Sunday, February 15, 2015
বয়সকাল by শাহাবুদ্দীন নাগরী
বয়সকাল by শাহাবুদ্দীন নাগরী
সকাল
থেকে ভার্সিটির অবস্থা ভালো না। বেশ কয়েক জায়গায় ককটেল ফুটেছে। ছাত্ররা
মিছিল নিয়ে বেরিয়েছিল, অপর পক্ষ তাদের ওপর হামলা করছে। গুলি-টুলিও হয়েছে
বোধহয়। টেলিভিশনের স্ক্রলে গণ্ডগোলের খবর দেখাচ্ছে। মনে মনে ঠিক করে নিলাম,
আজ আর ভার্সিটি যাবো না। এমনিও ক্লাস হবে না। এমন পরিস্থিতিতে ছেলেমেয়েরা
ক্লাসে আসে না। শীতকালে ক্যাম্পাসের আবহাওয়া হঠাৎ করে এমন গরম হয়ে যাবে
ভাবতে পারিনি। মেয়েটাকে ফোন করা দরকার।
কিন্তু মেয়েটাই ফোন করলো। ওর নাম রিজওয়ানা চৌধুরী।
'আজ নিশ্চয়ই ডিপার্টমেন্টে যাবেন না?'
'তুমি কী করে বুঝলে?'
'টেলিভিশনে নিউজ দেখে।'
'ঠিকই ধরেছো। আজ বাদ দাও। তোমাকে যে অংশটা রি-টাইপ করতে বলেছি, ওটা বরং আজ লেখো। কাল পরিস্থিতি দেখে আসতে বলবো তোমাকে।'
রিজওয়ানা সালাম দিয়ে ফোনটা রেখে দিল।
রিজওয়ানা আমার তত্ত্বাবধানে মাস্টার্স ক্লাসের থিসিস করছে একটা। দুবাইয়ের একটা কলেজে গ্র্যাজুয়েশন করে বাংলাদেশে চলে এসেছে ও। ওর স্কুলিংটা লন্ডনে হয়েছে। মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েই। রেজাল্ট ভালো। চমৎকার ইংরেজি বলে এবং লেখেও। ওর থিসিসের বিষয়টা ওরই ঠিক করা- 'The Partition of Bengal in 1947 : The Demographic Impact and Paradox of Bengali People..' বিষয়টা আমার পছন্দ হয়েছিল। ওর সঙ্গে আলাপ করেছিলাম বিষয়টা নিয়ে, কেন সে বিষয়টা বেছে নিল তা জানবার জন্য। ও এক পৃষ্ঠার ছোট্ট একটা সারসংক্ষেপ দিয়েছিল আমাকে। ভালো লেগেছিল আমার। ও নতুন কিছু বলতে চায়। এ বিষয়ে বহু গবেষণা হয়েছে, তার পরও আমি ওর নতুন চিন্তা-ভাবনার জন্য বিষয়টা পছন্দ করি। ডিপার্টমেন্টের একাডেমিক কমিটি ওটা পাস করে দেয়।
রিজওয়ানাকে আমি ইন্টারনেট থেকে সব রিলেটেড লিটারেচার সংগ্রহ করতে বলেছিলাম। ওটা শেষ হলে ভার্সিটির লাইব্রেরি ঘেঁটে ১৯৪৭-এর দেশ বিভাগ নিয়ে যা বই আছে তা পড়ে একটা সিনোপসিস তৈরি করতেও বলি। মেয়েটা ঠিক ঠিক সব করে। সব কথা শোনে। কিন্তু ওর দোষ বা গুণ যা-ই বলি না কেন, বড় চঞ্চল ও। আমি যখন ওর লেখা দেখি বা বই খুলে কিছু খুঁজি ও ভীষণ উসখুস করে। চবি্বশ-পঁচিশ বছর বয়সের একটা মেয়ে চঞ্চল হতেই পারে। কিন্তু গবেষণা এমন একটা বিষয়, যা খুব স্থিরভাবে স্থির চিন্তায় করতে হয়। রিজওয়ানার ওটা নেই।
কিন্তু কোনো বিষয়ে ও একবার চোখ বুলিয়ে নিলেই হয়, মূল বিষয়টা ও ধরে নেয়, দ্বিতীয়বার সে ওটা আর পড়ে না। আমি তার এই বিষয়টা প্রথমে ঠিক বুঝতে পারিনি। কিন্তু দশ দিন আগে পড়া কোনো বিষয় নিয়ে যখন আলোচনা করি তখন ও ঠিক ঠিক রেফারেন্স ধরে সব বলে দিতে পারে। ফলে, ওর কাজের সততার নিচে ওর চঞ্চলতা চাপা পড়ে যায়। রিজওয়ানা অসম্ভব মেধাবী এটা আমি মেনে নিয়েছি। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে ও আমার রুমে চলে আসে। থিসিসের পার্টগুলো দেখায়। কখনও আমি সঙ্গে সঙ্গে দেখে দিই, কখনও রেখে দিই পরে দেখে দেবো বলে।
রিজওয়ানা একদিন বলেছিল,
'স্যার, ডিপার্টমেন্টে আপনি ব্যস্ত থাকেন। সময় পান না। আমিও ক্লাসে থাকি। বিকেলের পর বাসায় গেলে কি অসুবিধে আছে?'
বিদেশি কালচারে বড় হয়ে ওঠা একটা মেয়ে এমন কথা বলতেই পারে।
তবুও আমি বলি,
'না মানে, বাসায় যাবে কেন?'
'না স্যার, অন্য কিছু না। জাস্ট থিসিসটার কাজ নিয়ে যেতে চাচ্ছি।'
'ও আচ্ছা।' বলে আমি অনুমতি দিয়েছিলাম। রিজওয়ানার উদার ও খোলামেলা চরিত্রটিকে আমি নষ্ট করতে চাইনি। আসলে আমার বাসায় একটা কাজের ছেলে ছাড়া কেউ থাকে না। ইউনিভার্সিটির কোয়ার্টার। আমি সাধারণত ছাত্রীদের আমার বাসায় আসতে উৎসাহিত করি না। ছাত্ররা আসে। পড়াশোনা নিয়ে আলোচনা ছাড়াও সিনিয়র স্টুডেন্টরা আড্ডাবাজিও করে। ওরাই আমার বন্ধু-সন্তান-ভাই, আমার বাসাটা আমার নয়, মাঝে মাঝে ওরাই দখল করে ফেলে। আমি যে আমার বাসায় ছাত্রীদের অ্যালাউ করি না, এই ছেলেগুলো জানে। কিন্তু রিজওয়ানার বিষয়টায় ওরা কেউ কিছু জানতে চায়নি আমার কাছে।
রিজওয়ানা কি আমাকে পছন্দ করে?
মেয়েটাকে আমারও পছন্দ প্রথম থেকেই। যেদিন প্রথম ও ডিপার্টমেন্টে আমার রুমে 'মে আই কাম ইন স্যার?' বলে ঢুকে পড়েছিল, সেদিন ভীষণ ভালো লেগে গিয়েছিল আমার। ঝকঝকে চেহারা, নাক-মুখ কাটা-কাটা, ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক, চুলগুলোকে পনি-টেল করে ছেড়ে দেওয়া পিঠের ওপর। ভালো লেগে যাবার মতো মুখটা।
আমার ভেতরে কি তখন অন্য কিছু খেলা করছিল? অন্য কোনো চিন্তা অথবা আকাঙ্ক্ষা? অথবা সব পুরুষেরই যা হয়, তেমন কিছু? পুরুষ সবসময়ই পুরুষ, সত্তরেও সে থাকে ত্রিশের যুবকের মতো। যদিও বিয়ে-থা করিনি বলে আমার ভেতর এক ধরনের নীরবতা আছে। আমার ভেতর ঘুমিয়ে থাকা সেই উদ্দাম পুরুষটাকে আমি সামলে রাখি সবসময়। কিন্তু রক্ত-মাংসের মানুষ তো, জ্বলন্ত চুলোর ওপর কড়াইয়ের দুধের মতো মাঝে মাঝে বলক দেয়। তখন চুলোর আগুনটা কমিয়ে দেই।
তার পরও সহকর্মীদের চোখ এড়ায়নি বোধ হয়। দুপুরে চায়ের আড্ডায় প্রফেসর আজম তো একদিন বলেই বসেন,
'কী ব্যাপার চিরকুমার? কী সব শুনছি?'
'কী শুনছেন?'
আমার তো চমকে ওঠারই কথা।
পাশ থেকে আরেক সহকর্মী ফিসফিস করে বলেন,
'মনে রাখবেন, বয়স কিন্তু পঞ্চাশ পেরিয়েছে।'
'পঞ্চাশ তো আপনারও।'
ওদের প্রশ্নের উদ্দেশ্য পরিষ্কার আমার কাছে।
'না মানে, আমরা তো ত্রিশেই মরেছি, আপনি কি পঞ্চাশে এসে মরতে চান?'
এ ধরনের উস্কানিমূলক কথা গ্রাহ্য করতে নেই। আমি বলি,
'ছাত্রী তো।'
'ছাত্রী তো মেয়ে। নাকি মেয়ে নয়?'
ওদের যুক্তির কাছে কথা বলা মুশকিল।
রিজওয়ানা মাঝে মাঝেই আমার বাসায় আসে এখন। ড্রয়িংরুমে বসে। কাগজপত্র বের করে, নোট দেখায়। আমরা ঘণ্টা ধরে কাজ করি একেক দিন। চা-বিস্কুট খায়। কিন্তু কখনও ভেতর ঘরে যায় না, যদিও মাঝে মাঝে দরজার ফাঁক দিয়ে ভেতরে দেখতে চেষ্টা করে।
প্রথম যেদিন রিজওয়ানা এসেছিল আমার বাসায়, হাত থেকে থিসিসের কাগজপত্র নামিয়ে রাখতে রাখতে বলেছিল,
'স্যার, আপনার বাসাটা বেশ নিরিবিলি মনে হচ্ছে। পড়াশোনা করার চমৎকার জায়গা।'
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ওপর একটা প্রবন্ধ লিখছিলাম আমি দৈনিক পত্রিকার জন্য।
আমি চোখ তুলে বলেছিলাম,
'তোমার পড়াশোনার জন্য আমার বাসা ফ্রি। পুরো বাসাটাই তোমার।'
কিন্তু তবুও ড্রয়িংরুম ছাড়া অন্য ঘরে যায়নি ও।
একদিন কী একটা জটিল বিষয় নিয়ে আমরা আলাপ করছিলাম, হঠাৎ আচমকা, বলা নেই কওয়া নেই, আমাকে প্রশ্ন করে বসেছিল,
'স্যার, আপনি বিয়ে করেননি কেন?'
আমি ঠিক ওই সময়ে বিয়ে নিয়ে চিন্তা করছিলাম না। ফলে, কী জবাব দিয়েছিলাম এখন আর মনে নেই। তবে হয়তো বলেছিলাম, 'বিয়ে করব না কে বলেছে?'
আমার এই কথায় কি-না জানি না, দিন পনেরো আগে আমার লেখা নোটটা পড়তে পড়তে হঠাৎ ও সোফা থেকে উঠে ভেতর ঘরের দিকে চলে গিয়েছিল।
ও ঘুরে ঘুরে দেখেছিল আমার বাসা। বইপত্র, ম্যাগাজিন, ফাইল, আরও কি সব খুলে খুলে চোখ বুলাচ্ছিল। একসময় ড্রয়ার খুলে অ্যালবাম বের করে বলেছিল,
'স্যার, ছবিগুলো দেখি?'
আমি না করতে পারিনি। যদিও ওই অ্যালবামে একটি মাত্র ছবি ছিল যেটি রিজওয়ানার করা একদিনের প্রশ্নের জবাব হয়ে যেতে পারে।
অ্যালবাম খুলে ছাত্রীটি আমার বোকাই হয়ে গিয়েছিল বোধ হয়।
'স্যার, এই এতো বড় অ্যালবামে একটি মাত্র ছবি রেখেছেন?'
'হ্যাঁ, ওটাই আমার ছবি। আর কোনো ছবি রাখার প্রয়োজন মনে করি না।'
সাদা-কালো একটা ছবি, আমার আর নীতুর। আমার বয়স তখন চবি্বশ, নীতুর বোধ হয় বাইশ।
'স্যার, মেয়েটি কে?'
'ওটা রেখে দাও রিজওয়ানা।'
আমি একটু গম্ভীর হয়ে গিয়েছিলাম।
'আপনার পরিচিত?'
তারপর আরেকটা প্রশ্ন,
'আপনি ভালোবাসতেন?
তারপর একসঙ্গে অনেকগুলো,
'আপনাকে ছেড়ে চলে গেছে? দোষটা কি ওই ছবির মহিলার? বিট্রে করেছে আপনাকে?'
আমি লক্ষ্য করেছিলাম রিজওয়ানা বার বার ছবিটার দিকে তাকাচ্ছিল। কিছু কী খুঁজছিল ছবিটার মধ্যে? আমি আবার ওটা রেখে দেওয়ার জন্য ধমকের মতো দিতেই ওটা ড্রয়ারে রেখে আমার সামনে এসে বসেছিল। ক্ষুব্ধ দেখাচ্ছিল ওকে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম,
'কী খাবে? চা চলবে?'
ও কিছুই বলেনি, এমনকি মাথাও নাড়ায়নি। আমি কাজের ছেলেটাকে চা-বিস্কুট দিতে বলেছিলাম। আমি তখন ভাবছিলাম, মেয়েরা সত্যিই বড় অভিমানী হয়, নাকি পরশ্রীকাতর হয়? রিজওয়ানা কি আমাকে নিয়ে তেমন কিছু ভেবেছে, যেটা আমার সহকর্মীরা ইঙ্গিত করেছিলেন? এমন তরুণী একটা মেয়ে আমার মতো বয়সী মানুষকে নিয়ে ভাববে কেন? আমি যথাসময়ে বিয়ে করলে রিজওয়ানার মতো একটা মেয়ে থাকতে পারত আমার। তাছাড়া, রিজওয়ানার চরিত্রের সঙ্গে আমার চরিত্র মেলে না। ও চঞ্চল, প্রজাপতির মতো মেয়ে, আমি ঠিক তার বিপরীত, অন্তর্মুখী। সেই আমার সঙ্গে অন্য একটা মেয়ের ছবি দেখে রিজওয়ানা কি ক্ষুব্ধ হয়েছিল আমার ওপর?
রিজওয়ানা কয়েকদিন আর যোগাযোগ করেনি আমার সঙ্গে। ক্লাসেও আসেনি। প্রায় সপ্তাহ পার করে দিয়ে ও এলো। বেশ মলিন মনে হলো ওকে। বোঝাই যাচ্ছিল ঝড়-ঝাপটা পার করে সুস্থির হয়ে আবার পুরনো রূপে ফিরে এসেছে। ব্যাগ খুলে একটা টিফিন বক্স বের করে সেটা খুলে আমার সামনে এগিয়ে দিয়ে বলেছিল,
'আপনি খান।'
তখন সবেমাত্র একটা সিগারেট ধরিয়েছিলাম আমি। একটু ইতস্তত করাতে ও বলেছিল,
'সিগারেটটা ফেলে দিয়ে লুচি আর সুজি খান। আমার নিজ হাতে বানানো।'
'তুমি এসব আনতে গেলে কেন?'
'কেন, আমি কি আপনাকে খাওয়াতে পারি না? কেউ আপনাকে খাওয়াবার অঙ্গীকার করেছিল, খাওয়ায়নি, অথবা বলতে পারেন খাওয়াতে পারেনি। তাই বলে আমি পারব না তা আপনার মনে হলো কীভাবে?'
রিজওয়ানা এসব কী বলছে? ও কি নীতুর বিষয়টাকে সিরিয়াসলি নিয়েছে? আমি তো নীতুর সম্পর্কে কিছুই বলিনি ওকে। এমনকি নামটাও না। তবু আমার সঙ্গে নীতুর ছবি দেখে এমন ক্ষুব্ধ হলো কেন ও?
আমি ঘটনাটাকে আর দীর্ঘ করতে চাইনি। সিগারেটটা এসট্রেতে গুঁজে নির্বোধ বালকের মতো লুচি আর সুজি খেয়েছিলাম সরাসরি ওর টিফিন বক্স থেকে।
লুচি আর সুজি আমার খুব প্রিয় খাবার। রিজওয়ানার সেটা জানবার কথা নয়।
এরপর থেকে রিজওয়ানা কেমন যেন পাল্টে যেতে শুরু করেছিল। দেখা করবার আগে টেলিফোনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে নিয়ে আমার অফিস রুমে দেখা করতে আসত। আমি যখন ওর থিসিসের বিভিন্ন অংশ কাটাকুটি করতাম, ও কাগজপত্রের দিকে নয়, তাকিয়ে থাকত আমার মুখের দিকে। আমি দু'একবার হঠাৎ মুখ উঁচু করে ওর দিকে তাকালে দেখতাম, ও ছলছল চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। কেমন একটা মায়াবী মুখ ওর, একটা ঘোরলাগা ভালোবাসা লেপ্টে থাকত ওর চোখের ভেতর। আমি অস্বস্তিতে পড়ে যেতে শুরু করি।
একদিন রিজওয়ানা খুব ইমোশনাল ছিল বোধ হয়। বলছিল,
'আপনি তো জানেন আমার বাবা বেঁচে নেই। আমার আর কোনো ভাইবোনও নেই। মা'ই আমার সব। আমার সব কথা মাকেই বলি। ভালোমন্দ সবকিছু শেয়ার করি তার সঙ্গে। বাবা ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার, লন্ডনে একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। আমার জন্ম ওখানেই। স্কুল লেভেলের লেখাপড়াটা লন্ডনে করি। তারপর কোম্পানি বাবাকে দুবাইতে একটা প্রজেক্টে পাঠায়। কন্সট্রাকশনের কাজ। আমরা সবাই দুবাই চলে যাই। ব্যস, ওখানেই প্রজেক্টের একটা অ্যাক্সিডেন্টে বাবা মারা যান। আমার গ্র্যাজুয়েশনটা শেষ করি ওই অবস্থাতেই।' আমি কথার মাঝখানে জিজ্ঞেস করেছিলাম,
'দুবাই থেকে তো লন্ডনে চলে যেতে পারতে। বাংলাদেশে এলে কেন?'
রিজওয়ানা মাথাটা নিচু করে নিয়ে স্বগতোক্তির মতো বলেছিল,
'হয়তো আপনার সঙ্গে দেখা হয়ে যাবে বলে।'
বুকের ভেতরটা আমার দুলে উঠেছিল হঠাৎ করে।
অবিবাহিত পুরুষের সামনে এ ধরনের কথা ইঙ্গিতপূর্ণ। আমার ভেতর রিজওয়ানা কী পেল যে, অমন করে বলতে পারল? ভালোবাসা জিনিসটা কেমন, দৈর্ঘ্যে-প্রস্থ-উচ্চতায় কতটুকু হয়, কতটুকু আকার তার, বুকের কোথায় তার স্থায়ী আবাস, এসব বুঝে ওঠার আগেই আমি হারিয়ে ফেলেছি ভালোবাসার মোহ। নীতু যাবার সময় সবটুকু খাবলে-খুবলে তুলে নিয়ে চলে গেছে শিকড়সহ। রিজওয়ানা কি আবার কিছু পুঁতে দিল এই অবেলায়?
সেদিন বিকেলে আমি ক্যাম্পাস থেকে বাসায় না ফিরে চলে গিয়েছিলাম বসুন্ধরা শপিং মলে। আমি একবারই মাত্র গিয়েছিলাম মলটি চালু হওয়ার পর। তাও কেনাকাটা করতে নয়। সিনেপ্লেক্সে একটা ছবি দেখার জন্য আমার ছাত্রবন্ধুদের সঙ্গে। ওরাই জোর করে আমাকে নিয়ে গিয়েছিল।
এবার আমি একলাই যাই।
নানা দোকান ঘুরে ঘুরে আমি একটা গর্জিয়াস শাড়ি কিনি। আমি আসলে শাড়ি-টাড়ি কখনও কিনিনি। মা বেঁচে থাকতে বাড়িতে মায়ের কাছে টাকা পাঠিয়ে দিতাম, মা কিনে নিতেন। নীতুর সঙ্গে সম্পর্কটা শাড়ি দেবার পর্যায়ে গেলেও তখন তা কিনে দেওয়া যায়নি আর্থিক কারণে। যখন কিনে দেওয়ার মতো অর্থকড়ি জমেছে তখন নীতু অনেক দূরে চলে গেছে।
মনে পড়ে, নীতু একদিন হাসতে হাসতে বলেছিল,
'এবার পহেলা বৈশাখে তুমি আমাকে একটা শাড়ি কিনে দেবে। আমি ওটা পরে সারা শহর ঘুরে বেড়াব।'
খালি মানিব্যাগ উল্টে দেখিয়ে বলেছিলাম,
'এই মানিব্যাগে ভবিষ্যতে যত টাকা জমবে সব টাকা থাকবে শুধু তোমার শাড়ি কেনার জন্য।'
নীতু কি কষ্ট পেয়েছিল ওকে শাড়ি কিনে দিতে পারিনি বলে? হতে পারে। মেয়েরা কখন কিসে কখন কষ্ট পায় বোঝা মুশকিল।
শাড়িটা আমি রিজওয়ানার জন্য কিনেছিলাম। গিফট দেব শুনে সেলসম্যান চমৎকার র্যাপিং করে দিয়েছিল। টিএসসির মোড়ে ট্যাক্সিটা ছেড়ে দিয়ে আমি হাঁটতে শুরু করেছিলাম। চমৎকার একটা আকাশ, আকাশভরা তারা, রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের আলোয় আমি পা ফেলে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছিলাম বাসার দিকে। কলাভবনের সামনের সড়কের ফুটপাথে আমি আনমনে দাঁড়িয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ। কিছু কি দেখেছিলাম আমি? নাকি ভাবছিলাম জীবনের এই পড়ন্ত বেলায় এসে আমি কীভাবে জড়িয়ে যাচ্ছি ভালোবাসার মায়াজালে? ভালোবাসা কি তেমনই কিছু যে পৃথিবীর তাবত কিছুকে অগ্রাহ্য করে জায়গা করে নেয় সবার ওপরে?
রিজওয়ানাকে আমি ছোট্ট একটা মেসেজ দিয়েছিলাম পরদিন বাসায় আমার সঙ্গে দেখা করবার জন্য।
ও ফিরতি মেসেজে জানিয়েছিল রিসার্চের লিটারেচার রিভিউ অংশটা প্রায় শেষ করে এনেছে। ওটা শেষ হলেই সে বাসায় সেগুলো নিয়ে আসবে আমাকে দেখাবার জন্য।
আমি শাড়িটা আলমারিতে উঠিয়ে রেখেছিলাম। রিজওয়ানা শাড়িটা পেয়ে নিশ্চয়ই খুব খুশি হবে। চঞ্চল মেয়েরা অল্পতেই খুশি হয় বলে কোথায় জানি পড়েছিলাম।
আজ আসার কথা ছিল রিজওয়ানার। কিন্তু ভার্সিটিতে গণ্ডগোল সব পরিকল্পনা নষ্ট করে দিল।
কাল যদি রিজওয়ানা আসে!
দিনটা ভালো গেল না। ছাত্রদের কয়েকজন এলো সন্ধ্যেবেলায়। ওরা আসায় কিছুটা স্বস্তি পেলাম বোধহয়। চানাচুর, মুড়িভাজা, পাকুড়া আর গরম চায়ে আড্ডাটা জমে উঠল। আড্ডাটা জমলো প্রধানত রাজনীতি নিয়ে। গণতন্ত্র, অবরোধ, হরতাল ইত্যাদি প্রসঙ্গই ঘুরে-ফিরে চলে এলো। রাজনীতিবিজ্ঞানের ছাত্রদের আড্ডাবাজি মানেই লেখাপড়া। বই খুলে পড়ার দরকার হয় না, চোখে যা দেখছো তা-ই তোমার বিষয়। যেন প্রশ্ন তৈরি, ব্যাখ্যা করো_ হোয়াট ইজ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হোয়াট ইজ অটোক্রেসি।
কিন্তু দেশ বিভাগ নিয়ে রিজওয়ানা যে গবেষণা শুরু করেছে তা যেন কোনোদিন শেষ না হয়। চলতেই থাক। একটা ঘোরের ভেতর কথাগুলো আমার মনে হয়। ডিপার্টমেন্টে দেখা করতে এলো ও। আমি বললাম, 'বাসায় চলো।'
'কেন?'
কেন বলল বটে, কিন্তু ওই কেন'র ভেতর লুকিয়েছিল ফুলের সৌরভ, যেন শব্দটা ধারণ করেছিল পৃথিবীর সব মায়া-মমতা আর ভালোবাসা।
কলাভবন থেকে বেরিয়ে আমরা হাঁটতে শুরু করলাম।
'গাড়ি নেবো না?'
'প্রয়োজন নেই। চলো হাঁটি। ভালোই লাগছে হাঁটতে।' আমি বলি।
বাসায় পেঁৗছে দেখি কাজের ছেলেটা মাগুর মাছের ঝোল আর ডিম ভাজি করেছে।
আমি রিজওয়ানাকে বললাম,
'এ তরকারি দিয়ে লাঞ্চ করতে আপত্তি নেই তো?'
ও কোনো জবাব দিল না। ড্রয়িং রুমের সোফায় বসে পড়লো। আমি টেবিলে দুটো প্লেট লাগাতে বলে ওয়াশরুমে যাই। পানির ঝাঁপটা দিই চোখেমুখে। আয়নায় চোখ যায় আমার। কানের ওপরে সাদা চুলগুলোতে আঙুল যায়। চোখের নিচে গভীর কালি না থাকলেও কপালের ভাঁজটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আমি এভাবে কেন দেখছি ভেবে নিজেরই হাসি পায়। পঞ্চাশ বছর বয়স পেরুনো মানুষ আমি, চাইলেই ত্রিশে নামতে পারব না। সময় সব মানুষকে ক্রমেই ঠেলে নিয়ে যায় না ফেরার সীমানায়।
শাড়িটা রিজওয়ানা নিল কোনো প্রতিবাদ না করেই। শুধু জিজ্ঞেস করল,
'শাড়িটা আপনি আমার জন্যই কিনেছেন?'
'হ্যাঁ, বলতে পারো শুধু তোমার জন্যই।'
কথাটা বলতে পেরে আমার বুকটা অনেকটাই হালকা হয়ে গেল। শাড়িটা কেনার পর থেকে মুহূর্তগুলো জগদ্দল পাথরের মতো বুকের ভেতর একটু একটু করে ভারী হয়েছে, রিজওয়ানা যদি রি-অ্যাক্ট করে এই আশঙ্কায়। কিন্তু ও স্বাভাবিকভাবে নেওয়ায় হঠাৎ আমার ভেতর কী যে হলো, আমি দু'হাতে রিজওয়ানার কাঁধটা শক্ত করে ধরে ওর ঠোঁটে চুমু দিতে চাইলাম। মেয়েটা এবারও রি-অ্যাক্ট করল না। শুধু কপালটা এগিয়ে দিয়ে বলল,
'ঠোঁটে নয়, কপালে দিন।'
একটু থমকে গেলেও পরক্ষণে নিজেকে সামলে নিয়ে ওর কপালে আলতো করে আমার ঠোঁটের স্পর্শ বসিয়ে দিলাম। রিজওয়ানা কি কেঁপে উঠল ভেতরে ভেতরে? হয়তো কাঁপল না। কিন্তু আমি কাঁপতে থাকলাম, আনন্দে নাকি আশঙ্কায় বুঝতে পারলাম না। পুরো ঘটনাটা এত দ্রুত ঘটে গেল যে, আমি নিজেকে সামাল দিতে পারলাম না। ভালো-মন্দ, সঠিক-বেঠিক কোনো চিন্তা করার আগেই সব সিদ্ধান্ত যেন গৃহীত হয়ে গেল এক চুম্বনে। আমি অপরাধীর মতো সোফায় গিয়ে বসলাম। রিজওয়ানার দিকে চোখ তুলে তাকাতে সংকোচ হতে লাগল, ভীষণ অপরাধী মনে হলো নিজেকে। শিক্ষকের সঙ্গে ছাত্রীর সম্পর্ক পিতা-কন্যার মতো, ছিঃ আমি এ কী করলাম?
শাড়িটা ব্যাগের ভেতর ঢুকিয়ে নিয়ে থিসিসের টাইপ করা কাগজপত্রগুলো আমার সামনের সেন্টার টেবিলে গুছিয়ে রেখে রিজওয়ানা ধীর পায়ে বেরিয়ে গেল দরজা ঠেলে।
আমি কতক্ষণ ওইভাবে বসেছিলাম মনে নেই।
হয়তো কিছুক্ষণ, অথবা অনেকটা সময়।
জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে চোখ গেল বাইরে, অন্ধকার নামছে। ক্যাম্পাসের ছোট-বড় বৃক্ষরাজিতে অনেক পাখির বাস, ওদের কিচিরমিচির শব্দ ভেসে এলো কানে।
হঠাৎ মোবাইল ফোনে একটা মেসেজ আসার শব্দ হলো। হাত বাড়িয়ে ফোনটা নিলাম।
রিজওয়ানার মেসেজ। লিখেছে আগামীকাল সন্ধ্যায় ওর বাসায় আমার দাওয়াত। গাড়ি পাঠিয়ে দেবে, আমি যেন সেজেগুজে যাই। না, রিজওয়ানা স্যার সম্বোধন করেনি আমাকে। ইদানীং ও আমাকে স্যার বলে ডাকছে না, সেটা লক্ষ্য করেছি। 'সেজেগুজে যাই' কথাটায় হাসি পেল আমার। ছাত্রীর বাসায় শিক্ষক যাবে, সেজেগুজে যাওয়ার কী আছে? নাকি রিজওয়ানা সত্যি সত্যি কোনো ডিসিশন নিতে যাচ্ছে? আজ রাতটায় ভালো ঘুম হবে ভেবেছিলাম, কিন্তু টেনশনে আমি প্রায় জেগেই থাকলাম।
সকালে ঘুম থেকে উঠে খুব বিষণ্ন বোধ হতে লাগল। এটা অপরাধ না আনন্দের প্রতিক্রিয়া বুঝতে পারলাম না। আমি আর ক্যাম্পাসে গেলাম না। একটা চিঠি পাঠিয়ে ছুটি নিয়ে নিলাম।
সকাল থেকে সন্ধ্যা অনেক দীর্ঘ সময় বোধহয়। অন্তত আমার কাছে আজ তাই মনে হচ্ছে। লেখার টেবিলে বসলাম, লেখা হলো না। এক কলমও লিখতে পারলাম না। টিভি খুলে বসলাম, আমি সাধারণত সিএনএস, বিবিসি, আলজাজিরা দেখি, আজকে সেখানেও মন বসাতে পারলাম না। ঘরের ভেতর হেঁটে বেড়ালাম কিছুক্ষণ, কিন্তু টেনশন কাটছে না। হুমায়ূন আহমেদের 'নন্দিত নরকে'র লম্পট মাস্টারটার কথা ঘুরে-ফিরে মাথায় আসছে।
সন্ধ্যার পর পর দরজায় বেল দিল ড্রাইভার। আমি প্রায় প্রস্তুত হয়েই ছিলাম। পায়জামা-পাঞ্জাবি পরেছি। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অবলোকন করেছি নিজেকে। মন্দ লাগছে না। বহুদিন এভাবে নিজেকে দেখা হয়নি। আজ দেখলাম। রিজওয়ানা কেন আমাকে ডেকে নিচ্ছে ওর বাসায় আমি জানি না, জিজ্ঞেসও করিনি। তবে ও যদি আমাকে নিয়ে কিছু ভেবে থাকে, আমি আপত্তি করব না। ওর মাকে কি ও রাজি করাতে পেরেছে? বয়সের এমন বিস্তর ফারাক, কোনো অভিভাবকের রাজি হওয়ার কথা নয়।
আমি কেন এমন ভাবছি আজ? গত পঁচিশ বছরে যে আমি কখনও কোনো নারী, নারীর সংসর্গ বা বিয়ে নিয়ে ভাবিনি, সে আমি কোন্ মোহে নতুন করে জীবনের পাতা খোলার পরিকল্পনা করছি? রিজওয়ানা আমাকে কিছু বলেনি, কিন্তু ওর সব ইশারা-ইঙ্গিত আমাকে শেষ পর্যন্ত ওই দিকেই ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে তা আমি আন্দাজ করতে পারছিলাম।
গাড়ির কাছে এসে দেখি, রিজওয়ানা গাড়ির দরজা খুলে দাঁড়িয়ে আছে, অথচ ওর আসবার কথা ছিল না। চমৎকার একটি শাড়ি পরেছে ও, কিন্তু গতকাল আমার দেওয়া শাড়িটা নয়। দুটো বিষয়ই আমাকে ভাবালো। কিন্তু ভাবনাটা মুহূর্তকালের মধ্যে উবে গেল, যখন রিজওয়ানা বলল,
'আপনাকে চমৎকার লাগছে, একেবারে আমার মনের মতো।'
রিজওয়ানা গাড়িতে আমার পাশে বসল।
গাড়ি গলি পেরিয়ে এসে উঠল রাজপথে। তারপর সোজা ছুটে চলল বারিধারার দিকে। আমি জানতাম রিজওয়ানা বারিধারায় ওদের নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্টে থাকে।
রাস্তার সোডিয়াম বাতিগুলো জ্বলে উঠেছে। গাড়ির তেমন চাপ নেই রাস্তায়। রিজওয়ানা খুব সন্তর্পণে কিন্তু স্বাভাবিকভাবে ওর বাঁ হাতটা আমার ডান হাতের ওপর রাখলো। আমি দেখলাম, কিন্তু হাতটা সরালাম না। ও যদি এতে আনন্দ পায় পাক।
বিশাল ছয়তলা অ্যাপার্টমেন্টের সামনে এসে গাড়িটা থামল। রিজওয়ানা গাড়ি থেকে দ্রুত নেমে এসে আমার পাশের দরজা খুলে আমাকে নামাল। তারপর আমার হাত ধরে একরকম টানতে টানতে লিফটের গোড়ায় নিয়ে এলো। লিফটের দরজা খুলে গেলে আমাকে নিয়ে ঢুকল ভেতরে। আমি মেয়ের সাহস দেখে বাঙালিচোখে অবাকই হচ্ছিলাম। লন্ডনে-দুবাইয়ে বড় হওয়া মেয়ে, এসব হয়তো ওর কাছে কিছুই নয়।
লিফট থেকে নেমে কয়েক কদম এগোতেই চমৎকার ডিজাইন করা সেগুন কাঠের ভারী একটি দরজার সামনে এসে দাঁড়ালাম আমরা। ও আঙুলে টিপ দিয়ে বেল বাজালো।
'এটাই তোমাদের বাসা?'
আমি পরিবেশটাকে হালকা করার জন্য জিজ্ঞেস করলাম।
'জি্ব।'
'চমৎকার দরজাটা।'
আমার কথা শেষ হবার আগেই খুলে গেল ওটা। আর দরজাটা খুলে যে আমার সামনে দাঁড়াল সে আর কেউ নয়, ফারজানা আহমেদ। আমি যাকে নীতু বলে ডাকতাম।
রিজওয়ানা আঙুল তুলে বললো_
'সি ইজ মাই মাদার, আমার মা।'
নীতুর পরনে সেই শাড়িটা, যেটা আমি রিজওয়ানাকে কাল দিয়েছিলাম।
আমার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হলো না। পা দুটো খুব ভারী মনে হলো।
নীতুর মুখটা ঠিক ওই রকমই আছে, শুধু ভারী হয়েছে শরীরটা, চুলগুলো একটু একটু সাদাটে হয়েছে, এই যা তফাত।
নীতু একটু হাসলো, সেই পরিচিত হাসি। তারপর বলল,
'ভেতরে এসো।'
রিজওয়ানা আমার ধরে রাখা হাতটা ছেড়ে দিল আলতোভাবে।
কিন্তু মেয়েটাই ফোন করলো। ওর নাম রিজওয়ানা চৌধুরী।
'আজ নিশ্চয়ই ডিপার্টমেন্টে যাবেন না?'
'তুমি কী করে বুঝলে?'
'টেলিভিশনে নিউজ দেখে।'
'ঠিকই ধরেছো। আজ বাদ দাও। তোমাকে যে অংশটা রি-টাইপ করতে বলেছি, ওটা বরং আজ লেখো। কাল পরিস্থিতি দেখে আসতে বলবো তোমাকে।'
রিজওয়ানা সালাম দিয়ে ফোনটা রেখে দিল।
রিজওয়ানা আমার তত্ত্বাবধানে মাস্টার্স ক্লাসের থিসিস করছে একটা। দুবাইয়ের একটা কলেজে গ্র্যাজুয়েশন করে বাংলাদেশে চলে এসেছে ও। ওর স্কুলিংটা লন্ডনে হয়েছে। মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েই। রেজাল্ট ভালো। চমৎকার ইংরেজি বলে এবং লেখেও। ওর থিসিসের বিষয়টা ওরই ঠিক করা- 'The Partition of Bengal in 1947 : The Demographic Impact and Paradox of Bengali People..' বিষয়টা আমার পছন্দ হয়েছিল। ওর সঙ্গে আলাপ করেছিলাম বিষয়টা নিয়ে, কেন সে বিষয়টা বেছে নিল তা জানবার জন্য। ও এক পৃষ্ঠার ছোট্ট একটা সারসংক্ষেপ দিয়েছিল আমাকে। ভালো লেগেছিল আমার। ও নতুন কিছু বলতে চায়। এ বিষয়ে বহু গবেষণা হয়েছে, তার পরও আমি ওর নতুন চিন্তা-ভাবনার জন্য বিষয়টা পছন্দ করি। ডিপার্টমেন্টের একাডেমিক কমিটি ওটা পাস করে দেয়।
রিজওয়ানাকে আমি ইন্টারনেট থেকে সব রিলেটেড লিটারেচার সংগ্রহ করতে বলেছিলাম। ওটা শেষ হলে ভার্সিটির লাইব্রেরি ঘেঁটে ১৯৪৭-এর দেশ বিভাগ নিয়ে যা বই আছে তা পড়ে একটা সিনোপসিস তৈরি করতেও বলি। মেয়েটা ঠিক ঠিক সব করে। সব কথা শোনে। কিন্তু ওর দোষ বা গুণ যা-ই বলি না কেন, বড় চঞ্চল ও। আমি যখন ওর লেখা দেখি বা বই খুলে কিছু খুঁজি ও ভীষণ উসখুস করে। চবি্বশ-পঁচিশ বছর বয়সের একটা মেয়ে চঞ্চল হতেই পারে। কিন্তু গবেষণা এমন একটা বিষয়, যা খুব স্থিরভাবে স্থির চিন্তায় করতে হয়। রিজওয়ানার ওটা নেই।
কিন্তু কোনো বিষয়ে ও একবার চোখ বুলিয়ে নিলেই হয়, মূল বিষয়টা ও ধরে নেয়, দ্বিতীয়বার সে ওটা আর পড়ে না। আমি তার এই বিষয়টা প্রথমে ঠিক বুঝতে পারিনি। কিন্তু দশ দিন আগে পড়া কোনো বিষয় নিয়ে যখন আলোচনা করি তখন ও ঠিক ঠিক রেফারেন্স ধরে সব বলে দিতে পারে। ফলে, ওর কাজের সততার নিচে ওর চঞ্চলতা চাপা পড়ে যায়। রিজওয়ানা অসম্ভব মেধাবী এটা আমি মেনে নিয়েছি। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে ও আমার রুমে চলে আসে। থিসিসের পার্টগুলো দেখায়। কখনও আমি সঙ্গে সঙ্গে দেখে দিই, কখনও রেখে দিই পরে দেখে দেবো বলে।
রিজওয়ানা একদিন বলেছিল,
'স্যার, ডিপার্টমেন্টে আপনি ব্যস্ত থাকেন। সময় পান না। আমিও ক্লাসে থাকি। বিকেলের পর বাসায় গেলে কি অসুবিধে আছে?'
বিদেশি কালচারে বড় হয়ে ওঠা একটা মেয়ে এমন কথা বলতেই পারে।
তবুও আমি বলি,
'না মানে, বাসায় যাবে কেন?'
'না স্যার, অন্য কিছু না। জাস্ট থিসিসটার কাজ নিয়ে যেতে চাচ্ছি।'
'ও আচ্ছা।' বলে আমি অনুমতি দিয়েছিলাম। রিজওয়ানার উদার ও খোলামেলা চরিত্রটিকে আমি নষ্ট করতে চাইনি। আসলে আমার বাসায় একটা কাজের ছেলে ছাড়া কেউ থাকে না। ইউনিভার্সিটির কোয়ার্টার। আমি সাধারণত ছাত্রীদের আমার বাসায় আসতে উৎসাহিত করি না। ছাত্ররা আসে। পড়াশোনা নিয়ে আলোচনা ছাড়াও সিনিয়র স্টুডেন্টরা আড্ডাবাজিও করে। ওরাই আমার বন্ধু-সন্তান-ভাই, আমার বাসাটা আমার নয়, মাঝে মাঝে ওরাই দখল করে ফেলে। আমি যে আমার বাসায় ছাত্রীদের অ্যালাউ করি না, এই ছেলেগুলো জানে। কিন্তু রিজওয়ানার বিষয়টায় ওরা কেউ কিছু জানতে চায়নি আমার কাছে।
রিজওয়ানা কি আমাকে পছন্দ করে?
মেয়েটাকে আমারও পছন্দ প্রথম থেকেই। যেদিন প্রথম ও ডিপার্টমেন্টে আমার রুমে 'মে আই কাম ইন স্যার?' বলে ঢুকে পড়েছিল, সেদিন ভীষণ ভালো লেগে গিয়েছিল আমার। ঝকঝকে চেহারা, নাক-মুখ কাটা-কাটা, ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক, চুলগুলোকে পনি-টেল করে ছেড়ে দেওয়া পিঠের ওপর। ভালো লেগে যাবার মতো মুখটা।
আমার ভেতরে কি তখন অন্য কিছু খেলা করছিল? অন্য কোনো চিন্তা অথবা আকাঙ্ক্ষা? অথবা সব পুরুষেরই যা হয়, তেমন কিছু? পুরুষ সবসময়ই পুরুষ, সত্তরেও সে থাকে ত্রিশের যুবকের মতো। যদিও বিয়ে-থা করিনি বলে আমার ভেতর এক ধরনের নীরবতা আছে। আমার ভেতর ঘুমিয়ে থাকা সেই উদ্দাম পুরুষটাকে আমি সামলে রাখি সবসময়। কিন্তু রক্ত-মাংসের মানুষ তো, জ্বলন্ত চুলোর ওপর কড়াইয়ের দুধের মতো মাঝে মাঝে বলক দেয়। তখন চুলোর আগুনটা কমিয়ে দেই।
তার পরও সহকর্মীদের চোখ এড়ায়নি বোধ হয়। দুপুরে চায়ের আড্ডায় প্রফেসর আজম তো একদিন বলেই বসেন,
'কী ব্যাপার চিরকুমার? কী সব শুনছি?'
'কী শুনছেন?'
আমার তো চমকে ওঠারই কথা।
পাশ থেকে আরেক সহকর্মী ফিসফিস করে বলেন,
'মনে রাখবেন, বয়স কিন্তু পঞ্চাশ পেরিয়েছে।'
'পঞ্চাশ তো আপনারও।'
ওদের প্রশ্নের উদ্দেশ্য পরিষ্কার আমার কাছে।
'না মানে, আমরা তো ত্রিশেই মরেছি, আপনি কি পঞ্চাশে এসে মরতে চান?'
এ ধরনের উস্কানিমূলক কথা গ্রাহ্য করতে নেই। আমি বলি,
'ছাত্রী তো।'
'ছাত্রী তো মেয়ে। নাকি মেয়ে নয়?'
ওদের যুক্তির কাছে কথা বলা মুশকিল।
রিজওয়ানা মাঝে মাঝেই আমার বাসায় আসে এখন। ড্রয়িংরুমে বসে। কাগজপত্র বের করে, নোট দেখায়। আমরা ঘণ্টা ধরে কাজ করি একেক দিন। চা-বিস্কুট খায়। কিন্তু কখনও ভেতর ঘরে যায় না, যদিও মাঝে মাঝে দরজার ফাঁক দিয়ে ভেতরে দেখতে চেষ্টা করে।
প্রথম যেদিন রিজওয়ানা এসেছিল আমার বাসায়, হাত থেকে থিসিসের কাগজপত্র নামিয়ে রাখতে রাখতে বলেছিল,
'স্যার, আপনার বাসাটা বেশ নিরিবিলি মনে হচ্ছে। পড়াশোনা করার চমৎকার জায়গা।'
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বোঝাপড়ার ওপর একটা প্রবন্ধ লিখছিলাম আমি দৈনিক পত্রিকার জন্য।
আমি চোখ তুলে বলেছিলাম,
'তোমার পড়াশোনার জন্য আমার বাসা ফ্রি। পুরো বাসাটাই তোমার।'
কিন্তু তবুও ড্রয়িংরুম ছাড়া অন্য ঘরে যায়নি ও।
একদিন কী একটা জটিল বিষয় নিয়ে আমরা আলাপ করছিলাম, হঠাৎ আচমকা, বলা নেই কওয়া নেই, আমাকে প্রশ্ন করে বসেছিল,
'স্যার, আপনি বিয়ে করেননি কেন?'
আমি ঠিক ওই সময়ে বিয়ে নিয়ে চিন্তা করছিলাম না। ফলে, কী জবাব দিয়েছিলাম এখন আর মনে নেই। তবে হয়তো বলেছিলাম, 'বিয়ে করব না কে বলেছে?'
আমার এই কথায় কি-না জানি না, দিন পনেরো আগে আমার লেখা নোটটা পড়তে পড়তে হঠাৎ ও সোফা থেকে উঠে ভেতর ঘরের দিকে চলে গিয়েছিল।
ও ঘুরে ঘুরে দেখেছিল আমার বাসা। বইপত্র, ম্যাগাজিন, ফাইল, আরও কি সব খুলে খুলে চোখ বুলাচ্ছিল। একসময় ড্রয়ার খুলে অ্যালবাম বের করে বলেছিল,
'স্যার, ছবিগুলো দেখি?'
আমি না করতে পারিনি। যদিও ওই অ্যালবামে একটি মাত্র ছবি ছিল যেটি রিজওয়ানার করা একদিনের প্রশ্নের জবাব হয়ে যেতে পারে।
অ্যালবাম খুলে ছাত্রীটি আমার বোকাই হয়ে গিয়েছিল বোধ হয়।
'স্যার, এই এতো বড় অ্যালবামে একটি মাত্র ছবি রেখেছেন?'
'হ্যাঁ, ওটাই আমার ছবি। আর কোনো ছবি রাখার প্রয়োজন মনে করি না।'
সাদা-কালো একটা ছবি, আমার আর নীতুর। আমার বয়স তখন চবি্বশ, নীতুর বোধ হয় বাইশ।
'স্যার, মেয়েটি কে?'
'ওটা রেখে দাও রিজওয়ানা।'
আমি একটু গম্ভীর হয়ে গিয়েছিলাম।
'আপনার পরিচিত?'
তারপর আরেকটা প্রশ্ন,
'আপনি ভালোবাসতেন?
তারপর একসঙ্গে অনেকগুলো,
'আপনাকে ছেড়ে চলে গেছে? দোষটা কি ওই ছবির মহিলার? বিট্রে করেছে আপনাকে?'
আমি লক্ষ্য করেছিলাম রিজওয়ানা বার বার ছবিটার দিকে তাকাচ্ছিল। কিছু কী খুঁজছিল ছবিটার মধ্যে? আমি আবার ওটা রেখে দেওয়ার জন্য ধমকের মতো দিতেই ওটা ড্রয়ারে রেখে আমার সামনে এসে বসেছিল। ক্ষুব্ধ দেখাচ্ছিল ওকে। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম,
'কী খাবে? চা চলবে?'
ও কিছুই বলেনি, এমনকি মাথাও নাড়ায়নি। আমি কাজের ছেলেটাকে চা-বিস্কুট দিতে বলেছিলাম। আমি তখন ভাবছিলাম, মেয়েরা সত্যিই বড় অভিমানী হয়, নাকি পরশ্রীকাতর হয়? রিজওয়ানা কি আমাকে নিয়ে তেমন কিছু ভেবেছে, যেটা আমার সহকর্মীরা ইঙ্গিত করেছিলেন? এমন তরুণী একটা মেয়ে আমার মতো বয়সী মানুষকে নিয়ে ভাববে কেন? আমি যথাসময়ে বিয়ে করলে রিজওয়ানার মতো একটা মেয়ে থাকতে পারত আমার। তাছাড়া, রিজওয়ানার চরিত্রের সঙ্গে আমার চরিত্র মেলে না। ও চঞ্চল, প্রজাপতির মতো মেয়ে, আমি ঠিক তার বিপরীত, অন্তর্মুখী। সেই আমার সঙ্গে অন্য একটা মেয়ের ছবি দেখে রিজওয়ানা কি ক্ষুব্ধ হয়েছিল আমার ওপর?
রিজওয়ানা কয়েকদিন আর যোগাযোগ করেনি আমার সঙ্গে। ক্লাসেও আসেনি। প্রায় সপ্তাহ পার করে দিয়ে ও এলো। বেশ মলিন মনে হলো ওকে। বোঝাই যাচ্ছিল ঝড়-ঝাপটা পার করে সুস্থির হয়ে আবার পুরনো রূপে ফিরে এসেছে। ব্যাগ খুলে একটা টিফিন বক্স বের করে সেটা খুলে আমার সামনে এগিয়ে দিয়ে বলেছিল,
'আপনি খান।'
তখন সবেমাত্র একটা সিগারেট ধরিয়েছিলাম আমি। একটু ইতস্তত করাতে ও বলেছিল,
'সিগারেটটা ফেলে দিয়ে লুচি আর সুজি খান। আমার নিজ হাতে বানানো।'
'তুমি এসব আনতে গেলে কেন?'
'কেন, আমি কি আপনাকে খাওয়াতে পারি না? কেউ আপনাকে খাওয়াবার অঙ্গীকার করেছিল, খাওয়ায়নি, অথবা বলতে পারেন খাওয়াতে পারেনি। তাই বলে আমি পারব না তা আপনার মনে হলো কীভাবে?'
রিজওয়ানা এসব কী বলছে? ও কি নীতুর বিষয়টাকে সিরিয়াসলি নিয়েছে? আমি তো নীতুর সম্পর্কে কিছুই বলিনি ওকে। এমনকি নামটাও না। তবু আমার সঙ্গে নীতুর ছবি দেখে এমন ক্ষুব্ধ হলো কেন ও?
আমি ঘটনাটাকে আর দীর্ঘ করতে চাইনি। সিগারেটটা এসট্রেতে গুঁজে নির্বোধ বালকের মতো লুচি আর সুজি খেয়েছিলাম সরাসরি ওর টিফিন বক্স থেকে।
লুচি আর সুজি আমার খুব প্রিয় খাবার। রিজওয়ানার সেটা জানবার কথা নয়।
এরপর থেকে রিজওয়ানা কেমন যেন পাল্টে যেতে শুরু করেছিল। দেখা করবার আগে টেলিফোনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে নিয়ে আমার অফিস রুমে দেখা করতে আসত। আমি যখন ওর থিসিসের বিভিন্ন অংশ কাটাকুটি করতাম, ও কাগজপত্রের দিকে নয়, তাকিয়ে থাকত আমার মুখের দিকে। আমি দু'একবার হঠাৎ মুখ উঁচু করে ওর দিকে তাকালে দেখতাম, ও ছলছল চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। কেমন একটা মায়াবী মুখ ওর, একটা ঘোরলাগা ভালোবাসা লেপ্টে থাকত ওর চোখের ভেতর। আমি অস্বস্তিতে পড়ে যেতে শুরু করি।
একদিন রিজওয়ানা খুব ইমোশনাল ছিল বোধ হয়। বলছিল,
'আপনি তো জানেন আমার বাবা বেঁচে নেই। আমার আর কোনো ভাইবোনও নেই। মা'ই আমার সব। আমার সব কথা মাকেই বলি। ভালোমন্দ সবকিছু শেয়ার করি তার সঙ্গে। বাবা ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার, লন্ডনে একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। আমার জন্ম ওখানেই। স্কুল লেভেলের লেখাপড়াটা লন্ডনে করি। তারপর কোম্পানি বাবাকে দুবাইতে একটা প্রজেক্টে পাঠায়। কন্সট্রাকশনের কাজ। আমরা সবাই দুবাই চলে যাই। ব্যস, ওখানেই প্রজেক্টের একটা অ্যাক্সিডেন্টে বাবা মারা যান। আমার গ্র্যাজুয়েশনটা শেষ করি ওই অবস্থাতেই।' আমি কথার মাঝখানে জিজ্ঞেস করেছিলাম,
'দুবাই থেকে তো লন্ডনে চলে যেতে পারতে। বাংলাদেশে এলে কেন?'
রিজওয়ানা মাথাটা নিচু করে নিয়ে স্বগতোক্তির মতো বলেছিল,
'হয়তো আপনার সঙ্গে দেখা হয়ে যাবে বলে।'
বুকের ভেতরটা আমার দুলে উঠেছিল হঠাৎ করে।
অবিবাহিত পুরুষের সামনে এ ধরনের কথা ইঙ্গিতপূর্ণ। আমার ভেতর রিজওয়ানা কী পেল যে, অমন করে বলতে পারল? ভালোবাসা জিনিসটা কেমন, দৈর্ঘ্যে-প্রস্থ-উচ্চতায় কতটুকু হয়, কতটুকু আকার তার, বুকের কোথায় তার স্থায়ী আবাস, এসব বুঝে ওঠার আগেই আমি হারিয়ে ফেলেছি ভালোবাসার মোহ। নীতু যাবার সময় সবটুকু খাবলে-খুবলে তুলে নিয়ে চলে গেছে শিকড়সহ। রিজওয়ানা কি আবার কিছু পুঁতে দিল এই অবেলায়?
সেদিন বিকেলে আমি ক্যাম্পাস থেকে বাসায় না ফিরে চলে গিয়েছিলাম বসুন্ধরা শপিং মলে। আমি একবারই মাত্র গিয়েছিলাম মলটি চালু হওয়ার পর। তাও কেনাকাটা করতে নয়। সিনেপ্লেক্সে একটা ছবি দেখার জন্য আমার ছাত্রবন্ধুদের সঙ্গে। ওরাই জোর করে আমাকে নিয়ে গিয়েছিল।
এবার আমি একলাই যাই।
নানা দোকান ঘুরে ঘুরে আমি একটা গর্জিয়াস শাড়ি কিনি। আমি আসলে শাড়ি-টাড়ি কখনও কিনিনি। মা বেঁচে থাকতে বাড়িতে মায়ের কাছে টাকা পাঠিয়ে দিতাম, মা কিনে নিতেন। নীতুর সঙ্গে সম্পর্কটা শাড়ি দেবার পর্যায়ে গেলেও তখন তা কিনে দেওয়া যায়নি আর্থিক কারণে। যখন কিনে দেওয়ার মতো অর্থকড়ি জমেছে তখন নীতু অনেক দূরে চলে গেছে।
মনে পড়ে, নীতু একদিন হাসতে হাসতে বলেছিল,
'এবার পহেলা বৈশাখে তুমি আমাকে একটা শাড়ি কিনে দেবে। আমি ওটা পরে সারা শহর ঘুরে বেড়াব।'
খালি মানিব্যাগ উল্টে দেখিয়ে বলেছিলাম,
'এই মানিব্যাগে ভবিষ্যতে যত টাকা জমবে সব টাকা থাকবে শুধু তোমার শাড়ি কেনার জন্য।'
নীতু কি কষ্ট পেয়েছিল ওকে শাড়ি কিনে দিতে পারিনি বলে? হতে পারে। মেয়েরা কখন কিসে কখন কষ্ট পায় বোঝা মুশকিল।
শাড়িটা আমি রিজওয়ানার জন্য কিনেছিলাম। গিফট দেব শুনে সেলসম্যান চমৎকার র্যাপিং করে দিয়েছিল। টিএসসির মোড়ে ট্যাক্সিটা ছেড়ে দিয়ে আমি হাঁটতে শুরু করেছিলাম। চমৎকার একটা আকাশ, আকাশভরা তারা, রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের আলোয় আমি পা ফেলে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছিলাম বাসার দিকে। কলাভবনের সামনের সড়কের ফুটপাথে আমি আনমনে দাঁড়িয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ। কিছু কি দেখেছিলাম আমি? নাকি ভাবছিলাম জীবনের এই পড়ন্ত বেলায় এসে আমি কীভাবে জড়িয়ে যাচ্ছি ভালোবাসার মায়াজালে? ভালোবাসা কি তেমনই কিছু যে পৃথিবীর তাবত কিছুকে অগ্রাহ্য করে জায়গা করে নেয় সবার ওপরে?
রিজওয়ানাকে আমি ছোট্ট একটা মেসেজ দিয়েছিলাম পরদিন বাসায় আমার সঙ্গে দেখা করবার জন্য।
ও ফিরতি মেসেজে জানিয়েছিল রিসার্চের লিটারেচার রিভিউ অংশটা প্রায় শেষ করে এনেছে। ওটা শেষ হলেই সে বাসায় সেগুলো নিয়ে আসবে আমাকে দেখাবার জন্য।
আমি শাড়িটা আলমারিতে উঠিয়ে রেখেছিলাম। রিজওয়ানা শাড়িটা পেয়ে নিশ্চয়ই খুব খুশি হবে। চঞ্চল মেয়েরা অল্পতেই খুশি হয় বলে কোথায় জানি পড়েছিলাম।
আজ আসার কথা ছিল রিজওয়ানার। কিন্তু ভার্সিটিতে গণ্ডগোল সব পরিকল্পনা নষ্ট করে দিল।
কাল যদি রিজওয়ানা আসে!
দিনটা ভালো গেল না। ছাত্রদের কয়েকজন এলো সন্ধ্যেবেলায়। ওরা আসায় কিছুটা স্বস্তি পেলাম বোধহয়। চানাচুর, মুড়িভাজা, পাকুড়া আর গরম চায়ে আড্ডাটা জমে উঠল। আড্ডাটা জমলো প্রধানত রাজনীতি নিয়ে। গণতন্ত্র, অবরোধ, হরতাল ইত্যাদি প্রসঙ্গই ঘুরে-ফিরে চলে এলো। রাজনীতিবিজ্ঞানের ছাত্রদের আড্ডাবাজি মানেই লেখাপড়া। বই খুলে পড়ার দরকার হয় না, চোখে যা দেখছো তা-ই তোমার বিষয়। যেন প্রশ্ন তৈরি, ব্যাখ্যা করো_ হোয়াট ইজ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হোয়াট ইজ অটোক্রেসি।
কিন্তু দেশ বিভাগ নিয়ে রিজওয়ানা যে গবেষণা শুরু করেছে তা যেন কোনোদিন শেষ না হয়। চলতেই থাক। একটা ঘোরের ভেতর কথাগুলো আমার মনে হয়। ডিপার্টমেন্টে দেখা করতে এলো ও। আমি বললাম, 'বাসায় চলো।'
'কেন?'
কেন বলল বটে, কিন্তু ওই কেন'র ভেতর লুকিয়েছিল ফুলের সৌরভ, যেন শব্দটা ধারণ করেছিল পৃথিবীর সব মায়া-মমতা আর ভালোবাসা।
কলাভবন থেকে বেরিয়ে আমরা হাঁটতে শুরু করলাম।
'গাড়ি নেবো না?'
'প্রয়োজন নেই। চলো হাঁটি। ভালোই লাগছে হাঁটতে।' আমি বলি।
বাসায় পেঁৗছে দেখি কাজের ছেলেটা মাগুর মাছের ঝোল আর ডিম ভাজি করেছে।
আমি রিজওয়ানাকে বললাম,
'এ তরকারি দিয়ে লাঞ্চ করতে আপত্তি নেই তো?'
ও কোনো জবাব দিল না। ড্রয়িং রুমের সোফায় বসে পড়লো। আমি টেবিলে দুটো প্লেট লাগাতে বলে ওয়াশরুমে যাই। পানির ঝাঁপটা দিই চোখেমুখে। আয়নায় চোখ যায় আমার। কানের ওপরে সাদা চুলগুলোতে আঙুল যায়। চোখের নিচে গভীর কালি না থাকলেও কপালের ভাঁজটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আমি এভাবে কেন দেখছি ভেবে নিজেরই হাসি পায়। পঞ্চাশ বছর বয়স পেরুনো মানুষ আমি, চাইলেই ত্রিশে নামতে পারব না। সময় সব মানুষকে ক্রমেই ঠেলে নিয়ে যায় না ফেরার সীমানায়।
শাড়িটা রিজওয়ানা নিল কোনো প্রতিবাদ না করেই। শুধু জিজ্ঞেস করল,
'শাড়িটা আপনি আমার জন্যই কিনেছেন?'
'হ্যাঁ, বলতে পারো শুধু তোমার জন্যই।'
কথাটা বলতে পেরে আমার বুকটা অনেকটাই হালকা হয়ে গেল। শাড়িটা কেনার পর থেকে মুহূর্তগুলো জগদ্দল পাথরের মতো বুকের ভেতর একটু একটু করে ভারী হয়েছে, রিজওয়ানা যদি রি-অ্যাক্ট করে এই আশঙ্কায়। কিন্তু ও স্বাভাবিকভাবে নেওয়ায় হঠাৎ আমার ভেতর কী যে হলো, আমি দু'হাতে রিজওয়ানার কাঁধটা শক্ত করে ধরে ওর ঠোঁটে চুমু দিতে চাইলাম। মেয়েটা এবারও রি-অ্যাক্ট করল না। শুধু কপালটা এগিয়ে দিয়ে বলল,
'ঠোঁটে নয়, কপালে দিন।'
একটু থমকে গেলেও পরক্ষণে নিজেকে সামলে নিয়ে ওর কপালে আলতো করে আমার ঠোঁটের স্পর্শ বসিয়ে দিলাম। রিজওয়ানা কি কেঁপে উঠল ভেতরে ভেতরে? হয়তো কাঁপল না। কিন্তু আমি কাঁপতে থাকলাম, আনন্দে নাকি আশঙ্কায় বুঝতে পারলাম না। পুরো ঘটনাটা এত দ্রুত ঘটে গেল যে, আমি নিজেকে সামাল দিতে পারলাম না। ভালো-মন্দ, সঠিক-বেঠিক কোনো চিন্তা করার আগেই সব সিদ্ধান্ত যেন গৃহীত হয়ে গেল এক চুম্বনে। আমি অপরাধীর মতো সোফায় গিয়ে বসলাম। রিজওয়ানার দিকে চোখ তুলে তাকাতে সংকোচ হতে লাগল, ভীষণ অপরাধী মনে হলো নিজেকে। শিক্ষকের সঙ্গে ছাত্রীর সম্পর্ক পিতা-কন্যার মতো, ছিঃ আমি এ কী করলাম?
শাড়িটা ব্যাগের ভেতর ঢুকিয়ে নিয়ে থিসিসের টাইপ করা কাগজপত্রগুলো আমার সামনের সেন্টার টেবিলে গুছিয়ে রেখে রিজওয়ানা ধীর পায়ে বেরিয়ে গেল দরজা ঠেলে।
আমি কতক্ষণ ওইভাবে বসেছিলাম মনে নেই।
হয়তো কিছুক্ষণ, অথবা অনেকটা সময়।
জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে চোখ গেল বাইরে, অন্ধকার নামছে। ক্যাম্পাসের ছোট-বড় বৃক্ষরাজিতে অনেক পাখির বাস, ওদের কিচিরমিচির শব্দ ভেসে এলো কানে।
হঠাৎ মোবাইল ফোনে একটা মেসেজ আসার শব্দ হলো। হাত বাড়িয়ে ফোনটা নিলাম।
রিজওয়ানার মেসেজ। লিখেছে আগামীকাল সন্ধ্যায় ওর বাসায় আমার দাওয়াত। গাড়ি পাঠিয়ে দেবে, আমি যেন সেজেগুজে যাই। না, রিজওয়ানা স্যার সম্বোধন করেনি আমাকে। ইদানীং ও আমাকে স্যার বলে ডাকছে না, সেটা লক্ষ্য করেছি। 'সেজেগুজে যাই' কথাটায় হাসি পেল আমার। ছাত্রীর বাসায় শিক্ষক যাবে, সেজেগুজে যাওয়ার কী আছে? নাকি রিজওয়ানা সত্যি সত্যি কোনো ডিসিশন নিতে যাচ্ছে? আজ রাতটায় ভালো ঘুম হবে ভেবেছিলাম, কিন্তু টেনশনে আমি প্রায় জেগেই থাকলাম।
সকালে ঘুম থেকে উঠে খুব বিষণ্ন বোধ হতে লাগল। এটা অপরাধ না আনন্দের প্রতিক্রিয়া বুঝতে পারলাম না। আমি আর ক্যাম্পাসে গেলাম না। একটা চিঠি পাঠিয়ে ছুটি নিয়ে নিলাম।
সকাল থেকে সন্ধ্যা অনেক দীর্ঘ সময় বোধহয়। অন্তত আমার কাছে আজ তাই মনে হচ্ছে। লেখার টেবিলে বসলাম, লেখা হলো না। এক কলমও লিখতে পারলাম না। টিভি খুলে বসলাম, আমি সাধারণত সিএনএস, বিবিসি, আলজাজিরা দেখি, আজকে সেখানেও মন বসাতে পারলাম না। ঘরের ভেতর হেঁটে বেড়ালাম কিছুক্ষণ, কিন্তু টেনশন কাটছে না। হুমায়ূন আহমেদের 'নন্দিত নরকে'র লম্পট মাস্টারটার কথা ঘুরে-ফিরে মাথায় আসছে।
সন্ধ্যার পর পর দরজায় বেল দিল ড্রাইভার। আমি প্রায় প্রস্তুত হয়েই ছিলাম। পায়জামা-পাঞ্জাবি পরেছি। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অবলোকন করেছি নিজেকে। মন্দ লাগছে না। বহুদিন এভাবে নিজেকে দেখা হয়নি। আজ দেখলাম। রিজওয়ানা কেন আমাকে ডেকে নিচ্ছে ওর বাসায় আমি জানি না, জিজ্ঞেসও করিনি। তবে ও যদি আমাকে নিয়ে কিছু ভেবে থাকে, আমি আপত্তি করব না। ওর মাকে কি ও রাজি করাতে পেরেছে? বয়সের এমন বিস্তর ফারাক, কোনো অভিভাবকের রাজি হওয়ার কথা নয়।
আমি কেন এমন ভাবছি আজ? গত পঁচিশ বছরে যে আমি কখনও কোনো নারী, নারীর সংসর্গ বা বিয়ে নিয়ে ভাবিনি, সে আমি কোন্ মোহে নতুন করে জীবনের পাতা খোলার পরিকল্পনা করছি? রিজওয়ানা আমাকে কিছু বলেনি, কিন্তু ওর সব ইশারা-ইঙ্গিত আমাকে শেষ পর্যন্ত ওই দিকেই ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে তা আমি আন্দাজ করতে পারছিলাম।
গাড়ির কাছে এসে দেখি, রিজওয়ানা গাড়ির দরজা খুলে দাঁড়িয়ে আছে, অথচ ওর আসবার কথা ছিল না। চমৎকার একটি শাড়ি পরেছে ও, কিন্তু গতকাল আমার দেওয়া শাড়িটা নয়। দুটো বিষয়ই আমাকে ভাবালো। কিন্তু ভাবনাটা মুহূর্তকালের মধ্যে উবে গেল, যখন রিজওয়ানা বলল,
'আপনাকে চমৎকার লাগছে, একেবারে আমার মনের মতো।'
রিজওয়ানা গাড়িতে আমার পাশে বসল।
গাড়ি গলি পেরিয়ে এসে উঠল রাজপথে। তারপর সোজা ছুটে চলল বারিধারার দিকে। আমি জানতাম রিজওয়ানা বারিধারায় ওদের নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্টে থাকে।
রাস্তার সোডিয়াম বাতিগুলো জ্বলে উঠেছে। গাড়ির তেমন চাপ নেই রাস্তায়। রিজওয়ানা খুব সন্তর্পণে কিন্তু স্বাভাবিকভাবে ওর বাঁ হাতটা আমার ডান হাতের ওপর রাখলো। আমি দেখলাম, কিন্তু হাতটা সরালাম না। ও যদি এতে আনন্দ পায় পাক।
বিশাল ছয়তলা অ্যাপার্টমেন্টের সামনে এসে গাড়িটা থামল। রিজওয়ানা গাড়ি থেকে দ্রুত নেমে এসে আমার পাশের দরজা খুলে আমাকে নামাল। তারপর আমার হাত ধরে একরকম টানতে টানতে লিফটের গোড়ায় নিয়ে এলো। লিফটের দরজা খুলে গেলে আমাকে নিয়ে ঢুকল ভেতরে। আমি মেয়ের সাহস দেখে বাঙালিচোখে অবাকই হচ্ছিলাম। লন্ডনে-দুবাইয়ে বড় হওয়া মেয়ে, এসব হয়তো ওর কাছে কিছুই নয়।
লিফট থেকে নেমে কয়েক কদম এগোতেই চমৎকার ডিজাইন করা সেগুন কাঠের ভারী একটি দরজার সামনে এসে দাঁড়ালাম আমরা। ও আঙুলে টিপ দিয়ে বেল বাজালো।
'এটাই তোমাদের বাসা?'
আমি পরিবেশটাকে হালকা করার জন্য জিজ্ঞেস করলাম।
'জি্ব।'
'চমৎকার দরজাটা।'
আমার কথা শেষ হবার আগেই খুলে গেল ওটা। আর দরজাটা খুলে যে আমার সামনে দাঁড়াল সে আর কেউ নয়, ফারজানা আহমেদ। আমি যাকে নীতু বলে ডাকতাম।
রিজওয়ানা আঙুল তুলে বললো_
'সি ইজ মাই মাদার, আমার মা।'
নীতুর পরনে সেই শাড়িটা, যেটা আমি রিজওয়ানাকে কাল দিয়েছিলাম।
আমার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হলো না। পা দুটো খুব ভারী মনে হলো।
নীতুর মুখটা ঠিক ওই রকমই আছে, শুধু ভারী হয়েছে শরীরটা, চুলগুলো একটু একটু সাদাটে হয়েছে, এই যা তফাত।
নীতু একটু হাসলো, সেই পরিচিত হাসি। তারপর বলল,
'ভেতরে এসো।'
রিজওয়ানা আমার ধরে রাখা হাতটা ছেড়ে দিল আলতোভাবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1334)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 15
(52)
- রাজধানীতে ৪ গাড়িতে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণে আহত ২
- মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করলে লাখ টাকা পুরস্কার!
- দগ্ধ ব্যক্তিরা মানসিক যন্ত্রণায় by পার্থ শঙ্কর সাহা
- জাতীয় সংলাপের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ২০ দল
- ‘৫ দিন ধরে অভুক্ত খালেদা জিয়া’ -সেলিমা রহমান
- মারমাদের কেয়াংকেন্দ্রিক চর্চা by রাজীব নূর
- নাগরিকসমাজের চিঠি ও আজকের বাস্তবতা by হারুন-আর-রশিদ
- ময়মনসিংহে পুলিশের গুলিতে যুবক নিহত, সিলেট, বগুড়া ও...
- রাজাপক্ষের পতনের গভীরে
- সেতুর সংযোগ সড়ক অবৈধভাবে ইজারা by খলিল রহমান
- প্রধানমন্ত্রী কেঁদেছেন, কান্না থামাবেন কি? by সোহর...
- ভারতে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত
- পাকিস্তানে আবারও শিয়া মসজিদে হামলা
- বাঁশের খুঁটি দিয়ে বিদ্যুৎ–সংযোগ by এ বি সফিউল আলম
- চট্টগ্রাম কারাগারের মালী- মনের বাগানও ভরে যাক ফুলে
- পায়রা নদীতে ট্রলারডুবি- এ মৃত্যুর সান্ত্বনা নেই
- সাদিয়ার গুগল–যাত্রা by মেহেদী হাসান
- খালেদা জিয়ার অফিসে ভাত বন্ধ by ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
- কেউ কথা রাখেনি- সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের সহযোগিত...
- স্বাভাবিক জীবনের গ্যারান্টি চাই by আনু মুহাম্মদ
- বাহিনীপ্রধানদের বক্তব্য ও রাষ্ট্রের পেশাদারত্ব by ...
- দরজার বাইরে by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- হরতাল-অবরোধ- কৃষকের দুর্ভাগ্য
- জাতিসত্তাগুলোর ভাষাচর্চা কোন পথে? by পুলক চাকমা
- নিঃস্বার্থ ভালোবাসাই সঙ্কট উত্তরণের পথ by মোদাস্সে...
- বয়সকাল by শাহাবুদ্দীন নাগরী
- বন্ধ করুন এই রাজনীতি by আলমগীর খান
- সেই ভস্মে ঢাকা পম্পেই by ফারুক মঈনউদ্দীন
- পুলিশের উসকানিমূলক বক্তব্য- এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্...
- কি বার্তা নিয়ে আসছেন জয়শঙ্কর? by মিজানুর রহমান
- একটি মৃত্যু ও মক্কা মদিনার স্মৃতি by মীর মোহাম্মদ ...
- ‘কৌশল নির্ধারণে ভুল করেন না খালেদা’ -সাক্ষাৎকারে ম...
- পাঁচ বছরে ঘুষমুক্ত করব দিল্লিকে -শপথ নিয়ে কেজরিওয...
- ভুলতে পারিনি কেউ by নাজনীন মহল অঞ্জনা
- আ.লীগ নেতাদের পুলিশ–বন্দনা!
- বাদশা: দেশ এক আপনজন হারাল by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
- অজানা গন্তব্যে বাংলাদেশ by সৈয়দা পাপিয়া
- সংলাপ না হলে চরমপন্থার উত্থান ঘটতে পারে -বিশিষ্টজন...
- রাজধানীতে সন্দেহ হলেই গুলি করছে পুলিশ- রেহাই পাচ্ছ...
- কারাগারে দুর্দশায় বন্দিরা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ...
- বেআইনি আদেশ পালন থেকে বিরত থাকুন -আইনশৃঙ্খলা বাহিন...
- নাগরিক সমাজের উদ্যোগ ব্যর্থ হলে পরিণতি ভয়াবহ -সুজন
- খালেদা জিয়াও অভুক্ত : সেলিমা রহমান
- বস্ত্রখাতের ব্যবসায়ীদের অনশনে ককটেল হামলা- বিল পরি...
- রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা খরচ নিয়ে নানা প্রশ...
- চরম ঝুঁকিতে পোশাক শিল্প- অর্ডার বাতিল ৪০ শতাংশ; এ ...
- দেশ জ্বলছে, অস্ত্র দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না : বি...
- অষ্টাদশ বর্ষে মানবজমিন by ড. মাহফুজ পারভেজ
- সৌদি আরবে গৃহপরিচারিকা পাঠানো- ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্...
- পোশাকশিল্প মালিকদের অনশন- সমঝোতার আহ্বান ট্যাক্স ব...
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি- অমিত সম্ভাবনা কাজে লাগাত...
- স্মরণ : সার্জেন্ট জহুরুল হক
-
▼
Feb 15
(52)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment