Monday, April 27, 2015
নীরব প্রতিশোধ নেয়ার আহ্বান
নীরব প্রতিশোধ নেয়ার আহ্বান
সিটি
নির্বাচনে ঢাকা ও চট্টগ্রামবাসীকে সরকারের অপকর্ম ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে
নীরব বিপ্লবের মাধ্যমে নীরব প্রতিশোধ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বলেছেন, ২৮শে এপ্রিল মঙ্গলবার নীরব প্রতিশোধ নেয়ার
আহ্বান জানাচ্ছি। আপনাদের ভোট অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বিরাট শক্তি। সঠিকভাবে
সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করুন। নীরব বিপ্লব ঘটান। আপনার ভোট হোক অন্যায়-অবিচারের
বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভোট। আপনারা কেউ ভয় পাবেন না। অনিয়ম ও কারচুপি দেখলে
সবাই মিলে প্রতিবাদ করবেন। ভোট শেষে বিকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে পাহারা বসাবার
জন্য আমি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। গণনা শেষে ফলাফল বুঝে নিয়ে
আপনারা কেন্দ্র ত্যাগ করবেন। যাতে আপনাদের দেয়া রায় ওরা বদলে ফেলতে না
পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন, আপনি
বিনা ভোটে রাজকীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন। এই দম্ভ
ত্যাগ করুন। মনে রাখবেন, সবদিন সমান যায় না। এ পর্যন্ত যাই করেছেন, ৩টি
সিটি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হতে দিন। রাষ্ট্রক্ষমতা আপনার কাছে বাঘের পিঠে
সওয়ার হওয়ার মতো বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। আপনি নামতে ভয় পাচ্ছেন। আপনি ভয় পাবেন
না। আমরা আপনার মতো প্রতিশোধপ্রবণ নই। উগ্র স্বভাব ও জিঘাংসার মনোবৃত্তি
বদলান। গণতন্ত্র ও সংলাপের পথে আসুন। আমরা আপনাকে সহি সালামতে নিরাপদে
নামতে সাহায্য করবো এবং একই সমতলে দাঁড়িয়ে নির্বাচন করবো। মানুষ যাকে খুশি
বেছে নেবে। আসুন, সেই পথটা অন্তত খুলে দেই। সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া
জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে কেন সিটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন
তার কারণ ব্যাখ্যা করেন। সেই সঙ্গে বিচারিক ক্ষমতাসহ ভোটের দিন সশস্ত্র
বাহিনীকে নির্বাচনী এলাকাজুড়ে মোতায়েনের দাবি জানান। সিটি নির্বাচন ও
সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গতকাল দুপুরে নিজের গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত
সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
নীরব প্রতিশোধ নিন, নীরব বিপ্লব ঘটান
খালেদা জিয়া ঢাকা ও চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশে বলেন, মনে রাখবেন- দেশের সম্পদ লুটপাট, আপনাদের রক্ত শুষে এরা টাকার পাহাড় গড়েছে। কাজেই এরা যে টাকা বিলাচ্ছে, সেটা আপনাদেরই টাকা। ওদের কাছ থেকে এ টাকা নিলেও ভোট বিক্রি করবেন না। টাকা নেবেন কিন্তু বিবেক অনুযায়ী ভোট দেবেন। কারণ, ভোট বিক্রি আর ঈমান বিক্রি একই কথা। আওয়ামী লীগ যেভাবে উগ্র-সন্ত্রাসী ও দাম্ভিক হয়ে উঠেছে কোনভাবে এই তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ফল কেড়ে নিতে পারলে তারা আপনাদেরকে আর মানুষ বলেই গণ্য করবে না। জোর করে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে গেলে মা-বোনেরা নিরাপদে থাকতে পারবেন না। ব্যবসায়ীরা ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারবেন না। প্রবীণ ও সম্মানিত নাগরিকদের সম্মান থাকবে না। তরুণদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। তারা আরও বিপথগামী হবে। শিক্ষাঙ্গন আরও কলুষিত ও সন্ত্রাসকবলিত হবে। খালেদা জিয়া বলেন, এবার নিজেদের স্বার্থেই বুঝে-শুনে ভোট দিতে হবে এবং ভোটের ফল বুঝে নিতে হবে। আমি নগরবাসীর প্রতি আবেদন রাখছি, আপনারা দয়া করে ঢাকা দক্ষিণে আমাদের সমর্থিত প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে মগ মার্কায়, ঢাকা উত্তরে তাবিদ আউয়ালকে বাস মার্কায় এবং চট্টগ্রামে মনজুর আলমকে কমলালেবু মার্কায় ভোট দিন। কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর পদেও আমাদের সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দিন। আপনার ভোট হোক অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভোট। আমরা মিথ্যা ও অসম্ভব প্রতিশ্রুতি দেয়ার পক্ষে নই। শুধু বলবো, আপনি দয়া করে পরিবর্তনের পক্ষে, স্বস্তির পক্ষে, শান্তির পক্ষে আপনার ভোটটি দিন। গুণ্ডামি, সন্ত্রাস, অপমানের বিরুদ্ধে ভোট দিন। মা-বোনের সম্ভ্রম রক্ষার জন্য ভোট দিন। ভোট শেষে বিকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে পাহারা বসাবার জন্য আমি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। গণনা শেষে ফলাফল বুঝে নিয়ে আপনারা কেন্দ্র ত্যাগ করবেন। ভোটের দিন এবং এর পরে কোন উস্কানির ফাঁদে পা না দেয়ার এবং কোন গুজবে কান না দেয়ার জন্য আমি অনুরোধ করছি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তার ফলাফল মেনে নেয়ার জন্যও আমি সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ভোট গ্রহণ, গণনা, ফল ঘোষণা ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় যারা নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন তাদের সকলের প্রতি আমার অনুরোধ, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত পবিত্র দায়িত্ব পালন করবেন। কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
যে ৭ কারণে নির্বাচনে অংশগ্রহণ
খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের আন্দোলন চলাকালে আকস্মিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিনটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ঘোষণা দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ৩টি সিটিতে তার মনোনীত মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেন। তারা হয়তো ভেবেছিল, সর্বব্যাপী আক্রমণে পর্যুদস্ত বিএনপি সিটি নির্বাচন থেকে দূরে থাকবে। এখন নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে সে সন্দেহ দেশবাসীর মতো আমাদেরও ছিল এবং আছে। তা সত্ত্বেও আমরা ৭টি কারণে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থন দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। কারণগুলো হচ্ছে- ১. জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের দাবি করেছি, স্থানীয় নির্বাচনে নয়। ২. দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে ২০দলীয় জোট অংশ নিয়ে সবগুলো সিটিতে বিপুল ভোটে জিতেছে। জনগণের বিপুল সমর্থন যে বিএনপি ও ২০দলীয় জোটের প্রতি রয়েছে, তা সবগুলো নির্বাচনেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ৩. সভা-সমাবেশসহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ও জনগণের কাছে যাবার সুযোগ আমাদের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সীমিত আকারে হলেও সে সুযোগ আমরা নিতে চেয়েছি। ৪. একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে সকল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক ব্যবস্থায় আমরা বিশ্বাস করি। জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকে সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছি। ৫. একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংসদীয় পদ্ধতি ও জনগণের সরাসরি ভোটে সিটি করপোরেশনে মেয়র নির্বাচনের ব্যবস্থাও বিএনপিই করেছে। তাই সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকাটাই বিএনপি যুক্তিসঙ্গত মনে করেছে। ৬. জনগণের ওপর আমাদের অটুট আস্থা রয়েছে বলে মনে করি, মানুষ সুযোগ পেলেই আমাদের সমর্থিত প্রার্থীদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে। ৭. এই নির্বাচনকে আমরা সরকার, শাসক দল, নির্বাচন কমিশন, রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য একটি টেস্ট কেস হিসেবেও নিয়েছি। তিনি বলেন, এটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কোন পরিবর্তন হবে না। কারচুপির মাধ্যমে তারা জনগণের রায় বদলালে আবারও স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হবে, এদের অধীনে সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের চিন্তা সম্পূর্ণ অবাস্তব ও অবান্তর।
যে কারণে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দেবেন
ঢাকা ও চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, ক্ষমতাসীনরা ৫ই জানুয়ারি আপনাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আপনারা ভোট কেন্দ্রে না গেলেও ৪০ ভাগ ভোট পড়েছে বলে হিসাব দিয়ে আপনাদের অপমান করেছে। ভোট ছাড়াই জনগণের ভুয়া প্রতিনিধি সেজেছে। শেয়ারবাজার লুট করে আপনাদের ফতুর করেছে। কুইক রেন্টালের নামে বিদ্যুৎখাত থেকে বেশুমার অর্থ লুটেছে। পদ্মা সেতুর টাকা চুরি করেছে। দফায় দফায় গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। ব্যাংকগুলো লুটে খেয়েছে। মানুষের রক্ত শুষে দেশে-বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছে। খালেদা জিয়া বলেন, এরা আপনার সন্তান ও ভাইদের গুম, খুন, অপহরণ করে পথেঘাটে লাশ ফেলে রেখেছে। বহু মায়ের কোল খালি, অনেক বধূকে স্বামীহারা, মাকে সন্তানহারা, বোনকে ভাইহারা করেছে। রক্তপিপাসু এই শাসকদের হত্যা-নির্যাতনে ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ঢাকা নগরীকে দ্বিখণ্ডিত করেছে কিন্তু সেবাখাতে সমন্বয়ের কোন ব্যবস্থা করেনি। নির্বাচন ছাড়াই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে প্রশাসক বসিয়ে শোষণ ও দুর্নীতি করেছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও অন্যান্য প্রতিনিধিদের মিথ্যা মামলায় আটক এবং তাদেরকে বহিষ্কার করে সারা দেশের ভোটারদের অপমান করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, এরা বসবাসের অনুপযোগী করে ফেলেছে এই রাজধানীকে। নাগরিক সেবার কোন ব্যবস্থা না করে বড় বড় প্রকল্পের নামে নিজেদের পকেট ভারী করেছে কমিশনের টাকায়। মাদকের ব্যাপক বিস্তার ঘটিয়ে তরুণ সমাজকে বিপথগামী করছে। তিনি বলেন, রানা প্লাজা বিপর্যয়ে এ সরকার বহু শ্রমজীবী মানুষের জীবন নিয়েছে। ক্ষতিপূরণের টাকা সংগ্রহ করে তা দেয়নি। ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকারী গার্মেন্ট শ্রমিককে হত্যা ও নির্যাতন করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, রাজধানী ঢাকায় হেফাজতের সমাবেশে রাতের অন্ধকারে হামলা করে এতিম ও আলেমদের রক্ত নিয়েছে। এরা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন করেছে। তাদের মন্দিরের প্রতিমার স্বর্ণালংকার ও অর্থ লুট করেছে। পরিকল্পিত পন্থায় দাঙ্গা বাধিয়ে রামুতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মন্দির ধ্বংস করেছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া সারা দেশের মানুষকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করেছে। সম্মানিত নাগরিকদের অপমান করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক দখল করে নিয়ে গেছে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। নিত্যপণ্যের দামের সীমাহীন ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন দুর্বিষহ করেছে। জনগণকে দেয়া প্রতিটি ওয়াদা ভঙ্গ করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, দখল, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, জুলুম ও দলীয়করণে প্রতিটি স্তরের মানুষকে এ সরকার অতিষ্ঠ করে তুলেছে। নারীর সম্ভ্রমহানি ও লাঞ্ছনায় অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে। সিটি করপোরেশনসহ সকল ঠিকাদারি কাজে টেন্ডার ডাকাতির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারসমূহকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করেছে। আড়াল করেছে প্রকৃত অপরাধীদের। এদের মদতে নারায়ণগঞ্জে র্যাব কর্মকর্তারা ১১ খুনের পৈশাচিক ঘটনা ঘটিয়েছে। বিদেশী অতিথিদের দেয়া স্বর্ণপদকের সোনাও চুরি করে সারা দুনিয়ায় বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করেছে।
সরকারের সব হিসাব উল্টে গেছে
খালেদা জিয়া বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে এই নগরীতে ক’দিন জনসংযোগে নেমে জনগণের যে আবেগ ও উচ্ছ্বাস দেখেছি, তাতে আমি অভিভূত। মানুষ উদ্বেলিত। পরিবর্তন কামনায় অধীর। আমি যেদিকেই গিয়েছি, বাঁধভাঙ্গা স্রোতের মতো মানুষ নেমে এসেছে উচ্ছ্বসিত হয়ে, ভয়ভীতি উপেক্ষা করে। এই গণজোয়ার দেখে আওয়ামী লীগ দিশাহারা হয়ে পড়েছে। তাদের সব হিসাবনিকাশ পাল্টে গেছে। তিনি বলেন, আমার হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, কামান-বন্দুক নেই, পুলিশ-র্যাব-বিজিপি-আনসার নেই। কোন বাহিনী বা সশস্ত্র সন্ত্রাসী নেই। আমার আছে শুধু আল্লাহ্র ওপর ভরসা আর দেশবাসীর সমর্থন ও দোয়া। এর উপর নির্ভর করেই আমি রাজপথে নেমেছি। জনগণের কাছে যাচ্ছি। খালেদা জিয়া বলেন, এতে এতো ভয় পাবার কী আছে? কিন্তু তারা ভয় পেয়েছে। এতদিন তারা প্রচার করতো, আমি নাকি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি। বিএনপি ও ২০ দলের কোন জনসমর্থন নেই। কিন্তু আমি জনসংযোগে নামতেই যে দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে, তাতে তাদের এতো দিনকার সব প্রচারণা মিথ্যে হয়ে গেছে।
অল্পের জন্য বেঁচে গেছি
খালেদা জিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীরা প্রকাশ্যে আমার বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। প্রকাশ্যে হাজারো মানুষের সামনে ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে উত্তরা, কাওরানবাজার, ফকিরেরপুলের কাছে ও বাংলামোটরে আমার গাড়িবহরে পরপর চারদিন হামলা করেছে। হামলায় আমার উপদেষ্টা ও পুলিশের সাবেক আইজি আবদুল কাইয়ুম, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আমার দুজন নিরাপত্তা রক্ষীসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। পুলিশের সহযোগিতায় হামলায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেয়। সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আমি যে-পাশে বসা ছিলাম, সেই পাশেই গাড়ির জানালার কাঁচে গুলি লাগে। এতে গ্লাস ভেদ না করলেও তা ফেটে যায়। আল্লাহর রহমতে অল্পের জন্য আমার জীবন রক্ষা পায়। এটা যে আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত সুপরিকল্পিত হামলা ছিল, তাতে কোন সন্দেহ নেই। খালেদা জিয়া বলেন, প্র্রতিটি হামলার ঘটনাই প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের সরাসরি উসকানির ফল এবং সুপরিকল্পিত। এসব হামলায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অংশ নেয়। সংবাদপত্রে ও টেলিভিশনের সচিত্র প্রতিবেদনে হামলাকারীদের অনেকের চেহারা স্পষ্ট। অনেকের নামধাম ও সাংগঠনিক পরিচয় আপনাদের রিপোর্টেই তুলে ধরা হয়েছে। সন্ত্রাসীরা কেউ কেউ সাংবাদিকদের কাছে হামলায় অংশ নেয়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকারও করেছে। ফকিরেরপুলের কাছে আমার গাড়িবহরে হামলার সময় ঢাকা দক্ষিণে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী নিজে উপস্থিত ছিলেন। কাওরানবাজারে আমার প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে পরিচালিত সশস্ত্র হামলায় অংশগ্রহণকারীদের কয়েকজনকে ঢাকা উত্তরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পাশে থেকে তার পক্ষে প্রচার চালাতে দেখা গেছে। এই হামলাকারীদের কাউকে কাউকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পাশে ছবিতে দেখা গেছে। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বারবার হামলা চালানো সত্ত্বেও একজন সন্ত্রাসীকেও এখন পর্যন্ত ধরা হয়নি। বরং যারা আক্রান্ত ও আহত হয়েছে তাদের বিরুদ্ধেই মামলা নেয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হচ্ছে আমাদের সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের। আটক করা এবং হুমকি দেয়া হচ্ছে বিএনপির নেতা-কর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের। কিন্তু ধারাবাহিক এসব হামলা ও নির্বাচনী প্রচার কাজে বাধা দেয়ার বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন কোন পদক্ষেপ নেয়া দূরে থাকুক; টু-শব্দটি পর্যন্ত করেনি। আমার প্রাণনাশের লক্ষ্যে দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলার পর প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনাকে যেভাবে ‘নাটক’ আখ্যা দিয়েছেন এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যেভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তাতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। আমি বুঝতে পারছি, এর কোন বিচার হবে না। খালেদা জিয়া বলেন, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন। তিনি রক্ষা করলে আমাকে কেউ হত্যা করতে পারবে না। বিশেষ করে ঢাকাবাসীকে বলবো, আপনারা দেখছেন, ক্ষমতার দম্ভে আমার সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হচ্ছে! আমার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশকে ভালবেসে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন। অল্প কিছুদিন আগে আমি আমার আদরের ছোট ছেলেটিকে চিরকালের জন্য হারিয়েছি। আমার একমাত্র জীবিত সন্তানটি অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দূরদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জীবনের এই প্রান্তে এসে প্রিয় মাতৃভূমিতে স্বজনহীন পরিবেশে চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে এখনও আমি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সাধ্যমতো সংগ্রাম করে যাচ্ছি। এখন আপনারাই আমার স্বজন, আপনারাই আমার আত্মীয়। আমার সকল তৎপরতা আপনাদেরকেই ঘিরে। তাই সব অন্যায়-অত্যাচারের প্রতিকার ও উপযুক্ত জবাব দেয়ার ভার আজ আমি আপনাদের উপরেই অর্পণ করলাম।
সুযোগ পেলে ঢাকা ও চট্টগ্রামবাসী জবাব দেবে
খালেদা জিয়া বলেন, দেশবাসী নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, এই টেস্ট কেসে সরকার, ক্ষমতাসীন দল, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শোচনীয়ভাবে ফেইল করে চলেছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে এবং প্রতিটি পদক্ষেপে। দুর্ভাগ্যের বিষয়, ক্ষমতাসীনদের ইঙ্গিতে তাদের ভোট ডাকাতির পরিকল্পনার দোসর হয়ে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন সেনা মোতায়েনের কথা বলে এক ধূর্ত অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। এতে প্রমাণ হলো, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস, ভোট ডাকাতি ও কারসাজির মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে ফেলার এবং ভোটারদের ভয়-ভীতি দেখানোর যে পরিকল্পনা এঁটেছে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীকে তারা বাধা বলে মনে করছে। আমরা বিচারিক ক্ষমতাসহ সশস্ত্র বাহিনীকে নির্বাচনী এলাকাজুড়ে ভোটের দিন এবং আগে-পরে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মোতায়েন করতে আবারও দাবি জানাচ্ছি। খালেদা জিয়া বলেন, ক্ষমতাসীনদের ভোটার ভীতি ও পরাজয়ের আলামত সব দিক দিয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তাই তারা আমাদের প্রচার কাজে বাধা দিচ্ছে ও হামলা চালাচ্ছে। ভোটাররা যাতে ভয় পেয়ে ভোটকেন্দ্রে না যায় তেমন ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করতেই তারা সর্বমুখী সন্ত্রাস চালাচ্ছে। পুলিশ বাহিনীকে তারা আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের অবস্থা যাচাইয়ে সরজমিনে জরিপের কাজে নামিয়েছে। পুলিশ ও সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদেরকে হুমকি দিচ্ছে। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরকে মন্ত্রী-এমপিরা সরকার সমর্থক প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় নামতে বাধ্য করছেন। নিম্নবিত্ত ও বস্তি এলাকায় গরিব মানুষের ভোট কেনার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে পাওয়া যাচ্ছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মানুষ একটুখানি সুযোগ পেলেই নীরব ভোট বিপ্লব ঘটিয়ে এসব অপতৎপরতা ও অত্যাচারের বদলা নেবে, উপযুক্ত জবাব দেবে।
তার কান্না মানুষ অভিনয় মনে করে
খালেদা জিয়া বলেন, বোমা হামলায় ও বিনা বিচারে প্রায় সমান সংখ্যক মানুষকে হত্যার ঘটনার ব্যাপারে আমরা আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করেছি। পুনরুল্লেখ করে বলছি, আমরা হত্যা, নাশকতা, সন্ত্রাস ও লাশের রাজনীতি করি না। সন্ত্রাস-নির্ভর নষ্ট রাজনীতির চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে আওয়ামী লীগ। তারা জনগণের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ভীত হয়ে দু’ধারা ছুরির মতো অপকৌশল নিয়েছিল। আমাদের কর্মসূচি ভণ্ডুল করতে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়ে সশস্ত্র প্রহরায় একদিকে পথে যানবাহন নামিয়েছে। অপরদিকে সেই যানবাহনে বোমা হামলায় মানুষ হত্যা করে তার দায় বিরোধী দলের উপর চাপিয়ে হত্যা, নির্যাতন, গুম, গণগ্রেপ্তার ও একতরফা অপপ্রচারের পথ উন্মুক্ত করেছে। তবে অপরাজনীতি ও একতরফা অপপ্রচার দেশের বেশির ভাগ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারেনি। এ প্রসঙ্গে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকীর একটি বক্তব্যের উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, মানুষ মারায় যদি জেতার প্রশ্ন আসে শেখ হাসিনা তাতে অবশ্যই জিতেছেন। তবে কেঁদে তিনি জিততে পারেননি। তার কান্নাকে এদেশের বেশির ভাগ মানুষ ‘কান্নার অভিনয়’ হিসেবেই মনে করেন।
সরকার অপকৌশলকে কৌশল হিসেবে নিয়েছে
খালেদা জিয়া বলেন, রাজনীতিতে কৌশল থাকে কিন্তু নিম্নরুচির মানুষেরা অপকৌশলকে কৌশল ভেবে আত্মতৃপ্তি লাভ করে। জনগণের সমর্থন নয়, সন্ত্রাস, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও অপপ্রচারকেই তারা জেতার পথ বলে ধরে নিয়েছে। যুক্তি, সংযম, সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সংলাপের পথ তারা এড়িয়ে চলতে চায়। দেশে সকল সংকটের সূত্র সেখানেই। তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে বিরোধী দল ও ভিন্নমত দমন এবং জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদ-বিক্ষোভ স্তব্ধ করার কাজে নিয়োজিত রেখে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের লোকদেরকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখা হয়েছে। দেশে কোন অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নেই। সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে দলীয় স্বার্থে ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে। দেশে এমন সংস্কৃতি চালু করা হয়েছে, ক্ষমতাসীন ছাড়া আর কারও যেন সুবিচার পাওয়ার কোন অধিকার নেই। এ সময় তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ ও ছাত্রদলের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকনকে নিখোঁজ নেতাদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উৎকণ্ঠা প্রকাশ ও তাদের সন্ধান দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে প্রতিবেশী নেপাল ও ভারতে বহু মানুষের প্রাণহানি এবং আমাদের দেশের আহত ও নিহতের ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত বলে মন্তব্য করেন। পহেলা বৈশাখ টিএসসি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ও দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতিতদের প্রতি সহানুভূতি জানাচ্ছি। এসব ঘৃণ্য অপরাধীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
প্রশ্নোত্তর খালেদা
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য অবশ্যই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার লাগবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা জিতলেই দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন ও ঠুঁটো জগন্নাথ নির্বাচন কমিশন শুদ্ধ হয়ে যাবে না। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল ২০ দল। তবে সার্বিক পরিস্থিতিতে সেটার ব্যাপারে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে আমরা বসতে পারিনি। তবে বাস্তবে অবরোধ কর্মসূচি এখন অনেক নিষ্ক্রিয়। সমঝোতা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সমঝোতা আমাদের মধ্যেই হবে। এখানে বিদেশী কূটনীতিকদের প্রকাশ্যে হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। সিটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কিনা এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি ক্যান্টনমেন্টের ভোটার। আর ক্যান্টনমেন্ট সিটি করপোরেশনের মধ্যে নয়। গাড়িবহর নিয়ে গণসংযোগ চালানোর ব্যাপারে ইসির অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার নিরাপত্তারক্ষীদের কয়েকটি গাড়ির সঙ্গে সাংবাদিকদের গাড়ি ছিল। এখন সাংবাদিকদের আমার বহরের সঙ্গে গণ্য করা হলে সেটা আপনারাই বিচার করুন। বরং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই বিধি ভঙ্গ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, স্থায়ী কমিটি সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান, জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের আমীর মুহাম্মদ ইসহাক, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের আমীর আবদুল লতিফ নেজামী, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনডিপি সভাপতি খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজাসহ বিএনপি ও জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নীরব প্রতিশোধ নিন, নীরব বিপ্লব ঘটান
খালেদা জিয়া ঢাকা ও চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশে বলেন, মনে রাখবেন- দেশের সম্পদ লুটপাট, আপনাদের রক্ত শুষে এরা টাকার পাহাড় গড়েছে। কাজেই এরা যে টাকা বিলাচ্ছে, সেটা আপনাদেরই টাকা। ওদের কাছ থেকে এ টাকা নিলেও ভোট বিক্রি করবেন না। টাকা নেবেন কিন্তু বিবেক অনুযায়ী ভোট দেবেন। কারণ, ভোট বিক্রি আর ঈমান বিক্রি একই কথা। আওয়ামী লীগ যেভাবে উগ্র-সন্ত্রাসী ও দাম্ভিক হয়ে উঠেছে কোনভাবে এই তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ফল কেড়ে নিতে পারলে তারা আপনাদেরকে আর মানুষ বলেই গণ্য করবে না। জোর করে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে গেলে মা-বোনেরা নিরাপদে থাকতে পারবেন না। ব্যবসায়ীরা ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারবেন না। প্রবীণ ও সম্মানিত নাগরিকদের সম্মান থাকবে না। তরুণদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। তারা আরও বিপথগামী হবে। শিক্ষাঙ্গন আরও কলুষিত ও সন্ত্রাসকবলিত হবে। খালেদা জিয়া বলেন, এবার নিজেদের স্বার্থেই বুঝে-শুনে ভোট দিতে হবে এবং ভোটের ফল বুঝে নিতে হবে। আমি নগরবাসীর প্রতি আবেদন রাখছি, আপনারা দয়া করে ঢাকা দক্ষিণে আমাদের সমর্থিত প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে মগ মার্কায়, ঢাকা উত্তরে তাবিদ আউয়ালকে বাস মার্কায় এবং চট্টগ্রামে মনজুর আলমকে কমলালেবু মার্কায় ভোট দিন। কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর পদেও আমাদের সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দিন। আপনার ভোট হোক অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভোট। আমরা মিথ্যা ও অসম্ভব প্রতিশ্রুতি দেয়ার পক্ষে নই। শুধু বলবো, আপনি দয়া করে পরিবর্তনের পক্ষে, স্বস্তির পক্ষে, শান্তির পক্ষে আপনার ভোটটি দিন। গুণ্ডামি, সন্ত্রাস, অপমানের বিরুদ্ধে ভোট দিন। মা-বোনের সম্ভ্রম রক্ষার জন্য ভোট দিন। ভোট শেষে বিকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে পাহারা বসাবার জন্য আমি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। গণনা শেষে ফলাফল বুঝে নিয়ে আপনারা কেন্দ্র ত্যাগ করবেন। ভোটের দিন এবং এর পরে কোন উস্কানির ফাঁদে পা না দেয়ার এবং কোন গুজবে কান না দেয়ার জন্য আমি অনুরোধ করছি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তার ফলাফল মেনে নেয়ার জন্যও আমি সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ভোট গ্রহণ, গণনা, ফল ঘোষণা ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় যারা নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন তাদের সকলের প্রতি আমার অনুরোধ, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত পবিত্র দায়িত্ব পালন করবেন। কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
যে ৭ কারণে নির্বাচনে অংশগ্রহণ
খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের আন্দোলন চলাকালে আকস্মিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিনটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ঘোষণা দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ৩টি সিটিতে তার মনোনীত মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেন। তারা হয়তো ভেবেছিল, সর্বব্যাপী আক্রমণে পর্যুদস্ত বিএনপি সিটি নির্বাচন থেকে দূরে থাকবে। এখন নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে সে সন্দেহ দেশবাসীর মতো আমাদেরও ছিল এবং আছে। তা সত্ত্বেও আমরা ৭টি কারণে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থন দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। কারণগুলো হচ্ছে- ১. জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের দাবি করেছি, স্থানীয় নির্বাচনে নয়। ২. দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে ২০দলীয় জোট অংশ নিয়ে সবগুলো সিটিতে বিপুল ভোটে জিতেছে। জনগণের বিপুল সমর্থন যে বিএনপি ও ২০দলীয় জোটের প্রতি রয়েছে, তা সবগুলো নির্বাচনেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ৩. সভা-সমাবেশসহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ও জনগণের কাছে যাবার সুযোগ আমাদের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সীমিত আকারে হলেও সে সুযোগ আমরা নিতে চেয়েছি। ৪. একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে সকল পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক ব্যবস্থায় আমরা বিশ্বাস করি। জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকে সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছি। ৫. একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংসদীয় পদ্ধতি ও জনগণের সরাসরি ভোটে সিটি করপোরেশনে মেয়র নির্বাচনের ব্যবস্থাও বিএনপিই করেছে। তাই সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকাটাই বিএনপি যুক্তিসঙ্গত মনে করেছে। ৬. জনগণের ওপর আমাদের অটুট আস্থা রয়েছে বলে মনে করি, মানুষ সুযোগ পেলেই আমাদের সমর্থিত প্রার্থীদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে। ৭. এই নির্বাচনকে আমরা সরকার, শাসক দল, নির্বাচন কমিশন, রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য একটি টেস্ট কেস হিসেবেও নিয়েছি। তিনি বলেন, এটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কোন পরিবর্তন হবে না। কারচুপির মাধ্যমে তারা জনগণের রায় বদলালে আবারও স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হবে, এদের অধীনে সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের চিন্তা সম্পূর্ণ অবাস্তব ও অবান্তর।
যে কারণে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দেবেন
ঢাকা ও চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, ক্ষমতাসীনরা ৫ই জানুয়ারি আপনাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আপনারা ভোট কেন্দ্রে না গেলেও ৪০ ভাগ ভোট পড়েছে বলে হিসাব দিয়ে আপনাদের অপমান করেছে। ভোট ছাড়াই জনগণের ভুয়া প্রতিনিধি সেজেছে। শেয়ারবাজার লুট করে আপনাদের ফতুর করেছে। কুইক রেন্টালের নামে বিদ্যুৎখাত থেকে বেশুমার অর্থ লুটেছে। পদ্মা সেতুর টাকা চুরি করেছে। দফায় দফায় গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। ব্যাংকগুলো লুটে খেয়েছে। মানুষের রক্ত শুষে দেশে-বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়েছে। খালেদা জিয়া বলেন, এরা আপনার সন্তান ও ভাইদের গুম, খুন, অপহরণ করে পথেঘাটে লাশ ফেলে রেখেছে। বহু মায়ের কোল খালি, অনেক বধূকে স্বামীহারা, মাকে সন্তানহারা, বোনকে ভাইহারা করেছে। রক্তপিপাসু এই শাসকদের হত্যা-নির্যাতনে ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ঢাকা নগরীকে দ্বিখণ্ডিত করেছে কিন্তু সেবাখাতে সমন্বয়ের কোন ব্যবস্থা করেনি। নির্বাচন ছাড়াই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে প্রশাসক বসিয়ে শোষণ ও দুর্নীতি করেছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও অন্যান্য প্রতিনিধিদের মিথ্যা মামলায় আটক এবং তাদেরকে বহিষ্কার করে সারা দেশের ভোটারদের অপমান করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, এরা বসবাসের অনুপযোগী করে ফেলেছে এই রাজধানীকে। নাগরিক সেবার কোন ব্যবস্থা না করে বড় বড় প্রকল্পের নামে নিজেদের পকেট ভারী করেছে কমিশনের টাকায়। মাদকের ব্যাপক বিস্তার ঘটিয়ে তরুণ সমাজকে বিপথগামী করছে। তিনি বলেন, রানা প্লাজা বিপর্যয়ে এ সরকার বহু শ্রমজীবী মানুষের জীবন নিয়েছে। ক্ষতিপূরণের টাকা সংগ্রহ করে তা দেয়নি। ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকারী গার্মেন্ট শ্রমিককে হত্যা ও নির্যাতন করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, রাজধানী ঢাকায় হেফাজতের সমাবেশে রাতের অন্ধকারে হামলা করে এতিম ও আলেমদের রক্ত নিয়েছে। এরা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন করেছে। তাদের মন্দিরের প্রতিমার স্বর্ণালংকার ও অর্থ লুট করেছে। পরিকল্পিত পন্থায় দাঙ্গা বাধিয়ে রামুতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মন্দির ধ্বংস করেছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া সারা দেশের মানুষকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করেছে। সম্মানিত নাগরিকদের অপমান করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক দখল করে নিয়ে গেছে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। নিত্যপণ্যের দামের সীমাহীন ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন দুর্বিষহ করেছে। জনগণকে দেয়া প্রতিটি ওয়াদা ভঙ্গ করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, দখল, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, জুলুম ও দলীয়করণে প্রতিটি স্তরের মানুষকে এ সরকার অতিষ্ঠ করে তুলেছে। নারীর সম্ভ্রমহানি ও লাঞ্ছনায় অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে। সিটি করপোরেশনসহ সকল ঠিকাদারি কাজে টেন্ডার ডাকাতির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারসমূহকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করেছে। আড়াল করেছে প্রকৃত অপরাধীদের। এদের মদতে নারায়ণগঞ্জে র্যাব কর্মকর্তারা ১১ খুনের পৈশাচিক ঘটনা ঘটিয়েছে। বিদেশী অতিথিদের দেয়া স্বর্ণপদকের সোনাও চুরি করে সারা দুনিয়ায় বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করেছে।
সরকারের সব হিসাব উল্টে গেছে
খালেদা জিয়া বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে এই নগরীতে ক’দিন জনসংযোগে নেমে জনগণের যে আবেগ ও উচ্ছ্বাস দেখেছি, তাতে আমি অভিভূত। মানুষ উদ্বেলিত। পরিবর্তন কামনায় অধীর। আমি যেদিকেই গিয়েছি, বাঁধভাঙ্গা স্রোতের মতো মানুষ নেমে এসেছে উচ্ছ্বসিত হয়ে, ভয়ভীতি উপেক্ষা করে। এই গণজোয়ার দেখে আওয়ামী লীগ দিশাহারা হয়ে পড়েছে। তাদের সব হিসাবনিকাশ পাল্টে গেছে। তিনি বলেন, আমার হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, কামান-বন্দুক নেই, পুলিশ-র্যাব-বিজিপি-আনসার নেই। কোন বাহিনী বা সশস্ত্র সন্ত্রাসী নেই। আমার আছে শুধু আল্লাহ্র ওপর ভরসা আর দেশবাসীর সমর্থন ও দোয়া। এর উপর নির্ভর করেই আমি রাজপথে নেমেছি। জনগণের কাছে যাচ্ছি। খালেদা জিয়া বলেন, এতে এতো ভয় পাবার কী আছে? কিন্তু তারা ভয় পেয়েছে। এতদিন তারা প্রচার করতো, আমি নাকি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি। বিএনপি ও ২০ দলের কোন জনসমর্থন নেই। কিন্তু আমি জনসংযোগে নামতেই যে দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে, তাতে তাদের এতো দিনকার সব প্রচারণা মিথ্যে হয়ে গেছে।
অল্পের জন্য বেঁচে গেছি
খালেদা জিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীরা প্রকাশ্যে আমার বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়েছেন। প্রকাশ্যে হাজারো মানুষের সামনে ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে উত্তরা, কাওরানবাজার, ফকিরেরপুলের কাছে ও বাংলামোটরে আমার গাড়িবহরে পরপর চারদিন হামলা করেছে। হামলায় আমার উপদেষ্টা ও পুলিশের সাবেক আইজি আবদুল কাইয়ুম, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আমার দুজন নিরাপত্তা রক্ষীসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। পুলিশের সহযোগিতায় হামলায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেয়। সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আমি যে-পাশে বসা ছিলাম, সেই পাশেই গাড়ির জানালার কাঁচে গুলি লাগে। এতে গ্লাস ভেদ না করলেও তা ফেটে যায়। আল্লাহর রহমতে অল্পের জন্য আমার জীবন রক্ষা পায়। এটা যে আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত সুপরিকল্পিত হামলা ছিল, তাতে কোন সন্দেহ নেই। খালেদা জিয়া বলেন, প্র্রতিটি হামলার ঘটনাই প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের সরাসরি উসকানির ফল এবং সুপরিকল্পিত। এসব হামলায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অংশ নেয়। সংবাদপত্রে ও টেলিভিশনের সচিত্র প্রতিবেদনে হামলাকারীদের অনেকের চেহারা স্পষ্ট। অনেকের নামধাম ও সাংগঠনিক পরিচয় আপনাদের রিপোর্টেই তুলে ধরা হয়েছে। সন্ত্রাসীরা কেউ কেউ সাংবাদিকদের কাছে হামলায় অংশ নেয়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকারও করেছে। ফকিরেরপুলের কাছে আমার গাড়িবহরে হামলার সময় ঢাকা দক্ষিণে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী নিজে উপস্থিত ছিলেন। কাওরানবাজারে আমার প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে পরিচালিত সশস্ত্র হামলায় অংশগ্রহণকারীদের কয়েকজনকে ঢাকা উত্তরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পাশে থেকে তার পক্ষে প্রচার চালাতে দেখা গেছে। এই হামলাকারীদের কাউকে কাউকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পাশে ছবিতে দেখা গেছে। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বারবার হামলা চালানো সত্ত্বেও একজন সন্ত্রাসীকেও এখন পর্যন্ত ধরা হয়নি। বরং যারা আক্রান্ত ও আহত হয়েছে তাদের বিরুদ্ধেই মামলা নেয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হচ্ছে আমাদের সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের। আটক করা এবং হুমকি দেয়া হচ্ছে বিএনপির নেতা-কর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের। কিন্তু ধারাবাহিক এসব হামলা ও নির্বাচনী প্রচার কাজে বাধা দেয়ার বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন কোন পদক্ষেপ নেয়া দূরে থাকুক; টু-শব্দটি পর্যন্ত করেনি। আমার প্রাণনাশের লক্ষ্যে দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলার পর প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনাকে যেভাবে ‘নাটক’ আখ্যা দিয়েছেন এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যেভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তাতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। আমি বুঝতে পারছি, এর কোন বিচার হবে না। খালেদা জিয়া বলেন, জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন। তিনি রক্ষা করলে আমাকে কেউ হত্যা করতে পারবে না। বিশেষ করে ঢাকাবাসীকে বলবো, আপনারা দেখছেন, ক্ষমতার দম্ভে আমার সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হচ্ছে! আমার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশকে ভালবেসে এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন। অল্প কিছুদিন আগে আমি আমার আদরের ছোট ছেলেটিকে চিরকালের জন্য হারিয়েছি। আমার একমাত্র জীবিত সন্তানটি অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দূরদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জীবনের এই প্রান্তে এসে প্রিয় মাতৃভূমিতে স্বজনহীন পরিবেশে চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে এখনও আমি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সাধ্যমতো সংগ্রাম করে যাচ্ছি। এখন আপনারাই আমার স্বজন, আপনারাই আমার আত্মীয়। আমার সকল তৎপরতা আপনাদেরকেই ঘিরে। তাই সব অন্যায়-অত্যাচারের প্রতিকার ও উপযুক্ত জবাব দেয়ার ভার আজ আমি আপনাদের উপরেই অর্পণ করলাম।
সুযোগ পেলে ঢাকা ও চট্টগ্রামবাসী জবাব দেবে
খালেদা জিয়া বলেন, দেশবাসী নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, এই টেস্ট কেসে সরকার, ক্ষমতাসীন দল, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শোচনীয়ভাবে ফেইল করে চলেছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে এবং প্রতিটি পদক্ষেপে। দুর্ভাগ্যের বিষয়, ক্ষমতাসীনদের ইঙ্গিতে তাদের ভোট ডাকাতির পরিকল্পনার দোসর হয়ে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন সেনা মোতায়েনের কথা বলে এক ধূর্ত অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। এতে প্রমাণ হলো, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস, ভোট ডাকাতি ও কারসাজির মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে ফেলার এবং ভোটারদের ভয়-ভীতি দেখানোর যে পরিকল্পনা এঁটেছে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীকে তারা বাধা বলে মনে করছে। আমরা বিচারিক ক্ষমতাসহ সশস্ত্র বাহিনীকে নির্বাচনী এলাকাজুড়ে ভোটের দিন এবং আগে-পরে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মোতায়েন করতে আবারও দাবি জানাচ্ছি। খালেদা জিয়া বলেন, ক্ষমতাসীনদের ভোটার ভীতি ও পরাজয়ের আলামত সব দিক দিয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তাই তারা আমাদের প্রচার কাজে বাধা দিচ্ছে ও হামলা চালাচ্ছে। ভোটাররা যাতে ভয় পেয়ে ভোটকেন্দ্রে না যায় তেমন ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করতেই তারা সর্বমুখী সন্ত্রাস চালাচ্ছে। পুলিশ বাহিনীকে তারা আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের অবস্থা যাচাইয়ে সরজমিনে জরিপের কাজে নামিয়েছে। পুলিশ ও সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদেরকে হুমকি দিচ্ছে। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরকে মন্ত্রী-এমপিরা সরকার সমর্থক প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় নামতে বাধ্য করছেন। নিম্নবিত্ত ও বস্তি এলাকায় গরিব মানুষের ভোট কেনার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে পাওয়া যাচ্ছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মানুষ একটুখানি সুযোগ পেলেই নীরব ভোট বিপ্লব ঘটিয়ে এসব অপতৎপরতা ও অত্যাচারের বদলা নেবে, উপযুক্ত জবাব দেবে।
তার কান্না মানুষ অভিনয় মনে করে
খালেদা জিয়া বলেন, বোমা হামলায় ও বিনা বিচারে প্রায় সমান সংখ্যক মানুষকে হত্যার ঘটনার ব্যাপারে আমরা আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করেছি। পুনরুল্লেখ করে বলছি, আমরা হত্যা, নাশকতা, সন্ত্রাস ও লাশের রাজনীতি করি না। সন্ত্রাস-নির্ভর নষ্ট রাজনীতির চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে আওয়ামী লীগ। তারা জনগণের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ভীত হয়ে দু’ধারা ছুরির মতো অপকৌশল নিয়েছিল। আমাদের কর্মসূচি ভণ্ডুল করতে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়ে সশস্ত্র প্রহরায় একদিকে পথে যানবাহন নামিয়েছে। অপরদিকে সেই যানবাহনে বোমা হামলায় মানুষ হত্যা করে তার দায় বিরোধী দলের উপর চাপিয়ে হত্যা, নির্যাতন, গুম, গণগ্রেপ্তার ও একতরফা অপপ্রচারের পথ উন্মুক্ত করেছে। তবে অপরাজনীতি ও একতরফা অপপ্রচার দেশের বেশির ভাগ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারেনি। এ প্রসঙ্গে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকীর একটি বক্তব্যের উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, মানুষ মারায় যদি জেতার প্রশ্ন আসে শেখ হাসিনা তাতে অবশ্যই জিতেছেন। তবে কেঁদে তিনি জিততে পারেননি। তার কান্নাকে এদেশের বেশির ভাগ মানুষ ‘কান্নার অভিনয়’ হিসেবেই মনে করেন।
সরকার অপকৌশলকে কৌশল হিসেবে নিয়েছে
খালেদা জিয়া বলেন, রাজনীতিতে কৌশল থাকে কিন্তু নিম্নরুচির মানুষেরা অপকৌশলকে কৌশল ভেবে আত্মতৃপ্তি লাভ করে। জনগণের সমর্থন নয়, সন্ত্রাস, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও অপপ্রচারকেই তারা জেতার পথ বলে ধরে নিয়েছে। যুক্তি, সংযম, সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সংলাপের পথ তারা এড়িয়ে চলতে চায়। দেশে সকল সংকটের সূত্র সেখানেই। তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে বিরোধী দল ও ভিন্নমত দমন এবং জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদ-বিক্ষোভ স্তব্ধ করার কাজে নিয়োজিত রেখে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের লোকদেরকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখা হয়েছে। দেশে কোন অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নেই। সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে দলীয় স্বার্থে ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে। দেশে এমন সংস্কৃতি চালু করা হয়েছে, ক্ষমতাসীন ছাড়া আর কারও যেন সুবিচার পাওয়ার কোন অধিকার নেই। এ সময় তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ ও ছাত্রদলের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকনকে নিখোঁজ নেতাদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উৎকণ্ঠা প্রকাশ ও তাদের সন্ধান দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে প্রতিবেশী নেপাল ও ভারতে বহু মানুষের প্রাণহানি এবং আমাদের দেশের আহত ও নিহতের ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত বলে মন্তব্য করেন। পহেলা বৈশাখ টিএসসি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ও দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতিতদের প্রতি সহানুভূতি জানাচ্ছি। এসব ঘৃণ্য অপরাধীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
প্রশ্নোত্তর খালেদা
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য অবশ্যই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার লাগবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা জিতলেই দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন ও ঠুঁটো জগন্নাথ নির্বাচন কমিশন শুদ্ধ হয়ে যাবে না। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল ২০ দল। তবে সার্বিক পরিস্থিতিতে সেটার ব্যাপারে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে আমরা বসতে পারিনি। তবে বাস্তবে অবরোধ কর্মসূচি এখন অনেক নিষ্ক্রিয়। সমঝোতা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সমঝোতা আমাদের মধ্যেই হবে। এখানে বিদেশী কূটনীতিকদের প্রকাশ্যে হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। সিটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কিনা এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি ক্যান্টনমেন্টের ভোটার। আর ক্যান্টনমেন্ট সিটি করপোরেশনের মধ্যে নয়। গাড়িবহর নিয়ে গণসংযোগ চালানোর ব্যাপারে ইসির অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার নিরাপত্তারক্ষীদের কয়েকটি গাড়ির সঙ্গে সাংবাদিকদের গাড়ি ছিল। এখন সাংবাদিকদের আমার বহরের সঙ্গে গণ্য করা হলে সেটা আপনারাই বিচার করুন। বরং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই বিধি ভঙ্গ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, স্থায়ী কমিটি সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান, জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের আমীর মুহাম্মদ ইসহাক, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের আমীর আবদুল লতিফ নেজামী, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনডিপি সভাপতি খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজাসহ বিএনপি ও জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
April
(816)
-
▼
Apr 27
(29)
- সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব সব অংশীদারের by...
- সমান সুযোগ ছাড়াই নির্বাচন by মেহেদী হাসান
- ক্ষমতা গেলে আ’লীগ নেতাদের বোরকা পড়ে চলতে হবে : কাদ...
- মনজুরের আপদ, নাছিরের বিপদ by সোহরাব হাসান
- ধন্যবাদ মোদি : মনিষা
- জাপানে এমন ভূমিকম্প সবসময় হয়
- ধুলোয় মিশে গেল নেপালের ঐতিহ্য
- এই ভূমিকম্পই শেষ নয় বড় মাত্রার শংকা সামনে!
- রাশি রাশি প্রতিশ্রুতি আর আইনি বাস্তবতা by আলী ইমাম...
- রাজপথে খালেদার বিচার! by আসিফ নজরুল
- নীরব প্রতিশোধ নেয়ার আহ্বান
- নেপালের ভূমিকম্প অবশ্যম্ভাবী ছিল by কেনেথ চ্যাং
- ‘ও’-টার্ন by মাহবুব তালুকদার
- কেমন যাবে মঙ্গলবার মঙ্গলে না অমঙ্গলে?
- ক্লু লুকিয়ে আছে সিসিটিভি রহস্যে by সৈয়দ আতিক
- ‘আমি যদি মেয়র হই’ by আব্দুল কাইয়ুম
- প্রচারণা শেষ কাল ভোট by কাজী জেবেল
- কৃষি ব্যাংকের ওপর আমি খুবই অসন্তুষ্ট -সাক্ষাৎকার: ...
- কিশোরীর ঘরের দরজায় বিয়ের তারিখ লেখা! by সুমন মোল্লা
- রানা প্লাজা ধসের দুই বছর- ক্ষতিপূরণের অর্থ নিয়ে এখ...
- মনজুর-মাহীর ওপর হামলা, সংঘর্ষ
- তিন সিটিতে ভোটযুদ্ধ কাল
- রাজধানীতে হেলে পড়েছে ৯ ভবন ফাটল ৬টিতে
- বিএনপি নির্বাচনী এজেন্ট পাচ্ছে না by তানভীর সোহেল
- চট্টগ্রামে ভোটের মাঠে ফ্যাক্টর by কাজী সুমন ও মহিউ...
- ভোট চুরি করে গণতন্ত্র রক্ষা করা যায় না : কাদের সিদ...
- বিএনপির পোলিং এজেন্টদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, মনজুর-...
- স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চি...
- কে কার প্রতিশোধ নেবে? -প্রধানমন্ত্রী
-
▼
Apr 27
(29)
-
▼
April
(816)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment