Monday, December 15, 2014
ভারতে আবার সতীদাহ ‘সহমরণ’

ভারতে সতীদাহ নিবারণ আইন
ভারতে বিবাহিত হিন্দু মহিলাদের স্বামীর চিতায় একসঙ্গে জ্বালিয়ে দেওয়ার যে সতীদাহ প্রথা শত শত বছর প্রচলিত ছিল, ব্রিটিশ আমলে তা আইন করে নিষিদ্ধ হয় ১৮২৯ সালে। এরপরও ১৯৮৭-এ স্বাধীন ভারতের রাজস্থানে যখন রূপ কানোয়ার নামে ১৮ বছরের এক তরুণীকে সতী হিসেবে জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনা সামনে আসে, সেই আইন আরো কঠোর করে সতীপ্রথায় উৎসাহ দেয়া, সাহায্য করা বা সতীকে গৌরবান্বিত করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তবে বিহারের সহর্ষ জেলার পারমানিয়া গ্রামে গত শনিবার যে ঘটনাটি ঘটেছে সেখানেও এক মহিলা স্বামীর চিতাতেই পুড়ে মারা গেছেন। তবে পুলিশ দাবি করছে এই ঘটনা সতীদাহ নিবারণ আইনের আওতায় পড়ছে না।
পুলিশের বিবরণ
সহর্ষ জেলার পুলিশ প্রধান পঙ্কজ সিনহা বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, ‘একে কোনোমতেই সতী বলা যাবে না। এখানে যেটা হয়েছে, পারমানিয়া গ্রামের রামচরিত মাহাতো প্রায় বছর দুয়েক ক্যান্সারে ভুগে শনিবার মারা যান।’
‘খবর পেয়ে বিকেলেই তার আত্মীয়স্বজন এসে বাড়ির কাছেই একটি দুর্গামন্দিরের সামনে তাকে দাহ করাতে নিয়ে যান। চিতায় আগুন ধরিয়ে শ্মশানযাত্রীরা এরপর স্নান করতে চলে যান। বাড়ি ফিরে তারা দেখেন মৃতের স্ত্রী গাহওয়া দেবী, যিনি সারা দিন বাড়িতেই ছিলেন, তিনি নেই।’
‘খুঁজতে খুঁজতে তারা বেশ কিছুক্ষণ পর গিয়ে দেখেন স্বামীর চিতাতেই ওই মহিলা ঝাঁপ দিয়েছেন, কিন্তু ততক্ষণে তিনি মারা গেছেন, পুরো দেহটাই প্রায় পুড়ে গেছে।’
পুলিশের এই বর্ণনা অনুসারে গাহওয়া দেবীর মৃত্যু এক ধরনের আত্মহত্যাই, যদিও তা রীতিমতো অস্বাভাবিক।
গ্রামবাসীরা গর্বিত
সহর্ষ-র জেলা সদর থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে পারমানিয়ার বাসিন্দারা কিন্তু এই সহমরণের ঘটনায় রীতিমতো গর্বিত বোধ করছেন, কেউ কেউ তো রাজস্থানে রূপ কানোয়ারের ঘটনার সঙ্গে তুলনা টানতেও দ্বিধা করছেন না।
এক গ্রামবাসী যেমন বলছিলেন, ‘বছর কয়েক আগে রাজস্থানে যে-ঘটনার কথা শুনেছিলাম, আজ আমাদের গ্রামেও সেই একই জিনিস ঘটল। এ থেকে বোঝা যায় ওই দম্পতির মধ্যে কী গভীর প্রেম ছিল।’
উত্তর ভারতের কোনও কোনও জায়গায় চিতায় আগুন ধরিয়েই শ্মশান ত্যাগ করার রেওয়াজ আছে ঠিকই, কিন্তু গ্রামের একটি দুর্গামন্দিরের সামনে সাজানো চিতাতেও এক মহিলার ঝাঁপিয়ে পড়ার ঘটনা কিভাবে গ্রামের সবার নজর এড়িয়ে গেল, এই ধরনের নানা প্রশ্ন কিন্তু এখনও রয়েই যাচ্ছে।
কিন্তু ঘটনাটা যে কিছুতেই সতী নয়, পুলিশ ও প্রশাসন আপাতত সেটা প্রমাণ করতেই ব্যস্ত।
সূত্র : বিবিসি বাংলা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাদক ব্যবসা নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলি : আহত ৫

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ ডলফিনের বসতি by এ কে আজাদ

এদিকে, শেলা নদীতে ডুবে যাওয়া ওই ট্যাংকার ওটি সাউদার্ন স্টার-৭-এর মাস্টার (চালক) মোখলেসুর রহমানের (৫৫) লাশ ময়নাতদন্ত শেষে আজ তার দেশের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মোখলেসুর রহমান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপাশা গ্রামের ইজ্জত আলীর ছেলে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্ধশিক্ষিত লোকের পক্ষে আইনের অনেক ব্যাখ্যা বোঝা সম্ভব নয় : বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী
সোমবার প্রথম আলোতে প্রকাশিত ‘প্রধান বিচারপতি বেছে নেওয়া’ শীর্ষক একটি মতামত কলামের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী আদালত অবমাননার অভিযোগ আনেন। শুনানি শেষে তলবের পাশাপাশি প্রথম আলোর সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুলও জারি করেন আপিল বিভাগ।
আদালতের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেন, মিজানুর রহমান খানের লেখাটি আদালত অবমাননাকর। বাংলাদেশের ইতিহাসে আদালতকে হেয় করে এ ধরনের লেখা আগে কখনো লেখা হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদ মাধ্যমের বিরুদ্ধে একাধিক আদালতের আদেশে সংবাদ মাধমের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হচ্ছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ না। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ দিলে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয় না।
এর আগে অভিযোগ-সম্পর্কিত আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। তিনি শুনানিতে বলেন, খান (মিজানুর রহমান খান) তার পুরো লেখায় আপিল বিভাগের মর্যাদাহানি করেছেন। তিনি বলেছেন, বাইরে থেকে লোক এনে যেন প্রধান বিচারপতি বানানো হয়। তার লেখা পড়ে মনে হয়, যেন ক্যাবিনেট সেক্রেটারি অথবা উত্তরপাড়া থেকে কোনো লোক এনে প্রধান বিচারপতি করা হয়। আপনাদের কারো যোগ্যতা নেই প্রধান বিচারপতি হওয়ার। এ সময় আপিল বিভাগের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, অর্ধশিক্ষিত কোনো লোকের পক্ষে তো আইনের অনেক ব্যাখ্যা বোঝা সম্ভব নয়। রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এ জন্য অর্ধশিক্ষিত থেকে অশিক্ষিত ভালো। কোনো এক জ্ঞানী মনীষী বলেছেন, তোমরা অশিক্ষিতের কাছে যাও কিন্তু অর্ধশিক্ষিতের কাছে যেয়ো না।
রোকন উদ্দিন মাহমুদ কলামের একটি অংশ পড়ে শুনিয়ে বলেন, তিনি লিখেছেন- নিম্ন আদালতের বিচারক অথবা বাইরে থেকে যোগ্য যে কাউকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিতে সংবিধান বাধা নয়। এ উক্তির মাধ্যমে তিনি আদালতের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি লিখেছেন, বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা ও বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার নিয়োগ বিএনপি সরকারের আমলে স্থায়ী হয়। এ লেখার দ্বারা তিনি কি বুঝাতে চেয়েছেন? এ সময় আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি বলেন, এ তথ্য সঠিক নয়। বিচারপতি এস কে সিনহার চাকরিও বিএনপির আমলে স্থায়ী হয়।
ব্যারিস্টার রোকন আরো বলেন, তিনি লিখেছেন- প্রধান বিচারপতি নিয়োগে সংসদ এবং নির্বাহি বিভাগের মতামত নিতে হবে। তিনি নির্বাহি বিভাগের প্রেমে পড়েছে। এ সময় একজন বিচারপতি বলেন, এটা খুবই বিপজ্জনক কথা। রোকন উদ্দিন মাহমুদ এ সময় আদালত অবমাননার রুল ইস্যু এবং প্রথম আলোর সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদককে তলবের আবেদন জানান।
আদালত এ পর্যায়ে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চান। মাহমুদুল ইসলাম বলেন, আদালতের এখতিয়ার কখনো চ্যালেঞ্জ করা যায় না। আপনারা তো তাদের বিরুদ্ধে এখনই কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না, শোকজ করা যেতে পারে। তারা তাদের ব্যাখ্যা দিক।
সিনিয়র আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি বলেন, মিজানুর রহমান খান স্বভাবজাত আদালত অবমাননাকারী। অতীতে তিনি অনেকবার আদালত অবমাননা করেছেন। আপনারা রুল ইস্যু করেন এবং তলব করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম কলামের কিছু অংশ আদালতে উপস্থাপন করে বলেন, তার এ লেখা আদালত অবমানাকর। ১৯৪৭-এর পর আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এভাবে কেউ কোনো লেখা অতীতে কখনো লেখেনি। শুনানি শেষে আদালত আদেশ দেন। এর আগে সকালে ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ মিজানুর রহমান খানের লেখাটি আদালতের নজরে আনেন। আদালত তাকে লিখিত আবেদন দায়েরের পরামর্শ দেন। পরে একজন আইনজীবী এ বিষয়ে লিখিত আবেদন করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুযোগ পেলে আবারও নির্যাতন করব : ডিক চেনি
বুশ প্রশাসন অনুমোদিত কথিত উন্নত জিজ্ঞাসাবাদ কৌশলে পাশবিক নির্যাতন চালালেও তার জন্য অনুতপ্ত নন কেউ। ডিক চেনি বলেন, এখানে কোনো নৈতিক বাধ্যবাধকতা নেই। তিনি বলেন, আমি পুরোপুরি স্বস্তির সঙ্গেই বলছি, তাদের প্রশংসা করা উচিত, তাদের সম্মানিত করা উচিত। আমি সময় পেলেই কাজটি করব।
গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট গোয়েন্দা কমিটি এক প্রতিবেদনে সিআইএর বন্দি নির্যাতনের তথ্য প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, অবিরাম পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করা ছাড়াও যৌন নির্যাতনের হুমকি, পায়ুপথে পানি ঢুকিয়ে, চড় মেরে, ঠাণ্ডার মধ্যে রেখে, হেনস্থা করে এমনকি দিনের পর দিন ঘুমাতে না দিয়ে বন্দিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে নির্যাতন করে তথ্য আদায়ে সিআইএ ব্যর্থ হয়েছে প্রতিবেদনের এ মন্তব্যের অংশ মানতে রাজি নন চেনি। তিনি বলেন, এটা কাজ করেছে। এটা পুরোপুরিই কাজ করেছে। মিট দ্য প্রেসে ওবামার সমালোচনা করে চেনি বলেন, প্রেসিডেন্ট নির্যাতনের নিন্দা করছেন, কিন্তু এর কার্যকারিতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই ওবামার।
সিআইএ প্রধানের পদত্যাগ দাবি, পাশে দাঁড়াচ্ছেন ওবামা : সিআইএর নির্যাতনের বর্বর রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার ব্যাপক চাপের মুখে রয়েছে মার্কিন এই গোয়েন্দা সংস্থাটি। সিআইএর বর্তমান প্রধান জন ব্রেনানের পদত্যাগ দাবি করছেন অনেকেই। ডেমোক্রেটিক দলের কেউ কেউ এ দাবির সঙ্গে একমত জানিয়েছেন। কিন্তু ব্রেনানের পাশে দাঁড়াচ্ছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। যদিও রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রেনান ওবামার সাক্ষাৎ চাইলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সাড়া দেয়া হয়নি। ওবামা ক্ষমতায় আসার পর গত ছয় বছর ধরে সিআইএ প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন ব্রেনান। বিশ্লেষকরা বলছেন, ওবামার সঙ্গে ব্রেনানের যত ঘনিষ্ঠতা, তা আর কোনো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সিআইএ প্রধানের ছিল না।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফাঁসির ১৮ বছর পর আসামি নির্দোষ!
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিডনিতে ১৬ ঘণ্টা পর মুক্ত জিম্মিরা

সোমবার এই অস্ত্রধারী ক্যাফেতে ঢুকে অন্তত ৪০ জনকে জিম্মি করে ইসলামিক পতাকা উড়াতে বাধ্য করেন। এ ঘটনায় জিহাদি হামলার আশংকা সৃষ্টি হয়।
গণমাধ্যমের ফুটেজে জিম্মিদের হাতে আরবি লেখা যে সাদা-কালো ইসলামিক পতাকা দেখা গেছে তাতে মৌলবাদের সঙ্গে এ ঘটনার সম্পর্ক রয়েছে বলে ধারণা ছিল পুলিশের। এএফপি।
প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবোট হামলার ঘটনাকে ‘ভয়ংকর’ উল্লেখ করে বলেছেন, এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে। জানালার সামনে একটি কালো ইসলামী পতাকা প্রদর্শন করা হয়।
জিম্মি হওয়ার ৬ ঘণ্টা পর তিনজনকে ভবন থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। এর ১ ঘণ্টা পর আরও দুজন তাদের অনুসরণ করেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে এক ব্যক্তিকে ব্যাগ নিয়ে ক্যাফেতে ঢুকতে দেখা যাওয়ার পরপরই জিম্মি সংকট সৃষ্টি হয়। খবর পাওয়ামাত্রই পুলিশ এলাকাটি ঘিরে ফেলে। বন্ধ করা হয় যান চলাচল। বন্ধ করে দেয়া হয় সংলগ্ন স্টেশনও। নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য পুলিশের উপ-কমিশনার ক্যাথরিন বার্ন বলেন, ‘আমরা আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছি।’
নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য পুলিশের কমিশনার অ্যান্ড্রু সাইপিয়ন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করতে পারি যে, মার্টিন প্লেস এলাকায় ওই ভবনের ভেতরে জিম্মির ঘটনাকে সন্ত্রাসী ঘটনা হিসেবে এখন পর্যন্ত বিবেচনা করা হচ্ছে না। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান চাই। এ জন্য সবকিছুই করা হবে।’
তিনি বলেন, মার্টিন প্লেসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। তিনি নগরীর অন্য এলাকায় এ ধরনের আরও ঘটনার খবরের গুজব নাকচ করে দেন।
লিন্ডট কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্যাফের ভেতরে অন্তত ১০ কর্মী ও ৩০ ক্রেতা ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফেসবুকে বিবৃতিতে কোম্পানি জানায়, গুরুতর এ ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক।
এর আগে টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যায়, ক্যাফের ভেতরে জানালার সামনে কমপক্ষে তিন ব্যক্তি হাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন। তারা ক্যাফের কর্মী বলে ধারণা করা হয়। তাদের কালো রঙের একটি পতাকা ধরে রাখতে বাধ্য করা হয়। ওই পতাকার মধ্যে সাদা হরফে আরবি লেখা ছিল।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা চান বন্দুকধারী : গণমাধ্যমের ফুটেজে জিম্মিদের হাতে আরবি লেখা যে সাদা-কালো ইসলামিক পতাকা দেখা গেছে তা জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) কিংবা আল কায়দার বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অস্ত্রধারী ব্যক্তিটি ইসলামিক স্টেটের পতাকা উঁচিয়ে নিজেকে আইএস সদস্য দাবি করেছে এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনারও দাবি জানান বলে জানিয়েছে সিনহুয়া বার্তা সংস্থা।
বেলজিয়ামেও জিম্মি সংকট : সিডনির পর বন্দুকধারীদের হাতে জিম্মি আটকের ঘটনা বেলজিয়ামেও ঘটেছে। সোমবার সকালে চার বন্দুকধারী বেলজিয়ামের ঘেন্ট শহরের একটি ফ্ল্যাটে ঢুকে পড়ে। এই নিয়ে শহরজুড়ে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধাক্কা দেয়া জাহাজটি সরকার দলীয় এমপির
সোমবার বিকালে মংলা থানা পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের নারায়ণগঞ্জের বন্দর থেকে মংলা নিয়ে যায়। আটককৃত জাহাজটি নৌবাহিনী পরিচালিত সোনাকান্দা ডকইয়ার্ডে নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে। ওটি সাউদার্ন স্টার-৭ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় জাহাজ কোম্পানির ম্যানেজার গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে মংলা থানায় মামলা করেছেন। মামলা নং ৫ (১২) ১৪।
৯ ডিসেম্বর ভোর ৫টায় সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে এমটি টোটালের ধাক্কায় তেল বোঝাই ওটি সাউদার্ন স্টার-৭ ডুবে যায়। এ সময় এমটি টোটাল পালিয়ে নারায়ণগঞ্জ বন্দরের শীতলক্ষ্যা নদীতে এসে আÍগোপন করে। দীর্ঘ ৪দিন অভিযান চালিয়ে মংলা থানা পুলিশ বন্দরে এসে ঘাতক জাহাজটি আটক করতে সক্ষম হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মঞ্জুর এলাহী জানান, ৯ ডিসেম্বর শ্যালা নদীতে তেলবাহী ওটি সাউদার্ন স্টার-৭ ট্যাংকারটিকে এমটি টোটাল জাহাজ বেপরোয়াভাবে এসে ধাক্কা দেয়। এতে জাহাজের সাইট ফুটা হয়ে নদীতে ডুবে যায়। পরে এমটি টোটাল পালিয়ে বন্দরের শীতলক্ষ্যা নদীতে এসে আত্মগোপন করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর থানা পুলিশের সহায়তায় ঘাতক জাহাজটি আটক করতে সক্ষম হয়েছেন তারা।
এ সময় চট্টগ্রাম সন্দ্বীপের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে জাহাজের মাস্টার মোস্তফা, টাঙ্গাইল ঘাটাইলের আবুল হোসেনের ছেলে সহকারী মাস্টার ফারুক হোসেন, বরিশালের বাকেরগঞ্জ চর আউলিয়ার মৃত আজহার মিয়ার ছেলে সুকানি আক্কাস মৃধা ও ময়মনসিংহের গফরগাঁও খয়েরহাটের সাহেব আলী মৃধার ছেলে সুকানি ইয়ার আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলে তিনি জানান।
বন্দর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা মংলা থানা পুলিশকে সহায়তা করেছি। তারা গ্রেফতারকৃতদের মংলায় নিয়ে গেছে। আর আটককৃত জাহাজটি বর্তমানে আমাদের হেফাজতে নৌবাহিনীর ডকইয়ার্ডে নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে। জাহাজের গায়ে লেখা রয়েছে অফিস নং সি-১৮৫৪, জিআরটি নং ৯৯৮ ও এনআরটি নং ৪৮০।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা আইন আরও পর্যালোচনার নির্দেশ
তিনি জানান, আইনটি আরও পর্যালোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আবার মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে আইনটি রিভাইস করতে হবে। রাষ্ট্রপতি যে পেনশন পান তা ১৯৭৯ সালের একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে সামরিক সরকারের সময়ের প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করতে হবে। সে জন্য এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
বর্তমানে কোন কোন রাষ্ট্রপতি পেনশন পাচ্ছেন- সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির কেউ কেউ পেনশন পাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ পরিবারিক পেনশন পাচ্ছেন, সবাই পাচ্ছেন না। কেউ কেউ আছেন যারা সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে পাচ্ছেন না, কিন্তু আগে যেখানে কাজ করেছেন, সেখান থেকে পাচ্ছেন। তবে বঙ্গবন্ধুর পরিবার পারিবারিক পেনশন পাচ্ছেন না বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পাচ্ছেন।
খসড়ায় অবসর ভাতা বাড়ানোর কোনো বিষয় রয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রাষ্ট্রপতি বেতন-ভাতা একটি আইন দিয়ে হয়, আর এটি হচ্ছে আলাদা আইন। এখানে যারা সাবেক রাষ্ট্রপতি পেনশন, গ্র্যাচুইটি যেসব সুবিধা পান সেগুলো বলা হয়েছে। অবসর ভাতা মূল বেতনের ৭৫ শতাংশ পান, রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা বৃদ্ধি করতে হলে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির আইন পরিবর্তন করতে হবে।
গোলাম রসুলের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব : বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় দেয়া ঢাকার সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাবেক সদস্য কাজী গোলাম রসুলের মৃত্যুতে মন্ত্রিসভায় শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে এখন নাগরিক স্বাধীনতা নেই
সোমবার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো বাণীতে খালেদা জিয়া আরও বলেন, এ অশুভ শক্তির নীলনকশা বাস্তবায়নে রক্তপাতের ওপরই নির্ভর করা হচ্ছে। ওদের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে বিপদমুক্ত করতে স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনায় বলীয়ান হয়ে আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
সেসব বীর শহীদের কথা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন স্বদেশভূমি পেয়েছি। আমি স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। স্বাধীনতার জন্য যেসব মা-বোন সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন- আমি জানাই তাদের সশ্রদ্ধ সালাম।
খালেদা জিয়া বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ডাকে শুরু হওয়া স্বাধীনতা যুদ্ধে ওই বছর ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে দেশের অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ী হয়। তাই ১৬ ডিসেম্বর আমাদের গর্বিত এবং মহিমান্বিত বিজয় দিবস। এ দেশের দামাল ছেলেরা হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ছিনিয়ে এনেছিল স্বাধীনতার সূর্য। আজকের এ মহান দিনে আমি সেসব অকুতোভয় বীর সেনাদের সশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই। তিনি বলেন, শোষণ-বঞ্চনামুক্ত একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে ১৯৭১-এ দেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে আমাদের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়েছে, জনগণের মৌলিক ও মানবিক অধিকার খর্ব হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই এ দেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধার করেছে।
দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অনুরূপ এক বাণীতে প্রবাসী বাংলাদেশীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুন্দরবনের নৌপথ স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি টিআইবির
সোমবার এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে নৌপথ যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে তার চাক্ষুষ প্রমাণ মিলেছে ফার্নেস তেলবাহী ট্যাংকার ডুবে যাওয়ার ঘটনায়। সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে যান্ত্রিক যান চলাচল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও মানদণ্ডের লঙ্ঘন। সুন্দরবনে নৌচলাচলের অনুমোদন দেয়ার ক্ষেত্রে যারা জড়িত ছিল তাদেরই সুন্দরবনের বিপর্যয়ের দায় নিতে হবে। আর সরকার যদি এখনই পদক্ষেপ না নেয় এবং নৌপথ বন্ধ না করে তাহলে সুন্দরবন বিশ্ব এতিহ্যের সম্মান হারাবে তো বটেই, এমনকি শিগগিরই এ বন বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হবে। অন্যদিকে এ ধরনের ব্যর্থতায় সুন্দরবনের পরিবেশ দূষণের দায় সরকারকেই নিতে হবে।
ড. জামান বলেন, সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে জাহাজডুবির কারণে সাড়ে তিন লাখ লিটারের বেশি তেল নদীতে ছড়িয়ে পড়লেও তাৎক্ষণিক করণীয় ঠিক করতে সরকারি সংস্থাগুলোর কোনো প্রস্তুতি ছিল না, এমনকি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এখন পর্যন্ত ব্যর্থতা, দায়িত্বহীনতা, অদক্ষতা ও সমন্বয়হীনতার পরিচয় দিয়েছে।
অন্যদিকে এ জাতীয় দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় জনবল এবং আধুনিক সরঞ্জামের অপ্রতুলতা সরকারের দূরদৃষ্টির অভাবকেই প্রকট করে তুলেছে। তিনি বলেন, দেশবাসীর জোরালো দাবি এবং ইউনেস্কো ও রামসার কনভেনশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার উদ্বেগ সত্ত্বেও সরকার সুন্দরবন রক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়ায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই দেশীয় সমাধানকে প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক কারিগরি সহযোগিতা গ্রহণের পদক্ষেপ নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তেল অপসারণ এবং বনের অভ্যন্তরে নৌপথ বন্ধ করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই শ্বাসমূলীয় বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারকে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাঁচ বছর ধরে উপেক্ষিত হাইকোর্টের রায়
জানতে চাওয়া হলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক যুগান্তরকে বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নিয়েছি এক বছর হল। জেনেছি যে স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ চিহ্নিত ও সংরক্ষণের জন্য একটি রায় আছে। সে জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। সবগুলো কাজে হাত দিয়েছি। বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণের কাজ দু-এক মাসের মধ্যেই শুরু হবে’।
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এ উদ্যানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ঐতিহাসিক বহু স্মৃতিবিজড়িত স্থান। ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এ উদ্যানে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়েছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ উদ্যানেই ভাষণ দিয়েছিলেন।
এ উদ্যানে দাঁড়িয়েই শপথগ্রহণ করেছিলেন ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ হতে জাতীয় ও প্রাদেশিক সংসদে নির্বাচিত সদস্যরা। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে পাকিস্তানি বাহিনীর এ উদ্যানে আত্মসমর্পণ, দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তান থেকে দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ এবং ১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভাষণ এ উদ্যানেই।
কিন্তু উদ্যানের কোন স্থানে এসব ভাষণ ও শপথগ্রহণ হয়েছিল তা আজও চিহ্নিত করা হয়নি। স্থাপন করা হয়নি কোনো স্মৃতিস্মারক বা ফলক। এর ফলে এসব ঐতিহাসিক স্থান সম্পর্কে নতুন প্রজন্ম জানতে পারে না। অবশেষে জনস্বার্থে বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সারা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ সংরক্ষণের দাবিতে সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল কেএম শফিউল্লাহ, ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন এবং পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ এ রিট করেন।
রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৯ সালের ৮ জুলাই হাইকোর্ট সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ওইসব স্মৃতিবিজড়িত স্থানসহ সারা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান, মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর সদস্যদের সমাধিক্ষেত্র, বধ্যভূমি চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। এ আদেশ বাস্তবায়নের জন্য এক বা একাধিক কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেয়া হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর সৈনিকদের সমাধিগুলোকে মানসম্পন্ন ও বিবেচনাপ্রসূত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ সমাধিক্ষেত্র নির্মাণ বা স্মৃতিফলক বা স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন ও সংরক্ষণ করতে রায়ের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়। রায়ের পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হতে বিদ্যমান সব ধরনের স্থাপনা অপসারণ পূর্বক কমিটি কর্তৃক চিহ্নিত স্থানগুলোতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও বিবেচনাপ্রসূত দৃষ্টিনন্দন ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ ও সংরক্ষণ করতে হবে। তবে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পূর্বের কোনো স্থাপনা এবং বিদ্যমান মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত স্মারক, ভাস্কর্য, স্মৃতিফলক বা স্তম্ভ এ আদেশের আওতার বাইরে থাকবে এবং এগুলো ব্যতীত অন্য সব স্থাপনা ব্যতিক্রমহীনভাবে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। কমিটির চিহ্নিত বধ্যভূমিগুলোতে মানসম্পন্ন ও বিবেচনাপ্রসূত সমাধিক্ষেত্র নির্মাণ বা স্মৃতিফলক বা স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন ও সংরক্ষণ করতে হবে। ২০১০ সালের জুলাই মাসে এ রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশিত হয়।
কিন্তু ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) থেকে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে তৈরি করা স্থাপনাসমূহ এখনও অপসারণ করা হয়নি। এছাড়া স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ সংরক্ষণ তো দূরের কথা এখনও স্থানগুলো চিহ্নিতও করা হয়নি। মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর সৈনিকদের সমাধিগুলোকে মানসম্পন্ন ও বিবেচনাপ্রসূত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ সমাধিক্ষেত্র নির্মাণ করা হয়নি। রায়ের প্রায় সবগুলো নির্দেশনাই উপেক্ষিত রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী বলেন, ‘রায়ের কপি এখনও দেখিনি। বুধবার মন্ত্রণালয়ে গিয়ে বিষয়টি দেখব। এছাড়া একাত্তরের পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে স্থাপিত শিশুপার্ক ও পুলিশ ফাঁড়িও অপসারণ করা হবে বলে মন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, পুলিশ থাকবে, তবে তা থাকবে এ উদ্যানের নিরাপত্তার জন্য’।
জানতে চাওয়া হলে রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, বর্তমান সরকারকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার হিসেবে জাতি গণ্য করে। কিন্তু এ সরকারের আমলেও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার রায় উপেক্ষিত থাকছে। সরকার এ রায় বাস্তবায়নে আন্তরিক নয়। আমরা রায় বাস্তবায়নে প্রয়োজনে আদালত অবমাননার মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেব।
হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক ও বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের দেয়া ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, বাদী-বিবাদীপক্ষের বক্তব্য শুনে দেখা যায় যে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়েছে। তিনি জাতির জনক। তার নামেই মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। তার সরকারই এসব পদক প্রদান করেছে। এ পদক প্রদান করে তাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তিনি সব পদকের ঊর্ধ্বে। বরঞ্চ সব সেক্টর কমান্ডারের বীরত্বের পুরস্কার স্বরূপ স্বাধীনতা পদক প্রদান করতে আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
পর্যবেক্ষণে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৯ মাসে বাংলাদেশে যে লাখ লাখ মানুষ শুধু বাঙালি হওয়ার কারণে চরম নির্যাতিত হয়েছে এবং প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিজয় দিবসের প্রাক্কালে ১৫ ডিসেম্বর তারিখটি ‘জাতীয় শোক দিবস’ ঘোষণা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো যাচ্ছে। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যে অংশে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যৌথ বাহিনীর নিকটে আত্মসমর্পণ করেছিল উদ্যানের সেই অংশটি ‘স্বাধীনতা উদ্যান’ নামকরণ করার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু রায়ের এসব পর্যবেক্ষণ এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিল্প ঋণের সুদের হার আরও কমানোর পরামর্শ
একই সঙ্গে বৈঠকে ব্যাংকগুলোকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে খেলাপি ঋণের আদায় বাড়ানো, নবায়ন ও অবলোপন করতে বলা হয়েছে। এজন্য প্রয়োজনে বড় অংকের ঋণ নবায়নের ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালা আংশিক শিথিল করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ডেপুটি গভর্নর আবুল কাসেম, আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান, এসকে সুর চৌধুরীসহ অন্যান্য ঊর্র্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে। তাদের এই ঋণ কমাতে হবে প্রচলিত নিয়ম মেনেই।
ব্যাংকগুলোর এমডিদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) সভাপতি ও ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে খেলাপি ঋণ ও ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যাংকগুলো ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছে।
বৈঠক সূত্র জানায়, আমানত ও ঋণের সুদের হারের ব্যবধান বা স্প্রেড গত চার মাসের ব্যবধানে ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ থেকে কমে ৫ দশমিক ০৯ শতাংশ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এখনও ২০টি ব্যাংকের স্প্রেড ৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে। ব্যাংকগুলোকে এই স্প্রেড চারের কাছাকাছি নামিয়ে আনার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
বৈঠকে গভর্নর প্রশ্ন তুলে বলেন, যেসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ কম সেসব ব্যাংকের স্প্রেড কেন এত বেশি হবে। অতি মুনাফার কারণেই এমনটি হচ্ছে। ব্যাংকগুলোকে অবশ্যই অতি মুনাফার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, ব্যাংকের খরচ বেড়েছে। যে কারণে মুনাফার পরিমাণ বাড়াতে হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে ব্যবসায়িক মন্দার কারণে এখন মুনাফা কম হচ্ছে।
গ্রাহকদের কাছ থেকে মাত্রাতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নেয়ার বিষয়ে গভর্নর বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ আসছে কোনো কোনো ব্যাংক বিভিন্ন সেবার বিপরীতে মাত্রাতিরিক্ত চার্জ বা ফি আদায় করছে। এ ব্যাপারে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন ধরনের সেবার বিপরীতে কি ধরনের ফি, চার্জ বা কমিশন আরোপিত আছে এসবের একটি তালিকা গ্রাহকদের অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট, শাখা ও প্রধান কার্যালয়ের সহজে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। এ সংক্রান্ত হালনাগাদ তালিকা ছয় মাস পরপর বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিলের জন্য নির্দেশনাও রয়েছে। এর আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি তদারকি করছে।
বৈঠকে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে গ্রাহকদের আরও সহজে জানানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে একটি লিঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে। এতে সার্ভিস চার্জের সমুদয় তথ্যগুলো সংযোজন করা হবে।
বৈঠকে বলা হয়, ডিসেম্বরের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণের হার যে কোনোভাবে ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে হবে। এজন্য আদায় বাড়াতে হবে।
এ বিষয়ে ব্যাংকের এমডিদের পক্ষ থেকে খেলাপি ঋণ নবায়নের নীতিমালা শিথিল করার দাবি করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে বিষয়টি নাকচ করে দিয়ে বলা হয়, কিছু ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর বড় অংকের ঋণ নবায়নের ক্ষেত্রে নীতিমালায় কিছুটা ছাড় দেয়া হবে। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। বৈঠকে বলা হয়, এ বছর সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো ইতিবাচক ধারায় থাকলেও ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার প্রতি প্রান্তিকেই সামান্য হারে বেড়ে যাচ্ছে। সেপ্টেম্বরে এসে দাঁড়িয়েছে এই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৬০ শতাংশে। বিষয়টি উদ্বেগজনক।
সভায় কয়েকটি ব্যাংকের এমডি বলেন, এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও বাড়তি ফি আরোপ করার প্রস্তাব করা হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাতে নীতিগত সম্মতি প্রদান করে। ফলে এক্ষেত্রে গ্রাহকদের ওপর আরও ফি আরোপ হবে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একে নমনীয় পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্রলীগ না ওরা ভিসি লীগ
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছাত্র হিসেবে মেধাবী হলেও দু-তিন বছর আগে থেকেই আশা ক্যাম্পাসে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও নিয়োগ-বাণিজ্যে ভিএক্স গ্রুপের অগ্রভাগে থাকায় তার নাম ছড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ পরিণতি হিসেবে চবির সাধারণ ছাত্র তাপস সরকারের মৃত্যুতে আশা গতকাল ক্যাম্পাস ত্যাগ করে।
আশার বন্ধু-বান্ধব ও চবির প্রশাসনিক বিভাগ সূত্র জানায়, আশরাফুজ্জামান আশার বাড়ি রাজশাহী জেলা সদরে। সে রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাস করার পর ২০০৭-০৮ সেশনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগে অনার্সে ভর্তি হয়। ৩.৩০ মার্ক নিয়ে অনার্স পাস করে আশা। বর্তমানে সে মাস্টার্সের রেজাল্টের অপেক্ষায়।
সূত্র জানায়, মূলত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বগিভিত্তিক সংগঠন ছিল চ্যুজ ফ্র্যান্ড উইথ কেয়ার- সিএফসি। এটির মূল নেতা ছিলেন ছাত্রলীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রিয়েল তার জুনিয়র হিসেবে আসেন ব্ল্যাক জুয়েল, অমিত কুমার বসু। ২০০৮ সালের দিকে সিএফসি থেকে বের হয়ে ভার্সিটি এক্সপ্রেস-ভিএক্স নামে নতুন বগিভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলে ব্ল্যাক জুয়েল। তার জুনিয়র হিসেবে এই গ্রুপে যোগ দেন রাকিব-সাকিব। রাকিব-সাকিবই আশরাফুজ্জামান আশা, জালাল রবিনদের ভিএক্স গ্রুপে টানে। এদিকে ২০১১ সালে ঘোষিত চবি ছাত্রলীগের কমিটিতে মামুনুল হককে সভাপতি ও এমএ খালেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট করা হয় সাকিবকে। ১৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ব্ল্যাক জুয়েল ও রাকিবের স্থান না হওয়ায় তারা ঘোষিত কমিটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তাছাড়া দল ক্ষমতায় থাকায় নেতৃত্ব কাজে লাগিয়ে মামুনুল হকের গ্রুপ চবিতে নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডারবাজিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ায় তাদের ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করা হয়। ভিএক্স গ্রুপ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে সরাসরি সিনিয়র রাকিবকে বের করে দিয়ে ভিএক্সের নিয়ন্ত্রণ নেন আশরাফুজ্জামান আশা, জালাল, রবিন রূপনরা। প্রায় তিন বছর ধরে সিএফসি গ্র“প ক্যাম্পাস থেকে এক প্রকার বিতাড়িত থাকে। এরই মধ্যে আশার নেতৃত্বে জালাল, রবিন, রূপনরা পুরো ক্যাম্পাসে রাজত্ব করে। এই চারজনই শাহজালাল হলের তিনতলায় থাকতেন এবং তারা সবাই চবির উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ছাত্র। সূত্র জানায়, আশা সাম্প্রতিক সময়ে তার গ্রুপ নিয়ে ক্যাম্পাসে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। চবির কোটি কোটি টাকার টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, দোকান বাণিজ্য, মাদক বাণিজ্য ও নিয়োগ বাণিজ্য করতে থাকে তারা। সূত্র জানায়, দু’মাস আগে চবির ৬টি দোকানের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে মোটা অংকের টাকা আয় করে আশা। এই টাকায় টিভিএস ব্র্যান্ডের একটি মোটরবাইক কিনে সে। এছাড়া চবির কলাভবন নির্মাণসহ ৪০ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার পান চবি ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা। হাটহাজারীর মদনহাটভিত্তিক চবি ছাত্রলীগের সাবেক ওই নেতার টেন্ডার তদারক করতে থাকেন আশা ও তার সহযোগীরা। চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফও তাদের নানাভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতে থাকেন বলে ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষ গ্রুপ অভিযোগ তোলে। সূত্র জানায়, মূলত এসব কারণে অমিত বসু, সুমন মামুন ও রাকিবরা এক হয়ে পুনরায় ক্যাম্পাসে ঢুকতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। তারা নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরীকে বোঝাতে সক্ষম হন যে, চবি ভিসির প্রশ্রয়ে ছাত্রলীগের নামে ক্যাম্পাসে সব ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি ও সন্ত্রাস করছে আশা-জালাল-রবিন-রূপন গ্র“প। ভিসি ছাত্রলীগের নামে ক্যাম্পাসে শিবির তোষণ করছে। এ পর্যন্ত চবির শিক্ষকসহ বিভিন্ন বিভাগে যেসব নিয়োগ হয়েছে তার অধিকাংশ নিয়োগই পেয়েছে জামায়াত-শিবির। ভিসির আত্মীয়স্বজনও রয়েছেন এই তালিকায়। আশা-জালাল গ্রুপের পরামর্শেও অনেক নিয়োগ হয়েছে। সূত্র জানায়, মূলত এরপর মহিউদ্দিন চৌধুরী অমিত বসু-সুমন মামুনদের নেতৃত্বাধীন সিএফসি গ্রুপকে ২৪ দিন আগে ক্যাম্পাস ও হলে ঢোকানোর ব্যবস্থা করেন। হলে দুই গ্রুপের সহাবস্থানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে মহিউদ্দিন চৌধুরী এ উদ্যোগ নেন। কিন্তু এর এক মাস না পেরোতেই রোববার মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী দুই গ্রুপ রোববার ক্যাম্পাসে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। গুলিতে প্রাণ হারান ছাত্রলীগের একজন সাধারণ কর্মী তাপস সরকার। চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সুমন মামুন গতকাল যুগান্তরকে বলেন, ‘অতীতে পুলিশকে মারধর, টেন্ডার বক্স ছিনতাই, মুরগি চুরি থেকে শুরু করে এমন কোনো অপকর্ম নেই যা আশা-জালাল গ্রুপ করেনি। এজন্য ওই গ্র“পের ৫ কর্মী রুবেল, শুভ, সোহেল, আসিফ ও মেরাজকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ আজীবনের জন্য বহিষ্কার করে। এর মধ্যে রুবেল রোববারের ঘটনার পর পুলিশি অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়।’ তার অভিযোগ ‘এরপরও চবি ভিসি ওই গ্রুপটিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন। যার পরিণতিতে একজন সাধারণ নিরীহ ছাত্রলীগ কর্মী খুন হয়েছে। এদের অপকর্মের দায় ভিসি এড়াতে পারবেন না।’
চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফের বক্তব্য : সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালেয়র ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ যুগান্তরের সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আনীত বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা বলেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরা ভিসির প্রশ্রয় পেয়েছে এবং এরা ‘ভিসি লীগ’ হিসেবে পরিচিত- এমন অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘একজন ভিসি হিসেবে আমি চাই সব সময় ক্যাম্পাস শান্তিপূর্ণ থাকুক। ক্যাম্পাসে বা হলে কে থাকবে কে থাকবে না তা রাজনৈতিক দলের বিবেচনার বিষয়। কখনও এই গ্রুপ শক্তিশালী, হয়তো কখনও অন্য গ্র“প। কিন্তু ক্যাম্পাসে রোববার যেভাবে অস্ত্রের মহড়া হয়েছে, একজন ছাত্র নিহত হয়েছে সেটা তো কারও কাম্য ছিল না। বরং ক্যাম্পাসে সহিংসতা হলে, সংঘর্ষ হলে ভিসিকে, প্রক্টরিয়াল বডিকে তা সামাল দিতে হয়। পুলিশ ডাকতে হয়। তাই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে প্রশ্রয় দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। গতকাল যুগান্তরে ভিসির পেছনে দাঁড়ানো অবস্থায় তাপসের হত্যাকারী হিসেবে আশার গোল চিহ্নিত যে ছবি ছাপানো হয়েছে তা নিয়েও খানিকটা উষ্মা প্রকাশ করেন ভিসি আনোয়ারুল আজিম আরিফ। তিনি বলেন, ‘আমার পেছনে কখন কে বা কারা দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে, সে সন্ত্রাসী না ভালো ছাত্র তা আমার জানার কথা নয়। আমার অগোচরেই হয়তো এমন ছবি তোলা হয়েছে। একজন ভিসি হিসেবে আমার সেই ছবিটি ছাপানো ঠিক হয়নি।’
মঞ্জু-এরশাদের বক্তব্য : হাটহাজারীর মদনহাটভিত্তিক ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মঞ্জু-এরশাদের অনুসারী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আশরাফুজ্জামান আশা- দৈনিক যুগান্তরে রোববার প্রকাশিত এমন সংবাদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন চবি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন। লিখিতভাবে যুগান্তরে প্রদত্ত এক ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আমার গ্রামের বাড়ি হওয়ায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা অনেক সময় আমার কাছে বিভিন্ন পরামর্শ নিতে আসেন। প্রকৃতপক্ষে আমি কোনো গ্র“পের নেতৃত্ব দিই না।’
হল থেকে অস্ত্র উদ্ধার-মামলা : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত শাহজালাল হল থেকে দুটি পিস্তলসহ বিপুল অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। রোববার রাতে হাটহাজারী থানায় এ মামলা করা হয়। মামলায় ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির উপ-সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশা ও ছাত্রলীগ ক্যাডার রুবেল দেসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। হাটহাজারী থানার ওসি মো. ঈসমাইল মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ে শাহজালাল হলে দফায় দফায় তল্লাশি চালিয়ে ২টি পিস্তল, ৬ রাউন্ড গুলি, ২০টি রামদা এবং অন্তত ২০টি লোহার রড ও চাপাতি উদ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে শাহজালাল হল থেকে আটক ২৪ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে সোমবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। পরে কোনো রিমান্ডের আবেদন না করায় তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম কোর্ট ইন্সপেক্টর অনু মং মারমা।
চবিতে যুগান্তরের ফটোকপি বিক্রি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গতকাল দৈনিক যুগান্তরের ফটোকপি বিক্রি হয়েছে। বিশেষ করে চবি ছাত্র তাপস সরকারের হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত ছাত্রলীগ ক্যাডার আশরাফুজ্জামান আশার সঙ্গে চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফের ছবি প্রথম পৃষ্ঠায় ফলাও করে প্রকাশ এবং আশাকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার কারণে এই নিউজ ও ছবির প্রতি ছিল চবির সাধারণ ছাত্র এবং পাঠকদের কৌতূহল। শাটল ট্রেনে ও চবির নির্ধারিত স্টলে যুগান্তরের সব কপি শেষ হয়ে যাওয়ায় ফটোকপি বিক্রি হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিবর্ণ হতে শুরু করেছে সুন্দরবন
বাগেরহাট : দূর থেকে দেখে মনে হয় কারা যেন আলকাতরা প্রলেপ দিয়ে রেখেছে সারিবদ্ধ গাছগুলোতে। খুব কাছে গিয়ে দেখলে ফার্নেস অয়েলের প্রভাব কতটা নৈসর্গিক বনের ওপর প্রভাব ফেলেছে তা পরিষ্কার হয়ে ওঠে। গত ৬ দিনে জোয়ার-ভাটায় নদীর তেল অনেকটা ভেসে গেলেও ক্ষত রেখে গেছে বনের সবুজ গাছে। নদীর ঘোলা পানিতে দেখা মিলছে না লোনা ভেসে বেড়ানো অসংখ্য পোনা মাছের ঝাঁক। জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা ফার্নেস অয়েলের আবরণে ঢাকা পড়েছে বৃক্ষরাজির শ্বাসমূল। ইতিমধ্যেই অসংখ্য গাছের পাতা কুঁকড়ে এসেছে। বিবর্ণরূপ নিতে শুরু করেছে শ্যালা নদী তীরের বৃক্ষরাজি।
এ ব্যাপারে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন চৌধুরী জানান, নদী-খালে ভেসে যাওয়া তেল গাছের নিচের অংশ ও শ্বাসমূলে জড়িয়ে যাওয়ায় এরই মধ্যে বিবর্ণ হয়ে পড়তে শুরু করেছে গাছপালা। গাছের পাতা আস্তে আস্তে হলুদ হতে চলেছে। গাছের গায়ে লেগে থাকা তেল শুকিয়ে তা এখন আলকাতরার মতো হয়ে আছে। এই তেল এখন আর অপসারণ করা সম্ভব নয়। এছাড়া নদীর চরের তেল অপসারণ করতে মাটি কাটা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মংলার আহ্বায়ক মো. নূর আলম বলেন, নদীর ঘোলাপানিতে যে অসংখ্য পোনা ভেসে বেড়ায় তার দেখা নেই, জলজপ্রাণীর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে যা দৃশ্যমান নয়। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, তেল অপসারণে এখন যা হচ্ছে তা দেখে মনে হচ্ছে এটি আইওয়াশ। বনের এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে যে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন তা করা হচ্ছে না। অগণিত গাছের শ্বাসমূল তেলে আবৃত হয়ে আছে, যা অপসারণের জন্য ফোম, কর্মীদের গ্লাভস সরবরাহসহ অসংখ্য মানুষকে এ কাজে নিয়োজিত করা প্রয়োজন তার কিছুই হচ্ছে না।
তিনি জানান, বনের বৃক্ষরাজির শ্বাসমূলসহ বিভিন্নস্থানে যে পরিমাণ তেল লেগে আছে তা দ্রুত অপসারণ করা না গেলে বনের ইকোসিস্টেম ভেঙে পড়বে। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের অন্তর্গত শ্যালা নদীতে দীর্ঘক্ষণ ঘুরেও দেখা মেলেনি কোনো মাছ বা জলজপ্রাণীর। নদী তীরে দেখা যায়নি হরিণ বা অন্য প্রাণী। শ্যালা নদীর দুই তীরে সবুজ বনে এখন কেবলই তেলের ছোপ ছোপ কালো দাগ। এসব এলাকার নদী-খালগুলোর দুই পাড়ের গাছের পাতা ও শ্বাসমূল এখনও ঢেকে আছে কালো তেলের আবরণে।
বাড়ল বনবিভাগ গঠিত তদন্ত কমিটির সময়সীমা : ঘটনার পর বনবিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন চৌধুরী। গত ১৩ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা থাকলেও এর মেয়াদ বাড়িয়ে ২০ ডিসেম্বর করা হয়েছে।
বাড়ানো হয়েছে নৌকার সংখ্যা, কর্মীদের দেয়া হল গ্লাভস : দুর্ঘটনার শিকার সুন্দরবনের নদী-খাল থেকে তেল অপসারণের জন্য শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি চলছে আরও নতুন নৌকা বাড়ানোর প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে তেল অপসারণে সুন্দরবনে ৫শ নৌকা বাড়ানোর জন্য প্রধান বন সংরক্ষকের নির্দেশ পেয়েছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা। শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি স্প্রের মাধ্যমে শুরু হয়েছে শ্বাসমূলের তেল বের করার কাজ।
এছাড়া নদী ও খালে ভেসে বেড়াতে তেল অপসারণের জন্য শরণখোলা থেকে দুটি ট্রলারে করে কচুরিপানা আনা হবে। এ কচুরিপানা খালের তীরে ফেলা হবে নদীতে ভেসে থাকা তেল অপসারণের জন্য।
এদিকে সুন্দরবনের শ্যালা নদী থেকে তেল দ্রুত অপসারণ করে বন ও জীববৈচিত্র্যকে রক্ষাসহ সব প্রকার নৌযান বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাগেরহাট শহরবাসী। সোমবার সকাল ৯টায় বাগেরহাট ট্যুরিস্ট ক্লাব ও সুন্দরবন রিসোর্টের যৌথ উদ্যোগে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
খুলনা ব্যুরো : খুলনা বিভাগীয় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন মালিক গ্রুপ জয়মনি-শ্যালা নৌরুটে নৌযান চলাচলের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, রামপাল-মংলা-ঘষিয়াখালি নদীর নাব্য হ্রাসের ফলে ওই রুটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৭ বছর ধরে মংলা থেকে ৬০ কিলোমিটার ঘুরে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে জয়মনি-বগিনালা-শ্যালা নৌরুটে নৌযান চলাচল করে আসছে। কিন্তু কোনো এক অশুভ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মংলাবন্দরকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। সোমবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মংলা বন্দর ব্যবহারকারী সমন্বয় কমিটির মহাসচিব মো. সাইফুল ইসলাম।
এদিকে সুন্দরবনের জীবন বাঁচাতে আমাদের করণীয় শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক সোমবার খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বক্তারা সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে সব ধরনের নৌ-চলাচল বন্ধ করার আহ্বান জানান। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা), জনউদ্যোগ, বারসিক ও ক্লিনের অয়োজিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন খুলনার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা। সঞ্চালনা করেন বিভাগীয় প্রেস ক্লাব ফেডারেশনের সভাপতি লিয়াকত আলী।
এছাড়া মানবসৃষ্ট দুর্যোগের হাত থেকে সুন্দরবনকে রক্ষার জন্য সুন্দরবন বাঁচাও আন্দোলন সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। খুলনা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তালিকা চূড়ান্ত হল না আজও
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, যখনই নতুন তালিকা করা হয়েছে, তখনই দেখা গেছে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বেড়েছে। আর আগের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাম। এসব তালিকায় সর্বনিু মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৭০ হাজার ৮৯৬ জন, সর্বোচ্চ দুই লাখেরও বেশি। আর ষষ্ঠ তালিকা তৈরির কাজে হাত দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এজন্য সরকারের কাছে সাড়ে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। ইতিমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেতে এক লাখ ৩৩ হাজার ব্যক্তি আবেদন করেছেন। জামুকায় অনলাইন বা সরাসরি আবেদন জমা দিয়েছেন তারা। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করতে দেশের প্রতি উপজেলায় জানুয়ারি মাসেই কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা সুস্পষ্টভাবে জানাতে পারেনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্টরা। মূলত রাজনৈতিক কারণেই মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে বছরের পর বছর টালবাহানা চলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ষষ্ঠ তালিকা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও জামুকার চেয়ারম্যান আকম মোজাম্মেল হক সোমবার যুগান্তরকে বলেন, আবেদন যাচাই-বাছাই করতে শিগগিরই উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হবে। জানুয়ারিতে কমিটি কাজ শুরু করলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই শেষ হবে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে গেজেট জারি করবে মন্ত্রণালয়।
তিনি জানান, বর্তমানে গেজেটভুক্ত দুই লাখ ১২ হাজার মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। এদের মধ্যে সরকারি ভাতা পাচ্ছেন এক লাখ ৯২ হাজারের কিছু বেশি। বাকিদের নানা জটিলতা রয়েছে। এর আগে মুক্তিযোদ্ধাদের পাঁচটি তালিকা রয়েছে। তারপরও কেন নতুন তালিকা করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ওইসব তালিকায় ভুয়া অনেক মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে বলে আপনারাই পত্রপত্রিকায় লেখেন। যে কোনো অনুষ্ঠানে গেলেই প্রায় সবাই এ বিষয়ে অভিযোগ করেন। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ যে, নতুন তালিকা না করে উপায় নেই। এ কারণেই মূলত নতুনভাবে যাচাই-বাছাই কমিটি করে তালিকা করা হচ্ছে।
নতুন এক লাখ ৩৩ হাজার আবেদনের প্রসঙ্গে আকম মোজাম্মেল হক বলেন, এদের বেশির ভাগই নতুন। তবে কিছু পুরাতন মুক্তিযোদ্ধাও থাকতে পারে। আগের গেজেটে ভুল থাকার কারণেও অনেকে আবেদন করেছেন। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বর্তমানে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার তালিকার মধ্যে রয়েছে- মুক্তিবার্তা লালবইয়ে এক লাখ ৫৪ হাজার, বিএনপি-জামায়াত জোটের আমলে ৪৪ হাজার এবং মহাজোট সরকারের সময় ১১ হাজার। এর মধ্যে নানা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিন হাজার নামের গেজেট ও সনদ বাতিল করা হয়েছে। আর প্রায় ৬০ হাজারের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। যাচাই-বাছাই কমিটি মূলত জোট সরকারের আমলের ৪৪ হাজার, অভিযুক্ত ৬০ হাজার এবং নতুনভাবে আবেদনকৃত এক লাখ ৩৩ হাজার আবেদনের ওপর কাজ করবে। এছাড়াও মুক্তিবার্তা লালবইয়ের তালিকায় থাকা কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এই কমিটি।
একাধিক তালিকার কারণেই কি অমুক্তিযোদ্ধাদের কেউ কেউ বিগত সরকারের সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে মুক্তিযোদ্ধা সেজেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি হননি মন্ত্রী। যারা মুক্তিযোদ্ধা সেজে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন এবং পরে ধরা পড়েছেন এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবেন কিনা জানতে চাইলেও মন্ত্রী ছিলেন নীরব। তবে তিনি বলেন, ভারতীয় তালিকায় এবং মুক্তিবার্তা লালবইয়ে যাদের নাম রয়েছে তাদেরই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য করার নির্দেশনা দেয়া হবে যাচাই-বাছাই কমিটিকে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের পর সেক্টর কমান্ডার ও সাবসেক্টর কমান্ডারদের বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধে নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৮০০ এবং অনিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১০ হাজার। অর্থাৎ মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮০০ জন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর বিলুপ্তির পর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রশিক্ষণ ও রেকর্ড সংরক্ষণ প্রতিষ্ঠান ইবিআরসিতে স্থানান্তরিত দলিলে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৭০ হাজার ৮৯৬ জন। এক্ষেত্রে আগের তালিকার বাকি মুক্তিযোদ্ধার হদিস পাওয়া যায়নি। এটিই পরবর্তীকালে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে সংরক্ষিত রয়েছে। যেটি ভারতীয় তালিকা নামে পরিচিত।
এর আগে ১৯৭৮ সালের পর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা তৈরির কাজে হাত দেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তৎকালীন সেনাপ্রধান এইচএম এরশাদকে এ দায়িত্ব দেন তিনি। ওই তালিকায় ১৯৮৬ সালে এরশাদের শাসনামলে জাতীয় তালিকা নামে প্রকাশ করা হয়। যার সংখ্যা ছিল এক লাখ দুই হাজার ৪৫৮। তবে এ তালিকা গেজেট হিসেবে প্রকাশিত হয়নি। ১৯৯৪ সালে বিএনপির শাসনামলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদেও ভোটার-সূচক তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হন ৮৬ হাজার।
আওয়ামী লীগের আমলে (১৯৯৬-২০০১) মুক্তিবার্তায় প্রকাশিত হয় এক লাখ ৮২ হাজার মুক্তিযোদ্ধার নাম। সেখান থেকে ১৯৯৮ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তৎকালীন ডিজি মমিনউল্লাহ পাটোয়ারির নেতৃত্বে জেলা ও উপজেলা কমান্ডারদেও নেতৃত্বে গঠিত যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে তৈরি করা তালিকাটি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলে সংরক্ষণ করা হয়। এটিই এখন লালবই নামে পরিচিত। এতে ১ লাখ ৫৪ হাজার মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে। ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গঠন করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সে সময়ে আগের নীতি বাদ দিয়ে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির সুপারিশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে বাদ রেখে ইউএনও ও ডিসিদের নিয়ে উপজেলা ও জেলা যাচাই-বাছাই কমিটি করা হয়। আগের যে কোনো দুটি তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদেরই সুপারিশ করে কমিটি। তাদের সুপারিশের ব্যক্তিরাই মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যান। এভাবে ২০০৩ ও ২০০৪ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার দুটি গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর একটি ছিল বিশেষ গেজেট; যেখানে সামরিক বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ৩৯ হাজার এবং অপর গেজেটে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৯ হাজার। দুটি মিলে তখন মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৯৮ হাজার জনে। অর্থাৎ জোট সরকারের সময় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৪ হাজার, যা ২০০৯ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভুয়া বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। অবশ্য মহাজোট সরকারও ক্ষমতায় এসে বিএনপির নীতিমালা মেনে ১১ হাজার ৫০০ জনকে মুক্তিযোদ্ধার সনদ দেয়। ফলে বর্তমানে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দুই লাখ ৯ হাজার ৫০০ জনে দাঁড়িয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন তালিকা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার লে. ক. (অব.) মো. আবু ওসমান চৌধুরী রোববার রাতে যুগান্তরকে বলেন, আমার মতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা এক লাখ ২৫ হাজারের বেশি হওয়ার কথা নয়। যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছে। তবে যারা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা তাদের তালিকা করলে কোটি ছাড়িয়ে যাবে। কারণ গুটিকয়েক রাজাকার-আলবদর ছাড়া সবাই মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছে। যারা তালিকা তৈরি করেছে তাদের উদ্দেশ্য সৎ ছিল না।
প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান ও বাংলাদেশ সেক্টর কমান্ডার ফোরামের সাবেক মহাসচিব লে. জে. (অব.) হারুন অর রশীদ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা যায়নি রাজনৈতিক কারণে। কারণ যারাই তালিকা করেছেন তারাই কোনো এজেন্ডা নিয়ে করেছেন। তাদের উদ্দেশ্য মোটেও সৎ ছিল না। বর্তমানেও যারা তালিকা করার উদ্যোগ নিয়েছে তাদের যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকে তাহলে ফলাফল আগের মতোই হবে।
জামুকা সূত্র জানায়, বর্তমানে সরকারি গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দুই লাখ সাড়ে ৯ হাজার। গেজেটের বাইরে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয় জামুকা। অনলাইন ও সরাসরি আবেদন জমা দেয়ার সুযোগ রাখা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সারা দেশের এক লাখ ৩৩ হাজার ১৭০টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে অনলাইনে এক লাখ ২৩ হাজার ১৭০টি আবেদন জমা পড়েছে। বাকি ১০ হাজার আবেদন হার্ডকপি (কাগুজে আবেদন) জমা পড়েছে সরাসরি। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে দেশে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
জানতে চাইলে জামুকার মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব শ্যামাপদ দে রোববার যুগান্তরকে বলেন, আমরা মুক্তিবার্তা লালবই, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে সংরক্ষিত ভারতীয় তালিকা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিস্বাক্ষরিত সনদ দেখে তালিকা চূড়ান্ত করব। যারা এসব ক্যাটাগরির ভেতর না পড়বে তাদের গেজেট ও সনদ বাতিল করা হবে। আগামী মার্চের মধ্যে তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিসরে ৪৩৮ জন সামরিক বিচারের সম্মুখীন
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হালে পানি পেল মার্কিন সরকার
বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হলেও জাপান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করছে। গত মাসে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন আবে। অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে নতুন করে জনসমর্থন যাচাইয়ের জন্য এ নির্বাচন দিয়েছেন তিনি। আবের নীতি অ্যাবেনোমিকস নামে পরিচিত। আবে জোর দিয়ে বলেন, তার নীতির ফলে জাপান আগের অবস্থানে ফিরবে। আবে ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আমার নীতির ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বেতন বাড়বে। জাপান আরও অনেক ধনী দেশে পরিণত হবে। পূর্বের জনমত জরিপগুলোতে দেখা গেছে, আবের জোট ৪৭৫টি আসনের মধ্যে ৩০০র বেশি আসন পাবে। ফলে নিুকক্ষে বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে তার দল। আবের বর্তমান পার্লামেন্টের মেয়াদ ছিল ২০১৬ সাল পর্যন্ত। তবে দুই বছরের বেশি সময় আগে তিনি আগাম নির্বাচনের আয়োজন করেছেন। আগেভাগে নির্বাচন করার অন্যতম লক্ষ্য জনপ্রিয়তায় ঘাটতি রোধ করা। নিম্নকক্ষের এদিনের নির্বাচনে মোট ১ হাজার ১৯১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এএফপি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবার ক্ষমতায় আসছেন আবে
বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হলেও জাপান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করছে।
গত মাসে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন আবে। অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে নতুন করে জনসমর্থন যাচাইয়ের জন্য এ নির্বাচন দিয়েছেন তিনি। আবের নীতি অ্যাবেনোমিকস নামে পরিচিত। আবে জোর দিয়ে বলেন, তার নীতির ফলে জাপান আগের অবস্থানে ফিরবে। আবে ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আমার নীতির ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বেতন বাড়বে। জাপান আরও অনেক ধনী দেশে পরিণত হবে।
পূর্বের জনমত জরিপগুলোতে দেখা গেছে, আবের জোট ৪৭৫টি আসনের মধ্যে ৩০০র বেশি আসন পাবে। ফলে নিুকক্ষে বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে তার দল।
আবের বর্তমান পার্লামেন্টের মেয়াদ ছিল ২০১৬ সাল পর্যন্ত। তবে দুই বছরের বেশি সময় আগে তিনি আগাম নির্বাচনের আয়োজন করেছেন। আগেভাগে নির্বাচন করার অন্যতম লক্ষ্য জনপ্রিয়তায় ঘাটতি রোধ করা।
নিম্নকক্ষের এদিনের নির্বাচনে মোট ১ হাজার ১৯১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এএফপি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাজার বছর বসে আছে

এই মমি করা কংকাল উদ্ধারের শেষ নজির ৫০ বছর বয়সী নারী, যাকে সমাধিতে বসিয়ে রাখা হয়। মমিটি আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সের লিউতে প্রদর্শন করা হবে। তবে মমিটি হুবহু সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। ডেইলি মেইল।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানবাধিকার আদায়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ

‘বিচার নাই, শান্তি নাই’, ‘বর্ণবাদী পুলিশ চাই না’, ‘হাত তোল, গুলি করো না’ ইত্যাদি স্লোগানের পাশাপাশি ‘কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনও মর্যাদাপূর্ণ’, ‘সব মানুষকে সমমর্যাদায় সৃষ্টি করা হয়েছে’ ইত্যাদি স্লোগান লেখা প্লাকার্ড উঁচু করে ধরে রাখেন তারা। এ সময় অনেকেই বলতে থাকেন, পুলিশ সদস্যরা বর্ণবাদী। তাদের শাস্তি দিতে হবে। প্রেসিডেন্ট ওবামাও এ ব্যাপারে নীরব ভূমিকা পালন করছেন। এটি আমরা মেনে নেব না। সমাবেশে মিসৌরির ফার্গুসনে পুলিশের গুলিতে নিহত মাইকেল ব্রাউনের মা লেসলেই ম্যাকস্প্যাডেন, নিউইয়র্কে গ্রেফতারকালে পুলিশের হাতে নিহত এরিক গার্নারের সন্তানসহ পুলিশের গুলিতে নিহত আরও অন্তত ১২ জনের মা, বাবা, স্ত্রী, সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাউনের মা লেসলেই সমবেত জনতার উদ্দেশে বলেন, সমাবেশ জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছে। যদি তারা এটি না দেখে এবং যুক্তরাষ্ট্রের আইন পরিবর্তন না করে তাহলে আমরা জানি না ভবিষ্যতে আমাদের কি করত হবে। আমাদের সমর্থন করায় আপনাদের ধন্যবাদ।’ অবিলম্বে কৃষ্ণাঙ্গদের হত্যার দায়ে পুলিশ অফিসারদের অভিযুক্ত করার বিষয়ে কংগ্রেসে একটি শুনানির জন্য ক্যাপিটল হিলের এ সমাবেশ থেকে দাবি জানানো হয়। ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন নেটওয়ার্ক’র প্রধান শার্পটন সমাবেশ পরিচালনা করেন। সমাবেশে দেয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার চাই। কৃষ্ণাঙ্গসহ সব সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা দীর্ঘদিন থেকেই উপেক্ষিত। সর্বশেষ মাইকেল ব্রাউন এবং এরিক গার্নারের হত্যাকারী পুলিশ অফিসারদের অভিযুক্ত না করে সংখ্যালঘু আমেরিকানদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির প্রত্যাশাকে চূর্ণবিচূর্ণ করা হয়েছে।’
‘এ অবস্থা চলতে দেয়া যায় না। এ অবস্থায় সামাজিক ভারসাম্য বিপন্ন হতে বাধ্য। যুক্তরাষে।ট্রর সংবিধান সব নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিতের কথা বলেছে। বর্ণ,-জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবার সমঅধিকার নিশ্চিতের গ্যারান্টি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান’, বলেন তিনি। এ সমাবেশের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি ধর্মীয় ও অভিবাসন নিয়ে কাজ করা সংগঠন। তারাও এসব বিক্ষোভে অংশ নেন। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শ্বেতাঙ্গ শিক্ষার্থীর সরব উপস্থিতি সমাবেশে অংশগ্রহণকারী সবাইকে অভিভূত করেছে।
সমাবেশ শেষে কিছু বিক্ষোভকারী ওয়াশিংটনের ডাউন টাউনে গিয়ে অল্প সময়ের জন্য কয়েকটি রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়, জানিয়েছে পুলিশ। মিসৌরিতে ৪০ থেকে ৫০ হাজার বিক্ষোভকারী এবং নিউইয়র্কে ২০ থেকে ৩০ হাজার বিক্ষোভাকারী প্রতিবাদে অংশ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পর্যবেক্ষকরা। এসময় তার উচ্চস্বরে স্লোগান দেন, ‘আমরা নিউইয়র্ক অচল করে দেব। কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনের মূল্য আছে। এটা আর চলতে দেয়া যায় না।’ বিক্ষোভে অংশ নেয়া কমিউনিটি নেতা মার্টিন বায়েজ বলছিলেন, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষরা সমঅধিকারের দাবিতে এখানে সমবেত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের জন্য সমান গণতন্ত্র এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে লড়াই করছি। বেআইনিভাবে সিগারেট বিক্রির অপরাধে কাউকে হত্যা করা যায়, আপনি বলুন?’ ‘যতক্ষণ পরিস্থিতি না বদলাবে, যতক্ষণ সরকার আমাদের স্বাধীনতাকে সম্মান না দেখাবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’ এএফপি, বিবিসি, ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউইয়র্ক টাইমস।
পুলিশ সদস্যরা বর্ণবাদী। তাদের শাস্তি দিতে হবে। প্রেসিডেন্ট ওবামা এ ব্যাপারে নীরব ভূমিকা পালন করছেন। তুমি কার নিরাপত্তা দিচ্ছ? কার সেবা দিচ্ছ? এটি আমরা মেনে নেব না
ওয়াশিংটনে ১০ হাজারের বেশি
বিচার নাই- শান্তি চাই, হাত তোল- গুলি করো না স্লোগানের পাশাপাশি সব মানুষকে সমমর্যদায় সৃষ্টি করা হয়েছে- লেখা প্লাকার্ড উঁচু করে ধরে রাখেন তারা
নিউইয়র্কে ২০-৩০ হাজার
আমরা নিউইয়র্ক অচল করে দেব। কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনের মূল্য আছে। বেআইনিভাবে সিগারেট বিক্রির অপরাধে কাউকে হত্যা করা যায়, আপনি বলুন?
মিসৌরিতে ৪০-৫০ হাজার
সমাবেশ জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছে। যদি তারা এটা না দেখে এবং যুক্তরাষ্ট্রের আইন পরিবর্তন না করে, তাহলে আমরা জানি না ভবিষ্যতে আমাদের কি করতে হবে।
সবার জন্য ন্যায়বিচার
আমরা ন্যায়বিচার চাই। কৃষ্ণাঙ্গসহ সব সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা দীর্ঘদিন থেকেই উপেক্ষিত। পুলিশ অফিসারদের অভিযুক্ত না করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশাকে চূর্ণবিচূর্ণ করা হয়েছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাউদকান্দিতে বালুবাহী শিপে চাঁদা না পেয়ে গুলি : নিহত ১ আহত ৬
নিহত মো. ইসহাক মিয়া (৬০) উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের প্রয়াত লাল মিয়ার ছেলে। শিপের মালিক রতন মিয়া (৩৪) ও আবুল কালামসহ (৩৫) গুলিবিদ্ধ ৬ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, একটি সন্ত্রাসী গ্র“প দীর্ঘদিন ধরে গোমতী নদীতে বালুবাহী শিপ থেকে চাঁদাবাজি করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় কৃষ্ণপুর গ্রামের ড্রেজারের মালিক মো. ইছাহাক মিয়ার কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকার জন্য সন্ত্রাসী গ্রুপ ড্রেজার মেশিনের কাছে গেলে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এ সময় ইছাহাক খিড়া ক্ষেতে কাজ করছিলেন। গুলিবিদ্ধ ইছাহাক মিয়াকে গৌরীপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ অন্যদের অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় পাঠানো হয়।
থানার সেকেন্ড অফিসার উপপরিদর্শক রঞ্জন কুমার জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বর্তমানে ঋণ নিয়ে খুব কম উদ্যোক্তাই শিল্প গড়তে পারে
বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. এমএ সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল (লোটাস কামাল)। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাবলিক অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক অর্থনীতি সম্পাদক জাহিদুজ্জামান ফারুক এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সদস্য আরিফ খান প্রমুখ।
লোটাস কামাল বলেন, দেশে সুদের হার অত্যন্ত বেশি। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে সুদের হার ২ থেকে ৪ শতাংশ। কিন্তু বাংলাদেশে স্প্রেডই ৫ শতাংশের ওপরে। তিনি বলেন, সরকার এ বছর ব্যাংক থেকে ১ টাকাও ঋণ নেয়নি। এরপরও ব্যাংকগুলো কেন সুদের হার কমাবে না। এর বড় কারণ হল- একদিকে আমরা ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমাতে বলছি। অপরদিকে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বাড়িয়ে দিচ্ছি। এটি সাংঘর্ষিক। সুদের হার কমাতে হলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও সমন্বয় জরুরি। লোটাস কামাল আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি আজব দেশ। কারণ সরকার রফতানি উন্নয়নে প্রণোদনা দিচ্ছে। আবার প্রণোদনার টাকায় কর বসানো হচ্ছে। এটি হতে পারে না।
তার মতে, সময়মতো সিদ্ধান্ত না নেয়া এবং অপচয়, দুর্নীতির চেয়ে বড় অপরাধ। তিনি বলেন, আমরা ফিলিপাইনকে অনুসরণ করব। আর যারা কর ফাঁকি দেয় তাদের জেলে পাঠানো হবে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না। তবে ভালো ব্যবসায়ীদের সহায়তা দেয়া হবে। তার মতে, ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় উৎপাদনে বেশি জোর দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নীতিমালায় সংস্কার আনা হবে। বিশেষ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কার্যক্রমে সংস্কার আনা হবে। আরও বেশি মানুষকে করের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। কোনোভাবেই কর ফাঁকিবাজদের ছাড় দেয়া হবে না।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, শিগগিরই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ছে। এটি বাড়তি টাকা যাতে তারা বাজারে সব খরচ করতে না পারে, সে জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। বেতনের কমপক্ষে এক-চতুর্থাংশ জোরপূর্বক সঞ্চয় করা হবে। অন্যান্য খাতেও এভাবে জোরপূর্বক সঞ্চয় জরুরি। আর এই টাকা দিয়ে পুঁজির যোগান দিলে সুদের হারও কমবে।
মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, আমাদের রাজস্ব ও মুদ্রানীতির মধ্যে সমন্বয় জরুরি। দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারণমূলক। কিন্তু মুদ্রানীতি সংকোচনমূলক। এটি সাংঘর্ষিক। ফলে এই দুই নীতির সমন্বয় অধিকতর জরুরি। তিনি বলেন, সুদের হার কমাতে হবে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো যে হারে সুদ নিচ্ছে, তাতে খুব কম উদ্যোক্তাই ঋণ নিয়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়তে পারে। বিষয়টি পর্যালোচনা করে বিনিয়োগ বাড়াতে হলে পুঁজি প্রাপ্তি সহজ করতে হবে। সামগ্রিকভাবে ব্যাংক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া আমাদের বন্ড মার্কেট আছে। কিন্তু ভেনচার কেপিটালের সুযোগ নেই। এ ছাড়া বিলিয়ন-বিলিয়ন রিজার্ভ মজুদ রেখে কোনো লাভ নেই। এটি ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগের দিকে জোর দিচ্ছি। তিনি বলেন, দুর্নীতি দমনের সস্তা স্লোগান দিয়ে পৃথিবীর কোনো দেশ উন্নয়ন করতে পারেনি। এ জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এ ছাড়াও আমাদের ট্যারিফ পদ্ধতির সংস্কার আনতে হবে। এক্সচেঞ্জ রেটেও সমস্যা রয়েছে। স্থানীয় সরকারের আয় কীভাবে বাড়ানো যায় সেদিকে কারও নজর নেই। রুগ্ন শিল্পেরও কোনো নীতিমালা নেই। এ জন্য নীতিমালা জরুরি। এ ছাড়া গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপন এবং বনজ সম্পদের ব্যবহার বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের মোট বাজেটের এক-তৃতীয়াংশ উন্নয়নে ব্যয় হয়। কিন্তু বাজেটের বড় একটি অংশই বিনিয়োগে যায় না। এ খাতে সবাইকে নজর দেয়া উচিত। তার মতে, উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে জ্বালানি নীতির সমন্বয় নেই। জাতীয় আয়ের দ্বিগুণ হারে জ্বালানি উৎপাদন করতে হবে।
তিনি বলেন, কেউ কেউ বলেন আগে জ্বালানির চাহিদা বাড়াতে হবে। কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। কারণ সরবরাহ বাড়লেই চাহিদা সৃষ্টি হয়। ম খা আলমগীর বলেন, মাটির ভেতরে সম্পদ রেখে আমরা বসে থাকব, এটা হতে পারে না। গ্যাস ও কয়লার ব্যবহার বাড়াতে হবে। পৃথিবীর কোনো দেশ কয়লার ব্যবহার না করে উন্নত হতে পারেনি।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবশেষে বাড়ির দলিল বুঝে পাচ্ছেন যুদ্ধাহত কজন মুক্তিযোদ্ধা
সূত্র জানায়, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লার রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কয়েকজনের দীর্ঘ হয়রানির আজ অবসান ঘটতে যাচ্ছে। রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করার পর দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার নিজে উপস্থিত থেকে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বাড়ির দলিল হস্তান্তর করবেন।
বাড়ির দলিল পেতে যাচ্ছেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক তালুকদার, হুইল চেয়ারে চলাচলকারী যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. ফরিদ মিয়া, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল মোস্তফা চৌধুরী, মো. মান্নান আলী, শুকুর আলী ও বেগম সকিনা বেগম (শহীদ পরিবার) প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট একজন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রোববার যুগান্তরকে বলেন, জিল্লার রহমান স্যার বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে যোগ দেয়ার পর প্রথমে এ বিষয়টির প্রতি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে সাফ জানিয়ে দেন, যাদের রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীন দেশ পেয়েছি তাদের কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না। এর ফলে প্রথম পর্যায়ে গত সপ্তাহে বড় একটি সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সবচেয়ে যারা বেশি দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন তাদের হাতে সোমবার বাড়ির দলিল তুলে দেয়া সম্ভব হবে। জানা গেছে, ঢাকার মিরপুরে (বাড়ি নম্বর ২-জি/৫-৬) দোতলাবিশিষ্ট সরকারের পরিত্যক্ত তালিকার বাড়িটি ১৯৭৫ সালের ৪ ডিসেম্বর দুজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাকে বরাদ্দ দেয়া হয়। বরাদ্দপ্রাপ্তরা হলেন এসএম আবদুল আলী ও আবদুল হক তালুকদার। বাড়িটির দ্বিতীয় তলা বরাদ্দ পাওয়া এসএম আবদুল আলীকে ২০০৪ সালের ১৮ জুলাই দলিল সম্পাদন করে দেয়া হয়। কিন্তু নানা জটিলতা আর হয়রানির জাঁতাকলে পড়ে ৩৯ বছরেও বাড়ির দলিল বুঝে পাননি আবদুল হক তালুকদার। মিরপুরের (২-ই/৪-৩) বাড়িটি হুইল চেয়ারে চলাচলকারী যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. ফরিদ মিয়াকে বরাদ্দ দেয়া হয় ১৯৯৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। একতলাবিশিষ্ট পরিত্যক্ত বাড়িটি ৫ কাঠা জমির ওপর নির্মিত। কিন্তু গত ১৫ বছরেও তিনি বাড়ির দলিল বুঝে পাননি। মিরপুরের সাড়ে ৭ কাঠার (৬-সি/৯-১০) বাড়িটি ২০১০ সালে বরাদ্দ দেয়া হয় ৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে। এর মধ্যে দুটি শহীদ পরিবার ছাড়াও ৩ জন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। তারা হলেন বেগম খাদিজা চৌধুরী (শহীদ পরিবার), মো. নুরুল মোস্তফা চৌধুরী (যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা), মো. মান্নান আলী (যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা), শুকুর আলী (যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা) ও বেগম সকিনা বেগম (শহীদ পরিবার)। ইতিমধ্যে খাদিজা চৌধুরীর অনুকূলে বরাদ্দকৃত অংশ দলিল করে দেয়া হয়েছে। বাকিরা এখনও দলিল পাননি।
মিরপুরে পৌনে ২ কাঠার (১০-সি/১৪-৪) একতলা বাড়িটি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী রেনুকা বেগমের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া হয় ২০০৬ সালে। তিনিও গত ৮ বছরে দলিল পাননি। মোহাম্মদপুরের (১৬/৩০ ব্লক-ডি) বাড়িটি শহীদ পরিবারের সদস্য রেজিয়া বেগমের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া হয় ২০০৭ সালে। ২০১১ সালে তিনি মারা গেলে তার ওয়ারিশরা এই বাড়ির মালিক হিসেবে গণ্য হন। ওদিকে মিরপুরের (১৩-বি/৭-৬) পরিত্যক্ত একতলা বাড়িটি পৌনে ২ কাঠা জমির ওপর নির্মিত। ১৯৮৮ সালে বাড়িটি বরাদ্দ পান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে একাত্তরের মতো গুম-খুন-গুপ্তহত্যা চলছে : ফখরুল
সকালে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন ধুলিসাৎ করে দিচ্ছে। দেশে একাত্তর সালের মতো গুম-খুন-গুপ্তহত্যা চলছে। শহীদ বুদ্ধিজীবীরা একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু আজ কি দেখছি? বিনা ভোটে জোর করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে আছে আওয়ামী লীগ। এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য জনগণ আন্দোলন করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য, একাত্তরে এদেশকে মেধাশূন্য করার যে ষড়যন্ত্র হয়েছে, গুম-খুনের মাধ্যমে আজ আবার সেই চক্রান্ত শুরু হয়েছে। গণতন্ত্রহীনতা ও ফ্যাসিজমই এর জন্য দায়ী।
এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পৌঁছেন খালেদা জিয়া। দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন তিনি। এরপর বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন ও তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।
এ সময় অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় নেতা আহমেদ আজম খান, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, নাজিমউদ্দিন আলম, সাইফুল আলম নীরব, এসএ খালেক, খায়রুল কবীর খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শিরিন সুলতানা, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, দেলোয়ার হোসেন দুলু, ফরহাদ হোসেন আজাদ, রাজিব আহসান, আকরামুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। পরে মহানগর বিএনপি, যুবদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এদিকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোডাউন করেছে ছাত্রদল, যুবদল ও মহানগর বিএনপি। স্মৃতিসৌধের আশপাশের সড়কে টানানো হয় নানা রঙের ব্যানার-ফেস্টুন। খালেদা জিয়া সেখানে পৌঁছলে রাস্তার দুই পাশে ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা দাঁড়িয়ে তাকে অভিনন্দন জানান।
শ্রদ্ধা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের দাবি আদায়ে গণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করছে। এ আন্দোলন সফল হবে। পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হয়নি। বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলনও ব্যর্থ হবে না।
এদিকে বিকালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ৪৩ বছর পর আবার নতুন চক্রান্ত শুরু হয়েছে। ১৯৭১ সালে মুজিব বাহিনী গঠন করা হয়েছিল ভিন্ন মতাবলম্বীদের নিধনের জন্য। তেমনিভাবে জাতিসত্তা, মেধা ও মনন ধ্বংস করে দেয়ার জন্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। ঠিক একইভাবে বর্তমানে গুম-খুনের মাধ্যমে জাতিসত্তা নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বিএনপি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জাতিসত্তা রক্ষায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ডাকে আন্দোলনে শরিক হওয়ার জন্য দেশের সব বুদ্ধিজীবীকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আজকের দিনে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমাদের শপথ নিতে হবে। কারণ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে না পারলে দেশ আবারো বাকশালে ফিরে যাবে।
ফখরুলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমদ, জাবির সাবেক ভিসি প্রফেসর মুস্তাহিদুর রহমান, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ প্রমুখ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একমঞ্চে জনসভা প্রমাণ করে বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত ২০০৯ সালে সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের নামে সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডে জড়িত।
তিনি বলেন, জামায়াত-বিএনপি হত্যাকারী বিডিআর জওয়ানদের রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। আসামিদের পক্ষে বিএনপি-জামায়াতের আইনজীবীরা মামলায় লড়েছে। প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জড়িত না থাকলে তারা আসামিদের পক্ষে কেন আইনজীবী ছিল? কেন তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করল? এতজন করে আইনজীবী আসামিরা পেল কোথায়! এত টাকা পেল কোথায়?
খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের দিন উনি ক্যান্টনমেন্ট থেকে হঠাৎ আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গেলেন। তখন তার প্রটোকল ছিল। কাউকে কিছু জানাননি। দেড় মাস তিনি ক্যান্টনমেন্টের বাসায় যাননি কেন? উনি ছিলেন কোথায়? এ প্রশ্নের জবাব দিক উনি। আজকে তিনি আমাদের দোষ দেন।
শেখ হাসিনা বলেন, সবাই পিলখানায় ছুটে গিয়েছিলেন, খালেদা জিয়া কেন যাননি। বিচারেও তিনি কোনো সহযোগিতা করেননি। উল্টো আসামিদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করে দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এদেশে হত্যা-ক্যু সব বিএনপি-জামায়াত করেছে। আবার খুনিদের রক্ষাও করেছে। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের পক্ষেও তারা। তারা খুনিদের পক্ষেই থাকে। একাত্তরে যে কায়দায় মানুষ হত্যা হয়েছে ৫ জানুয়ারির আগেও ঠিক সেভাবেই মানুষ হত্যা করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানে মানুষ হত্যা করা। সংখ্যালঘু নির্যাতন করা, খুনের রাজত্ব কায়েম করে বাংলাদেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করা। রক্ত নিয়ে খেলা এটাই তাদের চরিত্র।
আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ করেনি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ করেনি, উনি (খালেদা জিয়া) করেছেন! তখন তো বিএনপির জন্মই হয়নি, তারা থাকে কীভাবে আমি জানি না! এ প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আগের দিন উনি কাদের নিয়ে বক্তৃতা করলেন! আলবদর, রাজাকারদের নিয়ে উনি কীভাবে বক্তৃতা দিলেন? কারা ছিল ওই মঞ্চে? আলবদর আর রাজাকাররা। কাদের ছবি ছিল ওই বেলুনে?
যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়ে তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আলবদর রাজাকারদের বিচার হবে। শকুনের দোয়ায় গরু মরে না। তাহলে দেশে আর গরু থাকত না। ওনার মতো শকুন এখনও বাংলাদেশে আছে। দেশে তো শকুন পাওয়া যায় না। দেশে আর শকুন নেই। শুধু একটি শকুনি আছে। জিয়াউর রহমানের আমলে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান শাহ আজিজ ও গোলাম আযমকে ফিরিয়ে আনে। যেই গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয়া হয়েছিল। মার্শাল ল অর্ডিন্যান্স দিয়ে সংবিধান সংশোধন করে তাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয় জিয়াউর রহমান।
জিয়াউর রহমানের নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা অবৈধ ছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, সায়েম সাহেবকে হটিয়ে দিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন। পরে মার্শাল ল অর্ডিন্যান্স দিয়ে এই রাজাকারদের বিচার বন্ধ করেছিল জিয়াউর রহমান। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে কাজ করতে চেয়েছিল, তাই যেন শুরু করে জিয়াউর রহমান।
ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল অংশ না নিলেও বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের দল ফ্রিডম পার্টিকে নিয়ে নির্বাচন করার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) কর্নেল রশীদ ও হুদাকে নিয়ে ইলেকশন করেন। কর্নেল রশীদকে বিরোধী দলের আসনে বসান। এরপর ক্ষমতায় গিয়ে মুজাহিদ (আলী আহসান মুজাহিদ) ও নিজামীকে (মতিউর রহমান নিজামী) মন্ত্রী বানান। বাংলাদেশকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়া আর ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করাই বিএনপি আর জামায়াতের লক্ষ্য ছিল।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, কেন্দ্রীয় নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, শহীদ সাংবাদিক সিরাজউদ্দিন হোসেনের ছেলে তৌহিদ রেজা নূর, শহীদ ডা. আলীম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা বাহাউদ্দিন নাছিম, সুজিত রায় নন্দী, এসএম কামাল হোসেন প্রমুখ।
নুজহাত চৌধুরীর বক্তব্যের সময় বেদনাবিধুর হয়ে ওঠে সভাস্থল। উপস্থিত সবাই তার বক্তব্য শুনে চোখের জল ফেলেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বার বার চোখ মুছতে থাকেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিচালকদের বেনামি ঋণ ২৫০০ কোটি টাকা
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, বতর্মানে প্রায় সব ব্যাংকই আইনের আওতায় চলে এসেছে। দু-একটি ব্যাংকে কিছু সমস্যা থাকতে পারে। তবে বেনামি ঋণের ব্যাপারে আমাদের কিছু জানা নেই। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে পরিচালকদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট কিছু অনিয়মের ঘটনা ধরা পড়লে সেগুলোর দায় পরিচালকদের ওপর চাপানো হয়। ফলে ব্যাংকে কোনো ঋণই বেনামি থাকছে না। এগুলো কারও না কারও নামে হয়ে যাচ্ছে।
সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকগুলোতে পরিচালকদের বেনামি ঋণের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর দায় একপর্যায়ে পরিচালকদের ওপর চাপানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন সময়ের তদন্তে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), সিটি ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, শাহজালাল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংকে বেনামি ঋণের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশে ওইসব ঋণের দায় সংশ্লিষ্ট পরিচালকদের ওপর চাপানো হয়েছে।
সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে ছয়টি ব্যাংকে পরিচালকদের প্রায় এক হাজার ৪০০ কোটি টাকার বেনামি ঋণের সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ২৫০, ন্যাশনাল ব্যাংকে ১৫০, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকে ২৩৫, শাহজালাল ব্যাংকে ৩১৫ ও এবি ব্যাংকে ৮৮ কোটি টাকা। এছাড়া এক্সিম ব্যাংকের গুলশান শাখায় ৩০০ কোটি টাকার বেনামি ঋণ রয়েছে। যদিও এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এ ঋণ থাকার কথা অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, এক্সিম ব্যাংকে কোনো বেনামি ঋণ নেই। যাদের ঋণ আছে তারা সবাই প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।
এর আগে সাবেক ওরিয়েন্টাল ব্যাংক বা বর্তমানে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকে ৬০০ কোটি, উত্তরা ব্যাংকে ৩০০ কোটি, সিটি ব্যাংকে ২৫০ কোটি টাকার বেনামি ঋণের সন্ধান পাওয়া যায়। এছাড়া ঢাকার একটি ও চট্টগ্রামের একটি বড় শিল্প গ্র“পের নামে ব্যাংকিং খাতে মোটা অংকের বেনামি ঋণ রয়েছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে কিছু তথ্য উদ্ঘাটিত হলেও পরে আর এ বিষয়ে ব্যাপক তদন্ত করা হয়নি। ফলে ওইসব বেনামি ঋণের বিষয়টি অনুৎঘাটিতই রয়ে গেছে।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক তদন্তে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের ঘটনা বেরিয়ে এসেছে। এর মধ্যে ব্যাংকের পরিচালকদের নামে বেনামে ঋণ নেয়ার ঘটনা উদ্ঘাটিত হয়েছে। ব্যাংকের পরিচালক মো. আবদুল হান্নান একজন ঋণ খেলাপি থাকা অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই তার বেনামি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে ঘটনাটি ধরা পড়লে ওই ঋণকে পরিচালকের ঋণ হিসেবে দেখানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী কোনো ঋণ বিতরণের আগে গ্রাহকের নামে কোনো খেলাপি ঋণ আছে কিনা যাচাই করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) হালনাগাদ তথ্য নিতে হবে। এ ছাড়া কোনো ঋণ দেয়া যাবে না। কিন্তু এই বিধি ভঙ্গ করে পরিচালক প্রভাব খাটিয়ে ঋণ নিয়েছেন।
ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালকদের মধ্যে এককভাবে বেশিরভাগ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে সিকদার পরিবারের হাতে। ব্যাংকের সীমান্ত স্কয়ার শাখা থেকে সিকদার পরিবারের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনালকে ১৩২ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নামে গত বছরের ১৩ মে ওই শাখায় একটি হিসাব খোলা হয়। একই দিন ঋণের জন্য আবেদন করা হলে ওই দিনই তা পাঠানো হয় প্রধান কার্যালয়ে। পরদিন ১৪ মে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটি এই ঋণের অনুমোদন দেয়। প্রস্তাবটি পরিচালনা পর্ষদে উপস্থাপন করা হয়নি। অথচ প্রতিষ্ঠানটি রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজে নিবন্ধিত হয় ২১ মে। অর্থাৎ কোম্পানিটি নিবন্ধিত হওয়ার এক বছর ৭ দিন আগে এর নামে ওই ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী জয়েন্ট স্টকের নিবন্ধন না থাকলে কোনো কোম্পানিকে বড় অংকের ঋণ দেয়ার সুযোগ নেই। ঋণ অনুমোদনের ক্ষমতা পর্ষদের। নির্বাহী কমিটির ঋণ অনুমোদনের ব্যাপারে শুধু সুপারিশ করতে পারে। কোনো ঋণ অনুমোদন করতে পারে না। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দলও সরেজমিন গিয়ে ওই নামে প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি।
এছাড়া ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে রায়েরবাজার এলাকায় জমি কেনার নামে আরও ঋণ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে নূর হোসেন ট্রেডার্সের ঋণ রয়েছে। যেগুলোকে পরিচালকদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ঋণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
এবি ব্যাংকের এলিফেন্ট রোড শাখা থেকে ব্যাংকিং বিধি বিধানের কোনো রকম তোয়াক্কা না করেই বেসরকারি একটি ব্যাংকের বহুল আলোচিত একজন পরিচালকের প্রতিষ্ঠানের নামে ৮০ কোটি টাকা বেনামি ঋণ দেয়া হয়েছে। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে ঘটনা ধরা পড়লে ঋণের দায়িত্ব ওই পরিচালকের মালিকানাধীন গ্র“পটি নিয়েছে।
পরিচালকদের বেনামি ঋণ সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, কেউ অপরাধ করলে অব্যশই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে অন্য অপরাধীরা উৎসাহিত হবে। অপরাধীদের রাজনৈতিক বিবেচনায় না দেখে সবার ক্ষেত্রে সমান আচরণ করা উচিত।
ড. সালেহউদ্দিন আরও বলেন, ইদানীং বাংলাদেশ ব্যাংক কিছুটা শক্ত পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। আরও আগে থেকে এই ধরনের পদক্ষেপ নেয়া উচিত ছিল।
সূত্র জানায়, ইউসিবি থেকে ইউনিটেক্স নামের একটি কোম্পানিকে দেয়া ৬০ কোটি টাকা ঋণের কোনো গতি হয়নি। যদিও এই বেনামি কোম্পানিকে পরিচালকদের ঋণ হিসেবে দেখানোর নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইউসিবির সাবেক পরিচালক আক্তারুজ্জামান চৌধুরীর নামে ১৭৫ কোটি টাকার ঋণ বোনামি শনাক্ত করা হয়েছিল। ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, আগে তাদের ব্যাংকে কিছু ঝামেলা ছিল- বর্তমানে তা নেই।
শাহজালাল ব্যাংকের পুরনো ঢাকা ও চট্টগ্রামে কয়েকটি শাখায় পরিচালকদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ঋণ রয়েছে বলে জানা গেছে। যেগুলোকে আগে বেনামি ঋণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছিল। পরে এগুলোর দায় পরিচালকদের ওপর চাপানো হয়েছে।
চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী নুরুন্নবীর নামে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যাংকের শাখায় ২০০৬ সালে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ঋণের সন্ধান মিলেছে। কিন্তু ওই ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগী নুরুন্নবী নয়। চট্টগ্রামের একটি বড় শিল্প গ্র“প ও একটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালক ওই ঋণের সুবিধা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এটি ছিল ওই পরিচালকের বেনামি ঋণ। এটি প্রমাণ করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে যথেষ্ট তথ্য আসার পর ২০০৮ সালে একটি পরিদর্শক দল চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তারা গিয়ে তদন্ত শুরু করার পরের দিনই পরিদর্শক দলকে চট্টগ্রাম থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। ফলে ওই বেনামি ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগী এখনও আড়ালেই রয়ে গেছেন।
২০০৬ সালে ওরিয়েন্টাল ব্যাংকে ৬০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন ওই ব্যাংকেরই তৎকালীন মালিকপক্ষ ওরিয়ন গ্রুপ। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একে পরিচালকদের ঋণ হিসেবে শনাক্ত করে তাদের সমুদয় শেয়ার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
সূত্র জানায়, পরিচালকদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মধ্যে এর আওতায় এসেছে যেসব কোম্পানিতে পরিচালকের বা তার ওপর নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ২০ শতাংশের শেয়ার রয়েছে। কিন্তু এই আইনের আওতার বাইরে থাকতে পরিচালকরা ২০ শতাংশের কম শেয়ার ধারণ করে অনেক প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় থাকছেন। ফলে এই ধরনের ঋণগুলোকে আর পরিচালকদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ঋণ হিসেবে শনাক্ত করতে পারছে না। তারপরেও ঋণের সুবিধাভোগীর ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওইসব ঋণকে সংশ্লিষ্ট পরিচালকের বেনামি ঋণ হিসাবে শনাক্ত করছে। ব্যাংক কোম্পানি আইনে একই পরিবারের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, একই পরিবারের সদস্য হিসেবে স্বামী বা স্ত্রী, পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা, ভাই ও বোন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল সবাইকে বুঝাবে। পরিচালকদের এসব আত্মীয়স্বজনের বা ব্যক্তির নামে ঋণকে সরাসরি পরিচালকদের ঋণ হিসেবে শনাক্ত করা হচ্ছে। এর আওতা থেকে বের হওয়ার জন্য অনেক পরিচালক তাদের কর্মচারী বা গাড়ি চালকের নামে ঋণ নিচ্ছে। শনাক্ত হলে এসব ঋণকে বেনামি ঋণ হিসেবে শনাক্ত করে এর দায় পরিচালকের কাঁধে চাপানো হচ্ছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাজারীবাগে দিবালোকে যুবদল নেতা সাত্তার খুন
রোববার দুপুরে প্রকাশ্যে রাজধানীর হাজারীবাগে চামড়া ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন ওরফে সাত্তার ওরফে গালকাটা সাত্তারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এলাকাবাসী জানায়, হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের ট্যানারি মোড়ের ৮২ নম্বর বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাত্তার তিন মাজার মসজিদে নামাজ পড়তে যান। বেলা পৌনে ২টার দিকে মসজিদের উত্তর গেটের ফুটপাতে মাছের দরদাম করছিলেন তিনি। এ সময় মোটরসাইকেলে চড়ে অস্ত্রধারীরা সেখানে এসে তাকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, চামড়ার ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের জের হিসেবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে পরিবারের অভিযোগ, প্রতিপক্ষ ইমন গ্র“পের সন্ত্রাসীরা সাত্তারকে হত্যা করেছে।
সাত্তারের স্ত্রী সামিনা বলেন, দুপুরে সাত্তার নামাজের জন্য বাসা থেকে বের হন। এরপর বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। আর তখনই সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করে। তিনি বলেন, ঘটনার পর দেবর মোতালেবসহ তারা দ্রুত সাত্তারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাতালে নেয়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সামিনা জানান, ৬ মাস আগে জেল থেকে বের হওয়ার পর সাত্তার বাইরে তেমন একটা বের হতেন না। মর্গের সামনে আহাজারি করতে করতে তিনি স্বামীর খুনিদের বিচার দাবি করেন।
হাজারীবাগ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাত্তারের বিরুদ্ধে ১০টি হত্যা মামলাসহ ১২টি মামলা রয়েছে। এই থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের মধ্যে তার নাম রয়েছে ২ নম্বরে।
সাত্তারের মৃত্যুতে তার পরিবারে চলছে শোকের মাতম। স্ত্রী সামিনা আক্তার সেতু ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন। বুকফাটা আর্তনাদ করতে থাকেন ছোটভাই ওবায়দুল ইসলাম মোতালেব। তিনি বলেন, মাত্র ৬ মাস আগে জেল থেকে জামিনে বের হন তার ভাই। আর তখন থেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ার জন্য তাকে চাপ দেয়া হচ্ছিল। মোতালেব বলেন, ‘আমরা বিএনপি করি- এ কারণে আমার ভাইকে প্রাণ দিতে হল।’
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন দোকানি জানান, হত্যাকাণ্ডে দুটি মোটরসাইকেলে চারজন অংশ নেয়। মাত্র ৩০ সেকেন্ডে কাজ সেরে তারা পালিয়ে যায়। এর মধ্যে একটি মোটরসাইলে দু’জন এবং অন্যটিতে একজন ছিল। দ্বিতীয়টিই গুলি নিক্ষেপকারী সন্ত্রাসীকে ঘটনাস্থল থেকে তুলে নেয়। হত্যার পর দুটি বাইক নিয়ে সন্ত্রাসীরা জিগাতলার দিকে চলে যায়। পুলিশের ধারণা, আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, মামলাসংক্রান্ত কিংবা পারিবারিক কারণে সাত্তারকে হত্যা করা হতে পারে।
হাজরীবাগ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জমশেদুল আলম যুগান্তরকে বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীরা দুই যুবককে চিনতে পেরেছে। কারণ ঘটনাস্থলের কাছাকাছি নিহতের দুই ভাগ্নে ইশতিয়াক ও ইমতিয়াজ ছিল। তারা দু’জনকে চিনতে পেরেছে। এসআই বলেন, যেহেতু নিহত ব্যক্তি নিজেও অপরাধী ছিলেন তাই মনে হচ্ছে আধিপত্য নিয়ে এ খুনের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে পরিবারের অভিযোগ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা যাচাই করেই অপরাধীদের গ্রেফতার করা হবে। জমশেদুল জানান, নিহতের শরীরে চারটি গুলি লেগেছে- বাম গালে একটি, বাম হাতে একটি, মাথার বাম পাশে একটি ও বাম পাঁজরে একটি।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাত্তার কারাবন্দি বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন পিন্টুর সহযোগী ছিলেন। ’৯৬ সাল থেকে তিনি পিন্টুর হয়ে কাজ করেন। তার বাবার নাম মৃত আবদুল আজিজ। সাত্তারের মা ফিরোজা বেগম ও ছোট বোন ইয়াসমিন আক্তার যুগান্তরকে বলেন, সাত্তারকে ইমন গ্র“পের সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে। তাদের ভয়েই সাত্তার বাসা থেকে বের হতেন না। এমনকি মৃত্যুর আগেও অনেকবার তিনি কয়েকজনের নাম বলেছেন। তারা তাকে যে কোনো সময় মেরে ফেলতে পারে বলেও পরিবারের সদস্যদের বলেছেন।
হাজারীবাগ থানা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ব্যবসায়িক আধিপত্য বিস্তার ছাড়াও হত্যার কারণ হিসেবে কারাবন্দি সন্ত্রাসী ইমনের সঙ্গে বিরোধিতার বিষয়টিও উঠে এসেছে। তার গ্রুপের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে বেশ কিছুদিন বাসা থেকেই বের হননি সাত্তার। ইমনের সন্ত্রাসীদের সব সময় বাসার আশপাশে দেখা যেত। প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে সাত্তারের দুই ভাগিনা যুগান্তরকে বলেন, দেখিয়ে দিলে তারা সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করতে পারবেন। হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন, হত্যাকারীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। ইমন গ্র“পের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, অভিযোগের সূত্র ধরেই অভিযান চলছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজীপুরে জনতা ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে ৬০ লাখ টাকা লুট
পুলিশ ও ব্যাংক কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, দুর্বৃত্তরা ব্যাংকের ভেতরে ঢুকে ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রহরী মো. নূরুল ইসলামকে খাবারের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অজ্ঞান করে। পরে ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে ৬০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা নিয়ে যায়। জয়দেবপুর বাজারের তানভীর প্লাজার দ্বিতীয় তলায় ব্যাংকের ওই শাখাটি অবস্থিত। ব্যাংকের সামনে জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তির পুরনো কাপড়ের দোকান রয়েছে। শনিবার রাত ১০টার দিকে জাকির কিছু ফলমূল নিয়ে আসে এবং টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে ব্যাংকের দায়িত্বরত নিরাপত্তা প্রহরী মো. নূরুল ইসলামকে দিয়ে প্রধান ফটক খুলিয়ে ব্যাংকের ভেতরে ঢোকে। পরে ফলমূল ও পানির সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য নূরুল ইসলামকে খাইয়ে অচেতন করে ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে টাকা নিয়ে ব্যাংকের পেছনে পশ্চিম পাশের জানালার গ্রিল খুলে পালিয়ে যায়।
ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সোলাইমান হোসেন জানান, দুর্বৃত্তরা ব্যাংকের ভেতরে ঢুকে ভল্ট ভেঙে ৬০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা নিয়ে গেছে।
থানা থেকে মাত্র কয়েকশ গজ দূরে ব্যাংকটি অবস্থিত। টাকা লুটের ঘটনা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আতংকিত করে তুলেছে। ওই ভবনের মাত্র ১৫ গজ দূরে ন্যাশনাল ব্যাংকের একটি শাখা রয়েছে।
ব্যাংকের অপর নিরাপত্তা প্রহরী মজিবুর রহমান জানান, সকাল ৮টার দিকে তিনি ডিউটিতে এসে ব্যাংকের দরজা বন্ধ দেখতে পান। রাতে ব্যাংকে দায়িত্বপালনকারী গার্ড নূরুল ইসলামকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার নূরুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি জয়দেবপুর বাজার থেকে মিস্ত্রি এনে ব্যাংকের গেটের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। তিনি সেখানে রাতের শিফটের নিরাপত্তা প্রহরী নূরুল ইসলামকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। সেকেন্ড অফিসার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান।
পরে ব্যাংক কর্মকর্তারা এসে দেখতে পান ব্যাংকের ভল্ট ভাঙা এবং ভল্টের ভেতরে থাকা ৬০ লাখ টাকার হদিস নেই। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জয়দেবপুর থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ নিরাপত্তা প্রহরী মো. নূরুল ইসলামকে আটক করে গাজীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসার পর সুস্থ হলে গার্ড নূরুল ইসলামকে নিয়ে পুলিশ তার বাড়ি মহানগরীর কাউলতিয়ায় অভিযান চালায়।
পুলিশ জানায়, নিরাপত্তা কর্মী নূরুল ইসলামের সঙ্গে পুরনো কাপড় ব্যবসায়ী জাকির হোসেনের দুই বছর ধরে সম্পর্ক। তারা জমি বেচাকেনা করত। ১৫ দিন আগে ব্যাংকের সামনে দোতলায় একটি দোকান ভাড়া নেয় জাকির। রাতে প্রস াব করার কথা বলে সে ব্যাংকের ভেতরে ঢোকে।
রোববার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, দুর্বৃত্তরা টাকা নিয়ে যাওয়ার আগে ব্যাংকের ভেতরে ইয়াবা সেবন, বিয়ার ও সিগারেট পান, ডালিমসহ বিভিন্ন ফল ও চকলেট খেয়েছে। ব্যাংকটি একটি কর্পোরেট শাখা হলেও এতে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই। ভবনের পশ্চিম পাশের জানালাগুলোও দুর্বল লোহার তৈরি। ফলে দুর্বৃত্তরা সহজেই জানালার একটি পার্ট খুলে নির্বিঘ্নে ব্যাংকের ৬০ লাখ টাকা নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
জনতা ব্যাংকে টাকা লুটের ঘটনার খবর পেয়ে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন, জনতা ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার (ঢাকা উত্তর) মো. নজরুল ইসলাম ও এরিয়া ম্যানেজার আবদুল জব্বার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার রেজাউল হাসান জানান, ব্যাংকের টাকা খোয়া যাওয়ার ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ব্যাংকের তিন নিরাপত্তাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
December
(1878)
-
▼
Dec 15
(84)
- ভারতে আবার সতীদাহ ‘সহমরণ’
- মাদক ব্যবসা নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ...
- সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ ডলফিনের বসতি by এ কে আজাদ
- অর্ধশিক্ষিত লোকের পক্ষে আইনের অনেক ব্যাখ্যা বোঝা স...
- সুযোগ পেলে আবারও নির্যাতন করব : ডিক চেনি
- ফাঁসির ১৮ বছর পর আসামি নির্দোষ!
- সিডনিতে ১৬ ঘণ্টা পর মুক্ত জিম্মিরা
- ধাক্কা দেয়া জাহাজটি সরকার দলীয় এমপির
- রাষ্ট্রপতির অবসর ভাতা আইন আরও পর্যালোচনার নির্দেশ
- দেশে এখন নাগরিক স্বাধীনতা নেই
- সুন্দরবনের নৌপথ স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি টিআইবির
- পাঁচ বছর ধরে উপেক্ষিত হাইকোর্টের রায়
- শিল্প ঋণের সুদের হার আরও কমানোর পরামর্শ
- ছাত্রলীগ না ওরা ভিসি লীগ
- বিবর্ণ হতে শুরু করেছে সুন্দরবন
- শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তালিকা চূড়ান্ত হল না আজও
- মিসরে ৪৩৮ জন সামরিক বিচারের সম্মুখীন
- হালে পানি পেল মার্কিন সরকার
- আবার ক্ষমতায় আসছেন আবে
- হাজার বছর বসে আছে
- মানবাধিকার আদায়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ
- দাউদকান্দিতে বালুবাহী শিপে চাঁদা না পেয়ে গুলি : নি...
- বর্তমানে ঋণ নিয়ে খুব কম উদ্যোক্তাই শিল্প গড়তে পারে
- অবশেষে বাড়ির দলিল বুঝে পাচ্ছেন যুদ্ধাহত কজন মুক্তি...
- দেশে একাত্তরের মতো গুম-খুন-গুপ্তহত্যা চলছে : ফখরুল
- একমঞ্চে জনসভা প্রমাণ করে বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী
- পরিচালকদের বেনামি ঋণ ২৫০০ কোটি টাকা
- হাজারীবাগে দিবালোকে যুবদল নেতা সাত্তার খুন
- গাজীপুরে জনতা ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে ৬০ লাখ টাকা লুট
- সুন্দরবনে নৌপথ বন্ধে দুই মন্ত্রণালয় মুখোমুখি
- ‘৫০ লাখ পুলিশ নিয়োগ দিয়েও শেষ রক্ষা হবে না’ -মির্জ...
- বিশ্ব সুন্দরী আসরে সম্মানিত ঐশ্বরিয়া
- দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্ত চুক্তির আওতায় আনার দাবি ...
- সুন্দরীর মুকুট আফ্রিকার
- মোদির নতুন লড়াই মাদকের বিরুদ্ধে
- কচ্ছপ নিয়ে তুলকালাম
- সাংবাদিকদের লেখালেখির ফল- কুতুবদিয়ায় আরো একটি জেনা...
- জলবায়ুর পরিবর্তনে আক্রান্ত হবে বাংলাদেশের লাখো মানুষ
- শ্রমিকদের সন্তুষ্ট করতে হবে
- বড় চ্যালেঞ্জ অবকাঠামো উন্নয়ন
- ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদকে সংবর্ধনা বণিক বার্তা ও বিআইড...
- একজন ডায়ান ফাইনস্টাইন
- ‘তুমি কি আমাকে নেবে?’
- জাপানে সাধারণ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প- উল্টো পথে হাঁটছে...
- চীন ও জাপানকে ঘৃণা ভুলে যেতে হবে
- ফেরেনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সৌন্দর্য by আশীষ-উর-...
- নৌপথ স্থায়ীভাবে বন্ধ করুন -প্রথম আলোর গোলটেবিলে স...
- পুতিনের ভারত সফরে ‘নাখোশ’ যুক্তরাষ্ট্র
- যুবরাজের ঘর ভাঙল
- জ্যাকুলিনের রহস্যমানব
- স্মৃতির কাজল
- সুন্দরবনের তেল পরিষ্কারে কচুড়িপানা ও পাম্প মেশিন b...
- বাদ সাধল জলবসন্ত
- আজ মায়ের সঙ্গে রায়েরবাজার যাব
- সাতটি ভাষা শিখছে ছোট্ট মিলান
- তেলের দাম আরও কমল
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প- আরও দুটি প্রশ্ন,...
- ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত- ফুল হাতে পাশাপ...
- পাঁচ মাসে এডিপির বাস্তবায়ন ২১ শতাংশ
- জলবায়ু চুক্তিতে ঐকমত্য
- রোনালদোর উপহার বলে কথা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- ওটিসিতে ৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা লেনদেন
- ফাঁসি হওয়ার ১৮ বছর পর নির্দোষ প্রমাণিত
- রাজধানীতে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা
- বিয়ে করলেই মামলা তুলে নেবো
- ‘পছন্দের লোক’ নিতে পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ আইন সংশ...
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আতংক
- দুর্নীতির কারণে নষ্ট হচ্ছে স্বাধীন জাতির আর্থ-সমাজ...
- মেয়েটিই নাকি খারাপ! by মাহবুব কামাল
- কার পায়ের নিচে শক্ত মাটি? by বিভুরঞ্জন সরকার
- বিজয়ের দিন, বিজয়ের চিরদিন by পবিত্র সরকার
- বীরকন্যারা by উৎপল রায়
- ঢাকার সেই ছাত্রীকে খুঁজছে পুলিশ! শিক্ষার্থীদের ওপর...
- দরগাহ মাদরাসার নাম পরিবর্তন নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যে...
- ২৬ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতিকে হাইকোর্টে তলব
- শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
- সীমান্ত প্রহরায় বিএসএফের অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন গঠন ক...
- চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১
- রাজধানীতে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা
- শেলায় নৌরুট বন্ধে পাল্টাপাল্টি
- তথ্য গোপন করে হেফাজত নেতা রুহী’র পাসপোর্ট নেয়ার চে...
- বিয়ে করলেই মামলা তুলে নেবো -নাজনীন আক্তার হ্যাপি, ...
-
▼
Dec 15
(84)
-
▼
December
(1878)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...