Wednesday, February 6, 2013
ভুলি নাই সেই কথা
ভুলি নাই সেই কথা
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী
অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল
কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১২ জন সাক্ষী তাদের
জবানবন্দী প্রদান করেছেন।
নিম্নে তাদের জবানবন্দী দেয়া
হলো। মোজাফফর আহমেদ খান মামলার প্রথম সাক্ষী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান
ছাত্রলীগের কেরানীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর
আহমেদ খান। তিনি জবানবন্দীতে বলেন, একাত্তরে তিনি মোহাম্মদপুরের শারীরিক
শিক্ষাকেন্দ্রের ফটকের সামনে কাদের মোল্লাকে অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে
দেখেছেন। ট্রাইব্যুানাল-২-এ তৎকালীন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে
কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জবানবন্দী
দেন মোজাফফর আহমেদ। আসামির কাঠগড়ায় কাদের মোল্লার উপস্থিতিতে মোজাফফর
আহমেদ খান জবানবন্দীতে বলেন, ১৯৬৯ সালে তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানা শাখা
ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি সত্তরের নির্বাচনে ঢাকার মিরপুর-মোহাম্মদপুর
আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আশরাফ আলী চৌধুরীর পক্ষে কাজ করেন। ওই আসনে
জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন গোলাম আযম। তাঁর পক্ষে কাজ করেন কাদের মোল্লা।
তিনি বলেন, একাত্তরের মে মাসে তিনি ১৫ জন বন্ধুকে নিয়ে ভারতের আগরতলায় যান।
জুলাই মাসের শেষে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিতে তাঁদের আসামের লাইলাপুর
সেনানিবাসে পাঠানো হয়। মোজাফফর বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা আগরতলার মেলাগড়ে
ফিরেন। সেখানে মেজর হায়দার ও ক্যাপ্টেন হালিম চৌধুরীর নেতৃত্বে তাঁদের
অস্ত্র দেয়া হয়। ২৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে তিনি বাংলাদেশে এসে
কেরানীগঞ্জের কলাতিয়ায় ক্যাম্প স্থাপন করেন। তিনি বলেন, ২৫ নভেম্বর ভোররাতে
তাঁরা গুলির শব্দ পান। এরপর তিনি তাঁর বাহিনী নিয়ে কলাতিয়া থেকে ঘাটার চরে
চলে যান। এ পর্যায়ে সাক্ষী অগোছালোভাবে জবানবন্দী দিলে ট্রাইব্যুনাল তাঁকে
গুছিয়ে বলতে বলেন। এতে সাক্ষী উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘আমাকে চার্জ করছেন।
আমাকে বলার সুযোগ দেন, তা না হলে আমি সাক্ষ্য দেব না। আমি পেইড সাক্ষী নই।
স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সাক্ষ্য দিতে এসেছি। আমি হাইব্রিড মুক্তিযোদ্ধা নই,
জেনুইন মুক্তিযোদ্ধা।’ ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘সাক্ষী সেন্টিমেন্টাল হয়ে
যাচ্ছেন।’ মোজাফফর বলেন, ‘সেন্টিমেন্টাল না হলে যুদ্ধে যেতে পারতাম না।’ এ
সময় প্রসিকিউশন পক্ষ সাক্ষীকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ
কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে। এরপর জবানবন্দীতে মোজাফফর বলেন, ভোর (২৫ নভেম্বর) থেকে
বেলা ১১টা পর্যন্ত ঘাটার চরে হিন্দু ও মুসলমান মিলিয়ে ৫৭ জনকে হত্যা করে
রাজাকাররা। রাজাকাররা সেখান থেকে বড় ভাওয়ালে হামলা চালিয়ে ২৫ জনকে হত্যা
করে। বেলা ১১টার দিকে তিনি খবর পান, রাজাকার ও পাকিস্তানী সেনারা ওই স্থান
ত্যাগ করেছে। তখন তিনি প্রধান সড়ক দিয়ে না গিয়ে পেছন দিক দিয়ে বাহিনী নিয়ে
ভাওয়ালে খানবাড়ি যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, তাঁর বাড়ি জ্বলছে, ওসমান গণি ও
গোলাম মোস্তফার লাশ পড়ে আছে। তিনি ওই দু’জনের লাশ দাফনের ব্যবস্থা করে
ঘাটার চরে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, চারদিকে শুধু রক্ত আর লাশ। সাক্ষী
জবানবন্দীতে আরও বলেন, ঘটনাটি কারা ঘটিয়েছে তা স্থানীয় তৈয়ব আলী ও আবদুল
মজিদের কাছে জানতে চান। মজিদ তাঁকে জানান, ২৩ বা ২৪ নভেম্বর ঘাটার চরে একটি
সভা হয়। ওই সভায় মুসলিম লীগের জয়নাল, কে জি করিম বাবলা, মোক্তার হোসেন,
ফয়জুর রহমান ছিলেন। তাঁরা ইসলামী ছাত্রসংঘের নেতা কাদের মোল্লার সঙ্গে
যোগাযোগ করে ওই সভার ব্যবস্থা করেন। ওই সভায় কাদের মোল্লাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় নিরস্ত্র মানুষকে হত্যার সিদ্ধান্ত হয়। ২৫ নভেম্বর ওই সিদ্ধান্ত
বাস্তবায়িত হয়। মোজাফফর আহমেদ বলেন, ‘আমি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোহাম্মদপুর
এলাকায় মামার বাসায় একবার গিয়েছি। মোহাম্মদপুরের ফিজিক্যাল ট্রেনিং
সেন্টারে রাজাকার ও আলবদরদের একটা নির্যাতনকেন্দ্র ছিল। মামার বাসা থেকে
ফেরার পথে দেখি, ওই নির্যাতনকেন্দ্রের ফটকের সামনে অস্ত্র হাতে কাদের
মোল্লা সহযোগীদের নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।’ তিনি বলেন, ২৫ নভেম্বর ঘাটার চরে যে
গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট হয়, তা স্থানীয় রাজাকাররা কাদের মোল্লার সঙ্গে
যোগাযোগ করে তাঁর নেতৃত্বে সংঘটিত করে। জবানবন্দীর শেষ দিকে সাক্ষী বলেন,
তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবি জানিয়েছেন। শহীদ জননী
জাহানারা ইমাম ও কর্নেল নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একাত্তরের ঘাতক দালাল
নির্মূল কমিটির সঙ্গে তিনি এ বিচারের দাবি করেছেন। ২০০৭ সালে তিনি ঢাকার
মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে এ ব্যাপারে একটি মামলাও করেন। তিনি একাত্তরের
মানবতাবিরোধী অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।
সৈয়দ শহিদুল হক ওরফে মামা
আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সাক্ষী মামা বাহিনীর প্রধান সৈয়দ শহিদুল হক ওরফে মামা জবানবন্দী ও সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। জবানবন্দীতে তিনি বলেন, একাত্তরের ২৭ মার্চ কবি মেহেরুন নেসা, তাঁর মা ও ভাইকে টুকরা টুকরা করে হত্যা করেন কাদের মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা। এছাড়া বাঙলা কলেজের পল্লব হত্যাকা-ে জড়িত ছিলেন কাদের মোল্লা। ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যাকা-ে তাঁর ভূমিকা ছিল। মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় মুক্তিযুদ্ধবিরোধী নানা কর্মকা-ে জড়িত ছিলেন কাদের মোল্লা। সৈয়দ শহিদুল হক মামা তার জবানবন্দীতে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ মিরপুরে কবি মেহেরুন্নেছা, তার দুই ভাই ও মাকে টুকরা টুকরা করে হত্যা করেছে আব্দুল কাদের মোল্লা, হাশেম হাশমী, আব্বাস চেয়ারম্যান, আক্তার গু-া, হাক্কা গু-া ও নেহারসহ অনেকে। সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা আমি শুনতে পাই। আরেকটি ঘটনা হলোÑ২৯ মার্চ ঢাকার ঠাটারী বাজার (কাপ্তান বাজার) থেকে পল্লব ওরফে টুনটুনিকে মিরপুর ১২ নম্বর মুসলিম বাজার ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর প্রথম তার আঙ্গুল কাটা হয়। পরে তাকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে নির্মমভাবে ৫ এপ্রিল হত্যা করা হয়। এ হত্যার সঙ্গে কাদের মোল্লা, আক্তার গু-াসহ আগে যাদের নাম বলেছি তারা ছিল। জবানবন্দীতে তিনি বলেন, একাত্তর সালে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা হয়। সে মামলায় যারা আমার পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছিলেন ২৫ মার্চ ভয়াল রাতে তাদেরকে নির্মমভাবে টুকরো টুকরো করে হত্যা করে কাদের মোল্লা, আফসার, নেহার, হাশমী, আব্বাস চেয়ারম্যানসহ বিহারী ও জামাতীরা, যারা একই মায়ের সন্তান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর প্রিয় এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিনকে জাতীয় পরিষদের প্রার্থী করা হয়। এ প্রার্থীর পক্ষে নৌকা প্রতীক নিয়ে আমরা ভোট চেয়েছি। ?ঐ নির্বাচনে অপজিশন প্রার্থী হিসেবে কুখ্যাত গোলাম আযম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছে। আঞ্জুমান মহাজেরীর পক্ষে এ্যাডভোকেট দেওয়ান বারাসাত হাতী মার্কা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। এক পর্যায়ে দেওয়ান সাহেব গোলাম আযমের পক্ষে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। এ সময় কাদের মোল্লাসহ জামায়াতী ও বিহারীরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে, “গালি গালি মে শোর হে শেখ মুজিব পাকিস্তানকা দুশমন হে গাদ্দার হে’ সেøাগান দিতে থাকে। তিনি আরও বলেন, ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করলেও ৩১ জানুয়ারি মিরপুর শত্রুমুক্ত হয়নি। ১৭ ডিসেম্বর আমি রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে যাই সেখানে বুদ্ধিজীবীর অনেক লাশ এবং এক বস্তা চোখ উদ্ধার করি। পরে তা পাশে কবর দিয়ে দেই।
মিরপুরের নূর ডেকোরেটরের ভেতরে এর মালিক নূর হোসেনের পরিবারের সদস্যদেরও একই কায়দায় হত্যা করা হয়। নূর হোসেনের ৮০ বছরের বৃদ্ধা শাশুড়ি, যিনি নড়তে চড়তে পারতেন না, তিনিও এসব নরপশুর নৃশংসতা থেকে রেহাই পাননি। হাতের আঙুল কেটে, নির্মম নির্যাতন চালিয়ে এরা তারপর গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় কলেজছাত্র পল্লবকে।’ তবে কাদের মোল্লা অসুস্থ বিধায় আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার থেকে তাকে হাজির না করলেও চলবে বলে আদেশ দিয়েছিলেন। এ কারণে কাদের মোল্লার অনুপস্থিতিতে তার নৃশংসতা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও মানবতাবিরোধী নানা অপরাধের বর্ণনা দেন শহিদুল হক মামা। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ‘মিরপুরের জল্লাদ বা কসাই’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে ১৯৭২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মিরপুর, রায়েরবাজার, কেরানীগঞ্জ, সাভারসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে নৃশংসতা চালিয়েছেন। ২৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে তিনি বিহারী ও অবাঙালীদের সঙ্গে নিয়ে বাঙালীদের নিধনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে মিরপুর ও মোহাম্মদপুর ছিল তার নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা। মিরপুর ছাড়াও শিয়ালবাড়ী ও রূপনগরে অনেক মানুষকে তার প্রত্যক্ষ মদদে মাটি চাপা দেয়া হয়। কেরানীগঞ্জের শহীদনগরেও তিনি অনেক গণহত্যা চালিয়েছেন। দ্বিতীয় সাক্ষী শহিদুল হক মামা জবানবন্দীতে বলেন, “একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঢাকার মিরপুর ও মোহাম্মদপুরে জামায়াত, ইসলামী ছাত্র সংঘ, রাজাকার ও আলবদর বাহিনীর পাশাপাশি অবাঙালী বিহারীদের নিয়ে কাদের মোল্লা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে নেতৃত্ব দেন। ওই দুই এলাকায় যে সকল মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনা ঘটেছে তা থেকে আব্দুল কাদের মোল্লা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ছিলেন না।”
দুই ভুক্তভোগী নারী
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদানকারী দুই ভুক্তভোগী নারীর জবানবন্দী ও জেরা শেষ হয়েছে।
এই প্রথমবারের মতো একজন সাক্ষী ক্যামেরা ট্রায়ালে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিলেন। ক্যামেরা ট্রায়াল চলাকালে সেখানে সাংবাদিক এবং সাধারণের জন্য প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। প্রসিকিউটর নুরজাহান বেগম মুক্তা সাংবাদিকদের বলেন, আজ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত সেই নারীদের মধ্যে একজন ট্রাইব্যুনালে তার নির্যাতনের কাহিনী বর্ণনা করেছেন। এ সাক্ষ্যগ্রহণ এদেশের নারীদের জন্য একটি মাইলফলকের সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, এই সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুযায়ী গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে এজলাস কক্ষে যা হয়েছে তা বলা যাবে না। এ সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ বর্বরোচিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই প্রসিকিউটর।
কবি কাজী রোজী
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী মহিলা কবি কাজী রোজী জবানবন্দী ও সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। তিনি জবানবন্দীতে বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কাদের মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা কবি মেহেরুন নেসার বাড়িতে হামলা চালান। তাঁরা মেহেরুন, তাঁর মা ও দুই ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করেন। তবে কাদের মোল্লা মেহেরুন্নেসার বাসায় ওই সময় ঢুকেছিল কিনা তা বলতে পারব না। মেহেরুন্নেসা যখন দেখল, ওরা তাদের মারতে এসেছে। তখন তিনি বুকে কোরআন শরীফ চেপে বাঁচতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ওরা কবি মেহেরুন্নেসাসহ চারজনকে জবাই করে। এই বীভৎস সংবাদ পেয়ে কষ্ট পেয়েছিলাম। মেহেরুন্নেসার জন্য আজ অবধি তার অতৃপ্ত আত্মার জন্য কষ্ট পাই। মঙ্গলবার চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ কবি কাজী রোজী এই বীভৎস্য কাহিনী বর্ণনা করেন। জবানবন্দীতে তিনি বলেছেন, সে (কবি মেহেরুন্নেছা) আমার প্রিয় বন্ধু ছিল। কিন্তু তার জন্য কিছু করতে পারিনি। তবে কাদের মোল্লা মেহেরুন্নেসার বাসায় ওই সময় ঢুকেছিল কিনা তা বলতে পারব না। পরে গুলজার ও আরও অবাঙালীরা বলেছিল, কবি মেহেরুন্নেসাকে গলা কেটে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। মেহেরুন্নেসা তখন গলাকাটা মুরগির মতো ছটফট করছিল। কাদের মোল্লার নেতৃত্বে অবাঙালী বিহারীরা এই নির্মম হত্যাকা- ঘটিয়েছিল।
কাজী রোজী জবানবন্দীতে বলেন, একাত্তরে নিহত কবি মেহেরুন নিসা তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তাঁরা একই এলাকায় থাকতেন। একাত্তরে মিরপুরে অবাঙালী ও বিহারীরা বাঙালীদের ভীষণভাবে অপমানিত ও লাঞ্ছিত করত। এ থেকে রেহাই পেতে তাঁরা একটি অ্যাকশন কমিটি গঠন করেছিলেন। তিনি সেই কমিটির সভাপতি ও মেহেরুন নিসা সদস্য ছিলেন। তাঁরা ওই কমিটির মেয়ে সদস্য হওয়ার কারণে তাঁদের ওপর হামলা চালানোর খবর পান তিনি। জবানবন্দীতে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা মাথায় লালপট্টি বা সাদাপট্টি বেঁধে সকাল প্রায় ১১টার দিকে কবি মেহেরুন্নেছার বাসায় ঢুকে পড়েন। তাদের দেখে কবি মেহেরুন্নেছা কুরআন শরীফ বুকে নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ওরা কবি মেহেরুন্নেসাসহ চারজনকে জবাই করে হত্যা করে।
এ সময় সাক্ষী কবি কাজী রোজি বলেন, প্রসঙ্গত বলতে হয় কাদের মোল্লা যে নিজেই ভিতরে গিয়েছেন কিনা এটা আমি জানি না। তবে তার নেতৃত্বেই হয়েছে বলে আমি শুনেছি। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষ তাকে জেরা শুরু করেন। জেরায় কয়েকটি প্রশ্ন করার পর আসামিপক্ষ সাক্ষীকে আরও জেরা করতে প্রস্তুতির জন্য সময়ের আবেদন করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল তাকে জেরার জন্য আগামী ২৬ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করেন। জবানবন্দীতে কবি কাজী রোজি, স্বামী কবি সিকান্দার আবু জাফর। তিনি বলেন, ১৯৭০ সালে মিরপুরের ৬ নম্বর সেনকশনের ডি ব্লকে থাকতাম। ’৭০ সালের নির্বাচনে মিরপুরে গোলাম আযম জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন। সে সময় ইসলামী ছাত্র সংঘ নামে একটি ছাত্র সংগঠন ছিল। তার নেতৃত্বে ছিলেন আব্দুল কাদের মোল্লা। তার নেতৃত্বে স্থানীয় অবাঙালীরা তার সঙ্গে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে নির্বাচনী কাজ করত।
তিনি বলেন, তখন আওয়ামী লীগের পক্ষে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী ছিলেন এ্যাডভোকেট জহিরুল। তখন আমার সঙ্গে কবি মেহেরুন্নেসা থাকতেন। ওই নির্বাচনের সময় আমরা একটি অ্যাকশন কমিটি গঠন করি। আমি ছিলাম ঐ কমিটির সভাপতি। কবি মেহেরুন্নেসাসহ অনেকে ছিলেন সদস্য। ওই সময় মিরপুরে বাঙালীরা লাঞ্ছিত হয়েছিল। তখন মিরপুরে বিভিন্ন এলাকায় মিছিল-মিটিং করতাম। সাক্ষী বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনতে আমি ও মেহেরুন্নেসাসহ অনেকেই রেসকোর্স ময়দানে গিয়েছিলাম। এই ভাষণ ছিল স্বাধীনতার ডাক। কিন্তু মিরপুরের অবাঙালীরা আমাদের প্রতি বৈরী মনোভাব পোষণ করত। এটা বুঝতে পেরে প্রতিদিন আমরা সভা-সমাবেশ করতে থাকি। এরই মধ্যে চলে আসে ২৫ মার্চ। সেদিন সকালে আ?মরা মিটিং করছিলাম। বুঝতে পারছিলাম কিছু যেন একটা ঘটতে যাচ্ছে। মিটিং শেষ করে বাসায় ফেরার পর খবর পেলাম, আমার বাসায় তল্লাশি হবে। কবি মেহেরুন্নেসার বাসায় হাঙ্গামা হবে। কারণ এ্যাকশন কমিটিতে আমরা এ দু’জন ছিলাম নারী সদস্য। আমি যখন জানতে পারলাম, আমার বাসায় তল্লাশি হবে, তখন মেহেরুন্নেসার বাসায় খবর পাঠালাম। আমি আজই বাসা ছেড়ে চলে যাব। তোমরাও অন্যত্র চলে যাও। এ খবর পাওয়ার পর মেহেরুন্নেসা তার ছোট ভাইকে দিয়ে আমার বাসায় খবর পাঠালেন যে, তিনি, তার মা ও দুই ভাইকে নিয়ে কোথায় যাবেন? আমি বোঝালাম। বাড়ি থেকে চলে যাওয়া একান্ত প্রয়োজন। তিনি বলেন, তারপর ২৫ মার্চ কালরাতের ঘটনা সবাই জানেন। দিন চলে গেল। ২৭ মার্চ বিকেলে আমি খবর পেলাম, মেহেরুন্নেসা ও তার দুই ভাই এবং তার মাকে কাদের মোল্লা ও তার সহযোগী অবাঙালীরা হত্যা করেছে। অবাঙালীদের মধ্যে কেউ কেউ মাথায় সাদা বা লাল পট্টি বেঁধে মেহেরুন্নেসার বাসায় সকাল ১১টায় ঢুকে যায়। মেহেরুন্নেসা যখন দেখল, ওরা তাদের মারতে এসেছে। তখন তিনি বুকে কোরআন শরীফ চেপে বাঁচতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ওরা কবি মেহেরুন্নেসাসহ চারজনকে জবাই করে। এই বীভৎস সংবাদ পেয়ে কষ্ট পেয়েছিলাম। মেহেরুন্নেসার জন্য আজ অবধি তার অতৃপ্ত আত্মার জন্য কষ্ট পাই।
খন্দকার আবুল আহসান
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে নিহত সাংবাদিক সাহিত্যিক খন্দকার আবু তালেবের ছেলে খন্দকার আবুল আহসান সাক্ষ্য দেন। তিনি জবানবন্দীতে বলেন, আমার পিতার নাম শহীদ খন্দকার আবু তালেব। পেশায় আমি একজন সরকারী কর্মকর্তা। ১৯৭১ সালে আমার পরিবার মিরপুরে থাকত। ঠিকানা মিরপুর প্লট নম্বর ১৩ রোড নং-২, ব্লক-বি, সেকশন-১০ মিরপুর হাউজিং এস্টেট।
১৯৭১ সালে আমি মিরপুর শাহ আলী একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিলাম। সে সময় আমি পিতা-মাতার সঙ্গে মিরপুরের বাসায় থাকতাম। আমার পিতা ছিলেন সাংবাদিক সাহিত্যিক আইনজীবী। আমার পিতা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করেছেন। পত্রিকাগুলো হচ্ছে দৈনিক সংবাদ, ডেইলি অবজারভার, দ্য মর্নিং, দৈনিক আজাদ, সাপ্তাহিক ইত্তেহাদ, দৈনিক ইত্তেফাক। পয়গাম পত্রিকায় তিনি খ-াকালীন চাকরি করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমার পিতা ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সাংবাদিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। তিনি বাঙালী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন। এমনি এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০-এর নির্বাচন। সে সময় মিরপুর এলাকায় নৌকা প্রতীক নিয়ে এ্যাডভোকেট জহিরউদ্দিন প্রার্থী হয়েছিলেন। অন্যদিকে গোলাম আযম দাঁড়িপাল্লা নিয়ে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী হয়েছিলেন। এই নির্বাচনে আব্দুল কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা গোলাম আযমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালায়।
নির্বাচনে আমার আব্বা নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। যদিও তিনি আওয়ামী লীগ করতেন না। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিশাল জয় হয়। সেদিনের পরাজিত পক্ষ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে আব্দুল কাদের মোল্লার নেতৃত্বে মিরপুর এলাকায় হত্যাকা- সংঘটিত করে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে ১লা মার্চ হতে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী দ্বারা বিভিন্ন হত্যাকা- ঘটে। এর প্রতিবাদে সর্বত্র ছাত্ররা কালোদিবস পালন করে। তিনি বলেন, মিরপুর দশ নম্বরে বাংলা স্কুলে পাকিস্তান পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উড়ালে কাদের মোল্লারা সেই স্কুলের হেডমাস্টার কাউয়ুমের ওপর ক্ষিপ্ত হোন। তাকে কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। আমার পিতার সহায়তায় সে চিকিৎসা পায়। ওই ঘটনার পর আমরা মিরপুরের বাড়ি ছেড়ে দিয়ে শান্তি নগরে ফুপুর বাসায় চলে আসি। এরপর আমার বাবা ২৯ মার্চ মিরপুরে তার গাড়ি ও কিছু টাকা-পয়সা আনার জন্য সেখানে যাবেন বলে জানান। সেদিন তিনি তার এডভোকেট ফার্মে গেলে পথিমধ্যে ইত্তেফাকের অবাঙালী চীফ একাউন্ট্যান্ট আবদুল হালিমের সঙ্গে দেখা হয়। এই আবদুল হালিম তার বাবাকে জীপে করে নিয়ে কাদের মোল্লার হাতে তুলে দেয়। এরপর কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা মিরপুর ১০ নম্বরের জল্লাদখানায় আমার পিতাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করে। কাদের মোল্লার সঙ্গে আক্তার গু-াও সেদিন ছিল। তিনি এ হত্যাকা-ের বিচার চান বলে জানান। সাক্ষীর জবান বন্দী শেষ হলে জেরা করেন কাদের মোল্লার আইনজীবী একরামুল হক।
গত ২৪ জুলাই ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দী পেশ করেন কাজী রোজী। এর আগে ২০ জুন আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ওপেনিং স্টেটমেন্ট (সূচনা বক্তব্য) উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। এরপর তার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহম্মেদ খান, শহীদুল হক মামা ও একজন নারী সাক্ষ্য দিয়েছেন। ২৮ মে আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে পৃথক ৬টি ঘটনায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
সাফি উদ্দিন মোল্লা
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় কাদের মোল্লা পাকিস্তানী আর্মিদের সঙ্গে গণহত্যায় অংশ নেন। আলোকদি গ্রামের ৩৬০ থেকে ৩৮০ জন নিরীহ বাঙালী ও ধান কাটার শ্রমিকদের এক লাইনে দাঁড় করিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। এ গণহত্যায় অংশ নেয় কাদের মোল্লাসহ পাকিস্তানী আর্মি এবং বিহারীরা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-তে গুরুত্বপূর্ণ এ সাক্ষ্য দেন সাফি উদ্দিন মোল্লা। তিনি এ ঘটনা নিজ চোখে দেখেছেন। সেদিনের ঘটনায় তার চাচা নবী উল্লাহ নবীও নিহত হন। সাক্ষী বলেন, ১৯৭১ সালে আমি ১৯ বছরের যুবক ছিলাম। মিরপুরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তাম। ১৯৭২ সালে সেখান থেকে এসএসসি পাস করি। তিনি বলেন, মিরপুরে ’৭০ সালের নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় গোলাম আযম ও নৌকা প্রতীকে এডভোকেট জহির উদ্দিন নির্বাচন করেন। কাদের মোল্লা তখন ওই এলাকার ইসলামী ছাত্র সংঘের নেতা ছিলেন। তিনি গোলাম আযমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। সেই সময় হতে তিনি আবদুল কাদের মোল্লাকে চিনতেন। তিনি বলেন, ২৫ মার্চে পাক হানাদার বাহিনী তার এলাকায় হত্যাকা- চালায়। তিনি বলেন, ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ সালে আলোকদি গ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার অবতরণ করে। এই হেলিকপ্টার অবতরণ করার পরই ওই গ্রামের লোকজন এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। হেলিকপ্টার থেকেই গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। এরপর দেখি অলোকদি গ্রামটিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর রাজাকার বাহিনীর লোকেরা ঘিরে ফেলেছে। গ্রামের বহু লোক ধান কাটার পেশায় নিয়োজিত ছিল সেদিন। গ্রামের বহু লোক সেদিন পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও রাজাকারদের হাতে ধরা পড়ে। আলবদরদের হাতে আটক এসব লোকজনদের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জড়ো করা হয়। তারপর তাদের এক লাইনে দাঁড় করানো হয়। ফজরে আযান শুরু হলে কাদের মোল্লাসহ বিহারীরা ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সদস্যরা গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করে। ওইদিন এ হত্যাকা- সকাল ১১টা পর্যন্ত চলে। আমিও সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলাম। একটি গর্তে লুকিয়ে নিজের জীবন বাচাই। সেই গর্ত থেকে দেখি কাদের মোল্লা পাকিস্তানী সেনাদের সঙ্গে কথা বলছে। তারপরই নিরীহ জনগণের ওপর পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও কাদের মোল্লা রাইফেল উঁচিয়ে গুলিবর্ষণ করছে। নিহত হয় ৩৬০ থেকে ৩৮০ জন। আলোকদি গ্রামটি ছিল বঙ্গবন্ধুভক্ত লোকদের বাস। ’৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একতরফাভাবে ভোট পায় সে গ্রাম থেকে। এ কারণই এ গ্রামের লোকদের কাদের মোল্লা ও পাক সেনাদের হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হয়।
সৈয়দ শহিদুল হক ওরফে মামা
আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সাক্ষী মামা বাহিনীর প্রধান সৈয়দ শহিদুল হক ওরফে মামা জবানবন্দী ও সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। জবানবন্দীতে তিনি বলেন, একাত্তরের ২৭ মার্চ কবি মেহেরুন নেসা, তাঁর মা ও ভাইকে টুকরা টুকরা করে হত্যা করেন কাদের মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা। এছাড়া বাঙলা কলেজের পল্লব হত্যাকা-ে জড়িত ছিলেন কাদের মোল্লা। ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যাকা-ে তাঁর ভূমিকা ছিল। মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় মুক্তিযুদ্ধবিরোধী নানা কর্মকা-ে জড়িত ছিলেন কাদের মোল্লা। সৈয়দ শহিদুল হক মামা তার জবানবন্দীতে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ মিরপুরে কবি মেহেরুন্নেছা, তার দুই ভাই ও মাকে টুকরা টুকরা করে হত্যা করেছে আব্দুল কাদের মোল্লা, হাশেম হাশমী, আব্বাস চেয়ারম্যান, আক্তার গু-া, হাক্কা গু-া ও নেহারসহ অনেকে। সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা আমি শুনতে পাই। আরেকটি ঘটনা হলোÑ২৯ মার্চ ঢাকার ঠাটারী বাজার (কাপ্তান বাজার) থেকে পল্লব ওরফে টুনটুনিকে মিরপুর ১২ নম্বর মুসলিম বাজার ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর প্রথম তার আঙ্গুল কাটা হয়। পরে তাকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে নির্মমভাবে ৫ এপ্রিল হত্যা করা হয়। এ হত্যার সঙ্গে কাদের মোল্লা, আক্তার গু-াসহ আগে যাদের নাম বলেছি তারা ছিল। জবানবন্দীতে তিনি বলেন, একাত্তর সালে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা হয়। সে মামলায় যারা আমার পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছিলেন ২৫ মার্চ ভয়াল রাতে তাদেরকে নির্মমভাবে টুকরো টুকরো করে হত্যা করে কাদের মোল্লা, আফসার, নেহার, হাশমী, আব্বাস চেয়ারম্যানসহ বিহারী ও জামাতীরা, যারা একই মায়ের সন্তান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর প্রিয় এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিনকে জাতীয় পরিষদের প্রার্থী করা হয়। এ প্রার্থীর পক্ষে নৌকা প্রতীক নিয়ে আমরা ভোট চেয়েছি। ?ঐ নির্বাচনে অপজিশন প্রার্থী হিসেবে কুখ্যাত গোলাম আযম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছে। আঞ্জুমান মহাজেরীর পক্ষে এ্যাডভোকেট দেওয়ান বারাসাত হাতী মার্কা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। এক পর্যায়ে দেওয়ান সাহেব গোলাম আযমের পক্ষে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। এ সময় কাদের মোল্লাসহ জামায়াতী ও বিহারীরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে, “গালি গালি মে শোর হে শেখ মুজিব পাকিস্তানকা দুশমন হে গাদ্দার হে’ সেøাগান দিতে থাকে। তিনি আরও বলেন, ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করলেও ৩১ জানুয়ারি মিরপুর শত্রুমুক্ত হয়নি। ১৭ ডিসেম্বর আমি রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে যাই সেখানে বুদ্ধিজীবীর অনেক লাশ এবং এক বস্তা চোখ উদ্ধার করি। পরে তা পাশে কবর দিয়ে দেই।
মিরপুরের নূর ডেকোরেটরের ভেতরে এর মালিক নূর হোসেনের পরিবারের সদস্যদেরও একই কায়দায় হত্যা করা হয়। নূর হোসেনের ৮০ বছরের বৃদ্ধা শাশুড়ি, যিনি নড়তে চড়তে পারতেন না, তিনিও এসব নরপশুর নৃশংসতা থেকে রেহাই পাননি। হাতের আঙুল কেটে, নির্মম নির্যাতন চালিয়ে এরা তারপর গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় কলেজছাত্র পল্লবকে।’ তবে কাদের মোল্লা অসুস্থ বিধায় আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার থেকে তাকে হাজির না করলেও চলবে বলে আদেশ দিয়েছিলেন। এ কারণে কাদের মোল্লার অনুপস্থিতিতে তার নৃশংসতা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও মানবতাবিরোধী নানা অপরাধের বর্ণনা দেন শহিদুল হক মামা। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ‘মিরপুরের জল্লাদ বা কসাই’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে ১৯৭২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মিরপুর, রায়েরবাজার, কেরানীগঞ্জ, সাভারসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে নৃশংসতা চালিয়েছেন। ২৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে তিনি বিহারী ও অবাঙালীদের সঙ্গে নিয়ে বাঙালীদের নিধনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে মিরপুর ও মোহাম্মদপুর ছিল তার নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা। মিরপুর ছাড়াও শিয়ালবাড়ী ও রূপনগরে অনেক মানুষকে তার প্রত্যক্ষ মদদে মাটি চাপা দেয়া হয়। কেরানীগঞ্জের শহীদনগরেও তিনি অনেক গণহত্যা চালিয়েছেন। দ্বিতীয় সাক্ষী শহিদুল হক মামা জবানবন্দীতে বলেন, “একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঢাকার মিরপুর ও মোহাম্মদপুরে জামায়াত, ইসলামী ছাত্র সংঘ, রাজাকার ও আলবদর বাহিনীর পাশাপাশি অবাঙালী বিহারীদের নিয়ে কাদের মোল্লা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে নেতৃত্ব দেন। ওই দুই এলাকায় যে সকল মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনা ঘটেছে তা থেকে আব্দুল কাদের মোল্লা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ছিলেন না।”
দুই ভুক্তভোগী নারী
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদানকারী দুই ভুক্তভোগী নারীর জবানবন্দী ও জেরা শেষ হয়েছে।
এই প্রথমবারের মতো একজন সাক্ষী ক্যামেরা ট্রায়ালে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিলেন। ক্যামেরা ট্রায়াল চলাকালে সেখানে সাংবাদিক এবং সাধারণের জন্য প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। প্রসিকিউটর নুরজাহান বেগম মুক্তা সাংবাদিকদের বলেন, আজ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত সেই নারীদের মধ্যে একজন ট্রাইব্যুনালে তার নির্যাতনের কাহিনী বর্ণনা করেছেন। এ সাক্ষ্যগ্রহণ এদেশের নারীদের জন্য একটি মাইলফলকের সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, এই সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুযায়ী গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে এজলাস কক্ষে যা হয়েছে তা বলা যাবে না। এ সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ বর্বরোচিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই প্রসিকিউটর।
কবি কাজী রোজী
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী মহিলা কবি কাজী রোজী জবানবন্দী ও সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। তিনি জবানবন্দীতে বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কাদের মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা কবি মেহেরুন নেসার বাড়িতে হামলা চালান। তাঁরা মেহেরুন, তাঁর মা ও দুই ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করেন। তবে কাদের মোল্লা মেহেরুন্নেসার বাসায় ওই সময় ঢুকেছিল কিনা তা বলতে পারব না। মেহেরুন্নেসা যখন দেখল, ওরা তাদের মারতে এসেছে। তখন তিনি বুকে কোরআন শরীফ চেপে বাঁচতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ওরা কবি মেহেরুন্নেসাসহ চারজনকে জবাই করে। এই বীভৎস সংবাদ পেয়ে কষ্ট পেয়েছিলাম। মেহেরুন্নেসার জন্য আজ অবধি তার অতৃপ্ত আত্মার জন্য কষ্ট পাই। মঙ্গলবার চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ কবি কাজী রোজী এই বীভৎস্য কাহিনী বর্ণনা করেন। জবানবন্দীতে তিনি বলেছেন, সে (কবি মেহেরুন্নেছা) আমার প্রিয় বন্ধু ছিল। কিন্তু তার জন্য কিছু করতে পারিনি। তবে কাদের মোল্লা মেহেরুন্নেসার বাসায় ওই সময় ঢুকেছিল কিনা তা বলতে পারব না। পরে গুলজার ও আরও অবাঙালীরা বলেছিল, কবি মেহেরুন্নেসাকে গলা কেটে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। মেহেরুন্নেসা তখন গলাকাটা মুরগির মতো ছটফট করছিল। কাদের মোল্লার নেতৃত্বে অবাঙালী বিহারীরা এই নির্মম হত্যাকা- ঘটিয়েছিল।
কাজী রোজী জবানবন্দীতে বলেন, একাত্তরে নিহত কবি মেহেরুন নিসা তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তাঁরা একই এলাকায় থাকতেন। একাত্তরে মিরপুরে অবাঙালী ও বিহারীরা বাঙালীদের ভীষণভাবে অপমানিত ও লাঞ্ছিত করত। এ থেকে রেহাই পেতে তাঁরা একটি অ্যাকশন কমিটি গঠন করেছিলেন। তিনি সেই কমিটির সভাপতি ও মেহেরুন নিসা সদস্য ছিলেন। তাঁরা ওই কমিটির মেয়ে সদস্য হওয়ার কারণে তাঁদের ওপর হামলা চালানোর খবর পান তিনি। জবানবন্দীতে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা মাথায় লালপট্টি বা সাদাপট্টি বেঁধে সকাল প্রায় ১১টার দিকে কবি মেহেরুন্নেছার বাসায় ঢুকে পড়েন। তাদের দেখে কবি মেহেরুন্নেছা কুরআন শরীফ বুকে নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ওরা কবি মেহেরুন্নেসাসহ চারজনকে জবাই করে হত্যা করে।
এ সময় সাক্ষী কবি কাজী রোজি বলেন, প্রসঙ্গত বলতে হয় কাদের মোল্লা যে নিজেই ভিতরে গিয়েছেন কিনা এটা আমি জানি না। তবে তার নেতৃত্বেই হয়েছে বলে আমি শুনেছি। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষ তাকে জেরা শুরু করেন। জেরায় কয়েকটি প্রশ্ন করার পর আসামিপক্ষ সাক্ষীকে আরও জেরা করতে প্রস্তুতির জন্য সময়ের আবেদন করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল তাকে জেরার জন্য আগামী ২৬ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করেন। জবানবন্দীতে কবি কাজী রোজি, স্বামী কবি সিকান্দার আবু জাফর। তিনি বলেন, ১৯৭০ সালে মিরপুরের ৬ নম্বর সেনকশনের ডি ব্লকে থাকতাম। ’৭০ সালের নির্বাচনে মিরপুরে গোলাম আযম জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন। সে সময় ইসলামী ছাত্র সংঘ নামে একটি ছাত্র সংগঠন ছিল। তার নেতৃত্বে ছিলেন আব্দুল কাদের মোল্লা। তার নেতৃত্বে স্থানীয় অবাঙালীরা তার সঙ্গে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে নির্বাচনী কাজ করত।
তিনি বলেন, তখন আওয়ামী লীগের পক্ষে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী ছিলেন এ্যাডভোকেট জহিরুল। তখন আমার সঙ্গে কবি মেহেরুন্নেসা থাকতেন। ওই নির্বাচনের সময় আমরা একটি অ্যাকশন কমিটি গঠন করি। আমি ছিলাম ঐ কমিটির সভাপতি। কবি মেহেরুন্নেসাসহ অনেকে ছিলেন সদস্য। ওই সময় মিরপুরে বাঙালীরা লাঞ্ছিত হয়েছিল। তখন মিরপুরে বিভিন্ন এলাকায় মিছিল-মিটিং করতাম। সাক্ষী বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনতে আমি ও মেহেরুন্নেসাসহ অনেকেই রেসকোর্স ময়দানে গিয়েছিলাম। এই ভাষণ ছিল স্বাধীনতার ডাক। কিন্তু মিরপুরের অবাঙালীরা আমাদের প্রতি বৈরী মনোভাব পোষণ করত। এটা বুঝতে পেরে প্রতিদিন আমরা সভা-সমাবেশ করতে থাকি। এরই মধ্যে চলে আসে ২৫ মার্চ। সেদিন সকালে আ?মরা মিটিং করছিলাম। বুঝতে পারছিলাম কিছু যেন একটা ঘটতে যাচ্ছে। মিটিং শেষ করে বাসায় ফেরার পর খবর পেলাম, আমার বাসায় তল্লাশি হবে। কবি মেহেরুন্নেসার বাসায় হাঙ্গামা হবে। কারণ এ্যাকশন কমিটিতে আমরা এ দু’জন ছিলাম নারী সদস্য। আমি যখন জানতে পারলাম, আমার বাসায় তল্লাশি হবে, তখন মেহেরুন্নেসার বাসায় খবর পাঠালাম। আমি আজই বাসা ছেড়ে চলে যাব। তোমরাও অন্যত্র চলে যাও। এ খবর পাওয়ার পর মেহেরুন্নেসা তার ছোট ভাইকে দিয়ে আমার বাসায় খবর পাঠালেন যে, তিনি, তার মা ও দুই ভাইকে নিয়ে কোথায় যাবেন? আমি বোঝালাম। বাড়ি থেকে চলে যাওয়া একান্ত প্রয়োজন। তিনি বলেন, তারপর ২৫ মার্চ কালরাতের ঘটনা সবাই জানেন। দিন চলে গেল। ২৭ মার্চ বিকেলে আমি খবর পেলাম, মেহেরুন্নেসা ও তার দুই ভাই এবং তার মাকে কাদের মোল্লা ও তার সহযোগী অবাঙালীরা হত্যা করেছে। অবাঙালীদের মধ্যে কেউ কেউ মাথায় সাদা বা লাল পট্টি বেঁধে মেহেরুন্নেসার বাসায় সকাল ১১টায় ঢুকে যায়। মেহেরুন্নেসা যখন দেখল, ওরা তাদের মারতে এসেছে। তখন তিনি বুকে কোরআন শরীফ চেপে বাঁচতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ওরা কবি মেহেরুন্নেসাসহ চারজনকে জবাই করে। এই বীভৎস সংবাদ পেয়ে কষ্ট পেয়েছিলাম। মেহেরুন্নেসার জন্য আজ অবধি তার অতৃপ্ত আত্মার জন্য কষ্ট পাই।
খন্দকার আবুল আহসান
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে নিহত সাংবাদিক সাহিত্যিক খন্দকার আবু তালেবের ছেলে খন্দকার আবুল আহসান সাক্ষ্য দেন। তিনি জবানবন্দীতে বলেন, আমার পিতার নাম শহীদ খন্দকার আবু তালেব। পেশায় আমি একজন সরকারী কর্মকর্তা। ১৯৭১ সালে আমার পরিবার মিরপুরে থাকত। ঠিকানা মিরপুর প্লট নম্বর ১৩ রোড নং-২, ব্লক-বি, সেকশন-১০ মিরপুর হাউজিং এস্টেট।
১৯৭১ সালে আমি মিরপুর শাহ আলী একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিলাম। সে সময় আমি পিতা-মাতার সঙ্গে মিরপুরের বাসায় থাকতাম। আমার পিতা ছিলেন সাংবাদিক সাহিত্যিক আইনজীবী। আমার পিতা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করেছেন। পত্রিকাগুলো হচ্ছে দৈনিক সংবাদ, ডেইলি অবজারভার, দ্য মর্নিং, দৈনিক আজাদ, সাপ্তাহিক ইত্তেহাদ, দৈনিক ইত্তেফাক। পয়গাম পত্রিকায় তিনি খ-াকালীন চাকরি করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমার পিতা ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সাংবাদিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। তিনি বাঙালী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন। এমনি এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০-এর নির্বাচন। সে সময় মিরপুর এলাকায় নৌকা প্রতীক নিয়ে এ্যাডভোকেট জহিরউদ্দিন প্রার্থী হয়েছিলেন। অন্যদিকে গোলাম আযম দাঁড়িপাল্লা নিয়ে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী হয়েছিলেন। এই নির্বাচনে আব্দুল কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা গোলাম আযমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালায়।
নির্বাচনে আমার আব্বা নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন। যদিও তিনি আওয়ামী লীগ করতেন না। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিশাল জয় হয়। সেদিনের পরাজিত পক্ষ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে আব্দুল কাদের মোল্লার নেতৃত্বে মিরপুর এলাকায় হত্যাকা- সংঘটিত করে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে ১লা মার্চ হতে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী দ্বারা বিভিন্ন হত্যাকা- ঘটে। এর প্রতিবাদে সর্বত্র ছাত্ররা কালোদিবস পালন করে। তিনি বলেন, মিরপুর দশ নম্বরে বাংলা স্কুলে পাকিস্তান পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উড়ালে কাদের মোল্লারা সেই স্কুলের হেডমাস্টার কাউয়ুমের ওপর ক্ষিপ্ত হোন। তাকে কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। আমার পিতার সহায়তায় সে চিকিৎসা পায়। ওই ঘটনার পর আমরা মিরপুরের বাড়ি ছেড়ে দিয়ে শান্তি নগরে ফুপুর বাসায় চলে আসি। এরপর আমার বাবা ২৯ মার্চ মিরপুরে তার গাড়ি ও কিছু টাকা-পয়সা আনার জন্য সেখানে যাবেন বলে জানান। সেদিন তিনি তার এডভোকেট ফার্মে গেলে পথিমধ্যে ইত্তেফাকের অবাঙালী চীফ একাউন্ট্যান্ট আবদুল হালিমের সঙ্গে দেখা হয়। এই আবদুল হালিম তার বাবাকে জীপে করে নিয়ে কাদের মোল্লার হাতে তুলে দেয়। এরপর কাদের মোল্লা ও তার সহযোগীরা মিরপুর ১০ নম্বরের জল্লাদখানায় আমার পিতাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করে। কাদের মোল্লার সঙ্গে আক্তার গু-াও সেদিন ছিল। তিনি এ হত্যাকা-ের বিচার চান বলে জানান। সাক্ষীর জবান বন্দী শেষ হলে জেরা করেন কাদের মোল্লার আইনজীবী একরামুল হক।
গত ২৪ জুলাই ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দী পেশ করেন কাজী রোজী। এর আগে ২০ জুন আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ওপেনিং স্টেটমেন্ট (সূচনা বক্তব্য) উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। এরপর তার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহম্মেদ খান, শহীদুল হক মামা ও একজন নারী সাক্ষ্য দিয়েছেন। ২৮ মে আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে পৃথক ৬টি ঘটনায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
সাফি উদ্দিন মোল্লা
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় কাদের মোল্লা পাকিস্তানী আর্মিদের সঙ্গে গণহত্যায় অংশ নেন। আলোকদি গ্রামের ৩৬০ থেকে ৩৮০ জন নিরীহ বাঙালী ও ধান কাটার শ্রমিকদের এক লাইনে দাঁড় করিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। এ গণহত্যায় অংশ নেয় কাদের মোল্লাসহ পাকিস্তানী আর্মি এবং বিহারীরা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-তে গুরুত্বপূর্ণ এ সাক্ষ্য দেন সাফি উদ্দিন মোল্লা। তিনি এ ঘটনা নিজ চোখে দেখেছেন। সেদিনের ঘটনায় তার চাচা নবী উল্লাহ নবীও নিহত হন। সাক্ষী বলেন, ১৯৭১ সালে আমি ১৯ বছরের যুবক ছিলাম। মিরপুরে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়তাম। ১৯৭২ সালে সেখান থেকে এসএসসি পাস করি। তিনি বলেন, মিরপুরে ’৭০ সালের নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় গোলাম আযম ও নৌকা প্রতীকে এডভোকেট জহির উদ্দিন নির্বাচন করেন। কাদের মোল্লা তখন ওই এলাকার ইসলামী ছাত্র সংঘের নেতা ছিলেন। তিনি গোলাম আযমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। সেই সময় হতে তিনি আবদুল কাদের মোল্লাকে চিনতেন। তিনি বলেন, ২৫ মার্চে পাক হানাদার বাহিনী তার এলাকায় হত্যাকা- চালায়। তিনি বলেন, ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ সালে আলোকদি গ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার অবতরণ করে। এই হেলিকপ্টার অবতরণ করার পরই ওই গ্রামের লোকজন এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। হেলিকপ্টার থেকেই গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাই। এরপর দেখি অলোকদি গ্রামটিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর আলবদর রাজাকার বাহিনীর লোকেরা ঘিরে ফেলেছে। গ্রামের বহু লোক ধান কাটার পেশায় নিয়োজিত ছিল সেদিন। গ্রামের বহু লোক সেদিন পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও রাজাকারদের হাতে ধরা পড়ে। আলবদরদের হাতে আটক এসব লোকজনদের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জড়ো করা হয়। তারপর তাদের এক লাইনে দাঁড় করানো হয়। ফজরে আযান শুরু হলে কাদের মোল্লাসহ বিহারীরা ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সদস্যরা গুলি চালিয়ে তাদের হত্যা করে। ওইদিন এ হত্যাকা- সকাল ১১টা পর্যন্ত চলে। আমিও সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলাম। একটি গর্তে লুকিয়ে নিজের জীবন বাচাই। সেই গর্ত থেকে দেখি কাদের মোল্লা পাকিস্তানী সেনাদের সঙ্গে কথা বলছে। তারপরই নিরীহ জনগণের ওপর পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও কাদের মোল্লা রাইফেল উঁচিয়ে গুলিবর্ষণ করছে। নিহত হয় ৩৬০ থেকে ৩৮০ জন। আলোকদি গ্রামটি ছিল বঙ্গবন্ধুভক্ত লোকদের বাস। ’৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একতরফাভাবে ভোট পায় সে গ্রাম থেকে। এ কারণই এ গ্রামের লোকদের কাদের মোল্লা ও পাক সেনাদের হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হয়।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
February
(2718)
-
▼
Feb 06
(171)
- বাদ পড়লেন শারলিন চোপড়া
- নাফিজার পালিয়ে বিয়ে!
- ১০ বছর পর কাউন্সিল আজ- কুড়িগ্রাম আ’লীগের গুরুত্বপ...
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন ডাকাতি- নিহত আরেকজনের পরি...
- স্মরণসভায় বক্তারা- সাংবাদিক মুসা ছিলেন অনুকরণীয় ...
- আশুলিয়ায় মানামি ফ্যাশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড- ৭ ঘণ্...
- অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে একটি বড় সমস্যা by এম এ মতিন
- বিশ্ব ক্যান্সার দিবসের ভাবনা by অধ্যাপক ডা: আবু উব...
- নারীর প্রতি সহিংসতার রেকর্ড by মোহাম্মদ বেলায়েত হ...
- আওয়ামী লীগ-সুশীলসমাজ যৌথ প্রকল্প- সহজ কথা by আলফা...
- বাংলাদেশে সেকুলার রাজনীতি ও অর্থনীতি- রাস্তা থেকে ...
- রক্তরাঙা ফেব্রুয়ারী- ভাষা আন্দোলনের প্রথম ছাত্রসম...
- রাজপথে নেমেছে আধা সামরিক বাহিনী বিজিবি
- আপিলের সুযোগ নেই রাষ্ট্রপক্ষের- আসামিপক্ষ আপিল করবে
- হরতালে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো রাজপথে থাকবে
- বিশেষজ্ঞ প্রতিক্রিয়া- ‘রায়ের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্ন...
- ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের উদ্বেগ- আন্তর্জাতিক গণমাধ্...
- রায় প্রত্যাখ্যান জামায়াতের আজো সকাল-সন্ধ্যা হরতাল
- তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে রায়ঃ আইনমন্ত্রী
- কুমিল্লা ও নোয়াখালীতে হরতালবিরোধীদের তাণ্ডবঃ ঢাকা...
- রায়ে সন্তুষ্ট নয় আ’লীগ ও ১৪ দল- আপিলের মাধ্যমে জ...
- ‘সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নের রায়’
- জামিনে মুক্তির পর মির্জা ফখরুল- দেশের মানুষকে আর দ...
- আসামিপক্ষের আইনজীবী টিমের প্রতিক্রিয়া- এ রায়ে বি...
- চট্টগ্রামে বৃষ্টির মতো গুলি
- কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন by হাবিবুর রহমান
- সর্বাত্মক হরতালঃ ব্যাপক সংঘর্ষ- চট্টগ্রামে ৩ জন নি...
- নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা- হয়তো...
- অসাধু চক্র দমনে কঠোর ব্যবস্থা চাই
- প্রতিক্রিয়া-আমরা খুব হতাশ by এ কে এম সফিউল্লাহ
- সাজা ১০৫ বছর খাটতে হবে ২৩ বছর
- পাঁচ অভিযোগ প্রমাণিত
- আল্লাহু আকবার বলেই গালি শুরু
- একদিকে 'বিজয় চিহ্ন' অন্যদিকে হরতালের ডাক
- সরকার-জামায়াত সমঝোতা? by পাভেল হায়দার চৌধুরী
- সংসদে মহাজোট এমপিদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
- হরতালে 'সশস্ত্র' জামায়াত আবার চার হত্যা-চট্টগ্রামে...
- সাড়ে তিন শ খুন ও ধর্ষণের অপরাধে কাদের মোল্লার যাবজ...
- নাসার বেলুনের ওড়ার রেকর্ড
- ছয় জাতির সঙ্গে ইরানের বৈঠক ২৬ ফেব্রুয়ারি
- ছয় মাসের মধ্যে শান্তিচুক্তি করবেন কারজাই-জারদারি
- 'প্রতিটি মেয়ে, শিশু শিক্ষিত হোক'
- ওআইসি সম্মেলন আজ শুরু
- সরকার ও কাচিন বিদ্রোহীরা সংলাপ চালু রাখবে
- ওএসজেআইয়ের প্রতিবেদন-সিআইএর 'অপকর্মে' ৫৪ দেশের সহায়তা
- নেপালে বাঘশুমারি শুরু
- বিশ্লেষকদের মত-যুক্তরাষ্ট্র-তালেবানকে সঙ্গে না নিল...
- দিল্লিতে বাসে গণধর্ষণের মামলার বিচার শুরু-সাক্ষ্যগ...
- পদ্মা সেতু-স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে
- কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন-সাধারণ মানুষের মনে নানা প্...
- একাত্তরের এই দিনে
- পবিত্র কোরআনের আলো-যারা সত্য ও ন্যায়কে বুঝতে চায় ন...
- সমাজ ও রাজনীতি, রাজনীতি ও সমাজ by মেজর (অব.) সুধীর...
- রাজনৈতিক কর্মসূচি আদালতের বিচার্য নয় by ড. ইমতিয়াজ...
- প্রতিক্রিয়া : আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বিতীয় রায়-দেশব...
- চরাচর-একই দিনে গজারিয়ায় ৩৬০ খুন by মোস্তফা হোসেইন
- মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণে বাংলাদেশ কত দূর by কর্নেল ...
- রাজনীতির ভাষা by মাহমুদুর রহমান মান্না
- রাজাকারমুক্ত দেশ গড়ার দায়িত্ব নিতে হবে বর্তমান প্র...
- 'বাল্মীকি প্রতিভা'য় মুগ্ধ দর্শক রবিরশ্মির বসন্তের ...
- বার্মিজ ও ইন্ডিয়ান প্লেটের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ভয়া...
- কৃষি ও আইটি খাত উন্নয়নে ৩শ' কোটির তহবিল অব্যবহৃত- ...
- কৃষি ও আইটি খাত উন্নয়নে ৩শ' কোটির তহবিল অব্যবহৃত- ...
- মার্চেই ট্রাইবু্যনাল ও প্রসিকিউশন গঠন, তদন্তও শুরু...
- আঁধারের বুক চিরে ছিনিয়ে আনতে হবে অধিকার- চতুর্থ মা...
- বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ, টু...
- হিমাগারে আলু রাখতে না পেরে পুলিশের সঙ্গে চাষীদের স...
- হিমাগারে আলু রাখতে না পেরে পুলিশের সঙ্গে চাষীদের স...
- রাবি হল থেকে আবার ছাত্রলীগ কর্মীদের হিটলিস্ট ও জিহ...
- খরা কাটছে- ০ বিদ্যুত খাতে বিনিয়োগ ০- বেসরকারী অংশগ...
- খরা কাটছে- ০ বিদ্যুত খাতে বিনিয়োগ ০- বেসরকারী অংশগ...
- পাহাড়ে আবার বড় ধরনের সহিংস ঘটনার আশঙ্কা- গোয়েন্দা ...
- পরিবহন খাতে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা...
- মোবাইল ফোনে চাঁদাবাজি ঠেকানো যাচ্ছে না যে কারণে- ভ...
- তদন্ত কমিটি সদস্যরা হাত মিলিয়েছে অপরাধীদের সঙ্গে- ...
- টস জিতে শাকিবের ফিল্ডিং নেয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে ...
- অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করা হবে- দ্রব্যমূল্য মনি...
- ভিওআইপি-জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং বাস্তবতা
- সিম বিক্রির ওপর বিধি আরোপ_ পিছিয়ে যাবে ডিজিটাল কর্...
- তারেকের দেশে ফিরতে বাধা নেই, তবে যেতে হবে জেলে- ওয়...
- ভেজাল ও নোংরা খাদ্য বিক্রি বন্ধের দাবিতে বাপার সমাবেশ
- রাজশাহীতে জামায়াত নেতার সঙ্গে মহিলা ভক্তের সাক্ষাত...
- আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় লুট, অগ্নিসংযোগ ভাংচুর- বে...
- হাজার টাকায় 'জরুরী' পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে- শীঘ্রই পর...
- ভারতের সঙ্গে চুক্তি সংসদে উত্থাপনের দাবি মওদুদের
- অগ্নিঝরা মার্চ
- ৬১ বছর ধরে চলছে একটি মামলা॥ বাদী সর্বস্বান্ত by স...
- রিংকি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, বাঁচাতে এগিয়ে আসুন
- অভিমত- মাধ্যমিক স্তরের পরিকল্পিত পাঠদান ॥ কার্যকর ...
- ১৯৭১ ॥ চট্টগ্রাম শহরে প্রতিরোধ যুদ্ধ by সামসুদ্দি...
- স্মরণ- চেতনায় ভাস্বর রাজু by আবু আলী সিনা
- বিএনপি নামে আলাদা কোন রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন আছে কি...
- স্মরণ- চেতনায় ভাস্বর রাজু by আবু আলী সিনা
- বিএনপি নামে আলাদা কোন রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন আছে কি...
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ॥ জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি by ম...
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস by মুহম্মদ জাফর ইকবাল
- রূপনগরের রূপনত্মী by ইব্রাহিম নোমান
- তথ্যপ্রযুক্তিসহ শিল্প খাতে বিনিয়োগ করুন ॥ প্রধানমন...
- বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি
- উন্নয়ন সহায়তা দেবে কাতার, ৩ লাখ টন সার কিনবে বাংলা...
- শিক্ষাঙ্গনে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করতে সরকার বদ...
- ২৬৭ কোটি টাকার ২০ প্রকল্প অনুমোদন- জলবায়ু বদলের ঝু...
- যুদ্ধাপরাধী বিচারের পক্ষে জনঐক্য গড়তে সাংস্কৃতিক অ...
- মহেশখালী সমাজসেবা অফিসে ছাত্রলীগের হামলা ভাংচুর, ক...
- কাপ্তাই হ্রদে পানি কমছে ॥ বিদ্যুত উৎপাদন ঝুঁকিতে- ...
- ঢাকা_চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৭০ কিমিজুড়ে ১২ ঘণ্টা যানজট-...
- কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ১৭ ঘর ছাই, অর্ধকোটি টাকার ক...
- খালেদা জিয়াকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে ॥ by হানিফ
- মুন্সীগঞ্জে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রশিদের ঝুলন্ত লাশ ...
- চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার নেতৃবৃন্দের প্রস্তুতি স...
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. কারেন সিংয়ের সাক্ষাত
- বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ॥ ক্ষতিগ্রস্তরা প্রত্যাশিত অর্...
- এয়াকুব আলীর রিমান্ড নামঞ্জুর ॥ কুমিল্লা জেলে প্রেরণ
- যশোরে বিএনপি অফিসে ছাত্রদল যুবদল সংঘর্ষ ॥ আহত ১৫
- চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল-ইউনাইটেড- তর সইছে না রোনালদোর
- চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল-ইউনাইটেড- তর সইছে না রোনালদোর
- স্টেইন গান
- আজ ওয়েম্বলিতে ব্রাজিল-ইংল্যান্ড
- দুরন্ত রাজশাহীর হ্যাটট্রিক জয়
- রেকর্ড গড়ে শীর্ষে ঢাকা
- সরকারও অখুশি, সংসদে ক্ষোভ
- ১৪ দল বিস্মিত, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম অসন্তুষ্ট, ভ...
- বিশিষ্টজনদের প্রতিক্রিয়া
- রাজধানীতে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ-ভাঙচুর, আজও হরতাল- চট্ট...
- ওজন কমাচ্ছেন কারিনা
- ‘বাংলাদেশি আইডল’-এর নিবন্ধন শুরু
- একজন জাহিদ হাসান ও তিনটি চরিত্র
- মার্চে গর্বের চূড়ান্ত পর্ব
-
▼
Feb 06
(171)
-
▼
February
(2718)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment