৩নং বাড়ির ছাদে আশ্রয় নিয়েছিল, তাদের হত্যা করে। শিক্ষকদের বাড়ি ঘরে ঢুকে পাকিস্তানি সৈন্যরা শিক্ষকদের হত্যা করবে, এমন ধারণা ছিল কল্পনারও অতীত। তাই জহুরুল হক হল সংলগ্ন নীলক্ষেত আবাসিক এলাকার শিক্ষকরা কেউ ২৫ মার্চ রাতে ক্যাম্পাস ছেড়ে যাননি।
নীলক্ষেত বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাসরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পর্কেও একই কথা প্রযোজ্য। জহুরুল হক সংলগ্ন শিক্ষক-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা আর পুরনো রেল লাইনের ওপর গড়ে ওঠা বস্তি এলাকায় পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী ২৫ থেকে ২৭ মার্চ সর্বাত্মক সশস্ত্র অভিযান চালিয়ে যে গণহত্যা, অগি্নসংযোগ, ধ্বংসযজ্ঞ এবং লুণ্ঠন চালায় তা শুধু চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, চরম যুদ্ধাপরাধও বটে।
বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী ২৫ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংলগ্ন অঞ্চলে তিনটি ধর্মীয় স্থান ধ্বংস করে দেয়_ কলাভবন সংলগ্ন শিখ গুরুদুয়ারা, শহীদ মিনারের বিপরীতে অবস্থিত শিব মন্দির আর রমনা রেসকোর্স মাঠের দুটি পুরনো কালী মন্দির। স্মরণীয় যে, ২৬ মার্চ সকালে পাক সেনারা সায়েন্স ল্যাবরেটরি রোড মোড়ের মসজিদে ফজরের নামাজের আজান দানরত মুয়াজ্জিনকে এবং গুরুদুয়ারা, শিব মন্দির ও কালী মন্দিরে ঢুকে পুরোহিতদের নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। ১৯৭১ সালের ২৫-২৬ মার্চ পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে সামরিক অভিযানে সবচেয়ে নারকীয় ঘটনা ঘটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু ছাত্রাবাস জগন্নাথ হলে। জগন্নাথ হলের সাবেক প্রভোস্ট ড. অজয় রায় এবং ড. রঙ্গলাল সেনের উদ্যোগে ড. রতন লাল চক্রবর্তী সংকলিত-সম্পাদিত 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহত্যা : ১৯৭১ জগন্নাথ হল' গ্রন্থে অপারেশন সার্চলাইটে জগন্নাথ হলে কী ঘটেছিল, তার বস্তুনিষ্ঠ পরিচয় পাওয়া যায়। গ্রন্থের ভূমিকা থেকে উদ্ধৃতি :
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, বিশেষভাবে জগন্নাথ হল ও তৎসনি্নহিত এলাকায় কী ঘটেছিল, তা একটু আলোচনা প্রয়োজন .... রাত বারোটার সময় ইউওটিসির দিকের দেয়াল ভেঙে পাক বাহিনী ট্যাঙ্ক নিয়ে জগন্নাথ হলের মধ্যে প্রবেশ করে এবং প্রথমেই মর্টার ছোড়ে উত্তর বাড়ির দিকে। সঙ্গে সঙ্গে অজস্র গুলিবর্ষণ শুরু হয়। উর্দু ও ইংরেজি মিশ্রিত ভাষায় আত্মসমর্পণ করে বেরিয়ে আসার নির্দেশ দেয়। এর পর জগন্নাথ হলের অভ্যন্তরে শুরু হয় নারকীয় কাণ্ড। উত্তর ও দক্ষিণ বাড়ির প্রতিটি কক্ষ অনুসন্ধান করে ছাত্রদের নির্বিচারে গুলি করে। এমনকি টয়লেটে, বাথরুমে ও ছাদে রক্ষিত জলের ট্যাঙ্কের মধ্যে যেখানেই পাওয়া যায় লোকের সন্ধান, সেখানে চলে নির্বিচারে গুলি ও হত্যা। পশ্চিমদিকের টিনশেড অর্থাৎ পশ্চিম ভবন, ক্যান্টিন ও ক্যান্টিন সংলগ্ন ছাত্রাবাসে ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতা পালিয়ে ছিল, কিন্তু সর্বগ্রাসী আগুনের হাত থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে আসতেই তাদের ওপর শুরু হয় নির্বিচারে গুলি। ক্রমেই আক্রান্ত হয় জগন্নাথ হলের প্রাক্তন প্রাধ্যক্ষ ড. গোবিন্দচন্দ্র দেবের বাসভবন। পাক বাহিনী মেরে ফেলে গোবিন্দ দেবকে এবং তার পালিত কন্যা রোকেয়ার স্বামীকে। পরে আক্রান্ত হয় জগন্নাথ হল সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয় স্টাফ কোয়ার্টার, যেখানে পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান পুত্র ও আত্মীয়সহ নিহত হন। মারাত্মকভাবে আহত হন জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, পরে তিনি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। পাক মিলিটারি মধুসূদন দের [মধুদা] বাসা আক্রমণ করে হত্যা করে তার পুত্র, সদ্যবিবাহিত পুত্রবধূ, স্ত্রী যোগমায়াকে, যিনি ছিলেন দশ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গুলিতে মধুদাও মারাত্মকভাবে আহত হন। শিক্ষকদের মধ্যে প্রাক্তন প্রাধ্যক্ষ ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব, তৎকালীন প্রাধ্যক্ষ ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা ও সহকারী আবাসিক শিক্ষক অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য শহীদ হন। বৈদ্যুতিক মিস্ত্রী চিৎবল্লী ও জনৈক রাজকুমারী দেবী তথ্য প্রকাশ করেন যে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের লাশের পাশের সজনে গাছের নিচে খুব স্বল্প পরিসর গর্তে জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতাকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা চিরদিনের জন্য শুইয়ে রেখেছেন। জগন্নাথ হলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক তিন জন, ছাত্র ৩৪ জন ও কর্মচারী ৪ জন ২৬ মার্চ শহীদ হন। কিন্তু এছাড়া ছিল জানা-অজানা অনেক লোক। এদের খুব কম অংশই আমরা জানি। সবার পরিচিত মধুদা [মধুসূদন দে] জগন্নাথ হলের মাটিতে মিশে আছেন। মিশে আছেন পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মুনীরুজ্জামান তার কয়েকজন নিকটাত্মীয়সহ। দর্শন বিভাগের কর্মচারী খগেন দে ও তার পুত্র মতিলাল দে পিতা-পুত্র পাশপাশি দাঁড়িয়ে মৃত্যুকে বরণ করেছেন। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল উপাচার্যবিহীন। তখনকার উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি তিন বছরের জন্য জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি মানবাধিকার কমিশনের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য সপরিবারে জেনেভা যান। জেনেভার একটি
পত্রিকায় ঢাকায় দু'জন ছাত্রের মৃত্যু সংবাদ দেখে বিচলিত হয়ে তিনি '৭১ সালের ২৫ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান সরকারের শিক্ষা সচিবকে পাকিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমে প্রেরিত এক পত্রে লেখেন :
তোমরা নিরস্ত্র ছাত্রদের ওপর গুলি চালনার পর আমার ভাইস চ্যান্সেলর থাকার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। তাই আমি পদত্যাগ করলাম। [স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রবাসী বাঙ্গালী, আবদুল মতিন, রেডিক্যাল এশিয়া পাবলিকেশন, লন্ডন, এপ্রিল, ১৯৮৯]। ১৯৭১ সালের ২৫ থেকে ২৮ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নীলক্ষেত, ফুলার রোড, ঈশা খাঁ রোড, জগন্নাথ হল, শহীদ মিনার, ঢাকা হল ও ফজলুল হক হল এলাকার আবাসিক এলাকাগুলো পরিত্যক্ত, ভুতুড়ে ও জনমানবহীন বিরানভূমিতে পরিণত হয়। ১৯২১ সাল থেকে গড়ে ওঠা রমনার মনোরম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে পাকিস্তানি সৈন্যরা শুধু জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার বা রক্তাক্ত করেনি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ক্যাম্পাস থেকে সব মানুষকে উচ্ছেদ করে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আকাশে তখন শুধু চিল, শকুন আর মাটিতে মাংস-লোলুপ কুকুর আর বিহারি-রাজাকারদের ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। হ
২৫ মার্চ পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর 'অপারেশন সার্চলাইট' বা 'জেনোসাইড বাংলাদেশ' অভিযান পরিকল্পনার যতটুকু সিদ্দিক সালিকের 'উইটনেস টু সারেন্ডার' গ্রন্থে 'আইএসআই' বা পাকিস্তান 'ইন্টার সার্ভিস ইনটেলিজেন্স'-এর দ্বারা অনুমোদিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে, তা থেকে ৩২ নম্বর ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, পিলখানা ইপিআর সদর দফতর এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণের পাকিস্তানি পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি সম্পর্কে মোটামুটি
একটা ধারণা পাওয়া যায়। পাকিস্তানি জেনোসাইড, বিশেষত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে 'ম্যাসাকার' নিয়ে বিশ্বের প্রচারমাধ্যমে যে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়, তা অবমোচনের জন্যই সত্য-মিথ্যা মিশ্রিত তথ্যে ভরপুর মেজর সিদ্দিক সালিকের 'উইটনেস টু সারেন্ডার' গ্রন্থটি প্রকাশ করা হয়েছিল। এই গ্রন্থ ছিল ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর গণহত্যা বা বাঙালি নিধনযজ্ঞের সাফাই গাওয়ার প্রয়াস। কিন্তু এই গ্রন্থের অর্ধসত্য বিবরণীতেও পাকিস্তানি অভিযানের ব্যাপকতা, নৃশংসতা এবং বর্বরতা গোপন থাকেনি। সিদ্দিক সালিক তার গ্রন্থে বলেছেন, '৭১-এর ২৫ মার্চ রাতের অভিযানের ফলাফল পরদিন অর্থাৎ ২৬ মার্চ সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তার দেওয়া বিবরণী সংক্ষেপে বাংলায় উদ্ধৃত করছি :
ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে পাকবাহিনী প্রথম প্রতিরোধের সম্মুখীন হয় ফার্মগেটে। রাস্তায় পড়ে থাকা একটা বিশাল গাছ বাহিনীর গতিরোধ করে। রাস্তার পাশের এলাকা পুরনো গাড়ি এবং স্টিমরোলার দিয়ে বন্ধ করা ছিল। ব্যারিকেডের শহরের দিক থেকে কয়েকশ' আওয়ামী লীগার 'জয় বাংলা' স্লোগান দিচ্ছিল। আমি জেনারেল টিক্কা খানের সদর দফতরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সেই উচ্চকিত স্লোগান শুনতে পাচ্ছিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে জয় বাংলা স্লোগানের সঙ্গে রাইফেলের কয়েকটি গুলির আওয়াজ শুনলাম। একটু পর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গর্জন বাতাসে ভেসে এলো। তারপর গোলাবর্ষণ এবং স্লোগানের মিশ্র শব্দ শোনা গেল। মাঝে মাঝে এলএমজির গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। ১৫ মিনিট পর শব্দ কমে এলো এবং স্লোগান মিলিয়ে গেল। সেনাবাহিনী শহরের দিকে অগ্রসর হতে লাগল। অস্ত্রের জয় হলো। সুতরাং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অভিযান শুরু হয়ে যায়। এখন আর 'এইচ আওয়ার'-এর জন্য অপেক্ষা করে লাভ নেই। কারণ ইতিমধ্যেই নরকের দরজা খুলে গেছে।... মুজিব যখন ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত আদমজী স্কুলে বন্দি অবস্থায়, তখন ঢাকা মহানগরী গৃহযুদ্ধের যন্ত্রণায় ক্লিষ্ট। আমি টিক্কা খানের সদর দফতরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে চার ঘণ্টা যাবত সেই ভয়াবহ দৃশ্য দেখেছি। সেই রক্তাক্ত রাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল_ গোলাবর্ষণের ফলে আকাশে আগুনের লেলিহান শিখা, একেক সময় আগুনের হল্কা এবং ধোঁয়া তারার দিকে সম্প্রসারিত আকাশের মেঘকে গ্রাস করে ফেলছিল।
২৬ মার্চ সকালে ভোরের আলো ফুটে ওঠার আগে সেনাবাহিনী তাদের অভিযান শেষ হওয়ার খবর জানায়। জেনারেল টিক্কা খান ভোর পাঁচটায় তার সোফা ছেড়ে অফিসে ঢোকেন এবং কিছুক্ষণ পর চশমা সাফ করতে করতে বেরিয়ে আসেন। সমগ্র অঞ্চল পর্যবেক্ষণের পর তিনি বলেন, 'না কোথাও কোনো জনপ্রাণী নেই।' বারান্দায় দাঁড়িয়ে আমি ওই কথা শুনতে পাই এবং চারদিকে তাকিয়ে আমি কেবল একটি নেড়ি কুত্তাকে লেজ গুটিয়ে শহরের দিকে চলে যেতে দেখি। ভোরের আলো ছড়িয়ে পড়ার আগে সেনাবাহিনী জুলফিকার আলী ভুট্টোকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল [বর্তমান রূপসী বাংলা] থেকে বিমানবন্দরে নিয়ে গেল। প্লেনে ওঠার আগে তিনি গত রাতে ঢাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তৎপরতা সম্পর্কে তার 'এসকর্ট' ব্রিগেডিয়ার আরবাবকে বলেন, 'আল্লাহকে ধন্যবাদ, পাকিস্তান বেঁচে গেছে।' করাচি বিমানবন্দরে পেঁৗছে তিনি তার ওই কথার পুনরাবৃত্তি করেন। জুলফিকার আলি ভুট্টো যখন ওই মন্তব্য করেছিলেন, তখন আমি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গণকবরগুলো জরিপ করছিলাম। সেখানে আমি তিনটি ঢিবি দেখতে পাই, যার প্রতিটি ৩ থেকে ১৫ মিটার ডায়ামিটারের ছিল। সেগুলো নতুন মাটিতে ভরাট করা কিন্তু কোনো অফিসার মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানাতে রাজি ছিল না। আমি দালানগুলো ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম, বিশেষত ইকবাল ও জগন্নাথ হলের, যেগুলো আমার মনে হলো অ্যাকশনের মাধ্যমে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইকবাল হলে ২টি এবং জগন্নাথ হলে ৪টি রকেটের আঘাত লাগে, ঘরগুলো জ্বলে গেলেও অটুট ছিল, কয়েক ডজন আধপোড়া রাইফেল এবং কিছু কাগজপত্র তখনও জ্বলছিল। ক্ষতির পরিমাণ ছিল ভয়াবহ; কিন্তু জেনারেল টিক্কার সদর দফতরের বারান্দা থেকে যে ভয়াবহ দৃশ্য দেখেছিলাম, ঠিক ততটা নয়। বিদেশি পত্রপত্রিকায় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হাজার খানেক লোককে হত্যর কথা লেখা হলেও অফিসাররা সেই সংখ্যা একশ'র কাছাকাছি নির্ধারণ করেছিল, তবে স্বীকার করা হয়েছিল ৪০ জনকে হত্যা করার কথা।
মেজর সিদ্দিক সালিকের সত্য, অর্ধসত্য ও অসত্যমিশ্রিত ১৯৭১ সালের ২৫-২৬ মার্চের উপর্যুক্ত বিবরণী থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর আগ্রাসনের যে চিত্র পাওয়া যায়, তার সঙ্গে ২৫ থেকে ২৭ মার্চ ১৯৭১ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, রাজারবাগ পুলিশ লাইন প্রভৃতি এলাকা সম্পর্কে প্রত্যক্ষদর্শী বাঙালিদের বিবরণী মিলিয়ে দেখলে মেজর সিদ্দিক সালিকের প্রচারণার ফাঁকফোকর ও সাফাই ধরা পড়ে। প্রথমেই বিজ্ঞানী ড. মোজাম্মেল হোসেন কর্তৃক টেপে ধারণকৃত অ্যাকশনরত পাকিস্তানি বাহিনীর ইউনিটগুলোর ওয়্যারলেস সংলাপ [দৈনিক বাংলা, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২] :
"রেডিও খুলে নিয়ে ডায়াল ঘোরাতে শুরু করলাম। ৯০ মিটারে পেয়ে গেলাম যা খুঁজছিলাম। হানাদার বাহিনীর দলগুলোর একে অপরের সঙ্গে কথাবার্তা। ইতিমধ্যে রেডিওতে শুনেছি পাক কমান্ডারের গলা। জানাচ্ছে, 'দি বিগ ফিশ হ্যাজ বিন কট'।"
কার কথা বলেছে, তা বুঝতে এক মুহূর্তও দেরি হয়নি। কিন্তু মন কিছুতেই বিশ্বাস করতে চায়নি যে, বঙ্গবন্ধু বন্দি হয়েছেন। হঠাৎ কানে এলো আবার কন্ট্রোলের গলা_ 'দেয়ার ইজ নো কোশ্চেন অব টেকিং প্রিজনার। দে আর শুটিং অ্যাট ইউ, সো ওয়াইপ দেম অব।'
ধীরস্থির গলায় হুকুম দিচ্ছিল কমান্ডার_ এতটুকু উত্তেজনা ছিল না কণ্ঠস্বরে। পরে জেনেছিলাম, ওই গলা ছিল ব্রিগেডিয়ার আরবাব খানের। ওই গলায় তিনি আনন্দে বিভিন্ন টার্গেট দখলের খবর দিচ্ছিলেন। সবাইকে জানাচ্ছিলেন যে, দৈনিক পিপল পত্রিকার অফিস উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ওই রাতেই ডিনামাইট দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে শহীদ মিনারের নিচের ঘরে। ওদের কথায় চার ছাত্র লুকিয়ে ছিল, তিন জনকে হত্যা করা হয়েছে। একজন পালিয়ে গেছে। ... দেখলাম ভাঙা কাচ, দেয়ালে রক্ত। শনিবার রাতে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অবশেষে শহীদ মিনার ধ্বংস করেছিল পাক বর্বররা। ২৫ মার্চের সেই কালরাত্র যখন শেষ হয়ে আসছিল, হুকুম এলো কন্ট্রোলের_ যেখানে যত মৃতদেহ আছে সব সরিয়ে ফেলতে হবে দিন শুরু হওয়ার আগে। লোকচক্ষুর অন্তরালে। মৃতদেহ সরাতে ব্যবহার করা হয়েছিল 'বাঙালিদের'। যে হতভাগ্যদের ব্যবহার করা হয়েছিল ওই কাজে, শেষে তাদেরও হত্যা করেছিল ওই নরপশুরা। মৃতদেহের হিসাব রেখেছিল ২৬নং ইউনিট।
কন্ট্রোল জিজ্ঞেস করেছিল, ২৬নং ইউনিটকে রাজারবাগ পুলিশের মৃতদেহের সংখ্যা। উত্তর এসেছিল_ গোনা শেষ হয়নি। ২৬ মার্চ সারাদিন রেখে দেওয়া হয়েছে। রেডিওতে শুনেছি, কমান্ডার গিয়ে দেখবেন, ছাত্রনেতা কেউ আছেন কি-না সেটা দেখার পরই সরানো হবে। তা-ই হয়েছিল। ২৭ মার্চ সকালে দেখেছিলাম ইকবাল হলের পেছনের পুকুরপাড়ে সারি দিয়ে রাখা দশটি মৃতদেহ। ইচ্ছে করেই সবাইকে দেখানোর জন্য ওখানে রাখা হয়েছিল কিছু মৃতদেহ। যাতে বাঙালিরা ভয় পায়, নতি স্বীকার করে। দেখেছিলাম জগন্নাথ হলের সামনের মাঠে বুলডোজার দিয়ে গর্ত করে দেওয়া গণকবর। মাসখানেক পরে যখন দু-একজন বিদেশি সাংবাদিককে আসার অনুমতি দিয়েছিল পাক সরকার, তখন এক রাতে সেই গলিত দেহের অবশিষ্ট তুলে নিয়ে যায় পাকসেনারা।
বিজ্ঞানী ড. মোজাম্মেল হোসেনের ধারণকৃত পাকিস্তানি বাহিনীর ওই ওয়্যারলেস সংলাপের চাইতেও তাৎপর্যপূর্ণ 'জগন্নাথ হলের মাঠে ২৬ মার্চের সকালে যে মর্মস্পর্শী দৃশ্য দেখেছি, আমার জানালা থেকে টেলিস্কোপ লাগিয়ে মুভি ক্যামেরায় ধরে রেখেছি' শিরোনামে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, অষ্টম খণ্ডে মুদ্রিত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের তদানীন্তন অধ্যাপক ড. নূরুলউল্লার বিশেষ সাক্ষাৎকারটি :
আপনি কি ২৫ মার্চের হত্যাকাণ্ডের ছবি নিজ হাতে তুলেছিলেন?
হ্যাঁ, ২৬ মার্চের সকালে জগন্নাথ হলের মাঠে যে মর্মস্পর্শী দৃশ্য ঘটেছিল, আমি তার ছবি আমার বাসার জানালা থেকে টেলিস্কোপ লাগিয়ে মুভি ক্যামেরায় তুলেছিলাম।
ক্যামেরাটি কি আপনার নিজস্ব?
না, ওটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ভিডিও টেপ ক্যামেরা।
আপনি যে ক্যামেরা বসিয়েছিলেন, তা বাইরে থেকে দেখা যাচ্ছিল না?
এমনভাবে ক্যামেরা বসানো হয়েছিল যে, বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই।
ক্যামেরা চালু করেন কখন?
সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যবর্তী সময়ে। জানালা দিয়ে লক্ষ্য করলাম, জগন্নাথ হলের সামনের মাঠে কিছু ছেলেকে ধরে বাইরে আনা হচ্ছে এবং তাদের লাইনে দাঁড় করানো হয়েছে। তখনই আমার সন্দেহ জাগে এবং আমি ক্যামেরা অন করি। আমাদের ক্যামেরাটির একটি বিশেষ গুণ এই যে, এতে মাইক্রোফোন দিয়ে একই সঙ্গে শব্দ তুলে রাখা যায়। তাই আমি টেপের সঙ্গে মাইক্রোফোন সংযোগ করে ক্যামেরা চালু করলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখলাম, ছেলেগুলোকে একধারছে গুলি করা হচ্ছে এবং একজন করে পড়ে যাচ্ছে। আবার কিছু সংখ্যক লোককে ধরে নিয়ে এসেছে। ... আবার লাইন করে দাঁড় করানো হচ্ছে। আমি তখন আগের তোলা টেপটা মুছে ফেলে তার ওপর আবার ছবি তোলা শুরু করলাম। দ্বিতীয়বার লাইনে দেখলাম একজন বুড়ো দাড়িওয়ালা লোক রয়েছে। সে বসে পড়ে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছে। আমার মনে হচ্ছিল, সে তার দাড়ি দেখিয়ে বোঝাতে চেয়েছিল যে, সে মুসলমান। কিন্তু বর্বর পাকবাহিনী তার কোনো কথাই শুনতে চায়নি। তাকে গুলি করে মারা হলো। মাঠের অপরদিকে অর্থাৎ পূর্ব পাশে পাকবাহিনী একটা তাঁবু বানিয়ে ছাউনি করেছিল। সেখানে দেখছিলাম, ওরা চেয়ারে বসে বেশ কয়েকজন চা খাচ্ছে আর হাসি-তামাশা ও আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়ছে। লোকগুলোকে হলের ভেতর থেকে কীভাবে আনা হচ্ছিল? যাদের আমার চোখের সামনে করা হয়েছে ও যাদের মারার ছবি আমার ক্যামেরায় রয়েছে, তাদের দিয়ে প্রথমে হলের ভেতর থেকে মৃতদেহ বের করে আনা হচ্ছিল। মৃতদেহগুলো এনে সব এক জায়গায় জমা করা হচ্ছিল এবং এদের দিয়ে লেবারের কাজ করানোর পর আবার ওদেরকেই লাইনে দাঁড় করিয়ে এক সারিতে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মনে হয়েছে, একটা করে পড়ে যাচ্ছে।
প্রফেসর নূরুলউল্লার ধারণকৃত জগন্নাথ হল গণহত্যার প্রামাণ্য তথ্যচিত্রটি স্বাধীনতার পর দেশে-বিদেশে বহুবার প্রদর্শিত হয় এবং ১৯৭১ সালের ২৫-২৬ মার্চের 'অপারেশন সার্চ লাইট' বা 'জেনোসাইড ঢাকা ইউনিভার্সিটি'র একমাত্র প্রামাণ্য দলিল, যার মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসীর কাছে পাকিস্তানিদের নৃশংসতা ও বর্বরতার পরিচয় উদ্ঘাটিতহয়।
এরপর দৈনিক আজাদ পত্রিকার ১৯৭২ সালের ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় প্রকাশিত 'স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রথম দুর্গ ইকবাল হল' প্রবন্ধ থেকে প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ উদ্ধৃত করছি :
রাতে হানাদাররা হলের প্রতিটি ঘরে তালা ভেঙে লুটে নিয়ে গেছে, আর যাকে সামনে পেয়েছে, তাকেই হত্যা করেছে নির্মমভাবে। এর ফাঁকে ফাঁকে দু-একজন বেঁচে গেছে নানা কৌশলে। ২৬ মার্চ ভোরে ইকবাল হলের যেখানেই দৃষ্টি পড়ছে, সেখানেই দেখা গেছে লাশ আর লাশ। স্বদেশের সোনার ছেলেদের গুলি খাওয়া লাশ।
জহুরুল হক হল সংলগ্ন নীলক্ষেত শিক্ষকদের আবাসিক এলাকায় তিনটি [২৩, ২৪ ও ২৫নং] আবাসনে পাকিস্তানি সৈন্যরা সিঁড়িতে, ছাদে এবং ঘরে ঘরে ঢুকে শিক্ষক, আশ্রয়গ্রহণকারী বস্তিবাসী, প্রেসিডেন্ট হাউসে (পুরনো গণভবন) প্রহরারত নিরস্ত্রীকৃত ইপিআর জওয়ান, যারা ২৩নং বাড়ির ছাদে আশ্রয় নিয়েছিল, তাদের হত্যা করে। শিক্ষকদের বাড়ি ঘরে ঢুকে পাকিস্তানি সৈন্যরা শিক্ষকদের হত্যা করবে, এমন ধারণা ছিল কল্পনারও অতীত। তাই জহুরুল হক হল সংলগ্ন নীলক্ষেত আবাসিক এলাকার শিক্ষকরা কেউ ২৫ মার্চ রাতে ক্যাম্পাস ছেড়ে যাননি।
নীলক্ষেত বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাসরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পর্কেও একই কথা প্রযোজ্য। জহুরুল হক সংলগ্ন শিক্ষক-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা আর পুরনো রেল লাইনের ওপর গড়ে ওঠা বস্তি এলাকায় পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী ২৫ থেকে ২৭ মার্চ সর্বাত্মক সশস্ত্র অভিযান চালিয়ে যে গণহত্যা, অগি্নসংযোগ, ধ্বংসযজ্ঞ এবং লুণ্ঠন চালায় তা শুধু চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, চরম যুদ্ধাপরাধও বটে।
বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী ২৫ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংলগ্ন অঞ্চলে তিনটি ধর্মীয় স্থান ধ্বংস করে দেয়_ কলাভবন সংলগ্ন শিখ গুরুদুয়ারা, শহীদ মিনারের বিপরীতে অবস্থিত শিব মন্দির আর রমনা রেসকোর্স মাঠের দুটি পুরনো কালী মন্দির। স্মরণীয় যে, ২৬ মার্চ সকালে পাক সেনারা সায়েন্স ল্যাবরেটরি রোড মোড়ের মসজিদে ফজরের নামাজের আজান দানরত মুয়াজ্জিনকে এবং গুরুদুয়ারা, শিব মন্দির ও কালী মন্দিরে ঢুকে পুরোহিতদের নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। ১৯৭১ সালের ২৫-২৬ মার্চ পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে সামরিক অভিযানে সবচেয়ে নারকীয় ঘটনা ঘটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু ছাত্রাবাস জগন্নাথ হলে। জগন্নাথ হলের সাবেক প্রভোস্ট ড. অজয় রায় এবং ড. রঙ্গলাল সেনের উদ্যোগে ড. রতন লাল চক্রবর্তী সংকলিত-সম্পাদিত 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহত্যা : ১৯৭১ জগন্নাথ হল' গ্রন্থে অপারেশন সার্চলাইটে জগন্নাথ হলে কী ঘটেছিল, তার বস্তুনিষ্ঠ পরিচয় পাওয়া যায়। গ্রন্থের ভূমিকা থেকে উদ্ধৃতি :
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, বিশেষভাবে জগন্নাথ হল ও তৎসনি্নহিত এলাকায় কী ঘটেছিল, তা একটু আলোচনা প্রয়োজন .... রাত বারোটার সময় ইউওটিসির দিকের দেয়াল ভেঙে পাক বাহিনী ট্যাঙ্ক নিয়ে জগন্নাথ হলের মধ্যে প্রবেশ করে এবং প্রথমেই মর্টার ছোড়ে উত্তর বাড়ির দিকে। সঙ্গে সঙ্গে অজস্র গুলিবর্ষণ শুরু হয়। উর্দু ও ইংরেজি মিশ্রিত ভাষায় আত্মসমর্পণ করে বেরিয়ে আসার নির্দেশ দেয়। এর পর জগন্নাথ হলের অভ্যন্তরে শুরু হয় নারকীয় কাণ্ড। উত্তর ও দক্ষিণ বাড়ির প্রতিটি কক্ষ অনুসন্ধান করে ছাত্রদের নির্বিচারে গুলি করে। এমনকি টয়লেটে, বাথরুমে ও ছাদে রক্ষিত জলের ট্যাঙ্কের মধ্যে যেখানেই পাওয়া যায় লোকের সন্ধান, সেখানে চলে নির্বিচারে গুলি ও হত্যা। পশ্চিমদিকের টিনশেড অর্থাৎ পশ্চিম ভবন, ক্যান্টিন ও ক্যান্টিন সংলগ্ন ছাত্রাবাসে ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতা পালিয়ে ছিল, কিন্তু সর্বগ্রাসী আগুনের হাত থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে আসতেই তাদের ওপর শুরু হয় নির্বিচারে গুলি। ক্রমেই আক্রান্ত হয় জগন্নাথ হলের প্রাক্তন প্রাধ্যক্ষ ড. গোবিন্দচন্দ্র দেবের বাসভবন। পাক বাহিনী মেরে ফেলে গোবিন্দ দেবকে এবং তার পালিত কন্যা রোকেয়ার স্বামীকে। পরে আক্রান্ত হয় জগন্নাথ হল সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয় স্টাফ কোয়ার্টার, যেখানে পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান পুত্র ও আত্মীয়সহ নিহত হন। মারাত্মকভাবে আহত হন জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, পরে তিনি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। পাক মিলিটারি মধুসূদন দের [মধুদা] বাসা আক্রমণ করে হত্যা করে তার পুত্র, সদ্যবিবাহিত পুত্রবধূ, স্ত্রী যোগমায়াকে, যিনি ছিলেন দশ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গুলিতে মধুদাও মারাত্মকভাবে আহত হন। শিক্ষকদের মধ্যে প্রাক্তন প্রাধ্যক্ষ ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব, তৎকালীন প্রাধ্যক্ষ ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা ও সহকারী আবাসিক শিক্ষক অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য শহীদ হন। বৈদ্যুতিক মিস্ত্রী চিৎবল্লী ও জনৈক রাজকুমারী দেবী তথ্য প্রকাশ করেন যে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের লাশের পাশের সজনে গাছের নিচে খুব স্বল্প পরিসর গর্তে জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতাকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা চিরদিনের জন্য শুইয়ে রেখেছেন। জগন্নাথ হলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক তিন জন, ছাত্র ৩৪ জন ও কর্মচারী ৪ জন ২৬ মার্চ শহীদ হন। কিন্তু এছাড়া ছিল জানা-অজানা অনেক লোক। এদের খুব কম অংশই আমরা জানি। সবার পরিচিত মধুদা [মধুসূদন দে] জগন্নাথ হলের মাটিতে মিশে আছেন। মিশে আছেন পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মুনীরুজ্জামান তার কয়েকজন নিকটাত্মীয়সহ। দর্শন বিভাগের কর্মচারী খগেন দে ও তার পুত্র মতিলাল দে পিতা-পুত্র পাশপাশি দাঁড়িয়ে মৃত্যুকে বরণ করেছেন। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল উপাচার্যবিহীন। তখনকার উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি তিন বছরের জন্য জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি মানবাধিকার কমিশনের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য সপরিবারে জেনেভা যান। জেনেভার একটি
পত্রিকায় ঢাকায় দু'জন ছাত্রের মৃত্যু সংবাদ দেখে বিচলিত হয়ে তিনি '৭১ সালের ২৫ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান সরকারের শিক্ষা সচিবকে পাকিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমে প্রেরিত এক পত্রে লেখেন :
তোমরা নিরস্ত্র ছাত্রদের ওপর গুলি চালনার পর আমার ভাইস চ্যান্সেলর থাকার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। তাই আমি পদত্যাগ করলাম। [স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রবাসী বাঙ্গালী, আবদুল মতিন, রেডিক্যাল এশিয়া পাবলিকেশন, লন্ডন, এপ্রিল, ১৯৮৯]। ১৯৭১ সালের ২৫ থেকে ২৮ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নীলক্ষেত, ফুলার রোড, ঈশা খাঁ রোড, জগন্নাথ হল, শহীদ মিনার, ঢাকা হল ও ফজলুল হক হল এলাকার আবাসিক এলাকাগুলো পরিত্যক্ত, ভুতুড়ে ও জনমানবহীন বিরানভূমিতে পরিণত হয়। ১৯২১ সাল থেকে গড়ে ওঠা রমনার মনোরম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে পাকিস্তানি সৈন্যরা শুধু জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার বা রক্তাক্ত করেনি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ক্যাম্পাস থেকে সব মানুষকে উচ্ছেদ করে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আকাশে তখন শুধু চিল, শকুন আর মাটিতে মাংস-লোলুপ কুকুর আর বিহারি-রাজাকারদের ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। হ
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1407)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
March
(2875)
-
▼
Mar 26
(63)
- এই দিনে-আজ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস by গাজীউল হক
- জনপ্রশাসন-রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয়ের ধারা by মোহীত উল আলম
- ভারত-সরকারের আস্থার সংকট by কুলদীপ নায়ার
- সমাজ-মুক্তিযোদ্ধাদের স্থান হবে সবার ওপরে by মহিউদ্...
- সময়চিত্র-র্যাব: বিতর্ক ও কুতর্ক by আসিফ নজরুল
- সুস্থ ছাত্ররাজনীতির জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকতে...
- মেধা ও যোগ্যতার স্বীকৃতি চাই-বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চ...
- স্মরণ-আমার ভাই সম্রাট by জান্নাতুল নাঈম
- উচ্চশিক্ষা-ভালো বিশ্ববিদ্যালয়, মন্দ বিশ্ববিদ্যালয় ...
- ধর্ম-প্রসূতির পরিচর্যা ও নিরাপদ মাতৃত্ব by মুহাম্ম...
- ফিলিস্তিন-নাকবা: সব হারানোর দিন by রামজি বারুদ
- যুক্তি তর্ক গল্প-লিমন ও র্যাবে নয়, সমস্যা আরও গভীর...
- কৃষক ও সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়া হ...
- নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের-বাসভাড়...
- চারদিক-পথের পাশে শিল্প কারিগর by আজাদুর রহমান
- দূর দেশ-ওবামার মধ্যপ্রাচ্য প্রস্তাবে নতুন কিছু নেই...
- প্রতিক্রিয়া-জাপানি বালক এবং আমরা by মোস্তাক আহমেদ ...
- রাজনীতি-প্রধান দুটি দলের শ্রেণীচরিত্র by এরশাদ মজু...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-পা খোয়ানো লিমনকে নিয়ে সরকারের বিড়...
- দুর্গত মানুষের হাহাকার কবে ঘুচবে?-আইলার দুই বছর
- সমঝোতা ও সহনশীলতাই গণতন্ত্রের পথ-সংসদে গিয়ে কথা বলুন
- টেপরী রানীর বঞ্চনার দিন আজও ফুরায়নি by ফিরোজ আমিন ...
- স্বাধীনতার ৪০ বছর প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি by শহিদুল ই...
- স্বাধীনতা দিবস-লক্ষ্যে স্থির থেকেই এগিয়ে যেতে হবে ...
- জাতীয় সংসদ-চরিত্র হননের অসংসদীয় সংস্কৃতি
- স্বাধীনতার চার দশক-নারী-পুরুষ সমতা: আজও সোনার হরিণ...
- আমাদের অভিনন্দন-নতুন উচ্চতায় মুহাম্মদ ইউনূস
- মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন পূরণে আরও পথ পাড়ি দিতে হবে-মহ...
- বুদ্ধিজীবীদের ব্যবহার্য সামগ্রী by জাহীদ রেজা নূর
- প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের ডাকটিকিট by এ টি এম আনোয়া...
- কামরুল হাসানের পোস্টার by বীরেন সোম
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল by খোন্দকার মো. নূরুন্নবী
- মুক্তিযুদ্ধের সমরাস্ত্র by মুহাম্মদ লুৎফুল হক
- থিয়েটার রোডের পতাকা by আনিসুজ্জামান
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র by আমীর-উল ইসলাম
- কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা by মোহ...
- আত্মসমর্পণের টেবিল by কে এম সফিউল্লাহ
- মুক্তিযুদ্ধের স্মারক by শামসুজ্জামান খান
- বঙ্গবন্ধুর ওয়্যারলেস বার্তা by মানিক চৌধুরী
- ভয়াল রাতের স্মৃতি by মেঘনা গুহঠাকুরতা
- যুদ্ধের খোঁজে by শহিদুল্লাহ খান বাদল
- নির্মম নারকীয়তা by রফিকুল ইসলাম
- আমাদের নিবেদন-মার্চ এপ্রিল ১৯৭১
- বোবা বসন্তের চার দশক by শেখ রোকন
- গোটা দেশ একসঙ্গে আলোকিত by এমএ মালেক
- শিক্ষায় ঘটবে বৈপ্লবিক রূপান্তর by এম এম আকাশ
- সমুদ্র জয় by মোহাম্মদ খুরশেদ আলম
- কৃষি এগোবে, কিন্তু কৃষক? by শাইখ সিরাজ
- রাস্তায় শিক্ষার্থী-অ-শিক্ষা বটে!
- স্বাধীনতা দিবস-নতুন প্রেক্ষাপটে মুক্তির লড়াই
- শুভ হত্যা মামলা-একমাত্র আসামির মৃত্যুদণ্ড
- গোলাম আযমের আইনজীবীর দাবি-ট্রাইব্যুনালের আইনে বাংল...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- ঈশ্বরদী ইপিজেডে ব্যাপক সংঘর্ষ
- চারদিক-আমাদের শিশু মুক্তিযোদ্ধারা by কামরুল হাসান ...
- রাজনীতি-চার দশক পর দেশের হালহকিকত by মুহাম্মদ হাব...
- প্রসঙ্গ আইএসআইর টাকা-প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ করেছে...
- আবার হবে মনা...আবার হবে by তারেক মাহমুদ
- বাড়তি জমির সবুজ ফসল by নেয়ামতউল্যাহ
- মুখোমুখি মুক্তিযুদ্ধের দুই অধিনায়ক জে এফ আর জ্যাকব...
- শহীদ যোদ্ধাদের ৫৭১টি কবর সংরক্ষণ হচ্ছে by শরিফুল হ...
- বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের জন্যই উদাহরণ by শওকত হোসেন...
- ১৯৭১- তিব্বতি যে বীরদের ভুলেছে বাংলাদেশ
-
▼
Mar 26
(63)
-
▼
March
(2875)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment