Friday, August 21, 2015
শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সুশীল সমাজ ও করপোরেট খাতের ভূমিকা
শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সুশীল সমাজ ও করপোরেট খাতের ভূমিকা
২ জুলাই ২০১৫, প্রথম আলোর আয়োজনে ‘শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সুশীল
সমাজ ও করপোরেট খাতের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে এই ক্রোড়পত্রে
প্রকাশিত হলো।

আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম: ভিক্ষাবৃত্তি সমাজের অভিশাপ। একটি
শিশুর শৈশবকাল ভিক্ষাবৃত্তিতে অতিবাহিত হতে পারে না। আমাদের কারোর এটা
কাম্য নয়। এটি মানবাধিকার ও শিশু অধিকারের লঙ্ঘন। দেশ ক্রমান্বয়ে অর্থনৈতিক
উন্নয়নের দিকে যাচ্ছে। অথচ সমাজের অসংখ্য শিশু ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করছে।
শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তি এখনই বন্ধ হওয়া উচিত।
তবে কেবল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অথবা সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এককভাবে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। পেশাজীবী, সুশীল সমাজ, নীতিনির্ধারক, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ সবার সম্মিলিত প্রয়াসই কেবল এই অমানবিক ভিক্ষাবৃত্তি থেকে শিশুদের রক্ষা করতে পারে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র একটি মানবাধিকার সংস্থা। তারা এ ক্ষেত্রে কাজ করছে। আমাদের সবার উদ্দেশ্য সমাজ থেকে যেন শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন হয়। এখন এ বিষয়ে আলোচনা করবেন সুলতানা কামাল।
তবে কেবল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অথবা সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এককভাবে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। পেশাজীবী, সুশীল সমাজ, নীতিনির্ধারক, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ সবার সম্মিলিত প্রয়াসই কেবল এই অমানবিক ভিক্ষাবৃত্তি থেকে শিশুদের রক্ষা করতে পারে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র একটি মানবাধিকার সংস্থা। তারা এ ক্ষেত্রে কাজ করছে। আমাদের সবার উদ্দেশ্য সমাজ থেকে যেন শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন হয়। এখন এ বিষয়ে আলোচনা করবেন সুলতানা কামাল।
সুলতানা কামাল
শিশুদের
ভিক্ষাবৃত্তি মানবাধিকারের লঙ্ঘন। আমরা কেউ চাই না এরা ভিক্ষা করে জীবন
ধারণ করুক। িশশু ভিক্ষাবৃত্তি কারোরই পেশা হতে পারে না। এই কাজ যখন শিশু
বয়স থেকে শুরু হয়, তখন আমরা বুঝতে পারি সমাজে শিশুদের প্রতি কত অবহেলা। এ
বিষয়কে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। রাষ্ট্রের একার পক্ষে এটা হয়তো সম্ভব
না। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করতে হবে। অনেক সময় ভিক্ষাবৃত্তিকে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমস্যার সঙ্গে তুলনা করা হয়। পুলিশ দিয়ে এদের
তাড়িয়ে দেওয়া হয়। হয়তো কোথাও আটকে রাখা হয়, অথবা কোনো আশ্রয়কেন্দ্রে
নেওয়া হয়।
এখানে দেখতে হবে, কেন তারা ভিক্ষা করছে। তাদের কী সমস্যা। কে তাদের এই পথে আনছে। এসব সমস্যা না দেখে অন্যভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। ফলে এই চেষ্টা কাজে আসছে না।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র একটা মানবাধিকার সংগঠন। অনেক দিন ধরে আমরা শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তির বিষয়ে কাজ করছি। আমরা দেখেছি, অসংখ্য শিশু ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত। এ সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। দারিদ্র৵, নির্যাতনসহ ভিক্ষাবৃত্তির হয়তো বিভিন্ন কারণ রয়েছে। অনেক সময় সংঘবদ্ধ চক্রের কথা শুনে থাকি। বিভিন্নভাবে এরা শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করে।
শিশুসহ কেউ ভিক্ষাবৃত্তি পছন্দ করে না। তারপরও তাকে কেন এটা করতে হয়? এ বিষয়ে সবাইকে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। সমাজ থেকে শিশু ভিক্ষাবৃত্তি দূর করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শিশুরা সমাজের অনিয়ম ও বৈষম্যের শিকার। শিশুদের মানসিকভাবে বিকাশের সুযোগের বৈষম্য রয়েছে। দেশে লাখ লাখ কর্মজীবী শিশু রয়েছে। তাদের ৫৫ শতাংশ শুধু ঢাকা শহরে কাজ করে।
কর্মজীবী শিশুদের ৯ শতাংশ ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত; বাংলাদেশের জনসংখ্যার হিসাবে একটি বড় অংশ। তাই এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে গভীরভাবে ভাবতে হবে।
এখানে দেখতে হবে, কেন তারা ভিক্ষা করছে। তাদের কী সমস্যা। কে তাদের এই পথে আনছে। এসব সমস্যা না দেখে অন্যভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। ফলে এই চেষ্টা কাজে আসছে না।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র একটা মানবাধিকার সংগঠন। অনেক দিন ধরে আমরা শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তির বিষয়ে কাজ করছি। আমরা দেখেছি, অসংখ্য শিশু ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত। এ সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। দারিদ্র৵, নির্যাতনসহ ভিক্ষাবৃত্তির হয়তো বিভিন্ন কারণ রয়েছে। অনেক সময় সংঘবদ্ধ চক্রের কথা শুনে থাকি। বিভিন্নভাবে এরা শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করে।
শিশুসহ কেউ ভিক্ষাবৃত্তি পছন্দ করে না। তারপরও তাকে কেন এটা করতে হয়? এ বিষয়ে সবাইকে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। সমাজ থেকে শিশু ভিক্ষাবৃত্তি দূর করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শিশুরা সমাজের অনিয়ম ও বৈষম্যের শিকার। শিশুদের মানসিকভাবে বিকাশের সুযোগের বৈষম্য রয়েছে। দেশে লাখ লাখ কর্মজীবী শিশু রয়েছে। তাদের ৫৫ শতাংশ শুধু ঢাকা শহরে কাজ করে।
কর্মজীবী শিশুদের ৯ শতাংশ ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত; বাংলাদেশের জনসংখ্যার হিসাবে একটি বড় অংশ। তাই এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে গভীরভাবে ভাবতে হবে।
গীতা চক্রবর্তী
২০১৩
সাল থেকে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত শিশুদের নিয়ে কাজ করছি। দেশের উন্নয়ন
সত্ত্বেও দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কিন্তু একেবারে কমে যায়নি। এক হিসাবে দেখা
যায়, এখনো বাংলাদেশের ৬ শতাংশ মানুষ চরম দারিদ্র৵সীমার মধ্যে বাস করে।
তাদের অনেকেই উপায়হীন হয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে আসে। তারা ভিক্ষাবৃত্তিকে একটি
সহজ পেশা মনে করে।
আমরা জাতিতে একটু বেশি আবেগপ্রবণ। একজন শিশু যখন কারও কাছে ভিক্ষা চায়, তখন আমরা অনেকেই তাকে সহানুভূতি থেকে ভিক্ষা দিই। অনেক দরিদ্র মা-বাবা শিশুদের সঙ্গে নিয়ে ভিক্ষা করে। কারণ, বড়দের থেকে মানুষ শিশুদের বেশি ভিক্ষা দেয়। এভাবে আমরা অনেকে হয়তো ভিক্ষাকে উৎসাহিত করছি। অনেকে শিশুদের ভাড়া করে এনেও ভিক্ষাবৃত্তির কাজ করায় বলে জানি। আবার যারা প্রতিবন্ধী, তারা পরিবার ও সমাজে অবহেলিত। তাদের জীবনধারণ অনেক কষ্টকর। অবশেষে তারা ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে নিতে বাধ্য হয়।
আমরা সুস্থ মানুষকে ভিক্ষা দিতে চাই না। কিন্তু প্রতিবন্ধী হলে আমরা ভিক্ষা দিই। এভাবেও ভিক্ষাকে উৎসাহিত করছি।
অনেক ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি ও সংঘবদ্ধ চক্র কিছু মানুষকে ভিক্ষাবৃত্তিতে পরিচালিত করে থাকে বলে আমরা জানি। ভিক্ষাবৃত্তির কারণ যা-ই হোক না কেন, এটা কোনোভাবেই একজন মানুষের পেশা হতে পারে না। মানবাধিকার সংগঠন হিসেবে কোনোভাবেই আমরা এটা মেনে নিতে পরি না।
ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন কনভেনশনেও ভিক্ষাবৃত্তিকে কোনোভাবে সমর্থন করা হয়নি। আমাদের নিজস্ব এক অনানুষ্ঠানিক জরিপে দেখা গেছে, ২০০ জন ভিক্ষুক শিশুর মধ্যে ১৮৩ জনের বয়স ১০ বছরের নিচে। আমরা অবাক হয়েছি যে এত ছোট বয়স থেকে একজন শিশুকে ভিক্ষা করতে হচ্ছে! এদের মধ্যে চারজন বলেছে, তারা ইচ্ছা করে ভিক্ষা করে। অন্যরা বলেছে, কেন ভিক্ষা করছে তারা তা জানে না। অর্থাৎ, কেউ না কেউ তাকে ভিক্ষা করতে বাধ্য করছে। এরা প্রতিদিন ৫০ থেকে ২০০ টাকা করে পায়।
আমরা এসব শিশুকে সৃজনশীল ও দক্ষতামূলক শিক্ষার আওতায় এনেছি। এক বছরের একটা অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার পর তাদের প্রথম শ্রেণিতে পড়ার সুযোগ করে দিই। এ জন্য তাদের মা-বাবাকে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। আমাদের সাইকো সোশ্যাল কাউন্সেলর মা-বাবাকে বোঝান, ভিক্ষাবৃত্তি সম্মানজনক পেশা নয়। তাই মা–বাবাকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আওতায় এনেছি।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে একটি অবস্থানপত্র তৈরি করে, যা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে প্রদান করা হয়। ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের জন্য কমিউনিটি দায়িত্ব নিতে পারে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করতে হবে। শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
আমরা জাতিতে একটু বেশি আবেগপ্রবণ। একজন শিশু যখন কারও কাছে ভিক্ষা চায়, তখন আমরা অনেকেই তাকে সহানুভূতি থেকে ভিক্ষা দিই। অনেক দরিদ্র মা-বাবা শিশুদের সঙ্গে নিয়ে ভিক্ষা করে। কারণ, বড়দের থেকে মানুষ শিশুদের বেশি ভিক্ষা দেয়। এভাবে আমরা অনেকে হয়তো ভিক্ষাকে উৎসাহিত করছি। অনেকে শিশুদের ভাড়া করে এনেও ভিক্ষাবৃত্তির কাজ করায় বলে জানি। আবার যারা প্রতিবন্ধী, তারা পরিবার ও সমাজে অবহেলিত। তাদের জীবনধারণ অনেক কষ্টকর। অবশেষে তারা ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে নিতে বাধ্য হয়।
আমরা সুস্থ মানুষকে ভিক্ষা দিতে চাই না। কিন্তু প্রতিবন্ধী হলে আমরা ভিক্ষা দিই। এভাবেও ভিক্ষাকে উৎসাহিত করছি।
অনেক ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি ও সংঘবদ্ধ চক্র কিছু মানুষকে ভিক্ষাবৃত্তিতে পরিচালিত করে থাকে বলে আমরা জানি। ভিক্ষাবৃত্তির কারণ যা-ই হোক না কেন, এটা কোনোভাবেই একজন মানুষের পেশা হতে পারে না। মানবাধিকার সংগঠন হিসেবে কোনোভাবেই আমরা এটা মেনে নিতে পরি না।
ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন কনভেনশনেও ভিক্ষাবৃত্তিকে কোনোভাবে সমর্থন করা হয়নি। আমাদের নিজস্ব এক অনানুষ্ঠানিক জরিপে দেখা গেছে, ২০০ জন ভিক্ষুক শিশুর মধ্যে ১৮৩ জনের বয়স ১০ বছরের নিচে। আমরা অবাক হয়েছি যে এত ছোট বয়স থেকে একজন শিশুকে ভিক্ষা করতে হচ্ছে! এদের মধ্যে চারজন বলেছে, তারা ইচ্ছা করে ভিক্ষা করে। অন্যরা বলেছে, কেন ভিক্ষা করছে তারা তা জানে না। অর্থাৎ, কেউ না কেউ তাকে ভিক্ষা করতে বাধ্য করছে। এরা প্রতিদিন ৫০ থেকে ২০০ টাকা করে পায়।
আমরা এসব শিশুকে সৃজনশীল ও দক্ষতামূলক শিক্ষার আওতায় এনেছি। এক বছরের একটা অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার পর তাদের প্রথম শ্রেণিতে পড়ার সুযোগ করে দিই। এ জন্য তাদের মা-বাবাকে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। আমাদের সাইকো সোশ্যাল কাউন্সেলর মা-বাবাকে বোঝান, ভিক্ষাবৃত্তি সম্মানজনক পেশা নয়। তাই মা–বাবাকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আওতায় এনেছি।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে একটি অবস্থানপত্র তৈরি করে, যা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে প্রদান করা হয়। ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের জন্য কমিউনিটি দায়িত্ব নিতে পারে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করতে হবে। শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
নিশাত ফাতেমা রহমান
পথশিশু
যারা ভিক্ষা করে, অনেককেই লক্ষ করা যায়, তাদের কোনো নড়াচড়া নেই, শুধু
শুয়ে আছে। জন্মের প্রথম তিন বছর শিশুদের বিকাশ সবচেয়ে বেশি হয়। আমার মনে
হয়, তাদের ঘুমের বড়ি খাইয়ে বা অন্য কোনোভাবে অচেতন করে রাখা হয়।
চারপাশের এত শব্দের মধ্যে তাদের ঘুমিয়ে থাকার কথা না। যে সময় তারা পরিবেশকে
জানবে, সবকিছু দেখবে, শেখার চেষ্টা করবে, এই গুরুত্বপূর্ণ সময় তো তাদের
ঘুমিয়ে কাটতে পারে না।
ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের রাস্তায় এ দৃশ্য দেখা যায়। এদের বয়স যখন পাঁচ–ছয় বছর হচ্ছে, তখন এরা যৌন বিষয়গুলো জেনে যাচ্ছে। খুব ছোটবেলা থেকেই এসব শিশু মাদকে আসক্ত হয়। অর্থাৎ, এদের জীবনের ধরনটাই বদলে যায়। প্রতিনিয়ত পথেঘাটে যৌন হয়রানির শিকার হয়। এদের মানসিক–শরীরিক সব ধরনের বিকাশ প্রচণ্ডভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে এদের তেমন কোনো বুদ্ধিবিবেচনার বোধ থাকে না। তারা জানে না অন্য মানুষের সঙ্গে তাদের আচরণ কী হবে, চলাফেরা কী হবে। এরা সমাজিকভাবে কারও সঙ্গে থাকতে পারে না। আচার–আচরণ, চলাফেরা করতে পারে না। ফলে বিভিন্ন মানুষ এদের মাদকসহ অনেক ধরনের খারাপ কাজে ব্যবহার করে। বস্তি এলাকার ২০ শতাংশ শিশু হারিয়ে যায়। এসব শিশু খুবই অরক্ষিত অবস্থায় চলাফেরা করে। ঘুম থেকে উঠেই এরা রাস্তায় চলে আসে।
এ শিশুগুলো আসলে কোথায় যায়? এরা কখনো চুরি হয়, বিক্রি হয় অথবা হারিয়ে যায়। আমরা একবার খোঁজাখুঁজি করে মহাখালীর একটা শিশুকে পেলাম মোহাম্মদপুরে। এসব ক্ষেত্রে মা-বাবা একেবারেই সচেতন না। এ জন্য আমরা বস্তি এলাকায় ৩০টি ডে কেয়ার সেন্টার করেছি।
দারিদ্র৵ এমনভাবে তাদের বিপর্যস্ত করে যে তারা কোনো কিছু ঠিকভাবে করতে পারে না। মা-বাবাকে তাদের শিশুদের দেখে রাখার কথা বললে তারা বলে, ‘খাবার জোগাড় করব, নাকি শিশুদের দেখে রাখব?’ ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করতে হলে এসব শিশুর মা–বাবাকে বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করতে হবে।
ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের রাস্তায় এ দৃশ্য দেখা যায়। এদের বয়স যখন পাঁচ–ছয় বছর হচ্ছে, তখন এরা যৌন বিষয়গুলো জেনে যাচ্ছে। খুব ছোটবেলা থেকেই এসব শিশু মাদকে আসক্ত হয়। অর্থাৎ, এদের জীবনের ধরনটাই বদলে যায়। প্রতিনিয়ত পথেঘাটে যৌন হয়রানির শিকার হয়। এদের মানসিক–শরীরিক সব ধরনের বিকাশ প্রচণ্ডভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে এদের তেমন কোনো বুদ্ধিবিবেচনার বোধ থাকে না। তারা জানে না অন্য মানুষের সঙ্গে তাদের আচরণ কী হবে, চলাফেরা কী হবে। এরা সমাজিকভাবে কারও সঙ্গে থাকতে পারে না। আচার–আচরণ, চলাফেরা করতে পারে না। ফলে বিভিন্ন মানুষ এদের মাদকসহ অনেক ধরনের খারাপ কাজে ব্যবহার করে। বস্তি এলাকার ২০ শতাংশ শিশু হারিয়ে যায়। এসব শিশু খুবই অরক্ষিত অবস্থায় চলাফেরা করে। ঘুম থেকে উঠেই এরা রাস্তায় চলে আসে।
এ শিশুগুলো আসলে কোথায় যায়? এরা কখনো চুরি হয়, বিক্রি হয় অথবা হারিয়ে যায়। আমরা একবার খোঁজাখুঁজি করে মহাখালীর একটা শিশুকে পেলাম মোহাম্মদপুরে। এসব ক্ষেত্রে মা-বাবা একেবারেই সচেতন না। এ জন্য আমরা বস্তি এলাকায় ৩০টি ডে কেয়ার সেন্টার করেছি।
দারিদ্র৵ এমনভাবে তাদের বিপর্যস্ত করে যে তারা কোনো কিছু ঠিকভাবে করতে পারে না। মা-বাবাকে তাদের শিশুদের দেখে রাখার কথা বললে তারা বলে, ‘খাবার জোগাড় করব, নাকি শিশুদের দেখে রাখব?’ ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করতে হলে এসব শিশুর মা–বাবাকে বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করতে হবে।
মাহবুবা নাসরীন
আইন
ও সালিশ কেন্দ্রের উপস্থাপনা থেকেই বিষয়টির গুরুত্ব বোঝা গেছে। এ নিয়ে
অনেক গবেষণা আছে। জাতিসংঘের একটা প্রতিবেদন করার জন্য পথশিশুসহ এদের সঙ্গে
কাজ করতে হয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীরাও এ ক্ষেত্রে কাজ করেছে। ঢাকা মহানগরের
পথশিশুর ভিক্ষুক কত, এদের কোনো পরিসংখ্যান নেই।
এক হিসাব থেকে জানা যায়, ঢাকা মহানগরের ৪ লাখ ৫০ হাজার পথশিশু আছে। এদের মধ্যে ১০ শতাংশ সরাসরি যৌনকর্ম ও ৯ শতাংশ ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে জড়িত। ছেলেশিশুরা একটু বড় হলেই বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় চলে যায়। মেয়েশিশুদের বাল্যবিবাহ হয়। অনেকে বাসাবাড়িতে কাজ করে।
অধিকাংশ পথশিশুর অভিভাবক আছে। এ জন্য এদের কোনো আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। আশ্রয়কেন্দ্রে রাখতে গেলে অভিভাবক ও শিশুরা উভয়ই চিৎকার–কান্নাকাটি করে। পথশিশুদের ৭০ শতাংশের বেশি অভিভাবকদের সঙ্গে থাকে।
সত্যিকার অর্থে অভিভাবকদের স্বাবলম্বী করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপকভাবে এ কাজ করছে না। কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতাকে এ ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর মনে করছি না। এখানে বিনিয়োগের প্রয়োজন। এটাকে একটা বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে।
আজ বিদেশিরা কিছু এলাকায় সভা করতে চায় না। কারণ, পথশিশুরা তাদের পোশাক ধরে টানাটানি করে। বিদেশিরা এটা বলেও থাকে। পথশিশুদের জন্য পর্যটনশিল্পের ওপরও প্রভাব পড়ে। অনেক সময় বিদেশিরা পর্যটনে নিরুৎসাহিত হয়। এটা বিদেশি বিনিয়োগের ওপরও প্রভাব ফেলে। যে দেশে শিশুশ্রম বেশি, সেখানে বিদেশিরা বিনিয়োগ করতে চায় না।
মানুষ কেন শহরে এসে উদ্বাস্তু হচ্ছে, সেটাও খুঁজে দেখতে হবে। এসব ক্ষেত্রে কাজ করার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তহবিল খুব কম। তারপর এগুলো প্রকল্পভিত্তিক। যেকোনো সময় প্রকল্প বন্ধ হতে পারে। তাই সত্যিকার বিনিয়োগের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে সমাজের মূলধারায় পুনর্বাসিত করতে হবে। এসব শিশুকে শিক্ষা, বিনোদন, খেলাধুলাসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।
এক হিসাব থেকে জানা যায়, ঢাকা মহানগরের ৪ লাখ ৫০ হাজার পথশিশু আছে। এদের মধ্যে ১০ শতাংশ সরাসরি যৌনকর্ম ও ৯ শতাংশ ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে জড়িত। ছেলেশিশুরা একটু বড় হলেই বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় চলে যায়। মেয়েশিশুদের বাল্যবিবাহ হয়। অনেকে বাসাবাড়িতে কাজ করে।
অধিকাংশ পথশিশুর অভিভাবক আছে। এ জন্য এদের কোনো আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। আশ্রয়কেন্দ্রে রাখতে গেলে অভিভাবক ও শিশুরা উভয়ই চিৎকার–কান্নাকাটি করে। পথশিশুদের ৭০ শতাংশের বেশি অভিভাবকদের সঙ্গে থাকে।
সত্যিকার অর্থে অভিভাবকদের স্বাবলম্বী করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপকভাবে এ কাজ করছে না। কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতাকে এ ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর মনে করছি না। এখানে বিনিয়োগের প্রয়োজন। এটাকে একটা বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে।
আজ বিদেশিরা কিছু এলাকায় সভা করতে চায় না। কারণ, পথশিশুরা তাদের পোশাক ধরে টানাটানি করে। বিদেশিরা এটা বলেও থাকে। পথশিশুদের জন্য পর্যটনশিল্পের ওপরও প্রভাব পড়ে। অনেক সময় বিদেশিরা পর্যটনে নিরুৎসাহিত হয়। এটা বিদেশি বিনিয়োগের ওপরও প্রভাব ফেলে। যে দেশে শিশুশ্রম বেশি, সেখানে বিদেশিরা বিনিয়োগ করতে চায় না।
মানুষ কেন শহরে এসে উদ্বাস্তু হচ্ছে, সেটাও খুঁজে দেখতে হবে। এসব ক্ষেত্রে কাজ করার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তহবিল খুব কম। তারপর এগুলো প্রকল্পভিত্তিক। যেকোনো সময় প্রকল্প বন্ধ হতে পারে। তাই সত্যিকার বিনিয়োগের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে সমাজের মূলধারায় পুনর্বাসিত করতে হবে। এসব শিশুকে শিক্ষা, বিনোদন, খেলাধুলাসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।
ফারুক মঈনউদ্দীন
২০১০
সালে কামরাঙ্গীরচরে একটি শিশুকে অঙ্গহানি করে ভিক্ষাবৃত্তিতে আনা হয়েছিল।
ভিক্ষাবৃত্তি রোধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—২০১১ সালে উচ্চ আদালতের এমন
একটি নির্দেশ ছিল। চার বছর পরও এ বিষয়ে আর কিছু জানতে পারিনি। ৫৩৫টি
প্রতিষ্ঠানে সিএসআর (কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা) বাজেট আছে। সিএসআরের
মধ্যে অনেক ফাঁকি আছে। ব্যাংককে সবাই সিএসআরের সহজ উৎস মনে করে। কারণ,
ব্যাংকের লাভ সবাই দেখতে পায়। আয়করের কাঠামোতে সত্যিকার অর্থে সিএসআরের
ওপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায় না। আয়কর রেয়াতের সুবিধা পেলে ব্যাংকগুলো
সিএসআরে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবে। সিএসআর দিয়ে কেন ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করতে
হবে? ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের কাজটি করতে হবে বিনিয়োগের মাধ্যমে। এটি হবে
মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ। যেমন প্রথম আলো অদম্য মেধাবীদের সহযোগিতা
দিয়ে থাকে। এদের মধ্য থেকে একসময় অনেক বড় মানুষ, বড় নেতা বেরিয়ে আসবে।
তাই কাজগুলোকে বিনিয়োগের আওতায় আনতে হবে।
আমরা যশোরসহ শিশুদের কয়েকটি পুনর্বাসনকেন্দ্রে সহযোগিতা দিয়ে থাকি। তবে সিএসআরের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ব্র৵ান্ডিংয়ের বিষয়টি থাকে বলে সিএসআর কতটা কার্যকর হয়, সেটি নিয়ে হয়তো প্রশ্ন করা যেতে পারে। আমি মনে করি, কাজটি আন্তরিকতার সঙ্গে করতে পারলে নিশ্চয়ই একটি জনগোষ্ঠীর কল্যাণ হবে।
আমরা যশোরসহ শিশুদের কয়েকটি পুনর্বাসনকেন্দ্রে সহযোগিতা দিয়ে থাকি। তবে সিএসআরের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ব্র৵ান্ডিংয়ের বিষয়টি থাকে বলে সিএসআর কতটা কার্যকর হয়, সেটি নিয়ে হয়তো প্রশ্ন করা যেতে পারে। আমি মনে করি, কাজটি আন্তরিকতার সঙ্গে করতে পারলে নিশ্চয়ই একটি জনগোষ্ঠীর কল্যাণ হবে।
শাগুফা আনোয়ার
চলার
পথে প্রতিনিয়ত আমরা ভিক্ষুক দেখি। মাঝেমধ্যে বিরক্ত হই। কখনো গাড়ির
জানালার কাচ টেনে দিতে হয়। আবার কিছু ভিক্ষুক দেখে মনে হয়, তারা এটাকে
ইচ্ছে করে পেশা হিসেবে নিয়েছে। এদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া সম্ভব হবে না।
সমাজ থেকে যদি ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করতে হয়, তাহলে তিন–চার বছরের একটি পরিকল্পনা করতে হবে। বিচ্ছিন্নভাবে করলে এ ক্ষেত্রে সফলতা আসবে না। কাজটি পরিকল্পিতভাবে করতে হবে। অনেক কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা আছে। সব সংস্থার প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংগঠন করতে হবে। প্রত্যেকে প্রত্যেকের দিক থেকে কাজ করবে।
সমন্বিতভাবে কাজটি করতে হবে। যেমন আমি স্বাস্থ্যগত বিষয়টি দেখতে পারি। সিটি করপোরেশন এদের স্কুলে ভর্তির দায়িত্ব নিতে পারে। একজন দিবাসেবার বিষয়টি দেখতে পারে। সব ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। সিটি করপোরেশন ওয়ার্ডভিত্তিক ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের উদ্যোগ নিতে পারে। একটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব ওয়ার্ড কমিশনারসহ ওই ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি নিতে পারেন। তাঁরা শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ অন্যান্য কাজ করবেন। এ ক্ষেত্রে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে।
িসটি করপোরেশন ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়—এ দুটি সংস্থা আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করা কঠিন হবে না। আবার যারা সহযোগিতা করবে, তারাও যদি কিছুটা খোঁজখবর নেয় যে তাদের অর্থ কোনো ভালো কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তাহলে আরও কেউ যদি তাদের প্রতিষ্ঠানের ব্র৵ান্ডিংয়ের জন্য সহযোগিতা করে, তাতে দোষের কিছু নেই।
পৃথিবীর কোনো মা–বাবা চাইতে পারেন না তাঁদের সন্তান ভিক্ষা করুক। অতএব, আমরা যদি ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত শিশুদের মা-বাবাকে ঠিকভাবে বোঝাতে পারি, তাহলে অবশ্যই তাঁরা সন্তানদের মানুষ করার জন্য এগিয়ে আসবেন। তবে এসব ক্ষেত্রে সবার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করা জরুরি।
সমাজ থেকে যদি ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করতে হয়, তাহলে তিন–চার বছরের একটি পরিকল্পনা করতে হবে। বিচ্ছিন্নভাবে করলে এ ক্ষেত্রে সফলতা আসবে না। কাজটি পরিকল্পিতভাবে করতে হবে। অনেক কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা আছে। সব সংস্থার প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংগঠন করতে হবে। প্রত্যেকে প্রত্যেকের দিক থেকে কাজ করবে।
সমন্বিতভাবে কাজটি করতে হবে। যেমন আমি স্বাস্থ্যগত বিষয়টি দেখতে পারি। সিটি করপোরেশন এদের স্কুলে ভর্তির দায়িত্ব নিতে পারে। একজন দিবাসেবার বিষয়টি দেখতে পারে। সব ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। সিটি করপোরেশন ওয়ার্ডভিত্তিক ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের উদ্যোগ নিতে পারে। একটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব ওয়ার্ড কমিশনারসহ ওই ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি নিতে পারেন। তাঁরা শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ অন্যান্য কাজ করবেন। এ ক্ষেত্রে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে।
িসটি করপোরেশন ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়—এ দুটি সংস্থা আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করা কঠিন হবে না। আবার যারা সহযোগিতা করবে, তারাও যদি কিছুটা খোঁজখবর নেয় যে তাদের অর্থ কোনো ভালো কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তাহলে আরও কেউ যদি তাদের প্রতিষ্ঠানের ব্র৵ান্ডিংয়ের জন্য সহযোগিতা করে, তাতে দোষের কিছু নেই।
পৃথিবীর কোনো মা–বাবা চাইতে পারেন না তাঁদের সন্তান ভিক্ষা করুক। অতএব, আমরা যদি ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত শিশুদের মা-বাবাকে ঠিকভাবে বোঝাতে পারি, তাহলে অবশ্যই তাঁরা সন্তানদের মানুষ করার জন্য এগিয়ে আসবেন। তবে এসব ক্ষেত্রে সবার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করা জরুরি।
আক্তার বাবু
ভিক্ষুকদের
বিভিন্ন শ্রেণি বিভাগ রয়েছে। কিছু আছে পেশাদার ভিক্ষুক। আবার কিছু মৌসুমি
ভিক্ষুক। আর সংঘবদ্ধ চক্র কিছু মানুষকে ভিক্ষা করতে বাধ্য করে। জানার
চেষ্টা করেছিলাম, কীভাবে এ সমস্যার সমাধান করা যায়। অনেকে বলেছেন, এদের
এতিমখানায় দেওয়া যেতে পারে। এখানে তাদের অন্ন–বস্ত্রের জন্য সহযোগিতা
দেওয়া যেতে পারে। আসলে এটা কোনো সমাধান হতে পারে না। এতিমখানা একটা
নির্দিষ্ট সময় পর এদের বের করে দেয়। এদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা–দীক্ষা খুব
একটা হয় না। সিএসআরের ক্ষেত্রে আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
এখানে ৫৩৫টি প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে, যারা সিএসআর করতে পারে। মনে করি,
যে কেউ সিএসআর করতে পারে। এটা আরও বেশি ফলপ্রসূ সিএসআর হতে পারে—যেমন কেউ
দুজন শিশু বা অন্তত একজন শিশুরও দায়িত্ব নিতে পারেন।
তিনি এসব শিশুর থাকা, খাওয়া, শিক্ষা, সবশেষে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন। সমাজে এখন অগণিত বিত্তবান মানুষ আছেন। তাঁরা এভাবে দায়িত্ব নিতে পারেন। তাহলে প্রায় নিশ্চিত করে বলা যায়, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সমাজ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন হবে।
যেকোনো পণ্য উৎপাদন কোম্পানি ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশুদের কল্যাণে যুক্ত হতে পারে। যেমন তারা যেকোনো পণ্যের মূল্যের প্যাকেটে লিখে দিতে পারে যে এই মূল্যের একটা নির্দিষ্ট অংশ ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। এভাবেও তারা সিএসআর হতে পারে। এ ব্যাপারে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি।
টেলিকম কোম্পানিগুলোর বাজেট অনেক বিশাল। তারা ক্ষুদ্র একটা অংশ শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করলে শিশুদের সাফল্যজনকভাবে পুনর্বাসন করা সম্ভব হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে কোনো গঠনমূলক প্রস্তাব নিয়ে হয়তো আমরা যেতে পারছি না। কোনো কল্যাণকর প্রস্তাব ভালোভাবে উপস্থাপন করতে পারলে অনেকেই সাড়া দেবে বলে মনে করি।
তিনি এসব শিশুর থাকা, খাওয়া, শিক্ষা, সবশেষে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন। সমাজে এখন অগণিত বিত্তবান মানুষ আছেন। তাঁরা এভাবে দায়িত্ব নিতে পারেন। তাহলে প্রায় নিশ্চিত করে বলা যায়, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সমাজ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন হবে।
যেকোনো পণ্য উৎপাদন কোম্পানি ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশুদের কল্যাণে যুক্ত হতে পারে। যেমন তারা যেকোনো পণ্যের মূল্যের প্যাকেটে লিখে দিতে পারে যে এই মূল্যের একটা নির্দিষ্ট অংশ ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। এভাবেও তারা সিএসআর হতে পারে। এ ব্যাপারে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি।
টেলিকম কোম্পানিগুলোর বাজেট অনেক বিশাল। তারা ক্ষুদ্র একটা অংশ শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করলে শিশুদের সাফল্যজনকভাবে পুনর্বাসন করা সম্ভব হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে কোনো গঠনমূলক প্রস্তাব নিয়ে হয়তো আমরা যেতে পারছি না। কোনো কল্যাণকর প্রস্তাব ভালোভাবে উপস্থাপন করতে পারলে অনেকেই সাড়া দেবে বলে মনে করি।
শাবনাজ জেহরীন
আমরা
দেশের সব শিশুর সমান অধিকারের বিষয়ে গুরুত্ব দিই। ১৮ বছর পর্যন্ত সবই
শিশু। সবার অধিকার সমান। ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশুদের জন্মনিবন্ধন নেই।
এরা দেশের নাগরিক কি না, এটা বোঝা কষ্টকর হয়। দেশে আইন আছে, জন্মের ৪৫
দিনের মধ্যে প্রত্যেক শিশুকে জন্মনিবন্ধন করাতে হবে।
এ ক্ষেত্রে মা-বাবা, নীতিনির্ধারক, প্রত্যেকের দায়িত্ব রয়েছে। বিশেষ করে সিটি করপোরেশনের প্রত্যেক ওয়ার্ড কমিশনার গুরুত্ব দেবেন তাঁর ওয়ার্ডের শিশুদের জন্মনিবন্ধন হচ্ছে কি না। বাল্যবিবাহ, শিশু অপরাধ—এসব ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটা শিশু জন্মের পর প্রথম অধিকার হচ্ছে তার জন্মনিবন্ধন। এ ক্ষেত্রে শহরের বস্তিগুলো ধরে এগোতে হবে। কারণ, বস্তির শিশুরা বেশি ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত। আমাদের এক অভ্যন্তরীণ জরিপে দেখেছি, ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সের ছেলেশিশুরা বেশি ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত।
মা-বাবা মনে করেন, ভিক্ষাবৃত্তি আয়ের সবচেয়ে সহজ উপায়। এসব কারণে ভিক্ষাবৃত্তিতে শিশুরা আসছে। পরিবারকে পুনর্বাসন করার কাজটি হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। আইন ও সালিশ কেন্দ্র এ কাজ করছে।
মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করি। প্রতি মাসে একটা শিশুকে—যে ভিক্ষাবৃত্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত—সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনি। এদের মাসে দুই হাজার টাকা দিই, যাতে ভিক্ষাসহ যেকোনো ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকে। স্কুলে যায়। পরিবারের সঙ্গে থাকে।
ব্রাজিলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শিশুদের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করে সফল হয়েছে। আবার কে কীভাবে সিএসআর করছে, সে ক্ষেত্রে একটা তদারক সংস্থা থাকা দরকার, যাতে িসএসআরের অর্থ কল্যাণকর কাজে ব্যয় হয়।
এ ক্ষেত্রে মা-বাবা, নীতিনির্ধারক, প্রত্যেকের দায়িত্ব রয়েছে। বিশেষ করে সিটি করপোরেশনের প্রত্যেক ওয়ার্ড কমিশনার গুরুত্ব দেবেন তাঁর ওয়ার্ডের শিশুদের জন্মনিবন্ধন হচ্ছে কি না। বাল্যবিবাহ, শিশু অপরাধ—এসব ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটা শিশু জন্মের পর প্রথম অধিকার হচ্ছে তার জন্মনিবন্ধন। এ ক্ষেত্রে শহরের বস্তিগুলো ধরে এগোতে হবে। কারণ, বস্তির শিশুরা বেশি ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত। আমাদের এক অভ্যন্তরীণ জরিপে দেখেছি, ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সের ছেলেশিশুরা বেশি ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত।
মা-বাবা মনে করেন, ভিক্ষাবৃত্তি আয়ের সবচেয়ে সহজ উপায়। এসব কারণে ভিক্ষাবৃত্তিতে শিশুরা আসছে। পরিবারকে পুনর্বাসন করার কাজটি হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। আইন ও সালিশ কেন্দ্র এ কাজ করছে।
মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করি। প্রতি মাসে একটা শিশুকে—যে ভিক্ষাবৃত্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত—সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনি। এদের মাসে দুই হাজার টাকা দিই, যাতে ভিক্ষাসহ যেকোনো ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকে। স্কুলে যায়। পরিবারের সঙ্গে থাকে।
ব্রাজিলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শিশুদের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করে সফল হয়েছে। আবার কে কীভাবে সিএসআর করছে, সে ক্ষেত্রে একটা তদারক সংস্থা থাকা দরকার, যাতে িসএসআরের অর্থ কল্যাণকর কাজে ব্যয় হয়।
হাসনা হেনা খান
ভিক্ষাবৃত্তি
কেবল মানবাধিকার লঙ্ঘনই নয়, এটা শিশু অধিকারেরও লঙ্ঘন। শিশুরা কেবল তাদের
বেঁচে থাকার জন্যই ভিক্ষা করছে না, অনেক ক্ষেত্রে তাদের ভিক্ষা করতে বাধ্য
করা হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক যে মুনাফার জন্য শিশুদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
তাদের পঙ্গু করা হয়, যাতে তারা আরও বেশি আয় করতে পারে।
আমরা চাইলে এদের দক্ষ জনগোষ্ঠীতে রূপান্তর করতে পারি। ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সুনির্দিষ্ট নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। এ দুটোর কোনোটিই এ ক্ষেত্রে নেই। কেউ কেউ ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের কাজ করছে। আজ আলোচনায় এসেছে, প্রতিদিন ভিক্ষুকের সংখ্যা বাড়ছে। তাহলে আমাদের পদক্ষেপগুলো কতটুকু কার্যকর হচ্ছে, সেটিও একটি প্রশ্ন। ভিক্ষাবৃত্তির সমস্যাটি বেশ গভীর। তাই এই সমস্যা নিরসনে কেবল সরকার নয়, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিলে একটি সম্মিলিত প্রয়াস চালাতে হবে।
বিচ্ছিন্নভাবে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে এর ফল তেমন সুদূরপ্রসারী হয় না। আজ আমাদের সঙ্গে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আছেন। তিনি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
আমরা ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশুদের পুনর্বাসনের কথা হয়তো বেশি ভাবছি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এদের পরিবারগুলোকে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আয়মূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত করা। তা না হলে এ সমস্যার সমাধান খুব একটা কার্যকর হবে না।
আমরা চাইলে এদের দক্ষ জনগোষ্ঠীতে রূপান্তর করতে পারি। ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সুনির্দিষ্ট নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। এ দুটোর কোনোটিই এ ক্ষেত্রে নেই। কেউ কেউ ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের কাজ করছে। আজ আলোচনায় এসেছে, প্রতিদিন ভিক্ষুকের সংখ্যা বাড়ছে। তাহলে আমাদের পদক্ষেপগুলো কতটুকু কার্যকর হচ্ছে, সেটিও একটি প্রশ্ন। ভিক্ষাবৃত্তির সমস্যাটি বেশ গভীর। তাই এই সমস্যা নিরসনে কেবল সরকার নয়, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিলে একটি সম্মিলিত প্রয়াস চালাতে হবে।
বিচ্ছিন্নভাবে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে এর ফল তেমন সুদূরপ্রসারী হয় না। আজ আমাদের সঙ্গে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আছেন। তিনি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
আমরা ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশুদের পুনর্বাসনের কথা হয়তো বেশি ভাবছি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এদের পরিবারগুলোকে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আয়মূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত করা। তা না হলে এ সমস্যার সমাধান খুব একটা কার্যকর হবে না।
এম এম সুলতান মাহমুদ
সমাজকল্যাণ
মন্ত্রণালয় থেকে ৩০ লাখ বয়স্ক মানুষকে প্রতি মাসে ৪০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া
হয়। বিধবা ও অসহায় ১৪ লাখ নারীকে ভাতা দেওয়া হয়। দেশে মোট ১৬ লাখ
প্রতিবন্ধী আছে। ছয় লাখ প্রতিবন্ধীকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া
হয়। ৬০ হাজার শিক্ষার্থীকে ভাতা দেওয়া হয়। হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য আমাদের আট
কোটি টাকা বরাদ্দ আছে।
হিজড়াদের প্রত্যেককে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। সমাজের নিম্নবর্ণের মানুষের জন্য বরাদ্দ আছে ১৮ কোটি টাকা। প্রতি মাসে এদের ৪০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। চিকিৎসাসেবার জন্য বরাদ্দ আছে ২০ কোটি টাকা। আমরা অসহায় রোগীদের ৫০ হাজার টাকা করে চিকিৎসা ভাতা দিই। চা–শ্রমিকদের ১০ কোটি টাকা ভাতা দিই।
ঢাকা শহরের ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের জন্য ময়মনসিংহে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হলো। কিন্তু তারা পালিয়ে আবার ঢাকায় আসে। এদের জন্য আমাদের বিকল্প কিছু ভাবতে হবে। ইউনিসেফের সহায়তায় সাতটি বিভাগে আমরা কিছু কেন্দ্র করেছি। এখানে ভিক্ষুকদের থাকা–খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
৮৫টি সরকারি ও প্রায় চার হাজার বেসরকারি শিশু পরিবার আছে। সরকারি শিশু পরিবারের প্রতিটিকে দুই হাজার টাকা ও বেসরকারি শিশু পরিবারের প্রতিটিকে এক হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়।
ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র ভিক্ষুকদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে পারেন। তাহলে সমস্যার কিছুটা সমাধান হতে পারে। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও আমাদের ভালো অভিজ্ঞতা নেই। ভাষানটেকে দরিদ্র ব্যক্তিদের জন্য ফ্ল৵াট বানিয়েছিলাম। যেসব লোক কাজের দায়িেত্ব িছলেন, তাঁরাই দরিদ্র সেজে এসব ফ্ল৵াট দখল করেছেন।
আমরা যাদের ভাতা দিই, তাদের নির্বাচন করেন স্থানীয় মেম্বার ও চেয়ারম্যান। এখানেও দুর্নীতি হয়। ভিক্ষুকদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের–আপনাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
হিজড়াদের প্রত্যেককে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। সমাজের নিম্নবর্ণের মানুষের জন্য বরাদ্দ আছে ১৮ কোটি টাকা। প্রতি মাসে এদের ৪০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। চিকিৎসাসেবার জন্য বরাদ্দ আছে ২০ কোটি টাকা। আমরা অসহায় রোগীদের ৫০ হাজার টাকা করে চিকিৎসা ভাতা দিই। চা–শ্রমিকদের ১০ কোটি টাকা ভাতা দিই।
ঢাকা শহরের ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের জন্য ময়মনসিংহে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হলো। কিন্তু তারা পালিয়ে আবার ঢাকায় আসে। এদের জন্য আমাদের বিকল্প কিছু ভাবতে হবে। ইউনিসেফের সহায়তায় সাতটি বিভাগে আমরা কিছু কেন্দ্র করেছি। এখানে ভিক্ষুকদের থাকা–খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
৮৫টি সরকারি ও প্রায় চার হাজার বেসরকারি শিশু পরিবার আছে। সরকারি শিশু পরিবারের প্রতিটিকে দুই হাজার টাকা ও বেসরকারি শিশু পরিবারের প্রতিটিকে এক হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়।
ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র ভিক্ষুকদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে পারেন। তাহলে সমস্যার কিছুটা সমাধান হতে পারে। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও আমাদের ভালো অভিজ্ঞতা নেই। ভাষানটেকে দরিদ্র ব্যক্তিদের জন্য ফ্ল৵াট বানিয়েছিলাম। যেসব লোক কাজের দায়িেত্ব িছলেন, তাঁরাই দরিদ্র সেজে এসব ফ্ল৵াট দখল করেছেন।
আমরা যাদের ভাতা দিই, তাদের নির্বাচন করেন স্থানীয় মেম্বার ও চেয়ারম্যান। এখানেও দুর্নীতি হয়। ভিক্ষুকদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের–আপনাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
আনিসুল হক
অনেক
রকমের আলোচনা হয়েছে। কিন্তু করণীয় কী? কোনো কিছুর কোনো তথ্য নেই।
ভিক্ষুকেরা এক জায়গায় থাকে না। এসব ক্ষেত্রে কে কাজটি করবে? কীভাবে করবে?
অনেক প্রশ্ন এখানে আসতে পারে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র, ইউনিসেফ, ঢাকা সিটি
করপোরেশন—এমন অনেক প্রতিষ্ঠানই হয়তো কাজ করছে। কিন্তু সমন্বিত কোনো
উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে নেই।
১৯৯৪ সালে আমাদের পোশাকশিল্পে শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে সারা পৃথিবী দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। আমরা পোশাকশিল্পে শিশুশ্রম বন্ধ করেছিলাম। শিশুদের স্কুলিং ও অভিভাবকদের কাজের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। দুই বছরের মধ্যে শিশুশ্রম বন্ধ হয়েছিল। আজ এই ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত শিশুদের স্কুলিং এবং তাদের অভিভাবকদের কাজের ব্যবস্থা করতে হবে।
এখানে অনেক শিশুর নাম, ঠিকানা ও অভিভাবক খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটা একটা সমস্যা হতে পারে। উপস্থাপনায় দেখলাম কিছু পরিবারকে রান্নাসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এখানে খরচ বেশি না। কিন্তু এটা টেকসই কোনো ব্যবস্থা কি না, সেটা বুঝতে হবে। যদি টেকসই ব্যবস্থা হয়, তাহলে এ উদ্যোগ নেওয়া কঠিন কোনো কাজ না।
কেউ যদি এ পরিবারগুলোকে এভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেন, তাহলে আমরা তহবিলের ব্যবস্থা করতে পারব। অনেকে সিটি করপোরেশনের দায়িত্বের কথা বলেছেন। আমাদেরও দায়িত্ব আছে, সেটা স্বীকার করতে হবে। কিন্তু সিটি করপোরেশনের জনবল এত কম যে আমাদের পক্ষে এখন এ কাজ করা কঠিন। দুই হাজার জনবলের জায়গায় আছে মাত্র ১ হাজার ২০০ জন। কিন্তু কেউ যদি দায়িত্ব নেন, তাঁকে আমরা সহযোগিতা করতে পারি।
ছোট শিশুদের স্কুলের ব্যবস্থা করতে পারব। এফবিসিসিআইতে থাকার সময় প্রায় ১ হাজার ৬০০ পরিবারকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা করেছি। ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত সব শিশুর অভিভাবকদের উদ্যোক্তা করার ক্ষেত্রে কেউ যদি দায়িত্ব নেন, আমরা সাধ্যমতো সহযোগিতা করব। সবাই আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আমার বিশ্বাস।
১৯৯৪ সালে আমাদের পোশাকশিল্পে শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে সারা পৃথিবী দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। আমরা পোশাকশিল্পে শিশুশ্রম বন্ধ করেছিলাম। শিশুদের স্কুলিং ও অভিভাবকদের কাজের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। দুই বছরের মধ্যে শিশুশ্রম বন্ধ হয়েছিল। আজ এই ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত শিশুদের স্কুলিং এবং তাদের অভিভাবকদের কাজের ব্যবস্থা করতে হবে।
এখানে অনেক শিশুর নাম, ঠিকানা ও অভিভাবক খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটা একটা সমস্যা হতে পারে। উপস্থাপনায় দেখলাম কিছু পরিবারকে রান্নাসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এখানে খরচ বেশি না। কিন্তু এটা টেকসই কোনো ব্যবস্থা কি না, সেটা বুঝতে হবে। যদি টেকসই ব্যবস্থা হয়, তাহলে এ উদ্যোগ নেওয়া কঠিন কোনো কাজ না।
কেউ যদি এ পরিবারগুলোকে এভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেন, তাহলে আমরা তহবিলের ব্যবস্থা করতে পারব। অনেকে সিটি করপোরেশনের দায়িত্বের কথা বলেছেন। আমাদেরও দায়িত্ব আছে, সেটা স্বীকার করতে হবে। কিন্তু সিটি করপোরেশনের জনবল এত কম যে আমাদের পক্ষে এখন এ কাজ করা কঠিন। দুই হাজার জনবলের জায়গায় আছে মাত্র ১ হাজার ২০০ জন। কিন্তু কেউ যদি দায়িত্ব নেন, তাঁকে আমরা সহযোগিতা করতে পারি।
ছোট শিশুদের স্কুলের ব্যবস্থা করতে পারব। এফবিসিসিআইতে থাকার সময় প্রায় ১ হাজার ৬০০ পরিবারকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা করেছি। ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত সব শিশুর অভিভাবকদের উদ্যোক্তা করার ক্ষেত্রে কেউ যদি দায়িত্ব নেন, আমরা সাধ্যমতো সহযোগিতা করব। সবাই আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আমার বিশ্বাস।
সুলতানা কামাল: আলোচনায় এসেছে, এটা মানবাধিকার ও শিশু অধিকারের লঙ্ঘন।
এটা একটা প্রচণ্ড অসম্মানজনক কাজ। আমরা সবাই এর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই।
ভিক্ষাবৃত্তি শেষ করতে চাই। আইন ও সালিশ কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে এ ক্ষেত্রে
কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি বিন্দু থেকে সিন্ধু।
ভবঘুরে কেন্দ্রগুলোয় শিশুদের মানসিক বিকাশের সুযোগ নেই। তাদের কোনো স্বাধীনতা নেই। অনেকটা জেলখানার মতো। তাহলে শিশুরা এখানে কেন থাকবে?
সিএসআরের টাকার ওপর আয়কর রেয়াতের বিষয়টি আবার তোলা যেতে পারে। আয়কর রেয়াতের সুবিধা পেলে সিএসআর বেশি হবে। ঢাকায় আমরা একবার গৃহকর্মীদের হিসাব বের করেছিলাম। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্ড কমিশনাররা ব্যাপক সহযোগিতা করেছিলেন। এ অভিজ্ঞতা আমরা ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশুদের বেলায়ও কাজে লাগাতে পারি।
শিশুরা যাতে পরিবারের মধ্যে থেকে বিকশিত হতে পারে, সেটার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবারের বাইরে বা ভবঘুরে কেন্দ্রসহ অন্যান্য জায়গায় থাকলে শিশুদের সমাজের মূলধারায় আনার যে পরিকল্পনা, সে উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে।
সরকার অনেক কিছু করছে। কিন্তু সঠিক তদারকসহ বিভিন্ন বিষয়ের অভাবে কাজগুলো কতটা টেকসই হচ্ছে সেটি একটি প্রশ্ন। শিশু অধিকার ফোরামের সঙ্গে সমন্বিতভাবে শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের কাজটি করা যেতে পারে। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো যে কাজই করা হোক না কেন, সেটা টেকসই হবে কি না।
অনেকে বলেন, শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ। আমরা বলি, শিশুরা দেশের বর্তমান। তাদের বর্তমানকেই সুন্দর ও আলোকিত করতে হবে। তা না হলে এসব শিশুর সত্যিকার অর্থে কোেনা ভবিষ্যৎই থাকবে না।
ভবঘুরে কেন্দ্রগুলোয় শিশুদের মানসিক বিকাশের সুযোগ নেই। তাদের কোনো স্বাধীনতা নেই। অনেকটা জেলখানার মতো। তাহলে শিশুরা এখানে কেন থাকবে?
সিএসআরের টাকার ওপর আয়কর রেয়াতের বিষয়টি আবার তোলা যেতে পারে। আয়কর রেয়াতের সুবিধা পেলে সিএসআর বেশি হবে। ঢাকায় আমরা একবার গৃহকর্মীদের হিসাব বের করেছিলাম। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্ড কমিশনাররা ব্যাপক সহযোগিতা করেছিলেন। এ অভিজ্ঞতা আমরা ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশুদের বেলায়ও কাজে লাগাতে পারি।
শিশুরা যাতে পরিবারের মধ্যে থেকে বিকশিত হতে পারে, সেটার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবারের বাইরে বা ভবঘুরে কেন্দ্রসহ অন্যান্য জায়গায় থাকলে শিশুদের সমাজের মূলধারায় আনার যে পরিকল্পনা, সে উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে।
সরকার অনেক কিছু করছে। কিন্তু সঠিক তদারকসহ বিভিন্ন বিষয়ের অভাবে কাজগুলো কতটা টেকসই হচ্ছে সেটি একটি প্রশ্ন। শিশু অধিকার ফোরামের সঙ্গে সমন্বিতভাবে শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের কাজটি করা যেতে পারে। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো যে কাজই করা হোক না কেন, সেটা টেকসই হবে কি না।
অনেকে বলেন, শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ। আমরা বলি, শিশুরা দেশের বর্তমান। তাদের বর্তমানকেই সুন্দর ও আলোকিত করতে হবে। তা না হলে এসব শিশুর সত্যিকার অর্থে কোেনা ভবিষ্যৎই থাকবে না।
আব্দুল কাইয়ুম: যত দ্রুত সম্ভব সমাজ থেকে শিশু
ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আইন ও সালিশ
কেন্দ্রসহ কিছু সংগঠন কাজ করছে। তবে সবাই কাজটি সমন্বিতভাবে করলে
ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের উদ্যোগ বেশি ফলপ্রসূ হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আরও গুরুত্ব দেবে বলে আশা করি। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আরও গুরুত্ব দেবে বলে আশা করি। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
শিশুর ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন ও অভিভাবকদের পুনর্বাসন
ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন এবং ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশু ও তাদের অভিভাবকদের পুনর্বাসন করতে সরকার, সুশীল সমাজ ও করপোরেট খাতের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন
* শ্রমজীবী শিশুদের ৫৫ শতাংশ ঢাকায় বাস করে। এদের ৯ শতাংশ ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত
* ভিক্ষা করছে এমন ২৩৯ জন শিশুর মধ্যে ১৮৩ জনের বয়স ১০ বছরের নিচে
* আইএলও কনভেনশন ১৯৯৯ অনুযায়ী শিশু ভিক্ষাবৃত্তি বাজে ধরনের শিশুশ্রম
সূত্র: আইন ও সালিশ কেন্দ্র
ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন এবং ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত শিশু ও তাদের অভিভাবকদের পুনর্বাসন করতে সরকার, সুশীল সমাজ ও করপোরেট খাতের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন
* শ্রমজীবী শিশুদের ৫৫ শতাংশ ঢাকায় বাস করে। এদের ৯ শতাংশ ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত
* ভিক্ষা করছে এমন ২৩৯ জন শিশুর মধ্যে ১৮৩ জনের বয়স ১০ বছরের নিচে
* আইএলও কনভেনশন ১৯৯৯ অনুযায়ী শিশু ভিক্ষাবৃত্তি বাজে ধরনের শিশুশ্রম
সূত্র: আইন ও সালিশ কেন্দ্র
আলোচনায় সুপারিশ
* সমাজ থেকে শিশু ভিক্ষাবৃত্তি দূর করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে
* ভিক্ষাবৃত্তির কারণ যা–ই হোক না কেন, এটা কোনোভাবেই একজন মানুষের পেশা হতে পারে না
* ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের জন্য কমিউনিটি দায়িত্ব নিতে পারে—এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে
* সিটি করপোরেশন ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়—এ দুটি সংস্থা আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করা কঠিন হবে না
* ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সুনির্দিষ্ট নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন
* সমাজ থেকে শিশু ভিক্ষাবৃত্তি দূর করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে
* ভিক্ষাবৃত্তির কারণ যা–ই হোক না কেন, এটা কোনোভাবেই একজন মানুষের পেশা হতে পারে না
* ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনের জন্য কমিউনিটি দায়িত্ব নিতে পারে—এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে
* সিটি করপোরেশন ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়—এ দুটি সংস্থা আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করলে ভিক্ষাবৃত্তি নিরসন করা কঠিন হবে না
* ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সুনির্দিষ্ট নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন
যাঁরা অংশ নিলেন
আনিসুল হক : মেয়র, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন
সুলতানা কামাল : নির্বাহী পরিচালক, আইন ও সালিশ কেন্দ্র
এম এম সুলতান মাহমুদ : যুগ্ম সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মাহবুবা নাসরীন : সমাজবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নিশাত ফাতেমা রহমান : সহকারী অধ্যাপক, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেেভলপমেন্ট, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
ফারুক মঈনউদ্দীন : অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিটি ব্যাংক
হাসনা হেনা খান : প্রোগ্রাম অফিসার, ইকো কো-অপারেশন
শাবনাজ জেহরীন : শিশু সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ, ইউনিসেফ
শাগুফা আনোয়ার : প্রধান, কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, ইউনাইটেড হাসপাতাল
আক্তার বাবু : পরিচালন প্রধান, সময় টেলিভিশন
গীতা চক্রবর্তী : সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর, আইন ও সালিশ কেন্দ্র
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
আনিসুল হক : মেয়র, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন
সুলতানা কামাল : নির্বাহী পরিচালক, আইন ও সালিশ কেন্দ্র
এম এম সুলতান মাহমুদ : যুগ্ম সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মাহবুবা নাসরীন : সমাজবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নিশাত ফাতেমা রহমান : সহকারী অধ্যাপক, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেেভলপমেন্ট, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
ফারুক মঈনউদ্দীন : অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিটি ব্যাংক
হাসনা হেনা খান : প্রোগ্রাম অফিসার, ইকো কো-অপারেশন
শাবনাজ জেহরীন : শিশু সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ, ইউনিসেফ
শাগুফা আনোয়ার : প্রধান, কমিউনিকেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, ইউনাইটেড হাসপাতাল
আক্তার বাবু : পরিচালন প্রধান, সময় টেলিভিশন
গীতা চক্রবর্তী : সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর, আইন ও সালিশ কেন্দ্র
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
August
(765)
-
▼
Aug 21
(31)
- সরকার বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করার ষড়যন্ত্র করছে : খ...
- পরিবারের দাবি ‘র্যাব ধরেছে’, র্যাব বলছে ‘জানা নেই’
- ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনা জঘন্য সন্ত্রাসী কার্য...
- খালেদা-তারেক জড়িত, সন্দেহ নেই: হাসিনা
- ছাত্রলীগের আস্তানা পশু হাসপাতাল! by উজ্জ্বল মেহেদী
- আগুন by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- প্রাণহীন বাঘ প্রাণ নিল ভ্যানচালকের
- যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রাশেদ চৌধুরী by রাহ...
- যন্ত্রণা এখনো সঙ্গী by আনোয়ার হোসেন
- শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সুশীল সমাজ ও করপোরেট খাত...
- যেভাবে ফাঁসলেন ব্যারিস্টার শাকিলা!
- আচমকা গৃহবন্দী, হঠাৎ মুক্তি: ভারত-পাকিস্তান বৈঠকের...
- আ.লীগের ভেতরে অস্থিরতা, মাঠে আতঙ্ক–উৎকণ্ঠা
- তামিলদের সমর্থনে হচ্ছে বিক্রমাসিংহের সরকার
- যে হোটেলে কেউ থাকতে চান না
- রোবট যুগের উন্মেষ by হাসনাইন মেহেদী
- ‘অপহরণের’ ৮২ দিন পরে র্যাবের হাতে ‘গ্রেপ্তার’!
- বিদ্যালয়টিতে অন্যরকম এক দিন!
- তুতেনখামেনের সমাধিতেই নেফারতিতি?
- আসুন শিশুদের পাশে দাঁড়াই
- নিজ দেশে বৈষম্য ও নির্যাতনে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে ঢ...
- শিশু গৃহকর্মীর ওপর অমানবিক নির্যাতন!
- পারছে না দুদক ছাড়ছে ক্ষমতা: তদন্তে ঘাটতি ও প্রক্রি...
- তরুণ বিজ্ঞানী শাহীনের উদ্ভাবন- অপরাধ দমনে অ্যাপস b...
- মারমা শিশু
- এই দশার বর্ণনাও কঠিন: খুলনা বিসিক শিল্পনগরের সড়ক ...
- বঙ্গবন্ধুকে সর্বজনীন করতে চাই: আশরাফ
- ৫ দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার পরিবর্তন
- সাড়ে সাত মাসে ১২১ বিচারবহির্ভূত হত্যা by আবু সালেহ...
- হকিংয়ের সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে যে কেউ!
- ভারতে গিয়ে কাশ্মীরি নেতাদের সঙ্গে বসবেন সারতাজ আজিজ
-
▼
Aug 21
(31)
-
▼
August
(765)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment