Tuesday, January 5, 2016
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভীতি কেন? by আমীর খসরু
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভীতি কেন? by আমীর খসরু
আইন
যেখানে শাসন করে না সেখানে কোনো শাসন ব্যবস্থার অস্তিত্ব থাকে না
এ্যারিস্টেটল (পলিটিকস্ ৪:৪) গণতন্ত্র কোনো খণ্ডিত বিষয় নয়, এটি
পুরোপুরিভাবেই একটি শাসন ব্যবস্থা। শুধুমাত্র একটি অংশ বাস্তবায়ন করার
মাধ্যমে গণতন্ত্র পুরোটা কায়েম হয়ে যাবে এমনটা কখনই হয় না। কিংবা মনের
গভীরে স্বৈরতন্ত্র লালন করে উপরে উপরে গণতন্ত্র বলে জিকির করলেও গণতন্ত্র
কায়েম হয়ে গেছে এমনটি মনে করারও কোনো যুক্তিগ্রাহ্য উপায় বা ক্ষেত্র নেই।
শাসন ব্যবস্থায় জনগণের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে গেলে তাই গণতন্ত্রের
সবটুকুই বাস্তবায়ন করতে হবে। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, শাসক শ্রেণী সব সময়ই
সূক্ষ্মভাবে অথবা স্থুলভাবে, নানা কৌশলে গণতন্ত্র এবং নির্বাচনকে একাকার ও
সমার্থক বানিয়ে ফেলেছে। নির্বাচন গণতন্ত্র বাস্তবায়নে প্রথম ধাপ মাত্র। এ
কারণে বর্তমানের অনেক দেশেই রাষ্ট্রটি গণতান্ত্রিক বলে শাসকদের পক্ষ থেকে
দাবি করা হলেও বা এমনটা আপাত প্রতীয়মান হলেও আসলে ওই রাষ্ট্রটি বা
রাষ্ট্রসমূহ পূর্ণ মাত্রার গণতান্ত্রিক নয়। প্রতিনিধিত্বশীল শাসনে
নির্বাচনকেন্দ্রিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উত্থান এ কারণেই সংকটের সৃষ্টি
করেছে। সংকটটি এখানে যে, প্রতিনিধিত্বশীল ব্যবস্থায় অধিকাংশ মানুষের
প্রতিনিধিত্বশীলতা পুরো মাত্রায় নিশ্চিত করে না। তবে এ ব্যবস্থাটির একটি
ভালো দিক হচ্ছে অন্তত নির্দিষ্ট সময়ান্তে জনগণ তার ভোটের অধিকারকে প্রয়োগের
মধ্য দিয়ে নিদেনপক্ষে না বলার ক্ষমতাটুকু রাখে।
তারপরেও আমাদের মতো দেশে যাদের পূর্ণ মাত্রার গণতন্ত্র বিদ্যমান থাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য নেই, রয়েছে নির্বাচনের ইতিহাস ও স্মৃতি তাদের জন্য অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন একেবারে কম কথা নয়। অন্তত মন্দের ভালো খুঁজে ফেরার একটা সুযোগ তৈরি হয় মাঝে মাঝে। তাও এখন নির্ভর করছে শাসকদের উপরে।
বেসামরিক কিংবা সামরিক শাসনামলে বাংলাদেশের নির্বাচনী গণতন্ত্রের ইতিহাস সুখকর তো নয়ই, বরং খুবই বেদনার, কষ্টের এবং নিদারুণ যন্ত্রণার। বেদনা, কষ্ট এবং যন্ত্রণার কারণ হচ্ছে সংবিধানে ভোটাধিকারের কথা লিপিবদ্ধ থাকলেও বাস্তবে হয় এর অনুপস্থিতি অথবা ভোট লুণ্ঠন। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি সৃষ্টির আগের ইতিহাস যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখতে পাওয়া যাবে, পাকিস্তান আমলে নির্বাচনের ইতিহাস যাই বা রয়েছে তাও ১৯৫৪ সালের নির্বাচনেই। ১৯৭০-এর নির্বাচনটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হলেও এ কথাটি বলতেই হবে যে, ওই নির্বাচনটি যতোটা না ছিল নির্বাচন তার চেয়েও ঢের বেশি ছিল মানুষের স্বাধীনতাপ্রাপ্তির একটি হাতিয়ার। ওই সময় এই নির্বাচনী বিষয়টিকে মানুষ ভিন্ন দৃষ্টিতেই দেখছে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীনতাপ্রাপ্তির অতি স্বল্পকালেই শাসকদের মনোজগৎ অতীতের আচ্ছন্নতা থেকে মুক্ত হতে পারেনি। ১৯৭৩-এর নির্বাচনে ভোট কারচুপি, নির্বাচনের ফলাফল বদলের ধারাটির সূত্রপাত। যার পুনরাবৃত্তি পরবর্তীকালে ঘটেছে নব্বইয়ের স্বৈরাচারী এরশাদের পতন পর্যন্ত।
এদেশের মানুষের গণতন্ত্র প্রাপ্তি এবং এর সুফল ভোগ করার ইতিহাস না থাকলেও, এক্ষেত্রে বড় বড় হোঁচট খেয়ে কোমর ভাঙার ইতিহাস রয়েছে বেশুমার। ১৯৭৩ থেকে অসংখ্যবার এসব হোঁচটের ঘটনা ঘটেছে। এসব হোঁচটের ঘটনা ঘটেছে সামরিক শাসনামলে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট কিংবা বেসামরিক শাসনামলের ভোটারবিহীন একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে। অথচ মুক্তিযুদ্ধের মর্মার্থ ছিল এর বিপরীত। স্বাধীনতার আগে মানুষের মনে, চিন্তা-চেতনায় অসংখ্য আকাক্সক্ষার জন্ম নিয়েছিল, প্রত্যাশার জাল তারা বুনতে শুরু করেছিলেন দেশটি হবে পূর্ণমাত্রার গণতন্ত্র চর্চার এবং প্রাপ্তির, এই আকাক্সক্ষাটিই ছিল সবচেয়ে উজ্জ্বলতম।
এরপরে দীর্ঘ বিরতি। ১৯৯০-এর পরেও জনগণের মনে আবার সেই প্রত্যাশার বুনন এবং বীজ বপনের উৎসব শুরু হয়। তবে এবারেও পূর্ণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা না এসে তার স্থান দখল করে নির্বাচনী গণতন্ত্র। এতেও মানুষ খুশি ছিল। ১৯৯১ থেকে নির্বাচনী গণতন্ত্র কিছুটা সচল হলেও সজীব, সতেজ, ফলবান এবং দীর্ঘজীবী হতে পারেনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে। আবারও হোঁচট খেতে শুরু করে মানুষ। কতো আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা আর যাতনা সহ্য করা যায়। তারপরেও মানুষের নিরন্তর প্রত্যাশার বীজ বপন বন্ধ হয়নি, তারা ক্ষান্ত দেননি, আশাবাদ পরিত্যাগ করেননি।
১৯৯০-এর পরে যে নির্বাচনী ব্যবস্থা চালু হয়েছিল তাতে ঘুণ ধরতে বেশি সময় লাগেনি। একটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন, একটি দ্বিদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটে ওই ’৯০-এর পরেই। দ্বিদলীয় ব্যবস্থা ভালো সেই সমাজের জন্য যেখানে কি-না গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাটি সুদৃঢ়। কিন্তু বাংলাদেশে হয়েছে এর উল্টোটি। দুর্বল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে এখানে দ্বিদলীয় ব্যবস্থাটি অনেকটা জাতিগত সংঘাতের মতোই রূপ নিয়েছে। অনেকেই বলে থাকেন যে, বাংলাদেশের রাজনীতি রুয়ান্ডার হুতু এবং টুটসিদের জাতিগত সংঘাতের মতোই হয়ে পড়েছে। দুর্বল গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি সম্পন্ন সমাজ অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উত্থানের পথ সুগম করে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্ষমতা দখলে উদ্বুদ্ধ করে।
বিএনপি’র ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিচার বিশ্লেষণ করলে এ কথাটি স্পষ্ট হয় যে, ওই সময়কালের শাসনে ক্ষমতাসীন বিএনপির ভেতরে জন্ম নেয় ক্ষমতার অনানুষ্ঠানিক কেন্দ্র। ক্ষমতার আনুষ্ঠানিক কেন্দ্রই যেখানে শক্তিশালী হওয়ার কথা সেখানে ওই অনানুষ্ঠানিক কেন্দ্র পুরো শাসন ব্যবস্থায় চূড়ান্ত পর্যায়ে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি করে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়টিও উত্থাপিত হয়। ক্ষমতার আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কেন্দ্রের যৌথ তত্ত্বাবধানে ধর্মীয় উগ্রবাদী শক্তিকেও মদত দেয়া হয়েছে। অপারেশন ক্লিনহার্টসহ নানা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে থাকে।
বিএনপির শাসনামলে ১৯৯৬ সালের ২০শে মার্চ ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও ২০০১-২০০৬ সময়কালে তাদের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রচেষ্টাটি এমন ছিল যে, ওই ব্যবস্থার প্রতি তারা আর আস্থাশীল থাকতে পারেনি ক্ষমতার অসীম লিপ্সার কারণে। ২০০৬ সালে এসে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি নিয়ে এমন কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়, যা বিশাল রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দেয়। ওই সময়কালের দু’দলের রাজনৈতিক বৈরিতা এবং সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির কারণেই সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পথকে উন্মুক্ত করে। ওই সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমন ছিল যে, প্রধান দুই দল পারস্পরিকভাবে নিজেদের মধ্যে কেউ ক্ষমতায় না এসে তৃতীয় কোনো পক্ষ ক্ষমতায় আসুক এমনটাই মনে-প্রাণে চেয়েছে। এখানে আরও উল্লেখ করা প্রয়োজন, ওই সময়কালে যে রক্তক্ষয়ী পালটাপালটি লড়াই-সংগ্রাম হয়েছে রাজপথে তা পরবর্তীকালের সম্ভাবনাময় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদূর পরাহত করেছে। বিএনপির বিরুদ্ধে ১৯৯৬-এ একটি ভোটারবিহীন এবং প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতিরেকে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়টিও রয়েছে। তবে বিএনপি বলছে, ওই নির্বাচনটি ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে সংযোজনের জন্য সংবিধান সংশোধনী আনার লক্ষ্যে।
১৯৯০’র পরে মানুষের পুঞ্জীভূত আশাভঙ্গের যে বেদনা তাকে অবৈধ পুঁজি করে জনআকাক্সক্ষাকে বাদ দিয়ে দু’বছরের জন্য সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু ওই যে মানুষের আকাক্সক্ষার কমতি নেই, প্রত্যাশার যে ঘাটতি নেই, সে সম্বলে বলিয়ান মানুষ অগণতান্ত্রিক শাসনকে ‘না’ বলে দিয়ে পুনর্বার গণতান্ত্রিক শাসনের প্রত্যাশা করেছে, কামনা করেছে পূর্ণ একটি গণতান্ত্রিক সমাজের। মানুষ ধারণা করেছিল, এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হবে। ২০০৮-এর নির্বাচনটিতে এ কারণেই প্রধান দুই রাজনৈতিক দলকে আগের তুলনায় অনেক অনেক গুণে বেশি আশাবাদের কথা শোনাতে হয়েছে, জানান দিতে হয়েছে নানা অঙ্গীকারের। কিন্তু সাধারণ মানুষ বুঝতেও পারেনি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হোঁচট খাওয়ার সময়কালে তারা প্রবেশ করছে।
২০০৯-এর শাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই এই দফায় ক্ষমতাসীনরা দুটো কারণে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারগুলোকে প্রথম দিন থেকেই অগ্রাহ্য, অস্বীকার করতে শুরু করে। এর একটি কারণ বহির্দেশীয় সম্পর্ক উন্নয়ন এবং দ্বিতীয় কারণ ক্ষমতাকে দীর্ঘমেয়াদে আঁকড়ে থাকার অদম্য বাসনা। এ কারণে তারা প্রথমদিন থেকেই একদিকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখল, হত্যাসহ এ জাতীয় নানা কর্মকা- বাস্তবায়ন করতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভিন্ন আরেকটি বিষয় তারা বাস্তবায়ন করতে শুরু করে। আর এটি হচ্ছে, বিরোধী দল, মত, পথ, পক্ষ ও ব্যক্তিবর্গকে নির্মূল ও নিশ্চিহ্ন করার যাবতীয় প্রচেষ্টা গ্রহণ করা। রাষ্ট্রের সর্বময় কর্তৃত্ব গ্রহণের প্রচেষ্টাটি শুরু হয় ক্ষমতা গ্রহণের পরমুহূর্ত থেকেই। আর এটা করা হয়েছে পরিকল্পনামাফিক এবং এখনও তা চলছে। বলা প্রয়োজন যে, এখানেই ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সময়কালের সঙ্গে বর্তমান আওয়ামী লীগ শাসনামলের পার্থক্য। আর অমিল ও পার্থক্যটি যোজন যোজন দূরত্বের হলেও এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।
আওয়ামী লীগ নিশ্চয়ই চায় না প্রতি পাঁচ বছর পর পর নির্বাচনের অপেক্ষা করতে এবং জনগণের রায়ের উপরে নির্ভরশীল হতে। এ কারণেই বর্তমানে নানা কর্মকাণ্ড চলছে। এ কাজগুলো যে একদিনে ঘটেছে বা ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ঘটানো হয়েছে তা নয়, পরিকল্পনামাফিক তারা অগ্রসর হয়েছে এটি জনঅঙ্গীকার ও জনআকাংক্ষাকে অগ্রাহ্য করা হোক কিংবা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, অপহরণ, খুন, কথিত গণপিটুনিসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের যাবতীয় কর্মকাণ্ডই হোক। দেশের রাজনৈতিক প্রথা-প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতিসহ সামগ্রিকভাবে সমাজের সর্বক্ষেত্রে কি কি ক্ষতি হয়েছে তা আর বিচার-বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাটিকে যে ভয়ের চোখে দেখে তার প্রমাণ এই সময়কালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলো এসব নির্বাচন জাতীয় হোক কিংবা স্থানীয় পর্যায়েরই হোক। ২০১৪’র ৫ই জানুয়ারির ভোটারহীন, নজিরবিহীন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এর চূড়ান্ত সূচনা। আগেই বলা হয়েছে আওয়ামী লীগ সূক্ষ্মভাবে এবং কৌশলে এ কাজটি করেছে।
এ কথাটি সবারই মনে থাকার কথা যে, ক্ষমতা গ্রহণের স্বল্পকালের মধ্যেই আওয়ামী লীগ ১৯৭২-এর মূল সংবিধানে ফিরে যাবে বলে বেশ জোরেশোরে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছিল। তাদের দল ও দলের বাইরের বিবেকহীন বুদ্ধিজীবী শ্রেণীও একই সুরে গান গাইতে থাকে। ২০১১’র ৩০শে জুন সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করা হয় বিভিন্ন পক্ষের আপত্তি সত্ত্বেও। কিন্তু ’৭২-এর সংবিধানে তারা ফিরে না গিয়ে বেশকিছু কৌশলের আশ্রয় নিয়ে তাদের মনের একান্ত বাসনাটি তারা পূরণ করে ফেলে। আর তা হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটিকে বাতিল করে দেয়া। এই সংশোধনীর মাধ্যমে ’৭২-এর মূল সংবিধানের সঙ্গে বৈপরীত্যমূলক ও সাংঘর্ষিক যে সব বিধান আনা হয়েছে সে সব বিষয়ে স্বল্প পরিসরে আলোচনা সম্ভব নয় বিধায় তা আলোচনা করা হলো না।
অথচ ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের তীব্র আন্দোলনের কারণেই সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংযুক্ত করা হয়েছিল। জনগণ এর প্রতি সমর্থনও জানিয়েছিল। বর্তমানেও এর প্রতি সমর্থন আছে বলে আন্দাজ করা যায়। ২০১৩ সালের মে মাসে প্রথম আলো’র উদ্যোগে ওআরজি-কোয়েস্ট পরিচালিত জনমত জরিপে দেখা যায় যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চান ৯০ শতাংশ মানুষ। একই বছরের ১০ই অক্টোবর প্রকাশিত অপর এক জরিপে দেখা গেছে, শতকরা ৮২ শতাংশ মানুষ নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাচ্ছে। পরবর্তীকালের জরিপগুলোতেও সাধারণ মানুষের একই আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বলে দেখা যায়।
২০১৪’র ৫ই জানুয়ারি দেশি এবং ভারত বাদে অপরাপর বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর পরামর্শ, অনুরোধ উপেক্ষা করে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা হয়। এ নির্বাচনের পরিকল্পনাটি যে হুট করে নেয়া হয়নি তা আগেই বলা হয়েছে। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনটির আগে জাতিসংঘ বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোসহ বিদেশিরা সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দেশের বিশিষ্টজনরাসহ সবাই চেয়েছিলেন সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। ২০১৩’র ১০ই অক্টোবর প্রথম আলো এক জরিপের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছিল, ৭৩ শতাংশ মানুষ শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, সমঝোতা না হলে দেশে নৈরাজ্য শুরু হবে।
কিন্তু ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পরে যতো সব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, এমন কি সদ্য অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনকেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেই একই ধারায়। এই ধারাকে শক্তিশালীকরণে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকেও করা হয়েছে দলীয় মনোনয়ন এবং প্রতীকনির্ভর।
কিন্তু নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান, অগ্রাহ্য বা অস্বীকার করার কারণ কি সে বিষয়টি সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করা জরুরি। নির্বাচনে অনাস্থা ও অবিশ্বাস স্থাপনের কারণগুলো হচ্ছে শাসকদের মনোজগতে যখন এই বিশ্বাস দৃঢ় ও বদ্ধমূল হয় যে, জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছা, আশা-আকাক্সক্ষা মুখ্য নয়, তাদের সর্বময় কর্তৃত্ব বিস্তারই মুখ্য তখন এ ধরনের ঘটনাবলী ঘটে থাকে।
গণতন্ত্র কোনো খ-িত বিষয় যেমন নয়, তেমনি এ শাসন ব্যবস্থাকে শাসকদের লালন-পালন ও পরিচর্যা করতে হয় পরম মমতায় এবং সার্বক্ষণিকভাবে। কিন্তু কর্তৃত্ববাদী শাসকদের মনোস্তত্ত্ব হচ্ছে, এক এবং এককের শাসনই মুখ্য। এখানে জনগণ মুখ্য নয়, প্রধান বিষয় হচ্ছে ক্ষমতা। তবে এই মনোস্তত্ত্ব ভিন্ন কারণ যেমন, ভীতি থেকেও সৃষ্টি হতে পারে। শাসকদের এই মনোস্তাত্ত্বিক ও মনোজগতের বিষয়-আশয় তাকে ক্রমাগত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে জনগণ থেকে। আর যতোই বিচ্ছিন্নতা বাড়বে ততোই নিজকে ছাড়িয়েও ভীতির সংস্কৃতিটি সমাজে বিস্তারিত হবে। জনগণের জীবনমান এবং উন্নয়নের কথা বলা হলেও এতে জনবিচ্ছিন্নতা যেমন কাটে না, তেমনি ভীতিও দূর হয় না। বরং ভীতির সংস্কৃতি সৃষ্টি করে নানা অনিবার্য সংকটের। এই সংকট থেকে জন্ম নেয় ভারসাম্যহীনতা। ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে রাজনৈতিক শূন্যতা। এটি চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। এই দুষ্ট চক্রের মধ্যে পড়ে গেলে তা থেকে বের হওয়া খুবই কঠিন। ব্যক্তি যতোই জনবিচ্ছিন্ন হবে ততোই তাকে বেছে নিতে হবে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার লক্ষ্যে নানা পথ এবং পন্থা তা যতো ভয়ঙ্করই হোক না কেন। এ এক ভয়ঙ্কর পথ। তারপরেও আশাবাদ রইলো নির্বাচনী আতঙ্ক কেটে যাবে, উন্মুক্ত হবে গণতন্ত্রের পথ। আর এটাই হচ্ছে ওই ভয়ঙ্কর পথ থেকে ফিরে আসার একমাত্র উপায়। (আমীর খসরু, সম্পাদক, আমাদের বুধবার ডটকম)।
তারপরেও আমাদের মতো দেশে যাদের পূর্ণ মাত্রার গণতন্ত্র বিদ্যমান থাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য নেই, রয়েছে নির্বাচনের ইতিহাস ও স্মৃতি তাদের জন্য অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন একেবারে কম কথা নয়। অন্তত মন্দের ভালো খুঁজে ফেরার একটা সুযোগ তৈরি হয় মাঝে মাঝে। তাও এখন নির্ভর করছে শাসকদের উপরে।
বেসামরিক কিংবা সামরিক শাসনামলে বাংলাদেশের নির্বাচনী গণতন্ত্রের ইতিহাস সুখকর তো নয়ই, বরং খুবই বেদনার, কষ্টের এবং নিদারুণ যন্ত্রণার। বেদনা, কষ্ট এবং যন্ত্রণার কারণ হচ্ছে সংবিধানে ভোটাধিকারের কথা লিপিবদ্ধ থাকলেও বাস্তবে হয় এর অনুপস্থিতি অথবা ভোট লুণ্ঠন। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি সৃষ্টির আগের ইতিহাস যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখতে পাওয়া যাবে, পাকিস্তান আমলে নির্বাচনের ইতিহাস যাই বা রয়েছে তাও ১৯৫৪ সালের নির্বাচনেই। ১৯৭০-এর নির্বাচনটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হলেও এ কথাটি বলতেই হবে যে, ওই নির্বাচনটি যতোটা না ছিল নির্বাচন তার চেয়েও ঢের বেশি ছিল মানুষের স্বাধীনতাপ্রাপ্তির একটি হাতিয়ার। ওই সময় এই নির্বাচনী বিষয়টিকে মানুষ ভিন্ন দৃষ্টিতেই দেখছে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীনতাপ্রাপ্তির অতি স্বল্পকালেই শাসকদের মনোজগৎ অতীতের আচ্ছন্নতা থেকে মুক্ত হতে পারেনি। ১৯৭৩-এর নির্বাচনে ভোট কারচুপি, নির্বাচনের ফলাফল বদলের ধারাটির সূত্রপাত। যার পুনরাবৃত্তি পরবর্তীকালে ঘটেছে নব্বইয়ের স্বৈরাচারী এরশাদের পতন পর্যন্ত।
এদেশের মানুষের গণতন্ত্র প্রাপ্তি এবং এর সুফল ভোগ করার ইতিহাস না থাকলেও, এক্ষেত্রে বড় বড় হোঁচট খেয়ে কোমর ভাঙার ইতিহাস রয়েছে বেশুমার। ১৯৭৩ থেকে অসংখ্যবার এসব হোঁচটের ঘটনা ঘটেছে। এসব হোঁচটের ঘটনা ঘটেছে সামরিক শাসনামলে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট কিংবা বেসামরিক শাসনামলের ভোটারবিহীন একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে। অথচ মুক্তিযুদ্ধের মর্মার্থ ছিল এর বিপরীত। স্বাধীনতার আগে মানুষের মনে, চিন্তা-চেতনায় অসংখ্য আকাক্সক্ষার জন্ম নিয়েছিল, প্রত্যাশার জাল তারা বুনতে শুরু করেছিলেন দেশটি হবে পূর্ণমাত্রার গণতন্ত্র চর্চার এবং প্রাপ্তির, এই আকাক্সক্ষাটিই ছিল সবচেয়ে উজ্জ্বলতম।
এরপরে দীর্ঘ বিরতি। ১৯৯০-এর পরেও জনগণের মনে আবার সেই প্রত্যাশার বুনন এবং বীজ বপনের উৎসব শুরু হয়। তবে এবারেও পূর্ণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা না এসে তার স্থান দখল করে নির্বাচনী গণতন্ত্র। এতেও মানুষ খুশি ছিল। ১৯৯১ থেকে নির্বাচনী গণতন্ত্র কিছুটা সচল হলেও সজীব, সতেজ, ফলবান এবং দীর্ঘজীবী হতে পারেনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে। আবারও হোঁচট খেতে শুরু করে মানুষ। কতো আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনা আর যাতনা সহ্য করা যায়। তারপরেও মানুষের নিরন্তর প্রত্যাশার বীজ বপন বন্ধ হয়নি, তারা ক্ষান্ত দেননি, আশাবাদ পরিত্যাগ করেননি।
১৯৯০-এর পরে যে নির্বাচনী ব্যবস্থা চালু হয়েছিল তাতে ঘুণ ধরতে বেশি সময় লাগেনি। একটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন, একটি দ্বিদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটে ওই ’৯০-এর পরেই। দ্বিদলীয় ব্যবস্থা ভালো সেই সমাজের জন্য যেখানে কি-না গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাটি সুদৃঢ়। কিন্তু বাংলাদেশে হয়েছে এর উল্টোটি। দুর্বল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে এখানে দ্বিদলীয় ব্যবস্থাটি অনেকটা জাতিগত সংঘাতের মতোই রূপ নিয়েছে। অনেকেই বলে থাকেন যে, বাংলাদেশের রাজনীতি রুয়ান্ডার হুতু এবং টুটসিদের জাতিগত সংঘাতের মতোই হয়ে পড়েছে। দুর্বল গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি সম্পন্ন সমাজ অগণতান্ত্রিক শক্তিকে উত্থানের পথ সুগম করে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্ষমতা দখলে উদ্বুদ্ধ করে।
বিএনপি’র ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিচার বিশ্লেষণ করলে এ কথাটি স্পষ্ট হয় যে, ওই সময়কালের শাসনে ক্ষমতাসীন বিএনপির ভেতরে জন্ম নেয় ক্ষমতার অনানুষ্ঠানিক কেন্দ্র। ক্ষমতার আনুষ্ঠানিক কেন্দ্রই যেখানে শক্তিশালী হওয়ার কথা সেখানে ওই অনানুষ্ঠানিক কেন্দ্র পুরো শাসন ব্যবস্থায় চূড়ান্ত পর্যায়ে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি করে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়টিও উত্থাপিত হয়। ক্ষমতার আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কেন্দ্রের যৌথ তত্ত্বাবধানে ধর্মীয় উগ্রবাদী শক্তিকেও মদত দেয়া হয়েছে। অপারেশন ক্লিনহার্টসহ নানা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে থাকে।
বিএনপির শাসনামলে ১৯৯৬ সালের ২০শে মার্চ ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও ২০০১-২০০৬ সময়কালে তাদের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রচেষ্টাটি এমন ছিল যে, ওই ব্যবস্থার প্রতি তারা আর আস্থাশীল থাকতে পারেনি ক্ষমতার অসীম লিপ্সার কারণে। ২০০৬ সালে এসে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি নিয়ে এমন কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়, যা বিশাল রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দেয়। ওই সময়কালের দু’দলের রাজনৈতিক বৈরিতা এবং সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির কারণেই সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পথকে উন্মুক্ত করে। ওই সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমন ছিল যে, প্রধান দুই দল পারস্পরিকভাবে নিজেদের মধ্যে কেউ ক্ষমতায় না এসে তৃতীয় কোনো পক্ষ ক্ষমতায় আসুক এমনটাই মনে-প্রাণে চেয়েছে। এখানে আরও উল্লেখ করা প্রয়োজন, ওই সময়কালে যে রক্তক্ষয়ী পালটাপালটি লড়াই-সংগ্রাম হয়েছে রাজপথে তা পরবর্তীকালের সম্ভাবনাময় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদূর পরাহত করেছে। বিএনপির বিরুদ্ধে ১৯৯৬-এ একটি ভোটারবিহীন এবং প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতিরেকে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়টিও রয়েছে। তবে বিএনপি বলছে, ওই নির্বাচনটি ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে সংযোজনের জন্য সংবিধান সংশোধনী আনার লক্ষ্যে।
১৯৯০’র পরে মানুষের পুঞ্জীভূত আশাভঙ্গের যে বেদনা তাকে অবৈধ পুঁজি করে জনআকাক্সক্ষাকে বাদ দিয়ে দু’বছরের জন্য সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু ওই যে মানুষের আকাক্সক্ষার কমতি নেই, প্রত্যাশার যে ঘাটতি নেই, সে সম্বলে বলিয়ান মানুষ অগণতান্ত্রিক শাসনকে ‘না’ বলে দিয়ে পুনর্বার গণতান্ত্রিক শাসনের প্রত্যাশা করেছে, কামনা করেছে পূর্ণ একটি গণতান্ত্রিক সমাজের। মানুষ ধারণা করেছিল, এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হবে। ২০০৮-এর নির্বাচনটিতে এ কারণেই প্রধান দুই রাজনৈতিক দলকে আগের তুলনায় অনেক অনেক গুণে বেশি আশাবাদের কথা শোনাতে হয়েছে, জানান দিতে হয়েছে নানা অঙ্গীকারের। কিন্তু সাধারণ মানুষ বুঝতেও পারেনি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হোঁচট খাওয়ার সময়কালে তারা প্রবেশ করছে।
২০০৯-এর শাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই এই দফায় ক্ষমতাসীনরা দুটো কারণে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারগুলোকে প্রথম দিন থেকেই অগ্রাহ্য, অস্বীকার করতে শুরু করে। এর একটি কারণ বহির্দেশীয় সম্পর্ক উন্নয়ন এবং দ্বিতীয় কারণ ক্ষমতাকে দীর্ঘমেয়াদে আঁকড়ে থাকার অদম্য বাসনা। এ কারণে তারা প্রথমদিন থেকেই একদিকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখল, হত্যাসহ এ জাতীয় নানা কর্মকা- বাস্তবায়ন করতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভিন্ন আরেকটি বিষয় তারা বাস্তবায়ন করতে শুরু করে। আর এটি হচ্ছে, বিরোধী দল, মত, পথ, পক্ষ ও ব্যক্তিবর্গকে নির্মূল ও নিশ্চিহ্ন করার যাবতীয় প্রচেষ্টা গ্রহণ করা। রাষ্ট্রের সর্বময় কর্তৃত্ব গ্রহণের প্রচেষ্টাটি শুরু হয় ক্ষমতা গ্রহণের পরমুহূর্ত থেকেই। আর এটা করা হয়েছে পরিকল্পনামাফিক এবং এখনও তা চলছে। বলা প্রয়োজন যে, এখানেই ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সময়কালের সঙ্গে বর্তমান আওয়ামী লীগ শাসনামলের পার্থক্য। আর অমিল ও পার্থক্যটি যোজন যোজন দূরত্বের হলেও এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।
আওয়ামী লীগ নিশ্চয়ই চায় না প্রতি পাঁচ বছর পর পর নির্বাচনের অপেক্ষা করতে এবং জনগণের রায়ের উপরে নির্ভরশীল হতে। এ কারণেই বর্তমানে নানা কর্মকাণ্ড চলছে। এ কাজগুলো যে একদিনে ঘটেছে বা ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ঘটানো হয়েছে তা নয়, পরিকল্পনামাফিক তারা অগ্রসর হয়েছে এটি জনঅঙ্গীকার ও জনআকাংক্ষাকে অগ্রাহ্য করা হোক কিংবা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, অপহরণ, খুন, কথিত গণপিটুনিসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের যাবতীয় কর্মকাণ্ডই হোক। দেশের রাজনৈতিক প্রথা-প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতিসহ সামগ্রিকভাবে সমাজের সর্বক্ষেত্রে কি কি ক্ষতি হয়েছে তা আর বিচার-বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাটিকে যে ভয়ের চোখে দেখে তার প্রমাণ এই সময়কালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলো এসব নির্বাচন জাতীয় হোক কিংবা স্থানীয় পর্যায়েরই হোক। ২০১৪’র ৫ই জানুয়ারির ভোটারহীন, নজিরবিহীন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এর চূড়ান্ত সূচনা। আগেই বলা হয়েছে আওয়ামী লীগ সূক্ষ্মভাবে এবং কৌশলে এ কাজটি করেছে।
এ কথাটি সবারই মনে থাকার কথা যে, ক্ষমতা গ্রহণের স্বল্পকালের মধ্যেই আওয়ামী লীগ ১৯৭২-এর মূল সংবিধানে ফিরে যাবে বলে বেশ জোরেশোরে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছিল। তাদের দল ও দলের বাইরের বিবেকহীন বুদ্ধিজীবী শ্রেণীও একই সুরে গান গাইতে থাকে। ২০১১’র ৩০শে জুন সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করা হয় বিভিন্ন পক্ষের আপত্তি সত্ত্বেও। কিন্তু ’৭২-এর সংবিধানে তারা ফিরে না গিয়ে বেশকিছু কৌশলের আশ্রয় নিয়ে তাদের মনের একান্ত বাসনাটি তারা পূরণ করে ফেলে। আর তা হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটিকে বাতিল করে দেয়া। এই সংশোধনীর মাধ্যমে ’৭২-এর মূল সংবিধানের সঙ্গে বৈপরীত্যমূলক ও সাংঘর্ষিক যে সব বিধান আনা হয়েছে সে সব বিষয়ে স্বল্প পরিসরে আলোচনা সম্ভব নয় বিধায় তা আলোচনা করা হলো না।
অথচ ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের তীব্র আন্দোলনের কারণেই সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংযুক্ত করা হয়েছিল। জনগণ এর প্রতি সমর্থনও জানিয়েছিল। বর্তমানেও এর প্রতি সমর্থন আছে বলে আন্দাজ করা যায়। ২০১৩ সালের মে মাসে প্রথম আলো’র উদ্যোগে ওআরজি-কোয়েস্ট পরিচালিত জনমত জরিপে দেখা যায় যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চান ৯০ শতাংশ মানুষ। একই বছরের ১০ই অক্টোবর প্রকাশিত অপর এক জরিপে দেখা গেছে, শতকরা ৮২ শতাংশ মানুষ নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাচ্ছে। পরবর্তীকালের জরিপগুলোতেও সাধারণ মানুষের একই আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বলে দেখা যায়।
২০১৪’র ৫ই জানুয়ারি দেশি এবং ভারত বাদে অপরাপর বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর পরামর্শ, অনুরোধ উপেক্ষা করে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা হয়। এ নির্বাচনের পরিকল্পনাটি যে হুট করে নেয়া হয়নি তা আগেই বলা হয়েছে। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনটির আগে জাতিসংঘ বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোসহ বিদেশিরা সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দেশের বিশিষ্টজনরাসহ সবাই চেয়েছিলেন সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। ২০১৩’র ১০ই অক্টোবর প্রথম আলো এক জরিপের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছিল, ৭৩ শতাংশ মানুষ শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, সমঝোতা না হলে দেশে নৈরাজ্য শুরু হবে।
কিন্তু ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পরে যতো সব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, এমন কি সদ্য অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনকেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেই একই ধারায়। এই ধারাকে শক্তিশালীকরণে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকেও করা হয়েছে দলীয় মনোনয়ন এবং প্রতীকনির্ভর।
কিন্তু নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান, অগ্রাহ্য বা অস্বীকার করার কারণ কি সে বিষয়টি সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করা জরুরি। নির্বাচনে অনাস্থা ও অবিশ্বাস স্থাপনের কারণগুলো হচ্ছে শাসকদের মনোজগতে যখন এই বিশ্বাস দৃঢ় ও বদ্ধমূল হয় যে, জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছা, আশা-আকাক্সক্ষা মুখ্য নয়, তাদের সর্বময় কর্তৃত্ব বিস্তারই মুখ্য তখন এ ধরনের ঘটনাবলী ঘটে থাকে।
গণতন্ত্র কোনো খ-িত বিষয় যেমন নয়, তেমনি এ শাসন ব্যবস্থাকে শাসকদের লালন-পালন ও পরিচর্যা করতে হয় পরম মমতায় এবং সার্বক্ষণিকভাবে। কিন্তু কর্তৃত্ববাদী শাসকদের মনোস্তত্ত্ব হচ্ছে, এক এবং এককের শাসনই মুখ্য। এখানে জনগণ মুখ্য নয়, প্রধান বিষয় হচ্ছে ক্ষমতা। তবে এই মনোস্তত্ত্ব ভিন্ন কারণ যেমন, ভীতি থেকেও সৃষ্টি হতে পারে। শাসকদের এই মনোস্তাত্ত্বিক ও মনোজগতের বিষয়-আশয় তাকে ক্রমাগত বিচ্ছিন্ন করে ফেলে জনগণ থেকে। আর যতোই বিচ্ছিন্নতা বাড়বে ততোই নিজকে ছাড়িয়েও ভীতির সংস্কৃতিটি সমাজে বিস্তারিত হবে। জনগণের জীবনমান এবং উন্নয়নের কথা বলা হলেও এতে জনবিচ্ছিন্নতা যেমন কাটে না, তেমনি ভীতিও দূর হয় না। বরং ভীতির সংস্কৃতি সৃষ্টি করে নানা অনিবার্য সংকটের। এই সংকট থেকে জন্ম নেয় ভারসাম্যহীনতা। ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে রাজনৈতিক শূন্যতা। এটি চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। এই দুষ্ট চক্রের মধ্যে পড়ে গেলে তা থেকে বের হওয়া খুবই কঠিন। ব্যক্তি যতোই জনবিচ্ছিন্ন হবে ততোই তাকে বেছে নিতে হবে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার লক্ষ্যে নানা পথ এবং পন্থা তা যতো ভয়ঙ্করই হোক না কেন। এ এক ভয়ঙ্কর পথ। তারপরেও আশাবাদ রইলো নির্বাচনী আতঙ্ক কেটে যাবে, উন্মুক্ত হবে গণতন্ত্রের পথ। আর এটাই হচ্ছে ওই ভয়ঙ্কর পথ থেকে ফিরে আসার একমাত্র উপায়। (আমীর খসরু, সম্পাদক, আমাদের বুধবার ডটকম)।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
January
(576)
-
▼
Jan 05
(24)
- সংলাপে বসে দ্রুত নির্বাচন দিন -নয়া পল্টনে বিশাল সম...
- অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভীতি কেন? by আমীর খসরু
- নিজের নগ্ন ছবি বিক্রি করে গ্রেপ্তার কিশোরী
- সর্বস্তরে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন by মেজর একেএম শাকিল নে...
- ভূমিকম্পের বিপদ ও আমাদের প্রস্তুতি by ড. এ এস এম ম...
- দেশে ঝুঁকির শীর্ষে ঢাকা by ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার
- জাতীয় ঐক্যই স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ by ড....
- সব জয় জয় নয়, সব পরাজয় পরাজয় নয় by বিমল সরকার
- পারিবারিক দ্বন্দ্বের নির্মম বলি, শৈলকুপায় তিন শিশু...
- কোন পথে ভারত? by আরাফাত হোছাইন বিপ্লব
- তেহরানে সৌদি দূতাবাসে আগুন, বিক্ষোভ অব্যাহত
- শেখ নিমর: সংগ্রামী জীবন
- দায়িত্ব নেওয়ার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই মেয়র খুন
- আরএসএসের শক্তির মহড়া
- ‘একতরফা’ নির্বাচনের দিন- আলোচিত সমালোচিত ৫ জানুয়ার...
- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব সবার by হারুন-আর-রশিদ
- নাসা বিশেষজ্ঞের করুণ জীবন
- বিতর্কিত কূটনীতিকের দণ্ড, তিরস্কার by মিজানুর রহমান
- সন্ত্রাসী হামলায় কাঁপছে ভারত
- সাদ্দামের সুন্নি ভাইরাই ভরসা হয়ে উঠেছে আইএসের! by ...
- ‘কোনো সমস্যার কথা বললেই তাকে রাষ্ট্রের শত্রু বিবেচ...
- কে এই ডোনাল্ড ট্রাম্প
- মধু খেয়ে কী লাভ?
- জ্বালানি তেলের দাম কমালে প্রবৃদ্ধি বাড়বে
-
▼
Jan 05
(24)
-
▼
January
(576)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment