Saturday, December 25, 2010
জাতীয় শিক্ষানীতি, ধর্ম এবং হরতাল by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
জাতীয় শিক্ষানীতি, ধর্ম এবং হরতাল by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
ধর্মভিত্তিক কয়েকটি দল ২৬ ডিসেম্বর দেশে হরতাল ডেকেছে, কারণটা আমি পুরোপুরি বুঝতে পারিনি। খবরের কাগজ পড়ে মনে হলো, আমাদের জাতীয় শিক্ষানীতিতে যথেষ্ট পরিমাণ ‘ইসলামধর্ম’ নেই, সেটা হচ্ছে কারণ। আমি মোটামুটি নিশ্চিত, যাঁরা হরতাল ডেকেছেন তাঁরা নিশ্চয়ই জাতীয় শিক্ষানীতিটি পড়ে দেখেননি, পড়ে থাকলে তাঁরা কখনোই এ ধরনের একটি কারণ দেখিয়ে হরতাল ডাকতে পারতেন না। এই শিক্ষানীতিতে ধর্মকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কি হয়নি, সেই বিতর্কে না গিয়ে আমি সরাসরি শিক্ষানীতি থেকে কিছু অংশ তুলে দিচ্ছি, দেশের মানুষই বিচার করুক, হরতাল দেওয়ার আসলেই কারণ আছে কি নেই।
শিক্ষানীতির একেবারে প্রথম লাইনে আমাদের সংবিধানের নির্দেশনা এবং দ্বিতীয় লাইনে জাতিসংঘের শিশু শিক্ষার অধিকারের কথাটি স্মরণ করানো হয়েছে। কাজেই শিক্ষানীতির মূল বক্তব্যটি শুরু হয়েছে তৃতীয় লাইনে এবং লাইনটি আমি হুবহু তুলে দিই: ‘শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য মানবতার বিকাশ এবং জনমুখী উন্নয়ন ও প্রগতিতে নেতৃত্বদানের উপযোগী মননশীল, যুক্তিবাদী, নীতিবান, নিজের এবং অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কুসংস্কারমুক্ত, পরমতসহিষ্ণু, অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক এবং কর্মকুশল নাগরিক গড়ে তোলা।’ যাঁরা বলছেন শিক্ষানীতিতে যথেষ্ট ধর্ম নেই, তাঁদের আমি প্রয়োজন হলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে চাই যে একেবারে শুরুতেই বলা হয়েছে, এই শিক্ষানীতির যে কয়টি মূল উদ্দেশ্য আছে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে নিজের এবং অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলা। সেটি কীভাবে করা হবে, পরে বিস্তৃতভাবে বলা আছে। কিন্তু একেবারে প্রথম পর্যায়ে যে ৩০টি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে, তার রোল নম্বর হলো: ‘প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত চরিত্র গঠনে সহায়তা করা।’
সেই ১৯৭১ সালে ভয়াবহভাবে এবং গত ৪০ বছর নানাভাবে ধর্মকে ব্যবহার করা হয়েছে। তাই অনেক শিক্ষাবিদই মনে করেন, পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের মতো আমাদেরও স্কুল-কলেজে ধর্মশিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তারা সেটা নিজেদের বাসায় পরিবারের কাছ থেকে শিখে নেবে। কিন্তু আমাদের দেশের জন্য এ যুক্তিটি ব্যবহার করার উপায় নেই—দেশের বেশির ভাগ ছেলেমেয়ের মা-বাবা অশিক্ষিত কিংবা অল্প শিক্ষিত। তাঁরা ছেলেমেয়েদের ধর্মশিক্ষা দিতে পারবেন বলে মনে হয় না, বরং ধর্মান্ধ কোনো মানুষের হাতে তুলে দেবেন এবং ছেলেমেয়েরা ধর্মের উদার অংশটুকু না শিখে কিছু আচার-আচরণের সঙ্গে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িকতা শিখে বসে থাকবে। তার চেয়ে অনেক নিরাপদ ব্যাপার হচ্ছে, দেশের জ্ঞানী-গুণী ধর্মপ্রাণ মানুষ দিয়ে চমৎকার কিছু পাঠ্যবই লিখিয়ে নেওয়া, যেটা থেকে এরা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ধর্ম শিখে নেবে। এবং সবচেয়ে বড় কথা, ধর্মের সঙ্গে নৈতিকতা শেখানোর এটা হচ্ছে আরেকটা সুযোগ। তাই শিক্ষানীতিতে স্পষ্ট করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ধর্মশিক্ষার ব্যাপারটা উল্লেখ করা আছে।
এই শিক্ষানীতিতে প্রথমবার প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার ব্যাপারটি এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষায় আনুষ্ঠানিকভাবে লেখাপড়া শুরু করার আগে শিশুদের লেখাপড়ায় আগ্রহী করার জন্য কয়েকটা কৌশলের কথা বলা আছে, তার মধ্যে একটা কৌশল হিসেবে যেটা লেখা আছে, সেটা হুবহু তুলে দিচ্ছি (পৃষ্ঠা ৩) ‘মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় ধর্ম মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত সকল ধর্মের শিশুদের ধর্মীয় জ্ঞান, অক্ষরজ্ঞানসহ আধুনিক শিক্ষা ও নৈতিকতা শিক্ষা প্রদানের কর্মসূচি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে।’ যার অর্থ শুধু যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ধর্মশিক্ষার ব্যাপারটা আছে, তা নয়, সেটা শুরু হয়েছে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায় থেকে।
জাতীয় শিক্ষানীতিতে যথেষ্ট পরিমাণ ধর্ম নেই বলে হরতাল ডাকা হয়েছে অথচ সপ্তম পরিচ্ছেদটির (পৃষ্ঠা ২০) শিরোনাম হচ্ছে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা। সেখানে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হিসেবে লেখা আছে: ‘ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্ম সম্পর্কে পরিচিত, আচরণগত উৎকর্ষ সাধন এবং জীবন ও সমাজে নৈতিক মানসিকতা সৃষ্টি ও চরিত্র গঠন।’ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য দুটি যথাক্রমে ‘প্রচলিত ব্যবস্থাকে গতিশীল করে যথাযথ মানসম্পন্ন ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাদান’ এবং ‘প্রত্যেক ধর্মে ধর্মীয় মৌল বিষয়সমূহের সঙ্গে নৈতিকতার ওপর জোর দেওয়া এবং ধর্ম শিক্ষা যাতে শুধু আনুষ্ঠানিক আচার পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে চরিত্র গঠনে সহায়ক হয়, সেদিকে নজর দেওয়া।’
শিক্ষানীতিতে যথেষ্ট পরিমাণ ধর্ম নেই বলে হরতাল ডাকা হয়েছে, অথচ ইসলামধর্ম শিক্ষার কৌশল হিসেবে যে কয়টি প্রস্তাব রাখা হয়েছে, তার প্রথম তিনটি হচ্ছে: ১. শিক্ষার্থীদের মনে আল্লাহ, রাসুল (সা.) ও আখিরাতের প্রতি অটল ঈমান ও বিশ্বাস যাতে গড়ে ওঠে এবং তাদের শিক্ষা যেন আচারসর্বস্ব না হয়ে তাদের মধ্যে ইসলামের মর্মবাণীর যথাযথ উপলব্ধি ঘটায়, সেভাবে ইসলামধর্ম শিক্ষা দেওয়া হবে। ২. ইসলামধর্মের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত হওয়া, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও সংস্কার সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করা হবে। ৩. কলেমা, নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের তাৎপর্য বর্ণনাসহ ইসলামধর্মের বিভিন্ন দিক যথার্থভাবে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা হবে।
শিক্ষানীতিতে খুঁটিনাটি থাকার কথা নয়, মূল নীতিটা বলে দেওয়া হয়, যে নীতিকে সামনে রেখে পুরো ব্যবস্থাকে সাজিয়ে নেওয়া হয়। যাঁরা হরতাল ডেকেছেন, তাঁদের কাছে আমার প্রশ্ন, যদি ওপরের তিনটি কৌশল অবলম্বন করা হয়, তাহলে আর কোন বিষয়টি বাকি থাকল? একটি শিক্ষানীতিতে এর চেয়ে বেশি কী দেওয়ার আছে?
অন্যান্য পাঠককে বলে দেওয়া যায়, ইসলামধর্ম শিক্ষার মতো হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম ও খ্রিষ্টধর্ম শিক্ষার কৌশলগুলোও এভাবে গুছিয়ে বলে দেওয়া আছে। শুধু তা-ই নয়, স্পষ্ট করে বলে দেওয়া আছে (পৃষ্ঠা ২১) ‘আদিবাসীসহ অন্যান্য সম্প্রদায় যারা দেশের প্রচলিত মূল চারটি ধর্ম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের অনুসারী, তাদের জন্য নিজেদের ধর্মসহ নৈতিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।’
শুধু যে ধর্মের কথা বলা হয়েছে তা নয়, জাতীয় শিক্ষানীতিতে ধর্মের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে (পৃষ্ঠা ২১), যার প্রথম বাক্যটি হচ্ছে, ‘নৈতিকতার মৌলিক উৎস ধর্ম।’ ইউরোপের অনেক দেশের একটি বড় অংশের মানুষ কোনো আনুষ্ঠানিক ধর্মাবলম্বী না হয়েই বড় হচ্ছে এবং তার পরও তারা যথেষ্ট নীতিমান। কাজেই আধুনিক পৃথিবীর মানুষ এই বাক্যটি নিয়ে তর্কবিতর্ক করতে পারে কিন্তু তার পরও ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই বাক্যটিকে শিক্ষানীতিতে সংযোজন করে দেওয়া হয়েছে।
এখন পর্যন্ত যেটুকু লেখা হয়েছে, তার পুরোটুকু হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ধর্মশিক্ষা। এ ছাড়া রয়েছে মাদ্রাসাশিক্ষা—তার জন্য পুরো একটা অধ্যায় রয়েছে (পৃষ্ঠা ১৮)। তার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হিসেবে যেটা লেখা হয়েছে, সেটা হুবহু আমি তুলে দিচ্ছি: ‘মাদ্রাসা শিক্ষায় ইসলাম ধর্মশিক্ষার সকল প্রকার সুযোগ ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষার্থীরা যেন ইসলামের আদর্শ ও মর্মবাণী অনুধাবনের পাশাপাশি জীবন ধারণসংক্রান্ত জ্ঞানলাভ করতে পারে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় পারদর্শী হয় ও তার উৎকর্ষ সাধনে ভূমিকা রাখতে পারে, তার জন্য যথার্থ জ্ঞানলাভের ব্যবস্থা করা হবে। সাধারণ বা ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তারা যেন সমানভাবে অংশ নিতে পারে, সে জন্য মাদ্রাসা ও শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ: এরপর চারটি ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্য আর লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে। যার প্রথমটি হচ্ছে: ‘শিক্ষার্থীর মনে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর প্রতি অটল বিশ্বাস গড়ে তোলা এবং শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রকৃত মর্মার্থ অনুধাবনে সমর্থ করে তোলা।’ আমরা যদি লেখাপড়ার দিক থেকে বিবেচনা করি, তাহলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে চতুর্থটি: ‘শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য ধারার সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষায় সাধারণ আবশ্যিক বিষয়সমূহে অভিন্ন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করা।’ এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে আরও একবার বলা হয়েছে, ‘পরীক্ষা ও মূল্যায়ন অধ্যায়ে (২১ নম্বর অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৫০)।’ সেখানে ৯ নম্বর কৌশল হিসেবে লেখা হয়েছে, ‘মাদ্রাসার ক্ষেত্রে জুনিয়র দাখিল, দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় সকল ধারার জন্য আবশ্যিক বিষয়সমূহে অন্যান্য ধারার সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্র অনুসরণ করা হবে।’
শিক্ষানীতির অন্য সবকিছু ছেড়ে দিয়ে শুধু এই একটি বিষয়ের কথাটা চিন্তা করলেই সবাই বুঝতে পারবে, এটি কত যুগান্তকারী একটা সিদ্ধান্ত। বিষয়টা একটু ব্যাখ্যা করলেই সবাই সেটা বুঝতে পারবে। সবাই জানে, দাখিল এবং এসএসসিকে সমপর্যায় ধরা হয়, ঠিক সে রকম আলিম এবং এইচএসসিকে সমপর্যায় ধরা হয়। শুধু তা-ই নয়, সাধারণ ধারার মতো মাদ্রাসাতেও বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার সুযোগ আছে। এই বিষয়গুলো জেনে অনেকের ধারণা হতে পারে, মাদ্রাসায় যারা লেখাপড়া করে, তাদের বুঝি স্কুল-কলেজে লেখাপড়া করা ছেলেমেয়েদের মতোই বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। বিষয়টি একেবারেই সত্যি নয়—আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারে প্রায় ১৫ হাজার ছেলেমেয়ে বিজ্ঞান বা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েছে। তাদের ভেতর থেকে মাদ্রাসার মাত্র একটি ছাত্র বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিটে মেধা তালিকায় আসতে পেরেছে। হাজার হাজার ছেলেমেয়ের ভেতর থেকে যদি মাত্র একটি ছাত্র ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে, তাহলে বুঝতে হবে, সেই লেখাপড়ার মাঝে খুব বড় গলদ রয়েছে।
মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের বিষয়গুলোতে তুলনামূলকভাবে বেশি এসেছে কিন্তু ভর্তি হতে গিয়ে তারা আবিষ্কার করেছে, বেশির ভাগ বিভাগে তাদের ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা নেই। কারণ, তারা যে বিষয়গুলো পড়ে এসেছে, সেগুলোতে মার্কস পাওয়া যায় অনেক বেশি, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলোতে ভর্তি হওয়ার জন্য সেগুলো কোনো কাজে আসে না।
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় মাদ্রাসাছাত্রদের সঙ্গে আসলে যে প্রতারণাটা করা হচ্ছে, সেটি এই শিক্ষানীতিতে প্রথমবার বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন থেকে তারা যখন দাখিল বা আলিম পাস করবে, তখন তাদের লেখাপড়ার মান হবে একজন এসএসসি বা এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীর সমান। তার কারণ সবাই এখন একই পাঠ্যসূচিতে লেখাপড়া করবে, একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেবে। এত দিন যারা ভেবে এসেছে, মাদ্রাসায় গিয়ে কম লেখাপড়া করে বেশি গ্রেড পেয়ে যাবে, তাদেরও ফাঁকি দেওয়ার দিন শেষ। এখন অন্য সবার মতো সমান লেখাপড়া করে তাদের গ্রেড তুলে আনতে হবে।
এ তো গেল দাখিল-আলিমের কথা, এর পরও স্নাতক আর স্নাতকোত্তর পর্যায়ে রয়েছে ফাজিল আর কামিল। তাদের ডিগ্রি কে দেবে? শিক্ষানীতিতে পরিষ্কার করে লেখা আছে, ‘উল্লিখিত কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য একটি অনুমোদনকারী (অ্যাফিলিয়েটিং) ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।’
কওমি মাদ্রাসাগুলো সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসতে চায় না, তার পরও শিক্ষানীতিতে তাদের উপেক্ষা করা হয়নি। কৌশলের একটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কওমি মাদ্রাসার ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়ায় শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশন করে উক্ত কমিশন কওমি প্রক্রিয়ায় ইসলাম শিক্ষার ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষাদান বিষয়ে সুপারিশ তৈরি করে সরকারের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করবে।’
এই হচ্ছে শিক্ষানীতিতে ধর্মসংক্রান্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে একটা ধারণা। এ দেশের মানুষের কাছে আমার প্রশ্ন, একটি শিক্ষানীতিতে কি এর চেয়ে বেশি ধর্ম সম্পর্কে থাকা প্রয়োজন? যদিও শিক্ষানীতিতে ধর্ম নেই বলে যাঁরা দাবি করছেন, তাঁরা কি সরাসরি এটা নিয়ে প্রকাশ্যে বিতর্কে যেতে প্রস্তুত আছেন? তাঁদের যদি একটা চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়, তাঁরা কি সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার সাহস দেখাতে পারবেন?
২.
যাঁরা হরতাল ডেকেছেন, মোটামুটিভাবে বোঝা যায় যে তাঁদের কাছে ধর্ম খুব একটা সংকীর্ণ বিষয়, ধর্ম পালন থেকে সেটা ব্যবহার করায় তাঁদের আগ্রহ বেশি। কিন্তু আমি খুব অবাক হয়ে লক্ষ করেছি, বিএনপি এই হরতালকে সমর্থন দিয়েছে। আমি যেহেতু শিক্ষানীতি কমিটির একজন সদস্য হিসেবে কাজ করেছিলাম, তাই খুব আগ্রহ নিয়ে এ বিষয়ে কে কী বলছে, সেটা লক্ষ করছিলাম। আমি বেশ আনন্দের সঙ্গে লক্ষ করেছিলাম, বিএনপিপন্থী শিক্ষাবিদেরাও এই শিক্ষানীতির বিপক্ষে গুরুতর কিছু বলেননি, তাঁরা সাধারণভাবে এটা সমর্থন করেছেন। কিন্তু ২৬ ডিসেম্বরে হরতালকে সমর্থন জানানোর পর আমি খানিকটা বিভ্রান্ত হয়ে গেছি। বিএনপির একাধিক সাবেক শিক্ষামন্ত্রী আছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আছেন, অন্যান্য শিক্ষানীতির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষাবিদেরা আছেন, তাঁদের কাছে আমার অত্যন্ত সহজ একটা অনুরোধ—তাঁরা কি পরিষ্কার করে বলবেন, শিক্ষানীতির কোন অংশটির কারণে তাঁরা হরতালকে সমর্থন দিয়েছেন? যদি সে রকম কিছু খুঁজে না পান, তাহলে কি তাঁরা তাঁদের দলকে সেটা বোঝাবেন?
৩.
আসলে যাঁরা হরতাল ডেকেছেন এবং যাঁরা সেটাকে সমর্থন করেছেন, তাঁদের আপত্তি অন্য জায়গায়। এই শিক্ষানীতিটি তৈরি করা হয়েছে আমাদের ছেলেমেয়েদের আধুনিক ছেলেমেয়ে হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। তাদের দেশপ্রেম শেখানোর কথা বলা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলা হয়েছে, অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলা হয়েছে। মেয়েদের শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, ছেলেদের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে একই সুযোগ পেয়ে একই চ্যালেঞ্জ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। তাদের কারুকলা শেখানোর কথা বলা হয়েছে, সুকুমার বৃত্তি বিকাশের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞানমনস্কতার কথা বলা হয়েছে, সৃজনশীলতার কথা বলা হয়েছে—এক কথায় আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, সেই বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য যে রকম একটি শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজন, সে রকম একটি শিক্ষাব্যবস্থার কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যাঁরা হরতাল ডেকেছেন, তাঁরা আসলে সেই বাংলাদেশকে চান না। সত্যি কথা বলতে কি, তাঁরা এ বাংলাদেশটিকেই চাননি—যে পাকিস্তানকে পরাজিত করে আমরা এই বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদের ঘাড়ে এখনো সেই পাকিস্তানি ভূত চেপে বসে আছে। এই বাংলাদেশকে তাঁরা আর পাকিস্তান রাষ্ট্র বানাতে পারবেন না কিন্তু চিন্তাভাবনায়, আদর্শে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো ১০০ বছর পিছিয়ে নেওয়াই হচ্ছে তাঁদের একমাত্র স্বপ্ন। শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে কথা বলে তাঁরা সেই কাজটিই করে যাচ্ছেন।
এ দেশে যতবার শিক্ষানীতি জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, দেশের প্রগতিশীল মানুষ ততবার তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। এই প্রথমবার একটি শিক্ষানীতি দেওয়া হয়েছে, যেটি প্রগতিশীল মানুষ সাদরে গ্রহণ করেছে। দেশের ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যদি এর বিরোধিতা করে, তাহলে অন্য সবাইকে মাঠে নেমে এসে এর বাস্তবায়নের কথা বলতে হবে। স্বাধীনতাবিরোধী মানুষগুলোকে বোঝাতে হবে, এই দেশটি আমাদের—তাদের নয়!
মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক। অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষানীতির একেবারে প্রথম লাইনে আমাদের সংবিধানের নির্দেশনা এবং দ্বিতীয় লাইনে জাতিসংঘের শিশু শিক্ষার অধিকারের কথাটি স্মরণ করানো হয়েছে। কাজেই শিক্ষানীতির মূল বক্তব্যটি শুরু হয়েছে তৃতীয় লাইনে এবং লাইনটি আমি হুবহু তুলে দিই: ‘শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য মানবতার বিকাশ এবং জনমুখী উন্নয়ন ও প্রগতিতে নেতৃত্বদানের উপযোগী মননশীল, যুক্তিবাদী, নীতিবান, নিজের এবং অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কুসংস্কারমুক্ত, পরমতসহিষ্ণু, অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক এবং কর্মকুশল নাগরিক গড়ে তোলা।’ যাঁরা বলছেন শিক্ষানীতিতে যথেষ্ট ধর্ম নেই, তাঁদের আমি প্রয়োজন হলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে চাই যে একেবারে শুরুতেই বলা হয়েছে, এই শিক্ষানীতির যে কয়টি মূল উদ্দেশ্য আছে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে নিজের এবং অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলা। সেটি কীভাবে করা হবে, পরে বিস্তৃতভাবে বলা আছে। কিন্তু একেবারে প্রথম পর্যায়ে যে ৩০টি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে, তার রোল নম্বর হলো: ‘প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত চরিত্র গঠনে সহায়তা করা।’
সেই ১৯৭১ সালে ভয়াবহভাবে এবং গত ৪০ বছর নানাভাবে ধর্মকে ব্যবহার করা হয়েছে। তাই অনেক শিক্ষাবিদই মনে করেন, পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের মতো আমাদেরও স্কুল-কলেজে ধর্মশিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তারা সেটা নিজেদের বাসায় পরিবারের কাছ থেকে শিখে নেবে। কিন্তু আমাদের দেশের জন্য এ যুক্তিটি ব্যবহার করার উপায় নেই—দেশের বেশির ভাগ ছেলেমেয়ের মা-বাবা অশিক্ষিত কিংবা অল্প শিক্ষিত। তাঁরা ছেলেমেয়েদের ধর্মশিক্ষা দিতে পারবেন বলে মনে হয় না, বরং ধর্মান্ধ কোনো মানুষের হাতে তুলে দেবেন এবং ছেলেমেয়েরা ধর্মের উদার অংশটুকু না শিখে কিছু আচার-আচরণের সঙ্গে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িকতা শিখে বসে থাকবে। তার চেয়ে অনেক নিরাপদ ব্যাপার হচ্ছে, দেশের জ্ঞানী-গুণী ধর্মপ্রাণ মানুষ দিয়ে চমৎকার কিছু পাঠ্যবই লিখিয়ে নেওয়া, যেটা থেকে এরা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ধর্ম শিখে নেবে। এবং সবচেয়ে বড় কথা, ধর্মের সঙ্গে নৈতিকতা শেখানোর এটা হচ্ছে আরেকটা সুযোগ। তাই শিক্ষানীতিতে স্পষ্ট করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ধর্মশিক্ষার ব্যাপারটা উল্লেখ করা আছে।
এই শিক্ষানীতিতে প্রথমবার প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার ব্যাপারটি এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষায় আনুষ্ঠানিকভাবে লেখাপড়া শুরু করার আগে শিশুদের লেখাপড়ায় আগ্রহী করার জন্য কয়েকটা কৌশলের কথা বলা আছে, তার মধ্যে একটা কৌশল হিসেবে যেটা লেখা আছে, সেটা হুবহু তুলে দিচ্ছি (পৃষ্ঠা ৩) ‘মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় ধর্ম মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত সকল ধর্মের শিশুদের ধর্মীয় জ্ঞান, অক্ষরজ্ঞানসহ আধুনিক শিক্ষা ও নৈতিকতা শিক্ষা প্রদানের কর্মসূচি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে।’ যার অর্থ শুধু যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ধর্মশিক্ষার ব্যাপারটা আছে, তা নয়, সেটা শুরু হয়েছে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায় থেকে।
জাতীয় শিক্ষানীতিতে যথেষ্ট পরিমাণ ধর্ম নেই বলে হরতাল ডাকা হয়েছে অথচ সপ্তম পরিচ্ছেদটির (পৃষ্ঠা ২০) শিরোনাম হচ্ছে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা। সেখানে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হিসেবে লেখা আছে: ‘ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্ম সম্পর্কে পরিচিত, আচরণগত উৎকর্ষ সাধন এবং জীবন ও সমাজে নৈতিক মানসিকতা সৃষ্টি ও চরিত্র গঠন।’ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য দুটি যথাক্রমে ‘প্রচলিত ব্যবস্থাকে গতিশীল করে যথাযথ মানসম্পন্ন ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাদান’ এবং ‘প্রত্যেক ধর্মে ধর্মীয় মৌল বিষয়সমূহের সঙ্গে নৈতিকতার ওপর জোর দেওয়া এবং ধর্ম শিক্ষা যাতে শুধু আনুষ্ঠানিক আচার পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে চরিত্র গঠনে সহায়ক হয়, সেদিকে নজর দেওয়া।’
শিক্ষানীতিতে যথেষ্ট পরিমাণ ধর্ম নেই বলে হরতাল ডাকা হয়েছে, অথচ ইসলামধর্ম শিক্ষার কৌশল হিসেবে যে কয়টি প্রস্তাব রাখা হয়েছে, তার প্রথম তিনটি হচ্ছে: ১. শিক্ষার্থীদের মনে আল্লাহ, রাসুল (সা.) ও আখিরাতের প্রতি অটল ঈমান ও বিশ্বাস যাতে গড়ে ওঠে এবং তাদের শিক্ষা যেন আচারসর্বস্ব না হয়ে তাদের মধ্যে ইসলামের মর্মবাণীর যথাযথ উপলব্ধি ঘটায়, সেভাবে ইসলামধর্ম শিক্ষা দেওয়া হবে। ২. ইসলামধর্মের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত হওয়া, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও সংস্কার সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করা হবে। ৩. কলেমা, নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের তাৎপর্য বর্ণনাসহ ইসলামধর্মের বিভিন্ন দিক যথার্থভাবে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা হবে।
শিক্ষানীতিতে খুঁটিনাটি থাকার কথা নয়, মূল নীতিটা বলে দেওয়া হয়, যে নীতিকে সামনে রেখে পুরো ব্যবস্থাকে সাজিয়ে নেওয়া হয়। যাঁরা হরতাল ডেকেছেন, তাঁদের কাছে আমার প্রশ্ন, যদি ওপরের তিনটি কৌশল অবলম্বন করা হয়, তাহলে আর কোন বিষয়টি বাকি থাকল? একটি শিক্ষানীতিতে এর চেয়ে বেশি কী দেওয়ার আছে?
অন্যান্য পাঠককে বলে দেওয়া যায়, ইসলামধর্ম শিক্ষার মতো হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম ও খ্রিষ্টধর্ম শিক্ষার কৌশলগুলোও এভাবে গুছিয়ে বলে দেওয়া আছে। শুধু তা-ই নয়, স্পষ্ট করে বলে দেওয়া আছে (পৃষ্ঠা ২১) ‘আদিবাসীসহ অন্যান্য সম্প্রদায় যারা দেশের প্রচলিত মূল চারটি ধর্ম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের অনুসারী, তাদের জন্য নিজেদের ধর্মসহ নৈতিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।’
শুধু যে ধর্মের কথা বলা হয়েছে তা নয়, জাতীয় শিক্ষানীতিতে ধর্মের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে (পৃষ্ঠা ২১), যার প্রথম বাক্যটি হচ্ছে, ‘নৈতিকতার মৌলিক উৎস ধর্ম।’ ইউরোপের অনেক দেশের একটি বড় অংশের মানুষ কোনো আনুষ্ঠানিক ধর্মাবলম্বী না হয়েই বড় হচ্ছে এবং তার পরও তারা যথেষ্ট নীতিমান। কাজেই আধুনিক পৃথিবীর মানুষ এই বাক্যটি নিয়ে তর্কবিতর্ক করতে পারে কিন্তু তার পরও ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই বাক্যটিকে শিক্ষানীতিতে সংযোজন করে দেওয়া হয়েছে।
এখন পর্যন্ত যেটুকু লেখা হয়েছে, তার পুরোটুকু হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ধর্মশিক্ষা। এ ছাড়া রয়েছে মাদ্রাসাশিক্ষা—তার জন্য পুরো একটা অধ্যায় রয়েছে (পৃষ্ঠা ১৮)। তার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হিসেবে যেটা লেখা হয়েছে, সেটা হুবহু আমি তুলে দিচ্ছি: ‘মাদ্রাসা শিক্ষায় ইসলাম ধর্মশিক্ষার সকল প্রকার সুযোগ ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষার্থীরা যেন ইসলামের আদর্শ ও মর্মবাণী অনুধাবনের পাশাপাশি জীবন ধারণসংক্রান্ত জ্ঞানলাভ করতে পারে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় পারদর্শী হয় ও তার উৎকর্ষ সাধনে ভূমিকা রাখতে পারে, তার জন্য যথার্থ জ্ঞানলাভের ব্যবস্থা করা হবে। সাধারণ বা ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তারা যেন সমানভাবে অংশ নিতে পারে, সে জন্য মাদ্রাসা ও শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ: এরপর চারটি ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্য আর লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে। যার প্রথমটি হচ্ছে: ‘শিক্ষার্থীর মনে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর প্রতি অটল বিশ্বাস গড়ে তোলা এবং শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রকৃত মর্মার্থ অনুধাবনে সমর্থ করে তোলা।’ আমরা যদি লেখাপড়ার দিক থেকে বিবেচনা করি, তাহলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে চতুর্থটি: ‘শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য ধারার সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষায় সাধারণ আবশ্যিক বিষয়সমূহে অভিন্ন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করা।’ এ বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে আরও একবার বলা হয়েছে, ‘পরীক্ষা ও মূল্যায়ন অধ্যায়ে (২১ নম্বর অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৫০)।’ সেখানে ৯ নম্বর কৌশল হিসেবে লেখা হয়েছে, ‘মাদ্রাসার ক্ষেত্রে জুনিয়র দাখিল, দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় সকল ধারার জন্য আবশ্যিক বিষয়সমূহে অন্যান্য ধারার সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্র অনুসরণ করা হবে।’
শিক্ষানীতির অন্য সবকিছু ছেড়ে দিয়ে শুধু এই একটি বিষয়ের কথাটা চিন্তা করলেই সবাই বুঝতে পারবে, এটি কত যুগান্তকারী একটা সিদ্ধান্ত। বিষয়টা একটু ব্যাখ্যা করলেই সবাই সেটা বুঝতে পারবে। সবাই জানে, দাখিল এবং এসএসসিকে সমপর্যায় ধরা হয়, ঠিক সে রকম আলিম এবং এইচএসসিকে সমপর্যায় ধরা হয়। শুধু তা-ই নয়, সাধারণ ধারার মতো মাদ্রাসাতেও বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার সুযোগ আছে। এই বিষয়গুলো জেনে অনেকের ধারণা হতে পারে, মাদ্রাসায় যারা লেখাপড়া করে, তাদের বুঝি স্কুল-কলেজে লেখাপড়া করা ছেলেমেয়েদের মতোই বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। বিষয়টি একেবারেই সত্যি নয়—আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারে প্রায় ১৫ হাজার ছেলেমেয়ে বিজ্ঞান বা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েছে। তাদের ভেতর থেকে মাদ্রাসার মাত্র একটি ছাত্র বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিটে মেধা তালিকায় আসতে পেরেছে। হাজার হাজার ছেলেমেয়ের ভেতর থেকে যদি মাত্র একটি ছাত্র ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে, তাহলে বুঝতে হবে, সেই লেখাপড়ার মাঝে খুব বড় গলদ রয়েছে।
মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের বিষয়গুলোতে তুলনামূলকভাবে বেশি এসেছে কিন্তু ভর্তি হতে গিয়ে তারা আবিষ্কার করেছে, বেশির ভাগ বিভাগে তাদের ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা নেই। কারণ, তারা যে বিষয়গুলো পড়ে এসেছে, সেগুলোতে মার্কস পাওয়া যায় অনেক বেশি, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলোতে ভর্তি হওয়ার জন্য সেগুলো কোনো কাজে আসে না।
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় মাদ্রাসাছাত্রদের সঙ্গে আসলে যে প্রতারণাটা করা হচ্ছে, সেটি এই শিক্ষানীতিতে প্রথমবার বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন থেকে তারা যখন দাখিল বা আলিম পাস করবে, তখন তাদের লেখাপড়ার মান হবে একজন এসএসসি বা এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীর সমান। তার কারণ সবাই এখন একই পাঠ্যসূচিতে লেখাপড়া করবে, একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেবে। এত দিন যারা ভেবে এসেছে, মাদ্রাসায় গিয়ে কম লেখাপড়া করে বেশি গ্রেড পেয়ে যাবে, তাদেরও ফাঁকি দেওয়ার দিন শেষ। এখন অন্য সবার মতো সমান লেখাপড়া করে তাদের গ্রেড তুলে আনতে হবে।
এ তো গেল দাখিল-আলিমের কথা, এর পরও স্নাতক আর স্নাতকোত্তর পর্যায়ে রয়েছে ফাজিল আর কামিল। তাদের ডিগ্রি কে দেবে? শিক্ষানীতিতে পরিষ্কার করে লেখা আছে, ‘উল্লিখিত কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য একটি অনুমোদনকারী (অ্যাফিলিয়েটিং) ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।’
কওমি মাদ্রাসাগুলো সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসতে চায় না, তার পরও শিক্ষানীতিতে তাদের উপেক্ষা করা হয়নি। কৌশলের একটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কওমি মাদ্রাসার ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়ায় শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশন করে উক্ত কমিশন কওমি প্রক্রিয়ায় ইসলাম শিক্ষার ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষাদান বিষয়ে সুপারিশ তৈরি করে সরকারের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করবে।’
এই হচ্ছে শিক্ষানীতিতে ধর্মসংক্রান্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে একটা ধারণা। এ দেশের মানুষের কাছে আমার প্রশ্ন, একটি শিক্ষানীতিতে কি এর চেয়ে বেশি ধর্ম সম্পর্কে থাকা প্রয়োজন? যদিও শিক্ষানীতিতে ধর্ম নেই বলে যাঁরা দাবি করছেন, তাঁরা কি সরাসরি এটা নিয়ে প্রকাশ্যে বিতর্কে যেতে প্রস্তুত আছেন? তাঁদের যদি একটা চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়, তাঁরা কি সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার সাহস দেখাতে পারবেন?
২.
যাঁরা হরতাল ডেকেছেন, মোটামুটিভাবে বোঝা যায় যে তাঁদের কাছে ধর্ম খুব একটা সংকীর্ণ বিষয়, ধর্ম পালন থেকে সেটা ব্যবহার করায় তাঁদের আগ্রহ বেশি। কিন্তু আমি খুব অবাক হয়ে লক্ষ করেছি, বিএনপি এই হরতালকে সমর্থন দিয়েছে। আমি যেহেতু শিক্ষানীতি কমিটির একজন সদস্য হিসেবে কাজ করেছিলাম, তাই খুব আগ্রহ নিয়ে এ বিষয়ে কে কী বলছে, সেটা লক্ষ করছিলাম। আমি বেশ আনন্দের সঙ্গে লক্ষ করেছিলাম, বিএনপিপন্থী শিক্ষাবিদেরাও এই শিক্ষানীতির বিপক্ষে গুরুতর কিছু বলেননি, তাঁরা সাধারণভাবে এটা সমর্থন করেছেন। কিন্তু ২৬ ডিসেম্বরে হরতালকে সমর্থন জানানোর পর আমি খানিকটা বিভ্রান্ত হয়ে গেছি। বিএনপির একাধিক সাবেক শিক্ষামন্ত্রী আছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আছেন, অন্যান্য শিক্ষানীতির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষাবিদেরা আছেন, তাঁদের কাছে আমার অত্যন্ত সহজ একটা অনুরোধ—তাঁরা কি পরিষ্কার করে বলবেন, শিক্ষানীতির কোন অংশটির কারণে তাঁরা হরতালকে সমর্থন দিয়েছেন? যদি সে রকম কিছু খুঁজে না পান, তাহলে কি তাঁরা তাঁদের দলকে সেটা বোঝাবেন?
৩.
আসলে যাঁরা হরতাল ডেকেছেন এবং যাঁরা সেটাকে সমর্থন করেছেন, তাঁদের আপত্তি অন্য জায়গায়। এই শিক্ষানীতিটি তৈরি করা হয়েছে আমাদের ছেলেমেয়েদের আধুনিক ছেলেমেয়ে হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। তাদের দেশপ্রেম শেখানোর কথা বলা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলা হয়েছে, অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলা হয়েছে। মেয়েদের শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, ছেলেদের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে একই সুযোগ পেয়ে একই চ্যালেঞ্জ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। তাদের কারুকলা শেখানোর কথা বলা হয়েছে, সুকুমার বৃত্তি বিকাশের কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞানমনস্কতার কথা বলা হয়েছে, সৃজনশীলতার কথা বলা হয়েছে—এক কথায় আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, সেই বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য যে রকম একটি শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজন, সে রকম একটি শিক্ষাব্যবস্থার কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যাঁরা হরতাল ডেকেছেন, তাঁরা আসলে সেই বাংলাদেশকে চান না। সত্যি কথা বলতে কি, তাঁরা এ বাংলাদেশটিকেই চাননি—যে পাকিস্তানকে পরাজিত করে আমরা এই বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদের ঘাড়ে এখনো সেই পাকিস্তানি ভূত চেপে বসে আছে। এই বাংলাদেশকে তাঁরা আর পাকিস্তান রাষ্ট্র বানাতে পারবেন না কিন্তু চিন্তাভাবনায়, আদর্শে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো ১০০ বছর পিছিয়ে নেওয়াই হচ্ছে তাঁদের একমাত্র স্বপ্ন। শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে কথা বলে তাঁরা সেই কাজটিই করে যাচ্ছেন।
এ দেশে যতবার শিক্ষানীতি জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, দেশের প্রগতিশীল মানুষ ততবার তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। এই প্রথমবার একটি শিক্ষানীতি দেওয়া হয়েছে, যেটি প্রগতিশীল মানুষ সাদরে গ্রহণ করেছে। দেশের ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যদি এর বিরোধিতা করে, তাহলে অন্য সবাইকে মাঠে নেমে এসে এর বাস্তবায়নের কথা বলতে হবে। স্বাধীনতাবিরোধী মানুষগুলোকে বোঝাতে হবে, এই দেশটি আমাদের—তাদের নয়!
মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক। অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
December
(884)
-
▼
Dec 25
(41)
- আগের দিনও ঠিক হয়নি ভেন্যু
- সেই স্টেইনেই বিপন্ন ভারত
- বক্সিং ডেতে নকআউট অস্ট্রেলিয়া
- অকল্যান্ডে সাউদি-বীরত্ব
- শুরুতেই সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচ
- ট্রটের সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় দিনেও ইংলিশ আধিপত্য
- আবাহনী-শেখ জামালের গোলশূন্য ড্র
- সন্ত্রাসী ও প্রভাবশালী by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- ইসলাম ও সর্বজনীন মানবাধিকার by মুহাম্মদ আবদুল মুনি...
- জাতীয় শিক্ষানীতি, ধর্ম এবং হরতাল by মুহম্মদ জাফর ই...
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষ - ছাত্রলীগের জ...
- মিয়ানমারের পরমাণু স্থাপনা দেখতে চায় আইএইএ
- সাবেক গুপ্তচরের কারাদণ্ড
- রোমে সুইস ও চিলির দূতাবাসে বোমা বিস্ফোরণ, আহত ২
- লা মঁদের পাঠক ভোটে সেরা ব্যক্তিত্ব অ্যাসাঞ্জ
- আগামী ১৯ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন হু জিনতাও
- আর্জেন্টিনার সাবেক স্বৈরশাসক ভিদেলার যাবজ্জীবন কার...
- বাগবোকে জোর করে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- বিতর্ক করতে বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তাব
- মার্কিন সিনেটে পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি অনুমোদন
- দায়িত্ব পালনে আন্তরিক নন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন
- সপ্তাহের শেষ দিন বাজারে দরপতন
- ছয় ব্যাংককে তহবিল ব্যবস্থাপনা ১৫ দিনে ঠিক করতে হবে
- ইন্ডিয়া ট্রেড ফেয়ারে যোগ দিচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- বাংলাদেশে নতুন উচ্চফলনশীল পেঁয়াজ উদ্ভাবিত
- অপেক্ষায় সবুজ উইকেট
- হতাশ রুবচিচ আরও খেলোয়াড় খুঁজছেন
- কুমিল্লাতেও বিশ্বকাপের ঢেউ
- খেলা রেখে কনসার্ট
- কাবাডিতে নতুন নামে শুরু চ্যাম্পিয়নদের
- যেতেই হলো বেনিতেজকে
- বিদায় বলেই দিচ্ছিলেন হ্যারিস
- আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল
- পন্টিংয়ের টানা ৭৩
- সেরেনা-ক্লাইস্টার্সের মাঝে ওজনিয়াকি
- মেসি এবার পারবেন
- ঢাকার ক্রিকেটে মোহাম্মদ ইউসুফ
- ভারতই পরল সেরার মুকুট
- শিল্প-অর্থনীতি- বছর শেষে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পরিপ্রে...
- আন্তর্জাতিক- দুই কোরিয়ার একত্রিকরণ কি সম্ভব by ড. ...
- খবর, প্রথম আলোর- গ্যাসের ওপর বিপজ্জনক বসবাস
-
▼
Dec 25
(41)
-
▼
December
(884)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment