Sunday, May 13, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
ঘড়ির কাঁটা: সরকারকে ধন্যবাদ অবশেষে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি সরকার বাতিল করেছে। সরকারকে অনেক ধন্যবাদ। ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করলে দেশের বা জনগণের ক্ষতি হতো, সেই ক্ষতি এড়াতেই সরকার তা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এল এবং সে কারণেই সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি—বিষয়টি এ রকম নয়।
বরং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, গ্রীষ্ম মৌসুমে যখন দিবাভাগ বড় এবং রাত ছোট, তখন ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনলে বাস্তবিক কিছু সুবিধাই পাওয়া যায়। খুব বেশি না হলেও কিছু বিদ্যুতের সাশ্রয় অবশ্যই ঘটে। কিন্তু বহু যুগের অভ্যাসবশত বাংলাদেশের অনেক মানুষ ঘড়ির কাঁটাকে যেন এক অপরিবর্তনীয় বিষয় বলে মনে করে, এর পরিবর্তন চায় না—এমন অভিজ্ঞতাই দেখা গেল গত বছর, যখন প্রথমবারের মতো এই পরিবর্তনটি আনা হয়েছিল। সরকার এটি করেছিল ভালো উদ্দেশ্যেই। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ তা গ্রহণ করেনি। বিশেষ সমস্যা হয়েছিল ঘড়ির কাঁটা আবার পিছিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি সিদ্ধান্তে বিলম্ব করায়। যাই হোক, পূর্বনির্ধারিত সময়ের পরে হলেও সরকার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ায় জটিলতার অবসান ঘটেছিল।
এ বছর আবার এপ্রিলের শুরু থেকে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনার ঘোষণা প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা মহলে প্রতিবাদ উঠল। স্কুলগামী শিশুদের অভিভাবক, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মরত মানুষসহ নানা মহল থেকে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা হলো। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও এর বিরুদ্ধে অনেক লেখালেখি চলল। এসবের মধ্য দিয়ে একটি বিষয় ফুটে ওঠে। সেটা হলো: আমরা সহজে কিছু বদল করতে চাই না, চিরাচরিত অভ্যাসের ওপর আমাদের নির্ভরতা প্রায় অনড়। ইউরোপের অনেক দেশে বছরে দুবার একদমই বিনা আওয়াজে, অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে যে কাজটি সব মানুষ করে থাকে (ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনা ও পিছিয়ে দেওয়া), আমাদের দেশে সেটি নিয়ে এত জটিলতা, এত ঝামেলার কারণ হলো আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রবণতার ওই অনড়তা। আমরা যেন ধরেই নিয়েছি, ঘড়ির কাঁটা স্থির করে দিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা; এর নড়চড় করা চলবে না।
এ রকমই যদি হয় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনমত, তাহলে আর কী করা! গণতন্ত্রে জনমতের চেয়ে বড় কিছু নেই। সরকারকে ধন্যবাদ এ জন্য যে, জনমতকে উপেক্ষা না করে বরং জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত থেকে তারা সরে এসেছে। জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার গুরুত্ব অনেক। নির্বাচনে প্রচুর ভোট পেয়ে যাঁরা সরকার গঠন করেন, তাঁরা সাধারণত মনে করেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট তাঁরা পেয়ে গেছেন, এখন নিজেদের ইচ্ছামতো যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নতুন করে জনমত যাচাই করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আসলে তা ঠিক নয়। সরকারের বড় বড় সিদ্ধান্তের প্রতি অধিকাংশ মানুষের সমর্থন আছে কি নেই, তা যাচাই করা এবং সে অনুযায়ী বিচার-বিবেচনা করে চলাই একটি গণতান্ত্রিক সরকারের সঠিক আচরণ। অনেক সময় সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষগুলো এ রকম রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করে যে, সরকার সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে, একবার এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, পরে তার উল্টো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এসব কথা বলা হয় রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে। সে জন্য সরকারও নিজের নেওয়া সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অনড় থাকতে চায়, ব্যাপক প্রতিবাদ সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারতপক্ষে চায় না।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের বিষয়ে রাজনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বা সরকারের মুখরক্ষার বিষয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে জনমতকে। এটা খুব ভালো একটা লক্ষণ। সরকারের পথচলা অনেক সহজ, জটিলতামুক্ত ও গণমুখী হয়ে উঠতে পারে জনমতকে সঙ্গে নিয়ে চলার এই নীতি অনুসরণ করলে। সোমবারের মন্ত্রিসভার একই বৈঠকে এ রকম আরও একটি ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন করে বৈদ্যুতিক খুঁটি কেনা ও পোঁতা নিষিদ্ধ করেছেন। আগের দিন প্রথম আলোয় এ সম্পর্কিত একটি সচিত্র প্রতিবেদনের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকৃষ্ট হওয়ার সুফল এটি। ওই খবরে প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর কাছে কৈয়ফিতও চেয়েছেন। সংবাদমাধ্যমে জনমতেরই প্রতিফলন ঘটে। জনমতকে গুরুত্ব দিলে, শ্রদ্ধা করলে সরকারের ভুলভ্রান্তি কম হবে; সব ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত মাত্রায় সাফল্য অর্জন না করলেও জনগণের মনে হবে, সরকার অন্ততপক্ষে তাদের কথা শোনার চেষ্টা করছে। এই নীতিই হোক সরকারের বাকি মেয়াদের পাথেয়।
আহমেদ তারিক, শ্যামলী, ঢাকা।
বেকারদের সঙ্গে প্রতারণা?
পড়াশোনা শেষ করে চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে ঘুরতে হচ্ছে, আর আত্মীয়স্বজনকে বলতে হচ্ছে, ‘ভাই, বেকার আছি। একটা চাকরি দেন না।’ এই কথাটি কতজনকে যে বলা হয় তার আর হিসাব নেই। এই বেকারদের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল করে কিছু প্রতিষ্ঠান।
কিছু ব্যাংক, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কিছু প্রতিষ্ঠান দু-একটি পদে লোক নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে। সে জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার জমা দিতে বলে। কিছু বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাডহক ভিত্তিতে কর্মরতদের চাকরি স্থায়ী করার জন্যও বিজ্ঞাপন দেয়। কিছু প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আর পরীক্ষার জন্য ডাকে না। অনেক প্রতিষ্ঠান টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। তাদের অফিস আর খুঁজে পাওয়া যায় না। অনেক প্রতিষ্ঠান জিপিও বক্সের নম্বর দিয়ে আবেদনপত্র আহ্বান করে।
এ ছাড়া অনেকভাবে টাকা-পয়সা খরচ হয়। সকল সনদপত্রের ফটোকপি করতে হয়, ছবি তুলতে হয়, কুরিয়ার বা ডাকযোগে আবেদনপত্র পাঠাতে টাকা খরচ হয়। এত কষ্টের পরও অনেক সময় ইন্টারভিউ কার্ড পাওয়া যায় না। আমার প্রশ্ন হলো, চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান কেন আবেদনপত্রের সঙ্গে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার আহ্বান করে। এটা কি তাদের ব্যবসা? অনেক বেকার ইন্টারভিউ কার্ড পেয়ে প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ঢাকা শহরে ইন্টাভিউ দিতে আসে নিজের টাকা খরচ করে।
বেকারদের নিয়ে আরেকটি প্রতারণার ফাঁদ হলো শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেওয়া হয় যোগ্যতাসম্পন্ন লোক যাতে শিক্ষক হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পান। লাখ লাখ বেকার লোক আবেদন করেন। সরকার এই পরীক্ষার জন্যও বেকারদের কাছ থেকে ব্যাংক ড্রাফট নেয়। এ পরীক্ষায় পাস করার পরও কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য আবার ইন্টারভিউ দিতে হয়।
টাকা হাতিয়ে নেওয়ার আরেকটি কৌশল হলো নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করার পর যে সনদপত্র দেওয়া হয় তার মেয়াদ পাঁচ বছর। এই সময়ের মধ্যে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ না পেলে সনদপত্রের কোনো গুরুত্ব থাকবে না। তাঁকে আবার নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হবে। এ নিয়মটা বাতিল করুন। সরকারের কাছে অনুরোধ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করে নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করা লোকদের চাকরির ব্যবস্থা করা হোক।
বিভিন্ন দেশে বেকারদের সরকার ভাতা দেয় আর আমাদের দেশে নতুন নতুন কৌশলের মাধ্যমে বেকারদের কাছ থেকে সরকারি ও অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টাকা হাতিয়ে নেয়। বেকারদের বেকারত্ব দূর করার জন্য সুন্দর পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য সরকারে কাছে আকুল আবেদন করছি।
মো. সোয়েব মেজবাহউদ্দিন
মাস্টার কটেজ, লালমোহন, ভোলা।
soyeb4@yahoo.com
বিদেশি শ্রমবাজারে সংকট
বাংলাদেশের শ্রমবাজারের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি বলে প্রচুরসংখ্যক মানুষ জীবিকার তাগিদে বিদেশে যায়। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ওমান ও সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য দেশে এ দেশের অনেক মানুষ কর্মরত। কয়েক মাস ধরে এসব দেশে শ্রমিক ছাঁটাই চলছে, নতুন শ্রমিক নিয়োগও কমে গেছে। বৈশ্বিক মন্দার পাশাপাশি ওসব দেশের স্থানীয় লোকদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর ফলেও বিদেশি শ্রমিক ছাঁটাই চলছে। এক যুগ আগে উপসাগরীয় দেশগুলো সিদ্ধান্ত নেয় একটি দেশে বিদেশি শ্রমিকের মোট সংখ্যা সে দেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের বেশি হবে না। এবং কোনো একটি দেশ থেকে আসা শ্রমিকের সংখ্যা মোট বিদেশি শ্রমিকের ১০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। ২০১৩ সালের মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলো এই লক্ষ্য অর্জনের সময়সীমা নির্ধারণ করে। এই নীতি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ারও অন্যতম ফলাফল সেসব দেশ থেকে বিদেশি শ্রমিকদের ছাঁটাই করা। উল্লেখ্য, ওই সব দেশে বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা ওই দেশগুলোর নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে গেছে। অতিরিক্ত ব্যক্তিরাই এখন চাকরি হারিয়ে স্বদেশে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছে।
বিদেশে কর্মসংস্থান থেকে জাতি উপকৃত হয়। বেকার সমস্যা কমে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। এখন বৈদেশিক কর্মসংস্থান সংকুচিত হলে জাতীয় অর্থনীতিতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাধ্য। এটা ঠেকাতে অতি দ্রুত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও কুয়েতে প্রতিনিধি পাঠাতে হবে। এসব দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসকেও যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। জনশক্তি রপ্তানির নতুন নতুন বাজার খুঁজতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যখন আইন করেই বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ কমিয়ে দিচ্ছে, তখন আমাদের শ্রমিক পাঠানোর জন্য বাজার খুঁজতে হবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে। এ কাজে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিশেষ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বিদেশে পাঠানোর আগে শ্রমিকদের ভাষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণসহ সেসব দেশের আইনকানুন, রীতিনীতি, সামাজিক প্রথা, মূল্যবোধ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন।
কাজী শেখ ফরিদ
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ময়মনসিংহ।
বিশ্ববিদ্যালয়টি খুলে দিন
১৩ মার্চ প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ছাত্রলীগের আন্দোলনে তিন মাস বন্ধ, ভর্তি পরীক্ষাও হচ্ছে না’ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী হিসেবে এ বিষয়ে কিছু লেখার জন্য কলম হাতে তুলে নিয়েছি।
আমাদের ক্যাম্পাস আজ ছাত্রলীগ নামধারী কিছু শিক্ষার্থীর হাতে জিম্মি। তারা আদৌ ছাত্রলীগের কর্মী কি না সে বিষয়টি আসলেই বিতর্কিত। কারণ, তাদের কাউকেই এর আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় আসার পর এরা মাথাচাড়া দেয় এবং ব্যক্তিগত স্বার্থোদ্ধারের লক্ষ্যে ছাত্রলীগের ব্যানার ব্যবহার করে। তাদের ‘উপাচার্য হঠাও’ আন্দোলনটি উদ্দেশ্যমূলক এবং তাদের ২১ দফা দাবির বেশির ভাগই অযৌক্তিক। ২১ দফা দাবি নিয়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার পর দাবি মেনে নেওয়ার সময় শেষ হওয়ার আগেই তারা আন্দোলনে নামে। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে, চাকরি ও অন্যান্য সুবিধার লোভ দেখিয়ে এবং অনেক সময় জোরপূর্বক এ আন্দোলনে ব্যবহার করে। আন্দোলনে ইন্ধনদানকারী ছাত্রলীগ নামধারী নেতাদের সবাই স্নাতক শেষ করে স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত। মূল ভুক্তভোগী হচ্ছে স্নাতক অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। একে তাঁরা তিন মাসের সেশনজটের শিকার, তার ওপর এবারের বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। এ ছাড়া শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভারতে ট্রেনিং কোর্সটিও এখন হুমকির মুখে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা সবাই অবিলম্বে ক্যাম্পাস খোলার পক্ষে। কিন্তু ছাত্রলীগ নামধারী ২০-২২ জন শিক্ষার্থী এখনো তাদের ব্যক্তি স্বার্থোদ্ধারে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভুক্তভোগী হওয়ার বিষয়টি ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের কেউই গুরুত্ব দিচ্ছে না।
এ প্রতিক্রিয়া লিখতে গিয়ে নিজেদের নাম প্রকাশেও আমরা ভয় পাচ্ছি। কারণ ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকার কাউকেই নিরাপদ বলে মনে হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, আর নির্বিকার না থেকে আমাদের দিকে তাকান। তিন মাসের সেশনজটে আমরা আমাদের স্বপ্নগুলো হারাতে বসেছি। দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।
বৈসাবি উৎসবে ছুটি
পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের প্রধান উৎসবগুলো হলো বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক। পুরোনো বছরের শেষ দিনটিকে মূল বিজু, তার আগের দিনকে ফুল বিজু এবং নতুন বছরের প্রথম দিনকে গোজ্যাপোজ্যা বিজু বলা হয়।
ব্রিটিশ আমলে বিজু উৎসব উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এক মাস ছুটি থাকত। তাই সে ছুটিকে বিজু বন্ধ বা বিজু উৎসব উপলক্ষে ছুটি বলা হতো।
পাকিস্তান হওয়ার পর সেটা কমিয়ে এক মাসের রমজানের ছুটি অর্থাৎ পবিত্র রোজা উপলক্ষে এক মাসের ছুটি চালু করা হয়। এ ছাড়া ব্রিটিশ আমলে পার্বত্য চট্টগ্রামে ডেপুটি কমিশনারের অফিস, কোর্ট-কাছারি এবং অন্যান্য অফিস ১০ দিন বন্ধ থাকত। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈসুক, সাংগ্রাই, বিজুকে কেন্দ্র করে অনন্ত ১০ দিন ছুটি ঘোষণা করা প্রয়োজন।
পাটটুরু টুরু চাঙমা
patturu969¦yahoo.com
স্বদেশপ্রেম ও রাজনীতি
১০ মার্চ প্রথম আলোয় ‘সাপ্তাহিক হালচাল’ কলামে আব্দুল কাইয়ুম সাহেবের লেখায় রাজনীতি সম্পর্কে একটি পর্যবেক্ষণ ছিল চমত্কার: ‘রাজনীতি যে এক ধরনের শিল্পকলা, মূর্ত রূপে সুন্দরের প্রকাশ ঘটানো, ক্ষমতা না থাকলে যে রাজনীতি চলে না। এ ব্যাপারে আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতারা সম্ভবত উদাসীন।’
আমার সাধারণ চিন্তায় রাজনীতি বলতে আমি যা বুঝি তা হলো পিছিয়ে পড়া সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা, সে জন্য সংগ্রাম করা। অন্যের উপকারে নিঃস্বার্থভাবে আত্মনিয়োগই হচ্ছে রাজনীতি। কিন্তু বর্তমানে অনেক রাজনীতিবিদের মধ্যে ত্যাগের বদলে ভোগের প্রবণতাই বেশি। এবং নিজের কল্যাণের স্বার্থেই তাঁরা ক্ষমতারধরদের গুণকীর্তনের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। আমার আম্মা প্রায়ই বলেন, ষাট ও সত্তরের দশকের রাজনীতিকেরা রাজনৈতিক দলের মূল আদর্শ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংগ্রাম করতেন। আমার পিতা কমান্ডেন্ট মানিক চৌধুরীর বক্তব্য শোনার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। ‘একদিন মুক্তিযুদ্ধের মূল্যায়ন হবে, মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন হবে।’ সালটা ছিল ১৯৯০, ১৬ ডিসেম্বর। কিন্তু বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর স্বপ্নের কথাগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে কাছ থেকে দেখতে পাব ভাবতেই অবাক লাগে। ‘সপ্তাহের হালচাল’ কলামে লেখক আব্দুল কাইয়ুম জাতীয় সংসদের নেতাদের বক্তব্য সম্পর্কে বাস্তব চিত্রই তুলে ধরেছেন। এখানে অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের চর্চার ক্ষেত্রটি এত ক্ষীণ যে তা আমাদের হতাশ করে।
রাস্তায় বের হলেই যানজটের মধ্যে বসে দেখতে পাই বড় বড় বিলবোর্ড, ব্যানার এবং তোরণ। এগুলোর লেখা পড়লে বোঝা যায়, দুঃখ বা আনন্দ প্রকাশ—উদ্দেশ্য যা-ই হোক না কেন, বড় উদ্দেশ্য নিজের চেহারার পরিচিতি। এ যেন বিজ্ঞাপনের এক ‘মহারাজনীতি’। কিন্তু সত্য কথা হলো, যাঁরা চেহারার রাজনীতি করার জন্য এ ধরনের ব্যয়বহুল বিলবোর্ড, ব্যানার, তোরণ তৈরি করেন, তাঁদের নিয়ে সংশয় থাকে সাধারণ মানুষের। কারণ, রাজনীতি সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, নিজের উন্নয়নের জন্য নয়।
কেয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ।
kchodhowry@gmail.com
প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির সমস্যা
আমার ছয় বছরের নাতনি এবার প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির জন্য পরীক্ষার্থী ছিল। এ কারণে ঢাকা শহরের অনেক নামীদামি স্কুলের ভর্তি-সংক্রান্ত আধুনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হলো।
ক. বয়সের সঙ্গে সংগতি রেখে মেধার ধারাবাহিক বিকাশের মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও মনোবিজ্ঞানীদের দিয়ে কারিকুলাম, সিলেবাস ও পাঠ্যবই প্রস্তুত করা হয়। এ কাজে সরকারের বিপুল অর্থও ব্যয় হয়। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষাগুলো সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে তৃতীয় শ্রেণীর বা কোনো কোনো সময় আরও ওপরের শ্রেণীর সিলেবাস থেকে প্রথম শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন করা হচ্ছে (ভিকারুননিসা স্কুলের এ বছরের প্রশ্নপত্র)। শিশুদের ওপর কেন এ চাপ? এটা কি নৈতিক? এটা এক ধরনের অপরাধ নয় কি? নাকি কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যোগসাজশ—সেখানে যেতেই হবে?
খ. পরীক্ষার দিন লক্ষ করলাম, পরীক্ষার হলের প্রবেশপথে পরীক্ষার্থীর লাইনের চেয়ে কাঁঠালগাছের কাছে, দোলনার কাছে, বিভিন্ন জায়গায়, কোচিং সেন্টারগুলোর পরীক্ষার্থীর লাইন অনেক বড়। জানতে পারলাম, পরীক্ষার হলে কোনো আসনব্যবস্থা নেই। কোচিং সেন্টারের পরীক্ষার্থীরা যাতে একই কক্ষে বসতে পারে এবং নির্দিষ্ট ইনভিজিলেটর পেতে পারে, হয়তো বা তা নিশ্চিত করার জন্যই এ অভিনব পদ্ধতি। কোনো কোনো কোচিং সেন্টার তো ছাত্রদের একই কক্ষে বসানোর জন্য একসঙ্গে ফরম কেনে ও জমা দেয়।
গ. মণিপুর, আইডিয়াল ও ভিকারুননিসা স্কুলের মতো নামীদামি স্কুলে ভর্তি-বাণিজ্যের কথা আমরা ব্যাপক ও গণহারে শুনতে পাচ্ছি। এক স্কুলে তো নোটিশ দিয়ে ৫০ হাজার টাকা ডোনেশন চাওয়া হয়েছে। যুক্তি দেখানো হয়েছে বিল্ডিং না বানালে ছাত্ররা কোথায় বসবে? সুতরাং টাকা দরকার। আমরা তো কারও ওপর জোর করছি না। অতীতে অভিভাবকদের কাছ থেকে কোনো প্রকার ডোনেশন না দিয়েই এ স্কুলটি বর্তমানে দেশের সেরা অবস্থানে এসে থাকলে এখন ডোনেশন লাগছে কেন? এত বিল্ডিং, এত ছাত্র ভর্তিই বা কেন? অন্য এলাকায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে অসুবিধা কোথায়? ইব্রাহিমপুরে মণিপুর স্কুল, বনশ্রী ও আজিমপুরে ভিকারুননিসা ও বনশ্রীতে আইডিয়াল স্কুলের শাখা কেন? এটা কি ব্যবসা? নাকি শাখা স্কুল খুলে ঢাকা শহরের ভর্তি সমস্যার সমাধানের একক এজেন্সি নেওয়া?
ঘ. পরীক্ষার দিন প্রত্যক্ষদর্শীরা লক্ষ করেছে, ভিকারুননিসা স্কুলের চত্বর ও স্কুলসংলগ্ন রাস্তাগুলো বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের তিন-চার কালারের পোস্টার ও লিফলেটে ছেয়ে ছিল। এক-দেড় ইঞ্চি প্রচারপত্রের ওপর দিয়ে মানুষ জুতা পায়ে চলাচল করেছে। লাখ লাখ টাকার খেলা, অপচয় কিসের লোভে? কিসের জন্য কোচিং সেন্টারগুলো এত টাকা খরচ করতে সাহস পায়? অথচ হলিক্রস স্কুলের পরীক্ষার দিন একটি পোস্টারও দেখিনি। কারণ, সেখানে কোনো লিখিত পরীক্ষা নেই।
ঙ. দেড় ঘণ্টার পরীক্ষার জন্য সকাল আটটায় পরীক্ষার কক্ষে ঢুকিয়ে সাড়ে তিনটায় সর্বশেষ পরীক্ষার্থীকে বের করে দেওয়া হয়, যা কোমলমতি পরীক্ষার্থীদের ওপর জুলুম ও অমানবিক। এটি নিঃসন্দেহে স্কুলের কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও হটকারিতা। আজিমপুর সেকশনে তো তিনটি শিশু না পেয়ে অভিভাবকেরা থানায় খবর দেন এবং পরবর্তী সময়ে পরীক্ষার কক্ষ থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয় (পত্রিকায় প্রকাশিত খবর)।
শুধু প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির এ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি, অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি। সরকারি স্কুলগুলোর মতো ক্যাটাগরিভিত্তিক প্রি-স্কুলের পাঠ্যবই থেকে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিয়ে নির্দিষ্ট স্কুলে পরীক্ষার্থী সিলেকশন করা যেতে পারে।
সরকারি তদারকির মাধ্যমে প্রি-স্কুল পাঠ্যবই থেকে (প্রয়োজন হলে সিলেবাস করে দেওয়া যেতে পারে) প্রশ্নপত্র তৈরি করে বিভিন্ন স্কুলে সরবরাহ করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। আসনসংখ্যার বেশি পরীক্ষার্থী শতভাগ নম্বরপ্রাপ্ত হলে লটারির মাধ্যমে সিলেকশন করা যেতে পারে।
হলিক্রস স্কুলের মতো প্রথম শ্রেণীর ভর্তির জন্য অনেক বড় বা বেশি ছোট পরীক্ষার্থীদের বাদ দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের নিয়ে ছোট ছোট কমিটি করে প্রিলিমিনারি সিলেকশন করে লটারির মাধ্যমে প্রয়োজনীয়সংখ্যক আসন পূরণ করা যেতে পারে।
মো. শামসুল হক, মিরপুর, ঢাকা।
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে
পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইল: obhimot@prothom-alo.info
এ বছর আবার এপ্রিলের শুরু থেকে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনার ঘোষণা প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা মহলে প্রতিবাদ উঠল। স্কুলগামী শিশুদের অভিভাবক, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মরত মানুষসহ নানা মহল থেকে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা হলো। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও এর বিরুদ্ধে অনেক লেখালেখি চলল। এসবের মধ্য দিয়ে একটি বিষয় ফুটে ওঠে। সেটা হলো: আমরা সহজে কিছু বদল করতে চাই না, চিরাচরিত অভ্যাসের ওপর আমাদের নির্ভরতা প্রায় অনড়। ইউরোপের অনেক দেশে বছরে দুবার একদমই বিনা আওয়াজে, অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে যে কাজটি সব মানুষ করে থাকে (ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনা ও পিছিয়ে দেওয়া), আমাদের দেশে সেটি নিয়ে এত জটিলতা, এত ঝামেলার কারণ হলো আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রবণতার ওই অনড়তা। আমরা যেন ধরেই নিয়েছি, ঘড়ির কাঁটা স্থির করে দিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা; এর নড়চড় করা চলবে না।
এ রকমই যদি হয় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনমত, তাহলে আর কী করা! গণতন্ত্রে জনমতের চেয়ে বড় কিছু নেই। সরকারকে ধন্যবাদ এ জন্য যে, জনমতকে উপেক্ষা না করে বরং জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত থেকে তারা সরে এসেছে। জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার গুরুত্ব অনেক। নির্বাচনে প্রচুর ভোট পেয়ে যাঁরা সরকার গঠন করেন, তাঁরা সাধারণত মনে করেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট তাঁরা পেয়ে গেছেন, এখন নিজেদের ইচ্ছামতো যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নতুন করে জনমত যাচাই করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আসলে তা ঠিক নয়। সরকারের বড় বড় সিদ্ধান্তের প্রতি অধিকাংশ মানুষের সমর্থন আছে কি নেই, তা যাচাই করা এবং সে অনুযায়ী বিচার-বিবেচনা করে চলাই একটি গণতান্ত্রিক সরকারের সঠিক আচরণ। অনেক সময় সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষগুলো এ রকম রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করে যে, সরকার সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে, একবার এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, পরে তার উল্টো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এসব কথা বলা হয় রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে। সে জন্য সরকারও নিজের নেওয়া সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অনড় থাকতে চায়, ব্যাপক প্রতিবাদ সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারতপক্ষে চায় না।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের বিষয়ে রাজনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বা সরকারের মুখরক্ষার বিষয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে জনমতকে। এটা খুব ভালো একটা লক্ষণ। সরকারের পথচলা অনেক সহজ, জটিলতামুক্ত ও গণমুখী হয়ে উঠতে পারে জনমতকে সঙ্গে নিয়ে চলার এই নীতি অনুসরণ করলে। সোমবারের মন্ত্রিসভার একই বৈঠকে এ রকম আরও একটি ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন করে বৈদ্যুতিক খুঁটি কেনা ও পোঁতা নিষিদ্ধ করেছেন। আগের দিন প্রথম আলোয় এ সম্পর্কিত একটি সচিত্র প্রতিবেদনের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকৃষ্ট হওয়ার সুফল এটি। ওই খবরে প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর কাছে কৈয়ফিতও চেয়েছেন। সংবাদমাধ্যমে জনমতেরই প্রতিফলন ঘটে। জনমতকে গুরুত্ব দিলে, শ্রদ্ধা করলে সরকারের ভুলভ্রান্তি কম হবে; সব ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত মাত্রায় সাফল্য অর্জন না করলেও জনগণের মনে হবে, সরকার অন্ততপক্ষে তাদের কথা শোনার চেষ্টা করছে। এই নীতিই হোক সরকারের বাকি মেয়াদের পাথেয়।
আহমেদ তারিক, শ্যামলী, ঢাকা।
বেকারদের সঙ্গে প্রতারণা?
পড়াশোনা শেষ করে চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে ঘুরতে হচ্ছে, আর আত্মীয়স্বজনকে বলতে হচ্ছে, ‘ভাই, বেকার আছি। একটা চাকরি দেন না।’ এই কথাটি কতজনকে যে বলা হয় তার আর হিসাব নেই। এই বেকারদের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল করে কিছু প্রতিষ্ঠান।
কিছু ব্যাংক, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ কিছু প্রতিষ্ঠান দু-একটি পদে লোক নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে। সে জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার জমা দিতে বলে। কিছু বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাডহক ভিত্তিতে কর্মরতদের চাকরি স্থায়ী করার জন্যও বিজ্ঞাপন দেয়। কিছু প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আর পরীক্ষার জন্য ডাকে না। অনেক প্রতিষ্ঠান টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। তাদের অফিস আর খুঁজে পাওয়া যায় না। অনেক প্রতিষ্ঠান জিপিও বক্সের নম্বর দিয়ে আবেদনপত্র আহ্বান করে।
এ ছাড়া অনেকভাবে টাকা-পয়সা খরচ হয়। সকল সনদপত্রের ফটোকপি করতে হয়, ছবি তুলতে হয়, কুরিয়ার বা ডাকযোগে আবেদনপত্র পাঠাতে টাকা খরচ হয়। এত কষ্টের পরও অনেক সময় ইন্টারভিউ কার্ড পাওয়া যায় না। আমার প্রশ্ন হলো, চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান কেন আবেদনপত্রের সঙ্গে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার আহ্বান করে। এটা কি তাদের ব্যবসা? অনেক বেকার ইন্টারভিউ কার্ড পেয়ে প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ঢাকা শহরে ইন্টাভিউ দিতে আসে নিজের টাকা খরচ করে।
বেকারদের নিয়ে আরেকটি প্রতারণার ফাঁদ হলো শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেওয়া হয় যোগ্যতাসম্পন্ন লোক যাতে শিক্ষক হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পান। লাখ লাখ বেকার লোক আবেদন করেন। সরকার এই পরীক্ষার জন্যও বেকারদের কাছ থেকে ব্যাংক ড্রাফট নেয়। এ পরীক্ষায় পাস করার পরও কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য আবার ইন্টারভিউ দিতে হয়।
টাকা হাতিয়ে নেওয়ার আরেকটি কৌশল হলো নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করার পর যে সনদপত্র দেওয়া হয় তার মেয়াদ পাঁচ বছর। এই সময়ের মধ্যে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ না পেলে সনদপত্রের কোনো গুরুত্ব থাকবে না। তাঁকে আবার নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হবে। এ নিয়মটা বাতিল করুন। সরকারের কাছে অনুরোধ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করে নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করা লোকদের চাকরির ব্যবস্থা করা হোক।
বিভিন্ন দেশে বেকারদের সরকার ভাতা দেয় আর আমাদের দেশে নতুন নতুন কৌশলের মাধ্যমে বেকারদের কাছ থেকে সরকারি ও অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টাকা হাতিয়ে নেয়। বেকারদের বেকারত্ব দূর করার জন্য সুন্দর পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য সরকারে কাছে আকুল আবেদন করছি।
মো. সোয়েব মেজবাহউদ্দিন
মাস্টার কটেজ, লালমোহন, ভোলা।
soyeb4@yahoo.com
বিদেশি শ্রমবাজারে সংকট
বাংলাদেশের শ্রমবাজারের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি বলে প্রচুরসংখ্যক মানুষ জীবিকার তাগিদে বিদেশে যায়। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ওমান ও সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য দেশে এ দেশের অনেক মানুষ কর্মরত। কয়েক মাস ধরে এসব দেশে শ্রমিক ছাঁটাই চলছে, নতুন শ্রমিক নিয়োগও কমে গেছে। বৈশ্বিক মন্দার পাশাপাশি ওসব দেশের স্থানীয় লোকদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর ফলেও বিদেশি শ্রমিক ছাঁটাই চলছে। এক যুগ আগে উপসাগরীয় দেশগুলো সিদ্ধান্ত নেয় একটি দেশে বিদেশি শ্রমিকের মোট সংখ্যা সে দেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের বেশি হবে না। এবং কোনো একটি দেশ থেকে আসা শ্রমিকের সংখ্যা মোট বিদেশি শ্রমিকের ১০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। ২০১৩ সালের মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলো এই লক্ষ্য অর্জনের সময়সীমা নির্ধারণ করে। এই নীতি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ারও অন্যতম ফলাফল সেসব দেশ থেকে বিদেশি শ্রমিকদের ছাঁটাই করা। উল্লেখ্য, ওই সব দেশে বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা ওই দেশগুলোর নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে গেছে। অতিরিক্ত ব্যক্তিরাই এখন চাকরি হারিয়ে স্বদেশে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছে।
বিদেশে কর্মসংস্থান থেকে জাতি উপকৃত হয়। বেকার সমস্যা কমে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। এখন বৈদেশিক কর্মসংস্থান সংকুচিত হলে জাতীয় অর্থনীতিতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাধ্য। এটা ঠেকাতে অতি দ্রুত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও কুয়েতে প্রতিনিধি পাঠাতে হবে। এসব দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসকেও যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। জনশক্তি রপ্তানির নতুন নতুন বাজার খুঁজতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যখন আইন করেই বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ কমিয়ে দিচ্ছে, তখন আমাদের শ্রমিক পাঠানোর জন্য বাজার খুঁজতে হবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে। এ কাজে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিশেষ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বিদেশে পাঠানোর আগে শ্রমিকদের ভাষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণসহ সেসব দেশের আইনকানুন, রীতিনীতি, সামাজিক প্রথা, মূল্যবোধ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন।
কাজী শেখ ফরিদ
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ময়মনসিংহ।
বিশ্ববিদ্যালয়টি খুলে দিন
১৩ মার্চ প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ছাত্রলীগের আন্দোলনে তিন মাস বন্ধ, ভর্তি পরীক্ষাও হচ্ছে না’ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী হিসেবে এ বিষয়ে কিছু লেখার জন্য কলম হাতে তুলে নিয়েছি।
আমাদের ক্যাম্পাস আজ ছাত্রলীগ নামধারী কিছু শিক্ষার্থীর হাতে জিম্মি। তারা আদৌ ছাত্রলীগের কর্মী কি না সে বিষয়টি আসলেই বিতর্কিত। কারণ, তাদের কাউকেই এর আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় আসার পর এরা মাথাচাড়া দেয় এবং ব্যক্তিগত স্বার্থোদ্ধারের লক্ষ্যে ছাত্রলীগের ব্যানার ব্যবহার করে। তাদের ‘উপাচার্য হঠাও’ আন্দোলনটি উদ্দেশ্যমূলক এবং তাদের ২১ দফা দাবির বেশির ভাগই অযৌক্তিক। ২১ দফা দাবি নিয়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার পর দাবি মেনে নেওয়ার সময় শেষ হওয়ার আগেই তারা আন্দোলনে নামে। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে, চাকরি ও অন্যান্য সুবিধার লোভ দেখিয়ে এবং অনেক সময় জোরপূর্বক এ আন্দোলনে ব্যবহার করে। আন্দোলনে ইন্ধনদানকারী ছাত্রলীগ নামধারী নেতাদের সবাই স্নাতক শেষ করে স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত। মূল ভুক্তভোগী হচ্ছে স্নাতক অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। একে তাঁরা তিন মাসের সেশনজটের শিকার, তার ওপর এবারের বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। এ ছাড়া শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভারতে ট্রেনিং কোর্সটিও এখন হুমকির মুখে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা সবাই অবিলম্বে ক্যাম্পাস খোলার পক্ষে। কিন্তু ছাত্রলীগ নামধারী ২০-২২ জন শিক্ষার্থী এখনো তাদের ব্যক্তি স্বার্থোদ্ধারে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভুক্তভোগী হওয়ার বিষয়টি ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের কেউই গুরুত্ব দিচ্ছে না।
এ প্রতিক্রিয়া লিখতে গিয়ে নিজেদের নাম প্রকাশেও আমরা ভয় পাচ্ছি। কারণ ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকার কাউকেই নিরাপদ বলে মনে হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, আর নির্বিকার না থেকে আমাদের দিকে তাকান। তিন মাসের সেশনজটে আমরা আমাদের স্বপ্নগুলো হারাতে বসেছি। দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।
বৈসাবি উৎসবে ছুটি
পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের প্রধান উৎসবগুলো হলো বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক। পুরোনো বছরের শেষ দিনটিকে মূল বিজু, তার আগের দিনকে ফুল বিজু এবং নতুন বছরের প্রথম দিনকে গোজ্যাপোজ্যা বিজু বলা হয়।
ব্রিটিশ আমলে বিজু উৎসব উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এক মাস ছুটি থাকত। তাই সে ছুটিকে বিজু বন্ধ বা বিজু উৎসব উপলক্ষে ছুটি বলা হতো।
পাকিস্তান হওয়ার পর সেটা কমিয়ে এক মাসের রমজানের ছুটি অর্থাৎ পবিত্র রোজা উপলক্ষে এক মাসের ছুটি চালু করা হয়। এ ছাড়া ব্রিটিশ আমলে পার্বত্য চট্টগ্রামে ডেপুটি কমিশনারের অফিস, কোর্ট-কাছারি এবং অন্যান্য অফিস ১০ দিন বন্ধ থাকত। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈসুক, সাংগ্রাই, বিজুকে কেন্দ্র করে অনন্ত ১০ দিন ছুটি ঘোষণা করা প্রয়োজন।
পাটটুরু টুরু চাঙমা
patturu969¦yahoo.com
স্বদেশপ্রেম ও রাজনীতি
১০ মার্চ প্রথম আলোয় ‘সাপ্তাহিক হালচাল’ কলামে আব্দুল কাইয়ুম সাহেবের লেখায় রাজনীতি সম্পর্কে একটি পর্যবেক্ষণ ছিল চমত্কার: ‘রাজনীতি যে এক ধরনের শিল্পকলা, মূর্ত রূপে সুন্দরের প্রকাশ ঘটানো, ক্ষমতা না থাকলে যে রাজনীতি চলে না। এ ব্যাপারে আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতারা সম্ভবত উদাসীন।’
আমার সাধারণ চিন্তায় রাজনীতি বলতে আমি যা বুঝি তা হলো পিছিয়ে পড়া সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা, সে জন্য সংগ্রাম করা। অন্যের উপকারে নিঃস্বার্থভাবে আত্মনিয়োগই হচ্ছে রাজনীতি। কিন্তু বর্তমানে অনেক রাজনীতিবিদের মধ্যে ত্যাগের বদলে ভোগের প্রবণতাই বেশি। এবং নিজের কল্যাণের স্বার্থেই তাঁরা ক্ষমতারধরদের গুণকীর্তনের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। আমার আম্মা প্রায়ই বলেন, ষাট ও সত্তরের দশকের রাজনীতিকেরা রাজনৈতিক দলের মূল আদর্শ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংগ্রাম করতেন। আমার পিতা কমান্ডেন্ট মানিক চৌধুরীর বক্তব্য শোনার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। ‘একদিন মুক্তিযুদ্ধের মূল্যায়ন হবে, মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন হবে।’ সালটা ছিল ১৯৯০, ১৬ ডিসেম্বর। কিন্তু বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর স্বপ্নের কথাগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে কাছ থেকে দেখতে পাব ভাবতেই অবাক লাগে। ‘সপ্তাহের হালচাল’ কলামে লেখক আব্দুল কাইয়ুম জাতীয় সংসদের নেতাদের বক্তব্য সম্পর্কে বাস্তব চিত্রই তুলে ধরেছেন। এখানে অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের চর্চার ক্ষেত্রটি এত ক্ষীণ যে তা আমাদের হতাশ করে।
রাস্তায় বের হলেই যানজটের মধ্যে বসে দেখতে পাই বড় বড় বিলবোর্ড, ব্যানার এবং তোরণ। এগুলোর লেখা পড়লে বোঝা যায়, দুঃখ বা আনন্দ প্রকাশ—উদ্দেশ্য যা-ই হোক না কেন, বড় উদ্দেশ্য নিজের চেহারার পরিচিতি। এ যেন বিজ্ঞাপনের এক ‘মহারাজনীতি’। কিন্তু সত্য কথা হলো, যাঁরা চেহারার রাজনীতি করার জন্য এ ধরনের ব্যয়বহুল বিলবোর্ড, ব্যানার, তোরণ তৈরি করেন, তাঁদের নিয়ে সংশয় থাকে সাধারণ মানুষের। কারণ, রাজনীতি সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, নিজের উন্নয়নের জন্য নয়।
কেয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ।
kchodhowry@gmail.com
প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির সমস্যা
আমার ছয় বছরের নাতনি এবার প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির জন্য পরীক্ষার্থী ছিল। এ কারণে ঢাকা শহরের অনেক নামীদামি স্কুলের ভর্তি-সংক্রান্ত আধুনিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হলো।
ক. বয়সের সঙ্গে সংগতি রেখে মেধার ধারাবাহিক বিকাশের মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও মনোবিজ্ঞানীদের দিয়ে কারিকুলাম, সিলেবাস ও পাঠ্যবই প্রস্তুত করা হয়। এ কাজে সরকারের বিপুল অর্থও ব্যয় হয়। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষাগুলো সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে তৃতীয় শ্রেণীর বা কোনো কোনো সময় আরও ওপরের শ্রেণীর সিলেবাস থেকে প্রথম শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন করা হচ্ছে (ভিকারুননিসা স্কুলের এ বছরের প্রশ্নপত্র)। শিশুদের ওপর কেন এ চাপ? এটা কি নৈতিক? এটা এক ধরনের অপরাধ নয় কি? নাকি কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যোগসাজশ—সেখানে যেতেই হবে?
খ. পরীক্ষার দিন লক্ষ করলাম, পরীক্ষার হলের প্রবেশপথে পরীক্ষার্থীর লাইনের চেয়ে কাঁঠালগাছের কাছে, দোলনার কাছে, বিভিন্ন জায়গায়, কোচিং সেন্টারগুলোর পরীক্ষার্থীর লাইন অনেক বড়। জানতে পারলাম, পরীক্ষার হলে কোনো আসনব্যবস্থা নেই। কোচিং সেন্টারের পরীক্ষার্থীরা যাতে একই কক্ষে বসতে পারে এবং নির্দিষ্ট ইনভিজিলেটর পেতে পারে, হয়তো বা তা নিশ্চিত করার জন্যই এ অভিনব পদ্ধতি। কোনো কোনো কোচিং সেন্টার তো ছাত্রদের একই কক্ষে বসানোর জন্য একসঙ্গে ফরম কেনে ও জমা দেয়।
গ. মণিপুর, আইডিয়াল ও ভিকারুননিসা স্কুলের মতো নামীদামি স্কুলে ভর্তি-বাণিজ্যের কথা আমরা ব্যাপক ও গণহারে শুনতে পাচ্ছি। এক স্কুলে তো নোটিশ দিয়ে ৫০ হাজার টাকা ডোনেশন চাওয়া হয়েছে। যুক্তি দেখানো হয়েছে বিল্ডিং না বানালে ছাত্ররা কোথায় বসবে? সুতরাং টাকা দরকার। আমরা তো কারও ওপর জোর করছি না। অতীতে অভিভাবকদের কাছ থেকে কোনো প্রকার ডোনেশন না দিয়েই এ স্কুলটি বর্তমানে দেশের সেরা অবস্থানে এসে থাকলে এখন ডোনেশন লাগছে কেন? এত বিল্ডিং, এত ছাত্র ভর্তিই বা কেন? অন্য এলাকায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে অসুবিধা কোথায়? ইব্রাহিমপুরে মণিপুর স্কুল, বনশ্রী ও আজিমপুরে ভিকারুননিসা ও বনশ্রীতে আইডিয়াল স্কুলের শাখা কেন? এটা কি ব্যবসা? নাকি শাখা স্কুল খুলে ঢাকা শহরের ভর্তি সমস্যার সমাধানের একক এজেন্সি নেওয়া?
ঘ. পরীক্ষার দিন প্রত্যক্ষদর্শীরা লক্ষ করেছে, ভিকারুননিসা স্কুলের চত্বর ও স্কুলসংলগ্ন রাস্তাগুলো বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের তিন-চার কালারের পোস্টার ও লিফলেটে ছেয়ে ছিল। এক-দেড় ইঞ্চি প্রচারপত্রের ওপর দিয়ে মানুষ জুতা পায়ে চলাচল করেছে। লাখ লাখ টাকার খেলা, অপচয় কিসের লোভে? কিসের জন্য কোচিং সেন্টারগুলো এত টাকা খরচ করতে সাহস পায়? অথচ হলিক্রস স্কুলের পরীক্ষার দিন একটি পোস্টারও দেখিনি। কারণ, সেখানে কোনো লিখিত পরীক্ষা নেই।
ঙ. দেড় ঘণ্টার পরীক্ষার জন্য সকাল আটটায় পরীক্ষার কক্ষে ঢুকিয়ে সাড়ে তিনটায় সর্বশেষ পরীক্ষার্থীকে বের করে দেওয়া হয়, যা কোমলমতি পরীক্ষার্থীদের ওপর জুলুম ও অমানবিক। এটি নিঃসন্দেহে স্কুলের কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও হটকারিতা। আজিমপুর সেকশনে তো তিনটি শিশু না পেয়ে অভিভাবকেরা থানায় খবর দেন এবং পরবর্তী সময়ে পরীক্ষার কক্ষ থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয় (পত্রিকায় প্রকাশিত খবর)।
শুধু প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির এ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি, অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি। সরকারি স্কুলগুলোর মতো ক্যাটাগরিভিত্তিক প্রি-স্কুলের পাঠ্যবই থেকে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিয়ে নির্দিষ্ট স্কুলে পরীক্ষার্থী সিলেকশন করা যেতে পারে।
সরকারি তদারকির মাধ্যমে প্রি-স্কুল পাঠ্যবই থেকে (প্রয়োজন হলে সিলেবাস করে দেওয়া যেতে পারে) প্রশ্নপত্র তৈরি করে বিভিন্ন স্কুলে সরবরাহ করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। আসনসংখ্যার বেশি পরীক্ষার্থী শতভাগ নম্বরপ্রাপ্ত হলে লটারির মাধ্যমে সিলেকশন করা যেতে পারে।
হলিক্রস স্কুলের মতো প্রথম শ্রেণীর ভর্তির জন্য অনেক বড় বা বেশি ছোট পরীক্ষার্থীদের বাদ দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের নিয়ে ছোট ছোট কমিটি করে প্রিলিমিনারি সিলেকশন করে লটারির মাধ্যমে প্রয়োজনীয়সংখ্যক আসন পূরণ করা যেতে পারে।
মো. শামসুল হক, মিরপুর, ঢাকা।
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে
পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইল: obhimot@prothom-alo.info
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 13
(124)
- অনলাইন আড্ডার হটসিটে এবার শখ by বিপুল হাসান
- এইদিনে-শেষের শুরু যেখানে by জাহীদ রেজা নূর
- স্বাধীনতা-বাঙালির রাষ্ট্র-সাধনা by মুহাম্মদ হাবিবু...
- ধর্ম-ইসলামে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব by মুহাম্মদ আব...
- তথ্যপ্রযুক্তি-ভয়েস ওভার আইপি উন্মুক্ত করে দিন by জ...
- সাদাসিধে কথা-স্বাধীনতার মাস: মার্চ মাস by মুহম্মদ ...
- জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন-অব্যাহত খুন, অব্যাহত...
- এখন প্রয়োজন সামনে এগিয়ে যাওয়া-মহান স্বাধীনতা দিবস
- চারদিক-শিবমন্দির হত্যাকাণ্ড by স্বপন কুমার দাস
- সমাবর্তন বক্তৃতা-আদর্শ পুরুষের নাম কৃষক by মুহাম্ম...
- শিক্ষানীতি-ধর্মীয় শিক্ষা ও ওমানের অভিজ্ঞতা by এস এ...
- অবক্ষয়-২০ ঘর মানুষ, একটি ধর্ষণ এবং অবিরত ‘ক্রসফায়া...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-পঁচিশের রাতে স্বাধীনতাযুদ্ধের সূচ...
- বড়দের জগতের অসহিষ্ণুতার প্রভাব নয় কি?-কিশোরদের সহি...
- জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে হবে-সংসদে মুলতবি প...
- চারদিক-তবে কি আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা নন? by দীপ্তি...
- কালের পুরাণ-প্রধানমন্ত্রীর নিরুত্তাপ চীন সফর by সো...
- অভিমত ভিন্নমত
- সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন-দলীয় লেজুড়বৃত্তি by মিজ...
- দূষিত পানিই যখন মহামারির ‘গণবিধ্বংসী’ উৎস-ডায়রিয়ায়...
- জনমতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে-সরকারের বাস্তবসম্মত সিদ...
- চারদিক-ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হলে by শিখ্তী সানী
- পার্বত্য জনপদ-এই চোখের জল: এই আতঙ্ক by সেলিনা হোসেন
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-সরকারের পদক্ষেপের ...
- মহাতীর্থের মহাস্নান-পুণ্য হবে সকল প্রাণ by তারাপদ ...
- বাঘা তেঁতুল-কেউ হাজতে আর কেউ হাসপাতালে by সৈয়দ আবু...
- অরণ্যে রোদন-এই মার্চ ওরা কীভাবে পালন করছে? by আনিস...
- মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?-সিলেটে কলেজশিক্ষক খুন
- নিরীহ গ্রাহকেরা যেন হয়রানির শিকার না হন-ভিওআইপির অ...
- চারদিক-হূদয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর by তাসবীর শাতিল
- ভারতে মাওবাদী বিদ্রোহ-অরণ্যে, কমরেডদের সঙ্গে by অর...
- টে লি ফো নে না গ রি ক ম ন্ত ব্য-শুধু মুঠোফোনের মাধ...
- বিলবোর্ড দুর্ঘটনা-কার্যকর বিকল্পের সন্ধানে by এ জে...
- মত দ্বিমত বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এক বছরেরও ...
- মত দ্বিমত বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এক বছরেরও ...
- সব ধর্ষককে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করুন-খিলগাঁও বিভীষিকা
- ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিবের আশ্বাসের বাস্তবায়ন দেখতে চ...
- চারদিক-শেখর, তুই কি শুনতে পাচ্ছিস? by খালেদা নেওয়াজ
- মাই নেম ইজ খান-‘ভালো’ এবং ‘খারাপ’ মুসলমান by সুমন ...
- আলু সংকট-কৃষকের ঘাড়ে কেন লোকসানের ভার by রানা ভিক্ষু
- পাহাড়ে সংঘাত-ভয়ের সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা পাহাড়ি শিশুদ...
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-এখন তদন্তকারী সংস্থা গঠনের দিকে ...
- বিশেষ সাক্ষাত্কার-তদন্তের ওপর নির্ভর করছে কাদের বি...
- ভরাট করা জায়গা উদ্ধার করতে হবে-পেট্রলপাম্প ও একটি ...
- সহযোগিতা ও মৈত্রী প্রসারিত হোক উন্নতির শর্তে-প্রধা...
- চারদিক-অংশ নিন ‘বাংলা ম্যারাথনে’ by সজল খালেদ
- রাজনৈতিক সংস্কৃতি-একজন চার্লস দ্য গলের অপেক্ষায় by...
- সিলেটের নাহার পুঞ্জি-চার হাজার গাছের জীবন বাঁচাতে ...
- আফগানিস্তান-আমি ক্রুদ্ধ কিন্তু হতাশ নই by মালালাই জয়া
- যুক্তি তর্ক গল্প-কতদূর এগোল নারী? by আবুল মোমেন
- গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নীতি-সহায়তা অপরিহার্য-কমে যাচ্ছে দ...
- কার্যবিধি সংশোধন করা হোক-কর্তৃত্বহীন উপজেলা পরিষদ নয়
- এইদিনে-বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হুরমত আলী by দীপংকর চন্দ
- উন্নয়ন-নির্বাচনী এলাকা উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার ও সংব...
- ধর্ম-দেশকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ by মুহাম্মদ আবদুল ম...
- দিল্লির চিঠি-ভগৎ সিংয়ের স্মৃতি by কুলদীপ নায়ার
- খোলা চোখে-একাত্তরের গণহত্যা ও ‘ক্ষমা প্রার্থনা’র র...
- কাশেম জুট মিল-মালিক-ঠিকাদার দ্বন্দ্বে পাটের গুদামে...
- ফেসবুক ভেঙে দিল সংসার by একরামুল হক
- বহদ্দারহাট থেকে এক কিলোমিটার-১০ মিনিটের পথ এক ঘণ্ট...
- কক্সবাজারে লোডশেডিং-হোটেল ব্যবসায় মন্দা হুমকিতে হ্...
- বিদ্যুতের কষ্ট আরও তিন মাস! by হামিদ উল্লাহ
- পাঠকের প্রশ্ন, আইনি পরামর্শ
- কোর্ট ম্যারেজের ভিত্তি কী? by তানজিম আল ইসলাম
- ‘স্পেনের মতো দল দেখিনি’
- কথামালা
- মেলবোর্ন সিডনিতে
- কী বলেন কী হয়!
- এই দিনে-মাকে পাঠানো আবিদের খুদে বার্তা by কাজী আবদ...
- শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধির বিপক্ষে বিজিএমইএ b...
- খালেদার জনসভায় যেতে বাধা ভাঙচুর আহত ২৫
- সাগর-রুনি হত্যায় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার জড়িত ...
- গ্যালাপের জরিপ-শেখ হাসিনার কাজে ৭৭% মানুষের আস্থা
- অরক্ষিত সংসদ এলাকা-স্পিকার বললেন, আইন মানেন না এমপ...
- আজ বিশ্ব মা দিবস-এই মায়েরা ভালো নেই by শরীফা বুলবুল
- মা by ইমদাদুল হক মিলন
- গার্মেন্ট শিল্পে অসন্তোষ-এই অশুভ তৎপরতা বন্ধ হোক
- প্রতিক্রিয়া-উপাচার্যকে না সরালে সমস্যার সমাধান নয় ...
- মত দ্বিমত-হিলারির সফর ইতিবাচক by শমসের মবিন চৌধুরী
- মত দ্বিমত-যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অংশীদারি উন্নয়ন by...
- প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অকার্যকর থাকার তদন্ত দরকার-না...
- কথা বলার দিন শেষ, এবার কার্যকর উদ্যোগ চাই-সড়কে আর ...
- সড়ক যেন জীবনসংহারী ফাঁদ-এ অবস্থার ব্যত্যয় প্রয়োজন
- পবিত্র কোরআনের আলো-যারা সত্য ও ন্যায়কে বুঝতে চায় ন...
- দারিদ্র্য ও ক্ষুধার রাজ্য সীমানাবিহীন by ড. আবু এন...
- আমরা কেন অসুস্থ হই by ড. মুনীরউদ্দিন আহমদ
- চরাচর-মা দিবস by বিশ্বজিৎ পাল বাবু
- একটি অভিমত ও বাংলাদেশের বাস্তবতা by তারেক শামসুর র...
- বৃত্তের ভেতরে বৃত্ত-আসছে বর্ষা বাড়ছে শঙ্কা by দেবব...
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- মিজানুর রহমান বললেন-রাষ্ট্র দুর্নীতির ব্যবস্থা করে...
- অবৈধ বাংলাদেশি সমস্যা-প্রতারকদের ঘাঁটি মালদ্বীপ, ঠ...
- কাপাসিয়ার জনসভায় খালেদা জিয়া-গুম-খুনের জন্য বিশেষ ...
- ড. ইউনূসের সমালোচনাকারীদের রফিক-উল হক-‘কত বড় বেকুব...
- গ্যালাপের জরিপ-শেখ হাসিনার প্রতি ৭৭ শতাংশ মানুষের ...
- বিদ্যুৎ-সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত by অরুণ কর্মকার
- সড়কে মৃত্যুর মিছিল-তদন্ত হয়, সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়...
- মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা by বিমলেন্দু হালদার
- সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ-হিলারি এলেন-গেলেন এবং যা শিখলাম...
- মা- একদিন প্রতিদিন by একরামুল হক শামীম
- এক্সপেরিমেন্ট অব্যাহত by এম আবদুল হাফিজ
- রম্য-খাচ্ছি কিন্তু গিলছি না by গওহার নঈম ওয়ারা
- এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল-সাংস্কৃতিক বিনিময়, সহযোগিতা ...
- নড়াইলের নদ-নদী-পানি নিয়ে নীতিমালা চাই
- সড়ক দুর্ঘটনা-প্রতিকারের জন্য আর কত অপেক্ষা?
- তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন ভাড়া by ইমরান পরশ
- কৃষকবান্ধব সরকারের প্রতি অনুরোধ by মোঃ আবদুল বাছেদ
- নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা by মেহেরুন নেছা রুমা
- শিক্ষার মান বাড়ূক by মুহাম্মদ নাজমুল হক
- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নির্ধারণ by এ এম এম ...
- আলুচাষিরা বিপাকে
- কচ্ছপগতি by শেখ রোকন
- ইথারে ভেসে আসা সেই কণ্ঠ... by মোনায়েম সরকার
- সমকালীন প্রসঙ্গ-রাজনীতিতে আবার অশনিসংকেত by এমএম করীম
- কালের আয়নায়-পাপ বাপকেও রেহাই দেয় না :চিলির দৃষ্টান...
- অনলাইনে দরপত্র-স্বচ্ছতার পথে শুভ উদ্যোগ
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিতর্ক-আলোচনার পথেই সমাধান খুঁজুন
- জীবন নিয়ে বাণিজ্য
- চরাচর-আর কত অত্যাচার সইবে মাটি? by মো. নূর-ই-আলম স...
- পবিত্র কোরআনের আলো-পৃথিবী ভর্তি স্বর্ণের বিনিময়েও ...
- অর্থমন্ত্রী কূটনীতিকদের যা বলেছিলেন
- ইতিউতি-পররাষ্ট্রীয় সম্পর্ক জাতীয়ভাবে বিবেচনার বিষয়...
- মুঠোফোনে নষ্ট হচ্ছে সামাজিক বন্ধন
- রাস্তায় বেপরোয়া কিশোর চালক by মোহসিন কবির
-
▼
May 13
(124)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment