Wednesday, October 22, 2014
ত্রিমাত্রিক ভারসাম্য প্রয়োজন by মে. জে. (অব:) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক
ত্রিমাত্রিক ভারসাম্য প্রয়োজন by মে. জে. (অব:) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক
ঘটনা মানুষের জন্য অপো করে না; ঘটনা ঘটে যায় মানুষ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। অর্থাৎ ঘটনা হলো ক্রিয়া, তারপরে মানুষ যা করে সেটা হলো প্রতিক্রিয়া। মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সুযোগ্য কন্যা শারমিন আহমদ, অথবা মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের প্রধান সেনাপতি বা কমান্ডার ইন চিফ তৎকালীন কর্নেল এম এ জি ওসমানীর সরাসরি অধীনে ‘ডেপুটি চিফ অব স্টাফ’ হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী, তৎকালীন গ্র“প ক্যাপটেন এ কে খন্দকারÑ উভয়ে তাদের বিখ্যাত ঐতিহাসিক বই লেখার ও প্রকাশ করার আগে কারো অনুমতি নিয়েছেন বলে জানা নেই। তিন সপ্তাহ আগে নিউ ইয়র্ক মহানগরীতে, টাঙ্গাইল সমিতির অনুষ্ঠানে যেসব ধর্মবিরোধী-দেশবিরোধী-আওয়ামী লীগ বিরোধী কথাবার্তা বলেছেন তৎকালীন মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সেগুলো বলার আগে তিনি কারো অনুমতি নিয়েছেন বলে জানা নেই। ১৩ অক্টোবর ইন্তেকাল করেছেন অতি সুপরিচিত অধ্যাপক ও জনপ্রিয় টকশো ব্যক্তিত্ব, প্রফেসর পিয়াস করিম। তার লাশ শহীদ মিনারে নিতে দেয়া হয়নি। এই নিয়ে অনেক কথাবার্তা হয়েছে এবং আরো কয়েক দিন হবে বলে মনে হয়। কয়েকটি উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে চাচ্ছি, পত্রিকার কলাম লেখকদের জন্য, টেলিভিশন টকশোতে আলোচনার জন্য, রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে প্রতিবাদী বক্তব্য দেয়ার জন্য বিষয়ের কোনো অভাব হয় না। বেশির ভাগ আলোচনা তখন অতীতের ঘটনাবলি নিয়ে হয়; কিন্তু শুধু অতীত নিয়ে মানুষ বাঁচতে পারে না। মানুষকে বাঁচতে হয় অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ, এই তিনকালের সমন্বিত প্রভাবে বা কল্পনায়। যাদের বয়স ৬০ বা ৭০ বা ৭৫ বছর তারা এবং যাদের বয়স ১৮ বা ২০ বা ২৫ বছর, তাদের চিন্তার গতিপ্রকৃতি কোনো দিনই একরকম হতে পারে না। এর মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। এসব নিয়েই আজকের নাতিদীর্ঘ কলাম।
১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের মাধ্যমে, তৎকালীন মোগল সাম্রাজ্যের বর্ধিষ্ণু বাংলা নামক প্রদেশ (আধা স্বাধীন, আধা দিল্লির অধীন) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির করতলগত হয়েছিল। পরবর্তী এক শ’ বছর কলকাতাকে রাজধানী করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করেছিল। একটি কথা আরেকবার উল্লেখ করছি। বাংলা প্রদেশের েেত্র নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করে এবং ভারতবর্ষের অন্য কিছু জায়গার েেত্র মোগল সম্রাটের প্রতিনিধিদের পরাজিত করেই তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের শাসন মতা অর্জন করতে থাকে। অতি স্বাভাবিকভাবেই নবাব বা বাংলার নবাব বা মোগল সম্রাট যে গোষ্ঠীর মানুষ ছিলেন, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মালিক ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা ওই গোষ্ঠীর প্রতিপ হয়ে গিয়েছিলেন। অর্থাৎ ইংরেজরা হলো মুসলমানদের প্রতিপ। অপর দিকে, মোগল শাসনামলে যারা মতায় ছিল না, প্রজা ছিল, ওই মানুষগুলো ইংরেজদের বন্ধু হয়ে গেল। অতি প্রাচীন একটি নীতি হলো, ‘তোমার শত্র“র শত্র“ তোমার বন্ধু হবে’। অর্থাৎ, ওই আমলে মুসলমানদের শত্র“ ছিল ইংরেজরা। মুসলমানদের শত্র“ না হলেও অবান্ধব সম্পর্কে ছিল শিখ-হিন্দু প্রভৃতি। অতএব শিখ-হিন্দুরা হয়ে উঠেছিলেন ইংরেজদের বন্ধু। যে সময়ের কথা বলছি সেটা হলো ১৮৫৭ সাল থেকে শুরু করে, অতীতের এক শ’ দেড় শ’ বছর।
১৮৫৭ সালে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে। কেউ বলেন সিপাহি বিদ্রোহ। কেউ বলেন স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধ; কিন্তু এই ঘটনার পর মোগল সাম্রাজ্যের সূর্য চূড়ান্তভাবেই ডুবে যায়। ১৮৫৭ সালের পরে ভারতের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা একটু একটু করে বিকশিত হতে থাকে। মুসলমানদের জন্য শিক্ষাপ্রসারে উদ্যোগ নেয়া হতে থাকে। ১৮৮০-এর দশকে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস নামক রাজনৈতিক দল গঠিত হয়। হিন্দু-মুসলমান-শিখ মোটামুটিভাবে সবাই এই রাজনৈতিক দলটিকে কম হোক বেশি হোক নিজের বা আপন মনে করে নেয়; কিন্তু পরিস্থিতি সবার জন্য অনুকূল থাকেনি। না থাকাতে তৎকালীন ভারতের মুসলমানেরা নিজেদের জন্য আলাদা রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ৩০ নভেম্বর ১৯০৬ সালে এই ঢাকা শহরে, অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই রাজনৈতিক দলটি ভারতে, ক্রমান্বয়ে, ন্যাশনাল কংগ্রেসের পাশাপাশি সমান্তরাল শক্তি হিসেবে গড়ে ওঠে। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ ঐতিহাসিক লাহোর নগরীতে, মুসলিম লীগের সম্মেলনে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছিল। এটি পাকিস্তান প্রস্তাব নামে পরিচিত। এর সংপ্তি সার হলো, তৎকালীন ভারতবর্ষের পশ্চিমাংশে বা পূর্বাংশে বা অন্যত্র যেসব ভূখণ্ডে জনগণের মধ্যে মুসলমানেরা মেজরিটি, ওইসব এলাকায় একটি করে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। এই মুসলমান অধ্যুষিত স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো ছাড়া সমগ্র ভারতবর্ষের বাকি অংশ, তথা অমুসলমান অংশ, আরেকটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে। নবাব বা মহারাজা শাসিত রাজ্যগুলো হয় স্বাধীন থাকবে অথবা তাদের ইচ্ছা মোতাবেক কোনো একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে যোগ দেবে। ১৯৪০ থেকে ১৯৪৬ সাল, এই সময়টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য উত্তাল ছিল। ভারতও ব্যস্ত ছিল। তখনকার অনেক ঘটনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা হলো, মুসলিম লীগের জ্যেষ্ঠতম নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং অন্য কয়েকজনের বিশেষ আগ্রহে বা পরিকল্পনায় লাহোর প্রস্তাবটি সংশোধিত হয়ে যায়। মুসলিম অধ্যুষিত একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্রের পরিবর্তে সমগ্র ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মেজরিটি এলাকাগুলো নিয়ে একটি মাত্র স্বাধীন রাষ্ট্রের পে প্রস্তাব সংশোধিত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট তারিখে পাকিস্তান নামক একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। ১৫ আগস্ট তারিখ থেকে ভারত নামক স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম নেয়। ভারত নামক রাষ্ট্র, পাকিস্তানের সৃষ্টিতে খুশি হয়নি। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অনেক মানুষও ওই রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট হয়নি। তারা চিন্তা করেছিল ‘এখন কী করণীয়’? এর উত্তর ছিল, ‘ধৈর্য ধরো, ধীরে ধীরে আগাও’। এখন ২০১৪ সালে এত বছর পরে ১৯৪৭-এর আগে চল্লিশের দশকের কথা বা ত্রিশের দশকের কথা পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বর্ণনা এবং মূল্যায়ন করা অতি কঠিন কাজ এবং অনেকের কাছে অপ্রয়োজনীয়, আবার অনেকের কাছে প্রয়োজনীয়। যা হোক, ১৯৪৭-এর আগস্টে স্বাধীনতা পাওয়া পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের দু’টি প্রদেশ ছিল। একটি পশ্চিম পাকিস্তান, আরেকটি পূর্ব পাকিস্তান। এই দুই প্রদেশের জনগণের মধ্যে যেসব বন্ধন ছিল সেগুলো বেশির ভাগই ছিল দুর্বল বা ঠুনকো। সবচেয়ে বড় বন্ধন ছিল ধর্মীয় বিশ্বাস। অর্থাৎ ধর্মীয় পরিচয়ে পাকিস্তানের মেজরিটি জনগণ ছিলেন মুসলমান।
পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রে, শাসক গোষ্ঠীর অন্যায় ও অত্যাচারের কারণে ক্রমান্বয়ে, পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জনগণ তাদের ওপর সৃষ্ট বঞ্চনা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে থাকে। প্রতীকী অর্থেই বলতে পারি যে, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকেই শুরু। বাঙালিদের মধ্যে অনেকেই চিন্তা করছিলেন যে, আমাদের স্বাধীন হওয়া উচিত। আবার অনেকেই চিন্তা করছিলেন, স্বাধীন না হয়ে একই পাকিস্তানের ভেতরে আরো মতাশীল হওয়া উচিত। একটি ক্ষুদ্র অংশের মনে এমন চিন্তা হচ্ছিল যে, আমরা পাকিস্তানেও থাকা উচিত না, স্বাধীনও হওয়া উচিত না, বরং আমরা ঐতিহাসিক বঙ্গ প্রদেশের অবস্থায় ফিরে যাওয়া এবং বৃহত্তর ভারতের অঙ্গীভূত হওয়া উচিত।
সম্প্রতি স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পে ও বিপে গণভোটের ফলাফল সবাই জানে। এখন থেকে পঞ্চাশ বছর বা ষাট বছর আগে ফিরে যাই। দেশে দেশে মানুষ স্বাধীনতা যেমন চেয়েছে, তার বিকল্পও চিন্তা করেছে। স্কটল্যান্ডের কথা একটু আগেই বললাম। কানাডার বিখ্যাত প্রদেশ কিউবেক বা কুইবেক। এই প্রদেশ স্বাধীন হওয়ার জন্য একাধিকবার রেফারেন্ডাম বা গণভোটের সুযোগ পেয়েছে। কুইবেকের জনগণ স্বাধীনতার পে যায়নি, তারা কানাডার সাথেই থাকতে চেয়েছে। নাইজেরিয়া হচ্ছে পশ্চিম আফ্রিকার তেলসমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত দেশ। মুসলমান ও খ্রিষ্টান এখানে প্রধান জনগোষ্ঠী। ১৯৭০ সালের দিকে নাইজেরিয়ার পূর্বাংশের একটি প্রদেশ, যার নাম বায়াফ্রা, স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। নাইজেরিয়া সরকার সেই ঘোষণাকে মেনে নেয়নি এবং ওই বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন করার জন্য সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। প্রায় তিন বছর যুদ্ধ চলে। এতে বিদ্রোহী বা একতরফা স্বাধীনতা ঘোষণাকারী, বায়াফ্রার বাহিনী পরাজিত হয়। ইন্দোনেশিয়া নামক মুসলমানপ্রধান দেশে বড় ছোট হাজারের অধিক দ্বীপ আছে। ইন্দোনেশিয়ার দূর পূর্বাংশে অবস্থিত একটি দ্বীপের নাম তিমুর যার একটি অংশ খ্রিষ্টান অধ্যুষিত। এই অংশ ইন্দোনেশিয়া থেকে স্বাধীন হওয়ার জন্য প্রায় ৯ বছর যুদ্ধ করে। অতঃপর তারা স্বাধীন হয়। তাদের স্বাধীনতায় জাতিসঙ্ঘ এবং প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রেলিয়া সহায়তা করেছে। এখন থেকে প্রায় ৩৪-৩৫ বছর আগে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের জনগণের একটি অংশ, ভারত থেকে স্বাধীন হয়ে নতুন একটি রাষ্ট্র (নাম : খালিস্তান) প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছিল। তাদের এ সংগ্রাম ও আন্দোলনে আধ্যাত্মিক ও গোপন রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল অমৃতসর শহরের স্বর্ণমন্দির। একপর্যায়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী সশস্ত্র অভিযান চালিয়ে স্বর্ণমন্দিরের অভ্যন্তরের স্বাধীনতাকামী বা বিদ্রোহী বা রাষ্ট্রদ্রোহীদের দমন করে। বর্তমান ভারতের উত্তর পশ্চিম অংশে একটি প্রদেশের নাম জম্মু কাশ্মির। সেখানকার জনগণের একটি অংশ ৫০-৬০ বছর ধরে সংগ্রাম করছে ভারত থেকে স্বাধীন হওয়ার জন্য। কোনো সময় সংগ্রাম তীব্র হয় কোনো সময় সংগ্রাম ম্রিয়মাণ হয়ে যায়। ১৯৪৭ সালে যখন ভারত স্বাধীন হয় তখন বর্তমান বাংলাদেশের উত্তরপূর্বে ভারতীয় ভূখণ্ডে, মাত্র একটি প্রদেশ ও দু’টি মহারাজা শাসিত রাজ্য ছিল। পুরো এলাকাটি ছিল একটি প্রদেশ যার নাম ছিল আসাম এবং মহারাজা শাসিত রাজ্যগুলোর নাম ছিল ত্রিপুরা ও মনিপুর। এখন বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে, ভারতের সাতটি রাজ্য বা প্রদেশ আছে। ১৯৫২ সালে প্রথম নাগাল্যান্ড (তখনো প্রদেশ হয়নি) স্বাধীনতার আন্দোলন শুরু করে। এই আন্দোলনের ঢেউ লেগে অনেক জায়গায় সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হয়। ভারত সরকার তাদেরকে স্বাধীনতা না দিয়ে দেশের মর্যাদা দেয়। এখনও উত্তর-পূর্ব ভারতে আসাম বা নাগাল্যান্ড ইত্যাদি অঞ্চলে ভারত থেকে স্বাধীনতা চায় এমন মানুষ একদম নেই বললে ভুল হবে। তবে আন্দোলন এখন ম্রিয়মাণ।
বাংলাদেশের সর্বদণি পূর্বে অবস্থিত রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানÑ এই তিনটি জেলাকে সম্মিলিতভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বলা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের একটি অংশ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে চায়নি। তারা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হতে চেয়েছিল। এই পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের একটি অংশ তথা সর্ববৃহৎ উপজাতি ‘চাকমা’দের বৃহদাংশ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি বরং পাকিস্তানের সাফল্যই কামনা করেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত প্রকাশ্যে ঘোষিতভাবে সেই পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রবিরোধী ও সরকারবিরোধী সশস্ত্র বিদ্রোহ পরিচালিত হয়েছে। বিদ্রোহ পরিচালনাকারী দলের গোপন দলের নাম ছিল ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’ এবং তাদের সশস্ত্র অংশের নাম ছিল ‘শান্তিবাহিনী’। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্রোহীরা প্রকাশ্যে স্বাধীনতা ঘোষণা করেনি সত্য; কিন্তু অপ্রকাশ্যে তারা স্বাধীনতার জন্যও যুদ্ধ করছিল। দীর্ঘ দিন গুরুত্বপূর্ণ পদে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকরি করার সুবাদে, এ মন্তব্য করছি। মওলা ব্রাদার্স কর্তৃক প্রকাশিত, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি প্রক্রিয়া ও পরিবেশ-পরিস্থিতির মূল্যায়ন’ নামে আমার লেখা ৩৮৫ পৃষ্ঠার বইয়ে বিস্তারিত আলোচনা আছে এ বিষয়ে। এখন পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র আন্দোলন, কৌশলগতভাবে ম্রিয়মাণ; কিন্তু ভিন্ন আঙ্গিকে পরিচালিত হচ্ছে।
সামরিক ইতিহাসের একজন ছাত্র এবং অধুনা সমকালীন রাজনীতির একজন ছাত্র হওয়ার সুবাদে আমার মূল্যায়ন হলো, যেখানেই স্বাধীনতা এসেছে বা স্বাধীনতার সংগ্রাম হয়েছে, সেখানেই কিছু কাজ অপ্রকাশ্যে হয়েছে, কিছু কাজ প্রকাশ্যে হয়েছে। এটাই স্বাভাবিক ও বাস্তব। যেখানেই কোনো না কোনো জনগোষ্ঠী তাদের জন্য স্বাধীনতা চেয়েছে, সেখানেই প্রতিবেশী জনগোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে বা অনানুষ্ঠানিকভাবে হয় সাহায্য-সহযোগিতা করেছে অথবা অসহযোগিতা করেছে। কোনো একটি জনগোষ্ঠী বা কোনো একটি দেশ তার প্রতিবেশী একটি জনগোষ্ঠীকে স্বাধীনতা কামনায় বা স্বাধীনতা সংগ্রামে সহযোগিতা করবে, নাকি অসহযোগিতা করবে, এর পেছনে অনেক কারণ থাকে। যেটা করলে তার লাভ, সেটাই করা হয়। যেমন স্কটল্যান্ড যেন স্বাধীন না হয়, তার জন্য ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশির ভাগ দেশই আধা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রায় প্রকাশ্যেই, পরোভাবে, স্কটল্যান্ডবাসীর স্বাধীনতার পরে অংশকে নিরুৎসাহিত করেছে। যখন ষাটের দশক পুরা এবং সত্তরের দশকের শুরুর দিকে, উত্তর ভিয়েতনামভিত্তিক ভিয়েতকং বাহিনী, আমেরিকা-বান্ধব দণি ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিল, একটি কমিউনিস্ট ভিয়েতনাম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছিল, তখন ভিয়েতনামের উত্তরের বৃহৎ প্রতিবেশী চীন তাদেরকে প্রভূত সাহায্য করেছিল। একপর্যায়ে দণি ভিয়েতনাম মার্কিন প্রভাবমুক্ত এবং একক ভিয়েতনামে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পরের পনেরো-বিশ বছর যেকোনো কারণেই হোক না কেন, চীন ও ভিয়েতনামের সম্পর্কে অবনতি আসে। অপরপে ৯ বছর গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়া মাত্রই পূর্ব তিমুর নামক রাষ্ট্রটি তাদের সাবেক শাসক ইন্দোনেশিয়ার সাথে বন্ধুত্ব গভীর থেকে গভীরতর করেছে। যা হোক ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকের পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে যাই।
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি অংশ স্বাধীনতা চাচ্ছিলেন এবং এ জন্য গোপন প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন। তারা কৌশলী পদপে নিচ্ছিলেন। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নিকটতম প্রতিবেশী ভারত সেই প্রস্তুতিতে গোপনে বা আধা প্রকাশ্যে সাহায্য করছিল। অপর ভাষায়, আমাদের স্বাধীনতাকামীরা সহযোগিতা নিচ্ছিলেন ও পাচ্ছিলেন। এর বিস্তারিত বিবরণ কোনো দিনই প্রকাশিত হয়নি। না হওয়ারই কথা। এখন ক্রমান্বয়ে প্রকাশিত হচ্ছে ইচ্ছায় হোক বা ঘটনাক্রমে হোক। এই কলামের প্রথম অনুচ্ছেদে দু’টি বইয়ের উল্লেখ করেছি, যেই দু’টি বইয়ে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও তার পূর্ব-প্রস্তুতি নিয়ে আলোচিত হয়েছে। এই দু’টি বই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই মুহূর্তে অনেক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আলোচনার বিষয়বস্তু, ১৯৬০-এর দশকে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য, তৎকালীন আওয়ামী লীগের নেতারা বা আওয়ামীপন্থী রাজনীতিবিদেরা কী কী পদপে নিয়েছিলেন; বিশেষ করে ভারতের সাথে সহযোগিতার ত্রে কিভাবে বিস্তৃত করা হচ্ছিল; কিন্তু ওই আমলের সরকারি গোয়েন্দা বা ওই আমলের স্বাধীনতাকামীদের প্রতিপ রাজনৈতিক শক্তি, ওই রূপ ভারতীয় সাহায্য-সহযোগিতা এবং ভারতীয় উৎসাহের কথা জানত। এখন ২০১৪ সালে, পেছনের দিকে তাকিয়ে আমরা কেউ কেউ প্রশ্ন করছি এবং কেউ কেউ উত্তর দিচ্ছি যে, ওই রূপ ভারতীয় সাহায্য-সহযোগিতার পরিমাণ বা ব্যাপ্তি কতটুকু ছিল? যেকোনো রাজনৈতিক আন্দোলনের একটি চূড়ান্ত ল্য ও রোডম্যাপ থাকে। যদি রাজনৈতিক আন্দোলনের ল্য হয় স্বাধীনতা, তাহলে তার চূড়ান্ত ধাপের প্রস্তুতি ও কর্ম কী হবে বা কী হতে পারে সেটা অনেক দিন পর্যন্ত অনিশ্চিত থাকে। অনিশ্চিত শব্দটি অপছন্দ হলে আমরা অপ্রকাশিত বলতে পারি। আমাদের বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, ষাটের দশকের শেষে, সত্তরের দশকের শুরুতে রাজনৈতিক আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হয়েছিল সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধ। নিরস্ত্র রাজনৈতিক আন্দোলন এবং সশস্ত্র স্বাধীনতার যুদ্ধ, এই দু’টির মধ্যে সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য; কিন্তু দুয়ের পরিচয় আলাদা। বাংলাদেশের েেত্র সশস্ত্র যুদ্ধ হয়েছিল প্রকাশ্যে, পৃথিবীকে সাী রেখে। বাংলাদেশের সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বড় সাহায্যকারী ছিল প্রতিবেশী ভারত। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, ভারত কি সব কিছু নিঃস্বার্থভাবে, নির্মোহভাবে, প্রতিদানের আশা না করেই সাহায্য করেছিল? নাকি প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত শর্তে, স্বার্থ উদ্ধারের ল্েয এবং প্রতিদান পাওয়ার পরিকল্পনায় এই সাহায্য করেছিল? নাকি কিছুটা স্বার্থ কিছুটা নিঃস্বার্থভাবে করেছিল? এসব প্রশ্নের আলোচনা আমাদের করা প্রয়োজন।
তবে ‘আমাদের’ বলতে কাকে বোঝাই, এটি একটি কঠিন প্রশ্ন। আমার বয়স ৬৫ শেষ হয়ে ৬৬ মাত্র শুরু হলো। আমি ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনের একজন মুক্তিযোদ্ধা। যারা আজকে তরুণ, যাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আগামী দিনের বাংলাদেশের প্রকৃতির ওপর, তারা ইতিহাসের জন্য কতটুকু সময় দেবে? এর থেকেও বড় প্রশ্ন, কতটুকু সময় আমরাই বা তাদের কাছে চাইতে পারি ইতিহাস শোনার জন্য? কথাগুলো এ জন্য বললাম যে, মাঝে মধ্যেই বাংলাদেশের বড় বড় পত্রিকার কলাম লেখার জায়গাগুলো এবং টেলিভিশন টকশোর বিষয়বস্তু এই প্রশ্নগুলোকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হতে থাকে। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎÑ এই তিনটির মধ্যে একটি ভারসাম্য প্রয়োজন। ব্যবসায়িক উন্নয়ন, রাজনৈতিক উন্নয়ন ও সামরিক উন্নয়নÑ এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্য প্রয়োজন। অতীতের বন্ধু, বর্তমানের বন্ধু ও ভবিষ্যতের বন্ধু, এই তিনটির মধ্যেও ভারসাম্য প্রয়োজন। অর্থাৎ ত্রিমাত্রিক ভারসাম্য প্রয়োজন।
লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের মাধ্যমে, তৎকালীন মোগল সাম্রাজ্যের বর্ধিষ্ণু বাংলা নামক প্রদেশ (আধা স্বাধীন, আধা দিল্লির অধীন) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির করতলগত হয়েছিল। পরবর্তী এক শ’ বছর কলকাতাকে রাজধানী করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করেছিল। একটি কথা আরেকবার উল্লেখ করছি। বাংলা প্রদেশের েেত্র নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করে এবং ভারতবর্ষের অন্য কিছু জায়গার েেত্র মোগল সম্রাটের প্রতিনিধিদের পরাজিত করেই তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের শাসন মতা অর্জন করতে থাকে। অতি স্বাভাবিকভাবেই নবাব বা বাংলার নবাব বা মোগল সম্রাট যে গোষ্ঠীর মানুষ ছিলেন, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মালিক ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা ওই গোষ্ঠীর প্রতিপ হয়ে গিয়েছিলেন। অর্থাৎ ইংরেজরা হলো মুসলমানদের প্রতিপ। অপর দিকে, মোগল শাসনামলে যারা মতায় ছিল না, প্রজা ছিল, ওই মানুষগুলো ইংরেজদের বন্ধু হয়ে গেল। অতি প্রাচীন একটি নীতি হলো, ‘তোমার শত্র“র শত্র“ তোমার বন্ধু হবে’। অর্থাৎ, ওই আমলে মুসলমানদের শত্র“ ছিল ইংরেজরা। মুসলমানদের শত্র“ না হলেও অবান্ধব সম্পর্কে ছিল শিখ-হিন্দু প্রভৃতি। অতএব শিখ-হিন্দুরা হয়ে উঠেছিলেন ইংরেজদের বন্ধু। যে সময়ের কথা বলছি সেটা হলো ১৮৫৭ সাল থেকে শুরু করে, অতীতের এক শ’ দেড় শ’ বছর।
১৮৫৭ সালে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে। কেউ বলেন সিপাহি বিদ্রোহ। কেউ বলেন স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধ; কিন্তু এই ঘটনার পর মোগল সাম্রাজ্যের সূর্য চূড়ান্তভাবেই ডুবে যায়। ১৮৫৭ সালের পরে ভারতের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা একটু একটু করে বিকশিত হতে থাকে। মুসলমানদের জন্য শিক্ষাপ্রসারে উদ্যোগ নেয়া হতে থাকে। ১৮৮০-এর দশকে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস নামক রাজনৈতিক দল গঠিত হয়। হিন্দু-মুসলমান-শিখ মোটামুটিভাবে সবাই এই রাজনৈতিক দলটিকে কম হোক বেশি হোক নিজের বা আপন মনে করে নেয়; কিন্তু পরিস্থিতি সবার জন্য অনুকূল থাকেনি। না থাকাতে তৎকালীন ভারতের মুসলমানেরা নিজেদের জন্য আলাদা রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ৩০ নভেম্বর ১৯০৬ সালে এই ঢাকা শহরে, অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই রাজনৈতিক দলটি ভারতে, ক্রমান্বয়ে, ন্যাশনাল কংগ্রেসের পাশাপাশি সমান্তরাল শক্তি হিসেবে গড়ে ওঠে। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ ঐতিহাসিক লাহোর নগরীতে, মুসলিম লীগের সম্মেলনে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছিল। এটি পাকিস্তান প্রস্তাব নামে পরিচিত। এর সংপ্তি সার হলো, তৎকালীন ভারতবর্ষের পশ্চিমাংশে বা পূর্বাংশে বা অন্যত্র যেসব ভূখণ্ডে জনগণের মধ্যে মুসলমানেরা মেজরিটি, ওইসব এলাকায় একটি করে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। এই মুসলমান অধ্যুষিত স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো ছাড়া সমগ্র ভারতবর্ষের বাকি অংশ, তথা অমুসলমান অংশ, আরেকটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে। নবাব বা মহারাজা শাসিত রাজ্যগুলো হয় স্বাধীন থাকবে অথবা তাদের ইচ্ছা মোতাবেক কোনো একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে যোগ দেবে। ১৯৪০ থেকে ১৯৪৬ সাল, এই সময়টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য উত্তাল ছিল। ভারতও ব্যস্ত ছিল। তখনকার অনেক ঘটনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা হলো, মুসলিম লীগের জ্যেষ্ঠতম নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং অন্য কয়েকজনের বিশেষ আগ্রহে বা পরিকল্পনায় লাহোর প্রস্তাবটি সংশোধিত হয়ে যায়। মুসলিম অধ্যুষিত একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্রের পরিবর্তে সমগ্র ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মেজরিটি এলাকাগুলো নিয়ে একটি মাত্র স্বাধীন রাষ্ট্রের পে প্রস্তাব সংশোধিত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট তারিখে পাকিস্তান নামক একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। ১৫ আগস্ট তারিখ থেকে ভারত নামক স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম নেয়। ভারত নামক রাষ্ট্র, পাকিস্তানের সৃষ্টিতে খুশি হয়নি। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অনেক মানুষও ওই রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট হয়নি। তারা চিন্তা করেছিল ‘এখন কী করণীয়’? এর উত্তর ছিল, ‘ধৈর্য ধরো, ধীরে ধীরে আগাও’। এখন ২০১৪ সালে এত বছর পরে ১৯৪৭-এর আগে চল্লিশের দশকের কথা বা ত্রিশের দশকের কথা পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বর্ণনা এবং মূল্যায়ন করা অতি কঠিন কাজ এবং অনেকের কাছে অপ্রয়োজনীয়, আবার অনেকের কাছে প্রয়োজনীয়। যা হোক, ১৯৪৭-এর আগস্টে স্বাধীনতা পাওয়া পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের দু’টি প্রদেশ ছিল। একটি পশ্চিম পাকিস্তান, আরেকটি পূর্ব পাকিস্তান। এই দুই প্রদেশের জনগণের মধ্যে যেসব বন্ধন ছিল সেগুলো বেশির ভাগই ছিল দুর্বল বা ঠুনকো। সবচেয়ে বড় বন্ধন ছিল ধর্মীয় বিশ্বাস। অর্থাৎ ধর্মীয় পরিচয়ে পাকিস্তানের মেজরিটি জনগণ ছিলেন মুসলমান।
পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রে, শাসক গোষ্ঠীর অন্যায় ও অত্যাচারের কারণে ক্রমান্বয়ে, পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জনগণ তাদের ওপর সৃষ্ট বঞ্চনা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে থাকে। প্রতীকী অর্থেই বলতে পারি যে, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকেই শুরু। বাঙালিদের মধ্যে অনেকেই চিন্তা করছিলেন যে, আমাদের স্বাধীন হওয়া উচিত। আবার অনেকেই চিন্তা করছিলেন, স্বাধীন না হয়ে একই পাকিস্তানের ভেতরে আরো মতাশীল হওয়া উচিত। একটি ক্ষুদ্র অংশের মনে এমন চিন্তা হচ্ছিল যে, আমরা পাকিস্তানেও থাকা উচিত না, স্বাধীনও হওয়া উচিত না, বরং আমরা ঐতিহাসিক বঙ্গ প্রদেশের অবস্থায় ফিরে যাওয়া এবং বৃহত্তর ভারতের অঙ্গীভূত হওয়া উচিত।
সম্প্রতি স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পে ও বিপে গণভোটের ফলাফল সবাই জানে। এখন থেকে পঞ্চাশ বছর বা ষাট বছর আগে ফিরে যাই। দেশে দেশে মানুষ স্বাধীনতা যেমন চেয়েছে, তার বিকল্পও চিন্তা করেছে। স্কটল্যান্ডের কথা একটু আগেই বললাম। কানাডার বিখ্যাত প্রদেশ কিউবেক বা কুইবেক। এই প্রদেশ স্বাধীন হওয়ার জন্য একাধিকবার রেফারেন্ডাম বা গণভোটের সুযোগ পেয়েছে। কুইবেকের জনগণ স্বাধীনতার পে যায়নি, তারা কানাডার সাথেই থাকতে চেয়েছে। নাইজেরিয়া হচ্ছে পশ্চিম আফ্রিকার তেলসমৃদ্ধ একটি বিখ্যাত দেশ। মুসলমান ও খ্রিষ্টান এখানে প্রধান জনগোষ্ঠী। ১৯৭০ সালের দিকে নাইজেরিয়ার পূর্বাংশের একটি প্রদেশ, যার নাম বায়াফ্রা, স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। নাইজেরিয়া সরকার সেই ঘোষণাকে মেনে নেয়নি এবং ওই বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন করার জন্য সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। প্রায় তিন বছর যুদ্ধ চলে। এতে বিদ্রোহী বা একতরফা স্বাধীনতা ঘোষণাকারী, বায়াফ্রার বাহিনী পরাজিত হয়। ইন্দোনেশিয়া নামক মুসলমানপ্রধান দেশে বড় ছোট হাজারের অধিক দ্বীপ আছে। ইন্দোনেশিয়ার দূর পূর্বাংশে অবস্থিত একটি দ্বীপের নাম তিমুর যার একটি অংশ খ্রিষ্টান অধ্যুষিত। এই অংশ ইন্দোনেশিয়া থেকে স্বাধীন হওয়ার জন্য প্রায় ৯ বছর যুদ্ধ করে। অতঃপর তারা স্বাধীন হয়। তাদের স্বাধীনতায় জাতিসঙ্ঘ এবং প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রেলিয়া সহায়তা করেছে। এখন থেকে প্রায় ৩৪-৩৫ বছর আগে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের জনগণের একটি অংশ, ভারত থেকে স্বাধীন হয়ে নতুন একটি রাষ্ট্র (নাম : খালিস্তান) প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছিল। তাদের এ সংগ্রাম ও আন্দোলনে আধ্যাত্মিক ও গোপন রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল অমৃতসর শহরের স্বর্ণমন্দির। একপর্যায়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী সশস্ত্র অভিযান চালিয়ে স্বর্ণমন্দিরের অভ্যন্তরের স্বাধীনতাকামী বা বিদ্রোহী বা রাষ্ট্রদ্রোহীদের দমন করে। বর্তমান ভারতের উত্তর পশ্চিম অংশে একটি প্রদেশের নাম জম্মু কাশ্মির। সেখানকার জনগণের একটি অংশ ৫০-৬০ বছর ধরে সংগ্রাম করছে ভারত থেকে স্বাধীন হওয়ার জন্য। কোনো সময় সংগ্রাম তীব্র হয় কোনো সময় সংগ্রাম ম্রিয়মাণ হয়ে যায়। ১৯৪৭ সালে যখন ভারত স্বাধীন হয় তখন বর্তমান বাংলাদেশের উত্তরপূর্বে ভারতীয় ভূখণ্ডে, মাত্র একটি প্রদেশ ও দু’টি মহারাজা শাসিত রাজ্য ছিল। পুরো এলাকাটি ছিল একটি প্রদেশ যার নাম ছিল আসাম এবং মহারাজা শাসিত রাজ্যগুলোর নাম ছিল ত্রিপুরা ও মনিপুর। এখন বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে, ভারতের সাতটি রাজ্য বা প্রদেশ আছে। ১৯৫২ সালে প্রথম নাগাল্যান্ড (তখনো প্রদেশ হয়নি) স্বাধীনতার আন্দোলন শুরু করে। এই আন্দোলনের ঢেউ লেগে অনেক জায়গায় সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হয়। ভারত সরকার তাদেরকে স্বাধীনতা না দিয়ে দেশের মর্যাদা দেয়। এখনও উত্তর-পূর্ব ভারতে আসাম বা নাগাল্যান্ড ইত্যাদি অঞ্চলে ভারত থেকে স্বাধীনতা চায় এমন মানুষ একদম নেই বললে ভুল হবে। তবে আন্দোলন এখন ম্রিয়মাণ।
বাংলাদেশের সর্বদণি পূর্বে অবস্থিত রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানÑ এই তিনটি জেলাকে সম্মিলিতভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বলা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের একটি অংশ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে চায়নি। তারা ভারতের অন্তর্ভুক্ত হতে চেয়েছিল। এই পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের একটি অংশ তথা সর্ববৃহৎ উপজাতি ‘চাকমা’দের বৃহদাংশ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি বরং পাকিস্তানের সাফল্যই কামনা করেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত প্রকাশ্যে ঘোষিতভাবে সেই পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রবিরোধী ও সরকারবিরোধী সশস্ত্র বিদ্রোহ পরিচালিত হয়েছে। বিদ্রোহ পরিচালনাকারী দলের গোপন দলের নাম ছিল ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি’ এবং তাদের সশস্ত্র অংশের নাম ছিল ‘শান্তিবাহিনী’। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্রোহীরা প্রকাশ্যে স্বাধীনতা ঘোষণা করেনি সত্য; কিন্তু অপ্রকাশ্যে তারা স্বাধীনতার জন্যও যুদ্ধ করছিল। দীর্ঘ দিন গুরুত্বপূর্ণ পদে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকরি করার সুবাদে, এ মন্তব্য করছি। মওলা ব্রাদার্স কর্তৃক প্রকাশিত, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি প্রক্রিয়া ও পরিবেশ-পরিস্থিতির মূল্যায়ন’ নামে আমার লেখা ৩৮৫ পৃষ্ঠার বইয়ে বিস্তারিত আলোচনা আছে এ বিষয়ে। এখন পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র আন্দোলন, কৌশলগতভাবে ম্রিয়মাণ; কিন্তু ভিন্ন আঙ্গিকে পরিচালিত হচ্ছে।
সামরিক ইতিহাসের একজন ছাত্র এবং অধুনা সমকালীন রাজনীতির একজন ছাত্র হওয়ার সুবাদে আমার মূল্যায়ন হলো, যেখানেই স্বাধীনতা এসেছে বা স্বাধীনতার সংগ্রাম হয়েছে, সেখানেই কিছু কাজ অপ্রকাশ্যে হয়েছে, কিছু কাজ প্রকাশ্যে হয়েছে। এটাই স্বাভাবিক ও বাস্তব। যেখানেই কোনো না কোনো জনগোষ্ঠী তাদের জন্য স্বাধীনতা চেয়েছে, সেখানেই প্রতিবেশী জনগোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে বা অনানুষ্ঠানিকভাবে হয় সাহায্য-সহযোগিতা করেছে অথবা অসহযোগিতা করেছে। কোনো একটি জনগোষ্ঠী বা কোনো একটি দেশ তার প্রতিবেশী একটি জনগোষ্ঠীকে স্বাধীনতা কামনায় বা স্বাধীনতা সংগ্রামে সহযোগিতা করবে, নাকি অসহযোগিতা করবে, এর পেছনে অনেক কারণ থাকে। যেটা করলে তার লাভ, সেটাই করা হয়। যেমন স্কটল্যান্ড যেন স্বাধীন না হয়, তার জন্য ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশির ভাগ দেশই আধা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রায় প্রকাশ্যেই, পরোভাবে, স্কটল্যান্ডবাসীর স্বাধীনতার পরে অংশকে নিরুৎসাহিত করেছে। যখন ষাটের দশক পুরা এবং সত্তরের দশকের শুরুর দিকে, উত্তর ভিয়েতনামভিত্তিক ভিয়েতকং বাহিনী, আমেরিকা-বান্ধব দণি ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিল, একটি কমিউনিস্ট ভিয়েতনাম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছিল, তখন ভিয়েতনামের উত্তরের বৃহৎ প্রতিবেশী চীন তাদেরকে প্রভূত সাহায্য করেছিল। একপর্যায়ে দণি ভিয়েতনাম মার্কিন প্রভাবমুক্ত এবং একক ভিয়েতনামে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পরের পনেরো-বিশ বছর যেকোনো কারণেই হোক না কেন, চীন ও ভিয়েতনামের সম্পর্কে অবনতি আসে। অপরপে ৯ বছর গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়া মাত্রই পূর্ব তিমুর নামক রাষ্ট্রটি তাদের সাবেক শাসক ইন্দোনেশিয়ার সাথে বন্ধুত্ব গভীর থেকে গভীরতর করেছে। যা হোক ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকের পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে যাই।
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি অংশ স্বাধীনতা চাচ্ছিলেন এবং এ জন্য গোপন প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন। তারা কৌশলী পদপে নিচ্ছিলেন। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নিকটতম প্রতিবেশী ভারত সেই প্রস্তুতিতে গোপনে বা আধা প্রকাশ্যে সাহায্য করছিল। অপর ভাষায়, আমাদের স্বাধীনতাকামীরা সহযোগিতা নিচ্ছিলেন ও পাচ্ছিলেন। এর বিস্তারিত বিবরণ কোনো দিনই প্রকাশিত হয়নি। না হওয়ারই কথা। এখন ক্রমান্বয়ে প্রকাশিত হচ্ছে ইচ্ছায় হোক বা ঘটনাক্রমে হোক। এই কলামের প্রথম অনুচ্ছেদে দু’টি বইয়ের উল্লেখ করেছি, যেই দু’টি বইয়ে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও তার পূর্ব-প্রস্তুতি নিয়ে আলোচিত হয়েছে। এই দু’টি বই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই মুহূর্তে অনেক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আলোচনার বিষয়বস্তু, ১৯৬০-এর দশকে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য, তৎকালীন আওয়ামী লীগের নেতারা বা আওয়ামীপন্থী রাজনীতিবিদেরা কী কী পদপে নিয়েছিলেন; বিশেষ করে ভারতের সাথে সহযোগিতার ত্রে কিভাবে বিস্তৃত করা হচ্ছিল; কিন্তু ওই আমলের সরকারি গোয়েন্দা বা ওই আমলের স্বাধীনতাকামীদের প্রতিপ রাজনৈতিক শক্তি, ওই রূপ ভারতীয় সাহায্য-সহযোগিতা এবং ভারতীয় উৎসাহের কথা জানত। এখন ২০১৪ সালে, পেছনের দিকে তাকিয়ে আমরা কেউ কেউ প্রশ্ন করছি এবং কেউ কেউ উত্তর দিচ্ছি যে, ওই রূপ ভারতীয় সাহায্য-সহযোগিতার পরিমাণ বা ব্যাপ্তি কতটুকু ছিল? যেকোনো রাজনৈতিক আন্দোলনের একটি চূড়ান্ত ল্য ও রোডম্যাপ থাকে। যদি রাজনৈতিক আন্দোলনের ল্য হয় স্বাধীনতা, তাহলে তার চূড়ান্ত ধাপের প্রস্তুতি ও কর্ম কী হবে বা কী হতে পারে সেটা অনেক দিন পর্যন্ত অনিশ্চিত থাকে। অনিশ্চিত শব্দটি অপছন্দ হলে আমরা অপ্রকাশিত বলতে পারি। আমাদের বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, ষাটের দশকের শেষে, সত্তরের দশকের শুরুতে রাজনৈতিক আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হয়েছিল সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধ। নিরস্ত্র রাজনৈতিক আন্দোলন এবং সশস্ত্র স্বাধীনতার যুদ্ধ, এই দু’টির মধ্যে সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য; কিন্তু দুয়ের পরিচয় আলাদা। বাংলাদেশের েেত্র সশস্ত্র যুদ্ধ হয়েছিল প্রকাশ্যে, পৃথিবীকে সাী রেখে। বাংলাদেশের সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বড় সাহায্যকারী ছিল প্রতিবেশী ভারত। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, ভারত কি সব কিছু নিঃস্বার্থভাবে, নির্মোহভাবে, প্রতিদানের আশা না করেই সাহায্য করেছিল? নাকি প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত শর্তে, স্বার্থ উদ্ধারের ল্েয এবং প্রতিদান পাওয়ার পরিকল্পনায় এই সাহায্য করেছিল? নাকি কিছুটা স্বার্থ কিছুটা নিঃস্বার্থভাবে করেছিল? এসব প্রশ্নের আলোচনা আমাদের করা প্রয়োজন।
তবে ‘আমাদের’ বলতে কাকে বোঝাই, এটি একটি কঠিন প্রশ্ন। আমার বয়স ৬৫ শেষ হয়ে ৬৬ মাত্র শুরু হলো। আমি ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনের একজন মুক্তিযোদ্ধা। যারা আজকে তরুণ, যাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আগামী দিনের বাংলাদেশের প্রকৃতির ওপর, তারা ইতিহাসের জন্য কতটুকু সময় দেবে? এর থেকেও বড় প্রশ্ন, কতটুকু সময় আমরাই বা তাদের কাছে চাইতে পারি ইতিহাস শোনার জন্য? কথাগুলো এ জন্য বললাম যে, মাঝে মধ্যেই বাংলাদেশের বড় বড় পত্রিকার কলাম লেখার জায়গাগুলো এবং টেলিভিশন টকশোর বিষয়বস্তু এই প্রশ্নগুলোকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হতে থাকে। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎÑ এই তিনটির মধ্যে একটি ভারসাম্য প্রয়োজন। ব্যবসায়িক উন্নয়ন, রাজনৈতিক উন্নয়ন ও সামরিক উন্নয়নÑ এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্য প্রয়োজন। অতীতের বন্ধু, বর্তমানের বন্ধু ও ভবিষ্যতের বন্ধু, এই তিনটির মধ্যেও ভারসাম্য প্রয়োজন। অর্থাৎ ত্রিমাত্রিক ভারসাম্য প্রয়োজন।
লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1407)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
October
(1240)
-
▼
Oct 22
(53)
- রাষ্ট্র ও রাজনীতি- ভাষা–মতিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পেল...
- মহামারি- যুক্তরাষ্ট্রে ইবোলা by আবদুল এল-সায়েদ
- নারীবাদী নয়, সমতাবাদী by উম্মে মুসলিমা
- বেতন কমিশনের সুপারিশ ও বাস্তবতা by আলী ইমাম মজুমদার
- মহাসড়কে আবার বিভীষিকা -ভারী মোটরযানের চালকদের সামলান
- অবমাননার উপত্যকা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- আর্থিক খাতের জাল by হাওয়ার্ড ডেভিস
- শিক্ষার মান, কোচিং ও শিক্ষা-বাণিজ্য by আবদুল মান্নান
- বিশ্ব অর্থনীতি- চীনের বিস্ময়কর উত্থান by মাহবুবুর ...
- সংসদ থেকেও লতিফ সিদ্দিকীকে বহিষ্কার সম্ভব by মিজান...
- মধ্যপ্রাচ্য- ক্রুসেডার ও জায়নবাদী by ইউরি আভনেরি
- শহীদ মিনারের অবমাননা -ভিন্নমতের কণ্ঠরোধের অপপ্রয়া...
- তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে ছবি
- ভাইয়ের সঙ্গে বোনকে পিঠমোড়া করে বেঁধে গণধর্ষণ
- ব্যক্তিগত শত্রুতার জের- দুই পায়ে গুলি করে যুবককে ...
- প্যারালাইজড থেকে সুস্থ হওয়ার পর যেন চাঁদের মাটিতে ...
- আমি ক্লিনটনের প্রেমে পড়েছিলাম
- হংকংয়ে ছাত্রনেতা সরকার বৈঠক শুরু
- সিরিয়ায় অস্ত্র ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র
- বিভক্ত থাকলে আমরা কখনোই মহান জাতি হতে পারব না
- ত্রিমাত্রিক ভারসাম্য প্রয়োজন by মে. জে. (অব:) সৈয়দ...
- ছাত্রদলে নেতৃত্বের লড়াই by আলফাজ আনাম
- ভারত সীমান্তে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে না’......
- কমিউনিটি রেডিও- আমেরিকা ও বাংলাদেশ by এ. এম. জিয়া ...
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সঙ্কট- স্রোতের ...
- আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা পেতে তৎপর সরকার -পররাষ্ট্...
- আল-আকসা মসজিদের অর্ধেক ইহুদিদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে!
- নিয়মিত দাঁত না মাজলেও ক্যান্সার!
- পিপিপির ওপর আস্থা ফেরানোর চ্যালেঞ্জ নিলেন বিলাওয়াল
- জাপানে এক দিনে দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ
- কাঠমিস্ত্রির ছেলে ইন্দোনেশিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট
- জুয়ায় চাতুর্য ও কৌশলের জয়
- ফ্রান্সও ‘দায়েশ’ ডাকবে আইএস গোষ্ঠীকে
- বেপরোয়া গতি, চালকের জন্যই ৯১% দুর্ঘটনা- ঢাকায় সব...
- রেহাই পাচ্ছে না নারী–শিশুও by আব্দুল কুদ্দুস ও গিয...
- আপনার ছেলেও কি নিরাপদ? by আহমেদ হেলাল
- অবাক করার মতো
- জাসাস(মহানগর দক্ষিণ) সহ-সভাপতির পদ ছাড়লেন ন্যান্সি...
- আবারও র্যাব বিলুপ্তির আহ্বান হিউম্যান রাইটস ওয়াচের
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সংশয়
- আর কত লাশ বইবে বাংলাদেশ? by সাজেদুল হক
- ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় পরিবর্তন আনার আগে... by সেলিম...
- ছাত্র-শ্রমিক সংঘর্ষে রণক্ষেত্র সিলেটের উপশহর
- বাস্তবসম্মত কর্মমুখী শিক্ষানীতি প্রয়োজন by শাকিল
- শোকের মাতম সিধুলীতে- ফিটনেস ছিল না দুই বাসেরই by ই...
- বাবাকে মনে পড়ে by অধ্যাপক ডা. মো. তাহমিনুর রহমান
- ভক্তদের মানত by এনায়েতুর রহমান
- পারিবারিক হত্যাকাণ্ড : শেষ কোথায়?
- তোপের মুখে আইনমন্ত্রী
- একাধিক প্রেম ছিল লিনার by রুদ্র মিজান
- এরশাদের কমান্ড মানছেন না কেউ
- ‘চলে যাচ্ছি নেটওয়ার্কের বাইরে’ -আত্মহত্যার আগে তারেক
- পূর্ণ সামরিক শক্তি ব্যবহার করেও গাজাকে বশ করতে ব্য...
-
▼
Oct 22
(53)
-
▼
October
(1240)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment