Monday, October 1, 2018
বিএনপি’র শোডাউন
বিএনপি’র শোডাউন

জাতীয়
ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারের উদ্দেশ্যে ৭ দফা দাবি
উত্থাপন ও দেশবাসীর প্রতি ১২টি লক্ষ্য ঘোষণা করেছে বিএনপি। দাবিগুলো আদায়ে
ঘোষণা করেছে দুই দিনের শান্তিপূর্ণ নতুন কর্মসূচি। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী
উদ্যানের জনসমুদ্র থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব
দাবি, লক্ষ্য ও নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। কর্মসূচি দুইটি হচ্ছে- আগামী ৩রা
অক্টোবর জেলা শহরে সমাবেশ ও জেলা প্রশাসকের কাছে এবং পরদিন ৪ঠা অক্টোবর
বিভাগীয় শহরে সমাবেশ ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান। কর্মসূচি
ঘোষণা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা ৭ দফা যে দাবি দিলাম দাবিগুলো আদায়ে
এই কর্মসূচি দিচ্ছি। এরপরে পর্যায়ক্রমে আমরা আন্দোলনকে ধাপে ধাপে এগিয়ে
নিয়ে যাবো। ইনশাআল্লাহ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে
মুক্তি দিতে বাধ্য করবো। সেই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে
ফিরিয়ে আনতে ও আমাদের যেসব নেতাকর্মী কারাবন্দি রয়েছেন তাদের মুক্তি দিতে
বাধ্য করবো।
দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছাড়াই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এটা প্রথম জনসভা বিএনপির। ২০ দলীয় জোটের প্রধান শরিক দল বিএনপি স্বতন্ত্রভাবেই আয়োজন করেছিল সোহরাওয়ার্দীর এই জনসভা। ফলে জনসভায় জোটের শরিক দল বা জাতীয় ঐক্যের কোনো নেতা যেমন উপস্থিত ছিলেন না, তেমনি তাদের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণও ছিল না। তার উপর জনসভা আয়োজনে আগের দিন বিকালে অনুমতি পাওয়া, যানবাহন সংকট, পথে পথে প্রতিবন্ধকতা ও গ্রেপ্তারের মধ্যেও বিএনপি অঙ্গদলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। বিপুল মানুষের অংশগ্রহণে সোহরাওয়ার্দীর সমাবেশ থেকে শান্তিপূর্ণ জনসভার মাধ্যমে সরকার ও দেশবাসীর প্রতি নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি এবং জনপ্রিয়তার একটি বার্তা দিয়েছে বিএনপি।
সোহরাওয়ার্দীর জনসভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার। জনগণকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে নির্যাতন-নিপীড়নের মাধ্যমে গ্রেপ্তার, হামলা গুম করছে। আমাদের বহু সহকর্মী এখন গ্রেপ্তার হয়েছেন, অনেকেই গুম হয়েছেন, অনেককে খুন করা হয়েছে। ১লা সেপ্টেম্বর থেকে আজ পর্যন্ত ২৯দিনে ৪ হাজার ৯৪টি মামলা করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪ হাজার ৩১৯ জনকে, আসামি করা হয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৭৩০ জনকে। এগুলো সবই গায়েবি মামলা। কোনো অস্তিত্ব নেই। একেবারেই ভৌতিক মামলা। একবার কি আমাদের প্রশাসনের ভাইয়েরা চিন্তা করছেন? ভবিষ্যতে যখন এগুলো তদন্ত হবে, যখন দেখা যাবে কোনো ভিত্তি নেই, তখন কি হবে? তখন সকলকেই জবাবদিহি করতে হবে, কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। মির্জা আলমগীর বলেন, বাংলাদেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার। কয়লাকে ধুলা বানিয়ে দিয়েছেন, সোনাকে তামা বানিয়ে দিয়েছেন। ব্যাংক থেকে টাকা লুট করে বাংলাদেশ ব্যাংক খালি করে দিয়েছেন।
তাও তাদের আশ মিঠে না। ১০ বছর লুট করেছেন, আরো করতে চান। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের দেশকে ও জনগণকে রক্ষা করতে হবে। ’৭১ সালে যে চেতনা নিয়ে আমরা স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছিলাম, একটি গণতান্ত্রিক, সুখী সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। সেটাকে নির্মাণ করতে হলে আজকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। মির্জা আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ ভয় পেয়েছে, মারাত্মকভাবে ভয় পেয়েছে। এত ভয় পেয়েছে, মামলা করা, ভয় দেখানো ছাড়া তাদের কোনো উপায় নেই। সবখানে তারা বিএনপির ষড়যন্ত্রের ভূত দেখছে। রাতে মানুষ দুঃস্বপ্ন দেখে। এরা (আওয়ামী লীগ) দুঃস্বপ্ন দেখে বিএনপি বলে চিৎকার করে ওঠে। খালেদা জিয়া বলে চিৎকার করে ওঠে। তারেক রহমান বলে চিৎকার করে ওঠে। আজকে দেশের প্রতিটি মানুষ খালেদা জিয়া হয়ে উঠেছে, তারেক রহমান হয়ে উঠছে। এ দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট সরকারের করালগ্রাস থেকে মুক্ত করে আনবেই আনবে। মির্জা আলমগীর বলেন, আপনারা ব্যবসায়ীদের জিজ্ঞাসা করবেন। তারা কর দিতে দিতে আর টাকা দিতে দিতে অস্থির হয়ে গেছে। তারা আর বাঁচতে পারছে না। এ করের টাকা দিয়ে তারা (আওয়ামী লীগ) আজ লুটের টাকা তৈরি করছে। পদ্মা সেতু ছিল ১০ হাজার কোটি টাকা, এখন ৩০ হাজার কোটি টাকা। প্রতিটি মেগাপ্রজেক্টে কয়েকগুণ টাকা দিচ্ছে। লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এই লুটপাট বন্ধ করুন। মির্জা আলমগীর বলেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে প্রতারণা বন্ধ করে অবিলম্বে কোটার সঠিক সংস্কারের পথ দেখান। নিরাপদ সড়কের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পিটিয়েছেন, গ্রেপ্তার করেছেন। তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিন। নিরাপদ বাংলাদেশ তৈরি করুন। মির্জা আলমগীর বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা শুনানি করে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম যুক্ত করা হয়েছে। আমরা বারবার বলেছি, এটা সম্পূর্ণ সাজানো মামলা। তিনবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রধান সাক্ষ্য মুফতি হান্নানকে নির্যাতন করে তার কাছ থেকে মিথ্যা এফিডেভিট নিয়ে এ মামলা শেষ হওয়ার আগেই তাকে ফাঁসি দিয়ে এ মামলাকে শেষ করে দেয়া হয়েছে। ৬২ জন সাক্ষী শেষ হওয়ার পরে তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের একজন নেতাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে নতুন চার্জশিট দিয়েছে। এ মামলা যেভাবে চলেছে তার শুনানিকে আমরা কোনোভাবেই গ্রহণ করতে পারি না। আমরা ২১শে আগস্টের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। কিন্তু এ ঘটনায় যারা অপরাধী নয় তাদের সাজা দেয়ার অপচেষ্টার আমরা নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা প্রত্যাশা করবো, বিচারক ন্যায়বিচার করবেন। তারেক রহমানসহ যারা এর সঙ্গে জড়িত নন, তাদের বেকসুর খালাস দেবেন। পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা আজকে গ্রেপ্তার হয়েছে তাদের এখনই মুক্তি দিন। অন্যথায় এ ধরনের মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার এ দেশের মানুষ কখনও গ্রহণ করবে না। আপনাদের তারা দাঁতভাঙা জবাব দেবে। বিএনপি ও অঙ্গদলের কারাবন্দি কিছু সিনিয়র নেতার নাম উল্লেখ করে তিনি সকল রাজবন্দির মুক্তি দাবি করেন। মির্জা আলমগীর বলেন, আজকের এ সভায় আসার পথে ও সভার আশপাশ থেকে অনেককেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকার গাড়ি ঘোড়া বন্ধ করে দিয়েছে। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও স্বৈরাচার সরকারের পতন চেয়ে স্লোগান দেয়ার মাধ্যমে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।
৭ দাবি ও ১২ লক্ষ্য বিএনপির
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসমুদ্র থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে ৭টি দাবি ও দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ১১টি লক্ষ্য ঘোষণা করেছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব দাবি ও লক্ষ্য ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে নিম্ন বর্ণিত দাবিগুলো পূরণ করতে হবে। দাবিগুলো হচ্ছে- ১. দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। দেশের বিরোধী-রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মুক্তি, সাজা বাতিল ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনী ফলাফল চূড়ান্ত ভাবে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সকল রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা ও নতুন কোনো ধরনের মামলা না দেয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে। পুরনো মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার না করার নিশ্চয়তা দিতে হবে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সাংবাদিকদের আন্দোলন এবং সামাজিক গণমাধ্যমে স্বাধীন মতপ্রকাশের অভিযোগে ছাত্র-ছাত্রী, সাংবাদিকসহ সকলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির নিশ্চয়তা দিতে হবে। ২. জাতীয় সংসদ বাতিল করা; ৩. সরকারের পদত্যাগ ও সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করা; ৪. যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে; ৫. সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সশস্ত্রবাহিনী নিয়োগ নিশ্চিত করা; ৬. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার বিধান নিশ্চিত করা এবং ৭. নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে তাদের উপর কোনো প্রকার বিধি-নিষেধ আরোপ না করা।
দেশবাসীর প্রতি বিএনপির ১২ লক্ষ্য ঘোষণা করতে গিয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, কি লক্ষ্যে আমাদের এই আন্দোলন। আমরা যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারি তাহলে এইসব লক্ষ্য পূরণ করবো। আমাদের লক্ষ্যগুলো হচ্ছে- ১. রাষ্ট্রের সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে একটি ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করা। ২. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দলীয়করণের ধারার বদলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। ৩. রাষ্ট্র ক্ষমতায় গ্রহণযোগ্য ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা। ৪. স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারক নিয়োগ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতা নিশ্চিত করা। ৫. স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ দেশপ্রেমিক সশস্ত্রবাহিনীকে আরো আধুনিক, শক্তিশালী ও কার্যকর করা। ৬. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। ৭. কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও অধিকতর কার্যকর করা। ৮. সকল নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা ও মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা। ৯. ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’- এই মূলনীতিকে অনুসরণ করে জাতীয় মর্যাদা ও স্বার্থ সংরক্ষণ করে স্বাধীনতা পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক এবং সৎ প্রতিবেশীসুলভ বন্ধুত্ব ও সমতার ভিত্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিনিয়োগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা।
১০. কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় না দেয়া এবং কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেয়া। ১১. ক) নিম্ন আয়ের নাগরিকদের মানবিক জীবনমান নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বেতন-মজুরি নির্ধারণ ও আয়ের বৈষম্যের অবসানকল্পে সমতাভিত্তিক নীতি গ্রহণ করা এবং সকলের জন্য কর্মসংস্থান, শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকারভাতা, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ও পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্যবীমা চালু, কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, শিল্প-বাণিজ্য ও কৃষির সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ও আধুনিক করা। খ. স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক এবং উচ্চশিক্ষা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে জীবনমুখী শিক্ষানীতি চালু করা, প্রযুক্তি-বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে মানব সম্পদের উৎকর্ষ সাধন করা, জাতীয় উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জীবন, সম্ভ্রম ও সম্পদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। গ. তৈরি পোশাক শিল্পের অব্যাহত উন্নয়ন এবং শিল্প ও রপ্তানি খাতকে বহুমুখী করা, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে উন্নয়নের ধারাকে গ্রামমুখী করা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ, ঝুঁকিমুক্ত ও প্রবাসী জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং তরুণ প্রজন্মের প্রতিভার বিকাশ ও তাদের আধুনিক চিন্তা চেতনাকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য শিক্ষা, তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তিখাতকে অগ্রাধিকার দেয়া এবং ১২. সকল প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসানে জাতীয় ঐকমত্য গঠন করা। ৭ দফা দাবি ও ১২টি লক্ষ্য ঘোষণার পর এগুলোর ব্যাপারে জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সমর্থন চান বিএনপি মহাসচিব। এ সময় সমাবেশের পুরো উপস্থিতি হাত উঁচিয়ে এসব দাবি ও লক্ষ্যে সমর্থন ব্যক্ত করেন।
পদত্যাগ করুন, দাবি মানুন, ভয় পাওয়ার কারণ নেই: মোশাররফ
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়ার আগে যেসব দাবিতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন সে দাবিতে জনগণ আজকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। অনেক রাজনৈতিক ও ব্যক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয় ঐক্যমত সৃষ্টি হয়েছে যে, এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। আর এই নির্বাচন করতে হলে খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে ছাড়া কোনো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না। জনগণ তা হতে দেবে না। তিনি বলেন, এখনো সময় আছে জনগণের দাবি মানুন, পদত্যাগ করুন, সংসদ ভেঙে দিন। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দলীয় মনোভাবাপন্ন মানসিকতা পরিহার করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের অনুরোধও জানান প্রবীণ এ রাজনৈতিক। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে এক লাখ লোক মারা যাবে বলে আওয়ামী লীগের নেতা তোফায়েল আহমেদ যে বক্তব্য দিয়েছেন তার একমাস পর মহাজোটের শরিক নেতা রাশেদ খান মেনন সে সংখ্যা বাড়িয়ে বলেছেন ৩ লাখ।
তাদের বক্তব্যের রেশ ধরে ড. মোশাররফ বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই এমন কিছু করেছেন যার জন্য আপনারা ভয় পাচ্ছেন। ঐকিক নিয়মে হিসাব করে দেখেন গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকলে প্রতিদিন কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আপনাদের বাড়তে থাকবে। এখনো সময় আছে, জনগণের দাবি মানুন, সরকার থেকে পদত্যাগ করুন। আপনারা যে ভয় পাচ্ছেন, আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই। আমাদের নেত্রী এই স্টেজ থেকে বলেছেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন না, তাই আপনাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, সরকার বিদেশে সংখ্যালঘুদের নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ঘটনা তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগই সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করে। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘুদের কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হবে না। তিনি বলেন, আমাদের চেয়ারপারসন আজকে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি থাকায় এ জনসভায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। আমরা তার স্মরণে মঞ্চে তার জন্য খালি চেয়ার রেখে এ জনসভা করছি। সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে মিটিং করতে দিয়েছেন। এসে দেখে যান, এই সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। যদি সাহস থাকে ৭ দিন সময় দিয়ে অনুমতি দেন, ঢাকার একটি রাস্তাও ফাঁকা থাকবে না।
এবার ছেড়ে দেবো না: মওদুদ
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আজকের পত্রিকায় দেখলাম এরা মাঠ দখলের কথা বলেন। আর আমরা যদি মাঠে নামি আমাদেরকে প্রতিহত করবেন। কেন প্রতিহত করবেন? আমরা বলতে চাই, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি প্রতিহত করেন, আমরাও আপনাদের প্রতিহত করবো। এবার ছেড়ে দেবো না। যদি মনে করেন, আমরা বাড়িতে বসে থাকবো আর আপনারা মাঠ দখল করে থাকবেন- এটা দুঃস্বপ্ন। বাংলাদেশের মাটিতে এটা এবার করতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, কর্মসূচি পালনে আগামীতে আমরা আর অনুমতি নেবো না। প্রশাসনকে কেবল অবহিত করা হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আজকে বাকস্বাধীনতার ওপর মারাত্মক আঘাত হানা হয়েছে। জঘন্যতম কালো আইন। এই আইনের ধারা ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২ এবং ৪৩ সবগুলোই সংবিধান পরিপন্থী। আজকে সময় এসেছে গণমাধ্যমের ভাইবোনদের জেগে ওঠার। দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আপনারা এটা প্রতিহত করার চেষ্টা করুন। সরকারকে এই আইন বাতিল করতে বাধ্য করুন। এই আইনে বিপুল সাজার বিধিসহ পুলিশকে অসীম ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে এই আইন করেছে যাতে সংবাদপত্র এই সরকারের অপকর্মগুলো ছাপাতে না পারে। আমরা ক্ষমতায় গেলে ৭ দিনের মতো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে দেবো।
এ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জমির
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার বিরুদ্ধে মামলা নেই। প্রতিদিন আদালতে হাজিরা দিতে হয়। তারপরও তো আমাদের সংগ্রাম চলছে। ইনশাআল্লাহ এই সংগ্রাম চলবে, যতদিন না আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হবে। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য শেখ হাসিনা ১৭৩ দিন হরতাল করেছিলেন। তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী ছিল। আজকে জামায়াতকে তাদের পক্ষে নেয়া আর সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে, যার জন্ম এদেশে হয়েছে- যার ভোটার তালিকায় নাম আছে সে ভোট দিতে পারবে যে দলেই হোক না কেন। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন করে যদি আপনারা (আওয়ামী লীগ) ক্ষমতায় থাকতে পারেন আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
এদেশে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হবে না: আব্বাস
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের বিচার করা ছাড়া কোর্টের আর কোনো কাজ নেই। তারপরও আমাদের আন্দোলনে সরকারের লোকজনের মুখ হয়ে গেছে আমচুরের মতো। সরকারের মধ্যে ভীতি কাজ করছে, ভয় কাজ করছে। এখন একটা আওয়াজ উঠেছে জাতীয় ঐক্য হবে। হবে কিনা হবে আল্লাহই জানেন। সরকার বহু চেষ্টা করছে যাতে ঐক্য না হয়। হলে ভালো, না হলে ক্ষতি নেই। যাই হোক, ঐক্য হোক না হোক বিএনপিকে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। আমরা অন্য কোনো দিকে তাকাতে রাজি নই। আব্বাস বলেন, এই দেশে এখন রাজতন্ত্র চলছে নাকি। এটা কি রাজার দেশ যে কিছু বললেই ষড়যন্ত্র হবে। এটা রাজার দেশ নয়, গণমানুষের দেশ। এখানে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হবে না। আর বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগই অবৈধভাবে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার ষড়যন্ত্র করছে।
যারাই রাজপথে আসবে তারাই বন্ধু, সে যদি শয়তানও হয়: গয়েশ্বর
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আজকের যে ঐক্য- এই ঐক্যে মানুষের মধ্যে একটি আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছে। একটি চেতনা এবং শক্তির সৃষ্টি হয়েছে। এই ঐক্যের ডাক দিয়েছেন খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার উক্তি, ঐক্যেই মুক্তি। বিএনপি ঐক্যের জন্য সবসময় প্রস্তুত। এই আন্তরিকতাকে কেউ দুর্বলতা ভাববেন না। লোক নেই, জন নেই, বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টি করে অনৈক্যের সুর বাজালে জনগণের কাছে ধিকৃত হবেন। জনগণ যতটুকু থু থু ফেলবে তা কিন্তু সাঁতরিয়ে কুল পাবেন না। সেই কারণেই গণতন্ত্রের দাবিতে, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে, এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে যারা রাজপথের আন্দোলনে আসবে তারাই আমাদের বন্ধু। সে যদি শয়তানও হয়। সুতরাং গণতন্ত্রের স্বার্থে যারা লড়াই করবে, বিএনপি তাদেরকে না করতে পারবে না। আমরা সবাইকে নিয়ে ঐক্য চাই, গণতন্ত্রের মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই; জনগণের মুক্তি চাই।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, সেলিমা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, বরকতউল্লাহ বুলু, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন, নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবীব, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, মাহবুবের রহমান শামীন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস আকতার শিরিন ও শামা ওবায়েদ বক্তব্য দেন।
এ ছাড়া সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, রুহুল আলম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল হাবীব দুলু, সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া, রেহেনা আক্তার রানু, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ফুটবলার আমিনুল হক, আকন কুদ্দুসুর রহমান, স্বাস্থ্য সহসম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, শামীমুর রহমান, হেলেন জেরিন খান, এবিএম মোশাররফ হোসেন, কাদের গনি চৌধুরী, ব্যারিস্টার আবদুস সালাম, ডা. মাজহারুল আলম, ঢাকা মহানগর (উত্তর) বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাসিম, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, জাসাস সভাপতি মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক হেলাল খান, যুবদল ঢাকা মহানগর (উত্তর) সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর, যুবদল ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) সভাপতি রফিকুল আলম মঞ্জু, ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শুরুর আগে জাসাসের পক্ষ থেকে রণসংগীত পরিবেশন করা হয়। এ সময় কণ্ঠশিল্পী মনির খান, চিত্রনায়ক হেলাল খান উপস্থিত ছিলেন।
সোহরাওয়ার্দীতে জনস্রোত
জনসভার মূল ব্যানারে লেখা ছিল- মাদার অব ডেমোক্রেসি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল নেতাকর্মীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে জনসভা। প্রধান অতিথি হিসেবে নাম লেখা ছিল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার। আমরা তার মুক্তি চাই।’ মঞ্চে খালেদা জিয়ার জন্য একটি চেয়ার সংরক্ষিত রাখা হয়। জনসভা থেকে প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেন, ‘প্রতীক হিসেবে দেশনেত্রীর নাম প্রধান অতিথি হিসেবে লেখা হয়েছে। তিনি এখন কারাবন্দি। দুপুর ২টায় জনসভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে সমাবেশের আশপাশ এলাকায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। দুপুরের দিকে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ঢাকা মহানগর বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে যোগ দেন জনসভায়।
দুপুর দুইটায় সমাবেশ শুরুর দিকে মৎস্য ভবন, রমনাপার্ক, প্রেস ক্লাব মোড়, টিএসসি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায় বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যানার ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আবার অনেক থানা ও ইউনিট বিএনপির নেতাকর্মীরা খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে জনসভায় যোগ দিচ্ছেন। বেলা তিনটার মধ্যেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মাঠ ও তার চারপাশে নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে জনসভাটি পরিণত হয় জনসমুদ্রে। ২টা ১৫ মিনিটের দিকে শ খানেক পুলিশ এক সঙ্গে বাঁশি বাজিয়ে মৎস্য ভবন মোড় থেকে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সামনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশ পথ পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। উল্লেখ্য, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১২ই নভেম্বর বিএনপির জনসভায় খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখেছিলেন।
দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছাড়াই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এটা প্রথম জনসভা বিএনপির। ২০ দলীয় জোটের প্রধান শরিক দল বিএনপি স্বতন্ত্রভাবেই আয়োজন করেছিল সোহরাওয়ার্দীর এই জনসভা। ফলে জনসভায় জোটের শরিক দল বা জাতীয় ঐক্যের কোনো নেতা যেমন উপস্থিত ছিলেন না, তেমনি তাদের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণও ছিল না। তার উপর জনসভা আয়োজনে আগের দিন বিকালে অনুমতি পাওয়া, যানবাহন সংকট, পথে পথে প্রতিবন্ধকতা ও গ্রেপ্তারের মধ্যেও বিএনপি অঙ্গদলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। বিপুল মানুষের অংশগ্রহণে সোহরাওয়ার্দীর সমাবেশ থেকে শান্তিপূর্ণ জনসভার মাধ্যমে সরকার ও দেশবাসীর প্রতি নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি এবং জনপ্রিয়তার একটি বার্তা দিয়েছে বিএনপি।
সোহরাওয়ার্দীর জনসভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার। জনগণকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে নির্যাতন-নিপীড়নের মাধ্যমে গ্রেপ্তার, হামলা গুম করছে। আমাদের বহু সহকর্মী এখন গ্রেপ্তার হয়েছেন, অনেকেই গুম হয়েছেন, অনেককে খুন করা হয়েছে। ১লা সেপ্টেম্বর থেকে আজ পর্যন্ত ২৯দিনে ৪ হাজার ৯৪টি মামলা করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪ হাজার ৩১৯ জনকে, আসামি করা হয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৭৩০ জনকে। এগুলো সবই গায়েবি মামলা। কোনো অস্তিত্ব নেই। একেবারেই ভৌতিক মামলা। একবার কি আমাদের প্রশাসনের ভাইয়েরা চিন্তা করছেন? ভবিষ্যতে যখন এগুলো তদন্ত হবে, যখন দেখা যাবে কোনো ভিত্তি নেই, তখন কি হবে? তখন সকলকেই জবাবদিহি করতে হবে, কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। মির্জা আলমগীর বলেন, বাংলাদেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার। কয়লাকে ধুলা বানিয়ে দিয়েছেন, সোনাকে তামা বানিয়ে দিয়েছেন। ব্যাংক থেকে টাকা লুট করে বাংলাদেশ ব্যাংক খালি করে দিয়েছেন।
তাও তাদের আশ মিঠে না। ১০ বছর লুট করেছেন, আরো করতে চান। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের দেশকে ও জনগণকে রক্ষা করতে হবে। ’৭১ সালে যে চেতনা নিয়ে আমরা স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছিলাম, একটি গণতান্ত্রিক, সুখী সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। সেটাকে নির্মাণ করতে হলে আজকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। মির্জা আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ ভয় পেয়েছে, মারাত্মকভাবে ভয় পেয়েছে। এত ভয় পেয়েছে, মামলা করা, ভয় দেখানো ছাড়া তাদের কোনো উপায় নেই। সবখানে তারা বিএনপির ষড়যন্ত্রের ভূত দেখছে। রাতে মানুষ দুঃস্বপ্ন দেখে। এরা (আওয়ামী লীগ) দুঃস্বপ্ন দেখে বিএনপি বলে চিৎকার করে ওঠে। খালেদা জিয়া বলে চিৎকার করে ওঠে। তারেক রহমান বলে চিৎকার করে ওঠে। আজকে দেশের প্রতিটি মানুষ খালেদা জিয়া হয়ে উঠেছে, তারেক রহমান হয়ে উঠছে। এ দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট সরকারের করালগ্রাস থেকে মুক্ত করে আনবেই আনবে। মির্জা আলমগীর বলেন, আপনারা ব্যবসায়ীদের জিজ্ঞাসা করবেন। তারা কর দিতে দিতে আর টাকা দিতে দিতে অস্থির হয়ে গেছে। তারা আর বাঁচতে পারছে না। এ করের টাকা দিয়ে তারা (আওয়ামী লীগ) আজ লুটের টাকা তৈরি করছে। পদ্মা সেতু ছিল ১০ হাজার কোটি টাকা, এখন ৩০ হাজার কোটি টাকা। প্রতিটি মেগাপ্রজেক্টে কয়েকগুণ টাকা দিচ্ছে। লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এই লুটপাট বন্ধ করুন। মির্জা আলমগীর বলেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে প্রতারণা বন্ধ করে অবিলম্বে কোটার সঠিক সংস্কারের পথ দেখান। নিরাপদ সড়কের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পিটিয়েছেন, গ্রেপ্তার করেছেন। তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিন। নিরাপদ বাংলাদেশ তৈরি করুন। মির্জা আলমগীর বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা শুনানি করে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম যুক্ত করা হয়েছে। আমরা বারবার বলেছি, এটা সম্পূর্ণ সাজানো মামলা। তিনবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রধান সাক্ষ্য মুফতি হান্নানকে নির্যাতন করে তার কাছ থেকে মিথ্যা এফিডেভিট নিয়ে এ মামলা শেষ হওয়ার আগেই তাকে ফাঁসি দিয়ে এ মামলাকে শেষ করে দেয়া হয়েছে। ৬২ জন সাক্ষী শেষ হওয়ার পরে তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের একজন নেতাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে নতুন চার্জশিট দিয়েছে। এ মামলা যেভাবে চলেছে তার শুনানিকে আমরা কোনোভাবেই গ্রহণ করতে পারি না। আমরা ২১শে আগস্টের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। কিন্তু এ ঘটনায় যারা অপরাধী নয় তাদের সাজা দেয়ার অপচেষ্টার আমরা নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা প্রত্যাশা করবো, বিচারক ন্যায়বিচার করবেন। তারেক রহমানসহ যারা এর সঙ্গে জড়িত নন, তাদের বেকসুর খালাস দেবেন। পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা আজকে গ্রেপ্তার হয়েছে তাদের এখনই মুক্তি দিন। অন্যথায় এ ধরনের মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার এ দেশের মানুষ কখনও গ্রহণ করবে না। আপনাদের তারা দাঁতভাঙা জবাব দেবে। বিএনপি ও অঙ্গদলের কারাবন্দি কিছু সিনিয়র নেতার নাম উল্লেখ করে তিনি সকল রাজবন্দির মুক্তি দাবি করেন। মির্জা আলমগীর বলেন, আজকের এ সভায় আসার পথে ও সভার আশপাশ থেকে অনেককেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকার গাড়ি ঘোড়া বন্ধ করে দিয়েছে। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও স্বৈরাচার সরকারের পতন চেয়ে স্লোগান দেয়ার মাধ্যমে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।
৭ দাবি ও ১২ লক্ষ্য বিএনপির
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসমুদ্র থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে ৭টি দাবি ও দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ১১টি লক্ষ্য ঘোষণা করেছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব দাবি ও লক্ষ্য ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে নিম্ন বর্ণিত দাবিগুলো পূরণ করতে হবে। দাবিগুলো হচ্ছে- ১. দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। দেশের বিরোধী-রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মুক্তি, সাজা বাতিল ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনী ফলাফল চূড়ান্ত ভাবে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সকল রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা ও নতুন কোনো ধরনের মামলা না দেয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে। পুরনো মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার না করার নিশ্চয়তা দিতে হবে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সাংবাদিকদের আন্দোলন এবং সামাজিক গণমাধ্যমে স্বাধীন মতপ্রকাশের অভিযোগে ছাত্র-ছাত্রী, সাংবাদিকসহ সকলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির নিশ্চয়তা দিতে হবে। ২. জাতীয় সংসদ বাতিল করা; ৩. সরকারের পদত্যাগ ও সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করা; ৪. যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে; ৫. সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সশস্ত্রবাহিনী নিয়োগ নিশ্চিত করা; ৬. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার বিধান নিশ্চিত করা এবং ৭. নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে তাদের উপর কোনো প্রকার বিধি-নিষেধ আরোপ না করা।
দেশবাসীর প্রতি বিএনপির ১২ লক্ষ্য ঘোষণা করতে গিয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, কি লক্ষ্যে আমাদের এই আন্দোলন। আমরা যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারি তাহলে এইসব লক্ষ্য পূরণ করবো। আমাদের লক্ষ্যগুলো হচ্ছে- ১. রাষ্ট্রের সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে একটি ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করা। ২. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দলীয়করণের ধারার বদলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। ৩. রাষ্ট্র ক্ষমতায় গ্রহণযোগ্য ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা। ৪. স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারক নিয়োগ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতা নিশ্চিত করা। ৫. স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ দেশপ্রেমিক সশস্ত্রবাহিনীকে আরো আধুনিক, শক্তিশালী ও কার্যকর করা। ৬. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। ৭. কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও অধিকতর কার্যকর করা। ৮. সকল নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা ও মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা। ৯. ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’- এই মূলনীতিকে অনুসরণ করে জাতীয় মর্যাদা ও স্বার্থ সংরক্ষণ করে স্বাধীনতা পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক এবং সৎ প্রতিবেশীসুলভ বন্ধুত্ব ও সমতার ভিত্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিনিয়োগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা।
১০. কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় না দেয়া এবং কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেয়া। ১১. ক) নিম্ন আয়ের নাগরিকদের মানবিক জীবনমান নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বেতন-মজুরি নির্ধারণ ও আয়ের বৈষম্যের অবসানকল্পে সমতাভিত্তিক নীতি গ্রহণ করা এবং সকলের জন্য কর্মসংস্থান, শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকারভাতা, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ও পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্যবীমা চালু, কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, শিল্প-বাণিজ্য ও কৃষির সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ও আধুনিক করা। খ. স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক এবং উচ্চশিক্ষা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে জীবনমুখী শিক্ষানীতি চালু করা, প্রযুক্তি-বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে মানব সম্পদের উৎকর্ষ সাধন করা, জাতীয় উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জীবন, সম্ভ্রম ও সম্পদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। গ. তৈরি পোশাক শিল্পের অব্যাহত উন্নয়ন এবং শিল্প ও রপ্তানি খাতকে বহুমুখী করা, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে উন্নয়নের ধারাকে গ্রামমুখী করা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ, ঝুঁকিমুক্ত ও প্রবাসী জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং তরুণ প্রজন্মের প্রতিভার বিকাশ ও তাদের আধুনিক চিন্তা চেতনাকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য শিক্ষা, তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তিখাতকে অগ্রাধিকার দেয়া এবং ১২. সকল প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসানে জাতীয় ঐকমত্য গঠন করা। ৭ দফা দাবি ও ১২টি লক্ষ্য ঘোষণার পর এগুলোর ব্যাপারে জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সমর্থন চান বিএনপি মহাসচিব। এ সময় সমাবেশের পুরো উপস্থিতি হাত উঁচিয়ে এসব দাবি ও লক্ষ্যে সমর্থন ব্যক্ত করেন।
পদত্যাগ করুন, দাবি মানুন, ভয় পাওয়ার কারণ নেই: মোশাররফ
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়ার আগে যেসব দাবিতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন সে দাবিতে জনগণ আজকে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। অনেক রাজনৈতিক ও ব্যক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয় ঐক্যমত সৃষ্টি হয়েছে যে, এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। আর এই নির্বাচন করতে হলে খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে ছাড়া কোনো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না। জনগণ তা হতে দেবে না। তিনি বলেন, এখনো সময় আছে জনগণের দাবি মানুন, পদত্যাগ করুন, সংসদ ভেঙে দিন। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দলীয় মনোভাবাপন্ন মানসিকতা পরিহার করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের অনুরোধও জানান প্রবীণ এ রাজনৈতিক। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে এক লাখ লোক মারা যাবে বলে আওয়ামী লীগের নেতা তোফায়েল আহমেদ যে বক্তব্য দিয়েছেন তার একমাস পর মহাজোটের শরিক নেতা রাশেদ খান মেনন সে সংখ্যা বাড়িয়ে বলেছেন ৩ লাখ।
তাদের বক্তব্যের রেশ ধরে ড. মোশাররফ বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই এমন কিছু করেছেন যার জন্য আপনারা ভয় পাচ্ছেন। ঐকিক নিয়মে হিসাব করে দেখেন গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকলে প্রতিদিন কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আপনাদের বাড়তে থাকবে। এখনো সময় আছে, জনগণের দাবি মানুন, সরকার থেকে পদত্যাগ করুন। আপনারা যে ভয় পাচ্ছেন, আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই। আমাদের নেত্রী এই স্টেজ থেকে বলেছেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন না, তাই আপনাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, সরকার বিদেশে সংখ্যালঘুদের নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ঘটনা তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগই সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করে। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘুদের কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হবে না। তিনি বলেন, আমাদের চেয়ারপারসন আজকে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি থাকায় এ জনসভায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। আমরা তার স্মরণে মঞ্চে তার জন্য খালি চেয়ার রেখে এ জনসভা করছি। সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে মিটিং করতে দিয়েছেন। এসে দেখে যান, এই সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। যদি সাহস থাকে ৭ দিন সময় দিয়ে অনুমতি দেন, ঢাকার একটি রাস্তাও ফাঁকা থাকবে না।
এবার ছেড়ে দেবো না: মওদুদ
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আজকের পত্রিকায় দেখলাম এরা মাঠ দখলের কথা বলেন। আর আমরা যদি মাঠে নামি আমাদেরকে প্রতিহত করবেন। কেন প্রতিহত করবেন? আমরা বলতে চাই, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি প্রতিহত করেন, আমরাও আপনাদের প্রতিহত করবো। এবার ছেড়ে দেবো না। যদি মনে করেন, আমরা বাড়িতে বসে থাকবো আর আপনারা মাঠ দখল করে থাকবেন- এটা দুঃস্বপ্ন। বাংলাদেশের মাটিতে এটা এবার করতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, কর্মসূচি পালনে আগামীতে আমরা আর অনুমতি নেবো না। প্রশাসনকে কেবল অবহিত করা হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আজকে বাকস্বাধীনতার ওপর মারাত্মক আঘাত হানা হয়েছে। জঘন্যতম কালো আইন। এই আইনের ধারা ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২ এবং ৪৩ সবগুলোই সংবিধান পরিপন্থী। আজকে সময় এসেছে গণমাধ্যমের ভাইবোনদের জেগে ওঠার। দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আপনারা এটা প্রতিহত করার চেষ্টা করুন। সরকারকে এই আইন বাতিল করতে বাধ্য করুন। এই আইনে বিপুল সাজার বিধিসহ পুলিশকে অসীম ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে এই আইন করেছে যাতে সংবাদপত্র এই সরকারের অপকর্মগুলো ছাপাতে না পারে। আমরা ক্ষমতায় গেলে ৭ দিনের মতো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে দেবো।
এ সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জমির
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার বিরুদ্ধে মামলা নেই। প্রতিদিন আদালতে হাজিরা দিতে হয়। তারপরও তো আমাদের সংগ্রাম চলছে। ইনশাআল্লাহ এই সংগ্রাম চলবে, যতদিন না আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হবে। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য শেখ হাসিনা ১৭৩ দিন হরতাল করেছিলেন। তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী ছিল। আজকে জামায়াতকে তাদের পক্ষে নেয়া আর সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে, যার জন্ম এদেশে হয়েছে- যার ভোটার তালিকায় নাম আছে সে ভোট দিতে পারবে যে দলেই হোক না কেন। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন করে যদি আপনারা (আওয়ামী লীগ) ক্ষমতায় থাকতে পারেন আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
এদেশে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হবে না: আব্বাস
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের বিচার করা ছাড়া কোর্টের আর কোনো কাজ নেই। তারপরও আমাদের আন্দোলনে সরকারের লোকজনের মুখ হয়ে গেছে আমচুরের মতো। সরকারের মধ্যে ভীতি কাজ করছে, ভয় কাজ করছে। এখন একটা আওয়াজ উঠেছে জাতীয় ঐক্য হবে। হবে কিনা হবে আল্লাহই জানেন। সরকার বহু চেষ্টা করছে যাতে ঐক্য না হয়। হলে ভালো, না হলে ক্ষতি নেই। যাই হোক, ঐক্য হোক না হোক বিএনপিকে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। আমরা অন্য কোনো দিকে তাকাতে রাজি নই। আব্বাস বলেন, এই দেশে এখন রাজতন্ত্র চলছে নাকি। এটা কি রাজার দেশ যে কিছু বললেই ষড়যন্ত্র হবে। এটা রাজার দেশ নয়, গণমানুষের দেশ। এখানে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হবে না। আর বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগই অবৈধভাবে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার ষড়যন্ত্র করছে।
যারাই রাজপথে আসবে তারাই বন্ধু, সে যদি শয়তানও হয়: গয়েশ্বর
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আজকের যে ঐক্য- এই ঐক্যে মানুষের মধ্যে একটি আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছে। একটি চেতনা এবং শক্তির সৃষ্টি হয়েছে। এই ঐক্যের ডাক দিয়েছেন খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার উক্তি, ঐক্যেই মুক্তি। বিএনপি ঐক্যের জন্য সবসময় প্রস্তুত। এই আন্তরিকতাকে কেউ দুর্বলতা ভাববেন না। লোক নেই, জন নেই, বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টি করে অনৈক্যের সুর বাজালে জনগণের কাছে ধিকৃত হবেন। জনগণ যতটুকু থু থু ফেলবে তা কিন্তু সাঁতরিয়ে কুল পাবেন না। সেই কারণেই গণতন্ত্রের দাবিতে, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে, এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে যারা রাজপথের আন্দোলনে আসবে তারাই আমাদের বন্ধু। সে যদি শয়তানও হয়। সুতরাং গণতন্ত্রের স্বার্থে যারা লড়াই করবে, বিএনপি তাদেরকে না করতে পারবে না। আমরা সবাইকে নিয়ে ঐক্য চাই, গণতন্ত্রের মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই; জনগণের মুক্তি চাই।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, সেলিমা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, বরকতউল্লাহ বুলু, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন, নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবীব, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, মাহবুবের রহমান শামীন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস আকতার শিরিন ও শামা ওবায়েদ বক্তব্য দেন।
এ ছাড়া সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, রুহুল আলম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল হাবীব দুলু, সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া, রেহেনা আক্তার রানু, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ফুটবলার আমিনুল হক, আকন কুদ্দুসুর রহমান, স্বাস্থ্য সহসম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, শামীমুর রহমান, হেলেন জেরিন খান, এবিএম মোশাররফ হোসেন, কাদের গনি চৌধুরী, ব্যারিস্টার আবদুস সালাম, ডা. মাজহারুল আলম, ঢাকা মহানগর (উত্তর) বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাসিম, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, জাসাস সভাপতি মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক হেলাল খান, যুবদল ঢাকা মহানগর (উত্তর) সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর, যুবদল ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) সভাপতি রফিকুল আলম মঞ্জু, ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শুরুর আগে জাসাসের পক্ষ থেকে রণসংগীত পরিবেশন করা হয়। এ সময় কণ্ঠশিল্পী মনির খান, চিত্রনায়ক হেলাল খান উপস্থিত ছিলেন।
সোহরাওয়ার্দীতে জনস্রোত
জনসভার মূল ব্যানারে লেখা ছিল- মাদার অব ডেমোক্রেসি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল নেতাকর্মীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে জনসভা। প্রধান অতিথি হিসেবে নাম লেখা ছিল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার। আমরা তার মুক্তি চাই।’ মঞ্চে খালেদা জিয়ার জন্য একটি চেয়ার সংরক্ষিত রাখা হয়। জনসভা থেকে প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেন, ‘প্রতীক হিসেবে দেশনেত্রীর নাম প্রধান অতিথি হিসেবে লেখা হয়েছে। তিনি এখন কারাবন্দি। দুপুর ২টায় জনসভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে সমাবেশের আশপাশ এলাকায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। দুপুরের দিকে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ঢাকা মহানগর বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে যোগ দেন জনসভায়।
দুপুর দুইটায় সমাবেশ শুরুর দিকে মৎস্য ভবন, রমনাপার্ক, প্রেস ক্লাব মোড়, টিএসসি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায় বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যানার ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আবার অনেক থানা ও ইউনিট বিএনপির নেতাকর্মীরা খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে জনসভায় যোগ দিচ্ছেন। বেলা তিনটার মধ্যেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মাঠ ও তার চারপাশে নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে জনসভাটি পরিণত হয় জনসমুদ্রে। ২টা ১৫ মিনিটের দিকে শ খানেক পুলিশ এক সঙ্গে বাঁশি বাজিয়ে মৎস্য ভবন মোড় থেকে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সামনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশ পথ পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। উল্লেখ্য, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১২ই নভেম্বর বিএনপির জনসভায় খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখেছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1404)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
October
(200)
-
▼
Oct 01
(17)
- ‘আগ্রাসন চালিয়ে বাংলাদেশ দখল করে নেয়া উচিত ভারতের’
- বর নাকি বর্বর!
- সমালোচকরা বৃটেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করছে: তেরেস...
- দেশে ২০ লাখ লোক ক্যানসারে আক্রান্ত
- যেভাবে ফজলুল করিম প্রধান বিচারপতি হন -সুরেন্দ্র কু...
- বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এস কে সিনহা যা বললেন by ম...
- সেনা সমর্থিত সরকারও আমাকে পদত্যাগ করতে চাপ দেয় -সু...
- ভারতে কোনো অবৈধ বাংলাদেশি নেই -ভয়েস অব আমেরিকাকে প...
- সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে তিন মন্ত্রীর বৈঠক: ডিজিটাল ন...
- বিএনপি’র শোডাউন
- সুরঞ্জিতকে বললাম এত খুশি হবেন না -সুরেন্দ্র কুমার ...
- তেহরানে পরমাণু গুদাম শনাক্তের দাবি: ইরান-ইসরাইলের ...
- শিশু হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ৩০০, পাঁচ শিশুর মৃত্যু
- বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা ...
- ভয়াবহ মানবিক সংকটে ইয়েমেন
- ‘মাতাল অবস্থায় কাভানা আমার পোশাক কেড়ে নেয়ার চেষ্টা...
- ম্যাসাজকর্মীর সঙ্গে গোপন সম্পর্ক মালিকের
-
▼
Oct 01
(17)
-
▼
October
(200)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment