Sunday, June 5, 2016
করের বোঝা বাড়তি উৎপাদনকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে by গোলাম রাব্বানী
করের বোঝা বাড়তি উৎপাদনকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে by গোলাম রাব্বানী
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান কর্মজীবনের
দীর্ঘ সময় ধরে অর্থনীতিতে অধ্যাপনা করেছেন। দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির
স্থিতি, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়েও তিনি কাজ
করেছেন। বাংলাদেশের বাজেট এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার গতি-প্রকৃতির ওপর নজর
রাখেন তিনি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে নয়া
দিগন্তের সাথে কথা বলেছেন তিনি। ড. মুস্তাহিদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন গোলাম
রাব্বানী
প্রশ্ন : নতুন অর্থবছরের বাজেটের কোন দিকটিকে দেশের চলমান অর্থনীতির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন? অনেকেই এবারের বাজেটের লক্ষ্যগুলোকে উচ্চাভিলাষী বলতে চাইছেন। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : গত অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় এবার বাজেটের আকার ১৫ শতাংশ বেশি। গত বছরের বাজেট সংশোধন করে দুই লাখ ৬৪ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকায় নিয়ে আসা হয়েছিল। সে হিসাবে গত অর্থবছরের তুলনায় এই বাজেট প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা বেশি। এটা থেকে ধারণা করা যায়, আমরা জাতি হিসেবে অত্যন্ত উচ্চভিলাষী হয়ে গেছি। বাজেটে অর্থমন্ত্রী তার উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছেন; কিন্তু সেই সাথে সামর্থ্যরে দিকটুকুও দেখতে হবে। আমাদের সামর্থ্য এত নেই। অর্থমন্ত্রী প্রস্তাব করেছেন যে, দেশের ভেতর থেকেই তিনি আয় করবেন ২ লাখ ৪৮ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআরকে আদায় করতে হবে দুই লাখ তিন হাজার ১৫২ কোটি টাকা। এ ছাড়া এনবিআরবহির্ভূত কর হচ্ছে প্রায় সাত হাজার ২৫০ কোটি টাকা ও এনবিআরবহির্ভূত আয় আসবে প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ অর্থাৎ প্রায় ২৮-২৯ শতাংশ আসবে অভ্যন্তরীণ ঋণ ও বৈদেশিক অনুদান থেকে।
প্রশ্ন : নতুন অর্থবছরের বাজেটের কোন দিকটিকে দেশের চলমান অর্থনীতির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন? অনেকেই এবারের বাজেটের লক্ষ্যগুলোকে উচ্চাভিলাষী বলতে চাইছেন। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : গত অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় এবার বাজেটের আকার ১৫ শতাংশ বেশি। গত বছরের বাজেট সংশোধন করে দুই লাখ ৬৪ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকায় নিয়ে আসা হয়েছিল। সে হিসাবে গত অর্থবছরের তুলনায় এই বাজেট প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা বেশি। এটা থেকে ধারণা করা যায়, আমরা জাতি হিসেবে অত্যন্ত উচ্চভিলাষী হয়ে গেছি। বাজেটে অর্থমন্ত্রী তার উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছেন; কিন্তু সেই সাথে সামর্থ্যরে দিকটুকুও দেখতে হবে। আমাদের সামর্থ্য এত নেই। অর্থমন্ত্রী প্রস্তাব করেছেন যে, দেশের ভেতর থেকেই তিনি আয় করবেন ২ লাখ ৪৮ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআরকে আদায় করতে হবে দুই লাখ তিন হাজার ১৫২ কোটি টাকা। এ ছাড়া এনবিআরবহির্ভূত কর হচ্ছে প্রায় সাত হাজার ২৫০ কোটি টাকা ও এনবিআরবহির্ভূত আয় আসবে প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ অর্থাৎ প্রায় ২৮-২৯ শতাংশ আসবে অভ্যন্তরীণ ঋণ ও বৈদেশিক অনুদান থেকে।
সরকার
চাচ্ছে, এর মধ্যে প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে, ১৯ হাজার
কোটি টাকা সঞ্চয়পত্র থেকে সংগ্রহ করতে এবং প্রায় ৩২ হাজার কোটি বৈদেশিক ঋণ
পেতে। এর ফলে অনুদান ছাড়া ঘাটতি হবে প্রায় সাড়ে ৯২ হাজার কোটি টাকা। এই
ঘাটতি আমাদের জিডিপির তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ। ঘাটতির এই পরিমাণ বাজেটের যে
নীতি প্রণয়ন করা হয়, তার মধ্যেই আছে; কিন্তু সম্ভবত একধরনের
সম্প্রসারণশীলতা এই বাজেটের মধ্যে থেকে যাচ্ছে। অর্থাৎ আমরা অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধি বাড়াতে চাই, সমতাভিত্তিক অর্থনীতি চালু করতে চাই। এসব বিষয়ে
অর্থমন্ত্রী বাজেটের প্রথম দিকে কিছু কথা বলেছেন, তিনি প্রবৃদ্ধি চান,
উন্নয়ন ও সমতাভিত্তিক সমাজ চান।
এর
জন্য কতগুলো অনুমান তিনি করে নিয়েছেন যে, দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি আরো
বাড়বে। বিশ্ব অর্থনীতিতে শ্লথগতি চলছে এবং তেলসহ বেশ কিছু জিনিসপত্রের দাম
পড়ে গেছে। সেই অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও অনেক বেশি রফতানি প্রবৃদ্ধি হবে
বলে তিনি মনে করছেন। তিনি মনে করছেন যে, অনেক বেশি রেমিট্যান্স আসবে,
মূল্যস্ফীতি কম থাকবে, বিনিয়োগের একটা পরিস্থিতি বজায় থাকবে। বাস্তবতাটা
কী? বাস্তবতার নিরিখে আমরা যদি চিন্তা করি তাহলে এখানে একটা সমস্যা দেখতে
পাই। সমস্যাটা হলো বাস্তবতার নিরিখে বাজেট বাস্তবায়নের জন্য আমার কৌশলটা
কী, সেটা। তার জন্য আমার সক্ষমতা আছে কি না? অর্থমন্ত্রী বলছেন, তার
সক্ষমতা আছে। তার দাবি তিনি এনবিআরকে শক্তিশালী করেছেন ইত্যাদি; কিন্তু
এনবিআরকে যতই শক্তিশালী করা হোক না কেন, আমরা দেখেছি, কোনো অবস্থাতেই
রাজস্বের প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশ অতিক্রম করেনি। গত অর্থবছরে এনবিআরের
নির্ধারিত টার্গেট ছিল এক লাখ ৭৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। সেখানে লক্ষ্যমাত্রা
কমিয়ে ধরা হয়েছে এক লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা, সেটাও আদায় হয় কিনা সন্দেহ
আছে। আমার ধারণা, সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি হবে।
এবার বাজেটে ৩৫ শতাংশের বেশি রাজস্ব বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। এই টার্গেট পূরণ সম্ভব নয় এ কারণে যে, সেটা গত বছরই আমাদের প্রমাণ করে দিয়েছে। গত বছর রাজস্ব আদায়ের যে টার্গেট আমরা নির্ধারণ করেছিলাম, সেটি অর্জিত হয়নি। বরং ঘাটতি রয়ে গেছে ১৫-১৬ শতাংশ। সে কারণে আমার ধারণা যে, অর্থমন্ত্রী যে এসব বলছেন, তা কেবল বলার জন্য বলা। তাকে বলতেই হবে। কারণ একটি ভোটারবিহীন নির্বাচনে তারা সাংবিধানিকভাবে একটা বৈধ সংসদ পেয়েছে। সেই সংসদই বাজেটটা তৈরি করছে গত দু-তিন বছর ধরে। তারা রূপকল্প দিতেই পারেন। বাস্তবতা আরো কঠিন। এই কঠিনের মধ্যে আমরা সবচেয়ে বেশি অনুভব করি, কেন দেশীয় বিনিয়োগ এখন শ্লথগতিতে নেমে এসেছে। সরকার বলছে, বিনিয়োগের হার হচ্ছে ২১.৭৮ শতাংশ। এটা হচ্ছে বেসরকারি বিনিয়োগ। আমার ধারণা, এখানে কিছুটা বেশি করে দেখানো হয়েছে। এটা ২০ শতাংশের কাছাকাছি।
প্রশ্ন : বিনিয়োগে কেন এই স্থবিরতা নেমেছে বলে আপনি মনে করেন? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : এর কারণ হচ্ছে, জ্বালানি এবং বিদ্যুতের যে সঙ্কট আছে আমাদের, সেটার কোনো সমাধান দিতে পারছে না সরকার। বিনিয়োগকারী যারা, তারা কোনো জমি পাচ্ছেন না। আমাদের দেশে যেটাকে আমরা বলি কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস, সেটা অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশে বেশি। যেকোনো বিষয়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এখানে বেশি। ছয় মাসের বেশি লাগে বিদ্যুতের অনুমোদন পেতে। যেটা পাকিস্তান, ভারত, নেপাল এমনকি শ্রীলঙ্কার তুলনায়ও আমরা অনেক বেশি সময় নিয়ে থাকি। বিনিয়োগকারীরা যখন বিনিয়োগ করতে আসেন, তখন যদি দেখেন যে, তার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রী যেটা দরকার, গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, জমি ইত্যাদি এবং তার সাথে যদি আমি কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস চিন্তা করি, তাহলে বিনিয়োগটা তাদের জন্য আকর্ষণীয় থাকে না। সে কারণেই অনেক সময় আমাদের দেশ থেকে অর্থ পাচার হয়ে যায়। কারণ, এখানে সুযোগ না পেয়ে যারা বিত্তশালী মানুষ, যারা বিনিয়োগ করতে চান, তারা দেশে বিনিয়োগ না করে বাইরে অর্থ পাঠিয়ে দিচ্ছেন। সরকার আশা করছে যে, বৈদেশিক বিনিয়োগ আমাদের দেশে হবে। যেখানে দেশের মানুষই স্বস্তি পাচ্ছে না, সেখানে বিদেশী বিনিয়োগ কী করে আসবে? এটা অবাস্তব কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।
এবার বাজেটে ৩৫ শতাংশের বেশি রাজস্ব বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। এই টার্গেট পূরণ সম্ভব নয় এ কারণে যে, সেটা গত বছরই আমাদের প্রমাণ করে দিয়েছে। গত বছর রাজস্ব আদায়ের যে টার্গেট আমরা নির্ধারণ করেছিলাম, সেটি অর্জিত হয়নি। বরং ঘাটতি রয়ে গেছে ১৫-১৬ শতাংশ। সে কারণে আমার ধারণা যে, অর্থমন্ত্রী যে এসব বলছেন, তা কেবল বলার জন্য বলা। তাকে বলতেই হবে। কারণ একটি ভোটারবিহীন নির্বাচনে তারা সাংবিধানিকভাবে একটা বৈধ সংসদ পেয়েছে। সেই সংসদই বাজেটটা তৈরি করছে গত দু-তিন বছর ধরে। তারা রূপকল্প দিতেই পারেন। বাস্তবতা আরো কঠিন। এই কঠিনের মধ্যে আমরা সবচেয়ে বেশি অনুভব করি, কেন দেশীয় বিনিয়োগ এখন শ্লথগতিতে নেমে এসেছে। সরকার বলছে, বিনিয়োগের হার হচ্ছে ২১.৭৮ শতাংশ। এটা হচ্ছে বেসরকারি বিনিয়োগ। আমার ধারণা, এখানে কিছুটা বেশি করে দেখানো হয়েছে। এটা ২০ শতাংশের কাছাকাছি।
প্রশ্ন : বিনিয়োগে কেন এই স্থবিরতা নেমেছে বলে আপনি মনে করেন? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : এর কারণ হচ্ছে, জ্বালানি এবং বিদ্যুতের যে সঙ্কট আছে আমাদের, সেটার কোনো সমাধান দিতে পারছে না সরকার। বিনিয়োগকারী যারা, তারা কোনো জমি পাচ্ছেন না। আমাদের দেশে যেটাকে আমরা বলি কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস, সেটা অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশে বেশি। যেকোনো বিষয়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এখানে বেশি। ছয় মাসের বেশি লাগে বিদ্যুতের অনুমোদন পেতে। যেটা পাকিস্তান, ভারত, নেপাল এমনকি শ্রীলঙ্কার তুলনায়ও আমরা অনেক বেশি সময় নিয়ে থাকি। বিনিয়োগকারীরা যখন বিনিয়োগ করতে আসেন, তখন যদি দেখেন যে, তার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রী যেটা দরকার, গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, জমি ইত্যাদি এবং তার সাথে যদি আমি কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস চিন্তা করি, তাহলে বিনিয়োগটা তাদের জন্য আকর্ষণীয় থাকে না। সে কারণেই অনেক সময় আমাদের দেশ থেকে অর্থ পাচার হয়ে যায়। কারণ, এখানে সুযোগ না পেয়ে যারা বিত্তশালী মানুষ, যারা বিনিয়োগ করতে চান, তারা দেশে বিনিয়োগ না করে বাইরে অর্থ পাঠিয়ে দিচ্ছেন। সরকার আশা করছে যে, বৈদেশিক বিনিয়োগ আমাদের দেশে হবে। যেখানে দেশের মানুষই স্বস্তি পাচ্ছে না, সেখানে বিদেশী বিনিয়োগ কী করে আসবে? এটা অবাস্তব কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।
বিনিয়োগ আসার অনেক বড় সুযোগ সৃষ্টি
হয়েছে বর্তমান বিশ্বে। চীনের অনেক বিনিয়োগ আশপাশের দেশে চলে যাচ্ছে। তারা
এতদিন ভিয়েতনামে গেছে, এখন ভিয়েতনাম থেকে অন্যান্য দেশে যাচ্ছে। বাংলাদেশে
একটা বড় সুযোগ ছিল; কিন্তু সেখানে আসবে কি না সন্দেহ আছে। এমনকি ভারতে
প্রচুর বিনিয়োগ যাচ্ছে। থাইল্যান্ডে যাচ্ছে। পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারেও
যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কাতে তো এত দিন ছিলই। এই বিনিয়োগগুলো কিন্তু আমাদের দেশে
আসত, যদি আমরা পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারতাম। অর্থাৎ বিনিয়োগের জন্য যে অনুকূল
পরিবেশ, সে পরিবেশ সৃষ্টি করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। কথা হচ্ছে যে, দেশের
মানুষ কেমন আছে? বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী? এটা অর্থনীতির ওপর প্রচণ্ড
একটা প্রভাব ফেলে। আমরা যদি খেয়াল করি যে, বর্তমান সময়ে দেশের মানুষ কথা
বলতে পারছে না। স্বাধীনভাবে কথা বলা এবং লেখার ওপর কতখানি নিয়ন্ত্রণ সরকার
প্রতিষ্ঠা করেছে, এটা বাইরে থেকে আমরা হয়তো ততটা বুঝতে পারব না।
গণমাধ্যমকর্মীরা তিলে তিলে সেটি টের পাচ্ছেন। দেশের এরকম একটা অস্থিতিশীল
রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ করতে কে আসবে। কে তার টাকা খরচ করে বিনিয়োগটা
করতে যাবে?
প্রশ্ন : এর পরও তো দেশে উৎপাদন বেড়েই চলেছে। জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে অন্তত আমরা তাই দেখছি। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে এখন শ্রমের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা অনেক বেড়েছে। আমাদের দেশের যে অসুবিধাটা হলো- আমাদের দক্ষ শ্রমিকও কিন্তু উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। আমাদের যে তরুণ সম্প্রদায়, তাদের আমরা প্রযুক্তিগত দিকে আকর্ষণ করিয়েছি ঠিকই, কিন্তু এই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করার জন্য তাদের যে প্রশিক্ষণ সেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারিনি। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, তিনি শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবেন; কিন্তু প্রশিক্ষণের জন্য তিনি কত টাকা দেবেন, কোথায় সে প্রশিক্ষণ হবে, সেসব কিন্তু স্পষ্ট নয়। এই অস্পষ্টতার কারণে একটা ধোঁয়াশা অবস্থায় আমরা আছি। এ কারণেই প্রশ্ন উঠছে, জনগণের কাছে কি এই সরকারের কোনো দায়দায়িত্ব আছে? তারা কি সত্যিই জনগণের প্রতিনিধি? তারা তো আসলে জনগণের প্রতিনিধি নন। জনগণ ভোট দিয়ে এই সরকারকে প্রতিষ্ঠা করেনি। সুতরাং তাদের সেই দায়িত্বও নেই। তারা একটি দায়সারা কাজ করে যাচ্ছেন। তবে অর্থমন্ত্রীকে দোষ দিয়ে লাভ নাই। তিনি অত্যন্ত মেধাবী একজন মানুষ। অত্যন্ত সংবেদনশীলও। সাথে তার বক্তব্য, কথা ও কাজকর্মে সব সময় তাকে অত্যন্ত দেশপ্রেমিক একটি মানুষ মনে হয়েছে; কিন্তু তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন।
প্রশ্ন : সরকার রাজস্ব আদায়ের জন্য মূল্য সংযোজন করের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। এ খাতের লক্ষ্যমাত্রা এবার আয়করকে ছাড়িয়ে গেছে। এভাবে পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা নি¤œ ও মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলে অনেকে মনে করছেন। এটাকে আপনি কিভাবে দেখেন। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : একটা দিক হয়তো বলা যায় যে, সরকার নিশ্চিতভাবেই হয়তো কিছু রাজস্ব পাবে। আয়করের তুলনায় ভ্যাটে প্রাধান্য চলে গেছে। যদিও ভ্যাট আইন সংশোধন করার কথা ছিল এ বছর, তাতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট করার যে প্রস্তাব ছিল, সেটা এক বছর পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। এই ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করতে হলে মুদির দোকানেও অটোমেটিক ক্যাশ রেজিস্টার লাগবে। সেখানে কত টাকা বিক্রি হলো সে রেকর্ডটা থেকে যাবে। সে রেকর্ড থেকে এনবিআরের লোকজন এসে ডাটা কালেক্ট করবেন। অথবা এটা কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকবে, অটোমেটিক্যালি জানা হবে যে, একটা দোকানে কত টাকা বিক্রি হয়েছে এবং সেই দোকানে কয়জন কর্মচারী কাজ করেন। এ ধরনের ব্যবস্থা থাকলেই শুধু নতুন ধরনের ভ্যাট-ব্যবস্থা কার্যকর করা সম্ভব। যেটা উন্নত দেশে থাকে। তা না হলে প্যাকেজ ভ্যাটই (যেটা চলছে) আমাদের জন্য সুবিধাজনক। সেখানে যেটা বাড়ানো হয়েছে সেটা হলোÑ আগে যেটা ১৪ হাজার টাকা ছিল প্যাকেজ, সেটা জাস্ট দ্বিগুণ হয়েছে, অর্থাৎ ২৮ হাজার টাকা হয়েছে।
প্রশ্ন : এর পরও তো দেশে উৎপাদন বেড়েই চলেছে। জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে অন্তত আমরা তাই দেখছি। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে এখন শ্রমের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা অনেক বেড়েছে। আমাদের দেশের যে অসুবিধাটা হলো- আমাদের দক্ষ শ্রমিকও কিন্তু উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। আমাদের যে তরুণ সম্প্রদায়, তাদের আমরা প্রযুক্তিগত দিকে আকর্ষণ করিয়েছি ঠিকই, কিন্তু এই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করার জন্য তাদের যে প্রশিক্ষণ সেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারিনি। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, তিনি শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবেন; কিন্তু প্রশিক্ষণের জন্য তিনি কত টাকা দেবেন, কোথায় সে প্রশিক্ষণ হবে, সেসব কিন্তু স্পষ্ট নয়। এই অস্পষ্টতার কারণে একটা ধোঁয়াশা অবস্থায় আমরা আছি। এ কারণেই প্রশ্ন উঠছে, জনগণের কাছে কি এই সরকারের কোনো দায়দায়িত্ব আছে? তারা কি সত্যিই জনগণের প্রতিনিধি? তারা তো আসলে জনগণের প্রতিনিধি নন। জনগণ ভোট দিয়ে এই সরকারকে প্রতিষ্ঠা করেনি। সুতরাং তাদের সেই দায়িত্বও নেই। তারা একটি দায়সারা কাজ করে যাচ্ছেন। তবে অর্থমন্ত্রীকে দোষ দিয়ে লাভ নাই। তিনি অত্যন্ত মেধাবী একজন মানুষ। অত্যন্ত সংবেদনশীলও। সাথে তার বক্তব্য, কথা ও কাজকর্মে সব সময় তাকে অত্যন্ত দেশপ্রেমিক একটি মানুষ মনে হয়েছে; কিন্তু তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন।
প্রশ্ন : সরকার রাজস্ব আদায়ের জন্য মূল্য সংযোজন করের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। এ খাতের লক্ষ্যমাত্রা এবার আয়করকে ছাড়িয়ে গেছে। এভাবে পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা নি¤œ ও মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলে অনেকে মনে করছেন। এটাকে আপনি কিভাবে দেখেন। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : একটা দিক হয়তো বলা যায় যে, সরকার নিশ্চিতভাবেই হয়তো কিছু রাজস্ব পাবে। আয়করের তুলনায় ভ্যাটে প্রাধান্য চলে গেছে। যদিও ভ্যাট আইন সংশোধন করার কথা ছিল এ বছর, তাতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট করার যে প্রস্তাব ছিল, সেটা এক বছর পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। এই ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করতে হলে মুদির দোকানেও অটোমেটিক ক্যাশ রেজিস্টার লাগবে। সেখানে কত টাকা বিক্রি হলো সে রেকর্ডটা থেকে যাবে। সে রেকর্ড থেকে এনবিআরের লোকজন এসে ডাটা কালেক্ট করবেন। অথবা এটা কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকবে, অটোমেটিক্যালি জানা হবে যে, একটা দোকানে কত টাকা বিক্রি হয়েছে এবং সেই দোকানে কয়জন কর্মচারী কাজ করেন। এ ধরনের ব্যবস্থা থাকলেই শুধু নতুন ধরনের ভ্যাট-ব্যবস্থা কার্যকর করা সম্ভব। যেটা উন্নত দেশে থাকে। তা না হলে প্যাকেজ ভ্যাটই (যেটা চলছে) আমাদের জন্য সুবিধাজনক। সেখানে যেটা বাড়ানো হয়েছে সেটা হলোÑ আগে যেটা ১৪ হাজার টাকা ছিল প্যাকেজ, সেটা জাস্ট দ্বিগুণ হয়েছে, অর্থাৎ ২৮ হাজার টাকা হয়েছে।
এরকমভাবে
ুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ভ্যাট বেশি আদায় হবে। এনবিআর আয়করের ব্যাপারে
নতুন কোনো কৌশল নিয়েছে কি না আমার জানা নেই। তবে অনেক দিন থেকেই তারা জাতীয়
পরিচয়পত্র ও টিআইএন দিয়ে দেখার চেষ্টা করছে যে, কেউ কর ফাঁকি দিচ্ছে কি
না। এভাবে যতটা বেশি আদায় করা যায়, এ ধরনের একটা পলিসি তারা নিয়েছে। আয়করের
আওতা বাড়বে যেহেতু এখনো আয়করের সীমানা দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে অনেক কিছু না ও থাকতে পারে; কিন্তু বক্তব্যে এই
ইঙ্গিত থাকা উচিত যে, তিনি যে বাজেট দিলেন, সেখানে কত টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে,
সেই টাকা তুলতে কী কী প্রক্রিয়ায় ট্যাক্স আদায় করা হবে। অর্থাৎ একটি
সম্পূর্ণ রূপরেখা থাকা দরকার। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা না থাকলে, দক্ষতা
বৃদ্ধির কথা স্বীকার করা যে, আমি এটা বৃদ্ধি করতে চাই। রাতারাতিতো দক্ষতা
বৃদ্ধি করা যাবে না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন অনলাইনে ভ্যাট এবং অন্যান্য
ফি আদায় হয়। অনলাইনে আয়কর দেয়া হয়। আমাদের দেশে তো সেই সুযোগ সুবিধা নেই।
ফলে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। তবে এই জায়গাগুলো অতিক্রম না করতে পারলে আমরা যত
বড় বাজেটই দিই না কেন, তার বাস্তবায়নে আমাদের পক্ষে সমস্যা হবেই।
প্রশ্ন : এবারের বাজেটে ৭.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বিদায়ী বছরেও এর কাছাকাছি প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে; কিন্তু বাস্তবে দেশে বিদেশী বা দেশী কোনো বিনিয়োগই বাড়ছে না। সার্বিক অর্থনৈতিক চাহিদাও স্থবির মনে হয়। কর্মসংস্থানের অবস্থাও ভালো নয়। রফতানির প্রবৃদ্ধি কমছে। এ কেমন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে সাধারণ মানুষ তাদের জীবনযাত্রায় এটি অনুভব করতে পারছে না। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : যদি গত বছর আমরা সাড়ে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে থাকি তা থেকে যদি পপুলেশন গ্রোথের জন্য ২ শতাংশ বাদ দেই, তাহলে সেটা হবে সাড়ে ৪ শতাংশ কিংবা ৫ শতাংশ। ১৬ কোটি লোক হিসাবে গত বছর কর ছিল মাথাপিছু ১১ হাজার ৮৭ টাকা, এই বছর মাথাপিছু কর ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ১৭২ টাকা। ১৯ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা যদি জিডিপি হয়, তা থেকে যদি মাথাপিছু আয় বের করতে চাই, তাহলে মাথাপিছু আয় হয় প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টাকা। এই টাকার ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলে তাহলে সেটা দাঁড়াবে আরো প্রায় সাড়ে ছয় হাজার টাকা বেশি। বর্ধিত যে মাথাপিছু আয় হবে তার বেশির ভাগই কিন্তু সরকার নিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত কর আদায়ে। সেই সাথে মূল্যস্ফীতি যদি ধরি ৫-৬ শতাংশ তাহলে সাধারণ মানুষ ব্যয় করতে গেলে আগের তুলনায় আরো দরিদ্র হবে বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে। অর্থাৎ সাধারণ ভোক্তার ভোগব্যয় বাড়বে বলে মনে হলেও প্রকৃত অর্থে তাদের ভোগব্যয় বাড়ার সম্ভাবনা কম।
প্রশ্ন : শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দারিদ্র্য দূর করতে পারে না বলে বিশ্বের অনেক শীর্ষ অর্থনীতিবিদই মন্তব্য করছেন। অর্থমন্ত্রীও তার বাজেট বক্তব্যে ‘প্রবৃদ্ধি উন্নয়ন ও সমতার’ কথা বলেছেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য বাজেটে কী কী পদক্ষেপ আপনি দেখতে পাচ্ছেন। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : প্রবৃদ্ধি বাড়লেই যে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন হয়, এটা ঠিক নয়। জীবনমান উন্নয়নের জন্য দেখতে হবে, যে বাড়তি জাতীয় আয় হলো সেটা কিভাবে বণ্টন হচ্ছে শ্রমিকের মধ্যে, শ্রমিকের মালিকের মধ্যে, সরকার কতটা নিচ্ছে। তার ওপরই নির্ভর করবে বিষয়টি। আমাদের সরকারের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই, যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানোর একটি চিন্তা আছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই বাধাগুলো এখনো রয়ে গেছে। মুখে বলছি যে, আমরা কৃষির ওপর জোর দিয়েছি, শিল্পের ওপরও জোর দিচ্ছি; কিন্তু শিল্পায়নের জন্য যে প্রয়োজনীয় কাজগুলো, সে কাজগুলো কিন্তু আমরা করতে পারিনি।
প্রশ্ন : এবারের বাজেটে ৭.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বিদায়ী বছরেও এর কাছাকাছি প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে; কিন্তু বাস্তবে দেশে বিদেশী বা দেশী কোনো বিনিয়োগই বাড়ছে না। সার্বিক অর্থনৈতিক চাহিদাও স্থবির মনে হয়। কর্মসংস্থানের অবস্থাও ভালো নয়। রফতানির প্রবৃদ্ধি কমছে। এ কেমন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে সাধারণ মানুষ তাদের জীবনযাত্রায় এটি অনুভব করতে পারছে না। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : যদি গত বছর আমরা সাড়ে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে থাকি তা থেকে যদি পপুলেশন গ্রোথের জন্য ২ শতাংশ বাদ দেই, তাহলে সেটা হবে সাড়ে ৪ শতাংশ কিংবা ৫ শতাংশ। ১৬ কোটি লোক হিসাবে গত বছর কর ছিল মাথাপিছু ১১ হাজার ৮৭ টাকা, এই বছর মাথাপিছু কর ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ১৭২ টাকা। ১৯ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা যদি জিডিপি হয়, তা থেকে যদি মাথাপিছু আয় বের করতে চাই, তাহলে মাথাপিছু আয় হয় প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টাকা। এই টাকার ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলে তাহলে সেটা দাঁড়াবে আরো প্রায় সাড়ে ছয় হাজার টাকা বেশি। বর্ধিত যে মাথাপিছু আয় হবে তার বেশির ভাগই কিন্তু সরকার নিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত কর আদায়ে। সেই সাথে মূল্যস্ফীতি যদি ধরি ৫-৬ শতাংশ তাহলে সাধারণ মানুষ ব্যয় করতে গেলে আগের তুলনায় আরো দরিদ্র হবে বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে। অর্থাৎ সাধারণ ভোক্তার ভোগব্যয় বাড়বে বলে মনে হলেও প্রকৃত অর্থে তাদের ভোগব্যয় বাড়ার সম্ভাবনা কম।
প্রশ্ন : শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দারিদ্র্য দূর করতে পারে না বলে বিশ্বের অনেক শীর্ষ অর্থনীতিবিদই মন্তব্য করছেন। অর্থমন্ত্রীও তার বাজেট বক্তব্যে ‘প্রবৃদ্ধি উন্নয়ন ও সমতার’ কথা বলেছেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য বাজেটে কী কী পদক্ষেপ আপনি দেখতে পাচ্ছেন। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : প্রবৃদ্ধি বাড়লেই যে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন হয়, এটা ঠিক নয়। জীবনমান উন্নয়নের জন্য দেখতে হবে, যে বাড়তি জাতীয় আয় হলো সেটা কিভাবে বণ্টন হচ্ছে শ্রমিকের মধ্যে, শ্রমিকের মালিকের মধ্যে, সরকার কতটা নিচ্ছে। তার ওপরই নির্ভর করবে বিষয়টি। আমাদের সরকারের এমন কোনো পরিকল্পনা নেই, যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানোর একটি চিন্তা আছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই বাধাগুলো এখনো রয়ে গেছে। মুখে বলছি যে, আমরা কৃষির ওপর জোর দিয়েছি, শিল্পের ওপরও জোর দিচ্ছি; কিন্তু শিল্পায়নের জন্য যে প্রয়োজনীয় কাজগুলো, সে কাজগুলো কিন্তু আমরা করতে পারিনি।
ফলে
কর্মসংস্থান বৃদ্ধির যে আশা করছে সরকার, সেটা না হলে এবং বর্ধিত জাতীয় আয়
যদি সমভাবে বণ্টন না হয়, তাহলে মানুষের জীবনমান কখনোই উন্নত হবে না। তবে
হ্যাঁ, এই বাজেটের বেশ কিছু জায়গায় আছে যে, যারা দরিদ্র জনগোষ্ঠী, যারা
সিঙ্গেল প্যারেন্ট ফ্যামিলি কিংবা কিছু জনগোষ্ঠী আছে, যাদের জন্য সরকার
ভাতা বাড়িয়েছে, বিধবাভাতা বাড়িয়েছে। সম্ভবত এ ধরনের সামাজিক ব্যয়ের জন্য ১৮
হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে; কিন্তু সত্যিকার অর্থে যদি আমি
উৎপাদনশীলতা বাড়াতে চাই, শ্রমিকের মান বাড়াতে চাই এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে
চাই, তাহলে কিন্তু আমার প্রয়োজন হবে উন্নত প্রযুক্তির শ্রমিকদের আরো অধিকতর
দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। একটা থিওরি ছিল আগে যেটাকে
বলা হতো ট্রিকল ডাউন। মনে করা হতো যে, বিনিয়োগকারী লাভ পাবে, সে লাভ সে
পুনরায় বিনিয়োগ করবে, বিনিয়োগ করলে সেখান থেকে কর্মসংস্থান হবে, সুতরাং
সবাই লাভটা পেয়ে যাবে।
সেটা থাকলেও
বাংলাদেশে বর্তমানে কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই। এনবিআর প্রতিবেদন দিয়েছে, গত
তিন বছরে মাত্র ছয় লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। অথচ আমাদের দেশে লাখ লাখ
শিক্ষিত বেকার, এদের কর্মসংস্থানের সুযোগটা কোথায়? তারা যদি কর্মসংস্থানের
যোগ্য না হয়ে থাকে, কিভাবে তারা যোগ্য হবে, তার ব্যবস্থাটা কোথায়? বিদেশে
আমাদের যেসব শ্রমিক ভাইয়েরা কাজ করেন তাদেরও দক্ষতা কম। অদক্ষ শ্রমিক
হিসাবে যায়, কেউ কেউ আধা-দক্ষ শ্রমিক হিসেবে যায়। ফলে আমাদের দেশের যে
পরিমাণ মানুষ বিদেশে কাজ করেন তার তুলনায় অনেক কম রেমিট্যান্স পাই। সেখানেও
অনেক কাজ করার সুযোগ আছে। দেশের লাখ লাখ লোক বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ আমরা দিতে পারছি না।
প্রশ্ন : এবারের বাজেটের উন্নয়ন বরাদ্দের ব্যাপারে আপনার মতামত কী? বিশেষত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষির চেয়েও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ। এই অগ্রাধিকার থেকে অর্থনীতি কতটা লাভবান হতে পারবে? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : উন্নয়নকে আমরা কেবল রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট, ব্রিজÑ এটা দিয়েই পরিমাপ করি না। উন্নয়ন হলোÑ আমার শিক্ষাব্যবস্থা কেমন, আমার স্বাস্থ্যের সুরক্ষা কেমন, আমার সামাজিক নিরাপত্তা কেমন। এই জিনিসগুলোর বিচারে উন্নয়নকে দেখতে হবে। ১০টি বড় প্রকল্পে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো থেকে সরকার আশা করছে, এখানে মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট হবে। ফলে প্রতিটি স্তরেই কর্মসংস্থান হবে। তারা মনে করছে যে, পদ্মা ব্রিজ হলে মানুষের মাঝে মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট তৈরি হবে, উন্নয়নে গতি সঞ্চার হবে; কিন্তু আসল উন্নয়ন কি কেবল ব্রিজ-কালভার্টে। আসল উন্নয়নতো নিশ্চয়তা দেয় গ্যাস-বিদ্যুতের।
প্রশ্ন : এবারের বাজেটের উন্নয়ন বরাদ্দের ব্যাপারে আপনার মতামত কী? বিশেষত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষির চেয়েও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ। এই অগ্রাধিকার থেকে অর্থনীতি কতটা লাভবান হতে পারবে? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : উন্নয়নকে আমরা কেবল রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট, ব্রিজÑ এটা দিয়েই পরিমাপ করি না। উন্নয়ন হলোÑ আমার শিক্ষাব্যবস্থা কেমন, আমার স্বাস্থ্যের সুরক্ষা কেমন, আমার সামাজিক নিরাপত্তা কেমন। এই জিনিসগুলোর বিচারে উন্নয়নকে দেখতে হবে। ১০টি বড় প্রকল্পে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো থেকে সরকার আশা করছে, এখানে মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট হবে। ফলে প্রতিটি স্তরেই কর্মসংস্থান হবে। তারা মনে করছে যে, পদ্মা ব্রিজ হলে মানুষের মাঝে মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট তৈরি হবে, উন্নয়নে গতি সঞ্চার হবে; কিন্তু আসল উন্নয়ন কি কেবল ব্রিজ-কালভার্টে। আসল উন্নয়নতো নিশ্চয়তা দেয় গ্যাস-বিদ্যুতের।
আসল
উন্নয়নতো নিশ্চয়তা দেয় একটা ভালো শিক্ষাব্যবস্থার, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
ব্যবস্থার জোরদার করার। এ ক্ষেত্রে কিন্তু সরকার অনেক পিছিয়ে আছে। সুতরাং
সরকার যখন বলছে, প্রবৃদ্ধি উচ্চ হারে পৌঁছতে হলে এ ধরনের মেগা প্রকল্প
নিতে হবে; কিন্তু এসব প্রকল্প করতে গিয়ে সরকার ঘাটতি করছে প্রায় ৯২ হাজার
কোটি টাকা। এর মধ্যে দেশজ অর্থনীতির ব্যাংক থেকে নিচ্ছে ৩৯ হাজার কোটি টাকা
এবং সাড়ে ১৯ হাজার কোটি নিচ্ছে সঞ্চয়পত্র থেকে। অথচ ভালোভাবে কর্মসংস্থান
সৃষ্টি করা গেলে মানুষের হাতে অর্থ থাকত। সেটা ভ্যাটের মাধ্যমে সরকারের
কাছে ফিরিয়ে দেয়া যেত; কিন্তু এখন তারা কিভাবে দেবে? এখন অনেক মানুষই সঞ্চয়
ভেঙে ভোগব্যয় করবে। সেখান থেকে এই টাকা ফেরত দেবে। মেগা প্রকল্প করলে তার
টাকা সাধারণত বিশ্বব্যাংক কিংবা অন্যান্য জায়গা থেকে নেয়া প্রয়োজন। যেখানে
সুদের হার কম। ১০ বছরের রেয়াত পাওয়া যায় এবং ৪০ বছরে শোধ করা যায়। মেগা
প্রকল্পে নিজের সঞ্চয় থেকে ব্যয় করার একটি বড় এফেক্ট তৈরি হবে। এটা এখন
বোঝা যাবে না। এই ঋণের বোঝাটা আমরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম চাপিয়ে দিচ্ছি। আজ
আমি যে ঋণ করছি, সেটা আমি আমার সন্তানকে দিয়ে যাচ্ছি। ৪০ বছর পর আমার
সন্তানেরা প্রশ্ন করতে পারে যে, তুমি যে এত ঋণ করে আমার ওপর এত বড় বোঝা
দিয়েছ, তুমি কি যথার্থ কাজ করেছ? তুমি তো এই কাজটা ঠিক করোনি। আমি কেন
টানতে যাবো এই ঋণের বোঝা। এই প্রশ্ন কিন্তু ভবিষ্যতে আসবে।
প্রশ্ন : জিডিপির তুলনায় বাজেটের আকার এখনো ১৪ শতাংশের কোঠায় রয়ে গেছে। যা তুলনীয় দেশগুলোর চেয়ে অনেক পেছনে। জিডিপি-রাজস্ব অনুপাতের ক্ষেত্রেও দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশের চেয়ে বাংলাদেশ পেছনে। এ অবস্থার উন্নয়ন কিভাবে সম্ভব? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : বাজেটের প্রস্তাবনায় কিছু কিছু বিষয় উল্লেখ থাকার প্রয়োজন ছিল। সেটি হচ্ছে, সরকার আয় করতে চাচ্ছে অনেক বেশি। সে আয় বাড়ানোর জন্য কৌশলটা কী, সক্ষমতা আছে কি না, যদি কৌশল থাকে সে কৌশলও বলা দরকার। যদি না বলতে চায়, তার পরও সরকারের বলা উচিত যে, আমার একটা কৌশল আছে। আর সক্ষমতাও বাড়ানো দরকার। সেখানে স্বীকার করা উচিত, আমাদের সে ধরনের সক্ষমতা নেই, আমাদের তা বাড়াতে হবে। এর নিরিখেই রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থাপনাটা থাকলে ভালো হতো।
প্রশ্ন : জিডিপির তুলনায় বাজেটের আকার এখনো ১৪ শতাংশের কোঠায় রয়ে গেছে। যা তুলনীয় দেশগুলোর চেয়ে অনেক পেছনে। জিডিপি-রাজস্ব অনুপাতের ক্ষেত্রেও দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশের চেয়ে বাংলাদেশ পেছনে। এ অবস্থার উন্নয়ন কিভাবে সম্ভব? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : বাজেটের প্রস্তাবনায় কিছু কিছু বিষয় উল্লেখ থাকার প্রয়োজন ছিল। সেটি হচ্ছে, সরকার আয় করতে চাচ্ছে অনেক বেশি। সে আয় বাড়ানোর জন্য কৌশলটা কী, সক্ষমতা আছে কি না, যদি কৌশল থাকে সে কৌশলও বলা দরকার। যদি না বলতে চায়, তার পরও সরকারের বলা উচিত যে, আমার একটা কৌশল আছে। আর সক্ষমতাও বাড়ানো দরকার। সেখানে স্বীকার করা উচিত, আমাদের সে ধরনের সক্ষমতা নেই, আমাদের তা বাড়াতে হবে। এর নিরিখেই রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থাপনাটা থাকলে ভালো হতো।
আমরা এখনো জিডিপির ১৪
শতাংশের বেশি বাজেট দিতে পারছি না। অনেক দেশে অনেক বড় বাজেট তৈরি হয়। উন্নত
দেশে কিন্তু জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাজেট দিয়ে থাকে। এর মধ্যে
নরওয়ে, সুইডেন উল্লেখযোগ্য। এসব দেশ কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত। ওইসব
দেশে ছোট্ট দোকানদারও তার আয়ের ৩৫ শতাংশ করা হিসেবে সরকারকে দিয়ে থাকে।
অর্থাৎ ওইসব দেশে প্রায় সবাই কর দিয়ে থাকে। সবাই করের ফলটাও ভোগ করে। এখন
আমাদের দেশের সাধারণ নাগরিক এই প্রশ্ন করতে পারেন যে, আজকে যে আমি মাথা
পিছু কর ১৫ হাজার ১৭২ টাকা দিচ্ছি, আমি তার বিনিময়ে কত টাকা ফেরত পাচ্ছি?
এই কারণে এই প্রশ্ন আসতে পারে যে, শিক্ষার সুযোগ আমরা তৈরি করেছি, কিন্তু
শিক্ষার মানের অবস্থা খুবই খারাপ। ফলে একটা লোক কর দিয়ে যে শিক্ষার সুযোগটি
নিশ্চিতভাবে পাবে, সেটি হচ্ছে না। বড় শহর, বন্দর বা থানা এলাকার লোকেরাই
কেবল এই সুযোগটা পাচ্ছে। আনুমানিক ৩০ শতাংশ মানুষ এই সুযোগটা পাচ্ছে। বাকি
৭০ শতাংশ বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে তারা কর দিতে অনুৎসাহিত হচ্ছে। এই সমস্ত
ব্যবস্থাপনার বিষয় বাজেট বক্তব্যে থাকা প্রয়োজন ছিল।
প্রশ্ন : বাংলাদেশের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সঙ্কট উত্তরণের জন্য আঞ্চলিক উদ্যোগের প্রতি অনেকেই গুরুত্ব দিতে চান। এ বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখেন। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : বিনিয়োগ বাড়াতে গ্যাস এবং বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অনেকেই বলেন, আমাদের দেশে গ্যাস সীমিত হয়ে আসছে এবং আগামী ১০ কিংবা ১৫ বছরের মধ্যে গ্যাস থাকবে না। রিনিউয়েবল এনার্জির ক্ষেত্রে সাধারণত এমনই হয়। একটা সময় পর সেই এনার্জি ফুরিয়ে যায়। গ্যাস পাওয়ার জন্য যে ধরনের বিনিয়োগ করতে হয়, সে ধরনের বিনিয়োগ করি নাই আমরা।
প্রশ্ন : বাংলাদেশের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সঙ্কট উত্তরণের জন্য আঞ্চলিক উদ্যোগের প্রতি অনেকেই গুরুত্ব দিতে চান। এ বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখেন। প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : বিনিয়োগ বাড়াতে গ্যাস এবং বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অনেকেই বলেন, আমাদের দেশে গ্যাস সীমিত হয়ে আসছে এবং আগামী ১০ কিংবা ১৫ বছরের মধ্যে গ্যাস থাকবে না। রিনিউয়েবল এনার্জির ক্ষেত্রে সাধারণত এমনই হয়। একটা সময় পর সেই এনার্জি ফুরিয়ে যায়। গ্যাস পাওয়ার জন্য যে ধরনের বিনিয়োগ করতে হয়, সে ধরনের বিনিয়োগ করি নাই আমরা।
এখনো
স্থলভাগে প্রচুর জায়গা আছে যেখানে অনুসন্ধান চালালে আমরা গ্যাস পাবো।
সমুদ্রের মতো বিশাল জায়গায় আমরা অনুসন্ধান করলে গ্যাস এবং তেল পাবো; কিন্তু
আমরা সে দিকে নজর দিচ্ছি না। অথচ গ্যাস ও তেল পাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের
অফুরন্ত সম্ভাবনা আছে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ করতে হবে। এ
ক্ষেত্রে আরো একটি বড় সম্ভাবনা আমরা কখনো ভেবে দেখছি না। সেটা হলোÑ
বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল সম্ভাবনা আছে।
যদি আমরা যথাযথ আন্তর্জাতিক চুক্তি করতে পারি এবং সেটি যদি অংশগ্রহণমূলক
হয়, তাহলে কেউ কেউ ধারণা করেন, সেখানে দেড় লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন
সম্ভব। যেটা এই অঞ্চলের বিদ্যুতের চাহিদা মোটামুটি আগামী ৩০-৪০ বছরের মধ্যে
মিটিয়ে ফেলতে পারবে; কিন্তু সেদিকে আমরা যাচ্ছি না।
প্রশ্ন : একসময় অনেক অর্থনীতিবিদ বলতেন বাংলাদেশ ভারতকে ট্রানজিট বা কানেকটিভিটি দিলে দু’দেশের বাণিজ্য ঘাটতি আর থাকবে না। বাংলাদেশ মধ্য আয়ের রাষ্ট্রে পরিণত হবে। এই বক্তব্যের সাথে এখনকার বাস্তবতার ব্যবধান কোথায়? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : দেশের সীমান্ত কেবল ভারতের জন্য নয়, সবার জন্যই উন্মুক্ত করা দরকার। সেখানে বিশ্বাস এবং আস্থা স্থাপন করা উচিত। যেখানে এক টন মাল বহন করতে আমাদের খরচ হয় প্রায় দুই হাজার টাকা, সেখানে ভারতকে মাত্র ১৯২ টাকা দিয়ে এক টন মাল পরিবহনের সুযোগ দেয়া হলো। কলকাতার দিক থেকে শুরু করবে, আগরতলায় গিয়ে শেষ করবে। মাঝখানের রাস্তাঘাট তারা ব্যবহার করবে।
প্রশ্ন : একসময় অনেক অর্থনীতিবিদ বলতেন বাংলাদেশ ভারতকে ট্রানজিট বা কানেকটিভিটি দিলে দু’দেশের বাণিজ্য ঘাটতি আর থাকবে না। বাংলাদেশ মধ্য আয়ের রাষ্ট্রে পরিণত হবে। এই বক্তব্যের সাথে এখনকার বাস্তবতার ব্যবধান কোথায়? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : দেশের সীমান্ত কেবল ভারতের জন্য নয়, সবার জন্যই উন্মুক্ত করা দরকার। সেখানে বিশ্বাস এবং আস্থা স্থাপন করা উচিত। যেখানে এক টন মাল বহন করতে আমাদের খরচ হয় প্রায় দুই হাজার টাকা, সেখানে ভারতকে মাত্র ১৯২ টাকা দিয়ে এক টন মাল পরিবহনের সুযোগ দেয়া হলো। কলকাতার দিক থেকে শুরু করবে, আগরতলায় গিয়ে শেষ করবে। মাঝখানের রাস্তাঘাট তারা ব্যবহার করবে।
এইভাবে
দরজা খুুলে দেয়া হয়েছে। সেভেন সিস্টার্সে বিদ্রোহীদের নিয়ে ভারত যে
সমস্যায় ছিল, বাংলাদেশের দিক থেকে এখন সে ব্যাপারে নিরাপত্তা পাচ্ছে। ফলে
ভারত নিরাপত্তার দিক থেকেও একটা বড় সুবিধা পাচ্ছে। আবার ভারত বাংলাদেশকে যে
ঋণ দিচ্ছে তার ৮০ শতাংশই ভারতে ব্যয় করার শর্তে দিচ্ছে। তাহলে এই ঋণের
লাভটা কী? তাই আন্তঃদেশীয় একটা চুক্তি করা উচিত যেখানে অন্যান্য দেশও যুক্ত
থাকবে, সেটা ভেবে দেখা দরকার। কানেকটিভিটি দেয়ার পর ভারতের সাথে বাণিজ্যিক
বাধা দূর হয়ে যাবে বা আমরা সমানে সমানে যাবো, এই চিন্তা সঠিক নয়। বাংলাদেশ
যেসব পণ্য রফতানি করতে চায় ভারতে সেসব ক্ষেত্রে শুল্ক বাধা কমিয়েছে;
কিন্তু অশুল্ক বাধা প্রচুর রয়ে গেছে। সে কারণে বাংলাদেশ থেকে রফতানি দ্রব্য
ভারতে পেঁছে না। পৌঁছলে সেটার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ১০ মাস বা ১১
মাস সময় লাগে।
এখন এসব পরীক্ষার
প্রতিবেদন ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুহূর্তে পাঠিয়ে দেয়া সম্ভব; কিন্তু ভারতে
এই প্রতিবেদন পাঠাতে হয় পোস্ট-অফিসের মাধ্যমে। ফলে আমাদের দেশের কোনো
রফতানিা পণ্য পাঠাতে চাইলে তার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যে ব্যবস্থাপনা
ভারত রেখে দিয়েছে, সেগুলোর সবই অশুল্ক বাধা। সে কারণে বাংলাদেশ পোশাক
রফতানি শিল্পে এত উন্নতি হওয়ার পরও ভারতে পোশাক রফতানি করতে পারছে না। ভারত
যখন মনে করল যে, বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আনা প্রয়োজন তখন হঠাৎ করে এই অশুল্ক
বাধাগুলো উঠে গেল। আমাদের ব্যবসায়ীরা এক কেজি ইলিশের দাম পেল প্রায় ছয়
ডলার। অথচ দেশের মানুষ ইলিশ খেতে পারছে না। এ ছাড়া ভারতে আমরা আরো যেসব
জিনিস পাঠাতে চাই, ভারত নিজেই সেটার কমপিটিটর। সে কারণে তারা অশুল্ক বাধা
সৃষ্টি করে রেখেছে।
ফলে কানেকটিভিটি
দেয়ার পর ভারতের সাথে বাণিজ্যিক বাধা দূর হয়ে যাবে বা আমরা সমানে সমানে
যাবো, এই চিন্তা সঠিক নয়। আমাদেরও উচিত ছিল এমন অশুল্ক বাধা তৈরি করা;
কিন্তু আমাদের দেশে ভারতীয় পণ্যের জন্য কোনো অশুল্ক বাধা নেই। ভারত যেটা
চায় সেটা হলো, বাংলাদেশের টেস্টিং ইনস্টিটিউটগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য
তারা ব্যয় করতে চাচ্ছে। করেছেও তাই। যেমন প্রাণের জুস যায় ভারতে। প্রাণকে
সে জন্য প্রায় ১৪ মাস সময় ব্যয় করতে হয়েছে। অথচ এটা তিন-চার দিনের ব্যাপার।
এই বাধাগুলোর কারণে আমরা বাণিজ্যিক ভারসাম্য ভারতের সাথে কখনোই করতে পারব
না। তখনই করতে পারব, যখন আমাদের দরকষাকষির ক্ষমতা বাড়বে।
প্রশ্ন : রিয়েল সেক্টর এবারের বাজেটে গুরুত্ব হারিয়েছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। আপনার মন্তব্য কী? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : বাজেটে কৃষিতে ভর্তুকি কমিয়ে দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে যাওয়ায় ভর্তুকি কমতেই পারে। তবে ভর্তুকি দেয়া হতো কেবল দানাদার শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে; কিন্তু কৃষির অফুরন্ত সম্ভাবনা আছে আরো কয়েকটি জায়গায়। যে জায়গাগুলোর উল্লেখ বাজেটে থাকা উচিত ছিল। একটা হচ্ছে পোলট্রি শিল্প। এই শিল্পটাকে ভালোভাবে সমর্থন দিলে এর থেকে অনেক কিছু পাওয়া সম্ভব। এখান থেকে আমাদের প্রোটিন চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করাও সম্ভব। দ্বিতীয় হচ্ছে মৎস্য। সাধারণ খেটেখাওয়া মানুষ প্রোটিন পেতই না, যদি পুকুরে রুই মাছ, তেলাপিয়া কিংবা পাঙ্গাশ চাষ না হতো। কৃষির এই দিকটিতেও প্রচুর সম্ভাবনা আছে।
প্রশ্ন : রিয়েল সেক্টর এবারের বাজেটে গুরুত্ব হারিয়েছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। আপনার মন্তব্য কী? প্রফেসর খন্দকার মুস্তাহিদ : বাজেটে কৃষিতে ভর্তুকি কমিয়ে দেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে যাওয়ায় ভর্তুকি কমতেই পারে। তবে ভর্তুকি দেয়া হতো কেবল দানাদার শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে; কিন্তু কৃষির অফুরন্ত সম্ভাবনা আছে আরো কয়েকটি জায়গায়। যে জায়গাগুলোর উল্লেখ বাজেটে থাকা উচিত ছিল। একটা হচ্ছে পোলট্রি শিল্প। এই শিল্পটাকে ভালোভাবে সমর্থন দিলে এর থেকে অনেক কিছু পাওয়া সম্ভব। এখান থেকে আমাদের প্রোটিন চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করাও সম্ভব। দ্বিতীয় হচ্ছে মৎস্য। সাধারণ খেটেখাওয়া মানুষ প্রোটিন পেতই না, যদি পুকুরে রুই মাছ, তেলাপিয়া কিংবা পাঙ্গাশ চাষ না হতো। কৃষির এই দিকটিতেও প্রচুর সম্ভাবনা আছে।
তাদের
বিভিন্ন সুবিধা দেয়া প্রয়োজন। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট
খামার আছে। এসব খামারে গরু ও মহিষ চাষ হচ্ছে। এসব খামার থেকে দেশের গোশত ও
দুধের চাহিদার একটা বড় অংশ পূরণ হচ্ছে। তাই তাদেরও প্রণোদনা দেয়া প্রয়োজন।
কারণ এমন হাজার হাজার খামার তৈরি হতে পারে বাংলাদেশে। মহিষ খুব কষ্টসহিষ্ণু
প্রাণী। এসব প্রাণী থেকে যে দুধ পাওয়া যায় সেসব দুধে প্রচুর প্রোটিন ও
ফ্যাট থাকে। তাই দানাদার শস্য উৎপাদন থেকে কৃষির নজরটা যদি আমরা পোলট্রি,
মৎস্য ও খামারিদের ওপর নিয়ে যাই তাহলে কৃষির ব্যাপক উন্নতি হবে। এর দ্বারা
মোটামুটিভাবে প্রোটিনের যে সমস্যা, খাদ্য নিরাপত্তার যে সমস্যা সেটা আমরা
মেটাতে পারব এবং বিদেশেও রফতানি করতে পারব।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1435)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
June
(101)
-
▼
Jun 05
(36)
- সাহস-বিশ্বাসের মশলায় ভারত-আফগান বাঁধ
- প্যারিস ডুবুডুবু জার্মানি ভাসছে
- সবার চেয়ে আলাদা অনন্য আলী
- নায়ক থেকে ব্যবসায়ী আরজু
- সবুজের সমারোহ রাঙ্গামাটিতে
- আমের হাট কানসাট
- অবসরে ভাবি কী ভুল হলো
- বাল্যবন্ধু জিয়া এখন প্রতিবন্ধী
- ৯৭ জন নারী সৈনিকের যাত্রা শুরু হচ্ছে বিজিবিতে
- ১২০ প্রাণ ঝরল যে নির্বাচনে by আবু সালেহ আকন
- অবৈধ সরকার অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে : শিবির সভাপতি
- রমজানে তাকওয়া ভিত্তিক চরিত্র গঠন করুন : জামায়াত
- প্রস্তাবিত বাজেটে রফতানিমুখি শিল্প স্থবির হয়ে পড়বে...
- ব্যাগে চকোলেটের নামে গুলি : লন্ডন থেকে আসা বিমানযা...
- দাঁড়ির জন্য চাকরি হারিয়ে আদালতে মুসলিম জওয়ান
- পাকিস্তানের প্রতিরক্ষায় বরাদ্দ বাড়ল ১১ ভাগ
- ৯৬ বছর বয়সে স্নাতক ডিগ্রি পেয়ে বিশ্বরেকর্ড
- প্রেমিকের মোটরবাইক চেপে কেটে পড়লেন সদ্য বিবাহিতা
- ফুঁসে উঠেছে সিন, ডুবে যাচ্ছে প্যারিস
- ন্যাটোর জবাব দেবে রাশিয়া
- কিডনি চক্রের খপ্পরে ভারতের বিখ্যাত হাসপাতাল
- বেশি প্রশ্ন করলেই আত্মহত্যা করব : পরীক্ষকদের হুমকি...
- পরিবেশ যখন বিপন্ন by প্রকৌশলী এস এম ফজলে আলী
- চরমপন্থা দমনে ব্রাদারহুডের ভূমিকা প্রকাশ করেনি ব্র...
- করের বোঝা বাড়তি উৎপাদনকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে by গোলাম রা...
- স্মরণ : সাংবাদিক মাহবুবুল হক
- সগৌরবে চলিতেছে, মণি সিংহের ‘বাঁশের দালান’ by ড. রে...
- লিগ জমিয়ে দিলেন মাশরাফিরা
- তাইজুলের ঘূর্ণি-জাদু
- ব্রাদার্সকে কাঁদিয়ে সুপার সিক্সে ভিক্টোরিয়া
- আজ ব্রাজিলে নেই নেইমার, নেই আরো অনেকে
- হেরে গেলেন সেরেনা, ফরাসি ওপেনের নতুন রানি মুগুরেজা
- সেরেনাকে হারিয়ে ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতলেন মুগুারুজা
- সেলফিতেই ফোন লক-আনলক
- ঈদের নাটকে রিয়াজ-সুমাইয়া শিমু
- আফজাল হোসেনের বিপরীতে পিয়া বিপাশা
-
▼
Jun 05
(36)
-
▼
June
(101)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment