Sunday, July 21, 2013
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার পথে মিসর by তারেক শামসুর রেহমান
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার পথে মিসর by তারেক শামসুর রেহমান
মিসরের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আদলি
মনসুর কর্তৃক সংসদ ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা এবং মুসলিম
ব্রাদারহুডের তা প্রত্যাখ্যানের মধ্য দিয়ে মিসরের রাজনীতি নিয়ে বড় ধরনের
অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এ অনিশ্চয়তা সেখানে সেনাশাসন দীর্ঘায়িত করবে। আদলি
মনসুর যে রোডম্যাপ উপস্থাপন করেছেন, তাতে আগামী চার মাসের মধ্যে একটি
গণভোট, ২০১৪ সালের প্রথম দিকে সংসদ নির্বাচন, এরপর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের
কথা উল্লেখ রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে একটি প্যানেলের নাম তিনি ঘোষণা
করবেন, যারা সংবিধানে কিছু পরিবর্তন ও সংশোধন আনবেন। এ সংশোধনীর ওপর গণভোট
অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সংশোধিত সংবিধানের আলোকে দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হবে। এখন মুসলিম ব্রাদারহুডের এ কর্মসূচি প্রত্যাখ্যান রাজনীতিতে শুধু
অনিশ্চয়তাই বাড়াল না, বরং নানা জটিলতা তৈরি করল। এরই মধ্যে অর্থনীতিবিদ
হাজেম এল বেবলেউকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাকেও
প্রত্যাখ্যান করেছে মুসলিম ব্রাদারহুড পার্টি।
মিসরের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড. মোহম্মদ মুরসির অপসারণের পর যে প্রশ্নটি পশ্চিমা বিশ্বে আলোচিত হচ্ছে বেশি করে, তা হচ্ছে মুরসি কি আসলে ব্যর্থ হয়েছিলেন? জনগণের ভোটে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র এক বছর আগে। তিনি তার টার্ম শেষ করতে পারেননি। কিন্তু তার আগেই সেনাবাহিনী তাকে অপসারণ করল। এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী স্পষ্টই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধাচরণ করেছে। তবে স্পষ্টতই মুরসি একটি ভুল করেছিলেন। আর তা হচ্ছে সেনাবাহিনীর শক্তিকে তিনি কিছুটা ‘আন্ডারমাইন’ করেছিলেন। সাম্প্রতিক সময়গুলোতে সেনাবাহিনী খুব একটা ক্ষমতা দখল করে না। সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোথাও গ্রহণযোগ্যতা পায় না। এ ক্ষেত্রে মিসরের সামরিক অভ্যুত্থান নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই। গত প্রায় ৬২ বছর ধরে মিসরের সেনাবাহিনী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভবে ক্ষমতা পরিচালনা করে আসছে। সাধারণত সেনাবাহিনী দু’ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রথমত আরবিট্রেটর এবং দ্বিতীয়ত রুলার। আরবিট্রেটর মডেলের বড় দুর্বলতা হচ্ছে, এক্ষেত্রে সেনাবাহিনী রাষ্ট্রীয় নীতি প্রণয়নে ও পরিচালনায় পুরো দায়িত্ব নিতে পারে না। অর্থাৎ সেনাবাহিনীর হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার যন্ত্রটি থাকে না। দ্বিতীয় মডেলে সেনাবাহিনী সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। কর্নেল আদিব সিশাকলি ১৯৫২ সালে সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে আরবিট্রেটরের ভূমিকা থেকে রুলারের ভূমিকায় নিয়ে গিয়েছিলেন। মিসরে সেনাবাহিনী আরবিট্রেটর নয়, বরং সরাসরি রুলার পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। কর্নেল নাসেরের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর (১৯৫৩-১৯৬১) ভূমিকা ছিল এমনই।
আজকে মিসরে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের ভিত্তি গড়ে দিয়ে গিয়েছিলেন কর্নেল নাসের। নাসের সেনাবাহিনীর মধ্যে ফ্রি অফিসার্স ক্লাব গঠন করেছিলেন ১৯৪৯ সালে। এ ফ্রি অফিসার্স ক্লাবের উদ্যোগেই ১৯৫৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থান পরিচালিত হয় এবং কমান্ড কাউন্সিল গঠনে তারা একটি ভূমিকা পালন করেন। এ কমান্ড কাউন্সিল পরে একটি রাজনৈতিক সংগঠনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। মিসরের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এ রুলার মডেলের উদ্যোক্তারা একটি রাজনৈতিক সংগঠনের জš§ দেন। তাই সঙ্গত কারণেই দৃষ্টি থাকবে জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ এল সিসির দিকে। তিনি কি পূর্বসূরিদের অনুসরণ করবেন?
জেনারেল এল সিসির পূর্বসূরিরা দল গঠন করে ক্ষমতা করায়ত্ত করেছিলেন। ১৯৫৩-৫৬ সালে নাসের গঠন করেছিলেন ‘লিবারেশন র্যালি’। ১৯৫৭-৭০ সময়সীমায় গঠিত হয়েছিল ‘ন্যাশনাল ইউনিয়ন’। উভয় ক্ষেত্রেই লিবারেশন র্যালি ও ন্যাশনাল ইউনিয়ন একটি পরিপক্ব রাজনৈতিক দল হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনি। ১৯৭১ সালে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট সাদাত গঠন করেছিলেন আরব সোশ্যালিস্ট ইউনিয়ন। আর ১৯৭৯ সালে সাদাত এটাকে ভেঙে গঠন করেছিলেন নিউ ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন। হোসনি মোবারকও একই পথ অনুসরণ করে গেছেন। সুতরাং জেনারেল সিসি যে ক্ষমতা একজন সম্ভাব্য প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিয়ে ব্যারাকে ফিরে যাবেন, এটা আমার মনে হয় না। সম্প্রতি জেনারেল সুসি প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রীর পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় তা আরও স্পষ্ট হয়েছে। তাহলে কোন পথে যাচ্ছে মিসর? মিসর থেকে যেসব খবরাখবর আসছে তা কোনো আশার কথা বলছে না। মুরসির পক্ষেও বিশেষ দুটি জনমত রয়েছে। মুরসির সমর্থক মুসলিম ব্রাদারহুড লাখ লাখ লোকের জমায়েত করলে সেনাবাহিনী তাতে গুলি চালায়। এতে মারা যায় ৫২ জন। এর ফলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে- সেনাবাহিনী কোনোমতেই আর মুরসিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনছে না। যদিও তার সমর্থকদের দাবি এটাই। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর ভূমিকা এখনও স্পষ্ট নয়। সেনাবাহিনী কি এককভাবে কোনো একটি দল গঠন কিংবা পুনর্গঠিত করে নিজেরা ক্ষমতা পরিচালনা করবে, যেমনটি করেছিলেন আনোয়ার সাদাত কিংবা হোসনি মোবারক? বিকল্প হিসেবে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ইসলামপন্থী, লিবারেল ও পশ্চিমা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ধারণ করা কিছু দলের সমন্বয়ে একটি জোট গঠন করা হতে পারে, যারা অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য ক্ষমতা পরিচালনা করবেন। এমন সম্ভাবনাও রয়েছে, সামরিক অভ্যুত্থানের পর যে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন গঠিত হয়েছে, তারাই ক্ষমতা পরিচালনা করবে আরও কিছুদিনের জন্য। তারপর সামরিক জান্তা প্রেসিডেন্ট লির্বাচন দেবে এবং নিজেদের একজন প্রার্থীকে বিজয়ী করে নিয়ে আসবে। এগুলো সবই ক্লাসিকাল থিওরি। সামরিক শাসকরা এভাবেই ক্ষমতা ধরে রাখে ও পরিচালনা করে।
প্রথম দিকে মনে হয়েছিল, সেনাশাসকরা দ্বিতীয় সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। তারা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আল বারাদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেনা অভ্যুত্থানকারীরা এটা করেনি। সম্ভবত যাদের নিয়ে ‘ঐক্য’ করতে চেয়েছিল সেনাবাহিনী, আল বারাদির ব্যাপারে তাদের আপত্তি ছিল। বিশেষ করে প্রথমদিকে আল নূর পার্টি সেনা অভ্যুত্থানকে সমর্থন করলেও আল বারাদির ব্যাপারে তাদের ‘রিজার্ভেশন’ আছে। শেষ পর্যন্ত নতুন মন্ত্রিসভায় বারাদিকে অন্তর্বর্তীকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় ইসলামপন্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। আল নূর ইসলামপন্থী দল হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমা বিশ্বে তাদের সালাফিস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ এরা আদি ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় বিশ্বাসী। এদের সঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের রাজনৈতিকভাবে পার্থক্য রয়েছে। ব্রাদারহুড যেভাবে মিসরে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়, আল নূর সেভাবে চায় না। আল নূর বেশ কনজারভেটিভ। সে তুলনায় ব্রাদারহুড অনেকটা লিবারেল। মাত্র দু’বছর আগে গঠিত আল নূর পার্টির মিসরে জনপ্রিয়তা একেবারে কম নয়। বিগত সংসদ নির্বাচনে ব্রাদারহুডের পরেই ছিল তাদের স্থান। সংবিধানে নারী-পুরুষ সমতা বিধান করার উদ্যোগ নিয়েছিল ব্রাদারগুড। কিন্তু আল নূরের তাতে আপত্তি ছিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে এখানেই- সামরিক বাহিনী যখন ক্ষমতা দখল করল, তখন আল নূর পার্টি মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থন না করে সমর্থন করে বসল সেনাবাহিনীকে। এতে করে এটা স্পষ্ট যে, আল নূর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চায়। তাদের এ অবস্থান তাদের একটি সুবিধাবাদী রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত করতে পারে। উপরন্তু আল নূরের রাজনৈতিক মতাদর্শ পশ্চিমা বিশ্বে কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনোই চাইবে না কট্টরপন্থী অপর একটি ইসলামী দল মিসরে নতুন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় বড় ভূমিকা পালন করুক। মুরসিকে উৎখাতের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের একটা প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে। সুতরাং আরেকটি কট্টরপন্থী ইসলামী দল মিসরে রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনা করবে, এটা যুক্তরাষ্ট্র চাইবে না। আল নূর অভ্যুত্থান পরবর্তী মিসরে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চাইলেও তাতে তারা ব্যর্থই হবে। মনে রাখতে হবে, এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় স্বার্থ রয়েছে।
‘আরব বসন্ত’ গোটা আরব বিশ্বে পরিবর্তন ডেকে আনলেও এর মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি সেখানে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়েছে, তা বলা যাবে না। বলা যেতে পারে, একটি ইসলামী শক্তির উত্থান ঘটেছে আরব বিশ্বে। আরব বসন্তের মধ্য দিয়ে আধুনিক মনস্ক গণতান্ত্রিক, লিবারেল শক্তির উত্থান ঘটেছে, তাও কিন্তু বলা যাবে না। তিউনিসিয়ায় এ শক্তির কিছুটা অবস্থান থাকলেও মিসর, লিবিয়া কিংবা সিরিয়ায় লিবারেলপন্থীদের আদৌ কোনো ভূমিকা নেই। বরং দেখা গেছে আল-কায়দার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সংগঠনগুলোর প্রতিপত্তি বাড়ছে। আল-কায়দার স্থানীয় সংগঠন সিরিয়া ও লিবিয়ায় যথেষ্ট শক্তিশালী। ইয়েমেনে অনেক আগে থেকেই তাদের ঘাঁটি রয়েছে। মিসরে তারা ঘাঁটি গেড়েছে। ইরাকেও তারা শক্তিশালী। সুতরাং মিসরে আল-কায়দার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলো রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হোক- এটা পশ্চিমা বিশ্ব কোনো দিন চাইবে না। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে মার্কিন স্ট্রাটেজি, তাতে কট্টরপন্থী কোনো ইসলামিক গ্র“পকে সমর্থন করবে না যুক্তরাষ্ট্র।
প্রথমদিকে মনে হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র মুরসিকে সামনে রেখে তাদের স্বার্থ আদায় করে নিতে চায়। মুরসি নিজে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও করেছেন। কিন্তু মুরসি যখন ধীরে ধীরে মিসরকে একটি ইসলামী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাইলেন, তখন শুধু সমর্থন প্রত্যাহারই নয়, বরং মুরসির বিরুদ্ধে সামরিক অভ্যুত্থানকে প্ররোচিত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখানেই মার্কিন নীতির বৈপরীত্ব। যুক্তরাষ্ট্র কোনো গণতান্ত্রিক দেশে সামরিক অভ্যুত্থান সমর্থন করে না। এটা তাদের ভাষায় গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনার পরিপন্থী। যে কারণে দেখা যায় ষাটের দশকে পৃথিবীর কোনো কোনো দেশে সেনা অভ্যুত্থানকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করলেও এখন আর সমর্থন করে না। এখন গণতান্ত্রিক শক্তিকে ‘প্রমোট’ করে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু দেখা গেল, মিসরে একটি নির্বাচিত সরকারকে যখন সেনাবাহিনী উৎখাত করল, তখন যুক্তরাষ্ট্র সেনাশাসকদের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেনি। এমনকি ১ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারের যে সেনা সহযোগিতা, তাও বন্ধ করেনি যুক্তরাষ্ট্র। কারণ মিসরে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হচ্ছে সেনাবাহিনী। কোনো রাজনৈতিক দলকে তারা মিত্র হিসেবে বেছে নেয়নি।
মুরসির এক বছরের শাসনামলকে ‘ব্যর্থ’ হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে না। তবে এটা সত্য, তিনি প্রশাসনে দক্ষতা দেখাতে পারেননি। তিনি অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোকে আদৌ গুরুত্ব দেননি। বেকারত্ব হ্রাসের ব্যাপারে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। তরুণ প্রজšে§র যে প্রত্যাশা, তা তিনি পূরণ করতে পারেননি। তিনি বেকার সমস্যার সমাধান, অর্থনীতিকে সচল করার ব্যাপারে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে বেশি মাত্রায় ইসলামীকরণের দিকে ঝুঁকেছিলেন। এ সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়েছে তার বিরোধী পক্ষ। তারপরও মাত্র এক বছরের সময়সীমা দিয়ে তাকে বিচার করা যাবে না। জনগণকেই সুযোগ দেয়া উচিত ছিল ব্যালটের সাহায্যে তাকে অপসারণ করার। কিন্তু তা হল না। এতে করে উন্নয়নশীল বিশ্বের অগণতান্ত্রিক শক্তিগুলো আরও উৎসাহিত হবে। মিসরে গণতন্ত্র বিকাশের যে সম্ভাবনা ছিল, সেনা অভ্যুত্থান তাকে রুদ্ধ করে দিল। গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোও পারল না ঐক্যবদ্ধভাবে সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে। সেনাবাহিনীর সাফল্য এখানেই। এক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে চলছে মিসর। তবে ব্রাদারহুডের শক্তিকে খাটো করা যাবে না। দীর্ঘস্থায়ী এক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হল মিসর।
নিউইয়র্ক, জুলাই ২০১৩
ড. তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; রাজনৈতিক বিশ্লেষক
মিসরের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড. মোহম্মদ মুরসির অপসারণের পর যে প্রশ্নটি পশ্চিমা বিশ্বে আলোচিত হচ্ছে বেশি করে, তা হচ্ছে মুরসি কি আসলে ব্যর্থ হয়েছিলেন? জনগণের ভোটে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র এক বছর আগে। তিনি তার টার্ম শেষ করতে পারেননি। কিন্তু তার আগেই সেনাবাহিনী তাকে অপসারণ করল। এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী স্পষ্টই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধাচরণ করেছে। তবে স্পষ্টতই মুরসি একটি ভুল করেছিলেন। আর তা হচ্ছে সেনাবাহিনীর শক্তিকে তিনি কিছুটা ‘আন্ডারমাইন’ করেছিলেন। সাম্প্রতিক সময়গুলোতে সেনাবাহিনী খুব একটা ক্ষমতা দখল করে না। সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোথাও গ্রহণযোগ্যতা পায় না। এ ক্ষেত্রে মিসরের সামরিক অভ্যুত্থান নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই। গত প্রায় ৬২ বছর ধরে মিসরের সেনাবাহিনী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভবে ক্ষমতা পরিচালনা করে আসছে। সাধারণত সেনাবাহিনী দু’ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রথমত আরবিট্রেটর এবং দ্বিতীয়ত রুলার। আরবিট্রেটর মডেলের বড় দুর্বলতা হচ্ছে, এক্ষেত্রে সেনাবাহিনী রাষ্ট্রীয় নীতি প্রণয়নে ও পরিচালনায় পুরো দায়িত্ব নিতে পারে না। অর্থাৎ সেনাবাহিনীর হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার যন্ত্রটি থাকে না। দ্বিতীয় মডেলে সেনাবাহিনী সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। কর্নেল আদিব সিশাকলি ১৯৫২ সালে সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে আরবিট্রেটরের ভূমিকা থেকে রুলারের ভূমিকায় নিয়ে গিয়েছিলেন। মিসরে সেনাবাহিনী আরবিট্রেটর নয়, বরং সরাসরি রুলার পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। কর্নেল নাসেরের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর (১৯৫৩-১৯৬১) ভূমিকা ছিল এমনই।
আজকে মিসরে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের ভিত্তি গড়ে দিয়ে গিয়েছিলেন কর্নেল নাসের। নাসের সেনাবাহিনীর মধ্যে ফ্রি অফিসার্স ক্লাব গঠন করেছিলেন ১৯৪৯ সালে। এ ফ্রি অফিসার্স ক্লাবের উদ্যোগেই ১৯৫৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থান পরিচালিত হয় এবং কমান্ড কাউন্সিল গঠনে তারা একটি ভূমিকা পালন করেন। এ কমান্ড কাউন্সিল পরে একটি রাজনৈতিক সংগঠনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। মিসরের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এ রুলার মডেলের উদ্যোক্তারা একটি রাজনৈতিক সংগঠনের জš§ দেন। তাই সঙ্গত কারণেই দৃষ্টি থাকবে জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ এল সিসির দিকে। তিনি কি পূর্বসূরিদের অনুসরণ করবেন?
জেনারেল এল সিসির পূর্বসূরিরা দল গঠন করে ক্ষমতা করায়ত্ত করেছিলেন। ১৯৫৩-৫৬ সালে নাসের গঠন করেছিলেন ‘লিবারেশন র্যালি’। ১৯৫৭-৭০ সময়সীমায় গঠিত হয়েছিল ‘ন্যাশনাল ইউনিয়ন’। উভয় ক্ষেত্রেই লিবারেশন র্যালি ও ন্যাশনাল ইউনিয়ন একটি পরিপক্ব রাজনৈতিক দল হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনি। ১৯৭১ সালে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট সাদাত গঠন করেছিলেন আরব সোশ্যালিস্ট ইউনিয়ন। আর ১৯৭৯ সালে সাদাত এটাকে ভেঙে গঠন করেছিলেন নিউ ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন। হোসনি মোবারকও একই পথ অনুসরণ করে গেছেন। সুতরাং জেনারেল সিসি যে ক্ষমতা একজন সম্ভাব্য প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিয়ে ব্যারাকে ফিরে যাবেন, এটা আমার মনে হয় না। সম্প্রতি জেনারেল সুসি প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রীর পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় তা আরও স্পষ্ট হয়েছে। তাহলে কোন পথে যাচ্ছে মিসর? মিসর থেকে যেসব খবরাখবর আসছে তা কোনো আশার কথা বলছে না। মুরসির পক্ষেও বিশেষ দুটি জনমত রয়েছে। মুরসির সমর্থক মুসলিম ব্রাদারহুড লাখ লাখ লোকের জমায়েত করলে সেনাবাহিনী তাতে গুলি চালায়। এতে মারা যায় ৫২ জন। এর ফলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে- সেনাবাহিনী কোনোমতেই আর মুরসিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনছে না। যদিও তার সমর্থকদের দাবি এটাই। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর ভূমিকা এখনও স্পষ্ট নয়। সেনাবাহিনী কি এককভাবে কোনো একটি দল গঠন কিংবা পুনর্গঠিত করে নিজেরা ক্ষমতা পরিচালনা করবে, যেমনটি করেছিলেন আনোয়ার সাদাত কিংবা হোসনি মোবারক? বিকল্প হিসেবে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ইসলামপন্থী, লিবারেল ও পশ্চিমা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ধারণ করা কিছু দলের সমন্বয়ে একটি জোট গঠন করা হতে পারে, যারা অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য ক্ষমতা পরিচালনা করবেন। এমন সম্ভাবনাও রয়েছে, সামরিক অভ্যুত্থানের পর যে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন গঠিত হয়েছে, তারাই ক্ষমতা পরিচালনা করবে আরও কিছুদিনের জন্য। তারপর সামরিক জান্তা প্রেসিডেন্ট লির্বাচন দেবে এবং নিজেদের একজন প্রার্থীকে বিজয়ী করে নিয়ে আসবে। এগুলো সবই ক্লাসিকাল থিওরি। সামরিক শাসকরা এভাবেই ক্ষমতা ধরে রাখে ও পরিচালনা করে।
প্রথম দিকে মনে হয়েছিল, সেনাশাসকরা দ্বিতীয় সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। তারা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আল বারাদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেনা অভ্যুত্থানকারীরা এটা করেনি। সম্ভবত যাদের নিয়ে ‘ঐক্য’ করতে চেয়েছিল সেনাবাহিনী, আল বারাদির ব্যাপারে তাদের আপত্তি ছিল। বিশেষ করে প্রথমদিকে আল নূর পার্টি সেনা অভ্যুত্থানকে সমর্থন করলেও আল বারাদির ব্যাপারে তাদের ‘রিজার্ভেশন’ আছে। শেষ পর্যন্ত নতুন মন্ত্রিসভায় বারাদিকে অন্তর্বর্তীকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় ইসলামপন্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। আল নূর ইসলামপন্থী দল হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমা বিশ্বে তাদের সালাফিস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ এরা আদি ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় বিশ্বাসী। এদের সঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের রাজনৈতিকভাবে পার্থক্য রয়েছে। ব্রাদারহুড যেভাবে মিসরে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়, আল নূর সেভাবে চায় না। আল নূর বেশ কনজারভেটিভ। সে তুলনায় ব্রাদারহুড অনেকটা লিবারেল। মাত্র দু’বছর আগে গঠিত আল নূর পার্টির মিসরে জনপ্রিয়তা একেবারে কম নয়। বিগত সংসদ নির্বাচনে ব্রাদারহুডের পরেই ছিল তাদের স্থান। সংবিধানে নারী-পুরুষ সমতা বিধান করার উদ্যোগ নিয়েছিল ব্রাদারগুড। কিন্তু আল নূরের তাতে আপত্তি ছিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে এখানেই- সামরিক বাহিনী যখন ক্ষমতা দখল করল, তখন আল নূর পার্টি মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থন না করে সমর্থন করে বসল সেনাবাহিনীকে। এতে করে এটা স্পষ্ট যে, আল নূর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চায়। তাদের এ অবস্থান তাদের একটি সুবিধাবাদী রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত করতে পারে। উপরন্তু আল নূরের রাজনৈতিক মতাদর্শ পশ্চিমা বিশ্বে কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনোই চাইবে না কট্টরপন্থী অপর একটি ইসলামী দল মিসরে নতুন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় বড় ভূমিকা পালন করুক। মুরসিকে উৎখাতের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের একটা প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে। সুতরাং আরেকটি কট্টরপন্থী ইসলামী দল মিসরে রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনা করবে, এটা যুক্তরাষ্ট্র চাইবে না। আল নূর অভ্যুত্থান পরবর্তী মিসরে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চাইলেও তাতে তারা ব্যর্থই হবে। মনে রাখতে হবে, এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় স্বার্থ রয়েছে।
‘আরব বসন্ত’ গোটা আরব বিশ্বে পরিবর্তন ডেকে আনলেও এর মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি সেখানে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়েছে, তা বলা যাবে না। বলা যেতে পারে, একটি ইসলামী শক্তির উত্থান ঘটেছে আরব বিশ্বে। আরব বসন্তের মধ্য দিয়ে আধুনিক মনস্ক গণতান্ত্রিক, লিবারেল শক্তির উত্থান ঘটেছে, তাও কিন্তু বলা যাবে না। তিউনিসিয়ায় এ শক্তির কিছুটা অবস্থান থাকলেও মিসর, লিবিয়া কিংবা সিরিয়ায় লিবারেলপন্থীদের আদৌ কোনো ভূমিকা নেই। বরং দেখা গেছে আল-কায়দার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সংগঠনগুলোর প্রতিপত্তি বাড়ছে। আল-কায়দার স্থানীয় সংগঠন সিরিয়া ও লিবিয়ায় যথেষ্ট শক্তিশালী। ইয়েমেনে অনেক আগে থেকেই তাদের ঘাঁটি রয়েছে। মিসরে তারা ঘাঁটি গেড়েছে। ইরাকেও তারা শক্তিশালী। সুতরাং মিসরে আল-কায়দার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলো রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হোক- এটা পশ্চিমা বিশ্ব কোনো দিন চাইবে না। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে মার্কিন স্ট্রাটেজি, তাতে কট্টরপন্থী কোনো ইসলামিক গ্র“পকে সমর্থন করবে না যুক্তরাষ্ট্র।
প্রথমদিকে মনে হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র মুরসিকে সামনে রেখে তাদের স্বার্থ আদায় করে নিতে চায়। মুরসি নিজে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও করেছেন। কিন্তু মুরসি যখন ধীরে ধীরে মিসরকে একটি ইসলামী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাইলেন, তখন শুধু সমর্থন প্রত্যাহারই নয়, বরং মুরসির বিরুদ্ধে সামরিক অভ্যুত্থানকে প্ররোচিত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখানেই মার্কিন নীতির বৈপরীত্ব। যুক্তরাষ্ট্র কোনো গণতান্ত্রিক দেশে সামরিক অভ্যুত্থান সমর্থন করে না। এটা তাদের ভাষায় গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনার পরিপন্থী। যে কারণে দেখা যায় ষাটের দশকে পৃথিবীর কোনো কোনো দেশে সেনা অভ্যুত্থানকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করলেও এখন আর সমর্থন করে না। এখন গণতান্ত্রিক শক্তিকে ‘প্রমোট’ করে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু দেখা গেল, মিসরে একটি নির্বাচিত সরকারকে যখন সেনাবাহিনী উৎখাত করল, তখন যুক্তরাষ্ট্র সেনাশাসকদের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেনি। এমনকি ১ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারের যে সেনা সহযোগিতা, তাও বন্ধ করেনি যুক্তরাষ্ট্র। কারণ মিসরে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হচ্ছে সেনাবাহিনী। কোনো রাজনৈতিক দলকে তারা মিত্র হিসেবে বেছে নেয়নি।
মুরসির এক বছরের শাসনামলকে ‘ব্যর্থ’ হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে না। তবে এটা সত্য, তিনি প্রশাসনে দক্ষতা দেখাতে পারেননি। তিনি অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোকে আদৌ গুরুত্ব দেননি। বেকারত্ব হ্রাসের ব্যাপারে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। তরুণ প্রজšে§র যে প্রত্যাশা, তা তিনি পূরণ করতে পারেননি। তিনি বেকার সমস্যার সমাধান, অর্থনীতিকে সচল করার ব্যাপারে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে বেশি মাত্রায় ইসলামীকরণের দিকে ঝুঁকেছিলেন। এ সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়েছে তার বিরোধী পক্ষ। তারপরও মাত্র এক বছরের সময়সীমা দিয়ে তাকে বিচার করা যাবে না। জনগণকেই সুযোগ দেয়া উচিত ছিল ব্যালটের সাহায্যে তাকে অপসারণ করার। কিন্তু তা হল না। এতে করে উন্নয়নশীল বিশ্বের অগণতান্ত্রিক শক্তিগুলো আরও উৎসাহিত হবে। মিসরে গণতন্ত্র বিকাশের যে সম্ভাবনা ছিল, সেনা অভ্যুত্থান তাকে রুদ্ধ করে দিল। গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোও পারল না ঐক্যবদ্ধভাবে সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে। সেনাবাহিনীর সাফল্য এখানেই। এক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে চলছে মিসর। তবে ব্রাদারহুডের শক্তিকে খাটো করা যাবে না। দীর্ঘস্থায়ী এক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হল মিসর।
নিউইয়র্ক, জুলাই ২০১৩
ড. তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; রাজনৈতিক বিশ্লেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
July
(1526)
-
▼
Jul 21
(43)
- কাশ্মীরে দ্বিতীয় দিনের মতো কারফিউ
- জামিনে মুক্তি পেয়েই নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা নাভালনির
- যুক্তরাষ্ট্রে অভিযুক্ত জঙ্গি মোখতার
- শিগগিরই সরাসরি আলোচনা
- মানসুরা শহরে রাতভর সংঘর্ষে নিহত ৩
- পুরুষ আত্মীয় ছাড়া নারীদের বাজারে যাওয়া নিষিদ্ধ
- ট্রেভন মার্টিনের ঘটনা ঘটতে পারত আমার ক্ষেত্রেও: ওবামা
- কোটার দাবিদার কারা by মোঃ আবুসালেহ সেকেন্দার
- জনপ্রশাসনে অদক্ষতা বাড়ছে নানা কারণেই by ইকতেদার আহমেদ
- বদলে গেছে দিনকাল সবাই এখন ডিজিটাল by মোকাম্মেল হোসেন
- বাংলার মাটিতে এদের কবর যেন না হয় by নুরুল ইসলাম বি...
- রানা প্লাজার শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ কোথায়? by আনু মুহ...
- রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার পথে মিসর by তারেক শামসুর রেহমান
- কেলেঙ্কারির শেষ নেই সোনালী ব্যাংকে by আবুল কাশেম
- মোদিকে সমর্থন দেব না : মমতা
- মিয়ানমারের চার শহরের জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার
- মিসরে ফের সংঘর্ষ, নিহত ৩-কায়রো সফরে জর্দানের বাদশাহ
- বেলজিয়ামের রাজা ক্ষমতা ছাড়ছেন আজ
- মধ্য প্রদেশে ছয় আসামির যাবজ্জীবন-সুইস পর্যটককে গণধ...
- শ্রমিকের বঞ্চনা আরও বাড়বে by কল্পনা আক্তার
- রম আইন উভয়ের স্বার্থ রক্ষা করবে by মোহাম্মদ ফজলু...
- সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই ডেসটিনির পুরো সম্পত্তি by ...
- সাংবাদিক পেটালেন সাংসদ
- পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের আপত্তি সুন্দরবনের পাশ...
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক নয় : ভেনিজুয়েলা
- যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের হার ১০০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন
- ঠায় বসে থাকা ধূমপানের মতোই ক্ষতিকর!
- মোদির নেতৃত্বে বিজেপির প্রচার কমিটি চূড়ান্ত
- 'পাকিস্তানে বেশি ধর্ষণের শিকার হিন্দু নারীরা'
- সরাসরি সংলাপে ফিরছে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল-আগামী সপ্তাহ...
- সেদিন আমিও ট্রেভন হতে পারতাম : ওবামা
- খাদ্যে ভেজাল উদ্বেগজনক-আইন তৈরি ও প্রয়োগ জরুরি
- রেন্টাল খাতে লুটপাট-অতিরিক্ত জ্বালানি বরাদ্দের যুক...
- দৈনন্দিন বিজ্ঞান-সুইচ চাপুন শুকনো হাতে
- ভালো থাকুন-ক্ষতিকর ধূমপান
- ব্যক্তিত্ব-আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
- পবিত্র কোরআনের আলো-আজাব নাজিলের বিলম্বে খুশি হওয়ার...
- 'সরল অঙ্কটি রাজনীতিবিদরা বোঝেন না, তা নয়'
- অ্যান্টিকোলেস্টেরল ওষুধের বিপজ্জনক পার্শ্বপ্রতিক্র...
- রাজনীতিতে সুবিধাজনক অবস্থান by ড. নিয়াজ আহম্মেদ
- অনলাইন থেকে-গান্ধী ও ম্যান্ডেলা
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আপস নয় by মযহারুল ইসলাম বাবলা
- সিটি নির্বাচনের আলোকে আগামী নির্বাচন by এ এম এম শও...
-
▼
Jul 21
(43)
-
▼
July
(1526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment