Friday, August 21, 2015
আসুন শিশুদের পাশে দাঁড়াই
আসুন শিশুদের পাশে দাঁড়াই
শিশুদের
নির্যাতন করে মেরে ফেলা হচ্ছে। একের পর এক শিশুহত্যার নির্মম ঘটনায় মানুষ
ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এ বছরের শিশুহত্যার সঙ্গে একটা বেদনাদায়ক অধ্যায় যুক্ত
হয়েছে, সেটা হচ্ছে নৃশংসতা। ১০ আগস্ট ২০১৫, প্রথম আলোর আয়োজনে ‘আসুন
শিশুদের পাশে দাঁড়াই’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে
উপস্থিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে এই ক্রোড়পত্রে প্রকাশিত হলো।
![]() |
| সূত্র: বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম |
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুমআজকের আলোচনার বিষয়বস্তু ‘আসুন
শিশুদের পাশে দাঁড়াই’। শিশুদের নির্যাতন করে মেরে ফেলা হচ্ছে। একের পর এক
শিশুহত্যার নির্মম ঘটনায় মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এ বছরের শিশুহত্যার
সঙ্গে একটা বেদনাদায়ক অধ্যায় যুক্ত হয়েছে, সেটা হচ্ছে নৃশংসতা।
অনেক সময় শিশুদের প্রাণে না মারলেও তাদের বকাঝকা, পীড়ন করা, মানসিক নির্যাতন করা, চিন্তাভাবনাকে খর্ব করে দেওয়ার মতো নির্যাতনগুলোর কোনো হিসাব নেই। অথচ একজন শিশুর মনের বিকাশের জন্য প্রয়োজন একটি অনুকূল পরিবেশ। আমরা চাই, শিশু নির্যাতন ও হত্যার প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার হোক, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, নাগরিক সমাজ সচেতন হোক, প্রতিরোধ গড়ে উঠুক।
অনেক সময় শিশুদের প্রাণে না মারলেও তাদের বকাঝকা, পীড়ন করা, মানসিক নির্যাতন করা, চিন্তাভাবনাকে খর্ব করে দেওয়ার মতো নির্যাতনগুলোর কোনো হিসাব নেই। অথচ একজন শিশুর মনের বিকাশের জন্য প্রয়োজন একটি অনুকূল পরিবেশ। আমরা চাই, শিশু নির্যাতন ও হত্যার প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার হোক, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, নাগরিক সমাজ সচেতন হোক, প্রতিরোধ গড়ে উঠুক।
আনিসুজ্জামান
আমরা
বর্তমানে যে অবস্থার সম্মুখীন হয়েছি, তাতে মনে হচ্ছে যে বাঙালি চরিত্র
সম্পর্কে আমরা যেসব কথা বলে থাকি যে সংগীতপ্রিয়, শান্তিপ্রিয় ইত্যাদি,
এগুলো সব অতিরঞ্জিত। সংগীতপ্রিয় হতে পারি কিন্তু শান্তিপ্রিয় নই। বরং খুবই
মারমুখী এবং নিষ্ঠুর।
যেসব ঘটনা আমরা প্রতিনিয়ত খবরের কাগজে পড়ি—শুধু নির্যাতন নয়, নির্যাতনের পদ্ধতির মধ্যে একটি নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা আছে। যেটা আমাদের সমগ্র সমাজ সম্পর্কে একটা প্রশ্নের মুখোমুখি করে, যে সমাজের মানুষ এমন আচরণ করে, সে সমাজের গলদটা কোথায়? শিশুদের ক্ষেত্রে আমরা দেখছি শারীরিক ও মানসিক—দুই রকমের নির্যাতন।
আমি স্কুলের কথা বলি, বিভিন্ন সময় কাগজে দেখা যাচ্ছে, শিক্ষকেরা ছাত্রদের যে শাস্তি দিচ্ছে, সেই শাস্তির ফলে হাসপাতালে যাচ্ছে ছাত্র। পরিবারের মধ্যে শিশুরা লাঞ্ছিত হচ্ছে। এই শারীরিক নির্যাতনের বাইরেও দেখা যায় মানসিকভাবেও খর্ব করার একটা চেষ্টা আছে।
বাংলাদেশের সমাজ ক্রমে একটা সংকীর্ণতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। যে উদার একটা পরিবেশ আশা করেছিলাম, আমাদের সে আশা কোনোভাবেই সাফল্যের কাছাকাছি যাচ্ছে না। এই হতাশাজনক অবস্থায় শিশুরাও আমাদের অবিবেচনার শিকার এবং এর প্রতিকার পাওয়া দুরূহ এই জন্য যে শিশুদের বেশির ভাগের পক্ষেই নিজেদের সাহায্য করার জন্য কাউকে আহ্বান জানানো সম্ভব নয়।
তাদের হয়ে কাউকে না কাউকে বলতে হচ্ছে। সেই বলার দায়িত্বটা নিশ্চয় সমাজের সচেতন মানুষের। আমরা সবাই মিলে যেন সামাজিকভাবে অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। মোটকথা, শিশুরা যেভাবে নির্যাতিত হচ্ছে, সেই অমানবিকতার বিরুদ্ধে আমাদের সবারই দাঁড়ানো দরকার।
সমাজকে রক্ষার জন্য, একটি উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
যেসব ঘটনা আমরা প্রতিনিয়ত খবরের কাগজে পড়ি—শুধু নির্যাতন নয়, নির্যাতনের পদ্ধতির মধ্যে একটি নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা আছে। যেটা আমাদের সমগ্র সমাজ সম্পর্কে একটা প্রশ্নের মুখোমুখি করে, যে সমাজের মানুষ এমন আচরণ করে, সে সমাজের গলদটা কোথায়? শিশুদের ক্ষেত্রে আমরা দেখছি শারীরিক ও মানসিক—দুই রকমের নির্যাতন।
আমি স্কুলের কথা বলি, বিভিন্ন সময় কাগজে দেখা যাচ্ছে, শিক্ষকেরা ছাত্রদের যে শাস্তি দিচ্ছে, সেই শাস্তির ফলে হাসপাতালে যাচ্ছে ছাত্র। পরিবারের মধ্যে শিশুরা লাঞ্ছিত হচ্ছে। এই শারীরিক নির্যাতনের বাইরেও দেখা যায় মানসিকভাবেও খর্ব করার একটা চেষ্টা আছে।
বাংলাদেশের সমাজ ক্রমে একটা সংকীর্ণতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। যে উদার একটা পরিবেশ আশা করেছিলাম, আমাদের সে আশা কোনোভাবেই সাফল্যের কাছাকাছি যাচ্ছে না। এই হতাশাজনক অবস্থায় শিশুরাও আমাদের অবিবেচনার শিকার এবং এর প্রতিকার পাওয়া দুরূহ এই জন্য যে শিশুদের বেশির ভাগের পক্ষেই নিজেদের সাহায্য করার জন্য কাউকে আহ্বান জানানো সম্ভব নয়।
তাদের হয়ে কাউকে না কাউকে বলতে হচ্ছে। সেই বলার দায়িত্বটা নিশ্চয় সমাজের সচেতন মানুষের। আমরা সবাই মিলে যেন সামাজিকভাবে অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। মোটকথা, শিশুরা যেভাবে নির্যাতিত হচ্ছে, সেই অমানবিকতার বিরুদ্ধে আমাদের সবারই দাঁড়ানো দরকার।
সমাজকে রক্ষার জন্য, একটি উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
সেলিনা হোসেন
আজকের
আলোচনার শিরোনাম ‘আসুন শিশুদের পাশে দাঁড়াই’। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ
প্রবল একটি মানবিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে চলেছে। এই মানবিক বিপর্যয় শুধু আইন
বা শুধু পুলিশ দিয়ে রক্ষা করা যাবে তা নয়। সমাজকে রক্ষা করার জন্য
অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, এই দাঁড়ানোটা আমাদের নাগরিক সমাজের
মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নাগরিক সমাজ যদি এ বিষয়টাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর হাতে এককভাবে ছেড়ে না দিয়ে যৌথভাবে কাজ করে, তাহলে এ বিপর্যয়ের
হাত থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি। নইলে আমাদের রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়।
আজকে মানবিক বিপর্যয়ের কথা বলছি, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কথা বলছি। এ বিচারহীনতার সংস্কৃতি অনেক দিন ধরে আমাদের ভেতর চলে আসছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিশুপুত্র শেখ রাসেলসহ যে কয়েকজন শিশুকে িনর্মমভাবে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা, সেখান থেকে যদি ধরি, তাহলে আজকে ২০১৫ পর্যন্ত একটা দীর্ঘ সময় ধরে শিশুরা দুর্বৃত্তদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।
দুর্বৃত্তরা কখনোই পরবর্তী প্রজন্মের কথা ভাবছে না। দেশের ভবিষ্যতের কথা ভাবছে না এবং বলছে না যে এই শিশুদের আমরা কোলে টেনে নিই, এই শিশুদের আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো দিই। এটা আমাদের কাছে খুবই বিস্ময়ের ব্যাপার মনে হয় যে মূল্যবোধের জায়গায় আমরা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছি এবং মূল্যবোধের এ অবক্ষয় যদি আমরা রোধ করতে না পারি, সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আমাদের গ্রাস করবে।
এ প্রক্রিয়াটাকে আমাদের রোধ করার জন্য আজকে যে এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে—এভাবে যদি আমরা সব জায়গায় সচেতন করি, তাহলে মূল্যবোধের খানিকটুকু আমরা দেখব।
আজকে মানবিক বিপর্যয়ের কথা বলছি, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কথা বলছি। এ বিচারহীনতার সংস্কৃতি অনেক দিন ধরে আমাদের ভেতর চলে আসছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিশুপুত্র শেখ রাসেলসহ যে কয়েকজন শিশুকে িনর্মমভাবে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা, সেখান থেকে যদি ধরি, তাহলে আজকে ২০১৫ পর্যন্ত একটা দীর্ঘ সময় ধরে শিশুরা দুর্বৃত্তদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।
দুর্বৃত্তরা কখনোই পরবর্তী প্রজন্মের কথা ভাবছে না। দেশের ভবিষ্যতের কথা ভাবছে না এবং বলছে না যে এই শিশুদের আমরা কোলে টেনে নিই, এই শিশুদের আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো দিই। এটা আমাদের কাছে খুবই বিস্ময়ের ব্যাপার মনে হয় যে মূল্যবোধের জায়গায় আমরা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছি এবং মূল্যবোধের এ অবক্ষয় যদি আমরা রোধ করতে না পারি, সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আমাদের গ্রাস করবে।
এ প্রক্রিয়াটাকে আমাদের রোধ করার জন্য আজকে যে এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে—এভাবে যদি আমরা সব জায়গায় সচেতন করি, তাহলে মূল্যবোধের খানিকটুকু আমরা দেখব।
রাশেদা কে চৌধূরী
অনেক
ধন্যবাদ প্রথম আলোকে আজকে আমাদের সবাইকে এখানে সমবেত করার জন্য। এ দেশের
নাগরিক হিসেবে এ ধরনের আয়োজনেই শুধু নয়, আমাদের প্রতিবাদ-প্রতিরোধ সবই
গড়ে তোলা উচিত। শুরুতে যেটা দিয়ে বলতে চাই, সেটা হলো যেকোনো নাগরিকের
স্বাভাবিক মৃত্যুর অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
এখানে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। অপরাধীদের আমরা শাস্তির আওতায় না এনে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা আসলে অপরাধীদের উৎসাহিত করছে কি না, এটা আমাদের ভেবে দেখা প্রয়োজন এবং এটার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া খুবই প্রয়োজন। কারণ, বিচারহীনতার সংস্কৃতি তখনই তৈরি হয়, যখন অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার পরিবেশটা আমরা তৈরি করে দিই।
শিশুদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। শিশুদের এ ধরনের নির্যাতন আমরা একসময়ে শুধু স্কুলে দেখেছি। শারীরিক ও অবমাননাকর শাস্তির বিরুদ্ধে মহামান্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছিলেন, এটা করা যাবে না। তারপরও ঘটে চলেছিল। কিন্তু সেটা নৃশংসভাবে মেরে ফেলার মতো জায়গায় যায়নি, সে জন্য সেটাকে নিয়ে হয়তো জনসমক্ষে অত সোচ্চার হয়নি কেউ।
এখন এই ঘটনাগুলো ঘটে যাওয়ার পর তিনটি জায়গায় আমি একটু দৃষ্টি আকর্ষণ করব—একটা হচ্ছে শিশুদের সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দ্বিতীয় হচ্ছে পারিবারিক মূল্যবোধ তৈরি হচ্ছে কি না, সেটা দেখতে হবে; মাদক, আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন আমাদের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলছে; তথ্যপ্রযুক্তি কীভাবে প্রভাব ফেলছে—সেটাও আমাদের দেখার প্রয়োজন। তৃতীয় হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মূল্যবোধ তৈরি হওয়ার জায়গায় যখন ছাত্র দেখছে একজন শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যের পেছনে ছুটছেন, সেখানে সেই মূল্যবোধ তৈরি হচ্ছে না। এটা বৈজ্ঞানিকভাবেই সত্য, যে নির্যাতনের শিকার হয়, সে প্রথম সুযোগ পেলেই আরেকজনকে নির্যাতন করবে। তাই এটাও দেখার বিষয় আছে। নির্যাতনকারীদের অসুস্থ বলে হাসপাতালে পাঠানোর কোনো সুযোগ নেই। এরা মানসিক বিকারগ্রস্ত, কিন্তু অপরাধী। তাই এদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
এখানে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। অপরাধীদের আমরা শাস্তির আওতায় না এনে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা আসলে অপরাধীদের উৎসাহিত করছে কি না, এটা আমাদের ভেবে দেখা প্রয়োজন এবং এটার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া খুবই প্রয়োজন। কারণ, বিচারহীনতার সংস্কৃতি তখনই তৈরি হয়, যখন অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার পরিবেশটা আমরা তৈরি করে দিই।
শিশুদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। শিশুদের এ ধরনের নির্যাতন আমরা একসময়ে শুধু স্কুলে দেখেছি। শারীরিক ও অবমাননাকর শাস্তির বিরুদ্ধে মহামান্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছিলেন, এটা করা যাবে না। তারপরও ঘটে চলেছিল। কিন্তু সেটা নৃশংসভাবে মেরে ফেলার মতো জায়গায় যায়নি, সে জন্য সেটাকে নিয়ে হয়তো জনসমক্ষে অত সোচ্চার হয়নি কেউ।
এখন এই ঘটনাগুলো ঘটে যাওয়ার পর তিনটি জায়গায় আমি একটু দৃষ্টি আকর্ষণ করব—একটা হচ্ছে শিশুদের সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দ্বিতীয় হচ্ছে পারিবারিক মূল্যবোধ তৈরি হচ্ছে কি না, সেটা দেখতে হবে; মাদক, আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন আমাদের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলছে; তথ্যপ্রযুক্তি কীভাবে প্রভাব ফেলছে—সেটাও আমাদের দেখার প্রয়োজন। তৃতীয় হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মূল্যবোধ তৈরি হওয়ার জায়গায় যখন ছাত্র দেখছে একজন শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যের পেছনে ছুটছেন, সেখানে সেই মূল্যবোধ তৈরি হচ্ছে না। এটা বৈজ্ঞানিকভাবেই সত্য, যে নির্যাতনের শিকার হয়, সে প্রথম সুযোগ পেলেই আরেকজনকে নির্যাতন করবে। তাই এটাও দেখার বিষয় আছে। নির্যাতনকারীদের অসুস্থ বলে হাসপাতালে পাঠানোর কোনো সুযোগ নেই। এরা মানসিক বিকারগ্রস্ত, কিন্তু অপরাধী। তাই এদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মোমিনুল ইসলাম
আমি
খুলনার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আজকে আমাকে এখানে আমন্ত্রণ জানানোর
জন্য। রাকিব হত্যার ঘটনা ঘটে ৩ আগস্ট। লোমহর্ষক ঘটনা। আমি এটাকে বর্ণনা
করব না, শুধু এটুকু বলব, সাধারণ মানুষ কিন্তু এখন সচেতন হয়েছে। এ ঘটনা
জানার পরপরই সাধারণ মানুষ কিন্তু পুলিশকে সহায়তা করেছে এবং তিনজন আসামিকে
হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে। খুলনার জনগণসহ সারা বাংলাদেশের জনগণ প্রতিরোধ,
প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে। খুলনার পুলিশ ও জনগণ যৌথভাবে একসঙ্গে কাজ
করে যাচ্ছে। খুলনার পুলিশের ভূমিকায় আমরা খুলনাবাসী অত্যন্ত সন্তুষ্ট।
খুলনার পুলিশ কমিশনার সরাসরি বলেছেন, জিরো টলারেন্স। কিন্তু শুধু জিরো
টলারেন্স হলে হবে না। শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
চার্জশিট দেওয়ার পরে একটা পর্ব থাকে, এই পর্ব হচ্ছে বিচারের পর্ব। বিচারের পর্ব যদি দীর্ঘ হয় তাহলে বিচার থেকে বঞ্চিত হতে হবে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার হওয়া উচিত এ ধরনের ঘটনার। একই সঙ্গে শুধু চার্জশিট দিলেই পুলিশের দায়িত্ব শেষ হয়ে গেছে তা নয়, স্থানীয় সাক্ষী এবং বাদীকে নিরাপত্তা দেওয়া দায়িত্ব। ধন্যবাদ সবাইকে।
চার্জশিট দেওয়ার পরে একটা পর্ব থাকে, এই পর্ব হচ্ছে বিচারের পর্ব। বিচারের পর্ব যদি দীর্ঘ হয় তাহলে বিচার থেকে বঞ্চিত হতে হবে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার হওয়া উচিত এ ধরনের ঘটনার। একই সঙ্গে শুধু চার্জশিট দিলেই পুলিশের দায়িত্ব শেষ হয়ে গেছে তা নয়, স্থানীয় সাক্ষী এবং বাদীকে নিরাপত্তা দেওয়া দায়িত্ব। ধন্যবাদ সবাইকে।
সুলতানা কামাল
আজকে
এখানে যাঁরা উপস্থিত আছেন, সবাইকে আমার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমরা সবাই
জানি, আমাদের সেই একুশে ফেব্রুয়ারির যেই গান, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’,
সেখানেই একটা লাইন আছে শিশুহত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা। আমাদের
চিন্তার মধ্যে তো একেবারে প্রথম থেকেই এই চেতনা ছিল যে শিশুহত্যার
বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা। এত বড় কথা আমরা বলেছি। অর্থাৎ শিশুর কথাটি
যে আমাদের মনের ভেতর ছিল না, সেটা কিন্তু না। বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে,
বাংলাদেশের চিন্তাভাবনার মধ্যে দার্শনিক দিক থেকে ভাবতে গেলে সেই ভাবনা
কিন্তু ছিল।
কিন্তু আমরা বাস্তব জীবনে তার কতখানি পরিস্ফুটন দেখেছি কিংবা কিছু একটা করতে পেরেছি কিংবা করতে না পারার কারণে আমাদের কী প্রতিক্রিয়া হয়েছে সমাজের মধ্যে, সেগুলো নিয়ে হয়তো আমাদের ভাবনাচিন্তার সময় এসেছে।
অবশ্যই যারা অপরাধ করছে, তারা এই বার্তাই পেয়ে যাচ্ছে, অনবরত অপরাধ করলে তাদের কোনো রকম জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হবে না। অতএব তারা নিজেদের সংযত করার কোনো চেষ্টা করছে না। ভয় পাচ্ছে না। শিশুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা ঘটে কী করে?
এত মানুষ যারা আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকে, তারাও বা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেটা দেখে কিন্তু সেটা প্রতিরোধ করতে পারে না কিসের জন্য? এত মানুষ জানছে, তারা সেখানে গিয়ে দেখছে, ছবি তুলছে। আমাদের পুলিশ বাহিনীর কারও কানে কি সেটা পৌঁছায় না?
অমর্ত্য সেন একটা বক্তৃতায় একবার বলেছিলেন, প্রত্যেক মানুষের একটা আনুষ্ঠানিক দায় থাকে, একটা অনানুষ্ঠানিক দায় থাকে। আনুষ্ঠানিক দায় নিয়ে বসে আছেন আমাদের রখফার সুলতানা খানম (এআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ), তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব এটার সুরাহা করা। মানুষ হিসেবে পরোক্ষ দায়িত্ব হচ্ছে, এ বিষয়গুলো যাতে আর সমাজে না ঘটে, সেটার চেষ্টা করা। অর্থাৎ প্রত্যেকের নৈতিক দায়বদ্ধতা আছে শিশুহত্যার মতো অপরাধ প্রতিরোধ করা।
কিন্তু আমরা বাস্তব জীবনে তার কতখানি পরিস্ফুটন দেখেছি কিংবা কিছু একটা করতে পেরেছি কিংবা করতে না পারার কারণে আমাদের কী প্রতিক্রিয়া হয়েছে সমাজের মধ্যে, সেগুলো নিয়ে হয়তো আমাদের ভাবনাচিন্তার সময় এসেছে।
অবশ্যই যারা অপরাধ করছে, তারা এই বার্তাই পেয়ে যাচ্ছে, অনবরত অপরাধ করলে তাদের কোনো রকম জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হবে না। অতএব তারা নিজেদের সংযত করার কোনো চেষ্টা করছে না। ভয় পাচ্ছে না। শিশুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা ঘটে কী করে?
এত মানুষ যারা আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকে, তারাও বা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেটা দেখে কিন্তু সেটা প্রতিরোধ করতে পারে না কিসের জন্য? এত মানুষ জানছে, তারা সেখানে গিয়ে দেখছে, ছবি তুলছে। আমাদের পুলিশ বাহিনীর কারও কানে কি সেটা পৌঁছায় না?
অমর্ত্য সেন একটা বক্তৃতায় একবার বলেছিলেন, প্রত্যেক মানুষের একটা আনুষ্ঠানিক দায় থাকে, একটা অনানুষ্ঠানিক দায় থাকে। আনুষ্ঠানিক দায় নিয়ে বসে আছেন আমাদের রখফার সুলতানা খানম (এআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ), তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব এটার সুরাহা করা। মানুষ হিসেবে পরোক্ষ দায়িত্ব হচ্ছে, এ বিষয়গুলো যাতে আর সমাজে না ঘটে, সেটার চেষ্টা করা। অর্থাৎ প্রত্যেকের নৈতিক দায়বদ্ধতা আছে শিশুহত্যার মতো অপরাধ প্রতিরোধ করা।
রখফার সুলতানা খানম
সবাইকে
শুভেচ্ছা। আমাদের পুলিশের আনুষ্ঠানিক দায়বদ্ধতার পরেও কিছু অনানুষ্ঠানিক
দায়বদ্ধতা থাকে এবং সেটা অনেক সময় পুলিশ করে। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
আমাদের পুলিশ সদর থেকে প্রতিটি পুলিশ স্টেশনে শিশু আইনের আলোকে শিশুবান্ধব
কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, হচ্ছে। এখন শিশুবান্ধব কর্মকর্তাদের
যোগ্যতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের অধীনে আটটি ভিকটিম
সাপোর্ট সেন্টার আছে।
সেই ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারগুলোতে শিশুদের সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। আইনি সহায়তা দেওয়া হয়। খাবার ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়। কাউন্সেলিং করা হয়। এ ছাড়া পুলিশ সদর দপ্তরে আছে মনিটরিং সেল। নারী ও শিশুসংক্রান্ত মামলাগুলো মনিটরিং করা হয়। সম্প্রতি শিশুদের ক্ষেত্রে যে অমানবিক ঘটনাগুলো ঘটে গেল আমরা মনে করি এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। মানে কোনো অপরাধী চক্র করছে না। রাজনকে যারা মেরেছে কিংবা রাকিবকে যারা মেরেছে এদের অতীত ইতিহাসে কিন্তু এরা ক্রাইম, ক্রিমিনাল, ডাকাত, চোর এ রকম রেকর্ড আমাদের হাতে এখন পর্যন্ত নেই। তারপরও শিশুদের ক্ষেত্রে যে মামলাগুলো হচ্ছে সেগুলোর দেখাশোনার জন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি আলাদা পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এটা পুলিশের কর্তব্যের অংশ, যেটা আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব।
অনানুষ্ঠানিক দায়িত্ববোধের ক্ষেত্রে পুলিশ হয়েও আমি যেটা মনে করি, শিশুরা আত্মনির্ভরশীল হবে, শিশুদের বিকাশটা সুন্দর হবে। শিশুরা নির্ভার থাকবে, শক্ত ভিতের ওপর নিজেদের জীবন গড়ে তুলবে এবং সেখানে একটা আত্মরক্ষামূলক শিক্ষা থাকবে।
সমাজকে শিশুবান্ধব হতে হবে। শিশুর ভেতরের মনোজগৎকে আমরা বিকশিত করব। আমরা শিশুকে প্রস্ফুটিত হওয়ার সুযোগ করে দেব।
সেই ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারগুলোতে শিশুদের সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। আইনি সহায়তা দেওয়া হয়। খাবার ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়। কাউন্সেলিং করা হয়। এ ছাড়া পুলিশ সদর দপ্তরে আছে মনিটরিং সেল। নারী ও শিশুসংক্রান্ত মামলাগুলো মনিটরিং করা হয়। সম্প্রতি শিশুদের ক্ষেত্রে যে অমানবিক ঘটনাগুলো ঘটে গেল আমরা মনে করি এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। মানে কোনো অপরাধী চক্র করছে না। রাজনকে যারা মেরেছে কিংবা রাকিবকে যারা মেরেছে এদের অতীত ইতিহাসে কিন্তু এরা ক্রাইম, ক্রিমিনাল, ডাকাত, চোর এ রকম রেকর্ড আমাদের হাতে এখন পর্যন্ত নেই। তারপরও শিশুদের ক্ষেত্রে যে মামলাগুলো হচ্ছে সেগুলোর দেখাশোনার জন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি আলাদা পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এটা পুলিশের কর্তব্যের অংশ, যেটা আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব।
অনানুষ্ঠানিক দায়িত্ববোধের ক্ষেত্রে পুলিশ হয়েও আমি যেটা মনে করি, শিশুরা আত্মনির্ভরশীল হবে, শিশুদের বিকাশটা সুন্দর হবে। শিশুরা নির্ভার থাকবে, শক্ত ভিতের ওপর নিজেদের জীবন গড়ে তুলবে এবং সেখানে একটা আত্মরক্ষামূলক শিক্ষা থাকবে।
সমাজকে শিশুবান্ধব হতে হবে। শিশুর ভেতরের মনোজগৎকে আমরা বিকশিত করব। আমরা শিশুকে প্রস্ফুটিত হওয়ার সুযোগ করে দেব।
মেহতাব খানম
ধন্যবাদ,
আমাকে এখানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। স্বাধীনতার পর আমরা ৪৪ বছর পার
করেছি। আসলে একটা সভ্য জাতি হিসেবে আমরা নিজেদের দাবি করতে পারি কি না, সেই
প্রশ্নটা আজকাল আমাকে ভীষণভাবে ভোগাচ্ছে। এই যে একটার পর একটা ঘটনা ঘটছে,
এগুলোকে আমাদের বিছিন্ন ঘটনা বলার কোনো অবকাশ নেই। এগুলো কিন্তু
অনেকগুলো ঘটনার একটা সমন্বয়, যার ফলে জিনিসগুলো ঘটছে। অনেকগুলো বিষয়ের
দিকে আমাদের নজর দিতে হবে। আমাদের মানসিক জায়গাটাতে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য
তৈরি হয়েছে। আমরা মানসিক সুস্থতা বোধ হয় হারিয়ে ফেলেছি।
শিক্ষিত মানুষ যখন অসুস্থ মানসিকতার হয়, এ দুটির ব্যবধান কিন্তু সাংঘাতিক হয় এবং এ দেশে তিনটি দল সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত হচ্ছে। নারী, শিশু এবং দরিদ্র মানুষ। যারা হত্যার শিকার হয়েছে, তারা সবাই কিন্তু দরিদ্র শিশু। তাদেরই টার্গেট করা হয়েছে।
আমাদের পারিবারিক চর্চায় কী হচ্ছে, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কী হচ্ছে, আমাদের সামাজিক জায়গায় কী হচ্ছে। আমাদের মনে হয়, তিনটি জায়গাতেই আলাদা করে মনোযোগী হতে হবে। গণমাধ্যমগুলো একসঙ্গে বসে এ ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার, কোনটা দেখানো হবে, কোনটা দেখানো হবে না। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সমন্বয় না করে হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে আসলে সে সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন হবে না।
আমি বলি যে বাংলাদেশ বড়দের জন্য, শিশুদের জন্য নয়। শিশুদের জন্য কোনো বিনোদন তো নেই। গণমাধ্যমে যে অনুষ্ঠানগুলো বানানো হয়, তা শিশুদের জন্য নয়। আমাদের সামাজিক বিনোদন তো শেষ হয়ে গেছে, গণমাধ্যমের বিনোদনগুলো সবই কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ককেন্দ্রিক। কাজেই আমাদের শিশুদের সুন্দর মন তৈরি হওয়ার জায়গাটা একেবারেই শেষ হয়ে গেছে।
শিক্ষিত মানুষ যখন অসুস্থ মানসিকতার হয়, এ দুটির ব্যবধান কিন্তু সাংঘাতিক হয় এবং এ দেশে তিনটি দল সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত হচ্ছে। নারী, শিশু এবং দরিদ্র মানুষ। যারা হত্যার শিকার হয়েছে, তারা সবাই কিন্তু দরিদ্র শিশু। তাদেরই টার্গেট করা হয়েছে।
আমাদের পারিবারিক চর্চায় কী হচ্ছে, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কী হচ্ছে, আমাদের সামাজিক জায়গায় কী হচ্ছে। আমাদের মনে হয়, তিনটি জায়গাতেই আলাদা করে মনোযোগী হতে হবে। গণমাধ্যমগুলো একসঙ্গে বসে এ ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার, কোনটা দেখানো হবে, কোনটা দেখানো হবে না। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সমন্বয় না করে হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে আসলে সে সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন হবে না।
আমি বলি যে বাংলাদেশ বড়দের জন্য, শিশুদের জন্য নয়। শিশুদের জন্য কোনো বিনোদন তো নেই। গণমাধ্যমে যে অনুষ্ঠানগুলো বানানো হয়, তা শিশুদের জন্য নয়। আমাদের সামাজিক বিনোদন তো শেষ হয়ে গেছে, গণমাধ্যমের বিনোদনগুলো সবই কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ককেন্দ্রিক। কাজেই আমাদের শিশুদের সুন্দর মন তৈরি হওয়ার জায়গাটা একেবারেই শেষ হয়ে গেছে।
আনিসুজ্জামান: আমাদের দেশে অধিকার ভঙ্গের ব্যাপারটা
অনেক ব্যাপক হয়েছে। আজকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুর অধিকার, নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘুর
অধিকার, ভিন্নমতাবলম্বীর অধিকার ভঙ্গ হচ্ছে। নারী, শিশুর অধিকার ভঙ্গ
হচ্ছে। তাহলে আমাদের এই সংবিধান, আমাদের এই সামাজিক অধিকার—এসব কোথায়
যাচ্ছে? এই প্রশ্নটি আমাদের করতে হবে। সংকীর্ণতা এমনভাবে আমাদের গ্রাস
করছে, মানসিক সংকীর্ণতা, যার মধ্যে আমরা পড়েছি, এটা ক্রমে বাড়ছে।
এটা বাংলাদেশের ভিত্তির মূলে আঘাত করছে। এটা থেকে আমাদের আত্মরক্ষা করতে হবে, অন্যদেরও বাঁচাতে হবে। আমাদের পরিবারের মধ্যে অনেক ত্রুটি আছে। পরিবারেও একধরনের স্বৈরাচারী সংগঠন হিসেবে কাজ করে, সেটা মারাত্মক। এত ব্যাপক সংস্কার তো আর রাতারাতি হবে না। কিন্তু একটা উদারনৈতিক আবহাওয়া তৈরির জন্য সবাই মিলে যেন চেষ্টা করি। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
এটা বাংলাদেশের ভিত্তির মূলে আঘাত করছে। এটা থেকে আমাদের আত্মরক্ষা করতে হবে, অন্যদেরও বাঁচাতে হবে। আমাদের পরিবারের মধ্যে অনেক ত্রুটি আছে। পরিবারেও একধরনের স্বৈরাচারী সংগঠন হিসেবে কাজ করে, সেটা মারাত্মক। এত ব্যাপক সংস্কার তো আর রাতারাতি হবে না। কিন্তু একটা উদারনৈতিক আবহাওয়া তৈরির জন্য সবাই মিলে যেন চেষ্টা করি। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
লক্ষ্মীকান্ত সিংহ
ধন্যবাদ।
এর মধ্যে আমার অনেক বিষয় আমার পূর্ববর্তী বক্তাদের মধ্যে চলে আসছে। একটা
বিষয় আমি একটু স্মরণ করে দিতে চাই—বিচারহীনতার বিষয়টা। আমাদের সিলেটে ৮
জুলাই শিশু রাজন হত্যার আগে ১১ মার্চ কিন্তু আরেকটি শিশুকে হত্যা করা
হয়েছে। ওর নাম আবু সাঈদ। ওটাও নির্মম ছিল। শিশুটির লাশ পাওয়া গেছে একজন
পুলিশ সদস্যের বাসায়। আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিন্তু এখনো চার্জশিট
দেওয়া হয়নি। রাজনের ঘটনার পর ওটা আবার চাপা পড়ে যায়। আমরা আগে শুনতাম, ঘুষ
লেনদেন চুপিসারে হতো, এখন নাকি দরাদরি করে হয়। এখন দেখছি, হত্যা, গুমের
ভিডিও ধারণ করে হচ্ছে। এখানে সামাজিক আন্দোলন করা দরকার। শিশু রাজনের
হত্যাকারী কোনো আসামিকে কিন্তু পুলিশ ধরেনি। সাধারণ জনগণ ধরে পুলিশে
দিয়েছে।
সাধারণ জনগণের সহযোগিতার কোনো ঘাটতি নেই। যে বিষয়টি আমি একটু বলতে চাইছি, রাজন হত্যার বিষয়ে আমরা সামাজিক সংগঠনগুলো আন্দোলন করি, কিন্তু আমাদের যে মূল ধারার রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, তাঁদের কিন্তু সেভাবে দেখি না। আমরা চাই যে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে একটা অঙ্গীকার হোক।
সাধারণ জনগণের সহযোগিতার কোনো ঘাটতি নেই। যে বিষয়টি আমি একটু বলতে চাইছি, রাজন হত্যার বিষয়ে আমরা সামাজিক সংগঠনগুলো আন্দোলন করি, কিন্তু আমাদের যে মূল ধারার রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, তাঁদের কিন্তু সেভাবে দেখি না। আমরা চাই যে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে একটা অঙ্গীকার হোক।
যারিন মুসাররাত মানিতা
এ
ধরনের একটি অনুষ্ঠানে আজকে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রথমেই সবাইকে
ধন্যবাদ জানাচ্ছি। রাজন হত্যার ব্যাপারটি আমরা জেনেছিলাম ফেসবুক এবং
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। আমরা সহপাঠীরা সবাই অনেক বেশি বিস্মিত ছিলাম এ
ব্যাপারটি দেখে যে এ রকম নৃশংস একটি ভিডিও ফেসবুকে বা সামাজিক মাধ্যমে
প্রচার হতে পারে। আবার আমাদের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতেও ব্যাপকভাবে প্রচার
করা হচ্ছে। আমার অভিভাবকেরা, শিক্ষকেরা যখন এ ধরনের ঘটনা দেখছেন, তখন
স্বাভাবিকভাবে তাঁদের মধ্যেও একটা ভীতি সৃষ্টি হচ্ছে—আমার বাচ্চা বা
ছাত্রীর নিরাপত্তা কতটুকু নিশ্চিত করা যায়। রাজন একটি সাধারণ শিশু ছিল।
সামাজিক যে বৈষম্যের ব্যাপারটা আমরা পত্রিকায় পড়ছি, কিছু মানুষ অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবে এবং কিছু মানুষ পাবে না। ব্যাপারটি যে আমাদের দেশে বা আমাদের শহরে ঘটছে, এটা আমাদের কাছে একটি স্বাভাবিক ব্যাপার মনে হচ্ছে। সুতরাং আমি আশা করব, শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত এ ধরনের ঘটনা যাতে আজকে কোনো শিশুর মনস্তাত্ত্বিকতায় এত বেশি আঘাত করতে না পারে, এ ব্যাপারটিতে সবাই সচেতন হবেন।
আমি আশা করব, সবার পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে আমাদের কথা চিন্তা করে হলেও কিছু বাস্তব এবং জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আমি মনে করি, এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি।
সামাজিক যে বৈষম্যের ব্যাপারটা আমরা পত্রিকায় পড়ছি, কিছু মানুষ অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবে এবং কিছু মানুষ পাবে না। ব্যাপারটি যে আমাদের দেশে বা আমাদের শহরে ঘটছে, এটা আমাদের কাছে একটি স্বাভাবিক ব্যাপার মনে হচ্ছে। সুতরাং আমি আশা করব, শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত এ ধরনের ঘটনা যাতে আজকে কোনো শিশুর মনস্তাত্ত্বিকতায় এত বেশি আঘাত করতে না পারে, এ ব্যাপারটিতে সবাই সচেতন হবেন।
আমি আশা করব, সবার পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে আমাদের কথা চিন্তা করে হলেও কিছু বাস্তব এবং জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আমি মনে করি, এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি।
আবদুছ সহিদ মাহমুদ
ধন্যবাদ,
বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের পক্ষ থেকে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য।
উন্নত বিশ্বে যখন শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে, তখন তার একটা দ্রুত বিচারের
ব্যবস্থা করা হয় এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এটা নিশ্চিত করা হয়। আমাদের দেশে
অন্য অনেক ঘটনা, অন্য অনেক অপরাধের মতোই ঠিক এ ক্ষেত্রেও আসামিদের অনেক
ক্ষেত্রেই বিচারের সম্মুখীন হতে হয় না। আরেকটি সীমাবদ্ধতা আছে, আমাদের দেশে
যেটা অন্য বিচারের ক্ষেত্রে দেখা যায়, চার্জশিট দিতে দেরি হয়ে যায়।
সরকারের কাছে একটা অনুরোধ, শিশু নির্যাতনের কোনো ঘটনা ঘটলে সেটা দ্রুত
বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করা হোক। শিশুরা তো সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে। এদের
কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই।
তাই বিচারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রভাব, সেটা রাজনৈতিক হোক বা সামাজিক হোক, কোনো প্রভাব যাতে বিস্তার করতে না পারে, এটিও যেন সরকার নিশ্চিত করে। এ ধরনের ঘটনা শুধু আইন বা পুলিশ দিয়ে দূর করা যাবে না। পরিবার থেকে এগুলোর সূত্রপাত করতে হবে। রাষ্ট্র, আইন, সরকার, পুলিশ—সবকিছু পারবে না। সবার সম্মিলিত প্রয়াস দরকার। চার দেয়ালের ভেতরে যে অপরাধ হচ্ছে, সেগুলো নিরসন করতে হবে।
মা-বাবা তাঁর শিশুসন্তানকে শাসন করেন, এটাও একটা নির্যাতন। যখন স্কুলের শিক্ষার্থীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়, সেটিও একটি নির্যাতন। বাংলাদেশ শিশু আইন ২০১৩ আছে, খুব ভালো, যুগোপযোগী। কিন্তু শিশু সুরক্ষা নীতি একটি থাকা দরকার।
তাই বিচারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রভাব, সেটা রাজনৈতিক হোক বা সামাজিক হোক, কোনো প্রভাব যাতে বিস্তার করতে না পারে, এটিও যেন সরকার নিশ্চিত করে। এ ধরনের ঘটনা শুধু আইন বা পুলিশ দিয়ে দূর করা যাবে না। পরিবার থেকে এগুলোর সূত্রপাত করতে হবে। রাষ্ট্র, আইন, সরকার, পুলিশ—সবকিছু পারবে না। সবার সম্মিলিত প্রয়াস দরকার। চার দেয়ালের ভেতরে যে অপরাধ হচ্ছে, সেগুলো নিরসন করতে হবে।
মা-বাবা তাঁর শিশুসন্তানকে শাসন করেন, এটাও একটা নির্যাতন। যখন স্কুলের শিক্ষার্থীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়, সেটিও একটি নির্যাতন। বাংলাদেশ শিশু আইন ২০১৩ আছে, খুব ভালো, যুগোপযোগী। কিন্তু শিশু সুরক্ষা নীতি একটি থাকা দরকার।
মাহবুবা নাসরীন
ধন্যবাদ।
আমাদের একটা জেলা শিশু অধিকার মনিটরিং কমিটি আছে। একটা প্রকল্প আছে, শিশু
অধিকার প্রকল্প, যেটা ৬৪টি জেলায় আছে। ৬৪টি জেলায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত
ব্যক্তিও আছেন, যাঁরা শিশু সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে কাজ করেন। এগুলো আমাদের
কয়জন জানি? মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ
মন্ত্রণালয়, শ্রম মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শিশু সুরক্ষার জন্য
কাজ করছে। এদের আলাদা নীতিও আছে। চাইল্ড প্রটেকশন পলিসি অনেক আগেই
বাংলাদেশে ইউনিসেফসহ যত বেসরকারি সংস্থা আছে, সবাই করে যাচ্ছে। দারিদ্র্য
কিন্তু অপরাধের একটা কারণ নয়। এটা যেন আমরা না মনে করি। আমাদের মানসিকতাটা এ
রকম যে দরিদ্রদের বেশি অপরাধী করা যায়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটা
হেল্পলাইনও আছে। কিন্তু সবচেয়ে যেখানে আমাদের সমস্যা, সেটা হচ্ছে আমরা
অনেকেই জানি না। প্রচার নেই। এত বেশি নেতিবাচক খবরগুলো না দিয়ে আমরা যদি
আমাদের বাংলাদেশের এত জায়গায় গিয়ে আমি সহায়তা পেতে পারি, এটা আরেকটু বেশি
প্রচার হয়, এটা আরেকটু বেশি জানা যায়, শিশুরাও জানবে, শিশুদের অভিভাবকেরাও
জানবেন। কিন্তু এই জানার জায়গাটা আমাদের কম। অনেক সময় শিশু অধিকারের বিষয়টি
দিবস পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সুতরাং আমরা যদি শিশুর জন্য সংবেদনশীল একটি
সমাজ গড়তে চাই, তাহলে সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি শিশুসহ প্রত্যেকের জন্য
কার্যকর করতে হবে। আমাদের যা আছে, সেগুলোকেই আমরা যেন সবাই জানতে পারি আর
সবাই যেন সে জায়গাগুলোতে একসঙ্গে কাজ করি।
মিজানুর রহমান
আপনাদের
সবাইকে ধন্যবাদ। আমি কটি মন্তব্য করব। এগুলো হয়তো মনে হতে পারে
বিক্ষিপ্ত কতগুলো মন্তব্য। কিন্তু সবার বক্তব্য শোনার পর আমার কাছে
গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। একটি হচ্ছে খুব মোটা দাগে যদি বলি, আজকে শিশুর
প্রতি নির্যাতন, পাশবিকতা কেন হয়েছে। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে, আমরা
সাংঘাতিকভাবে এক সামাজিক অস্থিরতার মধ্যে চলেছি। এই অস্থিরতা অসহিষ্ণুতার
জন্ম দিয়েছে। এটা এমন পর্যায়ে যে মুহূর্তের জন্য ধৈর্য থাকছে না। একটা
হেস্তনেস্ত করে দেওয়ার মানসিকতার দিকে ধাবিত হচ্ছি। অস্থিরতা ও অসহিষ্ণুতা
কেন হচ্ছে? এক নম্বরে আসবে বিচারহীনতা। আমরা যা-ই বলি না কেন, অপরাধ করে
পার পাওয়া যায়। সেটার দৃষ্টান্ত ভূরি ভূরি।
কেন এই বিচারহীনতা, সেটা খুঁজতে গেলে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে কারণ খুঁজতে হবে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো কল্যাণকর কাজের চেয়ে নিকট অতীতে আমরা দেখেছি তারা অকল্যাণকর কর্মকাণ্ডে নিজেদের বেশি করে নিয়োজিত রেখেছে। মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে, দগ্ধ করেছে। যদি এ রকম মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেও শুধু আমি রাজনীতি করি বা রাজনৈতিক দলের সদস্য হই, তাহলে আমাকে কোনো কিছু স্পর্শ করতে পারবে না—সেখানে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠবে, তা-ই স্বাভাবিক।
আরেকটা কারণ দুর্নীতি। শুধু অর্থনৈতিক দুর্নীতি নয়, রাজনৈতিক প্রভাবের দুর্নীতি, পেশিশক্তির প্রভাব ও দুর্নীতি। দুর্নীতি এত বেশি ছেয়ে গেছে যে এটা থেকে মুক্তি না পেলে কীভাবে বিচারের সংস্কৃতিকে, আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে, সেটা কিন্তু বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। আরেকটি কারণ আমাদের রাষ্ট্র ক্রমান্বয়ে বহুত্ববাদকে বিসর্জন দিয়ে একত্ববাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অন্যদিকে অগ্রাহ্য করার, বাতিল করে দেওয়ার যে প্রবণতা, সেটার যে একটা প্রভাব পরবর্তী সময়ে সমগ্র জাতিকে গ্রাস করতে পারে, সেটা অনেক সময় আমরা মনে করি না।
আমাদের শিক্ষায়, শিক্ষাপদ্ধতিতে কোনো ত্রুটি হচ্ছে কি না, আমরা সঠিকভাবে এগোচ্ছি কি না, এটা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করা দরকার। আমাদের শিশুদের মেরুদণ্ড আমরা সোজা হতে কখনোই দেব না। আমরা তাদের পুস্তকের ভারে এমন ন্যুব্জ করে দিয়েছি যে তারা সারা জীবনের জন্য কুঁজো হয়ে থাকবে। শিশুদের শৈশবকে রক্ষা করতে হলে বিশ্রামের অফুরন্ত সময় নিশ্চিত করতে হবে। এ কাজটি রাষ্ট্রকেই করতে হবে।
সবকিছুকে রাজনৈতিকীকরণের অশুভ তৎপরতা থেকে সরে আসা প্রয়োজন। বিরাট একটা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি আমরা দাঁড়িয়েছি। আমরা শিশুর পাশে দাঁড়ানোর যে অঙ্গীকার নিয়ে এখানে এসেছি, তাদের রক্ষা করার জন্য, তাদের শৈশবকে রক্ষা করার জন্য। আমরা কিন্তু আন্তরিকভাবেই বলি, রুশ লেখক আন্থন চেখভের মতো আমাদের শিশুদের যেন বলতে না হয়, ‘আমার শৈশবে আমার কোনো শিশুকাল ছিল না।’ আমাদের শিশুদের যেন এ আক্ষেপ করতে না হয়।
কেন এই বিচারহীনতা, সেটা খুঁজতে গেলে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে কারণ খুঁজতে হবে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো কল্যাণকর কাজের চেয়ে নিকট অতীতে আমরা দেখেছি তারা অকল্যাণকর কর্মকাণ্ডে নিজেদের বেশি করে নিয়োজিত রেখেছে। মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে, দগ্ধ করেছে। যদি এ রকম মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেও শুধু আমি রাজনীতি করি বা রাজনৈতিক দলের সদস্য হই, তাহলে আমাকে কোনো কিছু স্পর্শ করতে পারবে না—সেখানে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠবে, তা-ই স্বাভাবিক।
আরেকটা কারণ দুর্নীতি। শুধু অর্থনৈতিক দুর্নীতি নয়, রাজনৈতিক প্রভাবের দুর্নীতি, পেশিশক্তির প্রভাব ও দুর্নীতি। দুর্নীতি এত বেশি ছেয়ে গেছে যে এটা থেকে মুক্তি না পেলে কীভাবে বিচারের সংস্কৃতিকে, আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে, সেটা কিন্তু বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। আরেকটি কারণ আমাদের রাষ্ট্র ক্রমান্বয়ে বহুত্ববাদকে বিসর্জন দিয়ে একত্ববাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অন্যদিকে অগ্রাহ্য করার, বাতিল করে দেওয়ার যে প্রবণতা, সেটার যে একটা প্রভাব পরবর্তী সময়ে সমগ্র জাতিকে গ্রাস করতে পারে, সেটা অনেক সময় আমরা মনে করি না।
আমাদের শিক্ষায়, শিক্ষাপদ্ধতিতে কোনো ত্রুটি হচ্ছে কি না, আমরা সঠিকভাবে এগোচ্ছি কি না, এটা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করা দরকার। আমাদের শিশুদের মেরুদণ্ড আমরা সোজা হতে কখনোই দেব না। আমরা তাদের পুস্তকের ভারে এমন ন্যুব্জ করে দিয়েছি যে তারা সারা জীবনের জন্য কুঁজো হয়ে থাকবে। শিশুদের শৈশবকে রক্ষা করতে হলে বিশ্রামের অফুরন্ত সময় নিশ্চিত করতে হবে। এ কাজটি রাষ্ট্রকেই করতে হবে।
সবকিছুকে রাজনৈতিকীকরণের অশুভ তৎপরতা থেকে সরে আসা প্রয়োজন। বিরাট একটা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি আমরা দাঁড়িয়েছি। আমরা শিশুর পাশে দাঁড়ানোর যে অঙ্গীকার নিয়ে এখানে এসেছি, তাদের রক্ষা করার জন্য, তাদের শৈশবকে রক্ষা করার জন্য। আমরা কিন্তু আন্তরিকভাবেই বলি, রুশ লেখক আন্থন চেখভের মতো আমাদের শিশুদের যেন বলতে না হয়, ‘আমার শৈশবে আমার কোনো শিশুকাল ছিল না।’ আমাদের শিশুদের যেন এ আক্ষেপ করতে না হয়।
সুমনা শারমীন: সব মিলিয়ে শিশুদের বিষয়টিকে কি সবাই
আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি? হয়তো দিচ্ছি না। রাজনৈতিক খবরের ভিড়ে সব হারিয়ে
যায়। যদি নির্যাতনের ঘটনাগুলো না ঘটত, তাহলে আমাদের হয়তো এভাবে বসাই হতো
কি না, সেটাও একটা প্রশ্ন।
আমরা ঘুরেফিরে আমাদের শিশুদের বিষয়টিকে কম মূল্য দিচ্ছি। অথচ যখন ঘটনাটি একটি সাংঘাতিক রকমের খারাপ ঘটনা হচ্ছে, তখন সবাই মিলে আমরা একেবারে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছি। তাহলে আমাদের আসলে করণীয় কি আরেকটা রাজনের ঘটনার জন্য অপেক্ষা করা? নাকি আরও কিছু করা?
শিশুদের পাশে আমরা দাঁড়াই—এটা অঙ্গীকার করে আমরা এখান থেকে যাচ্ছি। যার যার অবস্থান থেকে আমরা আমাদের কাজ করব, সেটাই আমাদের চাওয়া। এখানে আসার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
আমরা ঘুরেফিরে আমাদের শিশুদের বিষয়টিকে কম মূল্য দিচ্ছি। অথচ যখন ঘটনাটি একটি সাংঘাতিক রকমের খারাপ ঘটনা হচ্ছে, তখন সবাই মিলে আমরা একেবারে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছি। তাহলে আমাদের আসলে করণীয় কি আরেকটা রাজনের ঘটনার জন্য অপেক্ষা করা? নাকি আরও কিছু করা?
শিশুদের পাশে আমরা দাঁড়াই—এটা অঙ্গীকার করে আমরা এখান থেকে যাচ্ছি। যার যার অবস্থান থেকে আমরা আমাদের কাজ করব, সেটাই আমাদের চাওয়া। এখানে আসার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
যাঁরা অংশ নিলেন
আনিসুজ্জামান : ইমেরিটাস অধ্যাপক, সভাপতি, বাংলা একাডেমি
মিজানুর রহমান : চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
সুলতানা কামাল : নির্বাহী পরিচালক, আইন ও সালিশ কেন্দ্র
রাশেদা কে চৌধূরী : নির্বাহী পরিচালক, গণসাক্ষরতা অভিযান
সেলিনা হোসেন : চেয়ারম্যান, শিশু একাডেমি
মেহতাব খানম : অধ্যাপক, এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মাহবুবা নাসরীন : সমাজবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
রখফার সুলতানা খানম : এআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ
আবদুছ সহিদ মাহমুদ : পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম
মোমিনুল ইসলাম : আইনজীবী, খুলনা
লক্ষ্মীকান্ত সিংহ : মানবাধিকার কর্মী, সিলেট
যারিন মুসাররাত মানিতা : ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ
সঞ্চালক
সুমনা শারমীন : ফিচার সম্পাদক, প্রথম আলো
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
আলোচনায় সুপারিশ
* যেকোনো নাগরিকের স্বাভাবিক মৃত্যুর অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব
* প্রত্যেকের নৈতিক দায়বদ্ধতা আছে সমাজে শিশুহত্যার মতো অপরাধ প্রতিরোধ করার
* সমাজকে রক্ষার জন্য, একটি উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে
* শাস্তির আওতায় না এনে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা আসলে অপরাধীদের উৎসাহিত করছে কি না, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন
* সবকিছুকে রাজনৈতিকীকরণের অশুভ তৎপরতা থেকে সরে আসা প্রয়োজন
* যেকোনো নাগরিকের স্বাভাবিক মৃত্যুর অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব
* প্রত্যেকের নৈতিক দায়বদ্ধতা আছে সমাজে শিশুহত্যার মতো অপরাধ প্রতিরোধ করার
* সমাজকে রক্ষার জন্য, একটি উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে
* শাস্তির আওতায় না এনে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা আসলে অপরাধীদের উৎসাহিত করছে কি না, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন
* সবকিছুকে রাজনৈতিকীকরণের অশুভ তৎপরতা থেকে সরে আসা প্রয়োজন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
August
(765)
-
▼
Aug 21
(31)
- সরকার বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করার ষড়যন্ত্র করছে : খ...
- পরিবারের দাবি ‘র্যাব ধরেছে’, র্যাব বলছে ‘জানা নেই’
- ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনা জঘন্য সন্ত্রাসী কার্য...
- খালেদা-তারেক জড়িত, সন্দেহ নেই: হাসিনা
- ছাত্রলীগের আস্তানা পশু হাসপাতাল! by উজ্জ্বল মেহেদী
- আগুন by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- প্রাণহীন বাঘ প্রাণ নিল ভ্যানচালকের
- যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রাশেদ চৌধুরী by রাহ...
- যন্ত্রণা এখনো সঙ্গী by আনোয়ার হোসেন
- শিশু ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে সুশীল সমাজ ও করপোরেট খাত...
- যেভাবে ফাঁসলেন ব্যারিস্টার শাকিলা!
- আচমকা গৃহবন্দী, হঠাৎ মুক্তি: ভারত-পাকিস্তান বৈঠকের...
- আ.লীগের ভেতরে অস্থিরতা, মাঠে আতঙ্ক–উৎকণ্ঠা
- তামিলদের সমর্থনে হচ্ছে বিক্রমাসিংহের সরকার
- যে হোটেলে কেউ থাকতে চান না
- রোবট যুগের উন্মেষ by হাসনাইন মেহেদী
- ‘অপহরণের’ ৮২ দিন পরে র্যাবের হাতে ‘গ্রেপ্তার’!
- বিদ্যালয়টিতে অন্যরকম এক দিন!
- তুতেনখামেনের সমাধিতেই নেফারতিতি?
- আসুন শিশুদের পাশে দাঁড়াই
- নিজ দেশে বৈষম্য ও নির্যাতনে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে ঢ...
- শিশু গৃহকর্মীর ওপর অমানবিক নির্যাতন!
- পারছে না দুদক ছাড়ছে ক্ষমতা: তদন্তে ঘাটতি ও প্রক্রি...
- তরুণ বিজ্ঞানী শাহীনের উদ্ভাবন- অপরাধ দমনে অ্যাপস b...
- মারমা শিশু
- এই দশার বর্ণনাও কঠিন: খুলনা বিসিক শিল্পনগরের সড়ক ...
- বঙ্গবন্ধুকে সর্বজনীন করতে চাই: আশরাফ
- ৫ দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার পরিবর্তন
- সাড়ে সাত মাসে ১২১ বিচারবহির্ভূত হত্যা by আবু সালেহ...
- হকিংয়ের সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে যে কেউ!
- ভারতে গিয়ে কাশ্মীরি নেতাদের সঙ্গে বসবেন সারতাজ আজিজ
-
▼
Aug 21
(31)
-
▼
August
(765)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment