Saturday, November 2, 2013
বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবিতা by ফরহাদ মজহার
বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবিতা by ফরহাদ মজহার

বাংলাদেশের
বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়েছে। এতে যে কোনো নাগরিকই দুঃখিত ও
মর্মাহতই হবেন। আমি ব্যতিক্রম নই। শুধু তা নয়, একইভাবে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও
চিন্তিত। এ পরিস্থিতিতে গত ২৮ অক্টোবর রাতে ইটিভির ‘একুশের রাত’ অনুষ্ঠানে
আমি গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নিজ দায়িত্বে কিছু কথা বলেছি। আর, আমি দায়িত্ব
নিয়েই কথা বলি। সাংবাদিক মনির হায়দার অনুষ্ঠান পরিচালনা করছিলেন। এতে
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আমার বিশ্লেষণ ও মন্তব্য নিয়ে তর্ক তৈরি হয়েছে। তার
কিছু উত্তর আরেকটি দৈনিকে আমি দিয়েছি। এই তর্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভিন্ন
কিছু প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করব। তর্ক-বিতর্ক গণতন্ত্রের মর্ম। কিন্তু
সাংবাদিকতার নীতিনৈতিকতা ভঙ্গ করে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে একাত্তর
টেলিভিশন আমার বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক প্রচার শুরু করে। তারা তাদের নিজেদের
একটি টকশো আয়োজন করে। ইটিভির টকশো থেকে বেছে বেছে খণ্ডিত কিছু অংশ পরিবেশন
করে। এমনভাবে তা হাজির করে যাতে ইটিভির টকশোতে আমার মূল বিশ্লেষণই হারিয়ে
যায়। সর্বোপরি কেন আমি সেদিন গণমাধ্যম সম্পর্কে এভাবে মন্তব্য করছি সেই
গুরুত্বপূর্ণ অংশটুকুই বাদ দেয়। উদ্দেশ্য ছিল, সেদিন একাত্তরের টকশোতে যারা
হাজির ছিলেন, তারা বিভ্রান্ত হয় এবং আমাকে ভুল বোঝে। বিচক্ষণ দুই-একজন
আলোচক সেই মুহূর্তে না বুঝলেও পরে ইটিভির টকশোর পুরোটা দেখার পর একাত্তর
টিভির মিথ্যাচার থেকে মুক্ত হয়েছেন। এই প্রত্যাশা আমি করি।
যে মন্তব্য নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমার কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চলেছে সেই মন্তব্য সম্পর্কে সেই একই দিনে একই রাতে একই অনুষ্ঠানে আমি এটাও বলেছি যে, ‘আমি স্বভাবতই কখনোই চাইব না কেউ পটকা, নিন্দা বা ঢিলও যেন গণমাধ্যমের ওপর ছুড়ুক। এটা কথার কথা, rhetoric। আলোচনা করার জন্য, যাতে আমরা বুদ্ধিজীবীরা, গণমাধ্যমের কর্মীরা বুঝতে পারি যে, এই বর্তমান পরিস্থিতির জন্য শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়া একমাত্র দায়ী নন। আমরা, আমাদের ভূমিকার কারণে আজকে এই পরিস্থিতি আমরা তৈরি করেছি।’ একাত্তর টিভি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার মন্তব্যের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দিয়েছে।
এমনকি একাত্তর টিভি আমি রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অপরাধ করেছি, সেটাও প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। ডক্টর সলিমুল্লাহ খান এই কথাগুলো বলেছেন। টিভিতে তার মুখভঙ্গির মধ্যে আমাকে রাষ্ট্রের নিপীড়িনমূলক যন্ত্রের দ্বারা শাস্তি দেয়ার জিঘাংসা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। তার চোখে-মুখে যে হিংস্রতা ও প্রতিহিংসাপরায়ণতা ফুটে উঠেছে তাতে আমি অবাক না হয়ে পারিনি। যাক, আমাদের দেশে এ ধরনের বুদ্ধিজীবীর জন্ম হয়েছে, যারা প্রতিপক্ষকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে শাস্তি দিতে ইচ্ছুক। সত্যিই আমরা অনেক দূর অগ্রসর হয়েছি। ইতিমধ্যে আমার নামে থানায় দুটি জিডি হয়েছে। ডক্টর সলিমুল্লাহ খান অবশ্যই এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত সফল।
যেখানে যুগে যুগে বুদ্ধিজীবীরা রাষ্ট্রের নিপীড়নের বিরুদ্ধে নাগরিক ও মানবিক অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছে, মতভিন্নতা থাকলেও পরস্পরকে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করেছেন, সেখানে তিনি আমাকে বিদ্যমান ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রের হাতে নির্যাতনের জন্য তুলে দিতে চাইছেন। এ ধরনের মহৎ কাজ করেছেন বলে আমি তাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারছি না। প্রকাশ্যে তিনি টেলিভিশন টকশোর বরাতে রাজসাক্ষী হয়েছেন। আমি তার এই উন্নতিতে অভিভূত।
রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ডক্টর খান আমাকে হত্যাই যদি করতে চান, করতেই পারেন। তবে যার বক্তব্য তিনি পছন্দ করেন না, তার চিন্তার বিরুদ্ধে লড়ার কাজকে এতকাল তিনি গালিগালাজ বলেই বুঝেছেন। এখন আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে আমাকে হত্যা করতে চান। এটাই তার বুদ্ধিজীবিতা। এটাই আমরা শেষমেশ জানলাম। তাকে যখন চিনতাম তখন তার মধ্যে এই ধরনের জিঘাংসা কাজ করে সেটা আমি কখনোই বুঝতে পারিনি। নিজের এই অক্ষমতার জন্য আত্মসমালোচনা করা ছাড়া আমার আর উপায় কী!
ডক্টর খানের রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে আমার কিছুই বলার নাই। তিনি প্রায়ই আমাকে গালিগালাজ করেন। যার সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক সুস্থ তর্ক-বিতর্কের কোনোই সম্পর্ক নাই। তার গালিগালাজের কোনো উত্তর দেয়া আমি সমীচীন মনে করি না। ইতিমধ্যেই একাত্তর টিভির কল্যাণে ও তার মতো ব্যক্তিদের উস্কানির কারণে নানান স্তরের সন্ত্রাসীরা আমার ক্ষতি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে, বিষয়টি থানা, পুলিশ, আইন ও রাষ্ট্রীয় পরিমণ্ডল অবধি নিয়ে গিয়েছে। এ কথাগুলোও বলতে চাইনি। না চাইলেও এখন উপেক্ষা করতে পারছি না।
গণমাধ্যমের সমালোচনা করলে সেটা কিভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হয় সেই পাণ্ডিত্য বোঝার ক্ষমতা আমার নাই; এটা সত্য, বিদ্যমান ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপান্তর ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অসম্ভব, সেটা আমি দীর্ঘদিন ধরেই বলছি। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কেউ নির্বাচিত হয়ে এলেও সেটা গণতন্ত্র নয়, বরং সেটা সাংবিধানিক একনায়কতন্ত্র কায়েম করে। এই বক্তব্য আজ নয়, নব্বই দশক থেকেই আমি বলে আসছি। বাংলাদেশের সংবিধানের সমালোচনা যখন আমি শুরু করি, তখন কেউই এই গোড়ার গলদ নিয়ে কিছু বলেনি। বাহাত্তরের সংবিধান প্রায় সবার কাছেই ছিল পূতপবিত্র জিনিস। কিভাবে সংবিধান ধর্মগ্রন্থের স্তরে উন্নীত হয় সে এক আজব কাহিনী। নৃতত্ত্ববিদদের দারুণ খোরাক। কিভাবে সেকুলার ধর্মপ্রাণতা ফ্যাসিবাদকে ভিত্তি দেয় তার নানান নজির আমরা বেয়াল্লিশ বছর ধরেই দেখছি।
কিন্তু সেই প্রসঙ্গ এখন থাক। আমরা এখন পঞ্চদশ সংশোধনী সংবলিত সংবিধানের কালপর্বে রয়েছি। মজা হচ্ছে, এই সংবিধানের ভিত্তিতে যে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে আছে, সেই রাষ্ট্রের আমি দ্রোহী নই। বরং গণমাধ্যমের সমালোচনার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহী। সত্যি চমৎকার। যিনি এই দাবি করছেন, তিনি ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকাকেই আসলে স্বীকার করে নিচ্ছেন। বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থা রক্ষার জন্য তারা মরিয়া। কিন্তু পঞ্চদশ সংশোধনীর পর তার যে দুর্দশা ঘটেছে, তার কারণে রাষ্ট্রের এই মহৎ রূপান্তরের পক্ষে তারা প্রকাশ্যে দাঁড়াতে পারছেন না। ক্ষমতাসীন শক্তি ও ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা উভয় রক্ষা করা এখন নীতিনৈতিকতার দিক থেকে কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব বলতে হচ্ছে, আমি গণমাধ্যমে বোমা মারতে বলেছি, আমি রাষ্ট্রদ্রোহী। অথচ আমি পরিষ্কার করে কী বলেছি, তা উপরে উদ্ধৃত করেছি। আমি কথার ছলে রেটরিক হিসেবে যা বলেছি তার ব্যাখ্যাও দিয়েছি।
আমি দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি যে, পঞ্চদশ সংশোধনীর পর রাষ্ট্রব্যবস্থার যে ফ্যাসিস্ট রূপান্তর ঘটেছে, তাতে বাংলাদেশের জনগণকে অবশ্যই নতুনভাবে বাংলাদেশ ‘গঠন’ বা কন্সটিটিউট করতে হবে। বুদ্ধিবৃত্তিক বা রাষ্ট্রদর্শনের জায়গা থেকে বাংলাদেশের বাস্তবতা বিচার করে এ সিদ্ধান্তে আমি অনেক আগেই এসেছি। এছাড়া অন্য কোনো পথ নাই। অর্থাৎ একটি রাষ্ট্রগঠন সভার (ঈড়হংঃরঃঁবহঃ অংংবসনষু) প্রয়োজন অবশ্যই হবে। আমার এই রাজনৈতিক অবস্থান আমি কখনোই লুকাইনি। এই গোড়ার জায়গা বাদ দিয়ে যারা বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্তভাবে রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে, তারা বাংলাদেশকে রাজনীতিশূন্য করতে চায়, সে কথাও আমার চেয়ে শক্তভাবে কেউ বলেছে বলে আমার জানা নাই। বিদ্যমান রাষ্ট্রকে বহাল রেখে বেগম জিয়া ও শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে চিরতরে সরিয়ে দেয়ার মামলা এটা নয়। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর। একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এটা, কোনোভাবেই এক-এগারোর ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলার প্রয়োগ নয়। এখনকার লড়াই হচ্ছে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াই। এ লড়াইয়ে মতাদর্শিক বিভাজন হচ্ছে কারা বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে আর কারা তার রূপান্তর কামনা করে। জনগণের মধ্যে নানান মতাদর্শিক বিভ্রান্তি, বিরোধ ও বিভাজনের সুরাহা করে নতুনভাবে রাষ্ট্র গঠনের গণতান্ত্রিক কর্তব্য বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়া। আমি এই রাজনীতিকেই সঠিক মনে করি। এটাই আমার রাজনীতি। যারা ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা শুধু নয়, সেই রাষ্ট্রের ফাঁসির কাষ্ঠে প্রতিপক্ষকে ঝোলাতে মরিয়া হয়ে যায়, তাদের সঙ্গে এই রাজনীতির পার্থক্য দুস্তর। নতুনভাবে রাষ্ট্র গঠন নিয়ে অবশ্যই তর্ক-বিতর্ক হতে পারে। সেখানে কিভাবে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণার ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়া যায় তা নিয়ে আমাদের নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে, নতুনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আমরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের জন্য লড়েছি, কোনো বিদেশী প্রভুর নির্দেশ বা কোনো একটি দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য নয়। যে কেউই ইচ্ছা করলে স্বাধীনতার ঘোষণা পড়ে দেখতে পারেন। এই তিন নীতির ভিত্তিতেই যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, তা পরিষ্কারভাবে স্বাধীনতার ঘোষণায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা এই তিন নীতি কায়েমের জন্য অকাতরে শহীদ হয়েছেন। বেয়াল্লিশ বছর এদেশের জনগণকে একটি গণতান্ত্রিক গঠনতন্ত্র থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে দেশের জনগণকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরাশক্তির অধীনতা ও বশ্যতা স্বীকার করে নেয়ার রাজনীতির চর্চা হয়েছে। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছি, কারও পরাধীনতা মেনে নেয়ার জন্য নয়। বেয়াল্লিশ বছর ধরে এ দেশের জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়ে রয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।
খেয়াল করতে হবে, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফ একদিকে যেমন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার ভিত্তি, একই সঙ্গে ইসলামের নৈতিক ও দার্শনিক আদর্শের সঙ্গেও তা গভীরভাবে যুক্ত। এই তিন নীতির ভিত্তিতেই জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব। গুরুতপূর্ণ দিক হল, একই সঙ্গে এর ঐতিহাসিক ও আইনি ভিত্তি আছে। ঐতিহাসিক কারণ এই তিন নীতি কায়েমের জন্য আমরা লড়েছি। এর আইনি ভিত্তি আছে, কারণ স্বাধীনতার ঘোষণার দলিলেই তা ঘোষিত ও সন্নিবেশিত। ভাষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের যে সংঘাত, যার কারণে আমরা বিভক্ত ও জর্জরিত এবং এখন পরস্পরকে ধ্বংস করতে উদ্যত- তা রাজনৈতিকভাবে নিরসনের এটাই সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর পথ। এর ভিত্তিতেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। এর ন্যায্যতা ইতিহাসে, বাংলাদেশের প্রতিটি বড় কিংবা ক্ষুদ্র জাতিসত্তার রাজনৈতিক আকাক্সক্ষায় এবং প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মানুষের রূহানি সত্তায়। রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে নিজেদের ঐক্যবদ্ধ রেখে সাম্রাজ্যবাদ ও আঞ্চলিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়াই আমার রাজনীতি। কাউকে গ্রেফতার ও ফাঁসিতে ঝোলানো নয়, এমনকি কটু কথা বলাও নয়।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একটি অংশের বিবৃতি দেখে আমি রীতিমতো স্তম্ভিত, বিমূঢ় ও হতবাক। সারা দেশে সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ খুবই দুঃখজনক। গণমাধ্যমের ওপর কেন এই ধরনের হামলা হয়, আমি ২৮ অক্টোবর রাতে ‘একুশের রাত’ টকশোতে তারই ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ হাজির করেছি। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ যেভাবে ব্যাখা করেছেন তা যে সম্পূর্ণ মিথ্যা, তারা নিজেরা তাদের নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করলেই বুঝবেন। তারা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে এই বিষোদ্গার করছেন। গণমাধ্যমের ওপর দুঃখজনক হামলার যে ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ আমি করেছি, তার সঙ্গে তারা একমত না হলে ভিন্ন ব্যাখ্যা হাজির করতে পারেন। একেই বলে বাক, ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা, একেই বলে গণতন্ত্র চর্চা। কিন্তু সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তা না করে আমার মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণের দাবিই শুধু করছেন না, আমার কণ্ঠরোধ করতে চাইছেন। তারা এতই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়েছে যে সারা দেশের সাংবাদিকদের ওপর হামলার জন্য আমাকে এককভাবে দায়ী করে আমাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্যাতনের জন্য উস্কানি ও হুমকি দিচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতার যে নজির তারা সৃষ্টি করেছেন, তা বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে কলংকজনক, নিন্দনীয় ও প্রতিহিংসামূলক অধ্যায় হিসেবে চিরকাল চিহ্নিত হয়ে থাকবে। আমি জানি, এই বক্তব্য গণতন্ত্রমনা সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে না, এটা পরিষ্কার। গত দুদিন ধরে টেলিভিশন ও অন্যান্য গণমাধ্যমে এদেরই কেউ কেউ আমার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার, মিথ্যাচার ও বিকৃত ব্যাখ্যা করে যাচ্ছে, তাতে নাগরিক হিসেবে আমি উদ্বিগ্ন এবং আমার নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করি।
সাংবাদিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ টেলিভিশন টকশোতে আমি কী বলেছিলাম, তা পর্যালোচনা না করে যে অসহনশীল বক্তব্য দিয়েছেন তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। একজন নাগরিকের শুধুমাত্র টেলিভিশনের একটি টকশোতে একটি বিশ্লেষণমূলক বক্তব্যকেই বাংলাদেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সব হামলার কারণ বলে দায়ী করা সাংবাদিক নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না। সাংবাদিকের কাজ হচ্ছে সত্য উদ্ঘাটন করা, কিন্তু তারা নিজেরাই মিথ্যাচার করছেন। গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে যারা কাজ করেন, সাধারণত তারা সংবাদ বা গণমাধ্যম কর্মী বলে পরিচিত। কিন্তু সাংবাদিকতা একটা পেশা। যেমন- ডাক্তারি, শিক্ষকতা, ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি। প্রত্যেকটি পেশারই নিজস্ব কিছু বিধিবিধান আছে, কিছু পেশাগত নৈতিকতা বা মানদণ্ড আছে, যাতে পেশার ভাবমূর্তি বা পেশাদারিত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয়। সাংবাদিকদেরও আছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাই তাদের পেশাদারিত্বের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখার জন্য কিছু লিখিত বা অলিখিত মানদণ্ড অনুসরণ করে। কেউ তা মানছেন কিনা, তার দ্বারা তিনি সেই পেশার আদৌ অন্তর্ভুক্ত কিনা বোঝা যায়। সরকারপন্থী সাংবাদিক ইউনিয়ন আমাকে গণমাধ্যমের শত্র“ ঘোষণা করেছে। মিথ্যাচার ও অন্যের বক্তব্যের বিকৃতি ঘটিয়ে যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ক্ষমতাসীন শক্তিকে সন্তুষ্ট করার জন্য তৎপর থাকে, নিজেদের তারা গণমাধ্যমের কর্মী দাবি করতে পারে না। এরাই বরং গণমাধ্যমের শত্র“।
যে মন্তব্য নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমার কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চলেছে সেই মন্তব্য সম্পর্কে সেই একই দিনে একই রাতে একই অনুষ্ঠানে আমি এটাও বলেছি যে, ‘আমি স্বভাবতই কখনোই চাইব না কেউ পটকা, নিন্দা বা ঢিলও যেন গণমাধ্যমের ওপর ছুড়ুক। এটা কথার কথা, rhetoric। আলোচনা করার জন্য, যাতে আমরা বুদ্ধিজীবীরা, গণমাধ্যমের কর্মীরা বুঝতে পারি যে, এই বর্তমান পরিস্থিতির জন্য শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়া একমাত্র দায়ী নন। আমরা, আমাদের ভূমিকার কারণে আজকে এই পরিস্থিতি আমরা তৈরি করেছি।’ একাত্তর টিভি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার মন্তব্যের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দিয়েছে।
এমনকি একাত্তর টিভি আমি রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অপরাধ করেছি, সেটাও প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। ডক্টর সলিমুল্লাহ খান এই কথাগুলো বলেছেন। টিভিতে তার মুখভঙ্গির মধ্যে আমাকে রাষ্ট্রের নিপীড়িনমূলক যন্ত্রের দ্বারা শাস্তি দেয়ার জিঘাংসা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। তার চোখে-মুখে যে হিংস্রতা ও প্রতিহিংসাপরায়ণতা ফুটে উঠেছে তাতে আমি অবাক না হয়ে পারিনি। যাক, আমাদের দেশে এ ধরনের বুদ্ধিজীবীর জন্ম হয়েছে, যারা প্রতিপক্ষকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে শাস্তি দিতে ইচ্ছুক। সত্যিই আমরা অনেক দূর অগ্রসর হয়েছি। ইতিমধ্যে আমার নামে থানায় দুটি জিডি হয়েছে। ডক্টর সলিমুল্লাহ খান অবশ্যই এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত সফল।
যেখানে যুগে যুগে বুদ্ধিজীবীরা রাষ্ট্রের নিপীড়নের বিরুদ্ধে নাগরিক ও মানবিক অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছে, মতভিন্নতা থাকলেও পরস্পরকে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করেছেন, সেখানে তিনি আমাকে বিদ্যমান ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রের হাতে নির্যাতনের জন্য তুলে দিতে চাইছেন। এ ধরনের মহৎ কাজ করেছেন বলে আমি তাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারছি না। প্রকাশ্যে তিনি টেলিভিশন টকশোর বরাতে রাজসাক্ষী হয়েছেন। আমি তার এই উন্নতিতে অভিভূত।
রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ডক্টর খান আমাকে হত্যাই যদি করতে চান, করতেই পারেন। তবে যার বক্তব্য তিনি পছন্দ করেন না, তার চিন্তার বিরুদ্ধে লড়ার কাজকে এতকাল তিনি গালিগালাজ বলেই বুঝেছেন। এখন আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে আমাকে হত্যা করতে চান। এটাই তার বুদ্ধিজীবিতা। এটাই আমরা শেষমেশ জানলাম। তাকে যখন চিনতাম তখন তার মধ্যে এই ধরনের জিঘাংসা কাজ করে সেটা আমি কখনোই বুঝতে পারিনি। নিজের এই অক্ষমতার জন্য আত্মসমালোচনা করা ছাড়া আমার আর উপায় কী!
ডক্টর খানের রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে আমার কিছুই বলার নাই। তিনি প্রায়ই আমাকে গালিগালাজ করেন। যার সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক সুস্থ তর্ক-বিতর্কের কোনোই সম্পর্ক নাই। তার গালিগালাজের কোনো উত্তর দেয়া আমি সমীচীন মনে করি না। ইতিমধ্যেই একাত্তর টিভির কল্যাণে ও তার মতো ব্যক্তিদের উস্কানির কারণে নানান স্তরের সন্ত্রাসীরা আমার ক্ষতি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে, বিষয়টি থানা, পুলিশ, আইন ও রাষ্ট্রীয় পরিমণ্ডল অবধি নিয়ে গিয়েছে। এ কথাগুলোও বলতে চাইনি। না চাইলেও এখন উপেক্ষা করতে পারছি না।
গণমাধ্যমের সমালোচনা করলে সেটা কিভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হয় সেই পাণ্ডিত্য বোঝার ক্ষমতা আমার নাই; এটা সত্য, বিদ্যমান ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপান্তর ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অসম্ভব, সেটা আমি দীর্ঘদিন ধরেই বলছি। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কেউ নির্বাচিত হয়ে এলেও সেটা গণতন্ত্র নয়, বরং সেটা সাংবিধানিক একনায়কতন্ত্র কায়েম করে। এই বক্তব্য আজ নয়, নব্বই দশক থেকেই আমি বলে আসছি। বাংলাদেশের সংবিধানের সমালোচনা যখন আমি শুরু করি, তখন কেউই এই গোড়ার গলদ নিয়ে কিছু বলেনি। বাহাত্তরের সংবিধান প্রায় সবার কাছেই ছিল পূতপবিত্র জিনিস। কিভাবে সংবিধান ধর্মগ্রন্থের স্তরে উন্নীত হয় সে এক আজব কাহিনী। নৃতত্ত্ববিদদের দারুণ খোরাক। কিভাবে সেকুলার ধর্মপ্রাণতা ফ্যাসিবাদকে ভিত্তি দেয় তার নানান নজির আমরা বেয়াল্লিশ বছর ধরেই দেখছি।
কিন্তু সেই প্রসঙ্গ এখন থাক। আমরা এখন পঞ্চদশ সংশোধনী সংবলিত সংবিধানের কালপর্বে রয়েছি। মজা হচ্ছে, এই সংবিধানের ভিত্তিতে যে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে আছে, সেই রাষ্ট্রের আমি দ্রোহী নই। বরং গণমাধ্যমের সমালোচনার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহী। সত্যি চমৎকার। যিনি এই দাবি করছেন, তিনি ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকাকেই আসলে স্বীকার করে নিচ্ছেন। বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থা রক্ষার জন্য তারা মরিয়া। কিন্তু পঞ্চদশ সংশোধনীর পর তার যে দুর্দশা ঘটেছে, তার কারণে রাষ্ট্রের এই মহৎ রূপান্তরের পক্ষে তারা প্রকাশ্যে দাঁড়াতে পারছেন না। ক্ষমতাসীন শক্তি ও ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা উভয় রক্ষা করা এখন নীতিনৈতিকতার দিক থেকে কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব বলতে হচ্ছে, আমি গণমাধ্যমে বোমা মারতে বলেছি, আমি রাষ্ট্রদ্রোহী। অথচ আমি পরিষ্কার করে কী বলেছি, তা উপরে উদ্ধৃত করেছি। আমি কথার ছলে রেটরিক হিসেবে যা বলেছি তার ব্যাখ্যাও দিয়েছি।
আমি দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি যে, পঞ্চদশ সংশোধনীর পর রাষ্ট্রব্যবস্থার যে ফ্যাসিস্ট রূপান্তর ঘটেছে, তাতে বাংলাদেশের জনগণকে অবশ্যই নতুনভাবে বাংলাদেশ ‘গঠন’ বা কন্সটিটিউট করতে হবে। বুদ্ধিবৃত্তিক বা রাষ্ট্রদর্শনের জায়গা থেকে বাংলাদেশের বাস্তবতা বিচার করে এ সিদ্ধান্তে আমি অনেক আগেই এসেছি। এছাড়া অন্য কোনো পথ নাই। অর্থাৎ একটি রাষ্ট্রগঠন সভার (ঈড়হংঃরঃঁবহঃ অংংবসনষু) প্রয়োজন অবশ্যই হবে। আমার এই রাজনৈতিক অবস্থান আমি কখনোই লুকাইনি। এই গোড়ার জায়গা বাদ দিয়ে যারা বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্তভাবে রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে, তারা বাংলাদেশকে রাজনীতিশূন্য করতে চায়, সে কথাও আমার চেয়ে শক্তভাবে কেউ বলেছে বলে আমার জানা নাই। বিদ্যমান রাষ্ট্রকে বহাল রেখে বেগম জিয়া ও শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে চিরতরে সরিয়ে দেয়ার মামলা এটা নয়। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর। একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এটা, কোনোভাবেই এক-এগারোর ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলার প্রয়োগ নয়। এখনকার লড়াই হচ্ছে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াই। এ লড়াইয়ে মতাদর্শিক বিভাজন হচ্ছে কারা বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে আর কারা তার রূপান্তর কামনা করে। জনগণের মধ্যে নানান মতাদর্শিক বিভ্রান্তি, বিরোধ ও বিভাজনের সুরাহা করে নতুনভাবে রাষ্ট্র গঠনের গণতান্ত্রিক কর্তব্য বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়া। আমি এই রাজনীতিকেই সঠিক মনে করি। এটাই আমার রাজনীতি। যারা ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা শুধু নয়, সেই রাষ্ট্রের ফাঁসির কাষ্ঠে প্রতিপক্ষকে ঝোলাতে মরিয়া হয়ে যায়, তাদের সঙ্গে এই রাজনীতির পার্থক্য দুস্তর। নতুনভাবে রাষ্ট্র গঠন নিয়ে অবশ্যই তর্ক-বিতর্ক হতে পারে। সেখানে কিভাবে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণার ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়া যায় তা নিয়ে আমাদের নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে, নতুনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আমরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের জন্য লড়েছি, কোনো বিদেশী প্রভুর নির্দেশ বা কোনো একটি দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য নয়। যে কেউই ইচ্ছা করলে স্বাধীনতার ঘোষণা পড়ে দেখতে পারেন। এই তিন নীতির ভিত্তিতেই যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, তা পরিষ্কারভাবে স্বাধীনতার ঘোষণায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা এই তিন নীতি কায়েমের জন্য অকাতরে শহীদ হয়েছেন। বেয়াল্লিশ বছর এদেশের জনগণকে একটি গণতান্ত্রিক গঠনতন্ত্র থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে দেশের জনগণকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরাশক্তির অধীনতা ও বশ্যতা স্বীকার করে নেয়ার রাজনীতির চর্চা হয়েছে। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছি, কারও পরাধীনতা মেনে নেয়ার জন্য নয়। বেয়াল্লিশ বছর ধরে এ দেশের জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়ে রয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।
খেয়াল করতে হবে, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফ একদিকে যেমন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার ভিত্তি, একই সঙ্গে ইসলামের নৈতিক ও দার্শনিক আদর্শের সঙ্গেও তা গভীরভাবে যুক্ত। এই তিন নীতির ভিত্তিতেই জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব। গুরুতপূর্ণ দিক হল, একই সঙ্গে এর ঐতিহাসিক ও আইনি ভিত্তি আছে। ঐতিহাসিক কারণ এই তিন নীতি কায়েমের জন্য আমরা লড়েছি। এর আইনি ভিত্তি আছে, কারণ স্বাধীনতার ঘোষণার দলিলেই তা ঘোষিত ও সন্নিবেশিত। ভাষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের যে সংঘাত, যার কারণে আমরা বিভক্ত ও জর্জরিত এবং এখন পরস্পরকে ধ্বংস করতে উদ্যত- তা রাজনৈতিকভাবে নিরসনের এটাই সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর পথ। এর ভিত্তিতেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। এর ন্যায্যতা ইতিহাসে, বাংলাদেশের প্রতিটি বড় কিংবা ক্ষুদ্র জাতিসত্তার রাজনৈতিক আকাক্সক্ষায় এবং প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মানুষের রূহানি সত্তায়। রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে নিজেদের ঐক্যবদ্ধ রেখে সাম্রাজ্যবাদ ও আঞ্চলিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়াই আমার রাজনীতি। কাউকে গ্রেফতার ও ফাঁসিতে ঝোলানো নয়, এমনকি কটু কথা বলাও নয়।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একটি অংশের বিবৃতি দেখে আমি রীতিমতো স্তম্ভিত, বিমূঢ় ও হতবাক। সারা দেশে সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ খুবই দুঃখজনক। গণমাধ্যমের ওপর কেন এই ধরনের হামলা হয়, আমি ২৮ অক্টোবর রাতে ‘একুশের রাত’ টকশোতে তারই ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ হাজির করেছি। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ যেভাবে ব্যাখা করেছেন তা যে সম্পূর্ণ মিথ্যা, তারা নিজেরা তাদের নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করলেই বুঝবেন। তারা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে এই বিষোদ্গার করছেন। গণমাধ্যমের ওপর দুঃখজনক হামলার যে ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ আমি করেছি, তার সঙ্গে তারা একমত না হলে ভিন্ন ব্যাখ্যা হাজির করতে পারেন। একেই বলে বাক, ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা, একেই বলে গণতন্ত্র চর্চা। কিন্তু সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তা না করে আমার মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণের দাবিই শুধু করছেন না, আমার কণ্ঠরোধ করতে চাইছেন। তারা এতই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়েছে যে সারা দেশের সাংবাদিকদের ওপর হামলার জন্য আমাকে এককভাবে দায়ী করে আমাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্যাতনের জন্য উস্কানি ও হুমকি দিচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতার যে নজির তারা সৃষ্টি করেছেন, তা বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে কলংকজনক, নিন্দনীয় ও প্রতিহিংসামূলক অধ্যায় হিসেবে চিরকাল চিহ্নিত হয়ে থাকবে। আমি জানি, এই বক্তব্য গণতন্ত্রমনা সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে না, এটা পরিষ্কার। গত দুদিন ধরে টেলিভিশন ও অন্যান্য গণমাধ্যমে এদেরই কেউ কেউ আমার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার, মিথ্যাচার ও বিকৃত ব্যাখ্যা করে যাচ্ছে, তাতে নাগরিক হিসেবে আমি উদ্বিগ্ন এবং আমার নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করি।
সাংবাদিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ টেলিভিশন টকশোতে আমি কী বলেছিলাম, তা পর্যালোচনা না করে যে অসহনশীল বক্তব্য দিয়েছেন তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। একজন নাগরিকের শুধুমাত্র টেলিভিশনের একটি টকশোতে একটি বিশ্লেষণমূলক বক্তব্যকেই বাংলাদেশে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সব হামলার কারণ বলে দায়ী করা সাংবাদিক নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না। সাংবাদিকের কাজ হচ্ছে সত্য উদ্ঘাটন করা, কিন্তু তারা নিজেরাই মিথ্যাচার করছেন। গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে যারা কাজ করেন, সাধারণত তারা সংবাদ বা গণমাধ্যম কর্মী বলে পরিচিত। কিন্তু সাংবাদিকতা একটা পেশা। যেমন- ডাক্তারি, শিক্ষকতা, ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি। প্রত্যেকটি পেশারই নিজস্ব কিছু বিধিবিধান আছে, কিছু পেশাগত নৈতিকতা বা মানদণ্ড আছে, যাতে পেশার ভাবমূর্তি বা পেশাদারিত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয়। সাংবাদিকদেরও আছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাই তাদের পেশাদারিত্বের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখার জন্য কিছু লিখিত বা অলিখিত মানদণ্ড অনুসরণ করে। কেউ তা মানছেন কিনা, তার দ্বারা তিনি সেই পেশার আদৌ অন্তর্ভুক্ত কিনা বোঝা যায়। সরকারপন্থী সাংবাদিক ইউনিয়ন আমাকে গণমাধ্যমের শত্র“ ঘোষণা করেছে। মিথ্যাচার ও অন্যের বক্তব্যের বিকৃতি ঘটিয়ে যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ক্ষমতাসীন শক্তিকে সন্তুষ্ট করার জন্য তৎপর থাকে, নিজেদের তারা গণমাধ্যমের কর্মী দাবি করতে পারে না। এরাই বরং গণমাধ্যমের শত্র“।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ▼ 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment