রেন্টাল ছাড়া সরকারের হাতে বিকল্প ছিল না by সবুজ ইউনুস ও নাজমুল ইমাম

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম বলেছেন, দ্রুততম সময়ে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে ভাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভর করা ছাড়া সরকারের হাতে বিকল্প ছিল না। ভাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে গিয়ে সরকারকে ব্যাপক ভর্তুকি গুনতে হচ্ছে_ একথা ঠিক। কিন্তু বেসরকারি খাতে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু না হলে দিনে চার ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাওয়া যেত না। ভর্তুকির সমস্যা আগামীতে সমাধান হয়ে যাবে


বলে তিনি মনে করেন। সম্প্রতি সমকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।বর্তমান সরকারের তিন বছর হতে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, কয়লাসহ জ্বালানি
সম্পদ খাতে গত তিন বছরে সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী বীরবিক্রম সমকালের সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করেন। জবাব দেন বিভিন্ন প্রশ্নের।
বিদ্যুতের দাম বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের চেয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি দু'টাকা বেশি। বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। ফলে দাম না বাড়িয়ে উপায় নেই। বাড়তি দাম সহনীয় পর্যায়ে আছে বলে তিনি মনে করেন।
কয়লা সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকার কয়লা তুলতে বর্তমানে আগ্রহী নয়। এদিকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সার্বিক চেষ্টার কথাও তুলে ধরেন তিনি। বিদ্যুতের জন্য জ্বালানি তেল আমদানি করতে গিয়ে বিপিসি বিপাকে পড়েছে একথা স্বীকার করে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির সুফলও কিন্তু এখন সব ক্ষেত্রে পড়তে শুরু করেছে। অর্থনীতিবিদরা ইতিবাচক দিকগুলো দেখতে পারছেন না। বিশ্বের বিকাশমান পরিস্থিতিতে সবকিছুতে ভারসাম্য থাকবে না। ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করতে হবে। সমস্যা এলে তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে মোকাবেলা করতে হবে। বিদ্যুৎ সংকটের উন্নয়ন শুরু হওয়ায় এদেশে আবারও বিদেশি উদ্যোক্তা আসতে শুরু করেছে। বিশেষ করে চীনসহ অনেক দেশের উদ্যোক্তা এদেশের গার্মেন্টস খাতে বিনিয়োগ করতে চাচ্ছে। আগামীতে ঢাকা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম 'গার্মেন্টস হাব' হবে। সমালোচকরা এগুলো বুঝতে চান না।
বিনা টেন্ডারে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ দেওয়া প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেছেন, এজন্য সংসদে আইন পাস করে নেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ করতে এ আইন করতে হয়েছে। ভবিষ্যতে এ নিয়ে কোনো মামলা হলে জেলে যেতে প্রস্তুত আছি।

সাক্ষাৎকারটির বিস্তারিত ছাপা হলো পৃষ্ঠা ৪-এ
 

No comments

Powered by Blogger.