Sunday, June 30, 2019
এই বুঝি আসে দুঃসংবাদ, বুক কেঁপে উঠছে বিদিশার by আবুল বাশার নূরু

তিনি এখন জীবন-মত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। অথচ তাকে নিয়ে চলছে রাজনীতি, কেউ বা চায় তার পদ দখল করতে কেউ বা তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি। কি নির্দয় এ সমাজের মানুষগুলো? যাদের জন্য জীবনে এত কিছু করে গেলেন তিনি, তারাই আজ তার মুত্যু কামনা করছেন। বাবার মৃত্যুক্ষণে ছেলেকে সুকৌশলে দূরে রাখা হচ্ছে, কেউ কেউ তাকে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখাও শুরু করেছেন।
আমি অতো সাত, পাঁচ বুঝি না, আর এগুলো বুঝতে চাইও না, আমি চাই আমার ছেলেটা সুন্দরভাবে বেড়ে উঠুক, বাবার স্বপ্ন প‚রণে সেও এক সময় দেশ ও জাতির জন্য কাজ করবে, কিন্তু আমার ভয় হচ্ছে আমার ছেলেকে নিয়ে, ও যেন আমার মতো কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার না হয়। তাই আমি এরশাদের গড়া জাতীয় পার্টির সব নেতাকর্মীকে অনুরোধ করব, আপনাদের নেতার এ দুঃসময়ে তার পরিবারের পাশে এসে দাড়ান সত্য উদঘাটন করুন, ষড়যন্ত্রের হাত থেকে এরিককে বাঁচান। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কি এরিক তার বাবাকে দেখতেও পারবে না? পারবে না কি শেষবারের মতো একবার বাবা বলে ডাকতে? এই প্রশ্ন জাতীয় পার্টির প্রতিটি নেতাকর্মীর কাছে আমার রইল, পাশাপাশি উনার সুস্থতার জন্য সকলকে দোয়া করার অনুরোধ রইলো, বিদিশা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুজরাটে ভারতের প্রথম ডাইনোসর জাদুঘর ও ফসিল পার্ক
![]() |
| ডাইনোসর |
সরকারি তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ডাইনোসর প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত রেয়োলি গ্রাম। সেখানে প্রায় ১০ হাজার ডাইনোসরের ডিম পাওয়া গেছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ফসিল স্থল হিসেবে গ্রামটি জনপ্রিয়। ধারণা করা হয়, রেয়োলি ও আশেপাশের এলাকা ছিল দৈত্যকার প্রাণীদের আবাসস্থল।
গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, পার্কটিকে ঘিরে পর্যটনের বিকাশে আন্তর্জাতিক প্রচারণার জন্য রাজ্য সরকার ১০ কোটি রুপি তহবিল দেবে। তার আশা, শিগগিরই বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে দৃশ্যমান হয়ে উঠবে গুজরাট।
জানা গেছে, জাদুঘরে প্রায় অর্ধশত ডাইনোসরের ভাস্কর্য আছে। এর মধ্যে আছে গুজরাটে পাওয়া বিশাল আকৃতির রাজাসরাস নারমাডেন্সিস।
চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, জাদুঘরটিতে থ্রিডি প্রজেকশনস থাকবে। এতে মিলবে ৩৬০ ডিগ্রি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি উপস্থাপনা, গেমিং কনসোল, ইন্টারেক্টিভ কিয়স্কসহ উচ্চ প্রযুক্তির অনেক সুযোগ-সুবিধা। প্রাচীন প্রাণীকূল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তো থাকছেই।
নতুন জাদুঘরের পুরো অবকাঠামো তৈরি করেছে ট্যুরিজম করপোরেশন অব গুজরাট লিমিটেড। এটি রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য একটি সমিতি গঠন করা হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
![]() |
| ডাইনোসরের অস্তিত্ব |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসামের এনআরসি নাগরিকদের স্বীকৃতি দানের বদলে বিদেশী ঘোষণায় তৎপর by ইপসিতা চক্রবর্তী

এর ফলে প্রক্রিয়াটি এখন আসামের সবচেয়ে গরিব ও সবচেয়ে অরক্ষিত কিছু অধিবাসীকে রাষ্ট্রহীন করার ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।
ভুল, অসামঞ্জস্যতা ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নিয়ে আসামে চলছে বিদেশী চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া। নাগরিক হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে হলে আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে তারা বা তাদের পূর্বপুরুষেরা ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের (বাংলাদেশ যুদ্ধের সূচনার দিন) আগে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু রাজ্যটির অধিবাসীদের অনেককে বারবার তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে বলা হয়েছে, এনআরসি কর্তৃপক্ষ অব্যাহতভাবে তাদের নিজেদের পূর্বেকার সিদ্ধান্ত বদলাচ্ছে।
চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, সেটিই এর প্রমাণ।
গত জুলাই মাসে এনআরসি তাদের নিবন্ধনের চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশ করে ৩.২৯ কোটি আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৪০.৭ লাখের নাগরিকত্ব প্রত্যাখ্যান করা হয়। তারপর চলতি বছরের ২৬ জুন আসামের নাগরিকত্ব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিবেচিত ১.০২ লাখ লোকের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। সরকারি এনআরসি বিবৃতিতে বলা হয়, চূড়ান্ত খসড়ায় তাদের নাম ভুলবশত অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। তাদের নাম এখন অতিরিক্ত বাদ পড়া তালিকায় প্রকাশ করা হবে।
মাত্র গত বছর ভারতীয় নাগরিক হিসেবে যাদেরকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, তাদের মধ্য থেকে আরো এক লাখ লোককে বাদ দিতে এনআরসি অফিস কয়েকটি কারণ উল্লেখ করে। এতে বলা হয়, এসব লোককে ট্রাইব্যুনাল বিদেশী ঘোষণা করেছিল বা তাদের মামলাগুলো স্থগিত ছিল, কিংবা তারা ছিল নির্বাচন কমিশনের সন্দেহজনক ভোটার।
কিন্তু গত বছর চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশিত হওয়ার সময় এনআরসি সমন্বয়কারী দাবি করেছিলেন যে বাদ পড়াদের নাম ইতোমধ্যেই জানিয়ে দেয়া হয়েছে।
গত বছর যারা তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল, তাদেরকে আবার আবেদন করার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। তাদেরকে ফের এনআরসি কর্মকর্তাদের সামনে শুনানিতে যেতে হবে বলে বলা হয়। আবার যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, কিন্তু তা নিয়ে অন্যদের আপত্তি আছে, তাদের বিষয়টিও শোনা হবে বলে জানানো হয়।
এখানেও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে মনে হয়। এসব কর্মকর্তাকে বিপুল ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তারা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে পর্যন্ত যেকোনো সময় কারো নাগরিকত্বের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
আর তারা ওই ক্ষমতা বারবারই প্রয়োগ করছেন। এনআরসি কর্মকর্তারা কোন নামটি তদন্ত করতে হবে সে ব্যাপারে কিভাবে সিদ্ধান্ত নেন, তা বোঝা যায় না। আসামে ‘অবৈধ অভিবাসী’ হিসেবে যাদের বোঝানো হয়, তাদের বেশির ভাগই যেহেতু বাংলাদেশ থেকে প্রবেশ করেছে বলে মনে হয়, কাজেই আবেদনে ভাষাগত ও জাতিগত পরিচিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রত্যায়নের প্রাথমিক পর্যায়ে কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে আসামের আদিবাসী হিসেবে বিবেচিত নামগুলো নিয়ে খুব কমই তদন্ত করা হয়েছে।
আরেকটি স্বেচ্ছাচারী প্রক্রিয়া
আগামী ৩১ জুলাই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হওয়ার কথা। তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য আরেকটি সুযোগ দেয়া হবে। এতে যারা ব্যর্থ হবে, তাদেরকে বিদেশী নাগরিকত্ব বিষয়ক সমস্যা সুরাহার জন্য গঠিত ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে হবে। এই ট্রাইব্যুনাল তাদেরকে আটক কেন্দ্রে পাঠাতে পারে বা দেশ থেকে বহিষ্কার করতে পারে।
সম্প্রতি স্ক্রল.কমের খবরে বলা হয়, এই ট্রাইব্যুনালগুলোও স্বেচ্ছাচারমূলকভাবে কাজ করছে। তারা কাউকে বিদেশী ঘোষণার ক্ষেত্রে অভিন্ন নিয়ম অনুসরণ করছে না।
আসামের লাখ লাখ লোকের কাছে নাগরিকত্ব প্রমাণ করার বিষয়টি অসাধ্য কাজে পরিণত হয়েছে, সীমাহীন সংখ্যক অফিসে যেতে হয়, নথিপত্র সংগ্রহ করতে হয়। যে ব্যবস্থা নাগরিকদের স্বীকৃতির বদলে বিদেশী ঘোষণায় আগ্রহী, তাকে কিভাবে কেউ সন্তুষ্ট করতে পারে?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাসড়কে নিরাপত্তা: 'বাচ্চাদের গলায় রাম দা ধরে বলে, যা আছে সব দিয়ে দে' by সানজানা চৌধুরী

এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
এতে বলা হয়েছে, ১৯৭৬ সালে শ্রীলঙ্কায় সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তারপর এমন শাস্তিকে লঘু করা হয়। কিন্তু এত বছর পরে সরকার আবার সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে। এ জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। তাতে বলা হয়, জল্লাদ হিসেবে আবেদন করতে পারবেন শ্রীলঙ্কার ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী পুরুষ এবং তাদের মানসিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে। ফেব্রুয়ারি মাসে দেয়া ওই বিজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, আবেদনকারীকে হতে হবে শক্তিশালী নৈতিক চরিত্রের অধিকারী। এতে সাড়া দেন শতাধিক প্রার্থী। জেল কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র বলেছেন, তাদের মধ্য থেকে দু’জনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাদেরকে এখন চূড়ান্ত প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এতে দু’সপ্তাহের মতো সময় লাগবে। এর ৫ বছর আগে ফাঁসি দেখে মারাত্মক ভয় পেয়ে যান শ্রীলঙ্কায় থাকা সর্বশেষ জল্লাদ। ফলে তিনি এ দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। গত বছর আরো একজনকে জল্লাদ হিসেবে ভাড়া করা হয়। কিন্তু তিনিও কাজে আসেন নি।
শ্রীলঙ্কায় কেন মৃত্যুদণ্ড ফেরানো হলো?
শ্রীলঙ্কায় ধর্ষণ, মাদক পাচার ও হত্যাকাণ্ড মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ। কিন্তু ১৯৭৬ সালের পর সেখানে আর কোনো ফাঁসি কার্যকর করা হয় নি। প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা বলেছেন, দেশে মাদক ব্যবসা দমন করতে মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল করতে হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বছরের শেষ নাগাদ দেশে জাতীয় নির্বাচন। সেই নির্বাচনে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য তিনি এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা বলেছেন, চারজনের মৃত্যুদণ্ডের ওয়ারেন্টে আমি স্বাক্ষর করেছি। যাদের বিরুদ্ধে এ রায়ে স্বাক্ষর করেছি তাদেরকে এখনও বিষয়টি জানানো হয় নি। এখনও আমরা তাদের নাম ঘোষণা করতে চাই না। কারণ, নাম ঘোষণা করলে তারা জেলখানার ভিতরে অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারেন। তিনি আরো বলেছেন, দেশে এখন দুই লাখ মাদকাসক্ত আছে। জেলে যে পরিমাণ মানুষ আছে তার মধ্যে শতকরা ৬০ ভাগই মাদকের অভিযোগে অভিযুক্ত।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া কি?
মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহালের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে বৃটেন, ফ্রান্স, নওরয়ে, ইউরোপিয় ইউনিয়ন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ইউরোপিয় ইউনিয়ন এক বিবৃতিতে বলেছে, মৃত্যুদন্ড হলো নিষ্ঠুর, অমানবিক ও নিন্দনীয় এক শাস্তি। যেকোনো অবস্থা এবং সমস্ত মামলায় দ্ব্যর্থহীনভাবে এই শাস্তির বিরোধিতা করে ইইউ। শ্রীলঙ্কা কর্তৃপক্ষ যেহেতু কারণ হিসেবে মাদক সংক্রান্ত অপরাধের কথা বলেছে, কিন্তু গবেষণা বলে যে, এমন অপরাধ দমনে ব্যর্থ হয়েছে মৃত্যুদণ্ড।
প্রেসিডেন্ট সিরিসেনার ঘোষণায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তারা আরো বলেছে, মাদক সংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ড একটি বেআইনি শাস্তি। এসব অপরাধী সবচেয়ে গুরুত্বর অপরাধ যেমন আন্তর্জাতিক হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ করে নি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক বিরাজ পাটনায়েক বলেন, যখন অন্য দেশগুলো বুঝতে পেরেছে যে, মাদক নিয়ন্ত্রণের নীতিতে সংস্কার প্রয়োজন এবং তারা মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আনার পদক্ষেপ নিয়েছে, তখন শ্রীলঙ্কা সেই শাস্তি আরোপের দিকে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এই শাস্তি আরোপ করায় শ্রীলঙ্কার আন্তর্জাতিক সুনাম নষ্ট হবে। আমরা আশা করবো প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘যুদ্ধবিরতি’তে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-চীন, হুয়াওয়ে ইস্যুতে ট্রাম্পের ছাড়

শুধু তাই নয়। এই বাণিজ্য যুদ্ধের অন্যতম শিকার চীনা প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ের কাছে প্রযুক্তি বিক্রির ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারেও রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এই ঐকমত্যের পূর্বে অবশ্য ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে আরও বাণিজ্য অবরোধ আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। তবে ওসাকায় চলমান জি২০ সম্মেলনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে, ৩০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের চীনা পণ্য আমদানির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক তিনি আরোপ করবেন না। তিনি আরও বলেছেন, আপাতত বেইজিং-এর সঙ্গে দরকষাকষি চালিয়ে যাবে তার প্রশাসন।
বৈঠকের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, চীনের হুয়াওয়ের কাছে ফের প্রযুক্তি পণ্য বিক্রি করতে পারবে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো। ট্রাম্প বলছেন, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সুবিধাজনক। তবে হুয়াওয়ে ইস্যুতে দৃশ্যত চীনের চাওয়াই পূরণ করেছেন তিনি। বিবিসির এশিয়া বিজনেস করেসপন্ডেন্ট কারিশমা ভাসওয়ানি বলেছেন, এটি এখনও স্পষ্ট নয় যে, ট্রাম্প কি হুয়াওয়ের ওপর অবরোধ সম্পূর্ণ বাতিল করছেন কিনা। যদি সত্যিই তিনি তা করে থাকেন, তাহলে বলতে হবে যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরণের ছাড় দিয়েছে। কয়েকদিন আগেও কিনা হুয়াওয়ে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার ওপর হুমকি বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে দুই পক্ষ আলোচনার বিষয়ে একমত হওয়ায় বাজার ও মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপের কথা বলেছিল, তা কার্যকর হলে মার্কিন ক্রেতাদের বিভিন্ন পণ্য ক্রয়ের পেছনে অতিরিক্ত ১২ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হতো।
চীনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহও ভুগছে। বিশেষ করে, চীনের বিনিয়োগ পরিকল্পনা, ব্যবসায়িক আস্থা ও রপ্তানিখাতে প্রভাব ফেলেছে মার্কিন শুল্ক। তবে আপাতত স্থগিত হওয়া মানে এই নয় যে যুদ্ধ শেষ। এখনও কয়েকশ’ বিলিয়ন ডলার মূল্যের চীনা পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপ করা আছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করতে নানা বিষয়েই দুই পক্ষকে ঐক্যমত্য পৌঁছতে হবে।
ওয়াশিংটন যেসব দাবি করেছে, তা পূরণ করতে হলে গত ৪ দশক ধরে চীনা অর্থনীতির যেমন প্রবৃদ্ধি হয়েছে তা মৌলিকভাবে পরিবর্তন করতে হবে। ওয়াশিংটনের দাবি, চীনা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভর্তুকি দেওয়া যাবে না, স্থানীয় বাজার বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও খুলতে হবে এবং সবচেয়ে বড় কথা এই অঙ্গীকার পূরণ না করলে চীনই দায়বদ্ধ থাকবে। কিন্তু বেইজিং বলছে, নীতিগত বিষয়ে মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করা হবে না। সুতরাং, এই চওড়া মতপার্থক্য কীভাবে দুই পক্ষ কমিয়ে আনে তার ওপরই নির্ভর করবে এই স্থগিতাদেশ কয়দিন টিকবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিফাত হত্যা: পুলিশে চাকরি পাচ্ছেন ‘০০৭’ গ্রুপের সদস্য সাগর by মো. মিজানুর রহমান

বরগুনার আলোচিত রিফাত হত্যার পরিকল্পনাকারী ‘০০৭’ গ্রুপের সদস্য মো. সাগর নামে একজন চাকরি পেতে যাচ্ছেন পুলিশের কনস্টেবল পদে।
ইতিমধ্যে তিনি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। আজ রোববার তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে বরগুনা পুলিশ লাইনে।
হত্যার পরিকল্পনা করা ফেসবুকভিত্তিক ম্যাসেঞ্জার গ্রুপের নাম ‘০০৭’। ইতিমধ্যেই এ গ্রুপে রিফাত হত্যার পরিকল্পনার কথোপকথনের বেশ কয়েকটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ব্যাপারে দৈনিক মানবজমিনের প্রথম পাতায় ‘০০৭’ গ্রুপের ভয়ঙ্কর অপারেশন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
সাগরের পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার রোল নম্বর ১০৮। পিরোজপুর সদরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী শাহনেয়াজ, ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লালমোহন সার্কেল) মো. রাসেলুর রহমান এবং বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন স্বাক্ষরিত বরগুনায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নামের মেধা তালিকায় ৪০ নম্বর পেয়ে ১৮ তম স্থান অধিকার করেছেন সাগর।
রিফাত হত্যার পরিকল্পনা করা ফেসবুকভিত্তিক ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ ‘০০৭’ এ যুক্ত থাকার কথা মানবজমিনের কাছে স্বীকার করেছেন মো. সাগর। তবে রিফাতের ওপর হামলার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে জানান। সাগর বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবদুল লতিফ মাস্টারের ছেলে। বর্তমানে তারা বরগুনা পৌরসভার পশ্চিম আমতলা পাড় সড়কের বাসিন্দা।
‘০০৭’ এর কথোপকথনের ভাইরাল ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি স্ক্রিনশটে দেখা যায়, রিফাত শরীফ হত্যাকা-ের দিন বুধবার সকাল ৮টা ৬ মিনিটে রিফাত হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজী গ্রুপে লেখেন, ‘০০৭ এর সবাইরে কলেজে দেখতে চাই।’ এর উত্তরে মোহাম্মাদ নামে একজন লেখেন, ‘কয়টায়।’ নয়ন ফরাজির লেখা ‘০০৭ এর সবাইরে কলেজে দেখতে চাই’ এর উত্তরে বরগুনায় পুলিশের কনেস্টবল পদে চাকরি পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ মো. সাগর সম্মতিজ্ঞাপনসূচক এবং বিজয়ের প্রতীক ভি (v) সিম্বল দিয়ে উত্তর দেন। এরপর মোহাম্মদ আবার রিফাত ফরাজীকে মেনশন করে লেখেন ‘কয়টায় ভাই।’ এরপর রিফাত ফরাজী উত্তর দেন ‘৯টার দিকে।’
এ বিষয়ে মো. সাগর জানান, আমি ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করি। আমি বরগুনা এসেছি ২২ তারিখ পুলিশে চাকরি পেতে বাছাই পর্বে লাইনে দাঁড়ানোর জন্য। রিফাত শরীফের ওপর হামলার আগের দিন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় আবদুল্লাহ নামে একজন মারা যাওয়ার প্রতিবাদে আমরা সবাই মানববন্ধন করেছিলাম। এরপর রিফাত শরীফের ওপর হামলার দিন সকালে আমি ঘুম থেকে জেগে দেখি ওই ম্যাসেজটি। আমি বুঝিনি যে, ৯টায় কলেজে থাকতে হবে। আমি ভেবেছি ওই মানববন্ধনেরই কিছু। পরে আমি একটি লাইক দিছি। এরপর আমি বের হয়ে গেছি। পরে আর কি হয়েছে তা আমি দেখিনি। পরে আমি রেজাল্ট আনতে গেছি।
সাগর আরও বলেন, রিফাত শরীফের ওপর হামলার সময় আমি কলেজে ছিলাম না। ওই সময় আমি আমার ভাইভা পরীক্ষার রেজাল্ট আনতে গিয়েছিলাম। পরে আমি সাড়ে ১১টা নাগাদ সেখান থেকে আসি।
নয়ন এবং রিফাত ফরাজীর সঙ্গে পরিচয় সম্পর্কে সাগর বলেন, দুই বছর আগে আমি বরগুনা এসেছি। এর মধ্যে আমি দুই মাস বরগুনা থেকেছি এবং বাকি সময় ঢাকায় থেকেছি। একদিন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার তানভীর আমাকে ডেকে নিয়ে বলে ‘আপনার বাসা কই?।’ তখন আমি বলি, আমি এখানে নতুন। তখন সে রিফাত ফরাজীর কথা উল্লেখ করে বলে ‘এলাকায় নতুন আসছেন। এই ভাইরে চিন্না রাখেন। ভাইয়ের কথা মতো চলতে হবে এলাকায় থাকতে হলে।’
বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই। যদি এ ঘটনা সত্য হয়, তাহলে বরগুনা জেলা পুুলিশ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নয়ন-মিন্নির বিয়েতে দেনমোহর ছিল ৫ লাখ টাকা by গোলাম কিবরিয়া
![]() |
| মিন্নি ও প্রধান আসামী নয়ন |
নয়ন বন্ড ও আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির বিয়ের প্রথম সাক্ষী রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের দ্বিতীয় আসামি বাকিবুল হাসান রিফাত ওরফে রিফাত ফরাজি। গত বছরের ১৫ অক্টোবর আছরের নামাজের পর তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের দেনমোহর হয়েছিল ৫ লাখ টাকা। তবে দেনমোহরের কোনো নগদ পরিশোধ ছিল না।
এ বিষয়ে কাজী মো. আনিসুর রহমান বলেন, বিয়ে করার জন্য নয়ন ও মিন্নিসহ ১৫ থেকে ২০ জন লোক আসে আমার অফিসে। এসময় নয়ন ও মিন্নি তাদের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার প্রমাণ স্বরূপ এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট নিয়ে আসে। এরপর আমি মেয়ের বাবার সঙ্গে কথা বলে জানতে চাইলে তারা বলে, মেয়ের বাবা আসবে না, আপনি মেয়ের মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর মিন্নির মা পরিচয়ে একজন আমার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।
সেই মহিলা আমাকে বলেন, বিয়ের বিষয়টি আমরাতো জানি। মিন্নির বাবা বিয়েটা এখন মানবে না। আপনি বিয়ে সম্পন্ন করেন। বিয়ের কিছুদিন পর ঠিকই মেনে নেবেন। এরপর আমি পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে নয়ন ও মিন্নির বিয়ে সম্পন্ন করি। এ বিয়ের উকিল ছিলেন শাওন নামের একজন। শাওন ডিকেপি রোডের মো. জালাল আহমেদের ছেলে।
যদিও এর আগে শুক্রবার বিকালে মিন্নি বলেন, আমার বিয়ে হয়েছে একমাত্র রিফাত শরীফের সঙ্গে। এছাড়া আর কখনো কারও সঙ্গে বিয়ে হয়নি। যেহেতু বিয়েই হয়নি, ডিভোর্স হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। রিফাতই আমার স্বামী এবং এটাই সত্য। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটাই দাবি করি, যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকা থেকে বাদ পড়ছে সুন্দরবন! by জনি হক
আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে এ সপ্তাহে একটি কমিটি ১১ দিনের আলোচনা কার্যক্রম শুরু করেছে। আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। এ সময়ের মধ্যে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা যেসব জায়গা বিপদাপন্ন সেগুলোর সংরক্ষণের চিত্র ঘেঁটে দেখা হবে। সুন্দরবনকে এখন বন্যপ্রাণীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া এর কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রক্রিয়া, বন উজাড়সহ পরিবেশবিরোধী কাজের অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে সুন্দরবনকে ইউনেস্কো বাদ দিতে পারে।
তবে সুন্দরবনের সুরক্ষায় সরকারের কার্যকরি উদ্যোগ থাকলে ও উন্নতি দেখা গেলে ইউনেস্কো বিপদাপন্ন তালিকা থেকে ম্যানগ্রোভ বনটির নাম প্রত্যাহার করতে পারে। তখন তাদের কমিটির ভোটে সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ভালো অবস্থানে ফিরে আসবে।
গত বছর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর বেলিজ ব্যারিয়ার রিফ রিজার্ভ সিস্টেমকে বিপদাপন্ন তালিকা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজের সরকার প্রবাল প্রাচীর সংরক্ষণে বেসরকারি দলের সঙ্গে কাজ করেছে।
এ বছর ফিলিস্তিনের বেথলেহেমে যীশুর জন্মস্থান ও তীর্থভূমির গির্জা আর চিলির হাম্বারস্টোন অ্যান্ড সান্তা লরা সল্টপিটার ওয়ার্কস বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে বিপদাপন্ন তালিকা থেকে প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
সুন্দরবনসহ ২০১৯ সালে বিপদাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা অন্য জায়গাগুলো হলো— বুলগেরিয়ার প্রাচীন শহর নেসেবার, নর্থ মেসেডোনিয়া/আলবেনিয়ার অকরিড অঞ্চলের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, মেক্সিকোর ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরবর্তী দ্বীপ ও সংরক্ষিত এলাকা, নেপালের কাঠমান্ডু ভ্যালি ও ইরাকের ব্যাবিলন।
তবে নতুন মনোনয়ন তালিকাকে চূড়ান্ত বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা দেওয়া দীর্ঘ প্রক্রিয়ার অংশ। কারণ বিশেষজ্ঞরা এসব জায়গায় সরেজমিন গিয়ে নিজেদের মূল্যায়ন দেবেন। দর্শনীয় এসব স্থান সংরক্ষণের জন্য কী পদক্ষেপ রয়েছে তা নিরীক্ষা করে দেখবেন তারা। এরপর ইউনেস্কো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছালে তাদের টুইটার অ্যাকাউন্টে নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে।
ইউনেস্কোর মহাপরিচালক আইরিনা বোকোভা জানান, ১৯৭৮ সাল থেকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা তৈরি শুরু করেছে ইউনেস্কো। শুরুর দিকে এতে স্থান পায় যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্ক, ভারতের তাজমহল, জর্ডানের পেত্রা ও ইকুয়েডরের গালাপাগোস দ্বীপের মতো গন্তব্য। এখন পর্যন্ত ১৬৭টি দেশের ১ হাজার ৯২টি স্থান ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় নাম লিখিয়েছে।
এদিকে ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ায় এ বছরের জানুয়ারিতে ইউনেস্কো ছেড়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে ফিলিস্তিনের ঐতিহ্যবাহী স্থান এই স্বীকৃতি পেয়েছে। তাদের দাবি, ইউনেস্কো ইসরায়েলবিরোধী। এসব কারণে ইসরায়েলও ইউনেস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।
![]() |
| সুন্দরবন (ছবি: কাজী আসাদুল্লাহ আল ইমরান) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতিতে নামছেন আফ্রিদি!

শুক্রবার এআরওয়াই নিউজ টিভি চ্যানেলের বিশ্বকাপ বিষয়ক টিভি শোতে অংশ নিয়ে কথা বলার সময় ভবিষ্যতে রাজনীতির ময়দানে নামার আভাস দেন তিনি।
ইমরান খানের মতো নিজেই কোন নতুন দল গড়ে রাজনীতিতে আসবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আফ্রিদি বলেন, আমার সে রকম কোনো পরিকল্পনা নেই। রাজনীতিতে নাম লেখাবো কিনা সেটিও এখনো নিশ্চিত হতে পারছি না। অনেক শুভাকাঙ্ক্ষি বলছে, রাজনীতিতে এসে জনগনের পাশে দাড়ানোর জন্য। এখন পর্যন্ত সেই সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ।
তবে এ বিষয়ে এখনই কোন আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিতে নারাজ সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক। আফ্রিদি আরো বলেন, আমার দৃষ্টিতে রাজনীতিকরা হচ্ছে জনগনের সেবক। তাদের সেভাবেই জনগনকে সেবা করা উচিত।
ক্রিকেটের মাঠে লড়াকু নেতা ছিলেন ইমরান খান। পাকিস্তানকে জিতিয়েছন বিশ্বকাপ। অবসরের পর সাফল্যের সঙ্গে রাজনীতি করে যাচ্ছেন তিনি। এ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর গুরুদায়িত্ব পালন করছেন। প্রিয় তারকার ভূয়সী প্রশংসাও ঝরেছে আফ্রিদির কণ্ঠে।
সেই সুর ধরেই বিশ্লেষকরা বলছেন, শিগগির রাজনীতিতে নামছেন তিনি। ময়দানি লড়াইয়ে ব্যাট-বলের সাহসী যোদ্ধা কখন সেই ঘোষণা দেন তাই দেখার।
অবশ্য রাজনীতিতে না এলেও অনেক দিন ধরেই জনসেবামূলক কাজের সাথে জড়িত আফ্রিদি। তার প্রতিষ্ঠিত শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন পাকিস্তানের ব্যাপক প্রশংস কুড়াচ্ছে জনসেবায় অবদান রাখার জন্য। ভবিষ্যতে এই সংস্থার উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য স্কুল করতে চান বলে জানান আফ্রিদি।
১৯৯৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের জার্সিতে ওয়ানডেতে অভিষেক হয় আফ্রিদির। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচেই শ্রীলংকার বিপক্ষে মাত্র ৩৭ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে এ সংস্করণের রেকর্ড বইয়ের পাতা ওলট-পালট করে দেন তিনি।
পরে নিজের স্বভাবজাত ব্যাটিংয়ের জন্য পেয়ে যান বুমবুম তকমা। ২০১৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন এ হার্ডহিটিং ব্যাটসম্যান। তবে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলে যাচ্ছেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারায়ণগঞ্জ মাস্তানীর জায়গা না, এখানে ব্যবসায়ীরা বসবাস করবে : এসপি হারুন

আজ রোববার দুপুর ১২টায় নগরীর দিগু বাবুর বাজার মীরজুমলা সড়কে অবৈধ দোকানীদের উচ্ছেদের পর সড়কটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, এখন আমাদের কাছে ভূমিদস্যুদের কোনো অভিযোগ আসছে না। ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে অথবা ফ্ল্যাট দখলকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিবো। অরাজকতার শহর নারায়ণগঞ্জ নয়। নারায়ণগঞ্জ হচ্ছে ব্যবসায়ীদের আশ্রয়স্থল। নারায়ণগঞ্জ প্রাচ্যের ড্যান্ডি। এখানে কোনো মাস্তানের বসবাস করার জায়গা নয়। এখানে কোনো মাস্তান জোর করে ফ্ল্যাট দখল করে রাখবে, এখানে কোনো মাস্তান মানুষের জমি জোর করে দখল করে রাখবে, আমরা পুলিশের লোকজন কিন্তু এটা করতে দিতে পারি না। আমরা তাদের আইনের আওতায় অবশ্যই আনবো। এবং সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু সড়কের পর এবার আমরা চাষাঢ়া থেকে ফতুল্লা এবং পঞ্চবটি থেকে মুন্সিগঞ্জের রাস্তাটি পরিষ্কার করার চেষ্টা করবো। আমরা জনসাধারণকে স্বস্তি দিতে চাই। কারো ক্ষতি করা, কারো পেটে লাথি দেয়া এটা আমাদের উদ্দেশ্য না। আমাদের কাজই হচ্ছে জনসাধারণের সেবা করা। সেবার মানসিকতা নিয়েই আমরা নারায়ণগঞ্জ পুলিশের সকল কর্মকর্তারা কাজ করছি।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, আমরা যখন জানলাম এখানে (মীরজুমলা সড়ক) একটি রাস্তা ছিলো এবং কিছু লোক এই রাস্তার দুই পাশে দোকান বসিয়ে চাঁদা তোলে, ঠিক তখনই আমরা এই চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। কারণ এখান দিয়ে মানুষ চলাচল করবে। বাস চলাচল করবে। বিভিন্ন গাড়ি চলাচল করবে। এদিকে তো দোকান বসিয়ে তাদের কাছ থেকে চাঁদা নেয়াটা ঠিক হবে না। কিন্তু যদি কেউ এই রাস্তাটিতে বাজারের পণ্য লোডিং-আনলোডিং করতে চায় সেক্ষেত্রে তারা রাত ১টার পর থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত এই রাস্তাটি ব্যবহার করতে পারে।
বঙ্গবন্ধু সড়কের চাষাড়া থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত এবং ১নং রেলগেট পর্যন্ত সকল রাস্তার আশেপাশে কোনো হকার বসবে না। আমরা মেয়র এবং জনপ্রতিনিধি কাছে বলবো যে, তাদের (হকারদের) জন্য একটি মাঠের ব্যবস্থা করে দিন যেখানে তারা বসে বেচাকেনা করতে পারবে। আমরা তাদের (হকারদের) বিরুদ্ধে নই। আমরা চাই রাস্তা দিয়ে যেন সাধারণ মানুষ ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারে। ইতিমধ্যেই এই কাজটা সম্পূর্ণ হয়েছে এখন সকলেই খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু সড়ক দিয়ে তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে পারে।
এসময় পুলিশ সুপারের সাথে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা (সিও) এহতেশামুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) নূরে আলম সিদ্দিকী, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম, ডিআইও-১ মমিনুল ইসলাম, ডিআইও-২ সাজ্জাদ রোমনসহ পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ইংল্যান্ড : কে যাবে সেমিফাইনালে?

ফলে ইংল্যান্ডের হারার ওপরই নির্ভর করছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেমিফাইনালে যাওয়া। এ কারণেই আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় খবর বের হচ্ছে, আজকের ম্যাচে ভারতের জয় কামনা করবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি পাকিস্তানি সমর্থকেরা।
পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশ এক ধাপ নেমে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এত দিন যেকোনো এক ম্যাচ জিতলেই বাংলাদেশের সেমিফাইনালে খেলার একটা স্বপ্ন টিকে ছিল। সেক্ষেত্রে দুই ম্যাচ হারতে হতো ইংল্যান্ডকে, তাহলে তারা থাকত ৮ পয়েন্টে। বাংলাদেশ তার শেষ দুই প্রতিপক্ষ ভারত কিংবা পাকিস্তানের একজনকে হারিয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে চলে যেত সেমিফাইনালে। পাকিস্তানের সঙ্গে রান রেটে মোকাবেলার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। বাংলাদেশের রান রেট পাকিস্তানের চেয়ে ভালো। এখন ভারতের সঙ্গে হারলেও পাকিস্তানের সঙ্গে জিততেই হবে। কারণ পাকিস্তানের কাছে হারলে ১১ পয়েন্ট হয়ে যাবে দলটির। অন্যদিকে ইংল্যান্ডও এত দিন আশা করতে পারত এক ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের টিকিট পাওয়ার।
বর্তমান হিসাব অনুযায়ী পাকিস্তান তাদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিতলে ইংল্যান্ডকে জিততে হবে দুই ম্যাচেই। এত দিন কাগজেকলমে হুমকি ছিল এবার সেটা ভর করল ইংল্যান্ডের ওপর। তার উপর সামনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত। একই আশঙ্কা নিয়ে আরো বিপদে শ্রীলঙ্কা। তাদের শেষ দুই ম্যাচ জিতলেও সেমিফাইনালে যেতে সবগুলো ম্যাচ হারতে হবে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডকে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হেডিংলিতেও দুর্দান্ত শাহীন

লিডসে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২২৭ রানের বেশি তুলতে পারেনি আফগানিস্তান। দুটি করে করে উইকেট নিয়েছেন ওয়াহাব রিয়াজ ও বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম। লেগস্পিনার শাদাব খান নিয়েছেন একটি। ১০ ওভারে ৪১ রান দিলেও উইকেটশূন্য ছিলেন মোহাম্মদ আমির।
এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবার কোনো ম্যাচে উইকেট পেলেন না এ বাঁহাতি পেসার।
শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল আফগানদের। পাকিস্তানি পেসারদের বেশ সাচ্ছন্দেই খেলছিলেন তারা। দলীয় ২৭ রানে এ জুটি ভাঙেন শাহীন আফ্রিদি। অফস্টাম্পের বাইরের খেলতে গিয়েছিলেন আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নায়েব (১৫)। বল ব্যাটের কানায় লেগে ধরা পড়ে উইকেটরক্ষক সরফরাজ আহমেদের গ্লাভসে। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেননি। ভাগ্যিস সরফরাজ একদম শেষ মুহূর্তে রিভিউ নিয়েছিলেন। না হয় উইকেটবঞ্চিত হতেন শাহীন। ঠিক পরের বলেই হাশমতুল্লাহ শাহিদিকেও তুলে নেন তিনি। হ্যাটট্রিকের সুযোগটা অবশ্য কাজে লাগাতে পারেননি। জোড়া ধাক্কা সামলে ভালোভাবেই এগোচ্ছিল আফগানিস্তান। কিন্তু দলীয় ৫৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। ইমাদ ওয়াসিমের বল মিউউইকেটে ঠেলে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে শর্ট কাভারে থাকা বাবর আজমের হাতে ধরা পড়েন ওপেনার রহমত শাহ। ৪৩ বলে ৩৫ রান করেন তিনি।
সেখান থেকে হাল ধরেন আসগর আফগান-ইকরাম আলী খিল। চতুর্থ উইকেটে ৬৪ রানের জুটি গড়েন তারা। আফগানদের ইনিংসে এটি সর্বোচ্চ রানের জুটি। দলীয় ১২০ রানে আসগরকে বোল্ড করে এ জুটি ভাঙেন লেগস্পিনার শাদাব খান। ৩৫ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪২ রান করেন সাবেক অধিনায়ক আসগর। বেশিক্ষণ টেকেনিন ইকরামও। চার রান পরই ইমাদকে মারতে গিয়ে হাফিজের হাতে ধরা পড়েন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। ৬৬ বলে ক্যারিয়ারসেরা ২৬ রান করেন ইকরাম।
ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ নবী-নাজিবুল্লাহ জাদরান মিলে যোগ করেন ৪২ রান। দলীয় ১৬৭ রানে ওয়াহাবের শিকার হয়ে ফেরেন নবী। এরপর সপ্তম উইকেটে সামিউল্লাহ শিনওয়ারির সঙ্গে ৩৫ রানের জুটি গড়েন নাজিবুল্লাহ। এ জুটিতে দুশো’র কোটা পার হয় আফগানিস্তান। তবে নাজিবুল্লাহও ফিফটির দেখা পাননি। ব্যক্তিগত ৪২ রানে শাহীনের বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর দ্রতই ফেরেন রশিদ খান। তার উইকেটটিও নেন শাহীন। দলীয় ২১৯ রানে ওয়াহাব রিয়াজের বলে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন হামিদ হাসান। শিনওয়ারির অপরাজিত ১৯ ও মুজিব উর রহমানের অপরাজিত ৭ রানের সুবাদে শেষ পর্যন্ত পুরো ৫০ ওভার খেলে ২২৭ রান তুলতে সমর্থ হয় আফগানিস্তান। আগে ব্যাটিং করে এবারের বিশ্বকাপে এটি তাদের দলীয় সর্বোচ্চ ইনিংস।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লুটপাটের টাকায় বিদেশে তৈরি হচ্ছে বেগমপাড়া: সংসদে রুমিন

শনিবার অর্থবিল, ২০১৯ এর ওপর জনমত যাচাইয়ের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে উপস্থিত ছিলেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, যতটুকু বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে তার বেশির ভাগই চলে যাচ্ছে লুটপাটে। যে কারণে আমরা এখন ব্যাংকখাতে দেখি হাহাকার। ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার ওপরে থাকে মন্দঋণ। এক দশকে পাচার হয়ে যায় সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা। এ বাজেট থেকে সরকারের চরিত্র আমরা দেখলাম। দেখলাম রাষ্ট্রের প্রায় লোকের কাছ থেকে সম্পদ পুঞ্জীভূত করে অল্পকিছু মানুষের হাতে দিয়ে দেয়া। তাই দুয়েকটি খাতে বরাদ্দ কিছু বাড়ানো কিংবা কিছুটা কমানো সরকারের মূল চরিত্রকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করবে না।
তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত পরোক্ষ কর ৭২ শতাংশ থেকে কমে ৩০ শতাংশে না আসবে, যতক্ষণ পর্যন্ত শিক্ষাব্যয় জিডিপির ২ দশমিক ১ শতাংশ থেকে বেড়ে কমপক্ষে ৬ শতাংশে না দাঁড়াবে, যতক্ষণ পর্যন্ত স্বাস্থ্যব্যয় জিডিপির ১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫ শতাংশে না আসবে এবং ৪ কোটি দরিদ্র ও ২ কোটি হতদরিদ্র মানুষের দেশে সামাজিক নিরাপত্তা খাতের ব্যয় ১ শতাংশের পরিবর্তে ৩ শতাংশ না হবে, ততক্ষণ দেশের মূল জনগোষ্ঠীকে এই বাজেট কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে পারবে না।
রুমিন বলেন, মাননীয় স্পিকার ভূতের নাকি উল্টো দিকে পা থাকে। আমার মনে হয় বর্তমান সরকার উল্টো দিকে যাচ্ছে। যেখানে সংবিধানে পরিষ্কারভাবে মূলমন্ত্রের একটি হচ্ছে সমাজতন্ত্র সেখানে নূন্যতম একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কোনো অঙ্গীকার এই বাজেটের মধ্যে আমরা দেখিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাংক খাতে সরকারের ঋণ বাড়ছে: ৯ মাসে সঞ্চয়পত্র থেকে ধার ৪০ হাজার কোটি টাকা by এমএম মাসুদ

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধে ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখছে সরকার। এই বরাদ্দ চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে ৫৭ হাজার কোটি ব্যয় হবে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধে। বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধে। বাজেটে সুদ পরিশোধে বরাদ্দ দেয়া অর্থের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যয় হচ্ছে সঞ্চয়পত্র এবং মেয়াদী ঋণের সুদ পরিশোধে। এছাড়া সরকারি কর্মচারিদের ভবিষ্যৎ তহবিল বা জিপিএফ, বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধ, চলতি ঋণ এবং জীবন বীমা ও অন্যান্য ঋণের সুদ পরিশোধে এই অর্থ ব্যয় করা হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত এবং সুদের হার বেশি হওয়ায় এখানে সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ বাড়ছে। তবে যেভাবে বাড়ছে এটা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। কারণ এটা বন্ধ করা কিংবা সুদের হার কমিয়ে আনা কোনোটাই সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে সরকারের করণীয় হলো বাজেটে সঞ্চয়পত্র বিক্রির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, তা পূরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সঞ্চয়পত্র বিক্রি বন্ধ করে দেয়া। এতে করে সরকারকে অতিরিক্ত সঞ্চয়পত্র বিক্রির সুদের বোঝা টানতে হবে না।
ঋণের বিষয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, সরকারের ঋণ বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণে ব্যাংকের সক্ষমতা কমিয়ে দেয়া হচ্ছে। সরকারের ঋণ নেয়া বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে ঋণ দেয়া ব্যাংকগুলোর জন্য আরো কঠিন হবে। আবার নতুন আমানত পর্যাপ্ত পরিমাণে আসছে না। এতে বেশির ভাগ ব্যাংকই নগদ টাকার সংকটে পড়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, এই অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকার ১১ হাজার ৭০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নিয়েছে ৭ হাজার ২৬৪ কোটি টাকা। আর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নিয়েছে ৩ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সরকার সবচেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে গভর্নমেন্ট সিকিউরিটিজ ও ট্রেজারি বিল খাতে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, গত ২১শে মে পর্যন্ত সরকারের কাছে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নেয়া আছে ৭১ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা। আর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নিয়েছে ২৭ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত, গত অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে সরকার ৫ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে কোনও ঋণই নিতে হয়নি সরকারকে। বরং ওই অর্থবছরে আগের বাকি থাকা ১৮ হাজার ২৯ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল সরকার।
সরকারের প্রয়োজন মেটাতে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ঋণ নেয়া হয়। যদি ৯১ দিন, ১৮২ দিন ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি বিলের মাধ্যমে ঋণ নেয়, তাহলে সেটা স্বল্পমেয়াদি ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই ধরনের ঋণের বিপরীতে সুদহার হচ্ছে সাড়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশ। আর বন্ডের মাধ্যমে সরকার ২ বছর, ৫ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর ও ২০ বছর মেয়াদি ঋণ নেয়। এ ধরনের ঋণে সুদহার ৬.৩২ থেকে ৮ শতাংশ।
এদিকে ব্যাংক থেকে ঋণ পাচ্ছে না বেসরকারি খাত। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত এপ্রিলে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ ছিল ১২.০৭ শতাংশ। যা গত ৫৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৪ সালের আগস্টে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ ছিল ১১.৩৯ শতাংশ। প্রতিবেদন বলছে, গত এপ্রিলে বেসরকারি খাতের ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৯ কোটি টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৮ লাখ ৮১ হাজার ৫১০ কোটি টাকা।
জানা গেছে, জাতীয় সঞ্চয় স্কীমগুলোর মুনাফার হার বেশি হওয়ায় এ খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ বেশি আসছিল। যে কারণে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণনির্ভরতা কমছিল। এখনও সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বজায় থাকলেও অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে কেনাবেচা চালুর পর সমপ্রতি সরকারের ব্যাংক ঋণ বাড়তে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বড় ধরনের সংস্কারের আওতায় আসছে সঞ্চয়পত্র খাত। এরই অংশ হিসেবে ১লা জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সারা দেশে অনলাইনে লেনদেন। এছাড়া স্থাপন করা হচ্ছে সঞ্চয়পত্র ক্রেতাদের তথ্য সংক্রান্ত ডাটাবেজ। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রের ক্রেতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রণয়ন করা হচ্ছে কঠোর নীতিমালা। যার মধ্য দিয়ে সঞ্চয়পত্র বেচাকেনায় নিরুৎসায়ী করা হচ্ছে।
এর ধারাবাহিকতায় আসন্ন বাজেটে তা কমিয়ে সঞ্চয়পত্র খাত থেকে মাত্র ৩০ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা চলতি বাজেটে ছিল ৪২ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বছরের তুলনায় ১২ হাজার কোটি টাকা কম। তবে সঞ্চয়পত্রের বর্তমান সুদহার অপরিবর্তিত থাকছে। সঞ্চয়পত্র খাতে কালো টাকা বিনিয়োগ রোধ, ধনী ও করপোরেট শ্রেণীর হাত থেকে সঞ্চয়পত্রকে রক্ষা, ঋণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরানো ও অধিক সুদ পরিশোধে বাজেটের ওপর সৃষ্ট অতিরিক্ত চাপকে হ্রাস করতেই মূলত নানামুখী সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে সঞ্চয়পত্রসহ সব ধরনের জাতীয় সঞ্চয় স্কিম থেকে সরকারের নিট ঋণ এসেছে ৩৯ হাজার ৭৩৩ কোটি টাকা। এবারের বাজেটে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা নিট ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য ঠিক করেছিল।
প্রসঙ্গত সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকদের কমপক্ষে প্রতি দুই মাস অন্তর সুদ দিতে হয়। এ কারণে অর্থনীতির পরিভাষায় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রিকে সরকারের ‘ঋণ’ বা ‘ধার’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সে হিসাবে ৯ মাসে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৯ হাজার ৭৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে। এই ঋণের বিপরীতে গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা। এছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ খাতে সুদ পরিশোধ করতে হয়েছে ২১,৭৫১ কোটি টাকা এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৫,৬২৫ কোটি টাকা সুদ গুনতে হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে বছরে সঞ্চয়পত্রের ঋণের সুদ-আসল বাবদ সরকারকে ব্যয় করতে হচ্ছে ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় বছরে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হয় তার থেকেও এ ব্যয় ১ হাজার কোটি টাকা বেশি। তাই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের লাগাম টানতে এ খাতে বিনিয়োগে কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে।
সমপ্রতি অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, সঞ্চয়পত্রের সুদে হাত দেব না। সুদের হার কমাবো না। তবে এই খাতে কিছু সংস্কার করা হবে। কারণ কিছু অবৈধ টাকা এখানে বিনিয়োগ হচ্ছে। এর পরপরই পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে শুধু ঢাকা শহরে চলতি মাস থেকে অনলাইনে সঞ্চয়পত্র বেচাকেনা শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ক্রেতাদের টিআইএন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও মোবাইল ফোন নম্বর সংযুক্ত করা। এতে সঞ্চয়পত্র কেনাবেচায় ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।
অর্থসচিব আবদুর রউফ তালুকদার বলেন, সঞ্চয়পত্র বিক্রির ক্ষেত্রে সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। যা আগামীতে সঞ্চয়পত্র খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, গত কয়েক বছর ধরেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি বাড়ছে। ২০১১-১২ অর্থবছরে মোট সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণ ছিল ১৮,৯৫৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ২০১২-১৩ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৩,৩২৭ কোটি টাকা। ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫ এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিক্রির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ২৪,৩১০ কোটি, ৪২,৬৬০ কোটি এবং ৫৩,৭১২ কোটি টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৭৫,১৩৫ কোটি টাকা। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিক্রি হয় ৭৮,৭৮৫ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র।
আগামী ১৩ই জুন জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করা হবে। এবারের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকার মতো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাটছাঁট করে বাজেট পাস হচ্ছে আজ

বিষয়গুলোর মধ্যে প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষায় কোম্পানিগুলোকে ক্যাশ ডিভিডেন্ডে উৎসাহিত করার জন্য স্টক ডিভিডেন্ডের ওপর ১৫ শতাংশ হারে কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, এ বিষয়ে ব্যবসায়ী সমাজের কেউ কেউ আপত্তি জানিয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর জন্য ব্যাংকগুলো নগদ লভ্যাংশ দিতে পারে না। তিনি বলেন, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের এরূপ মন্তব্যের পাশাপাশি পুঁজিবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ আমাদের ভাবতে হবে। কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীও নগদ লভ্যাংশ প্রত্যাশা করে।
তাই নতুন প্রস্তাবে স্টক ডিভিডেন্ডের সঙ্গে সমান হারে নগদ লভ্যাংশও দেয়ার প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী।
বলেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আমি প্রস্তাব করছি, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি যে পরিমাণ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করবে, কমপক্ষে তার সমপরিমাণ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করতে হবে। যদি কোম্পানির ঘোষিত স্টক লভ্যাংশের পরিমাণ নগদ লভ্যাংশের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে স্টক লভ্যাংশের উপর ১০ শতাংশ হারে কর প্রস্তাব করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, নগদ লভ্যাংশ উৎসাহিত করায় আমরা আরো প্রস্তাব করেছিলাম, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি রিটেইন আর্নিং, রিজার্ভ থাকলে অতিরিক্ত রিটেইন আর্নিং, রিজার্ভের উপর অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে।
এ বিষয়েও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তারা কেউ কেউ আপত্তি করেছেন, মন্তব্য করে তিনি বলেন, সেই প্রেক্ষাপটে এই ধারাটির আংশিক সংশোধনপূর্বক আমি প্রস্তাব করছি, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি কোনো অর্থবছরে কর পরবর্তী নিট লাভের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ রিটেইন আর্নিং, ফান্ড, রিজার্ভে স্থানান্তর করতে পারবে। অর্থাৎ কমপক্ষে ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে হবে। যদি কোনো কোম্পানি এরূপ করতে ব্যর্থ হন তাহলে প্রতিবছরে রিটেইন আর্নিং, ফান্ড, রিজার্ভের মোট অর্থের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, উপরোক্ত বিষয়গুলো বিচার-বিশ্লেষণ করে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত আয়কর আইনের প্রস্তাবিত ধারাগুলো আমরা বিবেচনা করবো।
ভ্যাটের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু পরিবর্তনের সুপারিশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় পর্যায়ে একাধিক মূসক হার প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৫ শতাংশের নিম্নহারের উপকরণ কর রেয়াত দেয়ার সুযোগ না থাকায় ব্যবসায়ীরা হ্রাসকৃত হারের পরিবর্তে উপকরণ কর গ্রহণ করে ১৫ শতাংশ হারে কর প্রদানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য দাবি করেছে।
হ্রাসকৃত হারের পাশাপাশি কেউ চাইলে যেন ১৫ শতাংশ কর দিয়ে রেয়াত পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে আইনে সেই বিধান আনার প্রস্তাব করছি।
দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করে তাঁত শিল্পে ব্যবহৃত সুতা শিল্পের উপর ৫ শতাংশ মূসকের পরিবর্তে প্রতি কেজি সুতায় ৪ টাকা হারে সুনির্দিষ্ট করের প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশীয় শিল্পের প্রতিরক্ষণ, প্রণোদনা প্রদানে প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে শুল্কহার হ্রাস-বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে এর ফলে দেশীয় কাগজ ও গ্যাস উৎপাদনকারী শিল্পসহ অন্যান্য শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। দেশীয় মুদ্রণ শিল্পের প্রণোদনা প্রদান ও বন্ড ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধকল্পে দেশে উৎপন্ন হয় না এমন পেপারগুলোর শুল্কহার যৌক্তিক করা হবে। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি পর্যায়ে কিছু ক্ষেত্রে শুল্কহার পুননির্ধারণ করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
জানা গেছে, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকের টিআইএন (কর শনাক্তকরণ নম্বর) নেয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর আবেদনের পর সরকার এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া আরো কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে যেসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিতে অগ্রিম কর বাবদ যে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিলো তা বাদ দেয়া হচ্ছে। বাতিল নয়, কিছুটা কমিয়ে নির্ধারণ করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যবসা) ও ভার্চুয়াল বিজনেস বা অনলাইনে পণ্য বেচাকেনাসহ বেশকিছু খাতের ভ্যাট। নতুন বাজেটে এসব খাতে সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
নতুন অর্থবছরের বাজেটে সিমেন্টের কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ১৫ শতাংশের পাশাপাশি ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর ধরা হয়েছে। ফলে এ খাতে নতুন করে ভ্যাট দাঁড়াবে ২০ শতাংশ। এতে ব্যাগপ্রতি সিমেন্টের দাম ৪২ টাকা বাড়বে। বাজেটে রড শিল্পের ওপর ৬৫০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। এর প্রভাবে টনপ্রতি রডের দাম বাড়বে প্রায় ১২ হাজার টাকা। এতে মধ্যবিত্তের গৃহনির্মাণে খরচ বাড়বে, একই সঙ্গে সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বিশেষ করে সরকারের মেগা প্রকল্প ও আবাসন খাত সমস্যায় পড়বে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এবং একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশার কথা ভেবে এ খাতে অগ্রিম আয়কর তুলে নেয়া হতে পারে।
জানা গেছে, ব্যাপক দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সঞ্চয়পত্রে বর্ধিত উৎসে কর প্রত্যাহার করা হতে পারে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এবারের বাজেটে সবচেয়ে সমালোচিত বিষয় এটি। বাড়তি এই কর আরোপের ফলে সমাজের মধ্যবিত্ত, অবসরভোগী ও ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের আয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে। এটি নিয়ে সংসদে সরকার দলীয় সদস্যরাও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও দাবি উত্থাপন করেছেন যাতে এটি চূড়ান্তভাবে আরোপ করা না হয়। তাই সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর বর্ধিত উৎসে কর প্রত্যাহার করা হতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘হুকুম মানার’ অর্থনীতি বাতিল চান প্রফেসর ইউনূস

তিনি বলেন, গন্তব্য খুব কাছে নয়।
আমাদের গন্তব্য পৃথিবীকে বাঁচানো। যদিও আমাদের হাতে সময় নেই। অনেকে অনেক রকম তত্ত্ব হাজির করেন। বলেন, ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যেই নাকি তারা পরিবর্তন দেখবেন। আসলে এসব কল্পনা মাত্র।
তিনি বলেন, সামাজিক ব্যবসা হলো মানুষের সামাজিক দিকটাকে আবিষ্কার করা এবং ব্যবহার করা। এটা চ্যারিটি না, অনুদানও না। এখানে আমার টাকা আমার কাছে ফিরে আসে। কিন্তু কাজটি আমি এমনভাবে করছি তা পুরোপুরি মানুষের স্বার্থে। মানুষের সমস্যা সমাধানের জন্য।
৫৯টি দেশের ১৫০০ প্রতিনিধির উদ্দেশ্যে প্রফেসর ইউনূস বলেন, এই মুহূর্তে সামাজিক ব্যবসা আন্দোলনে নতুন এক মাত্রা যোগ হয়েছে। আমি দাবি করি না সামাজিক ব্যবসা সফল হয়েছে। আমরা বীজ রোপণ করেছি মাত্র। আস্তে আস্তে বীজে পাতা খুলছে। এটি শাখা-প্রশাখা হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছায়নি। তবে বলতে পারেন অর্ধেক পৃথিবীর মানুষের মধ্যে প্রচণ্ড রকম আগ্রহ তৈরি করতে পেরেছে।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, আমাদের কারও কাছে যাওয়ার দরকার নেই। পুঁজিবাদী ব্যবস্থার মধ্যেও আপনি কোনো সুখ পাবেন না। তাই কারও কাছে গিয়ে লাভ নেই। সরকার কিংবা জাতিসংঘ কারও কাছেই গিয়ে লাভ হবে না।
তিনি বলেন, আপনার শক্তি আছে, আপনার বুদ্ধি আছে, নিজেই আবিষ্কার করে বুদ্ধি কাজে লাগান। মনে রাখবেন প্রত্যেক মানুষের ভেতরে জাদুকরি ক্ষমতা রয়েছে। মানুষ পারে না এমন কিছু নেই। যোগ করেন সামাজিক ব্যবসার এই জনক। বলেন, টাকার সন্ধানে ব্যস্ত থাকাটা হ্যাপিনেস না। মানুষের কল্যাণ সাধনই সুপার হ্যাপিনেস।’
তিনি বলেন, অর্থনীতি শুরু হয় এমন একটি মানুষকে কল্পনা করে যে মানুষটি নিজের স্বার্থে কাজ করে। সেই মানুষের মধ্যে কোনো সামাজিক মাত্রা নেই। সে শুধু নিজের জন্য কাজ করে। অথচ মানুষ একটি সামাজিক জীব। সে সমাজ ছাড়া চলতে পারে না। সামাজিক চিন্তাকে বাদ দিয়ে চলতে পারে না। কিন্তু চলমান অর্থনীতি তার সেই চিন্তাকে ছাঁটাই করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, অর্থনীতিকে সামাজিক বিজ্ঞান বলা হয়, এটিও আসলে ঠিক না। এখানে সমাজ নিয়ে কোনো বিষয় নেই। এখানে ব্যক্তির স্বার্থেই সবকিছু। ব্যক্তির স্বার্থের অর্থনীতিকে আমরা সামাজিক বিজ্ঞান বলতে যাবো কেন?
সামাজিক ব্যবসা নিয়ে পৃথিবীজুড়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ার তথ্য জানিয়ে প্রফেসর ইউনূস বলেন, বিদ্যমান অর্থনীতির মধ্যে মানুষ কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছে না। সবাই চিন্তিত। সামনে কি হবে? এখানে সামাজিক ব্যবসা একটা পথ দেখাচ্ছে। সেই পথ তৈরির কাজটি আমাদেরই করতে হবে। ব্যক্তিকেই করতে হবে। মানুষের হাতেই আসল ম্যাজিক। মানুষকেই সেই কাজটি করতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রিটেনের প্রাথমিক বিদ্যালয়: শিক্ষা যেখানে আনন্দ by কাজী রুনা

বৃটেনের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বাচ্চাদের কোন পরীক্ষা দিতে হয় না। এমনকি মুখস্থ বিদ্যার বিষয়টা এখানকার বাচ্চারা বোঝেও না। এখানে একটি শিশুর স্কুল শুরু হয় তিন বছর থেকে। তিন থেকে পাঁচ এই ২ বছর তারা নার্সারি ও রিসিপশন শেষ করে ইয়ার ওয়ান শুরু করে। এগার বছরে তারা পড়ে ইয়ার সিক্সে। পুরো প্রাইমারিতে কোন পরীক্ষা পদ্ধতি নাই। মুলত ইয়ার সিক্সে গিয়ে তাদের পরীক্ষায় বসতে হয়। তাই প্রাইমারি স্কুলের সময়টা প্রতিটা বাচ্চার জন্য স্বপ্নময় জগৎ। এদেরকে কাধে বহন করতে হয় না ভারী কোন ব্যাগ। বই খাতা কলম পেন্সিল সব কিছু স্কুল থেকে দেয়া হয়। আবার সেগুলো স্কুলেই রেখে দেয়া হয়। ছোটদের ক্লাশে বেশির ভাগই ধাধা মেলানো, লেগো দিয়ে নতুন কিছু তৈরি, ছবি আঁকা, রং করা এসবের মধ্য দিয়ে শেখানো হয়। বৃটেনের স্কুলগুলোতে ছোটকাল থেকেই বাচ্চাদের নারী-পুরুষ বৈষম্যহীনতার শিক্ষার সংস্কৃতি চালু করে খেলনা ব্যবহারের মধ্য দিয়ে। ডেভিডসন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফারজানা বেগম জানান, বৃটেনে বাচ্চারা যখন খেলে তখন ছেলে মেয়ে হিসেব করে বল বা হাড়িপাতিল দেয়া হয় না বরং এখানে সবাই সব কিছু নিয়ে খেলতে পারে। এখানে ইংরেজি, অংক , বিজ্ঞান, ভূগোল যেমন পড়ানো হয় তেমনি বাস্তববাদি শিক্ষার ওপরও জোর দেয়া হয়। এখানে শারিরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক। প্রতিটা বাচ্চাকে সাঁতার শেখানোর আইনগত বাধ্যবাধকতা আছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্পোর্টস ক্লাবে ভর্তি করানো হয় স্কুলের মাধ্যমেই। শেখানো হয় নাচ, গান। যে বাচ্চা যে দিকে পারদর্শী সেটা বিবেচনায় নিয়ে তাকে সেভাবেই গড়তে চায় এখানকার শিক্ষকরা। ফারজানা বেগম বলেন, তাদের মূল্য লক্ষ্য সামাজিকতা, নৈতিকতা শিক্ষার মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠতে শিশুকে সাহায্য করা।
ফারজানা বেগমের শেকড় বাংলাদেশে যদিও তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে খুব ভালো জানেন না। তাই তার কৌতূহলি প্রশ্ন ছিলো সেখানে এরকম আনন্দদানের মাধ্যমে পড়ানো হয় কিনা। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতা ভিন্ন। বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষানীতিতেও আনন্দময় পরিবেশে শিশুদের মানসিক ও শারিরিক বিকাশের উপযোগি শিক্ষা প্রদানের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এসব নীতি শুধু কাগুজে বিধান ছাড়া আর কিছু নয়। দেশে প্রাক-প্রাথমিক বা প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের ওপর পড়াশোনার চাপ যেন সবচেয়ে বেশি। সরকারের জাতীয় শিক্ষা নীতিতে যে খেলাধুলা, শারিরিক ব্যায়াম, সাংস্কৃতিক, বিনোদন ও অবকাশ যাপনের সমান সুযোগ রয়েছে। কিন্তু একমাত্র পড়াশোনা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে বেশিরভাগ অভিভাবকেরই আগ্রহ নাই। বেশিরভাগ অভিভাবকরা চায় শিশুরা শুধু পড়াশোনা করুক। পড়াশোনার প্রতিযোগিতার চাপে শিশু বয়সে হারিয়ে যায় তার সৃষ্টিশীলতা। বৃটেনেসহ ইউরোপের দেশগুলোতে খেলার মাঠ ছাড়া কোন স্কুল কল্পনা করা যায় না। অথচ আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যে উদয়ন স্কুল তারই খেলার মাঠ নেই। প্রতিটি শিশু তার জীবনের মূল্যবান ৫টি বছর কাটাচ্ছে খেলার মাঠ ছাড়াই!
লন্ডনে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন রেবেকা ইকবাল। তার দুই ছেলে মেয়ে এরই মধ্যে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে হাইস্কুলে পড়ছে। তিনি জানালেন বাংলাদেশের সাথে বৃটেনের শিক্ষা ব্যবস্থার পার্থক্য অনেক। বিশেষ করে চাপমুক্তভাবে শিশুদের শেখানোর পদ্ধতির কারণে এখানকার অভিভাবকদের কোন চিন্তা করতে হয় না বলে মনে করেন তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা করেছে, শিশুদের ওপর পড়াশোনার চাপ কমাতে আগামি বছর থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোন পরীক্ষা নেয়া হবে না। পরীক্ষার চাপে যেন শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেজন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সরকার জানিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বলছে, উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা করার জন্য এ উদ্যোগ। কিন্তু শুধু একটা শ্রেনি পর্যন্ত পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল করলে শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো সম্ভব নয়। শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর প্রধান শর্ত শিশুর বিকাশ ও বিকাশের জন্য প্রায়োগিক সব কিছুর ব্যবস্থা করা। এর মাধ্যমে শিশুরা জ্ঞানার্জন করবে আনন্দের সঙ্গে। আর তা না হলে পড়াশোনার চাপে হারিয়ে যাবে শিশুর সোনালি শৈশব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউরোতে পরিশোধ করলেও এস-৪০০ চুক্তির উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা শেষ হবে না: সাবেক ভারতীয় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

কাউশিশ অবশ্য এটাও বলেছেন যে, এটা ভালো যে দুই শেষ মূল্য পরিশোধের জন্য একটা মেকানিজমের ব্যাপারে একমত হয়েছে, যেটা প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবায়নেই শুধু সাহায্য করবে না, বরং চলমান চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বাধাও এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভব হবে”।
কাউশিশ জোর দিয়ে বলেন, “তবে এটার কারণে সিএএটিএসএ’র অধীনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের যে বাধ্যবাধকতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে, সেটার আশঙ্কা কমবে না বা দূর হবে না”।
ভারতের প্রতিরক্ষা অডিট অফিসে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন কাউশিম। তিনি বলেন, ভারত যেহেতু রাশিয়ার সাথে তাদের ৫.৪৩ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি থেকে পিছু হটবে বলে মনে হচ্ছে না, সেখানে এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিষেধাজ্ঞার মাত্রা কমিয়ে আনবে না কি অন্য কোন বিকল্প পথে তারা সেটা আরোপ করবে।
কাউশিশ আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ কেনার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত সম্প্রতি যে বিবৃতি দিয়েছে, এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওয়ের সাথে বৈঠকের পরও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে যে কথা বলেছেন, তাতে আমার মনে হচ্ছে এই বিষয়টি এখানেই শেষ হয়ে যায়নি”।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের বৈঠকের ব্যাপারে জাপানের ওসাকাতে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব গোখলে আবারও এস-৪০০ কেনার ব্যাপারে ভারতের অবস্থানের উপর জোর দিয়ে বলেছেন যে, তাদের সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয়নি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওয়ের সাথে বসে জয়শঙ্কর বলেছেন যে, চুক্তির ব্যাপারে নয়াদিল্লী তাদের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে।
একই সাথে, রাশিয়ার ফেডারেল সার্ভিস ফর মিলিটারি-টেকনিক্যাল কোঅপারেশান বুধবার বলেছে যে, আমাদের অংশীদারের সাথে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের পরেই ভারতকে এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ মিসাইল সিস্টেম সরবরাহ করা শুরু হবে”। তারা আরও জানিয়েছে যে, এ ব্যাপারে মূল্য পরিশোধের বিষয়টির সমাধান হয়ে গেছে।
ভারত ও রাশিয়া ২০১৮ সালে এস-৪০০ সিস্টেম সরবরাহের জন্য ৫.৪৩ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে। ট্রাম্প প্রশাসন হুমকি দিয়ে বলেছে যে, ভারত যদি এই সিস্টেম কেনে, তাহলে সিএএটিএসএ’র অধীনে তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপালে শি জিনপিং, সতর্ক দিল্লী by বিশ্বাস বড়াল

সিনো-ভারত সম্পর্কের অবস্থা যা-ই হোক, এ অঞ্চলে অন্য দেশগুলোর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে লেনদেনের ক্ষেত্রে তাদেরকে একে-অপরের সহযোগিতা করতে কমই দেখা গেছে। ভারতের আমলা এবং কৌশলগত চিন্তকরা এখনও এই ধারণা থেকে বের হতে পারেননি যে, দক্ষিণ এশিয়াকে ‘গিলে খাচ্ছে’ চীন। সে কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনকে স্বাগত জানাতে মোদিকে বেগ পেতে হবে।
তাছাড়া, নয়াদিল্লী এমন ভাবছে বলে মনে হয় যে, দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিবেশী ভূ-রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ চীনের চেয়ে দূরের দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মানিয়ে চলাটা অনেক সহজ যদিও তাদের উপর সবসময় আস্থা রাখার উপায় নেই। এ কারণেই ভারত যদিও দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে কখনই পুরোপুরি জায়গা ছেড়ে দেবে না, তবে তাদের মধ্যে চীন-বিরোধী সহযোগিতা আগামীতে আরও তীব্র হতে পারে।
বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট শি মাস তিনেকের মধ্যে নেপালে আসার পর এটাই হবে বাস্তবতা। চীনারা নেপালের রাজনীতিবিদ ও আমলাদের ধীর গতির কারণে অসন্তুষ্ট, যেটা নেপালে চীনা অর্থায়নের প্রকল্পগুলোর অগ্রগিত ব্যাহত করছে। তাছাড়া কাঠমাণ্ডুতে রিং রোড সম্প্রসারণের সমালোচনার বিষয়টিও ভালোভাবে নেয়নি চীন। চমৎকার একটা সড়ক বানিয়ে দিয়েছে তারা! নেপালীদের ধন্যবাদ জানাতে এত অনীহা কেন?
কিন্তু চীনের জন্য তাদের কর্তৃত্বের শক্তি দেখানোর সময়ও এসেছে। আমেরিকান ও ভারতীয়দের তারা এটা দেখাতে চায় যে, চীন তাদের কোষাগার খুললে নেপালে তাদের পরিকল্পনাগুলো গতি পাবে। এটা কোন কাকতালীয় ব্যাপার নয় যে, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্প্রতিককালে বার বার টুইটে চীন ঋণের ফাঁদের প্রচারণাকে একটা প্রতারণা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ঠিক যেন আমেরিকানদের চুপ রাখার জন্য ওলি সরকার বারবার নেপালের সাথে উত্তর কোরিয়ার অবৈধ ব্যবসায়ের অভিযোগ নাকচ করে দিচ্ছে। আমরিকানরা অবশ্য চাইবে যাতে কাঠমাণ্ডুর উত্তর কোরিয় দূতাবাসটাই বন্ধ করে দেয়া হয়।
শির সফরের পরপরই কি কাঠমাণ্ডুতে চীনা রেলওয়ের বিষয়টি বাস্তবে রূপ নেবে? সে সম্ভাবনা কম। যেহেতু ভারতের বাজারই চীনের চূড়ান্ত লক্ষ্য, তাই ভারতের দিক থেকে নেপালের রেলওয়ে উত্তর প্রদেশ ও বিহার পর্যন্ত সম্প্রসারণের আশ্বাস পাওয়া না গেলে নেপালে রেলওয়ে বিস্তৃত করে চীনের কোন লাভ হবে না। তাই নেপালে পুরোপুরি অনুদান-ভিত্তিক রেলওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা নেই। তবে শি-এর কাঠমাণ্ডু সফরকালে হয়তো বহু বড় ধরনের দ্বিপাক্ষিক প্রকল্পের ঘোষণা আসতে পারে, যেগুলো চীনের জন্য অর্থনৈতিক ও ভূ-কৌশলগত উভয় সুবিধাই নিয়ে আসবে।
চীনা প্রেসিডেন্টের নেপাল সফর এবং যে সব প্রকল্প তিনি নিয়ে আসবেন, সেগুলো সন্দেহাতীতভাবে ভারতীয় ও আমেরিকানদের উদ্বিগ্ন করবে। এখানে পাল্টা পদক্ষেপ আসতে বাধ্য। নেপাল হয়তো একইসাথে বিআরআই এবং ইন্দো-প্রশান্ত ক্লাব – এই দুইয়ের সদস্য হওয়ার উত্তাপটা টের পাবে। আমরা শুধু আশা করতে পারি যে, নেপাল সরকারের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতারা যেন বোঝেন যে তারা কি করতে যাচ্ছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত থেকে এবার হজে যাচ্ছে রেকর্ড সংখ্যক নারী by আশীষ বিশ্বাস

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, হজ ব্যবস্থাপনায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় এনডিএ জোট সরকারের নেওয়া পদক্ষেপে সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভুক্তমূলক ব্যবস্থার ইঙ্গিত মিলছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা দিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বিষয়ে আরও সর্বব্যাপী উদ্যোগ নেবে নতুন সরকার। সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের ব্যবধান ঘুচিয়ে আনারও ইঙ্গিত দেন তিনি।
ভারত সরকারের এমন আনুষ্ঠানিক উদ্যোগের কথা এমন এক সময়ে জানা গেল যখন দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হামলার খবর সামনে আসছে। তবে আশার কথা হলো এধরনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা কমেছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে সাম্প্রদায়িক প্রকৃতির ঘৃণাবাদী হামলার খবরও পাওয়া যাচ্ছে। ‘জয় শ্রীরাম’ না বলার ঘটনাও ঘটেছে রাজ্যটিতে। তবে এই ঘটনাকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে রাজ্য সরকার। হামলার শিকার ব্যক্তিদের ৫০ হাজার রুপি অনুদানের ঘোষণা করা হয়েছে।
উগ্র ডানপন্থীদের এসব হামলার ঘটনায় রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের কঠোর অবস্থানের কারনে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সমাজবিরোধী এধরনের হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক চারুব্রত চৌধুরী বলেন, সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি সন্তোষজনক না হলেও এ ধরণের ঘৃণ্য কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কেন্দ্র সরকারের কঠোর অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাজেট থেকে প্রত্যেকে উপকৃত হবে: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আজ শনিবার আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। শনিবার বাজেট আলোচনা শেষে অর্থবিল ২০১৯ পাস হয়। এবার মোট ২৭০ জন সাংসদ আলোচনায় অংশ নেন।
বাজেটকে জনবান্ধব, উন্নয়নমুখী ও সুষম বাজেট উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়া আর আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার পূরণের কার্যকর মাধ্যম এই বাজেট।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষায় আমরা কোম্পানিগুলোকে ক্যাশ ডিভিডেন্ডে উৎসাহিত করার জন্য স্টক ডিভিডেন্ডের ওপর ১৫ শতাংশ হারে কর আরোপের প্রস্তাব করেছিলাম। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী সমাজের কেউ কেউ আপত্তি জানিয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর জন্য ব্যাংকগুলো নগদ লভ্যাংশ দিতে পারে না। ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের এমন মন্তব্যের পাশাপাশি পুঁজিবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ আমাদের ভাবতে হবে। কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীও নগদ লভ্যাংশ প্রত্যাশা করে।
শেখ হাসিনা বলেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আমি প্রস্তাব করছি যে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি যে পরিমাণ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করবে, কমপক্ষে তার সমপরিমাণ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করতে হবে। যদি কোম্পানির ঘোষিত স্টক লভ্যাংশের পরিমাণ নগদ লভ্যাংশের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে স্টক লভ্যাংশে ওপর ১০ শতাংশ হারে কর প্রস্তাব করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, নগদ লভ্যাংশ উৎসাহিত করায় আমরা আরও প্রস্তাব করেছিলাম যে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি রিটেইন আর্নিং, রিজার্ভ থাকলে অতিরিক্ত রিটেইন আর্নিং, রিজার্ভের ওপর অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে। এ বিষয়েও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তারা কেউ কেউ আপত্তি করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই প্রেক্ষাপটে এই ধারাটির আংশিক সংশোধনপূর্বক আমি প্রস্তাব করছি যে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি কোনো অর্থবছরে কর পরবর্তী নিট লাভের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ রিটেইন আর্নিং, ফান্ড, রিজার্ভে স্থানান্তর করতে পারবে। অর্থাৎ কমপক্ষে ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে হবে। যদি কোনো কোম্পানি এটা করতে ব্যর্থ হন তাহলে প্রতিবছরে রিটেইন আর্নিং, ফান্ড, রিজার্ভের মোট অর্থের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে। এ বিষয়গুলো বিচার-বিশ্লেষণ করে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত আয়কর আইনের প্রস্তাবিত ধারাগুলো আমরা বিবেচনা করব।
মূসকের ক্ষেত্রেও কিছু পরিবর্তনের সুপারিশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় পর্যায়ে একাধিক মূসক হার প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৫ শতাংশের নিম্নহারের উপকরণ কর রেয়াত দেওয়ার সুযোগ না থাকায় ব্যবসায়ীরা হ্রাসকৃত হারের পরিবর্তে উপকরণ কর গ্রহণ করে ১৫ শতাংশ হারে কর প্রদানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য দাবি করেছে। হ্রাসকৃত হারের পাশাপাশি কেউ চাইলে যেন ১৫ শতাংশ কর দিয়ে রেয়াত পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে। আইনে সেই বিধান আনার প্রস্তাব করছি।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশীয় শিল্পের প্রতিরক্ষণ, প্রণোদনা প্রদানে প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে শুল্কহার হ্রাস-বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে সে ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে এর ফলে দেশীয় কাগজ ও গ্যাস উৎপাদনকারী শিল্পসহ অন্যান্য শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। দেশীয় মুদ্রণ শিল্পে প্রণোদনা প্রদান ও বন্ড ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ কল্পে দেশে উৎপন্ন হয় না, এমন পেপারগুলোর শুল্কহার যৌক্তিক করা হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি পর্যায়ে কতিপয় শুল্কহার পুনঃ নির্ধারণ করা হবে।
দরিদ্র প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করে তাঁতশিল্পে ব্যবহৃত সুতাশিল্পের ওপর ৫ শতাংশ মূসকের পরিবর্তে প্রতিকেজি সুতায় ৪ টাকা হারে সুনির্দিষ্ট করের প্রস্তাব করেন সংসদ নেতা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর্থিক খাতে সার্বিক শৃঙ্খলা আনতে বাজেটে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের কথা বলা হয়েছে। খেলাপি ঋণ কমাতে অর্থমন্ত্রী যে উদ্যোগী ঘোষণা দিয়েছেন, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী সুপারিশ করেন, যেন ব্যাংক ঋণের ওপর সুদের হার এক অঙ্কে রাখতে যথার্থ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তিনি বলেন, এটি করা হলে দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতকে সক্ষম করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। উচ্চ হারে সুদ থাকলে শিল্প বিকশিত হবে না। এ জন্য এই ব্যবস্থা নিতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ অত্যন্ত সময়োপযোগী। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্থ প্রেরণে দুই শতাংশ প্রণোদনার প্রস্তাবে রেমিট্যান্স পাঠানোর বর্ধিত ব্যয় লাঘব হবে। প্রবাসী কর্মীরা বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হবেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিমা সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনাও সরকারের আছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক দ্রুত বিকাশমান ও সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত। তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অর্থ বছরে এক শতাংশ প্রণোদনার যে প্রস্তাব করা হয়েছে তা যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এতে তৈরি পোশাক খাত আরও বিকশিত হবে। কর্মসংস্থানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ১০ বছরে যে অভূতপূর্ব উন্নতি করছে তা দেশে বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সরকারের একটি বড় সাফল্য। দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে বলেই বাজেটে বৈদেশিক অনুদান মাত্র দশমিক ৮ শতাংশ।
দুর্নীতিকে দেশের জন্য একটি বড় সমস্যা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে যারা ক্ষমতায় আসে তারা নিজেরাও দুর্নীতির আশ্রয় নেয়। সমাজে দুর্নীতিটাকে তারা ব্যাধির মতো ছড়িয়ে দেয়। এটা মানুষের একটি মানসিক রোগে পরিণত হয়ে যায়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর নীতি জিরো টলারেন্স। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ লক্ষ্যে এক গুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব বাজেটে উপস্থাপন করা হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ সহজ করা হয়েছে। এক শ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে চলছে। দেশ-বিদেশ থেকে প্রচুর বিনিয়োগের প্রস্তাব আসছে। এগুলো কর্মসংস্থানে ব্যাপক অবদান রাখবে। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতকে অগ্রাধিকার ও বৈষম্য হ্রাসকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক সব ক্ষেত্রে দূরদর্শী সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে সামগ্রিক অর্থনীতি স্থিতিশীল। বাজেটে যে ঘাটতি তা সহনশীল। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পর্যাপ্ত, মুদ্রা বিনিময় হার বাণিজ্য সহায়ক। বাজেট ঘাতটি সব সময় ৫ শতাংশ ধরে রাখা হয়েছে, কখনো কখনো এর চেয়ে কমও হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নয়, ২৯টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে বাজেটে ৮৭ হাজার ৬২০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা মোট বরাদ্দের ১৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তিনি বলেন, কওমি মাদ্রাসার কারিকুলাম ঠিক করে মূল ধারায় আনা হয়েছে। এতে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা দেশে বিদেশে চাকরি পাবে।
শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ২০২৩-২০২৪ সালে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত করা, মাথা পিছু আয় ২ হাজার ৭৫০ ডলার, রপ্তানি ৭২ বিলিয়ন ডলার, বিদ্যুৎ সরবরাহ ২৮ হাজার মেগাওয়াট ও অতি দারিদ্র্যের হার ৪ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। এবারের বাজেট এসব লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তার প্রমাণ গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন। মানুষ আস্থা রেখেছে বলেই আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে।
![]() |
| প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা, ২৯ জুন। ছবি: পিআইডি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাকির নায়েককে ফেরত আনতে ভারতের চেষ্টা, আগের সিদ্ধান্তে অটল মালয়েশিয়া

তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়ে দেন যে ভারতের অনুরোধ প্রত্যাখানের অবস্থান থেকে মালয়েশিয়া সরকার সরে যায়নি। মালয়েশিয়া জাকির নায়েককে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা দিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ভারত সরকারের কাছ থেকে আমরা আবেদন পেয়েছি। তবে তখন আবেদনটি পাওয়া গেছে তা বলতে পারছি না। এখন পর্যন্ত নতুন কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা আমাদের মূল সিদ্ধান্তে অটল রয়েছি।
মানি লন্ডারিং অভিযোগে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট ড. জাকিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। তার আগে সংস্থাটি জানায় যে তারা মালয়েশিয়ার কাছে ড. জাকিরকে ফেরত চাইবে।
মানি লন্ডারিং বিষয়ক ভারতের বিশেষ আদালত (পিএমএলএ) জাকির নায়েককে শুনানিতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়।
কিন্তু ড. জাকির বলছেন যে তিনি দণ্ডিত না হওয়া পর্যন্ত মুক্ত থাকতে পারবেন এ ব্যাপারে লিখিত গ্যারান্টি পেলেই শুধু আদালতের সামনে হাজির হবেন।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তুন ড. মাহাথির মোহাম্মদ এর আগে অস্ট্রেলিয়ার উদাহরণ দিয়ে বলেন যে তার দেশ চাইলে ভারতের এক্সট্রাডিশন অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করতে পারে। মঙ্গোলিয়ার নাগরিক আলতানতুইয়া শারিবুকে হত্যার অভিযোগে বিচারের জন্য মালয়েশিয়া তার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা সিরুল আজহার ওমরকে ফেরত চাইলে অস্ট্রেলিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে।
২০১৬ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় একটি রেস্টুরেন্টে পাঁচ জঙ্গির হামলায় ২৯ জন নিহত হওয়ার পর ভারতীয় পুলিশ ড. জাকিরের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য প্রচার ও মানি লন্ডারিংয়ের মামলা দায়ের করে। তবে তার আগেই তিনি ভারত থেকে চলে যান।
তার বক্তব্য শুনে একজন হামলাকারি উদ্বুদ্ধ হয়েছিলো বলে অভিযোগ করা হয়।
মালয়েশিয়ার সাবেক বারিসান ন্যাশনাল সরকার ২০১৫ সালে জাকির নায়েককে স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা দেয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাযুদ্ধের অপেক্ষায় বার্মিংহাম by ইশতিয়াক পারভেজ

বিশেষ করে ইংলিশরা ছাড়াও আরো দুটি দেশের মানুষ এখন প্রস্তুত এই মাঠে মহাযুদ্ধের জন্য। কাল এখানেই ভারতের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। বলার অপেক্ষা রাখেনা ইংলিশদের টিকে থাকার এই ম্যাচ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। সাত ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে থাকলেও তাদের এক পয়েন্ট কম নিয়ে ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
শেষ দুই ম্যাচে জিততে না পারলে হয়তো নিজেদের দেশের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে দর্শক হয়েই থাকতে হবে মরগান-বাটলারদের। তবে, এই ম্যাচ জিতলেই ভারত নিশ্চিত করে ফেলবে শেষ চার। এরপরই তাদের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। যদি তার আগে তারা ইংলিশদের হারিয়ে দেয় তাহলে টাইগারদের বিপক্ষে থাকবে হালকা মেজাজে। তা না হলে আরো একটি কঠিন লড়াই। তবে বাংলাদেশের জন্য কিন্তু ভারত মানেই যুদ্ধ। জিতলেই টিকে থাকবে টাইগারদের স্বপ্ন। বলার অপেক্ষা রাখেনা, এজবাস্টন এখন প্রস্তুত এই তিন দলের মহাযুদ্ধের জন্য।
যদি এক কথায় বলা হয়, তাহলে এজবাস্টনেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ভাগ্য। প্রথম ৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নেয়া ইংলিশদের হাতে বাকি মাত্র ২টি ম্যাচ। তাই ভারতের বিপক্ষে তাদের জয়ের বিকল্প নেই। শুধু তাই নয়, শেষ ম্যাচে তাদের কঠিন প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড । তাদের প্রতিপক্ষ দুই দলই ১১ পয়েন্ট নিয়ে সেমিতে পা দিয়ে রেখেছে। শুধু তাই নয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানও নিজেদের শেষ দুই ম্যাচ জিতে সেমির পথে এগিয়ে যেতে মরিয়া। দুই দলেরই সংগ্রহ ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট। এই এজবাস্টনেই নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে আশা বাঁচিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে, বাংলাদেশ দলের জন্য শেষ দুই ম্যাচ জেতার কোনো বিকল্প নেই। এই মাঠে ভারতকে হারাতে পারলেই বেঁচে থাকবে স্বপ্ন।
২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এই মাঠেই সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। সেবার এখানেই স্বপ্ন শেষ করে দেশে ফিরতে হয়েছিল টাইগারদের। এরপর দুবাইয়ে এশিয়া কাপেও বাংলাদেশকে হতাশ করে ট্রফি জিতে নিয়েছে ভারত। সেই ফাইনালে লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে ভালো অবস্থানে ছিল দল। তবে ১২০ রানের ওপেনিং জুটির পরও ২২২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। যদিও ছোট লক্ষ্য তাড়া করে সেই ম্যাচে কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়েছিল ভারত। শেষ পর্যন্ত ফাইনালে জিতেছিল মাত্র ৩ উইকেটে। অন্যদিকে, ইল্যান্ডের মাটিতে এই বার্মিংহাম স্টেডিয়ামেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ২৬৪ রান করলেও ৯ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় ভারত। দুটি ম্যাচ নিয়ে মাশরাফির আফসোসের শেষ নেই। ভালো অবস্থান থেকে দলের ব্যাটিং ও বোলিংয়ের দায়িত্বহীনতাই এক পর্যায়ে ডুবিয়েছে দলকে। বার্মিংহামের আড্ডাতে শেষ দুই ম্যাচ নিয়ে টাইগার অধিনায়কের কন্ঠে শুধু আক্ষেপই ঝরেছে।
২রা জুলাই ভারতের বিপক্ষে এই মাঠে নামার আগে তাই টাইগার অধিনায়ক দলের কাছে অন্যরকম আশাই করছেন। এই ম্যাচ জিততে না পারলে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে এগিয়ে যাওয়ার পথ বন্ধই হয়ে যাবে। তাই শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে কেমন উইকেট হবে তা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। এখানে ধারণা করা হচ্ছে ব্যবহৃত উইকেটেই খেলা হবে। কারণ এই বিশ্বকাপে এখানে একটি উইকেটে মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড।
কাল আরেকটিতে মুখোমুখি হবে ভারত-ইংল্যান্ড। যদি এখানে তৃতীয় ম্যাচে নতুন কোনো উইকেট ব্যবহার না করে তাহলে আগের দুটির একটি জুটবে বাংলাদেশের জন্য। মাশরাফির ধারণা এখানে রান হয়। কিন্তু নিউজিল্যান্ডকে এখানে শেষ ম্যাচে যুদ্ধই করতে দেখা গেছে রান তোলার জন্য। এখন দেখার বিষয় ভারত এখানে কী করে। তবে ইতিহাস বলছে এই মাঠে ওয়ানডেতে ৪’শ রানও হয়েছে। তা করেছে ইংলিশরাই। ৩’শ ছাড়ানো ইনিংস আছে ৫টি। এর একটি ভারতের। এই মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০১০-এ ইংল্যান্ড করেছিল ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৪৭ রান। জবাবে ২০৩ রানে থেমেছিল বাংলাদেশের ইনিংস।
এজবাস্টনে ২০০৪-এ প্রথমবার খেলে বাংলাদেশ দল। এরপর ২০১৭ পর্যন্ত সবমিলিয়ে খেলেছে ৩ ম্যাচ। এবার ইতিহাস বদলের অপেক্ষা। মাশরাফির বিশ্বাস, হবে। না, হলে যে তাদের স্বপ্নই মিলিয়ে যাবে মাটিতে! তার জন্য সত্যিই যুদ্ধই করতে হবে ব্যাট-বল হাতে। সেই যুদ্ধের অপেক্ষাতেই এখন বার্মিংহাম থেকে বাংলাদেশ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর কাশ্মিরে সন্ত্রাসী ঘটনা বেড়েছে
মঙ্গলবার ভারতের পার্লামেন্টে চলমান বাজেট অধিবেশনে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডির দেয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৬ সাল থেকে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী জম্মু-কাশ্মিরে ৭৩৩ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। ২০১৯ সালেই হত্যা করা হয়েছে ১১৩ জনকে।
সরকারের দেয়া তথ্যে দেখা যায়, ২০১৮ সালে জম্মু-কাশ্মিরে সবচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এ বছর ২৫৭ সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালে ২১৩ ও ২০১৬ সালে ১৫০ জনকে হত্যা করা হয়েছে।
রেড্ডি পার্লামেন্টে বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে সরকার।
চলতি বছর ভারতীয় বাহিনী কাশ্মিরে বহু সংখ্যক সন্ত্রাসদমন অভিযান চালায় বলে রেড্ডি জানান। এর মধ্যে ১৮ জুন হত্যা করা হয় সাজ্জাদ ভাটকে। তাকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামা হামলার মূল হোতা বলে মনে করা হয়। ওই হামলায় ৪০ জনের বেশি ভারতীয় সেনা নিহত হয়।
গত বছর থেকে জম্মু-কাশ্মিরে প্রেসিডেন্টের শাসন চলেছে। বিজেপি সরকারের নিয়োগ করা গভর্নর এখন রাজ্যটি চালাচ্ছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় ছায়াপাত করে আছে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহাররের প্রশ্ন by উমাইর জামাল

ব্যাপকভাবে বলতে গেলে চলমান আফগান শান্তি প্রক্রিয়া দেশটির সরকারের ব্যাপারে তালেবানের মনোভাব পরিবর্তন করতে পারেনি বা আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির ব্যাপারে তাদেরকে অবস্থান থেকে টলানো যায়নি। বেশ কয়েক মাসের লবিং ও অসংখ্য বৈঠক করেও তালেবানদের কাছ থেকে কোন ছাড় আদায় করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। তারা এখনো বলছে যে আফগান সরকার অবৈধ এবং যেকোন শান্তি চুক্তির পূর্ব শর্ত হিসেবে অবিলম্বে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার দাবি করছে।
অন্যদিকে, আফগান সরকার ও যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা ছাড় দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তাদের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক বাহিনী প্রত্যাহারের ব্যাপারে স্পষ্ট কোন পরিকল্পনা পাওয়া যায় না। ফলে স্পষ্টতই শান্তি প্রক্রিয়ায় বর্তমান অচলাবস্থার জন্য মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের প্রশ্নটি বড় কারণ হয়ে উঠেছে।
দুটি বড় ও অনেকগুলো ছোট কারণে বর্তমান অচলাবস্থা সহসা নিরসন হবে বলে মনে হয় না। প্রথমত, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক প্রশ্নে আফগানিস্তানে বড় দুটি রাজনৈতিক গ্রুপের উত্থান ঘটেছে। রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার জন্য আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি ব্যাপকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল। তিনি জানেন মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা মাত্র তার নেতৃত্বাধীন সরকারের উপর বড় ধরনের আঘাত আসবে এবং তার টিকে থাকা কঠিন হবে।
তালেবানরা আলোচনায় আফগান সরকারকে রাখতে রাজি না হওয়ায় তাদেরকে বাদ দিয়েই যুক্তরাষ্ট্র তালেবানের সঙ্গে বেশ কয়েক দফা আলোচনা করে ফেলেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রেরও তেমন সুবিধা হয়নি কারণ শান্তি প্রক্রিয়া থেকে বাইরে রাখার কারণে ওয়াশিংটনের উপর চাপ সৃষ্টি করছে আফগান সরকার। সম্প্রতি একজন শীর্ষ আফগান কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জালমি খলিলজাদকে অভিযুক্ত করেন আফগান সরকারকে ‘অবৈধ’ করার চেষ্টা চালানোর জন্য। তিনি এমনও বলেন যে খলিলজাদ ভাইসরয়ের মতো কাজ করছেন। এরই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও আফগান সরকার শান্তি প্রক্রিয়ায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করলেও যুক্তরাষ্ট্র তালেবানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরে সফলতা আনতে এই প্রক্রিয়ার মধ্যে আফগানিস্তানের অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করতে চাচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, আফগান তালেবান ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল ব্যাপকভাবে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু করেছে। তারা বিশেষ করে চীন ও রাশিয়া এবং পাকিস্তান ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে তালেবানরা মস্কোতে অন্যান্য আফগান রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এক সম্মেলনে অংশ নেয়। সেখানে অবিলম্বে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি তোলা হয়েছে।
তাছাড়া এমন এক সময় তালেবানরা চীন সফরে গেলো যখন যুক্তরাষ্ট্র আরেক দফা আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চীনে তালেবানের রাজনৈতিক মুখপাত্র বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র সেনাপ্রত্যাহারের সময়সীমা ঘোষণা করলেই আন্ত:আফগান আলোচনা পথ খুলে যাবে। তখনই আমরা ভবিষ্যৎ সরকার ও আন্ত:আফগান আলোচনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারবো।
এই সফরের মধ্য দিয়ে বুঝা যায় আফগানিস্তানের রাজনীতির উপর বেইজিংয়ের প্রভাব শুধু বৃদ্ধিই পায়নি, তালেবানদের সঙ্গেও তাদের সম্পর্ক জোরদার হয়েছে।
এর মধ্য দিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো কোন পক্ষকে সমর্থন দেবে সেটাও স্পষ্ট হয়ে গেছে। আফগানিস্তানের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো বুঝতে পারছে যে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই তাদের দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিদায় নেবে। তাই ক্ষমতায় যেতে হলে আঞ্চলিক শক্তিকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা জরুরি।
এতে সহজেই বুঝা যায়, আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পাওয়ারব্রোকারদের মধ্যে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ওয়াশিংটন চলে যাওয়ার প্রস্তুতি জোরদার করার সঙ্গে সঙ্গে চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো স্থানীয় রাজনৈতিক গ্রুপগুলোর সঙ্গে কাজ করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে, যাতে আসন্ন অন্তবর্তীকালটি শান্তিপূর্ণ হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয় by ডা. শাহজাদা সেলিম

হাড় ক্ষয়ের কারণে দীর্ঘ তালিকা রয়েছে, যারা দু’টি দলভুক্ত হবে: ক) গ্লুকোকর্টিকয়েড ব্যবহার জনিত। খ) চলৎ ক্ষমতা সীমিত কারক কারণ সমূহ।
শিশুদের হরমোন চিকিৎসার ক্ষেত্রে অগ্রগতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেশি করে হাড় ক্ষয়ের রোগী শনাক্ত হচ্ছে। শিশুদের রক্তের ক্যান্সার, মাংশপেশী ও হাড়ের গাঠনিক জিনগত ত্রুটি হাড় ক্ষয়ের অন্যতম কারণ হতে পারে। এগুলোর দীর্ঘকাল ব্যাপী প্রভাব থেকে যায়। শিশুদের রক্তের ক্যানসারের চিকিৎসাও (কেমোথ্যারাপি) অনেক সময় হাড়ের ঘনত্ব কমাবার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। জন্মগত হাড় ও মাংশের রোগ এবং অন্যান্য ক্যানসারও শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয়ের কারণ হতে পারে। বেশির ভাগ শিশু-কিশোরই কোনো রকম শারীরিক সমস্যা নিয়ে শুরুতে নাও আসতে পারে। কিন্তু যারা গ্লুকোকর্টিকয়েডের চিকিৎসা পাচ্ছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসার শুরু থেকেই কি ডোজে এ ওষুধটি সেবন করছে, কতদিন ধরে চিকিৎসা চলছে, সেটি হিসাব করে হাড় ক্ষয়ের মাত্রার অনুমান করা যেতে পারে। যে সকল শিশু স্টেরয়েড চিকিৎসা পাচ্ছে, তাদের ৬ থেকে ১৬ শতাংশ প্রতি বছর হাড় ক্ষয়ে আক্রান্ত হতে পারে। একই সঙ্গে যদি অন্য কোনো কারণ উপস্থিত থাকে তাহলে এর মাত্রা বেড়ে যাবে। শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয়ের অন্যতম প্রধান জায়গা হলো কশেরুকা। এরপরে আছে পাঁজরের হাড়, হাত ও পায়ের লম্বা হাড়গুলো এবং কোমরের হাড়। শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয়ের অনেকগুলো তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘস্থায়ী ফলশ্রুতি থাকে। হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি যেমন বৃদ্ধি পাই, তেমনি দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার সম্ভাবনা থেকে যায়। পায়ের হাড় ভেঙে গেলে চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার সমূহ সম্ভাবনা থাকবে। মেরুদণ্ডের হাড়, পাঁজরের হাড় এবং বুকের হাড় ভেঙে গেলে আকৃতিগত স্থায়ী অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে। শিশুদের দৈহিক কাঠামো গতিশীলভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ সময় যে কোনো হাড় ভেঙে গেলে, এ গতিকে তা মারাত্মকভাবে ব্যহত করে।
এ সকল কিছু বিবেচনায় নিয়ে যে সকল শিশু-কিশোর হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদেরকে নিয়মিত মনিটরিং এর আওতায় আনাটা প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের একটি দায়িত্ব হতে পারে। অধিকাংশ উন্নত দেশেই এ কাজের জন্য সুনির্দিষ্ট কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে। এতে নির্দিষ্ট সময় পর পর হাড়ের ঘনত্ব মাপা (ইগউ), নির্দিষ্ট কিছু রক্তের পরীক্ষা করা ও শিশুটির দৈহিক বৃদ্ধির মাত্রা দেখা হয়।
রোগটি শনাক্ত হবার পরে শিশু বা কিশোরটির চিকিৎসার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এর অংশ হিসেবে শিশুটির দেহে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন ডি, প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, কপার, আয়রন, ফ্লোরাইড, জিংক, এবং ভিটামিন এসি ও কে-এর মাত্রা নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ঘাটতি পূরণের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এ কাজে ওষুধের চেয়ে জীবন-যাপন আদর্শকরণ ভিত্তিক উন্নতি বেশি ফলদায়ক। সে উদ্দেশে খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও শারীরিক শ্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিশু-কিশোদের কমপক্ষে ১০০ওট ভিটামিন-ডি প্রতিদিন খাওয়া উচিত। কিন্তু যাদের ঘাটতি আছে, তাদের আরো বেশি লাগতে পারে। বাংলাদেশে খাবার থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি-পাবার তেমন কোনো সুযোগ নেই। তাই নিয়মিত রোদ পোহানোই সবচেয়ে সহায়ক পদ্ধতি হতে পারে। যে সব শিশুর দীর্ঘস্থায়ী রোগ আছে, তার পর্যাপ্ত চিকিৎসা করতে হবে। যে সব রোগের জন্য স্টেরয়েড সেবন প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে স্টেরয়েডটির ন্যূনতম প্রাত্যহিক মাত্রা নিরূপণ করে সেবন করতে হবে। সকল ক্ষেত্রেই আদর্শ মানের মনিটরিং দরকার।
শিশুর হাড় ক্ষয়ের মাত্রা নিশ্চিত করার পরে ওষুধ বাছাই করার দরকার হবে। সেক্ষেত্রে ইনজেকশন ও মুখে খাবার ওষুধ দু’রকমই আছে। হরমোন বিশেষজ্ঞ শিশুর বয়স, হাড় ক্ষয়ের কারণ, হাড় ক্ষয়ের মাত্রা ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা বিবেচনা করে শিশু বা কিশোরটির জন্য আদর্শ ওষুধ ও এর মাত্রা ঠিক করবেন।
লেখক: সহকারী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মর্জিনা যেন সাফল্যের প্রতিচ্ছবি
সেলাই ও হস্তশিল্পের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে মর্জিনা এখন মাসে আয় করেন ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। গ্রামের অন্য নারীদেরও স্বাবলম্বী করার পথ দেখিয়েছেন তিনি। অবসর সময়ে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেন মর্জিনা। এ পর্যন্ত অন্তত ৫০০ নারী তাঁর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে টাকা আয় করছেন। পরিবার নিয়ে তাঁরা সুখে–স্বাচ্ছন্দ্যে আছেন।
গত শনিবার কথা হয় মর্জিনা খাতুনের সঙ্গে। এ সময় তিনি জানান তাঁর পরিশ্রম ও নানা অর্জনের কথা। মদনপুর গ্রামের কৃষক সুজির উদ্দিনের পাঁচ সন্তানের মধ্যে মর্জিনা রয়েছেন চার নম্বরে। মা জয়গুন বিবি গৃহিণী। ১৯৯৫ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় বিয়ে হয় মর্জিনার। শ্বশুরবাড়িও একই গ্রামে। স্বামী বাসচালকের সহকারী (হেলপার) ছিলেন। বিয়ের পর তাঁকে সইতে হয়েছে অসহ্য যন্ত্রণা। বড় বোন মেরিনা বেগমের সহায়তায় পোশাক তৈরির কাজ শিখেছেন।
মর্জিনা খাতুন বলেন, বিয়ের পর বাবা তাঁকে দুই বিঘা জমি দিয়েছিলেন। ওই জমির আয় থেকে জায়গা কিনে বসতবাড়ি গড়েন। ওই বাড়িতে স্বামীর সঙ্গে থাকতেন তিনি। স্বামীর সংসারে গেলেও লুকিয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যান। স্থানীয় মাদ্রাসা থেকে ২০০০ সালে দাখিল পাস করেন। পরে উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ের সহায়তায় দুই বছরের প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০১০ সাল থেকে তিনি ইউনিয়ন তথ্যসেবা ও ডিজিটাল সেন্টারে কাজ করছেন। অবশেষে ২০১৩ সালে স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটান। পরের বছর আলিম পাস করেন মর্জিনা। ওই বছরই জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ–এর তালিকায় উপজেলা পর্যায়ে ২০১৪ সালে শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে তৃণমূল নারী উদ্যোক্তা হিসেবেও তালিকাভুক্ত হন।
![]() |
| গ্রামের নারীদের সংসারের কাজের অবসরে পুঁথির ও প্লাস্টিকের তৈরি ব্যাগ ও ওয়ালম্যাট তৈরির কাজ শিখিয়ে দিচ্ছেন মর্জিনা খাতুন (মাঝে)। গত রোববার তোলা। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1265)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
June
(697)
-
▼
Jun 30
(39)
- এই বুঝি আসে দুঃসংবাদ, বুক কেঁপে উঠছে বিদিশার by আব...
- গুজরাটে ভারতের প্রথম ডাইনোসর জাদুঘর ও ফসিল পার্ক
- আসামের এনআরসি নাগরিকদের স্বীকৃতি দানের বদলে বিদেশী...
- মহাসড়কে নিরাপত্তা: 'বাচ্চাদের গলায় রাম দা ধরে বল...
- ‘যুদ্ধবিরতি’তে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-চীন, হুয়াওয়ে ইস্...
- রিফাত হত্যা: পুলিশে চাকরি পাচ্ছেন ‘০০৭’ গ্রুপের সদ...
- নয়ন-মিন্নির বিয়েতে দেনমোহর ছিল ৫ লাখ টাকা by গোলাম...
- ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকা থেকে বাদ পড়ছে সুন্দর...
- রাজনীতিতে নামছেন আফ্রিদি!
- নারায়ণগঞ্জ মাস্তানীর জায়গা না, এখানে ব্যবসায়ীরা বস...
- বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ইংল্যান্ড : কে যাবে সেমিফাইনালে?
- হেডিংলিতেও দুর্দান্ত শাহীন
- লুটপাটের টাকায় বিদেশে তৈরি হচ্ছে বেগমপাড়া: সংসদে র...
- ব্যাংক খাতে সরকারের ঋণ বাড়ছে: ৯ মাসে সঞ্চয়পত্র থেক...
- কাটছাঁট করে বাজেট পাস হচ্ছে আজ
- ‘হুকুম মানার’ অর্থনীতি বাতিল চান প্রফেসর ইউনূস
- ব্রিটেনের প্রাথমিক বিদ্যালয়: শিক্ষা যেখানে আনন্দ b...
- ইউরোতে পরিশোধ করলেও এস-৪০০ চুক্তির উপর মার্কিন নিষ...
- নেপালে শি জিনপিং, সতর্ক দিল্লী by বিশ্বাস বড়াল
- ভারত থেকে এবার হজে যাচ্ছে রেকর্ড সংখ্যক নারী by আশ...
- বাজেট থেকে প্রত্যেকে উপকৃত হবে: প্রধানমন্ত্রী
- জাকির নায়েককে ফেরত আনতে ভারতের চেষ্টা, আগের সিদ্ধা...
- মহাযুদ্ধের অপেক্ষায় বার্মিংহাম by ইশতিয়াক পারভেজ
- ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর কাশ্মিরে সন্ত্রাসী...
- আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় ছায়াপাত করে আছে মার্কিন বা...
- শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয় by ডা. শাহজাদা সেলিম
- মর্জিনা যেন সাফল্যের প্রতিচ্ছবি
- রিফাত হত্যার দুই আসামি রিমান্ডে: ‘০০৭’ গ্রুপের ভয়ঙ...
- সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ ১২০০ কোটি টাকা বেড়ে...
- কেন এই নৃশংসতা by নুরুজ্জামান লাবু
- তিন দশকে অর্ধেক তাঁত কারখানা বন্ধ
- মুসলিম নায়িকা সিঁদুর পরে বিয়ে করলো কেন
- মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন দিলেন সিরিসেনা, সংবিধান সংশোধ...
- চেয়ারে বসার ‘অপরাধে’ দলিত যুবককে পিটিয়ে হত্যা
- নিঃশ্বাস পরীক্ষা করে ক্যান্সার শনাক্তের পদ্ধতি যেভ...
- মুরসিকে নিয়ে নতুন তথ্য ফাঁস করলেন আবদুল কাদির খান
- ট্রাম্পের পরিকল্পনা ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ব্যর্থ
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে?
- মূল আসামিরা ধরা পড়েনি
-
▼
Jun 30
(39)
-
▼
June
(697)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





