Tuesday, December 28, 2010
দুর্নীতির রিপোর্টে মন্ত্রীরা বেসামাল! by সোহরাব হাসান
দুর্নীতির রিপোর্টে মন্ত্রীরা বেসামাল! by সোহরাব হাসান
কথাবার্তা একটু হিসাব করে বলতে হয়, না হলে বুমেরাং হয়ে নিজের গায়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। সম্মিলিত ওলামা মাশায়েখ পরিষদ আহূত ২৬ ডিসেম্বরের হরতালের প্রতি বিএনপি সমর্থন জানালে আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রীরা রইরই করে উঠলেন। অভিযোগ করলেন, যুদ্ধাপরাধী আহূত হরতালে সমর্থন জানিয়ে বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পথ রুদ্ধ করার চক্রান্ত করছে।
প্রথমেই বলা দরকার, হরতাল একটি ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচি। কোনো হরতালেই জনগণের মঙ্গল আসে না। তবে এখানে একটি কথা বলা প্রয়োজন, সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় সততা ও দক্ষতা দেখালে এবং সরকারি দল বিরোধীদের প্রতি সহনশীল আচরণ করলে তারা হরতাল ডাকার সুযোগ পায় না। ওলামা মাশায়েখ আহূত হরতালটি প্রত্যাহার করতে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তারা প্রমাণ করল, আলোচনা করে যেকোনো সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।
সরকার চাইলে কি আগের হরতালগুলো থেকেও দেশবাসীকে রেহাই দিতে পারত না? অবশ্যই পারত। শুধু বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করে একটা মীমাংসায় আসতে হতো। আলোচনা মানে বিরোধী দলের সব দাবি মেনে নেওয়া নয়। সরকার ওলামা মাশায়েখদের দাবিমতে, জাতীয় শিক্ষানীতি বাতিল করেনি। তাদের অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রয়োজনে সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাতেই ওলামা মাশায়েখরা সন্তুষ্ট।
শেষ পর্যন্ত ওলামা মাশায়েখ পরিষদ শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে ২৬ ডিসেম্বরের হরতাল প্রত্যাহার করে নিয়েছে। হরতাল ডাকাটাই ছিল অন্যায় ও অযৌক্তিক। তার পরও সরকারের নীতিনির্ধারকেরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, তাদের দাবিদাওয়া বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সংস্কৃতিতে এটি অত্যন্ত ইতিবাচক।
কিন্তু মন্ত্রীরা আগের বক্তব্যের কী ব্যাখ্যা দেবেন? ওলামা মাশায়েখ পরিষদের এক নেতাকে ইঙ্গিত করে সরকারের একাধিক মন্ত্রী বলেছিলেন, ২৬ ডিসেম্বরের হরতাল ডেকেছে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীরা। সেই যুদ্ধাপরাধীদের ডাকা হরতালে সমর্থন জানিয়ে বিএনপি নিশ্চয়ই অন্যায় করেছে। এখন সরকার যখন সেই যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে আলোচনা করে হরতাল প্রত্যাহার করিয়ে নিল, তখন অবস্থাটি কী দাঁড়াল? কে বেশি আপস করল? এর পরও আমরা মনে করি, হরতাল আহ্বানকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার কোনো অন্যায় করেনি। সরকার একটি অনিবার্য হরতাল তথা ভাঙচুর-অবরোধ থেকে দেশকে রক্ষা করেছে। কিন্তু শুরুতে তাঁরা যেভাবে বিরোধী দল ও ওলামা মাশায়েখ নেতাদের অভিযুক্ত করেছিলেন, তার মোক্ষম জবাবও দিয়েছেন পরিষদের এক নেতা। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ একা দেশ স্বাধীন করেনি। দেশের স্বাধীনতায় তাঁদেরও ভূমিকা ছিল। ওলামা মাশায়েখদের কেউ যুদ্ধাপরাধ করে থাকলে সরকার অবশ্যই তার বিচার করবে। হরতাল ডাকা না-ডাকার সঙ্গে তার কী সম্পর্ক?
ক্ষমতাসীনেরা যদি প্রতিটি ক্ষেত্রে এ ধরনের সংলাপ, আলাপ-আলোচনা ও মতবিনিময়কে গুরুত্ব দিতেন, তাহলে দেশের অনেক সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান হতো। বিরোধী দল যেসব দাবিতে আন্দোলন করছে, সব কটি যেমন যৌক্তিক নয়, তেমনি ষড়যন্ত্রমূলকও নয়। সরকার সেগুলো নিয়ে সংসদের ভেতরে-বাইরে আলোচনা করতে পারত। দেশীয় সমস্যা নিয়ে বিদেশি দূতদের সঙ্গে আলোচনার চেয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করা উত্তম। বিএনপি বলছে, তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে সরকার হামলা-মামলা চালাচ্ছে। তাদের এই দাবি অসত্য হলে সরকারের উচিত যুক্তি ও তথ্য দিয়ে তা খণ্ডন করা। কোন নেতার বিরুদ্ধে কী মামলা আছে, তাও দেশবাসীকে জানিয়ে দেওয়া।
রাজনৈতিক বিবেচনায় দায়ের করা মামলা নিয়ে সরকার যা করছে, তার প্রতিবাদ এসেছে খোদ সরকারি দলের পক্ষ থেকে। এটি এখন নেতাদের ঘুষ-বাণিজ্যের অন্যতম হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের মেয়াদ দুই বছর পার হতে চলেছে। এই দুই বছরে তারা কী করেছে, কী করেনি, কী করার অঙ্গীকার করেছিল, সেই হিসাব এখন জনগণ নিতে চাইবে। কেবল বিএনপি-জামায়াত ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ওপর দোষ চাপিয়ে পার পাওয়া যাবে না।
ওলামা মাশায়েখ পরিষদের যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে যদি সরকার একটি সমঝোতায় আসতে পারে, তাহলে বিএনপির সঙ্গে আসতে পারবে না কেন? তারা আলোচনা করবে নিশ্চয়ই দুর্নীতির মামলা থেকে বিএনপির নেতাদের ছেড়ে দিতে নয়। আলোচনা করবে দেশ পরিচালনায় সরকারের নীতি ও পরিকল্পনা কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, কীভাবে জনজীবনের সমস্যা সমাধান করা যায়, কীভাবে সংসদ কার্যকর করা যায়, সেসব নিয়ে।
২.
বাংলাদেশে ক্ষমতার রাজনীতির একটি অদ্ভুত রেওয়াজ চালু আছে। সরকারের কোনো দুর্বলতা ও ব্যর্থতার কথা বলা যাবে না। সরকারের মন্ত্রী, আমলা, পুলিশের বড়-ছোট ও মাঝারি কর্মকর্তা, সরকারের সমর্থক ও পেশাজীবীরা গায়ের জোরে সবার কণ্ঠ রোধ করতে চায়। তারা বিরোধী দলের প্রতিবাদ স্তব্ধ করতে চায়। গণমাধ্যমের কণ্ঠও রোধ করতে চায়। এমনকি স্বাধীন সংস্থাগুলোকেও পেশাদারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়। এটি সুস্থতার লক্ষণ নয়।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। দুর্নীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে তারা কাজ করে আসছে বহু বছর ধরে। টিআইবি কোনো সরকারকে ক্ষমতায় বসায় না, ‘ভূপাত ধরণীতল’ও করে না (করলে চার-চারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিএনপি পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারত না)। টিআইবি সরকারের বিভিন্ন সেবা খাত নিয়ে ভুক্তভোগীদের সাক্ষাৎকার ও মতামতের ভিত্তিতে কিছু জরিপ প্রতিবেদন করে থাকে। উদ্দেশ্য, কে কতটুকু সেবা পেল কিংবা পেল না, তা তুলে ধরা। এসব জরিপ শতভাগ নির্ভুল নয়, আবার উদ্দেশ্যমূলক, তা বলারও যুক্তি নেই।
টিআইবি বৃহস্পতিবার ‘সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০১০’ প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ‘২০০৭ সালের খানা জরিপে ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার বিচার বিভাগের দুর্নীতির শিকার হয়েছিল। কিন্তু এ দফায় তা বেড়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের শতকরা ১০ দশমিক ৯ শতাংশ বিচার বিভাগ থেকে সেবা নিয়েছেন। তাঁদের ৮৮ শতাংশ দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। সেবাগ্রহীতারা দ্রুত শুনানি হওয়া, মামলার রায়কে প্রভাবিত করা, নথি তোলা, শুনানির তারিখ পেছানো ও নথিপত্র গায়েব করে দেওয়ার জন্য ঘুষ দেয়। এ সময় সবচেয়ে বেশি ঘুষ লেনদেন হয়েছে হাইকোর্টের মামলার ক্ষেত্রে, ঘুষের পরিমাণ খানাপ্রতি গড়ে ১২ হাজার ৭৬১ টাকা, জজকোর্টে তা ছয় হাজার ১৭৮ টাকা এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে ছয় হাজার ৫৯৮ টাকা।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আইনজীবীর হয়রানির শিকার হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ; ৪১ শতাংশ মানুষ সময়ক্ষেপণ, ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ আদালতের কর্মকর্তা বা কর্মচারী, ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ মুহরির, ২ দশমিক ৭ শতাংশ দালালের হয়রানি এবং ৯ দশমিক ১ শতাংশ নথি তোলায় হয়রানির শিকার হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯-১০ সালে সেবা পাওয়ার জন্য সার্বিকভাবে প্রায় ৬০ শতাংশ খানা গড়ে সাত হাজার ৯১৮ টাকা ঘুষ দিয়েছে।
‘খাতভেদে ঘুষ ও নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়ে এগিয়ে আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। পুলিশের শনাক্তকরণ প্রতিবেদন ও অনাপত্তিপত্র পেতে সেবাগ্রহীতাদের ৯৮ দশমিক ৩ শতাংশকে ঘুষ দিতে হয়েছে। এ ছাড়া গণগ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়ে প্রায় ৮৯ শতাংশ পরিবারকে গড়ে চার হাজার ৪৫ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। এরপরই দুর্নীতিতে এগিয়ে আছে ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা। সেবা গ্রহণকারীদের মধ্যে দুর্নীতির শিকার হয়েছে ৭১ দশমিক ২ শতাংশ। এ ছাড়া কর ও শুল্ক বিভাগের সেবা পাওয়ার জন্য ৪৩ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সেবা পেতে ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবার, কৃষিসেবা পেতে ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ পরিবার, স্থানীয় সরকারের কাছ থেকে সেবা পেতে ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার, স্বাস্থ্যসেবা পেতে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ পরিবার, বিমা খাতে ১৫ শতাংশ খানা, ব্যাংকিং খাতে ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ খানা, ৭ দশমিক ২ শতাংশ ঋণগ্রহীতা এনজিও থেকে ঋণ নিতে এবং শিক্ষা খাতে ১৫ শতাংশ খানা ঘুষ-অনিয়মের শিকার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।’ (প্রথম আলো ২৪ ডিসেম্বর ২০১০)।
এসব তথ্য নতুনও নয়, অভিনবও নয়। কিন্তু টিআইবির প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পরই মন্ত্রী থেকে প্রতিমন্ত্রী, সরকারের উপদেষ্টা থেকে আইনজীবী সমিতির সভাপতি, পুলিশের মহাপরিদর্শক থেকে ঢাকার কমিশনার পর্যন্ত শোরগোল তুলেছেন। এর মধ্যে ষড়যন্ত্র খুঁজছেন। কেউ প্রশ্ন করছেন, এ সময়ে কেন রিপোর্ট দেওয়া হলো? কেউ বলছেন, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করা হয়েছে। কেউ বলছেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। আমরা বুঝি না, টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধের বিচারের কী সম্পর্ক? মন্ত্রী-নেতারা যখন প্রতিবেদন নিয়ে ঝড় তুলছেন, তখন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান কী বলছেন? জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানেই তিনি বলেছেন, ‘টিআইবি দুর্নীতির যে চিত্র প্রকাশ করেছে, দেশে তার চেয়েও বেশি দুর্নীতি হচ্ছে।’ (প্রথম আলো, ঐ)
তাহলে দুদক চেয়ারম্যানও কি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন? আরও মজার ব্যাপার হলো, সব বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বৈরিতা থাকলেও প্রতিবেদনের বিষয়ে তারা এককাট্টা। কুমিল্লায় টিআইবির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির এক সদস্য। টিআইবির প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সরকার-সমর্থক ও বিরোধী আইনজীবীরা। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেছেন, প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। অনুরূপ মন্তব্য করেছেন সরকার-সমর্থক আইনজীবী নেতারাও। আসল কথা হচ্ছে, বিচার বিভাগ বা পুলিশ বিভাগে দুর্নীতি বেড়েছে কি কমেছে, তা জানতে টিআইবির প্রতিবেদন পড়ার প্রয়োজন নেই। ভূক্তভোগীরাই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। কয়েক দিন আগে প্রধান বিচারপতিও নিম্ন আদালতের বিচারকদের ঘুষ গ্রহণ সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছেন। তাহলে টিআইবির দোষটা কোথায়? টিআইবির প্রতিবেদনে অসত্য কিছু থাকলে সরকার চ্যালেঞ্জ করতে পারত।তা না করে মন্ত্রীরা যে ভাষায় গবেষণা-প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছেন, তা শিষ্টাচার ও ন্যায়নীতিবর্জিত। এর পাশাপাশি মামলা করেও টিআইবির কর্মকর্তাদের খামোশ করার চেষ্টা চলছে। মন্ত্রীরা টিআইবির কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চেয়েছেন। তা চাইতেই পারেন। তাঁরা আইনকানুন মানছেন কি না, ঠিকমতো কর দিচ্ছেন কি না, সেসব দেখার দায়িত্ব সরকারেরই। কেউ আইন ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। এর সঙ্গে টিআইবির পুরো প্রতিবেদনের কোনো সম্পর্ক নেই। একইভাবে সরকার ঠিকমতো দেশ চালাচ্ছে কি না, তা জানতে চাওয়ার অধিকার জনগণের আছে। টিআইবির জরিপে বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে। তারা ঢালাওভাবে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেনি। ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন মাত্র। আগের জরিপগুলো বিশ্লেষণ করলেই তা বোঝা যায়। আগের জরিপে কখনো শিক্ষা খাত, কখনো বন্দর, কখনো স্থানীয় সরকার দুর্নীতির শীর্ষে ছিল। এবারে বিচার বিভাগ ও পুলিশ সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। এতে সংশ্লিষ্টদের লজ্জিত হওয়া উচিত ছিল। একসময় বলা হতো, শিক্ষা ভবনের ইটও ঘুষ খায়। সেই বদনাম ঘুচেছে, শিক্ষা খাতে দুর্নীতি কমেছে। টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী ২৯ শতাংশ থেকে ১৫-তে নেমে এসেছে। স্বাস্থ্য খাতে ৪৪ থেকে নেমে ৩৩ শতাংশ হয়েছে। এটি নিশ্চয়ই এক ধাপ অগ্রগতি। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত এই সফলতা দেখাতে পারলে অন্যরা কেন পারবে না?
আসলে কে মন্ত্রণালয় চালাচ্ছেন, কীভাবে চালাচ্ছেন, তার ওপরও মন্ত্রণালয়ের সাফল্য-ব্যর্থতা নির্ভর করে। মন্ত্রী যদি ঘুষ ও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকেন, তাহলে তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তারাও দুর্নীতি করতে ভয় পাবেন। এই সরল সত্যটি অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের চালকেরাও বুঝতে পারলে জরিপ নিয়ে এত হইচই করতেন না। কথায় কথায় যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি টেনে আনতেন না। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক, তা সবাই চায়। তার অর্থ এই নয় যে মন্ত্রণালয়গুলোর দুর্নীতি, অনিয়ম ও অদক্ষতা নিয়ে কোনো কথা বলা যাবে না। আমরা এ রকম কবরের নিস্তব্ধতাপ্রিয় গণতন্ত্র চাই না।
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net
প্রথমেই বলা দরকার, হরতাল একটি ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচি। কোনো হরতালেই জনগণের মঙ্গল আসে না। তবে এখানে একটি কথা বলা প্রয়োজন, সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় সততা ও দক্ষতা দেখালে এবং সরকারি দল বিরোধীদের প্রতি সহনশীল আচরণ করলে তারা হরতাল ডাকার সুযোগ পায় না। ওলামা মাশায়েখ আহূত হরতালটি প্রত্যাহার করতে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তারা প্রমাণ করল, আলোচনা করে যেকোনো সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।
সরকার চাইলে কি আগের হরতালগুলো থেকেও দেশবাসীকে রেহাই দিতে পারত না? অবশ্যই পারত। শুধু বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করে একটা মীমাংসায় আসতে হতো। আলোচনা মানে বিরোধী দলের সব দাবি মেনে নেওয়া নয়। সরকার ওলামা মাশায়েখদের দাবিমতে, জাতীয় শিক্ষানীতি বাতিল করেনি। তাদের অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রয়োজনে সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাতেই ওলামা মাশায়েখরা সন্তুষ্ট।
শেষ পর্যন্ত ওলামা মাশায়েখ পরিষদ শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে ২৬ ডিসেম্বরের হরতাল প্রত্যাহার করে নিয়েছে। হরতাল ডাকাটাই ছিল অন্যায় ও অযৌক্তিক। তার পরও সরকারের নীতিনির্ধারকেরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, তাদের দাবিদাওয়া বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সংস্কৃতিতে এটি অত্যন্ত ইতিবাচক।
কিন্তু মন্ত্রীরা আগের বক্তব্যের কী ব্যাখ্যা দেবেন? ওলামা মাশায়েখ পরিষদের এক নেতাকে ইঙ্গিত করে সরকারের একাধিক মন্ত্রী বলেছিলেন, ২৬ ডিসেম্বরের হরতাল ডেকেছে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীরা। সেই যুদ্ধাপরাধীদের ডাকা হরতালে সমর্থন জানিয়ে বিএনপি নিশ্চয়ই অন্যায় করেছে। এখন সরকার যখন সেই যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে আলোচনা করে হরতাল প্রত্যাহার করিয়ে নিল, তখন অবস্থাটি কী দাঁড়াল? কে বেশি আপস করল? এর পরও আমরা মনে করি, হরতাল আহ্বানকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার কোনো অন্যায় করেনি। সরকার একটি অনিবার্য হরতাল তথা ভাঙচুর-অবরোধ থেকে দেশকে রক্ষা করেছে। কিন্তু শুরুতে তাঁরা যেভাবে বিরোধী দল ও ওলামা মাশায়েখ নেতাদের অভিযুক্ত করেছিলেন, তার মোক্ষম জবাবও দিয়েছেন পরিষদের এক নেতা। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ একা দেশ স্বাধীন করেনি। দেশের স্বাধীনতায় তাঁদেরও ভূমিকা ছিল। ওলামা মাশায়েখদের কেউ যুদ্ধাপরাধ করে থাকলে সরকার অবশ্যই তার বিচার করবে। হরতাল ডাকা না-ডাকার সঙ্গে তার কী সম্পর্ক?
ক্ষমতাসীনেরা যদি প্রতিটি ক্ষেত্রে এ ধরনের সংলাপ, আলাপ-আলোচনা ও মতবিনিময়কে গুরুত্ব দিতেন, তাহলে দেশের অনেক সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান হতো। বিরোধী দল যেসব দাবিতে আন্দোলন করছে, সব কটি যেমন যৌক্তিক নয়, তেমনি ষড়যন্ত্রমূলকও নয়। সরকার সেগুলো নিয়ে সংসদের ভেতরে-বাইরে আলোচনা করতে পারত। দেশীয় সমস্যা নিয়ে বিদেশি দূতদের সঙ্গে আলোচনার চেয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করা উত্তম। বিএনপি বলছে, তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে সরকার হামলা-মামলা চালাচ্ছে। তাদের এই দাবি অসত্য হলে সরকারের উচিত যুক্তি ও তথ্য দিয়ে তা খণ্ডন করা। কোন নেতার বিরুদ্ধে কী মামলা আছে, তাও দেশবাসীকে জানিয়ে দেওয়া।
রাজনৈতিক বিবেচনায় দায়ের করা মামলা নিয়ে সরকার যা করছে, তার প্রতিবাদ এসেছে খোদ সরকারি দলের পক্ষ থেকে। এটি এখন নেতাদের ঘুষ-বাণিজ্যের অন্যতম হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের মেয়াদ দুই বছর পার হতে চলেছে। এই দুই বছরে তারা কী করেছে, কী করেনি, কী করার অঙ্গীকার করেছিল, সেই হিসাব এখন জনগণ নিতে চাইবে। কেবল বিএনপি-জামায়াত ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ওপর দোষ চাপিয়ে পার পাওয়া যাবে না।
ওলামা মাশায়েখ পরিষদের যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে যদি সরকার একটি সমঝোতায় আসতে পারে, তাহলে বিএনপির সঙ্গে আসতে পারবে না কেন? তারা আলোচনা করবে নিশ্চয়ই দুর্নীতির মামলা থেকে বিএনপির নেতাদের ছেড়ে দিতে নয়। আলোচনা করবে দেশ পরিচালনায় সরকারের নীতি ও পরিকল্পনা কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, কীভাবে জনজীবনের সমস্যা সমাধান করা যায়, কীভাবে সংসদ কার্যকর করা যায়, সেসব নিয়ে।
২.
বাংলাদেশে ক্ষমতার রাজনীতির একটি অদ্ভুত রেওয়াজ চালু আছে। সরকারের কোনো দুর্বলতা ও ব্যর্থতার কথা বলা যাবে না। সরকারের মন্ত্রী, আমলা, পুলিশের বড়-ছোট ও মাঝারি কর্মকর্তা, সরকারের সমর্থক ও পেশাজীবীরা গায়ের জোরে সবার কণ্ঠ রোধ করতে চায়। তারা বিরোধী দলের প্রতিবাদ স্তব্ধ করতে চায়। গণমাধ্যমের কণ্ঠও রোধ করতে চায়। এমনকি স্বাধীন সংস্থাগুলোকেও পেশাদারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়। এটি সুস্থতার লক্ষণ নয়।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। দুর্নীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে তারা কাজ করে আসছে বহু বছর ধরে। টিআইবি কোনো সরকারকে ক্ষমতায় বসায় না, ‘ভূপাত ধরণীতল’ও করে না (করলে চার-চারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিএনপি পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারত না)। টিআইবি সরকারের বিভিন্ন সেবা খাত নিয়ে ভুক্তভোগীদের সাক্ষাৎকার ও মতামতের ভিত্তিতে কিছু জরিপ প্রতিবেদন করে থাকে। উদ্দেশ্য, কে কতটুকু সেবা পেল কিংবা পেল না, তা তুলে ধরা। এসব জরিপ শতভাগ নির্ভুল নয়, আবার উদ্দেশ্যমূলক, তা বলারও যুক্তি নেই।
টিআইবি বৃহস্পতিবার ‘সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০১০’ প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ‘২০০৭ সালের খানা জরিপে ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার বিচার বিভাগের দুর্নীতির শিকার হয়েছিল। কিন্তু এ দফায় তা বেড়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের শতকরা ১০ দশমিক ৯ শতাংশ বিচার বিভাগ থেকে সেবা নিয়েছেন। তাঁদের ৮৮ শতাংশ দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। সেবাগ্রহীতারা দ্রুত শুনানি হওয়া, মামলার রায়কে প্রভাবিত করা, নথি তোলা, শুনানির তারিখ পেছানো ও নথিপত্র গায়েব করে দেওয়ার জন্য ঘুষ দেয়। এ সময় সবচেয়ে বেশি ঘুষ লেনদেন হয়েছে হাইকোর্টের মামলার ক্ষেত্রে, ঘুষের পরিমাণ খানাপ্রতি গড়ে ১২ হাজার ৭৬১ টাকা, জজকোর্টে তা ছয় হাজার ১৭৮ টাকা এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে ছয় হাজার ৫৯৮ টাকা।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আইনজীবীর হয়রানির শিকার হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ; ৪১ শতাংশ মানুষ সময়ক্ষেপণ, ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ আদালতের কর্মকর্তা বা কর্মচারী, ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ মুহরির, ২ দশমিক ৭ শতাংশ দালালের হয়রানি এবং ৯ দশমিক ১ শতাংশ নথি তোলায় হয়রানির শিকার হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯-১০ সালে সেবা পাওয়ার জন্য সার্বিকভাবে প্রায় ৬০ শতাংশ খানা গড়ে সাত হাজার ৯১৮ টাকা ঘুষ দিয়েছে।
‘খাতভেদে ঘুষ ও নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়ে এগিয়ে আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। পুলিশের শনাক্তকরণ প্রতিবেদন ও অনাপত্তিপত্র পেতে সেবাগ্রহীতাদের ৯৮ দশমিক ৩ শতাংশকে ঘুষ দিতে হয়েছে। এ ছাড়া গণগ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়ে প্রায় ৮৯ শতাংশ পরিবারকে গড়ে চার হাজার ৪৫ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। এরপরই দুর্নীতিতে এগিয়ে আছে ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা। সেবা গ্রহণকারীদের মধ্যে দুর্নীতির শিকার হয়েছে ৭১ দশমিক ২ শতাংশ। এ ছাড়া কর ও শুল্ক বিভাগের সেবা পাওয়ার জন্য ৪৩ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সেবা পেতে ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবার, কৃষিসেবা পেতে ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ পরিবার, স্থানীয় সরকারের কাছ থেকে সেবা পেতে ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার, স্বাস্থ্যসেবা পেতে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ পরিবার, বিমা খাতে ১৫ শতাংশ খানা, ব্যাংকিং খাতে ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ খানা, ৭ দশমিক ২ শতাংশ ঋণগ্রহীতা এনজিও থেকে ঋণ নিতে এবং শিক্ষা খাতে ১৫ শতাংশ খানা ঘুষ-অনিয়মের শিকার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।’ (প্রথম আলো ২৪ ডিসেম্বর ২০১০)।
এসব তথ্য নতুনও নয়, অভিনবও নয়। কিন্তু টিআইবির প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পরই মন্ত্রী থেকে প্রতিমন্ত্রী, সরকারের উপদেষ্টা থেকে আইনজীবী সমিতির সভাপতি, পুলিশের মহাপরিদর্শক থেকে ঢাকার কমিশনার পর্যন্ত শোরগোল তুলেছেন। এর মধ্যে ষড়যন্ত্র খুঁজছেন। কেউ প্রশ্ন করছেন, এ সময়ে কেন রিপোর্ট দেওয়া হলো? কেউ বলছেন, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করা হয়েছে। কেউ বলছেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। আমরা বুঝি না, টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে যুদ্ধাপরাধের বিচারের কী সম্পর্ক? মন্ত্রী-নেতারা যখন প্রতিবেদন নিয়ে ঝড় তুলছেন, তখন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান কী বলছেন? জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানেই তিনি বলেছেন, ‘টিআইবি দুর্নীতির যে চিত্র প্রকাশ করেছে, দেশে তার চেয়েও বেশি দুর্নীতি হচ্ছে।’ (প্রথম আলো, ঐ)
তাহলে দুদক চেয়ারম্যানও কি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন? আরও মজার ব্যাপার হলো, সব বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বৈরিতা থাকলেও প্রতিবেদনের বিষয়ে তারা এককাট্টা। কুমিল্লায় টিআইবির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির এক সদস্য। টিআইবির প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সরকার-সমর্থক ও বিরোধী আইনজীবীরা। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেছেন, প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। অনুরূপ মন্তব্য করেছেন সরকার-সমর্থক আইনজীবী নেতারাও। আসল কথা হচ্ছে, বিচার বিভাগ বা পুলিশ বিভাগে দুর্নীতি বেড়েছে কি কমেছে, তা জানতে টিআইবির প্রতিবেদন পড়ার প্রয়োজন নেই। ভূক্তভোগীরাই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। কয়েক দিন আগে প্রধান বিচারপতিও নিম্ন আদালতের বিচারকদের ঘুষ গ্রহণ সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছেন। তাহলে টিআইবির দোষটা কোথায়? টিআইবির প্রতিবেদনে অসত্য কিছু থাকলে সরকার চ্যালেঞ্জ করতে পারত।তা না করে মন্ত্রীরা যে ভাষায় গবেষণা-প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছেন, তা শিষ্টাচার ও ন্যায়নীতিবর্জিত। এর পাশাপাশি মামলা করেও টিআইবির কর্মকর্তাদের খামোশ করার চেষ্টা চলছে। মন্ত্রীরা টিআইবির কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চেয়েছেন। তা চাইতেই পারেন। তাঁরা আইনকানুন মানছেন কি না, ঠিকমতো কর দিচ্ছেন কি না, সেসব দেখার দায়িত্ব সরকারেরই। কেউ আইন ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। এর সঙ্গে টিআইবির পুরো প্রতিবেদনের কোনো সম্পর্ক নেই। একইভাবে সরকার ঠিকমতো দেশ চালাচ্ছে কি না, তা জানতে চাওয়ার অধিকার জনগণের আছে। টিআইবির জরিপে বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে। তারা ঢালাওভাবে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেনি। ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন মাত্র। আগের জরিপগুলো বিশ্লেষণ করলেই তা বোঝা যায়। আগের জরিপে কখনো শিক্ষা খাত, কখনো বন্দর, কখনো স্থানীয় সরকার দুর্নীতির শীর্ষে ছিল। এবারে বিচার বিভাগ ও পুলিশ সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। এতে সংশ্লিষ্টদের লজ্জিত হওয়া উচিত ছিল। একসময় বলা হতো, শিক্ষা ভবনের ইটও ঘুষ খায়। সেই বদনাম ঘুচেছে, শিক্ষা খাতে দুর্নীতি কমেছে। টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী ২৯ শতাংশ থেকে ১৫-তে নেমে এসেছে। স্বাস্থ্য খাতে ৪৪ থেকে নেমে ৩৩ শতাংশ হয়েছে। এটি নিশ্চয়ই এক ধাপ অগ্রগতি। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত এই সফলতা দেখাতে পারলে অন্যরা কেন পারবে না?
আসলে কে মন্ত্রণালয় চালাচ্ছেন, কীভাবে চালাচ্ছেন, তার ওপরও মন্ত্রণালয়ের সাফল্য-ব্যর্থতা নির্ভর করে। মন্ত্রী যদি ঘুষ ও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকেন, তাহলে তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তারাও দুর্নীতি করতে ভয় পাবেন। এই সরল সত্যটি অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের চালকেরাও বুঝতে পারলে জরিপ নিয়ে এত হইচই করতেন না। কথায় কথায় যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি টেনে আনতেন না। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক, তা সবাই চায়। তার অর্থ এই নয় যে মন্ত্রণালয়গুলোর দুর্নীতি, অনিয়ম ও অদক্ষতা নিয়ে কোনো কথা বলা যাবে না। আমরা এ রকম কবরের নিস্তব্ধতাপ্রিয় গণতন্ত্র চাই না।
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1548)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
December
(884)
-
▼
Dec 28
(23)
- দলভিত্তিক পৌর নির্বাচন কতটা যৌক্তিক? by বদিউল আলম ...
- আজকের গল্প by মুস্তাফা জামান আব্বাসী
- একজন আলী হোসেনের বঞ্চনা
- দুর্নীতির রিপোর্টে মন্ত্রীরা বেসামাল! by সোহরাব হাসান
- ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট পেরেজের জীবনাবসান
- বাজপেয়িকে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি বিজেপির
- বড়দিন আলাদাভাবে উদ্যাপন করলেন উইলিয়াম ও কেট
- গাজায় ইসরায়েলি ট্যাংকের গোলা নিক্ষেপ
- জাতিসংঘের ত্রাণ তহবিলে ৪০ কোটি পাউন্ড দেবে যুক্তরাজ্য
- এই হামলা জঘন্য ও বিশ্বমানবতার বিরুদ্ধে: ওবামা
- আইভরি কোস্ট ছেড়ে পালাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ
- ইয়নপিয়ং দ্বীপে হামলার ঘটনা বর্ণনা করলেন উ. কোরিয়ার...
- ভার্জিন আটলান্টিক কিনতে পারেন এয়ার এশিয়াপ্রধান
- তফসিলি ব্যাংকগুলোকে স্কুল ব্যাংকিং চালুর আহ্বান
- বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে বাংলাদেশ-ভারত চুক্তি জানুয়া...
- চট্টগ্রাম চেম্বারের ফলাফল ঘোষণায় বাধা নেই
- ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বহাল
- আইপিওর ফলাফলে অনিয়মের অভিযোগে এসইসির তদন্ত কমিটি গঠন
- টিকিট, নাকি সোনার হরিণ?
- ভয়কে জয় করবে আর্সেনাল
- সিটিকে দুইয়ে তুললেন তেভেজ
- মুক্তিযুদ্ধ- বাংলাদেশের বন্ধুঃ জুলিয়ান ফ্রান্সিস b...
- খবর, কালের কণ্ঠের- নিষ্ফল উদ্ধার অভিযানঃ দখলচক্রে ...
-
▼
Dec 28
(23)
-
▼
December
(884)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
তুরস্ক
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
স্বাস্থ্য
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
লেবানন
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
Exclusive
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
ইয়েমেন
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
প্রযুক্তি
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
আরব আমিরাত বা দুবাই
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
জোহরান মামদানি
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment