Thursday, December 24, 2009
আইনি প্রতিকার ও শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন by এ এম এম শওকত আলী |
আইনি প্রতিকার ও শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন by এ এম এম শওকত আলী |
শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন সম্পর্কে সম্প্রতি অনেক আলোচনা হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে। ২০০৪ থেকে ২০০৯-এর জানুয়ারি সময়কালে নির্বাহী বিভাগকে অধিকতর জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রীয় অঙ্গে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সরকারের নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কিছু প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়েছে। সরকার অবশ্য স্বেচ্ছায় এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়নি। এর জন্য বিদেশি সাহায্যদানকারী প্রতিষ্ঠানসহ নাগরিক সমাজ ও মিডিয়া সোচ্চার ছিল। উদ্দেশ্য, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। এ উদ্দেশ্য অর্জনে সুশীল সমাজসহ দাতাগোষ্ঠীর কিছু প্রতিনিধি যে বক্তব্য মাঝেমধ্যে প্রকাশ্যে দিয়ে থাকেন, তা নিতান্তই অতি সাধারণ প্রকৃতির। এসব বক্তব্যে যে উপাদানটির অভাব, তা হলো সংবিধান স্বীকৃত ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা। একই সঙ্গে এ কথাও বলা যায়, বক্তব্য দেওয়া অনেকেই যে আইনের বলে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলো সৃষ্টি করা হয়, সে বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন না।
সম্প্রতি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে একটি সেমিনারে আইনমন্ত্রীসহ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান স্পষ্টভাবে বলেছেন, বর্তমান কমিশন যথেষ্ট শক্তিশালী। একই সঙ্গে আইনমন্ত্রী এ কথাও বলেছেন যে সরকার বর্তমান আইন সংশোধনের চিন্তা করছে। আইনগত দিক দিয়ে বর্তমান কমিশন যদি শক্তিশালীই হয়, তাহলে আইনের অধিকতর সংশোধনের প্রয়োজন কেন? তা স্পষ্ট নয়। বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। অন্যদিকে কমিশনের চেয়ারম্যান বলেছেন, এ কমিশনের প্রধান দুর্বলতা লোকবলের অভাব। কমিশন এখনো কাঠামোগত দিক দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রূপ অর্জন করেনি। এ কারণেই কমিশন কার্যকর ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। প্রয়োজনীয় লোকবলের দুটি অংশ। এক. কমিশনের অন্য সদস্যদের অবিলম্বে নিযুক্ত করা। দুই. কমিশনের দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ। এ দুটি বিষয়ই সরকারের আওতাভুক্ত। অবশ্য এ কথা সত্য যে শেষোক্ত বিষয়ে সরকার ক্ষমতাবান হলেও নিয়োগ দেবে কমিশন। এ জন্য প্রয়োজন নিয়োগ বিধিমালা। কমিশনের চেয়ারম্যান ওই সেমিনারে জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট বিধির খসড়া প্রণয়ন করেছেন। এখানেও রয়েছে আরেকটি ধাপ। খসড়া চূড়ান্ত করতে হলে সরকারের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন। এ ধাপ অতিক্রম করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়। কারণ, আইন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মতামত না নিয়ে কোনো খসড়াই চূড়ান্ত করতে আগ্রহী নয়। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আইন মন্ত্রণালয়ই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এ মন্ত্রণালয় মনোযোগী হলে খসড়া বিধি চূড়ান্ত কম সময়েই করা সম্ভব। তবে যে খসড়া ইতিমধ্যে প্রণীত হয়েছে, তা বিদ্যমান আইনের ভিত্তিতে। কাজেই আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এ আইনকে অধিকতর সংশোধন করা হবে। অর্থাত্ নতুন বিধির প্রয়োজন হবে।
এ পর্যায়ে একটি মৌলিক প্রশ্নের অবতারণা করা যায়। প্রশ্নটি হলো, কোন কমিশন এর আইন দ্বারা নির্দিষ্ট বিষয়ে অনুসন্ধান করে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠাবে। অবশ্য নির্বাচন কমিশনের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। এ ব্যতিক্রমের ভিত্তি সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে এ কমিশনের যেকোনো অনুরোধ অলঙ্ঘনীয়। একমাত্র উচ্চতর আদালতই এর ব্যতিক্রম করতে ক্ষমতাবান। তবে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত ক্ষমতাকে উচ্চতর আদালত কখনো অবজ্ঞা করবেন না। এ জন্য কোনো কোনো সময় নাগরিক সমাজের কিছু ব্যক্তি কমিশনগুলোকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি উত্থাপন করে। এ দাবি করার সময় তাঁরা ভুলে যান যে সংসদীয় কমিটির সুপারিশেরও বাস্তবায়ন করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এমনই একটি দাবি তাঁরা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের জন্য। সরকার অবশ্য সে দাবি মেনে নেয়নি। কারণ, সংসদীয় কমিটির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হলেও গৃহীত হয়নি। আমরা অনেকেই সর্বক্ষেত্রে সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ আইনি ক্ষমতায় বিশ্বাস করি। এ বিশ্বাসের কারণ, সরকারের ওপর কারও আস্থা নেই। এ অনাস্থার কারণ সরকারকে সবাই অত্যাচারের উত্স হিসেবে দেখে।
সংসদীয় গণতান্ত্রিক প্রথায় সবকিছুই আইন দিয়ে হয় না। এটা প্রথাগতভাবে স্বীকৃত। এ বিষয়ে কার্যকর প্রথা হলো অলিখিত নীতি বা নিয়ম। এর আওতায় কোনো সরকারই সংসদ বা অন্য কোনো সংস্থার জনস্বার্থবিষয়ক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে না। কারণ, প্রত্যাখ্যান করলে তারা জনরোষের শিকার হবে। একটি বিষয় স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত, তা হলো, কোনো তথাকথিত শক্তিশালী কমিশনের সব সিদ্ধান্তই যে আইনসিদ্ধ বা জনস্বার্থের সপক্ষে নয়, তা অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এক-এগারোর পরবর্তী যে নির্যাতন কিছুসংখ্যক রাজনীতিকের বিরুদ্ধে করেছিল, তা সর্বজনবিদিত। সম্প্রতি দুদক চেয়ারম্যান বলেছেন, অনেক সিদ্ধান্তই দুককের অজ্ঞাতে করা হয়েছে। সবাই জানে, এ নির্যাতনের উত্স কে বা কারা।
সম্প্রতি মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে একজন প্রধান আইনজীবী এ প্রশ্নের অবতারণা করে মন্তব্য করেছেন যে বর্তমান সরকারও মানবাধিকার কমিশন স্বীকৃত মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, যে গুটিকয়েক ব্যক্তি এটা করেছেন, তাঁরা এখনো দেশে-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ মানবাধিকার কমিশন এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপই এ পর্যন্ত নেয়নি। তিনি এর আগে একটি টিভিতে বলেছিলেন, এ কমিশন আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে যথেষ্ট শক্তিশালী। অর্থাত্ একে অধিকতর শক্তিশালী করার প্রয়োজন নেই।
কমিশনের বিরুদ্ধে যে প্রশ্ন তিনি করেছেন, উচ্চতর আদালত সম্পর্কে একই অভিযোগ করা সম্ভব। ২০০৭ সালে যেসব ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে এ আদালত ছিলেন নিশ্চুপ। কিছু ক্ষেত্রে হাইকোর্টে এর প্রতিকারমূলক সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলেও আপিল বিভাগও ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত দেন। ২০০৮ জানুয়ারি থেকে অবশ্য এ দৃশ্যপট বদলে যায়। অন্যদিকে একই ব্যক্তিকে পর্যায়ক্রমে রিমান্ড মঞ্জুর করেন স্বাধীন বিচার বিভাগের অধস্তন আদালত।
স্বাধীন বিচার বিভাগসহ যেকোনো কমিশন শক্তিশালী হোক, এটা সবারই কাম্য। তবে কমিশন ও বিচার বিভাগ সমার্থক নয়। বিচার বিভাগ সংবিধানে স্বীকৃত একটি অন্যতম রাষ্ট্রীয় অঙ্গ। কমিশনগুলো সংসদ স্বীকৃত একটি প্রতিষ্ঠান। অর্থাত্ কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যপরিধি সংসদই নির্ধারণ করবে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে। এসব কমিশনের ক্ষমতার গণ্ডি নির্দিষ্ট আইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই বাঞ্ছনীয়। এ বাস্তব সত্য অস্বীকার করলে হিতে বিপরীত হবে।
কমিশন সম্পর্কে মূল অভিযোগটি উত্থাপিত হয় ক্রসফায়ার-সংক্রান্ত প্রতিবেদন সময়মতো সরকার দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায়। কমিশন এ বিষয়ে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিসহ একটি কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছে। কমিশনের পক্ষে এ ধরনের সুপারিশ করা কি যুক্তিযুক্ত? কারণ, এ বিষয়ে আইনি বিধান স্পষ্ট। সে বিধান পালিত হচ্ছে না। সরকার প্রথমে এ বিষয়ে শূন্য সহনশীলতা, ইংরেজিতে জিরো টলারেন্সের অভিপ্রায় প্রকাশ্যে ব্যক্ত করে বর্তমানে বিপরীতধর্মী কথা বলছে। সরকার বলছে, আত্মরক্ষার প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইন দ্বারা ক্ষমতাবান। এ কথা সত্য। কিন্তু এ প্রসঙ্গে দুটি বিষয়ে সরকার নীরব। এক. আইনে এ কথাও বলা আছে, এ ধরনের ঘটনা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অনুসন্ধানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এবং এ ধরনের অনুসন্ধান হবে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় অনুসন্ধানের অতিরিক্ত। ম্যাজিস্ট্রেট অনুসন্ধানের পর যদি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে গুলি ছুড়ে নিহত করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না, তাহলেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বেকসুর খালাস পাবে। অর্থাত্ তাদের বিরুদ্ধে হত্যার বা ক্ষমতার অপব্যবহারের কোনো অভিযোগ আনা যাবে না। দুই. যদি অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয় যে এ ধরনের শক্তি প্রয়োগ করাটা যুক্তিযুক্ত হয়নি, তাহলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
সরকারের ব্যর্থতা হলো, আজ পর্যন্ত বিচারবহির্ভূত যতগুলো হত্যা হয়েছে, তার কয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অনুসন্ধান করা হয়েছে এবং এর মধ্যে কয়টি অনুসন্ধানে গৃহীত বা যথার্থ বলে প্রমাণিত এবং কয়টি নয়, তা এখনো কেউ জানে না। শেষোক্ত বিষয়ে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? এসব তথ্য মানবাধিকার কমিশন সরকারের কাছে চেয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণ না করেই হঠাত্ আইনি গণ্ডিবহির্ভূত একটি কমিটি গঠনের দাবি করা কি যুক্তিযুক্ত? যে বিষয়টি দৃশ্যমান, তা হলো, সরকারের নির্বাহী যন্ত্র অনেকাংশে অকার্যকর। টিভি ক্যামেরার সামনে খণ্ড খণ্ড বক্তব্য না দিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এ সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হলে ভালো হবে। যে বিষয়টি দৃশ্যমান, তা হলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সভার পর সভা এবং নির্দেশের পর নির্দেশ। এত সভা ও নির্দেশ দিয়ে নির্বাহী যন্ত্রকে ভারাক্রান্ত করা এবং এর সময়ক্ষেপণ করলে কাজ হবে কখন।
এ প্রসঙ্গে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন। বিষয়টি হলো, কথায় কথায় মন্ত্রণালয় পর্যায়ে কমিটি গঠন। এ ধরনের প্রবণতা মাঠ প্রশাসনকে দুর্বল ও অকেজো করে দেয়। কারণ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বা অপরাধ দমনে অস্ত্র ব্যবহার করলে সে বিষয়টি মাঠ পর্যায়েই ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিভাগীয় তদন্ত করার দায়িত্ব আইন ও বিধিতে স্বীকৃত। কয়েক যুগ ধরে এ প্রথা নির্বাসিত করা হয়েছে। একটি সহজ উপায়কে জটিল থেকে জটিলতর করার প্রক্রিয়ার ফলে মাঠ প্রশাসন বর্তমানে দুর্বল। তাদের আইন দ্বারা স্বীকৃত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, অথচ সে দায়িত্ব পালিত হচ্ছে সচিবালয়ে। ফলে আইন দ্বারা অর্পিত দায়িত্ব পালনে সচিবালয়সহ মাঠ প্রশাসনও ব্যর্থ হচ্ছে। এ জন্যই প্রশাসনে বর্তমানে বেহাল অবস্থা দৃশ্যমান। এ জন্যই প্রধানমন্ত্রী বারবার বলতে বাধ্য হচ্ছেন যে প্রশাসনকে সচল করতে হবে। সচিবদের একাধিকবার এবং সম্প্রতি মন্ত্রীদেরও তিনি তাঁর গভীর উত্কণ্ঠার কথা জানিয়েছেন। তবে এর সুফল এখনো পাওয়া যায়নি।
বিচারবহির্ভূত হত্যার মূল প্রশ্ন হলো দুটি। এক. অপরাধী হোক বা নিরপরাধই হোক, তাঁকে আদালতের কাঠগড়ায় না এনে হত্যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দুই. অপরাধীদের এ ধরনের হত্যার মূল গডফাদারকে আইনের আড়ালেই রাখা হয়। কারণ, এতে প্রকৃত তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা সমূলে বিনষ্ট হয়। অন্যদিকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ব্যক্তিদের সাফাই হলো, অপরাধীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি করলে আত্মরক্ষার্থে তাদেরও পাল্টা গুলিবর্ষণ করতে হয়। এবং এটা আইনসিদ্ধ। এ ধরনের পাল্টা গুলি করা আইনসিদ্ধ কি না, তার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অনুসন্ধানের আইনি বিধানও রয়েছে। সে বিধানটি যথাসময়ে প্রয়োগ করলে সরকার অহেতুক সমালোচনার শিকার হতো না। কেন এটা যথাসময়ে করা হচ্ছে না, তার ব্যাখ্যাও ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত উদ্দেশ্য হবে, বিচারবহির্ভূত হত্যার আইনি প্রতিকার। এ ধরনের হত্যাকে ঢালাওভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যা না বললেও হয়। বরং সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগ করে এ ধরনের প্রতিকার করা উচিত হবে। ইতিমধ্যে কয়েকজন নিরপরাধ ব্যক্তি এ ধরনের হত্যার শিকার হয়েছে, যা মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে দুটি পদক্ষেপ নেওয়া আশু প্রয়োজন। এক. যেসব নিরপরাধ ব্যক্তি এ প্রক্রিয়ায় নিহত হয়েছেন, সে কেসগুলো অবিলম্বে আইনসিদ্ধ প্রক্রিয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান করে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটন করা এবং প্রয়োজনে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া। দুই. যত অভিযোগ আজ পর্যন্ত পাওয়া গেছে, সেগুলো সম্পর্কেও একই পদক্ষেপ নেওয়া এবং মানবাধিকার কমিশনসহ জনগণকে অবহিত করা।
এ এম এম শওকত আলী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা।
সম্প্রতি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে একটি সেমিনারে আইনমন্ত্রীসহ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান স্পষ্টভাবে বলেছেন, বর্তমান কমিশন যথেষ্ট শক্তিশালী। একই সঙ্গে আইনমন্ত্রী এ কথাও বলেছেন যে সরকার বর্তমান আইন সংশোধনের চিন্তা করছে। আইনগত দিক দিয়ে বর্তমান কমিশন যদি শক্তিশালীই হয়, তাহলে আইনের অধিকতর সংশোধনের প্রয়োজন কেন? তা স্পষ্ট নয়। বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। অন্যদিকে কমিশনের চেয়ারম্যান বলেছেন, এ কমিশনের প্রধান দুর্বলতা লোকবলের অভাব। কমিশন এখনো কাঠামোগত দিক দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রূপ অর্জন করেনি। এ কারণেই কমিশন কার্যকর ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। প্রয়োজনীয় লোকবলের দুটি অংশ। এক. কমিশনের অন্য সদস্যদের অবিলম্বে নিযুক্ত করা। দুই. কমিশনের দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ। এ দুটি বিষয়ই সরকারের আওতাভুক্ত। অবশ্য এ কথা সত্য যে শেষোক্ত বিষয়ে সরকার ক্ষমতাবান হলেও নিয়োগ দেবে কমিশন। এ জন্য প্রয়োজন নিয়োগ বিধিমালা। কমিশনের চেয়ারম্যান ওই সেমিনারে জানিয়েছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট বিধির খসড়া প্রণয়ন করেছেন। এখানেও রয়েছে আরেকটি ধাপ। খসড়া চূড়ান্ত করতে হলে সরকারের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন। এ ধাপ অতিক্রম করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়। কারণ, আইন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মতামত না নিয়ে কোনো খসড়াই চূড়ান্ত করতে আগ্রহী নয়। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আইন মন্ত্রণালয়ই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এ মন্ত্রণালয় মনোযোগী হলে খসড়া বিধি চূড়ান্ত কম সময়েই করা সম্ভব। তবে যে খসড়া ইতিমধ্যে প্রণীত হয়েছে, তা বিদ্যমান আইনের ভিত্তিতে। কাজেই আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এ আইনকে অধিকতর সংশোধন করা হবে। অর্থাত্ নতুন বিধির প্রয়োজন হবে।
এ পর্যায়ে একটি মৌলিক প্রশ্নের অবতারণা করা যায়। প্রশ্নটি হলো, কোন কমিশন এর আইন দ্বারা নির্দিষ্ট বিষয়ে অনুসন্ধান করে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠাবে। অবশ্য নির্বাচন কমিশনের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। এ ব্যতিক্রমের ভিত্তি সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে এ কমিশনের যেকোনো অনুরোধ অলঙ্ঘনীয়। একমাত্র উচ্চতর আদালতই এর ব্যতিক্রম করতে ক্ষমতাবান। তবে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত ক্ষমতাকে উচ্চতর আদালত কখনো অবজ্ঞা করবেন না। এ জন্য কোনো কোনো সময় নাগরিক সমাজের কিছু ব্যক্তি কমিশনগুলোকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি উত্থাপন করে। এ দাবি করার সময় তাঁরা ভুলে যান যে সংসদীয় কমিটির সুপারিশেরও বাস্তবায়ন করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এমনই একটি দাবি তাঁরা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের জন্য। সরকার অবশ্য সে দাবি মেনে নেয়নি। কারণ, সংসদীয় কমিটির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হলেও গৃহীত হয়নি। আমরা অনেকেই সর্বক্ষেত্রে সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ আইনি ক্ষমতায় বিশ্বাস করি। এ বিশ্বাসের কারণ, সরকারের ওপর কারও আস্থা নেই। এ অনাস্থার কারণ সরকারকে সবাই অত্যাচারের উত্স হিসেবে দেখে।
সংসদীয় গণতান্ত্রিক প্রথায় সবকিছুই আইন দিয়ে হয় না। এটা প্রথাগতভাবে স্বীকৃত। এ বিষয়ে কার্যকর প্রথা হলো অলিখিত নীতি বা নিয়ম। এর আওতায় কোনো সরকারই সংসদ বা অন্য কোনো সংস্থার জনস্বার্থবিষয়ক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে না। কারণ, প্রত্যাখ্যান করলে তারা জনরোষের শিকার হবে। একটি বিষয় স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত, তা হলো, কোনো তথাকথিত শক্তিশালী কমিশনের সব সিদ্ধান্তই যে আইনসিদ্ধ বা জনস্বার্থের সপক্ষে নয়, তা অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এক-এগারোর পরবর্তী যে নির্যাতন কিছুসংখ্যক রাজনীতিকের বিরুদ্ধে করেছিল, তা সর্বজনবিদিত। সম্প্রতি দুদক চেয়ারম্যান বলেছেন, অনেক সিদ্ধান্তই দুককের অজ্ঞাতে করা হয়েছে। সবাই জানে, এ নির্যাতনের উত্স কে বা কারা।
সম্প্রতি মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে একজন প্রধান আইনজীবী এ প্রশ্নের অবতারণা করে মন্তব্য করেছেন যে বর্তমান সরকারও মানবাধিকার কমিশন স্বীকৃত মানবাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, যে গুটিকয়েক ব্যক্তি এটা করেছেন, তাঁরা এখনো দেশে-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ মানবাধিকার কমিশন এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপই এ পর্যন্ত নেয়নি। তিনি এর আগে একটি টিভিতে বলেছিলেন, এ কমিশন আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে যথেষ্ট শক্তিশালী। অর্থাত্ একে অধিকতর শক্তিশালী করার প্রয়োজন নেই।
কমিশনের বিরুদ্ধে যে প্রশ্ন তিনি করেছেন, উচ্চতর আদালত সম্পর্কে একই অভিযোগ করা সম্ভব। ২০০৭ সালে যেসব ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে এ আদালত ছিলেন নিশ্চুপ। কিছু ক্ষেত্রে হাইকোর্টে এর প্রতিকারমূলক সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলেও আপিল বিভাগও ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত দেন। ২০০৮ জানুয়ারি থেকে অবশ্য এ দৃশ্যপট বদলে যায়। অন্যদিকে একই ব্যক্তিকে পর্যায়ক্রমে রিমান্ড মঞ্জুর করেন স্বাধীন বিচার বিভাগের অধস্তন আদালত।
স্বাধীন বিচার বিভাগসহ যেকোনো কমিশন শক্তিশালী হোক, এটা সবারই কাম্য। তবে কমিশন ও বিচার বিভাগ সমার্থক নয়। বিচার বিভাগ সংবিধানে স্বীকৃত একটি অন্যতম রাষ্ট্রীয় অঙ্গ। কমিশনগুলো সংসদ স্বীকৃত একটি প্রতিষ্ঠান। অর্থাত্ কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যপরিধি সংসদই নির্ধারণ করবে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে। এসব কমিশনের ক্ষমতার গণ্ডি নির্দিষ্ট আইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই বাঞ্ছনীয়। এ বাস্তব সত্য অস্বীকার করলে হিতে বিপরীত হবে।
কমিশন সম্পর্কে মূল অভিযোগটি উত্থাপিত হয় ক্রসফায়ার-সংক্রান্ত প্রতিবেদন সময়মতো সরকার দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায়। কমিশন এ বিষয়ে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিসহ একটি কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছে। কমিশনের পক্ষে এ ধরনের সুপারিশ করা কি যুক্তিযুক্ত? কারণ, এ বিষয়ে আইনি বিধান স্পষ্ট। সে বিধান পালিত হচ্ছে না। সরকার প্রথমে এ বিষয়ে শূন্য সহনশীলতা, ইংরেজিতে জিরো টলারেন্সের অভিপ্রায় প্রকাশ্যে ব্যক্ত করে বর্তমানে বিপরীতধর্মী কথা বলছে। সরকার বলছে, আত্মরক্ষার প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইন দ্বারা ক্ষমতাবান। এ কথা সত্য। কিন্তু এ প্রসঙ্গে দুটি বিষয়ে সরকার নীরব। এক. আইনে এ কথাও বলা আছে, এ ধরনের ঘটনা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অনুসন্ধানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এবং এ ধরনের অনুসন্ধান হবে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় অনুসন্ধানের অতিরিক্ত। ম্যাজিস্ট্রেট অনুসন্ধানের পর যদি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে গুলি ছুড়ে নিহত করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না, তাহলেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বেকসুর খালাস পাবে। অর্থাত্ তাদের বিরুদ্ধে হত্যার বা ক্ষমতার অপব্যবহারের কোনো অভিযোগ আনা যাবে না। দুই. যদি অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয় যে এ ধরনের শক্তি প্রয়োগ করাটা যুক্তিযুক্ত হয়নি, তাহলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
সরকারের ব্যর্থতা হলো, আজ পর্যন্ত বিচারবহির্ভূত যতগুলো হত্যা হয়েছে, তার কয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অনুসন্ধান করা হয়েছে এবং এর মধ্যে কয়টি অনুসন্ধানে গৃহীত বা যথার্থ বলে প্রমাণিত এবং কয়টি নয়, তা এখনো কেউ জানে না। শেষোক্ত বিষয়ে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? এসব তথ্য মানবাধিকার কমিশন সরকারের কাছে চেয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণ না করেই হঠাত্ আইনি গণ্ডিবহির্ভূত একটি কমিটি গঠনের দাবি করা কি যুক্তিযুক্ত? যে বিষয়টি দৃশ্যমান, তা হলো, সরকারের নির্বাহী যন্ত্র অনেকাংশে অকার্যকর। টিভি ক্যামেরার সামনে খণ্ড খণ্ড বক্তব্য না দিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এ সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হলে ভালো হবে। যে বিষয়টি দৃশ্যমান, তা হলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সভার পর সভা এবং নির্দেশের পর নির্দেশ। এত সভা ও নির্দেশ দিয়ে নির্বাহী যন্ত্রকে ভারাক্রান্ত করা এবং এর সময়ক্ষেপণ করলে কাজ হবে কখন।
এ প্রসঙ্গে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন। বিষয়টি হলো, কথায় কথায় মন্ত্রণালয় পর্যায়ে কমিটি গঠন। এ ধরনের প্রবণতা মাঠ প্রশাসনকে দুর্বল ও অকেজো করে দেয়। কারণ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বা অপরাধ দমনে অস্ত্র ব্যবহার করলে সে বিষয়টি মাঠ পর্যায়েই ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিভাগীয় তদন্ত করার দায়িত্ব আইন ও বিধিতে স্বীকৃত। কয়েক যুগ ধরে এ প্রথা নির্বাসিত করা হয়েছে। একটি সহজ উপায়কে জটিল থেকে জটিলতর করার প্রক্রিয়ার ফলে মাঠ প্রশাসন বর্তমানে দুর্বল। তাদের আইন দ্বারা স্বীকৃত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, অথচ সে দায়িত্ব পালিত হচ্ছে সচিবালয়ে। ফলে আইন দ্বারা অর্পিত দায়িত্ব পালনে সচিবালয়সহ মাঠ প্রশাসনও ব্যর্থ হচ্ছে। এ জন্যই প্রশাসনে বর্তমানে বেহাল অবস্থা দৃশ্যমান। এ জন্যই প্রধানমন্ত্রী বারবার বলতে বাধ্য হচ্ছেন যে প্রশাসনকে সচল করতে হবে। সচিবদের একাধিকবার এবং সম্প্রতি মন্ত্রীদেরও তিনি তাঁর গভীর উত্কণ্ঠার কথা জানিয়েছেন। তবে এর সুফল এখনো পাওয়া যায়নি।
বিচারবহির্ভূত হত্যার মূল প্রশ্ন হলো দুটি। এক. অপরাধী হোক বা নিরপরাধই হোক, তাঁকে আদালতের কাঠগড়ায় না এনে হত্যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দুই. অপরাধীদের এ ধরনের হত্যার মূল গডফাদারকে আইনের আড়ালেই রাখা হয়। কারণ, এতে প্রকৃত তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা সমূলে বিনষ্ট হয়। অন্যদিকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ব্যক্তিদের সাফাই হলো, অপরাধীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি করলে আত্মরক্ষার্থে তাদেরও পাল্টা গুলিবর্ষণ করতে হয়। এবং এটা আইনসিদ্ধ। এ ধরনের পাল্টা গুলি করা আইনসিদ্ধ কি না, তার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অনুসন্ধানের আইনি বিধানও রয়েছে। সে বিধানটি যথাসময়ে প্রয়োগ করলে সরকার অহেতুক সমালোচনার শিকার হতো না। কেন এটা যথাসময়ে করা হচ্ছে না, তার ব্যাখ্যাও ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত উদ্দেশ্য হবে, বিচারবহির্ভূত হত্যার আইনি প্রতিকার। এ ধরনের হত্যাকে ঢালাওভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যা না বললেও হয়। বরং সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগ করে এ ধরনের প্রতিকার করা উচিত হবে। ইতিমধ্যে কয়েকজন নিরপরাধ ব্যক্তি এ ধরনের হত্যার শিকার হয়েছে, যা মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে দুটি পদক্ষেপ নেওয়া আশু প্রয়োজন। এক. যেসব নিরপরাধ ব্যক্তি এ প্রক্রিয়ায় নিহত হয়েছেন, সে কেসগুলো অবিলম্বে আইনসিদ্ধ প্রক্রিয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান করে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটন করা এবং প্রয়োজনে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া। দুই. যত অভিযোগ আজ পর্যন্ত পাওয়া গেছে, সেগুলো সম্পর্কেও একই পদক্ষেপ নেওয়া এবং মানবাধিকার কমিশনসহ জনগণকে অবহিত করা।
এ এম এম শওকত আলী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
December
(699)
-
▼
Dec 24
(11)
- রাজর্ষি হাসন রাজা ও তাঁর জীবন by সৌমিত্র দেব
- আইনি প্রতিকার ও শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন by এ এম...
- ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দেওয়া’র নতুন কাহিনী -তৃতীয় কর্...
- নির্বাচনী ইশতেহার-বহির্ভূত এজেন্ডা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- করিডরে স্লোগান বন্ধ করুন -হাসপাতালে নির্বাচনী ডামাডোল
- তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন -শ্রদ্ধাঞ্জলি by মুহ...
- কেমন হওয়া উচিত আমাদের জলবায়ু কূটনীতি -জলবায়ু সম্মে...
- সবার জন্য শিক্ষা কীভাবে হবে -প্রান্তকথা by শান্ত ন...
- অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা -চিকিত্সকদের আরও সজাগ ...
- প্রতিটি কৃষক-পরিবারের জন্য কার্ড -প্রান্তিক কৃষকদে...
- ওয়াটারবোর্ডিং পদ্ধতিতে নির্যাতন চালিয়েছিল ব্রিটিশ ...
-
▼
Dec 24
(11)
-
▼
December
(699)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment