Friday, January 6, 2012
মৃদুকণ্ঠ : মহাজোট সরকারের ৩ বছর-একনজরে তিন বছরের অর্থনীতি by খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
মৃদুকণ্ঠ : মহাজোট সরকারের ৩ বছর-একনজরে তিন বছরের অর্থনীতি by খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
অনেক ত্যাগ-বঞ্চনার পর ১৯৭২ সালে হিমালয় পরিমাণ আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ৪০ বছরের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। বছর ধরেই চলবে। আশা যখন কল্পনার ডানা মেলে অসীম শূন্যে উঠে যায়, তখন যৌক্তিক অর্জনের মধ্যেও অপ্রাপ্তি থেকে যায়। তবু ৪০ বছরের অর্জনকে অনেকেই আশাপ্রদ বলে মত রেখেছেন। কেউ কেউ আশাতীতও বলেছেন। আরো একটি প্রেক্ষিত এখন আলোচনায় এসেছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত
একটি গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে সন্ত্রাস, মানবাধিকার লঙ্ঘন, দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচার যেকোনো বিচারে সীমা অতিক্রম করেছিল। ফলে দুই বছর অগণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে চলতে হয়েছে। তারপর ২০০৮ সালের নির্বাচনে মোট ভোটারসংখ্যার ৮৭.১৬ শতাংশ মানুষ ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিয়ে ভোটবিপ্লব সাধন করেছিল। ভোটকে গণতান্ত্রিক অস্ত্রে পরিণত করার এমন দৃষ্টান্ত বিরল। এতদঞ্চলে এত অধিক হারে ভোটদানের নজির মেলে না। তিন-চতুর্থাংশ সংসদ-আসনে জয়ী হয়ে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে আওযামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করেছিল।
এই সরকারকে ক্ষমতাসীন করার পেছনে জনসমর্থন যেমন সুউচ্চ ছিল, তেমনি ক্ষমতারোহণলগ্নে জনগণের প্রত্যাশাও ছিল গগনচুম্বী। যেকোনো সরকারের জন্য এমন পরিস্থিতি একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। ২০১২ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মহাজোট সরকারের তিন বছর পূর্ণ হবে। তিন বছর আগের অবস্থার সঙ্গে আমরা মিলিয়ে দেখব বর্তমান অবস্থা, বিশেষ করে অর্থনীতির অঙ্গনের অবস্থা। অর্থনৈতিক স্বস্তি-অস্বস্তির বিষয়গুলো একনজরে দেখার চেষ্টা করা যাক।
স্মরণ করা যাক তিন বছর আগের বিদ্যুতের অবস্থার দিকে। চারদলীয় জোট সরকারের আমল থেকে প্রলম্বিত হয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর সময়েও বাংলাদেশে বিদ্যুতের অবস্থা ছিল মেঘাচ্ছন্ন আকাশে বিদ্যুৎ চমকের মতো। কয়েক সেকেন্ড বিদ্যুৎ চমকের পর যেমন ঘন মেঘের অন্ধকারে সব ঢেকে যায়, তেমনি ঢাকার অবস্থা ছিল এক ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের পর এক ঘণ্টা আলো। মফস্বলের অবস্থা আরো নাজুক। মফস্বল শহরগুলোতে দিনে দু-এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত। গ্রামগঞ্জে বিদ্যুতের কোনো খবর ছিল না। এমন অবস্থার মধ্যে ২০০৯ সালের গ্রীষ্মের আগমনের শুরুতেই ঢাকায় বিদ্যুতের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হলো পানির সংকট। পানির পাম্প চালানোর মতো বিদ্যুৎও ছিল না। জনস্মৃতি বড়ই স্বল্পজীবী। তবু স্মরণ করছি, ঢাকার মহল্লায় মহল্লায় কলসিমিছিল, হাঁড়ি-পাতিলের মিছিল, বাতির অভাবে সন্ধ্যায় মশাল মিছিল। বিরোধী দলকে তখন বেজায় খুশি মনে হয়েছিল। বিদ্যুৎ বেগেই বুঝি সরকার পড়ে যাবে। সরকারের অবস্থা নাজুক। আশার বাণী শোনানো দুষ্কর। স্বল্প সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ ছিল অসম্ভব। সরকার বলেছিল, দুই বছরে তারা আলো দেবে।
তিন বছর পর অবস্থা মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করা যাক। ঢাকায় এখন ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং হয় না। কখনো কখনো হলেও তা যৌক্তিক সীমার মধ্যে। মফস্বল শহরগুলোতে প্রায় অবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। এমনকি গ্রামগঞ্জে কুঁড়েঘরে, বাজার-দোকানে মিটমিট করে জ্বলছে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী বাল্ব। কৃষকরা সেচের সময় রাতের নির্দিষ্ট সময়ে অবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ পেয়ে থাকেন। তিন বছর আগের তুলনায় পরিবর্তনটা নাটকীয়। তিন বছর আগের লোডশেডিংয়ের জন্য বিক্ষোভ আর সরকারের মুণ্ডুপাত আমরা করেছিলাম।
এখন কি অভাবিত উন্নতির জন্য প্রশংসা করছি? আকাশ-মিডিয়া এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় তেমনটা চোখে পড়ে না। সভা-সেমিনারেও তো শুনি না। সরকারের কঠোর সমালোচক একজন তথাকথিত 'নিরপেক্ষবাদী' কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, 'বিদ্যুৎ সচল থাকবে, আলো জ্বলবে-এটাই তো স্বাভাবিক। এর জন্য প্রশংসা কেন? বিদ্যুৎ না থাকাটা অস্বাভাবিক, সেটা সমালোচনাযোগ্য।' অবশ্য চারদলীয় জোট আমলে যখন লোডশেডিং লেগেই থাকত, তখন তাঁর মুখ বা কলম থেকে এমন অমৃতবাণী বের হয়নি!
এ গেল মুদ্রার এক পিঠ। অন্য পিঠের চিত্র ভিন্ন। মাত্র দুই-আড়াই বছরে লোডশেডিং সামাল দিতে গিয়ে সরকার কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সংগ্রহ করেছে অত্যন্ত উচ্চমূল্যে। সরকারের তেল আমদানি-ব্যয় মেটাতে ব্যাংকঋণ বেড়ে গেছে, সাবসিডিও বৃদ্ধি পেয়েছে অসহনীয়ভাবে। এটি অর্থনীতিকে বিরাট ঝাঁকুনি দিয়েছে বলা যায়, এটিই অর্থনীতির বিষবৃক্ষ, যা থেকে জন্ম নিচ্ছে অনেক সমস্যা। তবে স্বল্প সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর বিকল্পও ছিল না। স্বাভাবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে বিদ্যুৎ পেতে কমপক্ষে পাঁচ বছর লাগত, যা সাধারণ মানুষ মেনে নিত না। তাই সরকারকে এ ধরনের ট্রেড অফ করতে হয়েছে।
জিডিপি বা জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির বহুল ব্যবহৃত পরিমাপক। ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সময়কালে (সেনা ও স্বৈরশাসক আমলে) বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.২ শতাংশ। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত (গণতান্ত্রিক ও তত্ত্বাবধায়ক আমলে) জাতীয় আয়ের গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছিল ৪.৫ শতাংশে। বর্তমান সরকারের আমলে গত তিন বছরে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ শতাংশের বেশি। জিডিপি সূচকে গত তিন বছরের অর্জন চমকপ্রদ। পূর্ববর্তী যেকোনো সরকারের আমলের চেয়ে বেশি।
সমসাময়িক সময়ে উপমহাদেশের রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে প্রতীয়মান হচ্ছে যে জাতীয় আয় প্রবৃদ্ধির হারের দিক থেকে এ অঞ্চলে একমাত্র ভারতের পর বাংলাদেশের অবস্থান। বর্তমান অর্থবছরে সমন্বয়ের পর ভারতের প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের আশেপাশে থাকবে। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ অর্জিত না হলেও ৬.৮ শতাংশের মতো থাকবে। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মালদ্বীপের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ওপরে। সর্বনিম্নে অবস্থান করছে পাকিস্তান, ৪ শতাংশ বৃদ্ধি টার্গেট পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে ৩.৭ শতাংশে, যা নেমে ৩.৫-এ দাঁড়াতে পারে।
মুদ্রাস্ফীতির উচ্চহার নিয়ে বিরূপ সমালোচনা তীব্র। হওয়ারও কথা। কারণ বাজারে গিয়ে যখন পকেটে টান পড়ে, তখন ক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক। তবে এ কথা মনে রাখতে হবে যে আমরা মঙ্গলগ্রহের বাসিন্দা নই। পৃথিবী নামক গ্রহেই বাংলাদেশের অবস্থান। অন্যান্য দেশের অবস্থা কেমন? ইউরোপের অনেক দেশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধিতে চলে গেছে। দূরের দেশের কথা বাদ দিই। পড়শী দেশগুলোর অবস্থা কেমন? এ উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতিতে অনেকটা সমপর্যায়ে রয়েছে। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মালদ্বীপের মুদ্রাস্ফীতি বাংলাদেশ ও ভারতের তুলনায় অনেক বেশি। পাকিস্তান ১৫ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে কাতরাচ্ছে। দেশে মুদ্রাস্ফীতির কষাঘাত তীব্র। তবে প্রতিবেশীদের চেয়ে আমরা অপেক্ষাকৃত কম কষ্টে আছি-এটুকু সান্ত্বনা তো নিতেই পারি।
দরিদ্র দেশে খাদ্যমূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেদনাদায়ক। বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম নয়। খাদ্যমূল্যস্ফীতির বেদনাকে অবদমিত রাখার প্রয়াস ও সাফল্য উল্লেখ করতেই হয়। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষক খাদ্যের জন্য বাজারনির্ভর ছিল না। স্ব-উৎপাদিত খাদ্যশস্যে ক্ষুণি্নবৃত্তি নিবারণ করেছে। খাদ্যমূল্যস্ফীতি কৃষককে আঘাত করেনি। বরং উচ্চমূল্যে উদ্বৃত্ত শস্য বিক্রি করে আয় বৃদ্ধি করেছে। দরিদ্র অকৃষকদের জন্য সরকার বাজারের চেয়ে অনেক কম মূল্যে খোলাবাজারে চাল বিক্রি করেছে অত্যন্ত সফলভাবে। সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে, সঠিক স্থানে এবং সঠিক টার্গেট গ্রুপের কাছে ন্যায্যমূল্যে চাল পেঁৗছে দেয়াটা ছিল একটা সার্থক প্রয়াস। সরকারি উদ্যোগে এমন সাফল্য কমই চোখে পড়ে। জমিতে অধিক ফলন এবং বাজারে সফল অপারেশন মিলে খাদ্যমূল্যস্ফীতির তীব্রতা প্রশমিত করতে পেরেছে দরিদ্র কৃষক এবং অকৃষক উভয় ধরনের দুর্বল জনগোষ্ঠীর মধ্যে। খাদ্যমূল্যস্ফীতি রোধে সক্ষম না হলেও এর উত্তাপ থেকে দুর্বল ভুক্তভোগীদের রক্ষা করার কৃতিত্ব সরকার পেতে পারে।
চারদলীয় জোট সরকারের শেষ বছরে অর্থাৎ ২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার। ২০১০-১১ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১.৬৫ বিলিয়ন ডলারে। ২০১১-১২ অর্থবছরে সাড়ে বারো বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০০৮-০৯ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২২.৪২ শতাংশ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১৩.৪০ শতাংশ। ইধংব বা ভিত্তি অনেক বেড়ে গেলে প্রবৃদ্ধির হার হ্রাসপ্রাপ্ত হয়, যদিও প্রবৃদ্ধি হয় সন্তোষজনক। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, অনেক মিডিয়ায় স্ফীত ভিত্তির ওপর 'প্রবৃদ্ধির হার' হ্রাস পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং প্রকৃত প্রবৃদ্ধির পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়নি।
২০০৬ সালে (চারদলীয় সরকারের শেষ সময়) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল পাঁচ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১১ সালের ডিসেম্বরে এসে দাঁড়িয়েছে ৯.৫ বিলিয়ন ডলারে। পাঁচ বছরে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। অথচ মিডিয়া রিপোর্টিংয়ে রিজার্ভ ১০ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে যাওয়ায় ক্রমাগত শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। ভাবখানা এমন যে রিজার্ভ আবার ওঠানামা করবে কেন? উপাত্ত যেমন হ্রাস-বৃদ্ধিযোগ্য, ফলাফলও তেমনি। রিজার্ভের বর্তমান অবস্থান অর্থনৈতিক বিচারে যথেষ্ট শক্তিশালী।
চারদলীয় সরকারের শেষ বছরে ২০০৬ সালে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ছিল ৪৮৭ মার্কিন ডলার। ২০১১ সালে এসে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৮১৮ ডলারে। বর্তমান সরকারের তিন বছর জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি নিরবচ্ছিন্নভাবে উচ্চমাত্রায় ছিল বলেই মাথাপিছু আয় এতটা সন্তোষজনক।
প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান সরকারের আরেক দিক পরিবর্তনকারী মাইলফলক সাফল্য হলো, আয়-বণ্টনব্যবস্থা। চার বছর আগে আয়-বণ্টন পরিমাপক গিনি কোয়েফিশিয়েন্ট একটি চরম বিষম বণ্টন ইঙ্গিত করত। আরো ভয়ংকর ছিল পূর্ববর্তী বছরগুলোতে গিনি কোয়েফিশিয়েন্টের ট্রেন্ড বা গতি-প্রকৃতি, যা ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী ছিল। অতি সাম্প্রতিককালে বৈষম্যের ক্রমবৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় ছেদ পড়েছে। গিনি কোয়েফিশিয়েন্ট ঘুরে দাঁড়িয়েছে, যদিও তা সামান্য। যার অর্থ হলো, বৈষম্যের ঊর্ধ্বগতি থেমে গেছে। বৈষম্যের সংকোচন এখনো প্রবলভাবে চোখে পড়ে না। তবে দৃষ্টি এড়ায়ও না। তিন বছর ধরে মঙ্গার কথা শোনা যায় না। অনাহারে মৃত্যুর খবর আসে না। বরং পল্লী এলাকায় আয়বৃদ্ধিসহ জীবন যাপনের মান বৃদ্ধি দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
গত ২০০৮ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে বছরে পাঁচ হাজার কোটি টাকার অধিক কৃষিতে ভর্তুকি দিয়েছে। গত বছর ১২ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী উল্লেখযোগ্য পরিমাণে স্ফীত করেছে। ফলে পল্লী এলাকায় অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে, ক্ষুদ্র মূলধন গড়ে উঠেছে। এ ছাড়া ১০ টাকার ব্যাংক হিসাব খোলাসহ কিছু সংস্কারকর্মের ফলে দুর্নীতি হ্রাস পেয়েছে, দক্ষতা বেড়েছে, সঞ্চয়প্রবণতা বিকশিত হচ্ছে, সর্বোপরি মৃতপ্রায় গ্রামীণ অর্থনীতি প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতির ক্রমবিকাশের মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয়বৈষম্য হ্রাস পাবে। বাংলাদেশ সত্যিকারভাবে একটি কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের পথে পরিচালিত হবে। গত তিন বছরে তেমন একটি সম্ভাবনার ক্ষীণ সূচনা দৃষ্ট হয়।
গত তিন বছরের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বড় অস্থিরতা এবং অব্যবস্থাপনা ঘটেছিল পুঁজিবাজারে। সেই সঙ্গে অপপ্রচারও হয়েছিল। বলা হয়েছিল যে ৩৩ লাখ বিও হিসাবধারী নাকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সর্বৈব মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে ১১.৮২ লাখ বিও অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে এবং অনেকেই লাভবান হয়েছেন। ব্যবসায় লাভ-লোকসান থাকে। কাজেই অনেকেই লোকসান গুনেছেন। লাভ-লোকসানের চেয়ে বড় কথা হলো, পুঁজিবাজারের দুর্বল এবং দুর্নীতিপরায়ণ ব্যবস্থাপনা। সেই সঙ্গে দুর্বলতার সুযোগে শক্ত অবস্থা করে নেওয়া জনাকয়েক ব্যক্তির একটি সিন্ডিকেট বা কার্টেল। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল তাদের প্রভাবাধীন। প্রাক-আইপিও ম্যানিপুলেশনের মধ্যে ছিল সম্পদের অধিমূল্যায়ন, অডিটরদের অনৈতিক নিরীক্ষা, 'কার্ব মার্কেটে' প্লেসমেন্ট ক্রয়-বিক্রয়, প্রভাবশালীদের মধ্যে প্লেসমেন্ট শেয়ার বণ্টনের মাধ্যমে দুর্নীতি বিস্তার, ডাইরেক্ট লিস্টিং, বুকবিল্ডিং প্রভৃতি। এ ছাড়া সিরিয়াল ট্রেডিং, ব্লক প্লেসমেন্ট, রিপিট আইপিও ইকুইটিতে লোন কনভার্শন, প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুতে অনিয়ম, ট্রিগার সেল, অমনিবাস অ্যাকাউন্টের অস্বচ্ছ লেনদেন প্রভৃতি উপায়ে পুঁজিবাজার হয়ে উঠেছিল অপ্রতিরোধ্য। ২০১০ সালের ক্রম-ঊর্ধ্বগতিকে বলা হয়েছিল সাবলীল বাজারশক্তি! মুখ থুবড়ে পড়ার পর সবার বোধোদয় হলো। এই হলো বাজারধসের পূর্বকথা।
সরকার এসইসি পুনর্গঠনসহ কিছু পদক্ষেপ নিলেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে-ক. পুঁজিবাজার পতনের নায়করা ঘোলাজলে এখনো মৎস্য শিকারে ব্যস্ত, তারা নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করে যাচ্ছে। খ. পুঁজিবাজারে বর্তমানে মূল সংকট তারল্য বা অর্থের অভাব নয়, আস্থার সংকটই প্রধান। গ. পুঁজিবাজার ধ্বংসের নায়করা কেউ কেউ ব্যক্তি খাতের ব্যাংকের মালিকানায় রয়েছে। তারা ব্যাংকিং সেক্টর থেকে আরো অর্থ বের করে গলাধঃকরণের চেষ্টায় লিপ্ত। ঘ. পুঁজিবাজার নষ্ট করার পর ব্যাংকিং খাত আঘাতপ্রাপ্ত হলে দেশের সার্বিক অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। ঙ. পুঁজিবাজারের খলনায়করা সরকারকে বোঝাচ্ছে যে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন 'অনুমাননির্ভর' বিধায় বাস্তবায়নযোগ্য নয়। অথচ ধারণা (চবৎপবঢ়ঃরড়হ) এবং অনুমান (ধংংঁসঢ়ঃরড়হ) সমার্থক শব্দ নয়। ধারণা বা পার্সেপশন গবেষণার স্বীকৃত রীতি। অনুমান তা নয়। চ. খলনায়করা সরকারকে বুঝিয়েছে যে তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী শাস্তি দিলে বাজারের পতন হবে। অথচ শাস্তি না দিয়েও বাজারের পতন ঠেকানো যাচ্ছে না। ছ. কর্তৃপক্ষ খলনায়কদের পরামর্শেই চলছে।
সাম্প্রতিককালে মার্কিন পুঁজিবাজারে এক শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড় বাজারে শেয়ারের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করেছিল। তার একমাত্র প্রমাণ ছিল, টেলিফোনে সে 'বাই' (ক্রয় করো) কথাটি উচ্চারণ করেছিল। বাক্যটি পূরণ বা ব্যাখ্যাও করেনি। ওই 'বাই' শব্দ উচ্চারণকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে তাকে ১১ বছর জেল দেওয়া হয়েছে। সে জেল খাটছে। বাংলাদেশে হলে কর্তৃপক্ষ বলত, 'বাই' অর্থ ক্রয় করো। কেক বা পেস্ট্রি ক্রয় করার কথাও তো হতে পারে। শেয়ার ক্রয়ের কথা তো বলেনি। অতএব 'অনুমাননির্ভর' কথার ওপর শাস্তি হয় না। পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ বাজারের জন্য সারা বিশ্বেই আইন ও তার প্রয়োগ কঠিন। বাংলাদেশে তা হয় না। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ কথা না বুঝলে, ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
সময়ের দাবি হলো, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা। মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা গ্যাম্বলার ও বড় খেলোয়াড়দের প্রভাবে চলে-এ ধারণার অবসান না হলে, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হবে না। হলেও আবার ভেঙে পড়বে। একজন আইনজীবী সন্ত্রাসী, ডাকাত-সবার সঙ্গে মিশতে পারেন। কিন্তু তিনি যখন বিচারপতির আসনে বসেন, তখন তিনি সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে যান। নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন। এসইসির কমিশন সদস্য ও চেয়ারম্যানের পদায়নের পর বাজার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে হবে। শক্তিশালী, পেশাদার, দক্ষ ও সৎ কমিশনই বাজারের আস্থা অর্জন করতে পারে। বোধোদয় ঘটলে, ২০১২ সালে বাজার স্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ পাবে।
লেখক : সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থনীতির বিশ্লেষক
এই সরকারকে ক্ষমতাসীন করার পেছনে জনসমর্থন যেমন সুউচ্চ ছিল, তেমনি ক্ষমতারোহণলগ্নে জনগণের প্রত্যাশাও ছিল গগনচুম্বী। যেকোনো সরকারের জন্য এমন পরিস্থিতি একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। ২০১২ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মহাজোট সরকারের তিন বছর পূর্ণ হবে। তিন বছর আগের অবস্থার সঙ্গে আমরা মিলিয়ে দেখব বর্তমান অবস্থা, বিশেষ করে অর্থনীতির অঙ্গনের অবস্থা। অর্থনৈতিক স্বস্তি-অস্বস্তির বিষয়গুলো একনজরে দেখার চেষ্টা করা যাক।
স্মরণ করা যাক তিন বছর আগের বিদ্যুতের অবস্থার দিকে। চারদলীয় জোট সরকারের আমল থেকে প্রলম্বিত হয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর সময়েও বাংলাদেশে বিদ্যুতের অবস্থা ছিল মেঘাচ্ছন্ন আকাশে বিদ্যুৎ চমকের মতো। কয়েক সেকেন্ড বিদ্যুৎ চমকের পর যেমন ঘন মেঘের অন্ধকারে সব ঢেকে যায়, তেমনি ঢাকার অবস্থা ছিল এক ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের পর এক ঘণ্টা আলো। মফস্বলের অবস্থা আরো নাজুক। মফস্বল শহরগুলোতে দিনে দু-এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত। গ্রামগঞ্জে বিদ্যুতের কোনো খবর ছিল না। এমন অবস্থার মধ্যে ২০০৯ সালের গ্রীষ্মের আগমনের শুরুতেই ঢাকায় বিদ্যুতের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হলো পানির সংকট। পানির পাম্প চালানোর মতো বিদ্যুৎও ছিল না। জনস্মৃতি বড়ই স্বল্পজীবী। তবু স্মরণ করছি, ঢাকার মহল্লায় মহল্লায় কলসিমিছিল, হাঁড়ি-পাতিলের মিছিল, বাতির অভাবে সন্ধ্যায় মশাল মিছিল। বিরোধী দলকে তখন বেজায় খুশি মনে হয়েছিল। বিদ্যুৎ বেগেই বুঝি সরকার পড়ে যাবে। সরকারের অবস্থা নাজুক। আশার বাণী শোনানো দুষ্কর। স্বল্প সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ ছিল অসম্ভব। সরকার বলেছিল, দুই বছরে তারা আলো দেবে।
তিন বছর পর অবস্থা মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করা যাক। ঢাকায় এখন ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং হয় না। কখনো কখনো হলেও তা যৌক্তিক সীমার মধ্যে। মফস্বল শহরগুলোতে প্রায় অবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। এমনকি গ্রামগঞ্জে কুঁড়েঘরে, বাজার-দোকানে মিটমিট করে জ্বলছে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী বাল্ব। কৃষকরা সেচের সময় রাতের নির্দিষ্ট সময়ে অবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ পেয়ে থাকেন। তিন বছর আগের তুলনায় পরিবর্তনটা নাটকীয়। তিন বছর আগের লোডশেডিংয়ের জন্য বিক্ষোভ আর সরকারের মুণ্ডুপাত আমরা করেছিলাম।
এখন কি অভাবিত উন্নতির জন্য প্রশংসা করছি? আকাশ-মিডিয়া এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় তেমনটা চোখে পড়ে না। সভা-সেমিনারেও তো শুনি না। সরকারের কঠোর সমালোচক একজন তথাকথিত 'নিরপেক্ষবাদী' কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, 'বিদ্যুৎ সচল থাকবে, আলো জ্বলবে-এটাই তো স্বাভাবিক। এর জন্য প্রশংসা কেন? বিদ্যুৎ না থাকাটা অস্বাভাবিক, সেটা সমালোচনাযোগ্য।' অবশ্য চারদলীয় জোট আমলে যখন লোডশেডিং লেগেই থাকত, তখন তাঁর মুখ বা কলম থেকে এমন অমৃতবাণী বের হয়নি!
এ গেল মুদ্রার এক পিঠ। অন্য পিঠের চিত্র ভিন্ন। মাত্র দুই-আড়াই বছরে লোডশেডিং সামাল দিতে গিয়ে সরকার কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সংগ্রহ করেছে অত্যন্ত উচ্চমূল্যে। সরকারের তেল আমদানি-ব্যয় মেটাতে ব্যাংকঋণ বেড়ে গেছে, সাবসিডিও বৃদ্ধি পেয়েছে অসহনীয়ভাবে। এটি অর্থনীতিকে বিরাট ঝাঁকুনি দিয়েছে বলা যায়, এটিই অর্থনীতির বিষবৃক্ষ, যা থেকে জন্ম নিচ্ছে অনেক সমস্যা। তবে স্বল্প সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর বিকল্পও ছিল না। স্বাভাবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে বিদ্যুৎ পেতে কমপক্ষে পাঁচ বছর লাগত, যা সাধারণ মানুষ মেনে নিত না। তাই সরকারকে এ ধরনের ট্রেড অফ করতে হয়েছে।
জিডিপি বা জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির বহুল ব্যবহৃত পরিমাপক। ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সময়কালে (সেনা ও স্বৈরশাসক আমলে) বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.২ শতাংশ। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত (গণতান্ত্রিক ও তত্ত্বাবধায়ক আমলে) জাতীয় আয়ের গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছিল ৪.৫ শতাংশে। বর্তমান সরকারের আমলে গত তিন বছরে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ শতাংশের বেশি। জিডিপি সূচকে গত তিন বছরের অর্জন চমকপ্রদ। পূর্ববর্তী যেকোনো সরকারের আমলের চেয়ে বেশি।
সমসাময়িক সময়ে উপমহাদেশের রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে প্রতীয়মান হচ্ছে যে জাতীয় আয় প্রবৃদ্ধির হারের দিক থেকে এ অঞ্চলে একমাত্র ভারতের পর বাংলাদেশের অবস্থান। বর্তমান অর্থবছরে সমন্বয়ের পর ভারতের প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের আশেপাশে থাকবে। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ অর্জিত না হলেও ৬.৮ শতাংশের মতো থাকবে। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মালদ্বীপের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ওপরে। সর্বনিম্নে অবস্থান করছে পাকিস্তান, ৪ শতাংশ বৃদ্ধি টার্গেট পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে ৩.৭ শতাংশে, যা নেমে ৩.৫-এ দাঁড়াতে পারে।
মুদ্রাস্ফীতির উচ্চহার নিয়ে বিরূপ সমালোচনা তীব্র। হওয়ারও কথা। কারণ বাজারে গিয়ে যখন পকেটে টান পড়ে, তখন ক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক। তবে এ কথা মনে রাখতে হবে যে আমরা মঙ্গলগ্রহের বাসিন্দা নই। পৃথিবী নামক গ্রহেই বাংলাদেশের অবস্থান। অন্যান্য দেশের অবস্থা কেমন? ইউরোপের অনেক দেশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধিতে চলে গেছে। দূরের দেশের কথা বাদ দিই। পড়শী দেশগুলোর অবস্থা কেমন? এ উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতিতে অনেকটা সমপর্যায়ে রয়েছে। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মালদ্বীপের মুদ্রাস্ফীতি বাংলাদেশ ও ভারতের তুলনায় অনেক বেশি। পাকিস্তান ১৫ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে কাতরাচ্ছে। দেশে মুদ্রাস্ফীতির কষাঘাত তীব্র। তবে প্রতিবেশীদের চেয়ে আমরা অপেক্ষাকৃত কম কষ্টে আছি-এটুকু সান্ত্বনা তো নিতেই পারি।
দরিদ্র দেশে খাদ্যমূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেদনাদায়ক। বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম নয়। খাদ্যমূল্যস্ফীতির বেদনাকে অবদমিত রাখার প্রয়াস ও সাফল্য উল্লেখ করতেই হয়। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষক খাদ্যের জন্য বাজারনির্ভর ছিল না। স্ব-উৎপাদিত খাদ্যশস্যে ক্ষুণি্নবৃত্তি নিবারণ করেছে। খাদ্যমূল্যস্ফীতি কৃষককে আঘাত করেনি। বরং উচ্চমূল্যে উদ্বৃত্ত শস্য বিক্রি করে আয় বৃদ্ধি করেছে। দরিদ্র অকৃষকদের জন্য সরকার বাজারের চেয়ে অনেক কম মূল্যে খোলাবাজারে চাল বিক্রি করেছে অত্যন্ত সফলভাবে। সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে, সঠিক স্থানে এবং সঠিক টার্গেট গ্রুপের কাছে ন্যায্যমূল্যে চাল পেঁৗছে দেয়াটা ছিল একটা সার্থক প্রয়াস। সরকারি উদ্যোগে এমন সাফল্য কমই চোখে পড়ে। জমিতে অধিক ফলন এবং বাজারে সফল অপারেশন মিলে খাদ্যমূল্যস্ফীতির তীব্রতা প্রশমিত করতে পেরেছে দরিদ্র কৃষক এবং অকৃষক উভয় ধরনের দুর্বল জনগোষ্ঠীর মধ্যে। খাদ্যমূল্যস্ফীতি রোধে সক্ষম না হলেও এর উত্তাপ থেকে দুর্বল ভুক্তভোগীদের রক্ষা করার কৃতিত্ব সরকার পেতে পারে।
চারদলীয় জোট সরকারের শেষ বছরে অর্থাৎ ২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার। ২০১০-১১ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১.৬৫ বিলিয়ন ডলারে। ২০১১-১২ অর্থবছরে সাড়ে বারো বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০০৮-০৯ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২২.৪২ শতাংশ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১৩.৪০ শতাংশ। ইধংব বা ভিত্তি অনেক বেড়ে গেলে প্রবৃদ্ধির হার হ্রাসপ্রাপ্ত হয়, যদিও প্রবৃদ্ধি হয় সন্তোষজনক। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, অনেক মিডিয়ায় স্ফীত ভিত্তির ওপর 'প্রবৃদ্ধির হার' হ্রাস পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং প্রকৃত প্রবৃদ্ধির পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়নি।
২০০৬ সালে (চারদলীয় সরকারের শেষ সময়) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল পাঁচ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১১ সালের ডিসেম্বরে এসে দাঁড়িয়েছে ৯.৫ বিলিয়ন ডলারে। পাঁচ বছরে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। অথচ মিডিয়া রিপোর্টিংয়ে রিজার্ভ ১০ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে যাওয়ায় ক্রমাগত শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। ভাবখানা এমন যে রিজার্ভ আবার ওঠানামা করবে কেন? উপাত্ত যেমন হ্রাস-বৃদ্ধিযোগ্য, ফলাফলও তেমনি। রিজার্ভের বর্তমান অবস্থান অর্থনৈতিক বিচারে যথেষ্ট শক্তিশালী।
চারদলীয় সরকারের শেষ বছরে ২০০৬ সালে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ছিল ৪৮৭ মার্কিন ডলার। ২০১১ সালে এসে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৮১৮ ডলারে। বর্তমান সরকারের তিন বছর জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি নিরবচ্ছিন্নভাবে উচ্চমাত্রায় ছিল বলেই মাথাপিছু আয় এতটা সন্তোষজনক।
প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান সরকারের আরেক দিক পরিবর্তনকারী মাইলফলক সাফল্য হলো, আয়-বণ্টনব্যবস্থা। চার বছর আগে আয়-বণ্টন পরিমাপক গিনি কোয়েফিশিয়েন্ট একটি চরম বিষম বণ্টন ইঙ্গিত করত। আরো ভয়ংকর ছিল পূর্ববর্তী বছরগুলোতে গিনি কোয়েফিশিয়েন্টের ট্রেন্ড বা গতি-প্রকৃতি, যা ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী ছিল। অতি সাম্প্রতিককালে বৈষম্যের ক্রমবৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় ছেদ পড়েছে। গিনি কোয়েফিশিয়েন্ট ঘুরে দাঁড়িয়েছে, যদিও তা সামান্য। যার অর্থ হলো, বৈষম্যের ঊর্ধ্বগতি থেমে গেছে। বৈষম্যের সংকোচন এখনো প্রবলভাবে চোখে পড়ে না। তবে দৃষ্টি এড়ায়ও না। তিন বছর ধরে মঙ্গার কথা শোনা যায় না। অনাহারে মৃত্যুর খবর আসে না। বরং পল্লী এলাকায় আয়বৃদ্ধিসহ জীবন যাপনের মান বৃদ্ধি দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
গত ২০০৮ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে বছরে পাঁচ হাজার কোটি টাকার অধিক কৃষিতে ভর্তুকি দিয়েছে। গত বছর ১২ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করেছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী উল্লেখযোগ্য পরিমাণে স্ফীত করেছে। ফলে পল্লী এলাকায় অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে, ক্ষুদ্র মূলধন গড়ে উঠেছে। এ ছাড়া ১০ টাকার ব্যাংক হিসাব খোলাসহ কিছু সংস্কারকর্মের ফলে দুর্নীতি হ্রাস পেয়েছে, দক্ষতা বেড়েছে, সঞ্চয়প্রবণতা বিকশিত হচ্ছে, সর্বোপরি মৃতপ্রায় গ্রামীণ অর্থনীতি প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতির ক্রমবিকাশের মাধ্যমে ধীরে ধীরে আয়বৈষম্য হ্রাস পাবে। বাংলাদেশ সত্যিকারভাবে একটি কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের পথে পরিচালিত হবে। গত তিন বছরে তেমন একটি সম্ভাবনার ক্ষীণ সূচনা দৃষ্ট হয়।
গত তিন বছরের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বড় অস্থিরতা এবং অব্যবস্থাপনা ঘটেছিল পুঁজিবাজারে। সেই সঙ্গে অপপ্রচারও হয়েছিল। বলা হয়েছিল যে ৩৩ লাখ বিও হিসাবধারী নাকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সর্বৈব মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে ১১.৮২ লাখ বিও অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে এবং অনেকেই লাভবান হয়েছেন। ব্যবসায় লাভ-লোকসান থাকে। কাজেই অনেকেই লোকসান গুনেছেন। লাভ-লোকসানের চেয়ে বড় কথা হলো, পুঁজিবাজারের দুর্বল এবং দুর্নীতিপরায়ণ ব্যবস্থাপনা। সেই সঙ্গে দুর্বলতার সুযোগে শক্ত অবস্থা করে নেওয়া জনাকয়েক ব্যক্তির একটি সিন্ডিকেট বা কার্টেল। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল তাদের প্রভাবাধীন। প্রাক-আইপিও ম্যানিপুলেশনের মধ্যে ছিল সম্পদের অধিমূল্যায়ন, অডিটরদের অনৈতিক নিরীক্ষা, 'কার্ব মার্কেটে' প্লেসমেন্ট ক্রয়-বিক্রয়, প্রভাবশালীদের মধ্যে প্লেসমেন্ট শেয়ার বণ্টনের মাধ্যমে দুর্নীতি বিস্তার, ডাইরেক্ট লিস্টিং, বুকবিল্ডিং প্রভৃতি। এ ছাড়া সিরিয়াল ট্রেডিং, ব্লক প্লেসমেন্ট, রিপিট আইপিও ইকুইটিতে লোন কনভার্শন, প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুতে অনিয়ম, ট্রিগার সেল, অমনিবাস অ্যাকাউন্টের অস্বচ্ছ লেনদেন প্রভৃতি উপায়ে পুঁজিবাজার হয়ে উঠেছিল অপ্রতিরোধ্য। ২০১০ সালের ক্রম-ঊর্ধ্বগতিকে বলা হয়েছিল সাবলীল বাজারশক্তি! মুখ থুবড়ে পড়ার পর সবার বোধোদয় হলো। এই হলো বাজারধসের পূর্বকথা।
সরকার এসইসি পুনর্গঠনসহ কিছু পদক্ষেপ নিলেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে-ক. পুঁজিবাজার পতনের নায়করা ঘোলাজলে এখনো মৎস্য শিকারে ব্যস্ত, তারা নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করে যাচ্ছে। খ. পুঁজিবাজারে বর্তমানে মূল সংকট তারল্য বা অর্থের অভাব নয়, আস্থার সংকটই প্রধান। গ. পুঁজিবাজার ধ্বংসের নায়করা কেউ কেউ ব্যক্তি খাতের ব্যাংকের মালিকানায় রয়েছে। তারা ব্যাংকিং সেক্টর থেকে আরো অর্থ বের করে গলাধঃকরণের চেষ্টায় লিপ্ত। ঘ. পুঁজিবাজার নষ্ট করার পর ব্যাংকিং খাত আঘাতপ্রাপ্ত হলে দেশের সার্বিক অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। ঙ. পুঁজিবাজারের খলনায়করা সরকারকে বোঝাচ্ছে যে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন 'অনুমাননির্ভর' বিধায় বাস্তবায়নযোগ্য নয়। অথচ ধারণা (চবৎপবঢ়ঃরড়হ) এবং অনুমান (ধংংঁসঢ়ঃরড়হ) সমার্থক শব্দ নয়। ধারণা বা পার্সেপশন গবেষণার স্বীকৃত রীতি। অনুমান তা নয়। চ. খলনায়করা সরকারকে বুঝিয়েছে যে তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী শাস্তি দিলে বাজারের পতন হবে। অথচ শাস্তি না দিয়েও বাজারের পতন ঠেকানো যাচ্ছে না। ছ. কর্তৃপক্ষ খলনায়কদের পরামর্শেই চলছে।
সাম্প্রতিককালে মার্কিন পুঁজিবাজারে এক শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড় বাজারে শেয়ারের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করেছিল। তার একমাত্র প্রমাণ ছিল, টেলিফোনে সে 'বাই' (ক্রয় করো) কথাটি উচ্চারণ করেছিল। বাক্যটি পূরণ বা ব্যাখ্যাও করেনি। ওই 'বাই' শব্দ উচ্চারণকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে তাকে ১১ বছর জেল দেওয়া হয়েছে। সে জেল খাটছে। বাংলাদেশে হলে কর্তৃপক্ষ বলত, 'বাই' অর্থ ক্রয় করো। কেক বা পেস্ট্রি ক্রয় করার কথাও তো হতে পারে। শেয়ার ক্রয়ের কথা তো বলেনি। অতএব 'অনুমাননির্ভর' কথার ওপর শাস্তি হয় না। পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ বাজারের জন্য সারা বিশ্বেই আইন ও তার প্রয়োগ কঠিন। বাংলাদেশে তা হয় না। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ কথা না বুঝলে, ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
সময়ের দাবি হলো, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা। মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা গ্যাম্বলার ও বড় খেলোয়াড়দের প্রভাবে চলে-এ ধারণার অবসান না হলে, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হবে না। হলেও আবার ভেঙে পড়বে। একজন আইনজীবী সন্ত্রাসী, ডাকাত-সবার সঙ্গে মিশতে পারেন। কিন্তু তিনি যখন বিচারপতির আসনে বসেন, তখন তিনি সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে যান। নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন। এসইসির কমিশন সদস্য ও চেয়ারম্যানের পদায়নের পর বাজার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে হবে। শক্তিশালী, পেশাদার, দক্ষ ও সৎ কমিশনই বাজারের আস্থা অর্জন করতে পারে। বোধোদয় ঘটলে, ২০১২ সালে বাজার স্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ পাবে।
লেখক : সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থনীতির বিশ্লেষক
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1390)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
January
(4234)
-
▼
Jan 06
(162)
- ভালোবাসা-কড়ি by সরসিজ আলীম
- বিদ্যুৎ সংকট-জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করুন
- অপরাহ উইনফ্রে আসছেন ভারতে
- শেয়ারবাজারে অস্থিরতা-ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্...
- মনিপুর টু জগন্নাথে শিক্ষার নামে গুণ্ডামি! by ফজলুল...
- নারায়ণগঞ্জ কেন কুমিল্লা হলো না? by মাকছুদুল আলম খন...
- স্মরণ-মানবতার মূর্ত প্রতীক ড. মহানামব্রত ব্রহ্মচারীজি
- সহজ-সরল-দেশ নিয়ে কি গর্ব করব না? by কনকচাঁপা
- ভালো পুলিশ, খারাপ পুলিশ এবং আমার ক্রিসমাস গিফট by ...
- কল্পকথার গল্প-রাজনীতি ও কয়েকটি ধার করা জোক by আলী...
- বাংলানিউজ অনলাইন আড্ডায় জয়া আহসানঃ ভিউয়ারদের তুমুল...
- কালান্তরের কড়চা-বিশ্ব রাজনীতিতে নারীতন্ত্রের কর্ত...
- যে নির্বাচনে হেরেছেন আমাদের দুই নেত্রী! by ফজলুল বারী
- বিশ্বের বিশ কোটি মানুষ মাদক সেবন করে
- তাদের ‘মানসম্মান’ আছে, লাজ-শরম নেই by সাইফুল্লাহ ম...
- ওবামার নতুন সামরিক কৌশল ইরান ও চীনের উত্থান ঠেকানো
- ইমরান খানের বিস্ময়কর উত্থান-প্লেবয় ক্রিকেটার থেকে ...
- ২০১২ :বিশ্বে সংঘাতের ক্ষেত্র
- জবিতে উন্নয়ন ফি নিয়ে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি
- আজ শুরু হচ্ছে ‘বাংলালিংক হাছন রাজা লোকোৎসব’
- নায়ক দেব খলনায়ক ফেরদৌস
- ভালবাসা দিবসে রিজিয়া
- ‘আমি সমাজের চতুর্থ আয়ের একজন মানুষ’
- বিশ্ব মাতাচ্ছে কোলাভেরি ডি
- গেরিলার পর জয়া আহসান
- রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় পরবর্তী রাউন্ডে
- সিটিসেল জাতীয় বাস্কেটবল
- জাতীয় হকি শুরু শনিবার
- কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনের দাবিতে স্...
- রেপো ও রিভার্স রেপোর সুদহার আরও বাড়াল কেন্দ্রীয় ব্...
- ক্লার্কের অপরাজিত ২৫১ রানের ইনিংসটি অস্ট্রেলিয়ার ক...
- পাকিস্তানিরাই জেতালো ভিক্টোরিয়াকে
- টানা দ্বিতীয় জয় আবাহনী মোহামেডানের
- মুনাফা অর্জনে ব্যাংকগুলো অনৈতিক ঝুঁকি নিচ্ছে
- মহসিন নাকি হোয়াটমোর, জানতে আরও ২ দিন
- প্রসাধনী পণ্যে নানা ছাড়
- খাদ্যকে ছাড়িয়ে গেছে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি
- দলকেই প্রাধান্য দিলেন ক্লার্ক
- সবার আগে দল
- নিউ ক্যাসেল’র কাছেও হারলো ম্যান ইউ
- অশোভন কোহলির জরিমানা
- বিশ্বরেকর্ডের প্রলোভন তুচ্ছ
- রাজারহাটে পাঠকজমিনের শীতবস্ত্র বিতরণ
- ইসলামী ব্যাংক রসুলপুর শাখায় সাংবাদিকদের মতবিনিময়
- রানে ফিরলেন আশরাফুল
- দুর্গাপুরে ১০ বাড়িতে হামলা
- বিয়ের আসর থেকে কনে উধাও
- এক বছরে শেয়ারধারী বিও একাউন্ট বেড়েছে ৭ লাখ
- সেঞ্চুরিতেই উত্তর মুশফিকের
- কয়লার দাম ১০ ডলার বাড়ালো ভারতের ব্যবসায়ীরা
- মাহমুদুর রহমানকে বিমানবন্দরে হয়রানি
- আসিফ যা বলেছিলেন-
- গোলাম আযমের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা অভিযোগ দাখিল
- সারের বস্তায় সিমেন্ট
- বখাটের উৎপাতে করিমগঞ্জে স্কুলে যেতে পারছে না ফারজানা
- ‘অভাবে নয় স্বভাবের কারণে চুরি করি’ -কোটিপতি চোর জয়...
- টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদ জানাতে সিলেট যাচ্...
- প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন চান ড. ইউনূস
- যুদ্ধাপরাধের বিচার রাজনৈতিক নয়
- জনতা ব্যাংকের দ্যা ব্যাংকার অ্যাওয়ার্ড লাভজনতা ব্য...
- বৃটেনে ফের আলোচনায় বাংলাদেশী প্রকৌশলী রাজিব
- সাফল্য ব্যর্থতার ৩ বছর
- অর্জন অনেক, জনমনে প্রত্যাশা আরও ছিল
- কৃষি ও শিক্ষায় পদক্ষেপ ছিল উজ্জ্বল
- সংঘাত এড়াতে না পারলে গৃহযুদ্ধ হতে পারে
- প্রথম দু’বছরের তুলনায় শেষ বছর ছিল নাজুক
- আড়াই বছরেও চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন নেই by সজল জাহিদ
- গাংনীতে অস্ত্রসহ চরমপন্থি আটক
- রাজারহাটে ছাত্রলীগ নেতা ভুলন গ্রেপ্তার
- অতিরিক্ত ওজনের কারণে খুনের দায় থেকে মুক্তি
- একজন বিএনপি নেতার মূল্যায়ন-কিছু সাফল্য থাকলেও ব্যর...
- ৭৭ বছর পর মা-মেয়ের মিলন
- যুক্তরাষ্ট্রকে ফের ইরানের হুমকি
- সান্টুরাম ও রমনির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
- কাতারে অফিস খুলবে তালেবান!
- ধর্ষণ মামলার বাদীর লাশ উদ্ধার
- বঙ্গবন্ধু সেতুর ৪ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত
- জাগছে আশা তবে...
- ত্রিপুরায় লোকনাট্যদল
- এবার এটিএন মিউজিক স্কুল
- সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বেকায়দায় জারদারি
- ধর্ষণের দায়ে ৮১ বছরের বৃদ্ধের যাবজ্জীবন
- আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয়-সাক্কু মেয়র নির...
- জাতির উদ্দেশে ভাষণে বিরোধী দলের প্রতি প্রধানমন্ত্র...
- সফলতা-ব্যর্থতা by শাহেদ চৌধুরী
- একে একে নিভে যাচ্ছে বাতি? by বিনায়ক সেন
- সমুদ্রে পৃথক সমাজ by মাহ্ফুজ রাহমান
- আগামীর আবিষ্কার by অর্পিতা নুজহাত
- ত থ্য বি চি ত্রা-দানবীয় ভাইপারফিশ
- র ঙ বে র ঙ-জিরাফের সঙ্গীতপ্রীতি
- ধর্মীয় চেতনাবোধ জাগ্রত জরুরি by মুফতি ইমরানুল বারী...
- বহুমাত্রিক প্রতিষ্ঠান মসজিদ by ফরহাদ জাকারিয়া
- কল্যাণময় জীবনের জন্য সুন্নত by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- হাছন রাজা লোক উৎসব by শামস শামীম
- ভারত-কংগ্রেস-মমতার রাজনৈতিক দ্বৈরথ by এম জে আকবর
- ধর নির্ভয় গান-নববর্ষে নবচেতনায় জাগ্রত হই সবে by আল...
- সাংবাদিক নিপীড়ন-আইনপ্রণেতা কি আইনের ঊর্ধে?
- সরকারের তিন বছর-সামনে অগি্নপরীক্ষা
- স্যামসন চৌধুরী আর নেই
- সরকারের তিন বছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্...
- জ্বর নিয়ে খেলেও মেসির জোড়া গোল
- ক্লার্কের আলোয় অদৃশ্য হাসি
- প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ-মিরপুরে মুশফিক-আলো
- নিজেই থেমে গেলেন ক্লার্ক
- বাণিজ্য মেলায় ভিড় বাড়ছে
- স্কয়ারের তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির দরপতন
- কমে গেছে মূল্যসূচক
- নুরুল মতিন স্মারক বক্তৃতায় মির্জ্জা আজিজ-ব্যাংক খা...
- বছর শেষে মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিম্নমুখী
- যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা-৪৫ হাজার কোটি ডলার সামরিক...
- কোনো সমস্যা হবে না: তেহরান-ইরানের তেলের ওপর নিষেধা...
- সমাজসেবায় কেট
- স্পাইডারম্যানের সুতা সত্যিই মিলবে!
- মিয়ানমার সফরে হেগ-পুরোপুরি গণতান্ত্রিক নির্বাচন দে...
- দাম কম, আলুতেও কৃষকের লোকসান
- ‘যে যেখানে আছি ভাই ময়মনসিংহ বিভাগ চাই’
- সংরক্ষিত বনের পাশে সাত ইটভাটা by আরিফুল হক
- ইউনান-বাংলাদেশ সংলাপে ঢাকা ঘোষণা গৃহীত
- মতবিনিময় সভায় যোগাযোগমন্ত্রী-নিম্নমানের চীনা বাস ক...
- নবায়নযোগ্য শক্তি মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য করে তুলত...
- নিখোঁজ পাঁচ জেলের একজনের লাশ উদ্ধার-রাঙামাটিতে সকা...
- অপঘাতে মৃত্যু-দ্রুত প্রতিকারের ব্যবস্থা নিন
- অতিরিক্ত ভর্তি ফি-অপরাধ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে
- চরাচর-সেই অন্নছত্র ট্রাস্ট by আলম শাইন
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৫৭)-অসাম্প্রদায়িক ওয়াহিদ...
- বাল্যবিবাহ : নারীর ক্ষমতায়নে বাধা by ড. এম আজিজুর ...
- মৃদুকণ্ঠ : মহাজোট সরকারের ৩ বছর-একনজরে তিন বছরের অ...
- বাজারে নতুন
-
▼
Jan 06
(162)
-
▼
January
(4234)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment