Sunday, June 24, 2012
হিলারি-কথন আমাদের রাজনীতি এবং নেতৃত্ব by ড. মাহবুব হাসান
হিলারি-কথন আমাদের রাজনীতি এবং নেতৃত্ব by ড. মাহবুব হাসান
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা সফরে আসছেন অথচ সরকারের মধ্যে কোনোরকম উচ্ছ্বাস নেই, এটা দেখে আমি কিছুটা হতাশই হয়েছিলাম। বরং সরকারি তরফে ওই সফরকে অনেকটাই ‘রাখঢাক’ করে রাখার চেষ্টা হয়েছিল। কেন এটা করা হয়েছে, তখন বুঝিনি।
হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন পৃথিবীর ক্ষমতাবান নারীদের একজন, সাবেক মার্কিন ফার্স্টলেডি, বর্তমানে ওবামা প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার চার বছরের মেয়াদের শেষ দিকে বাংলাদেশে আসছেন- তাকে ইগনোর করা বা তার সফর লোকোছাপা করার কোনো কারণও নেই, উপায়ও নেই। কিন্তু সরকার সেটাই করেছেন। কেন এটা করেছেন সরকার এখন তা অনেকটাই পরিষ্কার আমাদের কাছে।
‘নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের পক্ষে হিলারি’ সরকারে অনুচ্ছ্বাসের মূল কারণ এটাই। সরকার বুঝতে পেরেছিল যে বিরোধী দলীয় নেত্রী ও সংসদের প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া মানবেন না বলে যে দাবি করে আসছেন, ওবামা প্রশাসনও সেটা চায়। সেই কথাটা হিলারি এই সফরে এসে হাসিনা সরকারকে বলেছেন। সেটা বোঝা গিয়েছিল আরো আগেই যখন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনাও মার্কিন সরকারের প্রত্যাশার কথা বলেছিলেন। তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাজনীতি ও নির্বাচন নিয়ে এ-রকম কথাই বলে আসছিলেন যে আমেরিকা চায় এ-দেশের জাতীয় নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ অবাধ ও কারচুপিহীনভাবে হোক। আর সেটা সম্ভব নিরপেক্ষ সরকারের পক্ষেই।
হাইকোর্টের যে রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছেন মহাজোট সরকার, সেই রায়েও বলা হয়েছে আগামী আরও দুইবার নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই করা ভালো হবে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এখনও কোনো রাজনৈতিক সরকার ‘উপযুক্ত’ হয়ে ওঠেনি জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও কারচুপিহীনভাবে সম্পন্ন করার। কিন্তু বর্তমান সরকার সেটা না মেনে এই ব্যবস্থা বাতিল করেন। এটা যে রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি থেকে করেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
বিএনপি ও সমমনা দলগুলো ওই ব্যবস্থা পুনর্বহাল করার জন্য সরকারের কাছে দাবি করে আসছে। কিন্তু সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে তাদের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের উদাহরণ টেনে বলেছেন, নির্বাচন তারা নিরপেক্ষভাবেই করতে পারবেন। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো তারা সুষ্ঠুভাবে করেছেন। কিন্তু স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আর জাতীয় নির্বাচন এক জিনিস নয়- এই সত্যটি সরকার মেনে নিচ্ছে না। তারা নির্বাচন করবেন তাদের সরকারের অধীনেই।
আমাদের দেশের বর্তমানে রাজনৈতিক সঙ্কট এখানেই। দেশের আপামর জনগণের নানামুখী সঙ্কটের বিষয়ে তারা কনসার্ন, কিন্তু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার উপস্থিতি সামান্যই। বিএনপির মুখে এখন আর উৎপাদনের রাজনীতি, কৃষকের স্বার্থে লাগাতার রাজনৈতিক কর্মসূচি নেয়া তাদের মূল রাজনৈতিক এজেন্ডায় নেই। বিষয়টা এখন সাইড লাইনে চলে গেছে। একটা উদাহরণ দিলে পাঠকের বুঝতে সহজ হবে।
চলমান আইপিএল- খেলায় ‘কেকেআর’র অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে না খেলিয়ে রেস্টে রাখা হয়েছে। পৃথিবীর সেরা অলরাউন্ডারকে যখন সাইড লাইনে ফেলে রাখা হয় তখন বোঝা যায় টিম ম্যানেজমেন্ট বোঝেই না যে কোনটা প্রধান কাজ তাদের। বাংলাদেশের রাজনীতিও ঠিক এই রকম। সরকারও বোঝে না যে বিএনপিই কেবল নয়, দেশের শিক্ষিত সচেতন মানুষ চাইছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হোক। সরকার দেশের মানুষের জন্য কাজ কি করবেন, নিজেদের ইগো আর রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতা টিকিয়ে রাখার জন্যই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আর সেই সব এজেন্ডা বাস্তবায়নে যেহেতু বিরোধী দলগুলো বাধা, তাই রাজনৈতিক দমন আর দলনের সমস্ত ক্রিয়া-পদ্ধতি প্রয়োগেই মেধা খাটাচ্ছেন তারা। ফলে রাজনীতি ‘ব্রেনড্রেনে’ পড়ে গেছে। রাজনীতির মধ্যে যে ক্রিয়েটিভিটি আছে, তাতে চরা পড়েছে আজ। সেটা বোঝা যায় যখন গণতান্ত্রিক সরকার ঔপনিবেশিক স্টাইলে দেশের বিরোধী রাজনীতিকদের ওপর জুলুম-নির্যাতন করে। তাদের সাংবিধানিক অধিকার নস্যাৎ করে, তাদের আইনের আশ্রয় নেবার সামান্য অধিকারকেও পুলিশ দিয়ে ঠেকা দিতে কসুর করে না, উচ্চ-আদালতের দুয়ারে পুলিশ মোতায়েন করে যাতে রাজনৈতিক মামলার আসামি রাজনীতিকরা ‘জামিন’ নিতে আদালতে যেতে না পারেন।
এদিকে ‘না-হক’ মামলা-খাওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে কেন যে জেলে যাওয়ার ভয় ধরেছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। জেল-জুলুম তো কর্মীরা অহরহই ভোগ করছে, কেন্দ্রীয নেতা হিসেবে রিজভী সাহেবকেই প্রথম পছন্দ হয়েছে মহাজোট সরকারের। আরামে আন্দোলন করার অভ্যাসের কারণেই বিরোধী রাজনীতিকরা জনগণের প্রত্যাশানুযায়ী ‘অ্যাক্ট’ করতে পারছে বলে মনে হয় না আমাদের কাছে। তবে এটাও ঠিক যে যতটুকু তারা করছে সেটুকুই বা কম কিসে? ক্ষমতায় না থেকেও যে ক্ষমতার ভাগ পাওয়া যায় তাহলে কে কষ্ট করে রাজপথে ঘাম ঝরিয়ে, পুলিশের গুতা-নাতা খেয়ে [ এক্ষেত্রে মতিয়া চৌধুরী অনন্য উদাহরণ] নিজের খেয়ে বনের মোষ [মোষ এখানে জনগণ] তাড়াতে চায়? রাজনীতিটা এখন অনেকটাই ব্যবসায় পরিণত হওয়ায় এই আরাম বোধের জন্ম হয়েছে। আমরা জানি রাজনীতিকরা বলবেন আমরা যদি জেলে ঢুকে যাই তাহলে জনগণকে নেতৃত্ব দেবে কে। এটা একটি অনিবার্য প্রশ্ন। এই প্রশ্নের জবাব দুরূহ নয়। আজকের রাজনীতিকদের পক্ষে মেনে নেয়া কঠিন। জাতি যখন দেখে সরকারের ফ্যাসিবাদি জুলুমেরর শিকার হয়ে বিরোধী দলগুলো নেতৃত্বশূন্য হয়ে গেছে, তখন জাতিসত্তার ভেতর থেকে প্রতিবাদী-প্রতিরোধকারী জনগণের নেতার জন্ম হয়ে যায়। কারণ মূলত জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের নেতারা নেতৃত্ব ছাড়তে রাজি নন। তিনি বা তারা যদি জেলে গিয়ে জনগণের আন্দোলনের শরিক হওয়া থেকে বঞ্চিত হন, তাহলে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে শূন্যতার সৃষ্টি হবে। রাজনীতিকদের এই বিশ্বাস অমূলকই কেবল নয়, আকাশ কুসুমের মতো শোনায়। আমাদের অভিজ্ঞতা বলে- ৬ দফা জারি করার পর শেখ মুজিবকে জেলে পোরা হয়। তিনি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন রাজনৈতিক পরিবেশ-পরিস্থিতি ও নেতৃত্ব দান থেকে। কিন্তু দেখা যায় ভিন্ন মতাবলম্বী বাঙালি রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা তাকে মুক্ত করতে গণঅভ্যুত্থান ঘটান এবং তাকে মুক্ত করে আনে। একই রকমভাবে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক সরকার ২৫ মার্চ রাতে আটক করে তাকে জেলে পোরে। তিনি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিতে পারেননি। কিন্তু জাতিসত্তা তার নামেই দেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছে। এ-কারণেই বলছি রাজনীতিকরা যদি জেলের ভয় করেন, যদি জেলের ভয়ে আত্মগোপনে চলে যান, তাহলে গণতান্ত্রিক রাজনীতি হালে পানি পাবে না। সেটা হবে রাজনীতির জন্য খারাপ উদাহরণ।
আমরা সেটা চাই না। আমরা চাই এখনকার বিরোধী রাজনীতিকদের উচিত মামলাকে রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে তা প্রতিহত করা। আইনি ব্যবস্থায় নয়। হাইকোর্টে দলীয় বিচারপতিদের উপস্থিতির কারণেই দেশের আইনের শাসন এমনিতেই বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। মানুষ তাদের মানবাধিকার রক্ষার বিষয়গুলো আদালত থেকে যথাযথভাবে পাচ্ছে না। এটা সত্যই একটি খারাপ সময় আমাদের জন্য।
অপহৃত বা গুম হয়ে যাওয়া রাজনীতিক ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের না করে উল্টো বিরোধী দলের কাঁধেই দোষ চাপানোর চেষ্টা করে আসছে মহাজোট সরকার। এই সব রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতাই বলে দেয় সরকার মুখে গণতন্ত্রের বুলি আওড়িয়ে চালাচ্ছেন স্বৈরতান্ত্রিক শাসন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে বাংলাদেশে মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে, সেটা স্বীকার করে না সরকার। বিরোধী দলগুলোকে রাজনৈতিক প্রতিবাদের মিছিল-মিটিং পর্যন্ত করতে দিচ্ছে না। পুলিশ দিয়ে মিটিংয়ে লাঠিচার্জ করা হচ্ছে। তাদের মিছিলে টিআর গ্যাস ছোঁড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিবাদও করতে দেবে না সরকার। এই চিন্তা-চেতনা যে গণতান্ত্রিক নয়, স্বৈরতান্ত্রিক এটা বুঝেও যে সরকার সেই পথে নিজের শাসন কায়েম রাখতে চায়, তারা যে জনগণের ধিক্কার ছাড়া আর কিছুই পাবে না নির্বাচনের সময়, এটা না বললেও চলে।
এ-বিষয়গুলা ভালোভাবেই জেনে এসেছিলেন হিলারি ক্লিনটন। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে বিমানেই তিনি মিটিং করেছেন তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে। জেনেছেন গার্মেন্ট শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলামের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে। জেনেছেন বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর অপহরণ ও গুম হওয়া সম্পর্কে।
সরকারের সাথে তিনি যেসব মিটিং ও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, তার চেয়ে বেশি প্রধান্য ও আলোচিত হচ্ছে এই বিষয়গুলো। সরকারকে এই আলোকেই তাদের পরামর্শ দিয়েছেন হিলারি। বেগম খালেদা জিয়াকে কোনো সুযোগই দেননি অভিযোগ তুলে ধরার। কারণ তিনি সব কিছুই পুরোপুরিভাবে কনসার্ন। বরং হিলারির বাংলাদেশ সফরে সব চেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে বেগম জিয়ার বাসভবনে গিয়ে তার সঙ্গে একঘণ্টা আলোচনা করা। সেই সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনাটি এমনই বর্ণাঢ্য হয়ে উঠেছিল যে, হিলারি তার ব্যক্তিগত বন্ধু হিসেবে বেগম জিয়াকে সম্মানিত করেছেন। মার্কিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য কেবল গুরুত্বপূর্ণই নয়, বিএনপির এক বড় পাওনা বলেই ধারণা করা যায়।
হিলারির এই সফরের মূল উদ্দেশ্য যাই হোক, আমরা দেখতে পাচ্ছি নতুন এক রাজনৈতিক ফেনোমেনা যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে রাজনীতির অন্ধগলি থেকে। রাজনীতিকে ইতিবাচক পথে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে গেছেন তিনি। নির্বাচন নিয়ে সংসদে ও সংসদের বাইরে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান বের করার কথাই তিনি বলে গেছেন। এর চেয়ে বেশি কিছু বলা তার অধিকারে কুলোবে না। বা এটা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারও নয়। হিলারি সেটা ভালো বোঝেন। সেটা তিনি লঙ্ঘন করেননি।
কিন্তু এই আলোচনার ভেতর দিয়ে সমাধানে পৌঁছানোর রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমাদের রাজনীতিকদের কথায় থাকলেও কর্মে তার লেশমাত্র আমরা অতীতে যেমন দেখিনি, তেমনি আজও দেখছি না। আলোচনার অন্য কোনো বিকল্প নেই গণতন্ত্রে। এটা আমাদের রাজনীতিকদের অনুধাবন করতে হবে। রাজনীতিকদের এটাও বুঝতে ও মানতে হবে যে এই আধুনিককালে জনগণ ম্যান্ডেট দিয়েছে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলগুলোকে ‘একসঙ্গে’ দেশের বৃহত্তর কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য। এককভাবে দেশ শাসন করার জন্য নয়। ‘দোহে’ মিলেই কাজ করার রীতি। কিন্তু আমাদের দেশ শাসিত হচ্ছে বা হয় কেবলমাত্র সরকারের হাতে। বিরোধী দল সেখানে কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না। সরকারে দূরে থাক, সংসদেই বসতে দিতে চায় না ক্ষমতাসীনরা। এর অবসান হওয়া জরুরি। সেই জরুরি বার্তাটাই হিলারি দিয়ে গেছেন।
সংসদে যদি নিয়মিত যোগ দিতো বিরোধী দল, সেখানে ক্ষমতাসীনদের গালিগালাজ ও অপমানজনক আচরণও যে দেশবাসী দেখতে পেতো, জানতে পারতো মহাজোটের ক্ষমতার দাপট, তাতেও কিন্তু বিরোধী দলের ইতিবাচকতা প্রকাশ পেতো। সংসদ বর্জনের মধ্যে কোনো ইতিবাচকতা নেই। রাজনীতির নেতিরই পথ ওইটি। বিএনপিকে সেখান থেকে ফিরে আসতেই বলেছেন হিলারি। এ-কথাটাও মনে রাখতে হবে বিএনপিকে। শুধু যে আওয়ামী মহাজোটের সমালোচনা হয়েছে এটা ভাবা ঠিক না। উভয় পক্ষকেই সংসদে ও সংসদের বাইরে নির্বাচনী সঙ্কট নিরসনে আলোচনায় বসতে হবে।
বেগম জিয়া বেশ কয়েকবারই এ-নিয়ে সংলাপে বসার কথা বলেছেন সরকারকে। কিন্তু সরকার আলোচনায় বা সংলাপেই বিশ্বাস করে না। রাষ্ট্রপতি উদ্যোগ নিলেন সিইসি/ইসি নিয়োগে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপের। সেই সংলাপেও বিএনপি সহ অধিকাংশ দলই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি তুলে ধরেছে। কেবল আওয়ামি লীগ ওই দাবি করেনি। কিন্তু রাষ্ট্রপতি কোনো সুফলই দিতে পারেননি। সরকার যা চাইছেন, তিনি সেটাই করেছেন। এই ক্ষেত্রে বিএনপিকে দোষারোপ করা যাবে না। আমি কেবল দোষ দেবো বিএনপিকে সংসদে না যাওয়ার জন্য। শত প্রতিকূলতার মধ্যে হলেও বিএনপির উচিত ছিল সংসদে যাওয়া। ভোটারদের প্রতি সম্মান ও সমর্থন জানানোর জন্যে হলেও এটা জরুরি ছিল।। তাদের স্বার্থে কথা বলার তো তারাই একমাত্র প্রতিনিধি। এই পজেটিভ ভাবনার প্রয়োজন ছিল।
আমি এবং আমরা জনগণের অংশ। আমরা চাই সরকার এবং বিরোধী রাজনীতিকরা আলোচনায় বসে আগামী নির্বাচনে তত্ত্বাবধায় সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালে কি কি উদ্যোগ আয়োজন নেয়া যায় সেই আলোচনায় বসা। এর কোনো বিকল্প নেই।
ড. মাহবুব হাসান: কবি ও কলামিস্ট
‘নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের পক্ষে হিলারি’ সরকারে অনুচ্ছ্বাসের মূল কারণ এটাই। সরকার বুঝতে পেরেছিল যে বিরোধী দলীয় নেত্রী ও সংসদের প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া মানবেন না বলে যে দাবি করে আসছেন, ওবামা প্রশাসনও সেটা চায়। সেই কথাটা হিলারি এই সফরে এসে হাসিনা সরকারকে বলেছেন। সেটা বোঝা গিয়েছিল আরো আগেই যখন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনাও মার্কিন সরকারের প্রত্যাশার কথা বলেছিলেন। তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাজনীতি ও নির্বাচন নিয়ে এ-রকম কথাই বলে আসছিলেন যে আমেরিকা চায় এ-দেশের জাতীয় নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ অবাধ ও কারচুপিহীনভাবে হোক। আর সেটা সম্ভব নিরপেক্ষ সরকারের পক্ষেই।
হাইকোর্টের যে রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছেন মহাজোট সরকার, সেই রায়েও বলা হয়েছে আগামী আরও দুইবার নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই করা ভালো হবে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এখনও কোনো রাজনৈতিক সরকার ‘উপযুক্ত’ হয়ে ওঠেনি জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও কারচুপিহীনভাবে সম্পন্ন করার। কিন্তু বর্তমান সরকার সেটা না মেনে এই ব্যবস্থা বাতিল করেন। এটা যে রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি থেকে করেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
বিএনপি ও সমমনা দলগুলো ওই ব্যবস্থা পুনর্বহাল করার জন্য সরকারের কাছে দাবি করে আসছে। কিন্তু সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে তাদের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের উদাহরণ টেনে বলেছেন, নির্বাচন তারা নিরপেক্ষভাবেই করতে পারবেন। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো তারা সুষ্ঠুভাবে করেছেন। কিন্তু স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আর জাতীয় নির্বাচন এক জিনিস নয়- এই সত্যটি সরকার মেনে নিচ্ছে না। তারা নির্বাচন করবেন তাদের সরকারের অধীনেই।
আমাদের দেশের বর্তমানে রাজনৈতিক সঙ্কট এখানেই। দেশের আপামর জনগণের নানামুখী সঙ্কটের বিষয়ে তারা কনসার্ন, কিন্তু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার উপস্থিতি সামান্যই। বিএনপির মুখে এখন আর উৎপাদনের রাজনীতি, কৃষকের স্বার্থে লাগাতার রাজনৈতিক কর্মসূচি নেয়া তাদের মূল রাজনৈতিক এজেন্ডায় নেই। বিষয়টা এখন সাইড লাইনে চলে গেছে। একটা উদাহরণ দিলে পাঠকের বুঝতে সহজ হবে।
চলমান আইপিএল- খেলায় ‘কেকেআর’র অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে না খেলিয়ে রেস্টে রাখা হয়েছে। পৃথিবীর সেরা অলরাউন্ডারকে যখন সাইড লাইনে ফেলে রাখা হয় তখন বোঝা যায় টিম ম্যানেজমেন্ট বোঝেই না যে কোনটা প্রধান কাজ তাদের। বাংলাদেশের রাজনীতিও ঠিক এই রকম। সরকারও বোঝে না যে বিএনপিই কেবল নয়, দেশের শিক্ষিত সচেতন মানুষ চাইছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হোক। সরকার দেশের মানুষের জন্য কাজ কি করবেন, নিজেদের ইগো আর রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতা টিকিয়ে রাখার জন্যই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আর সেই সব এজেন্ডা বাস্তবায়নে যেহেতু বিরোধী দলগুলো বাধা, তাই রাজনৈতিক দমন আর দলনের সমস্ত ক্রিয়া-পদ্ধতি প্রয়োগেই মেধা খাটাচ্ছেন তারা। ফলে রাজনীতি ‘ব্রেনড্রেনে’ পড়ে গেছে। রাজনীতির মধ্যে যে ক্রিয়েটিভিটি আছে, তাতে চরা পড়েছে আজ। সেটা বোঝা যায় যখন গণতান্ত্রিক সরকার ঔপনিবেশিক স্টাইলে দেশের বিরোধী রাজনীতিকদের ওপর জুলুম-নির্যাতন করে। তাদের সাংবিধানিক অধিকার নস্যাৎ করে, তাদের আইনের আশ্রয় নেবার সামান্য অধিকারকেও পুলিশ দিয়ে ঠেকা দিতে কসুর করে না, উচ্চ-আদালতের দুয়ারে পুলিশ মোতায়েন করে যাতে রাজনৈতিক মামলার আসামি রাজনীতিকরা ‘জামিন’ নিতে আদালতে যেতে না পারেন।
এদিকে ‘না-হক’ মামলা-খাওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে কেন যে জেলে যাওয়ার ভয় ধরেছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়। জেল-জুলুম তো কর্মীরা অহরহই ভোগ করছে, কেন্দ্রীয নেতা হিসেবে রিজভী সাহেবকেই প্রথম পছন্দ হয়েছে মহাজোট সরকারের। আরামে আন্দোলন করার অভ্যাসের কারণেই বিরোধী রাজনীতিকরা জনগণের প্রত্যাশানুযায়ী ‘অ্যাক্ট’ করতে পারছে বলে মনে হয় না আমাদের কাছে। তবে এটাও ঠিক যে যতটুকু তারা করছে সেটুকুই বা কম কিসে? ক্ষমতায় না থেকেও যে ক্ষমতার ভাগ পাওয়া যায় তাহলে কে কষ্ট করে রাজপথে ঘাম ঝরিয়ে, পুলিশের গুতা-নাতা খেয়ে [ এক্ষেত্রে মতিয়া চৌধুরী অনন্য উদাহরণ] নিজের খেয়ে বনের মোষ [মোষ এখানে জনগণ] তাড়াতে চায়? রাজনীতিটা এখন অনেকটাই ব্যবসায় পরিণত হওয়ায় এই আরাম বোধের জন্ম হয়েছে। আমরা জানি রাজনীতিকরা বলবেন আমরা যদি জেলে ঢুকে যাই তাহলে জনগণকে নেতৃত্ব দেবে কে। এটা একটি অনিবার্য প্রশ্ন। এই প্রশ্নের জবাব দুরূহ নয়। আজকের রাজনীতিকদের পক্ষে মেনে নেয়া কঠিন। জাতি যখন দেখে সরকারের ফ্যাসিবাদি জুলুমেরর শিকার হয়ে বিরোধী দলগুলো নেতৃত্বশূন্য হয়ে গেছে, তখন জাতিসত্তার ভেতর থেকে প্রতিবাদী-প্রতিরোধকারী জনগণের নেতার জন্ম হয়ে যায়। কারণ মূলত জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের নেতারা নেতৃত্ব ছাড়তে রাজি নন। তিনি বা তারা যদি জেলে গিয়ে জনগণের আন্দোলনের শরিক হওয়া থেকে বঞ্চিত হন, তাহলে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে শূন্যতার সৃষ্টি হবে। রাজনীতিকদের এই বিশ্বাস অমূলকই কেবল নয়, আকাশ কুসুমের মতো শোনায়। আমাদের অভিজ্ঞতা বলে- ৬ দফা জারি করার পর শেখ মুজিবকে জেলে পোরা হয়। তিনি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন রাজনৈতিক পরিবেশ-পরিস্থিতি ও নেতৃত্ব দান থেকে। কিন্তু দেখা যায় ভিন্ন মতাবলম্বী বাঙালি রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা তাকে মুক্ত করতে গণঅভ্যুত্থান ঘটান এবং তাকে মুক্ত করে আনে। একই রকমভাবে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক সরকার ২৫ মার্চ রাতে আটক করে তাকে জেলে পোরে। তিনি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিতে পারেননি। কিন্তু জাতিসত্তা তার নামেই দেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছে। এ-কারণেই বলছি রাজনীতিকরা যদি জেলের ভয় করেন, যদি জেলের ভয়ে আত্মগোপনে চলে যান, তাহলে গণতান্ত্রিক রাজনীতি হালে পানি পাবে না। সেটা হবে রাজনীতির জন্য খারাপ উদাহরণ।
আমরা সেটা চাই না। আমরা চাই এখনকার বিরোধী রাজনীতিকদের উচিত মামলাকে রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে তা প্রতিহত করা। আইনি ব্যবস্থায় নয়। হাইকোর্টে দলীয় বিচারপতিদের উপস্থিতির কারণেই দেশের আইনের শাসন এমনিতেই বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। মানুষ তাদের মানবাধিকার রক্ষার বিষয়গুলো আদালত থেকে যথাযথভাবে পাচ্ছে না। এটা সত্যই একটি খারাপ সময় আমাদের জন্য।
অপহৃত বা গুম হয়ে যাওয়া রাজনীতিক ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের না করে উল্টো বিরোধী দলের কাঁধেই দোষ চাপানোর চেষ্টা করে আসছে মহাজোট সরকার। এই সব রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতাই বলে দেয় সরকার মুখে গণতন্ত্রের বুলি আওড়িয়ে চালাচ্ছেন স্বৈরতান্ত্রিক শাসন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে বাংলাদেশে মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে, সেটা স্বীকার করে না সরকার। বিরোধী দলগুলোকে রাজনৈতিক প্রতিবাদের মিছিল-মিটিং পর্যন্ত করতে দিচ্ছে না। পুলিশ দিয়ে মিটিংয়ে লাঠিচার্জ করা হচ্ছে। তাদের মিছিলে টিআর গ্যাস ছোঁড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিবাদও করতে দেবে না সরকার। এই চিন্তা-চেতনা যে গণতান্ত্রিক নয়, স্বৈরতান্ত্রিক এটা বুঝেও যে সরকার সেই পথে নিজের শাসন কায়েম রাখতে চায়, তারা যে জনগণের ধিক্কার ছাড়া আর কিছুই পাবে না নির্বাচনের সময়, এটা না বললেও চলে।
এ-বিষয়গুলা ভালোভাবেই জেনে এসেছিলেন হিলারি ক্লিনটন। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে বিমানেই তিনি মিটিং করেছেন তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে। জেনেছেন গার্মেন্ট শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলামের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে। জেনেছেন বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর অপহরণ ও গুম হওয়া সম্পর্কে।
সরকারের সাথে তিনি যেসব মিটিং ও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, তার চেয়ে বেশি প্রধান্য ও আলোচিত হচ্ছে এই বিষয়গুলো। সরকারকে এই আলোকেই তাদের পরামর্শ দিয়েছেন হিলারি। বেগম খালেদা জিয়াকে কোনো সুযোগই দেননি অভিযোগ তুলে ধরার। কারণ তিনি সব কিছুই পুরোপুরিভাবে কনসার্ন। বরং হিলারির বাংলাদেশ সফরে সব চেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে বেগম জিয়ার বাসভবনে গিয়ে তার সঙ্গে একঘণ্টা আলোচনা করা। সেই সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনাটি এমনই বর্ণাঢ্য হয়ে উঠেছিল যে, হিলারি তার ব্যক্তিগত বন্ধু হিসেবে বেগম জিয়াকে সম্মানিত করেছেন। মার্কিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য কেবল গুরুত্বপূর্ণই নয়, বিএনপির এক বড় পাওনা বলেই ধারণা করা যায়।
হিলারির এই সফরের মূল উদ্দেশ্য যাই হোক, আমরা দেখতে পাচ্ছি নতুন এক রাজনৈতিক ফেনোমেনা যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে রাজনীতির অন্ধগলি থেকে। রাজনীতিকে ইতিবাচক পথে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে গেছেন তিনি। নির্বাচন নিয়ে সংসদে ও সংসদের বাইরে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান বের করার কথাই তিনি বলে গেছেন। এর চেয়ে বেশি কিছু বলা তার অধিকারে কুলোবে না। বা এটা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারও নয়। হিলারি সেটা ভালো বোঝেন। সেটা তিনি লঙ্ঘন করেননি।
কিন্তু এই আলোচনার ভেতর দিয়ে সমাধানে পৌঁছানোর রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমাদের রাজনীতিকদের কথায় থাকলেও কর্মে তার লেশমাত্র আমরা অতীতে যেমন দেখিনি, তেমনি আজও দেখছি না। আলোচনার অন্য কোনো বিকল্প নেই গণতন্ত্রে। এটা আমাদের রাজনীতিকদের অনুধাবন করতে হবে। রাজনীতিকদের এটাও বুঝতে ও মানতে হবে যে এই আধুনিককালে জনগণ ম্যান্ডেট দিয়েছে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলগুলোকে ‘একসঙ্গে’ দেশের বৃহত্তর কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য। এককভাবে দেশ শাসন করার জন্য নয়। ‘দোহে’ মিলেই কাজ করার রীতি। কিন্তু আমাদের দেশ শাসিত হচ্ছে বা হয় কেবলমাত্র সরকারের হাতে। বিরোধী দল সেখানে কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না। সরকারে দূরে থাক, সংসদেই বসতে দিতে চায় না ক্ষমতাসীনরা। এর অবসান হওয়া জরুরি। সেই জরুরি বার্তাটাই হিলারি দিয়ে গেছেন।
সংসদে যদি নিয়মিত যোগ দিতো বিরোধী দল, সেখানে ক্ষমতাসীনদের গালিগালাজ ও অপমানজনক আচরণও যে দেশবাসী দেখতে পেতো, জানতে পারতো মহাজোটের ক্ষমতার দাপট, তাতেও কিন্তু বিরোধী দলের ইতিবাচকতা প্রকাশ পেতো। সংসদ বর্জনের মধ্যে কোনো ইতিবাচকতা নেই। রাজনীতির নেতিরই পথ ওইটি। বিএনপিকে সেখান থেকে ফিরে আসতেই বলেছেন হিলারি। এ-কথাটাও মনে রাখতে হবে বিএনপিকে। শুধু যে আওয়ামী মহাজোটের সমালোচনা হয়েছে এটা ভাবা ঠিক না। উভয় পক্ষকেই সংসদে ও সংসদের বাইরে নির্বাচনী সঙ্কট নিরসনে আলোচনায় বসতে হবে।
বেগম জিয়া বেশ কয়েকবারই এ-নিয়ে সংলাপে বসার কথা বলেছেন সরকারকে। কিন্তু সরকার আলোচনায় বা সংলাপেই বিশ্বাস করে না। রাষ্ট্রপতি উদ্যোগ নিলেন সিইসি/ইসি নিয়োগে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপের। সেই সংলাপেও বিএনপি সহ অধিকাংশ দলই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি তুলে ধরেছে। কেবল আওয়ামি লীগ ওই দাবি করেনি। কিন্তু রাষ্ট্রপতি কোনো সুফলই দিতে পারেননি। সরকার যা চাইছেন, তিনি সেটাই করেছেন। এই ক্ষেত্রে বিএনপিকে দোষারোপ করা যাবে না। আমি কেবল দোষ দেবো বিএনপিকে সংসদে না যাওয়ার জন্য। শত প্রতিকূলতার মধ্যে হলেও বিএনপির উচিত ছিল সংসদে যাওয়া। ভোটারদের প্রতি সম্মান ও সমর্থন জানানোর জন্যে হলেও এটা জরুরি ছিল।। তাদের স্বার্থে কথা বলার তো তারাই একমাত্র প্রতিনিধি। এই পজেটিভ ভাবনার প্রয়োজন ছিল।
আমি এবং আমরা জনগণের অংশ। আমরা চাই সরকার এবং বিরোধী রাজনীতিকরা আলোচনায় বসে আগামী নির্বাচনে তত্ত্বাবধায় সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালে কি কি উদ্যোগ আয়োজন নেয়া যায় সেই আলোচনায় বসা। এর কোনো বিকল্প নেই।
ড. মাহবুব হাসান: কবি ও কলামিস্ট
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1356)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 24
(27)
- গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যৎঃ আমার শংকা by ড. মুহাম্মদ...
- সন্ত্রাসী আর পুলিশের সাধারণ টার্গেট কি সাংবাদিকরা?...
- শ্রদ্ধা, হাবিব ভাইয়ের প্রতি by মনজুরুল আহসান বুলবুল
- তাজের ‘আমেরিকান’ ঝামেলা এবং হাসিনার ‘লেবুচেপা’ by ...
- লিবিয়া, সিরিয়া, এবং তা ছাড়িয়ে... সাম্রাজ্যবাদী বসন...
- আসবে কি নতুন দিনের সাংবাদিকতা? by সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা
- সত্য সেলুকাস! এটাও ক্রিকেট! by পার্থ প্রতিম চন্দ্র
- সামনের বছরগুলোতেও তিস্তা চুক্তি করবে না ভারত by কা...
- পানির যুদ্ধে বাংলাদেশ by আলফাজ আনাম
- ইউনূসকে নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন অসংযত আচরণ by সৈয়দ শ...
- হিলারি-কথন আমাদের রাজনীতি এবং নেতৃত্ব by ড. মাহবুব...
- পারে সবচেয়ে বড় সামাজিক প্রতিষ্ঠান by সৈয়দ ইশতিয়াক ...
- হিলারির সফর ও বাংলাদেশের ‘কৌশলগত’ তাৎপর্য by ফরহাদ...
- বিএনপি কি গুম-গুপ্তহত্যার দায়মুক্তি বন্ধ করবে? by ...
- কে জানে, রবীন্দ্রসঙ্গীতই বা আর কত দিন by অশোক মিত্র
- শিলাইদহ কুঠিবাড়ির যে ঘটনা আজো শিহরণ জাগায় by জাহি...
- হিলারি ক্লিনটনের স্মার্ট পাওয়ার এপ্রোচ by ফরহাদ ম...
- হিলারি কি ত্রাণকর্তা? by কামরুজ্জামান
- প্রেস ফ্রিডম ডেঃ সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি...
- তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্কঃ কৌশলগত অমিত সম্ভাবনা by ক...
- ‘কর্পোরেট দাসমাত্র’ by আলী আসিফ শাওন
- ইউরোয় জমজমাট সেক্স মার্কেট
- ক্যাটের জুতার মিউজিয়াম!
- শাকিরার অন্তঃসত্ত্বার গুজব
- ১৪ বছর পর
- মধুচন্দ্রিমার অপেক্ষায় ড্রিমগার্ল কন্যা এষা
- মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার স্মৃতিবহ “নিমকহারাম দেউরি”
-
▼
Jun 24
(27)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
Exclusive
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment