Friday, October 19, 2012
অমোঘ দাওয়াই by মো ইয়ান
অমোঘ দাওয়াই by মো ইয়ান
সেদিন বিকেলে সশস্ত্র কর্মী বাহিনীর লোকেরা মা কুইশানের সাদা চুনকাম করা বাড়ির দেয়ালে একটা নোটিশ টানিয়ে দিল, বাড়িটার মুখ রাস্তার দিকে; নোটিশে লেখা আগামীকাল সকালের মৃত্যুদণ্ডগুলো ওই একই জায়গায় হবে: জিয়াও নদীর ব্রিজের দক্ষিণ মাথায়।
সমস্ত শক্তসামর্থ্য গ্রামবাসীকেই যেতে হবে ওখানে। সে বছর এত বেশি মৃত্যুদণ্ড হয়েছে যে মানুষের আর ওসব নিয়ে বিশেষ আগ্রহ নেই, অতএব উপস্থিতি ‘বাধ্যতামূলক’ করে দেওয়া ছাড়া অন্য বিকল্পও নেই।
বাবা যখন মটরশুঁটির-তেলে জ্বলা বাতিটা জ্বালাতে উঠলেন, তখনো ঘরের ভেতরটা ঘন-কালো অন্ধকার। পুরু জ্যাকেটটা গায়ে চাপিয়ে তিনি আমাকে ডাকতে লাগলেন, কিন্তু এত বেশি ঠান্ডা যে গরম কম্বলের নিচে শুয়ে থাকা ছাড়া আমার আর কিছুই করার ইচ্ছা নেই। বাবা শেষমেশ আমার গরম কম্বল টান দিয়ে সরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘ওঠ, সশস্ত্র কর্মী বাহিনী তাদের কাজ শেষ করতে সময় লাগায় না। আমরা দেরি করলে, আমাদের সুযোগ শেষ।’
বাবার পেছন পেছন আমি গেট থেকে বের হলাম। দূরের আকাশে আলো ফুটছে। রাস্তা বরফশীতল আর ফাঁকা; উত্তর-পূর্ব থেকে আসা হাওয়া রাতের বেলায় সব ধুলো সাফ করে নিয়ে গেছে; ধূসর বড় রাস্তাটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। মা কুইশানের বাড়ির উঠোন পার হচ্ছি (সশস্ত্র কর্মী বাহিনীর লোকেরা ওই বাড়িতেই থাকে), জানালার একটা আলো দেখলাম, আর হাঁপরের আওয়াজ কানে এল আমাদের। বাবা নরম গলায় বললেন; ‘পা চালা। কর্মী বাহিনী নাশতা সারছে।’
বাবা আমাকে টেনে নিয়ে গেলেন নদীতীরের শেষ মাথা পর্যন্ত; ওখান থেকে আবছা দেখা যাচ্ছে পাথুরে ব্রিজটার কাঠামো; নদীর পানিতে বরফের টুকরো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম: ‘বাবা, আমরা লুকাব কোথায়?’
‘ব্রিজের নিচে।’
ব্রিজের নিচে কিছু নেই, ঘন অন্ধকার শুধু, বরফ জমে যাওয়ার মতো ঠান্ডার কথা না হয় নাই-ই বললাম। আমার মাথার খুলি টন টন করে উঠল, তাই বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আমার মাথা কেমন টন টন আর শির শির করছে কেন বাবা?’
‘আমারও করছে,’ বাবা বললেন। ‘ওরা এ জায়গাটায় এত বেশি মানুষ মেরেছে যে যারা অন্যায়ভাবে মারা পড়েছে, তাদের ভূতে ভর্তি এখানটা।’
ব্রিজের নিচের অন্ধকারের মধ্যে আমি কিছু লোমওয়ালা জন্তু-জানোয়ারের নড়াচড়া খেয়াল করলাম। ‘ওই যে ওরা!’ চিৎকার করে বললাম।
‘আরে না, ওরা ভূত না,’ বাবা বললেন, ‘ওগুলো লাশ খাওয়া কুকুর।’
আমি পেছনে সরতে লাগলাম, একসময় আমার পিঠ ঠেকল হাড্ডি পর্যন্ত ঠান্ডা করে দেওয়া ব্রিজের একটা পাইলিংয়ের গায়ে। আমার খালি মনে পড়ছে দাদির কথা, তাঁর চোখ দুটো ছানি জমে এমন ঝাপসা দৃষ্টি হয়ে গেছে যে তাঁকে অন্ধ বললেও ভুল হবে না।
বাবা তাঁর পাইপ জ্বালালেন, তামাকের সুগন্ধি আমাদের ঘিরে ধরল খানিক পরেই। আমার ঠোঁট জমে পাথর হয়ে যাচ্ছিল। ‘বাবা, আমি একটু বের হয়ে দৌড়াদৌড়ি করে শরীরটা গরম করে আসি? আমি তো জমে গেলাম।’
বাবার উত্তর এটুকুই: ‘দাঁত ঠকঠক করে শরীর গরম করো। ভোরের আলো লাল থাকা পর্যন্ত সশস্ত্র কর্মী বাহিনী বন্দীদের গুলি করে, সাদা হয়ে এলে আর করে না।’
‘আজ সকালে ওরা কাদের মারবে, বাবা?’
‘আমি জানি না,’ বাবা বললেন। ‘তবে জানতে আর বেশি সময় লাগবে না। খুব চাচ্ছি কমবয়সী কাউকে মারুক আজ।’
‘কেন?’
‘যত বয়স কম, তত শরীর-স্বাস্থ্য ভালো থাকে। ফল ভালো পাওয়া যাবে তা হলে।’
আমার আরও কিছু কথা জিজ্ঞেস করার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বাবা বুঝলাম প্রায় অধৈর্য হয়ে পড়েছেন। ‘আর কোনো প্রশ্ন না। আমরা এখানে যাই বলি, সব ওখানে ওপরে শোনা যায়।’
আমরা যখন কথা বলছি, আকাশের রং হয়ে উঠেছে মাছের পেটের মতো সাদা। গ্রামের কুকুরগুলো দল বেঁধেছে, জোরে ঘেউ ঘেউ করছে, কিন্তু তার ভেতর থেকেও ছাপিয়ে আসছে মহিলাদের বিলাপের ধ্বনি। বাবা আমাদের লুকানোর জায়গা থেকে বের হয়েছেন, একটুক্ষণের জন্য নদীর পাশে দাঁড়িয়ে কান খাড়া করে রেখেছেন গাঁয়ের দিকে। এবার আমার সত্যি ভয় পাওয়া শুরু হলো। পচা-মাংসখেকো কুকুরগুলো ব্রিজের নিচে ঘুরঘুর করছে, ওরা ক্রুব্ধ চোখে তাকিয়ে আমাকে দেখছে, মনে হয় যেন আমার সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিঁড়ে-খুঁড়ে ফেলবে। আমি জানি না, কোনো শক্তিবলে ওখান থেকে যত দ্রুত সম্ভব বের হওয়ার বদলে আমি ওখানেই আটকে থাকলাম। বাবা হামা দিয়ে ফিরে এলেন। ভোরের হালকা আলোয় আমি দেখলাম বাবার ঠোঁট কাঁপছে, কিন্তু বুঝতে পারলাম না তা ভয়ে নাকি ঠান্ডায়। ‘কিছু শুনতে পেলে বাবা?’ আমি জিজ্ঞেস করলাম।
‘চুপ থাক,’ ফিসফিস করে বললেন বাবা। ‘শিগগিরই ওরা এসে পড়বে। যাদের মারা হবে তাদের বাঁধাছাদা হচ্ছে শুনতে পেলাম।’
আমি বাবার খুব কাছে সরে গেলাম, আগাছার একটা ঝোপঝাড়ের ওপর বসলাম। কান খাড়া করে শুনলে গ্রামে রামশিঙা বাজার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, সেই শব্দের সঙ্গে মিশে আছে এক লোকের কর্কশ কণ্ঠস্বর: ‘গ্রামবাসী—মৃত্যুদণ্ড দেখার জন্য ব্রিজের দক্ষিণ মাথায় চলে যাও—অত্যাচারী জমিদার কুইশানকে গুলি করে মারা হবে—আরও গুলিতে মরবে তার বউ—গ্রামের পুতুল মোড়ল লুয়ান ফেঙশান—এ আদেশ সশস্ত্র কর্মী বাহিনীর প্রধান নেতা ঝাঙের—যারা যাবে না তাদের দালাল হিসেবে শাস্তি দেওয়া হবে।’
আমি বাবার নরম ক্ষুব্ধ গলায় অসন্তুষ্ট বিড়বিড়ানি শুনলাম: ‘ওরা মা কুইশানের সঙ্গে এটা করছে কেন? তাঁকে কেন গুলি করা হবে? সবাইকে মারলেও, তাঁকে তো মারা উচিত নয়।’
আমার মনে হলো, বাবাকে জিজ্ঞেস করি কেন তাঁদের মা কুইশানকে গুলি করা ভুল কাজ; কিন্তু আমি মুখ খুলতেও পারিনি, শুনলাম রাইফেলের একটা ঠা-ঠা শব্দ, একটা বুলেট শাঁ শব্দ করে দূরে গিয়ে পড়ল, দূরে ওপরে আকাশে কোথাও। এরপর শোনা গেল, আমাদের দিকে আসা ঘোড়ার খুরের আওয়াজ, একেবারে ব্রিজের মাথার দিকে যাচ্ছে ওটা; ব্রিজের ওপরে উঠতেই ঘোড়ার পায়ের এমন একটা শোরগোল হলো যেন কোনো ঘূর্ণিঝড় বয়ে যাচ্ছে। আমি আর বাবা আরও গুটিসুটি মেরে বসলাম; পাথরের ফাঁক দিয়ে সূর্যের রুপালি আলো ঢুকে পড়েছে; আমরা দুজনেই ভয়ে-আতঙ্কে বুঝতে পারছি না যে কী ঘটতে যাচ্ছে।
কে যেন হেঁটে রেলিংয়ের পাশে এল, ছর ছর করে ব্রিজের ওপর থেকে প্রস্রাব করতে লাগল। প্রস্রাবের কী কড়া, মাথা-ধরানো গন্ধ!
‘আসো, ফিরে যাই, ‘হাঁসের মতো প্যাকপ্যাক করে কথা বলে উঠল কে যেন। ‘মৃত্যুদণ্ডের সময় হয়ে এসেছে, চলো সবাই।’
বাবা আমাকে ফিসফিস করে জানালেন, হাঁসের মতো গলার ওই লোকটা সশস্ত্র কর্মী বাহিনীর প্রধান, তাঁকে জেলা প্রশাসন থেকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পার্টি থেকে বিশ্বাসঘাতক ধরে ধরে খতম করার জন্য; সবাই তাঁকে ডাকে নেতা ঝাঙ নামে।
পুবের আকাশে অনেক নিচুতে তুলো তুলো মেঘ ধীরে ভিড় করা শুরু করেছে; কিছুক্ষণের মধ্যে ওই মেঘগুলোও লাল-গোলাপি হয়ে উঠল। এতক্ষণে আমাদের চোখে পড়ল, আমরা যেখানে লুকিয়ে আছি সেখানকার মাটিতে কুকুরের বিষ্ঠার দলা বরফ হয়ে জমাট বেধে আছে, সেই সঙ্গে আরও আছে ছেঁড়া কিছু কাপড়চোপড়, মাথার চুলের গোছা, আর কুকুরের চুষে খাওয়া মানুষের মাথার খুলি। দেখতে এমন বীভৎস যে আমি অন্যদিকে তাকালাম। বাবার দিকে ঘুরলাম; তাঁর নিঃশ্বাসের সাদা ধোঁয়া দেখতে পাচ্ছি। সময় মনে হয় থেমে গেছে। তারপর বাবা একসময় বললেন, ‘এসে গেছে।’
ব্রিজের মাথায় মৃত্যুদণ্ডের দলটার আসাকে স্বাগত জানানো হলো ধাতবঘণ্টা বাজিয়ে, নীরব পা ফেলে দলটা পৌঁছাল। এরপরই গম্ভীর গলায় একজন চিৎকার করে উঠল: ‘নেতা ঝাঙ, নেতা ঝাঙ, আমি তো সারা জীবনে কোনো অন্যায় করিনি...।’
বাবা খুব আস্তে বললেন, ‘এটাই মা কুইশান।’
এবার আরেকটা গলা, এবারেরটা সাধারণ একটা কণ্ঠ আর আবেগে ফেটে পড়ছে: ‘নেতা ঝাঙ দয়া করো...। গ্রামের মোড়ল কে হবে তা লটারি করে ঠিক করা হয়েছিল; আমি মোড়ল হতে চাইনি...লটারি হয়েছিল; আমার কপাল খারাপ...। নেতা ঝাঙ, একটু দয়া দেখাও, আমার এই কুকুরের জীবনটার জন্য একটু রহম করো...। ঘরে আমার ৮০ বছরের বুড়ো মা, তাঁকে আমি ছাড়া কে দেখবে?
বাবা আবার ফিসফিস করে বললেন, ‘এটা লুয়ান ফেঙশান।’
এর পরে একটা তীক্ষ গলা শোনা গেল: ‘নেতা ঝাঙ, তুমি যখন আমাদের বাসায় এসে উঠলে, তোমাকে যত্ন করে খাইয়েছি আমি, সবচেয়ে ভালো ওয়াইনটা তোমাকে দিয়েছি। এমনকি আমার আঠারো বছরের মেয়েকে তোমার দরকারের জন্য তুলে দিয়েছি। নেতা ঝাঙ, তোমার দিলটা তো লোহা দিয়ে বানানো নয়, না কি?’
বাবা বললেন, ‘এটা মা কুইশানের বউ।’
সবশেষে আমি শুনলাম এক মহিলা ষাঁড়ের মতো গোঙাচ্ছেন: ‘উউ—লা-আহ—ইয়া—।’
বাবা ফিসফিসে স্বরেই জানালেন, ‘এটা লুয়ান ফেঙশানের বোবা বউ।’
একটা শান্ত, গা-ছাড়া ভঙ্গিতে নেতা ঝাঙ বলল, ‘তোমরা অযথা এ রকম অস্থির হচ্ছ কেন? তোমাদের গুলি করা হবেই। তাই বলছি চিৎকার চেঁচামেচি বন্ধ করো। একদিন না একদিন তো মরতে হবেই। তোমরা আগে মরলে বরঞ্চ আগে আগে পৃথিবীতে ফিরতে পারবে অন্য কেউ হয়ে।’
ঠিক তখনই মা কুইশান জোরে ভিড়ের উদ্দেশে চিৎকার করে উঠলেন, ‘হে গ্রামবাসী, বাচ্চা, বয়স্করা সবাই—আমি মা কুইশান কোনোদিন তোমাদের কোনো ক্ষতি করিনি। আমি চাইছি, তোমরা এখন আমাকে বাঁচানোর জন্য মুখ খোলো।’
অনেক লোকজন সশব্দে হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়ল, তারা মরিয়া হয়ে মিনতি জানাল, ‘দয়া করো নেতা ঝাঙ। ওদের মেরো না। ওরা ভালো লোক, ওরা সবাই ভালো...।’
কমবয়সী একটা পুরুষ কণ্ঠ ভেসে এল সব হই হট্টগোল ছাপিয়ে: ‘নেতা ঝাঙ, আমি বলি কী, এই চার কুত্তার বাচ্চাকে ব্রিজের ওপর কুকুরের ভঙ্গিতে বসতে বলি, তারপর একশবার ওরা আমাদের মাটিতে মাথা ছুঁইয়ে প্রণাম করুক, কেবল তার পরই আমরা ওদের কুত্তার জীবন ফিরিয়ে দিই। তুমি কী বলো নেতা?’
‘গাও রেনশান, বুদ্ধি বটে তোমার!’ নেতা ঝাঙ বিপজ্জনকভাবে খেঁকিয়ে উঠলেন। ‘তুমি বলতে চাইছো, আমি ঝাঙ কোনো প্রতিহিংসাপরায়ণ দানব? আমার মনে হয়, তুমি একটু বেশি দিন মিলিশিয়ার প্রধান ছিলে! যতসব! এই গ্রামবাসী, সব এখন উঠে দাঁড়াও। এই ঠান্ডার মধ্যে হাঁটু গেঁড়ে বসার দরকার নেই। আমাদের কথা পরিষ্কার। কেউ ওদের বাঁচাতে পারবে না, অতএব সবাই দাঁড়াও বলছি।’
‘পথ ছাড়ো, জায়গা করো!’ ব্রিজের মাথায় অনেক অল্পবয়স্ক ছেলেপেলে, মোটামুটি নিশ্চিত যে ওরা সবাই সশস্ত্র কর্মী বাহিনীর সদস্য, ব্রিজ থেকে হাঁটু গেঁড়ে বসা লোকজন সরাতে লাগল।
এবার মা কুইশান তাঁর আরজি জানাতে লাগলেন আকাশের দিকে: ‘ওই আকাশের বুড়ো, তুমি কি অন্ধ হয়ে গেছো? এই আমি, মা কুইশান, আমার সারা জীবনের ভালো কাজের ফল এই মাথায় বুলেট খেয়ে মরা? ঝাঙ কুদে, তুই শুয়োরের বাচ্চা, তোর মরণ বিছানায় হবে না রে, মনে রাখিস কথাটা। শুয়োরের বাচ্চা তুই—।’
‘গুলি চালাও!’ নেতা ঝাঙ ষাঁড়ের মতো গর্জে উঠল। ‘না কি তোমরা চাচ্ছো, ওর ওই সব বিষঝাড়া কথাবার্তা শুনতে থাকব আমরা?’
মাথার ওপর ব্রিজে আমরা দৌড়াদৌড়ির আওয়াজ শুনলাম। ‘হাঁটুর ওপর বসো!’ ব্রিজের দক্ষিণ মাথায় কে যেন বলল, ‘সবাই রাস্তা ছাড়ো, সবাই।’ ব্রিজের উত্তর মাথা থেকে একটা চিৎকার শুনলাম।
ঠা-ঠা-ঠা—তিনটা গুলির শব্দ।
গুলির বিস্ফোরণ আমার কান ফুটো করে ঢুকে গেল যেন, কানের ভেতরে এমন ধপ ধপ করতে লাগল যে মনে হলো আমি কালা হয়ে গেছি। একটা বড়, বিশাল মানুষের শরীর ধীরে ধীরে ব্রিজের ওপর থেকে গড়িয়ে নিচে পড়ল। স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ রক্তের সুতো বেরোচ্ছে ওটার মাথা থেকে।
আরও একবার ব্রিজের ওপর পায়ের শব্দ ছুটে গেল উত্তর থেকে দক্ষিণে, আরও একবার চিৎকার: ‘হাঁটুর ওপর বসো,’ দক্ষিণ মাথায় এই চিৎকার আর উত্তর মাথায় আরও একবার ‘সবাই রাস্তা ছাড়ো!’ তারপর আরও তিনটা গুলির আওয়াজ—লুয়ান ফেনশাঙের শরীরটা, মাথা টুপিছাড়া আর গায়ে পুরু একটা কোট, গড়িয়ে, নদীর তীরে পড়ল মাথা নিচমুখো হয়ে; প্রথমে ধাক্কা খেল মা কুইশানের শরীরে, তারপর গিয়ে পড়ল এক পাশে।
এটার পর সবকিছু অনেক সহজ হয়ে এল। আরও শোনা গেল, একগাদা গুলির আওয়াজ তার পর দুটো আলুথালু নারীদেহ নিচে গড়িয়ে পড়ার শব্দ ও দৃশ্য, তাদের হাত পা আকাশে উড়ছে, শেষে ভেঙেচুরে পড়ছে তাদের পুরুষদের গায়ের ওপরে।
আমি শক্ত করে বাবার হাত আঁকড়ে ধরলাম, আমার ফোমভরা পুরু প্যান্টে অনুভব করলাম গরম, ভেজা একটা জলের ধারা।
কমপক্ষে আধা ডজন মানুষ আমাদের ঠিক মাথার ওপর ব্রিজে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের বজ্রের মতো চিৎকারে কান বন্ধ হওয়ার জোগাড়: ‘লাশগুলো পরীক্ষা করে দেখব, নেতা?’
‘তার কী দরকার? ওদের ঘিলু তো সবখানে ছড়িয়ে পড়েছে। সবুজ পাথরের সম্রাট স্বয়ং নিচে নেমে এলেও এখন আর ওদের বাঁচাতে পারবে না।’
‘চলো সবাই যাই! বুড়ো গুওর বউ আমাদের জন্য মটরশুঁটি গাঁড়িয়ে দই বানিয়েছে। সেই দই আর তেলের পিঠা খাওয়া যাবে, চলো।’
তারা ব্রিজ পার হলো, উত্তর দিকে যাচ্ছে, তাদের পায়ের শব্দ শুনতে হিমবাহ গড়িয়ে যাওয়ার শব্দের মতো লাগছে। তারপর আবার সব শান্ত।
বাবা আমাকে কনুই দিয়ে গুঁতো দিলেন। ‘অপদার্থের মতো ওইখানে দাঁড়িয়ে থাকিস না। চল, কাজ সারি।’
আমি চারপাশে তাকালাম, কিন্তু বাবা কী বললেন কিছুই বুঝতে পারলাম না। আমার নিজের বাবাকে অচেনা লাগছে বলব না, কিন্তু তার কথার মাথামুণ্ডু কিছুই ধরতে পারছি না।
‘হাহ্?’ আমি শুধু একটুকুই বলতে পারলাম।
‘ভুলে গেছিস তুই?’ বাবা বললেন। ‘আমরা এখানে এসেছি তোর দাদির জন্য একটা ওষুধের খোঁজে। তাড়াতাড়ি করতে হবে, লাশ কাটতে আসা লোকেরা আসার আগেই কাজ শেষ করতে হবে।’
কথাগুলো কানের মধ্যে তখনো ঘুরপাক খাচ্ছে, আমি দেখলাম সাত-আটটা বুনো কুকুর, একেকটা যেন একেক রঙের, নদীর ওখান থেকে লম্বা ছায়া ফেলে পা টেনে টেনে আসছে এদিকে; আমাদের উদ্দেশেই ঘেউ ঘেউ করছে। বাবা কয়েকটা ইটের টুকরো তুলে কুকুরগুলোর দিকে ছুড়ে মারলেন। কুকুরগুলো তড়িঘড়ি ছুট লাগাল নানা দিকে। তারপর বাবা তাঁর কোটের পকেট থেকে বের করলেন একটা মাংস কাটার ছুরি, কুকুরগুলোকে ভয় দেখালেন ওটা নাড়িয়ে। তারপর কোমরের ফিতা শক্ত করে বাঁধলেন, হাতা গুটালেন জামার। ‘চারদিকে চোখ রাখিস,’ বললেন বাবা।
যেভাবে ইগল পাখি ঝাঁপিয়ে পড়ে শিকারের ওপর, সে রকম চটপট বাবা নারী শরীর দুটো টেনে সরালেন, তারপর মা কুইশানকে চিত করলেন। মা কুইশানের মুখোমুখি এখন বাবা। হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়লেন, মাটিতে মাথা ঠেকিয়ে মা কুইশানের শরীরকে প্রণাম জানালেন। ‘দ্বিতীয় প্রভু মা কুইশান,’ প্রার্থনার সুরে বাবা বললেন, ‘ভক্তি আর সন্তানসুলভ কাজেরও সীমা থাকে। আমি যা করছি তা নিজের অপছন্দেই করছি।’
দেখলাম মা কুইশানের শরীরটা যেন একটু নড়ে উঠল। একটা হাত তুলে রক্তমাখা মুখ মুছলেন। ‘ঝাঙ কুদে,’ অস্ফুট উচ্চারণ। মনে হলো হালকা এক হাসির রেখা দেখলাম তাঁর চেহারায়, ‘নিজের বিছানায় তোর মরণ হবে না।’
বাবা চেষ্টা করলেন এক হাত দিয়েই মা কুইশানের চামড়ার কোটটার বোতামগুলো খুলতে, কিন্তু অতিরিক্ত কাঁপুনিতে ব্যাপারটা সামলাতে পারলেন না। ‘এই ছেলে,’ আমি তাকে বলতে শুনলাম ‘ছুরিটা ধর আমার জন্য।’
আমার মনে আছে, আমি ছুরি ধরার জন্য এগিয়ে গেছি, কিন্তু তার আগেই ছুরিটা বাবা দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে মা কুইশানের বুকের ওপরের হলুদ বোতামগুলো খোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। গোল, সোনালি হলুদ, শিম বিচির মতো বড় বড় বোতাম, ওগুলোকে ঘিরে থাকা ফিতাগুলো থেকে টেনে খোলা সোজা ব্যাপার নয়। আরও অধৈর্য হয়ে বাবা এবার ওগুলো পোঁচ দিয়ে ছিঁড়ে ফেললেন, ঝাঁকি দিয়ে কোটটা খুললেন; কিন্তু সেটার নিচে আরেকটা সাদা লাইনিং। গেঞ্জির মতো দেখতে সাটিনের একটা কাপড়, সেটার একই ধরনের বোতাম, বাবা ওগুলোও পোঁচ দিয়ে কেটে ফেললেন। গেঞ্জির পরে এবার পেট বেড় দেওয়া আরেকটা পোশাক। বাবাকে রাগে ফোঁস ফোঁস করতে শুনলাম। ছুরির পোঁচে কাপড়টা কেটে খুলে এক পাশে ছুড়ে দিলেন বাবা। এবার শেষমেশ মা কুইশানের গোল পেট আর সমান বুক বেরিয়ে এল আকাশের নিচে। বাবা হাত বাড়ালেন, কিন্তু তার পরই লাফিয়ে উঠে দাঁড়ালেন, তার চেহারা তখন সোনালি রঙের। আমাকে বললেন, ‘দ্যাখ তো ওর হূৎস্পন্দন এখনো আছে কি না।’
আমার মনে আছে, আমি নুয়ে গেলাম, মা-এর বুকের ওপর আমার হাতটা রাখলাম। কোনো খরগোশের হূৎস্পন্দন থেকে জোরে হবে না, তবে তাঁর হূৎপিণ্ড তখনো সচল।
‘দ্বিতীয় প্রভু মা কুইশান,’ আমার বাবা বললেন, ‘তোমার ঘিলু বেরিয়ে মাটিতে পড়েছে, এমনকি সবুজ পাথরের সম্রাট নিজে এসেও তোমাকে বাঁচাতে পারেননি, তাই বলছি আমাকে পুত্রস্নেহ দেখাতে দাও, দেবে না?’
বাবা তাঁর দাঁত থেকে ছোরাটা আবার হাতে নিলেন, বুকের ওখানটায় ছোরাটা ওপর নিচ করলেন, বোঝার চেষ্টা করছেন ঠিক কোথায় কাটতে হবে। আমি দেখলাম, জোরে ছুরি বসিয়েছেন বাবা, কিন্তু তার চামড়া রাবারের টায়ারের মতো, ছুরি ঢোকাতে পারলেন না। আবার ছুরির চাপ দিলেন বাবা, আবার ফলাফল একই। বাবা দুই হাঁটুতে বসে পড়লেন, ‘দ্বিতীয় প্রভু মা, আমি জানি, এভাবে মৃত্যু তোমার প্রাপ্য ছিল না, কিন্তু তোমার যদি কোনো ঝগড়া-বিবাদ থেকে থাকে, তা তো নেতা ঝাঙ-এর সঙ্গে, আমার সঙ্গে তো নয়। আমি স্রেফ তোমার একটা ভালো ছেলে হওয়ার চেষ্টা করছি।’
বাবা শুধু দুবার ছুরি বসিয়েছেন, তাতেই তাঁর কপালে ঘাম, তাঁর থুতনির অল্প একটু দাড়ি সাদা হয়ে গেছে ঘাম-বরফ জমে। ওই অভিশপ্ত বুনো কুকুরগুলো ইঞ্চি ইঞ্চি করে আমাদের দিকে আসছে। আমি বাবার দিকে ঘুরলাম। ‘তাড়াতাড়ি, কুকুরগুলো এসে পড়ছে।’
বাবা দাঁড়ালেন, মাথার ওপর ছুরি তুলে নাড়ালেন, পাগলের মতো তাড়া দিলেন কুকুরগুলোকে, তারপর দৌড়ে ফিরে এলেন, হাঁপাতে লাগলেন, আর জোরে বললেন, ‘দ্বিতীয় প্রভু মা, আমি যদি তোমার শরীর না খুলি তো কুকুরেরা দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে খুলবে। আমার মনে হয়, তুমি চাও যে ওরা নয় বরং আমিই কাজটা করি।’
বাবার চোয়াল শক্ত, চোখ বড় বড়। একটা দৃঢ়সংকল্প নিয়ে তিনি তাঁর হাত নামালেন; ছুরি মা কুইশানের বুকের ভেতরে ঢুকে গেল ছলাৎ শব্দ করে, একদম ছুরির হাতল পর্যন্ত। বাবা ছুরিটা পাশের দিকে টান দিলেন, কালো রক্ত ছলকে বেরোলো, পাঁজরের কাছে গিয়ে ছুরি আর যেতে পারল না। ‘আমার মাথার ঠিক নেই,’ ছুরি বের করতে করতে বাবা বললেন। ছুরিটা মুছলেন মা কুইশানের চামড়ার কোটে, হাতলটা ধরলেন শক্ত করে, আর মা কুইশানের বুকটা পুরো খুলে ফেললেন এবার।
গলগল শব্দ শুনলাম আমি, দেখলাম চামড়ার নিচের চর্বি কেটে ঢুকে যাচ্ছে ছুরিটা; আর তার নাড়িভুঁড়ি সব বেরিয়ে পড়ল পাক খেয়ে, হলুদ রঙের, সাপের মতো, একদল বাইন মাছের মতো; একটা গরম, বাজে গন্ধ নাকে এল।
নড়িভুঁড়ির ভেতরে হাতিয়ে হাতিয়ে বাবা ক্লান্ত, উত্তেজিত: টানছে, হামলে পড়ছে, গাল দিচ্ছে, অভিশাপ দিচ্ছে; তারপর সবশেষে, আর নাড়িভুঁড়ি নেই, মা কুইশানের পুরো উদরটা এখন ফাঁকা।
‘কী খুঁজছ বাবা?’ আমার মনে পড়ে আমি তাঁকে বিরাট উদ্বেগ নিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম।
‘পিত্তথলি। শালার পিত্তথলিটা কোথায়?’
বাবা বুক আর উদরের মাঝখানটা কাটলেন, হাতাতে লাগলেন চারপাশ, একসময় তাঁর হাত হূৎপিণ্ডের ওখানে—ওটা তখনো সুন্দর, লাল। এবার বাবা ফুসফুসে হাত চালালেন। অবশেষে, কলজের পাশে, ডিমের মতো আকারের পিত্তথলিটা খুঁজে পেলেন বাবা। খুব সাবধানে ছুরির আগা দিয়ে কলজে থেকে ওটাকে আলাদা করলেন, তারপর হাতের তালুতে ওটা রেখে একটু পরিষ্কার করে দেখলেন যেন। জিনিসটা ভেজা, পিছল, সূর্যের আলোয় দেখলাম ওটার মধ্যে চকচকে একটা ব্যাপারও আছে। অনেকটা লাল-সবুজ পাথরের সুন্দর একটা টুকরো যেন।
বাবা পিত্তথলিটা আমাকে দিলেন। ‘ভালো করে ধরে থাক, আমি এবার লুয়ান ফেনশাঙের পিত্তথলি নেব।’
এই দফায় বাবা অভিজ্ঞ শল্যচিকিৎসকের মতো কাজটা সারলেন: সুপটুর মতো, চটজলদি, নিখুঁত।
‘চল এখান থেকে,’ বাবা বললেন।
আমরা নদীতীর ধরে দৌড় লাগালাম, কুকুরগুলো নাড়িভুঁড়ির কুণ্ডলীর ভাগ নিয়ে লড়াইয়ে নেমে গেছে।
দাদির চোখের ছানির অবস্থা খুব খারাপের দিকে। ডাক্তারিতে অলৌকিক ঘটনা ঘটানো লুও দাশান আমাদের বলেছেন সে কথা। অসুস্থতার গোড়ায় আছে তাঁর অন্ত্রের তিনটে গহ্বর থেকে উঠে আসা তাপ। অতএব এর চিকিৎসায় লাগবে এমন এক অমোঘ দাওয়াই যা খুব ঠান্ডা, খুব তেতো। ডাক্তার তাঁর মেঝে পর্যন্ত লম্বা গাউনের কিনারটা হাতে তুললেন; তারপর তিনি দরজা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন, তখন বাবা তাঁকে মিনতি জানালেন একটা কোনো ওষুধের কথা বলে যাওয়ার জন্য।
‘হুম্ম্ম্... ওষুধ...’ অলৌকিক-ঘটনা ঘটানো ডাক্তার লুও বাবাকে বললেন শুয়োরের পিত্তথলি চেপে তার রসটা তাঁর মাকে খাওয়াতে, এতে তাঁর চোখ কিছুটা হলেও ভালো হবে।
‘ছাগলের পিত্তথলি হলে কাজ হবে?’ বাবা জিজ্ঞেস করলেন।
‘ছাগলেও চলবে,’ ডাক্তার বললেন,’ ভালুকেও চলবে। কিন্তু ধরো কোনো মানুষের পিত্তথলি যদি পেতে তো... হা, হা...। তা হলে, হুঁ, আমি অবাক হব না তোমার মায়ের চোখের দৃষ্টি যদি পুরো স্বাভাবিকও হয়ে যায়।’
বাবা একটা সবুজ চায়ের পাত্রে মা কুইশান ও লুয়ান ফেনশাঙের পিত্তথলি চেপে বের করা তরলটা রাখলেন, এবার দুই হাতে পাত্রটা বাড়িয়ে দিলেন দাদির দিকে। দাদি ওটা ঠোঁটের কাছে তুললেন, তাঁর জিভের আগা দিয়ে তরলটা একটু ছুঁয়ে দেখলেন। ‘গাউজির বাবা,’ দাদি বললেন, ‘এই পিত্ত তো মহা মহা তিতা। কিসের পিত্ত এটা?’
বাবা উত্তর দিলেন, ‘এটা মা মানে ঘোড়া আর লুয়ানের পিত্ত।’
‘কী বললে, ঘোড়া তা আমি জানি, কিন্তু লুয়ান আবার কী জিনিস?’
আমি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না, বোকার মতো ঝট করে বলে ফেললাম, ‘দাদিমা, এটা মানুষের পিত্ত, মা কুইশান আর লুয়ান ফেঙশানের পিত্তের রস। বাবা ওদের পিত্তথলি বুক ফেঁড়ে খুঁড়ে এনেছেন!’
একটা চিৎকার দিয়ে দাদি পেছন দিকে পড়ে গেলেন তার ইটের বিছানায়, মরে পাথর।
বাবা যখন মটরশুঁটির-তেলে জ্বলা বাতিটা জ্বালাতে উঠলেন, তখনো ঘরের ভেতরটা ঘন-কালো অন্ধকার। পুরু জ্যাকেটটা গায়ে চাপিয়ে তিনি আমাকে ডাকতে লাগলেন, কিন্তু এত বেশি ঠান্ডা যে গরম কম্বলের নিচে শুয়ে থাকা ছাড়া আমার আর কিছুই করার ইচ্ছা নেই। বাবা শেষমেশ আমার গরম কম্বল টান দিয়ে সরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘ওঠ, সশস্ত্র কর্মী বাহিনী তাদের কাজ শেষ করতে সময় লাগায় না। আমরা দেরি করলে, আমাদের সুযোগ শেষ।’
বাবার পেছন পেছন আমি গেট থেকে বের হলাম। দূরের আকাশে আলো ফুটছে। রাস্তা বরফশীতল আর ফাঁকা; উত্তর-পূর্ব থেকে আসা হাওয়া রাতের বেলায় সব ধুলো সাফ করে নিয়ে গেছে; ধূসর বড় রাস্তাটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। মা কুইশানের বাড়ির উঠোন পার হচ্ছি (সশস্ত্র কর্মী বাহিনীর লোকেরা ওই বাড়িতেই থাকে), জানালার একটা আলো দেখলাম, আর হাঁপরের আওয়াজ কানে এল আমাদের। বাবা নরম গলায় বললেন; ‘পা চালা। কর্মী বাহিনী নাশতা সারছে।’
বাবা আমাকে টেনে নিয়ে গেলেন নদীতীরের শেষ মাথা পর্যন্ত; ওখান থেকে আবছা দেখা যাচ্ছে পাথুরে ব্রিজটার কাঠামো; নদীর পানিতে বরফের টুকরো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম: ‘বাবা, আমরা লুকাব কোথায়?’
‘ব্রিজের নিচে।’
ব্রিজের নিচে কিছু নেই, ঘন অন্ধকার শুধু, বরফ জমে যাওয়ার মতো ঠান্ডার কথা না হয় নাই-ই বললাম। আমার মাথার খুলি টন টন করে উঠল, তাই বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আমার মাথা কেমন টন টন আর শির শির করছে কেন বাবা?’
‘আমারও করছে,’ বাবা বললেন। ‘ওরা এ জায়গাটায় এত বেশি মানুষ মেরেছে যে যারা অন্যায়ভাবে মারা পড়েছে, তাদের ভূতে ভর্তি এখানটা।’
ব্রিজের নিচের অন্ধকারের মধ্যে আমি কিছু লোমওয়ালা জন্তু-জানোয়ারের নড়াচড়া খেয়াল করলাম। ‘ওই যে ওরা!’ চিৎকার করে বললাম।
‘আরে না, ওরা ভূত না,’ বাবা বললেন, ‘ওগুলো লাশ খাওয়া কুকুর।’
আমি পেছনে সরতে লাগলাম, একসময় আমার পিঠ ঠেকল হাড্ডি পর্যন্ত ঠান্ডা করে দেওয়া ব্রিজের একটা পাইলিংয়ের গায়ে। আমার খালি মনে পড়ছে দাদির কথা, তাঁর চোখ দুটো ছানি জমে এমন ঝাপসা দৃষ্টি হয়ে গেছে যে তাঁকে অন্ধ বললেও ভুল হবে না।
বাবা তাঁর পাইপ জ্বালালেন, তামাকের সুগন্ধি আমাদের ঘিরে ধরল খানিক পরেই। আমার ঠোঁট জমে পাথর হয়ে যাচ্ছিল। ‘বাবা, আমি একটু বের হয়ে দৌড়াদৌড়ি করে শরীরটা গরম করে আসি? আমি তো জমে গেলাম।’
বাবার উত্তর এটুকুই: ‘দাঁত ঠকঠক করে শরীর গরম করো। ভোরের আলো লাল থাকা পর্যন্ত সশস্ত্র কর্মী বাহিনী বন্দীদের গুলি করে, সাদা হয়ে এলে আর করে না।’
‘আজ সকালে ওরা কাদের মারবে, বাবা?’
‘আমি জানি না,’ বাবা বললেন। ‘তবে জানতে আর বেশি সময় লাগবে না। খুব চাচ্ছি কমবয়সী কাউকে মারুক আজ।’
‘কেন?’
‘যত বয়স কম, তত শরীর-স্বাস্থ্য ভালো থাকে। ফল ভালো পাওয়া যাবে তা হলে।’
আমার আরও কিছু কথা জিজ্ঞেস করার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু বাবা বুঝলাম প্রায় অধৈর্য হয়ে পড়েছেন। ‘আর কোনো প্রশ্ন না। আমরা এখানে যাই বলি, সব ওখানে ওপরে শোনা যায়।’
আমরা যখন কথা বলছি, আকাশের রং হয়ে উঠেছে মাছের পেটের মতো সাদা। গ্রামের কুকুরগুলো দল বেঁধেছে, জোরে ঘেউ ঘেউ করছে, কিন্তু তার ভেতর থেকেও ছাপিয়ে আসছে মহিলাদের বিলাপের ধ্বনি। বাবা আমাদের লুকানোর জায়গা থেকে বের হয়েছেন, একটুক্ষণের জন্য নদীর পাশে দাঁড়িয়ে কান খাড়া করে রেখেছেন গাঁয়ের দিকে। এবার আমার সত্যি ভয় পাওয়া শুরু হলো। পচা-মাংসখেকো কুকুরগুলো ব্রিজের নিচে ঘুরঘুর করছে, ওরা ক্রুব্ধ চোখে তাকিয়ে আমাকে দেখছে, মনে হয় যেন আমার সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিঁড়ে-খুঁড়ে ফেলবে। আমি জানি না, কোনো শক্তিবলে ওখান থেকে যত দ্রুত সম্ভব বের হওয়ার বদলে আমি ওখানেই আটকে থাকলাম। বাবা হামা দিয়ে ফিরে এলেন। ভোরের হালকা আলোয় আমি দেখলাম বাবার ঠোঁট কাঁপছে, কিন্তু বুঝতে পারলাম না তা ভয়ে নাকি ঠান্ডায়। ‘কিছু শুনতে পেলে বাবা?’ আমি জিজ্ঞেস করলাম।
‘চুপ থাক,’ ফিসফিস করে বললেন বাবা। ‘শিগগিরই ওরা এসে পড়বে। যাদের মারা হবে তাদের বাঁধাছাদা হচ্ছে শুনতে পেলাম।’
আমি বাবার খুব কাছে সরে গেলাম, আগাছার একটা ঝোপঝাড়ের ওপর বসলাম। কান খাড়া করে শুনলে গ্রামে রামশিঙা বাজার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, সেই শব্দের সঙ্গে মিশে আছে এক লোকের কর্কশ কণ্ঠস্বর: ‘গ্রামবাসী—মৃত্যুদণ্ড দেখার জন্য ব্রিজের দক্ষিণ মাথায় চলে যাও—অত্যাচারী জমিদার কুইশানকে গুলি করে মারা হবে—আরও গুলিতে মরবে তার বউ—গ্রামের পুতুল মোড়ল লুয়ান ফেঙশান—এ আদেশ সশস্ত্র কর্মী বাহিনীর প্রধান নেতা ঝাঙের—যারা যাবে না তাদের দালাল হিসেবে শাস্তি দেওয়া হবে।’
আমি বাবার নরম ক্ষুব্ধ গলায় অসন্তুষ্ট বিড়বিড়ানি শুনলাম: ‘ওরা মা কুইশানের সঙ্গে এটা করছে কেন? তাঁকে কেন গুলি করা হবে? সবাইকে মারলেও, তাঁকে তো মারা উচিত নয়।’
আমার মনে হলো, বাবাকে জিজ্ঞেস করি কেন তাঁদের মা কুইশানকে গুলি করা ভুল কাজ; কিন্তু আমি মুখ খুলতেও পারিনি, শুনলাম রাইফেলের একটা ঠা-ঠা শব্দ, একটা বুলেট শাঁ শব্দ করে দূরে গিয়ে পড়ল, দূরে ওপরে আকাশে কোথাও। এরপর শোনা গেল, আমাদের দিকে আসা ঘোড়ার খুরের আওয়াজ, একেবারে ব্রিজের মাথার দিকে যাচ্ছে ওটা; ব্রিজের ওপরে উঠতেই ঘোড়ার পায়ের এমন একটা শোরগোল হলো যেন কোনো ঘূর্ণিঝড় বয়ে যাচ্ছে। আমি আর বাবা আরও গুটিসুটি মেরে বসলাম; পাথরের ফাঁক দিয়ে সূর্যের রুপালি আলো ঢুকে পড়েছে; আমরা দুজনেই ভয়ে-আতঙ্কে বুঝতে পারছি না যে কী ঘটতে যাচ্ছে।
কে যেন হেঁটে রেলিংয়ের পাশে এল, ছর ছর করে ব্রিজের ওপর থেকে প্রস্রাব করতে লাগল। প্রস্রাবের কী কড়া, মাথা-ধরানো গন্ধ!
‘আসো, ফিরে যাই, ‘হাঁসের মতো প্যাকপ্যাক করে কথা বলে উঠল কে যেন। ‘মৃত্যুদণ্ডের সময় হয়ে এসেছে, চলো সবাই।’
বাবা আমাকে ফিসফিস করে জানালেন, হাঁসের মতো গলার ওই লোকটা সশস্ত্র কর্মী বাহিনীর প্রধান, তাঁকে জেলা প্রশাসন থেকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পার্টি থেকে বিশ্বাসঘাতক ধরে ধরে খতম করার জন্য; সবাই তাঁকে ডাকে নেতা ঝাঙ নামে।
পুবের আকাশে অনেক নিচুতে তুলো তুলো মেঘ ধীরে ভিড় করা শুরু করেছে; কিছুক্ষণের মধ্যে ওই মেঘগুলোও লাল-গোলাপি হয়ে উঠল। এতক্ষণে আমাদের চোখে পড়ল, আমরা যেখানে লুকিয়ে আছি সেখানকার মাটিতে কুকুরের বিষ্ঠার দলা বরফ হয়ে জমাট বেধে আছে, সেই সঙ্গে আরও আছে ছেঁড়া কিছু কাপড়চোপড়, মাথার চুলের গোছা, আর কুকুরের চুষে খাওয়া মানুষের মাথার খুলি। দেখতে এমন বীভৎস যে আমি অন্যদিকে তাকালাম। বাবার দিকে ঘুরলাম; তাঁর নিঃশ্বাসের সাদা ধোঁয়া দেখতে পাচ্ছি। সময় মনে হয় থেমে গেছে। তারপর বাবা একসময় বললেন, ‘এসে গেছে।’
ব্রিজের মাথায় মৃত্যুদণ্ডের দলটার আসাকে স্বাগত জানানো হলো ধাতবঘণ্টা বাজিয়ে, নীরব পা ফেলে দলটা পৌঁছাল। এরপরই গম্ভীর গলায় একজন চিৎকার করে উঠল: ‘নেতা ঝাঙ, নেতা ঝাঙ, আমি তো সারা জীবনে কোনো অন্যায় করিনি...।’
বাবা খুব আস্তে বললেন, ‘এটাই মা কুইশান।’
এবার আরেকটা গলা, এবারেরটা সাধারণ একটা কণ্ঠ আর আবেগে ফেটে পড়ছে: ‘নেতা ঝাঙ দয়া করো...। গ্রামের মোড়ল কে হবে তা লটারি করে ঠিক করা হয়েছিল; আমি মোড়ল হতে চাইনি...লটারি হয়েছিল; আমার কপাল খারাপ...। নেতা ঝাঙ, একটু দয়া দেখাও, আমার এই কুকুরের জীবনটার জন্য একটু রহম করো...। ঘরে আমার ৮০ বছরের বুড়ো মা, তাঁকে আমি ছাড়া কে দেখবে?
বাবা আবার ফিসফিস করে বললেন, ‘এটা লুয়ান ফেঙশান।’
এর পরে একটা তীক্ষ গলা শোনা গেল: ‘নেতা ঝাঙ, তুমি যখন আমাদের বাসায় এসে উঠলে, তোমাকে যত্ন করে খাইয়েছি আমি, সবচেয়ে ভালো ওয়াইনটা তোমাকে দিয়েছি। এমনকি আমার আঠারো বছরের মেয়েকে তোমার দরকারের জন্য তুলে দিয়েছি। নেতা ঝাঙ, তোমার দিলটা তো লোহা দিয়ে বানানো নয়, না কি?’
বাবা বললেন, ‘এটা মা কুইশানের বউ।’
সবশেষে আমি শুনলাম এক মহিলা ষাঁড়ের মতো গোঙাচ্ছেন: ‘উউ—লা-আহ—ইয়া—।’
বাবা ফিসফিসে স্বরেই জানালেন, ‘এটা লুয়ান ফেঙশানের বোবা বউ।’
একটা শান্ত, গা-ছাড়া ভঙ্গিতে নেতা ঝাঙ বলল, ‘তোমরা অযথা এ রকম অস্থির হচ্ছ কেন? তোমাদের গুলি করা হবেই। তাই বলছি চিৎকার চেঁচামেচি বন্ধ করো। একদিন না একদিন তো মরতে হবেই। তোমরা আগে মরলে বরঞ্চ আগে আগে পৃথিবীতে ফিরতে পারবে অন্য কেউ হয়ে।’
ঠিক তখনই মা কুইশান জোরে ভিড়ের উদ্দেশে চিৎকার করে উঠলেন, ‘হে গ্রামবাসী, বাচ্চা, বয়স্করা সবাই—আমি মা কুইশান কোনোদিন তোমাদের কোনো ক্ষতি করিনি। আমি চাইছি, তোমরা এখন আমাকে বাঁচানোর জন্য মুখ খোলো।’
অনেক লোকজন সশব্দে হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়ল, তারা মরিয়া হয়ে মিনতি জানাল, ‘দয়া করো নেতা ঝাঙ। ওদের মেরো না। ওরা ভালো লোক, ওরা সবাই ভালো...।’
কমবয়সী একটা পুরুষ কণ্ঠ ভেসে এল সব হই হট্টগোল ছাপিয়ে: ‘নেতা ঝাঙ, আমি বলি কী, এই চার কুত্তার বাচ্চাকে ব্রিজের ওপর কুকুরের ভঙ্গিতে বসতে বলি, তারপর একশবার ওরা আমাদের মাটিতে মাথা ছুঁইয়ে প্রণাম করুক, কেবল তার পরই আমরা ওদের কুত্তার জীবন ফিরিয়ে দিই। তুমি কী বলো নেতা?’
‘গাও রেনশান, বুদ্ধি বটে তোমার!’ নেতা ঝাঙ বিপজ্জনকভাবে খেঁকিয়ে উঠলেন। ‘তুমি বলতে চাইছো, আমি ঝাঙ কোনো প্রতিহিংসাপরায়ণ দানব? আমার মনে হয়, তুমি একটু বেশি দিন মিলিশিয়ার প্রধান ছিলে! যতসব! এই গ্রামবাসী, সব এখন উঠে দাঁড়াও। এই ঠান্ডার মধ্যে হাঁটু গেঁড়ে বসার দরকার নেই। আমাদের কথা পরিষ্কার। কেউ ওদের বাঁচাতে পারবে না, অতএব সবাই দাঁড়াও বলছি।’
‘পথ ছাড়ো, জায়গা করো!’ ব্রিজের মাথায় অনেক অল্পবয়স্ক ছেলেপেলে, মোটামুটি নিশ্চিত যে ওরা সবাই সশস্ত্র কর্মী বাহিনীর সদস্য, ব্রিজ থেকে হাঁটু গেঁড়ে বসা লোকজন সরাতে লাগল।
এবার মা কুইশান তাঁর আরজি জানাতে লাগলেন আকাশের দিকে: ‘ওই আকাশের বুড়ো, তুমি কি অন্ধ হয়ে গেছো? এই আমি, মা কুইশান, আমার সারা জীবনের ভালো কাজের ফল এই মাথায় বুলেট খেয়ে মরা? ঝাঙ কুদে, তুই শুয়োরের বাচ্চা, তোর মরণ বিছানায় হবে না রে, মনে রাখিস কথাটা। শুয়োরের বাচ্চা তুই—।’
‘গুলি চালাও!’ নেতা ঝাঙ ষাঁড়ের মতো গর্জে উঠল। ‘না কি তোমরা চাচ্ছো, ওর ওই সব বিষঝাড়া কথাবার্তা শুনতে থাকব আমরা?’
মাথার ওপর ব্রিজে আমরা দৌড়াদৌড়ির আওয়াজ শুনলাম। ‘হাঁটুর ওপর বসো!’ ব্রিজের দক্ষিণ মাথায় কে যেন বলল, ‘সবাই রাস্তা ছাড়ো, সবাই।’ ব্রিজের উত্তর মাথা থেকে একটা চিৎকার শুনলাম।
ঠা-ঠা-ঠা—তিনটা গুলির শব্দ।
গুলির বিস্ফোরণ আমার কান ফুটো করে ঢুকে গেল যেন, কানের ভেতরে এমন ধপ ধপ করতে লাগল যে মনে হলো আমি কালা হয়ে গেছি। একটা বড়, বিশাল মানুষের শরীর ধীরে ধীরে ব্রিজের ওপর থেকে গড়িয়ে নিচে পড়ল। স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ রক্তের সুতো বেরোচ্ছে ওটার মাথা থেকে।
আরও একবার ব্রিজের ওপর পায়ের শব্দ ছুটে গেল উত্তর থেকে দক্ষিণে, আরও একবার চিৎকার: ‘হাঁটুর ওপর বসো,’ দক্ষিণ মাথায় এই চিৎকার আর উত্তর মাথায় আরও একবার ‘সবাই রাস্তা ছাড়ো!’ তারপর আরও তিনটা গুলির আওয়াজ—লুয়ান ফেনশাঙের শরীরটা, মাথা টুপিছাড়া আর গায়ে পুরু একটা কোট, গড়িয়ে, নদীর তীরে পড়ল মাথা নিচমুখো হয়ে; প্রথমে ধাক্কা খেল মা কুইশানের শরীরে, তারপর গিয়ে পড়ল এক পাশে।
এটার পর সবকিছু অনেক সহজ হয়ে এল। আরও শোনা গেল, একগাদা গুলির আওয়াজ তার পর দুটো আলুথালু নারীদেহ নিচে গড়িয়ে পড়ার শব্দ ও দৃশ্য, তাদের হাত পা আকাশে উড়ছে, শেষে ভেঙেচুরে পড়ছে তাদের পুরুষদের গায়ের ওপরে।
আমি শক্ত করে বাবার হাত আঁকড়ে ধরলাম, আমার ফোমভরা পুরু প্যান্টে অনুভব করলাম গরম, ভেজা একটা জলের ধারা।
কমপক্ষে আধা ডজন মানুষ আমাদের ঠিক মাথার ওপর ব্রিজে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের বজ্রের মতো চিৎকারে কান বন্ধ হওয়ার জোগাড়: ‘লাশগুলো পরীক্ষা করে দেখব, নেতা?’
‘তার কী দরকার? ওদের ঘিলু তো সবখানে ছড়িয়ে পড়েছে। সবুজ পাথরের সম্রাট স্বয়ং নিচে নেমে এলেও এখন আর ওদের বাঁচাতে পারবে না।’
‘চলো সবাই যাই! বুড়ো গুওর বউ আমাদের জন্য মটরশুঁটি গাঁড়িয়ে দই বানিয়েছে। সেই দই আর তেলের পিঠা খাওয়া যাবে, চলো।’
তারা ব্রিজ পার হলো, উত্তর দিকে যাচ্ছে, তাদের পায়ের শব্দ শুনতে হিমবাহ গড়িয়ে যাওয়ার শব্দের মতো লাগছে। তারপর আবার সব শান্ত।
বাবা আমাকে কনুই দিয়ে গুঁতো দিলেন। ‘অপদার্থের মতো ওইখানে দাঁড়িয়ে থাকিস না। চল, কাজ সারি।’
আমি চারপাশে তাকালাম, কিন্তু বাবা কী বললেন কিছুই বুঝতে পারলাম না। আমার নিজের বাবাকে অচেনা লাগছে বলব না, কিন্তু তার কথার মাথামুণ্ডু কিছুই ধরতে পারছি না।
‘হাহ্?’ আমি শুধু একটুকুই বলতে পারলাম।
‘ভুলে গেছিস তুই?’ বাবা বললেন। ‘আমরা এখানে এসেছি তোর দাদির জন্য একটা ওষুধের খোঁজে। তাড়াতাড়ি করতে হবে, লাশ কাটতে আসা লোকেরা আসার আগেই কাজ শেষ করতে হবে।’
কথাগুলো কানের মধ্যে তখনো ঘুরপাক খাচ্ছে, আমি দেখলাম সাত-আটটা বুনো কুকুর, একেকটা যেন একেক রঙের, নদীর ওখান থেকে লম্বা ছায়া ফেলে পা টেনে টেনে আসছে এদিকে; আমাদের উদ্দেশেই ঘেউ ঘেউ করছে। বাবা কয়েকটা ইটের টুকরো তুলে কুকুরগুলোর দিকে ছুড়ে মারলেন। কুকুরগুলো তড়িঘড়ি ছুট লাগাল নানা দিকে। তারপর বাবা তাঁর কোটের পকেট থেকে বের করলেন একটা মাংস কাটার ছুরি, কুকুরগুলোকে ভয় দেখালেন ওটা নাড়িয়ে। তারপর কোমরের ফিতা শক্ত করে বাঁধলেন, হাতা গুটালেন জামার। ‘চারদিকে চোখ রাখিস,’ বললেন বাবা।
যেভাবে ইগল পাখি ঝাঁপিয়ে পড়ে শিকারের ওপর, সে রকম চটপট বাবা নারী শরীর দুটো টেনে সরালেন, তারপর মা কুইশানকে চিত করলেন। মা কুইশানের মুখোমুখি এখন বাবা। হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়লেন, মাটিতে মাথা ঠেকিয়ে মা কুইশানের শরীরকে প্রণাম জানালেন। ‘দ্বিতীয় প্রভু মা কুইশান,’ প্রার্থনার সুরে বাবা বললেন, ‘ভক্তি আর সন্তানসুলভ কাজেরও সীমা থাকে। আমি যা করছি তা নিজের অপছন্দেই করছি।’
দেখলাম মা কুইশানের শরীরটা যেন একটু নড়ে উঠল। একটা হাত তুলে রক্তমাখা মুখ মুছলেন। ‘ঝাঙ কুদে,’ অস্ফুট উচ্চারণ। মনে হলো হালকা এক হাসির রেখা দেখলাম তাঁর চেহারায়, ‘নিজের বিছানায় তোর মরণ হবে না।’
বাবা চেষ্টা করলেন এক হাত দিয়েই মা কুইশানের চামড়ার কোটটার বোতামগুলো খুলতে, কিন্তু অতিরিক্ত কাঁপুনিতে ব্যাপারটা সামলাতে পারলেন না। ‘এই ছেলে,’ আমি তাকে বলতে শুনলাম ‘ছুরিটা ধর আমার জন্য।’
আমার মনে আছে, আমি ছুরি ধরার জন্য এগিয়ে গেছি, কিন্তু তার আগেই ছুরিটা বাবা দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে মা কুইশানের বুকের ওপরের হলুদ বোতামগুলো খোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। গোল, সোনালি হলুদ, শিম বিচির মতো বড় বড় বোতাম, ওগুলোকে ঘিরে থাকা ফিতাগুলো থেকে টেনে খোলা সোজা ব্যাপার নয়। আরও অধৈর্য হয়ে বাবা এবার ওগুলো পোঁচ দিয়ে ছিঁড়ে ফেললেন, ঝাঁকি দিয়ে কোটটা খুললেন; কিন্তু সেটার নিচে আরেকটা সাদা লাইনিং। গেঞ্জির মতো দেখতে সাটিনের একটা কাপড়, সেটার একই ধরনের বোতাম, বাবা ওগুলোও পোঁচ দিয়ে কেটে ফেললেন। গেঞ্জির পরে এবার পেট বেড় দেওয়া আরেকটা পোশাক। বাবাকে রাগে ফোঁস ফোঁস করতে শুনলাম। ছুরির পোঁচে কাপড়টা কেটে খুলে এক পাশে ছুড়ে দিলেন বাবা। এবার শেষমেশ মা কুইশানের গোল পেট আর সমান বুক বেরিয়ে এল আকাশের নিচে। বাবা হাত বাড়ালেন, কিন্তু তার পরই লাফিয়ে উঠে দাঁড়ালেন, তার চেহারা তখন সোনালি রঙের। আমাকে বললেন, ‘দ্যাখ তো ওর হূৎস্পন্দন এখনো আছে কি না।’
আমার মনে আছে, আমি নুয়ে গেলাম, মা-এর বুকের ওপর আমার হাতটা রাখলাম। কোনো খরগোশের হূৎস্পন্দন থেকে জোরে হবে না, তবে তাঁর হূৎপিণ্ড তখনো সচল।
‘দ্বিতীয় প্রভু মা কুইশান,’ আমার বাবা বললেন, ‘তোমার ঘিলু বেরিয়ে মাটিতে পড়েছে, এমনকি সবুজ পাথরের সম্রাট নিজে এসেও তোমাকে বাঁচাতে পারেননি, তাই বলছি আমাকে পুত্রস্নেহ দেখাতে দাও, দেবে না?’
বাবা তাঁর দাঁত থেকে ছোরাটা আবার হাতে নিলেন, বুকের ওখানটায় ছোরাটা ওপর নিচ করলেন, বোঝার চেষ্টা করছেন ঠিক কোথায় কাটতে হবে। আমি দেখলাম, জোরে ছুরি বসিয়েছেন বাবা, কিন্তু তার চামড়া রাবারের টায়ারের মতো, ছুরি ঢোকাতে পারলেন না। আবার ছুরির চাপ দিলেন বাবা, আবার ফলাফল একই। বাবা দুই হাঁটুতে বসে পড়লেন, ‘দ্বিতীয় প্রভু মা, আমি জানি, এভাবে মৃত্যু তোমার প্রাপ্য ছিল না, কিন্তু তোমার যদি কোনো ঝগড়া-বিবাদ থেকে থাকে, তা তো নেতা ঝাঙ-এর সঙ্গে, আমার সঙ্গে তো নয়। আমি স্রেফ তোমার একটা ভালো ছেলে হওয়ার চেষ্টা করছি।’
বাবা শুধু দুবার ছুরি বসিয়েছেন, তাতেই তাঁর কপালে ঘাম, তাঁর থুতনির অল্প একটু দাড়ি সাদা হয়ে গেছে ঘাম-বরফ জমে। ওই অভিশপ্ত বুনো কুকুরগুলো ইঞ্চি ইঞ্চি করে আমাদের দিকে আসছে। আমি বাবার দিকে ঘুরলাম। ‘তাড়াতাড়ি, কুকুরগুলো এসে পড়ছে।’
বাবা দাঁড়ালেন, মাথার ওপর ছুরি তুলে নাড়ালেন, পাগলের মতো তাড়া দিলেন কুকুরগুলোকে, তারপর দৌড়ে ফিরে এলেন, হাঁপাতে লাগলেন, আর জোরে বললেন, ‘দ্বিতীয় প্রভু মা, আমি যদি তোমার শরীর না খুলি তো কুকুরেরা দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে খুলবে। আমার মনে হয়, তুমি চাও যে ওরা নয় বরং আমিই কাজটা করি।’
বাবার চোয়াল শক্ত, চোখ বড় বড়। একটা দৃঢ়সংকল্প নিয়ে তিনি তাঁর হাত নামালেন; ছুরি মা কুইশানের বুকের ভেতরে ঢুকে গেল ছলাৎ শব্দ করে, একদম ছুরির হাতল পর্যন্ত। বাবা ছুরিটা পাশের দিকে টান দিলেন, কালো রক্ত ছলকে বেরোলো, পাঁজরের কাছে গিয়ে ছুরি আর যেতে পারল না। ‘আমার মাথার ঠিক নেই,’ ছুরি বের করতে করতে বাবা বললেন। ছুরিটা মুছলেন মা কুইশানের চামড়ার কোটে, হাতলটা ধরলেন শক্ত করে, আর মা কুইশানের বুকটা পুরো খুলে ফেললেন এবার।
গলগল শব্দ শুনলাম আমি, দেখলাম চামড়ার নিচের চর্বি কেটে ঢুকে যাচ্ছে ছুরিটা; আর তার নাড়িভুঁড়ি সব বেরিয়ে পড়ল পাক খেয়ে, হলুদ রঙের, সাপের মতো, একদল বাইন মাছের মতো; একটা গরম, বাজে গন্ধ নাকে এল।
নড়িভুঁড়ির ভেতরে হাতিয়ে হাতিয়ে বাবা ক্লান্ত, উত্তেজিত: টানছে, হামলে পড়ছে, গাল দিচ্ছে, অভিশাপ দিচ্ছে; তারপর সবশেষে, আর নাড়িভুঁড়ি নেই, মা কুইশানের পুরো উদরটা এখন ফাঁকা।
‘কী খুঁজছ বাবা?’ আমার মনে পড়ে আমি তাঁকে বিরাট উদ্বেগ নিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম।
‘পিত্তথলি। শালার পিত্তথলিটা কোথায়?’
বাবা বুক আর উদরের মাঝখানটা কাটলেন, হাতাতে লাগলেন চারপাশ, একসময় তাঁর হাত হূৎপিণ্ডের ওখানে—ওটা তখনো সুন্দর, লাল। এবার বাবা ফুসফুসে হাত চালালেন। অবশেষে, কলজের পাশে, ডিমের মতো আকারের পিত্তথলিটা খুঁজে পেলেন বাবা। খুব সাবধানে ছুরির আগা দিয়ে কলজে থেকে ওটাকে আলাদা করলেন, তারপর হাতের তালুতে ওটা রেখে একটু পরিষ্কার করে দেখলেন যেন। জিনিসটা ভেজা, পিছল, সূর্যের আলোয় দেখলাম ওটার মধ্যে চকচকে একটা ব্যাপারও আছে। অনেকটা লাল-সবুজ পাথরের সুন্দর একটা টুকরো যেন।
বাবা পিত্তথলিটা আমাকে দিলেন। ‘ভালো করে ধরে থাক, আমি এবার লুয়ান ফেনশাঙের পিত্তথলি নেব।’
এই দফায় বাবা অভিজ্ঞ শল্যচিকিৎসকের মতো কাজটা সারলেন: সুপটুর মতো, চটজলদি, নিখুঁত।
‘চল এখান থেকে,’ বাবা বললেন।
আমরা নদীতীর ধরে দৌড় লাগালাম, কুকুরগুলো নাড়িভুঁড়ির কুণ্ডলীর ভাগ নিয়ে লড়াইয়ে নেমে গেছে।
দাদির চোখের ছানির অবস্থা খুব খারাপের দিকে। ডাক্তারিতে অলৌকিক ঘটনা ঘটানো লুও দাশান আমাদের বলেছেন সে কথা। অসুস্থতার গোড়ায় আছে তাঁর অন্ত্রের তিনটে গহ্বর থেকে উঠে আসা তাপ। অতএব এর চিকিৎসায় লাগবে এমন এক অমোঘ দাওয়াই যা খুব ঠান্ডা, খুব তেতো। ডাক্তার তাঁর মেঝে পর্যন্ত লম্বা গাউনের কিনারটা হাতে তুললেন; তারপর তিনি দরজা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন, তখন বাবা তাঁকে মিনতি জানালেন একটা কোনো ওষুধের কথা বলে যাওয়ার জন্য।
‘হুম্ম্ম্... ওষুধ...’ অলৌকিক-ঘটনা ঘটানো ডাক্তার লুও বাবাকে বললেন শুয়োরের পিত্তথলি চেপে তার রসটা তাঁর মাকে খাওয়াতে, এতে তাঁর চোখ কিছুটা হলেও ভালো হবে।
‘ছাগলের পিত্তথলি হলে কাজ হবে?’ বাবা জিজ্ঞেস করলেন।
‘ছাগলেও চলবে,’ ডাক্তার বললেন,’ ভালুকেও চলবে। কিন্তু ধরো কোনো মানুষের পিত্তথলি যদি পেতে তো... হা, হা...। তা হলে, হুঁ, আমি অবাক হব না তোমার মায়ের চোখের দৃষ্টি যদি পুরো স্বাভাবিকও হয়ে যায়।’
বাবা একটা সবুজ চায়ের পাত্রে মা কুইশান ও লুয়ান ফেনশাঙের পিত্তথলি চেপে বের করা তরলটা রাখলেন, এবার দুই হাতে পাত্রটা বাড়িয়ে দিলেন দাদির দিকে। দাদি ওটা ঠোঁটের কাছে তুললেন, তাঁর জিভের আগা দিয়ে তরলটা একটু ছুঁয়ে দেখলেন। ‘গাউজির বাবা,’ দাদি বললেন, ‘এই পিত্ত তো মহা মহা তিতা। কিসের পিত্ত এটা?’
বাবা উত্তর দিলেন, ‘এটা মা মানে ঘোড়া আর লুয়ানের পিত্ত।’
‘কী বললে, ঘোড়া তা আমি জানি, কিন্তু লুয়ান আবার কী জিনিস?’
আমি নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না, বোকার মতো ঝট করে বলে ফেললাম, ‘দাদিমা, এটা মানুষের পিত্ত, মা কুইশান আর লুয়ান ফেঙশানের পিত্তের রস। বাবা ওদের পিত্তথলি বুক ফেঁড়ে খুঁড়ে এনেছেন!’
একটা চিৎকার দিয়ে দাদি পেছন দিকে পড়ে গেলেন তার ইটের বিছানায়, মরে পাথর।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1407)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
October
(1721)
-
▼
Oct 19
(45)
- দুর্বল নেতৃত্ব রাষ্ট্রে বিপর্যয় ডেকে আনে by এলাহী ...
- সাহসের জয়পতাকা উড়িয়েই ফিরে ফিরে আসেন মালালা-রা
- পল্লী বিদ্যুতের দাম ফের বাড়ানোর প্রস্তাব by আরিফুজ...
- রাসেলের জন্মবার্ষিকী পালিত-মালালার ওপর হামলার নিন্...
- অমোঘ দাওয়াই by মো ইয়ান
- বেদনার্ত সময়- by মোবাশ্বির আলম মজুমদার
- চারুশিল্প- কারওয়ান বাজার: নির্মাণ-বিনির্মাণ
- মো ইয়ান- টুকরো স্মৃতি
- ২০১২ সালের নোবেল বিজয়ী চীনা লেখক মো ইয়ানকে নিয়ে বি...
- সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড-ওরা আমাকে মাইক্রোতে তুলে নিয়ে...
- সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ-যুক্তরাষ্ট্রে ব...
- তিন দলের তিন হোতা by তোফায়েল আহমদ
- রোহিঙ্গা জামায়াত বিএনপির সঙ্গে আ. লীগও জড়িত by পার...
- ছাপা বন্ধ হচ্ছে, মিলবে অনলাইনে
- ধরেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল মালালার হামলাকারীকে
- গাদ্দাফি সমর্থকদের ওপর হামলা, সংঘর্ষে নিহত ১১
- ২৮ হাজার সিরীয় 'নিখোঁজ'-'সিরিয়ার সংঘাতে জ্বলবে পুর...
- নারী ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টায় কৌশলী ওবামা-রমনি
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- বাছাই কমিটি থেকে নাম প্রত্যাহার তাহসিনার
- পদ্মা সেতু- বিশ্বব্যাংকের দ্বিতীয় দল আসছে নভেম্বরে
- গ্রামীণফোন-প্রথম আলো ইন্টারনেট উৎসব- বিশ্বকে জয় কর...
- সীমান্তে গরু ব্যবসায়ীদের নির্মম কৌশল- ভারত থেকে গড়...
- মৃত্যুর ৬৭ বছর পর সমাহিত করা হলো তাঁদের
- কেপিকে মুক্তি দিল শ্রীলঙ্কা সরকার
- অসলোয় ফার্কের সঙ্গে আলোচনা শুরু কলম্বিয়া সরকারের
- এশিয়ার বুকারে আর স্পন্সর করবে না ম্যান
- সরকারি প্রতিবেদন-যুক্তরাজ্যে মানবপাচার বাড়ছে
- হাসতে মানা!
- সাইফ-কারিনার প্রকাশ্যে চুম্বন!
- বৌদ্ধপল্লিতে হামলার ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন- রাজনৈতি...
- ডেসটিনির অর্থ কেলেঙ্কারি-গ্রাহকদের অর্থ দ্রুত ফিরি...
- দক্ষিণ কোরিয়ায় ইসলাম by ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
- প্রভুপ্রেমিকদের মিলনমেলা by জহির উদ্দিন বাবর
- নৈতিকতার প্রভাব ও মূল্যবোধ সৃষ্টি by মুফতি এনায়েতু...
- সোনার মানুষ by মোস্তফা কামাল
- সংস্কৃতি অঙ্গনের আপসহীন যোদ্ধা by গোলাম কুদ্দুছ
- কৃষি-কম খরচে, কম সময়ে আউশ ধান by ড. এম. জি. নিয়োগী
- হৃদয়নন্দন বনে-আজ এই শারদ প্রাতে...! by আলী যাকের
- ফুটপাতে চাঁদাবাজি-ভুক্তভোগী তো আমজনতাই
- স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক-উভয় পক্ষের সমান সহযোগ...
- চরাচর-বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের রঙিন ম্যুরাল চিত্র by ফ...
- বিপদ নদীর নয়, বিপদ মানুষের by ডক্টর তুহিন মালিক
- চৈতন্যের মুক্ত বাতায়ন-প্রাকৃতজনের সাংস্কৃতিক আন্দো...
- সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময়-সমালোচনা আমলে নিলে সবারই...
-
▼
Oct 19
(45)
-
▼
October
(1721)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment