Tuesday, October 23, 2012
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় মৃত্যুবরণ করলেন ২২ অক্টোবর। তার জন্ম মাদারীপুর জেলার মাইজপাড়া গ্রামে ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বরে।

দেশবিভাগের কারণে সপরিবারে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় স্থায়ী আবাস গড়ে উঠলেও এপার বাংলার জন্মভূমির সঙ্গে সুনীলের নাড়ির টান অচ্ছেদ্য। নিরন্তর সৃজনশীলতা নিয়ে তিনি সর্বভারতীয় পর্যায়েও একজন বড় সাহিত্য ব্যক্তিত্ব ভারতীয় সাহিত্য আকাডেমীর সভাপতি। তাঁর লেখা কবিতা, গল্প, উপন্যাস দুই বাংলার পাঠকদের কাছে সমান সমাদৃত। জন্মভূমিতে অনুষ্ঠিত সুনীল মেলায় যোগ দিতে গত ২০০৭ সালের ২৭ নভেম্বর তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন। ঘুরে গেছেন নিজ জন্মভিটা মাদারীপুর। মেলায় আসা এই প্রখ্যাত লেখক ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে লেখক জীবনের নানা কথা বলেছেন আহমেদ সুবীরের সঙ্গে। এর একটি বড় অংশ ছাপা হয় দৈনিক ইত্তেফাকে ৯ অক্টোবর ২০০৯ সংখ্যায়। বার্তা২৪ ডটনেট-এর পাঠকদের জন্য এটি আবার প্রকাশ করা হলো।
আহমেদ সুবীর: আপনার শৈশব ও কৈশোর সম্পর্কে কিছু বলুন?
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়: আমার শৈশবের কিছুটা অংশ পার করেছি এই মাইজপাড়া গ্রামে। বাকিটা সময় কেটেছে কলকাতায়। ছোটবেলায় বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে পাট ক্ষেতে দৌড়াদৌড়ি করতাম, হারিয়ে যেতাম, গ্রামের পুকুর জলে সাঁতার কাটতাম। কাগজের ঠোঙ্গা দিয়ে নৌকা বানিয়ে পানিতে ভাসিয়ে দিতাম। শৈশবের সেই স্মৃতিগুলো এখনও আমাকে প্রবল আনন্দ দেয়। আমার লেখালেখির শুরু কলকাতায় হলেও পূর্ববঙ্গের শৈশব-স্মৃতি আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াত। এটা লেখালেখির সূচনাপর্ব থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত আছে বলে মনে হয়।
আহমেদ : আপনার ছাত্র জীবনটা কেমন কেটেছে?
সুনীল: দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের ভয়াবহতার শিকার হয়েছিলেন আমার বাবা। স্কুল, কলেজ বন্ধ হয়ে গেল অনির্দিষ্টকালের জন্য বেসরকারী স্কুলে ছাত্রদের মাইনে থেকেই শিক্ষকদের বেতন হত। স্কুল বন্ধ হওয়ার পর বাবা বেকার হয়ে যান, তার পক্ষে সংসার চালানো কঠিন হওয়ায় আমাদের পাঠিয়ে দেন গ্রামের বাড়িতে। আমি মাইজপাড়ার বীরমোহন বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। টিনের চালের স্কুল ঘরটি ছিল বেশ পরিচ্ছন্ন। এর পেছন দিকে টলমলে জলভরা সুন্দর একটা বড় দীঘি ছিল। স্কুলটি আমাদের বাড়ি থেকে অনেকটা দূরে হওয়ায় হেঁটে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। শহরের স্কুলে আমাদের সঙ্গে কোনও মুসলমান সহপাঠি না থাকলেও গ্রামের স্কুলে ছাত্র হিসেবে হিন্দু-মুসলমান উভয়ই ছিল। হেড মাস্টার লঙ্কর সাহেবকে মনে হতো চলমান এক পর্বত, কিন্তু তিনি অমায়িক ব্যবহারে অভ্যস্ত ছিলেন। তখন স্কুলে যেতাম নরম নরম ফেনামাখা ভাত খেয়ে।
আহমেদ : আপনার জীবনে প্রেমের কোন বিশেষ স্মৃতি থাকলে জানতে চাই?
সুনীল : দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমাদের গ্রামের মামার বাড়িতে অনেক আত্মীয়-স্বজনের সমাবেশ হতো। তাদের মধ্যে আমার কয়েকজন অন্সরীতুল্য মাসি ছিলেন, আমি তাদের প্রত্যেকের প্রেমে পড়েছিলাম। সেই প্রেম অনেকটা দেবী-আরাধনার মতো। এক একজনের ফর্সা, নরম পা দেখে মনে হত, আমি মাটিতে শুয়ে থাকব, তিনি যদি অন্যমনস্কভাবে আমার বুকের উপর দিয়ে হেঁটেও যান, তাতেও আমার জীবন ধন্য হবে।
আহমেদ : জীবনের কোন কষ্টের ঘটনা বলবেন কি?
সুনীল : আমার প্রধান দোষ আমি বই পড়তে পড়তে খুব কাঁদি। মৃত্যু দৃশ্য বা করুণ দৃশ্যে নয়, ভুল বোঝাবুঝির দৃশ্যে আমার চোখে বেশি জল আসে। একজন আরেকজনকে ভুল বুঝছে, অথচ ভালোবাসার অভাব নেই। এরকম আমি সহ্য করতে পারি না। এ বিষয়টি আমাকে ভীষণ কষ্ট দেয়। মনে আছে, সতীনাথ ভাদুড়ীর জাগরী প্রথমবার পড়ার সময় মা-বাবা ও দুই ভাইয়ের ভুল বোঝাবুঝির কাহিনীতে আমি এত জোরে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলাম যে, মা ভয় পেয়ে পাশের ঘর থেকে ছুটে এসে ব্যাকুলভাবে জানতে চেয়েছিলেন, কী হয়েছে? তখন লজ্জায় চোখের জল মুছতে বাধ্য হয়েছিলাম। এ জীবনে আমি বই পড়ে যতবার কান্নাকাটি করেছি, প্রিয়জন বিচ্ছেদে কান্না সে তুলনায় অনেক কম।
আহমেদ সুবীর: আপনাদের প্রজন্ম দেশভাগ, মহাযুদ্ধ ইত্যাদি মানবসৃষ্ট দুর্যোগের মধ্য দিয়ে শৈশব-কৈশোর যৌবনের উল্লেখযোগ্য অংশ কাটিয়েছেন। তো, এই ধরনের বিপর্যয়ের ভিতর থেকে জীবনের নতুন কোন অর্থ বা তাৎপর্য কি খুঁজে পেয়েছেন?
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়: অনেক ঘটনা আছে। আমরা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ দেখেছি। তখন একটা দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। মানুষ খাবার পেত না। আমরাও এর শিকার হয়েছিলাম। খাবার সংগ্রহ করতে আমাদের খুবই অসুবিধা হতো। দাঙ্গা দেখেছি। বীভৎস দাঙ্গা! যারা এক সময় প্রতিবেশী ছিল, বন্ধু ছিল তারা হঠাৎ অবিশ্বাসী, হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। কত নিরীহ লোক মারা পড়েছে! বাড়ি-ঘর ধ্বংস হয়েছে! আর যারা এসব নিয়ে রাজনীতি করেছে তাদের কিছুই হয়নি। দেশ বিভাগ দেখেছি। দেশ বিভাগের অভিজ্ঞতা যেমন করুণ তেমন ছিল ভয়াবহ। বাংলাদেশ থেকে শুধুমাত্র আমরা চলে গেছি তাই নয়, পশ্চিম বাংলা থেকেও অনেকে এখানে এসেছে। এসব কারণে লাখ লাখ পরিবার বিপর্যস্ত হয়েছে। এসব ঘটনা মনের মধ্যে একটা ছাপ ফেলে দিয়েছে। এসব থেকে সব সময় নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেছি, মানুষ কেন মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে? মানুষ যদি এক হয়ে থাকতে পারতো তাহলে পৃথিবীটা সত্যিই একটা সুন্দর জায়গা হতো। এই চিন্তা থেকেই লেখালেখি শুরু করেছি।
আহমেদ : লিটলম্যাগ সম্পর্কে আপনার ভাবনা কি?
সুনীল : লিটল ম্যাগাজিন সাহিত্যের জন্য একটা ভাল উদ্যোগ। বাংলা ভাষায় অনেক লিটল ম্যাগাজিন বের হয়। এটি নতুন লেখকদের অনুপ্রেরণা যোগায়। লেখালেখিতে আগ্রহী করে তোলে। আমিতো ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াই। বাংলা ভাষার মতো অন্যান্য ভাষায় এতো লিটল ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয় না।
আহমেদ : তরুণদের বই প্রকাশে প্রকাশকদের অনীহা সম্পর্কে বলুন?
সুনীল : মানুষের জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে প্রচুর সংগ্রাম করতে হয়। তরুণদেরকেও লড়াই করতে হবে। প্রথম জীবনে সবাইকেই সংগ্রাম করতে হয়। লড়াই-সংগ্রাম করতে করতেই একদিন তারা জিতবে। নিজেদের জায়গা করে নেবে। আস্তে আস্তে পাঠকদের ভালবাসা পেলে তবেই প্রকাশকরা তাদের বই প্রকাশে আগ্রহী হয়।
আহমেদ: তরুণ লেখকদের প্রতি সম্পাদকদের কেমন ভূমিকা থাকা উচিত বলে আপনি মনে করেন?
সুনীল : তরুণ লেখকদের প্রতি সম্পাদকদের দৃষ্টিকোণ অবশ্যই ভাল থাকা উচিত। যে সম্পাদক তরুণ লেখকদের প্রতি সহানুভূতিপূর্ণ ও আন্তরিক ব্যবহার প্রদর্শন করেন না, তাকে একসময় পস্তাতে হয়। কারণ প্রবীণ বা খ্যাতিমান লেখকরা চিরকাল বেঁচে থাকে না; তরুণরা সেই স্থান পূরণ করে। তাছাড়া সম্পাদকদের আমার নিজের একটি বিষয়ের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। তরুণ লেখক হিসেবে আমারও ছাপা হওয়া লেখার বিল দিতে তারা অস্বীকৃতি জানিয়েছেলো।
তারা আরও বলেছিল, নতুন লেখকের নাম ছাপা হওয়াটাই বড়; কথাটা শুনে আহত যেমন হয়েছিলাম তেমনি দৃপ্তকণ্ঠে সম্পাদককে বললাম, নতুন আর পুরনোতে কী যায়- আসে, আপনার পত্রিকায় এক পৃষ্ঠা জুড়ে আমার গল্প ছাপা হয়েছে, সেই জায়গাটার দাম দিবেন না? তাহলে ছাপতে গেলেন কেন? তিনি পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে একটা পাঁচ টাকার নোট আমার দিকে ছুঁড়ে দিয়ে বললেন, যাও। বিদায় হও। আমিও সঙ্গে সঙ্গে সেই টাকা তার দিকে আরও জোরে ছুঁড়ে দিয়ে বললাম, আমি কি ভিখিরি নাকি? এ টাকা দিয়ে আপনার বাড়ির ছেলে-মেয়েদের চানাচুর খাওয়াবেন।
আহমেদ : এবার একটা ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি। পশ্চিমবঙ্গের কবিতার ভাষা আর এখানকার ভাষার মধ্যে আপনি কোন পার্থক্য খুঁজে পান কি?
সুনীল : মৌলিক পার্থক্য কিছুই নেই। দু’একটা শব্দ এদিক-ওদিক আছে। ওই পর্যন্তই। কবিতার মৌল উপাদান বা কাব্যকৌশলের ক্ষেত্রে ভাষাগত ঐক্যের কারণে দুই বাংলার কবিতাতেই বেশকিছু সাদৃশ্য লক্ষ্য করি।
আহমেদ: দুই বাংলার কবি ও কবিতা সম্পর্কে মূল্যায়ন করুন।
সুনীল : দু’বাংলাতেই বেশ ভাল লেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের লেখকদের লেখার মান বরাবরই ভালো। তাদের চিন্তা-চেতনায় সামাজিক দায়বদ্ধতার ছাপ সুস্পষ্ট। তাছাড়া একাত্তরের যুদ্ধের ভয়াবহতা এখানকার সাহিত্যে একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করেছে। যুদ্ধপূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সাহিত্য মান বিবেচনা করলে পার্থক্যটি আরও সুস্পষ্ট হবে। কলকাতার চেয়ে বাংলাদেশের পত্রিকাগুলো অনেক যতœ নিয়ে সাহিত্য বিষয়ক লেখা প্রকাশ করে: এটা খুবই আশার কথা।
আহমেদ : একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি- ওপার বাংলায় রাষ্ট্র কি কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়?
সুনীল : না। রাষ্ট্রের সঙ্গে কবি-সাহিত্যিকদের কোন অর্থনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে লেখকের জন্য যথাযথ মূল্যায়ন করে পুরস্কারের ব্যবস্থা আছে। সত্যিকারের লেখকরা সেই পুরস্কার পায়।
আহমেদ : আপনার প্রিয় কোন কবিতা সম্পর্কে পাঠকদের কিছু বলবেন কি?
সুনীল : আমার কোন কবিতাই আমার কাছে প্রিয় মনে হয় না, সবগুলোই বাজে লাগে।
আহমেদ: স্বল্প সময়ে লেখা আপনার কবিতা, গল্প, উপন্যাসের নাম বলবেন কি?
সুনীল : অনেক। কয়টি বলব। ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতাটি মাত্র কুড়ি মিনিটে লেখা। ‘কান্না’ গল্পটি দু’ঘণ্টায় লেখা। আর কিছু উপন্যাস আছে যা লিখেছি মাত্র একমাসে।
আহমেদ : লিখতে বেশি সময় লেগেছে এমন কবিতা, গল্প, উপন্যাসঃ.
সুনীল : আমার লেখায় বেশি সময় লেগেছে এমন বইয়ের মধ্যে রয়েছে- ‘দেখা হলো ভালবাসা’ (কবিতা)- যা লিখতে একমাস পার করেছি। ‘গরম ভাত অথবা নিছক ভূতের গল্প’ (গল্প)- লিখেছি দশ দিনে। আর উপন্যাস ‘পূর্ব-পশ্চিম’ লিখতে সময় লেগেছে দীর্ঘ চার বছর।
আহমেদ : আপনার কোন গল্প-উপন্যাসের চরিত্রে বাস্তবের বিখ্যাত কেউ আছেন কি?
সুনীল : হ্যাঁ, এটা ভাল প্রশ্ন করেছেন। আমার বিভিন্ন গল্প-উপন্যাসের কাহিনী লেখা হয়েছে অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিদের নিয়ে। তার মধ্যে ‘নদী তীরে’ গল্পটি শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে নিয়ে লেখা। তাকে নিয়ে আমার লেখা একটি কবিতাও আছে। আর ‘পূর্ব-পশ্চিম’ উপন্যাসে বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবর রহমানকে তুলে এনেছি।
আহমেদ : চলতি পথে আপনার লেখার কোন অভিজ্ঞতাঃ
সুনীল : হ্যাঁ, চলতি পথে অনেক লেখা লিখেছি। তবে এর বেশিরভাগই ব্যক্তিগত চিঠিপত্র। এগুলো লিখেছি ট্রেনে বসে। আর ‘এথেন্স থেকে কায়রো’ কবিতাটি লেখা প্লেনে বসে।
আহমেদ : এমন কেউ কি আছেন যে বা যারা আপনার জীবনের প্রারম্ভ- পর্বে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিলেন?
সুনীল : জীবনের শুরুতেই মা-বাবার প্রভাবই বেশি ছিল। তাদের বাইরে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। আমাদের পড়াশোনা রবীন্দ্রনাথ থেকেই শুরু। প্রভাব যদি বলেন; তাহলে বলব, আমার লেখক জীবনে রবীন্দ্রনাথের প্রভাবই সবচেয়ে বেশি। আমার মা বই পড়তে খুবই ভালবাসতেন। তার সাথে আমিও বই পড়তাম। বাবা শিক্ষার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ফলে বাড়িতে একটা শিক্ষার পরিবেশ ছিল। মূলত এসবই আমার লেখালেখিতে প্রভাব ফেলেছে।
আহমেদ : আপনার গল্প-উপন্যাস-কবিতার নায়িকাদের অনেকেই তো খুব পাঠকপ্রিয়। যেমন কবিতার নায়িকা নীরা, বরুণার কথাই ধরা যাক। এ নায়িকারা আপনার সুখী দাম্পত্যে কখনও কোন বিঘœ ঘটায় কি?
সুনীল : না, খুব একটা না। কয়েক দশকব্যাপী নীরা, বরুণারা বাংলার পাঠক সমাজে রাজত্ব করে বেড়াচ্ছেন। এ নিয়ে আমার স্ত্রী কিংবা নিকটজনদের খুব যে কৌতূহল আছে তা নয়। তবে আমি নিজে মাঝে মাঝে আমার সৃষ্ট নায়িকাদের মিস করি।
আহমেদ : সাহিত্যিক না হয়ে অন্য কিছু হলেন না কেন?
সুনীল : কেন হলাম না সে উত্তর তো দেয়া মুশকিল। অল্প বয়সে নাবিক হবার শখ ছিল। এখন মনে হয়, গায়ক হতে পারলে বেশি তৃপ্ত হতাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিয়তি আমাকে সাহিত্যিকই করেছে।
আহমেদ: আপনার বিশ্বাসকে প্রভাবিত করেছেন এমন লেখক ও বইয়ের নাম বলবেন কি?
সুনীল : অনেক বই ও লেখকের নাম বলা যায়। তবে সবকিছু ছাপিয়ে রবীন্দ্রনাথের ‘গীতবিতান’ আমার প্রিয়। সেটা আমাকে ভীষণ মুগ্ধ করেছে। আর রবীন্দ্রনাথের অনেক কবিতাই আমার মুখস্থ। রবীন্দ্রনাথের কবিতার চেয়ে গানই আমায় বেশী টানে। অনেক গানের সুরে গুনগুন করি। আমাকে যদি কোথাও নির্বাসনে যেতে হয় তবে সঙ্গে নিতে ‘গীতবিতান’ অবশ্যই চাইবো। স্কুলজীবন শেষ করে যখন কলেজে পা রাখি, বিশ্বসাহিত্য সম্পর্কে একটু ধারণা হতে থাকে; তখন ভাবতাম, শেক্সপিয়রের লেখা না পড়লে আমার জীবন ব্যর্থ! শেক্সপিয়রের লেখা আমি মন দিয়ে পড়েছি। এসব লেখা আমাকে সবসময় প্রভাবিত করেছে এবং এখনও করে চলেছে।
আহমেদ : সাহিত্যে নোবেল পাবার আশা করেন কি?
সুনীল : নোবেল নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। আর নোবেল নিয়ে বাঙালির আদিখ্যেতার কারণটাও বুঝি না। আপনারা বাঙালি পাঠকেরা আমার লেখা পড়েন, তাতেই আমি খুশি। নোবেল পুরস্কারের চেয়ে আপনাদের ভালবাসাই আমার কাছে মূল্যবান।
আহমেদ : আপনার জীবনের স্মরণীয় কোন ঘটনাঃ
সুনীল : জীবনের স্মরণীয় ঘটনা, আমার বিয়ের বছর। অর্থাৎ যে বছরটিতে আমি বিয়ে করি। আমি স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বিয়ে করিনি! এক সময় ভেবেছিলাম বিয়েই করব না। বিয়ে না করেও বেশ জীবন কাটানো যায়। কিন্তু হঠাৎই এক মেয়ের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক হয়। এক পর্যায়েই শুনলাম তার অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। এক পর্যায়ে তার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধি। তবে এতে অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছিলাম। সেসব এখন শুধুই স্মৃতি। ধূসর-সোনালি স্মৃতি।
আহমেদ : আপনার জীবনদর্শন কি?
সুনীল : আমার জীবনদর্শন হচ্ছে- ‘মানুষ মানুষকে ভালবাসবে।’ সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানুষ তার ভালবাসাকে ভবিষ্যৎ পৃথিবী ও মানুষের জন্য রেখে যাবে।
আহমেদ : আমাদের বায়ান্নর মহান ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে আপনার উপলব্ধি জানাবেন কি?
সুনীল : বাংলা ভাষার অধিকার অর্জন বাঙালির জীবনে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। অনেক লড়াই-সংগ্রামের পর বাঙালি জাতি তার নিজেদের অধিকার অর্জন করেছে। বায়ান্নর পথ ধরে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ। তারপর বিজয়। এই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম। এই কষ্টার্জিত স্বাধীনতা যেন বিনষ্ট না হয়। বরং স্বাধীন বাংলাদেশ সামনের পথে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাবে- এটাই আমার আকাঙক্ষা।
আহমেদ : বাংলা কবিতার অর্ধশত বছরের একটি শক্তিশালী স্রোত ‘কৃত্তিবাস’ হতেই প্রবাহিত হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আপনি বিষয়টি কিভাবে মূল্যায়ন করেন?
সুনীল : এটা পাঠকের বিচার। কৃত্তিবাসের কি অবদান বা আমরা কি করেছি এটা আমার মুখ দিয়ে কোনদিনই বলবো না। পাঠকদের, সমালোচকদের বিচার কি হয়েছে না হয়েছে আমি জানলেও বলবো না।
পৃথিবীতে সবচেয়ে পুরনো কবিতা পত্রিকার নাম হচ্ছে ‘পয়েট্রি’। সেটা আমেরিকার শিকাগো শহর থেকে ১৯১২ সালে প্রথম বের হয়। এর মূল্যায়নের সঙ্গে সমান্তরালভাবে আমাদের পত্রিকার মূল্যায়নও করা যায়। অন্তত এর বিকাশ ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে বিবেচনা করলে।
আহমেদ : ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মুক্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা কি বলে মনে করেন?
সুনীল : ব্যক্তি স্বাধীনতা বা মুক্তির পথে বাধা হচ্ছে ‘কুসংস্কার’! অনেক পারিবারিক সংস্কার থাকে। সেই কুসংস্কার থেকে মুক্ত হতে অনেক সময় লাগে। নারী-পুরুষের যে তফাৎ বিভিন্ন ধর্ম করে রেখেছে, পরিবার থেকে যেগুলো আরোপ করা হয়েছে, স্বামীরা যেগুলো স্ত্রীদের ওপর আরোপ করে এসব থেকে যদি মুক্তি না পাওয়া যায়, মনের দিক থেকে যদি মুক্তি পাওয়া না যায় তাহলে উন্নতি হবে না। এই কুসংস্কার থেকে মুক্তি পাওয়াটাই মূল কথা বলে মনে করি।
আহমেদ : জীবনে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কখনো যখন দ্বিধায় ভোগেন তখন কার মতামত আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ঠেকে?
সুনীল : জীবন চলার পথে আমি অধিকাংশ সময় নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছি। আমি খুব একটা পারিবারিক প্রাণী ছিলাম না। অল্প বয়সেই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজের ইচ্ছেমত কাজ করেছি। এখন তো বিবাহিত জীবনে। তাই অনেক সময় আমার স্ত্রীর মতামত নিতে হয়। সিদ্ধান্ত জানতে হয়। যেমন এখানে আসার ব্যাপারে আমার স্ত্রীর মতামতটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি।
আহমেদ : সেই সময়, প্রথম আলো, পূর্ব-পশ্চিম এর মতো ট্রিলজি আমরা আপনার কাছ থেকে পেয়েছি; যেখানে ইতিহাস, সমাজ, দেশভাগ, মন্বন্তর এবং এসবের সাথে আপনার ব্যীক্তজীবনের লিপ্ততা এক নতুন কথাসাহিত্যিক মাত্রায় উন্মোচিত হয়েছে। এ ধরনের বিস্তৃত পরিসরে নতুন কোন কাজ কি করছেন?
সুনীল : আমার একটা ইচ্ছে আছে। আমি বইপত্র জোগাড় করছি। বাংলাদেশের ইসলামের আগমন এবং সুফি ধর্মের প্রভাব, হিন্দুদের মধ্যে কুসংস্কার এবং হিন্দুদের মধ্যে একশ্রেণীর লোকের আরেক শ্রেণীর লোকের উপর অত্যাচার যে সময়টায় ছিল সেই সময়টা নিয়ে লেখার একটা ইচ্ছা আছে। বাংলা অঞ্চলের নিম্নবর্গের মানুষের প্রতিরোধের একটা বিশ্বস্ত চেহারা উপন্যাসের পরিসরে ধারণ করার চেষ্টা করছি। সম্প্রতি প্রকাশিত মনের মানুষ উপন্যাসে আমার এ চেষ্টার একটা নজির হয়তো আপনারা দেখে থাকবেন।
আহমেদ : সাংবাদিকতা থেকে শুরু করে অনেক বিচিত্র পেশায় কাজ করার অভিজ্ঞতা আপনার কাছে। বলা হয় সাংবাদিকতা সাহিত্যিকের পয়লা নম্বর শত্রু। এ বিষয়ে আপনার অভিজ্ঞতাটা জানতে চাচ্ছি।
সুনীল : আমি সত্যিকারভাবে সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলাম না। তবে সংবাদপত্রের সাথে জড়িত ছিলাম। আমি হয়ত পুস্তক পরিচিতি বিভাগের সম্পাদক ছিলাম, কবিতা বিভাগের সম্পাদক ছিলাম- যাকে বলে বিভাগীয় সম্পাদক। কেজো সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝায় তার সাথে আমার তেমন যোগাযোগ হয়নি। তাই হয়তো আমার অভিজ্ঞতাটা খুব ভয়াবহ নয়।
আহমেদ : সাম্প্রতিক পশ্চিম বাংলায় হিন্দির ক্রমবর্ধমান দাপটকে লেখক-শিল্পীরা কিভাবে দেখছে বা মোকাবেলা করছে?
সুনীল : সামগ্রিকভাবে পশ্চিম বাংলাতে হিন্দির যে খুব একটা প্রভাব আছে তা নয়। তবে শহরের ছেলে-মেয়েরা একটু-আধটু হিন্দি ভাষা ব্যবহার করছে। আজকাল তো ঢাকাতেও ছেলে-মেয়েরা টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল দেখছে। তবে হিন্দি ভাষার কোন সামগ্রিক প্রভাব এখনো পশ্চিমবাংলায় পড়েনি। আমাদের প্রধান দ্বন্দ্ব হচ্ছে ইংরেজির সঙ্গে। এটা ঢাকাতেও আছে।
অল্প-বয়সী ছেলেমেয়েরা এখন ইরেজি শিখতে বাধ্য। ইংরেজি শিখতে গিয়ে তারা আর বাংলাটা শিখছে না। বাংলাদেশে তবুও বাংলাটা বাধ্যতামূলক। পশ্চিম বাংলায় তো ছেলে-মেয়েরা বাংলা কম শিখে। তবে গ্রামে এখনো বাংলা শেখে। বিশ্বায়নের সর্বগ্রাসী দাপটের বিষয়টি মাথায় রাখলে আমরা এ ব্যাপারটি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারবো। আমাদের জীবনযাপনের সর্বক্ষেত্রে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো যেভাবে নাক গলাচ্ছে তা দুই বাংলার ভাষার ক্ষেত্রেও আঘাত হানছে। লক্ষ্য করে দেখবেন অশুদ্ধ-বিদেশি ভাষারীতির বিজ্ঞাপনচিত্রের একটি অশুভ প্রভাব নতুন প্রজন্মের মাঝে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে যা ভাষার ভবিষ্যতের জন্য একটি অশনি সংকেত। তাই সমস্যাটিকে শুধু ভাষাগত না ভেবে অবশ্যই রাজনৈতিক-সাম্রাজ্যবাদী বিষয় হিসেবে দেখতে হবে।
আহমেদ : একটা বিতর্ক কিছুদিন যাবৎ চলছে। কেউ বলছেন, পশ্চিম বাংলার সাহিত্য বাংলাদেশের তুলনায় অনেক সমৃদ্ধ। আবার কেউ ভবিষ্যদ্বাণী করছেন যে, ঢাকাই হবে বাংলা সাহিত্যের পরবর্তী রাজধানী। এই ধরনের বিতর্কের প্রেক্ষিতে বাংলা ভাষার একজন লেখক হিসেবে আপনার মতামত বা অবস্থান কি?
সুনীল : সাহিত্য তো শ্রেষ্ঠত্ব-তুচ্ছত্বের বিষয় নয়। অনুভূতির বিষয়। বাংলাদেশে এখন লেখক- কবির সংখ্যা অনেক বেড়েছে। পশ্চিম বাংলায় তো আগে থেকেই ছিল। এখন যদি দুই ধারায় চলে তাহলে মন্দ কী? যেহেতু আমরা অভিন্ন ভাষার সন্তান। তবে একটা ধারা মুছে যাবে, আরেকটা ধারা থাকবে এটার কোন মানে হয় না। আবার কেউ কারো উপরে যাবে এটারও কোন মানে হয় না। আমার মতে, বাংলাদেশে যেমন ভাল লেখা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গেও ভাল লেখা হচ্ছে। তবে প্রকাশনার গুরুত্বটা মনে হয় বাংলাদেশে বেড়ে যাবে। কিন্তু এ নিয়ে কোন অসাহিত্যিক লড়াই সুযোগ সন্ধানীদেরই জোর বাড়াবে। তাই দুই বাংলার লেখকদেরই এ নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
আহমেদ : ক্রমে ক্রমে আমাদের মাঝে পাঠাভ্যাস হ্রাস পাচ্ছে। তা থেকে উত্তরণের উপায় কি?
সুনীল : অভ্যাস কমে যাচ্ছে মানে কি! দেখা যায় ৬০ ভাগ লোক কোন কিছুই পড়ে না। অবশ্যই সবাই তো আর বই পড়বে না। শতকরা যদি ২৫ ভাগ লোক বই পড়তো, তাহলেও অনেক হয়ে যেত; অন্তত আমাদের জনসংখ্যার দিক থেকে। তার থেকেও যদি কমে যায় তাহলে নিশ্চয়ই ভয়ের কথা। উত্তরণের তো আর সোজাসাপ্টা কোন উপায় নেই। মানুষের জীবনযাপনের জটিলতা বই পড়ার সময়টুকু কেড়ে নিচ্ছে। তার উপর তথ্যপ্রযুক্তির সহজপ্রাপ্যতাও বইকে যেন ক্রমশ মূল্যহীন করতে চাচ্ছে। কিন্তু বই অনন্ত যৌবনা। মানুষকে তার নিজের প্রয়োজনেই, তার নিজের ক্ষুধা মেটাতেই বইয়ের কাছে আসতে হবে।
আহমেদ : আপনি জন্মগতভাবে বাংলাদেশের সন্তান। কিন্তু সাহিত্যিক জীবন পুরোটাই বলা যায় পশ্চিমবঙ্গে অতিবাহিত করেছেন। আজ বাংলা ভাষাভাষীদের প্রিয় এক লেখক আপনি। নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশ নিয়ে কি স্বপ্ন দেখেন?
সুনীল : হ্যাঁ, আমি স্বপ্ন দেখি। আমি যখন পঞ্চান্ন বছর পরে বাংলাদেশে এলাম এবং সেই বিষয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম। সেই লেখাটার নাম হচ্ছে ‘মাটি নয় মানুষের টানে’। ঐ যে মাটিটা আমি ছেড়ে এসেছি সেই মাটির জন্য আমার ওরকম টান আর নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষের ব্যবহার দেখে এখনও অভিভূত হতে হয়। সাধারণ মানুষ এখনও ভালবাসে আমাকে। কাজেই আমাদের দুই বাংলার মধ্যে যদি ভালবাসার একটা সম্পর্ক থাকে সেটাই যথেষ্ট। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি সীমান্তবর্তী বিভিন্ন ক্যাম্পে ঘুরে বেড়িয়েছি, মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজ-খবর নিয়েছি।
তাছাড়া বাংলাদেশের অনেক অনেক গল্প আমি আমার মাসি, পিসীদের মুখ শুনেছিলাম। শুনেছিলাম জমির কথা, মাটির কথা, জামগাছের কথা এবং পুকুর ভর্তি মাছের কথা। আমি পরবর্তীতে দৃশ্যগুলো দেখতে চাই না। সেইগুলো কল্পনায় রাখতে চাই। জন্মভূমি সম্পর্কে যেকোন কথাই খন্ডিত হতে বাধ্য। কারণ নাড়ির টান নিয়ে কোন বাগাড়ম্বর বা তত্ত্ব কথা চলে না। শুধু আমার ভালবাসার কথাই আরও একবার আপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে জানাতে চাই।
আহমেদ সুবীর: আপনার শৈশব ও কৈশোর সম্পর্কে কিছু বলুন?
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়: আমার শৈশবের কিছুটা অংশ পার করেছি এই মাইজপাড়া গ্রামে। বাকিটা সময় কেটেছে কলকাতায়। ছোটবেলায় বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে পাট ক্ষেতে দৌড়াদৌড়ি করতাম, হারিয়ে যেতাম, গ্রামের পুকুর জলে সাঁতার কাটতাম। কাগজের ঠোঙ্গা দিয়ে নৌকা বানিয়ে পানিতে ভাসিয়ে দিতাম। শৈশবের সেই স্মৃতিগুলো এখনও আমাকে প্রবল আনন্দ দেয়। আমার লেখালেখির শুরু কলকাতায় হলেও পূর্ববঙ্গের শৈশব-স্মৃতি আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াত। এটা লেখালেখির সূচনাপর্ব থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত আছে বলে মনে হয়।
আহমেদ : আপনার ছাত্র জীবনটা কেমন কেটেছে?
সুনীল: দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের ভয়াবহতার শিকার হয়েছিলেন আমার বাবা। স্কুল, কলেজ বন্ধ হয়ে গেল অনির্দিষ্টকালের জন্য বেসরকারী স্কুলে ছাত্রদের মাইনে থেকেই শিক্ষকদের বেতন হত। স্কুল বন্ধ হওয়ার পর বাবা বেকার হয়ে যান, তার পক্ষে সংসার চালানো কঠিন হওয়ায় আমাদের পাঠিয়ে দেন গ্রামের বাড়িতে। আমি মাইজপাড়ার বীরমোহন বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। টিনের চালের স্কুল ঘরটি ছিল বেশ পরিচ্ছন্ন। এর পেছন দিকে টলমলে জলভরা সুন্দর একটা বড় দীঘি ছিল। স্কুলটি আমাদের বাড়ি থেকে অনেকটা দূরে হওয়ায় হেঁটে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। শহরের স্কুলে আমাদের সঙ্গে কোনও মুসলমান সহপাঠি না থাকলেও গ্রামের স্কুলে ছাত্র হিসেবে হিন্দু-মুসলমান উভয়ই ছিল। হেড মাস্টার লঙ্কর সাহেবকে মনে হতো চলমান এক পর্বত, কিন্তু তিনি অমায়িক ব্যবহারে অভ্যস্ত ছিলেন। তখন স্কুলে যেতাম নরম নরম ফেনামাখা ভাত খেয়ে।
আহমেদ : আপনার জীবনে প্রেমের কোন বিশেষ স্মৃতি থাকলে জানতে চাই?
সুনীল : দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমাদের গ্রামের মামার বাড়িতে অনেক আত্মীয়-স্বজনের সমাবেশ হতো। তাদের মধ্যে আমার কয়েকজন অন্সরীতুল্য মাসি ছিলেন, আমি তাদের প্রত্যেকের প্রেমে পড়েছিলাম। সেই প্রেম অনেকটা দেবী-আরাধনার মতো। এক একজনের ফর্সা, নরম পা দেখে মনে হত, আমি মাটিতে শুয়ে থাকব, তিনি যদি অন্যমনস্কভাবে আমার বুকের উপর দিয়ে হেঁটেও যান, তাতেও আমার জীবন ধন্য হবে।
আহমেদ : জীবনের কোন কষ্টের ঘটনা বলবেন কি?
সুনীল : আমার প্রধান দোষ আমি বই পড়তে পড়তে খুব কাঁদি। মৃত্যু দৃশ্য বা করুণ দৃশ্যে নয়, ভুল বোঝাবুঝির দৃশ্যে আমার চোখে বেশি জল আসে। একজন আরেকজনকে ভুল বুঝছে, অথচ ভালোবাসার অভাব নেই। এরকম আমি সহ্য করতে পারি না। এ বিষয়টি আমাকে ভীষণ কষ্ট দেয়। মনে আছে, সতীনাথ ভাদুড়ীর জাগরী প্রথমবার পড়ার সময় মা-বাবা ও দুই ভাইয়ের ভুল বোঝাবুঝির কাহিনীতে আমি এত জোরে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলাম যে, মা ভয় পেয়ে পাশের ঘর থেকে ছুটে এসে ব্যাকুলভাবে জানতে চেয়েছিলেন, কী হয়েছে? তখন লজ্জায় চোখের জল মুছতে বাধ্য হয়েছিলাম। এ জীবনে আমি বই পড়ে যতবার কান্নাকাটি করেছি, প্রিয়জন বিচ্ছেদে কান্না সে তুলনায় অনেক কম।
আহমেদ সুবীর: আপনাদের প্রজন্ম দেশভাগ, মহাযুদ্ধ ইত্যাদি মানবসৃষ্ট দুর্যোগের মধ্য দিয়ে শৈশব-কৈশোর যৌবনের উল্লেখযোগ্য অংশ কাটিয়েছেন। তো, এই ধরনের বিপর্যয়ের ভিতর থেকে জীবনের নতুন কোন অর্থ বা তাৎপর্য কি খুঁজে পেয়েছেন?
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়: অনেক ঘটনা আছে। আমরা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ দেখেছি। তখন একটা দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। মানুষ খাবার পেত না। আমরাও এর শিকার হয়েছিলাম। খাবার সংগ্রহ করতে আমাদের খুবই অসুবিধা হতো। দাঙ্গা দেখেছি। বীভৎস দাঙ্গা! যারা এক সময় প্রতিবেশী ছিল, বন্ধু ছিল তারা হঠাৎ অবিশ্বাসী, হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। কত নিরীহ লোক মারা পড়েছে! বাড়ি-ঘর ধ্বংস হয়েছে! আর যারা এসব নিয়ে রাজনীতি করেছে তাদের কিছুই হয়নি। দেশ বিভাগ দেখেছি। দেশ বিভাগের অভিজ্ঞতা যেমন করুণ তেমন ছিল ভয়াবহ। বাংলাদেশ থেকে শুধুমাত্র আমরা চলে গেছি তাই নয়, পশ্চিম বাংলা থেকেও অনেকে এখানে এসেছে। এসব কারণে লাখ লাখ পরিবার বিপর্যস্ত হয়েছে। এসব ঘটনা মনের মধ্যে একটা ছাপ ফেলে দিয়েছে। এসব থেকে সব সময় নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেছি, মানুষ কেন মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে? মানুষ যদি এক হয়ে থাকতে পারতো তাহলে পৃথিবীটা সত্যিই একটা সুন্দর জায়গা হতো। এই চিন্তা থেকেই লেখালেখি শুরু করেছি।
আহমেদ : লিটলম্যাগ সম্পর্কে আপনার ভাবনা কি?
সুনীল : লিটল ম্যাগাজিন সাহিত্যের জন্য একটা ভাল উদ্যোগ। বাংলা ভাষায় অনেক লিটল ম্যাগাজিন বের হয়। এটি নতুন লেখকদের অনুপ্রেরণা যোগায়। লেখালেখিতে আগ্রহী করে তোলে। আমিতো ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াই। বাংলা ভাষার মতো অন্যান্য ভাষায় এতো লিটল ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয় না।
আহমেদ : তরুণদের বই প্রকাশে প্রকাশকদের অনীহা সম্পর্কে বলুন?
সুনীল : মানুষের জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে প্রচুর সংগ্রাম করতে হয়। তরুণদেরকেও লড়াই করতে হবে। প্রথম জীবনে সবাইকেই সংগ্রাম করতে হয়। লড়াই-সংগ্রাম করতে করতেই একদিন তারা জিতবে। নিজেদের জায়গা করে নেবে। আস্তে আস্তে পাঠকদের ভালবাসা পেলে তবেই প্রকাশকরা তাদের বই প্রকাশে আগ্রহী হয়।
আহমেদ: তরুণ লেখকদের প্রতি সম্পাদকদের কেমন ভূমিকা থাকা উচিত বলে আপনি মনে করেন?
সুনীল : তরুণ লেখকদের প্রতি সম্পাদকদের দৃষ্টিকোণ অবশ্যই ভাল থাকা উচিত। যে সম্পাদক তরুণ লেখকদের প্রতি সহানুভূতিপূর্ণ ও আন্তরিক ব্যবহার প্রদর্শন করেন না, তাকে একসময় পস্তাতে হয়। কারণ প্রবীণ বা খ্যাতিমান লেখকরা চিরকাল বেঁচে থাকে না; তরুণরা সেই স্থান পূরণ করে। তাছাড়া সম্পাদকদের আমার নিজের একটি বিষয়ের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। তরুণ লেখক হিসেবে আমারও ছাপা হওয়া লেখার বিল দিতে তারা অস্বীকৃতি জানিয়েছেলো।
তারা আরও বলেছিল, নতুন লেখকের নাম ছাপা হওয়াটাই বড়; কথাটা শুনে আহত যেমন হয়েছিলাম তেমনি দৃপ্তকণ্ঠে সম্পাদককে বললাম, নতুন আর পুরনোতে কী যায়- আসে, আপনার পত্রিকায় এক পৃষ্ঠা জুড়ে আমার গল্প ছাপা হয়েছে, সেই জায়গাটার দাম দিবেন না? তাহলে ছাপতে গেলেন কেন? তিনি পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে একটা পাঁচ টাকার নোট আমার দিকে ছুঁড়ে দিয়ে বললেন, যাও। বিদায় হও। আমিও সঙ্গে সঙ্গে সেই টাকা তার দিকে আরও জোরে ছুঁড়ে দিয়ে বললাম, আমি কি ভিখিরি নাকি? এ টাকা দিয়ে আপনার বাড়ির ছেলে-মেয়েদের চানাচুর খাওয়াবেন।
আহমেদ : এবার একটা ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি। পশ্চিমবঙ্গের কবিতার ভাষা আর এখানকার ভাষার মধ্যে আপনি কোন পার্থক্য খুঁজে পান কি?
সুনীল : মৌলিক পার্থক্য কিছুই নেই। দু’একটা শব্দ এদিক-ওদিক আছে। ওই পর্যন্তই। কবিতার মৌল উপাদান বা কাব্যকৌশলের ক্ষেত্রে ভাষাগত ঐক্যের কারণে দুই বাংলার কবিতাতেই বেশকিছু সাদৃশ্য লক্ষ্য করি।
আহমেদ: দুই বাংলার কবি ও কবিতা সম্পর্কে মূল্যায়ন করুন।
সুনীল : দু’বাংলাতেই বেশ ভাল লেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের লেখকদের লেখার মান বরাবরই ভালো। তাদের চিন্তা-চেতনায় সামাজিক দায়বদ্ধতার ছাপ সুস্পষ্ট। তাছাড়া একাত্তরের যুদ্ধের ভয়াবহতা এখানকার সাহিত্যে একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করেছে। যুদ্ধপূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সাহিত্য মান বিবেচনা করলে পার্থক্যটি আরও সুস্পষ্ট হবে। কলকাতার চেয়ে বাংলাদেশের পত্রিকাগুলো অনেক যতœ নিয়ে সাহিত্য বিষয়ক লেখা প্রকাশ করে: এটা খুবই আশার কথা।
আহমেদ : একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি- ওপার বাংলায় রাষ্ট্র কি কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়?
সুনীল : না। রাষ্ট্রের সঙ্গে কবি-সাহিত্যিকদের কোন অর্থনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে লেখকের জন্য যথাযথ মূল্যায়ন করে পুরস্কারের ব্যবস্থা আছে। সত্যিকারের লেখকরা সেই পুরস্কার পায়।
আহমেদ : আপনার প্রিয় কোন কবিতা সম্পর্কে পাঠকদের কিছু বলবেন কি?
সুনীল : আমার কোন কবিতাই আমার কাছে প্রিয় মনে হয় না, সবগুলোই বাজে লাগে।
আহমেদ: স্বল্প সময়ে লেখা আপনার কবিতা, গল্প, উপন্যাসের নাম বলবেন কি?
সুনীল : অনেক। কয়টি বলব। ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতাটি মাত্র কুড়ি মিনিটে লেখা। ‘কান্না’ গল্পটি দু’ঘণ্টায় লেখা। আর কিছু উপন্যাস আছে যা লিখেছি মাত্র একমাসে।
আহমেদ : লিখতে বেশি সময় লেগেছে এমন কবিতা, গল্প, উপন্যাসঃ.
সুনীল : আমার লেখায় বেশি সময় লেগেছে এমন বইয়ের মধ্যে রয়েছে- ‘দেখা হলো ভালবাসা’ (কবিতা)- যা লিখতে একমাস পার করেছি। ‘গরম ভাত অথবা নিছক ভূতের গল্প’ (গল্প)- লিখেছি দশ দিনে। আর উপন্যাস ‘পূর্ব-পশ্চিম’ লিখতে সময় লেগেছে দীর্ঘ চার বছর।
আহমেদ : আপনার কোন গল্প-উপন্যাসের চরিত্রে বাস্তবের বিখ্যাত কেউ আছেন কি?
সুনীল : হ্যাঁ, এটা ভাল প্রশ্ন করেছেন। আমার বিভিন্ন গল্প-উপন্যাসের কাহিনী লেখা হয়েছে অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিদের নিয়ে। তার মধ্যে ‘নদী তীরে’ গল্পটি শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে নিয়ে লেখা। তাকে নিয়ে আমার লেখা একটি কবিতাও আছে। আর ‘পূর্ব-পশ্চিম’ উপন্যাসে বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবর রহমানকে তুলে এনেছি।
আহমেদ : চলতি পথে আপনার লেখার কোন অভিজ্ঞতাঃ
সুনীল : হ্যাঁ, চলতি পথে অনেক লেখা লিখেছি। তবে এর বেশিরভাগই ব্যক্তিগত চিঠিপত্র। এগুলো লিখেছি ট্রেনে বসে। আর ‘এথেন্স থেকে কায়রো’ কবিতাটি লেখা প্লেনে বসে।
আহমেদ : এমন কেউ কি আছেন যে বা যারা আপনার জীবনের প্রারম্ভ- পর্বে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিলেন?
সুনীল : জীবনের শুরুতেই মা-বাবার প্রভাবই বেশি ছিল। তাদের বাইরে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। আমাদের পড়াশোনা রবীন্দ্রনাথ থেকেই শুরু। প্রভাব যদি বলেন; তাহলে বলব, আমার লেখক জীবনে রবীন্দ্রনাথের প্রভাবই সবচেয়ে বেশি। আমার মা বই পড়তে খুবই ভালবাসতেন। তার সাথে আমিও বই পড়তাম। বাবা শিক্ষার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ফলে বাড়িতে একটা শিক্ষার পরিবেশ ছিল। মূলত এসবই আমার লেখালেখিতে প্রভাব ফেলেছে।
আহমেদ : আপনার গল্প-উপন্যাস-কবিতার নায়িকাদের অনেকেই তো খুব পাঠকপ্রিয়। যেমন কবিতার নায়িকা নীরা, বরুণার কথাই ধরা যাক। এ নায়িকারা আপনার সুখী দাম্পত্যে কখনও কোন বিঘœ ঘটায় কি?
সুনীল : না, খুব একটা না। কয়েক দশকব্যাপী নীরা, বরুণারা বাংলার পাঠক সমাজে রাজত্ব করে বেড়াচ্ছেন। এ নিয়ে আমার স্ত্রী কিংবা নিকটজনদের খুব যে কৌতূহল আছে তা নয়। তবে আমি নিজে মাঝে মাঝে আমার সৃষ্ট নায়িকাদের মিস করি।
আহমেদ : সাহিত্যিক না হয়ে অন্য কিছু হলেন না কেন?
সুনীল : কেন হলাম না সে উত্তর তো দেয়া মুশকিল। অল্প বয়সে নাবিক হবার শখ ছিল। এখন মনে হয়, গায়ক হতে পারলে বেশি তৃপ্ত হতাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিয়তি আমাকে সাহিত্যিকই করেছে।
আহমেদ: আপনার বিশ্বাসকে প্রভাবিত করেছেন এমন লেখক ও বইয়ের নাম বলবেন কি?
সুনীল : অনেক বই ও লেখকের নাম বলা যায়। তবে সবকিছু ছাপিয়ে রবীন্দ্রনাথের ‘গীতবিতান’ আমার প্রিয়। সেটা আমাকে ভীষণ মুগ্ধ করেছে। আর রবীন্দ্রনাথের অনেক কবিতাই আমার মুখস্থ। রবীন্দ্রনাথের কবিতার চেয়ে গানই আমায় বেশী টানে। অনেক গানের সুরে গুনগুন করি। আমাকে যদি কোথাও নির্বাসনে যেতে হয় তবে সঙ্গে নিতে ‘গীতবিতান’ অবশ্যই চাইবো। স্কুলজীবন শেষ করে যখন কলেজে পা রাখি, বিশ্বসাহিত্য সম্পর্কে একটু ধারণা হতে থাকে; তখন ভাবতাম, শেক্সপিয়রের লেখা না পড়লে আমার জীবন ব্যর্থ! শেক্সপিয়রের লেখা আমি মন দিয়ে পড়েছি। এসব লেখা আমাকে সবসময় প্রভাবিত করেছে এবং এখনও করে চলেছে।
আহমেদ : সাহিত্যে নোবেল পাবার আশা করেন কি?
সুনীল : নোবেল নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। আর নোবেল নিয়ে বাঙালির আদিখ্যেতার কারণটাও বুঝি না। আপনারা বাঙালি পাঠকেরা আমার লেখা পড়েন, তাতেই আমি খুশি। নোবেল পুরস্কারের চেয়ে আপনাদের ভালবাসাই আমার কাছে মূল্যবান।
আহমেদ : আপনার জীবনের স্মরণীয় কোন ঘটনাঃ
সুনীল : জীবনের স্মরণীয় ঘটনা, আমার বিয়ের বছর। অর্থাৎ যে বছরটিতে আমি বিয়ে করি। আমি স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বিয়ে করিনি! এক সময় ভেবেছিলাম বিয়েই করব না। বিয়ে না করেও বেশ জীবন কাটানো যায়। কিন্তু হঠাৎই এক মেয়ের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক হয়। এক পর্যায়েই শুনলাম তার অন্য জায়গায় বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। এক পর্যায়ে তার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধি। তবে এতে অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছিলাম। সেসব এখন শুধুই স্মৃতি। ধূসর-সোনালি স্মৃতি।
আহমেদ : আপনার জীবনদর্শন কি?
সুনীল : আমার জীবনদর্শন হচ্ছে- ‘মানুষ মানুষকে ভালবাসবে।’ সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানুষ তার ভালবাসাকে ভবিষ্যৎ পৃথিবী ও মানুষের জন্য রেখে যাবে।
আহমেদ : আমাদের বায়ান্নর মহান ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে আপনার উপলব্ধি জানাবেন কি?
সুনীল : বাংলা ভাষার অধিকার অর্জন বাঙালির জীবনে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। অনেক লড়াই-সংগ্রামের পর বাঙালি জাতি তার নিজেদের অধিকার অর্জন করেছে। বায়ান্নর পথ ধরে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ। তারপর বিজয়। এই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম। এই কষ্টার্জিত স্বাধীনতা যেন বিনষ্ট না হয়। বরং স্বাধীন বাংলাদেশ সামনের পথে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাবে- এটাই আমার আকাঙক্ষা।
আহমেদ : বাংলা কবিতার অর্ধশত বছরের একটি শক্তিশালী স্রোত ‘কৃত্তিবাস’ হতেই প্রবাহিত হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আপনি বিষয়টি কিভাবে মূল্যায়ন করেন?
সুনীল : এটা পাঠকের বিচার। কৃত্তিবাসের কি অবদান বা আমরা কি করেছি এটা আমার মুখ দিয়ে কোনদিনই বলবো না। পাঠকদের, সমালোচকদের বিচার কি হয়েছে না হয়েছে আমি জানলেও বলবো না।
পৃথিবীতে সবচেয়ে পুরনো কবিতা পত্রিকার নাম হচ্ছে ‘পয়েট্রি’। সেটা আমেরিকার শিকাগো শহর থেকে ১৯১২ সালে প্রথম বের হয়। এর মূল্যায়নের সঙ্গে সমান্তরালভাবে আমাদের পত্রিকার মূল্যায়নও করা যায়। অন্তত এর বিকাশ ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে বিবেচনা করলে।
আহমেদ : ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মুক্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা কি বলে মনে করেন?
সুনীল : ব্যক্তি স্বাধীনতা বা মুক্তির পথে বাধা হচ্ছে ‘কুসংস্কার’! অনেক পারিবারিক সংস্কার থাকে। সেই কুসংস্কার থেকে মুক্ত হতে অনেক সময় লাগে। নারী-পুরুষের যে তফাৎ বিভিন্ন ধর্ম করে রেখেছে, পরিবার থেকে যেগুলো আরোপ করা হয়েছে, স্বামীরা যেগুলো স্ত্রীদের ওপর আরোপ করে এসব থেকে যদি মুক্তি না পাওয়া যায়, মনের দিক থেকে যদি মুক্তি পাওয়া না যায় তাহলে উন্নতি হবে না। এই কুসংস্কার থেকে মুক্তি পাওয়াটাই মূল কথা বলে মনে করি।
আহমেদ : জীবনে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কখনো যখন দ্বিধায় ভোগেন তখন কার মতামত আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ঠেকে?
সুনীল : জীবন চলার পথে আমি অধিকাংশ সময় নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছি। আমি খুব একটা পারিবারিক প্রাণী ছিলাম না। অল্প বয়সেই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজের ইচ্ছেমত কাজ করেছি। এখন তো বিবাহিত জীবনে। তাই অনেক সময় আমার স্ত্রীর মতামত নিতে হয়। সিদ্ধান্ত জানতে হয়। যেমন এখানে আসার ব্যাপারে আমার স্ত্রীর মতামতটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি।
আহমেদ : সেই সময়, প্রথম আলো, পূর্ব-পশ্চিম এর মতো ট্রিলজি আমরা আপনার কাছ থেকে পেয়েছি; যেখানে ইতিহাস, সমাজ, দেশভাগ, মন্বন্তর এবং এসবের সাথে আপনার ব্যীক্তজীবনের লিপ্ততা এক নতুন কথাসাহিত্যিক মাত্রায় উন্মোচিত হয়েছে। এ ধরনের বিস্তৃত পরিসরে নতুন কোন কাজ কি করছেন?
সুনীল : আমার একটা ইচ্ছে আছে। আমি বইপত্র জোগাড় করছি। বাংলাদেশের ইসলামের আগমন এবং সুফি ধর্মের প্রভাব, হিন্দুদের মধ্যে কুসংস্কার এবং হিন্দুদের মধ্যে একশ্রেণীর লোকের আরেক শ্রেণীর লোকের উপর অত্যাচার যে সময়টায় ছিল সেই সময়টা নিয়ে লেখার একটা ইচ্ছা আছে। বাংলা অঞ্চলের নিম্নবর্গের মানুষের প্রতিরোধের একটা বিশ্বস্ত চেহারা উপন্যাসের পরিসরে ধারণ করার চেষ্টা করছি। সম্প্রতি প্রকাশিত মনের মানুষ উপন্যাসে আমার এ চেষ্টার একটা নজির হয়তো আপনারা দেখে থাকবেন।
আহমেদ : সাংবাদিকতা থেকে শুরু করে অনেক বিচিত্র পেশায় কাজ করার অভিজ্ঞতা আপনার কাছে। বলা হয় সাংবাদিকতা সাহিত্যিকের পয়লা নম্বর শত্রু। এ বিষয়ে আপনার অভিজ্ঞতাটা জানতে চাচ্ছি।
সুনীল : আমি সত্যিকারভাবে সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলাম না। তবে সংবাদপত্রের সাথে জড়িত ছিলাম। আমি হয়ত পুস্তক পরিচিতি বিভাগের সম্পাদক ছিলাম, কবিতা বিভাগের সম্পাদক ছিলাম- যাকে বলে বিভাগীয় সম্পাদক। কেজো সাংবাদিকতা বলতে যা বুঝায় তার সাথে আমার তেমন যোগাযোগ হয়নি। তাই হয়তো আমার অভিজ্ঞতাটা খুব ভয়াবহ নয়।
আহমেদ : সাম্প্রতিক পশ্চিম বাংলায় হিন্দির ক্রমবর্ধমান দাপটকে লেখক-শিল্পীরা কিভাবে দেখছে বা মোকাবেলা করছে?
সুনীল : সামগ্রিকভাবে পশ্চিম বাংলাতে হিন্দির যে খুব একটা প্রভাব আছে তা নয়। তবে শহরের ছেলে-মেয়েরা একটু-আধটু হিন্দি ভাষা ব্যবহার করছে। আজকাল তো ঢাকাতেও ছেলে-মেয়েরা টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল দেখছে। তবে হিন্দি ভাষার কোন সামগ্রিক প্রভাব এখনো পশ্চিমবাংলায় পড়েনি। আমাদের প্রধান দ্বন্দ্ব হচ্ছে ইংরেজির সঙ্গে। এটা ঢাকাতেও আছে।
অল্প-বয়সী ছেলেমেয়েরা এখন ইরেজি শিখতে বাধ্য। ইংরেজি শিখতে গিয়ে তারা আর বাংলাটা শিখছে না। বাংলাদেশে তবুও বাংলাটা বাধ্যতামূলক। পশ্চিম বাংলায় তো ছেলে-মেয়েরা বাংলা কম শিখে। তবে গ্রামে এখনো বাংলা শেখে। বিশ্বায়নের সর্বগ্রাসী দাপটের বিষয়টি মাথায় রাখলে আমরা এ ব্যাপারটি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারবো। আমাদের জীবনযাপনের সর্বক্ষেত্রে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো যেভাবে নাক গলাচ্ছে তা দুই বাংলার ভাষার ক্ষেত্রেও আঘাত হানছে। লক্ষ্য করে দেখবেন অশুদ্ধ-বিদেশি ভাষারীতির বিজ্ঞাপনচিত্রের একটি অশুভ প্রভাব নতুন প্রজন্মের মাঝে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে যা ভাষার ভবিষ্যতের জন্য একটি অশনি সংকেত। তাই সমস্যাটিকে শুধু ভাষাগত না ভেবে অবশ্যই রাজনৈতিক-সাম্রাজ্যবাদী বিষয় হিসেবে দেখতে হবে।
আহমেদ : একটা বিতর্ক কিছুদিন যাবৎ চলছে। কেউ বলছেন, পশ্চিম বাংলার সাহিত্য বাংলাদেশের তুলনায় অনেক সমৃদ্ধ। আবার কেউ ভবিষ্যদ্বাণী করছেন যে, ঢাকাই হবে বাংলা সাহিত্যের পরবর্তী রাজধানী। এই ধরনের বিতর্কের প্রেক্ষিতে বাংলা ভাষার একজন লেখক হিসেবে আপনার মতামত বা অবস্থান কি?
সুনীল : সাহিত্য তো শ্রেষ্ঠত্ব-তুচ্ছত্বের বিষয় নয়। অনুভূতির বিষয়। বাংলাদেশে এখন লেখক- কবির সংখ্যা অনেক বেড়েছে। পশ্চিম বাংলায় তো আগে থেকেই ছিল। এখন যদি দুই ধারায় চলে তাহলে মন্দ কী? যেহেতু আমরা অভিন্ন ভাষার সন্তান। তবে একটা ধারা মুছে যাবে, আরেকটা ধারা থাকবে এটার কোন মানে হয় না। আবার কেউ কারো উপরে যাবে এটারও কোন মানে হয় না। আমার মতে, বাংলাদেশে যেমন ভাল লেখা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গেও ভাল লেখা হচ্ছে। তবে প্রকাশনার গুরুত্বটা মনে হয় বাংলাদেশে বেড়ে যাবে। কিন্তু এ নিয়ে কোন অসাহিত্যিক লড়াই সুযোগ সন্ধানীদেরই জোর বাড়াবে। তাই দুই বাংলার লেখকদেরই এ নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
আহমেদ : ক্রমে ক্রমে আমাদের মাঝে পাঠাভ্যাস হ্রাস পাচ্ছে। তা থেকে উত্তরণের উপায় কি?
সুনীল : অভ্যাস কমে যাচ্ছে মানে কি! দেখা যায় ৬০ ভাগ লোক কোন কিছুই পড়ে না। অবশ্যই সবাই তো আর বই পড়বে না। শতকরা যদি ২৫ ভাগ লোক বই পড়তো, তাহলেও অনেক হয়ে যেত; অন্তত আমাদের জনসংখ্যার দিক থেকে। তার থেকেও যদি কমে যায় তাহলে নিশ্চয়ই ভয়ের কথা। উত্তরণের তো আর সোজাসাপ্টা কোন উপায় নেই। মানুষের জীবনযাপনের জটিলতা বই পড়ার সময়টুকু কেড়ে নিচ্ছে। তার উপর তথ্যপ্রযুক্তির সহজপ্রাপ্যতাও বইকে যেন ক্রমশ মূল্যহীন করতে চাচ্ছে। কিন্তু বই অনন্ত যৌবনা। মানুষকে তার নিজের প্রয়োজনেই, তার নিজের ক্ষুধা মেটাতেই বইয়ের কাছে আসতে হবে।
আহমেদ : আপনি জন্মগতভাবে বাংলাদেশের সন্তান। কিন্তু সাহিত্যিক জীবন পুরোটাই বলা যায় পশ্চিমবঙ্গে অতিবাহিত করেছেন। আজ বাংলা ভাষাভাষীদের প্রিয় এক লেখক আপনি। নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশ নিয়ে কি স্বপ্ন দেখেন?
সুনীল : হ্যাঁ, আমি স্বপ্ন দেখি। আমি যখন পঞ্চান্ন বছর পরে বাংলাদেশে এলাম এবং সেই বিষয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম। সেই লেখাটার নাম হচ্ছে ‘মাটি নয় মানুষের টানে’। ঐ যে মাটিটা আমি ছেড়ে এসেছি সেই মাটির জন্য আমার ওরকম টান আর নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষের ব্যবহার দেখে এখনও অভিভূত হতে হয়। সাধারণ মানুষ এখনও ভালবাসে আমাকে। কাজেই আমাদের দুই বাংলার মধ্যে যদি ভালবাসার একটা সম্পর্ক থাকে সেটাই যথেষ্ট। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি সীমান্তবর্তী বিভিন্ন ক্যাম্পে ঘুরে বেড়িয়েছি, মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজ-খবর নিয়েছি।
তাছাড়া বাংলাদেশের অনেক অনেক গল্প আমি আমার মাসি, পিসীদের মুখ শুনেছিলাম। শুনেছিলাম জমির কথা, মাটির কথা, জামগাছের কথা এবং পুকুর ভর্তি মাছের কথা। আমি পরবর্তীতে দৃশ্যগুলো দেখতে চাই না। সেইগুলো কল্পনায় রাখতে চাই। জন্মভূমি সম্পর্কে যেকোন কথাই খন্ডিত হতে বাধ্য। কারণ নাড়ির টান নিয়ে কোন বাগাড়ম্বর বা তত্ত্ব কথা চলে না। শুধু আমার ভালবাসার কথাই আরও একবার আপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে জানাতে চাই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
October
(1721)
-
▼
Oct 23
(26)
- মেয়েদের মোবাইল ফোন দেবেন না, এতে তারা বেপরোয়া হয়
- দুর্গারামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ মিডডে মিলে বদলেছে ...
- বিদায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়! by অমর সাহা
- বাজারে মসলার দাম দ্বিগুণ-ব্যবসায়ীদের যুক্তি গ্রহণয...
- কেলেঙ্কারির ব্যাংক-দায়ভার কে নেবে?
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার
- পবিত্র কোরআনের আলো-সম্মানিত মাসেও আক্রমণের জবাবে আ...
- দুর্দিনের শিকার দেশের বেসরকারি খাত by ইফতেখার আহমে...
- সরকার ভিন্ন মতাবলম্বীদের পুলিশ দিয়ে হয়রানি করছেঃ এ...
- আমায় ক্ষমো হে-বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অভ্যন্তরীণ নি...
- ইমরান হাশমীর নতুন শিকার নেহা
- চরাচর-ইছামতিতে প্রতিমা বিসর্জন by ফখরে আলম
- কল্পকথার গল্প-চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে সামলে চলি হ্যা...
- মালালারা পরাভব মানতে জানে না by গাজীউল হাসান খান
- সুজানা চলছেন আপন মনে by কামরুজ্জামান মিলু
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আর নেই
- মৈত্রী বন্ধনে চাই নতুন গতি
- রম্য-ভাষাপ্রেম by সাইফুল আলম
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যত...
- যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী আটক-সুষ্ঠু তদন্ত ও স্বচ্ছ...
- মুক্তিযুদ্ধের বন্ধুদের সম্মাননা-অনন্য অবদানের অটুট...
- কথা সামান্যই-মন্ত্রী হাজির by ফজলুল আলম
- মন্দিরে যুবকের শিরোচ্ছেদ, বন্ধুর দাবি ‘বলিদান’
- ড. ইউনূস, পঙ্গু লিমন বনাম সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্র by...
- বিশ্ব ব্যাংক সংস্কারের সহজ উপায় ... by শফিক রেহমান
-
▼
Oct 23
(26)
-
▼
October
(1721)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment